Anulekhon.blogspot.com
Friday, 31 July 2020
কেমন নেতা মন্ত্রী, নিজেরা এত ভাল কাজ করে যে নিরাপত্তা নিয়ে ঘোরে!
Thursday, 30 July 2020
সোজা কথা, দিদি কে বলিছি, কাঁচা আনাজে হাত দেওয়া যাচ্ছে না।
দিদি আপনার কাছে আমার সোজাসুজি জিজ্ঞাসা, মনে আছে আপনি, আর আপনার দল সেদিন কলকাতার রাস্তায় একটা মিছিল করে ছিলেন। সাদা থার্মোকলের থানায় লেখা ছিল, এত দাম খাব কি? এখন এই প্রশ্ন আপনার কাছে আমার, আপনি ক্ষমতায় আসার পরে, 2011 থেকে 2012 সালের মধ্যে, 12 টাকা স্বর্ণ মাসুরী মোটা বা সবথেকে কম দামের চালের দাম হয়ে গেল, 24 টাকা, এখন ঐ চালের দাম 32 টাকা, আর ভালো সরু চাল, বাম আমলে দাম ছিল 18 টাকা, আপনি ক্ষমতা দখল করতে না করতেই 28 টাকা হল। এখন দাম 45 থেকে 46 টাকা। আনাজের কথা কি বলব সারা বছর কিনছি,30 থেকে 40টাকা আর এই করোনা লকডাউনের সময় প্রায় সব আনাজে 80 থেকে 100 টাকা। আলু 30 থেকে 35 টাকা। আর কাঁচা লঙ্কা সে তো জাতে উঠেছে, আদা রসুন সে তো অনেক আগেই জাতে উঠেছে। আমাদের অপেক্ষা করতে হবে সেই শীত পর্যন্ত। এই মহামারী সময় বহু লোকের কাজ নেই, কি দিন কাটছে তারাই জানে, তার উপর আবার এই জিনিস পত্রের দাম সত্যি এরকম চলতে থাকলে, না খেয়ে মানুষ মারা যাবে। মানুষের বেঁচে থাকার জন্য যা যা প্রয়োজন প্রতি জিনিসের দাম আকাশ ছোঁয়া, বিদ্যুৎ বিল সে তো বলে কথা নেই, দুটি আলো আর দুটো ফ্যান তাও সব সময় চলে না। এই লক ডাউনের আগে বিল আসত তিন মাসের, 300 থেকে 450 টাকা এই লক ডাউনে বিল এসেছে 1658 টাকা তিন মাসের, আয় কি পরের কাছে দিন মজুর এই লক ডাউনে সেও মাঝে মাঝে বন্ধ, যদি বা কাজ করে মজুরি কত দু শো টাকা। তাও ঠিক মতো কাজ জোটে না, আর দিদির বক্তব্য আমি রেশন দিচ্ছি, দিদি এদের রেশন কার্ড সংশোধন জন্য আবেদন করতে করতে আপনার জমানা শেষ হয়ে গেল। আর ঐ কুপন সে তো আপনার ভাই ভাইপো আর ভাইঝি দের দখলে, এরা যে বামপন্থী তাই না। হাতে না মারলে ভাতে মারব, আপনি আর আপনার এই ভাই ভাইপো ভাইঝি রা ক্ষমতায় আসার আগে বলে ছিলেন, রেশন কার্ড নেতাদের বাড়িতে তৈরি করা হয়। এখনও কোন কিছু পাল্টে যায়নি, সেই ট্যাডিশন সমানে চলছে। আর ঐ আন্দোলন এত দাম খাব কি? এখন মহামারীর সময় আয় নেই, কাজ হারা জনগন সেখানে দাঁড়িয়ে প্রতি নিয়ত আপনার জমানায় জিনিসের দাম বাড়ছে। কি হবে এই সব লক ডাউনে করোনার চেন ভাঙতে চাইছেন, বিনা পরীক্ষা বিনা চিকিৎসায়, আর দু দিন লক ডাউনে কতটা কমবে, হাওড়া ও কলকাতায় সাধারণ মানুষের যাওয়া বন্ধ করে দিন দেখবেন, জেলা গুলোর করোনা অর্ধেক কমে গেছে, করোনা বাড়াচ্ছে, রেল আর আপনার ঐ কলকাতার অফিস যাত্রীরা, আপনি জেনে বুঝে কলকাতার অফিস গুলো খুলে দিলেন। আর কি করা যাবে, একদিকে না খেয়ে থাকা, আরেক দিকে কলকাতা হাওড়ার অফিস যাত্রী দের দ্বারা করোনা ঘরের দোরগোড়ায়। আপনি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন, 2021 সাল আসছে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে আসতে হবে না হলে আপনার ভাই ভাইপো ভাইঝি দের চলবে কি করে?
Sunday, 26 July 2020
এই হচ্ছে, সত্যি কার বাঙালি, খুঁজে বেরিয়েছে বাঙালি শিল্পপতি বিরোধী।
ছবিটি শ্রমজীবী নামের একটি ফেসবুক পেজের, তাদের তৈরি এই ছবি ব্যবহার করলাম বিনা অনুমতিতে। শ্রমজীবী র কাছে কৃতজ্ঞ।
আমি জানি না, উনি মানে তথাগত রায় মহাশয় কোথায় পেলেন, যে বাঙালি আদানি, আম্বানি বিরোধী, বা শিল্পপতি বিরোধী। কখনো এটা হতে পারে, শিল্প ছাড়া দেশ এগিয়ে যায় না। নতুন নতুন আধুনিক শিল্প চাই, আর আমার দেশের শিল্পপতিরা সেই শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে সেখানে সাধারণ মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করবে, এটা নিয়ে কেউ বিরোধীতা করে নি। বিরোধী সরকারের সরকার সরকারি ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়ে, বা ঐ শিল্পপতি বা ব্যবসায়ী কে বিক্রি করে দিয়ে, সাধারণ মানুষ কে বেশি টাকা খরচ করে পরিষেবা নিতে বাধ্য করে তুলেছে সেই খানেই প্রতিবাদ। প্রতিবাদ সেই খানে যে শিল্প বা ব্যবসা করার নামে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ না করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া নিয়ে। আবার দেশের এই, যে শিল্প বা সংস্থা কিনবে তাকে ঋণ দেওয়া হবে, টাকা টা আপামোর জনসাধারণের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা, কিছু দিন পর সে বলবে বা দেশের নেতাদের ধরবে আমি বা আমরা ঐ ঋণ শোধ করতে পারছি না। সরকার সাথে সাথে, যাও তোমাদের ঋণ মুকুব করে দেওয়া হল। আর সাধারণ মানুষ চাষের বা অন্য প্রয়োজনে সামান্য এক লক্ষ টাকা বা তার কম ঋণ নিয়েছে তার গলায় পা দিয়ে সেই ঋণ আদায় করা হবে, না হলে শাস্তি অনিবার্য তার ঋণ মুকুব নেই। আপত্তি টা এখানে, চড়া সুদে সাধারণ মানুষ ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পারলে ছাড়া হবে না। আর কম সুদে, দেশের সম্পদ কেনার জন্য ঐ ব্যবসায়ী বা শিল্পপতি দের ঋন শোধ করতে পারব না বলে দিলে ঋণ মুকুব করা হবে। ব্যাঙ্ক ব্যবসা লাটে উঠুক, বীমা জাহান্নামে যাক, তবুও ওদের থেকে এক টাকা আদায় করা যাবে না। মানুষ মরুক দেখার দরকার নেই, আমার মুনাফার হলে হবে, এই যে জিও এলো বিনা টাকায় সিম কার্ড, তার, পর 99 টাকা প্রাইমের জন্য 299 টাকা 84 দিন, এখন সেটা 599 টাকা, ওদিকে BSNL কে সুযোগ দেওয়া হল না। 4G করার জন্য, এখন তো শুনছি রেল বিক্রি করে দেওয়া হবে ঐ সব ব্যবসায়ী কে, আপনার কি সরকারের টাকায় মানে সাধারণ মানুষের করের টাকায় প্লেন চেপে ঘুরে বেড়াবেন, আর সাধারণ মানুষ ট্রেনে একটা স্টেশন বড় জোর 3 থেকে 4 কিলোমিটার এখন যাচ্ছে, 5 টাকা দিয়ে তখন যাবে 50 টাকা দিয়ে খুব ভালো ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে জমা করছে টাকা, ঐ ব্যবসায়ী রা কিনে নিয়েছে ব্যাঙ্ক কিছু দিন পর বলবে ঐ টাকা আমি আর ফেরত দিতে পারব না। সুদ দেওয়া দূর, টাকা জমাতে হলে ব্যাঙ্ক তার চার্জ কেটে নেবে, উল্টে কিছু দিন পর গনেশ উল্টে চলে যাবে। কোটি কোটি মানুষ পথে বসবে আপনার দেখতে খুব ভাল লাগবে। এই জন্য আমরা বাঙালি, নিজের পায়ে কুড়ুল মেরে দেশ ভাগ করে স্বাধীনতা নিয়েছি। আপনার মতো চরম সুখে থাকা সরকারের টাকায় মানে জনসাধারণের করের টাকায় সুখে শান্তিতে আছেন আর বড়ো বড়ো কথা বলে দিচ্ছেন। সত্যিই আপনি বাঙালি তো!
আমি জানি না, উনি মানে তথাগত রায় মহাশয় কোথায় পেলেন, যে বাঙালি আদানি, আম্বানি বিরোধী, বা শিল্পপতি বিরোধী। কখনো এটা হতে পারে, শিল্প ছাড়া দেশ এগিয়ে যায় না। নতুন নতুন আধুনিক শিল্প চাই, আর আমার দেশের শিল্পপতিরা সেই শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলবে সেখানে সাধারণ মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করবে, এটা নিয়ে কেউ বিরোধীতা করে নি। বিরোধী সরকারের সরকার সরকারি ব্যবস্থা বন্ধ করে দিয়ে, বা ঐ শিল্পপতি বা ব্যবসায়ী কে বিক্রি করে দিয়ে, সাধারণ মানুষ কে বেশি টাকা খরচ করে পরিষেবা নিতে বাধ্য করে তুলেছে সেই খানেই প্রতিবাদ। প্রতিবাদ সেই খানে যে শিল্প বা ব্যবসা করার নামে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ না করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়া নিয়ে। আবার দেশের এই, যে শিল্প বা সংস্থা কিনবে তাকে ঋণ দেওয়া হবে, টাকা টা আপামোর জনসাধারণের ব্যাঙ্কে গচ্ছিত টাকা, কিছু দিন পর সে বলবে বা দেশের নেতাদের ধরবে আমি বা আমরা ঐ ঋণ শোধ করতে পারছি না। সরকার সাথে সাথে, যাও তোমাদের ঋণ মুকুব করে দেওয়া হল। আর সাধারণ মানুষ চাষের বা অন্য প্রয়োজনে সামান্য এক লক্ষ টাকা বা তার কম ঋণ নিয়েছে তার গলায় পা দিয়ে সেই ঋণ আদায় করা হবে, না হলে শাস্তি অনিবার্য তার ঋণ মুকুব নেই। আপত্তি টা এখানে, চড়া সুদে সাধারণ মানুষ ঋণ নিয়ে শোধ করতে না পারলে ছাড়া হবে না। আর কম সুদে, দেশের সম্পদ কেনার জন্য ঐ ব্যবসায়ী বা শিল্পপতি দের ঋন শোধ করতে পারব না বলে দিলে ঋণ মুকুব করা হবে। ব্যাঙ্ক ব্যবসা লাটে উঠুক, বীমা জাহান্নামে যাক, তবুও ওদের থেকে এক টাকা আদায় করা যাবে না। মানুষ মরুক দেখার দরকার নেই, আমার মুনাফার হলে হবে, এই যে জিও এলো বিনা টাকায় সিম কার্ড, তার, পর 99 টাকা প্রাইমের জন্য 299 টাকা 84 দিন, এখন সেটা 599 টাকা, ওদিকে BSNL কে সুযোগ দেওয়া হল না। 4G করার জন্য, এখন তো শুনছি রেল বিক্রি করে দেওয়া হবে ঐ সব ব্যবসায়ী কে, আপনার কি সরকারের টাকায় মানে সাধারণ মানুষের করের টাকায় প্লেন চেপে ঘুরে বেড়াবেন, আর সাধারণ মানুষ ট্রেনে একটা স্টেশন বড় জোর 3 থেকে 4 কিলোমিটার এখন যাচ্ছে, 5 টাকা দিয়ে তখন যাবে 50 টাকা দিয়ে খুব ভালো ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষ ব্যাঙ্কে জমা করছে টাকা, ঐ ব্যবসায়ী রা কিনে নিয়েছে ব্যাঙ্ক কিছু দিন পর বলবে ঐ টাকা আমি আর ফেরত দিতে পারব না। সুদ দেওয়া দূর, টাকা জমাতে হলে ব্যাঙ্ক তার চার্জ কেটে নেবে, উল্টে কিছু দিন পর গনেশ উল্টে চলে যাবে। কোটি কোটি মানুষ পথে বসবে আপনার দেখতে খুব ভাল লাগবে। এই জন্য আমরা বাঙালি, নিজের পায়ে কুড়ুল মেরে দেশ ভাগ করে স্বাধীনতা নিয়েছি। আপনার মতো চরম সুখে থাকা সরকারের টাকায় মানে জনসাধারণের করের টাকায় সুখে শান্তিতে আছেন আর বড়ো বড়ো কথা বলে দিচ্ছেন। সত্যিই আপনি বাঙালি তো!
Saturday, 25 July 2020
ধর্ম ও বিজ্ঞানের যুদ্ধ যুগে যুগে।
ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের যুদ্ধ যুগে যুগে, এর মনে হয় শেষ নেই। শেষ পর্যন্ত জয় হয় বিজ্ঞানের, তবুও কিছু ধর্মান্ধ মানুষ, যারা প্রতি নিয়ত বাধার সৃষ্টি করে যায় বিজ্ঞান কে, বা অস্বীকার করে যায় বিজ্ঞান কে। অতীত ইতিহাসের দিকে নজর দিলে দেখা যায়, ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের সংঘাতের জন্য প্রাণ গেছে বিজ্ঞানীর, ব্রুন কে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে। কোপারনিকাশ, গ্যলেলিও, এরকম আরও কিছু যারা বিজ্ঞানের কথা বলেছেন, তাদের কে নানা ধরনের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। এই সব ধর্মান্ধ মানুষ বেশিরভাগ টাই অশিক্ষিত, কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখছি কিছু শিক্ষিত মানুষ বা অল্প শিক্ষিত মানুষ বিজ্ঞান আর ধর্মের সাথে মিল খুঁজতে ব্যস্ত। এই কাজ করতে গিয়ে তারা, বিভিন্ন অবৈজ্ঞানিক কথা বার্তা বলেছেন, নিজের কিছু হলে বা প্রচার থেকে, আরও কিছু কাজ সহজ ভাবে করতে বিজ্ঞানের আশ্রয় নিচ্ছেন। আমদের দেশে এরকম কিছু অল্প শিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত, অশিক্ষিত মানুষ ক্ষমতা দখল করে আছে। যারা প্রতিনিয়ত মানুষ কে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে, এই মহামারীর সময়ে, এমন সব কথা বলে চলেছেন, বা করতে বলছেন, এতে তাদের শিক্ষার অভাব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। গোমুত্র খাও, থালা বাজাও, ফুল ছাড়াও, গোমাতা কে পুজো করো, করোনা পুজোতো আমরা বেশ কয়েক বার দেখলাম, সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিজ্ঞানের সাহায্যে এগুলো প্রচার পাচ্ছে, আর বিজ্ঞান কে অস্বীকার করে চলেছেন প্রতিনিয়ত, এখন আবার শুনলাম, পাঁপড় খেলে ইম্যুনিটি পাওয়ার বাড়বে, করোনা ভালো হয়ে যাবে। আবার শুনলাম রাম মন্দিরের ভিত দেওয়া শুরু হলে করোনা ভালো হয়ে যাবে। কেন এই নজর ঘোরাবার চেষ্টা, এর দুটি কারণ ১)নিজে দের অপদার্থতা ঢাকা দেওয়ার জন্য, যে আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারছি না। সঠিক রাস্তা গুলো আগেই বন্ধ করে দিয়েছি, সেই জন্যই আজ এই অবস্থা। ২)আমরা ক্ষমতায় এসেছি, কেবল মাত্র টাকার পাহাড় করব বলে, সাধারণ মানুষ তুমি মরলে কি বাঁচলে আমার দেখার দরকার নেই। আমি ক্ষমতা চাই, আর কোটি কোটি টাকা
Friday, 24 July 2020
সাধারণ মানুষের ভোটের মূল্য চাই।
খুব তাড়াতাড়ি আমরা হয়তো দেখতে চলেছি, পশ্চিমবঙ্গে আরেকটা রাজনৈতিক দল। কারণ যে ভাবে দিল্লি থেকে ফিরে এসেছেন। আর বাকি দের দিল্লি যাওয়া হয় নি। সে কারণেই মনে হচ্ছে, নতুন দল গঠন করা হতে পারে, না হলে লজ্জা হীন ভাবে পুরোনো দলে ফিরে যেতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এবং অন লাইন সংবাদ পত্র পড়ে আমার মনে হয়েছে। যদি নতুন দল গঠন করা হয়, খুব ভালো হবে। তবে রাজনীতির লোক গুলো কে দেখে দেখে আমার মনে হয় এরা একদম লজ্জা হীন। টাকার জন্য সব পারে, দল বদল করা যেন মুড়ি মুড়কি, এটা বন্ধ করতে কড়া আইন চাই, যে মূহুর্তে দল বদল করবে সাথে সাথে তার সেই সদস্য পদ খারিজ করে দেওয়া হবে, এবং নতুন করে নির্বাচন করতে হবে। কারণ আমি একট দলের নীতি আদর্শ কে বিশ্বাস করে ভোট দিলাম, সে C. P. I. M. এর হয়ে জিতল কিম্বা কংগ্রেসের হয়ে জিতল, কিন্তু ক্ষমতা এবং টাকার লোভে চলে গেল শাসক দল বা অন্য দলে। তাহলে আমার বা সাধারণ মানুষের ভোটের দাম থাকল না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠুক, এই সব দল বদলু দের সদস্য পদ সাথে সাথে খারিজ করে দিতে হবে। সে যে স্তরের নির্বাচিত প্রতিনিধি হোক পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে এম পি পর্যন্ত প্রত্যেকের জন্য এরকম কড়া আইন চাই। আমার মতো সাধারণ ভোটারদের ভোটের মূল্য চাই।। বর্তমানে যারা ক্ষমতা আছে তারা তো দেশ বেচতে আর দল ভাঙিয়ে নিজের দলে নিয়ে সরকার গড়তে ওস্তাদ। সে টাকার বিনিময়ে হোক আর যেভাবেই হোক। এরা এরকম আইন আনবে না, এরা মানুষ কে মানুষ বলে মনে করে না। সাধারণ মানুষ ওদের কাছে একটা সংখ্যা মাাত্র, আমার মনে হয় আমার দাবিটি আমার মতো সকল সাধারণ ভোটারের । দল বদলু দের, সদস্য পদ খারিজ করতে হবে।পুনরায় নির্বাচন করতে হবে।
মহাপুরুষের হারিয়ে যাওয়া কথা (. আজ নজরুল ইসলাম)
(জাতের নামে বজ্জাতি সব, জাত জালিয়াতি খেলছে জুয়া।
ছুঁলে তোর জাত যাবে বলি জাত কি ছেলের হাতের মোয়া।
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একটি কবিতার দুটি লাইন। জাত বা ধর্ম নিয়ে প্রতি দিন যারা মানুষের উপর অত্যাচার করে যাচ্ছে। ধর্মের নামে জাতের নামে যারা অপর মানুষ কে ছোট করে যাচ্ছে। তাদের জন্য এই দুই লাইন, লেখা পড়া করুন সঠিক শিক্ষা লাভ করুন। যে শিক্ষা ধর্মের নামে জাতের নামে মানুষ খুন করতে শেখায় সে শিক্ষা শিক্ষা নয়। যে ধর্ম মানুষের উপর অত্যাচার করতে শেখায় সে ধর্ম, ধর্ম নয়। আজ ভারত বাংলাদেশ পাকিস্তানে এই ধর্মের নামে প্রতি নিয়ত মানুষের উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। যেটা পাকিস্তান, বাংলাদেশে বেশি, সব থেকে বেশি আফগানিস্তানে, যে ধর্মের লোকজন এই অত্যাচার করে যাচ্ছে। তারা নাকি শান্তির ধর্ম পালন করে। আসল তা নয়, ওদের শিক্ষা ব্যবস্থা এর জন্য দায়ী। যে দেশের জাতীয় কবি নজরুল সে দেশে ধর্মের নামে মানুষ খুন। কারণ ধর্মের শিক্ষা আধুনিক শিক্ষা নয়, আমাদের দেশের বেশ কিছু রাজ্যের দলিতের উপর একই নির্যাতন নামিয়ে আনা হচ্ছে। কথায় কথায় সংখ্যালঘু, আর সংখ্যা লঘু নয়, ধর্মের হিসাবে কম লোকই পালন করে ঐ ধর্ম সেই জন্যই সংখ্যালঘু। আদিম কাল থেকে ধর্ম মানুষের মধ্যে একতা তৈরি করতে ব্যার্থ। আসুন আমরা মানবতা কে ধর্ম করি, কবির ভাষায় জাতের নামে ধর্মের নামে বজ্জাতি ত্যাগ করি। ধর্মের পাশাপাশি সত্যি কার শিক্ষা শুরু করে দিই। এখানে আরেকটা ছবি দিলাম যেটি কদিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেড়িয়ে ছিল।
এসব যে কোন সরকার ইচ্ছা করলে বন্ধ করে দিতে পারে। কেবল সঠিক সাজা দিতে হবে। আইন সবার জন্য সমান, সরকার কে সকল কে মানুষ বলে ভাবতে হবে। ধর্ম নয়, ধর্মের নামে মানুষে মানুষে হানাহানি বন্ধ করতে সকল দেশের সরকার কে এগিয়ে আসতে হবে। সত্যি কার আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। আমি তো অবাক হয়ে যাই যে দেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। সেই দেশের মানুষ এরকম ধর্মের নামে মানুষের উপর অত্যাচার করে যাচ্ছে। ধর্মের নামে এবং সম্পত্তি দখলের এই খেলা বন্ধ করতে হবে। যে দেশে জন্ম নেন সেটাই তার জণ্ম ভূমি। সেখান থেকে গায়ের জোরে তাকে উচ্ছেদ করা কোন ধর্মে আছে, কোন ঈশ্বর বা আল্লাহর নির্দেশ এটা হতে পারে! জণ্মের সময় কি পিঠে ছাপ মেরে পাঠায়, না বলে পাঠায় অন্য ধর্মের মানুষের উপর অত্যাচার করবি। আল্লাহ, ঈশ্বর সব কি আলাদা আলাদা নির্দেশ দিয়েছে, ঈশ্বর বলেছেন তোরা যতই অত্যাচার হোক সহ্য করে যাবি। আর আল্লাহ বলেছেন তোরা ধর্মের নামে মানুষের উপর অত্যাচার করবি, মানুষ খুন করবি তোকে আমি এই উপহার দেব। তাহলে ঈশ্বর ও আল্লাহ কে এক জায়গায় বসে মিটিং করে সমঝোতা করে নিতে হবে, কেউ কেউ কাউকে মারধর করবে না। কে কে বা কোন কোন সাধক দেখেছেন ঈশ্বর আল্লাহ, গড কে স্বচক্ষে, কেউ না, কারণ রামকৃষ্ণ সব মতে সাধনা করে জানিয়ে ছিলেন। যত মত তত পথ। কোন পথেই তার দেখা মেলে না, তিনি স্বশরীরে হাজির হন না। ওসব মানসিক কল্পনা, এবার বলবেন তুমি নাস্তিক মোটেও না। দু বেলা পূজো করি, কেবল জাতের নামে বজ্জাতি বা ধর্ম নিয়ে মাতামাতি করি না।
Thursday, 23 July 2020
যারা দাদা আর দিদির দলকে এখন সমর্থন করেন তাদের কাছে আমার কয়েকটি প্রশ্ন?
দেখে মনে হচ্ছে কত দরদ তাই না! আমাদের দাদা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আর দিদি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী, অনেকেই এনা দের ভক্ত আছে, মুখ দেখে ভোট দিয়ে দেন, আবার অনেকে দলের ভক্ত আছেন, এনারা দুজনেই দুবার করে ক্ষমতা দখল করেছেন। অর্থাৎ গদিতে বসেছেন। এসব ছেড়ে আসল কথায় আসি, এই ভক্ত বা যারা দল করেন বা এখনো সমর্থন করে যাচ্ছেন, তাদের কাছে আমার কয়েকটি প্রশ্ন আছে।একবার নিজের বিবেকের কাছে প্রশ্ন করে দেখতে পারেন, বাংলার মানুষ যারা এখনও শাসকের হয়ে প্রচার করছেন তাদের জন্যে বলি, 2011 সালে ক্ষমতায় আসার আগে দিদি যা যা বলে ছিলেন সব করে দিয়েছেন? বাম নেতা মন্ত্রী দের জেলে দেবার জন্য 11 না 12 টা তদন্ত কমিটি গঠন করে ছিলেন, কি কি নেতাই, সাঁই বাড়ি, বিজন সেতু, নানুর, একুশে জুলাই, এরকম আরো অনেক বিষয়ে ও আরেকটা গৌতম দেব কে জেলে দেবেন বলে হিডক তদন্ত কমিটি গঠন করে ছিলেন, এছাড়া ছিল সিঙ্গুর, নন্দীগ্রাম, জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসের নাশকতার সিবিআই তদন্ত। রিপোর্ট গুলো সব জমা পরেছে তো, আমি যতদূর জানি জমা পড়েছে, কিন্তু সেখানে সব যাদের নাম আছে তারা কেউ বাম নেতা মন্ত্রী না। সিঙ্গুরের তাপসী মালিকের বাবা এখন বলছেন, সি পি আই এম আমার মেয়ে কে খুন করেনি। যারা এখনও পর্যন্ত সমর্থন করে যাচ্ছেন বুঝতে পারছেন, এর পর 2013 সাল থেকে সারদা সহ নানা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি, ত্রিফলা বাতি, ব্রিজ থেকে জল টাঙ্ক ভেঙে পড়া তোলাবাজি, কাটমানি,প্রভৃতির 75 % ও 25% ভাগ 280 টাকার দিন মজুর 280 কোটি টাকার মালিক হোল। টালির ঘর চার তোলা বিল্ডিং, লিফট চলমান সিঁড়ি, আরও কত কি? চাকরি করে দেবার নামে লক্ষ লক্ষ টাকা ঘুষ যারা ঘুষ দিতে পারে নি তাদের চাকরির তালিকায় নাম উঠেও চাকরি হয় না, অনশন করে তাতেও নয়, অনশন করতে গিয়ে গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেছে তবুও তাদের চাকরি হয় নি। যারা এই শাসক দলের সমর্থক নিশ্চয়ই তার ঘরে এরকম বেকার ছেলে মেয়ে নেই বা সে নিজে এরকম বেকার নন। আরেকটা হতে পারে তিনি নিশ্চয়ই 75 % ও 25 % ভাগ পান। কারণ বাংলায় একটা প্রবাদ আছে, চোরের দলে থাকলেই সে চোর, হয়। যারা এখনও বাংলার এই শাসক কে সমর্থন করে যাচ্ছেন তারা নিশ্চয়ই চোর এবং মিথ্যাবাদী, না হলে কেউ এরকম একটা দল কে সমর্থন করে যেেতে পারে না। আর ভোট এলেই এই দলের হয়ে যারাা দাঙ্গা করে ভোট লুট করে যাচ্ছেন ভেবেছেন, আপনি মদ মাংস বা কয়েক হাজার টাকা পেলেন কিম্বা পুলিশ আপনাকে কিছু বলল না, বা আপনার বা আপনাদের বিরুদ্ধে কেস নিল না, এই টুকু, আর যার বা যে বড় নেতাদের কথাায় আপনি এটা করে যাচ্ছেন। সে বা তারা কোটি কোটি টাকার মালিক হচ্ছে, দিনে রাতে তাদের টাকার পাহাড় হচ্ছে। আর আপনার অবস্থা সেই তিমিরে রয়েছে। এই করোনা মহামারীর সময় ঐ সব নেতা মন্ত্রী কত টাকা খরচ করেছে , বলুন। 2011 ক্ষমতায় আসার আগে তিনি বলেছিলেন সিঙ্গুর থেকে নন্দীগ্রাম রেললাইন হবে, ট্রেন চলবে। 2010 সালের শেষ দিকে থেকে 2011 সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত রেলের চাকরির ফর্ম বিলি করে ছিলেন। ওনার অনেক চামচা অর্থাৎ চিটিংবাজ চোর বেকার ছেলে মেয়েদের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ছিল, রেলে চাকরি করে দেবে বলে। এক জন কে দেখান যাকে উনি রেল মন্ত্রী থাকা কালীন চাকরি দিয়ে এসেছেন। হ্যাঁ কতগুলো চিটিংবাজ দালাল ঘুষখোর বাঙালি জাতির শত্রু মিথ্যাবাদী বুদ্ধির ঢেঁকি যারা কলকাতার রাস্তায় ব্যানার দিয়ে নিজেদের বুদ্ধি জীবি বলে প্রচার করে ছিলেন, এবং কাকের ছবি এঁকে বিখ্যাত হয়ে ছিলেন তাদের রেলের বিভিন্ন পদে বসিয়ে দিয়ে ছিলেন মোটা টাকা বেতনের বিনিময়ে। 2011 সালে বললেন ক্ষমতায় এলে আমি ছ মাসের মধ্যে শিল্প এনে দেখিয়ে দেব। তবে এটাও ঠিক উনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি কে দিয়ে সিঙ্গুরের জমি ফেরত দেওয়ার রায় করে এনেছেন, কিন্তু ঠিক মত সকলের জমি ফেরত দিতে পারেন নি। জমির দালাল তৈরি করেছেন, এই দালাল দের জন্য সিঙ্গুরের জমির আকাশ ছোঁয়া দাম। আর সিঙ্গুর থানার একটা বিরাট অংশে চুল্লু বা মদ তৈরি হয় তাদের টাকার জোর কোথাও জমি বিক্রি শুনতে পেলে হয়। যাহোক এসব বাদ দিয়ে আমি, একটা কথা জিজ্ঞেস করি যারা এই লুটেরা কে এখনও পর্যন্ত সমর্থন করে যাচ্ছেন, আর সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলে যাচ্ছেন। আপনি বা আপনার পরিবার চুরির টাকা বা তোলাবাজির টাকা ভাগ পাচ্ছেন ভালোই। আপনার ঘরের বেকার ছেলে মেয়ে নেই, যদিও থাকে নিশ্চয়ই চপ শিল্প মুড়ি শিল্প টেবিল পেতে চায়ের দোকান শিল্প, ঘুঁটে শিল্প এ শিল্পে চাকরি করে মোটা টাকা বেতন পাচ্ছেন। কি দরকার ইনফোসিস, উইপ্রোর, কি দরকার কেমিক্যাল হাবের। যারা চীন চীন করে পাগলা হয়ে পরছেন, তাদের বলি ঔষধ তৈরির ৮০% থেকে ৯০ % কাঁচা মাল আসে চীনের কেমিক্যাল হাব গুলো থেকে। আর আমার বাংলার কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া ছাত্র ছাত্রী তারা হয় আমেরিকা বা আমাদের দেশে হলে অন্য রাজ্যে পারি দিচ্ছে, আইটি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে চাকরি জন্যে অন্য রাজ্যে ছুটছে। এখন আপনার দিদি আর দাদা বা আপনি যাদের পরিযায়ী শ্রমিক বলছেন তাদের মধ্যে অনেকেই এই রকম ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র ছাত্রী। বাদ দিন আপনারা সবাই চোর চুরি আর ঘুষের ও তোলাবাজির আর কাট মানির টাকা ভাগ নেন। আপনারা বসে বসে টাকার পাহাড় করেছেন আর সাধারণ মানুষ রসাতলে যাচ্ছে। আপনাদের কাছে বিবেক বোধ আশা করা দূরাশা।
রাজ্যের কি হবে? , এম এল এ, মন্ত্রী, পঞ্চায়েত প্রধান, নেতারা সব করোনা আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে।
রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে খবর আসছে, নেতা, মন্ত্রী, এম - - এল - এ, এম - পি, রা করোনা আক্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। খুব খারাপ লাগছে কারণ এরা দেশের জন্য জন্য নিবেদিত প্রাণ, হাসতে হাসতে নিজের প্রাণ বিসর্জন দিতে পারে দেশের জন্য। মানুষের সেবা করতে, এরা সিদ্ধ হস্ত কেবল কমিশন কাট মানির 75% হলেই পরিষেবা পাওয়া যাবে। কিসে নেই, আগে সারদা, রোজভ্যালি,এমপিএএস গ্রীনারি, আরও নানা চিট ফাণ্ড, আর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এমনকি আই সি ডি এসের রাঁধুনি নিয়োগের জন্য ঘুষ। আর এখন সরকারের প্রকল্প, মাচা ক্লাবের টাকা, আমি ছবি দিলাম না, এখন আমার যাতায়াতের পথে একটা মাচা ক্লাব চোখে পড়ে, একটি নালা বা খালের উপর মজবুত মাচা বাঁধা হলো কয়েক দিন আগে, এখন সেটা বেশ সুন্দর করে টিন দিয়ে ঘিরে সুন্দর দরজা লাগিয়ে নিয়ে ক্লাব, কাজ কি ঢালাই রাস্তা হচ্ছে, তদারকি করা, বুঝতেই পারছেন। আর ঐ ক্লাবের আশ পাশে ঝাণ্ডার রম রমা, জানেন তো সত্যি কথা বলতে মানা। আর আছে বালি খাদান, একশ দিনের কাজ, এখন তো আমফান নতুন যোগ হয়েছে।কেন যে দিদি বলতে গেলেন টাকা ফেরত দিতে হবে। এখন তো দেখছি অন্য ফুলের পঞ্চায়েত সদস্য তারও করোনা পজিটিভ হয়ে যাচ্ছে। অথচ বাড়ির লোক জন দিব্যি বাইরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কেউ কিছু বললেই হুমকি, আসলে ফুলে ফুলে মাসতুত ভাই। মানুষ আবার ঐ ফুল কে ক্ষমতায় আনার পরিকল্পনা করে বসে আছে। যাহোক আজ এই পর্যন্ত, দিদির প্রতিশ্রুতি আর দিদির আরেক ভাইয়ের ক্ষমা চাওয়া নিয়ে। পরে লিখব। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন ।
Wednesday, 22 July 2020
ফেসবুকের ( শুভজিৎ চক্রবর্তী) মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা।
লেখার শুরুতেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাই,মন্তব্য করার জন্য। আমি চাই আরও অনেক মন্তব্য আসুক, কিন্তু খুব হাতে গোনা মানুষ মন্তব্য করেন, তাও ফেসবুকের মাধ্যমে। জানি না আপনি সব লেখাটা পড়ে মন্তব্য করেছেন কি না? কেবল শিরোনাম দেখে এবং একটু খানি অল্প কয়েক লাইন পড়ে যাদি মন্তব্য করে থাকেন তাহলে বলব, দয়া করে সব লেখাটা পড়ে মন্তব্য করুন, দেখবেন আপনার ঐ মন্তব্য এখানে খাটে না।
কারণ আমার লেখার মূল বিষয় ছিল ধর্মের নামে মানুষের উপর অত্যাচার। সে যে কোন ধর্মের হতে পারে, উগ্র হিন্দুত্ব বাদ হোক আর ইসলাম ধর্মের হোক, ধর্মীয় অত্যাচার উচ্চ বর্ণের হিন্দু দ্বারা নিম্ন বর্ণের হিন্দু দের উপর অত্যাচার, যেটা আজ ভারতের মধ্য ভীষণ ভাবে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। এই ধর্মের নামে অত্যাচার কেন, কিভাবে এর জণ্ম সেটা আমার জ্ঞান ও সীমিত শিক্ষার মধ্যেই যে টুকু জানি বা পড়েছি তা লেখার চেষ্টা করেছি।
আপনি যে সব মহা পুরুষের কথা বলেছেন, তারাও কিন্তু এই বাহ্মণ্যবাদ বা উগ্রতা কে মানে নি, সেই জন্যই হিন্দু ধর্মের কঠোরতা থেকে মুক্তি পেতে, সহজ সরল ভাবে সব মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ধর্ম দিয়ে তাদের এক করতে বিভিন্ন ধর্মের জণ্ম হয়েছে। সে আপনি বৌদ্ধ ধর্ম, বলুন বা বৈষ্ণব ধর্ম, বিবেকানন্দের কথা বলছেন, আমি ওনার জ্ঞানের কাছে তুচ্ছ, ওনার গুরুদেব ভারতের যুগ পুরুষ রামকৃষ্ণ বলেছিলেন "যত মত তত পথ।" আর উনি, তো জাতি ভেদ মানতেন না, উনার সেই মহান বানী, "হে বীর সাহস অবলম্বন কর, সদর্পে বল - আমি ভারতবাসী, ভারতবাসী আমার ভাই, বল - মুর্খ ভারত বাসী, দরিদ্র ভারতবাসী, ব্রাহ্মণ ভারতবাসী, চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই আমার রক্ত।"
এখন বিবেক চেতনা উৎসব হয় কিন্তু তার আদর্শ মানা হয় না। বিবেকানন্দের আরেকটি সুন্দর কথা বা বানী ছিল," সত্যের জন্য সব কিছু ত্যাগ করা যায়। কোন কিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করা উচিত নয়। " এখন উল্টো হয়ে গেছে, মিথ্যার জন্য সব কিছু ত্যাগ করা যায় কোনো কিছুর জন্য মিথ্যা কে ত্যাগ করা যায় না।" আর নজরুল তিনি, একটি কবিতায় লিখেছেন, "জাতের নামে বজ্জাতি সব" এরা কোথাও জাতের নামে ধর্মের নামে মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করতে বলেনি। আমার লেখাটা সেই উদ্দেশ্যেই। আর রাজনীতির কথা বলছেন, আমারা গনতান্ত্রিক দেশে বাস করি ভোট যখন দিই তখন কোন না কোন দল কে ভোট দিই। আমরা প্রত্যেকেই কম বেশি রাজনীতি করি।কারণআআমার আপনার বেঁচে থাকা জীবন জিবীকা সব ঠিক করে দেন এসব রাজনৈতিক দল গুলো বা নির্বাচিত প্রতিনিধি, সেই কারণেই প্রত্যেকেই কোন না রাজনৈতিক দলের সমর্থক। আমি আপনার মন্তব্যের জবাব দিতে চেষ্টা করলাম মাত্র।
ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আশাকরি সব লেখাটা পড়ে আবার উত্তর দেবেন।
কারণ আমার লেখার মূল বিষয় ছিল ধর্মের নামে মানুষের উপর অত্যাচার। সে যে কোন ধর্মের হতে পারে, উগ্র হিন্দুত্ব বাদ হোক আর ইসলাম ধর্মের হোক, ধর্মীয় অত্যাচার উচ্চ বর্ণের হিন্দু দ্বারা নিম্ন বর্ণের হিন্দু দের উপর অত্যাচার, যেটা আজ ভারতের মধ্য ভীষণ ভাবে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। এই ধর্মের নামে অত্যাচার কেন, কিভাবে এর জণ্ম সেটা আমার জ্ঞান ও সীমিত শিক্ষার মধ্যেই যে টুকু জানি বা পড়েছি তা লেখার চেষ্টা করেছি।
আপনি যে সব মহা পুরুষের কথা বলেছেন, তারাও কিন্তু এই বাহ্মণ্যবাদ বা উগ্রতা কে মানে নি, সেই জন্যই হিন্দু ধর্মের কঠোরতা থেকে মুক্তি পেতে, সহজ সরল ভাবে সব মানুষের বেঁচে থাকার জন্য ধর্ম দিয়ে তাদের এক করতে বিভিন্ন ধর্মের জণ্ম হয়েছে। সে আপনি বৌদ্ধ ধর্ম, বলুন বা বৈষ্ণব ধর্ম, বিবেকানন্দের কথা বলছেন, আমি ওনার জ্ঞানের কাছে তুচ্ছ, ওনার গুরুদেব ভারতের যুগ পুরুষ রামকৃষ্ণ বলেছিলেন "যত মত তত পথ।" আর উনি, তো জাতি ভেদ মানতেন না, উনার সেই মহান বানী, "হে বীর সাহস অবলম্বন কর, সদর্পে বল - আমি ভারতবাসী, ভারতবাসী আমার ভাই, বল - মুর্খ ভারত বাসী, দরিদ্র ভারতবাসী, ব্রাহ্মণ ভারতবাসী, চণ্ডাল ভারতবাসী আমার ভাই আমার রক্ত।"
এখন বিবেক চেতনা উৎসব হয় কিন্তু তার আদর্শ মানা হয় না। বিবেকানন্দের আরেকটি সুন্দর কথা বা বানী ছিল," সত্যের জন্য সব কিছু ত্যাগ করা যায়। কোন কিছুর জন্য সত্যকে ত্যাগ করা উচিত নয়। " এখন উল্টো হয়ে গেছে, মিথ্যার জন্য সব কিছু ত্যাগ করা যায় কোনো কিছুর জন্য মিথ্যা কে ত্যাগ করা যায় না।" আর নজরুল তিনি, একটি কবিতায় লিখেছেন, "জাতের নামে বজ্জাতি সব" এরা কোথাও জাতের নামে ধর্মের নামে মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করতে বলেনি। আমার লেখাটা সেই উদ্দেশ্যেই। আর রাজনীতির কথা বলছেন, আমারা গনতান্ত্রিক দেশে বাস করি ভোট যখন দিই তখন কোন না কোন দল কে ভোট দিই। আমরা প্রত্যেকেই কম বেশি রাজনীতি করি।কারণআআমার আপনার বেঁচে থাকা জীবন জিবীকা সব ঠিক করে দেন এসব রাজনৈতিক দল গুলো বা নির্বাচিত প্রতিনিধি, সেই কারণেই প্রত্যেকেই কোন না রাজনৈতিক দলের সমর্থক। আমি আপনার মন্তব্যের জবাব দিতে চেষ্টা করলাম মাত্র।
ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন, আশাকরি সব লেখাটা পড়ে আবার উত্তর দেবেন।
Monday, 20 July 2020
ধর্মের নামে মানবতা আজ ডুকরে কাঁদে। কোথায় মানবাধিকার মানুষ আজ ধর্মের দাস।
যুগে যুগে ধর্মের কারণে মানবতা ধ্বংস করে আসছে এক দল মানুষ। মন্দির বলুন আর মসজিদ গির্জা দরগা এসব এক একটা ধর্মের উপাসনা লয়। সর্বত্র দেবতা বিরাজ মান। সব দেবতার ভক্ত দের কথা সভ্য ভদ্র, সৎ মানুষের পাশে থাকেন, এই দেবতারা। কারোর ক্ষতি সাধন করা এদের কাজ নয়, কিন্তু ভেবে দেখুন একদল মানুষ প্রতিনিয়ত দেবতার নাম করে মানুষ কে ঠকিয়ে যাচ্ছে, আর কোটি কোটি টাকা ইনকাম করে যাচ্ছে। ভারতের এমন অনেক মন্দির, মসজিদ, দরগা, আছে যেখানে প্রতি দিন মানুষ যান, আধ্যাত্মিক আশীর্বাদ লাভের আশায় এবং নিজের খুশি বা ঐ প্রতিষ্ঠান পরিচালকের আবেদন মত অর্থ দান করে আসেন। অবশ্য অনেক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান যারা সমাজ সেবা দিয়ে থাকে, কেউ কেউ চিকিৎসা থেকে করে শিক্ষা, বা হত দরিদ্র অনাথ শিশু দের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করেন। এসব থাক এসব ধর্ম নিয়ে কারবার বা ব্যবসায়ী দের ব্যাপার।
এত গেল একটা দিক, আমার আজকের বিষয় কিন্তু
এটা নয়। আমার প্রশ্ন ধর্ম এলো কীভাবে? ইতিহাসে যতদূর পড়েছি। মানুষ যখন একটু একটু করে সভত্যা গড়ে তুলেছে, তাদের সামনে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করার জন্য বিজ্ঞানের ধারনা ছিল না। সেই কারণেই প্রাকৃতিক বিপর্যয় গুলো কে ভয় পেয়েছে, এবং এক একটি দেবতার আবির্ভাব ঘটেছে, বা দেবতা বলে পূজো করে এসেছে। বন্যা, ঝড় বৃষ্টি, অকাল মৃত্যু, মহামারী, পক্স, বা বসন্ত, সাপের কামড়, আরও নানা ঘটনা কে তারা দেবতার দ্বারা পরিচালিত বলে, তাদের পূজো করে গেছে। ভেবে দেখুন পবন, ঝড়ের দেবতা, বন্যা বা জলের দেবতা বরুণ, বাজ নিক্ষেপের দেবতা ইন্দ্র, পক্স বা বসন্তের দেবী শীতলা, সাপের দেবী মনসা, বাঘের দেবী বনবিবি, ভুত প্রেত দের ঠান্ডা করতে শিব, অসুরদের দমন করতে মা দুর্গা, কালী, লেখা পড়া সরস্বতী, ধন বা টাকার দেবী লক্ষী, ধর্ম যমরাজ এবং সর্বোপরি ব্রহ্মা যিনি এই পৃথিবীর সৃষ্টি কর্তা। এরকম হাজারো দেবতা, সেই আদিম যুগ থেকে পুজো হয়ে আসছে, আর এরমধ্যে অগ্নির কথা বলা হয়নি। আমি যতদূর জানি মানুষের সভ্যতা এগিয়ে গেছে, ধীরে ধীরে সে পশুপালন শিখেছে, পশুর খাবার যোগার করতে গিয়ে যাযাবর হয়েছে, আর কৃষি কাজ শিখে সে যাযাবর জীবনের ইতি টেনেছে। মানুষ যত সভ্য হয়েছে, গোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়েছে, এক গোষ্ঠীর সাথে আরেক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব বেড়েছে, লড়াই যুদ্ধ এসেছে, বেশি সভ্য মানুষ তখনও যারা লেখাপড়া বা ভালো সভ্য হয়ে উঠতে পারে নি। কাঁচা মাংস, খেত, ফলমূল খেত গাছে গাছে ঘুরে বেড়াত, সেরকম মানুষ কে রাক্ষস, বা বানর নামে ডাকা হত, পরে এরা যখন ঐ সভ্য জাতির সংস্পর্শে এসেছে, চাষ শিখেছে, পশুপালনকে জীবিকা করেছে। এরা অনার্য, আর ঐ সুসভ্য মানুষ আর্য, এসেছে আর্য সভ্যতা, অনার্য দের সাথে যুদ্ধ সেতো আমরা রামায়ণ, মহাভারতে পাই। আর্য দের দ্বারা ভারতে এসেছে ব্রাহ্মণ্যবাদ, আর্যরা ধর্ম দিয়ে মানুষ কে এক করতে চেষ্টা করে গেছে,পরবর্তীতে আর্য এবং অনার্য দের দেবতারা যে এক এবং অভিন্ন তা আমরা অনেক ধর্ম গ্রন্থে পাই। আমি যতদূর জানি শিব, কালী, মনসা, ইত্যাদি অনার্য দের দেবতা। আর্যরা তাদের সভত্যা টিঁকিয়ে রাখতে, কাজের ভিত্তিতে সমাজ কে চার টি ভাগে করে দিয়েছিল। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শুদ্র, ব্রাহ্মণের কাজ ধর্ম পালন পূজা যাজ্ঞ যজ্ঞ, এবং ধর্মীয় শিক্ষাদান। আর ক্ষত্রিয় দেশ রক্ষা এবং দেশ শাসন করার জন্য, বৈশ্য চাষবাস ব্যবসা বানিজ্য, এবং এই তিন ভাগের সেবা করার জন্য শুদ্র, সেবা মানে পা টেপা নয়। সভ্য যখন চুল দাড়ি নখ কাটা, ঘর বাড়ি তৈরি করে দেওয়া, পথ ঘাট পরিষ্কার করা ইত্যাদি। পরবর্তী কালে এই কাজের জন্য সমাজ ভাগটাই ভীষণ ভাবে জাতিভেদে পরিবর্তন হয়েছে। ব্রাহ্মণরা নিজেকে সবার উপরে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে এই বিপত্তি, অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদ প্রতিষ্ঠা আর্য সভ্যতার ধ্বংসের কারণ, ব্রাহ্মণ দের এই কর্তৃত্ব এবং অপর কে ছোট করে নিজে বড়ো হওয়ার মানসিকতা আর নীচের ঐ শুদ্র কে পাত্তা না দেওয়া, কিছু ক্ষেত্রে বৈশ্য দের সাথেও সামাজিক দূরত্ব তৈরি করা, এবং দমন পীড়ন, সনাতন ধর্মের প্রতি এদের অনীহা দেখা দিয়েছে, জণ্ম নিয়েছে, বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম, শিখ ধর্ম, তারও পরে খ্রীষ্টান ধর্ম ও ইসলাম ধর্ম। ইতিহাসে যতদূর পড়েছি,যেখানে খ্রীষ্টান ধর্ম বা ইসলাম ধর্ম প্রচলিত হয়েছে, সেখানেও আগেই মানুষ নানা দেবদেবীর পূজো করত। যেমন রোমান বা গ্রীক পুরাণের অনেক দেব দেবীর পুজোর উল্লেখ আছে। আমি আগেই বলেছি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ সেই আদিম কাল থেকে নানা দেবদেবীর পূজা করে এসেছে। পুরোহিত তথা ব্রাহ্মণ্যবাদ মানুষ কে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল, যে কারণে এই সব এক ঈশ্বর, ব্যক্তি কে ঈশ্বরের দূত এবং তার কথা গুলো বানী বা ঈশ্বরের বাণী এভাবেই পরবর্তী ধর্ম গুলো এসেছে। বিশ্ব অনেক ধর্মযুদ্ধ দেখেছে। অতিতে বিভিন্ন সময়ে এই ধর্ম যুদ্ধ হয়েছে, এমনকি একই ধর্মের মধ্যেও গোষ্ঠী বা দলের মধ্যে এই ধর্ম যুদ্ধ হয়েছে।
এবার আমরা আমার জণ্ম ভূমি বাংলার কথায় আসি, কারণ এখানে আজও ধর্মের নামে মানবতা ভুলুণ্ঠিত। ইসলাম ধর্মের মানুষ আজও সনাতন হিন্দুদের উপর অত্যাচার করে যাচ্ছে, এই যে অত্যাচার আজ থেকে নয়। যুগ যুগ ধরে এই একটা ধর্মের মানুষ যারা ধর্মের নামে মানুষ খুন করে, অন্য ধর্মের মানুষ কে মানুষ বলে মনে করে না। কোন ধর্মের সাধক ঈশ্বর বলুন, ভগবান বলুন আল্লাহ বলুন তাকে চোখে দেখেনি। তিনি দূত পাঠিয়ে বানী বলতে বলেছেন। আমার একটা প্রশ্ন সৃষ্টি কর্তা তিনি কী সব ধর্মের এক একজন আলাদা, তিনি জাত বা ধর্ম দিয়ে পাঠান, না গায়ে বা পিঠে ছাপ মেরে পাঠান এ ইসলাম এ হিন্দু এ খ্রীষ্টান, এ বৌদ্ধ আমি জানি না। কারণ আমি ও ঈশ্বর কে চোখে দেখিনি জানি না স্বর্গ বলে কিছু আছে কি না! যা লিখছিলাম, অনেকেই বলেন বা ইতিহাসের পাতায় পড়েছি, এই বাংলায় ইসলাম এসেছে, খলজির হাত ধরে। অর্থাৎ সেন বংশের পতনের মধ্য দিয়ে। যদি আমরা ইতিহাস দেখি তবে দেখা যাবে এই সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন কৌলিন্য বা কুলীন প্রথা চালু করে ছিলেন। অর্থাৎ জাতি ভেদ কে কঠোর ভাবে পালন করতে হবে, না হলে শাস্তি পেতে হবে। অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদ কঠোর ভাবে বলবৎ করে তুলেছিলেন। আর এই কঠোরতা সেন বংশের পতনের কারণ, উগ্র হিন্দুত্ব বাদ বা সেন বংশের রাজা দের পাশ থেকে নিম্ন বর্ণের মানুষের সরে যাওয়ার কারণে সেন বংশের পতন ডেকে আনে, না হলে কথিত আছে মাত্র পঁচিশ জন ঘোড় শোওয়ার সৈন্য বাংলার সেন বংশের পতন ঘটিয়ে ছিল। ইতিহাসের পাতায় যেটা আছে রাজা লক্ষ্মণ সেন বুড়ো হয়ে ছিলেন, কিন্তু তার সেনাবাহিনীর লোকজন ছিল না, তারা বাধা দেয় নি। নিশ্চয়ই দিয়েছে, কিন্তু ঐ পঁচিশ জনের সাথে যুদ্ধ করে পারেনি, না সংখ্যায় ওর থেকে কম ছিল। কেউ কেউ বলেন রাতের অন্ধকারে আক্রান্ত হয়ে ছিলেন, সেই কারণেই পরাজিত হন। আমার তো মনে হয়, তা নয় উগ্র হিন্দুত্ব বাদের জন্য নিম্ন জন জাতি রাজা সেনাবাহিনীতে নিতেন না, নিলেও তারা সংখ্যায় কম ছিল, আর ঐ সব মানুষের মনে ক্ষোভ ছিল, সেই সব কারনেই, সেন বংশের পতন।
বাংলায় সেই শুরু হয় ইসলামের অত্যাচার, যা আজও চলছে, কারণ উগ্র হিন্দুত্ব বাদ নিম্ন বর্ণ বা শুদ্র কিছু কিছু ক্ষেত্রে বৈশ্যরাও পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বাংলায় ইসলাম বিস্তারে সাহায্য করেছে। এখনও বাংলা তথা ভারতের বুক থেকে উগ্র হিন্দুত্ব বাদ চলে যায় নি। কারণ ইংরেজ শাসক কৌশলে এই জাতি দাঙ্গা লাগিয়ে দিত, হিন্দুদের মধ্যে নয়। যেখানে যেমন সেই ভাবে, ইসলাম আর হিন্দুদের মধ্যে লড়াই লাগিয়ে দিত, যাতে করে এই বাঙালি জাতি এক হতে না পারে। যেমন ইকতিয়ার উদ্দিন মহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি করে ছিলেন। নিম্ন বর্ণের হিন্দু বা সনাতন ধর্মের মানুষ কে ধর্ম পরিবর্তন করে নিজের ধর্মে নিয়ে আসতে পরবর্তীতে ঐ ধর্ম পাল্টে ফেলা ইসলাম তথা হিন্দুরা তাদের উপর সমাজের উচ্চ বর্ণের অত্যাচারের বদলা নিয়েছে। এখন ও বাংলার বিভিন্ন জায়গায় এই অত্যাচার ভীষণ ভাবে চলে। ব্রিটিশ শাসক যেটা শুরু করে দিয়ে গেছেন, স্বাধীনতা দেবার নাম করে, আর এই ধর্মের নামে দেশ ভাগের মদত দাতা সেও কিছু উগ্র হিন্দুত্ব বাদী। ব্রিটিশ জানে যে বাঙালি জাতি হিসেবে যদি এক হতে পারে তবে ভবিষ্যতে ভারত কে দাবিয়ে রাখা যাবে না। সে কারণেই আমাদের মধ্যের সেই সেন বংশের বংশ ধর উগ্র হিন্দুত্ব বাদীর দল যখনই ইংরেজ শেষ লাট সাহেব, লর্ড মাউন্ট ব্যটনের কাছে বাংলা ভাগের আবেদন করেছে। সাথে সাথে মঞ্জুর করেছে, ব্রিটিশদের অনেক দিনের ইচ্ছা, যেটা 1905 সালে চেয়েছিল কিন্তু পারেনি। সেই গোপন ইচ্ছা পূরণ করে দিয়েছে, যার খেসারত দিচ্ছে, সাধারণ হিন্দু ধর্মের লোকজন তথা বাঙালি, আজও থামেনি জতি দাঙ্গা, একটি উগ্র সম্প্রদায়ের উগ্রতা কে উস্কে দিয়েছে, আমাদের কিছু উগ্র মানুষ। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ বিভিন্ন সময়ে টুকরো খবর চলে আসে। এটি ঐ ধর্মের নামে হচ্ছে বটে কিন্তু, খলজির আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল লুট পাট সেটাই এখনও চলছে। জোর করে সম্পত্তি দখল, উচ্ছেদ, তাড়িয়ে দেওয়া,বাংলার হিন্দুরা আজ নিজ দেশে প্রবাসী, তাদের কোন অধিকার নেই। জানি না এই ধর্মের নামে অত্যাচার কবে বন্ধ হবে। জানি না, ঈশ্বর আল্লাহ, গড, এরা মানুষ সৃষ্টি করেন না ধর্ম সৃষ্টি করে পাঠান। সব ধর্মের জন্য আলাদা আলাদা স্বর্গ আছে, আসলে তা নয় কিছু ধন সম্পদ বা ক্ষমতা লোভী মানুষ ধর্মের নামে নিজের ক্ষমতা জহির করতে নিজের ধর্মের কিছু মানুষ কে উস্কে দেন। নিজেকে ভগবানের দূত বা আল্লাহর দূত বলে প্রচার করে ক্ষমতা বা টাকার বা সম্পদের মালিক হন। আর মজা দেখনে কেমন মানুষ মারামারি করে মরছে। সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ বা ঈশ্বর যেই হোন না কেন, কেউ তার সৃষ্টি কে ধ্বংস করতে পাঠায় না। জানা নেই, এরকম সৃষ্টি কর্তা কেউ আছেন কি না? কারণ আজ পর্যন্ত কোন সাধক, দূত, যাজক কেউ বলতে পারেন নি, তিনি স্ব চক্ষে সৃষ্টি কর্তা কে দেখেছেন, বা স্বর্গ, বা নরক বলে কিছু আছে। আসলে এই, সব ধর্মের কারবারিরা নিজের সম্পদ ও প্রতিপত্তি বাড়াতে ধর্মের নামে মানবতা কে ধ্বংস করে যাচ্ছেন। সে কারণেই আজ মহামারীর আকারে এসেছে ধ্বংস লীলা, এখনই বোঝা যাচ্ছে বিজ্ঞান বড়ো, হাসপাতাল চিকিৎসা ঔষধ, চাই বেঁচে থাকতে, এই মহামারী মানুষের দ্বারা তৈরি, পৃথিবীর বুক থেকে ঐ ধর্মান্ধ মানুষ গুলো কে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই যারা এখনও বলছে আল্লাহর গজব, বা ঈশ্বরের তৈরি, এই সময়ে দরকার ভ্যাকসিন বা টিকা বা ঔষধ, মন্দির মসজিদ গির্জার জলপড়া কোন কাজ দেবে না। ঐ যে ভারতের কোন মন্দির খুলেছে প্রণামী পাবার আশায় পুরোহিত সহ বেশ কয়েক জন আক্রান্ত। আসুন আজ আমরা প্রতিজ্ঞা করি ধর্মের নামে মানবতা ধ্বংস কারী স্ব ঘোষিত দেবতার দূত দের বয়কট করি। আর নয় অনেক হয়েছে, অনেক মানুষ খুন করেছ, ধর্মের নামে, আল্লাহ তোমার বেঁচে থাকার অধিকার যেমন দিয়েছে তেমনি ঈশ্বর এদেরও বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে, তুমি ছিনিয়ে নেবার কে? এখানেই তুমি মানবতার শত্রু, তুমি দেবতা বা আল্লাহর বর পুত্র বা দূত হতে পার না। তোমার কথায় যারা এই জঘন্য কাজ করছে তারাও ঐ সৃষ্টি কর্তার চোখে অপরাধী।
এত গেল একটা দিক, আমার আজকের বিষয় কিন্তু
এটা নয়। আমার প্রশ্ন ধর্ম এলো কীভাবে? ইতিহাসে যতদূর পড়েছি। মানুষ যখন একটু একটু করে সভত্যা গড়ে তুলেছে, তাদের সামনে প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলা করার জন্য বিজ্ঞানের ধারনা ছিল না। সেই কারণেই প্রাকৃতিক বিপর্যয় গুলো কে ভয় পেয়েছে, এবং এক একটি দেবতার আবির্ভাব ঘটেছে, বা দেবতা বলে পূজো করে এসেছে। বন্যা, ঝড় বৃষ্টি, অকাল মৃত্যু, মহামারী, পক্স, বা বসন্ত, সাপের কামড়, আরও নানা ঘটনা কে তারা দেবতার দ্বারা পরিচালিত বলে, তাদের পূজো করে গেছে। ভেবে দেখুন পবন, ঝড়ের দেবতা, বন্যা বা জলের দেবতা বরুণ, বাজ নিক্ষেপের দেবতা ইন্দ্র, পক্স বা বসন্তের দেবী শীতলা, সাপের দেবী মনসা, বাঘের দেবী বনবিবি, ভুত প্রেত দের ঠান্ডা করতে শিব, অসুরদের দমন করতে মা দুর্গা, কালী, লেখা পড়া সরস্বতী, ধন বা টাকার দেবী লক্ষী, ধর্ম যমরাজ এবং সর্বোপরি ব্রহ্মা যিনি এই পৃথিবীর সৃষ্টি কর্তা। এরকম হাজারো দেবতা, সেই আদিম যুগ থেকে পুজো হয়ে আসছে, আর এরমধ্যে অগ্নির কথা বলা হয়নি। আমি যতদূর জানি মানুষের সভ্যতা এগিয়ে গেছে, ধীরে ধীরে সে পশুপালন শিখেছে, পশুর খাবার যোগার করতে গিয়ে যাযাবর হয়েছে, আর কৃষি কাজ শিখে সে যাযাবর জীবনের ইতি টেনেছে। মানুষ যত সভ্য হয়েছে, গোষ্ঠীর সংখ্যা বেড়েছে, এক গোষ্ঠীর সাথে আরেক গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব বেড়েছে, লড়াই যুদ্ধ এসেছে, বেশি সভ্য মানুষ তখনও যারা লেখাপড়া বা ভালো সভ্য হয়ে উঠতে পারে নি। কাঁচা মাংস, খেত, ফলমূল খেত গাছে গাছে ঘুরে বেড়াত, সেরকম মানুষ কে রাক্ষস, বা বানর নামে ডাকা হত, পরে এরা যখন ঐ সভ্য জাতির সংস্পর্শে এসেছে, চাষ শিখেছে, পশুপালনকে জীবিকা করেছে। এরা অনার্য, আর ঐ সুসভ্য মানুষ আর্য, এসেছে আর্য সভ্যতা, অনার্য দের সাথে যুদ্ধ সেতো আমরা রামায়ণ, মহাভারতে পাই। আর্য দের দ্বারা ভারতে এসেছে ব্রাহ্মণ্যবাদ, আর্যরা ধর্ম দিয়ে মানুষ কে এক করতে চেষ্টা করে গেছে,পরবর্তীতে আর্য এবং অনার্য দের দেবতারা যে এক এবং অভিন্ন তা আমরা অনেক ধর্ম গ্রন্থে পাই। আমি যতদূর জানি শিব, কালী, মনসা, ইত্যাদি অনার্য দের দেবতা। আর্যরা তাদের সভত্যা টিঁকিয়ে রাখতে, কাজের ভিত্তিতে সমাজ কে চার টি ভাগে করে দিয়েছিল। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য ও শুদ্র, ব্রাহ্মণের কাজ ধর্ম পালন পূজা যাজ্ঞ যজ্ঞ, এবং ধর্মীয় শিক্ষাদান। আর ক্ষত্রিয় দেশ রক্ষা এবং দেশ শাসন করার জন্য, বৈশ্য চাষবাস ব্যবসা বানিজ্য, এবং এই তিন ভাগের সেবা করার জন্য শুদ্র, সেবা মানে পা টেপা নয়। সভ্য যখন চুল দাড়ি নখ কাটা, ঘর বাড়ি তৈরি করে দেওয়া, পথ ঘাট পরিষ্কার করা ইত্যাদি। পরবর্তী কালে এই কাজের জন্য সমাজ ভাগটাই ভীষণ ভাবে জাতিভেদে পরিবর্তন হয়েছে। ব্রাহ্মণরা নিজেকে সবার উপরে প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে এই বিপত্তি, অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদ প্রতিষ্ঠা আর্য সভ্যতার ধ্বংসের কারণ, ব্রাহ্মণ দের এই কর্তৃত্ব এবং অপর কে ছোট করে নিজে বড়ো হওয়ার মানসিকতা আর নীচের ঐ শুদ্র কে পাত্তা না দেওয়া, কিছু ক্ষেত্রে বৈশ্য দের সাথেও সামাজিক দূরত্ব তৈরি করা, এবং দমন পীড়ন, সনাতন ধর্মের প্রতি এদের অনীহা দেখা দিয়েছে, জণ্ম নিয়েছে, বৌদ্ধ ধর্ম, জৈন ধর্ম, শিখ ধর্ম, তারও পরে খ্রীষ্টান ধর্ম ও ইসলাম ধর্ম। ইতিহাসে যতদূর পড়েছি,যেখানে খ্রীষ্টান ধর্ম বা ইসলাম ধর্ম প্রচলিত হয়েছে, সেখানেও আগেই মানুষ নানা দেবদেবীর পূজো করত। যেমন রোমান বা গ্রীক পুরাণের অনেক দেব দেবীর পুজোর উল্লেখ আছে। আমি আগেই বলেছি সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ সেই আদিম কাল থেকে নানা দেবদেবীর পূজা করে এসেছে। পুরোহিত তথা ব্রাহ্মণ্যবাদ মানুষ কে অতিষ্ঠ করে তুলেছিল, যে কারণে এই সব এক ঈশ্বর, ব্যক্তি কে ঈশ্বরের দূত এবং তার কথা গুলো বানী বা ঈশ্বরের বাণী এভাবেই পরবর্তী ধর্ম গুলো এসেছে। বিশ্ব অনেক ধর্মযুদ্ধ দেখেছে। অতিতে বিভিন্ন সময়ে এই ধর্ম যুদ্ধ হয়েছে, এমনকি একই ধর্মের মধ্যেও গোষ্ঠী বা দলের মধ্যে এই ধর্ম যুদ্ধ হয়েছে।
এবার আমরা আমার জণ্ম ভূমি বাংলার কথায় আসি, কারণ এখানে আজও ধর্মের নামে মানবতা ভুলুণ্ঠিত। ইসলাম ধর্মের মানুষ আজও সনাতন হিন্দুদের উপর অত্যাচার করে যাচ্ছে, এই যে অত্যাচার আজ থেকে নয়। যুগ যুগ ধরে এই একটা ধর্মের মানুষ যারা ধর্মের নামে মানুষ খুন করে, অন্য ধর্মের মানুষ কে মানুষ বলে মনে করে না। কোন ধর্মের সাধক ঈশ্বর বলুন, ভগবান বলুন আল্লাহ বলুন তাকে চোখে দেখেনি। তিনি দূত পাঠিয়ে বানী বলতে বলেছেন। আমার একটা প্রশ্ন সৃষ্টি কর্তা তিনি কী সব ধর্মের এক একজন আলাদা, তিনি জাত বা ধর্ম দিয়ে পাঠান, না গায়ে বা পিঠে ছাপ মেরে পাঠান এ ইসলাম এ হিন্দু এ খ্রীষ্টান, এ বৌদ্ধ আমি জানি না। কারণ আমি ও ঈশ্বর কে চোখে দেখিনি জানি না স্বর্গ বলে কিছু আছে কি না! যা লিখছিলাম, অনেকেই বলেন বা ইতিহাসের পাতায় পড়েছি, এই বাংলায় ইসলাম এসেছে, খলজির হাত ধরে। অর্থাৎ সেন বংশের পতনের মধ্য দিয়ে। যদি আমরা ইতিহাস দেখি তবে দেখা যাবে এই সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন কৌলিন্য বা কুলীন প্রথা চালু করে ছিলেন। অর্থাৎ জাতি ভেদ কে কঠোর ভাবে পালন করতে হবে, না হলে শাস্তি পেতে হবে। অর্থাৎ ব্রাহ্মণ্যবাদ কঠোর ভাবে বলবৎ করে তুলেছিলেন। আর এই কঠোরতা সেন বংশের পতনের কারণ, উগ্র হিন্দুত্ব বাদ বা সেন বংশের রাজা দের পাশ থেকে নিম্ন বর্ণের মানুষের সরে যাওয়ার কারণে সেন বংশের পতন ডেকে আনে, না হলে কথিত আছে মাত্র পঁচিশ জন ঘোড় শোওয়ার সৈন্য বাংলার সেন বংশের পতন ঘটিয়ে ছিল। ইতিহাসের পাতায় যেটা আছে রাজা লক্ষ্মণ সেন বুড়ো হয়ে ছিলেন, কিন্তু তার সেনাবাহিনীর লোকজন ছিল না, তারা বাধা দেয় নি। নিশ্চয়ই দিয়েছে, কিন্তু ঐ পঁচিশ জনের সাথে যুদ্ধ করে পারেনি, না সংখ্যায় ওর থেকে কম ছিল। কেউ কেউ বলেন রাতের অন্ধকারে আক্রান্ত হয়ে ছিলেন, সেই কারণেই পরাজিত হন। আমার তো মনে হয়, তা নয় উগ্র হিন্দুত্ব বাদের জন্য নিম্ন জন জাতি রাজা সেনাবাহিনীতে নিতেন না, নিলেও তারা সংখ্যায় কম ছিল, আর ঐ সব মানুষের মনে ক্ষোভ ছিল, সেই সব কারনেই, সেন বংশের পতন।
বাংলায় সেই শুরু হয় ইসলামের অত্যাচার, যা আজও চলছে, কারণ উগ্র হিন্দুত্ব বাদ নিম্ন বর্ণ বা শুদ্র কিছু কিছু ক্ষেত্রে বৈশ্যরাও পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে বাংলায় ইসলাম বিস্তারে সাহায্য করেছে। এখনও বাংলা তথা ভারতের বুক থেকে উগ্র হিন্দুত্ব বাদ চলে যায় নি। কারণ ইংরেজ শাসক কৌশলে এই জাতি দাঙ্গা লাগিয়ে দিত, হিন্দুদের মধ্যে নয়। যেখানে যেমন সেই ভাবে, ইসলাম আর হিন্দুদের মধ্যে লড়াই লাগিয়ে দিত, যাতে করে এই বাঙালি জাতি এক হতে না পারে। যেমন ইকতিয়ার উদ্দিন মহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি করে ছিলেন। নিম্ন বর্ণের হিন্দু বা সনাতন ধর্মের মানুষ কে ধর্ম পরিবর্তন করে নিজের ধর্মে নিয়ে আসতে পরবর্তীতে ঐ ধর্ম পাল্টে ফেলা ইসলাম তথা হিন্দুরা তাদের উপর সমাজের উচ্চ বর্ণের অত্যাচারের বদলা নিয়েছে। এখন ও বাংলার বিভিন্ন জায়গায় এই অত্যাচার ভীষণ ভাবে চলে। ব্রিটিশ শাসক যেটা শুরু করে দিয়ে গেছেন, স্বাধীনতা দেবার নাম করে, আর এই ধর্মের নামে দেশ ভাগের মদত দাতা সেও কিছু উগ্র হিন্দুত্ব বাদী। ব্রিটিশ জানে যে বাঙালি জাতি হিসেবে যদি এক হতে পারে তবে ভবিষ্যতে ভারত কে দাবিয়ে রাখা যাবে না। সে কারণেই আমাদের মধ্যের সেই সেন বংশের বংশ ধর উগ্র হিন্দুত্ব বাদীর দল যখনই ইংরেজ শেষ লাট সাহেব, লর্ড মাউন্ট ব্যটনের কাছে বাংলা ভাগের আবেদন করেছে। সাথে সাথে মঞ্জুর করেছে, ব্রিটিশদের অনেক দিনের ইচ্ছা, যেটা 1905 সালে চেয়েছিল কিন্তু পারেনি। সেই গোপন ইচ্ছা পূরণ করে দিয়েছে, যার খেসারত দিচ্ছে, সাধারণ হিন্দু ধর্মের লোকজন তথা বাঙালি, আজও থামেনি জতি দাঙ্গা, একটি উগ্র সম্প্রদায়ের উগ্রতা কে উস্কে দিয়েছে, আমাদের কিছু উগ্র মানুষ। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ বিভিন্ন সময়ে টুকরো খবর চলে আসে। এটি ঐ ধর্মের নামে হচ্ছে বটে কিন্তু, খলজির আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল লুট পাট সেটাই এখনও চলছে। জোর করে সম্পত্তি দখল, উচ্ছেদ, তাড়িয়ে দেওয়া,বাংলার হিন্দুরা আজ নিজ দেশে প্রবাসী, তাদের কোন অধিকার নেই। জানি না এই ধর্মের নামে অত্যাচার কবে বন্ধ হবে। জানি না, ঈশ্বর আল্লাহ, গড, এরা মানুষ সৃষ্টি করেন না ধর্ম সৃষ্টি করে পাঠান। সব ধর্মের জন্য আলাদা আলাদা স্বর্গ আছে, আসলে তা নয় কিছু ধন সম্পদ বা ক্ষমতা লোভী মানুষ ধর্মের নামে নিজের ক্ষমতা জহির করতে নিজের ধর্মের কিছু মানুষ কে উস্কে দেন। নিজেকে ভগবানের দূত বা আল্লাহর দূত বলে প্রচার করে ক্ষমতা বা টাকার বা সম্পদের মালিক হন। আর মজা দেখনে কেমন মানুষ মারামারি করে মরছে। সৃষ্টি কর্তা আল্লাহ বা ঈশ্বর যেই হোন না কেন, কেউ তার সৃষ্টি কে ধ্বংস করতে পাঠায় না। জানা নেই, এরকম সৃষ্টি কর্তা কেউ আছেন কি না? কারণ আজ পর্যন্ত কোন সাধক, দূত, যাজক কেউ বলতে পারেন নি, তিনি স্ব চক্ষে সৃষ্টি কর্তা কে দেখেছেন, বা স্বর্গ, বা নরক বলে কিছু আছে। আসলে এই, সব ধর্মের কারবারিরা নিজের সম্পদ ও প্রতিপত্তি বাড়াতে ধর্মের নামে মানবতা কে ধ্বংস করে যাচ্ছেন। সে কারণেই আজ মহামারীর আকারে এসেছে ধ্বংস লীলা, এখনই বোঝা যাচ্ছে বিজ্ঞান বড়ো, হাসপাতাল চিকিৎসা ঔষধ, চাই বেঁচে থাকতে, এই মহামারী মানুষের দ্বারা তৈরি, পৃথিবীর বুক থেকে ঐ ধর্মান্ধ মানুষ গুলো কে শিক্ষা দেওয়ার জন্যই যারা এখনও বলছে আল্লাহর গজব, বা ঈশ্বরের তৈরি, এই সময়ে দরকার ভ্যাকসিন বা টিকা বা ঔষধ, মন্দির মসজিদ গির্জার জলপড়া কোন কাজ দেবে না। ঐ যে ভারতের কোন মন্দির খুলেছে প্রণামী পাবার আশায় পুরোহিত সহ বেশ কয়েক জন আক্রান্ত। আসুন আজ আমরা প্রতিজ্ঞা করি ধর্মের নামে মানবতা ধ্বংস কারী স্ব ঘোষিত দেবতার দূত দের বয়কট করি। আর নয় অনেক হয়েছে, অনেক মানুষ খুন করেছ, ধর্মের নামে, আল্লাহ তোমার বেঁচে থাকার অধিকার যেমন দিয়েছে তেমনি ঈশ্বর এদেরও বেঁচে থাকার অধিকার দিয়েছে, তুমি ছিনিয়ে নেবার কে? এখানেই তুমি মানবতার শত্রু, তুমি দেবতা বা আল্লাহর বর পুত্র বা দূত হতে পার না। তোমার কথায় যারা এই জঘন্য কাজ করছে তারাও ঐ সৃষ্টি কর্তার চোখে অপরাধী।
Subscribe to:
Posts (Atom)
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
ছবি টি কীসের বা কোন প্রাণীর নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না। মানুষের প্রথম পোষ মানা প্রথম প্রাণী, হয়তো অনেকেই পড়ে বলবেন এবার নতুন কী এতো আমরা স...










