Anulekhon.blogspot.com

Tuesday, 10 September 2019

NRC তে বাদ পড়া মানুষ বলছেন, গন আত্ম হত্যার কথা, আত্ম হত্যা কোন পথ নয়।

আত্ম হত্যা করা কোনো মহৎ কাজ নয় আত্ম হত্যা কোনো সমস্যার সমাধান নয়।
বাঁচাতে হবে লড়াই করে বাঁচতে হবে, বাঙালি জাতি কে কোণঠাসা করতে ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গ ভঙ্গ করতে চেষ্টা করে পারে নি, কিন্তু তীব্র আন্দোলন আর প্রতিরোধের জন্য ব্রিটিশ সরকার পিছিয়ে আসে। তখন কত গুলি ভালো কাজ হয়েছিল। বাঙালি জাতি তাদের নিজস্ব ব্যাঙ্ক বিমা নানা রকম শিল্প গড়ে তুলে ছিল। দিয়াশালাই শিল্প থেকে আরো নানা রকম শিল্প গড়ে উঠেছিল। রজনীকান্ত সেনের, "মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নেনা ভাই।দীন দুঃখিনী মা যে তোদের তার বেশি আর সাধ্য নাই।" তার পরেই শুরু হয়েছিল স্বদেশী আন্দোলন, ঠিক সেই ভাবে বর্তমানে মেরে খোট্টা দের বয়কট করুন। দেখুন বাঙালি জাতির অর্থাৎ খাঁটি বাংলার মানুষের দোকান বা ব্যবসা বাড়াতে সাহায্য করা হবে। আর NRC নামে বাঙালি তাড়ানো এই বি জে পি কে বয়কট করুন। অনেকে বলবেন আপনি এতো NRC বিরোধী কেন? আমি NRC বিরোধী নয়, আমি চাই NRC ভাবে NRC হোক হিন্দু  আর মুসলমান ভাগ করে নয়, কিম্বা বাড়ির সকলের নাম আছে একজনের নাম বাদ, আবার সঠিক কাগজ পত্র দেওয়া সত্ত্বেও অনেক পরিবারের সদস্যদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। ১৯ লক্ষ মানুষের মধ্যে ১১ লক্ষ হিন্দু বাকি মুসলমান। ১৯৪৮ সালে ধর্মের নামে বাংলা ভাগ করে ছিল কংগ্রেসের সেই সময় কার দুই বড়ো নেতা, একজনের নামের লোভ, আর তার জাত ভাই যাতে ব্যবসা করতে পারে তার ব্যবস্থা করা। এই লোক টি ছিল গুজরাতের এখন টাকায় ছবি হয়েছে, সুভাষ চন্দ্র বসু ছিল দু চোখের বিষ, বাঙালি জাতি বিদ্বেষী তাদের জাত ভাই দুজন বর্তমান দিল্লির ক্ষমতা দখল করে রেখেছে। একজন খুব বাঙালি প্রীতি দেখাচ্ছে, সুভাষ চন্দ্র বসু কে অখণ্ড ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করবেন। আবার মাঝে মাঝে বিবেকানন্দের বানী বলেন। পারলে শ্যমা প্রসাদ মুখার্জি বেঁচে থাকলে তার পা ধুয়ে জল খেত। মিছরির ছুরি মুখে ভালো বাসা আর পেছনে ছুরি মারা, আরেক জন হুমকি দিচ্ছেন, বাংলায়. NRC করবই, NRC করে তাতে যারা বাদ পড়বেন তাদের ডি ভোটার ঘোষণা করে দিয়ে গোরুর মতো খোঁয়ার তৈরি করে রাখা হবে। মানুষ কে ভিটে ছাড়া করা হবে, করে তার জায়গায় মেরে খোট্টারা এসে বাস করবে। আপনি মনে করুন ১৯৭০ সালের আগের ডকুমেন্ট দিলেন। তাদের পছন্দ হলো না, তাদের নিজেদের ভিটে মাটি ছেড়ে যত দিন না বাংলাদেশ ফেরত নেয় তত দিন ঐ ক্যাম্পে অর্থাৎ খোঁয়ারে থাকবে তাদের বাড়িতে থাকবে মেরে খোট্টারা। যারা ছারপোকার মতো বংশ বিস্তার করে আর ফুচকা, আলু কাবলি, চুরমুর, আখেরে রস বিক্রি করে বেড়বে। এদের বয়কট করুন। আত্মহত্যা কোনো পথ নয়। আজ দেখলাম বাড়ির সকলের নাম আছে মেয়েটির নাম নেই বলে সে আত্মহত্যা করেছে কী মর্মান্তিক পরিবর্তন রাষ্ট্রহীন হওয়ার থেকে মরে রাষ্ট্র কে মুক্তি দেওয়া ভালো।
আমি চাই না NRC নামে মানুষ কে ভিটে ছাড়ার করে খোঁয়ারে করে রাখা, কিম্বা বাড়ির কোন সকল সদস্যের একজন সদস্যের নাম নেই, সে আত্মহত্যা করেছেন। আমি চাই না বাঙালি আবার তাদের ভিটে মাটি ছাড়া হোক। আর কোনো প্রিয় জনের মৃত্যু হোক।


পশ্চিমবঙ্গের ৩৪ বছর বামপন্থীরা শাসন করেছে, কোথাও শুনিনি ধর্ম পালনে বাধা দিয়েছেন।

কিছু সংবাদদাতা সংবাদ পত্র অন লাইন হোক, আর প্রিন্ট হোক বা দূরদর্শনে হোক বামপণ্থীরা কোন কারণে ঠাকুর বা দেবতার কথা বললে রে রে করে ওঠে। আমার জানা নেই কবে বামপণ্থীরা মানুষ কে ঠাকুর পূজো করতে বারণ করেছিলেন, কিম্বা বলে ছিলেন, যে একজন বামেদের সমর্থক ও ঠাকুর পূজা করতে পারবে না। আমি এটুকু জানি বাম পন্থী দল গুলো ঠাকুর পূজা নিয়ে মাতামাতি করে না। কারণ দেবতা বা ঠাকুর আছে কিনা কেউ জানে না, স্বয়ং রামকৃষ্ণের কথা ছিল, শিব জ্ঞানে জীব সেবা করার। আর এই কথাটা ওনার প্রধান শিষ্য বিবেকানন্দ অন্য ভাবে বলে ছিলেন, ' বহু রূপে সম্মুখে তোমার ছাড়ি কোথা খুঁজিছ ঈশ্বর।জীবে প্রেম করে যে জন সে জন সেবিছে ঈশ্বর।' আর বামফ্রন্ট সরকার যদি সঠিক ভাবে শিক্ষা দিতে পারত তাহলে আজ পশ্চিমবঙ্গের বুকে বাবার মাথায় জল ঢালার জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ সমবেত হতো না। সমাজ ব্যবস্থা থেকে তথা গরীব মানুষের মন থেকে ঈশ্বর কে কেউ মুছে ফেলতে পারে নি। কারণ কিছু মানুষ আছে যারা, নিজেদের স্বার্থে ধর্ম কে নিয়ে রাজনীতি করে। গরীব মানুষের দুঃখের কারণ ঠাকুর তুমি গরীব মানুষ ঠাকুর পুজো কর দেখ সব সমস্যার সমাধান হবে। এরকম একটা কথা বহু যুগ ধরে প্রচারিত, আর এটা ঠিক বাম পণ্থীরা প্রথম দিকে ধর্মের কোন অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেনি, এখনও অনেকেই থাকেন না, আর সেই কারণেই গরীবের পার্টি আজ মধ্যবিত্ত ও উচ্চ বিত্তের পার্টি হয়ে গেছে। আমি আগেই বলেছি গ্রামের গরিব মানুষ এখনো ঠাকুর দেবতায় গভীর ভাবে বিশ্বাস করে। শাসক বা সরকার যখন  গরীব মানুষের কাজের সঠিক ব্যবস্থা করতে পারে না, খাদ্য বাসস্থান,  শিক্ষা, মানে সঠিক শিক্ষা তখনই গ্রামের গরিব মানুষ দেবতার দিকে ঝুঁকে পড়ে। পৃথিবীতে মানব সভ্যতার আদি থেকে ধীরে ধীরে ধর্মের জণ্ম, এক সময় এসে কিছু স্বার্থান্বেষী মানুষ ধর্ম দিয়ে মানুষ কে এক জোট করে নিজের কর্তৃত্ব করেছে, রাজা হয়েছে, রাজ্য বা দেশ শাসন করেছে। একটু খেয়াল করে দেখুন হিন্দু ধর্মের গোঁড়ামি ভাঙতে এসেছে বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম, শিখ ধর্ম আরো নানা ধর্ম পৃথিবীতে এসেছে, ধর্মের নামে মানুষ কে এক করতে পেরেছে, এবং কিছু কাল ধরেও রেখেছিল। মার্কসবাদী ধারণা যখন এসেছে, তার সাথে ধর্মের সংঘাত লেগেছে, একটাই কারণে গরীব খেটে খাওয়া মানুষের দুঃখের কারণ তথাকথিত অভিজাত শ্রেণী তারাই এই গরীব মানুষের শ্রম শোষণ করে নিচ্ছে, বিনিময়ে তাদের প্রাপ্য সঠিক অর্থাৎ জীবন সংগ্রামে বেঁচে থাকার নূন্যতম প্রয়োজন টুকু তারা পাচ্ছে না। এই অভিজাত শ্রেণী দেবতা ঠাকুর দিয়ে তাদের ভুলিয়ে রেখেছে, এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে শিখিয়েছে মার্কসবাদ। গরীব মানুষ তুমি লড়াই করে তোমার ন্যায্য অধিকার আদায় করে নাও, বেঁচে থাকার অধিকার আদায় করে নাও। বাম পন্থা বা মার্কস বাদ কখনো কারো ধর্ম পালনে বারণ করেনি, কেবল একটি কথা ঠাকুর দেবতা ডাকতে যে সময় ব্যয় করছ সেই সময় কাজের মধ্যে থাক, আর নিজের অধিকার আদায় করে নাও, কেউ তোমায় যেচে তোমার অধিকার দেবে না। যে সব অভিজাত শ্রেণী তোমার বেঁচে থাকার অধিকার হরণ করে রেখে, বলছে ঠাকুর দেবতা ডাক সব ঠিক হয়ে যাবে। তাদের বিরুদ্ধে লড়াই আন্দোলন করতে হবে, আমার মনে হয় এটাই বামেদের বক্তব্য। আমি মনে করি আমার কোন শ্রদ্ধেয় নেতা কে ঈশ্বর আল্লাহ বললেন এটা আমার বিচারের বিষয় নয়, আমার বিচার্য্য তিনি আমার দাবী টি সঠিক জায়গায় পৌঁছে দিতে চেষ্টা করছে কিনা? এখানে যে নেতৃত্ব সম্পর্কে বা তার পারিবারিক বিষয়ে সাংবাদিক প্রশ্ন তুলেছেন তাকে বলছি, তুমি ভাই এটা খবর করছ না, বি এস এন এল উঠে যাবে। রেল বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে, ডাক বিভাগ তো উঠেই গেছে, গাড়ি শিল্পে মন্দা আগামী দিনে হাজার হাজার মানুষ কর্ম হীন হয়ে যাবে। তুমি ভাই এটা দেখছ না, ধর্মের জিগির তুলে বাঙালি তাড়ানোর পরিকল্পনা চলছে। তুমি কেবল দেখলে মহঃ সেলিমের ছেলের বিয়ের কার্ডে ইনসা আল্লাহ লেখা আছে সেটা। 

Sunday, 8 September 2019

দিদির সাথে দাদার কী মিল।

আপনাদের মনে আছে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী অর্থাৎ আমাদের প্রিয় দিদি প্রথম ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসার একশ অতিক্রান্ত হওয়ার পর বলে ছিলেন। আমি অর্ধেক কাজ করে দিয়েছি। আর এক বছর পর বলে ছিলেন। আমি নিরানব্বই শতাংশ কাজ করে ফেলেছি। আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী সকলের প্রিয় দাদা তার দ্বিতীয় ইনিংসের সরকার একশ দিন পূর্ণ করে বলছেন, তিনি ৭০ বছরের কাজ করে ফেলেছেন। আরেকটা জায়গায় পড়লাম তিনি ৬০ বছরের কাজ করে দিয়েছেন।
আমি তো এবার ধন্দে পড়ে গেছি কোন টা ঠিক, একটা খবর দশ বছর কম বলছে কেন? আমি যতদূর জানি এই একশ দিনে
কেন্দ্রীয় সরকারের কাজ, ১) কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ও ৩৫ এ ধারা তুলে দেওয়া। ২)আসামের NRC রিপোর্ট প্রকাশ করে বাঙালি তাড়ানোর ব্যবস্থা করা। ৩)সরকারি গান এন্ড সেল ফ্যাক্টরি বেসরকারি হবে তার ব্যবস্থা, যদিও কর্মীদের আন্দোলনে সেটা এখন স্থগিত রাখা হয়েছে। ৪)নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ, বিশেষ করে মশলা পাতি পোস্ত শব্দ এখন অতীত ইতিহাস হয়ে গেছে। ৫) বেতন বাড়ছে কিন্তু খেটে খাওয়া শ্রমিকের মজুরি তলানিতে। ৬)সার বীজের দাম বেশি অথচ ফসলের দাম না পেয়ে কৃষক আত্মহত্যা করছে। এই রাজ্যে শিলাদিত্য চৌধুরী সারের দাম বেশি কেন প্রশ্ন করে মাওবাদী হয়ে জেল খেটেছে। ৭) রেলের কর্মী ছাঁটাই করা হবে, প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ৮) BSNL ৫০ % থেকে ৭০% কর্মী কে ছাঁটাই করে দেব বলছে। ৯) গান এন্ড সেল ফ্যাক্টরি বেসরকারি করা হবে, যদিও সে প্রচেষ্টা কর্মীদের আন্দোলনে ব্যর্থ হয়েছে। ১০) গাড়ি শিল্প ধুঁকছে, ব্যাঙ্ক গুলো সংযুক্ত করা হবে, নোটিশ হয়েছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থা কর্মী ছাঁটাই করা শুরু করে দিয়েছে। ১১) স্বাধীনতার সত্তর বছর পরে এখন দেশে বেকারত্বের সংখ্যা সবথেকে বেশি। অথচ এই সরকার ক্ষমতায় আসার আগে রেলে লক্ষ লক্ষ চাকরির বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছিল। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শাসক দল ২০১৬ ক্ষমতায় আসার আগে ও লোকসভা নির্বাচনের আগে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি তে কাগজ ভর্তি করে দিয়ে ছিল। দু সরকার এক জন কর্মী নিয়োগ করেনি। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা এখানে চাকরির পরীক্ষায় পাশ করে তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি হয় না, আত্ম হত্যা ও অনশন করতে হচ্ছে। অনশন করেই চাকরি মিলবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারণ আজ পর্যন্ত যারা অনশন করল তারা কেউ চাকরি পায় নি। অথচ দেখুন গান্ধীজি অনশন করে দেশ স্বাধীন করে ছিল। এই জন্যই বাঙালি তাড়ানোর জোরদার প্রয়াস। 

দেশের বেকার সংখ্যা আরো বাড়বে, শুরু হয়েছে কর্মী ছাঁটাই।


দেশের অর্থনীতি আজ ভেঙে পড়েছে, কয়েক বছর আগের USA তে ঠিক এই অবস্থা হয়েছিল। কেউ কেউ বলেছেন, নোট বন্দীর ফল, হলেও হতে পারে আমি ঠিক জানি না এবিষয়ে বুঝি না। এটা বুঝতে পারছি, মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে, পুজোর আগে যে ভাবে মানুষ কেনা কাটা করত এই ক বছর আর করে না। মানুষের স্থায়ী আয় কমেছে, জিনিস পত্রের দাম বৃদ্ধি হচ্ছে, সেই তুলনায় সাধারণ মানুষের আয় বাড়েনি। এই কারণেই গাড়ি শিল্প, ব্যাঙ্ক, বি এস এন এল যদিও এই বই এস এন এল কে ইচ্ছাকৃত তুলে দেওয়া হলো। বেসরকারি সংস্থা গুলো কে সুযোগ করে দিতে, যেমন কেবেল টিভি চ্যানেল আগে একশ টাকা দিলেই দেখতে পেত আর এখন ডিজিটাল এর নামে প্রায় তিনশো টাকা মাসে দিতে হচ্ছে। বিদ্যুতের বিল অভিনব কায়দায় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অথচ বেতনের বা আয়ের অবস্থা সেই তিমিরে। আরো কিছু ছবি দিলাম দেখুন কেমন আচ্ছা দিন এনেছেন।
এর পর আছে জালিয়াত, যারা দেশের টাকা লুঠ করে নিচ্ছে প্রতিনিয়ত, আর কিছু দিন এই ভাবে চললে স্টেশনে শুয়ে থাকা আর ভিক্ষারীর সংখ্যা বাড়বে। এখনি সাধারণ মানুষের ভিক্ষারীর দশা এর পর যে কী হবে ভাবতে পারবেন না, দেশে দুর্ভিক্ষ দেখা না দিলে হয়। এখনই ৬০ থেকে ৭০ % মানুষ একবেলা কোন রকম কিছু একটা খেতে পায়। ব্যাঙ্ক লুট নিয়ে এস বি আই কী বলছে।
আর তার উপর আছে, নেতা মন্ত্রী দের জালিয়াতি, জানে একবার চুরি করলে কোনো সাজা নেই, ভোটে দাঁড়িয়ে কেবল মিথ্যে কথা বলে যেতে পারলেই হবে তবেই কোটি কোটি টাকা হজম করা যাবে। জনগণ ও তো কুত্তার জাত এক টুকরো রুটি ছুঁড়ে দিলে ল্যাজ নেড়ে পেছনে পেছনে ঘুরে বেড়াবে। যা হোক সকলে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন, আগামীদিনে   চিন্তা করে সঠিক পথ বেছে নিন।

আমাদের পরম শ্রদ্ধেয় মন্ত্রী খুব ভালো একটা কথা বলেছেন।


আমি একজন সাধারণ মানুষ মন্ত্রীর কাছে আমার প্রশ্ন হচ্ছে, বিবেকানন্দ কবে বলেছেন 'যা গেছে তা যাক।' বিবেকানন্দ কবে রাজনৈতিক দল গঠন করে ছিলেন। বলে ছিলেন, একশ টা কথায় দুশো টা মিথ্যে কথা বলতে। বিবেকানন্দ কবে বলে ছিলেন, রাজ্যে কোনো শিল্প করতে দেব না। টাটা বাই বাই, কবে বলে গিয়েছেন জানি না, বিরোধী দল অর্থাৎ মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটে নির্বাচিত হতে আর তোলা তুলে কাট মানি খেয়ে কোটি কোটি টাকা হজম করতে। বিদ্যাসাগর কবে বলে ছিলেন, আমার জানা নেই, যে কন্যাশ্রী দিতে আর সেই টাকা কলেজে ভর্তির জন্য ভাইপো দের ঘুষ দিতে হবে। বিদ্যাসাগর বলে ছিলেন, শরীরের জ্বর জ্বালা যেমন তেমন....। বিবেকানন্দ বা বিদ্যাসাগর কবে বলে ছিলেন, যে খানে কাট মানি নেওয়া যাবে না, সেখানে সব কিছুতেই বাধা দিতে হবে। সামান্য বাচ্ছা দের পোশাক ও বিদ্যালয়ের উন্নয়নের সামান্য টাকা ভাগ চাই কথা সরাসরি বলছেন না, কী বলেছেন চেকে পেমেন্ট চেকে স্বাক্ষর করব না। বিবেকানন্দ বা বিদ্যাসাগর কবে বলে গেছেন আমার ঠিক মনে নেই, তোলা আর কাট মানি ভাগ দিলেই সাত খুন মাফ। আমি আমার আশে পাশে অনেক বিবেকানন্দ ভক্ত দেখি তারা মুখে বিবেকানন্দের নীতি আদর্শ সবার সামনে বলেন। আর পিছনে মানুষের ক্ষতি করতে দু বার ভাবে না। বিবেকানন্দ একটা কথা বা বানী সত্যের জন্য সব কিছু ত্যাগ করা যায় কোনো কিছুর জন্য সত্য কে ত্যাগ করা উচিত নয়। আর একটা কথা মনে কোন মহাপুরুষের বানী, উপকার না করতে পারলে অপকার করো না। অপরের ক্ষতি করে নিজের ভালো হয় না। আজ আমরা কী দেখছি, সরকারি কাজের সাথে কথার মধ্যে কোনো মিল নেই। কেউ যদি বিরোধীতা করেছে, তার অবস্থা খারাপ, মিথ্যে কেসে তাকে জেলে যেতে হবে। আরেকটা কথা খুব প্রচলিত আছে আগেও এই সব হয়েছে, আগে হয়েেছ বলে না  পরিবর্তন করে দিয়েছেন। পরিবর্তন করে দেখছে  সেই সব নেতা তথা পাড়ার দাদা দের দাদাগিরি।কাট মানি আর তোলা তুলে টাকার কুমির, আর বিরোধী দলের সমর্থক হলে সে সব কিিছু থেকে বঞ্চিত। বিদ্যাসাগর বিবেেকানন্দ এসব কবে বলে গেছেন আমার ঠিক জানা নেই। 
  

Friday, 6 September 2019

দারুণ বাঙালি জাতির প্রতি ভালোবাসা।

উদ্দেশ্য টা কি বাঙালি জাতি কে প্রভাবিত করার, না একজন সত্যিকারের দেশ নায়ক কে সণ্মান জানান। যদি দ্বিতীয় কারণে উনি করে থাকেন, তাহলেও বলতে হয় উনি মন থেকে এসব করছেন না। একদিকে বাঙালি জাতি কে কোণঠাসা করে NRC নামে বাঙালি তাড়ানো শুরু করে কি করছেন। বাঙালি জাতি কে সণ্মান জানাচ্ছেন, যদি সত্যি সণ্মান জানাতে হয়, নেতাজির সমস্ত গোপন ফাইল জনগণের সামনে আনুন, আর নেতাজির আদর্শ ছিল, সমাজের শ্রেণী ভেদ তুলে তাকে আদর্শ সমাজে উন্নিত করা। সমাজ তথা দেশের সব মানুষ সমান অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকবে, একবেলা কোনো রকম খাবার জোটাতে হাড় হিম করা পরিশ্রম করতে হবে না। রাষ্ট্র বা দেশের সর্ব স্তরের মানুষের সমান অধিকার দেবে, কাজের অধিকার, শিক্ষার অধিকার, খাদ্যের অধিকার, বাস স্থানের অধিকার, কখনো দেশ ভাগ করা নয়। নিজের জাতি বা সমাজের স্বার্থে অপরের ক্ষতি করা নয়। নেতাজী ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ মেনে চলতেন। বিবেকানন্দ উচ্চ নীচ অর্থাৎ জাতি ভেদ মানতে না। মেথর মুচি চণ্ডাল অর্থাৎ আপনার ভাষায় দলিত সম্প্রদায় সকলে তার কাছে সমান ছিল। আপনা কে বাঙালি প্রীতি দেখাতে ঐ ভরং দেখিয়ে একজন দেশটা ভাগ করে সর্বনাশ করে গেছে। আর আপনি বাঙালি তাড়ানোর জন্যে NRC এনেছেন। বাঙালি তাড়িয়ে জমিয়ে ঐ উদ্বৃত্ত জমি কাদের দেবেন নিজের পেটওয়া মারোয়ারি ব্যবসা দার কে? দেশের সব সম্পদ তো দখল করতে তৈরি হচ্ছেন। শেষে দেশ টা কে বিদেশের কাছে বিক্রি করে দিতে চাইছেন। আপনি যে সব কথা বলে ক্ষমতা দখল করে ছিলেন। আর আজ তার ঠিক উল্টো দিকে হাঁটছেন। এই তালিকা দেখুন
BSNL তুলে দিয়ে JIO, সরকার চালিত অস্ত্র কারখানা বন্ধ করে দিয়ে বেসরকারি করার চেষ্টা করে যাচ্ছেন। রেলে নিয়োগের জন্যে ভোটের আগে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন। আজ আমাদের কী দেখছি রেল থেকে কর্মী ছাঁটাই করা হবে, Bank তুলে দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন। আর নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দাম সে তো আকাশ ছোঁয়া। যাহোক আপনি ভালো থাকবেন, আর মিথ্যে কথা বলে মানুষ কে বোকা বানাবেন না।


Wednesday, 4 September 2019

শিক্ষক দের তো দেওয়া হয়েছে শিক্ষা রত্ন!

 ৫ ই সেপ্টেম্বর ভারত বর্ষ জুড়ে পালিত
হবে, 'শিক্ষক দিবস' ডঃ সর্ব পল্লী রাধাকৃষ্ণাণের জণ্ম দিন। ব্যক্তিগত জীবনে উনি শিক্ষক ছিলেন, স্বাধীন ভারতের রাষ্ট্রপতি হয়ে ছিলেন দুবার।
এই বিখ্যাত ব্যক্তির জণ্ম দিন শিক্ষক দিবস হিসাবে পালিত হয় ভারতে। আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস ৫ই অক্টোবর। যাহোক ভারতের সব রাজ্যের সঙ্গে এই রাজ্যের সরকার শিক্ষক দের সণ্মান জানাতে প্রতি বছরের মতো এ বছরও  ৫ই সেপ্টেম্বর কলকাতার নজরুল মঞ্চে একটি সভা আহ্বান করেছেন। সেই সভায় শিক্ষক দের মধ্যে থেকে শিক্ষক রত্ন খুঁজে সরকার শিক্ষা রত্ন দেবেন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এসে এই পুরস্কার দেওয়া শুরু করেছে, খুব ভালো জিনিস। আমি মনে করি এই পুরস্কার আগেই দেওয়া হয়ে গেছে, কেবল প্রাথমিক শিক্ষক নয়, কম্পিউটার শিক্ষক, বৃত্তি শিক্ষার শিক্ষক, পার্শ্ব শিক্ষক, এস এস সি পাশ করা হবু শিক্ষক, SSK, MSK শিক্ষক, উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষা বন্ধু ভাই বোন দের, ঐ রত্ন পুরস্কার অনেক আগেই দেওয়া হয়েছে। মনে নেই, কয়েক দিন আগে কল্যাণী তে পার্শ্ব শিক্ষক দের এই পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, এর ফলে পার্শ্ব শিক্ষক দের আগষ্ট মাসের বেতন এখন হয় নি।  তার আগে প্রাথমিক শিক্ষক দের,অন্যান্য সব ধরনের শিক্ষার সাথে যুক্ত আন্দোলনের ব্যক্তি দের এই রত্ন দেওয়া হয়েছে। জল কামান, পুলিশের লাঠি, গ্রেফতার করে জেলে, আন্দোলন করলেই দূরে বদলি, সেই রত্ন পুরস্কারও দেওয়া হয়েছে। ডিএ চাইলে ঘেউ ঘেউ, আন্দোলনে দাও দাও করা বলা যাবে না। সব থেকে বড়ো রত্ন খবরের কাগজের সাংবাদিকরা দিয়েছে, আট হাজার দশ হাজার টাকা করে আগামী ১লা আগষ্ট থেকে বেতন বৃদ্ধি হচ্ছে বলে প্রচার করে। আমার মতে ঐ সব সংবাদদাতার কাছ থেকেই ঐ বেতনের টাকা আগষ্ট থেকে নেওয়া উচিত। সব থেকে বড় রত্ন পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, সর্ব শিক্ষার দেওয়া পোষাকের টাকা ও কম্পোজিট গ্রান্টের টাকা মিলে প্রায় দু লক্ষ টাকার উপর বিদ্যালয়ের টাকা, সেই সব বিদ্যালয়ের সভাপতি অর্থাৎ শাসক দলের তিনি কথায় কথায় চেকে স্বাক্ষর না করার হুমকি দিয়ে রাখছেন। প্রধান শিক্ষক কে এমন শিক্ষা রত্ন পুরস্কার দিচ্ছেন বলবার নয়। টাকা তিনি খরচ করেও আর টাকা পাচ্ছেন না। এ রকম শিক্ষা রত্ন পুরস্কার কিন্তু শাসক দলের সিঙ্গুর এলাকাতেও আছে। সরকারি টাকা না খরচ করতে দিলে দরকার নেই, কিন্তু যে টা খরচ করে ফেলেছে, বলা হয়েছে ঐ টাকা থেকে সব খরচ করতে পারে। তাহলেই হয়েছে, শিক্ষকের বেতনের টাকা আর বাড়ি নিয়ে আসতে হবে না। পাওনা দার রা গলায় গামছা দিয়ে আদায় করবে। জানি না যে সব সভাপতি এরকম করছেন, তাদের মনের কথা কী? আহারে শিক্ষক দের আর কত রকমের শিক্ষা রত্ন দিদি উপহার দেবেন। 

Monday, 2 September 2019

আমি এখনও পর্যন্ত জানলাম না মানবাধিকার কী?

আজ গোটা দেশে যা হচ্ছে, সে সব কী মানবাধিকারের বাইরে। এই যে NRC র নামে মানুষ কে ভিটে ছাড়ার বা বাস করার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা। আমি জানতাম আদিবাসী দের দেশ ছাড়া করা যায় না।  ভারতের যে কোন স্থানে তারা বসবাস করতে পারে, এখন দেখছি উল্টো। আমি কত গুলো ছবি দিচ্ছি দেখুন আর ভাবুন এগুলো মানবাধিকারের অর্থাৎ গনতান্ত্রিক দেশে এগুলো মানুষের অধিকারের মধ্যে পড়ে কী না।
এরা আদিবাসী NRC নামে এদের নাগরিক হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া।
বাঙালি জাতি কী মানুষ নয়, তাদের যখন তখন দেশ ছাড়া করা যায়।বাঙালির অধিকার নেই, ভারতের অন্য রাজ্যে বাস করার কেবল হিন্দি ভাষী, মারোয়ারি, গুজরাতী, পাঞ্জাবি, এরা ভারতীয়। পাঞ্জাবী দের সঙ্গে বাঙালির মতো একই আচরণ করা হয়েছিল। খালিস্তান আন্দোলনের পর থেকে একটু নরম হয়েছে, ভারত সরকার।
উপরের ঐ লেখা গুলো পড়ে কী মনে হয়? স্বাধীন দেশে মানুষের কাজের অধিকার নেই, এক শ্রেণীর মানুষের মুনাফার জন্য সমগ্র ভারতে কোটি কোটি মানুষ বেকার হয়ে যাবে। তাদের কাজের অধিকার নেই, তাদের খাদ্যের অধিকার নেই, বাস করার অধিকার নেই, বেঁচে থাকার অধিকারও নেই।
আরেকটা ছবি দিচ্ছি,
এসব দেখে কী মনে হয়, মানুষের অধিকারের আছে 
এসব দেখে কি মনে হয়, মানুষের সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে না নেই। একটা স্বাধীন দেশে মানুষ সুস্থ ভাবে কাজ করে খেয়ে পড়ে বাঁচাতে পারবে না। সেটা কেমন দেশ, দেখুন বি এস এন এল অস্থায়ী কর্মীদের বেতন দেওয়া হয় নি সাত মাস, সবার তো আর সেই আর্থিক অবস্থা নেই, তাদের জন্য কোন চিন্তা আছে এই সরকারের না অর্থাৎ মানুষ না খেয়ে মারা যাক, আমার আর আমার সহযোগীরা মুনাফার পাহাড় করুক, দেশের ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে শোধ না করে বিদেশে পালিয়ে যাক। দারুন সুন্দর ব্যবস্থাপনা, আবার এসব বলা যাবে না, স্বাধীন দেশে পরাধীন ভারতের আইন আছে, বিনা কারণে বিনা বিচারে আটক, অর্থাৎ বিরোধীতা করা যাবে না।
নির্বাচনের আগে বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল, রেলে কয়েক লক্ষ লোক নিয়োগের জন্য। আর দেখুন সরকার গঠন করা হয়েছে এক বছর ঘোরে নি শুরু হয়েছে কাজ হারানোর পালা। স্বাধীনতার সত্তর বছরের বেকারত্বের হার সব থেকে বেশি। আস্তে আস্তে সর্বত্র ভিক্ষারী সংখ্যা বাড়ছে। 
আর এরকম চলতে থাকলে কিছু দিন মানে ২০২০ সালে ভারতে দূর্ভীক্ষ দেখা দেবে। খাদ্যের জন্য হাহাকার করবে মানুষ।
এসব দেখে মনে হচ্ছে আমাদের দেশে মানবাধিকার বলে কিছু আছে! আরও কত আছে, যে গুলো আর দিচ্ছি না। খুন ধর্ষণ লেগেই আছে, গরীবের ঘরের কেউ ধর্ষণ করলে তার ফাঁসি হয়, আর প্রভাবশালী, শাসক দলের হলে মেয়ে টি সহ তার পরিবারের লোকেরা মরে।
এর নাম মানবাধিকার কি সুন্দর ব্যবস্থাপনা সত্যি আমরা স্বাধীন দেশে বাস করছি, স্বাধীন দেশের সরকার তার নাগরিকদের জন্য তিনটি মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারে না। খাদ্য, বস্ত্র বাসস্থান, আর এই তিন টি পূরণ করতে চাই সঠিক শিক্ষা। সত্যিই আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, কি দেখছি, নেতা মন্ত্রী চুরি করে কোটি কোটি টাকার মালিক, জনগণ কে ভিক্ষারী করে ছেড়ে দিচ্ছে, আর সাধারণ মানুষ কে মুরগি চোর সন্দেহে মেরে ফাটিয়ে দিচ্ছে।এই আমাদের মানবাধিকার, খুব সুন্দর মানবাধিকার। 

জাগ বাঙালি জাগ শিয়রে আবার ভিটে ছাড়ার সময় হলো । মিথ্যাবাদী শাসকের মুখোশ খোল।

দুই সরকার চরম মিথ্যাবাদী, এরা কেউটে সাপের থেকেও বিষাক্ত। মুখে বলে এক আর কাজে করে আরেক, নিজেদের আখের গোছানো ছাড়া এরা কিছু জানে না। জনগণ মরলে এদের আনন্দ হয়, এসব দেখেও ঘুমিয়ে থাকবে আসাম জেগেছে, 2020 সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে CAB বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ দিদি ও দাদা বলছেন জনগননা ডাহা মিথ্যে কথা জনগননা আগে এলাকার ম্যাপ তৈরি ও সামান্য তথ্য সংগ্রহ করা হয়। ওহে বাঙালি ওঠো জাগো আর কত মার খাবে। তোমার বাবা কাকা ভাইয়ের রক্তে রঞ্জিত হয়ে এসেছে এই স্বাধীনতা। তোমার জাতি গোটা দেশ কে শিখিয়েছে স্বাধীনতার লড়াইএ সামিল হবার মন্ত্র। আজ তোমার কোন দেশ নেই, অথচ দেশ স্বাধীন হয়েছে। তোমার পূর্ব পুরুষদের রক্তে রাঙা বাংলার মাটি, তুমি ভুলেছ আঠারোর তর তাজা প্রাণ হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিয়ে গেছে ।বুলেটের সামনে নিজের বুক পেতে দিয়েছে, দেশের স্বাধীনতার জন্যে। তুমি কী পেয়েছ, দেশ ভাগের যন্ত্রণা একবার ভিটে মাটি ছেড়ে এপার বাংলায় চলে এসেছ শান্তির আশায়, কিন্তু শান্তি আসে নি। তোমাকে এপার বাংলায় যাতে সুস্থ বসবাস না করতে পার সে জন্য সুকৌশলে বিভেদ সৃষ্টি করা হয়েছে, ওপার বাংলা থেকে যারা এসেছে তারা বাঙালি নয় বাঙাল জাত, ওদের কে মানুষ বলে ভাব বার কোন দরকার নেই। কেন চলে এসেছে সে সব ইতিহাস জানানোর দরকার নেই। তোমাকে যাতে ঘৃণার চোখে দেখে সে ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে। এর উপর আছে হিন্দু মুসলমান ধর্মের ভাগ, কারণ, ১৯০৫ থেকে ১৯১১ বঙ্গ ভঙ্গ আইন বাতিল করা হয়েছিল, যাদের জন্য সেই মহান ব্যক্তিরা স্বাধীনতার সময় অনেকেই বেঁচে ছিলেন না। ১৯৪৭ সালে ধর্মের নামে দেশ ভাগ করে ক্ষমতা লোভী দুই ইংরেজের পা চাটা দালাল দেশের স্বাধীনতা নিয়ে ছিল। কেন বলছি, যে দুজন এই কাজ করে ছিল, একজন ছিলেন তার জাত ভাই ব্যবসায়ী দের স্বার্থে ইংরেজ দের সাথে রফা করতে ব্যস্ত। আরেকটা ছিল ইংল্যান্ডের বাসিন্দা, ভারতে এসে ইংরেজ দের সাথে গট আপ করে জেলে গিয়ে নকল স্বাধীনতা সংগ্রামী সেজে দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়ে ছিল। এরা কেউ বাঙালি জাতি কে দেখতে পারত না।একজন তো সুভাষ চন্দ্র বোস কে জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি হওয়া থেকে আটকাতে না পেরে তাকে অন্যায় ভাবে পদত্যাগ করতে বাধ্য করে ছিল। আর দুজনে মিলে নেতাজী কে দেশে ঢুকতে দেয় নি। ইংরেজ দের সাথে ষঢ়যন্ত্র করে যুদ্ধ অপরাধী ঘোষণা করে দিয়ে ছিলেন। যাতে নেতাজী আর কোন দিন দেশে ফিরে আসতে না পারে। আজ বাঙালির নেতাজির মতো নেতার দরকার, কেন ঐ ব্রিটিশদের দালাল দের বংশধরা এখন ক্ষমতায়, যে কোন প্রকারে বাঙালি জাতি কে আবার ভিটে ছাড়া আর দেশ ছাড়া করার মতলব, মুখে খুব ভালো ভালো কথা, কাজ টা ঠিক তার উল্টো। আবার শোনা যাচ্ছে,  হিন্দু বাঙালিরা স্বাগত তারা শরণার্থী হিসেবে থাকবে। এখানেও আবার সেই ব্রিটিশ চাল জাতি ভেদ ধর্মের নামে ভাগ ভাগি। এই ধর্মের নামে ভাগ করে ব্রিটিশ প্রায় দুশো বছর রাজত্ব করে গেছে। অনেকেই বলবেন তোর কী, ও তো কাগজ পত্র দেখালেই হবে, আমার বাপ ঠাকুরদার ভিটে জমির দলিল সব কিছু আছে। আমরা পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা, ও যারা বাংলাদেশ থেকে এসেছে তারা বুঝবে, ১৯৭০ সালের আগের কাগজ পত্র মানে দলিল থাকতে হবে। আর তা ছাড়া ও আসামের ব্যপার, আর বাংলায় যখন হবে তখন দেখা যাবে। আসামের NRC তে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দাও আছে, তারা আপতত ফিরে এসেছেন, তাদের মধ্যে অনেকেই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বিবাহ সুত্রে অসমের বাসিন্দা, আবার অনেকেই বাংলাদেশ থেকে আসেনি। আমি জানি এপার বাংলার মানুষ বাঙাল তাড়ানোর জন্যে উঠে পড়ে লাগে।
পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ভাববে আমার কী আসলে তা নয়, এই সরকার বাঙালি জাতির বিরোধী, আস্তে আস্তে গোটা দেশে বাঙালি তাড়ানো অভিযান হবে। সেখানে পশ্চিমবঙ্গের আর কে বাংলাদেশ থেকে এসেছে সেটা দেখা হবে না। বাঙালি বিদ্বেষী বাঙালি তাড়ানোর এই অভিযান বন্ধ করতে হলে এখনই পথে নাম বন্ধু, আর দেরি নয়। যদি সত্যি বাঙালি হও পূর্ব পুরুষদের রক্ত যদি শরীরে থাকে।তাহলে পথে নেমে প্রতিবাদ করতে এগিয়ে এসো। কাশ্মীরে যেমন ৩৭০ ধারা তুলে সেখানের জমি জাত ভাই কে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সে রকম বাঙালি জাতি কে তাড়িয়ে তাদের আবার উদ্বাস্তু তে পরিনত করে জমি দখল করে জাত ভাই দের দেওয়া হবে। কারণ এ সরকার আদিবাসী দের উচ্ছেদ করতে বনভূমি তে আগুন দেয়। এদের জাত ভাই দের টাকা আছে, ব্যাঙ্ক এদের ঋণ দেয় এবং শোধ না করলেও দেয় দেশের মানুষ ভিক্ষারী তে পরিনত হোক এদের সম্পদের পাহাড় চাই। কাজ নেই, ছাঁটাই আছে, বেকার সমস্যা সমাধান নেই, বিভিন্ন জায়গায় সরকারি বেসরকারি সর্বত্র ছাঁটাই করা শুরু হয়েছে। দেশের অর্থনীতি ৭০ বছরের মধ্যে সবচেয়ে করুন অবস্থা ওসব যাক মানুষ মরুক আমার জাত ভাই দের ব্যবসা বাড়লেই হবে। লোকের ক্রয় ক্ষমতা নেই, তো কী ভিক্ষা করে কিনবে। আমি বা আমার জাত ভাই বেঁচে থাকলেই হবে। ঐ যে গুজরাতের বড়ো নেতা ব্রিটিশদের পা চাটা দালাল এর বংশধর এরা বাঙালি বিদ্বেষী হবে না তো কারা হবে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের সেই বিখ্যাত 'বোধন' কবিতার লাইন। "ভারতবর্ষ মাটি দেয়নিকো, দেয় নি জল /দেয় নি তোমার মুখেতে অন্ন বাহুতে বল / পূর্ব পুরুষ অনুপস্থিত রক্তে, তাই/ ভারতবর্ষে আজকে তোমার নেইকো ঠাঁই।।"



Sunday, 1 September 2019

আবার সরকারি কর্মীদের সামনে 'খুড়োর কল' বেতন কমিশন বা ডিএ।

আবার সেই একই খবর সরকারি কর্মীদের বেতন কমিশন নিয়ে গুজব। সাধারণ মানুষ কে ক্ষেপিয়ে তোলা এতো টাকা বাড়বে শুরু হয়েছে, বিভিন্ন ধরনের অন লাইন নিউজ পোর্টালে।আমাদের দিদি বলছেন, টাকা নেই খালি দাও দাও বলেল হবে, কোথা থেকে দেব, আবার একটা দিন ঘোষণা করা হয়েছে, ঐ দিন যাতে সরকারি কর্মীদের জমায়েত ভালো হয় সেই কারণেই রটিয়ে দেওয়া হচ্ছে, ঐ দিন বেতন কমিশন বা ডিএ ঘোষণা করা হবে। সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় কোন আলোচনা করতে দেন নি। বেতন কমিশনের সময় বৃদ্ধি করে দিয়েছেন। বেতন কমিশনার বলছেন তার রিপোর্ট তৈরি তিনি জমা দিতে গেছেন, সরকার জমা নেয়নি। এর পরও কিছু ধান্দা বাজ নেতার কথায় সরকারি কর্মীদের গলে জল হয়ে যাবে জানি না, এদের মেরুদন্ড আছে কিনা? তবে যেটা বলেছেন, সরকারি কর্মীরা চালিকা শক্তি একদম ঠিক কথা বলেছেন। অনেক ক্ষেত্রে শাসক দলের নেতা নেত্রীরা ওটা মানেন না। তারা নিজেদের বড়ো বলে মনে করেন, তারা চাইলে সরকারি কাজ হবে না হলে হবে না। সরকারি কর্মীরা কোথায় চালিকা শক্তি তো স্থানীয় ছোট বড়ো নেতা মন্ত্রী কর্মীরা। বাম আমলে শেষে এসে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তারা ত্রি স্তর পঞ্চায়েত ব্যবস্থা তৈরি করে ছিল, যাতে প্রথম দিকে যেমন টাকা এসেছে অনেক কাজ হয়েছে। শেষের কয়েক বছর কিছু ক্ষেত্রে ছোট বড়ো নেতা কর্মীরা সরকারের কাজে এমন ভাবে খবরদারি করতে লাগল, যে অসহ্য হয়ে উঠতে বেশি দিন সময় লাগে নি। কিছু কাট মানি তোলা নেওয়া শুরু করে দিয়েছিল। আজ তাদের একটা অংশ শাসক দলের নেতা কর্মী। সব নেতা মন্ত্রী আর কর্মী যেমন এক হয় না। অনেকেই ভাল আছেন, সেই রকম সরকারি কর্মীদের বা শিক্ষক দের মধ্যেও অনেক ভালো আছেন, যারা অন্যায় কাজ করেন না। চুরি তো দূর ঘুষ নেওয়ার কথা মনে আনেন না, যদি তা না হতো তাহলে সমাজ ধ্বংস হয়ে যেত, তবে এদের ভাগ কম এদের পদে পদে বাধা বিপত্তি পোহাতে হয়, ঐ খারাপ লোক গুলোর জন্য। সরকারি কর্মীরা অনুষ্ঠানে যাবেন, কিন্তু বিশ্বাস করুন আর কোন ঘোষণা করা হবে না। তেমন হলে হয়তো আগামী জানুয়ারি ২০২০ থেকে ৫% থেকে ১০% ডিএ ঘোষণা করা হতে পারে।। আমিও আন্দাজে লিখছি, কারণ আমি এই সরকার কে ৮ বছর হলো দেখছি। ডিএ দেওয়ার ছ মাসে আগে ঘোষণা করে দেয়।   'খুড়োর কল' মন পসন্দ খাবারের গন্ধে গাধা ছোটে মাইলের পর মাইল। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...