Anulekhon.blogspot.com

Monday, 11 January 2021

বড়ো চোর ডাকাতের বিবেক জাগ্রত হোক।

 আজ বাঙালি তথা ভারতের বিবেকের জণ্ম দিন, ১৮৬৩ খ্রীষ্টাব্দের ১২ ই জানুয়ারি, বাঙালি তথা ভারতের বিবেকের জণ্ম। শুভ জন্মদিনে আমার ব্লগের মাধ্যমে শতকোটি প্রণাম ।


দিন টির একটি সুন্দর নাম দিয়েছেন বর্তমান সরকার বিবেক চেতনা দিসব। কারণ এই সরকার ভীষণ উৎসব প্রিয়, এবং সুন্দর নাম করণ করে দেওয়া হয় প্রতিটি বিষয়ে কত ধরনের শ্রী দেওয়া হয়। আর এখনও কত ধরনের শ্রী চালু হচ্ছে, মানুষ ভুলে গেছে। কারণ গাল ভরা নাম আর টাকা বরাদ্দ করে জনগণের করের টাকা লুঠ করার দারুণ সুযোগ করে দেওয়ার এই সব শ্রী এবং নাম, মুষ্ঠিমেয় সাধারণ মানুষ পায়, যারা কমিশন অর্থাৎ কাটমানি বা ঘুষ দিতে পারে তাদের প্রাপ্য। অথচ ক্ষমতা দখল করার আগে এসব বন্ধ করার বানি প্রচার করা হয়েছিল। কোথায় সে সব, কেবল মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্তা ব্যক্তিরা চোর ডাকাত দের ভয়ে তথষ্ট কখন কি যে করে তার ঠিক নেই। ছিঁচকে চোর ধরে শান্তি বিধান করে, কেউ যদি পেটের দায়ে চুরি করে, আর সে যদি ধরা পড়ে তবে তো কথাই নেই, অথচ এই সব বড় চোর দের পাহারা দেয়, এদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে কেমন সুন্দর পুলিশ প্রশাসন ভাবা যায় না। বড়ো বড়ো চোর ডাকাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কত ব্যবস্থা, কোটি কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে। আর সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নেই, টিভিতে দেখা যাচ্ছে চুরির টাকা নিচ্ছে, বড়ো বড়ো ব্যবসার নাম করে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা, তার একটা অংশ নেতা মন্ত্রীরা পকেটে ভরে নিচ্ছে, কিছু দিন পর ঋণ মুকুব করে দাও, যেন মনে হচ্ছে সাধারণ মানুষ মানুষ নয় গোরু ছাগল আর ঐ তথাকথিত ধান্ধা বাজ নেতা মন্ত্রীরা সব মহান পুরুষ, এত ভাল কাজ করেছে যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই মানুষ গুলো আজ গলা ফাটিয়ে এই মহান মানুষের জণ্ম দিন পালন করবে, ঐ যে বিবেক চেতনা উৎসব অথচ এদের বিবেক আছে কিনা সন্দেহ? ভীষণ সুন্দর সরকার চলছে, জনগণের জন্য সব অথচ জনগণের দাম নেই এদের কাছে। পশ্চিমবঙ্গের এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নেতা মন্ত্রীরা মানুষ! আর পুলিশ প্রশাসন দেখুন, দেখুন এই সব চোর দের কেমন নিরাপত্তা দিচ্ছে, নারদা কান্ডের মুখ গুলো দেখুন। 


আবার কিছু বলার উপায় নেই. যিনি বলবেন তার পিছনে লাগার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মানুষ আমাদের নেতা মন্ত্রী এদের বিবেক বুদ্ধি ফিরে আসুক। আজকের এই মহান মানুষের জণ্ম দিনে বিবেক চেতনা দিসব উৎসবে পরিনত হোক। আজ এই মহান পুরুষের মহান একটি বানী, দিয়ে শেষ করছি, সত্যের জন্য সব কিছু ত্যাগ করা যায়, কোন কিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করা যায় না। এই কারণেই এই ছবি দিলাম এতো সামান্য মাত্র আর অনেকেই আছেন, দিল্লির দাদারা আরো সাংঘাতিক, চুরি করে, ব্যবসার করার জন্য ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করে, নিজের ফাণ্ড এবং পার্টি ফাণ্ডে নিয়ে তাদের দেশ ছাড়ার ব্যবস্থা করে দেয়। আর কিছু বছর পর ঋণ মুকুব ব্যস। সাধারণ মানুষের চোখে চোর ধরা পড়ে না। আসুন সবাই মিলে এই রকম জঘন্য মানুষ গুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি। কিছুতেই এই সব মানুষ কে বাংলায় রাজত্ব করতে দেওয়া যাবে না। আজ এই মহাপুরুষের জণ্ম দিনে আমদের শপথ গ্রহণ করি চোর চিটিংবাজ ধাপ্পাবাজ, মিথ্যাবাদী শাসকের বিরুদ্ধে গর্জে উঠি। প্রতিবাদে প্রতিরোধে মুখরিত হোক বাংলা, চোরের বড়ো গলা বন্ধ হোক। 




Sunday, 10 January 2021

খবর টি পড়ে মনে হল, পিঠে ভাগ করা হয়ে গেছে।

 

গল্প টি অনেকেই পড়েছেন, নীতি কথার গল্প, তবে কোথাও বেড়ালের পিঠে ভাগ আছে, কোথাও বানরের, বা হনুমানের পিঠে ভাগ ।আপমোর বাঙালি নির্বাচক গন কি ভাবছে বা তাদের মনোভাব পাল্টাাতে এই রকম খবর অহরহ পরিবেশন করা হচ্ছে,  টাকার বিনিময়েে কেউ কেউ বলেন এতে কিছু যায় আসে না। কিছুটা হলেও প্রভাব ফেলে, অভ্যান্তরীন সমীক্ষায়়   কি আছে?    শাসক দল ১৯০ টি বিজেপি ৮৫ কংগ্রেস   ৬টি বাকি সব অন্যান্য  দল পাবে সিপিএম জিরো। আমি অবাক হয়ে যাচ্ছি চোর ডাকাত দলের সমীক্ষা, ডাকাত আগে থেকেই এলাকায় চর পাঠিয়ে খোঁজ খবর নিয়ে যায়। ডাকাতি করে পালানোর   রাস্তা রেইকি করে রাখে এই সব চুরি ডাকাতির টাকার ভাগ পায় এই সব তথাকথিত মিডিয়া সেই কারণেই, এরা এই গুলো দেখতে পায় না। 


এরকম একটা নয় অনেক আছে কারণ আমি তো সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখি ভরে যাচ্ছে, কিন্তু ঐ সব মিডিয়া টাকার জন্য এখন উঠে পরে লেগেছে চোর কে দস্যুরানি কে তাড়িয়ে দস্যু সর্দার কে বাংলার ক্ষমতায় নিয়ে আসতে। এদের কাছে বামেরা খুব খারাপ কারণ একটা বামেরা চুরি করে জেল হাজতে যায়নি, চুরি না করলে কোটি কোটি টাকা ওদের দেবে কোথা থেকে? সে কারণেই বামেদের ভালো লাগে না, বামেদের আমলে বেকার ছেলে মেয়েরা চাকরির জন্য অনশন করে নি, কারণ অনশন না হলে মানায়, বাংলার এবং বাঙালি কে ধ্বংস করার পরিকল্পনা করা হয়েছে এই সব মিডিয়া আর ব্রিটিশদের পা চাটা কুত্তার দল, এদের নরেন গোঁসাই এর দল, যারা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন কিছুতেই পছন্দ করে নি, পা চেটে গেছে এখন সেই স্বভাব টা ছাড়তে পারে নি। এরা সেই সব মানুষ যারা ক্ষুদিরাম, প্রফুল্ল চাকি, বিনয় বাদল দিনেশ, সূর্য সেন, আরও যে সব মহান স্বাধীনতা সংগ্রামী নিজের জীবন বিপন্ন করে আমাদের স্বাধীনতা এনেছে তাদের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে ছিল। কেবল টাকার জন্য, ঘুষ তো ছিল মামুলি ব্যপার আসল কথা ছিল রাহাজানি। এই সব মিডিয়া এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের প্রশংসা ছাড়া আর কিছুই জানে না। জনগণ উচ্ছন্নে যাক, টাকা চাই, বাংলার মানুষের দূর্দশা এবং তাদের দাবি নিয়ে মিছিল মিটিং এরা দেখতে পায় না। এরকম আরো অনেক মিডিয়া আছে, যারা বাংলার মানুষ কে প্রতি নিয়ত ভুল বোঝাচ্ছে। আর বাংলা কে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাচ্ছে, ধর্মের নামে মানুষে মানুষে হানাহানি, এদের মুখ রোচক খবর, নেতা মন্ত্রীর চুরি ওটা কোনো ব্যাপার না। আজ দশ বছর বামেদের জেল হাজতে দেবার জন্য কত কমিশন গঠন করা হয়েছিল। আবার সি বি আই তদন্ত হয়েছিল। তাতেও বাম নেতারা ও মন্ত্রী দের জেল হয় নি, সি বি আই, ঈ ডি, এদের ডাকে না। এসব খবর এরা পায় না। কোথায় ছেঁড়া হাওয়াই চটি পরে আছে, পোড়া রুটি খাচ্ছে, কার বৌ কোন দলে যাচ্ছে, কে ডিভোর্স দিচ্ছে, কোন অভিনেত্রীর কটা বিয়ে করল। ওদিকে দিল্লির ঐ হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় কৃষক তথা অন্নদাতারা তাদের দাবি আদায়ের জন্য দিল্লির সীমান্তে বসে আছে। অমানবিক সরকার ও তার দুই মন্ত্রী যাদের মানুষ বললে ভুল হবে। অমানুষ, সেই রকম আমার রাজ্যও সরকার ছেলে মেয়েরা চাকরির জন্য অনশন করলেন তবুও তাদের নিয়ে নানা টালবাহানা এখনও নিয়োগের দেখা নেই। আর এই সব চোর ডাকাত দলের হয়ে ঢাক পিটিয়ে যাচ্ছে। এই সব সমীক্ষা মানুষ কে বিভ্রান্ত করার জন্য। যাতে চোরের দল আবার ক্ষমতায় আসে। ছিঃ ছিঃ বাঙালির এতটা অধপতন ভাবা যায় না। চোরের ডাকাতের রেইকি দার হয়েই রয়েছে ছিঃ বাঙালি ছিঃ। 

Monday, 4 January 2021

রেলের কাছে আবেদন।


 দীর্ঘ লক ডাউনের পর, বহু প্রতীক্ষিতরেল পরিষেবা শুরু করেছে রেল, কিন্তু যে অব্যবস্থা আগেও ছিল এখনো রয়েে গেছে। জানা নেই কতটা যাত্রী দের কথা ভাবে রেল কর্তৃপক্ষ কারণ যখন আট মাস রেল বন্ধ ছিল তখন রেলের কাজ করে নি। এখন মনে পরেছে প্রতি দিন নির্দিষ্ট সময়ে পাওয়ার ব্লক করে কাজ ট্রেন ঘন্টার পর ঘন্টা স্টটেশনে দাঁঁড়িয়ে থাকছে। এটি একটি বিশেষ যন্ত্রণা দায়ক ব্যপার, আর শেওড়াফুলি থেকে তারকেশ্বরপর্যন্ত, দিয়ারা, সিঙ্গুর, নালিকুল, হরিপাল, প্রতিটি স্টেশনে বয়স্ক মানুষের পক্ষে   টিকিট কেটে ট্রেনধরা ভীষণ কষ্ট কর। প্রতিটি স্টেশনে টিকিট কাটতে যেতে হবে এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে আর ট্রেন আসে দুই ও তিন নম্বরে। ওভার ব্রিজ সেত স্বর্গের সিঁঁড়ি রাবন যা পারেনি রেল করে দেখিয়েছে। কোন বয়স্ক মানুষ কে দু তিন বার এপার ওপার করতে বললে তিনি অসুস্থ হয়ে পরবেন। কামারকুণ্ডু সেতো কথাই নেই, নীচে টিকিট কেটে ওপরে অর্থাৎ স্টেশনে আসতে আসতে ট্রেন ছেড়ে চলে গেছে অনেক সময়। জানা নেই, রেলের কানে পৌঁছবে কিনা? কারণ এ সমস্যা দীর্ঘ দিনের, মাঝে কিছু দিন সিঙ্গুরের রিজার্ভ ভেশন কাউন্টারে পাশে একটি কাউন্টারে নিত্যযাত্রীদের টিকিট দেওয়া হতো। লক ডাউনের পর সেই ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। এসব দেখে মনে হচ্ছে, রেল বিক্রির প্রস্তুতি চলছে, কারণ কেন্দ্রে বেচারামের সরকার চলছে। কোন দিন দেশের মানুষ কে বেচে দেবে এই জনগণের বিরোধী সরকার। এরকম অমানুষ কি করে ক্ষমতা দখল করে সেটাই বোঝা যাচ্ছে না। পশ্চিমবঙ্গের সরকার মুখে বলে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই করে না। কারণ আপাদমস্তক দূর্নীতি গ্রস্থ সরকার পেছনে সি বি আই তদন্ত, চুরির তো শেষ নেই, যে ভাবে হোক টাকা চাই। সে কেন্দ্র হোক আর রাজ্যের সরকারের মন্ত্রী নেতা কর্মীদের টাকাই সব জনগণ মরে মরুক। তাই রেল কাছে নিবেদন আপনারা অন্তত একটু মানবিক হন! 

Saturday, 2 January 2021

প্রতি নির্বাচনের আগে এই বিজ্ঞাপন দেখে মনে ভোট আসছে।


 প্রতিটি নির্বাচনের আগে এই রকম বিভিন্ন প্রকার কাজ বা উন্নয়নের বিজ্ঞাপন দেখে আসছি, সত্যি বলছি যদি এই কাজ এবং নিয়োগের বিজ্ঞাপন যদি সত্যি সব হতো, তাহলে আজ বাংলা  সত্যিই সোনার বাংলায় পরিনত হয়ে যেত। একজনও বেকার থাকত না। বাঙালি গত দশ বছরের মধ্যে যত রকম নির্বাচন হয়েছে প্রতিটি সময় খবরের কাগজ ভর্তি বিজ্ঞাপন দেখেছে। সবাই বলবেন কেন কাজ হয়নি, হ্যাঁ হয়েছে, শাসক দলের বেশ কিছু নেতা কর্মীদের দেখলেই বোঝা যাবে, এই দশ বছরে বাংলা সোনার বাংলা হয়েেছে। আমি গত ২০১৭ সাল থেকে ডিজিটাল রেশন কার্ড   পাওয়ার জন্য আবেদন জমা করেছি, অফিস থেকে বার বার বলা হয়েছে আপনার আবেদন হারিয়ে গেছে আবার করুন। গত বছর ২০২০ সালের পুজোর আগে একই ঘটনা ঘটে, একটা বিষয় ভাবার আছে হারিয়ে ফেলছে আমাকে করতে হবে মিসিং ডাইরি না হলে আবেদন করা যাবে না। যাহোক বারবার যোগাযোগ করার পর গত ডিসেম্বরে ঐ মিসিং ডাইরি ছাড়া আমার আবেদন আবার জমা করতে পেরেছি, জানা নেই কি হবে? আদৌ কোন কাজ হবে কিনা? আমি তো প্রায় দিনই দেখি আমার মতো একশ দুশো লোক প্রতি দিন রেশন কার্ড পাওয়ার জন্য বা সংশোধন করতে লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সব ডিজিটাল অন লাইন কিন্তু অত বড়ো লাইন পরছে। এর পর অর্ধেক দিন সার্ভার ডাউন থাকে। বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত শ্রেণি কক্ষ তার প্রথম শর্ত প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষক দের টি এম সি হতে হবে, তবে পাবে না হলে অনেক শর্ত জুড়ে দেওয়া হবে। বিদ্যালয়টির নীচে ঘর করার জায়গা চাই। আর ও অনেক কিছু আছে ওসব কথা অনেকে বার লিখেছি, তবে একটা বিষয় না লিখে পারলাম না দিদি এতো ভালো ভালো কাজ করে চলেছেন, তবুও তার দলের ছোট বড়ো মাঝারি নেতারা বিজেপি তে যোগ দিচ্ছে। কারণ যত কাজ তত কাটমানি, থুরি উপরি ইনকাম। কোন ব্যবসা চাকরি বা কাজ না করে কোটি কোটি টাকার মালিক। রাজনীতি করা এখন একটা পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছে এই মহান মানুষরা সাধারণ মানুষের কথা এরা ভাবেই না। জানে গরীব মানুষ কে সামান্য কিছু দিয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া যায় এই রাজনীতি করে। যদি সত্যি সমাজ সেবা করার জন্য রাজনীতি হতো তাহলে এত দল থাকত না। আর আজ এ দল কাল ও করত না নেতারা, যে দলে থাকলে বেশি টাকা উপার্জন করতে পারে সেই দলে নাম লেখায়। এদের একটু লজ্জা বোধ নেই একটা দলের প্রতীক নিয়ে জিতে গেল, যে দলকে মানুষ ভোট না দিয়ে তাঁকে ভোট দিয়ে জিততে সাহায্য  করল, তিনি সেই ভোটারদের সাথে বেইমানি করে যে দল কে, ভোটে মানুষ বয়কট করেছে সেখানে নাম লেখালেন। ভালো মানুষ তো তাই এসব করে, আনন্দ পান, ঐ মাথায় অক্সিজেন কম যাওয়া নেতা, কখন পুলিশ কে বোম মারতে বলছেন, কখনও উন্নয়ন কে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকছে, কখনও চড়াম চড়াম দেবেন। কে বলছে নারকেল মুড়ি খাওয়াতে, যাহোক জনগণ সত্যিই বোকা , দু টাকার মদ খাইয়ে আর ভাগারের মাংস খাইয়ে ভোট নেওয়া, সাধারণ মানুষের মধ্যে দু এক টাকা  বিলিয়ে দিয়ে, দাঙ্গা লাগিয়ে দেওয়া ।যাহোক আরো বেশি বেশি করে ভোট দিয়ে দিদি কে জিতিয়েে আনতে হবে। 

Friday, 1 January 2021

বাম আমলের একটা প্রচলিত কথা ছিল, পঞ্চায়েতের ঝাড়ুদারও প্রাথমিকের শিক্ষক দের মিটিং ডাকে।


 বাম আমলের শেষের দিকে একটা কথা প্রচলিত হয়ে গিয়েছিল, যে পঞ্চায়েতের ঝাড়ুদারও প্রাথমিকের শিক্ষক দের মিটিং ডাকে । এখনও সে অবস্থা বদলায় নি, কারণ বামেদের শেষের দিকের কাজের রেশ ধরে এই সরকার চলছে, তাই পরিবর্তন হয়েছে ঠিক কিন্তু সরকারের ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়নি। এখন আবার নয়া ব্যযবস্থা, কোন সরকারী জিও G. O লাগে না, কেবল হোয়াটস এ্যাপ করে দিলেন হবে। কত রকম কাজ যুক্ত করা হয়েছে, পোশাক দেবে স্বনির্ভর গোষ্ঠী দায় শিক্ষকের, এই করোনা কালেও প্রতিটি ছাত্র ছাত্রীর বাড়ির ফোন নম্বর, এবং ঠিকানা দিয়েও, আজ ২০২০ সালের পোশাক দেওয়া শেষ হয়েও হয়নি। চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীরা কেউ কেউ নেয় নি কারণ তারা অন্য   বিদ্যালয়ে চলে গেছে, সে. বিদ্যালয়ের পোশাক আলাদা এবার দায় কার কেন শিক্ষকের। মাইনরিটি ছাত্র ছাত্রী একশ শতাংশ আবেদন কেন করেনি দায়িত্ব শিক্ষকের। সব থেকে বেশি ব্যপার এই মি ডে মিল, এখানে আগে ছিল মি ডে মিল সুপার ভাইজার এখন সে রকম দু জন এসে হাজির হয়েছেন। একজন বি ডিও অফিসে থাকেন, তিনি নিজে কে বি ডি ও এস ডিও বা আরো কিছু ভেবে ফেলেছেন। শিক্ষক দের সাথে কথা বার্তা ব্যবহার শুনে মনে হবে তিনি বিরাট জ্ঞানী শিক্ষক কুল মানুষ নয়। পারলে ধরে ফাঁসি দিয়ে দেবেন, আর বর্তমানে আরেক জন তিনিও কম যান না, যখন তখন যা পারেন হোয়াটস এ্যাপের মাধ্যমে দিয়ে বলে দেন এখুনি চাই হায়র অথরিটি বলেছে। কে এই হায়ার অথরিটি ঐ বিডিওর অফিসে বসে থাকা লোক টি, কোন সরকারী জিও নেই, যেমন এই গত কাল সন্ধ্যায় একটি আদেশ দিলেন ইউ বি আই ব্যাঙ্কে যাদের মি ডে মিলের এ্য্যকাউন্ট আছে তারা   ব্যাঙ্কের বই এর প্রথম পাতা ছবি তুলে মেইল করে পাঠাবেন, ৩/১/২০২১ এর মধ্যে। কারণ ইউ বি আই ব্যাঙ্ক. পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক হয়ে গেছে, তাই, ভাবুন এতো মাস মানে গত বছর এপ্রিল থেকে এই পরিবর্তন হয়েছে মি ডে মিলের টাকা দিতে অসুবিধা হয়নি। কিন্তু এই তিন দিনের মধ্যে তার ভেতরে এক দিন রবিবার না দিলে টাকা দেওয়া যাবে না। যথারীতি ব্যাঙ্কে যাওয়াা এবার উল্টো অভিজ্ঞতা ব্যাঙ্কতো কোন রকম পাসবুক পরিবর্তন করে দিলেন না, প্রথম পাতায় ওসব কথা আর বলে কাজ নেই বললেন আপনার অফিসার কে পাঠিয়ে দিন বলে দিচ্ছি। শিক্ষক মশাই কি করেন বলে দেওয়া হয়েছে ঐ গেটের সামনে আই এফ এস সি নম্বর মারা হয়েছে আপনি ছবি তুলে নিনি। এ্যাকাউন্ট নম্বরে কোন পরিবর্তন করা হয়নি। এই আই এফ সি  নম্বর টি সব  এ্যাকাউন্টের এক এবং অন লাইন সার্চ করে পাওয়া যাবে, না ঐ যে.    হায়ার অথরিটির আদেশ, সেই হায়ার অথরিটি কে যত বার ফোন করি ফোন সুইচ অফ, যাহোক ছুটির দিন তো মেইল পৌঁচ্ছে কিনা বুঝতে পারছি না, না পেরে হোয়াটস এ্যাপ করে, লিখলাম ফোন সুইচ অফ করে রেখেছেন। আমরা কি মানুষ নয়, ব্যস আর যায় কোথায়? তিনি ফোন করে বলতে লাগলেন বাড়িতে তাঁর বিপদ আমাকে পরিস্থিতি বুঝে হোয়াটস এ্যাপ ম্যাসেজ করা উচিত ছিল। কেন লিখেছি আমরা কি অমানুষ? তিনি যে ভাবে আমাকে ধমকালেন চমকালেন তাতেও আমার মনে হচ্ছে আমি ম্যাসেজ করে কত অন্যায় করে ফেলেছি। উনি বড়ো অফিসার আমি ওনার অধীনে কাজ করা একজন শিক্ষক, আমি ওনাকে হোয়াটস এ্যাপ করে খুব ভালো কাজ করিনি। এর পর হয় তো কোন দিন বলবে ক্যাশবুক করেনি কেন? ঐ ব্যাঙ্ক আজ দশ মাস হলো পাস বই আপডেট করতে পারা যায় নি। ও সব শুনতে ওই রকম বড়ো অফিসারের বয়ে গেছে, দায় তো শিক্ষকের, এরকম অফিসারের কাছে আমার মতো শিক্ষক মানুষ নন। পারলে ধরে ফাঁসি দিয়ে দেন? এটাও ঠিক টাকা না দিলে বন্ধ থাকবে ঐ চাল আলু দেওয়া। কারণ নিজের টাকায় কীর্তন গাওয়ার অভ্যাস ছিল সেটা ছেড়ে দিয়েছি। কারণ ২০১১ সালের মিড ডে মিলের তিন মাসের টাকা নিজের থেকে দিতে হয়েছে। এই সরকার ক্ষমতায় এসে প্রথম তিন মাস টাকা দেয় নি ১১৩৩৪ টাকা দেনা শোধ করতে হয়েছে। কেবল আমাকে নয় গোটা ব্লকের শিক্ষক দের। কি ভাল না, একদম বাম আমলের শেষের দিকের শেষ দু তিন বছর ধরে যা হয়েছে আজ প্রায় দশ বছর ধরে সেই ধারাবাহিক ভাবে চলে আসছে বরং বেড়েেছে, তখন তবুও একটা কাগজ পত্র থাকত তাতে একটা G. O নম্বর থাকত এখন তো একটা ফোন বা হোয়াটস এ্যাপ, আবার সেটা এক পক্ষ অন্য পক্ষ তথা শিক্ষক দের কিছু বলার অধিকার নেই। যা বলবে তাই সাথে সাথে দিতেই হবে না হলে, এই যে ফোন করে ধমক চমক। 

Thursday, 31 December 2020

সাহসী ছাত্র ছাত্রী দের আমার কুর্নিশ।


 এখানে এই ছবিটি একটি ভিডিও ফুটেজ থেকে নেওয়া, এখানে এক দল সাহসী ছাত্র ছাত্রী, শাসক দলের মিছিলের পাশে দাঁড়িয়ে, শ্লোগান দিচ্ছে, ওয়ান টু থ্রি ফোর, তৃণমূলের সব চোর। চাল চোর, ত্রিপল চোর, কাটমানি খোর, তৃণমূলের সব চোর। আমি একজন শিক্ষক, ওদের এই সাহস আর স্পর্ধা কে কুর্নিশ জানাই, যে কথা অনেক শিক্ষিত মানুষ বলতে পারেন না। চোরের দল থেকে চোর হয়ে যায়, অধ্যাপক থেকে উকিল সবাই। মিথ্যার ফুলঝুড়ি ছোটে, ভুল বকে মানুষ কে বিভ্রান্ত করে তবুও সেই সব মহান শিক্ষিত মানুষ চুপ করে থাকে। সেই বাংলায় দাঁঁড়িয়ে তোদের মত ছাত্র ছাত্রীর এই সাহস কে প্রশংসা করে ছোট করতে চাই না। আমি তোদের কুর্নিশ করি, তোদের হাত ধরেই আসে মুক্তি সেই স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় থেকেই স্বাধীনচেতা, স্পট বাদী প্রতিবাদী ছাত্র ছাত্রীদের হাত ধরে আসুক এই ফ্যাসিবাদ থেকে মুক্তি। মিথ্যার ফুলঝুড়ি আর চুরি এবং সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে সমগ্র ভারতের মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে, বাঙালির মাথা   হেঁঁট হয়ে যাচ্ছে। এই সব ভদ্র চোরে দের কোন হুঁশ নেই, চোরের দলের নেতা কর্মী মন্ত্রী এদের গলার জোর এবং ক্ষমতার জোরে বিচার ব্যবস্থা কে চুপ করিয়ে রাখা এদের কাজ। সাধারণ ভোটার কি করে কেউ ছিঁচকে চোর ধরে পেটায় আর এই সব ভদ্র ডাকাত কে ভোট দিয়ে জিততে সাহায্য করে। যাতে আরো বেশি করে চুরি করতে পারে, ২০০ টাকা মজুরি পেত সেরকম নেতা আজ ২০০ কোটি টাকার মালিক। সত্যিই আমরা সেই বাঙালি ভাবতে লজ্জা লাগে, যে বাঙালি একদিন গোটা ভারত কে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে সশস্ত্র বিপ্লবে ঝাঁপিয়ে পড়ে ছিল, মাস্টার দা সূর্য সেন, বিনয় বাদল দিনেশ ক্ষুদিরাম বোস সুভাষচন্দ্র বোস আরও অনেক বলে শেষ করা যাবে না। সেই বাঙালি আজ চোর ডাকাতের সেবা করছে,আর চোর তাড়িয়ে চরম মিথ্যাবাদী বাঙালি বিদ্বেষী এক দল লোক কে ডেকে আনতে চলেছে এই বাংলায়। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে তোদের এই সাহস আমাকে মুগ্ধ করে দিয়েছে। আজ মনে হচ্ছে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা ছাত্র দলের গান কবিতার স্তবক গুলো কতটা প্রাসঙ্গিক, তোরা ভালো থাকিস। 

Tuesday, 29 December 2020

বাংলায় আজও মিজাফরেরা আছে ।


 ভারত বর্ষ এখন কালো ইংরেজদের দখলে, এদের হাত থেকে মুক্তি পেতে মানুষের লড়াই চলছে। দেশের অন্নদাতারা  দিল্লির হাড় কাঁপানো ঠান্ডায় বসে আছে। কারণ তাদের চাষ করা এবং চাষ করে ফসল বিক্রি করার স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। এক কালা কানুন তৈরি করে, এর বিরুদ্ধে সারা দেশে অন্ননদাতারা আজ পথে নেমে আন্দোলন করছে। দিল্লির দুই ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ দুই ব্যক্তি নিজেকে সর্ব শক্তিমান ভেবে নিয়ে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক কে মানুষ বলে মনে করে না। এত বড়ো অসভ্য অভদ্র মানুষ যাদের মানুষ বললে. রাস্তার  সারমেয়র দল লজ্জা পায়। এহেন অসভ্য জানোয়ার গুলো কে বাংলায় ডেকে আনছে এক দল বাঙালি এই বাঙালির দল বা লোক গুলো হলো আজকের মিরজাফরের দল। অমিত শাহ আর মোদী চরম বাংলা বিদ্বেষী মুখে একদম গদগদ অন্তরে অন্তরে জ্বলে ওঠে কারণ একটা দেশের স্বাধীনতা. আন্দোলন এখান থেকে শুরু হয়েছিল। ওরা মানে গুজরাতিরা সব সময়ে ইংরেজ দের দালালি করে গেছে। অনেকেই বলবেন কেন গান্ধীজি, গান্ধীর ভূমিকা অনেকেই জানেন না সে কারণেই বলেন তিনি সব সময় চাইতেন ওখান কার মারোয়ার ব্যবসায়ীরা যাতে ইংরেজের সাথে সমান ভাবে ব্যবসা করার সুযোগ পায়। সেই কারণেই ডাণ্ডি না  ঠাণ্ডি অভিযান। অনেকেই জানেন না অসহযোগ আন্দোলন প্রথম শুরু করে হয়েছিল এই বাংলা ভাগ কে কেন্দ্র করে সেটা গান্ধী সারা ভারতে করার জন্য আহ্বান জানান, কিন্তু অসহযোগ আন্দোলন যখন চরম পর্যায়ে ইংরেজ সরকার আন্দোলন কিছুতেই থামাতে পারছে না, সেই সময়ে একটি ছোট ঘটনা ( চৌরিচোরা থানায় আগুন) দেওয়া কে কেন্দ্র করে আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন। উনি নানা রকম ভাবে ইংরেজ কে সাহায্য করে গেছেন, ধর্মের নামে দেশ ভাগের পক্ষে ছিলেন কি না জানি না, তবে বাংলা আর পাঞ্জাব ভাগে ওনার ভালো লেগেছে। বিশেষ করে তৎকালীন উত্তর ভারতের কিছু কংগ্রেস নেতার কারণ বাঙালি জাতির আন্দোলন সে সশস্ত্র হোক কিংবা যে কোন বিষয়ে গান্ধীজি দেখেছেন, তার সাথে পাঞ্জাব ছিল, ইংরেজ মনে মনে প্রাণে চাইত ভারতের এই দুটি জাতি কে ধ্বংস করে দিতে। আগুনে ঘি দিয়ে স্বাধীনতার দেওয়ার সময় গদির লোভে মুসলিম লীগ আর হিন্দু মহাসভার নেতারা ধর্মের নামে ভারত ভাগ করে ছিলেন। সেই হিন্দু মহাসভার একটা প্রতিষ্ঠান পরে নাম হয় আর এস এস আর এদের ক্ষমতা শীল দল হচ্ছে বিজেপি। এরা জানে বাঙালি জাতির ঐক্য ভেঙে দিতে পারে তাহলে তারা আবার গোটা ভারত কে লুট করে খেতে পারবে। ব্যবসার নামে, শিক্ষিত বাঙালি জানে বর্তমানে যে আঠাশ জন ব্যবসায়ী, ব্যবসা করার নামে ঋণ নিয়ে শোধ না করে বিদেশে চলে গেছেন, তার মধ্যে ২৪ জন গুজরাতি সেই সব টাকা জন গনের কাছ থেকে বিভিন্ন ভাবে আদায় করছে এই গুজরাতি সরকার। এখন দিল্লির সরকার ভারতের সরকার নয় গুজরাতি সরকার, যে সরকার তার রাজ্যের ব্যবসায়ী কে ঋণ দেয় সেই টাকা পার্টি  ফাণ্ডে আসে, চলে নানা বিঞ্জাপন, কিছু দিন পর ঋণ মাপ করে দেওয়া হয়। আর যাতে এই গুজরাতি ব্যবসায়ীর দল ঠিক ভাবে লেবার পায় সেই কারণেই এন আর সি সি এএ ইত্যাদি করে গরীব খেটে খাওয়া মানুষ কে ডিটেশন ক্যাম্প করে রেখে দেওয়া সেখান থেকে শ্রমিক যাবে কম মজুরি বা বিনা পয়সার চাকর। যেমন গুজরাতে ট্রাম্প আসার আগে যা পাঁচিল তুলে ঢেকে দিতে হয়েছে। আমি জানি না বাঙালির ভাগ্যে কী আছে একদল চোর তোলা   বাজ আর একটা চরম মিথ্যাবাদী অর্থলোভী ক্ষমতালোভী মহিলার জন্য আজ বাঙালি অন্দরে প্রবেশ করতে পারছে এই রকম, দুই অসভ্য শাসক, যারা খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে মানুষ বলে মনে করে না। এরা ক্ষমতার দম্ভে এতটাই অন্ধ হয়ে গেছে, সেটা বোঝা গেছে এই মহামারীর সময়ে কর্পোরেটের বা ধনীর দালাল এই শয়তান আজ ক্ষমতায় আরে সব যদি দেশের মানুষের ভালোর জন্য করে থাকিস তাহলে নিরাপত্তা রক্ষী নিয়ে ঘুরিস কেন? মানুষের উপকার করলে ভয় কীসের, আসলে নিজের আখের গোছানো এদের লক্ষ, বাংলার দিদি এবং ভাইপো এবং তাদের দলের নেতা মন্ত্রীরা মানুষের এতো ভালো করেছে মানুষের সাথে মিশতে ভয় পায়, নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে ঘোরে দেখ আমি কত বড়ো নেতা। একটা বিষয়ে ভেবে পাই না, কোন মহে মানুষ এই চোরে দের মিছিলে হাঁঁটে, ছি: ছি:। বাঙালির লজ্জা এই দিদি আর তার দলের লোক জন একটাও যদি ভালো হতো বলা যেত সব কটা চোর এবং এখন চুরি করে সি বি আই তদন্ত থেকে বাঁঁচতে দাদার মানে মোদী আর ভারতের সব থেকে শয়তান ব্যক্তি বাঙালি বিদ্বেষী অমিত শাহর পিছনে পিছনে ঘুরছে। আমি খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষ গুলো কে বলছি যদি ক্রীতদাসে পরিনত না হতে চাও আবার সেই ভুট্টা মাইলো এবং কুত্তার মতো ছুঁঁড়ে দেওয়া কটি বাসি রুটি না বা যবের আটা না খেতে চাও তাহলে এই দিদি আর মোদী কে বাংলা থেকে হঠাও। 

Monday, 21 December 2020

শিক্ষা আজ কাঁচের ঘরে বন্দি।


 আজ দেশ মহামারীর সম্মুখীন সমগ্র দেশের সাথে পশ্চিমবঙ্গগে এই মহামারী হানা দিয়েেছে আজ থেকে নয় মাস আগে। চার ঘন্টার নোটিশে বন্ধ হয়ে গেছে গোটা দেশ, অর্থাৎ লক ডাউন, দিদি অবশ্য তার এক সপ্তাহ আগে স্ককু কলেজ বন্ধ করে রাখার নোটিশ দিয়ে ছিলেন। সেই বন্ধ হয়ে গেছে আর সরকারের কোন আদেশ নেই, খোলার বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার, আন লক পর্ব শুরু হয়েছে, সব খুলে দেওয়া হচ্ছে কেবল বিদ্যালয় খোলার প্রয়োজন নেই। সরকারি কোন পরিকল্পনা নেই, খোলার সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে বেসরকারি বিদ্যালয় বাড়বে। এর মধ্যেই বিভিন্ন কর্ম কাণ্ড চলছে বিদ্যালয় গুলো মাসে মাসে মিড ডে মিল এর চাল আলু বিতরণে করা। আর বাংলা শিক্ষা পোর্টাল যে    ওয়েভ সাইট টি প্রোভাইড করে  যে কোম্পানি তার চরণে শত কোটি প্রণাম, সত্যিই শিক্ষক জব্দ করার জন্য ওটা বানান হয়েছে। অদ্ভুত একটা ব্যাপার হচ্ছে এখন, বিদ্যালয়ের শেষ শ্রেণীটির কেবল টি, সি আউট করা যাবে, অন্য শ্রেণির নয় এদের ধারণা বিদ্যালয় থেকে কেবল শেষ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীরা টিসি নেয় অন্য কোন শ্রেণির ছাত্র ছাত্রী নিতে পারে না! আবার শুনলাম বিভিন্ন জেলা বিভিন্ন ভাবে খুলছে এই সাইট উত্তর ২৪পরগনার এক শিক্ষক বলছেন ওনার জেলায় টি সি আউট এবং টি সি ইন দুটোই হচ্ছে। আমার জানা নেই এরকম হয় কিনা? একই ওয়েভ সাইট দুই জেলায় দু রকম কাজ। ডিসেম্বর মাসে ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করার জন্য বলা হয়েছে, কিন্তু ঐ সাইটে নাম নথিভুক্ত করা যাবে না। এই সাইট যারা নিয়ন্ত্রণ করেন একটা অদ্ভুত ব্যপার সেদিন দেখলাম মায়ের নাম উধাও কিভাবে হলো বোঝা যাচ্ছে না। কারণ মায়েে নাম বাধ্যতামূলক দিতেই হবে না হলে সেভ করা যায় না। সেই মায়ের নাম বা বাবার নাম ওখানে নেই, আসলে ঐ শিক্ষক কে জব্দ করতে হবে তার একটা ব্যবস্থা, কাঁচের ঘরে বসে আর কাজ নেই কেবল ফন্দি আঁটছে কি করে শিক্ষক দের জব্দ করা যায়। 
এবার আসুন বই এর কথায়, বলা হচ্ছে গত ২০২০ সালের বাংলার শিক্ষা পোর্টালের ছাত্র সংখ্যা দেখে বই দেওয়া হবে। অর্থাৎ গত ২০২০ জানুয়ারি তে প্রাক প্রাথমিক শ্রেণিতে যত জন ভর্তি হয়ে ছিল ঠিক তত গুলো বই দেওয়া হবে এবারও, আর প্রথম শ্রেণীর ক্ষেত্রেও একই এবার দু এক বা তার চেয়ে বেশি ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হলে বই পাওয়া যাবে না। এ ক্ষেত্রে কাঁচের ঘরের বেশি বুদ্ধিমান লোক গুলো বলছেন ছাত্র তো কমে বাড়ে কি করে? এমন কিছু বিদ্যালয় আছে যেখানে বেসরকারি স্কুল থেকে এসে প্রাক প্রাথমিক ও প্রথম ও অন্যান্য শ্রেণিতে ভর্তি হয়েছে। ঐ ছাত্র ছাত্রী দের বাড়তি বই দেওয়া যাবে না। কারণ তারা মানে কাঁচের ঘরের বুদ্ধিমান লোক গুলোর বক্তব্য বেসরকারি বিদ্যালয় হয় কি করে সরকার এত সুযোগ দিচ্ছে। দারুণ বুদ্ধিমান কারণ টা আমি একটু বলি ওখানে তিন বছরে ভর্তি করা হয়, নার্সারি, কেজি ওয়ান, কেজি টু, কোথাও চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত আছে আসুন সিঙ্গুর ব্লকে দেখে যাবেন। এই চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত যে বেসরকারি বিদ্যালয়ে পড়ানো সেখানে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে বেসরকারি বই এর পাশাপাশি সরকারি বইও পড়ানো হয়। বাজার থেকে কিনে নিয়ে আসে অভিভাবকরা। এই বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা পাশের উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সরাসরি ভর্তি হতে পারে, কিন্তু পাশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী দের লটারি করে ভর্তি করা হয়। এই সব বিদ্যালয় তৈরি হয়েছে, সরকারি ভুল শিক্ষা নীতির কারণে, ১) এক দিন কম হলে প্রাক প্রাথমিক বা অন্য শ্রেণিতে ভর্তি করা যাবে না। (কেবল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বাদে) বাবা মা কে দিন দেখে ছেলে মেয়ে জণ্ম দিতে হবে, তারিখটা যেন ৩১/ ১২ হয়। ২) বই, প্রাক প্রাথমিকের কাটুম কুটুম আর মজারু, যাতে পড়ার বা শেখার মত কিছু নেই, আর আমার বই ওতো ফালতু না আছে ঐ বয়স অনুযায়ী বাংলা না আছে অঙ্ক, যে ইংরেজি আছে শেখার বা শেখানোর মতো নয়। কেজি টু থেকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণীতে ভর্তি হয়ে  যে বই তারা পড়ে অর্থাৎ আমার  বই ওর থেকে ভালো কিছু   শিখে আসে কেজি টুতে। তৃতীয় চতুর্থ শ্রেণীর জন্য অঙ্ক বাাংলা    ইংরেজি, যেভাবে ইংরেজি তৃতীয় শ্রেণিতে আছে ও এই গ্রামের অর্ধেকের বেশির ভাগ ছাত্র ছাত্রী পড়তে পারে না, কারণ প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে সে ভাবে ইংরেজি পড়ানোর ব্যবস্থা নেই তাই। এতো গেলো বই এর পর    আছে শিক্ষক দের পড়ানোর আন্তরিকতার অভাব সব. শিক্ষক চায় প্রাক প্রাথমিক শ্রেণিতে পড়াতে কারণ কিছু পড়ানোর নেই মূল্যায়ন করতে হবে না। এই লক ডাউনে আন লক ডাউনে কত জন প্রাথমিক শিক্ষক বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন খোঁজ নিয়ে দেখুন, আর কত জন হোয়াটস এ্যাপ গ্রুপে আছেন এবং ছাত্র  দের একটা পাতা পড়ানোর জন্য ঐ গ্রুপে দিয়েছেন। তাদের একটাই কথা সরকারি আদেশ নেই। তাহলে তিন নম্বর কারণটা বুঝতে পারছেন আপনাদের কাঁচের ঘরে বসে থেকে শিক্ষা পরিচাালনা। আর বলেছেন না এতো কিছু দিচ্ছে  সরকার  ঠিক কথা, ২০২০ সালের পোশাক এখনও অনেক বিদ্যালয়ে পৌঁছয় নি অথচ চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীরা অন্য উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে গেছে। কাঁচের ঘরে বসে শিক্ষা নীতি বানালেে যা হয়। রাজ্যের সব খুলে দেওয়া হচ্ছে কেবল বিদ্যালয় বাদে। বলুন তো রাজনৈতিক দল গুলো মিটিং মিছিল করতে পারেন অর্ধেক নেতা ও সমর্থকদের মুখে মাস্ক নেই, দূরত্ব মানা নেই। কেবল বিদ্যালয়় খুললে করোনা  যাবেে ।আসলে পরিকল্পনার অভাব, কারণ মিড ডে মিল বসে না খাওয়ার ব্যবস্থা করে যেমন দেওয়া হচ্ছে দিয়ে, ছাাত্র ছাত্রী সংখ্যা অনুযায়ী দুবেলা বিদ্যালয় খোলা যায়। আসলে শিিক্ষা আজ কাঁচের ঘরে বন্দি হয়ে আছে। সেখান থেকে নির্দেশ ঐ ওয়েভ সাইট যে প্রধান শিক্ষকের মরা বাপ শশ্মান থেকে উঠে এসেও খুলতেে পারে না। সে রকম একটা সাইট   করে এই করুণ ঐ করুন নির্দেশ দেন। আসলে ও গুলো প্রধান শিক্ষক কে জব্দ করার জন্য তৈরি করা বা আদেশ  দেন। জানেন বেশির ভাগ প্রধান শিক্ষক নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতির লোক এরা বামপন্থী এদের জব্দ করতে হবে। আর যারা ছাাত্র ছাত্রী দের সাথে যোগাযোগ রাখতে চান না, হোয়াটস এ্যাপ গ্রুপে আসতে চান , এমনকি মিড ডে মিল বিলির করার জন্য বিদ্যালয়ে আসেন না তারা    তৃণমূল শিক্ষা সেলের সদস্য সেই কারণেই তাদের পড়ানোর আদেশ দেন না। এই জন্যেই বেশ কিছু বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা কমে যাচ্ছে। একদম ঠিক বলেছেন, আর  যে বিদ্যালয়ে বাড়ছে জেনে রাখুন সেখানে একজনও ঐ বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাস করে এরকম শিক্ষক আছেন, সেই কারণেই তার চেষ্টার ত্রুটি  নেই আর ঐ সব বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা বাড়ছে। শিক্ষার প্রসার চাইলে শিক্ষা কে কাঁচের ঘরে বন্দি করে রাখবেন না। 

Saturday, 19 December 2020

পুলিশ সাধারণ মানুষের জন্য!


 আমি জানি না আমার লেখা কত জন পড়বেন, তাদের মনে প্রশ্ন হতেই পারে, শিরোনাম এক আর ছবি ফোনের। আজকের লেখাটা এই হারানো বা চুরি যাওয়া ফোন ফিরে পেতে পুলিশের ভূমিকা। যদিও আজ কাল পুলিশ বেশি ব্যস্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হলেই, তাদের লাঠিপেটা করা বিরোধী দলের নেতা কর্মী দের মিথ্যযা মামলা দেওয়া। সাধারণ মানুষ কে ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়া, যাতে মানুষ পুলিশ কে ভয় পায়। আমি ইতিহাসে পড়েছি ইংরেজ আমলে পুলিশের এই ভূমিকা ছিল, এবং দেশ স্বাধীন হবার পরও এই রাজ্যের পুলিশ জনগণের উপর নানা অত্যাচার করত। কারণ আমি ছোট বেলায় শুনেছি, মা তার শিশু কে ঘুম পারাবার জন্য একটা গান গাইত, এবং মাঝে মাঝে বলত ঘুমিয়ে পড় না হলে পুলিশ আসবে। বাচ্চা না খেতে চাইলে বলত এখুনি পুলিশ আসবে তোকে ধরে নিয়ে যাবে। বর্তমানে এই রকম হয়ে যাচ্ছে পুলিশের ভূমিকা, ইংরেজ আমলেও ঘুষ দিয়ে কাজ করাতে হতো। এখনও সে অভ্যাস আছে কারণ ইংরেজ শাসনের শুরু হয়েছিল এই বাংলা থেকে সেই কারণেই অভ্যাসটা যায়নি। 
এবার আসি ঐ ফোনের কথায়, গত 25/11 / 2020 তারিখ বিকেলে , ছোট ছেলেটি ফোনটি নিয়ে বেড়িয়ে ছিল, সন্ধ্যার মধ্যে সে ফোনটি হারিয়ে বাড়ি আসে। সন্ধ্যা বেলায় আমি পাড়ার এক জন কে নিয়ে থানায় যাই, G. D করার জন্য, এবার গিয়ে আমার খুব ভালো লাগলো, দেড় ঘণ্টা পরে আমার ডাক আসে, শুরু হয় জিজ্ঞাসা কেন কি করতে বলার পর শুনি আপনি ফোন চান না সিম। একটা বিশেষ ফর্ম পূরণ করতে বলেন, সেই ফর্ম টি দুবার তিন বার বলার পর খুঁজে বের করে দেন। সেটা পূরণ করে জমা দিতে আরও আধ ঘণ্টা। সেখানে আমার আরেকটা নম্বর নেওয়া হয়, খুঁজে পেলে জানাবেন বলে। যাহোক আজ পর্যন্ত কিছু জানি না, আদৌ কিছু করেছেন কি না? আবার আজ আরেক জন বন্ধু শুনে বললেন ও দামি খুঁজে পেলেও পুলিশ ফেরত দেবে না। তিনি এটাও বলেন I.M.E. I নম্বর দিয়ে পুলিশ অনায়াসে ও খুঁজে ফেলতে পারে। আর ডাইরি বা ঐ ফর্মে ঐ I.M.E I নম্বর লেখা বাধ্যতামূলক। আর কিছু লিখলাম না, পুলিশ তো, ঐ বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা আর পুলিশে ছুঁলে ছত্রিশ ঘা। আবার বাংলার পুলিশ, সত্যি মানুষের জন্য কত কাজ করেন। কারণ মাঝে মাঝে ঐ ডিউটি অফিসারের কথা গুলো শুন ছিলাম দেড় দু ঘন্টা দাঁড়িয়ে ছিলাম তো, নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছিল। কমসে কম সেই জন্যই মনে হয় দাঁড়িয়ে থাকা টা ঐ শাস্তি হিসেবে দিলেন। ভাগ্যিস কান ধরে দাঁড়িয়ে থাকা বা অন্য কোন শাস্তি দেন নি। থানার নাম টা দিলাম না, এমনিতেই বর্তমান পুলিশ কে আমি ভীষণ ভয় করি। কখন কি করে দেবে জানি না। ধন্যবাদ সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। 

Friday, 18 December 2020

দেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের শুরু করেছে পাঞ্জাব এবার বাঙালি জাগো।


 জানি না আমার লেখা কত জন পড়বেন, কারণ আমি এর আগে অনেক বার লিখেছি, বাংলার শাসক দলের হাল নিয়ে, বাংলার এই শাসক আর দিল্লির শাসক একটি দল দুটি নাম। উপরে উপরে আদায়  কাঁচ কলায়, আর ভেতরে ভেতরে গলায় গলায় ভাব দুটোই সমান। যদি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে এমন ফল দেখা যায় যে বিজেপির কিছু বিধায়ক দরকার, সরকার তৈরি করতে তখনই মজার ব্যাপার ঘটবে বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সমর্থন করে সরকার করবে বিজেপি একটাই শর্ত দিদি হবেন মুখ্যমন্ত্রী। বাঙালি বেকার যুবক যুবতী এবং প্যারা টিচার, শিক্ষা বন্ধু, আরও যে এ রকম কর্মী আছেন এবং সর্বোপরি    রাজ্যের শিক্ষক শিক্ষিকা সহ সরকারি কর্মচারী, যারা প্রতি নিয়ত বঞ্চিত, এবং তুই তোকারি শুনতে অভ্যস্ত তারা, আর বাংলার কৃষক খেটে খাওয়া মানুষ যারা মাসে দু কেজি দু টাকা কিলো চাল ভিক্ষা পান।এই সব মানুষ একবার ভাবুন আপনার মুখের কাছে কুকুর কে যেমন এক টুকরো রুটি ছুঁঁড়ে দেয় সে রকম এক টুকরো রুটি ছুঁঁড়ে দিয়ে, বলছেন এই নে দিলাম আর ঘেউ ঘেউ করবি না। যেন মনে হচ্ছে তিনি তার ইনকাম থেকে আপনাকে এবং শ্রমজীবী মানুষ কে
দয়ার দান দিচ্ছেন। আর নেতা মন্ত্রী বিধায়কদের দিকে তাকিয়ে দেখুন, 280 টাকার দিন মজুর আজ 280 কোটি টাকার মালিক। কি নেই তার কেবল 75% আর 25% এর ভাগ করে নিতে পারলেই হবে। আমি জানি কিছু সরকারি অফিসার যেমন এস ডি ও /বিডিও, থানার পুলিশ, বিশেষ করে সিভিক পুলিশ টাকার পাহাড় করে তুলেছে। আপনার যদি মনে হয় এগুলো ঠিক আছে, তাহলে আপনি তো নিজের পরিবারের সাথে বেইমানি করে চলেছেন, আপনার বাড়ির বেকার ছেলেটা একটা চাকরির রাস্তায় বসে অনশন করছে, আর আপনি টাকার জন্য নিজের বিবেক মনুষ্যত্ব বিক্রি করে দিচ্ছেন। সামনে 2021 সালের বিধানসভা নির্বাচন ভাবুন একবার আপামোর জনগণের অভিশাপ আর্তনাদ খিদের জ্বালায় ছটফট করা ঐ শিশুর মুখটা, বা আধপেটা খেয়ে ঘুমতে যাওয়া মানুষ গুলোর, তাকিয়ে দেখুন সেই সব অসহায় মানুষের পাশে সামান্য হলেও কারা সাহায্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। আসুন সবাই মিলে আমাদের বাংলা কে রক্ষা করি দিল্লির হাড় কাঁপানো ঠান্ডার মধ্যেই কৃষক তার অধিকার বুঝে নিতে লড়াই করছে। আমাদের রাজ্যের বেকার এবং কম বেতনের যে সব কর্মী একটু সণ্মাণ জনক বেতনের জন্যে এই শীতের রাতে কলকাতায় রাত জাগছে, সেই সব মানুষদের পাশে থেকে লড়াই করি। আন্দোলন এক মাত্র পথ যা এই অপশাসন থেকে মুক্তি দেবে। আর দেখুন কারা আপনার ভাল চায়, চোরের দল না চোর কে দলে নিয়ে সাধু বানানোর দল। আমরা কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের শাসক দল কে বর্জন করে বাম দিকে ফিরে আসি। কেন সে কথা অনেকেই লিখেছেন বলছেন অন্তত বছর বছর এস এস সি, পি এস সি, বি সি এস প্রাথমিক নিয়োগ, প্রক্রিয়া কে সচল রাখতে। আমরাও ঐ কৃষক দের বাংলার বুকে আন্দোলন শুরু করি, কারণ মুক্তি চাই মুক্তি, চোর ডাকাতের হাত থেকে মুক্তি, দিদির থেকে মুক্তি পেতে যারা বিজেপি বিজেপি করছেন তাদের বলছি বিজেপি দেশটা আদানি, আম্বানি কে বিক্রি করে দিতে চাইছেন, আর বাংলায় ক্ষমতায় এলে বাংলা টা ঐ দুজন কে বেচে দেবে। আর নয় অনেক হল এবার আবার বাম দিকে নজর দিন। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...