Anulekhon.blogspot.com

Showing posts with label পূজার নিয়ম ও মন্ত্র ।. Show all posts
Showing posts with label পূজার নিয়ম ও মন্ত্র ।. Show all posts

Friday, 22 October 2021

নিত্য নারায়ণ শিলায় পুজার নিয়ম ও মন্ত্র ।


 এখানে বলে রাখি আমি পণ্ডিত নই, কিন্তু বিভিন্ন বই থেকে পড়ে যেটা জেনেছি সেটা এখানে লিখব। পণ্ডিত গন যদি পড়েন নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন। প্রতিটি পুজারি পুরোহিত বা ব্রাহ্মণ বাড়িতে এই শিলা আছে, এই শিলায় নিত্য সেবা দেওয়া এবং তুলসি পাতা দেওয়া হয়। অনেকেই এটি কে নারায়ণ শিলা বা শালগ্রাম শিলা বলে থাকেন। কোন কোন ব্রাহ্মণ বাড়িতে একের অধিক শিলা আছে, কারণ বলে থাকেন বাড়ির বাইরে পুজো করতে নিয়ে যেতে হবে সে কারণেই এতো গুলো শিলা। তবে আমি যতদূর জানি দুই বা তার অধিক এই শিলা রাখতে নেই, ফাটা শিলাও রাখতে নেই। শিলা পুজোর সময় যা সহজে করা যায় সেই টুকু এখানে লিখব। কারণ অনেকেই আছেন কাজে যাবার আগে এবং সন্ধ্যা বেলায় এসে এই শিলা কে সেবা দেন। সকালের সেবা দেওয়ার সময় কম পান সেই কারণেই আমি যতদূর জানি সেটাই এখানে লিখছি।এখানে বলে রাখি ব্রাহ্মণ ছাড়া এই শিলা পুজোর কারও অধিকার নেই। মহিলারা এই শিলা পর্শ্ব করবে না। বিঃ দ্রঃ :- শিলায় পুজার আগে সিংহাসন থেকে নামিয়ে একটি তামার পাত্রে রাখুন নীচে একটি তুলসী পত্র অবশ্যই দেবেন। সেটা আগের দিনের তুলসী পত্র হতে পারে। আর ঘি ও মধু শিলায় মাখিয়ে নিন । 

তুলসি ফুল তুলে নিন, নারায়ণ পুজোর জন্য সাদা টগর এবং সাদা কুন্দ ফুল হলে ভালো হয়।

তুলসি পাতা তোলার মন্ত্র :- তুলসি পত্রং সদা ত্বং কেশব প্রিয়। তুলসি পত্র ছিন্ন স্মসি স্বাহা। ( সব থেকে কম দুটি তুলসি পত্র তুলে নেবেন।)

এবার যা যা করতে হবে। ১) আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) সংক্ষেপে পঞ্চ দেবতা কে দান। ৪) ধ্যান ৫) স্নান করানো ৬) গাত্র মোছানো ৭) তুলসি দান ৮) আবরণ ও সাথি দেবতা কে ফুল দেওয়া। ৯) নারায়ণ কে পঞ্চ উপাচার দেওয়া। ১০) প্রণাম মন্ত্র ১১) ক্ষমা প্রার্থনা। এর পর ঘরে লক্ষী মূর্তি থাকে তাহলে তার পুজো একই ভাবে কেবল স্নান ও গাত্র মোছানো বাদ দিয়ে। আর যদি মূর্তি নাও থাকে তাহলেও লক্ষী কে নিবেদন করে দেওয়া।

আচমন :- কোশা থেকে কুশি করে গঙ্গা জল মাশ কলাই ডুবতে পারে এতটুকু ডান হাতের তালুতে নিয়ে, তিন বারের বলুন ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।

বিষ্ণু স্মরণ :- ওঁ তদ্বোবিষ্ণু পরম পদং সদা পশ্যন্তি সুরয় দ্বিবীব চক্ষু রতাতম। ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।

সংক্ষেপে পঞ্চ দেবতার পুজো :- এতে গন্ধেদিবেভ্য বং এতেস্মৈ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ । এষো গন্ধ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।এতৎ পুষ্প পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।এষো ধূপ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।এষো দীপ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ । এতৎ অক্ষত নৈবেদ্যম পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।

ধ্যান :- ওঁ ধেয় সদা সবিত্র মণ্ডল মধ্যবর্তী নারায়ণ। সরজিসান সন্নিবেষ্ট  কেয়ূরবান কনক কুণ্ডলবান। কিরীটিহারি হিরণ্ময় বপু ধৃত শঙ্খ চক্র।

স্নান :- জল শঙ্খের জলে কম করে তিন বার সবচেয়ে বেশি পাঁচ বার বা সাত বার। তার আগে পানি শঙ্খের জলে তীর্থ আহ্বান করে নিন।

তীর্থ আহ্বান মন্ত্র :- ওঁ গঙ্গোদা সরতিশ্চ সর্বা সমুদ্রাশ্চ সংরসি চ ।আয়ন্তু অয়ম দূরিত ক্ষয় কারক। ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব্য গোদাবরী সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলোস্মিন সন্নিধিং কুরু ।

এবার স্নান মন্ত্র :- ওঁ সহস্র পুরুষ সহস্র শীর্ষ সহস্র পাত ত্বয়া বৃত্তা পৃথ্বী । অত্রাতিষ্ঠত শাল্গমঃ ইদং স্নানীয়োদকং ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।

এই মন্ত্রে তিন বার পাঁচ বার স্নান করাতে হবে 

গাত্র মার্জন :- ইদম গাত্র মার্জনাথায় ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ । ওঁ নারায়ণ ধীমহী বিষ্ণবে প্রচোদয়াৎ ওঁ ।

এবার একটা তুলসি পত্র নিয়ে মসৃণ দিকটা চন্দন লাগিয়ে নিয়ে দিতে হবে। এবং এই মন্ত্রে দিতে হবে। ইদং তুলসী পত্রং ওঁ নমঃ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ । এবার সিংহাসনে রাখুন ঘন্টা বাজাতে বাজাতে দ্বিতীয় তুলসী পত্র টি একই ভাবে একই মন্ত্র বলে উপরে দিন। এবার নিম্ন লিখিত মন্ত্রে একটি করে ফুল দিন।

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ নারদাদি পার্শ্ব দেবভ্য নমঃ ।

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ইন্দ্রাদি দশদিকপালভ্য নমঃ ।

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মৎস্যাদি দশ অবতারভ্য নমঃ। 

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গরুর বাহনায় নমঃ। 

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শঙ্খায় নমঃ ।

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ চক্রায় নমঃ ।

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গদায় নমঃ ।

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পদ্মায় নমঃ ।

এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বাস্তু পুরুষায় নমঃ ।

এষো গন্ধ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।

এতৎ পুষ্পম ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।

এষো ধূপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।

এষো দীপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।

এষো অক্ষত নৈবেদ্যম মিষ্টান্ন ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।

(আতপ চাল দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে রাখবেন এখানে কেবল আতপ চাল ও বাতাস বা সন্দেশ দিতে পারেন।)

এবার প্রণাম মন্ত্র :- ওঁ নমহ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রাহ্মণায় হিতায়চ জগৎ ধৃতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নারায়ণ নমহস্তুতে ।

ক্ষমা প্রার্থনা :- ওঁ যৎ ক্ষরং মাত্রা হীনচ , যদভবতে। পূর্ণ ভবতু তৎ প্রাসাদৎ সুরেশ্বর ।ওঁক্ষমস।

এবার লক্ষীর পুজো করতে হবে কারণ বাড়িতে পুজো করছেন। নারায়ণ কে পুজোর পর লক্ষী পুজো অবশ্যই করা কর্তব্য। 

লক্ষীর ধ্যান :- ওঁ পাশাক্ষ মালিকাম্বজ শৃন্নি ভৃয্যমৌ সৌময় ।পদ্মা সংস্থানং ধ্যায়েচ শ্রীয়ং ত্রৈলক্য মাতরম ।গৌরবর্ণং সুরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কার ভুষিতাম ।রৌক্মপদ্ম ব্যাগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু ।

এষো গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ নৈবেদ্যম ওঁ পেচকায়ৈ নমঃ ।একটি ফুল পেচকের উদ্দেশ্য দেবেন।

এষো গন্ধ ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ।

এতৎ পুষ্পম ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ ।

এষো ধূপ ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ ।

এষো দীপ ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ ।

এতৎ অক্ষত নৈবেদ্যম ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ । 

এবার প্রণাম মন্ত্র :- ওঁ বিশ্ব রূপ ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে ।সর্বত্র পাহিমাং দেবী মহিলক্ষমী নমহস্তুতে।

ক্ষমা প্রার্থনা :- ওঁ গুজ্জাতি গুজ্জ গোপত্রী ত্বং গৃহনস্মাৎ কৃতং জপম,  সর্বসিদ্ধি ভবর্তু মে দেবী তৎ প্রাসাদৎ সুরেশ্বরী।


Wednesday, 3 March 2021

শিব পুজোর মন্ত্র ও নিয়ম ।


 শিব দেবাদি দেব তিনি একটি বেল পাতাতে তুষ্ট, ভক্তি ভরে একটি বেল পাতা শিব লিঙ্গের মাথায় দিলে তিনি ভীষণ খুশি এবং ভক্ত কে রক্ষা করার জন্য তিনি সব রকম সাহায্য করে থাকেন। আসুন আমরা শিব পুজোর মন্ত্র ও নিয়ম জেনে নিই। প্রথমে বলি কয়েক রকম শিব পুজো আছে। পার্থীব শিব পুজো এই শিব পূজো বাড়িতে মাটি দিয়ে বৃদ্ধাঙ্গুষ্ট প্রমাণ তার থেকে ছোট নয় বড় শিব লিঙ্গ বানিয়ে নিতে হবে। একটু চাপ দিয়ে মাথা একটি গুলির মত বজ্র বসিয়ে দিতে হবে। মন্ত্র " ওঁ হরায় নম" আর পিনাক টি উত্তর দিকে রাখতে হবে। এই শিব পুজোর নিয়ম একটু আলাদা তাই ব্রাহ্মণ ডেকে করতে হবে। যে কোন শিব পুজো উত্তর দিকে মুখ করে বসে করতে  হয়। কারণ শিবের বাসস্থান হিমালয় সেটি ভারতের উত্তর দিকে অবস্থিত সে কারণেই এটা করতে হবে। এছাড়া শিব লিঙ্গ পুজা, শিব মুর্তি পুজো একসাথে কখনো দুটি শিব লিঙ্গ পুজো করতে নেই। অনেকেই বলেন লিঙ্গ টি আসলে প্রডাক্টিভিটির প্রতীক, আমার তো তা মনে হয় না, কারণ ব্যকরণে আমরা লিঙ্গ পড়ে ছি, যা বিভিন্ন নাম কে স্ত্রী ও পুরুষে ভাগ করে। যা হোক যে যা ভাবেন ভাবুক যুগ যুগ ধরে পুজো হয়ে আসছে ক্রমশ হয় তো বা আকার আকৃতি পাল্টানো হয়েছে। পুজোর কথায় আসি মুর্তি থাকলে মাথায় জল দিয়ে স্নান করাতে নেই কারণ রং এবং অন্যান্য কিছু নষ্ট হয়ে যাবে। সামনে ঘট বসানো হয় এবং সেখানে ঐ স্নান করাতে হবে। এবার আসুন মন্ত্র ও নিয়ম। শিবরাত্রির ব্রত নিয়ে শেষে লেখা থাকবে, বিশেষ বিশেষ দিনে সাধারণ শিব লিঙ্গ পুজো ( শিব রাত্রির দিন) 
আগের দিন হবিষ্যান্ন খেতে হবে, পরের দিন পুজো অব্রাহ্মণ হলে ওঁ না বলে নমঃ বলে পুজো করবেন। লিঙ্গ বা শিলা পুজোর সময়ে ঘট স্থাপন না করলেও চলে। শিলা বা শিব লিঙ্গ কে বেল পাতার উপর বসাতে নেই। শিব রাত্রির দিন এক প্রহরে বা চার প্রহরে পুজো করতে পারেন। প্রতি বার তিন বার করে স্নান করাবেন, কেবল স্নানের মন্ত্র আলাদা, প্রথম প্রহরে ডাবের জল, দ্বিতীয় প্রহরে দুধ গঙ্গা জল দিয়ে, তৃতীয় প্রহরে মধু দিয়ে, চতুর্থ প্রহরে ঘৃত এক প্রহরে হলে সব গুলো এক সাথে মিশিয়ে নিন। :- প্রথম প্রহরে মন্ত্র :-ইদং স্নানীয় দোকং ওঁ নমঃ সদ্যোজাত শিবায় নমঃ। দ্বিতীয় প্রহরে :- ইদং স্নানীয় দোকং পশুপতয়ে নম :  তৃতীয় ও চতুর্থ প্রহরে :-  ইদং স্নানীয় দোকং নমঃ শিবায় নমঃ । স্নানের পর বেল পাতা দেবেন এতৎ সচন্দন বিল্বপত্র ওঁ নম শিবায় নমঃ । এর পর সূর্যের অর্ঘ দিয়ে, :- ওঁ নম বিম্বস্বতে ব্রহ্মণ ভাস্বতে বিষ্ণু তেজসে জগৎ সবিত্রে ইদং অর্ঘ্য ওঁ নম শ্রী সূর্যায় নমঃ। ( রাতে হলে ভট্টকর নমঃ) । এবার সূর্য প্রণাম :- ওঁ জবা কুসুম সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম ধন্বতারিং সর্ব পাপোঘ্ন প্রণতোস্মি দিবাকরম ।এর পর নিচের বিষয় গুলো করুন। আবার এই স্নান প্রধান পুজোর সময়েও দেওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে নীচের মন্ত্র দিয়ে পুজো করে নিয়ে প্রধান পুজোর সময়ে স্নান জল দিন। বিঃ দ্রঃ :- মুদ্রার ছবি দেওয়া গেল না, কিন্তু আহ্বানে পঞ্চ মুদ্রা এবং ধ্যান মুদ্রা, আর সামান
অর্ঘ্য স্থাপনের মুদ্রা প্রদর্শন করে পুজা করতে হবে। মুদ্রা অবশ্যই প্রদর্শন করবেন। 
আচমন ও বিষ্ণুস্মরণ :- ওঁ বিষ্ণু, ওঁ বিষ্ণু, ওঁ বিষ্ণু, ওঁ তদ্বোবিষ্ণু পরমপদং সদা পশ্যন্তি সুরোয়, দ্বিবীব চক্ষুরাততম। 
ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা সর্বাবস্থাং গত হোপি বা। যৎ স্মরেৎ পুণ্ডরি কাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি শুচি। সর্ব মঙ্গল মঙ্গলং বরেদং বরেণ্যং শুভম । নারায়ণং নমস্কৃতং সর্ব কর্ম কারয়েৎ ।
শঙ্খ চক্র ধরং দ্বি ভুজং বিষ্ণু পীত বসনম। প্রারম্ভে সর্ব কর্ম নং বিপ্র পুণ্ডরি কং স্মরেদ্ধ রিম । মাধব মাধব বাচি মাধব হৃদি স্মরণতি সাধ্ব সর্ব কার্যেসু মাধবম । ওঁ শ্রী মাধবম, ওঁ শ্রী মাধবম, ওঁ শ্রী মাধবম। 
২) কয়েকটি দেবতা কে ফুল দিয়ে নিন :- এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ শ্রী বিষ্ণবে নারায়ণায় নমঃ। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ শ্রী গুরুবে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ক্রীং কালিকায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ইন্দ্রাদি দশ দিক পালেভ্য নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে নারদাদি পার্শ্ব দেবভ্য নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মৎসাদি দশ অবতারভ্য নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে কুল দেব দেবীভ্য নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ইষ্ট দেব দেবীভ্য নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে সর্ব দেব দেবীভ্য নমঃ। 
৩) স্বত্তি বাচন :- ওঁ কর্তব্য হোস্মিন গাং গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক   শিব পুজা কর্মানি। ওঁ পূণ্যাহম ভবন্ত ব্রুবন্তু ।ওঁ পূণ্যাহম ভবন্ত ব্রুবন্তু । ওঁ পূণ্যাহম ভবন্ত ব্রুবন্তু । ওঁ পুণ্যাহম ।ওঁ পুণ্যাহম ।ওঁ পুণ্যাহম ।
ওঁ কর্তব্য  হোস্মিন  গাং গনপত্যাদি নানা দেবতা পুজা পুর্বক শিব পুজা কর্ম্মানি । ওঁ স্বত্তি ভবন্ত বুব্রন্তু ।ওঁ স্বত্তি ভবন্ত ব্রুবন্তু ।ওঁ স্বত্তি ভবন্ত ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্তি । ওঁ স্বত্তি । ওঁ স্বত্তি ।
ওঁ কর্তব্য হোস্মিন গাং গনপত্যাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক শিব পুজা কর্ম্মানি। ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্ত ব্রুবন্তু ।ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্ত ব্রুবন্তু ।ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্ত ব্রুবন্তু । ওঁঋদ্ধতাম । ওঁ ঋদ্ধতাম। ওঁ ঋদ্ধতাম ।
স্বত্তি সূক্ত :- (স্বত্তি পাঠ করার সময় কুশীতে নেওয়া আপত চাল ছড়াতে ছড়াতে) ওঁ সোমং রাজনং বরুণ অগ্নিম ভামহে। আদিত্য বিষ্ণু সূর্যং বৃহস্পতিম। স্বত্তি ন বৃহস্পতির দ- ধাতু। স্বত্তি ন ইন্দ্র বৃদ্ধ শ্রবা। স্বত্তি ন পুষ্য বিশ্ব বেদা। স্বত্তি নত্রোক্ষ অরিষ্টানমি । ওঁ স্বত্তি । ওঁ স্বত্তি । ওঁ স্বত্তি ।
স্বাক্ষ্য মন্ত্র :- ওঁ সোমং জমং কালং সন্ধ্যা ভুতানহ ক্ষপা। পবন দিক পতি ভূমিরাক্ষং খচরা মরা। ব্রাহ্মণ শাসনা মাস্তায় কল্প ধিহম ।
বরণ :- যযমানের বাড়িতে গিয়ে পুজো করলে এটি করতে হবে আর যযমান কে আচমন, বিষ্ণু স্মরণ , কয়েকটি দেবতার পুজা স্বত্তি বাচন করিয়ে নিতে হবে। ( যযমান শুদ্র হলে ওঁ এর বদলে নমঃ বলতে বলবেন।) যযমান :- সাধু ভাবা নাস্তাম ব্রাহ্মণ :- সাধ্যামাসে । যযমান :- অর্চায়াস্ম ব্রাহ্মণ :- অর্চয় যযমান :- এতানি গন্ধ পুষ্প বস্ত্রা অঙ্গুরি যজ্ঞ উপবীত পূজক ব্রাহ্মণায় নমঃ ।ব্রাহ্মণ :- ওঁ স্বত্তি । কুশিতে কুশ দিয়ে তৈরি ত্রিপত্র তিল ফুল জল হরিতকি ফল নিয়ে যযমান :- ওঁ বিষ্ণুরোম ( শুদ্র হলে, নম বিষ্ণু মোহর্দ ) তৎ সদ্য ফাল্গুন মাসি কৃষ্ণ পক্ষে চতুর্দশী তিথৌ চতুর বর্গ সিদ্ধি কামনার্থায় অমুক গোত্র ( পুজকের গোত্র) অমুক দেব শর্মা চতুর্দশী শিব পুজা পুজক কর্ম করোনায় মহং বৃনে ।  ব্রাহ্মণ :- ওঁ বৃহস্পতিম । যযমান :- যথা জ্ঞান পুজা কুরু। ব্রাহ্মণ :- যথা জ্ঞান কুরবানী।
অধিবাস :-( মুর্তি হোক আর লিঙ্গ শিলা যাকেই পুজো করা হোক অধিবাস করতে হবে। অর্থাৎ বরণডালা নিয়ে বরণ, শিলা বা লিঙ্গ হলে হাতে সুঁতো বাঁধা হবে না। এই অধিবাস ব্রাহ্মণ নিজে করতে পারে আবার যযমান কে দিয়ে করাতে পারেন, করুন তাকে অধিবাসের স্বত্তি বাচন  হবে বা করাতে হবে।)
অধিবাসের স্বত্তি বাচন :- ওঁ কর্তব্যহোস্মিন ফাল্গুন মাসে কৃষ্ণ পক্ষে চতুর্দশী শিব পুজা শুভ অধিবাস কর্মানি। ওঁ পুণ্যাহম ভবন্ত ব্রুবন্তু। ওঁ পুণ্যাহম ভবন্ত ব্রুবন্তু । ওঁ পুণ্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ পুণ্যাহম । ওঁ পুণ্যাহম । ওঁ পুণ্যাহম ।
ওঁ কর্তব্য হোস্মিন ফাল্গুন মাসি কৃষ্ণ পক্ষে চতুর্দশী শিব পুজা শুভ অধিবাস কর্মানি । ওঁ স্বত্তি ভবন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্তি ভবন্তু ব্রুবন্তু ।ওঁ স্বত্তি ভবন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্তি ।ওঁ স্বত্তি । ওঁ স্বত্তি ।
ওঁ কর্তব্য হোস্মিন ফাল্গুন মাসি কৃষ্ণ পক্ষে চতুর্দশী শিব পুজা শুভ অধিবাস কর্মানি। ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্ত ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ।ওঁ ঋদ্ধতাম । ওঁ ঋদ্ধতাম ।
স্বত্তি সূক্ত :- ওঁ সোমং রাজনং বরুণা অগ্নিম ভামহে । আদিত্য বিষ্ণু সূর্যং বৃহস্পতিম। স্বত্তি ন ইন্দ্র বৃদ্ধ শ্রবা। স্বত্তি ন পুষা বিশ্ব বেদা। স্বত্তি নত্রক্ষো অরিষ্ঠানমি । ওঁ স্বত্তি । ওঁ স্বত্তি ।ওঁ স্বত্তি । (কুশিতে নেওয়া আতপ চাল ও দূর্বা ছড়িয়ে দেবে, যদি যযমান কে দিয়ে কাজ টি করান তাহলে এবং যযমান শুদ্র হলে ওঁ এর বদলে নম বলান) 
বরণ ডালা নিয়ে :- অনেন প্রশস্তি পাত্রেন অস্য ওঁ নম শিবায় নমঃ।  (শিবও দুর্গা মুর্তি হলে অনেন প্রশস্তি পাত্রেন অস্য ওঁ নম শিব দুর্গায় নমঃ) (শিব লিঙ্গ বা শিলার সামনে কম করে সাত বার সব থেকে বেশি হলে এগারো বার। যদি শিব দুর্গার মূর্তি থাকে তবে। হাতে সুঁতো বেঁধে দিতে হবে। দুর্গার বাম হাতে আর শিবের ডান হাতে।
সুঁতো বাঁধার মন্ত্র :- অনেন মঙ্গল সুত্রেন অস্য ওঁ শিব ও দুর্গায় নমঃ 
 যদি যযমান কাজটি করে তবে তাকে দিয়ে পঞ্চ উপাচার নিবেদন করিয়ে দিন। পঞ্চ উপাচার। গন্ধ ( চন্দন বা অগরু) পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য। স্নান দেওয়া করান) 
মন্ত্র :- এষো গন্ধ ওঁ নম শিবায় নমঃ । এতৎ পুষ্পম ওঁ নম শিবায় নমঃ । এষো ধূপ ওঁ নম শিবায় নমঃ । এষো দীপ ওঁ নম শিবায় নমঃ। এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ নম শিবায় নম । 
ইদং স্নানীয়দকং ওঁ নম শিবায় নমঃ 
পুষ্প অঞ্জলী দেওয়া করান :- এতৎ স্ব চন্দন পুষ্প বিল্বপত্রাঞ্জলী ওঁ নম শিবায় নমঃ। (তিন বার দিন যযমান কে প্রণাম মন্ত্র পাঠ করান) 
প্রণাম মন্ত্র :-  ওঁ নম শিবায় শান্তায় কারণ ত্রয়ো হেতবে নিবেদামি চাত্মাং ত্বং গতি পরমেশ্বর । ( একটা কথা মনে রাখতে হবে যযমান শুদ্র হলে অবশ্যই ওঁ এর বদলে নমঃ বলবে) 
এবার পুজক ব্রাহ্মণ পঞ্চ গব্য শোধন করে নেবেন। 
সংক্ষেপে করবেন। গরুর থেকে প্রাপ্ত পাঁচটি জিনিস। 
গোময়, গোমুত্র, দুধ, দই, ঘৃত। একসাথে মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ করে নিন। 
এবার সংকল্প করুন :- 
সংকল্প মন্ত্র :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য ফাল্গুন মাসে কৃষ্ণ পক্ষে চতুর্দশী তিথৌ অমুক গোত্র অমুক দেব শর্মণ ( শুদ্র হলে দাসস্য) চতুরবর্গ সিদ্ধি কামনার্থায় শিব পুজা কর্মানি করিষ্যামি ।
সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন :- (  নিজের ডান দিকে জল দিয়ে ত্রিকোন মণ্ডপ এঁকে নিয়ে)(ঐ মণ্ডপের উপর ফুল দিয়ে পুজো করুন।) 
মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তায়ে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নমঃ। এবার " ওঁ ফট" বলে কোশা ওখানে বসাতে হবে। তার পর ওঁ নম শিবায় মন্ত্রে কোশা জল পুর্ণ করে নিয়ে কোশার উপরে দিকে পুজো করতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মেনে নমঃ। ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মেনে নমঃ। ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মেনে নমঃ। (এবার অঙ্কুশ মুদ্রা মধ্যমা ও তর্জনী একসাথে করে তর্জনী প্রথম কর ভাঁজ করে নিয়ে এই মুদ্রা তৈরি করা হয়।) এবার জল শুদ্ধির মন্ত্র :- ওঁ গঙ্গদা সরতি চ সর্বা সমুদ্রাশ্চ সরংসি চ আয়ন্তু যযমানস্য দূরিত ক্ষয় কারক। ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরী সরস্বতী নর্মেদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্ধিং কুরু ।পুজো উপকরণে কুশ ত্রিপত্র দিয়ে 
জলের ছিটা দিন। বং এতেস্মৈ গন্ধা দিভ্যভ নমঃ । তিন বার। 
দ্বার পুজো:-ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।( সংক্ষেপে)
এষো গন্ধ ওঁ দ্বার দেবগনভ্য নম ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম।
এষো ধূপ ওঁ দ্বার দেবগনভ্য নম।এষো দীপ দ্বার দেবগনভ্য নম। এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ দ্বার দেবগনভ্য নম।
 বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ অস্ত্রায় ফট বলে বাম পায়ের গোরালি দিয়ে ভুমিতে তিন বার আঘাত করতে হবেে।
 মাস ভক্ত বলি :- বং এতেস্মৈ মাসভক্ত বলয়ে নম।( একটি মাটির খুড়ি বা কলা পাতাা টুুকরো নিয়ে তার উপর মাস কলাই দই একটু মধু দিয়ে। এবার কুশ দিয়ে জলের ছিটে তার পর আহ্বান ও পূজা। )
ভূতদ্বয়ের আহ্বান =ওঁ ভূতদ্বয় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।এতৎ পুষ্পম ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।এতৎ বিল্ব পত্র ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।ওঁ ভূতদ্বয় ক্ষমধ্বম ।( কুষি করে একটু জল দিতে হবে।)এবার হাত জোর করে। ওঁ ভূত প্রেত পিশ্চাস যে বসন্ত্র ভুতলে তে গৃহন্তু্ ময়া দত্ত বলিরেষ প্রসাদিতা পূজিতা গন্ধ পুষ্প দৈবির্লিতর্পিতুস্তা পূজা পশন্তু মৎ কৃতাম।( এবার আতপ সাদা সরিষা ছড়াতে ছড়াতে।) ওঁ অপসর্পন্তু ভূত প্রেত সর্বে যে ভূতা বিঘ্ন করতারস্তেে নশ্যন্তু শিব আজ্ঞায়।অপসর্পন্তু পিশ্চাস রাক্ষশ্চাশ বেতালশ্চ সরীসৃপ অপসর্পন্তুতে চণ্ডিকাস্ত্রেন তাড়িতা।
আসন শুদ্ধি :- ( আসনের নীচে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে) ওঁঁ হ্রীং আধার শক্তয়ে কমলাসনায় নম। ( আসন ধরে।) অস্য আসন উপবেশন মন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠ ঋষি সুতলুং ছন্দ কুর্ম্ম দেবতা আসন উপবেশনেে বিনিয়োগ।ওঁ ত্বয়া ধৃতা লোোকাদেবী ত্বং বিষ্ণু না ধৃতা তঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্র কুরুচাসনম। (তালি দিয়ে গুরু পঙতি পাঠ করতে হবে।) ডানদিকে - ওঁ গাং গনেশায় নম। বাম দিকে - গুরুভ্য নম। পরম গুরভ্য নম ।পরমেষ্ঠী গুরভ্যে নম । ঊর্ধ্বে - ব্রহ্মণে নম।পশ্চাতে - ওঁ ক্ষেত্রপালভ্য নম
পুষ্প শুদ্ধি :- ( অঙ্গুষ্ঠ ও মধ্যমা দিয়ে  ফুল পর্শ্ব  করে) ওঁঁ পুুষ্পকেতু রাজা হর্তে শতেয় সম্যকায় হুং।ওঁ পুষ্পে পুষ্পে সুপুষ্পেে মহাপুষ্পে পুষ্প চয়নকীর্বে চ হুং ফট স্বাহা ।
প্রণায়াম :- ঐং মন্ত্রে প্রাণায়াম করতে হবে। ১৮)সংক্ষেপে ভূত শুদ্ধি :- রং মন্ত্রে কুশ ত্রিপত্র নিজের চাা পাশে জলের ছিটে দিয়ে নিতে হবে। বলয়ে বসে আছি কল্পনা করে মন্ত্র বলতে হবে। ১)ওঁমূলশৃঙ্গাঠচ্ছির সূষমান্ন পথেন পরম শিব পদে যোজয়ামি স্বাহা। ২) ওঁঁ রং লিঙ্গং শরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা । ৩) ওঁঁ যং সংকোোচ শরীরং দহ দহ স্বাহা । ৪) ওঁঁ পরম শিব পদে সুষমান্ন পথেন মূলশৃঙ্গাঠ্যমূল্য জ্বল জ্বল প্রজ্বল প্রজ্বল সোহংঅস স্বাহা ।
করশুদ্ধি :- একটা লাল নিয়ে বৃর্দ্ধাঙ্গুষ্ঠ দিয়ে অঙ্গগুলি দিয়ে পেষণ করে ঈশাণ কোনে ওঁ অস্ত্রায় ফট মন্ত্রে ছুঁড়ে দিতে হবে।
ন্যাস গুলো ঘট বসানো স্থানে শুকনো সিন্দুর দিয়ে ঘট ও ডাবে আঁকা ঐ মূর্তি এঁকে নিয়ে তার উপর করলে জায়গাটা পীঠস্থানে পরিনত হয়। এটি আমার নিজস্ব মত। 
মাতৃকা ন্যাস :- অস্য মাতৃকা মন্ত্রস্য ব্রহ্ম ঋষি গায়ত্রী ছন্দ মাতৃকা সরস্বতী হলো দেবতা বীজানি স্বরে শক্তেভ্য বীজেভ্য নম।মাতৃকান্যাসে বিনিয়োগ। ওঁ ব্রহ্মণ ঋষয়ে নম।ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নম।ওঁ মাতৃকা সরস্বতৈ নম ।ওঁ শরেভ্য শক্তেভ্য নম।ওঁ হলেভ্য্য বীজেভ্য নম ।ওঁ অবক্ত ক্লীকায় নম।
অন্তর মাতৃকা ন্যাস :-  ওঁ অং আং ইং ঈংউং ঊংঋং ঋং লীং লীংএং ঐং ওংঔংঅং অঃইতি কণ্ঠে। ওঁ কং খং গং ঘং ঙং চং ছং জং ঝং ঞং টং ঠং ইতি হৃদয়ে। ডং ঢংণং তং থং দং ধং নং পং ফং ইতি নাভৌ। বং ভং মং যং রং লং ইতি লিঙ্গ মূল। ওঁ বং শং সং ষং ইতি মূলাধারে । ওঁ হং ক্ষং ইতি ভ্রূমধ্য।
 বাহ্য মাতৃকা ন্যাস :- ( নিজ শরীরের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করে বা দেবী মূর্তি বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করে করতে পারেন।) পঞ্চাশলি পিভর্বি ভক্ত মুক্ষদা ভাস্ব মৌলি চন্দ্রশ কলা মাপীন তুঙ্গস্তীনাম মূদ্রা মোক্ষ গুনম পন্নমধ্য বক্ষ স্থলম হস্তাম্বুজ বিবর্ণভাঙ বিশদপ্রভাং ত্রিনয়নাং বাগদেবতা মাশ্রয়ে । ওঁ অং নম । ওঁ আং নম । ওঁ ইং নম। ওঁ ঈং নম। ওঁ উং নম। ওঁ ঊং নম। ওঁ এং নম। ওঁ ঐং নম। ওঁ অং নম। ওঁ অঃ নম। ওঁ কং নম। ওঁ খং নম। ওঁ গং নম। ওঁ ঘং নম । ওঁ ঙং নম।ওঁ চং নম। ওঁ ছং নম।ওঁ জং নম। ওঁ ঝং নম । ওঁ ঞং নম। ওঁ টং নম। ওঁ ঠং নম। ওঁ ডং নম। ওঁ ঢং নম। ওঁ ণং নম। ওঁ তং নম। ওঁ থং নম। ওঁ দং নম। ওঁ ধং নম। ওঁ নং নম। ওঁ পং নম। ওঁ ফং নম। ওঁ বং নম। ওঁ ভং নম। ওঁ মং নম। ওঁ যং নম। ওঁ রং নম। ওঁ লং নম। ওঁ বং নম। ওঁ শং নম। ওঁ সং নম। ওঁ ষং নম। ওঁ হং নম। ওঁ ক্ষং নম।
সংহার মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ অক্ষস্রজং হরিণ পোত মৃদঙ্গ টঙ্ক বিদ্যাং করৈরবীরতীং দধিতীং ত্রিনেত্রাম।অর্দ্ধ মৌলিমরুণামরবিন্দবাসনং বর্ণেশ্বরীং প্রণমত স্তনভারনম্রাম। ওঁ ক্ষং নম।ওঁ হং নম। ওঁ সং নম। ওঁ শং নম। ওঁ ষং নম ।ওঁ বং নম ।ওঁ লং নম। ওঁ রং নম ।ওঁ যং নম ।ওঁ মং নম ।ওঁ ভং নম।ওঁ বং নম।ওঁ ফং নম ।ওঁ পং নম। ওঁ নং নম। ওঁ ধং নম।ওঁ দং নম।ওঁ থং নম ।ওঁ তং নম।ওঁ ঢং নম। ওঁ ডং নম।ওঁ ঠং নম। ওঁ টং নম।ওঁ ঞং নম। ওঁ ঝং নম।ওঁ জং নম। ওঁ ছং নম।ওঁ চং নম।ওঁ ঙং নম।ওঁ ঘং নম।ওঁ গং নম। ওঁ খং নম।ওঁ কং নম।ওঁ অং নম।ওঁ অঃ নম।ওঁ ঔং নম। ওঁ ওং নম।ওঁ ঐং নম।ওঁ এং নম।ওঁ লীং নম।ওঁ ল্লীং নম।ওঁ ঋং নম।ওঁ ঋং নম।
ওঁ ঊং নম। ওঁ উং নম। ওঁ ঈং নম।ওঁ ইং নম। ওঁ আং নম।ওঁ অং নম।
পীঠ ন্যাস :- ( একটি ফুল নিয়ে়ে,ঘট বসানোর জন্য যে অষ্ট দল পদ্ম আঁকা হয় সেই স্থানের চতুর্দিক ও মধ্যে স্পর্শ করে পীঠ ন্যস করতে হয়) ওঁ আধার শক্তয়ে নম।ওঁ কুর্ম্মায় নম।ওঁ অন্তায় নম।ওঁ পৃথীবৈ নম। ওঁ ক্ষীর সমুদ্রায়় নম। ওঁ শ্বেত দ্বীপায় নম। ওঁ মণিদ্বীপায় নম। ওঁ কল্পবৃক্ষায় নম। ওঁ মণি মণ্ডপায় নম। ওঁ রত্ন মণ্ডপায় নম। ওঁ রত্ন সিংহাসনায় নম। ওঁ রত্ন বেদিকায় নম। ওঁ ধর্মায় নম।ওঁ জ্ঞানায় নম। ওঁ বৈরাগ্যায় নম। ওঁ ঐশ্বর্যায় নম। ওঁ অধর্মায় নম। ওঁ অজ্ঞানায় নম। ওঁ অবৈরাগ্যায় নম। ওঁ অনৈশ্বার্যায় নম। ওঁ অনন্তায়় নম । ওঁ পদ্মায় নম। ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম। ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম। ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। ওঁ রং রজসে নম।ওঁ তং তমসে নম।ওঁ আং আত্মনে নম। ওঁ অং অন্তর আত্মনে নম। ওঁ পং পরম আত্মনে নম। ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মনে নমঃ। ওঁ শ্মশানায় নমঃ । ওঁ শবায় নমঃ । ওঁ প্রেতায় নমঃ । ওঁ নন্দীয়ৈ নমঃ । ওঁ ভৃরিঙ্গীয়ৈ নমঃ । ওঁ ব্যাঘ্রকৃত্তৈয় নমঃ । ওঁ পঞ্চমুণ্ড আসনায় নমঃ । 
কর ন্যাস :- ওঁ আং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নম । ওঁ ঈং তর্জনীভ্যাং স্বাহা । ওঁ  ঊং মধ্যমাভ্যাং বৌষট । ওঁ ঐং অনামিকা ভ্যাং হুং । ওঁ ঔং কনিষ্ঠাভ্যাং বষট । ওঁ অং অঃ করতল পৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট ।
 অঙ্গ ন্যাস :- ওঁ  আং হৃদয়ায় নম।ওঁ  ঈং শিরসে স্বাহা। ওঁ ঊং শিখায় বৌষট।ওঁ ঐং কবচায় হুং। ওঁ ঔং নেত্রায় বষট। ওঁ অং অঃ করতল পৃষ্ঠা ভ্যাম অস্ত্রায় ফট। 
ব্যপক ন্যাস :- ওঁ নম শিবায় মন্ত্রে দুই বাহু প্রসারিত করে ব্যপক ন্যাস করবেন। 
ঋষ্যাদি ন্যাসঃ- ওঁ বামদেব ঋষি পঙতি ছন্দ, ঋষ্যাদি ন্যাসে বিনিয়োগ। ওঁ বাম দেব ঋষয় নমঃ। ওঁ পঙতি ছন্দসে নমঃ । ওঁ নম শিবায় নমঃ । 
ধ্যান :- ওঁ ধ্যায়ে নিত্যং রজতগিরি নিভং চারু চন্দ্র বতং সং, রত্ন কল্প উজ্জ্বলাঙ্গ পরশু মৃগ বরা ভীতি হস্তম প্রসন্নম। পদ্মাসীং সমস্তাৎ স্তুতম মরগৈনক, ব্যাঘ্র কৃত্তি বসনাং বিশ্বদ্যাং বিশ্ব বীজং নিখিল ভয় হরং পঞ্চ ব্রক্তং ত্রিনেত্রাম ।
মানস পূজা :- নিজের হৃদয় কে দীপ, মন কে নৈবেদ্য, শরীর কে ধূপ কল্পনা করে অর্থাৎ সমগ্র শরীরে কে গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য কল্পনা করে নিবেন করতে হবে। 
বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন :- নিজের বাম দিকে ভূমি তে জল দিয়ে একটি চতুষ্কোন তার মধ্যে একটা ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে তার উপর ত্রিপাদিকা বসিয়ে পুষ্প দিয়ে পুজো করে নিন। 
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নমঃ । এবার ত্রিপাদিকার উপর শাঁখ বসিয়ে ওঁ নম শিবায় বলে জল পুর্ণ করে অঙ্কুশ মুদ্রা বা কুশ ত্রিপত্র দিয়ে জল স্পর্শ করে জল শুদ্ধি করে নিতে হবে। ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব্য গোদাবরি সরস্বতী নমর্দে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্ধিং কুরু । এবার শাঁখের উপর বেল পাতা তার উপর অর্ঘ্য টি রেখে ফুল দিয়ে পুজো করে নিন। 
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নমঃ। 
বেদি শোধন :- বেদ্যা বেদি সমপ্যতে যুপে ন যুপ আপায়তং প্রণীত অগ্নিম। 
পীঠ পুজা :- যে হেতু প্রতিষ্ঠিত শিলা বা লিঙ্গ পুজো ঘট স্থাপন নেই সে কারণেই পীঠ পুজো হবে না। শিব দুর্গ
 পুজোয় করতে হবে। পীঠ ন্যাসের মন্ত্র আর পীঠ পুজোর মন্ত্র এক কেবল এতে গন্ধে পুষ্পে যোগ করতে হবে। 
ঘট স্থাপন :- শিলা বা লিঙ্গ পুজোয় হবে না। শিব দুর্গা পুজোয় করতে হবে কারণ সেখানে মূর্তি আছে। 
মন্ত্র :- ( সামবেদীয়) ( ধান স্পর্শ করে ) ওঁ ধানবন্ত করমনিভ মপূ পবন্ত মুখ থিনম ইন্দ্র পাতুতযস্যান। ( ঘট বা কলসী স্পর্শ করে) ওঁ আবিসন কলসং সূত বিশ্ব অর্ষন্ন ইন্দু রীন্দ্রায় ধীয়তে ।
( কুশ দিয়ে জল স্পর্শ করে) ওঁ আ ন ঘৃতৈ ব্যুতি মুক্ষতম, মধ্বা রজসিং সক্রতু। ( পল্লব স্পর্শ করে) :- ওঁ অয়া মুর্জাবত বৃক্ষ ঊর্জীব ফলানি ভব। পর্ণ বনস্পতে নূত্ত্বা নূত্ত্বা চ সুয়োতাং রয়ি ।
( ফল স্পর্শ করে) :- ওঁ ইন্দ্র নর নেমে ধিতা হব্যং যৎ পর্যা যুনযতে ধীয়তে ।শূর নৃশতা শ্রবশ্চা কাম আঃ গোমতি ব্রজে ভজা ত্বং । ( বস্ত্র) ওঁ যুবা সুবাসা পরিবৃত আগত স উ শেয়ন ভাবতী জায়মান। তবঃ ধীরসা কবয় উন্নতি সাধ্বে মনসা দেবয়ন্ত। ( সিন্দুর) :- ওঁ সিন্দুরো উচ্ছাসে পতয়ন্তো মুখং হিরণ্য পাব পশম পশু গৃভনতে। ( ফুল) পবনমান  বশ্নহি সূর্য রশ্মি ভি দধোস্তত্রে সুবীর্যম। ( স্থরি করন) স্থাং স্থিং স্থির ভব। প্রণেতহোস্মিং স্থাতর্হনাম । সর্ব তীর্থোদ্ভোব বারি সর্ব দেব সমন্বিত সমারুয্য দেব গন সহ। যাবৎ পুজাস্মি তাবৎ সুস্থিরা ভব।
কাণ্ড রোপন :- ওঁ কাণ্ডৎ কাণ্ডৎ প্রহোরন্তি পুরুষ পুরুষ পরি। এবেন দূর্বেন প্রতেনু সহস্রেন শতেন চ ।
সুত্র বেষ্ঠন :- সূত্র দ্যামং হেসং সুমোদিতিং সুশর্ম্মাং মোদিতিং, দৈবাং নাবাং সরিত্রাম নাগম মা রুহেমা সস্ত্রয়ে। 
আহ্বান :-( মূর্তি থাকলে করতেই হবে আবার শিলা বা লিঙ্গ হলেও করতে হবে। ধ্যান করে আহ্বান করতে হবে) 
ধ্যান করে আহ্বান :- ওঁ ধ্যয়ে নিত্যং মহেশং রজতগিরি নিভং চারু চন্দ্র বতং সং রত্ন কল্পো উজ্জ্বলাঙ্গ পরুশু মৃগ বরা ভীতি হস্তম প্রসন্নম। পদ্মাসীং সমস্তাৎ স্তুতম মরগৈনক ব্যাঘ্র কৃত্তি বসনাং বিশ্ব দ্যাং বিশ্ব বীজং নিখিল ভয় হরং পঞ্চ ব্রক্তং ত্রিনেত্রাম ।
ওঁ নম পশুপতয় শিবায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।ওঁ দেবেশ ভক্তি সুলভে পরিবার সমন্বিতে যাবৎ পূজিয়াস্মি তাবৎ সুস্থিরাভব ।
মূর্তি হলে চক্ষু দান :- যেহেতু শিলা পুজো তাই চক্ষু দান হবে না। 
প্রান প্রতিষ্ঠা :- এই প্রান প্রতিষ্ঠা করতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ আং হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস ওঁ নমঃ শিবায় জীব ইহস্থিতা। আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং ষং শং সং প্রাণ ইহ প্রাণ। আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং ষং শং সং হং হৌং হংস বাগ্মচক্ষুশ্রোতা ঘ্রাণা প্রাণা সর্ব ইন্দ্রিয়ানগ ইহ চির সুখং তিষ্ঠতি। ওঁ মনর্জোতির যুষ্যা তাম জস্য, বৃহস্পতি যজ্ঞ মিমং তনত্ব রিষ্ঠং যজ্ঞ সমিম দধাতু, ইহমদায়ন্ত প্রতিষ্ঠ প্রাণ, অসৈ প্রাণ ক্ষরন্তি চ। তিন গায়ত্রী জপ করে দেবেন। 
এবার পঞ্চ দেবতার পুজো করবেন। 
প্রথম গনেশের পুজো :- ধ্যান :- ওঁ খর্ব্বং স্থুল তনুং গজেন্দ্র বদং লম্বদরং । প্রসন্নদম মদ গন্ধ লুদ্ধ মধূপ ব্যলল গণ্ডস্থলম ।দন্তাঘাতে বিদারিতারি রুধিরৈ সিন্দুর শোভা করম । বন্দে শৈল্য সুতা সূতং গনপতিং সিদ্ধি প্রদং কামদম ।
আহ্বান :- ওঁ স্বর্ণ গনপতে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
গন্ধ :- এষো গন্ধ ওঁ গাং গনেশায় নমঃ ।
পুষ্প :- এতৎ পুষ্পম ওঁ গাং গনেশায় নমঃ ।
ধূপ : - এষো ধূপ ওঁ গাং গনেশায় নমঃ ।
দীপ :- এষো দীপ ওঁ গনেশায় নমঃ ।
নৈবেদ্যম :- এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ গাং গনেশায় নমঃ ।
প্রণাম :- ওঁ এক দন্তং মাহাকায়ং লম্বদরং গজাননম । বিঘ্ন নাশকাং দেবং হেরম্বং প্রনহম ।
সূর্যের পূজো :- ধ্যান :- ওঁ রক্তাম্বুজাসনম শেষ গুনৈর্ক সিন্ধু ভানুং সমস্ত জগৎ ধিপ ভজামি। পদ্মদয়া বরাভয় দধাতন ।করারব্জৈ মৌলি মরুনাঙ্গ রুচিম ত্রিনেত্রাম ।
আহ্বান :- ওঁ শ্রী সূর্যায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
পূজো :- গন্ধ :-এষো গন্ধ ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ ।
পুষ্প :- এতৎ পুষ্পম ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ ।
ধূপ :- এষো ধূপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ ।
দীপ :- এষো দীপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ 
নৈবেদ্য :- এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ ।
প্রণাম :- ওঁ জবাকুসুম সংঙ্কাশংস কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম। ধন্তারিং সর্ব পাপঘ্নম প্রনোতস্মি দিবাকরম ।
নারায়ণ পুজা :- ওঁ ধেয় সদা সবৃত্রমণ্ডল মধ্যবর্তী নারায়ণ সরসিজাসন সন্নিবেষ্ঠিত। কেয়ূরবান কনককুণ্ডলবান কীরিটীহারী হিরণ্ময়বপু ধৃত শঙ্খ চক্র। 
আহ্বান :- ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
গন্ধ :- এষো গন্ধ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
পুষ্প :- এতৎ পুষ্পম ওঁ শ্রী নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
ধূপ:- এষো ধূপ ওঁ শ্রী নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
দীপ :- এষো দীপ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
নৈবেদ্য :- এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ  নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
প্রণাম :- ওঁ নমহ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রাহ্মণ হিতায়চ জগৎ ধৃতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নারায়ণ নমহস্তুতে ।
শিব পুজো :- ওঁ ধ্যয়ে নিত্যং মহেশং রজতগিরি নিভং চারু চন্দ্র বতং সং রত্ন কল্পো উজ্জ্বলাঙ্গ পরুশু মৃগ বরা ভীতি হস্তম প্রসন্নম।পদ্মাসংস্থানং সমস্তাৎ স্তুতম মরগৈনক ব্যাঘ্র কৃত্তি বসনাং বিশ্ব দ্যাং বিশ্ব বীজং নিখিল ভয় হরং পঞ্চ ব্রক্তং ত্রিনেত্রাম । 
আহ্বান :- ওঁ নম শিবায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
গন্ধ :- এষো গন্ধ ওঁ নমঃ শিবায় নমঃ ।
পুষ্প :- এতৎ পুষ্প ওঁ নমঃ শিবায় নমঃ ।
ধূপ :- এষো ধূপ ওঁ নম শিবায় নমঃ ।
দীপ :- এষো দীপ ওঁ নম শিবায় নমঃ ।
নৈবেদ্য :- এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ নম শিবায় নমঃ ।
প্রণাম :- ওঁ নম শিবায় শান্তায় কারণত্রয় হেতবে । নিবেদয়ামি চাত্মাং ত্বং গতি পরমেশরম ।
জয় দুর্গা পুজো :- ধ্যান :- ওঁ কালা ভ্রাভাং কটারক্ষৈরি কুল ভয়দাং মৌলি বন্ধেন্দু রেখাং । শঙ্খ চক্র কৃপান ত্রিশিখমপি করৈরুধ্ব হন্তিং ত্রিলোচনাম । সিংহ স্কন্ধাধিরূরাং ত্রিভুবন মখিলাং তেজস পুরোয়ন্তিং । ধ্যয়ে দুর্গাং জয়াখ্যাং ত্রিদশ পরিবৃত্তাং সেবিতাং সিদ্ধি কামৈ ।
আহ্বান :- ওঁ হ্রীং দুর্গায়া ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
গন্ধ :- এষো গন্ধ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নমঃ ।
পুষ্প :- এতৎ পুষ্প ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নমঃ ।
ধূপ :- এষো ধূপ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নমঃ ।
দীপ :- এষো দীপ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নমঃ ।
নৈবেদ্য :- এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নমঃ ।
প্রণাম :- ওঁ সর্ব মঙ্গল মঙ্গল্যে শিবে সর্বাথ সাধিকে স্মরণ্যে ত্রমবকে গৌরি নারায়ণী নমহস্তুতে ।
প্রধান পুজা :- ধ্যান :- ওঁ ধ্যয়ে নিত্যং মহেশং রজতগিরি নিভং চারু চন্দ্র বতং সং রত্ন কল্পো উজ্জ্বলাঙ্গ পরুশু মৃগ বরা ভীতি হস্তম প্রসন্নম । পদ্মাসীং সমস্তাৎ স্তুতম মরগৈনক ব্যাঘ্র কৃত্তি বসনাং বিশ্ব দ্যাং বিশ্ব বীজং নিখিল ভয় হরং পঞ্চ ব্রক্তং ত্রিনেত্রাম । 
এবার যদি পঞ্চ উপাচারে পুজো হয় তাহলে, গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য। 
দশম উপাচারে পুজো হয় তবে, রজত আসন,(. রজত আসন আসলে রূপার তৈরি একটি চৌক পাত এটি দশকর্মা দোকানে পাওয়া যায়) পাদ্য, অর্ঘ্য, স্নান, বস্ত্র, গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য। 
ষোঢ়শ বা ষোল উপাচারে পুজো হয় তবে, রজত আসন, স্বাগতম, পাদ্য, অর্ঘ্য, মধূপর্ক, আচমনীয়, পুনঃ আচমনীয়, স্নানের জল, বস্ত্র, গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য, তাম্বুল ( কর্পূর দিয়ে পান সেজে দিতে হয়। পানের সংস্কৃত নাম তাম্বুল।) 
এবার প্রতিটি এভাবে সম্প্রদান করে নিতে হবে। চেষ্টা করবেন দশম উপাচারে পুজো করার। 
রজত আসন :- বং এতেস্মৈ রজত আসনায় নমঃ ( মন্ত্রে তিন বার কুশ ত্রিপত্র দিয়ে জলের ছিটা দিয়ে দিন।) এবার একটা ফুল নিয়ে, এতে গন্ধে পুষ্পে এত অধিপতয়ে শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।এতৎ সম্প্রদান ওঁ নম শিবায় নমঃ । এষো রজতাসনায় ওঁ নম শিবায় নমঃ ।( এটি সংক্ষিপ্ত মন্ত্র এগুলো বিস্তারিত আছে যাহোক প্রতি টি এভাবে নিবেদন করা যায়। স্নানীয় বা স্নান করানো মন্ত্র উপরে বলা হয়েছে, ঐ মন্ত্রে স্নান করবে। সব উপাচার এই ভাবে নিবেদন করা যাবে।) 
প্রণাম মন্ত্র :- ওঁ নম শিবায় শান্তায় কারণ ত্রয় হেতবে নিবেদয়ামি চাত্মাং ত্বং গতি পরমেশরম ।
(পুষ্পাঞ্জলী ব্রাহ্মণ নিজে দেবেন পরে সাধারণ কে বা যিনি বা যারা উপবাস করে আছে তাদের দেওয়া করবেন। তাদের ক্ষেত্রে আচমন বিষ্ণু স্মরণ করিয়ে দিতে হবে।) 
পুষ্পাঞ্জলী :- মনে রাখবেন যদি চার প্রহর পুজো করেন তবে প্রথম প্রহরে, এষো সচন্দন গন্ধ পুষ্প বিল্ব পত্রাঞ্জলী সায়ূধ বাহনায় সপরিবারায় ওঁ নম সদ্যোজাত শিবায় নমঃ। ( তিন বার) 
দ্বিতীয় প্রহরে :- ওঁ সদ্যোজাতর পরিবর্তে পশুপতয় নমঃ হবে। 
তৃতীয় ও চতুর্থ প্রহরে ওঁ নম শিবায় নমঃ ।
এবার প্রণাম মন্ত্র বলুন । ওঁ নম শিবায় শান্তায় - - - - 
শেষ মন্ত্র : - ওঁ যৎ ক্ষরং মাত্রা হিঞ্চ যদ ভবতে পূর্ণ ভবতু তদ প্রাসাদৎ সুরেশ্বর । ওঁ ক্ষমস্য ।একটু জল তাম্র পাত্রে দিন। 







Sunday, 11 August 2019

বিশ্বকর্মা পূজার মন্ত্র ও নিয়ম ।


শিল্পের দেবতা বিশ্বকর্মা, তিনি দেবতা দের জন্য নির্মাণ কাজ করেন। সেই কারণেই মর্ত্যে শিল্প কারখানায় ভাদ্র মাসের শেষ দিন বিশ্বকর্মা পূজা হয়। এই পুজোয় যে কাজ বা মন্ত্র গুলো পাঠ করতে হয়। সে গুলো ব্রাহ্মণ বা পুরোহিত কে মুখস্থ করে রাখতে হবে। এই পুজোতেও সে গুলো প্রথম করতে হবে। ১) আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ( যযমানের বাড়িতে এবং মুর্তি এনে পুজো করলে করতে হবে।) ৭) সংকল্প ৮)সংকল্প সুক্ত ৯) পঞ্চ গব্য শোধন ১০)অধিবাস (বরণ ডালা নিয়ে ও মন্ত্রে) ১১) সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন ১২) দ্বার পুজা ১৩) বিঘ্ন অপসারণ ১৪) মাস ভক্ত বলি ১৫) আসন শুদ্ধি ১৬) পুষ্প শুদ্ধি। ১৭)কর শুদ্ধি ১৮) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি ১৯) প্রাণায়াম ( কেউ কেউ এখানে প্রাণায়াম করে আবার সংহার মাতৃকান্যসের পর করে। দুর্গা পূজায় সংহার মাতৃকান্যসের পর করতে হবে।) ২০) মাতৃকান্যাস ২১) অন্তর মাতৃকান্যাস ২২ ) বাহ্য মাতৃকান্যাস ২৩ ) সংহার মাতৃকান্যাস ২৪) পীঠ ন্যাস ২৫) ) কর ন্যাস ২৬)  অঙ্গ ন্যাস ২৭) ব্যাপক ন্যাস ২৮) ঋষ্যাদি ন্যাস ২৯) ) ধ্যান ৩০)মানস পুজা ৩১) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন বেদি শোধন, ৩২) পীঠ পূজা ৩৩) ঘট স্থাপন ৩৪) কাণ্ড রোপন ৩৫)সূত্র বেষ্ঠন ৩৬) ধ্যান করে আহ্বান ৩৭) পঞ্চ দেবতার পূজা ( গনেশ, সূর্য, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা প্রত্যেকের আহ্বান পঞ্চপোচার পুজো পঞ উপাচার হলো ক) গন্ধ খ) পুষ্প গ) ধূপ ঘ) দীপ ঙ) নৈবেদ্য এবং প্রণাম মন্ত্র সহ পূজা) ৩৮)) প্রাণ প্রতিষ্ঠা যদি মূর্তি থাকে ৩৯)) চক্ষু দান ৪০)ধ্যান করে প্রধান পূজা ষোঢ়শোপচার হতে পারে, দশম উপাচারে পূজা হতে পারে। ৪১)পুষ্পাঞ্জলি ৪২) প্রণাম। ৪৩) হোমের যোগার থাকলে হোম করতে হবে। বিশ্ব কর্মা ঠাকুরের মূল মন্ত্র "বিং বিশ্ব কর্মায় নমঃ" ধ্যান মন্ত্র " ওঁ দংশপাল মহাবীর সুচিত্র কর্মকারকঃ
 বিশ্বকৃতঃ বিশ্বধৃতকঞ্চ বাসনামানদণ্ড ধারক। 
এবার পূজো শুরু করা যাক। 
আচমন :- কোশা থেকে কুশি করে (ব্রাহ্মণ) ডান হাতের তালুতে মাস কলাই ডুবতে পারে এরকম জল নিয়ে। মুখে দেবে। মন্ত্র ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু। 
২) বিষ্ণু স্মরণ :- কর্ণদ্বয়, কপাল, দুই বাহু, হৃদয় ও নাভী স্পর্শকরে মন্ত্র বলতে হবে। ওঁ তদ্বোবিষ্ণু পরম পদং সদা পশ্যন্তি সুরোয় দিবীব চক্ষুরততম । 
এবার হাত জোর করে। ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা গতহোপিবা। যৎস্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি। সর্ব মঙ্গল্য মঙ্গলং বরেদং বরেনং শুভম। নারায়ণ নমস্কৃতং সর্ব কর্ম কারয়েত। প্রারম্ভে সর্ব কর্মে বিপ্র পুণ্ডরীকং স্মরদ্ধরিম। মাধব মাধব বাচি মাধব মাধব হৃদি। স্মরন্তি সাধব সর্ব কার্যেসূ মাধবম। ওঁ মাধবম ওঁ মাধবম ওঁ মাধবম ।
৩)স্বত্ত্বি বাচন :- ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্ব কর্মা পূজা কর্মানি ওঁ পূন্যাহম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ পূন্যাহম ভবন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ পূন্যাহম, ওঁ পূন্যাহম, ওঁ পূন্যাহম। ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্ব কর্মা পূজা কর্মানি ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্ত্বি, ওঁ স্বত্ত্বি, ওঁ স্বত্ত্বি।  ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্বকর্মা পূজা কর্মানি ওঁ ঋদ্ধতাম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ওঁ ঋদ্ধতাম ।
কুশিতে আপত চাল ছড়াতে ছড়াতে, ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত :-  ওঁ সোমং রাজনং বরুণাগ্নিম্বারভামহে । আদিত্যং বিষ্ণু সূর্য ব্রহ্মনাঞ্চ বৃহস্পতিম। ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি । 
( স্বত্ত্বি বাচন তিন বেদে আছে, উপরের স্বত্তি বাচন সাম বেদীয়, এখানে বেশির ভাগ মন্ত্র সাম বেদীয় অর্থাৎ সনাতনি সুরে বলা ভালো। কেবল সংকল্প সুক্ত ও হোমের মন্ত্র যযুর্বেদীয়) 
৫) সাক্ষ্য মন্ত্র :- ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভূতানহক্ষপা, ব্রাহ্মণ শাসনমাস্থায় কল্পধিহম। 
৬)বরণ :- ( এখানে পুরোহিত বরণ বা বকলমা দান, অনেক ব্রাহ্মণ করেন অনেকে করেন না। কারণ ব্রাহ্মণ কে ব্রস্ত্র উপোবীত অন্য দ্রব্য দান করে বকলমা দিতে হয়।) 
যযমান ও পুরোহিত উত্তর বা পূর্ব অভিমুখে বসে যযমান আতপ চাউল ও দূর্বা নিয়ে পুরোহিতের দক্ষিণ জানু স্পর্শ করে বলবেন। যযমান :- সাধুভাবানস্তাম, পুরোহিত :- সাধ্বহমাস । যযমান :- অর্চ্চায়স্ম ভবন্তাম । পুরোহিত :- অর্চ্চয়া। এবার একটি পিতলের থালায় বস্ত্র উপোবীত আসন অঙ্গুরিয় ফুল বেলপাতা দূর্বা নিয়ে ব্রাহ্মণের হাতে তুলে দিতে দিতে যযমান বলবেন :- এতানি গন্ধ পূষ্প বস্ত্র যোগ্য উপোবীতানি পূজক ব্রাহ্মণায় নম। পুরোহিত :- ওঁ স্বত্ত্বি। এবার যযমান হাতে বা কুশিতে আতপ চাল ফুল দূর্বা নিয়ে বলবেন :- বিষ্ণুর্মোহদ ( যযমান শুদ্র হলে, ব্রাহ্মণ হলে, বিষ্ণুরোম তৎসদ্য) অমুক পক্ষে ( এখানে কৃষ্ণ পক্ষ বা শুক্ল পক্ষ) ভাদ্র মাসে সংক্রান্তি তিথৌ অমুক গোত্র অমুক দাস মৎ সংকল্পকিত চতুর্থ বর্গ সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্বকর্মা পূজা কর্মানি পূজক কর্ম অমুক গোত্র ( পুরোহিতের গোত্র) অমুক দেবশর্ম্ম মহৎ বৃর্ণে। ( আপত চাল ঘটের ওখানে ছড়িয়ে দিতে হবে) পুরোহিত :- ওঁ বৃহস্পতিম। যযমান :- যথাজ্ঞান পূজাকর্মন কুরু । পুরোহিত :- যথা জ্ঞানং করবানি। (আগেই বলেছি এই বরণ একমাত্র বাড়িতে বা বড়ো কোন একক ভাবে কার পুজো করলে এবং পুরোহিত বর্ণের দক্ষিণা সহ বস্ত্র ইত্যাদি যোগার থাকলে করা হয়।) 
৭) সংকল্প :- (এই সংকল্প শুরুতে কুশিতে কালো তিল ফুল কুশ ত্রিপত্র  এবং হরিতকি ফল নিয়ে দক্ষিণ জানু মাটিতে রেখে বাঁ হাতে কুশি কে ডান হাতে চাপা দিয়ে মন্ত্রববলতে হবে) ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য ভাদ্র মাসে অমুক পক্ষে সংক্রান্তি তিথৌ অমুক গোত্র অমুক নাম্নে ( এখানে যযমানের গোত্র ও নাম) চতুর্থ বর্গ সিদ্ধি কামনার্থায় বিশ্বকর্মা পূজা কর্ম করিষ্যামি।
৮) সংকল্প সূক্ত :- (যযুর্বেদীয় এটাই বেশিরভাগ পুরোহিত বলে থাকেন।) ওঁ যজাগ্রত দূরামুদৈতি দৈবাং তথৈবৈতি দূরাঙ্গম জ্যোতিষং  জ্যোতিরেকং তণ্মে নমঃ শিব সংকল্প মস্তু । ওঁ সংকল্পিতেহস্মিন কর্ম্মণি  সিদ্ধিরস্তু । ওঁ অয়মারম্ভ শুভায় ভবতু ।
৯) পঞ্চ গব্য শোধন :- (পঞ্চ গব্য আসলে গরু থেকে প্রাপ্ত পাঁচটি জিনিস। গোময়, গোমুত্র, বা গোচনা, দুধ, গব্য ঘি, আর দধি) পাঁচটি দ্রব্য এক সাথে মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ করলে। সংক্ষেপে পঞ্চগব্য শোধন করা হয়। না হলে প্রতিটির আলাদা করে মন্ত্র আছে এবং সব কটি মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ। অনেকেই সব মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ করে শুদ্ধ করে নেন।) 
১০) অধিবাস :- বরণ ডালা নিয়ে বরণ, সংক্ষেপে,ওঁ অনেন প্রসস্তি পত্রেন অস্য বিং বিশ্বকর্মায় শুভ অধিবাস মস্তু। ( যদি মূর্তি থাকে সাদা সুতাতে হলুদ মাখিয়ে সাত বা নয় গাছি দূর্বা লাল আলতা পাতা এবং সিদ্ধি দিয়ে বেঁধে রাখা, ঐ পাত্রে থাকবে, সেই সূতা নিয়ে মন্ত্র বলতে বলতে ডান হাতে বেঁধে দিতে হবে।) মন্ত্র :- ওঁ অনেন মঙ্গল সুত্রেন, অস্য বিং ওঁ 
বিশ্বকর্মায় নম । মুর্তি থাকলে তার ডান হাতে মঙ্গল সুত্র বেঁধে দেবেন। 
১১) সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন :- পুরোহিত তার সম্মুখে, গঙ্গা জল দিয়ে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে। নিম্ন লিখিত মন্ত্র পাঠ করে ফুল দিয়ে পুজা করে নেবন।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কূর্ম্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথ্বিবৈ নম ।
এবার ঐ মণ্ডলের উপর কোশা রেখে ওঁ বিং ফট মন্ত্রে কোশা জল পূর্ণ করে। কোশার উপর দিকে ফুল দিয়ে পুজো করে নিতে হবে। মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। এর পর ধেনু মুদ্রা প্রভৃতি পাঁচ মুদ্রা প্রদর্শন করে। অঙ্কুশ মুদ্রায় কোশার জল স্পর্শ করে, মন্ত্র :- ওঁ গঙ্গদা সরতিশ্চ সর্ব্বা সমুদ্রাশ্চ সরংসিশ্চ ।আয়ন্তু ( নিজের হলে আয়ন্তু অয়ম) যজমানস্য দূরিত ক্ষয়কারক। ওঁ গঙ্গেচ যুমুনে চৈব্য গোদাবরী সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিধিং কুরু । কুশ ত্রিপত্র দিয়ে তিন বার জলের ছিটা দিতে হবে সব দ্রব্যের উপর। মন্ত্র :- বং এতে গন্ধাদিভেভ্য ওঁ গাং গনপতাদি পঞ্চ দেবগনভ্য নম। ( তিন বার এই মন্ত্র) 
১২) দ্বার পূজা :- আহ্বান :-  দ্বার দেব গন ইহাগচ্ছ, ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ, 
(এবার পঞ্চ উপাচারে পুজো) (১) এষো গন্ধ ওঁ দ্বার দেব গণভো নমঃ। (২)এতৎ পুষ্পম ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। (৩) এষো ধূপ ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। (৪)এষো দীপ ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। (৫)এতৎ নৈবেদ্যম ফল মূলানি ওঁ দ্বার দেবগণভো নমঃ। 
১৩)বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ অস্ত্রায় ফট, মন্ত্রে বাম পায়ের গোড়ালি দিয়ে মাটিতে তিন বার আঘাত করবেন। 
১৪) মাস ভক্ত বলি :- একটি মাটির খুড়ি বা ছোট ভাঁড় বা কলাপাতা বা বিল্ব পত্র বা কাঁঠাল পাতার উপর আতপ চাল, দধি, সন্দেশ, ফুল দিয়ে সাজিয়ে নিয়ে। ভুত দ্বয়ের আহ্বান করবেন। আহ্বান :- ভুতা দ্বয় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ, ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহ সন্নিরুদ্ধস্য ইহ সন্নিধেহি, অত্র অধিষ্ঠিত মম পুজা গৃহ্নিত। এবার কুশ ত্রিপত্র দিয়ে তিন বার জলের ছিটা দিন। বং মাসভক্ত বলয়ে নমঃ ।
এবার ফুল, বেল পাতা দূর্বা নিয়ে , এতে গন্ধে পুষ্পে এত অধিপতয়ে দেবায় শ্রীবিষ্ণবে নমঃ, এতৎ সম্প্রদানায় মাসভক্ত বলয়ে নমঃ । এবার হাত জোর করে বলতে হবে। ওঁ ভুতো প্রেত পিশ্চাস যে বসন্ত ভুতলে তে গৃহন্তু ময়া দত্ত বলি রেষ প্রসাদিতা, পূজিতা গন্ধ পুষ্প দূর্বা বিল্ব পত্র তর্পি স্তুতা । দেশস্মাৎ বিনিসৃত পুজাং পশ্যন্তু মৎকৃতাম ।কুশিতে জল নিয়ে দিতে হবে ওঁ ভুত দ্বয় ক্ষমধমঃ । এবার আপত চাল বা সাদা সরিষা ছড়াতে ছড়াতে ওঁ অপসর্পন্তু তে ভুতা যে বিঘ্ন কর্তারস্তে, নশ্যন্তু শিব আজ্ঞায়। বেতালাশ্চ পিশ্চাস রাক্ষসাশ্চ সরীসৃপা অপসর্পন্তু তে চণ্ডি কাস্ত্রেন তাড়িতা। 
১৫) আসন শুদ্ধি  ও গুরু পঙতি পাঠ :- আসনের নীচে জল দিয়ে একটা মণ্ডল এঁকে নিয়ে ঐ মণ্ডলের উপর ফুল দিয়ে পুজো করবেন। মন্ত্র :- ওঁ হ্রীং আধার শক্তয়ে কমল আসনায় নমঃ । ওঁ হ্রীং পৃথিবৈ কমলা আসনায় নমঃ। ওঁ হ্রীং কুর্ম্মায় কমলা আসনায় নমঃ। ওঁ হ্রীং অনন্তায় কমলা আসনায় নমঃ। এবার মণ্ডলের উপর আসন পেতে আসন ধরে বলতে হবে। অস্য আসন উপবেশন মন্ত্রস্য মেরু পৃষ্ঠ ঋষি সুতলুং ছন্দ কুর্ম দেবতা আসন উপবেশনে বিনিয়োগ। ওঁ পৃথ্বী তয়া ধৃতা লোকা দেবী ত্বং বিষ্ণু না ধৃতা। ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্র কু রুচ আসনম ।এবার গুরু পঙতি পাঠ :- বামে হাত জোর করে বলতে হবে। ওঁ গুরুবে নমঃ ।ওঁ পরম গুরুভে নমঃ। ওঁ পরমেষ্ঠি গুরুভে নমঃ । দক্ষিণে :- ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । সন্মুখে :- ওঁ বিং বিশ্ব কর্মায় নমঃ । 
১৬) পুষ্প শুদ্ধি :- বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও মধ্যমা দ্বারা ফুল স্পর্শ করে :ওঁ পুষ্প কেতু রাজা হর্তে সতেয় সমক্যায় হুঁ। পুষ্পে পুষ্পে সুপুষ্পে মহাপুষ্পে পুষ্প চয়নাকীর্বে চ হুঁং ফট স্বাহা ।
১৭) কর শুদ্ধি :-  একটা লাল ফুল বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও বাকি অঙ্গুলি দিয়ে পেষণ করে ওঁ হেঁসৌ বলে ঈশান কোনে ছুঁড়ে দিতে হবে। 
১৮) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি :- ওঁ মূল শৃঙ্গাঠ চ্ছির সুষম্নান্ন পথেন জীব শিব পরম শিব পদে যোযয়ামি স্বাহা । ওঁ যং লিঙ্গং শরীরং শোষয়ং শোষয়ং স্বাহা । ওঁ রং সংকোচং শরীরং দহ দহ স্বাহা । ওঁ সুষম্নান্ন পথেন জীব শিব পরম শিব মূল শৃঙ্গাঠ মূল্য সোহল্লাস জ্বল জ্বল প্রজ্বল প্রজ্বল স্বাহা ।
১৯)প্রাণায়াম :- বাম নাসা বন্ধ করে ডান নাসা দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে ওঁ বিং ( ৪ বার) একই ভাবে ডান নাসা বন্ধ করে বাম নাসা দিয়ে নিতে নিতে ওঁ বিং ( ৪ বার) আবার নাক বন্ধ করে মুখ বন্ধ করে শ্বাস নিতে নিতে ওঁ বিং (৪ বার) মুখ বন্ধ করে নাক দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে ওঁ বিং (৪ বার)ন্যাস শুরুর আগে কয়েকটি কথা অনেকের প্রশ্ন ন্যাস গুলো যেখানে স্পর্শ করতে বলা হয়েছে ওগুলো কি নিজ অঙ্গ? আমার মতে না ঐ অঙ্গ গুলো হচ্ছে ঘট স্থাপনের জন্য জায়গায় অষ্টদল পদ্মের উপর ঘট এবং ডাবের উপর সিন্দুর দিয়ে যে মূর্তি আঁকা হয় ওখানেও শুকনো বা গুঁড়ো সিন্দুর দিয়ে ঐ রকম মূর্তি এঁকে নিয়ে তার শরীর বা অঙ্গ স্পর্শ করে এই সব ন্যাস করতে হবে। কারণ একটাই যে জায়গায় ঘট টি বসানো হবে সেই জায়গা টি কে মন্ত্র দ্বারা পবিত্র করে নেওয়ার জন্য এই ন্যাস। 
২০)মাতৃকান্যাস :- অস্য মাতৃকা মন্ত্রস্য ব্রহ্ম ঋষি, মাতৃকা সরস্বতী হলো বীজানি দেবতা স্বর শক্তায় মাতৃকা ন্যাসে বিনিয়োগ। ওঁ ব্রহ্মণে ঋষয়ে নমঃ ।ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নমঃ ।ওঁ মাতৃকা সরস্বতৈ নমঃ । ওঁ স্বরেভ্য শক্তেভ্য নমঃ। ওঁ হলেভ্য বীজেভ্য নমঃ । ওঁ অবক্ত কীলিকায় নমঃ ।
২১) অন্তর মাতৃকান্যাস :- ওঁ আঁধারে লিঙ্গ নাভৌ হৃদয়ে সরসিজে তালুমূলে ললাটে দৈপত্রে ষোঢ়শাঢ়ে দ্বিদশ দশ দলে দ্বাদশার্থে চতুস্কে বাসান্তে বালমধ্যে ড- ফ, ক- ঠ সহিতে কণ্ঠ দেশে স্মরণাং হং ক্ষং তথার্থ যুক্তং সকল দলগত বর্ণ রূপং নমামি। ওঁ অং আং ইং ঈং উং ঊং এং ঐং ওং ঔং অং অঃ ইতি কণ্ঠে। ওঁ কং খং গং ঘং ঙং চং ছং জং ঝং ঞং টং ঠং ইতি হৃদয়। ওঁ ডং ঢং ণং তং থং দং ধং নং পং ফং ইতি নাভৌ । ওঁ বং ভং মং যং রং লং ইতি লিঙ্গমূলে। ওঁ বং ষং শং সং ইতি মূলাধারে। ওঁ হং ক্ষং ইতি ভ্রূমধ্যে ।
২২)বাহ্য মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ পঞ্চাশলি পিভির্বি ভক্ত মুক্ষদা  পন্মধ্য বক্ষস্থলাং ভাস্ব মৌলি নিবন্ধ চন্দ্র শ কলা মাপীন তুঙ্গস্থিনাম। মুদ্রা মোক্ষ গুন সুধাঢ্য কলসং বিদ্যাঞ্চ হস্তাম্বুজৈ বির্বভ্রাণ ত্রিনয়নাং বিশদ প্রভাং বাগ দেবতা মাশ্রয়ে। ওঁ অং নমঃ ( ললাটে) ওঁ আং নমঃ ( ভ্রূ মধ্য) ওঁ ইং ঈং নমঃ ( বাম চক্ষু) ওঁ উং ঊং নমঃ ( ডান চক্ষু) ওঁ ৯ং ৯ং নমঃ ( নাসিকা) ওঁ ঋং ঋং নমঃ ( নাসা রন্ধ্র) ওঁ এং নমঃ ( ওষ্ঠ) ওঁ ঐং নমঃ ( অধর) ওঁ ওং নমঃ (উর্দ্ধ দন্ত পঙতি) ওঁ ঔং নমঃ ( অধঃ দন্ত পঙতি) ওঁ অং নমঃ ( কণ্ঠে) ওঁ অঃ নমঃ ( হৃদয়) ওঁ কং নমঃ ( বাম বাহু মূল) ওঁ খং নমঃ (বাম কর্পূরে বা কনুই) ওঁ গং নমঃ ( বাম মনি বন্ধ, কবজি) ওঁ ঘং নমঃ (বাম অঙ্গুলি মূল) ওঁ ঙং নমঃ ( বাম অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ চং নমঃ ( দক্ষিণ বাহু মূল) ওঁ ছং নমঃ (দক্ষিণ কর্পূরে) ওঁ জং নমঃ ( দক্ষিণ মনি বন্ধ) ওঁ ঝং নমঃ ( দক্ষিণ অঙ্গুলি মূলে) ওঁ ঞং নমঃ (দক্ষিণ অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ টং নমঃ ( বাম চরণ মূলে) ওঁ ঠং নমঃ ( বাম গুল্ফে হাঁটু) ওঁ ডং নমঃ ( বাম গোড়ালি) ওঁ ঢং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি মূল) ওঁ ণং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ তং নমঃ ( দক্ষিণ উরু মূলে) ওঁ থং নমঃ (জানুনি) ওঁ দং নমঃ ( গুল্ফে) ওঁ ধং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি মূলে) ওঁ নং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ওঁ পং নমঃ ( বাম পার্শ্ব) ওঁ ফং নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্ব) ওঁ বং নমঃ ( পৃষ্ঠে) ওঁ ভং নমঃ ( নাভৌ) ওঁ মং নমঃ ( উদর) ওঁ যং নমঃ ( হৃদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) লং নমঃ ( কুকুদি) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ হস্তে) শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম হস্তে) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পদে) হং নমঃ (. হৃদয়াদি বাম পদে) লং নমঃ ( হৃদয় দুয়ারে) ক্ষং নমঃ ( হৃদয় মুখে)
২৩) সংহার মাতৃকা ন্যাস :- ধ্যান :- ওঁ অক্ষস্রজং হরিনপোত মৃদঙ্গটঙ্ক বিদ্যাং কররৈবিরতং দধতীং ।অর্দ্ধেন্দু মৌলি মরুণামরবিন্দবাসং প্রনমত স্তনভার নম্রাম ।
ওঁ ক্ষং নমঃ ( হৃদয় মুখে) লং নমঃ ( হৃদয় দুযারে) হং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম পদে) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পদে) শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম হস্তে) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ হস্তে) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) লং নমঃ ( কুকুদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) যং নমঃ ( হৃদি) মং নমঃ ( উদর) ভং নমঃ ( নাভৌ) বং নমঃ ( পৃষ্ঠ) ফং নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্ব) পং নমঃ (. বাম পার্শ্ব) নং নম ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ধং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি মূলে) দং নমঃ ( দক্ষিণ পদ গুল্ফে) থং নমঃ ( জানুনি) তং নমঃ ( দক্ষিণ উরুমূলে) ণং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ঢং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে)
পীঠ ন্যাস :একটি ফুল নিয়ে যেখানে ঘট বসবেন ঠিক করেছেন। পঞ্চ গুঁড়ি দিয়ে অষ্ট দল পদ্ম এঁকেছেন ওখানে বা ঐ আসনে ঠেকিয়ে মন্ত্র বলুন। সব গুলোর আগে ওঁ জুড়ে 
আধার শক্তয়ে নম ।কুমর্মারয় নম ।অন্ততায় নম:।পৃথ্বৈ নম:। ক্ষীরসমুদ্রায় নম ।কল্পো বৃক্ষায় নম । মনিবেদিকায় নম:। মনি মণ্ডপায় নম : ।রত্ন সিংহাসানায় নমঃ। পদ্মায় নম:। অন্ততায় নম :। অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নম:। উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নম:। মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নম :। সং সত্বায় নম :। রং রজসে নম:। ত্বং তমসে নম: । পং পদ্মায় নম: । আং আত্মেন নম: । অং অন্তর আত্মন নম:। হ্রীং জ্ঞান আত্মেন নম:। বর্ণ কমলাসানয় নম:.
করন্যাস :- বাং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নম, বীং তর্জনি ভ্যাং স্বাহা, বূং মধ্যমাভ্যাং বৌষট। বৈং অনামিকাভ্যাং হুং । বৌং কনিষ্ঠাভ্যাং বষট । যং রং লং সং শং করতল পৃষ্ঠাভ্যাং অস্ত্রায় ফট । 
অঙ্গ ন্যাস :- বাং হৃদয়ায় নম ।বীং শিরসে স্বাহা । বূং শিখায় বৌষট । বৈং কবচায় হুং । বৌং নেত্রত্রয় বষট ।যং রং লং শং সং অস্ত্রায় ফট ।
ব্যাপক ন্যাস :- দুই হাত জোর করে বক্ষের কাছে নিন এবার আস্তে আস্তে দু-দিকে প্রসারিত করে না থেমে এক টানা বলুন :- ওঁ বিং । 
ঋষ্যাদি ন্যাস :- ওঁ নারদ ঋষয়ে গায়ত্রী ছন্দসে বিং বিশ্বকর্মা পুজা কর্ম্মানি করু। ওঁ নারদ ঋষয়ে নম । গায়ত্রী ছন্দসে নমঃ । বিং বিশ্বকর্মায় নম
ধ্যান :- ওঁ দংশপাল মহাবীর সুচিত্র কর্মকারক। 
বিশ্বকৃত বিশ্বধৃকতঞ্চ বাসনামানো দণ্ডধৃক ।
মানস পুজা :- নিজের শরীর মন হৃদয় কে ধূপ দীপ নৈবেদ্য হিসেবে নিবেদন করা। 
বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন :- প্রথম শঙ্খ দানি বা ত্রিপত্র নিতে হবে। মাটিতে নিজের ডান দিকে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে ওখানে ত্রিপত্র বসিয়ে। এই মন্ত্রে পুজো করে নিতে হবে। মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নম ।
এবার ঐ ত্রিপত্রের উপর জল শঙ্খ বসিয়ে, জল পূর্ণ করে নিতে নিতে বিলোম বর্ণ ন্যাস বলতে হবে শেষে নম যোগ করে বললে শুনতে ভালো লাগে। অর্থাৎ ক্ষং হং লং সং শং ষং লং রং যং মং ভং বং ফং পং নং ধং দং থং তং ণং ঢং ডং ঠং টং ঞং ঝং জং ছং চং ঙং ঘং গং খং কং অং আং ঔং ওং ঐং এং ৯ং ৯ং ঊং উং ঈং ইং আং অং। শঙ্খ সম্পূর্ণ জল পূর্ণ করে জল স্পর্শ করে বলতে হবে ওঁ গঙ্গোদা সরতি চ সর্বা সমুদ্রাশ্চ সংরসি চ আয়ন্তু যজমানস্য ( যদি নিজের পূজা হয় তাহলে যজমানস্যর বদলে অয়ম বলতে হবে।) দূরিত ক্ষয় কারক । ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী নর্মদৈ সিন্ধু কাবেরি জলহস্মিন সন্নিধিং কুরু । এবার কিঞ্চিৎ শঙ্খ জল কোশাতে ঢেলে নিন। তার পর শঙ্খের উপর বিল্ব পত্র এবং অর্ঘ্য রেখে ফুল দিয়ে এই তিন টি মন্ত্র বলুন ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঊং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ করাত্মনে নম। 
বেদি শোধন :- ওঁ বেদ্যা বেদী সমপ্যতে যুপেন যুপ আপ্যায়তং প্রনেতর্হগ্নিনা । কুশ ত্রিপত্র দিয়ে %পঞ্চ গব্য ছিটিয়ে দেবেন ।
পীঠ পুজো করতে হবে। দেব মুর্তির সম্মুখে আঁকা অষ্টদল পদ্মের ওখানে ফুল দিয়ে পুজো। 
মন্ত্র :- ওঁ বং মণ্ডলায় নম ।তিন বার জলের ছিটা নিন। এবার পীঠ দেবতার আহ্বান করুন। ওঁ পীঠ দেবতা গন ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত । এবার একটা করে ফুল নিয়ে পুজো। মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ক্ষীর সমুদ্রায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্বেত দ্বীপায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কল্পো বৃক্ষায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনিদ্বীপায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনি মণ্ডলায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রত্ন সিংহাসনায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ধর্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ জ্ঞানায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বৈরাগ্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঐশ্বর্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অধর্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অজ্ঞানায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অবৈরাগ্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনৈশ্বর্য্যায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঊং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পদ্মায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ সং সত্বায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ তং তমসে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রং রজসে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আং আত্মনে নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অন্তর আত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পং পরম আত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মনে নম। 
ঘট স্থাপন :- মাটি কাদার তাল স্পর্শ করে, ওঁ মহীত্রিনাম বরস্তু দুঃক্ষং মিত্র সার্যমন দূরা ধর্ষণং বরুণস্য । পঞ্চ শষ্যের ধান স্পর্শ করে, ওঁ ধানবন্তম করমনিভ মপু পবনত মুখথীনম । ঘট স্পর্শ করে :- ওঁ আবিশন কলসং সুতো বিশ্ব অর্ষন ভিষিয়তে ।ইন্দ্র রিন্দ্রিয়ায় ধীয়তে । জল স্পর্শ করে :- ওঁ আ ন মিত্র বরুণা ঘৃতৈগ ব্যূতি মুখ্যতম ।মধবা রজহংসী সক্রতু । পল্লব স্পর্শ করে :- ওঁ অয়া মূর্জ্জাবত বৃক্ষ ঊর্জীব ফলানিচ, পর্ণং বনস্পতে। নুত্ত্বা নুত্ত্বা চ সুয়তাং রয়ি । ফল বা ডাব স্পর্শ করে। ইন্দ্র নরনেমেধিতা হব্যং যৎপর্যা যুনজতে ধীয়স্তে শূর নৃশংসতা শ্রবচা কাম আ গোমতি ব্রজে ভজা ত্বং । বস্ত্র স্পর্শ করে :- ওঁ যুবা সুবাসা পরিবিত আগতা স উ শেয়ান ভাবতি জায়মান তবয় কবয়া উন্নয়তি সাধ্যে মনসা দেবয়ন্ত । সিন্দুর স্পর্শ করে:-  ওঁ সিন্দুরোচ্ছাসে পতন উণ্মুখং হিরণ্যপাব পশমপশু গৃভনতে ।
স্থিরি করণ :- ত্বাবত পুরো বস বয়মিন্দ প্রণেতস্মি স্থার্থহরিনাম। স্থাং স্থিং স্থির ভব । হাত জোর করে :- সর্ব তীর্থ উদ্ভব বারি সর্ব দেব সমন্বিতে, ইমং ঘটং সমারূহ্য তিষ্ঠ দেব গনৈ সহ ।
কাণ্ড রোপন :-  ওঁ কাণ্ডাৎ কাণ্ডাৎ প্রহরোন্তি এবেন দূর্বেন প্রতেনু সহস্রেন শতেন চ ।
সুত্র বেষ্ঠন :- ওঁ সুত্রাং পৃথিবীং দ্যামনেহসং সুশর্মান মোদিতং সুপ্রনীতীং । সরিত্রামনাগম মা রুহেমা সস্ত্রয়ে ।
প্রান প্রতিষ্ঠা :- যারা পুজো দেখছে তাদের উল্টো দিকে মুখ করে থাকতে বলুন বা একটা নতুন বস্ত্র দুজন কে ধরে আড়াল করতে বলুন। তার পর প্রাণ প্রতিষ্ঠা করুন,  প্রতিমা বা মুর্তি হলে অবশ্যই করতে হবে। দু ভাবে হবে যদি প্রতিমা বড়ো হয় নাগালের মধ্যে না থাকে তাহলে মুর্তির ডান পায়ের বৃদ্ধা অঙ্গুষ্ঠ স্পর্শ করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা যায়। মস্তকে কুশ ত্রিপত্র এবং ফুল নিয়ে সংহার মুদ্রায় স্পর্শ করে বিং মূল মন্ত্র ১০৮ বার জপ করে নিয়ে অসমর্থ হলে ২৮ বার জপ করে নিয়ে। এবার একই ভাবে বক্ষে হাত দিয়ে। বলুন ওঁ আং হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্যা প্রাণ ইহা প্রাণ। ওঁ আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্য্ জীব ইহা স্থিত। ওঁ আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্যা সর্ব ইন্দ্রাণী ইহা স্থিতানি। ওঁ আং হ্রীং ক্রং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস বিশ্বকর্মা দেব্য বাগ্ময় চক্ষু শ্রোতা ঘ্রাণা ত্বক ইহাগত চির সুখং তিষ্ঠতি স্বাহা। মনজ্যোর্তির 

 

Thursday, 28 March 2019

দুর্গা পূজার মন্ত্র ও নিয়ম ।( ষষ্ঠীর দিনের পূজা)


আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ করে আমার এই লেখা। যদি ভুল ত্রুটি থাকে পণ্ডিত গণ নিজ গুণে ক্ষমা করে দেবেন।
দুর্গা পূজার শুরু অনেকে শুরু করেন প্রতিপদ থেকে করেন, তবে সাধারণত সর্বত্র এই পূজা শুরু হয় ষষ্ঠীর দিন সন্ধ্যা(বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গা পুজো) থেকে, কেউ কেউ আবার ষষ্ঠীর পারন ধরে পূজা করেন । যখনই হোক ষষ্ঠীর পূজার মন্ত্র নিয়ম আমার মতে এ রকম। পূজার নিয়ম শুদ্ধ আসনে বসে সান্ধ্য ক্রীড়া সমাপন করে নিয়ে করতে হবে। পদ্ধতি :- ১) আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) স্বত্ত্বি বাচন ৪)স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ( পুরোহিত বরণ) ৭) সংকল্প ৮) সংকল্প সুক্ত ৯)পঞ্চ গব্য শোধন ১০) অধিবাস ১১) সামান্য অর্ঘ্য ১২) দ্বার পূজা - ১৩)বিঘ্ন অপসারণ ১৪) মাস ভক্ত বলি ১৫) আসন শুদ্ধি ১৬)কর শুদ্ধি ও পুষ্প শুদ্ধি ১৭) সংক্ষেপে ভূত শুদ্ধি ১৮) মাতৃকা ন্যাস ১৯)কর ন্যাস ২০) অঙ্গ ন্যাস ২১)অন্তর মাতৃকা ন্যাস ২২) বাহ্য মাতৃকা ন্যাস ২৩) সংহার মাতৃকা ন্যাস ২৪)প্রাণায়াম ২৫) পীঠ ন্যাস ২৬) কর ন্যাস ২৭) অঙ্গ ন্যাস ২৮)ব্যাপকন্যাস ২৯) ঋষ্যাদি ন্যাস ৩০) ধ্যান ৩১)মানস পূজা ৩২) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন ৩৩) পীঠ পূজা ৩৪) ঘট স্থাপন ৩৫) কাণ্ড রোপন ৩৬) সূত্র বেষ্টণ ৩৭) বেদি শোধন ৩৮) বিতান শোধন ৩৯) আহ্বান ৪০) পঞ্চ দেবতার পূজা ৪১)কয়েকটি দেবতার পূজা ৪২) প্রধান পূজা ৪৩) পূষ্পাঞ্জলী ৪৪) প্রণাম ।
মন্ত্র :- ১) আচমন :- ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ২) বিষ্ণু স্মরণ :- ওঁ তদ্বোবিষ্ণু পরমপদং সদা পশ্যন্তি সুরয় দ্বিবীব চক্ষুরতাতম।ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা সর্বাবস্থাং গতহোপিবা যৎস্মরেৎ পূণডরীকাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি মাধব মাধব বাচি মাধব মাধব হৃদি সর্ব কার্যে সুমাধবম  ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু । ৩) স্বত্ত্বি বাচন :- ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল ষষ্ঠান্তিতিথৌ বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গা পূজা কর্মানি, ওঁ পূণ্যাহম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ পূণ্যাহম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু ওঁ পূণ্যাহম ওঁ পূণ্যাহম ওঁ পূণ্যাহম ।ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল ষষ্ঠান্তিতিথৌ, বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গা পূজা কর্মানি, ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ।ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল ষষ্ঠান্তিতিথৌ, বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গা পুজা কর্ম্মানি, ওঁ ঋদ্ধিং ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ ঋদ্ধিং ভব্রন্তু ব্রুবন্তু, ওঁ ঋদ্ধতাম, ওঁ ঋদ্ধতাম, ওঁ ঋদ্ধতাম।
৪) স্বত্ত্বি সূক্ত :- ওঁ সূর্য সোম রাজনং বরুণাগ্নিম্বারভামহে, আদিত্যং বিষ্ণুং ব্রহ্মাঞ্চ বৃহস্পতিম ।ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি  স্বত্ত্বি ন ইন্দ্র বৃদ্ধশ্রবা স্বত্ত্বি ন পুষ্যাবিশ্ববেদা স্বত্ত্বি নর্ত্রক্ষ্য অরিষ্ঠোনমি স্বত্ত্বি ন বৃহস্পতিবার দধাতু ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ।
৫) সাক্ষ্য মন্ত্র :- ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভূতানহক্ষপা ।পবনদিকপতি ভূমিরাকশং খচরামরা ব্রাহ্মণ শাসনমাস্তায় কল্পধিহম।
৬)বরণ :- পুরোহিত বরণ ( যদি কোন গৃহস্থের বাড়িতে পূজা হয় তবে বরণ করতে হবে। )
৭) সংকল্প :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য অদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল পক্ষে কন্যা রাশিস্থে ভাস্করে ষষ্ঠান্তিতিথি বারভ্য নবমী তিথি যাবৎ (পুজোকের গোত্র) গোত্রস্য (পুজোকের নাম) দেব শর্ম্মণ (তন্ত্র ধারকের ) গোত্র (তন্ত্র ধারকের নাম) দেব শর্ম্মণ  মৎ সংকল্পকিত ( যজমানের) অমুক গোত্র (যজমানের ) অমুক নাম্নে চতুবর্গসিদ্ধি কামার্থ ষষ্ঠাং সায়াহ্ণে বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গা পুজা কর্ম্মানি করিষ্যামি ।
৮) সংকল্প সুক্ত :- ওঁ যজ্জাগ্রত দূরমুদৈতি দৈবং তথৈবৈতি দূরঙ্গম জ্যোতিষাং জ্যোতিরেকং তণ্মে নম শিব সংকল্প মস্তু ।ওঁ সংকল্পিতেহস্মিন সিদ্ধিরস্তু।ওঁ অয়মারম্ভ শুভায় ভবতু ।
৯) পঞ্চ গব্য শোধন :- ( পাঁচটি বস্তুতে পাঁচ রকম মন্ত্র আছে, কিন্তু অনেক পাঁচটি বস্তু মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ করে শুদ্ধ করে নেন।)
১০) অধিবাস :- মন্ত্রে :-(অধিবাস ষষ্ঠী পূজার পরে করতে হবে।)
১১)সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন :- আসনের দক্ষিণ দিকে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে পুষ্প দিয়ে পুজা করতে হবে। মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম: । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নম : ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম :। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ পৃথিব্যৈ নম :। " ওঁ ফট" মন্ত্রে কোশা মণ্ডলের উপর রেখে " ওঁ হ্রীং" মন্ত্রে জল পূর্ণ করে কোশার উপর দিকে এই তিনটি মন্ত্রে ফুল দিয়ে পূজা করতে হবে। ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম। ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম ।ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। এবার জলে হাত দিয়ে অঙ্কুশ মুদ্রায় জল শুদ্ধি, ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিদ্ধিং কুরু ।
১২)দ্বার পূজা :- ওঁ ফট দ্বার দেশ জল ছিটিয়ে আহবান করতে হবে। ওঁ দ্বার দেবতা গন ইহগচ্ছ ইহগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব । এষো গন্ধ ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম।এতৎ পুষ্পম ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম ।এষো ধূপ ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম ।এষো দীপ ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম ।এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম ।( এতো গেল সংক্ষেপে দ্বার পুজো)
যদি সব টা করতে চান তবে প্রতিটি দ্বার দেবতা কে ঐ পাঁচ রকম উৎসর্গ করতে হবে। দ্বার দেবগন :- ওঁ গাং গনেশায় নম, ওঁ মহালক্ষ্মীয়ৈ নম, ওঁ মাতৃকা সরস্বতৈ নম, ওঁ ক্ষেত্রপালৈ নম, ওঁ অস্ত্রায় নম, এই পাঁচ জন কে ঐ পাঁচ রকম মন্ত্রে পঁচিশ বার)
১৩) বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ ফট মন্ত্রে তুড়ি ও বাম পায়ের গোরালি দিয়ে ভুমিতে আঘাত করতে হবে ।
১৪) মাস ভক্ত বলি :- (মাটির খুরি, বা কলা পাতা বা কাঁঠাল পাতা দধি, আতপ চাল, ফুল ফল ) বং এতেস্মৈ মাসভক্ত বলয়ে নম । ( তিন বার) জলের ছিটা দিতে হবে।) ভুত দ্বয়ের আহ্বান :- ওঁ ভুতাদ্বয় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ অত্র অধিষ্ঠান করত মম পূজা গৃহ্নিত। এবার একটা ফুল বেল পাতা দূর্বা নিয়ে এতে গন্ধ পুষ্প বিল্বপত্র এত অধিপতয়ে দেবায় শ্রীবিষ্ণবে নমঃ ।এতৎ সম্প্রদানেভ্য ভুতা দ্বয় নমঃ । এবার হাত জোর করে বলতে হবে। ওঁ ভুত পেত পিশ্চাস যে বসন্ত্র ভুতলে তে গৃহন্ত ময়া দত্ত বলিরেষ প্রসাধিতা। পুজিতা গন্ধ পুষ্প দৈবির্লি তর্পিতুস্তা দেশস্মাৎ বিনিস্মৃৎ পুজাং পশ্যন্তু মৎকৃতাম । কুশি করে জল নিয়ে ওর উপর দিতে হবে ওঁ ভুত দ্বয় ক্ষমধমঃ । এবার আতপ চাল বা সাদা সরিষা নিয়ে ছড়াতে ছড়াতে ওঁ অপসর্পন্তু তে ভুতা প্রেতা ভুত নাম বিরোধন দুর্গাপুজা করমমহ। বেতালাশ্চ পিশ্চাস রাক্ষসাশ্চ সরীসৃপা অপসর্পন্তু তে সর্বে চণ্ডি কাস্ত্রেন তাড়িতা ।
১৫) আসন শুদ্ধি :- পুরোহিত যে আসনে বসে পুজো করবেন তার নীচে নিজের সামনে গঙ্গা জল দিয়ে একটি চৌ কোন এবং তার ভিতরে একটা ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে সেখানে ফুল দিয়ে পুজো করতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ হ্রীং আধার শক্তয়ে কমলাসনয়ে নমঃ । ওঁ হ্রীং কুর্ম্মায় কমলাসনয়ে নমঃ । ওঁ হ্রীং অনন্তায় কমলাসনয়ে নমঃ ।ওঁ হ্রীং পৃথিবৈ কমলাসনয়ে নমঃ ।
এবার আসন পর্শ্ব করে :- ওঁ অস্য আসন উপবেসন মন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠ ঋষি সুতলুং ছন্দ কুর্ম্ম দেবতা অসন উপবেসনে বিনিয়োগ। ওঁ ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবী ত্বং বিষ্ণু না ধৃতা ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরুচাসনম । এবার গুরু পঙতি পাঠ :- হাত জোর করে বাঁ দিকে :- গুরুভ্য নমঃ, পরম গুরুভ্য নমঃ। পরাপর গুরুভ্য নম, পরমেষ্ঠী গুরুভ্য নম। ডান দিকে :- ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । সণ্মুখে :- ওঁ শ্রী শ্রী ভগবতী বিল্ব শাখা বসিনী দুর্গায়ৈ নমঃ। উর্দ্ধে :- ব্রহ্মণে নমঃ । পশ্চাতে :- ওঁ ক্ষেত্র পালায় নমঃ। 
১৬) পুষ্প শুদ্ধি :- নাচার মুদ্রায় (বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও মধ্যমা দিয়ে ) ফুল পর্শ্ব করে :- ওঁ পুষ্পকেতু রাজা হর্তে শতেয় সম্যক হুং। পুষ্পে পুষ্পে সুপুষ্পে মহাপুষ্পে পুষ্প চয়াবকীর্ণে চ হুং ফট স্বাহা ।
কর শুদ্ধি :একটি রক্ত পুষ্প বা লাল ফুল বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ এবং বাকি অঙ্গুলির অগ্র ভাগ দিয়ে "ওঁ হেঁসৌ" বলে ঈশান কোনে ছুঁড়ে দিতে হবে। 
১৭) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি : - কুশ ত্রিপত্র দিয়ে জল ছিটে দিয়ে নিজের চারিদিকে বহ্নি মণ্ডল কল্পনা করে নিতে হবে। এবার এই চারটি মন্ত্র পড়লে সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি হবে। (১) ওঁ মুলা শৃঙ্গারঠ চ্ছির সুষমন্না পথেন জীবং শিবং পরম শিব পদে যোযয়ামি স্বাহা ।(২) ওঁ যং সংকোচং শরীরং দহ দহ স্বাহা ।(৩) ওঁ রং লিঙ্গং শরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা । (৪) ওঁ পরম শিব পদে সুষমন্না পথেন মূলশৃঙ্গাঠ মূল্য সোল্লস প্রজ্বল প্রজ্বল জ্বল জ্বল স্বাহা ।
  আমার জ্ঞান সীমিত তবুও বলছি এই ন্যাস গুলো সব করতে হয় যেখানে ঘট বসানো হবে সেই মণ্ডলের উপর ঘটের এবং ডাবের উপর যে মানুষের মুর্তি আঁকতে হয় ঐ মূর্তি শুকনো সিন্দুর দিয়ে ঐ সর্বতো ভদ্র মণ্ডল বা অষ্ট দল পদ্ম অঙ্কিত মণ্ডলের উপর এঁকে সেখানে ন্যাসে উল্লেখিত  (ঐ মূর্তির) বিভিন্ন জায়গা পর্শ্ব করে ন্যাস করতে হয়, এতে ঐ স্থান টি পবিত্র হয় বা পীঠ স্থানে পরিণত হয়। অনেকেই আছেন কাজের সুবিধার জন্য গিয়েই কাদার তাল নিয়ে ঘট বসিয়ে দিয়ে পুজো শুরু করেন। আমার জানা জ্ঞান সীমিত সেখান থেকে এটি বললাম কোন পণ্ডিত যদি পড়েন তাহলে নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন। 
১৮) মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ অস্য মাতৃকা মন্ত্রস্য ব্রহ্ম ঋষি গায়ত্রী ছন্দ, মাতৃকা সরস্বতী হলো দেবতা বীজানি স্বর শক্তয়ে মাতৃকা ন্যাসে বিনিয়োগঃ ।
ওঁ ব্রহ্মণে ঋষয়ে নমঃ।(শির) ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নমঃ ( হৃদয়) ওঁ স্বরেভ্য শক্তেভ্য নমঃ ( মুখে) ওঁ হলেভ্য বীজেভ্য নমঃ ( মূলাধারে) ওঁ অবক্ত ক্লীকায় নমঃ(  সর্বাঙ্গে) 
দুর্গা পুজোয় এখানে একবার করন্যাস ও অঙ্গ ন্যাস করতে হবে। এই কর ন্যাস ও অঙ্গ ন্যাস সংক্ষেপে এভাবে বলা চলে। আং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নম, ঈং তর্জনীভ্যাং স্বাহা ইত্যাদি 

১৯) কর ন্যাস :- ওঁ অং কং খং গং ঘং ঙং আং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নমঃ । ওঁ ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং তর্জনীভ্যাং স্বাহা । ওঁ উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং মধ্যমাভ্যাং বষট ।ওঁ এং তং থং দং ধং নং ঐং অনামিকাভ্যাং হুং। ওং পং ফং বং ভং মং ঔং কনিষ্ঠাভ্যাং বৌষট । ওঁ অং যং রং লং বং শং সং হং ক্ষং অঃ করতল পৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট ।
২০) অঙ্গ ন্যাস :- ওঁ অং কং খং গং ঘং ঙং আং হৃদয়ায় নমঃ । ওঁ ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং শিরসে স্বাহা ।ওঁ উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং শিখায় বষট ।ওঁ এং তং থং দং ধং নং ঐং কবচায় হুং। ওঁ ওং পং ফং বং ভং মং ঔং নেত্রায় বৌষট । ওঁ অং যং রং লং বং ষং শং সং হং ক্ষং অঃ করতল পৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট । 
২১) অন্তর মাতৃকান্যাস :- ধ্যান :- ওঁ আঁধারে লিঙ্গ নাভৌ হৃদয়ে সরসিজে তালুমূলে ললাটে দৈপত্রে ষোঢ়শাঢ়ে দ্বিদশ দশদলে দ্বাদশার্থে চতুস্কে বালমধ্যে বাসান্তে ড-ফ ক-ঠ সহিতে কণ্ঠদেশে স্মরণাং হং - ক্ষং তথার্থ যুক্তং সকল দলগত বর্ণ রূপং নমামি। অং আং ইং ঈং উং ঊং এং ঐং ওং ঔং অং অঃ ইতি কণ্ঠে। কং খং গং ঘং চং ছং জং ঝং ঞং টং ঠং ইতি হৃদয়ে। ডং ঢং ণং তং থং দং ধং নং পং ফং ইতি নাভৌ বং ভং মং যং রং লং ইতি লিঙ্গমূলে বং ষং শং সং ইতি মূলাধারে হং ক্ষং ইতি ভ্রূ মধ্যে। 
২২) বাহ্য মাতৃকান্যাস :- ধ্যান :- ওঁ পঞ্চাশলি পির্ভিবি ভক্ত মোক্ষদা পন্নমধ্য বক্ষ স্থলাং ভাস্ব মৌলি চন্দ্র শ কলা মাপীন তুঙ্গে স্তানীম। মুদ্রা মোক্ষ গুনং সুধাঢ্য কলসং বিদ্যাঞ্চ হস্তা অম্বুজ বিবর্ণ ভাং বিশদ প্রভাং ত্রিনয়নাং বাগ দেবতা মাশ্রয়ে। অং নমঃ ( ললাটে) আং নমঃ (মুখবৃত্তে) ইং ঈং নমঃ ( চক্ষু) উং ঊং নমঃ ( কর্ণ) ঋং ঋং নমঃ ( নাসা) ৯ং ৯ং নমঃ ( গণ্ড ) এং নমঃ ( ওষ্ঠ) ঐং নমঃ ( অধর) ওং নমঃ ( ঊর্ধ্ব দন্ত পঙতি) ঔং নমঃ ( অধঃ দন্ত পঙতি) অং নমঃ ( মস্তক) অঃ নমঃ ( মুখে ) কং নমঃ ( দক্ষিণ বাহু মূলে) খং নমঃ ( কর্পূরে অর্থাৎ কনুই ) গং নমঃ ( মনি বন্ধে) ঘং নমঃ (অঙ্গুলি মূলে) ঙং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে) চং নমঃ ( বাম বাহু মূলে) ছং নমঃ ( কর্পূরে) জং নমঃ ( মনি বন্ধে) ঝং নমঃ ( অঙ্গুলি মূলে) ঞং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে) টং নমঃ (বাম পদ মূলে) ঠং নমঃ ( জানুনি) ডং নমঃ ( গুল্ফে অর্থাৎ গোড়ালি ) ঢং নমঃ ( অঙ্গুলি মূলে) ণং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে ) তং নমঃ ( ডান পদ মূলে) থং নমঃ ( জানুনি) দং নমঃ ( গুল্ফে) ধং নমঃ ( অঙ্গুলি মূলে) নং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে) পং নমঃ (দক্ষিণ পার্শ্বে) ফং নমঃ ( বাম পার্শ্বে) বং নমঃ (পৃষ্ঠ ) ভং নমঃ ( নাভৌ ) মং নমঃ ( উদর) যং নমঃ ( হৃদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) লং নমঃ ( কোকুদি অর্থাৎ বগল) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ বাহু) শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম বাহু) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পাদে ) হং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম পাদে) লং নমঃ ( হৃদয় দুযারে) ক্ষং নমঃ ( হৃদয় মুখে) 
২৩) সংহার মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ অক্ষস্র জং হরিণপোত মৃদঙ্গ টঙ্ক বিদ্যাং করৈর বিরতং দধতীং অর্দ্ধেন্দু মৌলি মরুণা রবীন্দ্রবাসনাং বর্ণেশ্বরীং প্রণমত স্তনভার নম্রাং ।
ক্ষং নমঃ ( হৃদয় মুখে) লং নমঃ ( হৃদয় দুযারে) হং নমঃ (হৃদয়াদি বাম পাদ) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পাদ) শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম বাহু) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ বাহু) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) লং নমঃ ( কোকুদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) যং নমঃ ( হৃদি) মং নমঃ ( উদর) ভং নমঃ ( নাভৌ) বং নমঃ ( পৃষ্ঠ ) ফং নমঃ ( বাম পার্শ্বে ) পং নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্বে ) নং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ধং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি মূলে ) দং নমঃ (বাম পদ গুল্ফে ) থং নমঃ ( বাম পদ জানুনি) তং নমঃ ( বাম পদ মূলে) ণং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ঢং নমঃ ( ছদক্ষিণ পদ অঙ্গুলি মূলে) ডং নমঃ ( দক্ষিণ পদ গুল্ফে অর্থাৎ গোড়ালি তে) ঠং নমঃ ( জানু) টং নমঃ ( দক্ষিণ পদ শুরু তে) ঞং নমঃ ( বাম হস্তের অঙ্গুলি অগ্রে) ঝং নমঃ ( বাম হস্তের অঙ্গুলি মূলে) জং নমঃ ( বাম হস্তের মনি বন্ধে) ছং নমঃ ( বাম হস্তের কনুই) চং নমঃ ( বামবাহু মূল ) ঙং নমঃ ( দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুলি অগ্রে) ঘং নমঃ ( দক্ষিণ হস্তের অঙ্গুলি মূলে) গং নমঃ ( দক্ষিণ হস্তের মনি বন্ধ) খং নমঃ ( দক্ষিণ হস্তের কর্পূরে) কং নমঃ ( দক্ষিণ বাহু মূলে) অঃ নমঃ ( মুখে) অং নমঃ ( মস্তকে) ঔং নমঃ ( অধঃ দন্ত পঙতি) ওং নমঃ ( ঊর্ধ্ব দন্ত পঙতি) ঐং নমঃ ( অধর) এং নমঃ ( ওষ্ঠ) ৯ং ৯ং নমঃ (গণ্ড) ঋং ঋং নমঃ ( নাসা) উং ঊং নমঃ ( কর্ণ) ইং ঈং নমঃ ( চক্ষু) আং নমঃ ( মুখ বৃত্ত) অং নমঃ ( লালাটে) 
২৪) প্রাণায়াম :- ওঁ হ্রীং এই বীজ মন্ত্র প্রাণায়াম করতে হবে। চৌঁষট্টি বার করতে হবে অশক্তের পক্ষে আট বার বার ষোল বার, করলেও চলে,। 
২৫) পীঠ ন্যাস :- এতখন যেখানে এই ন্যাস সেই অঙ্কিত সর্বতোভদ্র মণ্ডল বা অষ্টদল পদ্ম আঁকা স্থান যেখানে ঘট বসাতে হবে ঐ স্থানে এই পিঠ ন্যাস, করতে হবে। একটি রক্ত পুষ্প বা শিউলি ফুল নিয়ে ঐ মণ্ডলের উপর অঙ্কিত মূর্তির  বিভিন্ন অংশ পর্শ্ব করে মন্ত্র বলতে হবে। 
ওঁ আধার শক্তেয় নমঃ ।ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ ।ওঁ অনন্তায় নমঃ ।ওঁ পৃথিবৈ নমঃ । ওঁ ক্ষীরসমুদ্রায় নমঃ ।ওঁ শ্বেতদ্বীপায় নমঃ। ওঁ কল্প বৃক্ষায় নমঃ ।ওঁ মনি মণ্ডপায় নমঃ । ওঁ মনিবেদিকায় নমঃ ।ওঁ রত্ন সিংহসনায় নমঃ। ( দক্ষিণ স্কন্ধে) ওঁ ধর্মায় নমঃ । (বাম স্কন্ধে) ওঁ জ্ঞানায় নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্বে) ওঁ বৈরাগ্যায় নমঃ ( বাম পার্শ্বে) ওঁ ঐশ্বর্যায় নমঃ (দক্ষিণ উরুমূলে) ওঁ অধর্মায় নমঃ ( বাম উরু মূলে) ওঁ অজ্ঞানায় নমঃ (দক্ষিণ বাহু মূলে) ।ওঁ অবৈরাগ্যায় নমঃ ( বাম বাহু মূলে) ওঁ অনা ঐশ্বর্যায় নমঃ ( নাভৌ) ওঁ অনন্তায় নমঃ, ওঁ পদ্মায় নমঃ, ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নমঃ, ওঁ ঊং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নমঃ । ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নমঃ।  সং সত্ত্বায় নমঃ, রং রজসে নমঃ, তং তমসে নমঃ, আং আত্মেন নমঃ। অং অন্তর আত্মেন নমঃ। পং পরম আত্মনে নমঃ। হ্রীং জ্ঞান আত্মনে নমঃ। (হৃৎ পদ্মে ) আং প্রভায়ৈ নমঃ ।ঈং মায়ায়ৈ নমঃ। উং জয়ায়ৈ নমঃ । এং সুক্ষ্মায়ৈ নমঃ।ঐং বিশুদ্ধায়ৈ নমঃ । ওঁ নন্দিনৈ নমঃ ।ঔং সুপ্রভায়ৈ নমঃ ।অং বিজায়ৈ নমঃ । অঃ সর্ব সিদ্ধিদায়ৈ নমঃ । (মধ্যে) ওঁ বজ্র দ্রংষ্টাধুয়ায় মহা সিংহায় হুং ফট নমঃ । (তদুপরি) 
২৬) কর ন্যাস :- ওঁ হ্রাং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নমঃ । ওঁ হ্রীং তর্জনি ভ্যাং স্বাহা । ওঁ হ্রূং মধ্যমা ভ্যাং বষট । ওঁ হ্রৈং অনামিকা ভ্যাং হুং। ওঁ হ্রৌং কনিষ্ঠা ভ্যাং বৌষট । ওঁ হ্রঃ করতল পৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট । 
২৭) অঙ্গ ন্যাস :- ওঁ হ্রাং হৃদয়ায় নমঃ । ওঁ হ্রীং শিরসে স্বাহা । ওঁ হ্রূং শিখায় বষট । ওঁ হ্রৈং কবচায় হুং । ওঁ হ্রৌং নেত্রায় বৌষট । ওঁ হ্রঃ করতল পৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট ।
২৮) ব্যাপক ন্যাস :- আগে নিজ বক্ষের কাছে দুই হাত জোর করে এবার দুই বাহু প্রসারিত করতে করতে ওঁ হ্রীং মন্ত্র সব থেকে কম তিন বার করতে হবে। 
২৯) ঋষ্যাদি ন্যাস :- ওঁ শ্রী শ্রী ভগবতী দুর্গা মন্ত্রস্য নারদঋষি গায়ত্রী ছন্দ, কালিকা পূরান অন্তর্ভুক্ত বার্ষিক শরৎ কালীন দুর্গা মহাপুজা পুজক কর্ম করিষ্যামি । ওঁ নারদা ঋষয়ে নমঃ । ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নমঃ ।ওঁ শ্রী শ্রী ভগবতী দুর্গা দেবৈ নমঃ ।
৩০) ধ্যান : - ওঁ জটাজুটো সমাযুক্ত মর্দেন্দুকৃত শেখরাম ।লোচন ত্রয় সংযুক্তাং পূর্ণেন্দু সদৃশ ননাম। অতসী পুষ্প বর্ণাভ্যাং সুপ্রতিষ্ঠাং সুলোচনাম । নব যৌবন সম্পান্নাং সর্ব আভরণ ভুষিতাম । সুচারু দশনাং তদ্বদ পৃন্নোত পয়ধরম। মৃনালত্রয় সংস্পর্শ দশ বাহু সমন্বিতাম। ত্রিশূল দক্ষিণে পানৌ খড়্গং চক্রং ক্রমাদ্বধ। খেটক, পূর্ণ চাপঞ্চ পাশাঙ্কুশ মেব চ । ঘন্টাং বা পরশু বাপি বামেত সন্নিবেশয়েত। অধঃস্তাম্মহিষং তদ্বোদ্বিব শিরস্কং  প্রদর্শয়েৎ । শিরচ্ছেদভবং তদ্বদ্দানবং খড়্গ পানিনীম । হৃদি শূলেন নির্ভিন্নং নির্যদন্ত বিভুষিতম ।রক্তারক্তি কৃতজ্ঞশ্চ রক্ত বিস্ফোরিত ক্ষণম। বেষ্ঠিত নাগপাশনম ভ্রুকুটি ভীষাননম। স্ব পাশ বাম হস্তেন ধৃত কেশঞ্চ দুর্গায়া। ব্রম রুধির ব্রক্তং চ দেব্যা সিংহ প্রদর্শয়েৎ। দেবাস্তু দক্ষিণ পাদং সমং সিংহ উপরিস্থিতম। কিঞ্চি দুদ্দর্ধং বামাঙ্গুষ্ঠ মহিষপরি । শত্রু ক্ষয়করনীং দেবি দৈত্য দানব দর্পাহাম। প্রসন্ন বদং দেবী সর্বকাম ফল প্রদাম। স্তুয়মানঞ্চ তদরূপ মমরৈ সন্নিবেশয়েত ।  উগ্রচণ্ডা প্রচণ্ডা চ চণ্ডাগ্রা চণ্ডনায়িকা ।চণ্ডা চণ্ডারূপাতি চণ্ডিকা ।আভি শক্তি ভীরিষ্ঠা ভি সতত পরিবেষ্ঠয়েৎ ।চিন্তেয় জগতং ধাত্রীং ধর্ম কামার্থ মোক্ষদাম ।
৩১) মানস পুজা :- মনে মনে নিজেকে গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য রূপে মায়ের চরণে নিবেদন করা। 
৩২) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন :- ( মাটিতে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে তার উপর ত্রিপাদিকা বসিয়ে পুজো করতে হবে।) মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথ্বীবৈ নমঃ । ( এবার জল শঙ্খ ঐ ত্রিপাদিকার উপর রেখে বিলোম মাতৃকান্যাস করতে হবে।) ক্ষং, হং, লং, সং, শং, ষং,বং লং, রং যং মং ভং বং ফং পং নং ধং দং থং তং ণং ঢং ডং ঠং টং ঞং ঝং জং ছং চং ঙং  ঘং গং খং কং অং অঃ ঔং ওং ঐং এং ৯ং ৯ং ঋং ঋং ঊং উং ঈং ইং আং অং। ( জল পূর্ণ করে জলে অঙ্কুশ মুদ্রায় মন্ত্র পাঠ করে দেবেন।) মন্ত্র :- ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব্য গোদাবরি নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিন্ধিং কুরু । ( এবার জল শঙ্খের উপর অর্ঘ্য রেখে, ফুল দিয়ে পুজো করতে হবে এবং শেষ ঐ জলের একটু কোশা কুশি তে নিতে হবে।) মন্ত্র :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নমঃ। 
৩৩) বেদী শোধন :- ওঁ বেদ্যা বেদী সমপ্যতে যুপেন যুপ আপ্যায়তং প্রনেতর্হগ্নিনা না। 
৩৪) বিতান শোধন :- ঊর্ধ্ব ন উতয়ে দেবতা সবিতা, সঙ্গত বাজস্য। 
৩৫) পীঠ পুজা :- ( ঘট বসানোর স্থান টিকে পুজো করতে হবে। অর্থাৎ দেবীর সামনে অষ্ট দল পদ্ম আঁকা স্থানে) মন্ত্র :- বং এতেস্মৈ মণ্ডলায় নমঃ । আহ্বান :- ওঁ পীঠ দেবতা গন ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথ্বীবৈ নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ক্ষীরা সমুদ্রায় নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্বেতদীপায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কল্প বৃক্ষায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনিবেদিকায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনি মণ্ডপায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রত্ন সিংহাসনায় নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ধর্ম্মায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ জ্ঞানায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বৈরাগ্যায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঐশ্বর্যায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অধর্মায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অজ্ঞানায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অবৈরাগ্যায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনাশ্বৈর্যায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পদ্মায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ সং সত্ত্বায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রং রজসে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ তং তমসে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আং আত্মনে নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অন্তর আত্মেন নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পং পরম আত্মেন নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মেন নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঈং মায়ায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আং প্রভায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং জয়ায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ এং সুক্ষ্মায়ৈ নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঐং বিশুদ্ধায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ওং নন্দিনৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঔং সুপ্রভায়ৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং বিজয়ায়ৈ নমঃ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অঃ সর্ব্ব সিদ্ধিদায়ৈ নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বজ্র নখাদ্রষ্টায়ুধায় মহাসিংহায় হুং ফট নমঃ ।
৩৬) ঘট স্থাপন :- কাদা মাটির তাল নিয়ে, মন্ত্র :- ওঁ মহীত্রান বরস্তু দুক্ষং মিত্র সার্যমন। দূরা ধর্ষ বরুণস্য। ধান বা পঞ্চ শষ্য ছড়িয়ে দিতে দিতে মন্ত্র :- ওঁ ধানবন্ত করমনিভ মপূ পবনত মূকথিনম ।ইন্দ্র প্রাতুতযস্য ন। কলস বা ঘট নিয়ে কাদার তালের মধ্যে বসাতে বসাতে, মন্ত্র :- ওঁ আবিসন কলসং সুত বিশ্ব অর্ষন ধীয়তে । ইন্দুরিন্দ্রিয়ায় ধীয়তে । জল দিতে দিতে মন্ত্র :- ওঁ আ ন মিত্র বরুণা ঘৃতৈগব্যুতি মুক্ষত, মধ্যবা রজংসি সক্রতু। পঞ্চ পল্লব দেওয়ার মন্ত্র :- ওঁ অয়া মুর্জাবত বৃক্ষং উর্জীব ফলানি ভব পণং বনস্পতে নূত্ত্বা নূত্ত্বা চ সুয়তাং রয়ি । ডাব বা ফল দিয়ে মন্ত্র :- ওঁ ইন্দ্র নরনেমেধিতা হব্যং যৎপর্যা যুনজতে ধীয়স্তে শূর নৃশংসতা শ্রবচা কাম আ গোমতি ব্রজে ভজা ত্বং । সিন্দুর স্পর্শ করে :- ওঁ পতন্মুক্ষং হিরণ্যপাব পশমপশু গৃভনতে । বস্ত্র বা গামছা দিয়ে বা স্পর্শ করে :- ওঁ যুবা সুবাসা পরিবিত আগতা স উ শেয়ান ভাবতি জায়মান তবয় কবয়া উন্নয়তি সাধ্যে মনসা দেবয়ন্ত । ফুল দিয়ে :- পবন মান বশ্নুরশ্মি ভির্ভজসাতম দধস্তোত্রে সুবীর্যম ।  স্থির করণ :- স্থাং স্থিং স্থির ভব, প্রণেতস্মসি স্থার্ত হরীনাম। স্থাং স্থিং স্থির ভব । সর্ব তীর্থোদ্ভবং বারি সর্ব দেব সমন্বিতে ইমং ঘট সম্যারূহ্য তিষ্ঠ দেবি গনৈ সহ।
কাণ্ড রোপন :- ওঁ কাণ্ডাৎ কাণ্ডাৎ প্রহরোন্তি পুরুষ পুরুষোপরি ।এবেন দূর্বেন প্রতেনু সহস্রেন শতেন চ ।
সূত্র বেষ্ঠন :- ওঁ সুত্রাং পৃথিবীং দ্যামনেহসং সুশর্মান সুপ্রনীতীং ।সরিত্রামনাগম মা রুহেমা সস্ত্রয়ে ।
বেদি শোধন :- ( পঞ্চ গব্য ছিটিয়ে) বেদ্যা বেদী সমপ্যতে যুপেন যুপ আপ্যায়তং প্রনেতর্হগ্নিনা ।
বিতান I'll :উপরে যে চাঁদোয়া থাকে সেটা কে শোধন করা। ঊর্দ্ধ ঊ ষু ণ উতয়ে তিষ্ঠা দেবো ন সবিতা। ঊর্দ্ধ বাজস্য সবিতা যথাঞ্জভির্বাঘদ্ভিহ্বমহে। 
ধ্যান করে আহ্বান করতে হবে। এই ধ্যান হবে বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গার।
ধ্যান :- ওঁ চতুর্ভুজং বিল্ব বৃক্ষং রজতাভং বৃষস্থিতম । নানালঙ্কার সংযুক্তাং জটা মণ্ডল ধারিনীম। বরাভয় করং দেবং খড়্গ খটাঙ্গ ধারিনীম। ব্যাঘ্র চর্ম্বারধরং শশী মৌলি ত্রিলোচনাম। এর পর আহ্বান করতে হবে ।
আহ্বান :- ওঁ ভূর্বস্ব ভগবতী বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গা দেবৈ ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত । ওঁ দেবেশি ভক্তি সুলভে পরিবার সমন্বিতে যাবৎ পূজিয়াস্মি তাবৎ সুস্থিরাভব ।
( যেহেতু বিল্ব শাখায় পুজা সে কারণেই চক্ষুদান হবে না, তবে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনেকে ঘটে করে দেন। এখানে প্রাণ প্রতিষ্ঠাও হবে না।) এবার পঞ্চ দেবতার পূজা করতে হবে। 
গনেশ পুজো :- ওঁ খর্ব্বং স্থুল তনুং গজেন্দ্র বদং লম্বোদরং ।প্রসন্দম মদ গন্ধ লুব্ধ মধূপ ব্যালল গণ্ডোস্থলম। দন্তা ঘাত বিদারি তারি রুধরৈ সিন্দুর শোভাকরম। বন্দে শৈল্য সূতা সুতং গনপতিং সিদ্ধি প্রদং কামদম ।
আহ্বান :- ওঁ ভুর্বস্ব স্বর্ণ গনপতে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
পুজো :- ( পঞ্চ উপাচার) গন্ধ :- ( চন্দন, অগরু, এর মধ্যে একটি) সংক্ষেপে এই মন্ত্রে :- এষো গন্ধ ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । পুষ্প :- এতৎ পুষ্পম ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । ধূপ :- এষো ধূপ ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । দীপ :- এষো দীপ ওঁ গাং গনেশায় নমঃ । নৈবিদ্য :- এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ গাং গনেশায় নমঃ ।
প্রণাম :- ওঁ এক দন্তং লম্বোদরং গজাননম। বিঘ্ন নাশ করং দেবং হেরম্বং প্রণমমহম । অথবা :- ওঁ দেবেন্দ্র মৌলি মন্দার মকারন্দ কণারূণা। বিঘ্ন হরন্তু দেব হেরম্বং চরণাম্বুজ রেণব ।
সূর্য পুজা :- ধ্যান ( প্রতিটি ধ্যান কুর্ম্ম মুদ্রায় করতে হবে।) ওঁ রক্তাম্বুজা শনম শেষ গুনারকৈ সিন্ধু ভানুং। সমস্তা জগৎ মধিপ ভজামি পদ্ম দয় ভয় বরাণ দধাতং ।করাব্জৈ মাণিক্য মৌলি মরুরাঙ্গ রুচিম ত্রিনেত্রাম।
আহ্বান :- ওঁ শ্রী সূর্যায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
এষো গন্ধ ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ । এতৎ পুষ্প ওঁ শ্রী সূর্যায় নমঃ । এতৎ ধূপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম । এষো দীপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম । এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ শ্রী সূর্যায় নম । 
প্রণাম :- ওঁ জবা কুসুমং সঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম, ধন্বতারিং সর্ব পাপঘ্নম। প্রণতস্মিস্থাতর দিবাকরম ।
বিষ্ণু পুজা :- ওঁ ধ্যায়ো সদা সবিত্র মণ্ডল মধ্যবর্তী নারায়ণ সরসিজাসন সন্নিবেসষ্ঠিত। কেয়ূরবান কণক কুণ্ডলবান কিরীটি হারি হিরণ্ময় বপু ধৃত শঙ্খ চক্র। 
আহ্বান :- ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো ।
এষো গন্ধ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এতৎ পুষ্প ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এষো ধূপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এষো দীপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম ।
প্রণাম :- ওঁ নমহ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রহ্মণ হিতায়চ জগতধৃতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দয় নম নমহ ।
শিব পুজা :- ওঁ ধ্যায়ে নিত্যং মহেশং রজতগিরি নিভং চারু চন্দ্র বতং সং রত্ন কল্পো উজ্জ্বলাঙ্গ পরুশু মৃগ বরা ভীতি হস্তম প্রসন্নম ।পদ্মাসীং সমস্তাৎ স্তুতম মরগৈনক ব্যাঘ্র কৃত্তি বসনাং বিশ্ব দ্যাং বিশ্ব বীজং নিখিল ভয় হরং পঞ্চ ব্রক্তং ত্রিনেত্রাম ।
আহ্বান :- ওঁ নম শিবায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
এষো গন্ধ ওঁ নম শিবায় নম । এতৎ পুষ্প ওঁ নম শিবায় নম । এষো ধূপ ওঁ নম শিবায় নম । এষো দীপ ওঁ নম শিবায় নম ।এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ নম শিবায় নম ।
প্রণাম :- ওঁ নম শিবায় শান্তায় কারণ ত্রয় হেতবে। নিবেদয়ামি চাত্মামাং ত্বং গতি পরমেশ্বর ।
জয় দুর্গা পুজো :- ওঁ কালার্ভাভ্যাং কটারক্ষৈরি কুলোভয়দ্যাং মৌলি বধেন্দুরেখাং ।শঙ্খ চক্র কৃপাণ ত্রিশিখ মপি করৈরূধ্ব হন্তীং ত্রিনেত্রাম । সিংহ স্কন্ধাধিরূরাং ত্রিভুবন মখিলাং তেজস পূরোয়ন্তিং ।ধ্যয়ে দুর্গাং জয়াখ্যাং ত্রিদশ পরিবৃতাং, সেবিতাং সিদ্ধি কামৈ। 
আহ্বান :- ওঁ হ্রীং জয় দুর্গায়ৈ ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
এষো গন্ধ ওঁ হ্রীং জয় দুর্গায়ৈ নম । এতৎ পুষ্প ওঁ হ্রীং ওঁ জয় দুর্গায়ৈ নম । এষো ধূপ ওঁ হ্রীং জয় দুর্গায়ৈ নম ।এষো দীপ ওঁ হ্রীং জয় দুর্গায়ৈ নম । এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ হ্রীং জয় দুর্গায়ৈ নম ।
প্রণাম :- ওঁ সর্ব মঙ্গল মঙ্গলে শিবে সর্বাত সাধিকে। স্মরণে ত্রম্ব্যকে গৌরি নারায়ণী নমহস্তুতে ।
এবার ধ্যান করে প্রধান পুজা :- কুর্ম্ম মুদ্রায় ফুল নিয়ে বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গার ধ্যান :- ওঁ চতুর্ভুজং বিল্ব বৃক্ষং রজতাভং বৃষস্থিতম । নানালঙ্কারসংযুক্তাং জটা মণ্ডল ধারিনীম। বরাভয় করং দেবং খড়্গ খটাঙ্গ ধারীণিম । ব্যাঘ্র চর্মাম্বরধরং শশী মৌলি ত্রিলোচনম। 
এবার পঞ্চ বা দশম উপাচারে বা ষোঢ়শ উপাচারে পুজা করতে হবে ।
পঞ্চ উপাচারে ১) গন্ধ ২) পুষ্প ৩) ধূপ ৪) দীপ ৫) নৈবেদ্য, দশম উপাচার ১) রজতাসন ২) পাদ্য ৩) অর্ঘ্য ৪) স্নানীয় ৫) বস্ত্র ৬) গন্ধ ৭) পুষ্প ৮) ধূপ ৯) দীপ ১০) নৈবেদ্য ।
ষোল উপাচার ১) রজতাসন ২) স্বাগত ৩) পাদ্য ৪) অর্ঘ্য ৫) মধুপর্ক ৬) আচমনীয় ৭) পুন আচমনীয় ৮) স্নানীয় ৯) বস্ত্র ১০) অলঙ্কার ( শাঁখা, নোয়া, কড়) ১১) গন্ধ ১২) পুষ্প ১৩) ধূপ ১৪) দীপ ১৫) নৈবেদ্য ১৬) পুষ্প মাল্য বা তাম্বুল ( পান সুপারি) এখানে এগুলো আগে সম্প্রদান করে নিতে হবে। মন্ত্র :- বং এতেস্মৈ রজতাসনায় নম। ( তিন বার কুশ ত্রিপত্র দিয়ে জলের ছিটা) একটি ফুল আসনের উপর দিয়ে, এত অধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ বিল্ব শাখা বাসিনি দুর্গায়ৈ নম। এতৎ রজতাসনায় ওঁ বিল্ব শাখা বাসিনী দুর্গায়ৈ নম। এই ভাবে প্রতিটি জিনিস বা দ্রব্য নিবেদন করতে হবে। 

এখানে একটি কথা বলি এর পর অধিবাস করতে হবে। যদি কেউ পঞ্চমিতে কল্পরাম্ভ করেন তিনি ষষ্ঠীর সকালে দুর্গা ষষ্ঠীর পুজো করে সন্ধ্যায় অধিবাস করবেন। সব এক কেবল স্বত্তি বাচনে বলতে হবে অধিবাস কর্মানি, আর সংকল্প তে বলতে হবে অধিবাস কর্মানি করিষ্যামি ।
আর যিনি ষষ্ঠীর দিন অধিবাস করবেন তিনি সংক্ষেপে করতে পারেন। অনেন প্রসস্তি পাত্রেন অস্য হ্রীং দুর্গায়ৈ নম ।কারণ ষষ্ঠীর দিন সন্ধ্যায় পুজার শেষে দুর্গা প্রতিমা সহ বাকি দেব দেবীর হাতে মঙ্গল সূত্র বেঁধে আসবেন। অনেন মঙ্গল সূত্রং এই মন্ত্রে সংক্ষেপে করবেন। বরণডালার প্রতিটি দ্রব্যের আলাদা মন্ত্র আছে সে গুলো বলে অধিবাস করতে অনেক সময় লাগবে। ঐ দিন সন্ধ্যায় নব পত্রিকা বেঁধে রেখে আসুন কেবল জোরা বেল টি বাঁধবেন না ওটা পরের দিন সকালে বেঁধে দিন। পারলে দুর্গা প্রতিমা এবং গনেশের সামনে ঘটে বসানোর জায়গায় পঞ্চ গুঁড়ি দিয়ে অষ্টদল পদ্মাসন এঁকে রেখে আসুন।পরিষ্কার কিছু চাপা দিয়ে রেখে আসবেন। আরতি করে ষষ্ঠির পুজো বা বিল্ব বৃক্ষের পুজো শেষ করুন। আরতি যেভাবে করতে হয়। প্রথম পঞ্চ প্রদীপ, ঘটের চার পাশে অর্থাৎ দেবির পা কল্পনা করে ওখানে চার বার মুখ মণ্ডলে চার বার আর সমগ্র অর্থাৎ মুখ মণ্ডল থেকে পা পর্যন্ত তিন বার মোট এগারো বার ঘোরাতে হবে। এর পর কর্পূর দানি একই ভাবে এগারো বার। এবার বিশেষ অর্ঘ্যের শঙ্খ জল একই ভাবে ঘোরাতে হবে। কারণ দুই অগ্নি দিয়ে আরতি করেছেন জায়গাটি উত্তপ্ত হয়ে গেছে সে কারণেই শঙ্খ জল দিতে হবে। এবং এর পর নতুন গামছা দিয়ে মোছাতে হবে একই ভাবে। এর পর ধূপ নিয়ে একই ভাবে এগারো বার ঘোরাতে হবে। এবার দর্পণ একই ভাবে এগারো বার ঘোরাতে হবে। এর পর চামর একই ভাবে এগারো বার ঘোরাতে হবে। যদি চামর না পান তাহলে ফুল নিয়ে করবেন। দেখুন মোট সাত টি জিনিস দিয়ে আরতি করতে হবে কেউ কেউ নয় টি বা এগারো টি নিয়ে আরতি করে থাকেন। আরতি দ্রব্য পর পর নাম গুলো সাতটি ১) পঞ্চ প্রদীপ ২) কর্পূর দানি । ৩) বিশেষ অর্ঘ্যের শঙ্খ জল ৪) গামছা ৫) ধূপ ৬) দর্পণ ৭) চামর বা ফুল। কেউ কেউ উল্টো করে থাকেন, নয় টি হল ১) পঞ্চ প্রদীপ ২) কর্পূর দানি ৩) শঙ্খ জল ৪) গামছা ৫) ধূপ ৬) ফুল ৭) শ্রী ৮) দর্পণ ৯) চামর ।
এগারো টি দর্পণের আগে, বরণ ডালা, আর পাখা তার পর চামর নিয়ে করবেন। তবে একটা বিষয় প্রতি টি দ্রব্য এগারো বার নিয়ম অনুযায়ী ঘোরাতে যদি ৫ মিনিট করে সময় লাগে তাহলে কতক্ষণ হয় তাহলে ভেবে দেখুন কতক্ষণ সময় লাগবে। ষষ্ঠীর পুজো শেষ এই ব্লগে সপ্তমী পুজার নিয়ম ও মন্ত্র দেওয়া হয়েছে। 
সপ্তমীর পুজোর নিয়ম ও মন্ত্র লেখা আছে। সপ্তমীর পুজো বলে সার্চ করতে হবে। 


 

Saturday, 16 February 2019

সরস্বতী পুজার নিয়ম ও মন্ত্র।

সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) সংকল্প সুক্ত ৯) পঞ্চ গব্য শোধন।১০) অধিবাস ক) মন্ত্রে খ) বরণ ডালা নিয়ে। ১১) সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন। ১২) দ্বার পূজা ১৩) বিঘ্ন অপসারণ।১৪) মাস ভক্ত বলি। ১৫) আসন শুদ্ধি।
১৬) পুষ্প শুদ্ধি । ১৭) প্রাণায়াম। ১৮) সংক্ষেপে ভূত শুদ্ধি। ১৯) কর শুদ্ধি। ২০) মাতৃকা ন্যাস।২১) অন্তর মাতৃকা ন্যাস। ২২) বাহ্য মাতৃকা ন্যাস। ২৩) সংহার মাতৃকা ন্যাস।২৪) পীঠ ন্যাস। ২৫) কর ন্যাস ২৬) অঙ্গ ন্যাস। ২৭) ব্যাপকন্যাস।২৮) ঋষ্যাদি ন্যাস।২৯) ধ্যান ৩০) কেবল ফুল দিয়ে কয়েকটি পূজা। ৩১) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন। ৩২) পীঠ পূজা।৩৩) ঘট স্থাপন ৩৪) বেদী শোধন। ৩৫) বিতান শোধন।৩৬) কাণ্ড রোপন ৩৭)সূত্র বেষ্টন।  ৩৮) আহ্বান  ৩৯) চক্ষুদান ৪০) প্রাণ প্রতিষ্ঠা । ৪১) পঞ্চ দেবতার পূজা ।
(আহ্বানের সময় ধ্যান করে নিতে হবে। মূর্তিতে পূজা হলে প্রাণ প্রতিষ্ঠা ও চক্ষু দান হবে।) ৪২)ধ্যান করে প্রধান পূজা। ৪৩) লক্ষ্মী পূজা। ৪৪)বাহন পূজা ৪৫)পুস্তক পূজা। ৪৬)দোয়াত পূজা ৪৭) পুরোহিতের পুষ্পাঞ্জলী ৪৮) সাধারণ মানুষের পুষ্পাঞ্জলী। ৪৯) প্রণাম।৫০) সাধারণ হোম ৫১) শান্তি জল এক
( প্রথম দিন পূজা কর্ম শেষ) সন্ধ্যা বেলায় ১) আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) স্বত্ত্বি বাচন। ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫)পঞ্চ দেবতার পূজা।৬) ধ্যান করে ভোগ নিবেদন। ৭) আরতি একটা কথা মনে রাখবেন সকালে পুজার সময় আরতি করতে নেই। কেবল পঞ্চ প্রদীপ জ্বেলে উৎসর্গ করে দেবীর দক্ষিণ দিক থেকে বাম দিকে নিয়ে বসিয়ে দিতে হবে। 
পরের দিন অর্থাৎ বিসর্জনের দিন ১)বিষ্ণু স্মরণ ২)স্বত্ত্বি বাচন ৩) স্বত্ত্বি সূক্ত ৪) সাক্ষ্য মন্ত্র ৫) সংকল্প ৬) সংকল্প সুক্ত ৭) মন্ত্রে অধিবাস ৮) সামান্য অর্ঘ্য ৯) দ্বার পূজা ১০) বিঘ্ন অপসারণ ১১) মাস ভক্ত বলি।১২) আসন শুদ্ধি ১৩) পুষ্প শুদ্ধি ১৪) প্রাণায়াম ১৫)সংক্ষেপে ভূত শুদ্ধি। ১৬)কর শুদ্ধি ১৭) মাতৃকা ন্যাস।১৮) কর ন্যাস ১৯) অঙ্গ ন্যাস ২০)ঋষ্যাদি ন্যাস ২১) ধ্যান ও মানস পুজা। ২২) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন। ২৩) পঞ্চ দেবতার পূজা। ২৪) ধ্যান করে প্রধান পূজা। ২৫) নির্মাল্য গ্রহন করে তাতে পূজা। ২৬)বিসর্জনের মন্ত্র।২৭) শান্তি মন্ত্র ও শান্তি জল দেওয়া।
এবার মন্ত্র ১) আচমন =ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু
২) বিষ্ণু স্মরণ =ওঁ তদ্বো বিষ্ণু পরম পদং সদা পশ্যন্তু সুরয় দ্বিবীব চক্ষুরাততম।( কান বাহু কণ্ঠ হৃদয় নাভি পর্শ্ব করতে হবে।) এবার হাত জোর করে =ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা সর্বাবস্থাং গতহোপিবা যৎস্মরেৎ পুণ্ডরিকাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যান্তর সূচী।
সর্ব মঙ্গল্য মঙ্গলং বরেদং বরেণ্যম শুভম। 
নারায়ণ নমস্কৃত্যং সর্ব কর্ম কারয়েৎ। 
শঙ্খ চক্র ধরং দ্বি-ভুজং বিষ্ণু পীত বসনম। 
প্রারম্ভে সর্ব কর্মেনং বিপ্র পুণ্ডরীকাক্ষ স্মরেদ্ধরিম। 
 মাধব মাধব বাচী, মাধব মাধব হৃদি স্মরণ তি সাধব। সর্বকার্যেসু মাধবম ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু।
স্বত্ত্বি বাচনের আগে, গনেশ বিষ্ণু গুরু শিব দুর্গা কে ফুল দিয়ে পূজা করে নিতে হবে। যেমন- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ শ্রী বিষ্ণবে নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ শ্রী গুরবে নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ নম শিবায় নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম।
এবার স্বত্ত্বি বাচন ।
৩)স্বত্ত্বি বাচন =ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন গাং গনপতাদি নানা দেবতা পূজা পূর্বক অদ্য মাঘ মাসে শুক্ল পক্ষে লেখনী মস্যাধার সহিত সরস্বতী পুজো কর্মানি। ওঁ পূর্ণাহম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু। ওঁ পূর্ণাহম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু ।
পূর্ণাহম ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ পূর্ণাহম ওঁ পূর্ণাহম ওঁ পূর্ণাহম।
ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন গাং গনপতাদি নানা দেবতা পূজা পূর্বক অদ্য মাঘ মাসে শুক্ল পক্ষে লেখনী মস্যাধার সহিত সরস্বতী পূজা কর্মানি। ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু। ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু। ওঁ স্বত্ত্বি ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ।ওঁ কর্ত্তব্যহোস্মিন গাং গনপতাদি নানা দেবতা পূজা পূর্বক অদ্য মাঘ মাসে শুক্ল পক্ষে লেখনী মস্যাধার সহিত সরস্বতী পূজা কর্মানি। ওঁ ঋদ্ধিং ভব্রন্তু ব্রুবন্তু ।ওঁ ঋদ্ধিং ভব্রন্তু ব্রুবন্তু ।ওঁ ঋদ্ধিং ভব্রন্তু ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ।ওঁ ঋদ্ধতাম । ওঁ ঋদ্ধতাম ।( আপত চাল ছড়াতে ছড়াতে।)
৪) স্বত্ত্বি সূক্ত =ওঁ সোমং রাজাং আদিত্য বিষ্ণু সূর্যং ব্রহ্মাঞ্চ বৃহস্পতিম । স্বত্তি ন ইন্দ্র বৃদ্ধ শ্রবা, স্বত্তি ন পুষ্যা বিশ্ববেদা, স্বত্তি নর্ত্রক্ষো অরিষ্ঠনমি, স্বত্তি ন বৃহস্পতির দধাতু। ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ স্বত্ত্বি ওঁ  স্বত্ত্বি।
৫) সাক্ষ্য মন্ত্র = ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভূতানহক্ষপা পবন দিকপতি ভূমিরাকশং খচরামরা ।ব্রাহ্মণ শাসনমাস্তায় কল্পধিহম।
৬) বরণ বা বলকলমা :- যদি গৃহে পূজা হয় তবে গৃহ কর্তা পুরোহিত বরণ করে নেবেন। কেউ এটা করেন আবার অনেকে এটা করেন না।এটা কে বকলমাও বলা চলে। মন্ত্র :- পুরোহিত পুর্ব মুখে বসবেন, যজমান দক্ষিণ দিকে বসে দক্ষিণ জানু স্পর্শ করে বলবেন :- সাধুভবানাস্তাম। পুরোহিত :- সাধ্যমাসে এবার একটা থালায় বস্ত্র, আসন অঙ্গুরি, ফুল ইত্যাদি নিয়ে যজমান বলবেন :- এতানি বস্ত্র আসন অঙ্গুরিও পুজক ব্রাহ্মণে নমঃ। ব্রাহ্মণ বলবেন :- ওঁ স্বত্ত্বি। 
৭) সংকল্প =ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য অদ্য মাঘ মাসে শুক্ল পক্ষে মকর রাশিস্থে পঞ্চম্যাং তিথৌ অমুক গোত্র অমুক দেবশর্ম্ম   চতুরবর্গ সিদ্ধি কামনার্থ মৎসংকল্পকিত অমুক ( যজমানের গত্র,) অমুক (যজমানের নাম ব্রাহ্মণ ছাড়া অন্য হলে নাম পদবী বলে দাসস্য/ দাসীস্য বলতে হবে।) নাম্নে লেখনী মস্যাধার সহিত সরস্বতী পূজা কর্মানি করিষ্য/করিষ্যামি ।( অপরের হলে "করিষ্যামি" বলবেন।আর নিজের হলে "মৎ সংকল্পকিত থেকে অমুক গোত্র অমুক নাম্নে" বাদ দিয়ে, "করিষ্যে" বলতে হব।)
৮)সংকল্প সুক্ত =(আপনি আপনার বেদ অনুযায়ী বলবেন  অনেকেই যযুরবেদের মন্ত্র বলে। বেদ কোনো কিছু বলে না। কারণ বেদ মানুষ কে তৈরি করেনি, মানুষ বেদ তৈরি করেছে।) যযুরবেদের মন্ত্র - ওঁ জযাগ্রত   দূরামূদৈতি তথৈবেতি দৈবং দুরাগম জ্যোতিষরেকংতণ্মে নম শিবায় সংকল্পায় রস্তু।সংকল্পতির্থাস সিদ্ধি রস্তুু। অয়ম  শুভারম্ভ ভবতু। সাম বেদীয়= ওঁ দেব বো দ্রবিনোদা পূর্ণাংবিবষ্টাসিচম।  ঊধ্বা সিঞ্চধ্ব মূপ  বা  পৃণধ্ব্  মাদিদ্বো  দেব ওহতে।ওঁ অস্য সংকল্লতির্থাস্য সিদ্ধি রস্তু। অয়ম শুভারম্ভ ভবতু।
৯)পঞ্চ গব্য শোধন:- (সংক্ষেপে পাঁচ জিনিস একত্রিত করে গায়ত্রী পাঠ করে শোধন করলে দোষ নেই।পাঁচটি হলো ১) গোময় ২) গোচোনা ৩) ঘি ৪)দুধ ৫)দধি
১০) অধিবাস।ক) মন্ত্রে :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ শ্রী বিষ্ণবে নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ গুরবে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ নম শিবায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ হ্রীং দুুুর্গায়ৈ। এতে গন্ধে ওঁ ইন্দ্রাদি দশ দিক পালেভ্য নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ মৎসাদি দশাবতারেভ্য নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ কল্যাদি দশম মহাবিদ্যাভ্য নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ কুল দেব দেবীভ্য নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ইষ্ট দেব দেবীভ্য নম।
খ) বরণ ডালা নিয়ে :- (সংক্ষেপে করুণ) অনেন প্রশস্তি পাত্রেন অস্য ঐং সরস্বতী দেবৈ নম।(ঘটের কাছে চার বার, মুখ মণ্ডলে চার বার আর সমগ্র অর্থাৎ দেবীর মুখ মণ্ডল থেকে ঘট পর্যন্ত তিন বার বরণ ডালা ঘুরিয়ে বরণ করবেন।) 
অনেন মঙ্গল সূত্রেন অস্য ঐং সরস্বতী দেবৈ নম। ( দেবীর বাম হস্তে মঙ্গল সূত্র বেঁধে দিতে হবে।এই অধিবাস অনেক বড়ো প্রতিটি দ্রব্যের মন্ত্র ধরে করতে হয়। সময় অভাবে সংক্ষেপে করা যায়। এখন ব্রাহ্মণের অভাব একজন কে অনেক গুলো পূজা করতে হয়। তাই এটা সংক্ষেপে করলে দোষ নাই।)
১১)সামান্য অর্ঘ্য :- নিজের সামনে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে তাতে পূজা করতে হবে। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় ।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ অনন্তায়। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নম। ওঁ ফট ( মন্ত্রে কোষা কুষিতে ।.      জল দিতে হবে তার পর কোষার উপর দিকে পূজা করতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ অং অর্কমণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানেে নম। ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম। ওঁ বং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। ( অঙ্কুশ মূদ্রায়  জলে হাত দিয়ে) ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিদ্ধিং কুরু ।
১২)দ্বার পূজা :- (আহবান) ওঁ দ্বার দেবতা গন ইহগচ্ছ ইহগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।( সংক্ষেপে)
এষো গন্ধ ওঁ দ্বার দেবগনভ্য নম ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ দ্বার দেবগন ভ্য নম।
এষো ধূপ ওঁ দ্বার দেবগনভ্য নম।এষো দীপ দ্বার দেবগনভ্য নম।  এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ দ্বার দেবগনভ্য নম।
১২) বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ অস্ত্রায় ফট।( বলে বাম পায়ের গোরালি দিয়ে ভুমিতে তিন বার আঘাত করতে হবেে।) 
১৩) মাস ভক্ত বলি :- বং এতেস্মৈ মাসভক্ত বলয়ে নম।( একটি মাটির খুড়ি বা কলা পাতা টুুকরো নিয়ে তার উপর মাস কলাই দই একটু মধু দিয়ে। এবার কুশ দিয়ে জলের ছিটে তার পর আহ্বান ও পূজা। )
ভূতদ্বয়ের আহ্বান =ওঁ ভূতদ্বয় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।এতৎ পুষ্পম ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।এতৎ বিল্ব পত্র ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ ভূত্যাদিভ্যোব নম।ওঁ ভূতদ্বয় ক্ষমধ্বম ।( কুষি করে একটু জল দিতে হবে।)এবার হাত জোর করে। ওঁ ভূত প্রেত পিশ্চাস যে বসন্ত্র ভুতলে তে গৃহন্তু্ ময়া দত্ত বলিরেষ প্রসাদিতা পূজিতা গন্ধ পুষ্প দৈবির্লিতর্পিতুস্তা দেশস্মাৎ বিনিস্মৃত পূজাং পশন্তু মৎ কৃতাম।( এবার আতপ চাল/সাদা সরিষা ছড়াতে ছড়াতে।) ওঁ অপসর্পন্তু ভূত প্রেত পিশ্চাস সর্বে যে ভূতা বিঘ্ন করতারস্তেে নশ্যন্তু শিব আজ্ঞায়।অপসর্পন্তু পিশ্চাস রাক্ষশ্চাশ বেতালশ্চ সরীসৃপ অপসর্পন্তুতে চণ্ডিকাস্ত্রেন তাড়িতা।
১৪)আসন শুদ্ধি :- ( আসনের নীচে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে) ওঁঁ হ্রীং আধার শক্তয়ে কমলাসনায় নম। ( আসন ধরে।) অস্য আসন উপবেশন মন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠ ঋষি সুতলুং ছন্দ কুর্ম্ম দেবতা আসন উপবেশনেে বিনিয়োগ।ওঁ ত্বয়া ধৃতা লোকাদেবী ত্বং বিষ্ণু না ধৃতা তঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্র কুরুচাসনম। (তালি দিয়ে গুরু পঙতি পাঠ করতে হবে।) ডানদিকে - ওঁ গাং গনেশায় নম। বাম দিকে - গুরুভ্য নম। পরম গুরভ্য নম ।পরমেষ্ঠী গুরভ্যে নম । ঊর্ধ্বে - ব্রহ্মণে নম।সম্মুখে :- ওঁ সরস্বতৈ দেবৈ নমঃ ।পশ্চাতে - ওঁ ক্ষেত্রপালভ্য নম
১৬)পুষ্প শুদ্ধি :- (  অঙ্গুষ্ঠ ও মধ্যমা দিয়ে ফুুল স্পর্শ করে ) ওঁঁ পুুষ্পকেতু রাজা হর্তে শতেয় সম্যকায় হুং।ওঁ পুষ্পে পুষ্পে সুপুষ্পেে মহাপুষ্পে পুষ্প চয়নকীর্বে চ হুং ফট স্বাহা ।
১৭) প্রণায়াম :- ঐং মন্ত্রে প্রাণায়াম বাম নাসা বন্ধ করে ডান দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে দু বার। ডান নাসা বন্ধ করে বাম নাসা দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে দুবার মুখ বন্ধ করে নাসা শ্বাস নিতে নিতে দুবার আবার নাসা বন্ধ করে মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে দুবার মোট আট করতে হবে। ১৮)সংক্ষেপে ভূত শুদ্ধি :- রং মন্ত্রে কুশ ত্রিপত্র  নিজের চারপাশে জলের ছিটে দিয়ে নিতে হবে।  বলয়ে বসে আছি কল্পনা করে মন্ত্র বলতে হবে। ১)ওঁমূলশৃঙ্গাঠচ্ছির সূষমান্ন পথেন পরম শিব পদে যোজয়ামি স্বাহা। ২) ওঁঁ রং লিঙ্গং শরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা । ৩) ওঁঁ  যং সংকোচং শরীরং দহ  দহ স্বাহা । ৪) ওঁঁ পরম শিব পদে সুষমান্ন পথেন মূলশৃঙ্গাঠ্যমূল্য জ্বল জ্বল প্রজ্বল প্রজ্বল সোহংঅস স্বাহা ।
১৯) করশুদ্ধি :- একটা লাল ফুল নিয়ে বৃর্দ্ধাঙ্গুষ্ঠ ও কনিষ্ঠা থেকে তর্জনীর অগ্র ভাগ দিয়ে  পেষণ করে ঈশাণ কোনে ওঁ অস্ত্রায় ফট, মন্ত্রে ছুঁড়ে দিতে হবে।
২০) মাতৃকা ন্যাস :- অস্য মাতৃকা মন্ত্রস্য ব্রহ্ম ঋষি গায়ত্রী ছন্দ মাতৃকা সরস্বতী হলো দেবতা বীজানি স্বরে শক্তেভ্য বীজেভ্য হলেভ্য নমঃ।মাতৃকান্যাসে বিনিয়োগ। ওঁ ব্রহ্মণ ঋষয়ে নম।ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নম।ওঁ মাতৃকা সরস্বতৈ নম ।ওঁ শরেভ্য শক্তেভ্য নম।ওঁ হলেভ্য্য বীজেভ্য নম ।ওঁ অবক্ত ক্লীকায় নম।
২১)অন্তর মাতৃকা ন্যাস ( যদি সব গুলোো সাথে নমঃ যোগ করে বলেন শুনতে ভালো লাগবে) :- ওঁ অং আং ইং ঈংউং ঊংঋং ঋং লীং লীংএং ঐং ওংঔংঅং অঃইতি কণ্ঠে। ওঁ কং খং গং ঘং ঙং চং ছং জং ঝং ঞং টং ঠং ইতি হৃদয়ে। ডং ঢং ণং তং থং দং ধং নং পং ফং ইতি নাভৌ।    বং ভং মং যং রং লং ইতি লিঙ্গ মূল।  ওঁ বং শং সং ষং ইতি মূলাধারে । ওঁ হং ক্ষং ইতি ভ্রূমধ্য।
২২) বাহ্য মাতৃকা ন্যাস :- ( নিজ শরীরের বিভিন্ন অংশে স্পর্শ করে বা দেবী  মূর্তি বিভিন্ন অংশ স্পর্শ করে করতে  পারেন।) পঞ্চাশলি পিভর্বি ভক্ত মুক্ষদা   ভাস্ব মৌলি চন্দ্রশ কলা মাপীন তুঙ্গস্তীনাম   মূদ্রা মোক্ষ গুনম পন্নমধ্য বক্ষ স্থলম হস্তাম্বুজ বিবর্ণভাঙ বিশদপ্রভাং ত্রিনয়নাং বাগদেবতা মাশ্রয়ে ।   ওঁ অং নম । ওঁ আং নম । ওঁ ইং নম। ওঁ ঈং নম। ওঁ উং নম। ওঁ ঊং নম। ওঁ এং নম। ওঁ ঐং নম। ওঁ অং নম। ওঁ অঃ নম। ওঁ কং নম। ওঁ খং নম। ওঁ গং নম। ওঁ ঘং নম । ওঁ ঙং নম।ওঁ চং নম। ওঁ ছং নম।ওঁ জং নম। ওঁ ঝং নম । ওঁ ঞং নম। ওঁ টং নম। ওঁ ঠং নম। ওঁ ডং নম। ওঁ ঢং নম। ওঁ ণং নম। ওঁ তং নম। ওঁ থং নম। ওঁ দং নম। ওঁ ধং নম। ওঁ নং নম। ওঁ পং নম। ওঁ ফং নম। ওঁ বং নম। ওঁ ভং নম। ওঁ মং নম। ওঁ যং নম। ওঁ রং নম। ওঁ লং নম। ওঁ বং নম। ওঁ শং নম। ওঁ সং নম। ওঁ ষং নম। ওঁ হং নম। ওঁ ক্ষং নম।
২৩) সংহার মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ অক্ষস্রজং হরিণ পোত মৃদঙ্গ টঙ্ক বিদ্যাং করৈরবীরতীং দধিতীং ত্রিনেত্রাম।অর্দ্ধেন্দু মৌলিমরুণামরবিন্দবাসনং বর্ণেশ্বরীং প্রণমত স্তনভারনম্রাম। ওঁ ক্ষং নম।ওঁ হং নম। ওঁ সং নম। ওঁ শং নম। ওঁ ষং নম ।ওঁ বং নম ।ওঁ লং নম। ওঁ রং নম ।ওঁ যং নম ।ওঁ মং নম ।ওঁ ভং নম।ওঁ বং নম।ওঁ ফং নম ।ওঁ পং নম। ওঁ নং নম। ওঁ ধং নম।ওঁ দং নম।ওঁ থং নম ।ওঁ তং নম।ওঁ ঢং নম। ওঁ ডং নম।ওঁ ঠং নম। ওঁ টং নম।ওঁ ঞং নম। ওঁ ঝং নম।ওঁ জং নম। ওঁ ছং নম।ওঁ চং নম।ওঁ ঙং নম।ওঁ ঘং নম।ওঁ গং নম। ওঁ খং নম।ওঁ কং নম।ওঁ অং নম।ওঁ অঃ নম।ওঁ ঔং নম। ওঁ ওং নম।ওঁ ঐং নম।ওঁ এং নম।ওঁ লীং নম।ওঁ ল্লীং নম।ওঁ ঋং নম।ওঁ ঋং নম।
ওঁ ঊং নম। ওঁ উং নম। ওঁ ঈং নম।ওঁ ইং নম। ওঁ আং নম।ওঁ অং নম।
২৪) পীঠ ন্যাস :- ( একটি ফুল নিয়ে়ে,ঘট বসানোর জন্য যে অষ্ট দল পদ্ম আঁকা হয় সেই স্থানের চতুর্দিক ও মধ্যে স্পর্শ করে পীঠ ন্যস করতে হয়) ওঁ আধার শক্তয়ে নম।ওঁ কুর্ম্মায় নম।ওঁ অন্তায় নম।ওঁ পৃথীবৈ নম। ওঁ ক্ষীর সমুদ্রায়় নম। ওঁ শ্বেত দ্বীপায় নম। ওঁ মণিদ্বীপায় নম। ওঁ কল্পবৃক্ষায় নম। ওঁ মণি মণ্ডপায় নম। ওঁ রত্ন মণ্ডপায় নম। ওঁ রত্ন সিংহাসনায় নম। ওঁ রত্ন বেদিকায় নম। ওঁ ধর্মায় নম।ওঁ জ্ঞানায় নম। ওঁ বৈরাগ্যায় নম। ওঁ ঐশ্বর্যায় নম। ওঁ অধর্মায় নম। ওঁ অজ্ঞানায় নম। ওঁ অবৈরাগ্যায় নম। ওঁ অনৈশ্বার্যায় নম। ওঁ অনন্তায়় নম । ওঁ পদ্মায় নম। ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম। ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম। ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। ওঁ রং রজসে নম।ওঁ তং তমসে নম।ওঁ আং আত্মনে নম। ওঁ অং অন্তর আত্মনে নম। ওঁ পং পরম আত্মনে নম। ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মনে   নম। ওঁ মেধায়ৈ নম। ওঁ প্রজ্ঞায়ৈ নম। ওঁ প্রভায়ৈ নম। ওঁ শ্রিয়ৈ নম। ওঁ ধৃতৈ নম । ওঁ স্মৃতৈ নম। ওঁ   বিঘ্নাশ্বৈর্যৈৈ নম। ওঁ বর্ণকমলাশয় নম।
২৫)কর ন্যাস :- ওঁ অং কং খং গং ঘং ঙং আং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নম । ওঁ ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং তর্জনীভ্যাং স্বাহা । ওঁ উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং মধ্যমাভ্যাং বৌষট । ওঁ এং তং থং দং ধং নং ঐং অনামিকা ভ্যাং হুং । ওঁ ওং পং ফং বং ভং মং ঔং কনিষ্ঠাভ্যাং বষট । ওঁ অং যং রং লং বং শং সং ষং হং লং ক্ষং অস্ত্রায় ফট।
২৬) অঙ্গ ন্যাস :- ওঁ অং কং খং গং ঘং ঙং আং হৃদয়ায় নম।ওঁ ইং চং ছং জং ঝং ঞং ঈং শিরসে স্বাহা। ওঁ উং টং ঠং ডং ঢং ণং ঊং শিখায় বৌষট।ওঁ এং তং থং দং ধং নং কবচায় হুং। ওঁ ওং পং ফং বং ভং মং ঔং নেত্রায় বষট। ওঁ যং রং লং বং শং সং ষং হং লং ক্ষং অস্ত্রায় ফট।
২৭) ব্যাপকন্যাস :- একটি ফুল নিয়ে শরীরের মাথা থেকে পা পর্যন্ত পাঁচ বার "ঐং" মন্ত্র পাঠ করতে হবে।
২৮) ঋষ্যাদি ন্যাস :- শিরশি - ওঁ কন্বয় ঋষয় নম। মুখে ওঁ বিরাড় গায়ত্রী ছন্দসে নম। হৃদি - ওঁ বাগীশ্বর্য্যৈ দেবাতায়ৈ নম।
২৯) ধ্যান :- ওঁ তরুণশ কলামিন্দ শুভ্রকান্তি বিভ্রতী। কুচভরনম মিতাঙ্গী সন্নিসনা সিতাব্জে । নিজকর কমলোদ্যলেখনী পুস্তকশ্রী । সকল বিভবসিদ্ধৈ পাতু বাগ দেবতা নঃ।
৩০) মানস পূজা :- নিজ হৃদপদ্মে দেবী কে চিন্তা করে হৃদয় কে নৈবেদ্য মনকে অর্ঘ্য প্রানবায়ূ কে ধূপ তেজ সরূপকে দীপ চিন্তা করতে করতে দেবীর পদে নিজে কে বিলীন করে দিতে হবে।
৩১) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন:- স্ব বামে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে তার উপর ত্রিপাদিকা রেখে 'ফট' মন্ত্রে শঙ্খ রেখে ' নম' মন্ত্রে কিঞ্চিৎ জল দিয়ে দূর্বা ক্ষত ( ধান খোঁটা চাল ও দূর্বা আলতা পাতা দিয়ে বাঁধা অর্ঘ্য) রেখে বিলোম মাতৃকা ন্যাস করে জল দিয়ে শঙ্খ পূর্ণ করে নিতে হবে।(নমঃ যোগ করে বললে ভালো লাগবে) ওঁ ক্ষং লং হং সং শং ষং বং লং রং যং মং ভং বং ফং পং নং ধং দং থং তং ণং ঢং ডং ঠং টং ঞং ঝং জং ছং চং ঙং ঘং গং খং কং অং অঃ ঔং ওং ঐং এং ঋং লীং ঊং উং ঈং ইং আং অং। ( জল পূর্ণ করে এবার অর্ঘ্যের উপর ফুল দিয়ে পূজা করতে হবে।) ওঁ অং অর্কমণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম। ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম। ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। ( এবার জল স্পর্শ করে) ওঁঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব গোদাবরি সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিদ্ধিং কুরু।
( বিশেষ অর্ঘ্যের জল কুশ ত্রিপত্র করে ছিটিয়ে দিতে হবে। একটু কোশায় ঢেলে দিতে হবে।)
৩২) পীঠ পূজা :- ( অষ্ট দল পদ্ম আঁকা বাা ঘট বসানোর স্থানে পূূজা করতে হবে) ওঁঁ মণ্ডলায় নম।ওঁ পীঠ দেবতা গন ইহগচ্ছ ইহগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ প্রকৃত্যৈ নম । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ  কুর্ম্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ পৃথীবৈ নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ ক্ষীরসমুদ্রায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ শ্বেতদ্বীপায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ মণিদ্বীপায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মণিবেদিকায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রত্নসিংহাসনায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ধর্মায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ জ্ঞানায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বৈরাগ্যায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঐশ্বর্য্যায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অধর্মায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অবৈরগ্যায় নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনাশ্বৈর্য্যায় নম।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নম ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পং পদ্মায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নম।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্ণি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রং রজসে নম।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ তং তমসে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ সং সত্ত্বায় নম । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আং আত্মনে নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অন্তর আত্মেন নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পং পরম আত্মেন নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মেন নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মেধায়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ প্রজ্ঞায়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বুদ্ধিয়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্রিয়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ স্মৃতিয়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বিশুদ্ধায়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ধৃতৈ নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ বিঘ্নশ্বৈর্য্যায়ৈ নম। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বর্ণকমলাশনায় নম।
৩৩) ঘট স্থাপন :- ( সাম বেদীয়)মাটি স্পর্শ করে :- ওঁ মহীত্রানবরস্তু দুক্ষ্যং মিত্রসার্যমন দূরাধর্ষং বরুণস্য। ধান স্পর্শ করে :- ওঁ ধানবন্তম করণনীভম করম্ভিনমপূ পবন্ত মুকথীনম।ইন্দ্র পাতুত প্রাতর্জ্জুযস্ব ন। কলস বা ঘট স্পর্শ করে :- ওঁ আবিশন কলসং সূতবিশ্বাঅর্ষন্নভিশ্রিয়ঃ। ইন্দুরিন্দ্রায় ধীয়তে। জল স্পর্শ করে :- ওঁ আ ন মিত্রাবরুণা ঘৃতৈর্গব্যূতিমুক্ষতম। মধ্বা রজহংসি সক্রতু। পল্লব স্পর্শ করে :- ওঁ অয়া মূর্জ্জাবতং বৃক্ষ ঊর্জ্জীব ফলানি ভব।পর্ণ বনোস্পতে নূত্ত্বা নূত্ত্বা চ সূয়তাং রয়ি। ফল বা ডাব স্পর্শ করে :- ওঁ ইন্দ্র নরো নেমেধিতা হবন্তো যৎপর্যা যুনজতে ধীয়স্তাঃ। শূর নৃষতা শ্রবশ্চা কাম আ গোমতি ব্রজে ভজা ত্বং। বস্ত্র স্পর্শ করে:- ওঁ যুবা সুবাসাঃ পরিবৃত আগত স উ শ্রেয়ান ভাবিত যায়মান। ত্বং ধীরসা কবয় উন্নত্তি    স্বাধ্যে মনসা দেবয়ন্তঃ। সিন্দুর স্পর্শ করে :-- ওঁ সিন্দোরুচ্ছাসে পতয়ন্তমুক্ষণং হিরণ্যপাবাঃ পশমপসুগৃভণতেঃ। স্থিরি করণ :- ওঁ তাবত্ব পুরোবস বয়মিন্দ প্রণতঃ । স্মসি স্থাতর্হরীনাম। স্থাং স্থিং স্থির ভব । তীর্থ আহ্বান :- ওঁ গঙ্গদা সরসি চ সমুদ্রাংশচ সরিতা। আয়ন্তু যজমানস্য দূরিত ক্ষয় কারক । এবার হাত জোড় করে :- ওঁ সর্ব তীর্থদ্ভব বারি সর্ব দেব সমন্বিত ইমং ঘটং সমারূহ্য তিষ্ঠ দেবি গণৈ সহ।
৩৪) (কুশ ত্রিপত্র দিয়ে পঞ্চচ গব্য ছিটিয়ে ) বেদি শোধন :- ওঁ বেদ্যা বেদিঃ সমপাতে বহির্ষা বর্হিরিন্দ্রায় যুপেন যুপ আপ্যায়তং প্রণোতোহরগ্নিনা।
৩৫) (কুশ ত্রিপত্র দিয়ে পঞ্চ গব্য ছিটিয়ে ) বিতান শোধন :- উপর যদি চাঁদোয়া থাকে তবে ওঁ উর্দ্ধ উ যু ন উতয়ে তিষ্ঠা দেব ন সবিতা। ঊর্দ্ধো বাজস্য সবিতা যদঞ্জি ভির্ব্বা ঘদ্ভি বিহ্বয়া মহে।
৩৬) (তীরকাঠি পর্শ্ব করে ) কাণ্ড রোপন:- ওঁ কাণ্ডৎ কাণ্ডৎ প্রহরোন্তি পুরুষ পুরুষ-পরি । এবেন দূর্বেন প্রতেনু সহস্রেন শতনে চ ।
৩৭) সূত্র বেষ্টন :- ওঁ সূত্রমাং পৃথিবীং দামহ্যেসং সুশর্ম্মান মদীতং সুপ্রনিতীম । দৈবাং নাবাং সরিত্রাম নাগ মা রুহেমা স্বস্তয়ে ।
৩৮) আহ্বান :- ওঁ ভূর্বস্ব স্বর্ভগবতি সরস্বতী দেবী ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
হাত জোর করে, " ওঁ দেবেশি ভক্তি সুলভে পরিবার সমন্বিতে। যাবত্বাং পূজিয়াষমি তাবত্বাং সুস্থিরাভব ।
৩৯) চক্ষু দান :- বিল্ব পত্রে ঘী মাখিয়ে প্রদীপ ধরে কাজল করে নিয়ে ঐং মূল মন্ত্রে প্রথম বাম নেত্র পরে দক্ষিণ নেত্রে ঠেকিয়ে চক্ষু দান করতে হবে। অথবা বাম নেত্রে :- ওঁ আপ্যায়স সমেতু তে বিশ্বত সোম বিষ্ণম।ভব বাজস্য সঙ্গতে। দক্ষিণ নেত্রে :- ওঁ দেবানমুদগাদানিকং চক্ষু মিত্রস্য বরুণাস্যাগ্নে। আ প্রা দ্যাবা পৃথিবী অন্তরীক্ষ সূর্য আত্মা স্থূশ্চয় ।
৪০)প্রাণ প্রতিষ্ঠা :- ওঁ আং  হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস। সরস্বতী দেব্যা জীব ইহ স্থিত। ওঁ আং  হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস। সরস্বতী দেব্যা প্রাণা ইহ স্থিত।ওঁ আং  হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হং হৌংস সরস্বতী দেব্যা সর্বইন্দ্রায় ইহস্থিতা ।ওঁ আং হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হং হৌংস সরস্বতী দেব্যা বাঙ্মচক্ষুশ্রোতাঘ্রানাপ্রাণা চির সুখং ইহ তিষ্ঠন্তু স্বাহা । ওঁ মনোজ্যোর্তিজ্জুষ্যা -মাজস্য বৃহস্পতিরযজ্ঞমিমং তনোতু। অরিষ্টং যজ্ঞ সমিমং দধাতু।  বিশ্বদেবাস  ইহ মাদয়ন্তা মম প্রতিষ্ঠ, অসৈ প্রাণ প্রতিষ্ঠন্তু অসৈ প্রাণ ক্ষরন্ত চ অসৈ দেবতা সংখ্যায়ৈ স্বাহা । এবার ঐং মন্ত্র তিন বার পাঠ করতে হবে।
৪১) পঞ্চ দেবতার পূজা :- ক) গনেশের পূজা :- ধ্যান :- ওঁ খর্ব্বং স্থুল তনুং গজেন্দ্র বদনং লম্বোদরং গজাননম প্রসন্দম্মদগন্ধলুদ্ধমধূপ ব্যালোল গণ্ডোস্থলম।দন্তাঘাতে বিদারিতারি রুধৈরৈ সিন্দুর শোভাকরম ।বন্দে শৈলসূতা সূতং গনপতি সিদ্ধিপ্রদ কামদম । আহ্বান :- ওঁ ভূর্বস্ব গাং গনপতে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব । পঞ্চ উপাচারে পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ গাং গনেশায় নম । এতৎ পুষ্পম ওঁ গাং গনেশায় নম । এষো ধূপ ওঁ গাং গনেশায় নম । এষো দীপ ওঁ গাং গনেশায় নম ।এতৎ সোপকরণ নৈবেদ্যম ওঁ গাং গনেশায় নম ।
প্রণাম :- ওঁ এক দন্তং মহাকায়ং লম্বোদরং গজাননম। বিঘ্ন নাশকরম দেবং হেরম্বং প্রণমহম।
সূর্য পূজা:- ধ্যান :- ওঁ রক্তাম্বুজাসনম শেষগুনার্কৈ সিন্ধু ভানুং। সমস্ত জগতামধিপ ভজামি পদ্মদয় বরাভয় দধাতন করাব্জৈমৌলিমরুনাঙ্গ রুচিং ত্রিনেত্রাম ।
আহ্বান :- ওঁ শ্রী সূর্যায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম ।এতৎ পুষ্পম ওঁ শ্রী সূর্যায় নম। এষো ধূপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম। এষো দীপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম। এতৎ সপোকরণ নৈবেদ্য ওঁ শ্রী সূর্যায় নম।
প্রণাম :- ওঁ জবা কুসুম সংঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং  মহাদ্যুতিং    ধনত্বারিং সর্বপাপঘ্ন প্রণোতোস্মি দিবাকরম।
বিষ্ণু পূজা :- ধ্যান :-  ওঁ ধেয় সদা সবৃতমণ্ডল মধ্যবর্তী নারায়ণ সরসিজাসন সন্নিবেষ্টিত কেয়ূরবান কণক কুণ্ডলবান কীরিটীহারি হিরণ্ময় বপু ধৃত শঙ্খ চক্র।
আহ্বান :- ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এতৎ পুষ্পম ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম। এষো ধূপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এষো দীপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম ।
এতৎ সপোকরণ নৈবেদ্য ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম ।
প্রণাম :-- ওঁ নমহ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রহ্মণ হিতায় চ জগৎ ধৃতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নারায়ণ নমহস্তুতে ।
শিবের পূজা :-  ধ্যান :- ওঁ ধ্যায়ে নিত্যং মহেশং রজত গিরি নিভনং চারুচন্দ্রবতনংসং। রত্নকল্পোজ্জ্বলাঙ্গ পরশু মৃগ বরা ভীতি হস্তং প্রসন্নম। পদ্মাসন স্তুতম মরগৈন্য ব্যাঘ্র কৃতিবসনাং বিশ্বদ্যাং বিশ্ববীজং নিখিল ভয়হরং পঞ্চবক্তং ত্রিনেত্রাম ।
আহ্বান :- ওঁ নম শিবায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ নম শিবায় নম। এতৎ পুষ্পম ওঁ নম শিবায় নম । এষো ধূপ ওঁ নম শিবায় নম । এষো দীপ ওঁ নম শিবায় নম। এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ নম শিবায় নম।
প্রণাম :- ওঁ নম শিবায় শান্তায় কারণ ত্রয় হেতবে নিবেদয়ামি চাত্মাং ত্বং গতি পরমেশ্বরো।
দুর্গা পূজা:- ওঁ কালাভ্রাভাং কটাক্ষৈরি কুলভয়দ্যাং মৌলিবদ্ধেন্দুরেখাং । শঙ্খ চক্র কৃপাণ ত্রিশিখমোপি কররৈরুধ্ব হন্তীং । সিংহ স্কন্ধাধিরূঢ়াং ত্রিভুবন মখিলং তেজসপুরায়ন্তীং ধ্যায়ে দুর্গাং জয়াখ্যাং ত্রিদশপরিবৃত্তাং সেবিতাং সিদ্ধিকাময়ৈ ।
আহ্বান :- ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম। এতৎ পুষ্পম ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম । এষো ধূপ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম। এষো দীপ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম । এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম।
প্রণাম :- ওঁ সর্ব মঙ্গল মঙ্গলে শিবে সর্বাত সাধিকে স্মরণে ত্রম্বকে গৌরি নরায়নী নমহস্তুতে ।
কয়েকটি দেবতার পূজা :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ব্রাহ্মণে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ যাং যমুনায় নম । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ গাং গঙ্গায় নম । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ সর্ব দেব দেবীভ্য নম ।
৪২) প্রধান পূজা :- ধ্যান :- ওঁ তরুণাশ কলামিন্দ বিভ্রতি শুভ্রকান্তী । কুচভরণম মিতাঙ্গী সন্নিসনা সিতাব্জে । নিজ করকমলোদ্দলেখনী পুস্তকশ্রী। সকল বিভসিদ্ধৌ পাতু বাগ দেবতা ন।
ধ্যানের পর পঞ্চ উপাচারে /দশম উপাচারে / ষোলো উপাচারে পূজা করতে পারেন। প্রতি ক্ষেত্রে প্রথম সম্প্রদান করে, নিবেদন করবেন। পঞ্চ উপাচার হলো। ১)গন্ধ ২) পুষ্প ৩) ধূপ ৪) দীপ ৫) নৈবেদ্য । দশম উপাচার ১) রজত আসন ২) পাদ্য ৩) অর্ঘ্য ৪) স্নানীয় ৫) বস্ত্র ৬) গন্ধ ৭) পুষ্প ৮) ধূপ ৯) দীপ ১০) নৈবেদ্য ।
ষোলো উপাচার ১) রজত আসন ২) পাদ্য ৩) অর্ঘ্য ৪) আচমনীয় ৫) মধু পর্ক ৬) পুনঃ আচমনীয় ৭) স্নানীয় ৮) বস্ত্র ৯) আভরণ ১০) গন্ধ ১১) পুষ্প ১২) ধূপ ১৩) দীপ ১৪) নৈবেদ্য ১৫) তাম্বুল ১৬) পুষ্প মালা প্রতিটি দ্রব্য এই মন্ত্রে কুশ ত্রিপত্রের তিন বার জল ছিটিয়ে সম্প্রদান করে নেবেন।
সম্প্রদানের মন্ত্র :- বং এতেস্মৈ রজত আসনায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ ঐং শ্রী শ্রী সরস্বতীয়ৈ নম। ইদম রজত আসনায় ওঁ ঐং সরস্বতীয়ৈ নম। যদি সব বলতে চান তবে ইদম রজত আসনায় আগে বলুন ওঁ আসন গৃহান দেবেশি যৎকৃতং শোভোনয় সর্ব কাম ফলং দেবি বাগেশ্বরী নমহস্তুতে । এ বিষয়ে যে কোন ভালো বই দেখে নিতে পারেন।
এরপর লক্ষী পূজা করতে হবে।
লক্ষীর ধ্যান :- ওঁ পাশাক্ষমালিকাম্ভোজ সৃন্নিভির্যাম্যায় সৌম্য।  পদ্মাসনস্থাং ধ্যায়ে শ্রীয়ং তৈলক্য মাতরম । গৌরবর্ণ সুরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কার ভূষিতাম। রৌক্মপদ্ম ব্যাগ্র করং বরদাং দক্ষিণেনতু ।
পূজা :- পঞ্চ উপাচারে পূজা করুন ।
প্রণাম :- ওঁ বিশ্বরূপ ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে সর্বত্র পাহিমাং দেবী মহালক্ষী নমহস্তুতে ।
ফুল দিয়ে কয়েক টি পূজা :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পুস্তকেভ্য নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ মস্যাধার নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ লেখ্যনীয় নম । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ হংস বাহনায় নম।এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ বাদ্যযন্ত্রায় নম। ইদং রাগ বস্তুনা ওঁ ঐং সরস্বতৈ নম। ( রাগ বস্তু আবীর)
ব্রাহ্মণের পুষ্পাঞ্জলী :- ওঁ জয় জয় দেবী চরাচরসারে কুচযুগশোভিত মুক্তাহারে। বিনারঞ্জিত পুস্তক হস্তে ভগবতী ভারতী দেবী নমহস্তুতে। এষো সচন্দন গন্ধ পুষ্প বিল্ব পত্রাঞ্জলী ওঁ ঐং সরস্বতৈ নম। ওঁ সরস্বতী মহাভাগে বিদ্যে কমলোচনে বিদ্যারূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাং দেহি নমহস্তুতে ।এষো    সচন্দন পুষ্প বিল্ব পত্রাঞ্জলী ওঁ ঐং সরস্বতৈ নমহস্তুতে ।সা মে ভবতু জীহ্বাং বীনা পুস্তক ধারীণী। মুরারী বল্লভাং সর্ব্ব শুক্লা সরস্বতী নম। এষো সচন্দন পুষ্প বিল্ব পত্রাঞ্জলী ওঁ ঐং সরস্বতৈ নম।
প্রণাম মন্ত্র :- নমঃ সরস্বতৈ নমঃ নিত্যং নমঃ ভদ্রকালৈ নমঃ নমঃ । বেদ বেদাঙ্গ বিদ্যাস্থানেভ্য এ বচ।
সাধারণের পুষ্পাঞ্জলী:- নমঃ অপবিত্র পবিত্র বা সর্বাস্থাং গতহোপিবা যৎস্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যান্তর শুচি মাধব মাধব বাচি । এবার ফুল বেলপাতা নিয়ে এই মন্ত্রে তিন বার অঞ্জলী দেওয়াতে হবে। ব্রাহ্মণরা নমঃ স্থানে ওঁ বলবেন।
নমঃ ভদ্রকালৈ নমঃ নিত্যং সরস্বতৈ নমঃ নমঃ । বেদ বেদাঙ্গ বিদ্যাস্থানেভ্য এ বচ। এষো সচন্দন পুষ্প বিল্ব পত্রাঞ্জলী নমঃ সরস্বতৈ নমঃ।
প্রণাম মন্ত্র :- নমঃ সরস্বতৈ মহাভাগে বিদ্যে কমলে লোচনে বিদ্যারূপে বিশালাক্ষী বিদ্যাং দেহি সরস্বতৈ নমহস্তুতে ।
হোম:- এক হাত চওড়া, এক হাত লম্বা পরিষ্কার বালি দিয়ে হোমের স্থান বা সণ্ডিল স্থাপন করে প্রাদেশ প্রমাণ কুশ পূর্বাগ্রে বসিয়ে মধ্যমা ও বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দিয়ে বালি তুলে
ঈশান কোনে ফেলতে হবে। সণ্ডিলের দক্ষিণ দিকে কুশ দিয়ে ব্রহ্মার আসন করে নিতে হবে । আর উত্তর দিকে কুশ দিয়ে অন্য সকল দ্রব্য রাখার আসন করে নিতে হবে। অন্য দ্রব্য হলো সমিধ বিল্ব পত্র ( সমিধ হলো যজ্ঞ ডুমুরের ডগ )
এবার সণ্ডিলের উপর কাঠ সাজিয়ে একটি নতুন পিতল বা মাটির সরায় আগুন নিয়ে। এই মন্ত্রে সণ্ডিলের দক্ষিণ দিকে দিতে হবে । মন্ত্র :-  ওঁ ক্রাব্যদম অগ্নি     ইহপোহিনমি দূরং যম রাজ্যং গচ্ছতু রিপ্রবাহ ।এরপর নিজের সামনের দিকে সণ্ডিলে আগুন দিতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ ইহবায়মিতর জাতবেদা হব্যং বহতু প্রজননম। এবার হাতজোড় করে, মন্ত্র :- ওঁ সর্বত্রহি পানিপাদান্ত সর্বত্রহক্ষিশিরোমুখ । বিশ্বরূপ মহা অগ্নি প্রণীত সর্ব কর্মেসু। এবার কোনো ব্রাহ্মণ ব্রহ্মা না হলে নারায়ণ শিলাকে দক্ষিণ তৈরি ব্রহ্মার আসনে বসিয়ে দিয়ে এই মন্ত্র বলতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ অহেদধিষদ বোদতস্তিষ্ঠান্যাস সদনে সীদ যোহৎস্মাতপাকতর।
এবার ব্রহ্মার আসন থেকে একটি কুশ টেনে নিয়ে ঈশান কোনে ফেলে দিতে হবে ।মন্ত্র :- ওঁ নিরস্ত পাপান্ন সহ তেন বয়ং দিস্ম ।
এবার হাত জোর করে বলতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ ইদমহং বৃহস্পতে সদনে সীদমি তদমগ্নে প্রবব্রীমি ।তদাবয়ব তৎপৃথিবী। পবিত্র ছেদন :- ওঁ পবিত্রস্থ বিষ্ণব । সমার্জন কুশ মোট ছ গাছি প্রাদেশ প্রমাণ করে নিতে হবে । ওঁ বিষ্ণশর্ম পুস্তেথ।এবার তিন গাজি পবিত্র ( প্রাদেশ প্রমাণ কুশ) ঘৃত মাখিয়ে এই মন্ত্রে দিতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ সবিস্তুত্বা প্রসব উৎপণূমছিদ্রেন পবিত্রনেঃ বসো সূর্যস্য রস্মিভি স্বাহা । এবার সর্মাজন নিয়ে কুশ ও কুশিতে জল নিয়ে সণ্ডিলের ঈশান কোন থেকে শুরু করে দক্ষিণ কোন দিয়ে ঘুরিয়ে ঈশান কোন পর্যন্ত আনতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ এষো হে দেব প্রদেশিনু সর্ব্বো হঃ জাত স উ গর্ভস্থঃ স এবং জাত ন জনিষমান্য প্রত্যাঞ্জনতিষ্ঠতি সর্বতমুখং। এবার ঘি দিয়ে কয়েক টি দেবতা কে উৎসর্গ করে নিতে হবে। ওঁ প্রজাপতয়ে স্বাহা ইদমং প্রজাপতয়ে।ওঁ ইন্দ্রায় স্বাহা ইদমং ইন্দ্রায়ে । ওঁ অগ্নায় স্বাহা ইদমং অগ্নায়ে । ওঁ সোমায় স্বাহা ইদমং সোমায়ে ।
মহাব্যহিত হোম :- ওঁ ভুঃ স্বাহা ইদমং অগ্নায়ে । ওঁ ভুবঃ স্বাহা ইদমং বায়বে । ওঁ স্ব স্বাহা ইদমং সূর্যায়ে।
প্রকৃত হোম :ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য অদ্য মাঘ মাসে মকররাশিস্থে শুক্ল পক্ষে ভাস্করে পঞ্চম্যাংতিথৌ অমুক গোত্রস্য অমুক নাম্নে মৎ সংকল্প কৃত অমুক গোত্র অমুক নাম্নে সহেতি মন্ত্রেন প্রত্যেকেন পঠিতেন অষ্টদ্বাবিংশ সাজ্য বিল্ব পত্র সমিধিভি সহ হোম কর্মাহং করিষ্যামি ।
অগ্নির নাম করণ :- অগ্নে ত্বং সমুদ্ভবানামাসি । অগ্নির ধ্যান :- পৃঙ্গ ভ্রূ শ্মুমশ্রূ শ্রূ কেশাক্ষ পৃণাঙ্গ জঠোররুনা ।ছাগস্থ সাক্ষ সূত্রাগ্নি সপ্তর্চি শক্তি ধারক। 
আহ্বান :- সমুদ্ভবা নামাগ্নে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যস্ব অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।এষো গন্ধ ওঁ সমুদ্ভবা নামাগ্নে নমঃ ।এতৎ পুষ্পম ওঁ সমুদ্ভবা নামাগ্নে নমঃ ।এষো ধূপ ওঁ সমুদ্ভবা নামাগ্নে নমঃ ।এষো দীপ ওঁ সমুদ্ভবা নামাগ্নে নমঃ । এতৎ হব্য নৈবেদ্যম ওঁ সমুদ্ভবা নামাগ্নে নমঃ ।
সম্প্রদান:- ওঁ এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম, এতৎ    অষ্টদ্বাবিংশতি সাজ্য বিল্ব পত্র সমিধিভি, সম্প্রদানায় ওঁ সরস্বতৈ নম । এবার আঠাশটি বিল্ব পত্র ঘিয়ে ডুবিয়ে এই মন্ত্রে চিৎ ভাবে হোম কুণ্ডে দিতে হবে। মন্ত্র :- ওঁ ঐং সরস্বতৈ স্বাহা ।
উদীচ কর্ম :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য মাঘ মাসি শুক্ল পক্ষে পঞ্চম্যাংতিথৌ অমুক গোত্রস্য অমুক দাস্যস সংকল্পিত হোম কর্মানি যৎকিঞ্চিৎদ্বৈগুণ্যং জাতং তদ্দোষ প্রশমনায় ব্যস্ত সমস্ত মহাব্যাহৃতিভিঃ প্রায়শ্চিত হোমংমোহং করিষ্যে । অগ্নির নাম করণ করে নিতে হবে। অগ্নে ত্বং বিধুনামাসি । ধ্যান :- পিঙ্গভ্রূ শশ্মুশ্রূ কেশাক্ষ, পিনাঙ্গ জঠোরুণা। ছাগস্ত সাক্ষ সূত্রাগ্নি সপ্তর্চি শক্তি ধারক। আহ্বান :- বিধুনামাগ্নে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত । এষো গন্ধ ওঁ বিধুনামাগ্নে নমঃ ।এতৎ পুষ্পম ওঁ বিধুনামাগ্নে নমঃ । এষো ধূপ ওঁ বিধুনামাগ্নে নমঃ ।এষো হর্বিনৈবেদ্যম ওঁ বিধুনামাগ্নে নমঃ । (এই পাঁচ টি অগ্নি কে দিতে হবে। গন্ধ, হলো চন্দন, অগুরু, কস্তুরি, কর্পূর অভাবে কেবল চন্দন দেওয়া হয়। ফুল ঘি মাখিয়ে দিতে হবে। ধূপ জ্বেলে দিতে হবে। একটা ধূপের মাথায় তুলো জড়িয়ে ঘিয়ে ঢুবিয়ে অগ্নি কে দিতে হবে দীপ হিসেবে। কিঞ্চিৎ আতপ চাল আগুনে দিতে হবে অগ্নি তে দেবেন নৈবেদ্য হিসাবে।) কোন মন্ত্র না বলে একটা সমিধ ( যজ্ঞ ডম্বুরের একটি পাতা সহ ছোট শাখা) ঘি মাখিয়ে আগুনে দিয়ে দিতে হবে। এবার এই মন্ত্রে অগ্নিতে ঘৃত দেবেন। প্রজাপতি ঋষি গায়ত্রী ছন্দ অগ্নি দেবতা ব্যস্ত সমস্ত মহাব্যাহৃতিভিঃ প্রায়শ্চিত হোমে বিনিয়োগ ওঁ ভুঃ স্বাহা ইদং ভুঃ । প্রজাপতির ঋষি রুষনিক ছন্দ বায়ূর দেবতা ব্যস্ত সমস্ত মহাব্যাহৃতিভিঃ প্রায়শ্চিত হোমে বিনিয়োগ ওঁ ভুবঃ স্বাহা ইদং ভুবঃ । প্রজাপতি ঋষি নুষ্ঠুপ ছন্দ সূর্যর দেবতা ব্যস্ত সমস্ত মহাব্যাহৃতিভিঃ প্রায়শ্চিত হোমে বিনিয়োগ ওঁ স্ব স্বাহা ইদং স্বঃ । প্রজাপতি ঋষি বৃহতী ছন্দ প্রজাপতির দেবতা ওঁ ভুবঃ স্ব স্বাহা ইদং ভুবঃ স্ব । একটি প্রদেশ প্রমাণ কুশ অমন্ত্রক আহুতি দিয়ে দিন। এর পর নব গ্রহের হোম। 
নবগ্রহ : ওঁ নব গ্রহায় স্বাহা ইদং নবগ্রহায় । একটা সমিধ আগুন দিয়ে দেবেন। 
দশদিক পালের হোম :- ওঁ দশ দিকপালায় স্বাহা ইদং দশ দিক পালয়ে।
প্রত্যক্ষ দেবতার হোম :- ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ স্বাহা । ওঁ ব্রহ্মনে স্বাহা । ওঁ বিষ্ণবে নারায়ণ স্বাহা ।ওঁ চতুর্বেদন স্বাহা । ওঁ লেখনী মস্যাধারায় স্বাহা। ওঁ গাং গঙ্গায় স্বাহা ।ওঁ যাং যমুনায় স্বাহা ।ওঁ হ্রীং শ্রীং শীতলায়ৈ স্বাহা ।ওঁ হ্রীং মনসায়ৈ স্বাহা । ওঁ কুলদেব দেবীভ্য স্বাহা । ( একটি সমিধ আহুতি দিয়ে) অগ্নে ত্বং মৃড় নামাসি । ধ্যান :- পীঙ্গভ্রূ শ্মশ্রূ কেশাক্ষ পীনাঙ্গ জঠরহরুনা । ছাগস্ত সাক্ষ সূত্রা অগ্নি সপ্তর্চি শক্তি ধারক। আহবান :- ওঁ মৃড় নামাগ্নে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত । এষো গন্ধ ওঁ মৃড় নামাগ্নে নমঃ ।এতৎ পুষ্পম ওঁ মৃড় নামাগ্নে নমঃ । এষো ধূপ ওঁ মৃড় নামাগ্নে নমঃ । এষো দীপ ওঁ মৃড় নামাগ্নে নমঃ । এতৎ হর্বিনৈব্যেদম ওঁ মৃড় নামাগ্নে নমঃ । (এবার পর্যাপ্ত ঘৃতে ফল ( কাঁঠালি রম্ভা) বস্ত্র চেলির কাপড় নিয়ে উঠে দাঁড়িয়ে ঘন্টা বাজাতে বাজাতে যজমান কে সাথে নিয়ে নিম্ন মন্ত্রে অগ্নিতে দিতে হবে।) ওঁ মুর্দানং দিবো অরতিং পৃথীব্য বৈশ্বানর মৃত আজাত অগ্নিম। ওঁ কবিগুঁ সম্রাজ মতিথিং জনা নাম সন্না পালং জনয়ন্ত দেবা স্বাহা। ( এবার আসনে বসে বাম হাত দিয়ে ভজ্য পাত্র পর্শ্ব করে ) বং এতেস্মৈ পূর্ণ পাত্র ভোজ্যং নমঃ। ( তিন বার কুশ ত্রিপত্র দিয়ে জলের ছিটিয়ে দিতে হবে।) এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পূর্ণ পাত্র ভজ্যায় নমঃ। এত অধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নমঃ । এবার দক্ষিণা :- বিষ্ণুরোম তৎসৎ অদ্য মাঘ মাসি শুক্ল পক্ষে পঞ্চম্যাংতিথৌ অমুক গোত্রস্য অমুক দাস্যস /অমুক দেবশর্মন সংকল্পিত শ্রী শ্রী সরস্বতী পুজাঙ্গ ভুত হোম কর্ম সাঙ্গার্থং দক্ষিণামিদং পূর্ণ পাত্র ভজ্যং শ্রী বিষ্ণু দৈব্যতং অর্চিতং যথা সম্ভব গোত্র নাম্নে ব্রহ্মণে অহং সম্প্রদদে ।  প্রণাম মন্ত্র :- ওঁ চতুর্বদন সদ্মস্থ চতুর্বেদন কুটুম্বিনে । দ্বিজ অনুষ্ঠেয় সৎ কর্ম সাক্ষিণে ব্রহ্মণে নমঃ। তমগ্নে সর্ব ভুত নামশ্চরিস পাবক । হব্যং বহসি দেবনামতঃ শান্তি প্রযজ্যমে । ওঁ পীঙ্গাক্ষ লোহিত গ্রীবা প্রতাপিংশ্চ হুতাশন। সাক্ষী ত্বং পূণ্যাপাপানং ধনঞ্জয় নমহস্তুতে । "ব্রহ্মণে ক্ষমস্ব " মন্ত্রে কুশ ত্রিপত্র দিয়ে জলের ছিটা দিন। তারপর অগ্নি কে দক্ষিণ দিকে একটু ঠেলে দিয়ে বলুন " অগ্নে ত্বং সমুদ্র গচ্ছ।" এবার ঈশান কোন থেকে দুধ গঙ্গা জল দিতে দিতে বলুন " পৃথ্বী শীতল ভব।" এবার ঈশান কোন থেকে ভস্ম তুলে পাত্রে নিয়ে কালি তৈ তৈরি করে ঘটে দিন। তার পর কপালে তিলক পরুন পরিয়ে দিন। নিজের কপালে তিলক পরার মন্ত্র :- কশ্যপেয় ত্রায়সুম । কন্ঠে :- জামদ অগ্নে ত্রায়সুম । বক্ষে :- যদবেদা ত্রায়সুম । যজমানের কেবল কপালে মন্ত্র :- কশ্যপেয় ত্রায়সুম । এবার দক্ষিণা দিন মন্ত্র :- " বিষ্ণুরোম তৎসৎ অদ্য মাঘ মাসে মকররাশিস্থে শুক্ল পক্ষে ভাস্করে পঞ্চম্যাংতিথৌ অমুক গোত্রস্য অমুক দাস্যস /অমুক দেবশর্মন কৃতৈতদ যৎ কিঞ্চিৎ কাঞ্চন মূল্যং অনুকল্পং হরিতকী ফলং দক্ষিণামিদং যথা সম্ভব গোত্র নাম্নে ব্রহ্মণে অহং সম্প্রদদানি ।" সাথে বলুন, " কৃতৈতদ শ্রী শ্রী সরস্বতী পুজা হোমকর্মা ছিদ্র মস্তু। ওঁ অস্তু । বিষ্ণু স্মরণ :- বিষ্ণুরোম তৎসৎ অদ্য মাঘ মাসে মকররাশিস্থে শুক্ল পক্ষে পঞ্চম্যাংতিথৌ অমুক গোত্রস্য অমুক দেবশর্ম হোম কর্মাহং যৎকিঞ্চিৎদ্বৈগুণ্যং জাতং তদ্দোষ প্রশমনায় শ্রী বিষ্ণু নাম স্মরণমহং করিষ্যে। " দশ বার ওঁ বিষ্ণু বলুন । এবার বিষ্ণু প্রণাম :- ওঁ নমোহ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রহ্মণ হিতায়চ জগৎ ধৃতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নারায়ণায় নমহস্তুতে ।" এবার শান্তি জল দিন, " মহা বামদেব ঋষি  গায়ত্রী ছন্দ শান্তি কর্মে জপেন বিনিয়োগ। কয়া নশ্চিত্র সদা বৃদ্ধ সখা। কয়া শর্মিষ্ঠা আভিব দ্যুতি শান্তি প্রযোজ্য মে। ওঁ ব্রহ্মণে শান্তি, ওঁ বনস্পতে শান্তি, ওঁ পৃথিবৈ শান্তি, ওঁ দৌ শান্তি, ওঁ সর্ব শান্তি। ওঁ শান্তি ওঁ শান্তি ওঁ শান্তি 
প্রথম দিন পুজা শেষ। সন্ধ্যা বেলায় আরতির আগে কী করতে হবে বলা হয়েছে । দ্বিতীয় অর্থাৎ বিসর্জনের পুজোর দিন কী কী করতে হবে আগেই বলেছি সেই গুলো করলেই পুজো শেষ।. 
পরের দিন বা বিসর্জনের দিন। 
১)বিষ্ণু স্মরণ :- ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু, ওঁ তদ্বোবিষ্ণু পরম পদং সদা পশ্যন্তি সুরয় দ্বিবীব চক্ষুরততম। ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা গতহোপিবা যৎ স্মরেৎ পুণ্ডরীকাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যন্তর শুচি। সর্ব মঙ্গল মঙ্গলং বরেণম বরেদং শুভম। নারায়ণং নমস্কৃত্যং সর্ব কর্ম কারয়েৎ।। শঙ্খ চক্র ধরং দ্বিভুজং পীত বসনম। প্রারম্ভে সর্ব কর্মনং বিপ্রং পুণ্ডরীকং স্মরেদ্ধরিম।। মাধব মাধব বাচি মাধব মাধব ঋদ্ধি। স্মরন্তি সাধব সর্ব কার্যেসু মাধবম।। ওঁ শ্রী মাধবম ওঁ শ্রী মাধবম ওঁ শ্রী মাধবম।
২) স্বত্ত্বি বাচন:- ওঁ কর্তব্যহোস্মিন গাং গনেশাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক শ্রী শ্রী সরস্বতী পুজা নিরাজন কর্মানি ওঁ পুণ্যহম ভবন্ত বুব্রন্তু। ওঁ পুণ্যহম ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ পুণ্যহম ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ পুণ্যহম। ওঁ পুণ্যহম। ওঁ পুণ্যহম। ওঁ কর্তব্যহোস্মিন গাং গনপতাদি নানা দেবতা পূজা পূর্বক শ্রী শ্রী সরস্বতী পুজা নিরাজন কর্মানি। ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ স্বত্ত্বি ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ স্বত্ত্বি। ওঁ স্বত্ত্বি। ওঁ স্বত্ত্বি। ওঁ কর্তব্যহোস্মিন গাং গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক শ্রী শ্রী সরস্বতী পুজা নিরাজন কর্মানি। ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তু বুব্রন্তু। ওঁ ঋদ্ধতাম। ওঁ ঋদ্ধতাম। ওঁ ঋদ্ধতাম।
৩) স্বত্ত্বি সূক্ত :- ওঁ সোম যমং রাজনং বরুনা অগ্নিমবার আদিত্য বিষ্ণু সূর্যং ব্রহ্মনাঞ্চ বৃহস্পতি। স্বত্ত্বি ন ইন্দ্র বৃ্দ্ধ শ্রবা। স্বত্ত্বি ন পুষ্য বিশ্ববেদা। স্বত্ত্বি নর্ত্তক্ষ অরিষ্ঠনমি। স্বত্ত্বি ন বৃহস্পতির দধাতু। ওঁ স্বত্ত্বি। ওঁ স্বত্ত্বি। ওঁ স্বত্ত্বি। (আতপ চাল ছড়াতে ছড়াতে বলবেন।) 
৪) সাক্ষ্য মন্ত্র। ৫) সংকল্প ৬) সংকল্প সুক্ত। ৭) মন্ত্রে অধিবাস। ৮)সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন। ৯) দ্বার পুজো ৯) মাস ভক্ত বলি। ১০) আসন শুদ্ধি। ১১)পুষ্প শুদ্ধি। ১২) প্রানায়াম ১৩) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি। ১৪) কর শুদ্ধি। ১৫) মাতৃকান্যস। ১৬)কর ন্যাস । ১৭) অঙ্গ ন্যাস। ১৮) ঋষ্যাদি ন্যাস। ১৯) ধ্যান ও মানস পুজা। ২০) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন। ২১) পঞ্চ দেবতার পুজো। ( গনেশ, সূর্য, বিষ্ণু, শিব, দুর্গা ।) ২২) ধ্যান করে প্রধান পুজো। অর্থাৎ উপাচার উৎসর্গ। এসব মন্ত্র আগেই লেখা আছে। আর লিখলাম না। এবার নির্মাল্য গ্রহণ করে তাতে পুজো, একটি পিতলের গামলা বা থালা বা রেকাব নেবেন যেন সেটা একটু গভীর হয় যাতে হলুদ গোলা জল দেবেন। এবং কুণ্ডু হাঁড়ি থেকে তেকাটা এবং দর্পণ টা নিয়ে ওর উপর বসিয়ে দেখবেন মায়ের মুখ বা পা দেখা যাচ্ছে কি না এবার সংহার মুদ্রায় ঘটের উপর থেকে একটি ফুল তুলে ঐ জলে রেখে সেখানে মায়ের কল্পনা করে পঞ্চ উপাচারে পুজো করুন। অর্থাৎ গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ, নৈবেদ্য নিবেদন করে দিন। 
 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...