Anulekhon.blogspot.com

Thursday, 30 October 2025

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

 





ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙালি জাতি ছিল শিক্ষা দীক্ষায় উন্নত। আজ এই পনেরো বছর ধরে তিল তিল করে সেই শিক্ষা ব্যবস্থা কে ধ্বংস করে দিয়েছে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং ভারত সরকার। বর্তমানে তার সাথে যোগ হয়েছে সুপ্রীম কোর্টের কত গুলো উজবুক বিচারক এক উদ্ভট রায় দান করেছে। কি না 2010 সালে তৈরি একটা আইন কার্য কর করতে হবে ব্রিটিশ আমল থেকে। এবার বলি সেটা কিভাবে স্বাধীনতার অনেক বছর পর বামপন্থীদের চাপে তৎকালীন কংগ্রেস সরকার শিক্ষার অধিকার আইন 2009 তৈরি করে যেটা লাগু হয়। 2010 সালের এপ্রিল না আগষ্ট মাস থেকে, এবং পশ্চিমবঙ্গে সেটা শুরু করে 2013 সালে বর্তমান সরকারের আমলে, এই আইনের কোনো সংশোধন না করে। শিক্ষার অধিকার আইনে বলা আছে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে টেট (TET) পরীক্ষার মাধ্যমে। এবার এই আইন কে 2017 সালে সংশোধন করে বর্তমান দিল্লির উজবুগ সাংসদ গন এবং এই সংশোধনী তে বলা হয় এই আইন কার্য কর করতে হবে 1948 সালের পর থেকে যত শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়োগ পেয়েছে তাদের থেকে অর্থাৎ ঐ পুরাতন শিক্ষক শিক্ষিকা যারা চাকরির পরীক্ষা দিয়ে নিয়োগ পেয়ে ছিলেন সেই সময় যে নিয়োগ সংক্রান্ত নিয়ম অনুযায়ী। কিন্তু না ওসব হবে না, এখন পনেরো কুড়ি বছর চাকরি করা হয়ে গেছে এখন তাকে ঐ টেট পরীক্ষা দিতে হবে এবং পাস করে আসতে হবে না হলে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হবে। কিছু পেছন পাকা রাজ্যের কিছু মানুষ একটা কেস করে ছিল ঐ সতেরো সালের আইন নিয়ে সেই অনুযায়ী সুপ্রীম কোর্টের দুই উজবুক বিচারক এই উদ্ভট রায় দিয়েছে। মনে করুন এখন কম্পিউটার বা অন্য কোন টেকনোলজি তে পড়াশোনা চলছে, সুপ্রীম কোর্টের ঐ উজবুগ বিচারপতি রা রায় দিল না এটা হবে না। এর আগে যারা আইন শিখে এসেছে বা অন্য কিছু কম্পিউটার ছাড়া শিক্ষে এসেছে বা সেই সময়ে কম্পিউটার ব্যবহার করতে। কিম্বা ভারতের সব মানুষ কে অন লাইনে বা ইউ পি আই এর মাধ্যমে টাকা পাঠাতে হবে কোনো নগদ রাখা চলবে না। আসলে শিক্ষা ব্যবস্থা কে ধ্বংস করার জন্য এই রকম আজব রায় দিয়েছে। আমাদের একটা প্রচলিত ধারণা আছে যে শিক্ষা ক্রমশ উন্নত হয় তখন শিক্ষালয় টেকনোলজি ব্যবহার হত না এখন হচ্ছে তা বলে এটা বলা তখন কেন টেকনলজি ব্যবহার করা হত না, আগে সেটা করতে হবে না হলে ঐ সব পুরানো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে হবে। এটা আমার ঐ উজবুগ বিচারক দ্বয়ের কাছে জিজ্ঞাসা। আর ঐ বিচারক দ্বয়ের একজন নাকি বাঙালি আমার তার কাছে একটা প্রশ্ন আপনি তো সেই পুরোনো দিনের শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষিত হয়ে বিচারক হয়েছেন এখন আপনাকে যদি বলে ওসব চলবে না, নতুন করে সব শিখতে তবে আপনি বিচারক থাকতে পারবেন না হলে আপনি যা বলেছেন ঐ বেতন ফেরত দিতে হবে সেটা করতে হবে কেমন লাগবে আপনার আপনি বিচারক হওয়ার যোগ্য তো! 

Tuesday, 16 September 2025

গঙ্গা জল মাথায় নেওয়ার মন্ত্র।

 বিষ্ণু পাদ্যার্ঘ সম্ভুতে গঙ্গে ত্রিপথগামিনী। ধর্মাদ্রবীতে বিখ্যাতে সর্ব পাপ হর মে জাহ্নবী। শ্রদ্ধায় ভক্তি সম্পন্নে শ্রীমাতর দেবী জাহ্নবী। অমৃত অম্বু পূর্ণা দেবী ভাগিরথী পুনিহিমাম।

প্রমাণ মন্ত্র :- সদ্য পাতক সংহত্রী, সদ্য সর্ব দুঃখ নাশিনী। সুক্ষদা মোক্ষদা গঙ্গা গঙ্গেব পরমাগতি। 

Monday, 1 September 2025

পশ্চিমবঙ্গে গন অভ্যুত্থান দরকার! ।


 বেকার যুবক যুবতী, কাজের দাবিতে নবান্ন অভিযানে গিয়ে ছিল। বিনিময়ে কি পেল, পুলিশের মার মারতে মারতে এক যুবক কে মেরে ফেলা হলো, আরেক জনের খোঁজ নেই। এই জঙ্গলের রাজত্ব আর কত দিন চলবে কে জানে? অমানবিক আচরণ করত ইংরেজ আমলে পুলিশ, স্বাধীন দেশে শাসক তার শোষণ চালিয়ে যেতে, গন আন্দোলন কে দমন করে, এটা স্বৈরাচারী শাসক এরকমই হয়ে থাকে। যাহোক এখন তো দিল্লী  সহ এই রাজ্যেও দ্বিতীয় ইংরেজ শাসন চলছে। ব্রিটিশ পুলিশ যেমন সরকারের হয়ে সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করত। মিথ্যে কেস দিত, ফসলের থেকে শুরু করে নানা বিষয়ে উপরি কর আদায় করতে সাহায্য করত, এখন তথা এই শাসকের আমলে কাটমানি তোলা, গ্রীন কড়িডোর করে এ্যাম্বুলেন্সে করে তোলাবাজি বা চুরির টাকা এনে দেওয়া অবশ্যই নিজেদের ভাগ রেখে। ইংরেজ আমলের মত এখন বিভিন্ন রাস্তা ঘাট তৈরি করা হচ্ছে, আরো নানা শ্রী প্রকল্প প্রতি টি থেকে উপরি ইনকাম, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর রা কি করে যার টাকা পাওয়ার কথা তার এ্যাকাউন্ট না দিয়ে নেতা বা কর্মীদের এ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দিল। আর বর্তমানে পঞ্চায়েত কর্মী নিয়োগ যারা হয়েছে প্রত্যেকে সরকারি ভাবে পরীক্ষা দিয়ে আসে নি প্রায় সকলেই পরীক্ষা না দিয়ে ঘুষ দিয়ে চাকরি পেয়েছে, সে কারণেই মুর্শিদাবাদের লোক হুগলীর পঞ্চায়েত চাকরি করে আবার হুগলী জেলার লোক জলপাইগুড়ির পঞ্চায়েতে চাকরি করে। ভাবুন পঞ্চায়েতে সামান্য বেতনের কেরানির চাকরি বেতন কম ডি এ  নেই, সরকার গৃহভাড়া ভাতা কম দিচ্ছে, তাতে সে আরেকটা জেলায়  আট থেকে দশ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া তথা ঘর ভাড়া নিয়ে আছে। পুলিশ ওদের তো কথাই নেই অর্ধেকের বেশি আছে জালি পূলিশ এরা ইংরেজ আমলের মত বর্তমান শাসক দলের হয়ে পাবলিক এর উপর অত্যাচার করতে ওস্তাদ। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সাধারণ পোশাক পরে বেড়িয়ে পরে বা এলাকার শাসক দলের নেতা কর্মী তথা মস্তান দের ডেকে নেয় নিয়ে মিছিল মিটিং প্রতিবাদির উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।কি ভাবছেন এলাকার শাসক দলের নেতা কর্মী দের ফোন নাম্বার প্রতিটি পুলিশ কর্মীর কাছে আছে। অবশ্য এসব হচ্ছে আই প্যাক নামক সংস্থার জন্য, এই আই প্যাক আসলে আয় এস এস এর পাঠানো দল যাদের কাজ বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করা। আর সর্বত্র দমন পীড়ন চালানো, আর সর্বত্র ধর্মের বিষ ছড়িয়ে বাঙালির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে রাখা। সে জন্য নকল পুলিশ, নকল অফিসার, এবং কম বেতনের কর্মী এসব ঐ আই প্যাকের নির্দেশে তোলাবাজি, এবং সেটা পুলিশ ও সরকারি অফিসার দিয়ে করানো তাদের ভাগ দেওয়া। আর শিক্ষা ব্যবস্থা কে ধ্বংস করে দেওয়া এসব আই প্যাক তথা আর এস এস এর কাজ। যাহোক শিক্ষা এবং বর্তমান শিক্ষক দের নিয়ে অনেক লেখা এই ব্লগে আছে নতুন করে আর লিখলাম না। এখন শাসক পুলিশ, আর সরকারি অফিসার, বিচার ব্যবস্থা, বড় বড় শিল্প পতি প্রত্যেকে মিলে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের উপর নানা ভাবে অত্যাচার নামিয়ে এনেছে কোনো কোনো সময় যা ব্রিটিশ শাসন কেও হার মানিয়ে দিচ্ছে। যেমন কম মজুরি তে বেগার খাটানো, না হলে ভাবুন তো একজন মিড ডে মিল কর্মী অর্থাৎ রাঁধুনী বর্তমান বাজারে বেতন পায় দু হাজার টাকা তাও দশ মাসের, ধরে নেওয়া গেল সে মাসে কুড়ি দিন কাজ করে তাহলে তার মজুরি হল দৈনিক এক'শ টাকা। আর যদি বিদ্যালয়ে দল বা গোষ্ঠী তে রান্না করে তাহলে ঐ দু হাজার টাকা দলের মধ্যে ভাগ করে নিতে হয়। 
তার উপর আছে বর্তমান ঘুষ দিয়ে সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষক কুলের বিভিন্ন রকম কটুক্তি আর অপমান নিত্যদিনের পাওয়না। কারণ এদের বেশির ভাগ টা বাম আমলে নিয়োগ প্রাপ্ত সে কারণেই এদের উপর এত রাগ। নিজেরা ঠিক সময়ে আসে না, পঠনপাঠন বন্ধ করে অফিস ঘরে বসে গল্প করতে ভালো বাসে আর মনে হয় বাড়িতে রান্না বান্না হয় না, বারোটা বাজলো মিড ডে মিলের ভাত ডাল তরকারি নিয়ে খেতে বসে গেল। দেখে মনে হয় বাড়িতে রান্না করতে বারণ করেছে স্কুলের মিড ডে মিল খাওয়ার জন্য। যাহোক দিদির এই সব ভাইপো ভাইঝি দের কথা না বলাই ভালো, এখন দিল্লির শাসক সেও কম যায় না, কয়েক জন শিল্পপতির হয়ে সারাদেশের জনগনের উপর  নানা কর চাপিয়ে চলেছে, সে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র (খাদ্য দ্রব্য ) থেকে শুরু করে জীবন দায়ি ওষুধ, সর্বত্র জিজিয়া কর ব্যবস্থা চালু করে দিয়েছে। আর আছে ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা কথার কথায় বিভিন্ন কারণে টাকা কেটে নেওয়া, কারণ ঐ যে বড় বড় শিল্প পতিদের ঋণ দিল্লির সরকার মুকুব করে দিয়েছে, পরিমাণ টা কম না কয়েক লক্ষ হাজার কোটি টাকা। আবার বেশ কিছু শিল্প পতি ঋণ নিয়ে শোধ না করে বিদেশে পালিয়ে গেছে বলা ভালো তাদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করেছে দিল্লির সরকার। আর এদিকে পড়নের কাপড় থেকে খাদ্য দ্রব্য বেঁচে থাকার জন্য নুন্যতম চিকিৎসা করাতে মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে। আর নেতা মন্ত্রী বেশ কিছু সরকারি কর্মচারী এই রাজ্যে লুঠ চালাচ্ছে যত প্রকল্প তত কাটমানি! এই একটা শুরু হয়েছে আমার পাড়া আমার সমাধানে প্রতি পাড়ায় বা বুথে দশ লক্ষ টাকা এখন থেকেই হিসেবে শুরু হয়েছে কীভাবে ওটা লুটপাট করা যাবে না হলে সামনের ভোটে মদ মাংস খাওয়ানো যাবে না বা ভোটার দের বাড়ি তে কিছু পাঠানো যাবে না। আমি এখানে একটা ঘটনার কথা বলি, 2022 বা 2023 সালের একটি ব্লকের ঘটনা, বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কিচেন সেড ও ইউরিনাল টয়লেট তৈরির জন্য টাকা দেওয়া হবে বলা হল। যাদের দরকার সে সব স্কুল আবেদন করল, এর মধ্যে বেশ কিছু স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা ভার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দের ডেকে বলা হল খরচের হিসেব টা আগে থেকে জমা দিতে হবে তার পর টাকা দেওয়া হবে, যে সব স্কুল কে ডেকে দিতে বলল তারা প্রায় প্রত্যেকে টাকা পেল না খরচ করল না ইউ সি জমা করে দিল। সেই টাকা এখনও পর্যন্ত ঐ সব স্কুল কে দেওয়া হয় নি। এভাবেই সরকারি ভাবে একজন বি ডিও অফিস থেকে কয়েক লক্ষ টাকা লুঠ হয়ে গেল। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কে বলছি আপনারা এই লুটপাট বন্ধ করতে চাইলে রুখে দাঁড়ান আপনাকে তথা আপনার বাড়ির লোক কে পাঁচ শ হাজার টাকা দিয়ে লুট করে নিয়ে যাচ্ছে। আজ সারা দেশের থেকে এই রাজ্যে বিদ্যুতের দাম বেশি, ওষুধের দাম বেশি হসপিটালে ডাক্তার নেই, কারণ এখন ডাক্তারি পড়তে হয় না টাকা দিলে ডাক্তারি পাশ করা যায়। আর ওষুধ প্রায় সব টাই ভেজাল অর্থাৎ জাল কারণ ইলেট্রালার বণ্ডে কোটি কোটি টাকা নিয়েছে দিল্লী এবং পশ্চিমবঙ্গের শাসক আপনাকে শোষণ করবে বলে, আপনি একবেলা খেয়ে কোনো বেঁচে আছেন আপনাকে বলা হচ্ছে চাল বিনা পয়সায় দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু আপনি সেই চাল দিয়ে ভাত রান্না করবেন, জ্বালানির দাম আকাশ ছোঁয়া, গ্যাস বলুন, স্টোভ জ্বেলে রান্না করবেন কেরোসিন তেলের দাম আকাশ ছোঁয়া। শুধু ভাত খাবেন, একটু ডাল কিম্বা তেল নুন (লবন) বা সামান্য সবজি কিনতে যান আপনার যা মজুরি ঐ দিয়ে কিছু হবে না। কারণ দু শ তিন শ বড় জোর পাঁচশ টাকা মজুরি ওতে চলবে না। আবার সেই ব্রিটিশ শাসন ফিরে আসছে, বাবু গো একটু ফ্যান হবে অনেক দিন কিছু খাই নি। একটু লক্ষ করে দেখবেন স্টেশনে স্টেশনে ভিক্ষারির সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। খুব কম বয়সি বাচ্চা দের নিয়ে অনেকেই ট্রেনে ভিক্ষা করছে। বলবেন আগে ছিল না, আমি বলি ছিল কম ছিল এত বেশি ছিল না। এই বাংলায় আবার 1980 সালের আগের অবস্থা ফিরে আসছে, অশিক্ষা দারিদ্র, না খেতে পাওয়া, ভুট্টা গুঁড়ো, মাইলো, ঘেসো কড়াই শেদ্ধ যবের আটা সে সব দিন যদি ফেরত না আনতে চান তাহলে রুখে দাঁড়ান না হলে  ভয়ঙ্কর পরিনতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা ভুয়ো ডাক্তার, জাল ওষুধ, খাবার জিনিসে ভেজাল, তার উপর আকাশ ছোঁয়া দাম এসব দেখে আপনার মনে হচ্ছে না, এই দুই সরকার মিলে শোষণ চালাচ্ছে। একে দ্বিতীয় ইংরেজ শাসন বলবেন না, ইংরেজ লুটপাট করত জমিদার জোতদার দের দিয়ে আর এরা অত্যাচার করছে শিল্পপতি ব্যবসায়ী দের দিয়ে, ইংরেজের শাসন না মানতে পারলে তার উপর পুলিশ এবং ইংরেজ সাহেবের অত্যাচার নেমে আসত, ইংরেজ যেমন বাঙালির মধ্যে ডিভাইড এণ্ড রুল চালু রেখেছিল, অর্থাৎ ধর্মের নামে বিভাজন, জাতের নামে বিভাজন, এখন দেখুন সেটাই হচ্ছে, ধর্মের নামে ভাষার নামে ভাগ করছে। আর ইংরেজ তার ব্যবসা বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের পানীয় প্রথম বিনা মূল্যে দিত যেমন চা, মদ খাওয়াতো তার পর সে গুলো নিজের দেশ থেকে এনে বিক্রি করত। এখন পশ্চিমবঙ্গ সরকার নিজে মদ বিক্রি করে কারণ ওটা থেকেই সরকারের রাজস্ব বেশি আসে। আপনি ভুলে আছেন আপনার স্ত্রী লক্ষী ভান্ডার পাচ্ছে, মেয়ে কন্যাশ্রী পাচ্ছে, আর আপনি মেয়ে কে পড়তে পাঠাচ্ছেন সেই কন্যাশ্রী পাওয়া মেয়ে কে ধর্ষণ করছে, এর সাথে ইংরেজ দের কথা মনে করুন যার মা বোন বা মেয়ে কে যে ইংরেজ সাহেবের মনে ধরত তাকে পুলিশ বা লেঠেল পাঠিয়ে তুলে নিয়ে যেত। বলছি রুখে দাঁড়ান আগামী দিনে এই অপশাসন কে সরিয়ে সঠিক লোক কে ক্ষমতায় আনুন। ঐ দিল্লীর দাদার দল কে নয় আর এই দল কেও না, নির্দিষ্ট করে বলছি বামেদের ক্ষমতায় আনুন। না হলে এই বেকার সমস্যা, যা সারা দেশে স্বাধীনতার ৪৫ বছরে সব থেকে বেশি। 

Wednesday, 27 August 2025

ডি এ নিয়ে এই সরকারের তামাশার শেষ নেই।

 সত্যিই আমরা আজব রাজ্যে বাস করছি। এখানে সরকারি চাকরি করা মানে সব থেকে কম বেতনে চাকরি করা। আর না হলে কাটমানি ব্যবস্থা করে নিতে পারলে তার আর ফিরে তাকাতে হবে না। কেউ কিছু বলবে না। সব কর্মচারী তো আর কাটমানি তুলতে পারে না, যারা এই কাটমানি তুলতে পারে তারা এই সরকার কে ক্ষমতায় রাখতে বদ্ধ পরিকর কারণ ডি এ এর তিন গুণ টাকা এরা কাটমানি থেকে পায়। উপর তলার অফিসার থেকে কিছু পুলিশ সকলেই এই ব্যবস্থার সাথে যুক্ত, দিদির দলের সমর্থক সরকারি কর্মচারী এবং শিক্ষক শিক্ষিকা এদের ডি এ চায় না। কেউ কেউ মুখে বলে কিন্তু মনে মনে বলে ডি এ না দেওয়া ভালো, ছুটি দেওয়া আর ঘরে বসিয়ে বসিয়ে বেতন নেওয়া এদের স্বভাব হয়ে গেছে, আর শিক্ষক শিক্ষিকা দিদির দলের তারা তো স্কুলে পড়াতে আসে না। স্কুল আসে বাজার করতে, ডাক্তার দেখাতে আরো যদি বাড়ির কাজ করতে। সব কিছু শেষ করে সময় থাকলে পড়ানো। যাহোক এদের বাদ দিলে অধিকাংশ আছে যারা আছে সঠিক কাজ টা করে সে কারণে সরকারি কাজ গুলো ঠিক মত হচ্ছে। কিন্তু এই সরকার এই সব কর্মচারী দের দিনের পর দিন বঞ্চনা করে চলেছে। গত পে কমিশন এমন করেছে তাতে বঞ্চনার শেষ নেই, House rent ছিল 15% কমে হল 12%আর বেতন এমন ভাবে ঠিক করা হল। সিনিয়র কর্মীদের থেকে জুনিয়র কর্মীদের বেতন বেশি বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে সমান হয়ে গেছে। 2010 সালে যোগদান করা কর্মীরা 2012 সালের কর্মীর সমান বেতন পান। আবার সিনিয়র কর্মী যারা 2000 সালের আগে যোগদান করেছেন তারা পান লেভেল 09 এবং 2000 সালের পরে যোগদান করে আঠারো /16 বছর চাকরি হলে সে লেভেল 10 এ বেতন পান। আর এই প্রথম শূন্য শতাংশ ডি এ দিয়ে বেতন কমিশন শুরু হল। প্রায় দু বছর ডি এ না দিয়ে চলল অনেক দাবি করার পর 2% না 3% ডি এ দিলেন। ওদিক কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের ডিএ ফারাক বেড়ে চলল। এরকম ভাবে বর্তমানে 18% ডি এ দিচ্ছেন। অদ্ভুত সরকার পূজোর অনুদান, ভাতা এবং পাড়ায় সমাধান নাকি পিণ্ডি 10 লক্ষ টাকা আসলে সামনে ভোট কাটমানি চাই ভোটে মদ মাংস খাওয়ার টাকা দরকার। সে কারণেই এই পাড়ায় সমাধান ওদিকে এই কাজে অনেক সরকারি কর্মচারী যুক্ত তাদের জন্যে রয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। আর যারা যুক্ত নয় তারা কাঁচ কলা, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে 39%শতাংশ ডি এ পার্থক্য সে সব ঘোষণা নেই সামনে পূজো, বোনাস বলুন আর অনুদান সে তো সব কর্মচারী পায় না। সত্যিই এই সরকার কর্মচারী মারা সরকার। একটা সরকার যখন কম বেতনে কর্মী নিয়োগ করে পাঁচ হাজার বা তার থেকেও কম 2000 হাজার টাকা মাসে তখন বেসরকারি সংস্থাও তার কর্মীদের কম মজুরি দেয়। সে কারণেই এই রাজ্যে বেসরকারি কর্মীদের বেতন কম, আর  জিনিস পত্রের আকাশ ছোঁয়া দাম ঐ কম বেতনে  বেঁচে থাকা কঠিন। এ কারণে এই রাজ্যের শ্রমিক বাইরের রাজ্যে চলে যাচ্ছে কাজ করতে। কারণ বাইরের রাজ্যে একজন রাজমিস্ত্রির দৈনিক মজুরি ১০০০ থেকে ১২০০ টাকা। সেখানে এই রাজ্যে অর্ধেকের কম। যাহোক ভালো থাকবেন দিদি সুস্থ থাকবেন আর ভোটে কারচুপি করে আবার ক্ষমতায় আসবেন, না হলে আপনার ভাই ভাইপো ভাইঝি দের অসুবিধা ভীষণ, ওরা তো চাকরি করে না ওদের তোলাবাজি আর কাটমানি তে চলে, আপনি সাদা খাতা জমা নিয়ে চাকরি দিয়েছেন, এবং টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছেন তারা ভয়ে কিছু বলে না। আর ভোটে কারচুপি করার জন্য তো আপনার আই প্যাক আছে সাথে উপর তলার সরকারি কর্মচারী আছে আপনার চিন্তা নেই আপনি যত দিন বাঁচবেন ততদিন আপনি মুখ্যমন্ত্রী আছেন থাকবেন আরেকটা কথা কোনো কাজ টা ঘুষ বা কাটমানি ছাড়া করবেন না।

Friday, 18 July 2025

পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার সরকারি দপ্তরে শেষ চেষ্টা।



উপরের ছবি টা একটা স্কীনশট নেওয়া ছবি। ছবি টি সম্পর্কে কিছু কথা বলি তার পর অন্য কিছু কথা লেখা যাবে। ছবির দুটি অংশ উপরের অংশ একজন শিক্ষক যিনি BLO ডিউটি পেয়েছেন তিনি আবেদন করছেন তার সহকর্মী দের কাছে যাতে এই ডিউটি চলাকালীন তার অনুপস্থিত তে তার কাজ মানে পঠনপাঠন মূল্যায়ন ইত্যাদি যা তিনি করেন সেটা যেন বজায় থাকে অন্য কেউ করে দেয়। তার মানে তিনি ঐ BLO ডিউটি করবেন স্কুলে আসবেন না। আর BDO তে ট্রেনিং সেটাও ১১ টা থেকে অর্থাৎ স্কুল না করেই যেতে হবে। সেই বিষয়ে স্কুল শিক্ষা দপ্তরের কোনো চিঠি বা বি ডিও কোনো চিঠি স্কুল কে দেবে না যে ঐ দিনের অনুপস্থিতি বা ঐ ডিউটি চলাকালীন অনুপস্থিতি গুলো ON ডিউটি না অন্য কিছু ছুটি না স্কুলের কাজ করে ঐ ডিউটি করতে হবে। এ এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তে পরেছে স্কুল গুলো বর্তমান শাসকের কারণে আগেও মানে বাম আমলেও এই সব ডিউটি দিলে স্কুল কে চিঠি দেওয়া হত, সেখানে লেখা থাকত যে স্কুলের ডিউটি করার পর ঐ কাজ করতে হবে। যাতে বিদ্যালয়ের পঠনপাঠন সহ অন্যান্য কাজ বন্ধ না হয়। কিন্তু বর্তমান সরকার তথা প্রশাসন এবং তৃণমূল শিক্ষা সেলের শিক্ষক শিক্ষিকা দের গা জোয়ারির জন্য আজ এই অবস্থায় এসে পৌঁছেছে যে BLO বা ভোটার লিস্টের কাজ করা মানে সেটা ON DUTY অর্থাৎ আরামে দিনের পর দিন বিদ্যালয়ে না এসে পঠনপাঠন কে ডকে তুলে দেওয়া। যদিও এই সরকার এবং ঐ সংগঠনের শিক্ষক শিক্ষিকা এবং বর্তমান সিলেবাস সব মিলে প্রাথমিক শিক্ষা প্রায় শেষ। কোনো কোনো বিদ্যালয় ওর মাঝে যেটুকু চেষ্টা করে যাচ্ছে সে টুকুও যাতে বন্ধ হয়ে যায় তার ব্যবস্থা চূড়ান্ত করে ফেলল এই প্রশাসন কারণ অনেক বিদ্যালয়ে এক দুজন করে শিক্ষক সেখান থেকে এবং যে সব বিদ্যালয়ে সব শিক্ষা সেলের শিক্ষক সেখানের সব শিক্ষক শিক্ষিকা এই BLO নিয়োগ পত্র পেয়েছেন। একে তো এই সব শিক্ষক শিক্ষিকারা চায় স্কুলে না এসে না পড়িয়ে অর্থাৎ কাজ না করে ঘরে বসে বসে বেতন পেতে আর সরকার তথা প্রশাসন ও সে ব্যবস্থা পাকা করে দিচ্ছে। লেখা পড়া শিখে কি হবে লেখা পড়া না করে অল্প শিক্ষিত হয়ে বড় বড় নেতা হবে বা বোমা শিল্পে তোলাবাজি শিল্পে যোগ দিলে অনেক টাকা অল্প দিনের মধ্যেই অট্টালিকা তৈরি কোটি কোটি টাকা। উদাহরণ চোখের সামনে সব ঘুরে বেড়াচ্ছে 280 টাকার লেবার এখন 280 কোটির মালিক। স্ব নামে বে নামে সম্পত্তি কত তার বা তাদের কেউ জানে না। বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হতে নিজের দলের মধ্যেই লড়াই শুরু করে দিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে এটাও ঠিক ঐ শিক্ষক কতটা দায়িত্ব শীল অন্য সহকর্মী কে বলছে ডিউটি চলাকালীন আমার অনুপস্থিতিতে, তার কাজ গুলো যেন করে দেওয়া হয়, এর থেকে বোঝা যাচ্ছে প্রশাসনের প্রচ্ছন্ন মদত আছে যে তোমাকে ডিউটি দিয়েছি তুমি স্কুলে যাবে না দেখি প্রধান শিক্ষক বা টি আই সি কি করে? আমরা ( প্রশাসন) স্কুল কে লিখত দোব না যে ওটা অন ডিউটি না স্কুলের কাজ করে ঐ ডিউটি করতে হবে। সত্যিই এই প্রশাসনের জবাব নেই তবে ভাববেন যে সকল অন্য সংগঠনের শিক্ষক এই নিয়োগ পেয়েছে তারা স্কুলে না গিয়ে এই কাজ করলে ছাড় পাবে তাকে কিন্তু প্রশাসন চেপে ধরবে। যাহোক যে সকল সরকারি কর্মচারী এই সব শিক্ষক শিক্ষিকা দের নিয়োগ দিয়েছেন তারা ভালো থাকবেন। আর শিক্ষা তুলে দেওয়ার এই রকম ব্যবস্থা করার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনারা সব বড় বড় অফিসার আপনাদের এত কিছু ভেবে কাজ করতে হয় আপনাদের ধন্যবাদ না দিয়ে পরছি না। 

Monday, 30 June 2025

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন এখন আতঙ্কের।


 পশ্চিমবঙ্গে যে কোনো ধরনের নির্বাচন এখন আতঙ্কের, সে সমবায় নির্বাচন, স্কুল নির্বাচন, পঞ্চায়েত নির্বাচন আর লোকসভা বা বিধানসভা নির্বাচন হলে তো কথাই নেই। শাসক দল বলছে তারা উন্নয়নের জোয়ার এনেছে, তার পরেও মানুষ কে বিশ্বাস করতে পারছে না যে মানুষ তাদের ভোট দেবে। সেই কারণেই কি এই রাজ্যে যেকোনো ভোটে গুলি বন্দুক বোমার এত ব্যবহার না এর পেছনে অন্য কারণ! অবশ্যই অন্য কারণ আছে, এর পেছনে আছে টাকা, লাখ লাখ কোটি কোটি টাকার খেলা। ২০১১ সালের পর থেকে এটা অতিরিক্ত বেড়েছে, সমবায় সমিতির নির্বাচন সেখানেও নাইন এম এম পিস্তল নিয়ে হাজির শাসক দলের নেতা কর্মীরা। আর পঞ্চায়েত, পৌরসভা নির্বাচন সেখানে বুথের মধ্যেই অর্থাৎ ভোটিং কম্পারমেন্টের ভিতরে দাঁড়িয়ে ভোট নিজেরা দিয়ে দিচ্ছে। পুলিশ প্রশাসন নির্বিকার বসে বসে মজা দেখচ্ছে। কারণ এখন পঞ্চায়েত পৌরসভার যত প্রকল্প তত কাটমানি এবং এগুলোতেই বেশি সে কারণেই এত লড়াই এবং নিজের দলের লোকজনকেও এরা বিশ্বাস করতে পারো না, লাখ লাখ টাকা ভাগাভাগি নিয়ে নিজ দলের মধ্যেই মারামারি খুনোখুনি লেগেই আছে। কেউ কাউকে ছাড়বার পাত্র নন, আর ছাড়বেই বা কেন, এসব পুলিশ প্রশাসন সব জানে কিন্তু কিছু বলে না। কোথাও উপর ওয়ালার চাপে নয় তো কাটমানির ভাগ না পাওয়ার ভয়ে। আগে পুলিশ ঘুষ নিত এখন সরাসরি তোলা তোলে কাটমানির ভাগ করে উপর তলায় পাঠিয়ে দেয়। আর বিধানসভা বা লোকসভা নির্বাচন সে তো বলে কথা নেই, কে প্রার্থী হবে তার জন্য উপর পর্যন্ত হাত করতে হয় কোনো কোনো ক্ষেত্রে টাকা দিতে হয়। আর উপরের নেতারা বা দলের সর্বোচ্চ মাথা যিনি আছেন তিনি দেখেন কে জিতলে কাটমানি বেশি আসবে তাকেই প্রার্থী করে, আর জেতা মানেই পাঁচ বছরের বেতন এবং এলাকার উন্নয়নের টাকা সে গুলো পকেটে যাবে আর আছে সরকারি প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ টাকার কাটমানির ভাগ। সে কারণেই যেভাবে হোক জিতে আসতে হবে, আর প্রশাসন যেহেতু সাথে আছে ভোটে জেতা কোনো ব্যাপার না। প্রশাসনের অর্ধেক লোক তো আই প্যাকের অর্থাৎ পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে চাকরি পায় নি, এরা সরাসরি নিয়োগ প্রাপ্ত ব্যক্তি কেবল কাটমানির ভাগ ঠিক করার জন্য এবং বর্তমান শাসক দল কে জিততে সাহায্য করার জন্য নিয়োগ প্রাপ্ত। E. V. M. কারচুপি সে তো বাঁ হাতের খেল, কারণ ভোট হবার পনেরো দিন পর গননা, এই পনেরো দিন নিজের ইচ্ছে মতো   E. V. M. এর মেমোরি পাল্টে দেওয়া কোনো ব্যাপার না। যাদের শান্তি পূর্ণ ভোট করানো দায়িত্ব সেই নির্বাচন কমিশন ঘুমিয়ে থাকে, নামেই পাহারা দেয় ঐ পাহারা দেওয়া লোক জন গুলো আসলে কাটমানির লোক, সে, যে নির্বাচন কমিশন হোক কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সব সমান কেউ কম যায় না। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন সেটা যাতে প্রহসনে পরিনত হয় তার সব রকম ব্যবস্থা করে রাখে। ভোটের আগে থেকেই, চলে শাসক দলের সাথে যুক্ত লোকের বোমাবাজি, ভয় দেখানো, ভোটের দিন বুথের ভেতরে ঢুকে ভোট দেওয়া সি সি ক্যামেরা থাকলে উল্টো দিকে করে রাখা বা বন্ধ করে দেওয়া এসব সব চলে পুলিশ প্রশাসন বা কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনে কেউ কিছু বলে না, আমার তো মনে হয় এরা কেন্দ্রীয় বাহিনী নয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর পোশাক পরে শাসক দলের নেতারা পাহারা দেয়। আগের দিন আসে এসে এলাকার নেতা কর্মীদের সঙ্গে খাতির করে মদ মাংস খেয়ে বন্ধুত্ব করে আর ভোটের দিন ছাপ্পা ভোট দিতে সাহায্য করে। এতো গেল একটা দিক, আরেকটা দিক আছে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন মানে খুন হবেই, সে শাসক দলের নেতা কর্মী হোক বা বিরোধী দলের কেউ বিরোধী দলের হলে সে বাড়ির ছোট বাচ্চাদেরও বেঁচে থাকার অধিকার নেই এতটাই এরা নিশংস। কিন্তু কথা হলো এত বোমা পিস্তল আসে কোথা থেকে? পুলিশ প্রশাসন জানে না, সব জানে ইচ্ছাকৃতভাবে এগুলো উদ্ধার করা হয় না, কারণ দিদির বা দাদার নির্দেশ মরলে সাধারণ মানুষ মরবে সে ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে যে কেউ হতে পারে। এই পুলিশ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা পশ্চিমবঙ্গ টাকে ব্রিটিশ আমলে নিয়ে চলে গেছে। ইংরেজ পুলিশ যেমন সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের মধ্যে লড়াই লাগিয়ে মজা দেখত এবং সেই সাধারণ মানুষ যদি প্রতিবাদ করত তাহলে পুলিশ তাদের গুলি করে বা অন্য অনেক রকম শাস্তির ব্যবস্থা করত এখন কার পুলিশ ও ঠিক সেই কাজ করছে বর্তমান শাসকের সাথে মিলে রাজ্য টা কে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে কেবল টাকা চাই কাটমানি চাই, সর্বোচ্চ নেতা মন্ত্রী দের ৭৫% পাঠালেই সব কিছু ঠিক আছে তাতে সাধারণ মানুষ মরুক যেমন করে হোক এই শাসক দল কে ক্ষমতায় আনতে হবে না হলে ভোটের সময় রিগিং বা ছাপ্পা দিতে পুলিশ সাহায্য করে। ব্যালট বাক্স বদলে দেয়, অফিসার গুলো গননার সময় কারচুপি করে এই শাসক দল কে জেতায় কেবল ২৫% কাটমানির ভাগ যেন তারা পায়, যত প্রকার প্রকল্প আছে তত রকম দূর্নীতি আছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে দূর্নীতি আর এই দূর্নীতি করছে এই সব অফিসার গুলো। পশ্চিমবঙ্গ আজ ধ্বংসের পথে শিক্ষা ব্যবস্থা পুরো ধ্বংস হয়ে গেছে, স্বাস্থ্য গেছে, কোনো কিছুই বাকি নেই। পশ্চিমবঙ্গ আজ আগের বিহারে পরিনত হয়েছে এর জন্য দায়ী ঐ অফিসাররা নির্বাচন কমিশন, দল দাস পুলিশ আই প্যাক পি কে আর বর্তমান শাসক দল এরা সকলে মিলে দিল্লীর দাদা এবং আর এস এস এর ইচ্ছেটা পূর্ণ করে দিয়েছে। ভালো থাকবেন দিদি আপনি বাংলা টা আরো ধ্বংস করে দিন। বাঙালি জাতির ভীষণ গর্ব ছিল আর কিছু থাকুক আর না থাকুক তারা শিক্ষা নিয়ে গর্ব করত। ২০১১ সালের আগে ভালো ছিল শান্তি তে অন্তত থাকতে পারত। 

Saturday, 31 May 2025

বাঙালি ও বর্তমান ভারত।


 (ছবিটি নেট থেকে নেওয়া, একটি স্ক্রিনশট।)

স্বাধীনতার পূর্বে ভারত কীরকম ছিল, ১৯৪৭ সালে ভাগ হওয়ার পর কেমন হয়েছে। কেন ভারত ভাগ করা হয়েছিল সে সব অনেক বড় ইতিহাস, তৎকালীন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ ভারত থেকে চলে যাওয়ার সময়, তৎকালীন মুসলিম লীগ এবং হিন্দু দের একটা অংশ যতটা সম্ভব হিন্দু মহা সভা নেতারা এই ভাগ করে ছিলেন। ব্রিটিশ সরকার চলে যাওয়ার আগে ১৯৪৬ সালে বাংলায় হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা লাগিয়ে দিয়েছিল। যাতে করে স্বাধীন চেতা বাঙালি আর স্বাধীনতার দাবি না করে। কারণ তখন দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধ প্রায় থেমে গেছে, আজাদ হিন্দ বাহীনি আত্ম সমর্পণ করে দিয়েছে। ব্রিটিশ ভাবল যেহেতু সুভাষ চন্দ্র বসু বাঙালি সে কারণেই বাঙালির মধ্যে দাঙ্গা লাগিয়ে দিলে ভারতের অধিকাংশ রাজ্য আর স্বাধীনতা আন্দোলন করতে সাহস করবে না। কিন্তু বাধ সাধল মুম্বাই নৌবাহিনী সেখানে ব্রিটিশ নৌ বাহিনী তে যে সব ভারতীয় কাজ করতেন তারা বিদ্রোহ আরম্ভ করে দিল আজাদ হিন্দ বাহীনির সদস্যদের মুক্তি চাই, তাদের দেখা দেখি ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে সেনা বাহিনীর মধ্যে বিদ্রোহ শুরু হল। ব্রিটিশ সরকার ভারত ছেড়ে চলে যাওয়ার ঘোষণা দিলেন, এর আগেই মুসলিম লীগ এবং তৎকালীন কিছু হিন্দু নেতার কথা মেনে ভারত ভাগ শুরু হল দুটি দেশ একটি পাকিস্তান তৈরি হলো, ভাগ করা হল বাংলা ও পাঞ্জাব কে কারণ ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনে এই দুই জাতি বেশি সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে ছিল। যেহেতু পাকিস্তান হল ব্রিটিশ ভারতের অনেক দেশীয় রাজা এবং ছোট ছোট রাজ্য যেখানে ইসলাম ধর্ম বেশি জিন্নাহ তাদের পাকিস্তানের সাথে যোগ দিতে বললেন। অনেকেই আপত্তি তুলল, কারণ ভারতের মাঝে পাকিস্তান যা কোনো দিন এক সাথে হতে পারবে না। পাকিস্তান বাদে বাকি ভারত ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ হিসেবে থেকে গেল। এর পেছনে সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলর অবদান অনস্বীকার্য। যাহোক এত গেল ভারত ভাগের অল্প ইতিহাস যা ইতিহাস বই এ পড়ানো হয়। এখন বর্তমানে ভারতের মধ্যে বাঙালির অবস্থা কেমন, আমি বলছি শোচনীয়, বাংলা দু ভাগ এক ভাগ পশ্চিমবঙ্গ আর ব্রিটিশ আমলের পদ্মার ওপারের পূর্ব বঙ্গ এখন স্বাধীন বাংলাদেশ (পূর্ব পাকিস্তান ছিল ১৯৭১ পর্যন্ত)। এবার আসি বাঙালি বরাবর স্বাধীনতা প্রিয় জাতি কিন্তু দুর্ভাগ্য সেই বাঙালি বরাবর পরাধীন থেকে গেছে, বাংলা পেয়ে ছিল স্বাধীন রাজা শশাঙ্ক, পাল রাজ্যত্ব আর সেন বংশ সেই শেষ কারণ সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষণ সেন খলজির কাছে পরা জিত হবার পর বাংলায় আর কোনো স্বাধীন রাজা রাজ্যত্ব করে নি। এবার ছোট্ট খাটো ভুঁইয়া জমিদার এরা ছিল, এরাও সে ভাবে স্বাধীন ছিল না। আর ধর্মীয় ভাবে নিপীড়িত হিন্দু জন গোষ্ঠীর তথাকথিত নীচু জাত শুদ্র নম শুদ্র এরা উচ্চ বর্ণের অত্যাচারে অত্যাচারিত হয়ে ব্যাপক হারে ধর্ম পরিবর্তন করতে থাকে এই বাংলায় ইসলাম বাড়তে থাকে। এর ফলেই স্বাধীনতার সময় বাংলা ভাগের সুবিধা হয়। স্বাধীনতার সময় থেকেই বাঙালি জাতির উপর উত্তর ভারতের মানুষ এবং কিছু ভারতীয় পশ্চিমা রাজ্যের মানুষ বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করতে উঠে পরে লাগে। তারা নানা রকম ভাবে বাংলা তথা পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে থাকে। আর ওপার বাংলা থেকে আসা বাঙালি এবং এপার বাংলায় বসবাস কারি বাঙালির মধ্যে দ্বন্দ্ব লাগিয়ে দিতে সক্ষম হয় এবং একটি বিভাজন তৈরি করতে সক্ষম হয়। ওপার বাংলা থেকে আসা বাঙালি এপার বাংলায় একটা আলাদা জাতিতে পরিনত হয়। তাদের বেশির ভাগ টা এপার বাংলায় একটা অচ্ছুত জাতি হিসেবে গন্য করা হয়। ইতিহাসের পাতা থেকে মুছে ফেলা হয় কেন বাংলা ভাগ কেন এরা ভিটে মাটি ছেড়ে আত্মিয় স্বজন ছেড়ে এপার বাংলায় চলে আসে। এখনো একটা কথা এপার বাংলায় প্রচলিত আছে এপার বাংলার সব চাকরি বাকরি ক্ষমতা সব ওপার বাংলার মানুষ দখল করে আছে। কিন্তু কেন সে কারণটা এদের শেখানো হয় না। কারণ একটাই ওপার বাংলা থেকে আসা কপর্দক শূন্য ছিন্নমূল মানুষ গুলো জানে তাদের শিক্ষা অর্জন করে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে এছাড়া কোনো গতি নেই, কারণ এপারে তাদের কোনো জমি জমা নেই যা থেকে চাষ বাস করে দিন যাপন করতে পারে। এই অমোঘ সত্যিই টা ওপার থেকে আসা মানুষ গুলো জানত এবং কঠিন পরিশ্রম করে লেখা পড়া শিখে তারা সরাকারি বা বেসরকারি চাকরি চেষ্টা করে এবং সেসব জায়গায় কাজ করতে থাকে। আমি এপার বাংলার সাধারণ মানুষ কে বলতে শুনেছি ঐ ১০ টাকা বেতন বা ১০০ টাকা বেতনের চাকরি করে কী হবে। ওর থেকে মাঠে খাটলে মাসে অনেক টাকা ইনকাম করা যায়। আর এপার বাংলায় অনেক জায়গায় এপার বাংলার মানুষ চুল্লু বা মদ তৈরি করে তাদের অবস্থা সব থেকে ভালো তারা যা খুশি করতে পারে। এরাই এপার বাংলায় সমাজের গন্য মান্য ব্যক্তি। এরা ঐ একশ বা হাজার টাকা বেতনের চাকরি কে থোরা কেয়ার করে। সে ভাবে লেখা পড়া করেও না অথচ যে চাকরি করে তার উপর এরা - - -! এত গেল সামাজিক দিকের বাঙালি বাঙালি কে ধ্বংস করার উদাহরণ আরো আছে এখানে লিখলাম না। কেন এগুলো করা হয় বা এগুলো এই এপার বাংলার মানুষ করে থাকে কারণ এপার বাংলার মানুষ সঠিক ভাবে শিক্ষিত নয়, অশিক্ষা কুশিক্ষায় ভর্তি এবং সরকারও চায় না এরা সঠিক ভাবে শিক্ষা পাক। আর এখন খোলা খুলি দিল্লী সরকার বাঙালি জাতিকে ধ্বংস করতে আরম্ভ করেছে। কোথা এন আর সির নাম করে ডিটেনশন ক্যাম্পে তথা নতুন জেলখানায় বন্দি করে রাখছে। আর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের বাঙালি যারা শ্রমিকের কাজ করে বা বেসরকারি অফিসে কাজ করে তাদের উপর অত্যাচার করা শুরু করে দিয়েছে। যতই কাগজ পত্র দেখানো হোক সে সব নাকি জাল এবং সব বাঙালি বাংলাদেশি। সেদিন তো একটা ইউ টিউব চ্যানেলে দেখলাম গুজরাত থেকে বেশ কিছু বাঙালি কে জাহাজে করে এনে (হাত এবং চোখ বেঁধে) সুন্দরবনের কোন এক নির্জন দ্বিপে নামিয়ে দিয়ে চলে গেছে। আগে অত্যাচার করা হচ্ছিল আসামে সেখানে ডিটেনশন ক্যাম্পে ১৯ লক্ষ বাঙালি বন্দি আছে। অনেকেই জানে না, বাংলা ভাগ করার সময় একটা অংশ আসামের সাথে যুক্ত করা হয় (করিমগঞ্জ) বরাক উপত্যকার একটা অংশ আসামের এই অংশে ১৯৬১ সালে ভাষা আন্দোলন হয় এই ভাষা আন্দোলন করতে গিয়ে ১৯৬১ সালের ১৯ শে মে বেশ কিছু বাঙালির প্রান যায়। এত গেল আসাম এর পর বর্তমান দিল্লীর শাসক বি জে পি যে যে রাজ্যে ক্ষমতায় আছে সেখানেই বাঙালি কে বাংলাদেশী বলে চিহ্নিত করা হচ্ছে এবং অকথ্য অত্যাচার করা হচ্ছে। গুজরাতে এবং দিল্লী তে বাঙালি বস্তি বাড়ি গুলো বুলডোজার চালিয়ে ভেঙে দিয়েছে, আর মহারাষ্ট্র, এবং ওড়িশায় বাংলায় তথা পশ্চিমবঙ্গে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় হওয়ার যতটুকু কাগজ দেখাক ওতে কিছু হবে না, আর যদি ইসলাম ধর্মের মানুষ হয় তাহলে যতই কাগজ দেখাক সে গুলো ওই সব রাজ্যের কাছে জাল এবং এরা অবৈধ অনুপ্রবেশকারী অর্থাৎ তড়িপারের কথায় এরা 'ঘুষবৈঠি' আসলে ঐ তড়িপারের বংশ ধর গন পশ্চিম পাকিস্তান থেকে এসে ছিল ওতে কোনো দোষ নেই, কারণ পাকিস্তান তো পাকিস্তানের যুজু দেখিয়ে ভোটে জেতা যায় পাকিস্তানের নাম করে মানুষ খুন করা যায় যুদ্ধ, যুদ্ধ খেলা যায়। কিন্তু বাঙালি কেন ব্রিটিশ কে তাড়িয়ে ছিল এটাই আর এস এস এবং বিজেপির দলের গাত্র দাহ, এরা ভীষণ বাঙালি বিদ্বেষী এবং বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করার জন্য উঠে পরে লেগেছে, এখন বাংলায় ঐ আর এস এস সমর্থিত সরকার চলছে, বাঙালি কে ধ্বংস করার জন্য তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা কে ধ্বংস করে দিয়েছে, কারণ জানে এই চোর বাটপার দূর্নীতি গ্রস্থ সরকার কিছু করতে পারবে না। করলেই জেল, সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গে যত বড় বড় আমলা অর্থাৎ সচিব এসেছে বেশির ভাগ গুজরাতি লোক এরা বিভিন্ন ভাবে বাঙালি কে আবার সেই ১৯৪৭ এর পরের অবস্থায় নিয়ে যেতে চাইছে। কারণ বর্তমানে একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখবেন দূর্নীতি সেই সচিব পর্যায় পর্যন্ত, তবে ইংরেজ আমলেও বর্তমান শাসকের মত এক দল ব্রিটিশের পা চাটা গোলাম ছিল যাদের মাধ্যমে ইংরেজরা প্রায় দুশো বছর রাজত্ব করে গেছে। এই রকম গোলাম পা চাটা দের ঘুষ দিয়ে, ধর্মের নামে বাঙালি কে ভাগ করে রেখে ইংরেজরা শাসন করত, এখন দিল্লির শাসক ও সেই ইংরেজ এবং পশ্চিমবঙ্গে সেই ইংরেজের পা চাটার দল ক্ষমতায়। দেখুন তখন ইষ্ট ইন্ডিয়ান কোম্পানি ব্যবসা করে শোষণ করত এখন গুজরাতের ব্যবসায়ীরা করছে। এখন তো ভারতে গুজরাতি শাসন চলছে একটু খেয়াল করলে দেখবেন ভারতের সংবিধান না মেনে একদম শোষণের চুড়ান্ত পর্যায় নিয়ে চলে গেছে। কিছু বাঙালি আছে খুব লাফালাফি করছে বি জে পি সরকার আসুক, আমি ও এই বাঙালি আরো ধ্বংস হোক ১৯৪৭ সালের আগের অবস্থায় ফিরে আসুক, ১৯৪৩ সালের মত দূর্ভীক্ষ আসুক "বাবু গো একটু ফেন দেবে" বলে শহরের রাস্তায় ঘুরে বেড়াক তবে তখন কলকাতায় কিছু হলেও বাঙালি ছিল এখন কিন্তু নেই, আর দূর্ভীক্ষ হয়েছিল কারণ হচ্ছে ঐ ভারতের পশ্চিমা রাজ্যের ব্যবসায়ী দের খাদ্য মজুত করে রাখার জন্য। বিজন ভট্টাচার্যের লেখা নবান্ন নাটক এবং কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা বেশ কিছু কবিতা পড়লেই জানা যাবে সেই দূর্ভীক্ষের ভয়াভয় ছবি। যাহোক ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ভেজাল ওষুধ খাবেন, ডাক্তারি না পড়ে ডাক্তারি করা ডাক্তার দেখাবেন। ব্যবসায়ী গন ইলেট্রালার বণ্ডে টাকা দেবে আর জিনিস পত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া হবে আপনি পাঁচশ হাজার টাকা ভাতা পাবেন, বেশ চলে যাবে। আর এমন একটা অশিক্ষিত মানুষ এই বাংলায় তৈরি করা হয়েছে যারা পা চাটা ছাড়া আর কিছু জানে না। এখনই দেখছেন দিল্লীর দাদা বা রাজ্যের দিদি যা বলছে তাতেই হাততালি পড়ছে। খুব ভালো থাকুন আর দাদা এবং দিদি কে ভোট দিতে ভুলবেন না। আপনি বা আপনারা ভোট না দিলে কি করে মন্দির তৈরি করে দেবে। একজন রাম মন্দির বানায় তো আরেক জন জগন্নাথ মন্দির। দিদি এবং দিদির ঐ সচিবের দল শিখিয়েছে লেখা পড়া না করে পরীক্ষা না দিয়ে বা সাদা খাতা জমা দিয়ে ঘুষ দিয়ে চাকরি করা যায় ডাক্তার হওয়া যায়। 

Thursday, 17 April 2025

সত্যিই পশ্চিমবঙ্গে ডবল ডবল চাকরি হবে!


 মনে পড়ে যাচ্ছে গত বিধানসভা না লোকসভা নির্বাচনে আগে মাননীয়ার ভোট প্রচারে বলা সেই কথাটা, ডবল ডবল চাকরি হবে! আজ পশ্চিমবঙ্গে সেটাই হতে যাচ্ছে, বর্তমানে সুপ্রীম কোর্টের রায়ে যে সকল শিক্ষক শিক্ষিকা তথাকথিত চিহ্ণিত দূর্নীতি করে চাকরি পায় নি বা ঘুষ দিয়ে চাকরিতে ঢুকেছে এ রকম প্রমাণ হয় নি বা এস এস সি বলে নি তারা আজ তথা১৭/৪/২৫ এর রায়ের পর ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত স্কুলে যেতে পারবে। আগামী ৩১ শে মে ২০২৫ শের মধ্যে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ার নোটিশ জারি করা হবে যারা ২০১৬ সালে পরীক্ষা দিয়ে ছিল তারা সহ আরো নতুন চাকরি প্রার্থী পরীক্ষা দিতে পারবে। আর নিয়োগ করা হবে ২০১৬ সালের ২৫৭৫২ জনের যে পদ খালি ছিল সেই পদে। অর্থাৎ একবার ষোল সালে টাকা নিয়ে ঐ পদের জন্য পরীক্ষা নিয়ে ২০১৮ বা ২০১৯ সালে নিয়োগ করা হয়েছিল আবার সেই পদের জন্য আবেদন এবং আবার ফর্ম বিক্রি আবার পরীক্ষা বাইশ লক্ষ আবেদন কারি যতটা সম্ভব ৫০০ টাকা করে ফর্ম পূরণ করতে হবে। অর্থাৎ একটা চাকরির জন্য দুবার আবেদন দুবার পরীক্ষা কারণ মাননীয়ার ভাই ভাইপো দের টাকার লোভ সেই সময়ে কয়েক হাজার আবেদন কারির কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে চাকরি বিক্রি করা।

এটা হয়েছে একটাই কারণে পশ্চিমবঙ্গে শিল্প সম্ভাবনা কে গুজরাত কে উপহার হিসেবে দিয়ে এখন পশ্চিমবঙ্গে কয়েক কোটি বেকার কারণ পশ্চিমবঙ্গে লোক সংখ্যা বেশি। মাননীয়ার গুজরাত প্রীতি বরাবরের নিজের রাজ্য বা বাঙালি উচ্ছন্নে যাক গুজরাত বেঁচে থাক। শিক্ষা তো ঐ নাগপুরের নেতার কথায় ধ্বংস করে দিয়েছে। এখন কঙ্কাল সার অবস্থা কয়েক জন মন্ত্রী সে বেসরকারি স্কুল খুলেছে প্রতি বছর নতুন নতুন নাম তার। চারপাশে বিজ্ঞাপনের ছড়া ছড়ি। একটা আশ্চর্যের বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এই সরকার নিযুক্ত ঘুষ দিয়ে চাকরি পাওয়া শিক্ষক কুল যাতে মন্ত্রী দের স্কুলে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হয় তার জন্য সুপারিশ করছে। কী দারুণ ব্যাপার না! যাহোক শেষ পর্যন্ত ডবল ডবল চাকরি হবে, এর জন্য দায়ী এক শ্রেণির অল্প শিক্ষিত সর্ব জ্ঞানী বাঙালি কারণ আমি শুনেছি আগে অর্থাৎ এই সরকার আসার আগে ২০১১ সালের আগে যদি কেউ সরকারি চাকরি পেতে তাদের একটাই কথা কত টাকা দিয়েছে দেখ বা খুঁজে বের করত তার বাড়ির কারোর সাথে সি পি আই এম এর যোগাযোগ আছে কীনা! এই সব মানুষ গুলোই আজ এই সরকারে নেতা মন্ত্রী কর্মী চোর দের ঘুষ দিয়ে চাকরি কিনে ছিল। যা ১৯৯৭ এর পর কল্পনা করা যেত না। আবার ভাবলে হবে না যারা সেই সময় অর্থাৎ ১৯৯৭ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত চাকরি পেয়েছিলেন তারা সকলেই বামেদের সমর্থন করে মোটেও না বেশির ভাগ টাই কট্টর বাম বিরোধী অথচ এখন বুক ফুলিয়ে বলছে আমি বাম আমলে এস এস সি বা প্রাইমারি পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পেয়েছি। সত্যিই বেশ আশ্চর্যের ব্যাপার স্যাপার, তবে এটা ঠিক আজ মাননীয়ার কথা সত্যিই হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে ডবল ডবল চাকরি হবে। ধন্যবাদ দিদি আপনাকে আপনি আরও কুড়ি বছর রাজত্বে থাকলে বাঙালি আর বাঙালি থাকবে না সকলে ডিটেনশন ক্যাম্পে চলে যাবে এটা পূর্ব বিহার হবে। আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন আপনিও বাঙালির সাথে ডিটেনশন ক্যাম্পে চলে যাবেন। আর যে দিন আপনার দাদা বাংলাদেশ দখল করবে স্বপ্ন দেখছে সেদিন ওখানে পাঠিয়ে দেবে। কারণ আপনার গুজরাতি ভাই এবং নাগপুরের ভাই এর কথা হচ্ছে বাঙালি দেশ ভাগ করে নিয়েছে নিজের দেশ বাংলাদেশে চলে যাবে। এখানে থাকবে কেন? 

Wednesday, 9 April 2025

শিক্ষা আজ বুটের তলায়।


এটি ফেসবুক থেকে নেওয়া ছবি। কেন নিলাম, এই সরকার আসার পর থেকে দেখেছি নিরস্ত্র নিরীহ জনগণের দাবি দাওয়া নিয়ে জনগণের বিভিন্ন আন্দোলন হলে পুলিশ এভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়ে বিভিন্ন ভাবে মারধর করে। বিশেষ করে সেখানে যদি সি পি আই এম এর নেতৃত্ব থাকে বা তাদের কোন গন্ধ থাকে তাহলে তো কথাই নেই। এই চোদ্দ বছর এসব দেখে, ইতিহাসে পড়া ইংরেজ শাসনের অত্যাচারের কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেখানে পড়েছি ব্রিটিশ পুলিশ আন্দোলন দমন করতে এই রকম অত্যাচার করত। বিশেষ করে যারা স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন বা তাদের সহযোগিতা করা কোনো মানুষ কে যদি ধরতে পারত তাহলে তো কথাই নেই। মেরে হাত পা ভেঙে দেওয়া গরম সিসা ঢেলে দেওয়া, কত রকম অত্যাচার কেবল দলের কথা বা অন্য বিল্পবী বন্ধু দের নাম গুলো যাতে বলে দেয় তার তার জন্যে নির্মম অত্যাচার। শিক্ষা তথা শিক্ষক এই ভাবে লাথি মারত এটা ইতিহাসে পড়া হয় নি। কারণ তারা শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলে ছিল কেরাণী কুল বা কেরাণীর চাকরি দেওয়ার জন্য। তথাকথিত অনেক বিশিষ্ট বাঙালি ব্যক্তি কে সেই শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে যুক্ত করে দিয়ে ছিলেন। যেমন বিদ্যাসাগর তাছাড়া পড়েছি বাঙালির আধুনিক তথা সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে রাজা রামমোহন রায়, দ্বারকানাথ ঠাকুর এঁদের সহযোগিতা করেছেন অনেক ইংরেজ, যেমন ডেভিড হেয়ার তাদের মধ্যে একজন। এরকম অনেকেই তখন বাঙালির শিক্ষা ব্যবস্থা কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করে ছিলেন। সেই শিক্ষা ব্যবস্থা ধীরে ধীরে এমন জায়গায় পৌঁছে ছিল বাঙালি জাতির গর্বের বিষয় ছিল বাঙালির আর কিছু থাকুক আর না থাকুক তারা কিন্তু উচ্চ শিক্ষিত।  ইতিহাসে পড়েছি বহু বাঙালি, শিক্ষিত মানুষের কথা, যেমন, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, জগদীশচন্দ্র বোস, সত্যেন্দ্রনাথ বসু, কত নাম এখানে লিখে শেষ করা যাবে না। গত ২০১১ সালের পর এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে তার পর থেকেই ধীরে ধীরে এই শিক্ষা ব্যবস্থা কে শেষ করে দিয়েছে প্রথম হচ্ছে, জঘন্য পাঠ্যসূচি পাঠক্রম অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাশ ফেল তুলে দেওয়া। ইত্যাদি বুঝতে পারছি সব হচ্ছে গুজরাতি দাদা আর মোহন ভাগবতের নির্দেশে তারা জানে বাঙালির মেধার সাথে পেরে ওঠা যায় না আর এটাও জানে একটা জাতি কে শেষ করতে এখন আর কিছু লাগে না তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে পারলেই সে জাতি ধ্বংস হবেই। কারণ ভুয়ো ডাক্তার, ভুল চিকিৎসা ব্যবস্থা, অযোগ্য শিক্ষক শিক্ষিকা অশিক্ষা কুশিক্ষায় ভড়ে উঠবে। কেন বলছি এই কয়েক দিন এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষিকা ইংরেজি বানান অর্থাৎ ইংলিশ এই বানানটি ইংরেজি তে কি লিখেছিলেন জানেন eleghlish/(আসলে হবে English) যে শিক্ষিকা এটা লিখেছিলেন তিনি ২০১২ সালের টেট পাশ করে চোদ্দ সালে চাকরি পেয়েছেন। এরকম অজস্র ভুল ভাল প্রতিদিন করে। যাহোক ছাড়ুন ওসব কথা কারণ এরা বর্তমান সরকারের সমর্থক, পুলিশ কিন্তু এদের ঠাকুর যত্ন করে কারণ মুখ্যমন্ত্রী যা বলেন যা করেন তাকেই এরা সমর্থন করে, ঐ উলঙ্গ রাজা রাজা তোর কাপড় কোথায় বলার সাহস টুকু এদের নেই। আর পুলিশের ভিতরেও এই ভুয়ো বা পরীক্ষা না দিয়ে চাকরি পাওয়া সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পাওয়া লোক জন আছে এদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে যে কোনো আন্দোলন কে এভাবেই দমন করার জন্য। পুলিশ বিভিন্ন লুঠের টাকা বয়ে নিয়ে যায় এবং তারা ভাগ পায় একদম উপর মহল পর্যন্ত। আগে অর্থাৎ বাম আমলে সামান্য টাকা ঘুষ পেত তাও ধরা পরলে চাকরি চলে যেত। এখন যে পুলিশ যত কাটমানি বা ঘুষের টাকা তুলে দিতে পারে তার প্রমোশন এবং ভালো জায়গায় পোস্টিং কেউ আটকাতে পারে না। বাম আমলে ধরা পড়লেই চাকরি যেত বা দূরে বদলি করা হতো এখন তো ওসব হয় না। এখন বারো মাস কাজ করে চোদ্দ মাসের বেতন পায় তার উপর উপরি পাওনা আছে আর সে কারণেই উপর ওলার নির্দেশে পুলিশ এখন এত অত্যাচারি বিশেষ করে বামেদের দেখলে ক্ষেপে যায়। যেমন অনেক ষাঁড় আছে লাল দেখলে ক্ষেপে যায় এরা বামেদের গন্ধ থাকলেই এই রকম আচরণ করে কোনো কথা হবে না। আর ওদিকে দিল্লির দাদা নাগপুরের নির্দেশ আছে যেমন করে হোক বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করতে হবে। সেই কারণেই এই দ্বিতীয় ইংরেজ শাসনের সূচনা বাংলায়। বাঙালি কে বলছি যদি পূর্ব পুরুষের রক্ত দেহে থাকে তাহলে জেগে ওঠ। বুঝিয়ে দাও আমরা সেই বাঙালি যারা মাষ্টার দা সূর্য সেন, বিনয় বাদল দীনেশ ক্ষুদিরাম রাসবিহারী বসু, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর উত্তরসূরী। শত অত্যাচারেও আমাদের দমন করা যাবে না। 

Sunday, 30 March 2025

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কে দয়া করে প্রহসনে পরিনত করবেন না।



 মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই লেখাটির মাধ্যমে আপনার কাছে একটা কাতর আবেদন রাখছি।জানি না আপনি এই লেখাটা পড়বেন কি না! বা এই লেখাটা আপনার নজরে কেউ আনবে কিনা তবুও আপনার উদ্দেশ্যে এই লেখা। দয়া করে আপনি পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন কে প্রহসনে পরিনত হতে দেবেন না। আসছে ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, আপনি এখন থেকেই ঠিক করে নিন কোথাও কোনো গণ্ডগোল হবে না। সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হবে। আপনার পুলিশ কোথাও কোন দায়িত্বে থাকবে না। যেমন ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে হয়েছিল। আপনি ক্ষমতায় এসে ছিলেন। ২০০৯ এর লোকসভা নির্বাচন এবং ২০১১ বিধানসভা নির্বাচন সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে হয়েছিল। কোনো খুন দাঙ্গা মারপিট বা ঝামেলা হয় নি। আপনি বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতা দখল করে ছিলেন। জানি না আপনি ক্ষমতায় এলেন এবং মানুষের জন্য এত প্রকল্প ঘোষণা করলেন। রাস্তা বানালেন সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প আনলেন তবুও আপনি এবং আপনার ভাইয়ে রা বাংলার নির্বাচক তথা ভোটার কে বিশ্বাস করতে পারলেন না। মার ধোর দাঙ্গা বোমাবাজি খুন জখম ভোট লুট ছাপ্পা ভোট গননায় কারচুপি সব কিছু করতে শুরু করে দিলেন। সে পঞ্চায়েত নির্বাচন হোক বা সমবায় নির্বাচন কোথাও গুলি বন্দুক বাদ নেই। মানুষ কে ভয় দেখানো বন্ধ নেই। কারণ একটাই টাকা লুটতে হবে। দিদি আমি বলছি আপনার ভাই বোনে দের বলুন এসব করতে হবে না। মানুষ এমনি আপনাকে ভোট দেবে কারণ আপনি অনেক কিছু দিচ্ছেন। বুথে ঢুকে ভোট দিয়ে দেওয়া সবটাই করে আপনার দলের লোকজন। দয়া করে আপনি এগুলো বন্ধ করে দিন পুরো পুরি কেন্দ্রীয় বাহিনীর অধীনে ভোট হতে দিন। পারলে বিধানসভা ভেঙে দিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হাতে তুলে দিন। কারণ আপনার ভাইয়ের দল বাঙালি কে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না। আর এগুলো যাতে বেশি করে হয় সে কারণেই কতো গুলো অবাঙালি অফিসার এবং বেশ কিছু প্রশাসনের লোকজন পুলিশ আর পি কে আর তার আই প্যাক চাইছে বাঙালি যেন আগের মত শান্তিতে না থাকতে পারে। প্রতি নিয়ত তারা শিক্ষা ধ্বংস করে দিচ্ছে । স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিয়েছে, নিয়োগ ধ্বংস করে দিয়েছে। যাতে বাঙালি জাতি শ্রমিকে পরিনত হয়। এক সময়ে বিহারের এই অবস্থা ছিল। আপনাকে দিয়ে এসব করিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আপনি একটু বুঝুন আপনি এদের সাহায্য ছাড়াই ক্ষমতায় এসে ছিলেন। এখনো পারবেন একবার মানুষ কে বিশ্বাস করে দেখুন ঠকবেন না। বাংলায় মিলিটারী শাসনের মধ্যেই নির্বাচন করুন আর যত গুণ্ডা মাফিয়া আছে নির্বাচনের আগে তাদের জেলে পাঠান অস্ত্র গুলো উদ্ধারের ব্যবস্থা করুন। কারণ বাংলা এখন বারুদের স্তুপের উপর দাঁড়িয়ে আছে। একটা খবরে দেখলাম পশ্চিমবঙ্গে নতুন নির্বাচন কমিশনার যিনি হচ্ছেন, তার বাড়ি থেকে কোনো সময় গোছা গোছা টাকার বাণ্ডিল বেড়িয়ে ছিল। দয়া করে আপনি এদের হাতে বাঙালির ভবিষ্যত ছেড়ে দেবেন না। আপনি একবার ভেবে দেখুন আপনি দুর্গা পুজোর জন্য টাকা দেন, আপনি সাইকেল দিচ্ছেন, আপনি কন্যাশ্রী, রূপশ্রী দিচ্ছেন, আপনি রাস্তা তৈরি করে দিচ্ছেন আপনি লক্ষীর ভাণ্ডার দিচ্ছেন এছাড়াও আরো কত কিছু আছে লিখে শেষ করা যাবে না । আপনি ক্ষমতায় আসার আগে এসব আপনি দেন নি তবুও আপনাকে মানুষ ভোট দিয়ে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর ঐ রকম আঁটো সাঁটো পাহারার মধ্যেও আপনি জয় লাভ করে ছিলেন কারো সাহায্য লাগে নি, পি কে আই প্যাক, এই সব অফিসার কেউ ছিল না। সে কারণেই আপনাকে বলছি আর একবার বাংলার ভোটার দের শান্তিতে ভোট দিতে দিন। বুথের ভিতরেও ঐ ভোট কম্পারমেন্টে ঢুকে দাঁড়িয়ে থাকা অন্যের ভোট দিয়ে দেওয়া এসব করতে হবে না। দয়া করুন, বাংলা কে আর পূর্ব বিহার হতে দেবেন না, এখন দেখবেন বিহারের ভোটে এত মারামারি বোমাবাজি মানুষ খুন হয় না। এই সব অফিসার দের কথায় আপনি বাঙালি জাতি কে আর ধ্বংস হতে দেবেন না। আপনি পারেন বাঙালি জাতি কে রক্ষা করতে। আগামী ২০২৬ সালের ভোটে একবার দেখুন পুরোপুরি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন করান। গণ্ডগোল দেখলেই গ্রেফতার করতে নির্দেশ দিন দেখবেন কোনো সমস্যা নেই। বাঙালি জাতি কে বাঁচান। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...