Anulekhon.blogspot.com

Saturday, 10 October 2020

আমরা শান্তি প্রিয় জাতি, শত অত্যাচারে শোনাই শান্তির ললিত বানী।

রাজা লক্ষ্ণণ সেনের পরাজয়ের পর থেকে বাঙালি পিছিয়ে পেরেছিল, এই সেন বংশ বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভেঙে দিয়ে ছিল কঠোর হিন্দুত বাদের মধ্যে দিয়ে। বল্লাল সেনের কৌলিন্য প্রথা, একটি কঠোর হিন্দুত্ব বাদের নমুনা,এই কারণেই তথাকথিত নিম্ন বর্ণের হিন্দুরা সহজ সরল জীবন যাপন করতে বৌদ্ধ ধর্ম বা পরবর্তীতে বৈষ্ণব ধর্মের স্মরণাপন্ন হয়ে ছিল। আর খলজির বাংলা দখল এর পর ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে শুরু করে। হিন্দু ধর্মের কঠোরতা এবং ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা বা জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা বাংলায় একটা রেওয়াজ হয়ে গেছে, যা আজও চলছে, 1946 সালের বাংলায় হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা, সেই শুরু তারপর দেশভাগের মধ্যে দিয়ে যার শেষ হবে বলে অনেকে ভেবে ছিলেন কিন্তু না, অত সহজে ধর্মের আগুন নেভে, যতই বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলনে হিন্দু মুসলিম এক হয়ে পাকিস্তানি সেনা বাহিনীর বিরুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করুক, ধর্মের নামে যে বিষ ইংরেজ সরকার ঢুকিয়ে দিয়ে গেছে বাঙালি জাতির শরীরে সেই বিষে আজ সে জর্জরিত। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য, রাজনৈতিক নেতারা তথাকথিত শান্তির ধর্মের মানুষ দিনের পর দিন অত্যাচার করে যাচ্ছে। ভাবতে অবাক লাগে, বাংলায় জণ্ম বাংলা ভাষার জন্য লড়াই তবুও তাদের বাংলায় থাকার অধিকার নেই। কারণ সরকারি মদতে তথাকথিত ধর্ম গুরুরা প্রতি নিয়ত অত্যাচার করে চলেছে। দেখে দেখে মনে হচ্ছে, এর  মুক্তি পাবার উপায় নেই, ইসলাম কথার অর্থ নাকি শান্তি, এমন কোন শান্তি মানুষ কে মানুষ মনে না করে তার বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নিয়ে তার সর্বস্ব লুঠ করে তাকে খুন করার অধিকার নাকি আল্লাহ দিয়েছেন।জানা নেই কোন ধর্ম প্রচারক একথা বলেছেন কিনা কারণ সেই সময়ের কেউ আজ আর বেঁচে নেই, আর কথা সে তো গুজব রটার মত একটি কথা একশ জনের মধ্যে বলা হয় তখন প্রথম জন কে যা বলা হয়েছে, একশ তম ব্যক্তির কাছে যখন পৌঁছ কথাটা তখন উল্টো হয়ে যায়। যাহোক ওসব ছাড়ুন কারণ শান্তির ধর্মের প্রচারক মক্কা থেকে মদিনা না মদিনা থেকে মক্কা গিয়েছিলেন যুদ্ধ করতে করতে, আমার কথা মানতে হবে না হলে গর্দান যাবে। শান্তি না থাকলে উন্নয়ন হয় না। শান্তি মানুষে মানুষে ভেদাভেদ ধর্মের নামে রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে ব্যবসা বন্ধ করতে হবে। করতে হবে তথাকথিত বাঙালি কে? কোথায় সে বাঙালি, যে বাঙালি একদিন গোটা ভারত বর্ষ কে শিক্ষা দিয়েছে জাতীয়তা বোধ, ভাষা ধর্ম যা হোক আমরা ভারতীয় ( we are Indian) কোথায় সে 1946 সালের পর থেকে হারিয়ে গেছে সেই বাঙালি, নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য আজ আবার একবার উঠে দাঁড়াও, কেবল শান্তির বাণী শুনিয়ে লাভ হচ্ছে কি স্বাধীনতা সত্তর বছর হয়ে গেল, সেই যে বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভাঙতে ধর্মের ভিত্তিতে জাতের ভিত্তিতে, এপার ওপার বাংলা ভাগ তাদের ভাষা গত ভাগ, ওপার বাংলা থেকে ভিটে মাটি ছেড়ে নির্মম অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা পেতে এপার বাংলায় এসেছেন, কিন্তু আপনি একটা আলাদা জাত এদের কাছে বাঙাল জাত, এখানেও সেই ভাগ বাঙালি কোন দিন এক জাতি হিসেবে নিজেদের বিশ্ব মাঝে তুলে ধরতে পারবে না। কেবল শান্তির ললিত বানী, যে যে বানী বোঝে তাকে সেই বানীতে উত্তর দিতে হবে, এটা আমাদের বিপ্লবী তথা স্বাধীনতা সংগ্রামী মাষ্টারদা সূর্য সেন, রাসবিহারি বোস, সুভাষ চন্দ্র বোস আরও অনেক চরম পণ্থী বিপ্লবী নেতা কর্মীরা শিক্ষা দিয়ে গেছে, আমরা ভুলে গেছি সেই বিখ্যাত গান, " মা গো আমরা তোমার শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে" শত্রু শিয়রে তবুও আমাদের মধ্যে একতা নেই, যারা দেশের জন্য প্রাণ দিয়েছেন তারা থাকলে আজ লজ্জা পেতেন কি উত্তর সুরি তারা রেখে গেছে। শত অত্যাচারেও এদের মধ্যে একতা গড়ে ওঠে না, আর এটাই ব্রিটিশ এবং তথাকথিত ব্রিটিশদের দালালরা চেয়ে ছিল, কিছুতেই বাঙালি কে এক হতে দিলে হবে না, তাহলে গোটা দেশে তথা ভারত কে কব্জা করা এবং মানুষ কে শোষণ করা, এবং ভিক্ষুক বানান সহজ হবে না। আজ ভারত এবং এপার বাংলায় ব্রিটিশদের দালাল রা ক্ষমতায়, আর ওপার বাংলার বাঙালি সে তো কিসে পরিনত হয়েছে বলে বোঝানো যাবে না, ইংরেজ এবং ইংরেজের দালালরা জানত বিপ্লব সংগঠিত করে ওপার বাংলার মানুষ আর এবং সনাতন ধর্মের মানুষ জন বেশি করে, এদের মেরুদন্ড ভাঙতে হবে তাই দেশ ভাগ এবং ধর্মের নামে, ইনশাল্লাহ বলে যারা লাফালাফি করে হাতে গোনা কয়েকজন ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে ছিলেন। একজন বাঙালি ইসলাম ধর্মের লোকের নাম কেউ জানে না যাকে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে। আমি জানি বলবে তিতুমীর, তার সেনাপতি, গোলাম মাসুম ওটা স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য নয় জমিদারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়েছিলেন এবং জমিদার ইংরেজের সাহায্য নিয়ে তাকে ধ্বংস করেন আসলে লড়াই ছিল ক্ষমতা দখল করার জন্য। ব্রিটিশ সরকার বুঝে ছিল এদের ক্ষমতা দিয়ে চুপ করিয়ে রাখা যাবে। আর এই কারণেই দুই বাংলার শাসক ছিলেন ইসলাম ধর্মের মানুষ কলকাতার শাসক নবাব সুরাবর্দী, এই সুরাবর্দী মুসলীগ এর নেতা দের সাথে হাত মিলিয়ে 1946 সালের দাঙ্গা লাগিয়ে ছিলেন, হিন্দু দের দিকে সাভারকরের দ্বি জাতি তত্ত্ব কে সমর্থন করে শ্যমাপ্রসাদ মুখার্জির মত কিছু মানুষ এই দাঙ্গায় নেমে পড়েন। সে সময় গোপাল মুখার্জি ( গোপাল পাঁঠা) নেতৃত্ব দেন হিন্দু দের, কয়েক শ নীরিহ মানুষ প্রাণ হারান ঐ ধর্মীয় দাঙ্গায়। একটা মৃত দেহে প্রান দিতে পারে না, কিন্তু জীবন বা প্রান কেড়ে নিতে ওস্তাদ। এর পর এই রাজ্যে যে দল ক্ষমতায় আসুক তাদের প্রথম কাজ হবে ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ( মাদ্রাসা) কে বন্ধ করা, ধর্মের নামে পঁচিশ টা বিয়ে একশো টা সন্তানের জন্ম দান বন্ধ করতে হবে। এসব যদি বন্ধ না করে তাহলে আর কয়েক বছরের মধ্যে বাংলায় খাদ্য সংকট দেখা যাবে কারন চাষের জমি সব মসজিদ আর বাসস্থান পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। কিছু দিন পর বাংলাদেশের মত অবস্থা দেখা যাবে, এখানে, অনেকেই বলছেন বি জেপি ক্ষমতায় এলে এসব হবে, আমি বলছি হবে না, কারণ এই বিজেপি কী করবে ওরা কোরান পড়াচ্ছে আমরা বেদ পড়াব, ওরা আমাদের কাফের বলছে ওদের গদ্দার বলব। কারণ এই বিজেপির জণ্মদাতা দের জন্য বাঙালির জাতির আজ এই দূর্দশা, দেখছেন না এখনই গোর্খা দের জন্য দার্জিলিং কে ভাগ করে গোর্খাল্যাণ্ড করতে চাইছে, অর্থাৎ আবার বাংলা ভাগ, কোন দিন শুনবেন গোর্খাল্যাণ্ড হয়েছে, কোচবিহার কামতাপুর হয়েছে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জঙ্গলমহল হয়ে গেছে, অর্থাৎ এদের লক্ষ্য বাংলা কে ভাগ করে দেওয়া জাতের নামে ধর্মের নামে যে ভাবে হোক বাঙালি কে এক হতে দেওয়া যাবে না। বিজেপির উপর তলার নেতারা বাংলা তথা বাঙালি বিদ্বেষী। আর বর্তমান সরকার সেতো পুরোহিত ভাতা, মোয়াজ্জেম ভাতা, মৌলবিভাতাা পুজো কমিটি কে টাকা, এর কাজ কর্ম দেখে মনে হচ্ছে আগে এই রাজ্যে ধর্ম পালন কেউ কোনো দিন করেনি। এদের বিরুদ্ধে গন প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে, বাংলার কোনে কোনে জোট বেঁধে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। ধর্মের নামে ক্ষমতা দখল করে রাজ্যের মানুষ কে যারা লুঠ করছে তাদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে দিতে হবে। 
আবার অনেকেই আছেন বলবেন তাহলে এত দিন হয়নি কেন? লাখ টাকার প্রশ্ন এটা আমারও প্রশ্ন, ধর্মের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সন্তান জন্ম দেওয়া আগের সরকার যারা পরিচালনা করেছেন তারা করেনি কেন? আমি একটা কথা বলি, এপার বাংলায় কংগ্রেস শাসন কোন দিন ধর্মের ব্যাপারে মাথা ঘামায় নি, বাম আমলের শেষের দিকে বলা হয়েছিল মাদ্রাসা শিক্ষা থাকবে সেখানে আরবীর পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষার পঠন পাঠনের ব্যবস্থা করতে হবে তবে সরকার অনুমোদন দেবে। আর ওপার বাংলা সে তো ইসলাম কে রাাষ্ট্র ধর্মে পরিনত করেছে, ধর্ম গুরু দের, রব বা হুমকি দেওয়া ভাষণ বন্ধ করতে পারে না, কারণ ঐ গুলো ধর্ম প্রচারের নামে ব্যবসা টাকা আসে অনেক। আজ অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকা থেকে নেওয়া একটা ছবি এখানে দিলাম, আমি চাই দুই বাংলার এই ছবি বাঙালি মাথা উঁচু করে বাঁচুক। ছবি টি এখানে দিলাম।

এই ছবি দেখা যাক দুই বাংলার বুকে ধর্ম ধর্মের কাছে থাক, যে যার মত ধর্ম পালন করি, কিন্তু উগ্রতা বাদ দিয়ে, বাঙালি জাতির সেই শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনি যা দিয়ে তারা গোটা বিশ্ব জয় করবে। বিদ্রোহী কবি সেই স্বপ্ন সত্যি করে তুলি, "আকাশ বাতাস চন্দ্র তারায় সাগর জলে পাহাড় চুড়ে, আমার সীমার বাঁধন টুটে, দশ দিকেতে তে পরব লুটে,
পাতাল ফেঁড়ে নামব আমি, উঠব আমি আকাশ ফুঁড়ে।
বিশ্ব জগৎ দেখব আমি আপন হাতের মুঠোয় পুরে।" বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠত্ব কে তুলে ধরতে ধর্মের গোঁড়ামি থেকে বেড়িয়ে আসব এই প্রতিজ্ঞা করি, আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আমরা বিশ্ব শাসন করি। 

Friday, 9 October 2020

সমস্ত সরকারি ব্যবস্থা, বেসরকারি হচ্ছে বা হবে তখন কর দেওয়ার দরকার কী?


 সব বেসরকারি, টেলিভিশন, টেলিফোন, চিকিৎসা, শিক্ষা, পরিবহণ, রেল সহ ব্যাঙ্ক বীমা সব যখন বেসরকারি হবে বা বড়ো বড়ো শিল্পপতি বা ধনকুবেরের দল চালাবে তখন আমরা  সাধারণ মানুষ জি এস টির নামে এত টাকা ট্যাক্স বা কর দিতে যাব কেন?সাধারণ মানুষ সমস্ত কিছু, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যা ব্যাবহার  করেন প্রতিটি ক্ষেত্রেই, রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকার কে ট্যাক্স ও বর্তমান জি এস টি দিতে হয়। বেসরকারি ব্যাবস্থায় রাস্তা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে টোলট্যাক্স দিতে হয় সাধারণ মানুষ কে, বেসরকারি সংস্থার পরিসেবা পেতে টাকা দিতে হয় মোটা অঙ্কের তার মধ্যেও কর ট্যাক্স বা জি এস টি ধরা থাকে। অনেকেই বলেন বেসরকারি হচ্ছে খুব ভালো কারণ সরকারি কর্মীরা কাজ করে না বসে বসে মোটা টাকা বেতন নেয়, আর বাড়ি যান আমি একদম একমত কারণ অধিকাংশ সরকারি কর্মীদের সাধারণ মানুষের সাথে ব্যাবহার করেন গরু ছাগলের মত, মানুষ কে মানুষ বলে মনে করেন না। অনেক অফিসার সাধারণ মানুষের জন্য নিয়োজিত কিন্তু অফিসের দরজার সামনে নোটিশ দিয়ে রেখেছেন বিনা অনুমতি তে সাধারণ মানুষের প্রবেশ নিষেধ, কারা আসছি বলে অনুমতির অপেক্ষা না করে চলে যান রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা। কাজও হয়, কেবল এই কারণেই অনেক সাধারণ মানুষ বলছেন ঠিক হচ্ছে সব বেসরকারি হচ্ছে। কারণ ঐ সব সরকারি আমলা এক বারও ভাবে না জনগণের করের বা ট্যাক্সেরটাকায় তাদের বেতন হচ্ছে, জনগণের জন তারা নিয়োজিত। বাদ দিন যা লিখতে চাইছিলাম, সব যখন বেসরকারি হবে, তাহলে সাধারণ মানুষ এত টাকা করে জি এস টী, জ্বালানি ট্যাক্স দিতে যাবে কেন??? কেবল মন্ত্রী প্লেন চাপবেন, ভালো মন্দ খাবেন, বিদেশ ভ্রমন করতে যাবেন এসবের জন্য। সবটাই বেসরকারি হয়ে গেলে এই সাংসদ মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী, বিধায়ক, মুখ্যমন্ত্রী এদের কি দরকার? কেবল কোটি কোটি টাকা বেতন এবং লাক্সারি করার জন্য তাহলে কেন এত এত টাকা জি এস টি আদায় কিসের জন্য, আবার বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার কর বা ট্যাক্স ছাড় দেওয়া হচ্ছে মাঝে মাঝে ঋণ মুকুব করা হচ্ছে, আর সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, অনেকেই ভাববেন আমি দিন মজুর দু শ কি তিন শ টাকা আয় আমি ওসব জি এস টি বা ট্যাক্স নিয়ে ভাবতে যাব কেন? আমাকে ওসব দিতে হয় না, ভাবনাটা ভুল আগেই বলেছি সকাল থেকে রাত পর্যন্ত যা যা ব্যাবহার করেন খাদ্য থেকে সাধারণ জিনিস পত্র সব কিছুতেই কর আদায় করা হয়। আমার মতে আর কোটি কোটি টাকা খরচ করে নির্বাচন করে লাভ নেই, ওসব চোর ধাপ্পাবাজ মিথ্যাবাদী দের ক্ষমতায় এনে কি লাভ! সব বেসরকারি হলে ওসব মন্ত্রী, আমলা অর্থাৎ বড় বড় সরকারের কর্মী সব বেসরকারি সংস্থার হাতে দেওয়া হোক। ওরাই ঠিক করে দেবে কে প্রধানমন্ত্রী, কে কোন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হবে। ৫৫৪ জন সাংসদ, প্রতিটি রাজ্যে গড়ে১০০ জন করে বিধায়ক আছে মুখ্যমন্ত্রী আছে তাদের লাক্সারি জন্য জনগণের কাছ থেকে এত টাকা ট্যাক্স আদায় করতে হবে না। কয়েক কোটি টাকা এই সব আমলা, মন্ত্রী, সাংসদ বিধায়ক দের বেতন দিতে লাগে, তার পর আছে অন্য সব কিছু, জনগণের জন্য যখন কিছু সরকারের দায়িত্ব থাকবে না তখন জনগণ কেন তাদের ট্যাক্স বা করের টাকায় এদের বেতন লাক্সারি মেনে নেবে? 

আর কি চাই আগামী ভোট পর্যন্ত বিনামূল্যে রেশন।


 আর কি চাই, আগামী জুন 2021 পর্যন্ত রাজ্যের10কোটি মানুষ কে বিনামূল্যে রেশন দেওয়া হবে। খবর টি আমার নয় এই সংবাদ দাতার, রেশন কার্ড না থাকলেও কুপন নিয়ে ও এই রেশন পাওয়া যাবে। আমি জানি না এই সব সংবাদ অর্থাৎ অন লাইন সংবাদ পরিবেশন কারির শিক্ষা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে, কারণ এই রাজ্যের লোক সংখ্যা 10 কোটি সেটা ভুলে গেছে, তাহলে সকলে রেশন দোকান থেকে বিনামূল্যে রেশন পাবে, মানে নেতা মন্ত্রী আমলা সরকারি কর্মী কেউ বাদ থাকবে না। রাজা উজির জমিদার, উকিল বিচারক সবাই বিনামূল্যে রেশন পাবেন সেই জুন পর্যন্ত। ওরে ভাই গাঁজায় কতটা দম দিয়েছিস। একটু গাঁজা খাওয়া কম কর, আর এদের কি দোষ মাথা যদি খারাপ হয়ে যায় তাহলে হাত পা আর ঠিক মত চলে কি করে? এই রকমই একটা অন লাইন খবর দেখলাম, কি যেন নাম ieনা  ig bengal বলে একটা অন লাইন সংবাদ পত্র লিখেছ " ক্ষুধার রাজ্যে - - - - - - - পূর্ণিমার চাঁদ   যেন ঝলসানো রুটি লেখক জীবনানন্দ দাশ, এরা হচ্ছে চাটু কার কেবল নয় রীতিমত গাঁজাখোর। এই সব খবর অন লাইন যাচ্ছে, বাঙালি সম্পর্কে কি জানছে সকলে। 

Thursday, 8 October 2020

এসব কী বলছেন দিদি? এটা কি সব জেলার জন্য?


 এসব কী বলছেন দিদি এটা কি সব জেলার জন্য না আপনি ঝাড়গ্রামে বলছেন ওই জেলার জন্য শুধু, তবে আপনার কথা আপনার দলের লোক যদি না শোনে, এই নির্দেশ কেবল মাত্র সরকারি কর্মীদের জন্যে না আপনার দলের কর্মীদেরও বলছেন। আমি যতদূর জানি আপনি, দলের কর্মী দের জন্য অন্য নির্দেশ দিয়েছেন। সরকারি কর্মীরা নির্দেশ মানতে চাইলেও আপনার দলের কর্মীমী বাধা দিচ্ছে যে। আমার কাছে প্রমাণ আছে, এই দেখুন একটি সরকারি আদেশ যেটি গত আগষ্ট মাসে এসে ছিল ছাত্র ছাত্রীদের পোশাক দেবার জন্যে প্রতিটি SHG গ্রুপ বা সংঘের কাছে পৌঁছে গিয়েছে সেই আগষ্ট মাসে এবং ছাত্র ছাত্রীদের নামের তালিকা অভিভাবকের নাম ফোন নম্বর ঠিকানা সহ পৌঁছে গেছে ঐ সংঘের কাছে, তারা কী করছে ছাত্র ছাত্রীদের বাড়িতে যাবে না, ফোনে বলছেন একটা করে পোশাক MDM নেবার সময় নিয়ে আসতে ওখানে মাপ নেবে। অথচ আদেশ টি 5 নং কলমে পরিষ্কার করে বলা হয়েছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাপ নেবে। ছাত্র ছাত্রীদের তালিকা পেল কবে আগষ্ট মাসে আর এটা অক্টোবর মাসে অভিভাবক দের ফোন করে বিদ্যযালয় এ আসতে বলছে পোশাক নিয়ে। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তাতে সম্মতি দেন নি, তিনি অভিভাবক দের জানিয়েছেন সরকারের তথা উক্ত অফিসের নির্দেশের কথা যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে পোশাকের মাপ নেবে। সংঘ অভিভাবক দের বলছেন বাড়িতে এ্যালাও করছে না সকলে। বাদ দিন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সরকারি আদেশের কথা বলার পর আপনার দলের নির্ববাচি ত প্রতিনিধি পঞ্চায়েত সদস্য শিক্ষক কে বলছেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাপ নেবে এটা অভিভাবক দের বলে ঠিক করেন নি। জানা বা বোঝা যাচ্ছে না, এটা কেবল সরকারি কর্মীদের নির্দেশ, আর দলের কর্মী সমর্থকদের নির্দেশ হচ্ছে সরকারের আদেশ না মেনে চলার জন্য। দারুণ দিদি, সরকারি কর্মীদের নির্দেশ মানতে গিয়ে আপনার দলের মহা ক্ষমতা বান নেতা কর্মীদের রোষে পড়তে হচ্ছে যে। আসল কথাটা বললে আপনি রেগে যাবেন দিদি, আপনি ঘরে বসে বসে ইনকামের রাস্তা করে দিচ্ছেন যার জন্যে এই নেতা কর্মীরা এবং ঐ যে পোশাক দেবে সেও কোনো না কোন নেতা কর্মীরবাড়িরলোক, শুনে নিন সিঙ্গুর একনং পঞ্চায়েতেরদুটি বড়ো হাই স্কুল আছে সিঙ্গুর মহামায়া আর গোলাপ মোহিনী একটি ছেলেদের আর অন্য টি মেয়ে দের দুটি তেই সকালে প্রারাথমিক বিভাগ আছে, হাই বা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী ঐ দুই বিদ্যযালয়ে সিঙ্গুর ব্লকে সবথেকে বেশি। পঞ্চমথেকে অষ্টটম পর্যন্ত দুটি স্কুলে4000এরকাছেআর ঐ দুই বিদ্যযালয়ে এর প্রাথমিকবিভাগ এবং নন্দন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী তা হবে 900 এবার আরও পাঁচ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। মোট    ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা সব মিলিয়ে 5500জন।যারা বা যিনি প্রায়হুমকি সুরে বলছেন তিনি এক সময়ে এই পঞ্চায়েতেরপ্রধান ছিলেন। এবার আপনি টাকার কথা ভাবুন আপনি ভাবুন টাকার কথা আপনি তো গত দু বছর ধরে প্রতিটি ছাত্র  ছাত্রীর পিছু 600 টাকা করে দিয়েছেন একবার টাকা হিসেবে করে দেখেছেন কত টাকা ঘরে বসে বসে ইনকাম। এই জন্যেআপনার দলে এখন প্রায় প্রতিটি ইঞ্চি তে নেতা, কারণ টাকা কীভাবে ঘরে বসে ইনকাম করতে হবে সেই পথ আপনি দেখিয়ে দিয়েছেন। আর যখন মিছিল মিটিং হচ্ছে ম- কার যুক্ত সব গুলো পাওয়া যাচ্ছে লোক কল্পনা করতে পারবেন না। চালিয়ে যান দিদি, তবে যাদের লোভ বেশি তারা সব লাফ মেরে দাদার দলে চলে যাচ্ছে ওখানে আবার ব্যাযাঙ্ক ডাকাতি করা যায়। ঐ যে ব্যবসার নাম করে কয়েক হাজার বা কোটি  টাকা ঋণ নিয়ে শোধ না করে বিদেশে পালিয়ে যাওয়া যায় আর দাদা জনগনের জমানো টাকা দিয়ে ঐ ঋণ মুকুব করে দেয় ব্যাঙ্ক গুলো জনগণের জমানো টাকা কীভাবে কেটে নেবে তার ফন্দি খোঁজে। বাঙালি জাতি ভালো আছে, চুরি করা টাকা 75 %ভাগ নিয়ে নিশ্চিন্তে বসে বসে চলে যাচ্ছে। আপনি আর যাই করুন আর না করুন বাঙালি যে অলস বা কুড়েে জাতি সেই ধারা রেখেছেন, এর জন্যে ধন্যবাদ। 

Wednesday, 7 October 2020

শিক্ষক কুল সত্যিই কি কুটনীতি বিদ ।

 

দয়া করে সবটা পড়বেন, শিক্ষক কুল নিজেরা ব্যক্তিগত ভাবে কোন না কোন রাজনৈতিক দলের সাথে যুুক্ত। সেই সূত্রে  নিজেদের কে বিশাল কূটনিতীবিদ বা রাজনীতিবিদ ভাবে একে অপরের, একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন উন্নত ধরনের কূটনৈতিক চাল যাকে আমার ভাষায় বলি পেছনে লাাগে, ভাবে আমি সবথেকে চালাক আমার চাল বা রাাাজনীতি কেউ বুঝতে পারছে না। এসব আসলে, অন্য কিছু নয় হামবড়িয়া ভাব আমার থেকে অন্য কেউ বড় হবে কেন? আমি বড় আসলে যে কাজে বড়ো হতে হবে সেটা নয়, বচনে বড় এবং জাহির করা অভ্যাস এদের মধ্যে দেখা যায়। আমি নিজে একজন শিক্ষক তবুও এসব লিখছি, এর আগেও আমি অনেক ঘটনা জানি যা আরেক একজন শিক্ষক বা সহকারী শিক্ষক কুল ঘটিয়েছে, পরিদর্শক দের ডেকে এনেছে, একে অপরের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ জানিয়ে এসেছে, এমনকি এম ডি এম এর এক অস্থায়ী কর্মী কে দিয়ে পরিদর্শন করানো, তার পর ডেকে নিয়ে আসা আবার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা সব কিছু করে এই সব তথাকথিত সুশীল শান্ত শিক্ষক আর যার বিরুদ্ধে করে আসছে এসে এমন ভাব করে ভাবে আমি চালাক আমি কিছু জানি না, এর বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে এ সাথে এমন ব্যবহার কর যাতে বুঝতে না পারে আমি বা আমরা অভিযোগ করে এসেছি বা পরিদর্শক ডেকে এনেছি, তাদের দূর্ভাগ্য যার পিছনে লাগছ সে কিন্তু বুঝতে পারছে কারা এর পিছনে আছে কিন্তু মুখে সে বলছে না একদম ওদের মতই ভালো মানুষ। আজ এসব লিখছি সেই কারণ টা এবার লিখব, বর্তমানে কোভিড19 এর দৌলতে শিক্ষক কুল খুব ভালো আছেন এত ভালো আগে কোন দিন ছিল না। সত্যই এদের জন্য ঈশ্বর আছেন, আজ সাত আট মাস হল বিদ্যালয়ে যেতে হচ্ছে না, ঐ নামকাওয়াস্তে চাল দেওয়ার দিন একবার এক ঘন্টা দেখা দেওয়া, কোন রকম হাজিরা আর অভিভাবক দের দেখানো আমি কত কাজের। কয়েক জন এলেন, সময় সেই স্কুল শুরুর সময়ে আগে থেকে কেন আসবেন, আর সেই ফোন আমি জানি না এরা কাকে এত ফোন করে বিশেষ করে দিদিমনির দল ফোনের শেষ নেই, যতক্ষণ থাকলেন ফোন করে গেলেন, ঐ বিদ্যালয় চালু থাকলেও ক্লাস করতে করতেও এই ফোন কথা বলে যেত সেই অভ্যাস আমি জানি না কে বা কারা ফোনের অপর প্রান্তে কথা বলে তারা সত্যিই মানুষ না অমানুষ জানি না। এরা তো ভালো শিক্ষক শাসক দলের অনুগামী, বামেদের এবং এই সরকারের আমলে নিয়োগ প্রাপ্ত মেধাবী ছাত্র ছাত্রীর দল।
এত কথা লিখলাম আসল কথা হল, পোশাক নিয়ে এবং বর্তমান সরকারের দান খয়রাতি নিয়ে বর্তমানে যা কিছু হচ্ছে সেটা নিয়ে লেখা হলো না। প্রথমেই বলি কোভিড19 এর মধ্যে পোশাক দিতে হবে, কারণ সামনে ভোট আসছে অফিসিয়াল মিটিং হলো (ভার্চুয়াল) অর্ধেক প্রধান শিক্ষক যোগ দিতে পারল অর্ধেক পারল না, ও হ্যাঁ এই ভার্চুয়াল মিটিং নিয়েও রাজনীতি করল ঐ রকম এক ভালো শিক্ষক, মিটিং হবার কথা বা জানান হলো 1টা30 মিনিটে একটা URL আসবে তাতে ক্লিক করে মিটিং এ যোগ দিতে হবে এলেও তাই কিন্তু হঠাৎ এক ঐ মেধাবী শিক্ষক দেখলাম হোয়াটস এ্যাপ গ্রুপে ম্যাসেজ করল মিটিং 3 টে 30 মিনিট থেকে হওয়ার কথা ব্যস বন্ধ হয়ে গেল। এবার 3 টে 30 মিনিট সকলের কাছে আর URL পৌছল না। কেউ যোগ দিতে পারল কেউ পারল না। সেখানে আলোচনা হলো পোশাক নিয়ে, সকলে শুনলেন পোশাক এবারেও দেওয়া হবে SHG বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাপ নিয়ে আসবে ছাত্র ছাত্রীদের নামের তালিকা দিতে হবে সাথে থাকবে অভিভাবকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর। এই তালিকা তৈরি করা হল শিক্ষা বন্ধুর মাধ্যমে পৌঁছে গেল অফিসে আরেকটা কথা শোনা গেল এবার টাকা আর স্কুলের এ্যাকাউন্টে আসবে না সরাসরি ওদের দেওয়া হবে, শিক্ষক কুল ভাবল বাঁচা গেল, একটা দায়িত্ব থেকে রেহাই পাওয়া গেছে। আদৌ কি তাই না মনে হয়, আগষ্ট মাসে এসব শেষ হলো, শিক্ষকরা মানে প্রধান শিক্ষক ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক জানে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মাপ নেওয়া চলছে, হঠাৎ করে অক্টোবর মাসে খবর তথা ফোনে SHG বলছে MDM এর রেশন দেওয়ার সময় ছাত্র ছাত্রীদের একটা করে পোশাক আনতে বলছি আমরা মাপ ওখানে বসে নেব। কারণ অভিভাবক রা তাদের বাচ্চাদের গায়ে হাত দিতে দেবে না বা বাড়িতে এ্যালাও করছে না। বিদ্যালয়ের অনুমতি নেবার আগেই অভিভাবক দের ফোন করে বিদ্যালয়ে একটি করে পোশাক আনতে বলে দিয়েছেন, যেহেতু শাসক দলের লোকজন ক্ষমতা আছে সরকারি আদেশ আবার কি ওরাই তো সরকার, এবার প্রধান শিক্ষক কে অভিভাবক ফোন করে বলার পর তিনি পরিষ্কার বলে দিচ্ছেন বাড়িতে গিয়ে পোশাকের মাপ আনতে যাবে যাদি অসুবিধা হয় একটি পোশাক ওদের দেবেন ওখানেই মাপ নেবে, সমস্ত অভিভাবক দের জানানোর জন্য বিদ্যালয়ের হোয়টস এ্যপ গ্রুপে লিখেছেন বিষয়টি ব্যাস কথা সভাপতি তথা নির্বাচিত প্রতিনিধির কানে পৌঁছে দেওয়া হল তিনি ফোনে বলছেন প্রধান শিক্ষক আপনি কেন গ্রুপে দিয়েছেন, প্রধান শিক্ষক সরকারের আদেশ পালন করেছেন সেটা খুব খারাপ লাগছে আরকি উনি কিন্তু বর্তমান শাসক দলের নির্বাচিত প্রতিনিধি আবার কখনো বলছেন আপনি ঠিক করছেন, যাহোক অনেক কথা বলার পর প্রধান শিক্ষক বলেন আমি গ্রুপে দিয়েছি আপনি জানলেন কি করে? উত্তর এলো আমার মেয়েরা আছে না, মেয়েরা বলতে দুই দিদিমনি আছেন তারা কেউ গ্রুপে নেই কারণ অভিভাবকরা নাকি জ্বালাতন করে, শাসক দলের বাড়ির মেয়ে ভালো শিক্ষিকা, যাদের পড়াতে হলে বলে সরকারি আদেশ আছে। আসল মজা পেলাম আজ ( ৭/১০/২০২০ MDM দেওয়ার সময়, সকাল থেকেই অভিভাবক গন জিজ্ঞেস করছে পোশাকের ব্যাপারে দু একজন তো বাচ্চা কে সাথে নিয়ে চলে এসেছে, এমনকি দিদিমনি আসার পরও তাকেও পোশাক নিয়ে জিজ্ঞেস করে যাচ্ছে তিনি বিরক্ত হয়ে বলেছেন ও ঐ দলের ব্যপার, আর ফোনে কথা বলে যাচ্ছেন কার সাথে জানি না। এবার প্রথম শ্রেণী থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্র ছাত্রীদের মাস্ক দেওয়া হয়েছে প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির নেই, হঠাৎ এক শিক্ষক( সেও এক নেতার সুপুত্র) বললেন প্রাক প্রাথমিকেরও মাস্ক দেওয়া হবে, বললেন আজ নাকি খবরের কাগজে খবর দেখেছে। কারণ পরে বুঝলাম যে একটা বাচ্চা পাচ্ছে না, সরকারে বদনাম হচ্ছে অত অভিভাবক জানতে পারছে এসবের জন্য এটা প্রচার করা হচ্ছে, পরে অভিভাবক দের কে বলছেন প্রাক প্রাথমিকের মাস্ক আসবে তখন দেওয়া হবে। দারুণ কূটনিতীবিদ না। 





গেরুয়া পরলেই যোগী হওয়া যায় না। পরিবার বা সন্তান না থাকলে তেমন সাধু হয় না।

বিগত কয়েক বছর ধরে ভারতের শাসন ব্যবস্থা এই গেরুয়া পোশাক ধারী মানুষ জন কে বেশি দেখা যাচ্ছে, এরা সব নাকি যোগী, আসলে যোগী কথার অর্থ এরা জানে না মনে করে গেরুয়া পোশাক পরে ঘুরে বেড়ালে যোগী হওয়া যায়। আমি যতদূর জানি, যোগী হলেন সেই মানুষ যিনি সংসার ত্যাগ করে ধর্মের সাধানায় মন নিবেশ করবেন, এবং সকল মানুষ কে সমান চোখে দেখবেন। অর্থাৎ যোগীর মনে উচ্চ নীচ ভেদ থাকবে না, সব মানুষ সমান সব ধর্ম সমান, আর ক্ষমতার লোভ থাকবে না, সত্যি এদেশে একজন যোগী বা মহাপুরুষ ছিলেন তিনি স্বামী বিবেকানন্দ, যিনি তাঁর গুরু আরেক পরমপুরুষ রামকৃষ্ণ তথা গদাধর চট্টোপাধ্যায়ের কথায় শিব জ্ঞানে জীব সেবা করেছেন সারা জীবন, গোটা দেশ ঘুরে বেড়িয়েছেন, তাঁর কাছে ব্রাহ্মণ, চণ্ডাল, মুচি, মেথর, সকলে মানুষ ছিলেন কোন ভেদ ছিল না। এই মহাপুরুষ বিশ্ব ধর্ম সম্মেলনে একমাত্র প্রতিনিধি ছিলেন, যিনি 6 মিনিট ভাষণ দেওয়ার সময় পেয়েছিলেন কিন্তু 6 ঘন্টা বলার পরেও তার কথা শোনার জন্য লোক অপেক্ষা করে ছিল। আর প্রতিদিন তিনি একবার করে ভাষণ দিতেন। মানুষের সেবায় নিয়োজিত মানুষটি প্লেগ নামক মহামারীর সময় নিজের সীমিত সামর্থ্য মধ্যেও তাঁর সন্ন্যাসী ভাই দের নিয়ে এই দূর্দিনে তাদের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করে ছিলেন। আর এখন কার যোগী দেখুন, ক্ষমতা আর টাকার জন্য, যা পারে তাই করতে পারে, জাত পাত এদের কাছে মহান, মেয়েরা ভোগের বস্তু যত যাই হোক, মেয়েদের উপর নির্যাতন কারি, আবার সে যদি নীচু জাতেে মেয় হয় তাাহলে তো কথাই নেই, সে ভোগের বস্তু। ধর্ষণ কারি এই সব যোগীদের কাছে মহান মানুষ যেন ভগবানের দূত, সে দেশের এবং রাজ্যের বিধায়ক সাংসদ হতে পারে। 

Monday, 5 October 2020

ভারতীয় বলে গর্ব করেন, এদের দেখুন এরা দেশ ও জাতির লজ্জা।

আমরা ভারতীয়, বিভিন্ন জাতি বিভিন্ন ভাষার দেশ, হয়তো একে অপরের ভাষা অনেকেই বলতে পারে না সঠিক ভাবে কিন্তু বুঝতে পারে। স্বাধীনতার 73 বছর পার হয়ে গেছে, এখন এই হিন্দি বলয়ের বেশিরভাগ মানুষ অসভ্য, অশিক্ষিত, দেশের সব মানুষ কে মানুষ বলে মনে করে না, আজ বলে নয়, স্বাধীনতার আগে থেকেই এরা এরকম দেশের আইন এরা মানে না, হুমকি নীচু জাতের মানুষ কে খুন এদের জলভাত, এরা বোঝে টাকা সে যেভাবেই আসুক, ভয় দেখিয়ে কেড়ে নিয়ে চুরি করে ডাকাতি করে যেমন করে হোক টাকা চাই, এরা সনাতন ধর্মের কিছু জানে না কেবল জানে আমি উঁচু জাতের ও নীচু জাতের ব্যাস। নীচু জাতের মানুষের উপর অত্যাচার করা ওদের জণ্ম গত অধিকার, কী সাম রোহিতোগি তো বলেই দিলেন দলিত মেয়ে জণ্ম থেকেই বার বনিতা, আসলে নিজের বংশ পরিচয় দিলেন। এছাড়া এরা অর্থাৎ হিন্দি বলয়ের মানুষ দেশের আইন মানে না সব দিক থেকেই, উচ্চ নীচ বা দলিত সব জাতের মানুষ এখনো ছারপোকার মতো বংশ বিস্তার করে দেশের জনসংখ্যা বাড়িয়ে চলেছে, গণ্ডা গণ্ডা ছেলে মেয়ে জণ্ম দেয় আর রাস্তায় ছেড়ে দেয় অপরাধ করার জন্য, দেশের পুলিশ আইন এদের কাছে কিছু না। এদের গ্যাং লিডার আছে তার কথায় ভোট হয় কখনো ঐ গ্যাং লিডাররা ভোটে নির্বাচিত হন এখনও দাপটের সাথে এরা আইন কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সরকারের কোটি কোটি টাকা লুঠ করে নেন। এদের কিছু বলার নেই, দেখেছেন বা অনেকের অভিজ্ঞতা হয়েছে যখন ট্রেন গুলো এই বাংলার সীমানা পেরিয়ে বিহার ও উত্তর প্রদেশের মধ্যে দিয়ে যেত কীভাবে বিভিন্ন ভাবে অহিন্দি ভাষি দের অত্যাচার করত, এরা এতটাই উৎশৃঙ্খল একমাত্র কারণ শাসন ব্যবস্থা এদের উপর নির্ভরশীল। এই পুলিশ ওদের পাহারা দিচ্ছে আর ওরা হুমকি দিয়ে যাচ্ছে দেখেছেন কোন ব্যবস্থা নিতে আজ মনে হয় তিন চার দিন হয়ে গেল ঘটনাটা ঘটেছে। আচ্ছা এই ঘটনার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কোন ধর্ষণ কাণ্ডের মিল আছে জানেন কামদুনির, সেখানেও এই ভাবেই মেয়ে টিকে বিভৎস ভাবে খুন করা হয়েছিল, আজ পর্যন্ত কোন বিচার হয়নি। সেই সময় এর কথা বা ঘটনা গুলো ভাবুন এক দাপুটে নেতা, তাদের মানে যারা প্রতিবাদ করছিল তাদের বাধা দিয়েছেন তিনি এখন কেন্দ্রীয় শাসক দলের যোগ দিয়েছেন। কামদুনির ঐ দুজন ভদ্রমহিলা কে মাওবাদী বলা হয়েছিল। সব শাসক সমান তবে হাথরাসের ঐ রকম অসভ্য জাতি মানে যারা নিজেদের উচ্চ বর্ণের বলে দাবি করে হুমকি দিচ্ছে আবার পুলিশের সামনে। উত্তর প্রদেশের এই সব ঠাকুর দের নির্মম অত্যাচারে 70 থেকে 80 দশকে জণ্ম নিয়ে ছিলেন দস্যুরানি ফুলন দেবি, কি জানি এরা মনে হয় ভুলে গেছে তাছাড়া 100 জনের উপর দলিত সাংসদ কেন্দ্রীয় শাসক দলের তারাও চুপ, দলিত অত্যাচারে দলিত রাষ্ট্রপতি ও চুপ।বিহার উত্তর প্রদেশের সরকার মাফিয়ারা চালায়, কথায় কথায় খুন ডাকাতি এদের ধর্ম। এখন একটা নতুন জিনিস হয়েছে পুলিশ ধরে ভুয়ো একাউন্টার করে, একাউন্টার মানে পুলিশের হেফাজত থেকে পালিয়ে যাচ্ছিল পুলিশ গুলি করে মেরে ফেলেছে, কিন্তু লাশ কোথায়? কেউ জানেন না। অপরাধের দারুণ শাস্তি বেঁচে থাক বাবা, আর অপরাধ করিস না, কিছু দিন পরেই আবার অন্য নামে অন্য কোথাও শুরু করে কেবল টাকার বাণ্ডিল টা পার্টি কে পৌঁছে দিতে পারলেই হবে। কেবল উত্তর প্রদেশে বিহার এদের দেখা দেখি এখন আমাদের রাজ্যে মাফিয়ারা সক্রিয়, গত 2006 সাল থেকে মাফিয়ারা মা মাটি মানুষ যাত্রা পালার মহরা শুরু করে ছিল, 2011 সালে মঞ্চস্থ হলো আবার 2016 সালে এই ক'বছর এই রাজ্যে একটি নির্বাচন ও শান্তি পূর্ণ হয়নি, যা এই শাসক দলের মাফিয়ারা করতে দেয় নি কেবল একটি মাত্র উদ্দেশ্য টাকা, বাণ্ডিল বাণ্ডিল টাকা কোনো চাকরি ব্যবসা কিছুর দরকার নেই কেবল ভোটে নির্বাচিত হওয়া দরকার, আর আমি দেখেছি এই সব চোর ডাকাত মাফিয়া দের দলে বা মিছিলে লোকও হচ্ছে। কারণ একটাই যা একটু আধটু টাকা পয়সার ভাগ দিচ্ছে, মদ মাংস খেতে দিচ্ছে। এই সব কারণেই এদের মিছিলে এত মানুষ। 

Saturday, 3 October 2020

অক্টোবর মাসে MDM রেশনের সাথে দেওয়া হবে মাস্ক, বাদ প্রাক প্রাথমিক শ্রেণি ।

খুব ভাল সিদ্ধান্ত, অক্টোবর মাসে MDM রেশনের সাথে ছাত্র ছাত্রীদের দেওয়া হবে মাস্ক যা ইতিমধ্যে বিদ্যালয় গুলিতে পৌঁছে গেছে। মাস্ক গুলোর মাপ এতো ভালো যে তাতে মুখ চাপা পড়লে নাক বেড়িয়ে থাকবে আর সবার হবে কিনা সন্দেহ, কারণ খুবই ছোট। আরেকটা বড়ো বিষয় এই মাস্ক দেওয়া হবে প্রথম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীদের। প্রাক প্রাথমিক শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীরা বাদ, দু বছর আগে  এদের পোশাক দেওয়া হতো না, আসলে 2013 সাল থেকে প্রাক প্রাথমিক বলে একটা শ্রেণী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সাথে যুক্ত করা হয়েছে সেটা ভুলে যায় এ সরকার, না আছে তাদের পড়ানোর মত বই, না আসে অন্যান্য সুযোগ সুবিধা অথচ এই সরকারের আমলে শুরু হয়েছে এই প্রাক প্রাথমিক শ্রেণি। আর এসবের জন্য প্রতি নিয়ত শিক্ষক দের বলতে হয়, নয় আন্দোলন করতে হয়। অনেক বলে এদের MDM এর ব্যবস্থা করেছে দু তিন বছর আগে। জামা বা পোশাকের টাকা দেওয়ার জন্য বা পোশাক দেওয়ার জন্য অনেক আন্দোলন করতে হয়েছে শিক্ষক দের, বিশেষ করে নিখিল বঙ্গ শিক্ষক সমিতি শিক্ষক দের একটা দাবি ছিল এদের বঞ্চিত করা যাবে না। যা হোক এত দিন পর সরকার পোশাক দিল মিডে মিলের ব্যবস্থা করল, কিন্তু দেখুন এই কোভিড19 মাস্ক ওদের জন্য নেই। কি সুন্দর ব্যবস্থা না, যে মাপে মাস্ক এসেছে ওদের মানে পাঁচ বছরের বাচ্চাদের ভালো হবে বাকি শ্রেণির ছাত্র ছাত্রী নিয়ে যাবে পরতে পারবে কিনা জানি না! যাহোক ভোটের প্রচার তো হল, আবার জয় বাংলা লেখা আছে, কি জানি পশ্চিমবঙ্গ কি জয় করল? 

Thursday, 1 October 2020

আসুন আমরা সবাই আওয়াজ তুলি হিন্দি বলয়ের "ঠাকুর" দের বর্জন করি।

আজ সময় এসেছে এই হিন্দি বলয়ের মানুষ তথাকথিত ঠাকুর তাদের সারাদেশে ব্যপি বয়কট করার, কারণ এই সব ঠাকুর নামক কুকুরের দল দেশের শত্রু এরা ভারতীয় সভত্যা কে আদিম যুগে নিয়ে যাচ্ছে কিছুতেই এগিয়ে যেতে দেবে না। কারণ এরাই ইংরেজ আমলে ব্রিটিশদের দালাল ছিল, পা চাট তো আর এখন টাকা আর দেশের তথা ঐ সব রাজ্যে শাসক ও প্রশাসন সহায়তায় সব মানুষ কে মানুষ বলে মনে করেন না। শুনেছি এদের অনেকের নিজস্ব বাহিনী আছে, তারা আবার বেশিরভাগ দলিত লোক বন্দুক পিস্তল নিয়ে ঘুরে বেড়ায়, স্বাধীনতার আগে থেকেই এরা শিক্ষা দীক্ষায় এরকম, উৎশৃঙ্খল মেয়েদের তো মানুষ বলে মনে করে না। আর এখন দেশের শাসক দল এদের টাকার উপরে নির্ভরশীল এরা নির্বাচন পরিচালনা করে ঐ গুণ্ডা বাহিনী নিয়ে, স্বাধীনতার সত্তর বছর হয়ে গেল সংবিধানের বিভিন্ন ধারা আছে যে কোন ভাবেই জাতিভেদ করা যাবে না কিন্তু না চোরা না শোনে ধর্মের কাহিনী, দলিত ঘোড়ায় চাপলে দোষ, দলিতের ছোঁয়া মাঠে চাষ করা ফসল খাচ্ছে তাতে দোষের কিছু নেই, কিন্তু দলিত যদি খাবার জলের কুয়োর কাছে গেছে ব্যাস সব আক্রোশ তার উপর, একবিংশ শতাব্দী তে দাঁড়িয়ে উত্তর প্রদেশের বিহার প্রভৃতি রাজ্যের পুলিশকে দেখে মনে হচ্ছে আমরা সেই ব্রিটিশ শাসনে বাস করছি স্বাধীন নয়। দেশ স্বাধীন হয়নি, একটা নারকিয় ঘটনা, কেবল একটা! একের পর এক মেয়ে কে আজ এই জঘন্য পাপির দল খুন করে দিচ্ছে তার দেহ ভোগ করার পর আর প্রতিটি রাজ্যের প্রশাসন চুপ করে বসে আছে, বিচার নেই আমাদের পশ্চিমবঙ্গের একটা ঘটনাও আজ পর্যন্ত বিচার হয় নি। আর ঐ সব হিন্দি বলয়ের সে তো বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও প্রকল্প চলছে, এই যে ঘটনা ঘটেছে দলিত মেয়ে তাই তার অপরাধীদের ধরা যাবে না কারণ যারা করেছে তারা ঠাকুর সম্প্রদায়ের মানুষ, সেই কারণে পুলিশ প্রশাসন বোঝাচ্ছে কেস তুলে নিতে। আসুন আমরা সবাই মিলে একটা আওয়াজ তুলি ঐসব রাজ্যের ঠাকুর গুলো কে কুকুরে পরিনত করি ওদের সম্প্রদায়ের মানুষ যেখানে যেখানে আছে সেখানে সেখানে বিক্ষোভ শুরু হোক। 

ভারত তথা বাংলা থেকে মনে হয় এ ধর্মের নামে দাঙ্গা যাবে না।


আমার প্রিয় জন্ম ভূমি ভারত, ইতিহাস পড়ে জানতে পারি যেদিন থেকে এই পূর্ণ ভূমিতে ইসলাম এসেছে সেদিন থেকে শুরু হয়েছে ধর্মের নামে হানাহানি। আবার অনেকেই এই কথা বলবেন না, হানাহানি আগেও ছিল, হ্যাঁ ছিল হিন্দু ধর্মের মধ্যে যে বর্ণাশ্রম ছিল সে খানে ছিল, কাজের ভিত্তিতে মানুষ কে জাতি গত বিভাজন করে ছিল, নীচু যাদের ছুঁলে বা ছোঁয়া লাগলে জাত যেত, তাদের বিভিন্ন ভাবে দমিয়ে রাখা হত, না ছিল শিক্ষার অধিকার না ছিল ধর্ম বা অন্য কাজ করার অধিকার। হিন্দু বা ব্রাহ্মণ্য ধর্মের এই কঠোরতা থেকে মুক্তি দিতে জণ্ম নিয়ে ছিল বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম, শিখ ধর্ম, সর্ব শেষ বৈষ্ণব ধর্ম আর বিভিন্ন রাজ রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এই সব নতুন নতুন মত বাদ যত প্রচার হয়েছে, তত হিন্দু ধর্মের কঠোরতা কমেছে। হিন্দুরা শান্তি প্রিয় জাতি তে পরিনত হয়েছে সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়ানক পরিনতি দেখে যখন রাজ্য জয় করতে যুদ্ধ ছেড়ে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করে সেই ধর্ম প্রচার করতে আরম্ভ করে দিলেন। এই সব ইতিহাসের পাঠ থেকে এর পর থেকেই হিন্দু ধর্ম তথা ব্রাহ্মণ্য বাদের প্রতিপত্তি কমতে আরম্ভ করে, প্রতিপত্তি কমলেও সনাতন হিন্দু ধর্ম শেষ হয়ে যায় নি। ইতিহাসে পড়েছি ভারতের বুকে ইসলাম ধর্মের লোকজন  মোহাম্মদ ঘোরী, নাদির শা, চেঙ্গিস খাঁ, তৈমুর লঙ এরকম অনেকঅনেক ইসলাম ধর্মের শাসক কেবল লুটপাট আর ধ্বংস করার জন্য বার বার ভারত আক্রমণ করতেন।ইতিহাস বইতে পড়েছি এদের মধ্যে একজন ইলতুৎমিশ ভারতের প্রথম মুসলমান শাসক ভারত লুটপাট করে চলে গিয়েছিলেন, গিয়াস উদ্দিন বলবন, মোটামুটি মোগল আমল থেকেই এই দেশে ইসলাম ধর্মের প্রভাব বা বিস্তার লাভ করে। আরেকটা বিষয় যদি ভালো করে লক্ষ্য করা যায় বা ইতিহাস পড়া যায় তাহলে এদের মধ্যে বেশিরভাগই হচ্ছে উগ্র ধর্মীয় উগ্রতা বেশি,ইসলাম ধর্মের মানুষ প্রায় সব শাসক, এদের মধ্যে অনেকেই সব ধর্মকে সমান চোখে দেখতেন এরকম শাসকও ছিলেন যেমন আকবর, জাহাঙ্গীর আরও দু একজন শাসক, ইসলামের প্রসার ইসলামের শাসনের জন্য যেমন হয়েছে তেমনি সনাতন ধর্মের বা হিন্দু ধর্মের উচ্চ বর্ণের মানুষ যেমন ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এরা নিম্ন বর্ণ তথা শুদ্র দের উপর নানা অত্যাচার নামিয়ে এনে ছিলেন, শুদ্র দের ছায়া মারালে স্নান করতে হতো ছোঁয়া তো দূরের কথা সে রকম ইসলাম ধর্মের মানুষের সাথেও একই ব্যবহার করা হতো, বাংলার শাসক বল্লাল সেন তো কৌলিন্য প্রথা চালু করে জাতি গত ব্যবস্থা কে এই বাংলার বুকে আরও জোরদার করে ছিলেন। আর সেই কারণেই মাত্র 25 জন ঘোড়সওয়ার নিয়ে বাংলা দখল করতে সক্ষম হয়েছিলেন খিলজি। ভারতের অনেকেই উপনিবেশ স্থাপন করেছেন, ভারত বর্ষ কে শাসন করেছে, পর্তুগীজ, পাঠান, ইসলাম, বা মুসলিম এবং ইংরেজ তথা খ্রীষ্টান ইসলাম ধর্মের লোকজন বাদে বাকি ধর্মের মানুষ ভারতের শিক্ষা সংস্কৃতি কে মানিয়ে নিয়ে ভারত কে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে একমাত্র ইসলাম ছাড়া এরা ধর্মের নামে গোঁড়ামি ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা এখনও গেল না এরা দেশের থেকে ধর্ম কে বড় বলে মনে করে, দেশের আইন এদের কাছে তুচ্ছ, শোর্ড নিয়ে মিসাইল এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে যায় তবুও আধুনিক শিক্ষার দাম নেই এদের কাছে, ধর্মের নামে মানুষের উপর অত্যাচার উগ্র হিন্দুত্ব,বাদীদের মধ্যেও আছে, এই উগ্র হিন্দুত্ব বাদীরা উচ্চ বর্ণের হিন্দু যারা ব্রাহ্মণ্য বাদ কে বাঁচিয়ে রাখতে চায় নিজের ক্ষমতা দেখানোর জন্য যতক্ষণ না সনাতন ধর্মের মধ্যে থেকে এই জাতি ভেদ যাবে ততক্ষণ, ইসলামের বৃদ্ধি কেউ থামিয়ে রাখতে পারবে না। আর ইসলাম ধর্মের গ্রহনের আরেকটা কারণ, যৌন সুখ এবং কঠোর ভাবে পুরুষ তন্ত্র কায়েম, চারটে পাঁচ বা তালাক দিয়ে যত খুশি বিয়ে করে সন্তান উৎপাদন করা যায় এই কারণে ও অনেকেই এই ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হন। এই ভাবেই আজ ইসলাম বেড়ে চলেছে, জণ্ম দিলাম লেখা পড়া শেখ আর না শেখ কাজ পেল কি না পেল এক বেলা খাবার জুটল কি না জুটল ছারপোকার মতো জণ্ম দাও, বড়ো হয়ে মানুষ খুন তো করতে পারবে ঐ যথেষ্ট। আর অপরের সম্পদ জোর করে কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা বাড়বে, যেটা ভারতের আসার সময় থেকে করে যাচ্ছে। এরা আর ভারতীয় হতে পারল না, জানি না কত জন নিজে কে ভারতীয় ভাবেন, যারা ধর্মীয় শিক্ষার বাইরে বেড়িয়ে আধুনিক শিক্ষা গ্রহণ করেছে কেবল তারা মুষ্ঠি মেয় কত জন। অনেকেই বলেন এদের জন্য জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, আমি কিন্তু এই ব্যাপারে হিন্দি বলয়ের অশিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত হিন্দু ধর্মের মানুষ কেও দায়ি করি কারণ আমি দেখেছি রেলের জায়গায় ঝুপড়ি করে থাকে গণ্ডা গণ্ডা সন্তান জন্ম দিতে থাকে তারা কিন্তু ঐ হিন্দি বলয়ের দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ ঐ সব জায়গায় অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বাংলায় এসে ঐ ঝুপড়ি করে আছে। কারণ একটাই ধর্মের নামে অত্যাচার, সে দুই ধর্মের মধ্যে হোক আর একই ধর্মের মধ্যে হোক, আজ এই একবিংশ শতকে দাঁড়িয়েও আমরা ধর্ম নামে দাঙ্গা, বা জাতি গত দাঙ্গা বন্ধ করতে পারিনি কারণ ব্রিটিশ সরকার এই দাঙ্গা লাগিয়ে ধর্মের নামে দেশ শাসন করে গেছে। সেই ধারা এখনও প্রবাহমান এই উপমহাদেশে, বাংলাদেশ, পাকিস্তান,ভারত সর্বত্র। দেশ ভাগ হয় ধর্মের নামে, ব্রিটিশ সরকারের এবং আমার দেশের কিছু মানুষের ষড়যন্ত্রে সেখান থেকে আজও বেড়িয়ে আসতে পারেনি দেশ কারণ একটাই শাসক চায় না এসমস্যা মিটে যাক মানুষ শান্তি তে বাস করুক সেটা যদি হয় তাহলে শিক্ষার দাবী করবে খাদ্যের দাবি করবে কাজের দাবি করবে। আর মানুষ যদি এক জোট হয়ে শান্তি তে থাকে এবং সকল মানুষ শিক্ষিত হয় তাহলে নেতা মন্ত্রী দের চুরি দিনে ডাকাতি ধরে ফেলবে ।এই কারণে ধর্মের নামে এই দাঙ্গা এই উপমহাদেশ থেকে যাবে না। অথচ সরকার ইচ্ছা করলে কয়েক দিনে বন্ধ করে দিতে পারে এসব। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...