Anulekhon.blogspot.com

Saturday, 25 July 2020

ধর্ম ও বিজ্ঞানের যুদ্ধ যুগে যুগে।

ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের যুদ্ধ যুগে যুগে, এর মনে হয় শেষ নেই। শেষ পর্যন্ত জয় হয় বিজ্ঞানের, তবুও কিছু ধর্মান্ধ মানুষ, যারা প্রতি নিয়ত বাধার সৃষ্টি করে যায় বিজ্ঞান কে, বা অস্বীকার করে যায় বিজ্ঞান কে। অতীত ইতিহাসের দিকে নজর দিলে দেখা যায়, ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের সংঘাতের জন্য প্রাণ গেছে বিজ্ঞানীর, ব্রুন কে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয়েছে। কোপারনিকাশ, গ্যলেলিও, এরকম আরও কিছু যারা বিজ্ঞানের কথা বলেছেন, তাদের কে নানা ধরনের অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। এই সব ধর্মান্ধ মানুষ বেশিরভাগ টাই অশিক্ষিত, কিন্তু বর্তমানে আমরা দেখছি কিছু শিক্ষিত মানুষ বা অল্প শিক্ষিত মানুষ বিজ্ঞান আর ধর্মের সাথে মিল খুঁজতে ব্যস্ত। এই কাজ করতে গিয়ে তারা, বিভিন্ন অবৈজ্ঞানিক কথা বার্তা বলেছেন, নিজের কিছু হলে বা প্রচার থেকে, আরও কিছু কাজ সহজ ভাবে করতে বিজ্ঞানের আশ্রয় নিচ্ছেন। আমদের দেশে এরকম কিছু অল্প শিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত, অশিক্ষিত মানুষ ক্ষমতা দখল করে আছে। যারা প্রতিনিয়ত মানুষ কে বিভ্রান্ত করে যাচ্ছে, এই মহামারীর সময়ে, এমন সব কথা বলে চলেছেন, বা করতে বলছেন, এতে তাদের শিক্ষার অভাব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। গোমুত্র খাও, থালা বাজাও, ফুল ছাড়াও, গোমাতা কে পুজো করো, করোনা পুজোতো আমরা বেশ কয়েক বার দেখলাম, সোশ্যাল মিডিয়ায়। বিজ্ঞানের সাহায্যে এগুলো প্রচার পাচ্ছে, আর বিজ্ঞান কে অস্বীকার করে চলেছেন প্রতিনিয়ত, এখন আবার শুনলাম, পাঁপড় খেলে ইম্যুনিটি পাওয়ার বাড়বে, করোনা ভালো হয়ে যাবে। আবার শুনলাম রাম মন্দিরের ভিত দেওয়া শুরু হলে করোনা ভালো হয়ে যাবে। কেন এই নজর ঘোরাবার চেষ্টা, এর দুটি কারণ ১)নিজে দের অপদার্থতা ঢাকা দেওয়ার জন্য, যে আমরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারছি না। সঠিক রাস্তা গুলো আগেই বন্ধ করে দিয়েছি, সেই জন্যই আজ এই অবস্থা। ২)আমরা ক্ষমতায় এসেছি, কেবল মাত্র টাকার পাহাড় করব বলে, সাধারণ মানুষ তুমি মরলে কি বাঁচলে আমার দেখার দরকার নেই। আমি ক্ষমতা চাই, আর কোটি কোটি টাকা 

No comments:

Post a Comment

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...