Anulekhon.blogspot.com

Sunday, 11 August 2019

বিশ্বকর্মা পূজার মন্ত্র ও নিয়ম ।


শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মা, তিনি দেবতা দের জন্য নির্মাণ কাজ করেন। সেই কারণেই মর্ত্যে শিল্প কারখানায় ভাদ্র মাসের শেষ দিন বিশ্বকর্মা পূজা হয়। এই পুজোয় যে কাজ বা মন্ত্র গুলো পাঠ করতে হয়। সে গুলো ব্রাহ্মণ বা পুরোহিত কে মুখস্থ করে রাখতে হবে। এই পুজোতেও সে গুলো প্রথম করতে হবে। ১) আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ( যযমানের বাড়িতে এবং মুর্তি এনে পুজো করলে করতে হবে।) ৭) সংকল্প ৮)সংকল্প সুক্ত ৯) পঞ্চ গব্য শোধন ১০)অধিবাস (বরণ ডালা নিয়ে ও মন্ত্রে) ১১) সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন ১২) দ্বার পুজা ১৩) বিঘ্ন অপসারণ ১৪) মাস ভক্ত বলি ১৫) আসন শুদ্ধি ১৬) পুষ্প শুদ্ধি। ১৭)কর শুদ্ধি ১৮) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি ১৯) প্রাণায়াম ( কেউ কেউ এখানে প্রাণায়াম করে আবার সংহার মাতৃকান্যসের পর করে। দুর্গা পূজায় সংহার মাতৃকান্যসের পর করতে হবে।) ২০) মাতৃকান্যাস ২১) অন্তর মাতৃকান্যাস ২২ ) বাহ্য মাতৃকান্যাস ২৩ ) সংহার মাতৃকান্যাস ২৪) পীঠ ন্যাস ২৫) ) কর ন্যাস ২৬)  অঙ্গ ন্যাস ২৭) ব্যাপক ন্যাস ২৮) ঋষ্যাদি ন্যাস ২৯) ) ধ্যান ৩০)মানস পুজা ৩১) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন বেদি শোধন, ৩২) পীঠ পূজা ৩৩) ঘট স্থাপন ৩৪) কাণ্ড রোপন ৩৫)সূত্র বেষ্ঠন ৩৬) ধ্যান করে আহ্বান ৩৭) পঞ্চ দেবতার পূজা ( গনেশ, সূর্য, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা প্রত্যেকের আহ্বান পঞ্চপোচার পুজো পঞ উপাচার হলো ক) গন্ধ খ) পুষ্প গ) ধূপ ঘ) দীপ ঙ) নৈবেদ্য এবং প্রণাম মন্ত্র সহ পূজা) ৩৮)) প্রাণ প্রতিষ্ঠা যদি মূর্তি থাকে ৩৯)) চক্ষু দান ৪০)ধ্যান করে প্রধান পূজা ষোঢ়শোপচার হতে পারে, দশম উপাচারে পূজা হতে পারে। ৪১)পুষ্পাঞ্জলি ৪২) প্রণাম। ৪৩) হোমের যোগার থাকলে হোম করতে হবে। বিশ্ব কর্মা ঠাকুরের মূল মন্ত্র "বিং বিশ্ব কর্মায় নমঃ" ধ্যান মন্ত্র " ওঁ দংশপাল মহাবীর সুচিত্র কর্মকারকঃ
 বিশ্বকৃতঃ বিশ্বধৃতকঞ্চ বাসনামানদণ্ড ধারক। 
এবার পূজো শুরু করা যাক। 
আচমন :- কোশা থেকে কুশি করে (ব্রাহ্মণ) ডান হাতের তালুতে মাস কলাই ডুবতে পারে এরকম জল নিয়ে। মুখে দেবে। মন্ত্র ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু। 
২) বিষ্ণু স্মরণ :- কর্ণদ্বয়, কপাল, দুই বাহু, হৃদয় ও নাভী স্পর্শকরে মন্ত্র বলতে হবে। ওঁ তদ্বোবিষ্ণু পরম পদং সদা পশ্যন্তি সুরোয় দিবীব চক্ষুরততম । 
এবার হাত জোর করে। ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা গতহোপিবা। যৎস্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি। সর্ব মঙ্গল্য মঙ্গলং বরেদং বরেনং শুভম। নারায়ণ নমস্কৃতং সর্ব কর্ম কারয়েত। প্রারম্ভে সর্ব কর্মে বিপ্র পুণ্ডরীকং স্মরদ্ধরিম। মাধব মাধব বাচি মাধব মাধব হৃদি। স্মরন্তি সাধব সর্ব কার্যেসূ মাধবম। ওঁ মাধবম ওঁ মাধবম ওঁ মাধবম ।
৩)স্বত্ত্বি বাচন :- ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্ব কর্মা পূজা কর্মানি ওঁ পূন্যাহম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ পূন্যাহম, ওঁ পূন্যাহম, ওঁ পূন্যাহম। ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্ব কর্মা পূজা কর্মানি ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্ত্বি, ওঁ স্বত্ত্বি, ওঁ স্বত্ত্বি।  ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্বকর্মা পূজা কর্মানি ওঁ ঋদ্ধতাম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ।
কুশিতে আপত চাল ছড়াতে ছড়াতে, ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত :-  ওঁ সোমং রাজনং বরুণাগ্নিম্বারভামহে । আদিত্যং বিষ্ণু সূর্য ব্রহ্মনাঞ্চ বৃহস্পতিম। ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি । 
( স্বত্ত্বি বাচন তিন বেদে আছে, উপরের স্বত্তি বাচন সাম বেদীয়, এখানে বেশির ভাগ মন্ত্র সাম বেদীয় অর্থাৎ সনাতনি সুরে বলা ভালো। কেবল সংকল্প সুক্ত ও হোমের মন্ত্র যযুর্বেদীয়) 
৫) সাক্ষ্য মন্ত্র :- ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভূতানহক্ষপা, ব্রাহ্মণ শাসনমাস্থায় কল্পধিহম। 
৬)বরণ :- ( এখানে পুরোহিত বরণ বা বকলমা দান, অনেক ব্রাহ্মণ করেন অনেকে করেন না। কারণ ব্রাহ্মণ কে ব্রস্ত্র উপোবীত অন্য দ্রব্য দান করে বকলমা দিতে হয়।) 
যযমান ও পুরোহিত উত্তর বা পূর্ব অভিমুখে বসে যযমান আতপ চাউল ও দূর্বা নিয়ে পুরোহিতের দক্ষিণ জানু স্পর্শ করে বলবেন। যযমান :- সাধুভাবানস্তাম, পুরোহিত :- সাধ্বহমাস । যযমান :- অর্চ্চায়স্ম ভবন্তাম । পুরোহিত :- অর্চ্চয়া। এবার একটি পিতলের থালায় বস্ত্র উপোবীত আসন অঙ্গুরিয় ফুল বেলপাতা দূর্বা নিয়ে ব্রাহ্মণের হাতে তুলে দিতে দিতে যযমান বলবেন :- এতানি গন্ধ পূষ্প বস্ত্র যোগ্য উপোবীতানি পূজক ব্রাহ্মণায় নম। পুরোহিত :- ওঁ স্বত্ত্বি। এবার যযমান হাতে বা কুশিতে আতপ চাল ফুল দূর্বা নিয়ে বলবেন :- বিষ্ণুর্মোহদ ( যযমান শুদ্র হলে, ব্রাহ্মণ হলে, বিষ্ণুরোম তৎসদ্য) অমুক পক্ষে ( এখানে কৃষ্ণ পক্ষ বা শুক্ল পক্ষ) ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ অমুক গোত্র অমুক দাস মৎ সংকল্পকিত চতুর্থ বর্গ সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্বকর্মা পূজা কর্মানি পূজক কর্ম অমুক গোত্র ( পুরোহিতের গোত্র) অমুক দেবশর্ম্ম মহৎ বৃর্ণে। ( আপত চাল ঘটের ওখানে ছড়িয়ে দিতে হবে) পুরোহিত :- ওঁ বৃহস্পতিম। যযমান :- যথাজ্ঞান পূজাকর্মন কুরু । পুরোহিত :- যথা জ্ঞানং করবানি। (আগেই বলেছি এই বরণ একমাত্র বাড়িতে বা বড়ো কোন একক ভাবে কার পুজো করলে এবং পুরোহিত বর্ণের দক্ষিণা সহ বস্ত্র ইত্যাদি যোগার থাকলে করা হয়।) 
৭) সংকল্প :- (এই সংকল্প শুরুতে কুশিতে কালো তিল ফুল কুশ ত্রিপত্র  এবং হরিতকি ফল নিয়ে দক্ষিণ জানু মাটিতে রেখে বাঁ হাতে কুশি কে ডান হাতে চাপা দিয়ে মন্ত্রববলতে হবে) ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য ভাদ্র মাসে অমুক পক্ষে সংক্রান্তি তিথৌ অমুক গোত্র অমুক নাম্নে ( এখানে যযমানের গোত্র ও নাম) চতুর্থ বর্গ সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্বকর্মা পূজা কর্ম করিষ্যামি।
৮) সংকল্প সূক্ত :- (যযুর্বেদীয় এটাই বেশিরভাগ পুরোহিত বলে থাকেন।) ওঁ যজাগ্রত দূরামুদৈতি দৈবাং তথৈবৈতি দূরাঙ্গম জ্যোতিষং  জ্যোতিরেকং তণ্মে নমঃ শিব সংকল্প মস্তু । ওঁ সংকল্পিতেহস্মিন কর্ম্মণি  সিদ্ধিরস্তু । ওঁ অয়মারম্ভ শুভায় ভবতু ।
৯) পঞ্চ গব্য শোধন :- (পঞ্চ গব্য আসলে গরু থেকে প্রাপ্ত পাঁচটি জিনিস। গোময়, গোমুত্র, বা গোচনা, দুধ, গব্য ঘি, আর দধি) পাঁচটি দ্রব্য এক সাথে মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ করলে। সংক্ষেপে পঞ্চগব্য শোধন করা হয়। না হলে প্রতিটির আলাদা করে মন্ত্র আছে এবং সব কটি মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ। অনেকেই সব মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ করে শুদ্ধ করে নেন।) 
১০) অধিবাস :- বরণ ডালা নিয়ে বরণ, সংক্ষেপে,ওঁ অনেন প্রসস্তি পত্রেন অস্য বিং বিশ্বকর্মায় শুভ অধিবাস মস্তু। ( যদি মূর্তি থাকে সাদা সুতাতে হলুদ মাখিয়ে সাত বা নয় গাছি দূর্বা লাল আলতা পাতা এবং সিদ্ধি দিয়ে বেঁধে রাখা, ঐ পাত্রে থাকবে, সেই সূতা নিয়ে মন্ত্র বলতে বলতে ডান হাতে বেঁধে দিতে হবে।) মন্ত্র :- ওঁ অনেন মঙ্গল সুত্রেন, অস্য বিং ওঁ 
বিশ্বকর্মায় নম । মুর্তি থাকলে তার ডান হাতে মঙ্গল সুত্র বেঁধে দেবেন। 
১১) সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন :- পুরোহিত তার সম্মুখে, গঙ্গা জল দিয়ে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে। নিম্ন লিখিত মন্ত্র পাঠ করে ফুল দিয়ে পুজা করে নেবন।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কূর্ম্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথ্বিবৈ নম ।
এবার ঐ মণ্ডলের উপর কোশা রেখে ওঁ বিং ফট মন্ত্রে কোশা জল পূর্ণ করে। কোশার উপর দিকে ফুল দিয়ে পুজো করে নিতে হবে। মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। এর পর ধেনু মুদ্রা প্রভৃতি পাঁচ মুদ্রা প্রদর্শন করে। অঙ্কুশ মুদ্রায় কোশার জল স্পর্শ করে, মন্ত্র :- ওঁ গঙ্গদা সরতিশ্চ সর্ব্বা সমুদ্রাশ্চ সরংসিশ্চ ।আয়ন্তু ( নিজের হলে আয়ন্তু অয়ম) যজমানস্য দূরিত ক্ষয়কারক। ওঁ গঙ্গেচ যুমুনে চৈব্য গোদাবরী সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিধিং কুরু । কুশ ত্রিপত্র দিয়ে তিন বার জলের ছিটা দিতে হবে সব দ্রব্যের উপর। মন্ত্র :- বং এতে গন্ধাদিভেভ্য ওঁ গাং গনপতাদি পঞ্চ দেবগনভ্য নম। ( তিন বার এই মন্ত্র) 
১২) দ্বার পূজা :- আহ্বান :-  দ্বার দেব গন ইহাগচ্ছ, ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ, 
(এবার পঞ্চ উপাচারে পুজো) (১) এষো গন্ধ ওঁ দ্বার দেব গণভো নমঃ। (২)এতৎ পুষ্পম ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। (৩) এষো ধূপ ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। (৪)এষো দীপ ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। (৫)এতৎ নৈবেদ্যম ফল মূলানি ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। 
১৩)বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ অস্ত্রায় ফট, মন্ত্রে বাম পায়ের গোড়ালি দিয়ে মাটিতে তিন বার আঘাত করবেন। 
১৪) মাস ভক্ত বলি :- একটি মাটির খুড়ি বা ছোট ভাঁড় বা কলাপাতা বা বিল্ব পত্র বা কাঁঠাল পাতার উপর আতপ চাল, দধি, সন্দেশ, ফুল দিয়ে সাজিয়ে নিয়ে। ভুত দ্বয়ের আহ্বান করবেন। আহ্বান :- ভুতা দ্বয় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ, ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহ সন্নিরুদ্ধস্য ইহ সন্নিধেহি, অত্র অধিষ্ঠিত মম পুজা গৃহ্নিত। এবার কুশ ত্রিপত্র দিয়ে তিন বার জলের ছিটা দিন। বং মাসভক্ত বলয়ে নমঃ ।
এবার ফুল, বেল পাতা দূর্বা নিয়ে , এতে গন্ধে পুষ্পে এত অধিপতয়ে দেবায় শ্রীবিষ্ণবে নমঃ, এতৎ সম্প্রদানায় মাসভক্ত বলয়ে নমঃ । এবার হাত জোর করে বলতে হবে। ওঁ ভুতো প্রেত পিশ্চাস যে বসন্ত ভুতলে তে গৃহন্তু ময়া দত্ত বলি রেষ প্রসাদিতা, পূজিতা গন্ধ পুষ্প দূর্বা বিল্ব পত্র তর্পি স্তুতা । দেশস্মাৎ বিনিসৃত পুজাং পশ্যন্তু মৎকৃতাম ।কুশিতে জল নিয়ে দিতে হবে ওঁ ভুত দ্বয় ক্ষমধমঃ । এবার আপত চাল বা সাদা সরিষা ছড়াতে ছড়াতে ওঁ অপসর্পন্তু তে ভুতা যে বিঘ্ন কর্তারস্তে, নশ্যন্তু শিব আজ্ঞায়। বেতালাশ্চ পিশ্চাস রাক্ষসাশ্চ সরীসৃপা অপসর্পন্তু তে চণ্ডি কাস্ত্রেন তাড়িতা। 
১৫) আসন শুদ্ধি  ও গুরু পঙতি পাঠ :- আসনের নীচে জল দিয়ে একটা মণ্ডল এঁকে নিয়ে ঐ মণ্ডলের উপর ফুল দিয়ে পুজো করবেন। মন্ত্র :- ওঁ হ্রীং আধার শক্তয়ে কমল আসনায় নমঃ । ওঁ হ্রীং পৃথিবৈ কমলা আসনায় নমঃ। ওঁ হ্রীং কুর্ম্মায় কমলা আসনায় নমঃ। ওঁ হ্রীং অনন্তায় কমলা আসনায় নমঃ। এবার মণ্ডলের উপর আসন পেতে আসন ধরে বলতে হবে। অস্য আসন উপবেশন মন্ত্রস্য মেরু পৃষ্ঠ ঋষি সুতলুং ছন্দ কুর্ম দেবতা আসন উপবেশনে বিনিয়োগ। ওঁ পৃথ্বী তয়া ধৃতা লোকা দেবী ত্বং বিষ্ণু না ধৃতা। ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্র কু রুচ আসনম ।এবার গুরু পঙতি পাঠ :- বামে হাত জোর করে বলতে হবে। ওঁ গুরুবে নমঃ ।ওঁ পরম গুরুভে নমঃ। ওঁ পরমেষ্ঠি গুরুভে নমঃ । দক্ষিণে :- ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । সন্মুখে :- ওঁ বিং বিশ্ব কর্মায় নমঃ । 
১৬) পুষ্প শুদ্ধি :- বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও মধ্যমা দ্বারা ফুল স্পর্শ করে :ওঁ পুষ্প কেতু রাজা হর্তে সতেয় সমক্যায় হুঁ। পুষ্পে পুষ্পে সুপুষ্পে মহাপুষ্পে পুষ্প চয়নাকীর্বে চ হুঁং ফট স্বাহা ।
১৭) কর শুদ্ধি :-  একটা লাল ফুল বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও বাকি অঙ্গুলি দিয়ে পেষণ করে ওঁ হেঁসৌ বলে ঈশান কোনে ছুঁড়ে দিতে হবে। 
১৮) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি :- ওঁ মূল শৃঙ্গাঠ চ্ছির সুষম্নান্ন পথেন জীব শিব পরম শিব পদে যোযয়ামি স্বাহা । ওঁ যং লিঙ্গং শরীরং শোষয়ং শোষয়ং স্বাহা । ওঁ রং সংকোচং শরীরং দহ দহ স্বাহা । ওঁ সুষম্নান্ন পথেন জীব শিব পরম শিব মূল শৃঙ্গাঠ মূল্য সোহল্লাস জ্বল জ্বল প্রজ্বল প্রজ্বল স্বাহা ।
১৯)প্রাণায়াম :- বাম নাসা বন্ধ করে ডান নাসা দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে ওঁ বিং ( ৪ বার) একই ভাবে ডান নাসা বন্ধ করে বাম নাসা দিয়ে নিতে নিতে ওঁ বিং ( ৪ বার) আবার নাক বন্ধ করে মুখ বন্ধ করে শ্বাস নিতে নিতে ওঁ বিং (৪ বার) মুখ বন্ধ করে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে ওঁ বিং (৪ বার)ন্যাস শুরুর আগে কয়েকটি কথা অনেকের প্রশ্ন ন্যাস গুলো যেখানে স্পর্শ করতে বলা হয়েছে ওগুলো কি নিজ অঙ্গ? আমার মতে না ঐ অঙ্গ গুলো হচ্ছে ঘট স্থাপনের জন্য জায়গায় অষ্টদল পদ্মের উপর ঘট এবং ডাবের উপর সিন্দুর দিয়ে যে মূর্তি আঁকা হয় ওখানেও শুকনো বা গুঁড়ো সিন্দুর দিয়ে ঐ রকম মূর্তি এঁকে নিয়ে তার শরীর বা অঙ্গ স্পর্শ করে এই সব ন্যাস করতে হবে। কারণ একটাই যে জায়গায় ঘট টি বসানো হবে সেই জায়গা টি কে মন্ত্র দ্বারা পবিত্র করে নেওয়ার জন্য এই ন্যাস। 
২০)মাতৃকান্যাস :- অস্য মাতৃকা মন্ত্রস্য ব্রহ্ম ঋষি, মাতৃকা সরস্বতী হলো বীজানি দেবতা স্বর শক্তায় মাতৃকা ন্যাসে বিনিয়োগ। ওঁ ব্রহ্মণে ঋষয়ে নমঃ ।ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নমঃ ।ওঁ মাতৃকা সরস্বতৈ নমঃ । ওঁ স্বরেভ্য শক্তেভ্য নমঃ। ওঁ হলেভ্য বীজেভ্য নমঃ । ওঁ অবক্ত কীলিকায় নমঃ ।
২১) অন্তর মাতৃকান্যাস :- ওঁ আঁধারে লিঙ্গ নাভৌ হৃদয়ে সরসিজে তালুমূলে ললাটে দৈপত্রে ষোঢ়শাঢ়ে দ্বিদশ দশ দলে দ্বাদশার্থে চতুস্কে বাসান্তে বালমধ্যে ড- ফ, ক- ঠ সহিতে কণ্ঠ দেশে স্মরণাং হং ক্ষং তথার্থ যুক্তং সকল দলগত বর্ণ রূপং নমামি। ওঁ অং আং ইং ঈং উং ঊং এং ঐং ওং ঔং অং অঃ ইতি কণ্ঠে। ওঁ কং খং গং ঘং ঙং চং ছং জং ঝং ঞং টং ঠং ইতি হৃদয়। ওঁ ডং ঢং ণং তং থং দং ধং নং পং ফং ইতি নাভৌ । ওঁ বং ভং মং যং রং লং ইতি লিঙ্গমূলে। ওঁ বং ষং শং সং ইতি মূলাধারে। ওঁ হং ক্ষং ইতি ভ্রূমধ্যে ।
২২)বাহ্য মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ পঞ্চাশলি পিভির্বি ভক্ত মুক্ষদা  পন্মধ্য বক্ষস্থলাং ভাস্ব মৌলি নিবন্ধ চন্দ্র শ কলা মাপীন তুঙ্গস্থিনাম। মুদ্রা মোক্ষ গুন সুধাঢ্য কলসং বিদ্যাঞ্চ হস্তাম্বুজৈ বির্বভ্রাণ ত্রিনয়নাং বিশদ প্রভাং বাগ দেবতা মাশ্রয়ে। ওঁ অং নমঃ ( ললাটে) ওঁ আং নমঃ ( ভ্রূ মধ্য) ওঁ ইং ঈং নমঃ ( বাম চক্ষু) ওঁ উং ঊং নমঃ ( ডান চক্ষু) ওঁ ৯ং ৯ং নমঃ ( নাসিকা) ওঁ ঋং ঋং নমঃ ( নাসা রন্ধ্র) ওঁ এং নমঃ ( ওষ্ঠ) ওঁ ঐং নমঃ ( অধর) ওঁ ওং নমঃ (উর্দ্ধ দন্ত পঙতি) ওঁ ঔং নমঃ ( অধঃ দন্ত পঙতি) ওঁ অং নমঃ ( কণ্ঠে) ওঁ অঃ নমঃ ( হৃদয়) ওঁ কং নমঃ ( বাম বাহু মূল) ওঁ খং নমঃ (বাম কর্পূরে বা কনুই) ওঁ গং নমঃ ( বাম মনি বন্ধ, কবজি) ওঁ ঘং নমঃ (বাম অঙ্গুলি মূল) ওঁ ঙং নমঃ ( বাম অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ চং নমঃ ( দক্ষিণ বাহু মূল) ওঁ ছং নমঃ (দক্ষিণ কর্পূরে) ওঁ জং নমঃ ( দক্ষিণ মনি বন্ধ) ওঁ ঝং নমঃ ( দক্ষিণ অঙ্গুলি মূলে) ওঁ ঞং নমঃ (দক্ষিণ অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ টং নমঃ ( বাম চরণ মূলে) ওঁ ঠং নমঃ ( বাম গুল্ফে হাঁটু) ওঁ ডং নমঃ ( বাম গোড়ালি) ওঁ ঢং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি মূল) ওঁ ণং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ তং নমঃ ( দক্ষিণ উরু মূলে) ওঁ থং নমঃ (জানুনি) ওঁ দং নমঃ ( গুল্ফে) ওঁ ধং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি মূলে) ওঁ নং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ পং নমঃ ( বাম পার্শ্ব) ওঁ ফং নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্ব) ওঁ বং নমঃ ( পৃষ্ঠে) ওঁ ভং নমঃ ( নাভৌ) ওঁ মং নমঃ ( উদর) ওঁ যং নমঃ ( হৃদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) লং নমঃ ( কুকুদি) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ হস্তে) শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম হস্তে) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পদে) হং নমঃ (. হৃদয়াদি বাম পদে) লং নমঃ ( হৃদয় দুয়ারে) ক্ষং নমঃ ( হৃদয় মুখে)
২৩) সংহার মাতৃকা ন্যাস :- ধ্যান :- ওঁ অক্ষস্রজং হরিনপোত মৃদঙ্গটঙ্ক বিদ্যাং কররৈবিরতং দধতীং ।অর্দ্ধেন্দু মৌলি মরুণামরবিন্দবাসং প্রনমত স্তনভার নম্রাম ।
ওঁ ক্ষং নমঃ ( হৃদয় মুখে) লং নমঃ ( হৃদয় দুযারে) হং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম পদে) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পদে) শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম হস্তে) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ হস্তে) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) লং নমঃ ( কুকুদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) যং নমঃ ( হৃদি) মং নমঃ ( উদর) ভং নমঃ ( নাভৌ) বং নমঃ ( পৃষ্ঠ) ফং নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্ব) পং নমঃ (. বাম পার্শ্ব) নং নম ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ধং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি মূলে) দং নমঃ ( দক্ষিণ পদ গুল্ফে) থং নমঃ ( জানুনি) তং নমঃ ( দক্ষিণ উরুমূলে) ণং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ঢং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে)
পীঠ ন্যাস :একটি ফুল নিয়ে যেখানে ঘট বসবেন ঠিক করেছেন। পঞ্চ গুঁড়ি দিয়ে অষ্ট দল পদ্ম এঁকেছেন ওখানে বা ঐ আসনে ঠেকিয়ে মন্ত্র বলুন। সব গুলোর আগে ওঁ জুড়ে 
আধার শক্তয়ে নম ।কুমর্মারয় নম ।অন্ততায় নম:।পৃথ্বৈ নম:। ক্ষীরসমুদ্রায় নম ।কল্পো বৃক্ষায় নম । মনিবেদিকায় নম:। মনি মণ্ডপায় নম : ।রত্ন সিংহাসানায় নমঃ। পদ্মায় নম:। অন্ততায় নম :। অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নম:। উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নম:। মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নম :। সং সত্বায় নম :। রং রজসে নম:। ত্বং তমসে নম: । পং পদ্মায় নম: । আং আত্মেন নম: । অং অন্তর আত্মন নম:। হ্রীং জ্ঞান আত্মেন নম:। বর্ণ কমলাসানয় নম:.
করন্যাস :- বাং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নম, বীং তর্জনি ভ্যাং স্বাহা, বূং মধ্যমাভ্যাং বৌষট। বৈং অনামিকাভ্যাং হুং । বৌং কনিষ্ঠাভ্যাং বষট । যং রং লং সং শং করতল পৃষ্ঠাভ্যাং অস্ত্রায় ফট । 
অঙ্গ ন্যাস :- বাং হৃদয়ায় নম ।বীং শিরসে স্বাহা । বূং শিখায় বৌষট । বৈং কবচায় হুং । বৌং নেত্রত্রয় বষট ।যং রং লং শং সং অস্ত্রায় ফট ।
ব্যাপক ন্যাস :- দুই হাত জোর করে বক্ষের কাছে নিন এবার আস্তে আস্তে দু-দিকে প্রসারিত করে না থেমে এক টানা বলুন :- ওঁ বিং । 
ঋষ্যাদি ন্যাস :- ওঁ নারদ ঋষয়ে গায়ত্রী ছন্দসে বিং বিশ্বকর্মা পুজা কর্ম্মানি করু। ওঁ নারদ ঋষয়ে নম । গায়ত্রী ছন্দসে নমঃ । বিং বিশ্বকর্মায় নম
ধ্যান :- ওঁ দংশপাল মহাবীর সুচিত্র কর্মকারক। 
বিশ্বকৃত বিশ্বধৃকতঞ্চ বাসনামানো দণ্ডধৃক ।
মানস পুজা :- নিজের শরীর মন হৃদয় কে ধূপ দীপ নৈবেদ্য হিসেবে নিবেদন করা। 
বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন :- প্রথম শঙ্খ দানি বা ত্রিপত্র নিতে হবে। মাটিতে নিজের ডান দিকে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে ওখানে ত্রিপত্র বসিয়ে। এই মন্ত্রে পুজো করে নিতে হবে। মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নম ।
এবার ঐ ত্রিপত্রের উপর জল শঙ্খ বসিয়ে, জল পূর্ণ করে নিতে নিতে বিলোম বর্ণ ন্যাস বলতে হবে শেষে নম যোগ করে বললে শুনতে ভালো লাগে। অর্থাৎ ক্ষং হং লং সং শং ষং লং রং যং মং ভং বং ফং পং নং ধং দং থং তং ণং ঢং ডং ঠং টং ঞং ঝং জং ছং চং ঙং ঘং গং খং কং অং আং ঔং ওং ঐং এং ৯ং ৯ং ঊং উং ঈং ইং আং অং। শঙ্খ সম্পূর্ণ জল পূর্ণ করে জল স্পর্শ করে বলতে হবে ওঁ গঙ্গোদা সরতি চ সর্বা সমুদ্রাশ্চ সংরসি চ আয়ন্তু যজমানস্য ( যদি নিজের পূজা হয় তাহলে যজমানস্যর বদলে অয়ম বলতে হবে।) দূরিত ক্ষয় কারক । ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী নর্মদৈ সিন্ধু কাবেরি জলহস্মিন সন্নিধিং কুরু । এবার কিঞ্চিৎ শঙ্খ জল কোশাতে ঢেলে নিন। তার পর শঙ্খের উপর বিল্ব পত্র এবং অর্ঘ্য রেখে ফুল দিয়ে এই তিন টি মন্ত্র বলুন ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঊং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ করাত্মনে নম। 
বেদি শোধন :- ওঁ বেদ্যা বেদী সমপ্যতে যুপেন যুপ আপ্যায়তং প্রনেতর্হগ্নিনা । কুশ ত্রিপত্র দিয়ে %পঞ্চ গব্য ছিটিয়ে দেবেন ।
পীঠ পুজো করতে হবে। দেব মুর্তির সম্মুখে আঁকা অষ্টদল পদ্মের ওখানে ফুল দিয়ে পুজো। 
মন্ত্র :- ওঁ বং মণ্ডলায় নম ।তিন বার জলের ছিটা নিন। এবার পীঠ দেবতার আহ্বান করুন। ওঁ পীঠ দেবতা গন ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত । এবার একটা করে ফুল নিয়ে পুজো। মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ক্ষীর সমুদ্রায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্বেত দ্বীপায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কল্পো বৃক্ষায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনিদ্বীপায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনি মণ্ডলায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রত্ন সিংহাসনায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ধর্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ জ্ঞানায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বৈরাগ্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঐশ্বর্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অধর্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অজ্ঞানায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অবৈরাগ্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনৈশ্বর্য্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঊং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পদ্মায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ সং সত্বায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ তং তমসে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রং রজসে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আং আত্মনে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অন্তর আত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পং পরম আত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মনে নম। 
ঘট স্থাপন :- মাটি কাদার তাল স্পর্শ করে, ওঁ মহীত্রিনাম বরস্তু দুঃক্ষং মিত্র সার্যমন দূরা ধর্ষণং বরুণস্য । পঞ্চ শষ্যের ধান স্পর্শ করে, ওঁ ধানবন্তম করমনিভ মপু পবনত মুখথীনম । ঘট স্পর্শ করে :- ওঁ আবিশন কলসং সুতো বিশ্ব অর্ষন ভিষিয়তে ।ইন্দ্র রিন্দ্রিয়ায় ধীয়তে । জল স্পর্শ করে :- ওঁ আ ন মিত্র বরুণা ঘৃতৈগ ব্যূতি মুখ্যতম ।মধবা রজহংসী সক্রতু । পল্লব স্পর্শ করে :- ওঁ অয়া মূর্জ্জাবত বৃক্ষ ঊর্জীব ফলানিচ, পর্ণং বনস্পতে। নুত্ত্বা নুত্ত্বা চ সুয়তাং রয়ি । ফল বা ডাব স্পর্শ করে। ইন্দ্র নরনেমেধিতা হব্যং যৎপর্যা যুনজতে ধীয়স্তে শূর নৃশংসতা শ্রবচা কাম আ গোমতি ব্রজে ভজা ত্বং । বস্ত্র স্পর্শ করে :- ওঁ যুবা সুবাসা পরিবিত আগতা স উ শেয়ান ভাবতি জায়মান তবয় কবয়া উন্নয়তি সাধ্যে মনসা দেবয়ন্ত । সিন্দুর স্পর্শ করে:-  ওঁ সিন্দুরোচ্ছাসে পতন উণ্মুখং হিরণ্যপাব পশমপশু গৃভনতে ।
স্থিরি করণ :- ত্বাবত পুরো বস বয়মিন্দ প্রণেতস্মি স্থার্থহরিনাম। স্থাং স্থিং স্থির ভব । হাত জোর করে :- সর্ব তীর্থ উদ্ভব বারি সর্ব দেব সমন্বিতে, ইমং ঘটং সমারূহ্য তিষ্ঠ দেব গনৈ সহ ।
কাণ্ড রোপন :-  ওঁ কাণ্ডাৎ কাণ্ডাৎ প্রহরোন্তি এবেন দূর্বেন প্রতেনু সহস্রেন শতেন চ ।
সুত্র বেষ্ঠন :- ওঁ সুত্রাং পৃথিবীং দ্যামনেহসং সুশর্মান মোদিতং সুপ্রনীতীং । সরিত্রামনাগম মা রুহেমা সস্ত্রয়ে ।
প্রান প্রতিষ্ঠা :- যারা পুজো দেখছে তাদের উল্টো দিকে মুখ করে থাকতে বলুন বা একটা নতুন বস্ত্র দুজন কে ধরে আড়াল করতে বলুন। তার পর প্রাণ প্রতিষ্ঠা করুন,  প্রতিমা বা মুর্তি হলে অবশ্যই করতে হবে। দু ভাবে হবে যদি প্রতিমা বড়ো হয় নাগালের মধ্যে না থাকে তাহলে মুর্তির ডান পায়ের বৃদ্ধা অঙ্গুষ্ঠ স্পর্শ করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। মস্তকে কুশ ত্রিপত্র এবং ফুল নিয়ে সংহার মুদ্রায় স্পর্শ করে বিং মূল মন্ত্র ১০৮ বার জপ করে নিয়ে অসমর্থ হলে ২৮ বার জপ করে নিয়ে। এবার একই ভাবে বক্ষে হাত দিয়ে। বলুন ওঁ আং হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্যা প্রাণ ইহা প্রাণ। ওঁ আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্য্ জীব ইহা স্থিত। ওঁ আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্যা সর্ব ইন্দ্রাণী ইহা স্থিতানি। ওঁ আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্য বাগ্ময় চক্ষু শ্রোতা ঘ্রাণা ত্বক ইহাগত চির সুখং তিষ্ঠতি স্বাহা। মনজ্যোর্তির 

 

Saturday, 10 August 2019

আজ বাংলার অগ্নি শিশু বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যু দিন।

আজ বাংলার অগ্নি যুগের অগ্নি শিশু বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যু দিন।এরকম বাংলা মায়ের অসংখ্য দামাল ছেলে হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে গেছে, যাদের জন্য আজ আমরা স্বাধীনতা ভোগ করছি। এই অগ্নি যুগের বীর বিপ্লবী কে আমার অন্তরের শ্রদ্ধা জানাই। এনারা যে বাংলা দেখতে চেয়ে ছিলেন, তা এখনও পূর্ন হয় নি। আসুন আমরা সবাই মিলে  এই কাজ সম্পূর্ণ করি। 

এবার বাংলা ভাগ সময়ের অপেক্ষা।

আমি কেন অনেকেই এই বিষয়টা জানত যে এটা ঘটবে, এরপর বাংলা ভাগ এবার বাংলা তিন টুকরো করে দেওয়া হবে। এক গোর্খাল্যণ্ড তথা দার্জিলিং ও কোচবিহার রাজ্যের কামতা পুর। যে ভাবে সংসদে বিল পাশ করে দিয়ে জম্মু কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫ এ ধারা তোলার নাম করে রাজ্য টি কে দুটি ভাগ করে দেওয়া হলো। এখন দার্জিলিং এ দাস উঠেছে UT চাই, প্রথম UT তার পর রাজ্য। এবিষয়ে এক ধাপ এগিয়ে গেছেন, ও খান কার সাংসদ রাজু বিস্তা। তিনি অমিত শাহ কে চিঠি দিয়েছেন। অমিত শাহ ক
বলেছেন ভাবছি, ভাই এর নাম বিজেপি এরা দেশ ভাগ করতে ভালো পারে। এরা গুজরাত রাজ্যের অর্থাৎ গান্ধীর জাত ভাই, দেশের মানুষ মরুক আমার দেখার দরকার নেই। আমার ধর্মের নামে দেশ ভাগ করে স্বাধীনতা চাই, সেই রাজ্যের সেই আর্দশে মানুষ এরা এদের মুখে প্রেম কেবল ক্ষমতা দখল করার জন্য। ক্ষমতা দখল করে গুজরাত অঞ্চলে বসবা কারি মেরেঠের মারোয়ারি কে ব্যবসা করতে দেওয়া। নোট বন্দির পর অমিত জির ছেলের সম্পদ কত বেড়েছে। এরা ব্যবসা বোঝে, সেই জন্য কায়দা করে জম্মু কাশ্মীর থেকে তুলে নেওয়া হলো ৩৭০ ও ৩৫ এ ধারা। এবার বাংলা ভাগ, আর NRC চলুন তলপি তলপা গুটিয়ে রাখি। একবার দেশ ভাগ করে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, বাঙালি হিন্দু দের। আমরা ব্যস্ত থাকব কাশ্মীর আলোচনা নিয়ে আর এদিকে গোপনে বাংলা ভাগারের ও NRC খাঁড়া নেমে বাঙালির উপর। কি ভালো বিজেপি এক দিকে ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস, বিবেকানন্দ প্রেম এতো দেখানো আর অন্য দিকে পিঠে ছুরি চালিয়ে দিচ্ছে।



"আনন্দ বাজার" অন লাইন নিউজ পোর্টালে খবর চাষ করে কৃষকের লোকসান ছাড়া লাভ নেই।

অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকায় এই শিরোনামে খবর পড়ে আমি খুব অবাক হয়েছি। কারণ ২০০৬ সালে সিঙ্গুর থেকে টাটা তাড়ানোর আন্দোলনের সময়ে এই আনন্দ বাজার পত্রিকায় ও তাদের দূরদর্শনে চ্যানেল অনেক কৃষি বিশেষজ্ঞ বসতেন প্রতিদিন নিয়ম করে খবর হোত সেখানে কেউ কেউ বলে ছিলেন, এক বিঘা জমিতে চাষ করে কৃষকের এক বছরের খরচ বাদ দিয়ে লাভ হয় এক লক্ষ টাকা থেকে তিন লক্ষ টাকা। বিশেষ করে আলু চাষ করে বেশি লাভ কারণ হিসেবে আলু বীজ পোঁতা হয় একটি গোটা আলুকে কেটে চার টুকরো করে। আর ফলন অনেক, আর ধান চাষ করে কৃষকের লাভ আরও বেশি, কি জানি আমি কৃষক নই, বা বিশেষজ্ঞ নই, কেবল কাগজ পত্র পড়ে আর আমার কয়েক জন কৃষক বন্ধুর কথা শুনে তখন জেনে ছিলাম লাভ হলেও বিঘা প্রতি ভালো ফলন হলে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা। তার পর তো সিঙ্গুরের বুক দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গেছে, ২০১১ সালে বিধান সভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় এলেন তিনি। দিদি সোনার বাংলা করে দেবেন, কলকাতা কে লন্ডন বানিয়ে দেবেন। ত্রিফলা আলো বসানো হলো ও বাবা কিছু দিন পরেই খবর এলো কাটমানির খবর, চাষিদের জন্য এলো খারাপ খবর যে সার তারা ৪৫০ টাকায় কিনত সেটা হয়ে গেল ৯০০ টাকা। আর ফসল বিক্রি নেই, আলু বাইরের রাজ্যে যেত দিদি বন্ধ করে দিলেন। ধান বিক্রি নেই, বাইরের রাজ্যের বা বিদেশ থেকে চাল আসে তাই ধান বিক্রি কম। যাহোক এত দিন পরে আনন্দ বাজার পত্রিকাকে সত্য স্বীকার দেখে ভালো লাগলো। অনেক কৃষক আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন দেনার বা ঋণের টাকা শোধ করতে না পেরে। এখবর ও মাঝে মাঝে পড়ি, ২০১১ আগে এতোটা খারাপ অবস্থা ছিল না। অমিত মিত্র কাগজ পত্র বা রিপোর্ট বলছে, বাংলা এগিয়ে যাচ্ছে, জি ডি পি তে। যেখানে একজন গ্রামের শ্রমিকের মাসিক আয় পাঁচ হাজার টাকাও নয়। সরকারের অধীনে বিভিন্ন কর্মী কম বেতনে চাকরি করেন। জানি না ওনার হিসেবে কি ভাবে রাজ্যের জি ডি পি দেশের থেকে ভালো হয়। তাহলে বুঝতে হবে বাংলার থেকে কম বেতনে চাকরি করে অন্য রাজ্যে মানুষ বা কেন্দ্রীয় কর্মীরা, তবে হ্যাঁ যে দেশে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ঠিক করে ১৭৮ টাকা, সে খানে এই রকম অর্থ নীতিবিদের দরকার আছে। নিজের সব কিছু নিয়ে আয় এক লক্ষ টাকার উপরে, তার উপর কাটমানি, আর শ্রমিকদের মজুরি ১৭৮ টাকা। আমি থাকব রাজার হালে তোরা আমার প্রজা তোরা থাকবি না খেয়ে উপবাস করে। আমায় রাজা বলে সেলাম ঠুকবি, কারণ আমার কাগজ কলম বলছে, মাথা পিছু আয় বেড়েছে। সেখানে কৃষকদের ফসল নষ্ট হোক বিক্রি হোক আর না হোক, আমার হিসাবে তোদের আয় বেড়েছে। এটা তোকে মানতে হবে।

বিলম্বে বোধদোয়।

পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা হয়ে প্রথম মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল, যখন 2013 সালে সামনে এসে ছিল। সারদা চিটফাণ্ডের মাধ্যমে গরীব মানুষের কয়েক হাজার কোটি টাকা লুঠ করে নেওয়া হয়েছে। কারা জড়িত না বড়ো বড়ো সব রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রী দূর্ভাগ্য বশত তারা শাসক দলের। 2013 আগে পর্যন্ত আমি অন্তত গর্ব করে বলেছি, বিভিন্ন রাজ্যের নেতা মন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু ক্ষেত্রে বড়ো সর কেলেঙ্কারি যার জন্য এক সময় আমাদের মুখ্যমন্ত্রী বাজপেয়ী মন্ত্রী সভা ছেড়ে চলে এসেছিলেন। তিনি তখন বলেছিলেন, মন্ত্রীত্ব তার কাছে 40 টাকার হাওয়াই চটি, সেই নেত্রী অনেক জঙ্গী আন্দোলন করে এবং সিঙ্গুর থেকে টাটা কে তাড়িয়ে মিথ্যে বলে, 2011 সালে ক্ষমতায় এলেন আর 2013 সালে। ভারত তথা বিশ্বের কাছে, বাঙালির মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল বাঙালি নেতা মন্ত্রীরা চোর। কারণ এর আগে স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের কোন সরকারের কোন নেতা মন্ত্রী চুরির দায়ে জেলে যায়নি। আমাদের বর্তমান শাসক দলের সাথে সেই সময় অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী ঘুরে বেড়াতেন। মুম্বই এরও বেশ কিছু অভিনেতা অভিনেত্রী এই দলের কাজ কর্মে জড়িয়ে পড়েন। আমাদের রাজ্যের টালিগঞ্জ অভিনেত্রী শতাব্দী রায় তার মধ্যে একজন, আরেক অভিনেতা জেল খেটে এসেছেন, তার নাম নিতে চাই না। তার মুখের ভাষা ভালো নয়, বর্তমানে সিনেমা সিরিয়ালে কোন কাজ নেই, অনেক অভিনেতা অভিনেত্রী এ ভাবে টাকা রোজগার করতে নাম লেখাছেন। আমি এখনো পর্যন্ত এদের টেলিভিশন চ্যানেলে কোন সিনেমা দিলে বা মুখ দেখালে বন্ধ করে দিই। কারণ এরা চোরের দল থেকে ভোটে নির্বাচিত, বাঙালির এত অধঃপতন আমি ভাবতে পারি না। আমি জানি এই বাঙালি জাতি এক সময় স্বাধীনতার জন্যে গোটা ভারত বর্ষ কে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এটাও এই বাঙালি জাতির মধ্যে অনেক বেইমান ছিল, যারা ব্রিটিশদের চর হিসেবে কাজ করে টাকা উপার্জন করত। আমার মনে হয় এখন তাদের বংশধর বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে শাসন করছে। জনগণের কয়েক হাজার কোটি টাকা লুঠ করে বেমালুম বলে দিতে পারেন যা গেছে তা যাক, কত গরীবের চোখের জল বেশ কয়েক জন তো আত্মহত্যা করে ফেলেছেন। আবার এই টাকা ফেরত দিতে শ্যামল সেন কমিটি পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাদের বেশি করে সিগারেট খেতে বলা। শ্যামল সেন কমিটির চেক কয়েক জন পেল যাদের বেশি টাকা তারা বাদ, অনেকে চেক আর পেল না। তারপর একে একে সামনে আসতে থাকে আরও নানা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি, আরও কয়েক লক্ষ হাজার কোটি টাকা হজম করে ফেলেছে এরা। অদৃষ্টের নির্মম পরিহাস, যারা টাকা তুলে দিল বা টাকা তুলতে সাহায্য করল তারা জেলে, আর যারা টাকা হজম করলে তারা জেলের বাইরে। চোরের উপর বাটপারি করা হয়েছে। যা হোক এর আগেও মিঠুন চক্রবর্তী তার বোধহয় হয়ে ছিল, তিনি তার নেওয়া পারিশ্রমিক ফিরিয়ে দিয়ে ছিলেন। এবার মানসিক শান্তি ফেরত পেতে আরেক জন সারদার টাকা ফেরত দেবেন, নাম নিচ্ছি না, উপরে ছবি দেওয়া আছে। আর এই ই ডি ও সি বি আই নামক সংস্থার তো কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে এরা আনন্দ পায় বাঙালির বিপর্যয় দেখলে। এদের কাছে টাকা ফেরত দিলে জানি না সাধারণ মানুষ সেই আর কোন দিন ফেরত পাবেন কি না! এরা তদন্ত করে না মানুষ কে নিয়ে মজা করে এই কিছুদিন আগে এক অফিসার কে ঘুষ নেওয়ার জন্য সরিয়ে দেওয়া হল। যা এই ঘুষ খোর দের ভরসা তেই আমাদের থাকতে হবে। তবুও তো বিলম্বে বোধদোয় হলো।

Friday, 9 August 2019

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জি, আপনার জবাব নেই, আপনি থাকলে সব সম্ভব।




মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র দামোদর দাস মোদী আপনার কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫এ ধারা তুলে দেওয়ার পরে সোসাল মিডিয়াতে প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোই আছে। আমি বলছি, কাশ্মীর  ভারতের অংশ তাই ঐ আইন অন্য রাজ্যে যখন নেই, কাশ্মীরের জন্য কেন থাকবে? তুলে ভালো করেছেন অনেকে বলছে, আমি তো দেখছি, সারা দেশ মারোয়ারি বা হিন্দি ভাষী মানুষের দখলে যে টা গান্ধী চেয়ে ছিলেন। কাশ্মীরে এত দিন ঐ আইন থাকার ফলে, এই জাতীয় মানুষ জমি কেনা, ব্যবসা করতে পারছিল না। আপনি তার ব্যবস্থা করে দিলেন, খুব ভালো কিন্তু সোসাল মিডিয়াতে আপনার কয়েক জন ভক্ত বলছে, আপনি সেকেন্ডে কাজ করতে পারেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জি ও ঐ সোসাল মিডিয়াতে যিনি লিখেছেন, তাকে প্রশ্ন তাহলে সারদা সহ, বিভিন্ন চিটফাণ্ডের এবং নারদা তদন্ত এখনও শেষ হয়নি কেন? ২০১৪ সালে আপনি বলেছিলেন, ক্ষমতায় এলে আপনি তিন মাসের মধ্যে জেলে ভরবেন। আপনার এক নেতা সিদ্ধার্থ নাথ জি বলে ছিলেন, ভাগ মুকুল ভাগ, ভাগ মদন ভাগ, মুকুল ভেগে আপনার দলের সম্পদ হয়েছে। আপনার তরুণ সাংসদ বলছেন, আপনি থাকলে সব সম্ভব, একদম ঠিক, সেই জন্য সারদা সহ চিটফাণ্ডের টাকা এখনও মানুষ ফেরত পেল না। অপরাধীরা জেলের বাইরে, চাকরির বিজ্ঞাপন দিয়েও চাকরির দিলেন না। দেশের ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে বিদেশে পালিয়ে গেল, ধরতে পারলেন না। বিগত ৪২ বছরে দেশের বেকার সমস্যা সবচেয়ে বেশি, কৃষকদের পেনশন প্রকল্প চালু করার কথা বললেন, সোসাল মিডিয়াতে জানলাম অনেকেই পেয়েছে, বাস্তবে দেখা গেল না। বি এস এন এল সহ বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা পাকা করে ফেলেছেন। কাদের দেবেন আপনার ব্যবসায়ী বন্ধু দের হাতে, যারা মানুষ কে বিভ্রান্ত করার জন্য মিথ্যে বিজ্ঞাপন দিয়েছিল। দেশের ৭৩% সম্পদ ১% মানুষের হাতে, কৃষক মরুক দুঃখ নেই। বর্তমানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সভা তো আর কেন্দ্রীয় নেই, ও তো গুজরাত মন্ত্রী সভা, সত্যি আপনি প্রধানমন্ত্রী থাকলে সব সম্ভব, আপনি বাঙালির মন পেতে কত কথা বলছেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জ্জী, বিবেকানন্দ, সম্প্রতি সুভাষ চন্দ্র বোসের জন্যও আপনি আজাদ হীন বাহিনীর নায়ক তথা একটা মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী কে সণ্মান দিয়েছেন। খুব ভালো কথা, কিন্তু আবার NRC করে বাঙালির পেছনে আছোলা দিচ্ছেন। আপনার সরকারের বিরোধীতা কেউ না করতে পারে সেই জন্য পরাধীন ভারতের আইন স্বাধীন ভারতেও চালু করার ব্যবস্থা করে ফেলেছেন। সত্যিই আপনার জবাব নেই, আপনি থাকলে সব সম্ভব। 

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের যে সব শিক্ষকের বেতন বৃদ্ধি হচ্ছে, তারা যাতে তাড়াতাড়ি আট লক্ষ টাকা তুলতে পারে তার জন্য।

প্রাথমিক শিক্ষকদের অনশন তুলে দেওয়ার জন্য গত ২৬/৭/১৯ তারিখে গ্রেড পে বৃদ্ধির একটি নোটিশ বা সরকারি আদেশ জারি করা হয়েছে। যে আদেশের বলে যারা ট্রেনিং প্রাপ্ত তাদের গ্রেড পে ২৬০০ থেকে বেড়ে ৩৬০০ এবং যারা ট্রেনিং প্রাপ্ত নন তাদের ২৩০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৯০০ টাকা করা হবে। এতে করে দেখা যাচ্ছে, পে প্রোটেকশন না দেওয়ার জন্য পুরানো শিক্ষকের বেতন নতুন ২০১৭ সালে চাকরি তে যোগ দেওয়া শিক্ষকের থেকে কম পাবে বা সমান বেতন বৃদ্ধি পাবে ২০১০ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত শিক্ষকের। আমি মনে করি সরকার চাইছে, ২০১৪ থেকে ২০১৭ সালের শিক্ষকের বেতন বৃদ্ধি করতে কারণ তারা ৫ থেকে ১০লক্ষ  টাকা কাটমানি বা ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছে। কেউ কেউ এই টাকা দিতে জমি বিক্রি করেছে, ধার করে দিয়েছে, ভিটে বন্ধক রেখে টাকা দিয়েছে। যারা চাকরি পেয়েছে, তাদের দোষ নেই এই নিয়োগের জন্য টেট পরীক্ষা পর্যন্ত দেয়নি। এরকম লোক চাকরি করছে, সেই জন্য ঐ সব শিক্ষকের কথা হচ্ছে, আমি তিরিশ জনের বেশি ছাত্র থাকলে ক্লাস নেব না। বেশি ছাত্র ভর্তি করলে প্রধান শিক্ষক বুঝবে, তাদের বেশি ছাত্র পড়াতে বললে তারা প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ আই ডি আই যতদূর যেতে হয় যাবে। প্রধান শিক্ষক জানে এরা সরকারের দলের নেতাদের ছেলে মেয়ে, মিথ্যে কেসে ফাঁসিয়ে দিতে পারে। যারা চাকরি পাওয়ার জন্য লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিল সরকার তাদের দেখবে না। ওরা যাতে ঐ টাকা তাড়াতাড়ি তুলতে পারে বা দেনা শোধ করতে পারে তার জন্য এই বেতন বৃদ্ধি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা কমে যাওয়ার জন্য কেবল সিলেবাস বা বই নয় এটাও একটা বড়ো কারণ। 

Wednesday, 7 August 2019

শাসক যখন চরম মিথ্যাবাদী।

মিথ্যে কথার সীমা থাকে এদের নেই, বর্তমান শাসক দল কি রাজ্যের কি কেন্দ্রের সবাই সমান। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমতায় আসার জন্যে যা যা বলে ছিলেন, এবং তিনি তখন রেল মন্ত্রী থাকা কালীন, এতো শিল পুঁতে ছিলেন, অনেকে ওনার নাম দিয়ে ছিল শিলাদি। এখনও রেলের জমির বিভিন্ন জায়গায় খুঁজলে শিল গুলো পাওয়া যাবে। একেবারে যে কাজ হয়নি তা নয়, তারকেশ্বরের ডবল লাইন হয়েছে। বিষ্ণুপুর পর্যন্ত রেলে লাইন তিনি শিল পুঁতে ছিলেন, যা জমি জটে এখনও শেষ হয়নি। তিনি সিঙ্গুর থেকে টাটা কারখানা উচ্ছেদ করে গুজরাত কে উপহার দিয়ে ছিলেন, বলেছিলেন, চারশ একর ফেরত দিয়ে ছ'শ একরে শিল্প হবে, যা আজও হয় নি। প্রতি বছর দশ লক্ষ বেকারের চাকরি করে দেব। ২০১২ সালের পর থেকে, PSC, SSC, TET সব অনিয়মিত, যদি বা হলো মজার ব্যাপার যাতে কেস হয়, সেই রকম নোটিশ জারি করা হয়েছে। আবার পাশ করে ঘুষ দিতে পারে নি বলে চাকরি হয় নি। আত্ম হত্যা করেছে, অনশন করেছে, তার পরও চাকরি হয় নি। এই রকম সরকারি কর্মীদের সঙ্গে করেছেন। ডিএ পে কমিশন সময়ের আগে দেবেন বলে দেননি। আর কেন্দ্রে যিনি আছেন, ভাবুন তিনি জনগণের কাজ করতে নাকি প্রতিশ্রুতি বদ্ধ, কিন্তু কি দেখছি, গত ৪২ বছরের মধ্যে ভারতের বেকারত্বের হার সবচেয়ে বেশি। কারণ প্রতিশ্রুতি আছে, নিয়োগ নেই, সব বেসরকারি করে দাও ফোর জি করার জন্য বি এস এন এল কে সুযোগ দেওয়া হলো না, পেল কে আম্বানি। কালো টাকা উদ্ধার করে প্রত্যেকের ব্যঙ্ক এ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা দেবেন বলে ছিলেন। উল্টো টা দেখেছি আমরা, নোট বন্দি, জি এস টির ঠ্যলায় অন্ধকার, সরকারের পরিষেবা বিমা সবেতেই দু রকম জি এস টি একটি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রীয় জি এস টি কি সে জি এস টি নেই। আর সব থেকে বড় মিথ্যা কথা পুলওয়ামায় যখন সেনা বাহিনীর কনভয়ের উপর হামলা হলো তখন তিনি জিম করবেট ন্যাচারাল পার্কে বিয়ার গিলসের সাথে শ্যুটিং করছেন। আর সেই সময় তিনি বলেছিলেন যে তিনি দিল্লীতে ছিলেন, মন্ত্রী সভার বৈঠকে ছিলেন। তবে বিশ্বের সব বড়ো বড়ো রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রী সব মিথ্যে কথা বলে, কিন্তু এখানে প্রশ্ন তিনি যখন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী হন, তখন যদি বলেন তবে সেই জাতি বিশ্বের কাছে ছোট হয়ে যায়।

Tuesday, 6 August 2019

দিদি আপনাকে বলছি, বিধান সভায় আইন আনুন জনগণের ট্যাক্স সরাসরি আপনার এ্যাকাউন্টে জমা দেবে।

দিদি আপনাকে বলছি, আপনি একটা আইন করুন জনগণের ট্যাক্স কি ভাবে সরাসরি আপনার এ্যাকাউন্টে জমা দেবে।এভাবে কাট মানি তোলা তুলে ৭৫%আর ২৫%এ ভাগ করে কত টাকা পাবেন। তোলা তুলে ছোট খাটো কারখানা গুলো বন্ধ করে দিল আপনার ভাইয়ের দল। পোষাক দেওয়ার কাট মানি যাতে বাড়তি পায় তার জন্য দুশো টাকা বাড়িয়ে দিলেন। পোষাকের টাকা সরাসরি গোষ্ঠীর বা সংঘের ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্টে দিয়ে দিলে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এই ঝামেলা থেকে বাঁচত, আপনি যা চ্যালা চামুণ্ডা ছেড়ে রেখেছেন, তাতে ভাগ দিতে দিতে ঐ টাকার যে পোষাক টুকু এসে পৌঁছেছে তা গায়ে দেওয়া যায় না। আমি আবার দেখছি, যেখানে দুশ থেকে আড়াই শ ছেলে মেয়ে পোষাক পাবে অনেক টাকা সেখানে সব থেকে খারাপ পোষাক আর শিক্ষকের ঠিক করে দেওয়া পোষাক নেওয়া যাবে না। কারণ কমিটি সভাপতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয় নি। আবার বিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে যাদের নিয়োগ করে রেখেছেন, ২০১৪ থেকে ২০১৭ তারা শিক্ষকতা করতে আসে নি। প্রধান শিক্ষকের পেছনে লাগতে এসেছে, একটা বাড়তি ক্লাস করতে চায় না। এমন ছাত্র দরদ, পাশে ঘোরাঘুরি করছে, ছেলে মেয়ে রা চিৎকার করছে তবু গিয়ে থামায় না। এই তো তাদের মানসিকতা কেবল টাকাটা পেলে হলো। কেন বেতন বৃদ্ধি হবে না, কেন প্রধান শিক্ষক বেশি বেতন পাবে, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য টাকা এসেছে, কেন এতো টাকা খরচ করবেন। কেন বেশি ছাত্র ভর্তি করবেন, আমি ৩০ জনের বেশি পড়াব না। ছাত্র বেশি ভর্তি করলে আপনাকে দেখে নেব, এ আই /ডি আই /যেখানে যেতে হবে যাব। কেন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা তিনশ হবে, বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রী কম উপস্থিত যাতে থাকে সেই জন্য প্রতি নিয়ত চেষ্টা করে যাওয়া মানে সরাসরি ছাত্র ছাত্রীদের আসতে বারণ করা। বিভিন্ন অফিসারের ফোন নম্বর নিয়ে রেখেছে, প্রধান শিক্ষক কি করছে না করছে জানানোর জন্য। আর হ্যাঁ এই ভালো শিক্ষক রা সময়ে বিদ্যালয় আসা সময় পর্যন্ত থাকা পছন্দ করে না। তবে এরা একটা কাজ ভালো পারে, যে খানে যাকে কাজ দেওয়া হোক তার অল্প কিছু হলেও আদায় করতে পারে। এটা একেবারেই আপনার দলের গুন, সুস্থ ভাবে কাজ করতে দেওয়া হবে না, বা উন্নয়ন হবে না, তাই পোষাকের যখন ২৫২x৬০০ টাকা ঢোকে তখন ভালো, অনেক টাকা কিছুতেই সুস্থ ভাবে কাজ করতে হবে না। অত টাকা গ্রুপ নিয়ে চলে যাবে কি কষ্ট হচ্ছে? কি দিদি বুঝতে পারছেন? আপনার দলের সঠিক উত্তর সুরি, তাই না। আপনি যেমন সারদার সহ সমস্ত চিটফাণ্ডের টাকা লুঠ হলো বললেন, " যা গেছে তা গেছে" দিদি লক্ষ লক্ষ মানুষের কষ্টের টাকা, তাদের চোখের জল, কত মানুষ, আত্ম হত্যা করেছে, ভোট এলে কত মানুষ খুন হন। এদের চোখের জল বৃথা যাবে না। কয়েক লক্ষ সরকারি আধা সরকারি কর্মীদের ডিএ পে কমিশন।কম বেতনে বৃত্তি শিক্ষক, কম্পিউটার শিক্ষক, পার্শ্ব শিক্ষক, আপনার নিয়োগ করা সিভিক যদিও এরা এখন পুলিশের হয়ে তোলা তোলে, সরকারি তোলাবাজ। আর চাকরি না পেয়ে আঠাশ দিনের অনশনে গিয়ে মায়ের সন্তান হারানো। যদিও আপনি মা হননি। আপনি বুঝবেন না, সন্তান হারানোর কি জ্বালা? এই লক্ষ লক্ষ মানুষের চোখের জলের উপর আপনি দাঁড়িয়ে আছেন। যতই আপনি দিদি কে বলো চালু করুন প্রতি নিয়ত আপনার ছোট ছোট চ্যালা চামুণ্ডা যে ভাবে মানুষ কে নিপিড়ন করে যাচ্ছে। ভাবছেন ঐ বিধায়ক গিয়ে ভাত খেয়ে এলো, তারা জানে তিনশ টাকার মজুর আজ তিনশ কোটি টাকার মালিক। সেই কারণেই বলছি, এভাবে কাট মানি তুলে লাভ কি সরাসরি ট্যাক্স যাতে আপনার এ্যাকাউন্টে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিন। রাজ্যের সরকার মানে তো আপনি, তাই আপনার এ্যাকাউন্টে টাকা জমা পরা মানে রাজ্যের টাকা। দেখুন কথা টা খারাপ ভাবে নেবেন না। 

প্রয়াত হলেন ভারতের প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী।

মাননীয়া সুষমা স্বরাজ জি গত কাল রাত এগারোটার সময় হৃদ রোগে আক্রান্ত হয়ে ৬৭ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি সত্যিই এক অসাধারণ জন নেতা ছিলেন, যে কোন মানুষের দুঃখে তিনি ঝাঁপিয়ে পড়ে কাজ করে দিতেন, আমি দেখেছি বা বিভিন্ন সময়ে খবরের কাগজে অন্য মাধ্যমে পড়েছি, বিদেশের মানুষ কে এদেশে এনে চিকিৎসা হোক বা কোন ভারতীয় বিদেশে বিপদে পড়ুক, ওনার কাছে আবেদন জানানোর পর তারা কাজ পেয়েছেন। সত্যিই কার একজন মানব দরদী মহান ব্যক্তি কে আজ আমরা হারালাম।আমি জানি ভারতের কোটি কোটি মানুষ শোকাহত, তাদের মধ্যে আমি একজন ক্ষুদ্র মানুষ, আমার এই ব্লগের মাধ্যমে এরকম এক মহান কর্মনিষ্ঠ ব্যক্তি কে জানাই অন্তরের শ্রদ্ধা। জানি জীবনের আরেক নাম মরণ, সে মরণ যদি কোন ভালো মানুষের হয়, তবে সেটা ভীষণ ভাবে মন কে দুঃখ দেয়। আমি আমার এই ব্লগের মাধ্যমে ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি। ভারত বাসী আজ তাদের 'চিনাম্মা' হারাল। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...