Anulekhon.blogspot.com

Friday, 18 September 2020

রেলে নির্ভর গরীব খেটে খাওয়া মানুষ কে গভীর সঙ্কটে ফেলে দিচ্ছে রেল।

সারা দেশে আন লক ডাউনে স্থানীয় ভাবে রেল পরিষেবা চালু হয়েছে। মহারাষ্ট্র যেখানে করোনা বেশি সেখানে শহরতলির ট্রেন চলাচল করছে অনেক দিন হলো। কেবল পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ, আর কেবল রাজ্য সরকারের দোহাই, আমি জানি না রেল চালাতে সত্যি রাজ্য সরকারের অনুমতি লাগে কিনা? যদি এটা সত্য হয় তাহলে বলতে হবে এটা একটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, যেখানে করোনা বেশি সেই কলকাতায় সব চালু আছে কিছু বন্ধ নেই কেবল মাত্র শহরতলির ট্রেন আর গ্রাম গঞ্জের বিদ্যালয়ে গুলো চালু হলে করোনা মহামারীর আকার নেবে। এটা গরীবের খেটে খাওয়া মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র, রেলে কেবল হকার, ছোট খাটো ব্যবসায়ীরা যারা কলকাতায় বা হাওড়া না, কাছাকাছি দু একটা স্টেশন পর্যন্ত গিয়ে ব্যবসা করত তরিতরকারি বিক্রি করতে যেত তাদের অবস্থা কাছাকাছি ছোট ছোট দোকান বা কারখানার কাজ করতে যেত সব বন্ধ না হলে তাদের সাইকেল অথবা ভ্যানো বা তথাকথিত বাসে যেতে হচ্ছে, দু তিন জন মিলে টাকা দিয়ে স্কুটি কিনে যাতায়াত করছে। কি দুর্বিসহ অবস্থা আজ ছ মাসের কাছে শহরতলির ট্রেন বন্ধ, এটা ইচ্ছাকৃত ভাবে যাতে এই গরীব মানুষ আরও গরীবির দিকে চলে যায় তার ব্যবস্থাপনা। না খেতে পেয়ে পাড়ার শাসক দলের দাদার কাছে যাবে বা দাদার দলের দাদাল কে একটু সাহায্য দিয়ে বলবে সামনে বিধানসভা নির্বাচনে ভোট টা দিবি মনে রাখবি এই এক কেজি চাল দিলাম। ভাই ভাইপো ভাইঝি দের কাটমানির অভাব নেই পঁচিশ শতাংশ আছে, তা ছাড়া আরও তুলে। ওদিকে দাদা তো চাষিদের নীলকর সাহেব দের হাতে তুলে দিতে উদ্যোগী আবার আমাদের নীল বিদ্রোহ দেখতে হবে আরকি? কারণ চাষিদের দল আর কত সহ্য করবে দিদি ক্ষমতা এসেই 450 টাকার সার 900 টাকা কিনতে হয়েছে। আর বর্তমানে সারের আর বীজের দাম। সর্ব দিক দিয়ে গরীব খেটে খাওয়া মানুষ, ও কৃষক কে পিষে মারার পরিকল্পনা এর পর রাজ্যের পাড়ায় পাড়ায় খাবার চুরি করে খাবে মানুষ ছ মাসের কাছে হতে চলল এই মানুষ গুলোর অবস্থা ভাবুন যে মহিলা পরের বাড়ি কাজ করতে যেত ট্রেন তার অবস্থা আরও খারাপ। দিদি তো জোর দিয়ে বলছে দু টাকা কিলো চাল দিচ্ছি, কিন্তু পাচ্ছে কজন পাচ্ছে কারা একবার খোঁজ নিয়ে দেখুন আশি হাজার টাকার বাইক নিয়ে দু টাকা কিলো চাল আনতে যাচ্ছে। এসব ষড়যন্ত্র বন্ধ করতে হবে, আর শিক্ষা কে বিশেষ করে গ্রামের প্রাথমিক শিক্ষা কে ধ্বংস করার চক্রান্ত কে বন্ধ করতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে যার টাকা আছে সেই বাড়ির ছেলে মেয়েরা বেসরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি হবে আর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাবে এখানেও এক দিন ছাড়া একটা শ্রেণী নিয়ে ক্লাস শুরু করা যায়। না ঐ যে তুলে দেওয়ার মতলব, করা হয়েছে 2022 সাল থেকে শুরু হবে নতুন শিক্ষা নীতি 2022 কেন 2021 নয় কেন কারণ কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন তাই। আর এরকম করে ছুটি দিয়ে দিয়ে কুড়ি বা 2021 সালের বিধানসভা নির্বাচন পর্যন্ত কাটিয়ে দিতে পারে তাহলে সব শেষে। তখন দেখা যাবে কটা বিদ্যালয়ের কজন শিক্ষক কীভাবে পড়িয়েছে, তাদের জুটবে তিরস্কার বাকি দের পুরষ্কার কি মজা? ঘরে বসে বসে বেতন নিতে, আবার দাদার দল যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে সোনায় সোহাগা দিদি তো আগেই রাস্তা করে রেখেছে জামাটা পাল্টে বসে পরবে গদিতে। কারণ ক্ষমতা চাই ক্ষমতা কেন চাই কোটি কোটি টাকা তাতে রাজ্যের মানুষ রসাতলে যাক, ক্ষমতা আর টাকা চাই। কিছু বলার নেই সত্যি আমরা সেই বাঙালি যে বাঙালি একদিন প্রবল পরাক্রান্ত ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত নাড়িয়ে দিয়ে ছিল। বাঙালি বিল্পবী দের ভয়ে রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লি নিয়ে গিয়েছিল। সেখানেও রেহাই মেলেনি রাসবিহারি বসুর সহায়তায় বটুকেশ্বর দত্ত, রাজ গুরু সুখদেও, ভগৎ সিং পার্লামেন্টে বোমা বিস্ফোরণ ইনকিলাব জিন্দাবাদ ধ্বনি। কোথায় সেই বাঙালির এই সর্বনাশের দিনে এগিয়ে আসুন। বলবেন, তাহলে কি করোনা রাজ্যে নেই আছে, কলকাতায় সব থেকে বেশি আক্রান্ত সেখানে কোন যানবাহন বন্ধ নেই অথচ কেবল শহরতলির ট্রেন বন্ধ। আর করোনার কথা বলছেন, ওতো পা কাটা নিয়ে হাসপাতালে গেছে দেখাতে তাকেও করোনা রুগী করে কি জায়গা যেন যেখানে চোদ্দ দিন থাকতে হয়, সেখানে পাঠানো হয়েছে করোনা হলে লাভ হচ্ছে, প্যাথেলজিক্যাল ল্যাবের, এম্বুলেন্সের, আর ওষুধের দোকানের এবার বুঝতে পারছেন। করোনার বর্তমান কেরামতি, ট্রেন চালু হলে জি আর পি আর পি এফ গুলো কিছু উপরি ধান্দা করে,রেলের পাশে কত পুকুর বা রেল খাদ এরা লিজ দিয়ে টাকা তোলে জানা আছে, এ ছাড়া হকার আছে আছে ছোট ব্যবসায়ী সব মিলিয়ে রমরমা কারবার বেতন ছাড়াও কোটি কোটি টাকা ভাগ হয়ে যাচ্ছে রেলের এই পুলিশ না হলে বরং রেলের লাভ হতো বেশি। আর কিছু লিখলাম না। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন বাইরে বেড়লে মাস্ক, পরুন, আর শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখুন, সুস্থ থাকুন। 

Wednesday, 16 September 2020

আমার এই ধর্মের এই মানুষ গুলোর কাছে আমার কিছু প্রশ্ন ছিল যদি উত্তর মেলে।

আগেই বলেছি ছবি গুলো সব ফেসবুক থেকে নেওয়া হয়েছে, জানিনা কোন দেশের ঘটনা তবে যা ভিডিওটিতে শুনলাম তাতে মনে হলো কয়েকটি প্রশ্ন এদের করি এই সব ধর্মান্ধ মানুষ গুলোর কাছে আমার জিজ্ঞাসা এই ভিডিও ফুটেজ শুনেছি এবং লেখাটা পড়ে দেখলাম লেখা আছে ইহুদী, খ্রিস্টান, হিন্দু অর্থাৎ অমুসলিমরা সব কাফের এরা জাহান্নামে যাবে, আর মুসলিম দের আল্লাহ জান্নাতে থাকতে দেবেন। আমি সব ভাষা চিৎকার গুলো লিখে বোঝাতে পারছি না আমার ঐ ধর্মের ধর্মান্ধ ধর্ম ব্যবসায়ীর কাছে প্রশ্ন আপনি যে ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও করে ফেসবুকে বা ইউ টিউবে দিচ্ছেন সেই ক্যামেরা ও ফেসবুক ও ইউ টিউব সব ইহুদী বা খ্রীষ্টান দের তৈরি এতে পাপ নেই আল্লাহ মাপ করে দেবেন না। আপনি যে মাইক ব্যবহার করে গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে ধর্মের কথা বলে যাচ্ছেন মানুষ কে শোনাচ্ছেন সেটাও কোন এক জন ইহুদির তৈরি। ওহে ধর্ম ব্যবসায়ী আপনি বিশ্বাস করেন স্বর্গ নরক নিশ্চয়ই আপনি দেখে এসেছেন। কেমন দেখতে কেবল বানান গল্প নয় ইহুদি দের তৈরি উন্নত মানের ক্যামেরা নিয়ে যাবেন ভিডিও ফুটেজ এনে দেখাবেন। আর যে মোবাইল ফোন টি ব্যবহার করেন সেটাও কোন এক ইহুদি খ্রীষ্টান ইহুদী বা হিন্দুদের হাতের ছোঁয়া আছে মোবাইল এ হাত দিলে মাইক বাজিয়ে ধর্ম সভা করলে আপনার ধর্ম থাকবে আল্লাহ মাপ করে দেবেন তাই না। যে উড়োজাহাজ বা প্লেন চেপে হজ করতে যান যতদূর জানি রাইট ভাতৃদ্বয় খ্রীষ্টান ছিলেন। কোরান শরীফ টি নিশ্চয়ই ছাপানো ছাপার মেশিন তৈরি করে ছিলেন গুর্টেন বার্গ আর বাংলা হরফ তৈরি করে ছিলেন একজন হিন্দু বাঙালি পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুরের এক কর্মকার নাম টা মনে নেই তবে তিনি হিন্দু ছিলেন। মনে রাখতে হবে আপনি সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত যে সব জিনিস ব্যবহার করেন আধুনিক মিলের জামা দাঁতের মাজন সব কিছুই এই সব ধর্মের মানুষের তৈরি আপনি যাকে কাফের বলছেন। রাতে বাড়িতে যে ইলেকট্রিক আলো জ্বেলে রাখেন বা ঐ যে সভা করছেন ওখানে রাত হলে যে নিয়ন বাতি জ্বেলে আলোকিত করে নেবেন সেটাও কোনো না কোনো আপনার ভাষায় কাফের তৈরি আল্লাহ আপনাকে মাপ করে দেবেন তো! আপনি ধর্মান্ধ চোখের মাথা খেয়ে বসে আছেন চোখের চশমা লেন্স সব কাফের তৈরি বা আবিষ্কার আপনি গ্যলেলিওর নাম শুনেছেন জানি জানবেন আপনার ধর্ম আপনাকে ধর্মের শিক্ষা দিয়েছে আর তার উপর নির্ভর করে তুলেছে আর যাদের তৈরি জিনিস পত্র নিয়ে সভ্যতার বড়াই করছেন তাদের গালাগালি দিচ্ছেন। অবশ্য আমি আপনাকে বা আপনার মত মুসলিম কে মুসলমান হিসেবে ভাবি না আপনার কোন না কোন পূর্ব পুরুষ হিন্দু বা অন্য ধর্মের লোক ছিলেন। একটু নিজের পরিবারের ইতিহাস নিয়ে পড়ে দেখতে বলছি কারণ বাংলায় লক্ষ্মণ সেনের শাসন থেকে ইসলাম এসেছে ঐ যে আপনি যে ধর্ম পালন করেন তাদের স্বভাব লুটপাট করা মানুষের সম্পদ জোর করে দখল করা আর পঁচিশ টা বিয়ে করে যৌন সুখ ভোগ করা আর একশোর উপর ছেলে মেয়ের জণ্ম দিতে পারেন। কি খাবে পরবে দেখার দরকার নেই, মানুষ মারতে পারলেই হবে। দারুণ ধর্ম আচ্ছা একটা প্রশ্ন এমন একজনের নাম বলুন যে স্বেচ্ছায় ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছে, আপনার ধর্ম নিয়ে আপনি থাকুন, ১৪০০ বছর আগের একটা ধর্ম তার আগের পৃথিবীর ইতিহাস পড়ে দেখুন জানতে পারবেন আপনার ধর্ম খুন জখম রাহাজানি, জোর করে ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করা, লুটপাট ছাড়া আর কিছু করেনি। পৃথিবীর ইতিহাসে এ রকম দেখা যায় নি, আপনার ধর্মের মানুষ যা অত্যাচার করেছে। যদি সত্যিই মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে সত্যকে স্বীকার করতে শিখুন। ধর্ম দিয়ে নয় কর্ম দিয়ে বিচার করুন, মানবতা, মানব প্রেম হয়ে উঠুক ধর্ম। বাঙালি জাতি কে আর ছোট না করে, আসুন সকলে মিলে বাঙালি জাতির সেই মর্যাদা ফিরিয়ে আনি। জানি কাক্যস পরিবেদনা কোন কাজ হবে না উল্টো টা হবে জুটবে ধমকি ।হ্যাঁ একটা কথা বলি যদি হুমকি ধমকি যাই দেন যার মাধ্যমে দেবেন সেটা যেন মুসলিম দের তৈরি করা হয়, ! চিনের তৈরি করা ফোন ব্যবহার করেন ওখানেও কিন্তু অন্য ধর্মের মানুষ তৈরি করে, চীনরা কম আছে, তাছাড়া চীন ইসলাম ধর্ম কে দেখতে পারে না। উইঘুরের অবস্থা জানেন না জানলে জেনে নেবেন। আমি জানি আপনার জাতি হুমকি আর মানুষ খুন করা ছাড়া আর কিছু জানে না, ওটাই আপনার পরিচয়। ধন্যবাদ ভালো থাকবেন আর জ্বর জ্বালা হলে ডাক্তার দেখাতে ভুলবেন না, (দেখবেন ডাক্তার যদি এ্যালোপ্যাথি ঔষধ দেয় সেটা যেন আপনার ধর্মের মানুষের আবিস্কার বা তৈরি করা হয়, হোমিওপ্যাথির জনকের নাম মনে আছে হ্যানিম্যান যতদূর জানি তিনি ইহুদী ছিলেন, আরেকটা বিষয়, দেখবেন আবার উত্তর দিতে বা হুুমকি দেওয়ার জন্য   কাফের দের  তৈরি ফোন বা টেকনোলজি ব্যবহার করবেনা। আপনার কাছে আপনার ধর্ম মহান প্রচার করুন দুঃখ নেই। আমার কাছে আমার ধর্ম মহান আমার ধর্ম হিংসা শেখায় না। সমাজের একটা প্রধান অংশ নারী তাদের ভোগের বস্তু বানাতে বলে না। সেই আদিম যুগে মানুষ যে প্রাকৃতিক ঘটনা কে ভয় পেয়েছে তাকেই পুজো করে আসছে পরে বেদে সে সব লিখিত হয়েছে, এটাই সনাতন। যদি প্রকৃত অর্থে শিক্ষা থাকত তাহলে বাঙালি হয়ে বাংলা ভাষার সনাতন কথার অর্থ জানতেন। যা যুগ   যুগ ধরে চলে আসছে সেই প্রথাই বা নিয়ম কেই সনাতন বলা হয়। আর আদীম. যুগ থেকে চলে আসা প্রথা গুুলো কালের বিবর্তনে পরিবর্তন হয়েছে মাত্র। আপনাদের জ্ঞান দিয়ে লাভ নেই। আপনাদের অঢেল জ্ঞান কারণ আপনারা গায়ের জোরে গলার জোরে সত্য কে মিথ্যা এবং মিথ্যা কে সত্য করে দিতে পারেন। না হলে যে জায়গা কেউ কোন দিন দেখেনি কেবল কল্পনা করেছেন স্বর্গ ও নরক বলে সেই স্থান কে মানুষের মনে গেঁথে দিতে আপনারা বদ্ধ পরিকর। আগে হিন্দু বা সনাতন ধর্মের মানুষ ও খ্রীষ্টান ধর্মের মানুষ বিজ্ঞান কে অস্কীকার করত, তার পর ধীরে ধীরে তারা বিজ্ঞান কে বিশ্বাস করতে আরম্ভ করে । ইতিহাসে পড়েছি খ্রীষ্টা্নরা  স্বর্গের টিকিট বিক্রি করত। ধীরে ধীরে তাার অনেক কুসংস্কার থেকে বেড়িয়ে এসে বিজ্ঞান কে বিশ্বাস করে তাকে কাজে লাগিয়়ে  সভ্যতাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহাায্য করছে। আজও মানুষ বিজ্ঞান চর্চার মধ্য দিয়ে মানব সভ্যতা কে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আর আপনার মত বা আপনাদের মত যোগাযোগ কিছু ধর্মান্ধ মানুষ বিজ্ঞান কে এগিয়ে নিয়ে যেতে  বাধা দিচ্ছেন।বিজ্ঞান কে অস্কীকার করছেন অথচ বিজ্ঞান এর তৈরি জিনস ব্যবহার করতে ছাড়়ছেন না। আর যাদের তৈরি জিনিস পত্র ব্যবহার করছেন তাদের কাফের বলছেন। তাদের খুন করতে বলছেন, দারুণ ধর্মের লোক আপনি। 

ভোট আসছে শাসক এখন কল্পতরু।

ভোট বড় বালাই যে কোন প্রকারে জিততে হবে। না হলে চুরি কাটমানি ঘুষ নেওয়া যাবে না। আগামী 2021 সাল কয়েকটি রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন, এই সময়ে কেন্দ্রীয় সরকার যেমন কল্পতরু, নিয়োগের শেষ নেই, এই মাত্র দেখলাম রেলের ফ্যাক্টরিতে নিয়োগ করা এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় খবর দেখলাম। আরও কত ধরনের পেনশন টাকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকার ও রাজ্য দুই সরকারের কৃষক পেনশন, তবুও কৃষক আত্মহত্যা করে এটা ঠিক নয়। রাজ্যে এতো নিয়োগ তবুও চাকরির জন্য অনশন করতে হয়। দুই সরকারের নিয়োগের বিজ্ঞাপনে ছড়াছড়ি তবুও স্বাধীনতার পর ভারতে তথা রাজ্যের বেকার সংখ্যা সব থেকে বেশি। কারণ প্রতিশ্রুতি আছে বাস্তবে তার দেখা মেলা ভার। আমি দু সরকারের কতগুলো প্রতিশ্রুতি মনে করে দিচ্ছি কেন্দ্রীয় শাসক দলের প্রতিশ্রুতি ১)১৫ লক্ষ টাকা প্রতিটি নাগরিকের ব্যাঙ্কের খাতায় আসবে ভাইও বহিনও,, ২) বছরে দু কোটি বেকারের চাকরি হবে। ৩) রান্না গ্যাস সহ জ্বালানির দাম পেট্রোল ডিজেলের দাম কমবে। ৪) আরও আছে সবকা সাথে সবকা বিকাশ ভাইও বহিন পরের বার আগলে বার মোদি সরকার। বাঙালি যদি সত্যি আপনি মানুষ হন বুকে হাত দিয়ে বলুন আদানি, আম্বানির বিকাশ ঘটেছে, মেহুল চকসি, বিজয় মাল্য, নাম আর লিখছি না এক জন বন্ধুর পাঠানো তালিকার ছবি দিলাম যারা ব্যাঙ্কের কয়েক হাজার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ করেনি এরা অনেক ফেরার। তালিকা দেখে নিন,
এরপর পরেও অনেক আছেন যারা কেন্দ্রীয় শাসক কে রাজ্যে ক্ষমতায় আনার চেষ্টা করছে। কেন্দ্রীয় শাসক দলের কোনও কোনও নেতা সারাদা, রোজভ্যালী, নারদা টাকা নেওয়া নেতা দের পাশে বসিয়ে বলছেন আমরা ক্ষমতায় এলে সারদার চোরে দের জেলে ভরব। অথচ দেখুন সি বি আই তদন্ত চলছে, যেই ভোট আসে আর কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার লোকজনের মনে পরে সারদার কথা, আর আজ সাত থেকে আট বছর হয়ে গেল কেন্দ্রে ক্ষমতায় আছে কিছুটি করে নি, চোরে চোরে মাসতুত ভাই ।ঠিক জায়গায় রফা করে নিয়েছে, ভাবুন আমি ফকির আমার কেউ নেই কেন চুরি করব। আমি আপনাদের পাহারাদার চৌকিদার কত কথা আর সেই চৌকিদার এমন পাহারা দিয়েছে, দিচ্ছে দেশটা তথা দেশের কয়েকটি ব্যবসায়ী আর বিদেশীদের কব্জায়। রেল বেচে, টেলিকম, বি এস এন এল, এমনকি দেশের প্রতিরক্ষার জন্য অস্ত্র কারখানা সেটাও বিক্রি করে দেবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিক্রি করে দিয়ে আমেরিকা, ইসরাইল, প্রভৃতি বিদেশ থেকে অস্ত্র কিনে দেশ উদ্ধার করবেন। এরকম ধাপ্পাবাজ, চিটিংবাজ কে ক্ষমতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনায় বাঙালি বাঙালি জাতির কি অধপতন ধর্মের নামে নিজের দেশ তথা মায়ের সম্পদ বিক্রি করে দিতে পারে, এই বাঙালি ব্রিটিশ আমলে স্বদেশী আন্দোলন শুরু করে ছিল।কান্ত কবির কবিতার প্রথম লাইন, " মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় নেরে ভাই /দীন দুঃখীনি মা যে তোদের তার বেশি আর সাধ্য নাই।" এত গেল কেন্দ্রীয় শাসক দলের কথা, এবার বর্তমান রাজ্যে শাসক দলের কিছু কথা, 2021 সাল বিধানসভা নির্বাচনে জিততে হবে তাই দিদি এখন কল্পতরু যা চাইবেন তাই ঘোষণা করে দেবেন। চাকরির ছড়াছড়ি প্রতিদিন কাগজ খুলে দেখুন কোনো না কোনো নিয়োগের বিজ্ঞাপন, এইট পাশ থেকে শুরু করে পিইচ ডি সবার জন্য উন্মুক্ত চাকরি কিছু ব্যাপার না। বাস্তব জীবনে কিন্তু অন্য কথা বলে টাকা না দিলে চাকরি নেই, যদি বা নিয়োগ করা হয় কন্টাকচুয়াল2000 টাকা থেকে 10000 টাকা বেতন। নিজের বেতন নিজেই বাড়িয়ে এক লক্ষ টাকার উপরে করে নিয়েছে। ও হ্যাঁ বেতন ও নিয়োগের কথা বলতে 2011 সালের প্রতিশ্রুতির কথা মনে পড়ে গেল। ক্ষমতায় এলে প্রতি বছর দু লক্ষ বেকারের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কিছু চাকরি দিয়েছেন অস্বীকার করা যাবে না। সিভিক পুলিশ ঐ রাস্তায় দাঁড়িয়ে লরি ও গাড়ির চালকের থেকে তোলা তোলে এই আগষ্ট মাসে আমি দেখেছি ভাবলাম ছবি তুলে রাখি কিন্তু সাহস হয়নি ভাবলাম দিদি বলেছেন সামনে ভোট টাকার দরকার। ওরাই তো গত পঞ্চায়েত ভোটের বাক্স পাল্টে দিয়ে দিদি কে জিতিয়েছে। যাকগে যাকগে ওসব কথা যারা ঘুষ দিতে পারে নি বা দোব না বলেছে তারা চাকরির জন্য অনশন শুরু করে ছিল।
তাদের চাকরি কিন্তু এখনও পর্যন্ত হয়নি, আর প্যারা টিচার এদের কথা নাই বা বললাম এরা বেইমান যে থালায় খায় সেটা ফুট করে বাম আমলে এদের নিয়োগ বাম সরকার যাবার আগে এ ওদের চাকরি পাকা করে দিয়ে গেল, সেই বাম এদের কাছে খারাপ, কারণ দিদির প্রতিশ্রুতি প্রতি বছর 10 % করে স্থায়ী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করে দেবেন। এই 10 বছর ধরে যদি এটা করতেন তাহলে একজন ও পার্শ্ব শিক্ষক থাকত না। আরেকটা কথা না বললেই নয় সরকারি কর্মীদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি, যে দিন কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করবে সে দিন থেকেই এই রাজ্যে ডি এ দেওয়া হবে। আর এখন ডি এ শব্দটা সরকারি কর্মীদের পে শ্লিপ থেকে মুছে গেছে। কিছু সরকারি কর্মী কিন্তু এতে একটুও দুঃখ পায় নি কারণ উন্নত মানের ঘুষের টাকা আর কাটমানির ভাগ ভালো পায় সেই কারণেই বেশ কিছু এখনো এই সরকারের সমর্থন করে। ভাতার কথা, পুরোহিত ভাতা ৮০০০ না আশি হাজার পুরোহিত কে ভাতা দেওয়া হবে বছরে না মাসে হাজার টাকা, ইমাম ভাতা ছিল চালু করা হলো পুরোহিত ভাতা আর বার্ধক্য ভাতা বিধবা ভাতা দেওয়া হতো সে সব বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বাম আমলে সাইকেল দেওয়া হতো স্কুল থেকে বাড়ির দূরে হলে এখন নাইনে পড়লে সবাই পায়, তার আগে কত ছেলে মেয়ে দূরত্বের জন্য স্কুল ছেড়ে চলে যায়। কন্যশ্রী যা নিয়ে এতো গর্ব বাম আমলে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে পরা পরিবারের দুটি কন্যা সন্তান হলে এককালীন টাকা দেওয়া হতো। সেটাই এখন কন্যশ্রী আর ওতো কলেজ গেটে ভাই ভাইপো ভাইঝি দের জন্য। আসলে তা নয় বাম আমলের অনেক কিছু জানতে পারত না মানুষ এতো প্রচার করা হতো না। যদি সকলে মিলে চায় যে সব নেতারা এলাকায় কর্মী কুল জানত তারা চুপ করে থাকত কাউকে কিছু বলত না। এটা ছিল তখন বামেদের কৌশল ভাবত আমাদের কে ক্ষমতা থেকে হটাবে। মানুষ কে এতো কিছু করে দিয়ে দিত একই বাড়িতে চার পাঁচ রকম ভাতা ঋন সব সে পেত এই মুষ্ঠিমেয় লোক গুলো কে বাদ দিয়ে শেষ দশ বছর যখন সকলে জানল তাদের দেওয়া শুরু করে দিল ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সবাই পেতে আরম্ভ করে ছিল। সে সময় ঐ পাড়ার দাদা নেতা এবং দীর্ঘ দিনের সব সুবিধা নেওয়া সুবিধা বাদিরা বামপন্থী দের ছেড়ে দিদির বড়ো বড়ো প্রতিশ্রুতি শুনে ভাবল কত কিছু করে দেবেন। সুবিধা বাদি দল এখন শাসক দলে, বামেদের খেয়াল রাখতে হবে ঐ সুবিধা বাদি ধান্দা বাজের দল যেন আর না আসে দলে, শতেক সুবিধা নেওয়ার পরও বলে আমি কি পেলাম? আমি সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন করব, যারা বাড়ির বেকার ছেলে মেয়ে দের ভবিষ্যৎ নষ্ট করে দিতে না চান অর্থাৎ ভোটে নির্বাচিত হলেই চপ কারখানা, ঘুঁটে ব্যবসা, মুড়ি ব্যবসা, ঝাল মুড়ি, চায়ের দোকানে কাজ আর ঘটি গরম বিক্রি করাতে না চান। যারা চোর কে চোর বলতে পারেন, মুরগি চোর সাধারণ ছিঁচকে চোর কে চোর বলতে পারেন কিন্তু এই অসাধারণ চুরির দক্ষতা সম্পন্ন ব্যক্তি দের চুরি দেখে চুপ করে বসে থাকেন তাকে ভোট দিয়ে জিতে সাহায্য করেন যাতে আবার চুরি করতে পারে। তাহলে আপনি নিজেই চোর সেই কারণেই সঠিক বা মানুষের ভালো দেখতে পারেন না। চোর কে চোর মিথ্যাবাদী কে মিথ্যাবাদী ধাপ্পাবাজ কে ধাপ্পাবাজ বলতে পারেন তাহলে দেখুন প্রায় 11 থেকে 12 টি তদন্ত কমিশন ও কমিটি গঠন করেও একজন বাম নেতা মন্ত্রী কে জেল বন্দি করতে পারে নি উল্টে নিজের দলের সাংসদ মন্ত্রী জেল খেটেছে। যদি সত্যি মানুষ হয়ে থাকেন, এবং সব গরীব খেটে খাওয়া মানুষ কে মানুষ বলে ভেবে থাকেন তাহলে এই চোর মিথ্যাবাদী শাসকের পদলেহন ছাড়ুন সামান্য ভিক্ষা পাওয়ার আশা ত্যাগ করে সকলের জন্য ভাবি। আগামী 2021 একুশের নির্বাচনে বামেদের জয় নিশ্চিত করি। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন ।আমার লেখা কাউকে আঘাত দেওয়ার জন্য নয়। আসুন সকলে মিলে পরিবর্তন কে পাল্টে প্রত্যাবর্তন করে দিই। 2021 সাল বাংলা হোক লালে লাল। 

Thursday, 10 September 2020

বিহার ভোটের শিকার রিয়া চক্রবর্তী।

ছবিটি অন লাইন সংবাদ পোর্টাল ডেইলি হান্ট থেকে নেওয়া ।কেন্দ্রীয় শাসক দল এবং তার সহযোগী নীতিশ কুমার সুশান্ত সিং রাজপুত এর মৃত্যু নিয়ে যে ভাবে এই রিয়া চক্রবর্তী কে গ্রেফতার করেছে সে সব দেখে শুনে মনে হচ্ছে এটি একটি চক্রান্ত কারণ সামনে নির্বাচন এমন কোন ভালো কাজ বিহার রাজ্যের সরকার বা কেন্দ্রীয় সরকার করে নি যেটা প্রচার করে ভোটে নির্বাচিত হওয়া যায়, মাইগ্রেন্ট লেবার বলুন আর কোভিড19 এর সময়ে মানুষ কে পেটানো ছাড়া কিছু কাজ নেই। আর কত মিথ্যা কথা বলে মানুষ কে ধোঁকা দেওয়া যাবে তাই সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু এদের হাতিয়ার কিছু মানুষের মনে প্রভাব পড়েছে আর জাতি বিদ্বেষ ছড়ানো অর্থাৎ বাঙালি জাতির প্রতি বিদ্বেষ থেকেই এই ব্যবস্থা। বিজেপি বাংলা বিদ্বেষী সে অনেক ক্ষেত্রেই প্রমাণ পাওয়া গেছে, এটি তার একটা অংশ। আসুন সকলে মিলে এর প্রতিবাদ করি। আমরা ভারত বাসী বিজেপি  হিসেবে বিহারি বাঙালি নয় এটা প্রমাণ করতে হবে। দেশের মানুষ কে যত রকম ভাবে ভাগ করা যায় সেই চক্রান্ত বরাবর করে এসেছে এই দল সে ভাষা দিয়ে জাত ধর্ম নিয়ে কেবল মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা। 

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা আজ করোনা আক্রান্ত!

পশ্চিমবঙ্গ সহ সমগ্র দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা আজ করোনা আক্রান্ত। সরকারি ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থার বাঁচিয়ে রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। টেলিভিশনের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট সময়ে পড়ানোর ব্যবস্থা, আছে কেবল উচ্চ শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের জন্য। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে model activity task দেওয়া হয়েছে শেষ সেই জুলাই মাসে, তার পর সে গুলো প্রিন্ট করে দেওয়া হয়েছে ছাত্র ছাত্রীদের এখানেই শেষ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শেখার কিছু নেই তাই, হোয়াটস এ্যাপ গ্রুপ করতে বলেছেন কিন্তু ঐ গ্রুপ কেবল মাত্র চাল আলু বিতরণে দিন জানানোর জন্য পড়ানোর জন্য নয়। এটা হয়তো অনেক বলবেন সমস্যা আছে, সকলের কাছে স্মার্টফোন নেই, আর নির্দিষ্ট সময়ে ধরে ঐ পড়ানোর ব্যবস্থা করা যাবে না কারণ ফোন বাচ্চা দের কাছে থাকে না অভিভাবক কাজে চলে যান, এছাড়াও নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে, করোনার মতো একটা মহামারীর সময়ে দাঁড়িয়ে এসব সমস্যা ভেবে শিশু শিক্ষা বা প্রাথমিক শিক্ষা কে ধ্বংসের মুখে ফেলে দিচ্ছে না কি? আমি একটা বিষয় ভীষণ ভাবে লক্ষ্য করছি বেশ কিছু শিক্ষক এই বসে বসে বেতন নেওয়া কে উপভোগ করছেন।অনেকেই আছেন হোয়াটস এ্যাপ গ্রুপ ব্যবহার করে পড়াচ্ছেন, আমি জানি কারণ তারা প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা কে ধ্বংস করতে চান না, সরকারি নির্দেশ না থাকলেও নিয়মিত পড়া দিচ্ছেন, অনেক অভিভাবক তার সময় মতো ছাত্র ছাত্রীদের দিয়ে কাজ গুলো করে পাঠাচ্ছেন ।শিক্ষক ও বাড়িতে বসে সময় মতো দেখে ভুল সংশোধন করে দিচ্ছেন। অনেকেই বলবেন এটা কি লেখা পড়া হচ্ছে, আমি বলছি হচ্ছে না, কিন্তু পরিস্থিতি কথা ভাবুন ছোট ছোট শিশু তাদের যাতে পড়ার অভ্যাস টা থাকে এটা সেই জন্য পড়ানোর জন্য, বা বিশেষ কিছু শেখানোর জন্য নয়। যেহেতু সরকারের নির্দেশ নেই, তাই এটা করা কি উচিত, যেমন সরকারি নির্দেশ ছিল মডেল এ্যক্টিভিটি টাস্ক গুলো জেরক্স দেবেন এবং ফেরত নিতে হবে কিন্তু দেখতে বলেনি তাই দেখে ফেরত দিতে হবে না, বা দেখতে হবে না, এযেন ধর লক্ষ্মণ ধরেছি লক্ষ্মণ অর্থাৎ রাম লক্ষ্মণ কে ফল গুলো ধরতে বলে ছিলেন খেতে বলেন নি সে রকম সরকারের নির্দেশ নেই ঐ মডেল এ্যক্টিভিটি টাস্ক দেখার দেখব না। আসলে সরকারের ইচ্ছা নেই সরকারি প্রাথমিক শিক্ষা বলে কিছু থাক যে সব অভিভাবকের টাকা আছে তাদের ছেলে মেয়েরা বেসরকারি বিদ্যালয়ে পড়বে ভিত তৈরি করে উচ্চ শিক্ষা নেবে এতো ছেলে মেয়ে শিক্ষিত হলে চাকরির দাবি করবে সরকারের ফাঁকি বা অন্যায় বা নেতা মন্ত্রী দের চুরি দিনে ডাকাতি ধরে ফেলবে অতএব বন্ধ করে দেওয়া হোক এ ব্যবস্থা এই সুযোগ সেই কারণেই কোন নির্দেশ নেই,এই জন্যই সরকার পোষিত প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন তৃণমূল শিক্ষা সেলের এক সদস্য ( শ্রীজিৎ লাহা) চুলকানি ও টাকের গল্প শোনায় অর্থাৎ যারা এভাবে হোয়াটস এ্যাপ ব্যবহার করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অভ্যাস ধরে রাখতে চেষ্টা করে যাচ্ছে তাদের বেশি চুলকানি। সরকার বলছে না, নির্দেশ দিচ্ছে না, তবুও এদের আগ্রহ নিয়ে কটাক্ষ করছে সরকার পোষিত তৃণমূল শিক্ষা সেলের সদস্যরা আমার মনে হয় ঠিক বলেছেন চুলকানি বেশি কারণ তারা জানে শিক্ষা অভ্যাস না থাকলে একদম বিদ্যালয় মুখে আসবে না বই গুলো তুলে রেখে দেবে পড়বে না। আর বসে বসে বেতন নেওয়া তাদের ধাতে নেই, 1000 টাকার উপরে রোজ বা মজুরি যা অনেকেই এক সপ্তাহের আয়। বর্তমানে সমাজে অনেক ভালো শিক্ষিত বেকার, অনেক বি এ /এম এ, ট্রেনিং প্রাপ্ত রাস্তা ঘুরে বেড়াচ্ছে একটা চাকরির জন্য সেই কর্মক্ষেত্র টা ধ্বংস করার চেষ্টা করা ঠিক কি? আমি অনেকের বাড়ির গৃহীনি কে পর্যন্ত ডি ইএলড ট্রেনিংএ ভর্তি করেছে একটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকরির জন্য বিদ্যালয় যদি না থাকে চাকরি হবে ত! সামনে 2021 সালে বিধানসভা নির্বাচন তাই সরকার বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিয়ে যাচ্ছে না হলে, তবে ওদের কিছু হবে না কারণ ওরা সরকারি দলকে সমর্থন করে এই শিক্ষক দিবসে সংবর্ধনা নিতে গিয়ে ছিল, ভালো শিক্ষক তো, ছাত্র ছাত্রীদের উন্নতির চিন্তায় ঘুম আসে না কি করে শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করা যায় তার চিন্তা করে, আমি শিক্ষিত মানুষ গর্বে বুক ভরে ওঠে আর কেউ শিক্ষিত নেই আমার থেকে ভালো হতে পারে না, ছাত্র ছাত্রী কেন সময় অসময়ে ফোন করবে, কেন আমাকে পড়ানোর জন্য বলবে? সরকার যখন বলছে না আমি কেন করব? আমি জানি না এই সব শিক্ষকদের যোগদান পত্রে পড়ানোর কথা লেখা দরকার না হলে বলতে পারেন আমার যোগদান পত্রে পড়ানোর কথা লেখা নেই আমি পড়াব কেন? আমার খুব ভালো লাগলো চুলকানি গল্প টি ছাত্র ছাত্রীদের এই পরিস্থিতিতে পড়ার অভ্যাস ধরে রাখতে যে সব শিক্ষকদের চুলকানি বেশি তাদের ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাই না। জানা নেই যাদের এই রকম চুলকানি হয়েছে কি করে ভালো হবে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা খবর পড়ে ছিলাম পুরুলিয়ার একটি গ্রামে এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা পাড়ার ইলেকট্রিক পোস্টে মাইক বেঁধে নির্দিষ্ট সময়ে বিদ্যালয়ে এসে বিদ্যালয় থেকে পড়াচ্ছেন ছাত্র ছাত্রীরা বাড়িতে বসে বিদ্যালয়ের সময়ে পড়া শোনা করছে। কারণ তাদের ফোন নেই, সত্যি শিক্ষক দের কি চুলকানি বলুন দেখি একটা পিছিয়ে পরা আদিবাসী গ্রামের শিক্ষার্থীদের পড়ানোর জন্য। আরেকটা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক তার কি চুলকানি দেখুন নিজের চাকরি রাখতে হোক আর শিক্ষকতা পেশার তাগিদে হোক গাছে মাচা বেঁধেছেন পড়ানোর জন্য ।
অনেকেই বলবেন ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিজের চাকরি রাখতে হবে তাই করছেন, একদম ঠিক কথা আর সেই কারণেই সরকার পোষিত বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বসে বসে বেতন নিতে অভস্ত হয়ে গেছে। আর সরকার এই কারণে চাইছে সরকারি ব্যবস্থা ধ্বংস হোক শিক্ষা বেসরকারি হোক। সব শেষে ঐ শিক্ষক দের এবং ঐ সংগঠনের শিক্ষক দের অর্থাৎ চুলকানি ছাড়া শিক্ষক দের অশেষ ধন্যবাদ, আপনারা ভালো থাকবেন কারণ পড়ানোর চুলকানি আপনার বা আপনাদের মধ্যে নেই। 

Friday, 4 September 2020

আগামী কাল 5 ই সেপ্টেম্বর আমাদের দেশের শিক্ষক দিবস।

আগামী কাল আমাদের দেশের এক সণ্মানীয় শিক্ষক ডঃ সর্বপল্লি রাধাকৃষ্ণানের জণ্ম দিন ।এই মহান মানুষের জণ্ম দিন টি শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। এই মহান শিক্ষক আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতি পদে আসীন ছিলেন, এনার জণ্ম দিনে, আমার ব্লগের শিক্ষক পাঠক দের এবং যারা কোভিড19 এর মতো মহামারীর পরিস্থিতিতে শিক্ষা কে বিভিন্ন ভাবে ছাত্র ছাত্রীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন তাদের প্রত্যেকে এই ব্লগের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাই। কারণ আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখেছি, বাঁকুড়া বা পুরুলিয়া জেলার এক শিক্ষক মাইক লাগিয়ে পড়াচ্ছেন। আবার এক বেসরকারি সংস্থার শিক্ষক ছাত্র ছাত্রীদের অন লাইন পড়ানোর জন্য ভালো ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের আশায় উঁচু গাছে মাচা বেঁধেছেন। অনেকেই হোয়াটস এ্যাপ বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে পড়াচ্ছেন। আর শিক্ষক দের এই ঐকান্তিক চেষ্টায় আশা করি কিছুটা হলেও শিক্ষা ব্যবস্থা বাঁচবে কারণ সরকারি উদ্যোগ কম সে তো পারলে শিক্ষা ব্যবস্থা তুলে দেয় গ্রামের মানুষ বা গরীবের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থা আর থাকবে না। যারা এই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দাাঁড়িয়ে শিক্ষা কে বাঁচাতে লড়াই করে যাচ্ছেন সেই সব শিক্ষক দের আমার ব্লগের মাধ্যমে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছি।
সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন। 

Wednesday, 2 September 2020

কেন্দ্রীয় কর্মীরা ৩০ বছর কর্ম জীবন হলে কাজের পারফরম্যান্স খারাপ হলে চাকরির ইতি, কিন্তু নেতা মন্ত্রীদের কি হবে!

আমি এবিষয়ে সাধু বাদ জানাই সরকার কে, ৩০ বছরের কর্ম জীবন নয় প্রথম থেকেই অর্থাৎ কর্ম জীবনের ৫ বছর হলেই এটা করা উচিত। বিশেষ করে পোস্ট অফিস বা ডাক কর্মী ও কিছু রেল কর্মী চাকরি পাওয়ার পর থেকেই সাধারণ মানুষ কে গরু ছাগল ভাবে ভালো ব্যবহার তো দূরের কথা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দূর্ব্যবহার করে। পোষ্ট অফিসের বড়ো বাবু থেকে সামান্য পিওন পর্যন্ত সকলেই ফাঁকিবাজ ভাবে আমি চাকরি পেয়ে গেছি আমার আবার কি? এখন তো ডাকে চিঠি আসে না যে টুকু আসে সেটাও বাড়িতে পৌঁছে দেয় না, এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হলে এদের উপর যিনি আছেন তিনি কোন ব্যবস্থা নেন না। খুব ভালো বিষয় কিন্তু ব্যবস্থা নেবে কে, একে তো ঘুষের দেশ ঘুষ দিয়ে অনেকেই চাকরি পেয়েছেন, যে বড় বাবু ব্যবস্থা নেবেন তার পোয়াবারো পকেটে বেশ ভালো টাকা আসবে আবার কাউকে পছন্দ করেন না, কিন্তু তার পারফরম্যান্স ভালো তার চাকরি নিয়ে টানাটানি পড়বে, এমনিতেই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মনের মতো না হলে সাময়িক বরখাস্ত লেগেই আছে। আমাদের মতো এতো বড়ো ঘুষখোর চোর চিটিংবাজের দেশে এটা সম্ভব দেখা যাবে অনেক ভালো কর্মীর চাকরি চলে যাবে, কারণ ঠগ বাজতে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। হাতে গোনা কয়েকজন ভালো আছেন, বেশির ভাগই তো চোর ঘুষখোর, তারা কখনো ভালো কাজ করতে দেয় না। যাহোক তবুও ভালো, কর্মীদের তো ছাঁটাই করা হবে কাজ দেখে কিন্তু নেতা মন্ত্রী দের কি হবে? কারণ আমাদের দেশের সাংসদ এম এল এ দের গড় বয়স 60 বছরের উপরে। এছাড়া যে সব নেতা মন্ত্রী কাটমানি চুরি জনগণের টাকা লুঠ করছে, এবং জেলখাটা আসামী হয়েও সাংসদ হয়েছে আজ এদল কাল এদল করছে টাকার বিনিময়ে তাদের কি হবে? আমার মনে হয় তাদেরকে আগে তাড়ানো দরকার, ভাবুন ভাবতে শিখুন একজন চোর, গুণ্ডা, খুনের বা ধর্ষণে অভিযুক্ত আসামী আইন সভা আলো করে বসে আছে আইন তৈরি করছে সেই আইন বলে মুরগি চোরের ফাঁসি হচ্ছে। সত্যই কি বিচিত্র এই দেশ! 

Tuesday, 1 September 2020

পশ্চিমবঙ্গে সব শাসক দলের কিছু বিকাশ দুবে থাকে ।



পশ্চিমবঙ্গের যে শাসক দল শাসন করে তাদের সাথে কম বেশি বিকাশ দুবেরা থাকে। বর্তমানে এই শাসক দলের সবচেয় বেশি আছে, তার একটাই কারণ চুরি, না এটা ঠিক চুরি নয় সরকারের টাকা কিছু নিজের কাছে রেখে দেওয়া। সরকার কে ফাঁকি দিয়ে নিজের কয়লা খাদান, বালি খাদান চালানো, জমির দালালি করে টাকা তোলা, সরকারি কাজে টেন্ডার বা দরপত্রের মাধ্যমে কাজের বরাত দিয়ে সেখান থেকে কোটি কোটি টাকা ইনকাম। ব্যবসায়ী দের কাছ থেকে টাকা তোলা, সরকারি যে কোন কাজ করে দেওয়া, সে চাকরি করে দেওয়া হোক বা সরকারি আবাসের টাকা দেওয়া সবেতেই কাটমানি এর আগে ছিল চিটিংবাজ ফাণ্ড এখন এসব হচ্ছে বেশি করে। অনেকেই বলবেন আগে ছিল না, ছিল এত ব্যাপক মাত্রায় ছিল না, তখন যারা এই সব করত বাম বা কংগ্রেস তাদের দল থেকে বহিষ্কার করে দিয়েছে তারাই আজ বর্তমান শাসক দলের সম্পদ। যেমন করে হোক এদের ক্ষমতা চাই, মানুষ কে মেরে ভয় দেখিয়ে, যেমন করে হোক টাকা চাই, নীচু তলায় কিছু মানুষ কে ঐ সব তোলার টাকার ভাগ দেয় বা সামান্য মদ আর ভাগারের মাংস খাইয়ে রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দেয়, বোমা পিস্তল লাঠি দিয়ে মানুষ মারার জন্য। কত শুদ্ধ ভাষা উন্নয়ন রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে, পুলিশ কে বোম মার, চড়াম চড়াম ঢাক বাজাও, গুর বাতাস খাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া। কখনো কখনো বলেন নারকেল মুড়ি ভাবেন এসব কথার কি হতে পারে কেউ বোঝে না। আমি আশ্চর্য হয়ে যাই, বোম মারতে বলেন সত্যিই বোম মেরে এক পুলিশ কর্মী কে মেরে ফেলা হয়। কোন বিচার নেই, যে মায়ের কোল খালি হলো সে বুঝল সন্তান হারানোর কি জ্বালা? আমার জিজ্ঞাসা, যিনি বোমা মেরে বা গুলি করে হত্যা করে দিলেন, তিনি এক জন মৃত মানুষের দেহে প্রাণ ফিরিয়ে আনতে পারবেন, আমার মনে হয় কেউ মৃত মানুষের দেহে প্রাণ দান করতে পারবেন না তাহলে যে প্রাণ দিতে পারেন না সেটা কেড়ে নেওয়া কেন? শাসকের আজ অধঃপতন কেন? মানুষের উপর অত্যাচার, সাধারণ মানুষ চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছেন চুরি করে কোটি কোটি টাকা টালির চালা চার তোলা প্রাসাদ হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষের প্রতি অবিশ্বাস শাসক দলের আজ এই অবস্থা, কারণ কি অবিশ্বাসের কারণ মিথ্যা প্রতিশ্রুতি, যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা দখল করে ছিলেন, 180 ডিগ্রি ঘুরে ঠিক উল্টো দিকে চলেছে এই সরকার। বেকারের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, লাখ লাখ টাকা ঘুষ না দিয়ে চাকরি হয় না। সরকারি কর্মীদের সঙ্গে তো কথাই নেই, কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণার দিন থেকে ডিএ, ক্ষমতায় এসে ডিএ তুলে দিয়েছেন। প্যারা টিচার দের বা অন্য সব কর্মী দের বেতন বাড়ানোর কাগজে কলমে তথা খবরের কাগজে হাজার হাজার টাকা বেতন বাড়ে বাস্তব চিত্র আলাদা। ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ ওই দলের এক কট্টর সমর্থক অপরের জমি দখল করে আছে, তার আট শতক জমি এখন বারো শতক সেখান দিয়ে মানুষ দীর্ঘ দিন ধরে যাওয়া আসা করে ভেতরে তিন চার টি বাড়ি বিদ্যুৎ হীন। বাম আমলেও ছিল, তখন ঐ লোক বাম সমর্থক ছিল কেবল ভেতরের লোকজন কে বিদ্যুৎ সংযোগ ও যাতায়াত করতে দেবে না বলে। আর জমি হাঙর দের তো কথাই নেই, তাদের জন্য সাধারণ মানুষের জমি দখল করে নেওয়া, আর জমির দাম আকাশ ছোঁয়া। এসব কথা বলা যাবে না, কারণ সত্যি কথা বললে হয় জেলে যেতে হবে নয় মিথ্যা মামলা দায়ের করা হবে, নয় তো মার খেতে হবে। এগুলো বর্তমান শাসক দলের কর্মী সমর্থকরা জানে এই জন্য সাধারণ মানুষ কে বিশ্বাস করতে পারে না। ভোট এ কারচুপি করতে হয়, ভয় দেখাতে হয়, নেতা মন্ত্রী দের নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরতে হয়। জানে আমরা মিথ্যা কথা বলে, কাটমানি তোলার জন্য ক্ষমতায় এসেছি, যে যত বেশি মিথ্যাবাদী সে তত বড় নেতা মন্ত্রী দু চারটে লাশ ফেলে দিতে এদের কুণ্ঠা বোধ নেই, এদের কথা পুলিশ এমনকি জেলার ম্যাজিস্ট্রেট পর্যন্ত ওঠা বসা করে। বিচার ব্যবস্থা সে তো এদেশে নেই, গরীব খেটে খাওয়া মানুষ তো দূর, তাদের বিচার পাওয়া সেটা দিবা স্বপ্ন দেখা। কারণ কবির ভাষায় " বিচারের বাণী আজ, নীরবে নির্ভিতে কাঁদে।" সরকার নেতা মন্ত্রী দের সরকার সাধারণ মানুষের সরকার নয়, তাদের ভোট দেন না, তাদের মানুষ বলে মনে করেন না বর্তমান শাসক দলের নেতা কর্মীরা। আর আজ তাই ভালো লোক খুঁজতে লেগেছে এই সরকারের নিয়োজিত এজেন্সি, এই সরকার যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসে ছিল সে গুলো যদি কিছু টা পূরন করত মানুষ কে বিশ্বাস করে, তাদের বিশ্বাস করে ভোট দিতে দিত, ভয় দেখিয়ে মেরে দলের ভোট আদায় করা, ভয়ে ভক্তি এ বেশি দিন চলে না। আজ তাই চার পাশে আরেকটা বিরোধী দল তৈরি হয়েছে, এই শোষণের হাত থেকে মুক্তি পেতে, দেখা যাচ্ছে সেখানেও ভিড় করে তুলেছে বর্তমান শাসক দলের লোকজন। এ যেন দ্বিতীয় শাসক দল, সেই একই লোক কেবল নাম টা আলাদা এরা আবার বাঙালি জাতি বিরোধী কিভাবে বাঙালি জাতির ঐক্য ধ্বংস করা যায় তার চেষ্টা করে যাচ্ছে প্রতিদিন। শাসকের এখনও ঘুরে দাঁড়ানোর সময় আছে, কেবল মিথ্যা কথা বলা ছাড়তে হবে, প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে হবে, আর চোর চিটিংবাজ তোলাবাজ টাকার কুমির হয়ে যাওয়া নেতা মন্ত্রী দের দল থেকে বহিষ্কার করতে হবে। সে যেই হোক দেখলে হবে না, ভাই ভাইপো ভাইঝি হোক আর যেই হোক কোন কথা হবে তুমি চোর চাকরি দেওয়ার নামে ঘুষ নাও, রাস্তা তৈরির টাকা থেকে কাটমানি খাও তৈরি রাস্তা তিন দিনে পিচ উঠে চলে যায় তোমার দলে ঠাঁই নেই, মুখে বললে হবে না, কাজে করে দেখাতে হবে। তবে এটাও ঠিক এসব করলে এই দলটা উঠে চলে যাবে। কারণ বামেদের তাড়ানো যত চোর এবং নিজের দলের চোর তোলাবাজ মিথ্যাবাদী সব নিয়ে এই দল। বামেদের দেখুন কোনো ব্যক্তি বিশেষের দল নয় একটা নীতি আদর্শ মেনে চলে এই দল, নীতি ভষ্ট্র হলে দলে স্থান নেই, আদর্শ হীন চোর তোলাবাজ দের বহিষ্কার করে দিয়েছে এই বাম দল গুলো। আর সেই কারণেই অত কমিশন কমিটি গঠন করেও চোর ধরা পড়ে না, কিন্তু উল্টো দিকে মন্ত্রী থাকা অবস্থায় জেলে যেতে হয়, সাংসদ জেল খাটে যা বাংলার ইতিহাসে লজ্জা। সি বি আই বামেদের ধরতে পারে না, কিন্তু সারদা থেকে শুরু করে বিভিন্ন চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি, নারদা সবেতেই শাসকদের ধরে। চিটফাণ্ড তদন্তে যাতে সিবিআই না আসে তার জন্যে সরকারি টাকা খরচ করে মামলা করতে হয়। এই সব কারণে এই শাসক দল মানুষ কে ভয় খায় যদি ভোট না দেয়, এত উন্নয়নের বন্যা তবুও মানুষ কে ভোট দিতে না দেওয়ার কারন কি? কারণ পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের উত্তর প্রদেশের মতো বিকাশ দুবে সংখ্যা বেশি বলে। 

Monday, 31 August 2020

আজকের দিনে কাজী নজরুল ইসলাম।

কবি "আমার কৈফিয়ৎ" কবিতায় লিখেছেন বর্তমানের কবি আমি ভাই, ভবিষ্যতের নই নবী! কবি ও অকবি যাহা বল মুখ বুজে তাই সই সবই! " এই কবিতার শেষে দুটি লাইন," "অমর কাব্য তোমরা লিখিও, যারা আছ সুখে! পরোয়া করিনা, বাঁচি বা না-বাঁচি যুগের হুজুগ কেটে গেলে,"
কবি কাজী নজরুল ইসলাম নিজেই বলছেন আমাকে মনে রাখতে হবে না। বর্তমানে দেশের যা পরিস্থিতি সেটা নিয়ে আমি লিখব। বর্তমানে আমিও বলি দেশের অবস্থা দিন দিন যে দিকে যাচ্ছে, তাতে না খেতে পাওয়া মানুষের ঢল রাস্তায় নেমে এলো বলে। কাজ কর্ম হীন বেকার, কাজ চলে যাওয়া বেকার ছেলে মেয়েরা, এখন ও সরকারের দিকে তাকিয়ে আছে চাকরির আশায়, কিন্তু সে আশায় জল ঢেলে দিচ্ছে সরকার নিজেই। এর জন্যে দায়ী কেবল মন্ত্রী নেতা নয় এর জন্যে দায়ী ঐ বড়ো বড়ো আমলা যারা মন্ত্রী দের বিভিন্ন হুকুম পালন করেন। আর যুক্তিও দিয়ে থাকেন, সরকারের কাজ দারিদ্র দূর করা সকল মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের জীবন জীবিকা রক্ষা করা। আমরা দেখছি উল্টো টা সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কে ভিক্ষুক বানিয়ে রাস্তায় নামতে বাধ্য করে তুলেছে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার। জীবন বিপন্ন জীবিকা আজ বিপন্ন সরকারের কোন হেল দোল নেই কেবল লুটে খাও আর বড়ো বড়ো শিল্প পতি দের কাছে দেশ বিক্রি করে দাও। দেশের সম্পদ সব তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ঐ মুষ্ঠিমেয় শিল্পপতি চাইলে সাধারণ মানুষ খেতে পাবে না হলে নয়। বণিক যখন শাসক হয় তখন কি হয় তা আমরা ইতিহাস থেকে জেনেছি, ইংরেজরাও এদেশে বানিজ্য করতে এসে ছিল, কিন্তু ধীরে ধীরে সেই ইংরেজ তথা ব্রিটিশ বণিক আমাদের শাসক হয়ে বসেছিল। বণিক এবং রাজার শোষনে সাধারণ মানুষের নাভিঃশ্বাস উঠেছিল, শুরু হয়েছিল 76 এর। সেই সময় কালের লেখা এই কবিতা আজও প্রাসঙ্গিক, এই কবিতারি শেষ কটি লাইন বা পঙতি আজও মনকে নাড়া দিয়ে যায়। "রক্ত ঝড়াতে পারিনা তো একা, তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা। প্রার্থনা কর যারা কেড়ে খায় তেত্রিশ কোটির মুখের গ্রাস। আমার এ রক্ত লেখায় লেখা হয় যেন তাদের সর্বনাশ।" বর্তমানে আমাদের দেশের পরিস্থিতি ও সেদিকে যাচ্ছে, গরীব আরও গরীব হচ্ছে, দেশের সমস্ত সম্পদ লুট করেছে এক দল বেনিয়া। এ বেশি দিন চলতে পারে না। সকলে মিলে প্রতিবাদে সামিল হতে হবে, কেবল বেনিয়া নয় এদের সাথে মিল মিশে লুট করেছে একদল চরম মিথ্যাবাদী ধাপ্পাবাজ নেতা মন্ত্রীরা। জনগণের জন্য কাজ করতে নির্বাচিত হয়ে এসেছে মিথ্যার ফুলঝুড়ি ফুটিয়ে বেড়ে চলেছে নিজেদের সম্পদ বিভিন্ন ভাবে লুট করে নিচ্ছে প্রতিদিন। এতো ভালো কাজ করে যে ভয়ে নিরাপত্তা নিয়ে ঘোরে, চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি এক মাসের মধ্যে সারাই রাস্তা আবার যে কে সেই। রেশন কার্ড সমস্ত জনগণ মানে দশ কোটি মানুষ পেয়েছে অথচ আমার রেশন কার্ড নেই। আমার পরিবারের নেই, কারণ ঐ শাশক দলের হাফ নেতা, এখানেও ঐ কবিতার একটি পঙতি আছে, "প্রায় হাফ নেতা হয়ে উঠেছিস, ফুল নেতা হবি না তো এ দাঁও ফস্কালে ।" এদের দাপট দেখে কে, আর উপর তলা থেকে নির্দেশ একা খেলে হবে ভাগ করে খেতে হবে। এই একটা ঘটনা দেখুন মধ্যে প্রদেশের একটি ব্রিজ তৈ হয়ে ছিল এক মাস আগে আজ ছিল উদ্বোধন ভেঙে পড়েছে।
যেমন পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা তেমনি সারা দেশের অবস্থা লুটে খাও ভোটে নির্বাচিত হওয়া কোন ব্যাপার না চুরি চামারি মানুষ কে ভয় দেখিয়ে, মেশিনে কারচুপি করে যেমন করে হোক জিতে আসতে হবে ব্যাস তার পর দেখে জনগণ উচ্ছন্নে যাক আমার টাকা চাই কোটি কোটি টাকা, তোরা নীচু তলার নেতা ছিটে ফোঁটা ভাগ পাবি ঐ নিয়ে আমার জন্য ভোট জোগাড় করে দিবি আমি ক্ষমতায় এসে মানুষের নাভিঃশ্বাস তুলে দেব। এই হচ্ছে নেতা মন্ত্রী দের পরিকল্পনা আর এই কারণেই নিরাপত্তা নিয়ে ঘোরে, জানে চুরি বাটপারি মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতা দখল করেছি জনগণ কে নাজেহাল করে তুলেছি, সেই কারণেই জনগণের কাছে যেতে ভয় পায়। আর কিছু লিখছি না, কবির ভাষায় বলি " দেখিয়া শুনিয়া ক্ষেপিয়া গিয়েছি তাই লিখিয়া যাই যাহা আসে মুখে। অমর কাব্য তোমরা লিখিও যাহারা আছও সুখে।" 

Friday, 28 August 2020

"ধর্ম" মানব সভ্যতার আশীর্বাদ না অভিশাপ।

আদীম সভ্যতা কীভাবে গড়ে উঠেছিল, ইতিহাসে তা আমরা অনেক পড়েছি। কোথাও বলা নেই, হিন্দু ধর্মের এত দেবদেবী কোথা থেকে এলেন? ইতিহাসের পাতায় পড়েছি গ্রীস, রোমান সভ্যতার মানুষও নানা দেবদেবীর পূজা করত, কেউ সমুদ্রের দেবতা, কেউ চাষাবাদের, কেউ যুদ্ধের, প্রতিটি বিষয়ে একজন করে দেব বা দেবী ছিলেন হিন্দু বা ঐ দুই সভ্যতার। আমার জানা পড়ার মধ্যে দিয়ে যতটুকু জানি মানুষ প্রকৃতির বিভিন্ন অতি প্রাকৃতিক ঘটনা, যেমন বন্যা, বাজ পড়া, ঝড়, দাবানল, বিষাক্ত প্রানীর কামড়ে মৃত্যু বিভিন্ন ধরনের রোগকে ভয় করত, আর এসবের হাত থেকে রক্ষা পেতে নানা দেবদেবীর পূজা করত। এখনও পর্যন্ত মানুষ সে সব করে আসছে। মানুষের ভালোর জন্য, মানুষের উপকারের জন্য ধর্মের আগমন বা দেবদেবীর পূজা ক্ষতি করার জন্য নয়। পাশাপাশি ঐ যুগেও মানুষ নিজের অজান্তেই বিজ্ঞানের নানা বিষয় আবিষ্কার করেছে। আগুন জ্বালতে শেখা, কৃষি কাজ শেখা, পাথরের অস্ত্রের পরিবর্তে ধাতুর অস্ত্র ব্যবহার করা, অর্থাৎ ধাতু আবিষ্কার, গুহা জীবন ছেড়ে ঘরবাড়ি তৈরি করা, পশুর চামরা, গাছের ছাল পাতা কে পরিত্যাগ করে সুতো তৈরি করে সেটা দিয়ে পোশাক তৈরি করে পরা। এসব কাজে ধর্ম কিছু সময় বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল সেই, সেই কারণেই গ্যলেলিও, কোপারনিকাশ, ব্রুন, সক্রেটিস, আর কয়েক জন বিজ্ঞানের চিন্তা নায়ক কে ধর্মের কাছে হার মানতে হয়ে ছিল, কিন্তু বিজ্ঞান হেরে যায়নি বিজ্ঞান হেরে গেলে বা ঐ ধর্মের ভয়ে বিজ্ঞান চর্চা থেমে গেলে মানুষ আজ রকেট চেপে চাঁদের দেশে পাড়ি দিতে পারত না। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এত উন্নত হতো না। পক্স বা বসন্তের টিকা আবিষ্কার হতো না, মানুষ মারা যেত যক্ষায় কলেরায় আর শীতলা দেবির পুজো করে যেত বসন্ত ভালো করার জন্য। বর্তমানে আমরা কি কি দেখছি, এই সব আবিষ্কার বা বিজ্ঞান কে পাত্তা না দিয়ে একটা বিশেষ ধর্মের মানুষ যে ধর্ম টি ধর্মীয় উগ্রপন্থা ছাড়া আর কিছু জানে না। 1400 বছর আগে এই ধর্মের সুচনা অস্ত্রের ঝঙ্কানিতে। সেই অস্ত্র এখন ও ব্যবহার করে যাচ্ছে, এখন যে সব আধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে সে গুলো সব অপর দেশের আবিষ্কার বা তৈরি নিজেরা কিছু করতে পারে না, কেবল ধর্মের নামে মানুষ খুন করা ছাড়া। এটি নাকি শান্তির ধর্ম, ভারতের বেশিরভাগ এই শান্তির ধর্মের লোকজন অবশ্যই বর্ণ হিন্দু দের অত্যাচারে ধর্ম পরিবর্তন করে নিয়েছে। কারণ মোঘল আমলের শেষ দিকে, ধর্মীয় বিভাজন প্রচণ্ড আকার ধারণ করে ছিল। এই সময় বণিক ইংরেজ ও ফরাসি দের প্রবেশ ঘটে ভারতের মাটিতে দূর্বল মোঘল রাজত্ব স্থানীয় সামন্ত রাজা নবাব দের রমরমার সুযোগ কাজে লাগাতে এক মূহুর্ত দেরি করে নি ধূর্ত ইংরেজ অচিরেই বণিক রূপী ইংরেজ শাসক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। নবাবি কর বা খাজনা আর ইংরেজ দের জুলুম কর বা খাজনা বাংলাদেশের বুকে নেমে আসে চরম দূর্দশা, আস্তে আস্তে গোটা ভারত দখল করে নেয় ইংরেজ শাসক, ভারতীয় ব্যবসা বানিজ্য ধ্বংস করে দেয় ইংরেজ শাসন শুরু করে বিলেতি দ্রব্যের বিক্রি বাটা আর শাসকের কর খাজনা, জমিদারি ব্যবস্থা জোরদার ব্যবস্থা কায়েম করে গোটা দেশে, শুরু করে দু তরফে অত্যাচার সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন ভাবে বিচ্ছিন্ন আন্দোলন শুরু করে, সমান তালে চলে অত্যাচার। ইংরেজ সরকার বুঝতে পারে ভারত কে শাসন করতে এদের মধ্যে জাতি গত বিচ্ছেদ ঘটতা হবে, শুরু করে ধর্মের নামে মানুষে মানুষে নানা রকম বিভাজন, হিন্দু মুসলমান তো ছিলই, যেখানে মুসলিম বেশি সেখানে প্রচার করা হয় মন্দির ভেঙে মসজিদ হয়েছে, আর উল্টো টা হিন্দু এলাকায় মসজিদ হলে বলা হয় ওখানে মন্দির ছিল ভেঙে মসজিদ হয়েছে। বাবরি মসজিদের ইতিহাস পড়ুন দেখা যায় ইংরেজ আমলে এই মসজিদ নিয়ে হিন্দু মুসলিম লড়াই। এতো গেলো হিন্দু মুসলিম ভাগ, এবার সুকৌশলে হিন্দু ধর্মের উচ্চ বর্ণ কে ইংরেজ তার বিভিন্ন পদে বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগ করতে থাকে। পিছিয়ে পরে তপশীল জাতির মানুষ, অর্থাৎ হিন্দু ধর্মের মধ্যেও কৌশলে বিভাজন সৃষ্টি করা হয়। বর্তমানে দেখুন ঠিক এভাবেই স্বাধীন দেশের শাসক দেশ পরিচালনা করছে। জাতি ধর্ম নাগরিকত্বের প্রমাণ চাই নানান আইন। বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশের সাথে যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব সেনা জওয়ান দের মৃত্যু, এসব আপানার আমার দৃষ্টি ঘোরানোর জন্য, এর আড়ালে কি হচ্ছে, দেশের সম্পদ রেল, খনিজ সম্পদ তেল, লাভজনক রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা সব কয়েক জন শিল্পপতি কে বিক্রি করে দিচ্ছে। তারা এগুলো কিনছে ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে, ঋণ শোধ করার দরকার নেই, কিছু দিন পর ঋণ মুকুব করে দেওয়া হচ্ছে কোটি কোটি টাকা আর আমি আপনি ব্যাঙ্কে টাকা রাখলে নানা অজুহাতে টাকা কেটে নিচ্ছে, কখনো বলছে এ্যাকাউন্টে 500 হাজার বা তার বেশি টাকা রাখতে হবে না হলে টাকা কাটা যাবে। কোন সাধারণ মানুষ ঋণ নিয়ে শোধ না করে যাবে কোথায় তার ভিটে মাটি বিক্রি করে আদায় করা হচ্ছে। আবার সাধারণ মানুষের 25 হাজার টাকা ঋণ পেতে হলে জুতোর শুকতলা খয়ে যায় আর এদের ক্ষেত্রে সব মাফ তাও কয়েক হাজার কোটি টাকা। রাষ্ট্র শক্তি ভুলিয়ে রাখতে চাইছে, ধর্ম নিয়ে, এত বড়ো একটা মহামারীর সময় যেন মনে হলো গরীব খেটে খাওয়া মানুষ গুলো মানুষ নয়। করোনা আসছে লকডাউন দেরিতে ঘোষণা, বিদেশ বিশেষ করে যেসব দেশে আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে বেশি সেখান থেকে দেশের মানুষ কে বিনামূল্যে বিমানে করে ফেরত আনছে আরও যাতে করোনা ছড়িয়ে পড়ে তার ব্যবস্থাপনা পাকা করে তুলেছে এই, মানে কোন ব্যাপার না, ঘণ্টা, কাঁসর, থালা বাজাও একজন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ভাবা যায় মোমবাতি জ্বালাতে বলছেন। ফুল ছড়িয়ে আনন্দ করা হচ্ছে, রাস্তার উপর দাঁড়িয়ে গোমুত্র বিলি করছে, কখনো বলছে পাঁপড় খেলে করোনা চলে যাবে আবার এর মধ্যে মন্দির, আর মূর্তি বসানো চলছে। ( রাম মন্দির, হনুমানের মূর্তি, রামের মূর্তি, শিবের মূর্তি, আগেই হয়েছে বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি) এক দিকে বিজ্ঞানের অগ্রগতি নতুন নতুন আবিষ্কার আরেক দিকে ধর্ম এটা কে ধর্ম বলা যাবে যে ধর্ম বিজ্ঞান মানে না, মাদুলি তাবিজ জলপড়া, তেলপড়া, ফলপড়া, চালপড়া, ঝাড়ফুঁক ইত্যাদির মাধ্যমে রোগ ভালো করতে চায়। এসব প্রচার তারা করে এবং এগুলো সেই সব গরীব খেটে খাওয়া মানুষের জন্য যাদের টাকা পয়সা নেই, দিন আনে দিন খায় তাদের জন্য। এরকম মানুষ বেশি এসবে বিশ্বাস করে নেয়, তাকে যারা শোষণ করে তারা আড়ালে থেকে যায়। এসব পড়ে অনেকে ভাববেন আমি ধর্ম মানি না, কখনো না আমার ধর্ম বিশ্বাস অন্য রকম আমি ধর্মান্ধ নই। ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করি না, পূজ পাট সব থেকে বিরত থাকি না, কাউকে বিরত থাকতে বলিও না, মানুষের বিশ্বাস করি, অন্ধ ধর্ম বিশ্বাস করি না। ধর্মের নামে মানুষে মানুষে হানাহানি, ধর্মের নামে টাকা উপার্জন একদল মানুষের পেশা হয়ে গেছে। আজ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে শান্তির ধর্ম পালন করে মানুষ সত্য কি এটা শান্তির ধর্ম (ইসলাম ধর্ম ) কারণ পৃথিবীতে যত অপরাধ করে তার নব্বই শতাংশ মানুষ এই শান্তির ধর্মে (ইসলাম ) বিশ্বাস করে। যত উগ্রপন্থী বা জঙ্গি বা জেহাদি আছে তার 90 %এই ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করে। এখন তো অন্যান্য ধর্মের মধ্যেও উগ্রপন্থা বেশি বেশি করে মাথা চারা দিচ্ছে। আমার কথা হলো, ধর্ম যদি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেয়, আর মানুষ মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে, সে তো সভ্যতার শত্রু ধর্ম তো এসেছিল মানুষকে এক করা বা রক্ষা করার জন্য। আমার তো মনে হয় না, কোন ঈশ্বর, আল্লাহ, গড তার সৃষ্টির সর্ব শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ সে নিজের কর্তব্য পালন ভুলে একে অপরের সাথে লড়াই করে মরুক এটা চান না। আমার মনে হয় বর্তমানে ধর্ম মানুষের পাশে থাকার বদলে শত্রু হয়ে গেছে। আসুন সবাই মিলে ধর্ম কে বাড়িতে মন্দিরে মসজিদে গীর্জায় রেখে মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়াই, এটাই এখন বড়ো ধর্ম। ধর্ম কে মানুষের শত্রু না করে,বন্ধু করি মানবতাই হোক ধর্ম। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...