Anulekhon.blogspot.com

Monday, 30 March 2020

এরাও মানুষ, পশু নয়।


ছবিটি দেখে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এটা উত্তর প্রদেশের ছবি। পরিযায়ী শ্রমিক কুল অনেকটা পথ হেঁটে অভুক্ত অর্ধ ভুক্ত অবস্থায় রাজ্যে ঢুকেছে। তাদের উপর কীটনাশক প্রয়োগ করা হচ্ছে। বাচ্চা বুড়ো সকলের কষ্ট হচ্ছে পেটে ভাত নেই অসুস্থ হয়ে পরছেন তবুও ছাড়া নেই। অর্থাৎ তুমি গরীব তোমার বেঁচে থাকার অধিকার নেই। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী প্রয়াত মাননীয় জ্যোতি বসুর একটি কথা আজ মনে পড়ছে বিজেপি সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন এক কথায় অসভ্য বর্বরের দল। এই দল কে মানুষ পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় চাইছে, এরা এখনই ভেবে নিয়েছে ডিটেশন ক্যাম্পে পাঠিয়ে না খাইয়ে মারতাম এই সুযোগে কিছু গরীব মানুষ কে মেরে ফেলা হবে। আর ওখানে তো দলিত নির্যাতন করা হয়। প্রতিদিন ওটা ওদের মজ্জা গত, আবার এটাও ঠিক ইংরেজের দালাল ছিল বেশিরভাগ ভাগ উত্তর প্রদেশের মানুষ তারা চিরটা কাল গরীবের উপর অত্যাচার করে এসেছে আজও করে তার একটাই কারণ স্বাধীনতা পেয়েছে দেশ কিন্তু বাঙালি কে ঐ প্রধানমন্ত্রী বা অন্য কোনো জায়গায় পৌঁছতে দেয় নি। সুভাষ চন্দ্র বসুর কে ব্রিটিশ দের সাথে সঢ়যন্ত্র করে গায়েব করে দেওয়া হল। আর এরা মুখে বিবেকানন্দের বুলি কাজে সেই ইংরেজ আমলে যা করা হতো গরীব মানুষের সাথে সেটাই করা হয়েছে। আমি জানি না দেশে কেউ নেই, সরকারি সকলেই অমানুষ এদের মধ্যে মানবিকতা বলে কিছু নেই। কেন্দ্রে আর কিছু রাজ্যে এই সব জন্ত জানোয়ারের দল সরকারে ক্ষমতা দখল করে বসে আছে। এরা কোন ব্যবস্থা নেবেন না। আজ এই লক ডাউন প্রয়োজন হতো না যদি যদি দু মাস আগে চায়না থেকে আসা মানুষ গুলো কে একটা জায়গায় আটকে রেখে দেওয়া যেত। যেটা উত্তর কোরিয়া করেছে, কোন বিদেশী এলেই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে দুমাস আগে থেকেই। কারন ওটা বাম শাসিত দেশ তারা গরীব মানুষ মারা দেশ নয় এই অসভ্য অমানুষের দল ভাবছে না খেয়ে এরা বেঁচে আবার 100 দেড়শো কিমি হেঁটে বাড়ি চলে এলো এদের কীটনাশক স্প্রে করে মেরে ফেলা হবে।সব থেকে ভালো গুলি করে গরীব মানুষ গুলো কে মেরে ফেল ঐ পরিকল্পনা করে কীটনাশক দিয়ে জ্বালা যন্ত্রণা দিয়ে কেন মারছিস। তোরা তো ঈশ্বর বা উপর ওয়ালা কে বিশ্বাস করিস, একবার জিজ্ঞেস করে দেখ কার পিঠে ছাপ দেওয়া হয়েছে এ দলিত এ গরীব তোদের ভগবান ছাপ দিয়ে পাঠায় না। তোদের মত কিছু জানোয়ারের দল যাদের মানুষ বলেল পশুর গুলো লজ্জা পায়। আর আমাদের রাজ্যে কিছু ক্ষমতা লোভী মানুষ এই অমানুষের দল কে ডেকে আনছে। যে যে রাজ্যে বামপন্থী ছাড়া অন্যান্য দল ক্ষমতায় আছে তারা এই সব গরীব মানুষ কে পশুর অধম ভাবে। কেরলার বাম সরকার দেখুন পরিযায়ী শ্রমিক দের কি বলছে।
ছবিটি ভিডিও ছিল সেখানে পুলিশ অফিসার দাঁড়িয়ে ঘোষণা করছে পরিযায়ী শ্রমিক দের কোন অসুবিধা হলে সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ঐ শ্রমিক দের পুরো দায়িত্ব সরকারের। মুখ্যমন্ত্রীর সেখানে নিজের প্রচার করতে আসেনি, বা মাস্ক বিলি করতে আসেনি। কুড়ি টাকা বা পঞ্চাশ টাকার মাস্ক পরে ভাইরাস আটকায় না। তার জন্য চাই এন 95 মাস্ক। এদেরও দিয়েছে খাবার ও অন্য সব কিছু কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী আসেনি, আর কোন পার্টির ব্যানার নেই, দাদারা দাদা গিরি করছে না। একটা কলা খেতে দিয়ে ছবি তুলছে না। কীটনাশক স্প্রে করছে না। আমার রাজ্যের ছবি দেখে নিন মুখ্যমন্ত্রী মাস্ক বিলি করছেন।

আরেকটা জিনিস আছে দেখুন এরা 2018 সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সময় জেনে ছিল করোনা ভাইরাস আসছে। মুখে রুমাল বেঁধে এসে ছিল।
আপনাদের ভাবনা বা ভাবছেন এদের এই দূর্দিনে টেনে আনা কেন? কারণ দাদা একটা আছে ঐ যে পুলিশের পোশাক ছাড়া লাঠি হাতে রাস্তায় যাদের দেখতে পাচ্ছেন। ওরা কারা, কিছু মানুষ আছে সত্যিই খারাপ সরকার বলছে ঘরে থাকতে ইচ্ছে করে বাইরে আসার কি দরকার? আর তোদের জন্য যাদের সত্যিই দরকার তারা বাইরে গেলে এই নতুন পুলিশের হাতে মার খাচ্ছে। তবে চিন্তা করবেন না কিছু মানুষ পুলিশের মার খেয়ে মারা যাবে, করোনায় যা না মরবে এই রাজ্যে না খেয়ে মারা যাবে অর্ধেক মানুষ। তৈরি থাকতে হবে আসছে, আবার মানুষ লাইন দিয়ে লঙ্গর খানায় দাঁড়াবে আর বড়ো লোকের বাড়িতে গিয়ে, বিজন ভট্টাচার্য, নবান্ন নাটকের নায়ক 'প্রধান' এর মতো চিৎকার করে বলতে শুনবেন বাবুগো একটু ফেন দেবে। কারণ বাংলা আজ আর সেই বাংলা নেই, এখানে প্রচার সর্বস্ব তোলা বাজ চিটিংবাজ জোচ্চর মিথ্যাবাদী ধাপ্পা বাজে ভরে গেছে। সেই জন্যই শেষ করি বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের আমার কৈফিয়তের কয়েকটি লাইন দিয়ে। রক্ত ঝড়াতে পারি না তো একা। তাই লিখে যাই এ রক্ত লেখা, প্রার্থনা করো যারা কেড়ে খায় তেত্রিশ কোটির মুখের গ্রাস। আমার এ রক্ত লেখায় লেখা হোক তাদের সর্বনাশ। তাদের সর্বনাশ। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। পড়ে খারাপ ভালো মন্তব্য করবেন। 

কেরল ছাড়া আর কোন সরকার গরীবের পাশে বা মানুষের পাশে নেই।

এই গরীব পরিযায়ী শ্রমিক যারা মানব সভ্যতা কে বাঁচাতে নিজে দেরে শ্রম দান করে সামান্য টাকার বিনিময়ে আজ তারা অবহেলিত। এই ঘোষণার আগেও দিল্লির বলুন আর রাজ্য সরকার কেউ ভাবেনি এদের কথা। অথচ এরা না থাকলে এত সভ্যতা গড়ে উঠত না। কলে কারখানার শ্রমিক বা রাজ মিস্ত্রি আসলে এরা শ্রমিক এরা গায়ে খেটে বাঁচে, ধনীর মতো এদের শ্রমের সঠিক মর্যাদা না দিয়ে মুনাফার পাহাড়ে বসে থাকে কিম্বা এদের গড়ে দেওয়া বাড়িতে বসে আমরা ফেসবুকে পোস্ট করছি। সবাই বাড়িতে থাকবেন, বা পুলিশ মেরেছে ঠিক করেছে। আরও মারা উচিত, মরার এতো ভয় পেয়ে ছে মানুষ একবার ভাবছে না এরাও মানুষ এদের জন্য আমার এই আরাম আমার গাড়ি বাড়ি। সত্যই সমাজ ব্যবস্থার কি নিষ্ঠুর পরিহাস, যারা সারা জীবন খেটে গেল সভ্যতা কে বাঁচিয়ে রাখতে তাদের কথা ভাবল না। কেউ না দিল্লির না সেই রাজ্যের সরকার যে রাজ্যে সে পরিযায়ী ছিল। একমাত্র কেরল সরকার ছাড়া পশ্চিমবঙ্গ বাধ দিন এখানে কোন পরিযায়ী শ্রমিক থাকে না, বরং পশ্চিমবঙ্গের কোন কাজ নেই শ্রমিক যায় অন্য রাজ্যে যেমন একটা পোস্ট দেখলাম হরিয়ানা থেকে পশ্চিমবঙ্গের কিছু পরিযায়ী শ্রমিক দিদির কাছে আবেদন করছে ফিরিয়ে আনার জন্য। তাদের খাবার নেই, সাথে সে রকম টাকা নেই, আমি দেখেছি এ রকম অনেক আবেদন দিদির কাছে আসছে কটা পুরোন হয়েছে জানি না। উপরের হেডিং টা দেখুন তিন দিন বাদে খেতে পেলেন। এক জন তো অঝোরে কেঁদে যাচ্ছে। তবুও এরা ভোটের সময় এই সব চোর চিটিংবাজ কে ভোট দিয়ে জিততে সাহায্য করবে। যারা নেতা হয়ে নিজের আখের গোছাতে ব্যাস্ত এদের কথা ভুলে যাবে। এর থেকেও একটা মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে গেছে এক জন পরিযায়ী শ্রমিক 200 কিমি হেঁটে বাড়ি পৌঁছে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।

কি ভাবছেন সরকার এদের কথা ভেবে এই লক ডাউন ঘোষণা করেছে। মোটেই না, এই সব ভাবনা চিন্তা আসেই নি কি করে এম পি এম এল এ কিনে সরকার গরব তার চিন্তা কারণ জানে একবার ক্ষমতায় এলে কোটি কোটি টাকা আয় করা যাবে। বিভিন্ন রকম ভাবে চুরি প্রকল্প টাকা চুরি বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ করা টাকা চুরি। এই দেখুন আমাদের রাজ্যের কেমন হচ্ছে কিছু জায়গায় পুলিশ পৌঁছে দিচ্ছে কিছু জায়গায় ভাই ভাইপো ভাইঝি রা সেখানে গণ্ডগোল দলের লোক তার কেনার ক্ষমতা আছে তাকে দিয়ে আসছে আর যার কেনার ক্ষমতা নেই সে বাদ। যেমন দু টাকা কিলো চাল আনত যাযায় আশি হাজার টাকার বাইক নিয়ে, এরা এবার বিনা টাকায় চাল পাবে। ছবি তে দেখুন ভিডিও দিতে পারলাম না। 
এই ছবিটা দেখে নিন, কোথাও কোথাও পুলিশ যাচ্ছে দিদির পুলিশ সে তো সিভিক ওরাই ব্যাপ ওরা সব। যা হচ্ছে তা দেখে যাও ইনি প্রচার করতে পারেন কি ভাবে সর্বদা ক্যামেরা সামনে থাকতে হবে উনি জানেন কারণ করছেন যেটা সেটা সামান্য সেটা কে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে বড়ো করে দেখতে পারে। কখনো চাল দিচ্ছেন তার ছবি কখনো বাজারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

আর কেরল মুখ্যমন্ত্রী যিনি রাজ্য বাসীর জন্য সব কিছু ঘোষণা করে দিয়েছেন, এবং সে সব প্রশাসন অর্থাৎ পুলিশ কর্মীরা বাড়ি বাড়ি ঘুরে দিয়ে আসছে বাদ বিচার নেই। পার্টি করলে সেটা আলাদা ভাবে সরকারের সাথে জড়িয়ে না ফেলে করছে। আর এখানে সরকারের জিনিস দেওয়া হয়েছে রাজনৈতিক দলের স্টিকার লাগিয়ে। বরাদ্দ দেখে বোঝা যায় কোথায় 200 কোটি আর কোথায় 20000 কোটি। কিন্তু দেখেছেন ক্যামেরা সামনে নিজের প্রচার করতে। উনি পঞ্চাশ ষাট জন লোক নিয়ে ক্যামেরা নিয়ে প্রচার সারছেন। আর মানুষ কে বলছেন দূরত্ব বজায় রাখতে। কেমন মনে হচ্ছে, তফাৎ ছিল বামপন্থী দের সাথে অন্য দলের সে রয়ে যাবে। বামপন্থীরা শ্রমজীবী মানুষের পক্ষে সর্বদা ছিল এবং থাকবে। কারণ বামপন্থার বিকল্প নেই হতে পারে না। গরীব খেটে খাওয়া মানুষ মানুষের পাশে সর্বদা ছিল আছে থাকবে। আগামী তে বামপন্থীরা দের ক্ষমতায় আনতেই হবে এই রাজ্যে। এই চোর চিটিংবাজ সারদা নারদা কোলকাতা ত্রিফলা বাতি কেলেঙ্কারি, ব্রীজ ভেঙে পড়া। জল ট্যাঙ্ক ভেঙে পড়া, এরকম টাকা লুঠ যা আমরা আগে দেখিনি। আসুন আগামী 2021 সালে পাল্টে দিই। নিজেদের বাঁচার জন্য লুটেরা তাড়াই। আচ্ছা আমার একটা প্রশ্ন আছে সকল পাঠকের কাছে বামফ্রন্টের এম এল এ রা তাদের কোটা থেকে দশ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করে দিল কেউ কেউ নিজের বেতন দিয়ে দিল। শাসক দলের 235 জন বিধায়ক কোথায়? কিম্বা বিজেপির দুজন ও গেল কোথায় বিজেপি আঠারো জন সাংসদ তারা সব ঘুমিয়ে পড়েছে। 

Saturday, 28 March 2020

মানুষ হয়ে মানুষের দূর্দিনে পাশে দাঁড়ান, কারণ পশুও মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ায়।

খবর টাইমস অফ ইন্ডিয়ার কেবল দিল্লির নয় গোটা দেশে একই চিত্র। পশ্চিমবঙ্গ সরকার তবুও চেষ্টা করে এরকম কিছু মানুষ কে বাড়ি পাঠিয়েছেন। এরকম অনেকেই বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়েছে কেউ বেড়াতে গিয়ে আটকে পড়েছেন। এরা সকলেই বাড়ি ফিরতে চায়, রাস্তা হাঁটতে শুরু করেছে তার মধ্যেই পুলিশ তাদের বিভিন্ন ভাবে হেনস্থা করছে। লকডাউন ঘোষণা করার আগে এই পরিযায়ী শ্রমিক ও অন্যান্য যারা বেড়াতে গেছেন তাদের কথা ভাবতে হতো।সব রাজ্য সরকার পাঞ্জাব কেরল বা পশ্চিমবঙ্গ নয়, পাঞ্জাব রাজ্যের মধ্যে কিছু আসামের লোক আটকে আছে তাদের নিয়মিত খেতে দেওয়া হচ্ছে। ভালো ভাবে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাকি রাজ্যে এসব নেই, এই পরিযায়ী শ্রমিক ও যারা বেড়াতে গিয়ে আটকে আছে প্রত্যেক রসদ শেষ হয়ে গেছে অনেক অপরের ভরসায় কোন রকম আছেন। সাথে বাচ্চা ছেলে মেয়ে আছে অন্তত তাদের মুখ চেয়ে কিছু একটা ব্যবস্থা করে দিন। ফেসবুকে দেখলাম হিমাচল প্রদেশের একটি জায়গায় পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেড়াতে যাওয়া দুটি না তিনটি পরিবার আটকে আছে। দুই সরকারের কাছে আবেদন দয়া করে কিছু একটা ব্যবস্থা করে দিন যাতে মানুষ গুলো অন্তত বাড়ি ফিরে যেতে পারে। আরও কয়েকটি ছবি দিলাম।

পায়ে হেঁটে চলে যাচ্ছে. ভারতের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে। কেন্দ্র সরকার প্লেনে করে যাদের বিদেশ থেকে নিয়ে এলেন তারা এসে কি করল দেশে করোনা ভাইরাস আরও বেশি করে ছড়িয়ে দিল। এরা তো দেশের মানুষ এক রাজ্য থেকে আরেক রাজ্যে গেছে এদের জন্য কোন কিছু ভাবনা চিন্তা নেই। অন্তত একটু মানবিক মুখ আমরা দেখি।এই আরেকটা ছবি কেমন হাঁটতে শুরু করেছে। কিছু জায়গায় পুলিশ এদের কান ধরে ওঠবোস করাছে কিছু জায়গায় রাস্তায় গড়াগড়ির শাস্তি দিচ্ছে। এদের অপরাধ একটা এরা শ্রমিক। 

এরা যদি কোন ভালো বড়ো পরিবারের সদস্য হতো এবং বিদেশে আটকে থাকত তাহলে এখুনি ভারতীয় প্লেন চলে যেত উদ্ধার করে আনতে, আর তারা এই পরিস্থিতিতে দেশ এল ভাইরাস সাথে নিয়ে। কেন্দ্রীয় সরকারের একটু মানবিক মুখ দেখতে চাই, পশুর মনেও মায়া দয়া থাকে, রাস্তার পশুর পাশে মানুষ দাঁড়িয়ে এই সময় খেতে দিচ্ছে। এরা তো মানুষ। অন্তত এদের মানুষ বলে ভাবুন কেবল ভোট দেওয়ার জন্য এদের প্রয়োজন।
কলে কারখানায় কাজ করে এরাই দেশ কে সচল রাখে, মুখে বিবেকানন্দের বুলি বাস্তবে ফাঁকা। দেখুন পশুয় মানুষ কে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে। ছবিটা দেখতে অনুরোধ করছি। 



Thursday, 26 March 2020

সত্যি কি এরা জন দরদী? কি ভাবছেন আপনি?

এই ছবি দেখে আপনি কি ভাবছেন এরা জন দরদী সত্যিই এদের তুলনা হয় না। কারণ একজন ফেসবুকে পোস্ট করেছেন এবং ভীষণ প্রশংসা করেছেন। এনাদের বয়স 60 বছরের উপর করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয় বেশি, তবুও কাজ করে যাচ্ছেন। জনগণের কাছে যাচ্ছেন, একজন তো মানুষ কীভাবে আনাজ বা সব্জি কিনতে দাঁড়াবে সেটা চক দিয়ে এঁকে দিচ্ছেন। তিনি এসব করছেন কেবল প্রচার পাওয়ার জন্য, কারণ তিনি পঞ্চাশ থেকে ষাট জন লোক নিয়ে জমায়েত করছেন। আর জনগন একা রাস্তায় বেরিয়েছে তাহলেই পুলিশ দিয়ে উত্তম মধ্যম দিচ্ছেন।সে যদি গরীব মানুষ হয় তাহলে তো কথাই নেই, তাকে পিটিয়ে ছাতু বানাতে হবে এটাই এখন স্বাভাবিক হয়ে গেছে। এই সব পুলিশের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেই, জন দরদী ঘোষণা ও তো এসব মিটে গেলে হবে। কেরল আর পাঞ্জাব সরকার ঘোষণা করেছে এবং সাথে সাথে কার্যকর করেছেন। পুলিশ দিয়ে বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে যাচ্ছে। আর আমার রাজ্য সরকার বাচ্চা দুধ কিনতে গেলে তাকে পিটিয়ে মেরে দিয়েছে। মানুষের শরীরের নিজস্ব রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে না খেয়ে থাকলে সেই ক্ষমতা ক্রমশ কমে, এই দুই ভণ্ড চাইছে গরীব মানুষ মরুক, এক জন মানে দিল্লির দাদা সে তো মনে করে গরীব মানুষ, মানুষ নয় তারা ক্রীতদাস শ্রমিক ওদের বাঁচিয়ে রেখে কি লাভ? ঘোষণা আছে বাস্তবে নেই, আজ প্রায় এক সপ্তাহ হলো দেখেছেন কোনো সরকারের লোক বলছে আপনি বাড়িতে থাকুন আমি খাবার পৌঁছে দেব। বিশেষ করে গরীব দিন আনা দিন খাওয়া মানুষের জন্য, না বলেননি। দিদির ভাই ভাইপো রা এখন ঘরে বন্দি তালিকা তৈরি করতে পারে নি। দিদি পুলিশ দিয়ে মেরে ঘরে ঢুকিয়ে দিচ্ছেন, এই পুলিশ দিয়ে খাবার পাঠাতে পারেন সে সব চিন্তা ভাবনা নেই। মেকি জন দরদী সেজে এক গাদা লোক নিয়ে জমায়েত করে প্রচার করে বেড়াচ্ছেন। আমি বলছি ভাই 2021 এই সরকার যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে এই সরকার কোন কিছু সরকারি রাখবে না। আর এই যে ক্ষতি হচ্ছে, এর তিন গুণ উসুল করে নেবে জিনিসের দাম বাড়িয়ে। এখনি জানেন বাম আমলে যে বিদ্যুৎ ইউনিট প্রতি 3.79 টাকা ছিল এখন সেটা 6.93 টাকা। যে চাল 10 বছর আগে 14 টাকায় কিনতেন এখন সেটা 29 টাকা আর ডাল তেলের কথা বাদ দিলাম। তার উপর এই দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ প্রতিটি ক্ষতি এই দু জনে সুদ আসলে তুলবে। আপনি যদি এই মেকি জন দরদী কে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আননে সরকারি কর্মীদের কপালে আরও দুঃখ আছে, এখনই দেখছেন বেতন বাড়ার বদলে কি করে কম দিতে হবে তার ব্যবস্থাপনা পাকা করে ফেলেছে তার উপর এই ঘটনা, এর পর দেখবেন আপনাদের বেতন কোন কোন মাসে অর্দ্ধেক করে দিয়েছে। টাকা নেই, কারণ ঐ যে 1000 টাকা দেবে ঘোষণা করা হয়েছে, দেবেন না করবেন না। এসব মিটে যাবে, ভোট আসবে ভাইপো ভাইঝি দের হাত দিয়ে টাকা দেওয়া হবে, ততদিনে কিছু মানুষ না খেতে পেয়ে করোনা নয় অন্য কোন রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবে। এই ভেক ধারি মেকি জন দরদী দের চিনে রাখুন এরা নিজের ক্ষমতার জন্য সব পারে। একটু খেয়াল করলে দেখবেন দু জন এক কথায় একা অথচ টাকা আর ক্ষমতার লোভ দিল্লির টা বেশি শয়তান আর আমাদের রাজ্যের যিনি তিনি ওরি মধ্যে একটু একটু আধটু করেন। এই যে বিদ্যালয় গুলি থেকে চাল দেওয়া হলো সকলে পেল না। কি করে খবর হবে ছুটির মধ্যে যারা খবর পেল তারা পেল। এই রকমই করবে কিছু মানুষ পাবে কিছু মানুষ পাবে না। দেখা গেল যার প্রয়োজন নেই সে পেল। 

পুলিশ আপনাকে মমতাময়ী হতে দেবে না। গোমুত্র ভোজী দের কি আনন্দ?

দেখুন পুলিশের নির্মম মার, ঘরে থাকলে না খেয়ে মর বাইরে খাবার আনতে গেলে পুলিশের মার খেয়ে মর। কোথাও সব্জি বিক্রি করছে তার সব্জি ফেলে দিচ্ছে, কোথাও ছেলের দুধ কিনতে গিয়ে মার খেয়ে মারা যাচ্ছে। কোথাও গোয়ালার দুধ ফেলে দিচ্ছে, কোথাও আঠারো কিমি সাইকেল চালিয়ে ক্যান্সার রুগীর ঔষধ কিনতে এসেছে, তাকে পিঠে হাতের সুখে মারছে। ভ্যান চালক কে মারছে, ফল সব্জি ফেলে দিচ্ছে। ওষুধের দোকান না খুললে তাহলে যারা নিয়মিত ওষুধ খান তারা ওষুধ পাবে কোথায়? আরেকজন জুমলা মাষ্টার প্যাকেজ না কি চাই ঘোষণা করেছে আপনার মতো আমার তো মনে হচ্ছে সব টা ভাঁওতা।
কেন্দ্র সরকার ও তো জুমলা ভালো পারে, চরম মিথ্যাবাদী হলে যা হয়। আমি একদম বিশ্বাস করি না। এই জুমলা বাজ দের, এরা আমাদের নাগরিক হিসেবে মনে করে কেবল ভোটের সময় আর যেই ভোট মিটে গেছে আর বলছে তুমি নাগরিক সেটা প্রমাণ দাও। আমার তো মনে হয় করোনার থেকেও বেশি বিষাক্ত এই প্রধানমন্ত্রী আর গৃহমন্ত্রী। এরা এতো মিথ্যা কথা বলে কল্পনা করা যায় না। এক দিকে বলছে রেল বেসরকারি হবে না। আরেক দিকে রেলের দূরপাল্লার ট্রেন টিকিটিং ব্যবস্থা সব বেসরকারি হাতে চলে যাচ্ছে। আরও আছে সে সব লিখছি না, যদি এরা মানুষের কথা ভাবত তাহলে এতো আন্দোলনের পর বলতে পারত যে CAA সংশোধন করা হবে, বা বাতিল করা হবে। এই কেন্দ্র সরকার চায় না গরীব মানুষ খেয়ে পরে বেঁচে থাকুক তারা মানে ঐ দুটি হাড়ে শয়তান লোক দেখানো মায়া কান্না কাঁদে আর মানুষ ভুলে যায়। সব কিছু, বড়ো লোক বা ধনী দের কব্জায় থাকবে, আর গরীব মানুষ ডিটেনশন ক্যাম্পে পচে মরবে বন্দী থাকবে। এবার একটা পথ পাওয়া গেছে, লকডাউন করে গরীব মানুষ কে না খেতে দিয়ে মারার, ভীষণ সুযোগ কারণ করোনা একটা মারাত্মক রোগ মানুষ কে ঘর বন্দী বানাও ক দিনের খাবার যোগার করে রাখবে। গরীব মানুষ তার তো টাকা নেই, তাকে বাইরে বেড়তে হবে। আর তখনই গোমুত্র খাওয়ার দল আছে রে রে করে যাবে। পুলিশ আছে পিটিয়ে ঠান্ডা করে দেবে। এরা মার খাচ্ছে আর এই অমানবিক দলের সমর্থক রা কিছু দিন আগে যারা গোমুত্র খাওয়া ছিল, গোমুত্র খেয়ে 17 থেকে আঠারো জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি, আর করোনা আক্রান্ত মাত্র সাত থেকে আট জন, এই অবস্থা এরা আবার বলছেন রাজনীতি করা যাবে না , আরে ভাই কোন টা রাজনীতি নয়। সিদ্ধান্ত নিচ্ছে রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রীরা আর সাধারণ মানুষ হিসেবে বললেই  বলছে রাজনীতি করা যাবে না। আরে ভাই দিদি হঠাৎ এতো মমতাময়ী কেন! কেন এতো প্রচারে আসতে চাইছে, ঘোষণা আছে বাস্তবতা নেই, ভাই ভাইপো ভাইঝি দের টাকা দেওয়ার জন্য এই সব ঘোষণা, আপনার পুলিশ আপনাকে মমতাময়ী হতে দেবে না। এই দেখুন ধনীর সাথে একরকম আর গরীব অসহায় মানুষের সাথে আরেক রকম ব্যাবহার করছে এই পুলিশ কারণ এরা জানে গরীব মানুষ ঘুষ দিতে পারে না, আর চার চাকা চেপে ঘোরে না। ছবি টি দেখুন
গরীব সব্জি বিক্রি করছে তাকে কি করছে দেখুন।
আরেকটা বিষয়ে আমি ভাবছি যারা ভোটে আপনার হয়ে উন্নয়ন নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে, বা সেই ক্লাব গুলো গেল কোথায়? ওরা কি শুধু ভোটে গুণ্ডামি করার জন্য টাকা পায়। যাক ছাড়ুন আপনার পুলিশের কীর্তি দেখছেন আর একটি আলাদা রাজ্যের পুলিশের ভূমিকা দেখুন, সে রাজ্য
পুলিশ গরীব মানুষের বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিচ্ছে। কারণ ওখানে সরকার আপনার মতো মেকি জন দরদী নয়।
কতটা ভাবনা আপনার জনগণের জন্য, কত কিছু করে ফেলেন ঘোষণা করে দিলেন বাস্তবতা নেই, কারণ আপনার ভাই ভাইপো ভাইঝি দের এখনও তালিকা তৈরি করা হয় নি। কারা পাবে আর কাদের প্রয়োজন থাকলেও দেওয়া হবে না। কারণ সে সি পি আই এম করে প্রকৃত গরীব মানুষ তো তাই। ঐ যে টাকা দেবেন বলেছেন আপনি দেবেন এসব শেষ হয়ে গেলে, তখন  আপনার ভাই ভাইপো ভাইঝি দের ভাগ কতটা নিতে হবে বলে দেবেন। যেমন মুখে মানব দরদ আর বাস্তবে অন্য যদি সত্যি মানবিক হতেন তাহলে কেরল বা পাঞ্জাব সরকারের মতো বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দিতেন ঐ পুলিশ দিয়ে। পুলিশ দিয়ে পিটিয়ে ঘরে ঢুকিয়ে দিতেন না। যদি সত্যি মানুষের আপনার দরদ থাকত তাহলে দিল্লির সরকারের মতো ঐ পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দেরি করতেন না। আপনি আর দিল্লির দাদা দুটি এক টাকার এপিট ওপিট উনিশ আর বিশ। ভালো থাকুন আর পঞ্চাশ ষাট জন মানুষের জমায়েত করে বাজারে বাজারে ঘুরে বেড়িয়ে জন দরদি সাজতে হবে না। ওতে সামাজিক যে সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে সেটা থাকছে না। আপনি ভালো থাকুন তবে আপনার ভাই ভাইপো ভাইঝি দের পেট মোটা হবে, সামান্য জল ট্রাঙ্কের চাকরি দেবে বলে ঘুষ নেয়। যা হোক আপনি ভালো থাকুন সবাই কে সুস্থ রাখুন আর গরীব মানুষ কে না খাইয়ে মারুন। ডিটেশন ক্যাম্পে যেতে হবে না। যে যার ঘর এখন ডিটেশন ক্যাম্প অনন্ত গরীব মানুষের কাছে। আপনার আর দাদার ইচ্ছা পূরণ হোক। 

Wednesday, 25 March 2020

দিদি সত্যিই আজ আপনি মমতাময়ী।

গত কাল ২৫/৩/2020 ডেইলি হান্ট নিউজ সাইটে কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টালে, যে সব খবর পড়লাম তাতে আপনার এই মমতাময়ী রূপ বাংলা দেখতে চায়। এবার ঐ খবর গুলোর ছবি দিলাম।
আপনি রাজ্যের এই পরিস্থিতিতে যা করলেন খুব ভালো। আরেকটা খবর,
আপনি পুলিশ কে মানবিক হতে বলছেন এবং সামাজিক সুরক্ষার জন্য যে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে সেটা বলছেন। আরও একটি ভালো পদক্ষেপ গরীব মানুষ বিশেষ করে দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ যাতে খেতে পারে তার ব্যবস্থাপনা করতে বলছেন, এবং হাজার টাকা কিভাবে পাবেন এই সব মানুষ তার পথ বলে দিচ্ছেন। যেখানে কেন্দ্র সরকার হাতে ঘন্টা আর থালা বাজাও বলে মানুষ কে স্বেচ্ছায় ঘরে বন্দি করে দিচ্ছে। সেখানে আপনি আজ আপামর বাঙালির মুখ্যমন্ত্রী তথা দিদি হয়ে, আপনার মমতাময়ী হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমার অনুরোধ দিদির কাছে দেখবেন সঠিক লোক যেন সাহায্য পায়। যেন চাষের ক্ষতি পূরণ দেওয়ার মতো ভোটের জন্য সবাইকে দাও যে চাষ করে না কোন দিন সেও টাকা পায়। যার আছে সে পেল আর যারা আপনার দলের সমর্থক নয়, তারা গরীব হলেও বঞ্চিত হোল, তথাকথিত আপনার দলের গজিয়ে ওঠা নেতাদের দৌলতে যেমন দু টাকা কিল চাল থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। দেখবেন, সে রকম যেন না হয়। আপনার আবেদনে সাড়া দিয়ে আম জনতার একটা বড়ো অংশ আজ গৃহবন্দী গরীব মানুষ যাদের টাকা নেই, জিনিসপত্র কিনে রাখার তারা বেড়িয়েছে, নিজে না খেয়ে বাচ্চা গুলোর মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য। পুলিশ এই লকডাউন কে ভেবে নিয়েছে ১৯৬৯ সালের জরুরী অবস্থা জারি করা হয়েছে। আমি গত কাল লিখেছি, কিভাবে পুলিশ মারধর করছে দোকান বাজার সব বন্ধ করে দিচ্ছে। একটি মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ বলছে হৃদরোগে, বাচ্চার জন্য দুধ কিনতে বেড়িয়ে ছিল পুলিশের মারে জখম হন হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত্যু বলে ঘোষণা করেন। পুলিশ ঠিক বলেছেন হৃদরোগে কারণ যখন কোন মানুষ না খেয়ে থাকে এবং তাকে মারধর করা হয় তখন তার হৃদয় আর কাজ করে না।
রোগীর সংখ্যা শহরে বেশি, হবে গ্রামের সাথে শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এবার সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই রোগ প্রতিরোধ করতে পারা যাবে। এই ব্লগের মাধ্যমে প্রতিটি মানুষ কাছে আবেদন মুখ কাপড় বা রুমাল দিয়ে বাঁধুন আর কারো সাথে কথা বলতে হলে, এক মিটারের দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলুন। মুখ্যমন্ত্রীর আবেদন এই পরিস্থিতিতে সাহায্য, একটি প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি এগিয়ে এসে প্রচার করছে বা আবেদন করছে এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে টাকা যে যার সাধ্যমত সাহায্য করুন। আসুন আমরা বাঙালি জাতি আজ এই মুহূর্তে গোটা দেশ কে পথ দেখাই। এ্যাকাউন্ট সহ ঐ শিক্ষক সংগঠনের আবেদন টি দিলাম। এটি কারও ব্যক্তিগত তহবিল নয়। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে পৌঁছে যাবে আপনার দেওয়া দান।
সকলে সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন, খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ির বাইরে যাবেন না। যদিও যান সুরক্ষা দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলুন। এক জায়গায় অযথা ভিড় করে আড্ডা না দিয়ে ঘরে থাকুন, নিজে সুস্থ থাকুন আর আপনার নিকট জন কে সুস্থ থাকতে দিন।

গরীব খেটে খাওয়া মানুষের প্রতি পুলিশ একটু বেশি দয়াল।

 আমার কাছে সম্পূর্ণ ভিডিও টি আছে, দিতে পারলে খুব ভালো হতো। আমার একটা ছোট প্রশ্ন এটা কি ১৯৬৯ এর জরুরী অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। না জনগণ স্বেচ্ছায় নিজেকে ঘর বন্দী করে রাখবে তার আবেদন করা হয়েছে,বা জনতা কার্ফু এই লকডানের মানে কি? দোকান বাজার বন্ধ করে দেওয়া হবে কারণ সেখানে বেশি বেশি মানুষ জমায়েত করে, পাঁচ দশ জনের থেকে বেশি মানুষ এক জায়গায় হতে পারবে না। তাহলে লকডাউন কি ১৪৪ ধারা, আমার ধারণা নেই, যাদের জন্য লকডাউন তারা যদি একান্তই রাস্তায় বেড়িয়ে প্রয়োজনীয় ওষুধ টাও না কিনতে যেতে পারে! কারণ এই ভিডিও তে দেখা যাচ্ছে একজন ব্যক্তি মুখে মুখে কাপড় ঢাকা দিয়ে এসেছে এবং ওষুধের দোকানের সামনে দাঁড়িয়েছে যথারীতি খোলা নেই। তখনই পুলিশ এসে তাকে লাঠি পেটা করছে, গরীব এক ঘোষ দুধ নিয়ে যাচ্ছিল বাড়িতে বাড়িতে দেবে সেটা উল্টে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এই ভিডিও ফুটেজ এসব আছে, আরেকটা দেখলাম ই সি এল এর কর্মী যারা এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ যাতে সর্বদা থাকে তার ব্যবস্থাপনা করছে তাদের ধরে মারধর করা হয়েছে।
ঐ বিদ্যুৎ কর্মী কে এমন জায়গায় মেরেছে জায়গায় টি এ্যানাটমি অনুযায়ী যতটা সম্ভব কিডনির অবস্থান, যদি ভেতরে আঘাত করা হয় তবে কিডনির অসুখ হলেও হতে পারে।এক ভদ্রলোক ও এক ভদ্রমহিলা কে বাদ দেওয়া হয়েছে। এই সব দেখে আমি অবাক কারণ, মানুষের শিক্ষার কতটা অভাব হলে তবেই এসব কাজ করা যায়। জানেই না লকডাউন মানে কি? মানুষ স্বেচ্ছায় ঘর বন্দী থাকবে, কিন্তু আমাদের এই গরীব দেশ এখানে গরীব মানুষের টাকা যোগার করে তবে গেছে সে ধার দেনা করে হোক যেমন করে বাচ্চা দের খাওয়াতে হবে। সেই মানুষ গুলো কে বলছে মাস্ক কয় নিজে একটা কুড়ি টাকার বা পঞ্চাশ টাকার মাস্ক বা রুমাল বেঁধে আছে, যেটা দিয়ে ধুলো বালি আটকায় ভাইরাস নয়। যেটা দিয়ে আটকায় সে হোল N95 অন লাইন অর্ডার দিয়ে আনা হলে দিচ্ছে এই কুড়ি টাকার গুলো আর দাম নিচ্ছে পাঁচশ টাকা।এই জন্য বলছি ঐ পুলিশের একটু শিক্ষা দরকার, এক ভাইরাস কি? এটা জানা জরুরী কিভাবে কাজ করে জানা জরুরী, ভাইরাস হলো এমন একটা অনুজীব যাদের চোখে দেখা যায় না। এদের কোন মানুষ সৃষ্টি বা তৈরি করতে পারে না। বিজ্ঞান যদি গবেষণা গারে কোন অনুজীব তৈরি করতে পারত তাহলে মরা মানুষের প্রাণ ফিরিয়ে দিতে পারত। এই অনুজীব তখন সক্রিয় হয়ে ওঠে যখন কোনো দূর্বল হিউম্যান বিইং সামনে পায় তখন, অর্থাৎ আমাদের শ্বেত রক্ত কনিকা দূর্বল হয়ে পড়ে তবে। মানুষ যদি পুষ্টি কর খাবার না পায় তাহলে এটা সম্ভব হবে খুব তাড়াতাড়ি, তবে চীনের উহান প্রদেশে এমন কিছু খাবার তারা খেয়ে ছিল, যা তাদের ইম্যুউন সিস্টেম নষ্ট করে দিয়েছিল। সেই কারণেই এই ভাইরাস থেকে রেহাই মেলেনি তাদের, চীন সাট ডাউন করে ছিল ঐ শহরের সব কিছু কারণ ঐ সব খাবার মানুষ যাতে আর না খায়, বাড়ি বাড়ি খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়েছিল। যে হেতু এটা ভাইরাস মানুষ থেকে মানুষে ছড়িয়ে পড়ে, তাই সাবধান থাকতে হবে, কীভাবে একটা নির্দিষ্ট দূরত্ব (১মি)বজায় রেখে দাঁড়াতে হবে কথা বলতে হবে রুমাল বা কাপড়ে মুখ ঢেকে। বেশি সক্রিয় অশিক্ষিত সিভিক গুলো ভাষা কি কলকাতায় একজন ফুটে গেছে। আরে তিনি ইতালি থেকে ফিরে ছিলেন। বিদেশ যারা থাকে তারা এই এঁদো গ্রাম কে ঘৃণা করে, দুবেলা প্লেন চেপে যাতায়াত করে। এই অশিক্ষিত সিভিক পুলিশ সাথে বেঙ্গল পুলিশও আছে একটু বেশি সক্রিয়, দোকান খোলা থাকবে মানুষ তার প্রয়োজনীয় জিনিস একটা দোকানে ভিড় না করে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে কিনে আনবে। একজন যাবে দোকান সারাদিন খোলা থাকবে, ওষুধ পত্র সমেত সব বন্ধ করে দিচ্ছে এই অশিক্ষিত পুলিশ, দিদি এদের শেখার ব্যবস্থা করুন, কিভাবে মানুষের সাথে কথা বলতে হয়। হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম শেখান, না হলে এরা যা শুরু করেছে তাতে আপনার বদনাম হতে বেশি দেরি নেই। কারণ এরা গরীব খেটে খাওয়া মানুষের উপর বেশি সক্রিয়।
সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা বা দূরত্ব কি এই ছবি দেখে শিখতে বলছি। মানুষ কে না মেরে এটা নিজে শেখা আর অপর কে শেখান। নিজে যখন লাঠি দিয়ে মারতে যাচ্ছে তখন এই সুরক্ষা ব্যবস্থা থাকছে না। আর ঐ পুলিশ যদি কলকাতা শহর থেকে আসে যেখানে করোনা হয়েছে। সেই জন্যই ঐ পুলিশের উচিত দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়ানো। আর কিছু লিখলাম না, পুলিশের কাজ এই মুহূর্তে মানুষের পাশে থাকা। আতঙ্কিত করা নয়। আজও পুলিশ সমানে অত্যাচার করে যাচ্ছে। আমার প্রশ্ন ঘরে থাকলে রোগ ভালো হয়ে যাবে। চিকিৎসার দরকার নেই। চিকিৎসার জন্য সঠিক পরি কাঠামো তৈরি করা হয় নি। কি কেন্দ্রীয় সরকার কি রাজ্য সরকার এখন তারা বড়ো বড়ো শিল্পপতি দের ঋণ মুকুব করতে ব্যস্ত। আর দিদি সে তো বলেই দিয়েছেন আইশোলেসন বাড়িতে বানিয়ে নিন। না খেয়ে ঘরে বসে থাকতে পারে তা হলে রোগ ভালো হয়ে যাবে। দিদি এখন একুশ সালে জিততে মরিয়া এর মধ্যে ক্লাব গুলো কে টাকা দেওয়া হয়েছে। আরামবাগের অনেক ক্লাব এই কদিন আগে টাকা পেয়েছে। এই তো সরাসরি ব্যবস্থা, আর মানুষ পেটের দায়ে ঘর থেকে বেরিয়ে পড়ে তাহলে মেরে ঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। ঐ যে প্রবাদ আছে না। পেটে ভাত দেওয়ার মুরুদ নেই কিল মারার গোঁসাই। আর এই লকডাউন লকডাউন করে কি হচ্ছে। কেবল গরীব ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো কে না খাইয়ে মারার পরিকল্পনা ছাড়া কিছু না। 

Tuesday, 24 March 2020

ফেসবুক পোস্ট দেখে মনে হবে, মানুষের কত উপকার করলেন।

এসব পোস্ট করার একটা কারণ ভোটের রাজনীতির করা। এক জন সাংসদ বা বিধায়ক তার এলাকার উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ টাকা থেকে এই টাকা বরাদ্দ করেছেন। একজন সাংসদ পাঁচ বছর ধরে তার সাতটি বিধানসভা এলাকার উন্নয়ন করার জন্য সরকার টাকা বরাদ্দ করেন। সে জনগণের জন্য, সেই টাকা কিভাবে তিনি খরচ করবেন সেটা তার উপর নির্ভর করে আবার অনেক সময় পার্টির নির্দেশের উপর নির্ভর করে। একজন বিধায়ক ও নিজের বিধানসভা এলাকার উন্নয়ন করার জন্য বরাদ্দ পান। যদি সত্যি এসব টাকা এক এক বছর একটি উন্নয়ন মূলক কাজে সব খরচ করা হত, রাজনীতি না করে তাহলে সারা দেশে কোন গ্রাম বা জায়গা আজ পিছনে পরে থাকত না। কারণ এর সাথে সরকারের বিভিন্ন ধরনের প্রকল্প খাতে বরাদ্দ টাকা আছে। সে রাস্তা বিদ্যালয়, হাসপাতাল অনেক কিছু করা সম্ভব হতো, কিন্তু হায় আমাদের পোড়া দেশ এই দেশের মানুষ ভোট দেওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ে কেবল মারামারি করে, কারণ যদি একটু ভাগ পায় আর দাদা গিরি করে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়া যায়। তাই উনি বা বিধায়ক গণ যে টাকা বরাদ্দ করেন, সেটা আগে থেকেই জনগণের জন্য নির্ধারিত। এ নিয়ে ঢাক পিটিয়ে প্রচার করার কিছু নেই, এই টাকা বরাদ্দ করেছেন, সাংসদ নিজে বলছেন না, বলছেন বা ফেসবুকে প্রচার করছেন। জানি না সত্যি কিনা, তাকে আবার একজন বাহবা দিচ্ছেন। সত্যিই কি বিচিত্র এই বাংলা তথা বাঙালির আদিখেত্যা। যে খানে করোনা সময় মাস্কের উপর জি এস টি চাপে, মুদির দোকানে লাইন পড়ে যায়। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস কম পরে দাম বাড়ে গরীব মানুষ কিনতে পারে না। ফেসবুকে দেখলাম এক জন ভালো বাড়িতে দামী সোফায় বসে নিদান দিচ্ছেন। জানি না উনি পুলিশ কি না? কত গুলো ফোন নম্বর দিয়ে বলছেন জমায়েত দেখলেই ফোন করে খবর দিন। আরও বলছেন, কথা না শুনলে মার,  গত কাল ২৪/৩/2020 সিঙ্গুর এলাকায় সকালের দিকে পুলিশ এটাই করছিল। মানুষ কে কাঁচা আনাজের টুকু আনতে দেয়নি, মাছ সে তো গরীবের কাছে স্বপ্ন চালানি মাছ তিনশ টাকা দেশি যে সব মাছ আইড়শ তিন শ, ডিম আট টাকা পিস ২৬ টাকার চাল ৩০ টাকা আটা বাজারে নেই। আলু যে আলু চাষি বিক্রি করতে পারছিল না। সেই আলু ২৫ টাকা পার করে দিয়েছে। যিনি দামী সোফায় বসে, ঐ ২৪/৩/২০ কথা না শুনলে মার বলছেন আমার মনে হয় তিনি দারিদ্র কি জানেন না। কতজন মানুষের ফ্রিজ আছে যে কাঁচা সব্জি কিনে মজুত করে রাখবে এই ২১দিনের জন্য। আসলে তা নয় কিছু সরকারি কর্মী আছেন যারা নিজেদের অবস্থার সাথে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কে গুলিয়ে ফেলছে। আমি খেতে পাচ্ছি সকলেই পাচ্ছে, কাজ না করে মালিক তাদের বেতন দিয়ে দেবে আরে সরকার সে বেতন কম দিতে পারলে বাঁচে। এক বছর আগে ঘটা করে ঘোষণা করা হয়,খবরের কাগজ মিডিয়া একবছর যাবৎ নানা রকম গোপসি লেখে, এমন তার ভাষা মনে হয় বছরে চার বার বেতন বেড়ে গেল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ১৫০০ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১০০০০ টাকা বেতনের অস্থায়ী কর্মী আছে। না পারে নিজের খাবার জোগাড় করতে না পারে ঠিক মতো চিকিৎসা করাতে। পরনের কাপড় সেতো শতছিন্ন, জানেন না মনে হয় পশ্চিমবঙ্গে বর্তমানে ভিক্ষারির সংখ্যা বেশি। অনেক কথা লিখলাম আমি চাই গরীব মানুষের বাড়িতে খাবার পৌঁছে দিক কেবল মুখে ঘোষণা করা নয়। এই ১০০০ টাকা দেব, ঐ হাজার টাকার মধ্যে নেতার ভাগ কত বলবেন ব্যাঙ্ক A/C তে দেওয়া হবে, অনেক আছে যাদের ব্যাঙ্ক A/C নেই। ছ মাসের চাল গম দেব কিন্তু যার রেশন কার্ড নেই, ভিক্ষা করে খায় ও পরের বাড়ি কাজ করে গোদা বাংলায় ঝি গিরি করে খায় তারও কার্ড নেই। এরকম দু থেকে তিন কোটি পশ্চিমবঙ্গ বাসির কার্ড নেই, কেউ বা তিন চার বছর আবেদন করার পরেও এসে পৌঁছয় নি। এই মানুষ না খেয়ে মরুক, দাদা তো হাত তুলে দিয়েছে, সে তার বাস ভবন সংস্কার করার জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেন। আর দেশের মানুষের জন্য বা এই করোনার জন্য পনেরো হাজার কোটি টাকা। ঐ যে প্রথম দিন বলেছেন থালা বাজাও গরীব মানুষ সত্যিই থালা বাজিয়ে বাজিয়ে মারা যাবে। করোনার জন্য মরবে না। করোনা হবে শহরের লোকজনের কারণ বিদেশে যারা যাতায়াত করে তারা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শহরে থাকে। 

না খেয়ে মরুক জনতা, করোনায় যেন না মরে।

পশ্চিমবঙ্গ সরকার বা প্রশাসন যা করছে মানুষের ভালোর জন্য এক শ্রেণীর মানুষ ফেসবুক ফাটিয়ে ফেলছে। তার উপর কেন্দ্রীয় সরকার তথা প্রধানমন্ত্রী এক দিনের জনতা কার্ফু আজ পশ্চিমবঙ্গে আজ কার্ফু তে পরিবর্তন করা হয়েছে। কিছু মানুষ আছেন অব্যশই যাদের টাকা তারা খুব আনন্দিত এবং দেখলাম লিখেছেন মানুষ যদি না মানে পুলিশ দিয়ে মেরে ঘরে ঢুকিয়ে দিন। যারা ফেসবুক করছেন তাদের নিশ্চয়ই টাকা আছে কারণ একটা উন্নত মানের ফোন বা মার্স্ট ফোন কিনতে মিনিমাম পাঁচ হাজার টাকা লাগে। এই টাকা অনেকের এক মাসের আয়, ফেসবুকের এই লোক গুলো কি আনন্দ, কারণ প্রধানমন্ত্রী জনতা কার্ফু কথা বললেন অর্থাৎ রবিবার দিন মানুষ যেন ঘর থেকে না বেড়য়।
সত্যিই মানুষ মেনে নিয়ে ঘর থেকে বাইরে যায়নি।

এর মাঝে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ঘোষণা করে দিল শহরগুলো
লকডাউন করা হবে। রেল ঐ রবিবার দুপুর থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দিল। পশ্চিমবঙ্গের জনতা সত্যিই কার্ফুর অধীনে এল ফেসবুকে অনেক মানুষ আনন্দ পেলেন, একবার ভাবলেন না, গ্রামের ঐ খেটে খাওয়া মানুষের কথা যে লোক টি দু শ টাকা মজুরি তে কাজ করে তার কথা কারণ রবিবার সন্ধ্যায় গ্রামের মুদির দোকান গুলো ভীর প্রতিটি জিনিসের দাম বেড়ে গেল। যাদের টাকা আছে তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি করে মাল কিনে নিয়ে গেল, যে ঐ পাঁচ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করে শেষ মাস পর্যন্ত চলে না, অসুস্থ হলে গাছের পাতা খায়, ডাক্তার দেখাবার টাকা নেই। সে জিনিস বা খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারল না, বা ধার দেনা করে টাকা নিয়ে যখন গেল তখন দোকানে মাল নেই। এবার নিশ্চয়ই ঐ মানুষ এবং তার সাথে আরও কয়েক জন দু চার দিন পর থেকে না খেয়ে থাকবে। আমি জানি এসব ঐ ফেসবুক করা বড়ো বড়ো লেকচার দেওয়া মানুষ গুলো বলবে কেন দিদি ছ মাসের চাল বিনা মূল্যে দেবে বলেছেন। আসলে জানেই না ঐ দু টাকা কিলো চাল ক জন গরীব মানুষ পায়, যারা পায় তারা বেশিরভাগ তৃণমূলের বা শাসক দলের কর্মী বা সমর্থক, আর যারা বরাবর চোর বিরোধী সাধারণ মানুষ,অর্থাৎ যারা এখনও কোন রেশন কার্ড পায়নি, সেই সংখ্যাটা কম নয়। আর তাদের মধ্যে পরের বাড়িতে কাজ করে এরকম মানুষ ও আছে এবং ভিক্ষা করে খায় এরকম মানুষ ও আছে। তারা রইল না খেয়ে দেখতে মজা হবে, কিম্বা দেখে আনন্দ পাবেন, কিছু মানুষ তো প্রধানমন্ত্রীর কথায় কাঁসর ঘন্টা থালা বাজাল। সত্যিই কিছু মানুষের আর আনন্দ ধরে না। আবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার খুব ভালো একটা ঘোষণা করলেন, শুক্রবার বিকেলে কি না, শনিবার আর রবিবার স্কুল গুলো থেকে মি ডে মিলের চাল আর আলু দেওয়া হবে। খুব ভালো কিছু মানুষ দু কেজি চাল আর দু কেজি আলু পাবেন। একবারো ভাবা হলো না, স্কুল গুলো ছুটি দেওয়া হয়েছে 15/3/2020 থেকে কি করে ঐ ছাত্র ছাত্রীরা খবর পাবে, এক্ষেত্রে শিক্ষকরা তৎপর শনিবার দুপুরে সাড়ে দশটা প্রশাসনিক বৈঠক বারোটায় নির্দেশ আলু স্কুল কিনে ছাত্র ছাত্রীদের দেবে। শনিবার আলু কেনার জন্য যে মি ডে মিলের আনাজ দেয় তাকে বলা এবং রাধুনী দের খবর দেওয়া হয়। আর তার সাথে ছাত্র ছাত্রীদের খবর পাঠানো হোল। এবার নির্দেশ এলো চাল আলু 26/3/2020 এর মধ্যে দিতে হবে। শিক্ষকরা সেই মতো খবর দিলেন, আবার রবিবার শনিবার খবর হোল রবিবার দিন গুছিয়ে রেখে সোমবার ও মঙ্গলবার দিতে হবে। তার পরে আবার নির্দেশ বদলে গেল রবিবার রাতে সোমবার অর্থাৎ একদিন দেওয়া যাবে। আর দেওয়া হবে না, সোমবার সকাল থেকে নাকি গন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, কেবল দিলেই চলবে না তার রেকর্ড করা হবে ছবি সহ কত জন পেল তার তালিকা জমা দিতে হবে।পৃথিবীর অষ্টম আশ্চর্য মনে হয় এই পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষক কুল,  সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছাত্র তো 50 থেকে 100 জন নয়। যে সব প্রাথমিক বিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রী বেশি 200 থেকে 400 সেখানের প্রধানশিক্ষক ফোন করে করে দু দিন বলেন, আবার তার পক্ষে ঐ অত ছাত্র কে ফোন করে জানান সম্ভব বলবেন বাকি শিক্ষক তারা যথারীতি শিক্ষকতা করেন প্রধান শিক্ষক বেশি বেতন পান তিনি সব করবেন। আবার ও দিকে ঘোষণা করা হয়েছে একসাথে অনেক মানুষ জমায়েত করা যাবে না। তিনি কি করেন অর্ধেক করে দুদিন দেবেন ঠিক করেন, তা সত্ত্বেও প্রথম দিন যত জন এসেছে কাউকে ফেরানো হয়নি। পরের দিন মঙ্গলবার সকালে তিনটি সময়ে দেবার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু সকালে বাধ সাধল জনতা কার্ফু, মোরে মোরে পুলিশ, মানুষ কে বাজারে যেতে দিচ্ছে না। আমি মনে মনে ভাবলাম সত্যিই ঐ ফেসবুক ওনাদের ইচ্ছা পূরণ করতে দিদির পুলিশ উঠে পরে লেগেছে, উল্টে ফিরে এসে আবার ফোন করে জানাতে হলো আজ আর ঐ জিনিস মানে চাল আর আলু দেওয়া গেল না। কত মানুষ কে ফোন করা যায়। এক জন কে ফো করে অনুরোধ বলে দিন। আবার ফোন এ ভাবে প্রায় 100 থেকে 150 জন কে ফোন করে আবার বারণ করা। জানি না ঐ আলু জনতা কার্ফু ওঠার পর পর্যন্ত ভাল থাকবে কিনা! দিদি তো বললেন শহরে এবং নির্দিষ্ট কত গুলো শহরের নাম করে দিলেন তাতেও এই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার মফস্বল বন্ধ করা, প্রশাসনের এই কাজ কে আমি আকুণ্ঠ সমর্থন করি। সকলে ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন, মানুষ কে করোনা থেকে বাঁচতে হবে, সে না খেতে পেয়ে মরুক, কিন্তু করোনা যেন না হয়।

Friday, 20 March 2020

ফাঁসি দিলেই এরকম জঘন্য অপরাধ কমে যাবে!

 ফাঁসির সাজা কি কমাতে পারবে এ রকম অপরাধ! আমার মনে হয় না, কারণ নির্ভয়া কাণ্ডের পর আরও বড়ো বড়ো অনেক এরকম ঘটনা ঘটে গেছে। তাদের মধ্যে অনেকেই ক্ষমতাশালী,( উন্নাও কাণ্ড) তার বিচার মনে হয় শুরু হয়নি।
আমার মনে আছে ধনঞ্জয়ের ফাঁসির কথা চোদ্দ বছর জেলে বন্দি থাকার পরে তার ফাঁসির আদেশ কার্যকর করা হয়েছিল। সে ফাঁসির আগে মূহুর্তেও বলে গেছেন, প্রকৃত অপরাধী সে নয়। ধনঞ্জয়ের ফাঁসির পর কি এরকম জঘন্য অপরাধ কমে গেছে, নিশ্চয়ই না। কারণ ওর থেকেও জঘন্য তম ঘটনা ঘটে গেছে, কামদুনী, মধ্যম গ্রাম, সম্প্রতি হায়দরাবাদে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা, যা হোক সে অপরাধের শাস্তি পেয়েছে একাউন্টার হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গের কামদুনীর বিচার এখনও পর্যন্ত হয়নি। আমি জানি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে এই অপরাধ ঘটে, এবং সন্তান হারানোর মায়ের বুক ফাটা হাহাকার, এ অপরাধ দমন করতে অন্য শাস্তি ভাবা দরকার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড আছে তার সাথে আরও কিছু কারণ বিজ্ঞান এখন উন্নত।
এই অপরাধের জন্য যারা মৃত্যুদণ্ড দাবি করেন তাঁরা একটু ভেবে দেখবেন মরে গেলে সব শেষ কিন্তু বাঁচিয়ে রেখে তিলে তিলে শাস্তি দিলে সে বুঝতে পারে অপরাধ করলে তার শাস্তি, উন্নত বিজ্ঞানের যুগে পুরনো দিনের সেই ফাঁসি, কেমন অচল, বাঁচিয়ে রেখে সব সারাজীবন ধরে শাস্তি পায় তার ব্যবস্থা করা দরকার। আর ফাঁসি যদি একমাত্র শাস্তি হয় যারা এদের ফাঁসির শাস্তি দিতে হবে বলে দাবি করেছেন, তাদের বলছি দয়া করে এদের,
ফাঁসি চাই বলে আন্দোলন শুরু করে দিন, আর বিচার পতি যারা রায় দিয়েছেন তাদের ও জানা দরকার আইন সবার জন্য সমান। কামদুনী এখনও কেন বিচার পেল না? 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...