Anulekhon.blogspot.com
Tuesday, 26 December 2023
আরে ভাই দেবদূত নয় কর্পোরেটের দূত।
Screen shot নেওয়া ছবি, মোটা ভাইয়ের আনন্দ আর ধরে না, ছেলের ঋণ মুকুব হচ্ছে, ঋণ শোধ না করে পালানো সকলের ৬৮ হাজার কোটি টাকা ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। কর্পোরেট বন্ধু আদানি আম্বানির বাবা থুরি ফেকু বাবার ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। দেশের প্রতিটি জিনিস কর্পোরেটের কাছে জলের দরে বিক্রি করে দিচ্ছে। বিক্রি করতে দারুণ কায়দা ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ দেওয়া হচ্ছে সেই টাকায় কর্পোরেট সরকারি সংস্থা কিনে নিচ্ছে, কিছু দিন পর ঋণ মুকুব করে দেওয়া হবে। এই না হলে দেবদূত, দেশের সাধারণ মানুষের অবস্থা সে বলার মত নয়, সামান্য আয় অর্থাৎ আড়াই লক্ষ টাকা বছরে ইনকাম পর্যন্ত ছাড় তার পর উচ্চ হারে ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে না দিলে ফাইন সেটা কম নয়। কিন্তু এই কর্পোরেট সংস্থার ট্যাক্স ছাড় আছে, ঋণ মুকুব আছে, একে দেবদূত বলবে না তো কাকে বলবে। যে কোন অজুহাতে ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্ট থেকে টাকা কেটে নিচ্ছে। জিনিস পত্র দাম আকাশ ছোঁয়া মধ্যবিত্ত এবং গরীব মানুষ গুলোর বেঁচে থাকা দায় হয়ে উঠেছে। দেবদূত ছাড়া এটা সম্ভব, দেশ রাজ্যে চোর ডাকাতের দল শাসন ক্ষমতা দখল করে আছে, নামেই তদন্ত চলছে চোর বহাল তবিয়তে গলা বাজি করে যাচ্ছে। দেবদূত সাধারণ মানুষ কে ধর্ম দিয়ে বোকা বানিয়ে রেখেছে এই না হলে দেবদূত।
Tuesday, 5 December 2023
কিছু চ্যানেল প:বঙ্গ সরকারি কর্মীদের রোজ DAদিচ্ছে ।
পশ্চিমবঙ্গরে কিছু অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং কিছু ইউ টিউব চ্যানেল সরকারি কর্মীদের প্রতি দিন ডি এ দিয়ে যাচ্ছে। এই সব খবরের শিরোনাম দেখে অনেকেই তাই ভাববেন। প্রতি দিন নিয়ম মেনে ডি নিয়ে খবর আছে। এমন কিছু ইউ টিউব চ্যানেল আছে, সেখানে বলা ডি এ ঘোষণা করছেন। আসলে যেমন মিথ্যাবাদী ধাপ্পাবাজ সরকার তেমন তার পেটোয়া মিডিয়াও আছে, সাধারণ মানুষ কে বিভ্রান্ত করার জন্য। এসব খবর যারা দেখছেন বা সব টা না পড়ে কেবল শিরোনাম পড়ে তারা তো সরাকারি কর্মীদের সমন্ধে খারাপ ভাবছেন, যে সরকার এত ডি এ দিচ্ছে তার পরেও এরা আন্দোলন করে যাচ্ছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গরে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ ডি এ কেন দেওয়া হয় সেটা জানে না। তাদের ধারণা ডি এ দিলে কেবল সরকারি কর্মীদের লাভ, সেই টাকা যে বাজার অর্থনীতি তে কাজে আসে সে ধারনা নেই। কারণ মূল্য বৃদ্ধির টাকা এই ডি এ সেই টাকা সরকারি কর্মীদের মাধ্যমে সরকার বাজারে যোগান দেন, আর এই টাকা না দিলে বাজার ধুঁকতে থাকে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে, মজুরি কম হয়ে যায় অথচ জিনিস পত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া থাকে। যেটা আজ পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ছোট এবং মাঝারি দোকান বা ব্যবসা আজ প্রায় বন্ধের মুখে কারণ বাজারে টাকার যোগান নেই। সর্ব ভারতীয় মূল সূচক অনুযায়ী ২০১৬ সালে যে জিনিসটার মূল্য ছিল ১০০ টাকা এখন সেটা ১৫৩ টাকা হয়ে গেছে। কিন্তু সেই হারে মজুরি বৃদ্ধি হয় নি। আর এই কারণেই এ রাজ্যের শ্রমিক কুল অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাচ্ছে, এই রাজ্যের কাজের সুযোগ কমে গেছে, ছোট বড়ো কারখানা নেই, এই দেখলাম কোচবিহার থেকে উত্তর কাশির সুরঙ্গ কাটার কাজে গিয়ে সুরঙ্গে আটকে পরে ছিলেন এক শ্রমিক অনেকে চেষ্টার পর উদ্ধার হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, কি বললেন তিনি, যে বাংলায় কাজ নেই। কেবল কাজ নেই, কাজ করলেও মজুরি কম। যাহোক ওসব কথা যাক, সরকারের যিনি প্রধান তিনি বলছেন, ডি এ টা অপশনাল, তিনি ইচ্ছা করলে দেবেন না হলে দেবেন না। যে সব কর্মী ডি এ চাইবেন তারা রাজ্য সরকারের চাকরি ছেড়ে কেন্দ্র সরকারের চাকরি নিয়ে চলে যেতে পারে। অর্থাৎ এই রাজ্যের কর্মীদের দরকার নেই, কারণ তার ভাইয়েরা আছে যারা চুরি টা কম্পালসারি করে তুলেছে। ওনার সেই কর্মী দরকার যারা পাঁচ হাজার টাকা বেতন নিয়ে, চুরি তে সাহায্য করবেন। আর যে কর্মী চুরিতে সাহায্য করতে পারেন তার ডি এ লাগবে না তিনি তার বেতনের পাঁচ গুণ মাসে আয় করতে পারবে। যেমন বর্তমান পুলিশ এবং সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি পাওয়া আমলা বি ডি ও, এবং কিছু বড় বড় আমলা না হলে অবসর গ্রহণের পরও তাদের মেয়াদ বাড়িয়ে বা উপদেষ্টা হিসেবে রেখে দেন দু লক্ষ বা তিন লক্ষ টাকা মাসিক বেতনে। আর যত সরকারি প্রকল্প, শ্রী সাথি ভাণ্ডার তত ভাইদের ইনকাম, সরকারি কর্মীদের দরকার নেই আরেকটা কারণে প্রতি বছর ঘটা করে দুয়ারে সরকার আছে, আপনার আমার ট্যাক্স এর টাকায় মচ্ছব হয়। যদি মণ্ডপ ( প্যাণ্ডেল) এবং টিফিন আর অন্যান্য খরচ মিলে ৫০,০০০ খরচ করে বিল হবে পঞ্চাশ লক্ষ টাকার। এর ৭৫% টাকা যাবে কালি ঘাটে আর ২৫% ভাই বোনেরা নেবে। আর ওখানে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, আরও যে সব তথ্য দেবেন সে গুলো নিয়ে আপনার নামে ব্যাঙ্কে এ্যাকাউন্ট খোলা হবে, বা এ পি এ অর্থাৎ সি এএ প্রথম ধাপ করে নেওয়া হবে। দারুণ ব্যবস্থা এই কারণেই বলে দিচ্ছে সরকারি কর্মীদের না পোষালে চাকরি ছেড়ে চলে যেতে। কারণ এই দুয়ারে সরকার আছে। আর এই রকম কিছু পা চাটা সাংবাদিক ডি এ খবর করে যাচ্ছে। আরেকটা খবর কি ডি এ নিয়ে মামলা ওটা হচ্ছে পঞ্চম বেতন কমিশনের সময় কালীন বকেয়া ডি এ এর মামলা আর এখন ২০১৬ থেকে লাগু হয়েছে ষষ্ঠ বেতন কমিশন ষষ্ঠ বেতন কমিশনে ডি এ প্রায় তুলে দেওয়া হয়েছে, এই সাংবাদিক কে আরেকটা কথা বলি এই সরকার অন্য রাজ্যে থাকা পশ্চিমবঙ্গরে সরকারি কর্মীদের 53% ডি এ দেন। একটাই সরকার দু রকম নিয়ম, সেই কারণেই বলছি, আসলে চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী অশিক্ষিত যদি ক্ষমতা দখল করেছে, সেই কারণেই আজ বাঙালির এই অবস্থা। দেখবেন আরেকটা কথা প্রায় বলেন বাম আমলের ঋণ শোধ করতে হচ্ছে, মানুষ এত অশিক্ষিত যে ঐ কথাটা বিশ্বাস করে নিচ্ছে, আসলে ১৯৪৭ সাল থেকে ২০১১ পর্যন্ত বামেরা যাবার আগে পর্যন্ত ঋণ ছিল প্রায় ১.৯৩ লক্ষ কোটি টাকা আর এই বারো বছরে ঋণ সেই ঋণ দাঁড়িয়েছে ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা। আসলে মিথ্যা বলে বলে অভ্যস্ত প্রতি মুহূর্তে মিথ্যা বলে যাচ্ছে। মানুষ এই মিথ্যাচার মেনেও নিচ্ছে। নিজেরা মাসে পাঁচশ টাকা নিচ্ছে আর চোর গুলো মাসে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।
Wednesday, 29 November 2023
এখন চোর কে চোর বলা নিষেধ।
ইংরেজি পুলিশ বানান একটা অর্থ আছে, যতটা জানি যে পুলিশ এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখবে এবং আইনের শাসন যাতে থাকে সে দিকে নজর রাখবেন। এখন কিন্তু অনেকেই আর ছোট ছোট খাটো ঝামেলা হলেও থানায় যান না, ঐ বাম আমলের শেষের দিকে পাড়ার দাদার কাছে যেতেন, এখনও পাড়ার ছোট নেতা বড়ো নেতার কাছে যান। অনেকটা খাপ পঞ্চায়েতের মত, কারণ নেতার কথা ছাড়া থানা পুলিশ আর কারো কথা শোনে না। যত বড় নেতা তার তত দাম, আরে বাপু এ ব্যবস্থা ভালো যে যত বেশি দিতে পারে তার শত অন্যায় থাকলেও মাপ করে দেন। সে কারণেই এখন থানায় যাওয়া কমে গেছে, আর যদি কোন কারণে সাধারণ মানুষ নেতা কে জিজ্ঞেস না করে থানায় গেছে তাহলে তার কপালে দুঃখ আছে। প্রথমেই নেতার কুশল বিনিময় করতে হবে, তবে কাজ হবে, না হলে জুটবে লাঞ্ছনা হয়রানি না, না হলে নেতা ফোনে বলে দেবে সে রকম একটা ফলস কেশ, এসব কারণে আজ মানুষ সব সহ্য করে নেন। এমনকি চোর কে চোর পর্যন্ত বলতে ভয় পায়, কারণ পুলিশ এদের পাহারা দেয়। এখন তো দেখি ছোট বড় সব নেতাই প্রস্রাব, পায়খানা, স্নান করতে গেলেও পাহারাদার লাগে। এখন থানা পুলিশ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নয়, মানুষ সেটা বুঝেছেন, যে না বুঝে একটু ঝামেলাতেই চলে যাচ্ছে তার কপালে দুঃখ আছে, বিনা কারণে জেল অথবা আরম ধোলাই তার পর হাসপাতালে মৃত্যু। যারা ইংরেজ শাসন দেখেছেন এরকম মানুষ যদি বেঁচে থাকে তবে তাদের কাছে একটু জিজ্ঞেস করে দেখবেন কেমন ছিল তখন কার পুলিশ দেখবেন অনেকটাই মিল আছে, ঘুষ খাওয়া থেকে শুরু করে সব কিছু একই আছে, বাম আমলেও ছিল এখনও আছে বরং বেড়েছে কমেনি। কারণ শাসক এদের সাথে জড়িত, শাসক ঘুষ তথা কাটমানির ভাগ পায় বা নিজের টাকার একটা অংশ এদের সাথে লেনদেন করে। এসব আবার লেখা যাবে না, তাহলে কখন পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে তার ঠিক নেই, অর্থাৎ এখন চোর কে চোর বলা নিষেধ আছে। এখন পুলিশ চোরের পাহারাদার, আগে একটু কম ছিল এখন বেশি এই টুকু তফাৎ আছে।
বর্তমানে বাঙালির গর্বের সাথে বলতে পারে আমরা মহান চোরের জাতি ।
Monday, 20 November 2023
ডিজিটাল ইণ্ডিয়ার কাদের সুবিধা হল!
Wednesday, 15 November 2023
কালী পুজোর মন্ত্র ও নিয়ম।
ওঁ ক্রীং কালীকায়ৈ নমঃ । ক্রীং কালীর মূল মন্ত্র। প্রথমেই বলে রাখি আমি পণ্ডিত নই। আমার লেখায় যদি কোনো ত্রুটি থাকে তাহলে পণ্ডিত গণ নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন। এখানে লেখা মন্ত্র ও নিয়ম গুলো সব ক্ষেত্রে না হলেও দীপান্বিতা কালী পুজোয় অবশ্যই লাগবে। প্রথমেই বলি কালী পুজো করার জন্য ব্রাহ্মণের গুরু মন্ত্র না হলে তিনি নিয়ম মেনে গায়ত্রী মন্ত্র জপ করবেন বা মায়ের মূল মন্ত্র জপ করবেন। মূল মন্ত্র ক্রীং, হ্রীং শ্রীং এখানে একটা কথা বলি, এখানে লেখা বেশিরভাগ মন্ত্র সামবেদীয় মন্ত্র।
Wednesday, 23 August 2023
পশ্চিমবঙ্গরে শিক্ষা কি এখন ভালো হয়েছে!
আমি পশ্চিমবঙ্গরে বাসিন্দা, আমার পড়াশোনা বাম আমলে, একটু তুলনা করি এখন কার পড়ানোর বিষয় এবং তার বর্তমান শিক্ষক দের আচার আচরন। একজন শিক্ষক তার কাজ কি স্কুলে ছাত্র ছাত্রী দের সাথে সুন্দর ব্যবহার এবং তাদের পড়ানোর। বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা ভীষণ কঠিন কাজ। কারণ একটা বিষয় ভাবুন পাঁচ বছরের একটি বাচ্চা সে তার বাবা মা কে ছেড়ে বিদ্যালয়ে আসে পাঠ নিতে সে কিছু হয় তো শিখে আসে আবার না শিখে আসতে পারে। তাকে শেখাতে হবে হাতে ধরে। কিন্তু দুর্ভাগ্য বর্তমানে কিছু শিক্ষক মনে হয় শেখাতে আসেনি। তারা আসি যাই বেতন পাই কাজ কর্মের কিছু নাই। আর এদের না আছে শিশু শিক্ষা সম্পর্কে কোন জ্ঞান বা ধারণা অর্থাৎ চাইল্ড সাইকোলজি সম্পর্কে কোন জ্ঞান নেই। এরা নিজেদের বিদ্বান ভাবে এবং সেটা ঐ শিশু দের উপর প্রয়োগ করে। একজন পিছিয়ে পড়া শিশু কে কিভাবে শেখাতে হবে সেই ধারণা নেই। আর শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে উঠে ছাত্র শিক্ষক অভিভাবক দের নিয়ে ।সেই ধারণা নেই, অভিভাবক দের সাথে দূর ব্যবহার নিত্য ঘটনা।একটা ঘটনা বলি এটা থেকে বোঝা যাবে চাইল্ড সাইকোলজি সম্পর্কে এদের জ্ঞান কেমন, মনে করুন চতুর্থ শ্রেণির কোন ছাত্র ছাত্রী প্রেম ভালবাসা নিয়ে কোন কথা বলেছে, এই শিক্ষক কুল সেটা নিয়ে অভিভাবক কে ফোন করে ডেকে তাকে অপমান করবে মনে হবে 'আই লাভ ইউ বা প্রেম করে' এই শব্দ গুলো ওদের বলা উচিত নয় আর তার সাথে আছে মার, এখানেই প্রমাণ হয় বর্তমান দলের সমর্থক শিক্ষকদের শিক্ষা বিজ্ঞান বা চাইল্ড সাইকোলজি সম্পর্কে জ্ঞান নেই। কারণ সাইকোলজি অনুসারে ঐ বয়সের শিশু শৈশব ছেড়ে কৈশোরে পা দিয়েছে ওদের জানার আগ্রহ কথা এবং বড় দের থেকে শোনা কথা এবং তাদের আচার আচরণ নকল করবে এটা স্বাভাবিক এখানে শিক্ষক শিক্ষিকা ঐ কথা গুলো যে খারাপ নয় সেটা বোঝাবে কারণ ভালবাসা বাবা ছেলেকে আই লাভ ইউ মাই সন বলে আবার পশু প্রেম, বই প্রেম ফুলের প্রেম ইত্যাদি নানা বিষয়ে বলে ওটা কে সহজ করে দেওয়ার পরিবর্তে অভিভাবক দের ডেকে নিয়ে একটা ক্যাওস তৈরি করবে আর কথার কথায় স্কুলে আসবি না এই বলে বলে ধমকে এমন করবে যাতে ছাত্র ছাত্রী টি স্কুল আসা বন্ধ করে দেবে এই হচ্ছে বর্তমান কালের শিক্ষক শিক্ষিকা দের জ্ঞান। তবে এদের একটা গুন আছে প্রত্যেকে শাসক দলের সমর্থক জানে শাসক দল কে সমর্থন করলে কেউ কিছু করতে পারবে না । এরা পড়ানোর থেকে অফিসে বসে গল্প করতে বেশি ভালবাসে। ২০০৬ থেকে ২০২১ পর্যন্ত যে সব শিক্ষক নিয়োগ পেয়েছে প্রায় সকলেই কম বেশি এই রকম, কারণ তারা চাকরি করতে এসেছে অর্থাৎ এটা তাদের পেশা এখানেই তাদের চিন্তার সাথে অন্য শিক্ষক দের মেলে না। আবার একটা বিষয় খুব লক্ষ্যনীয় এরা সকলেই বর্তমান শাসক দলের সমর্থক। সময়ে আসব না, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত থাকব না। চল্লিশ মিনিট ক্লাস দশ পনেরো মিনিট অফিস রুমে কাটিয়ে তার পর ক্লাসে যাব। বোর্ডে কিছু লিখতে দিয়ে অন্য শ্রেণিতে গিয়ে অন্য শিক্ষকের সাথে গল্প করব। ছাড়ুন শিক্ষকদের কথা শাসক দলের সমর্থক শিক্ষক দের কথা যত না বলা যায় তত ভালো। বেশি বললে শাস্তি পেতে হবে। এবার আসুন বর্তমান সরকারের এই জঘন্য সিলেবাস বা পাঠক্রম নিয়ে, প্রাক প্রাথমিকের মজারু কুটুম কাটাম ও কিছুই নেই। ওই বই দুটো সারা বছর পড়াতে হবে আবার কোন মূল্যায়ন বা পরীক্ষা নেওয়া যাবে না। অথচ ২০১৩ সালের আগে এই বয়সে এরা বাংলা অমার গনিত এবং ইংরেজি পড়ত। যদিও ইংরেজি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বাম আমলের প্রথম দিকে পরে ১৯৯৭ সালে পুনরায় চালু করা হয়েছিল। সিলেবাস ছিল বাংলা ছড়া দিয়ে শুরু ধীরে ধীরে শব্দ ভেঙে বর্ণ শেখা, আবার ইংরেজি ছিল বাড়িতে বা বিদ্যালয়ে যে সব জিনিস পত্র আছে বা প্রতিদিনে বলা কিছু ইংরেজি শব্দ সেখান থেকে বর্ণ লেখা শেখা। .অঙ্ক ছিল যোগ ফল এক থেকে নয় এর মধ্যে এবং যোগ ও বিয়োগের ধারণা এগুলো ঐ পাঁচ বছরে শিখত। এবার ভাবুন বেসরকারি স্কুলের কথা ঐ বয়সে তারা কে জি ওয়ানে পড়ে পাঠক্রমে সব আছে বাংলা অঙ্ক ইংরেজি সব আছে। এবার প্রথম শ্রেণীর পাঠক্রমে আমার বই তিনটি অংশ, কি আছে সব কিছু ঠিক ঠাক না, না আছে সঠিক ভাবে শেখানোর অঙ্ক ইংরেজি বাংলা টা কিছু ঠিক আছে। ঐ যে আগে বললাম পাঁচ বছরের প্রাক প্রাথমিক যা শিখত তার উপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় শ্রেণির পাঠক্রম গুন ভাগ নামতা নামতা শেখানোর পদ্ধতি টা সুন্দর করে বলা ছিল। দ্বিতীয় শ্রেণির ও বাংলা অঙ্ক ইংরেজি বই ছিল দ্বিতীয় শ্রেণির উপর সাথে সমতা রেখে তৃতীয় শ্রেণির পাঠক্রম তৈরি করা হয়েছিল। এখন দ্বিতীয় শ্রেণিতে ইংরেজি যে টুকু আছে কিছুই নয় অথচ তৃতীয়া শ্রেণিতে উঠে ইংরেজি পাঠক্রম ও সে বলার নয়। উইংস নামে তিন টি পর্বের তিন টি বই আর বাটার ফ্লাই নামে দেড় শো পাতার বেশি একটা ইংরেজি বই অনেক শব্দ আছে যার বাংলা ডিকশেনারি দেখে বাড় করতে হয়। আবার ঐ যে শিক্ষক দের কথা বললাম ওরা তো শিখে এসেছে Cat মানে বিড়াল আর Dog মানে কুকুর। কুকুর মানে কি Dog তখন আর উত্তর নেই। অর্থাৎ ওটা যে একটা আলাদা ভাষা বাংলা থেকে ইংরেজি বা ইংরেজি থেকে বাংলা সেই ধারণা শিক্ষকের নেই। আর বলা হয়েছে বাংলা বলবেন না কেবল রিডিং পড়াতে এবং ছাত্র ছাত্রী রিডিং পড়বে এমন ইংরেজির বহর অধিকাংশ ছাত্র ছাত্রী রিডিং পড়তে পারে না। বই এবং ঐ বড়ো বড়ো গল্প বা লেখা দেখে ভয় পায়। ছাত্র ছাত্রী শিক্ষকের সাথে বা তার বন্ধুর সাথে সামান্য ইংরেজিতে কথা বলতে পারে না একে অপরের ইংরেজি তে নাম জিজ্ঞেস করা এবং বলা কিছুই জানে না। কারণ ওসব বলার সময় নেই। পাঠক্রম শেষ করতে হবে। অঙ্ক নিয়ে নাই বা বললাম কিছু শেখানোর মত নেই। নামতা সেগুলো সঠিক ভাবে শেখা বা শেখানো যায় না। নামতা যে গুন এই ধারণা থেকে শত গুন পেছনে। আর আমাদের পরিবেশ ওটা বই ছ্যা কিছু শেখানোর নেই জঘন্য ২০১৩ সালের আগে ওর বদলে তিনটি বই ছিল ইতিহাস ভুগোল বিজ্ঞান ওসবের বালাই নেই। সব থেকে জঘন্য বই হল ঐ আমার পরিবেশ, এখনও কয়েকটি বই আছে সেগুলো তে কি চাই পাঁশ শিখছে বোঝা যাচ্ছে না। একটি স্বাস্থ্য বই আরেকটা জাগ বাড়ি। ছাড়ুন চতুর্থ শ্রেণির অবস্থা সে বলে শেষ করা যাবে না। দশটা না বারো টা বই আছে। বিভিন্ন রকমের। এরকম পাঠক্রম দোহাই কার এন সি আর টির। আর বেসরকারি স্কুলের পাঠক্রম দেখুন এর থেকে ভালো সে কারণেই সরকারের বিদ্যালয়ে ভর্তি না করে একটু টাকা পয়সা খরচ করে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা বেসরকারি বিদ্যালয়ে ভর্তি করছে অভিভাবকরা আর তার উপর আছে শিক্ষকের ঘাটতি বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীর তুলনায় শিক্ষক কম আবার এমন আছে ছাত্র ছাত্রী কম শিক্ষক বেশি কিন্তু সেখান থেকে শিক্ষক কে বদলি করা যাবে না কারণ তারা সকলে শাসক দলের সমর্থক। আগে কি ছিল শিক্ষকরা বললে পাঠক্রম পরিবর্তন করা হত এখন কোন শিক্ষক কিছু বলে না। কারণ অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পাশ ফেল বলে কিছু নেই পড়াতে হয় না। এবার আসুন মূল্যায়ন ব্যবস্থা, ফর্মে টিভি এবং সামেটিভ মূল্যায়ন, ফর্মেটিভ পাঁচ টি বিষয়ে পঞ্চাশ নম্বর আর সামেটিভ মূল্যায়ন প্রথম পর্ব দশ নম্বর মনে করুন অঙ্ক বই টি তিন শো পাতার একশ পাতা পড়ার পর দশ নম্বরের মূল্যায়ন শিক্ষক হিমসিম খেয়ে যাচ্ছে প্রশ্ন করতে কোন টি বাদ দিয়ে কোন প্রশ্ন সে দেবে দশ নম্বরে মূল্যায়ন চার পাঁচ পাতার প্রশ্ন। প্রশ্ন পত্রের পাতা দেখে প্রথম শ্রেণীর ছাত্র ভয়ে পরীক্ষা দিতে আসে না। শুনবেন নম্বর দেওয়া পাঁচ টা প্রশ্ন দু (2) নম্বর আবার মনে করুন মূল্যায়ন পত্রে এক নম্বরে প্রশ্নের আটটি প্রশ্ন আছে সব গুলো উত্তর ঠিক দিতে পারে তবে সে চার পাবে। দশ নম্বর প্রশ্ন থাকছে মোট ত্রিশ থেকে চল্লিশ টি। আবার দ্বিতীয় পর্ব তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কুড়ি নম্বর কিছু কিছু শিক্ষক পঁচিশ থেকে ত্রিশ টি প্রশ্ন করে দিচ্ছে। এবার ভাবুন তৃতীয় পর্ব ঐ হারে প্রশ্ন হলে পঞ্চাশ বা ত্রিশ নম্বরে কত গুলো প্রশ্ন থাকতে পারে। আবার এদিকে ওদিকে আছে ২০১৯ সাল থেকে বাংলার শিক্ষা পোর্টাল খুলেছে। কোন প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একটাও কম্পিউটার নেই, দিলেও চুরি হয়ে যাবার ভয় আছে। কিন্তু পোর্টালে সব করতে হবে। ভার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (কারণ এখন প্রাথমিকে কোন প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা হয় না চারশো টাকা বেশি বেতন দেবার ভয়ে প্রাথমিক শিক্ষক দের একটাই প্রমোশন সেটাও এই সরকারের দৌলতে বন্ধ হয়ে গিয়েছে।) এই মূল্যায়নের নম্বর আবার এস এম এস পোর্টালে তুলতে হবে সেটা আবার আরেকটা পোর্টাল কি অদ্ভুত সারা দিন রাত চেষ্টা করে একবার যদি বা খোলে নম্বর এন্ট্রির পর সাব মিট দিন হারগিস নেবে না। দশ দিনের চেষ্টার পর কোন শ্রেণীর একটা বিষয় নম্বর ওখানে তোলা যাবে। আর ঐ যে প্রশ্নের ঠেলায় চোখে সর্ষে ফুল দেখা ছোট শিক্ষার্থীরা কি পেল কারণ পঁচিশ ত্রিশ টির প্রশ্নের উত্তর সকলে পারে না। যদি পাঁচ টি ঠিক করে পেল দুই আর দশটি ঠিক করে পেল চার বড়ো জোর পাঁচ দশে দশে দশ যে ছেলে মেয়েরা পেল তাদের অনেক ভাগ্য ভালো কারণ তারা শ্রেণিতে শিক্ষক শিক্ষিকা দের কথা শোনে মাথা টিপে দেওয়া আর কিছু আছে যা তারা করে দেয় সে কারণেই তাদের উত্তর বলে দিয়ে নম্বর করে দেওয়া হয়। এই রকম শিক্ষা ব্যবস্থা সত্যিই সুনাম পাবার যোগ্য। কিছু বলা যাবে না বেশির ভাগ শাসক দলের সমর্থক, এর সাথে আছে শাসক দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত প্রতিনিধি তিনি স্কুলের কোন দরকারে টাকা খরচ করতে হবে স্কুল সেটা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না ওনার সময় হলে উনি এসে বলবেন তবে হবে এবং কিছু জানুক আর না জানুক শিক্ষক কে বিভিন্ন ভাবে নাজেহাল করে তোলা হবে। আর ওদিকে অফিস থেকে বার বার ইউ সি দিতে বলা হবে উনি চেকে স্বাক্ষর করুক আর নাই করুক তাহলে টাকা মেটাবে কে কেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। দারুণ চলছে আর কিছু দিন চললে ঐ ৮৩৩৪ টি বিদ্যালয় নয় পশ্চিমবঙ্গরে সব কটি সরকারি এবং সরকার পোষিত বিদ্যালয় উঠে যাবে। সবশেষে বলি ক্ষমা করে দেবেন কারণ রাজা রামমোহন আর বিদ্যাসাগরের রাজ্যে শিক্ষার এই হাল দেখে খারাপ লাগছে। আবার জাতিয় শিক্ষা নীতি চালু করতে হবে। একটা দোহাই দেওয়া হবে, 'না হলে সারা ভারতের সাথে পিছিয়ে পরবে' । তার পাঠক্রম এবং দ্বিতীয় শ্রেণি পর্যন্ত আই সি ডি এস বা একই বিদ্যালয়ে শিক্ষার সব গুলো শুরু করা অর্থাৎ আই সি ডি এস থেকে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত সব টাই এক ছাদের তলায় আনার পরিকাঠামো নিশ্চয়ই আছে। আবার বলছি ক্ষমা করে দেবেন।
Tuesday, 22 August 2023
পশ্চিমবঙ্গরে শাসক মানুষ কে বিশ্বাস করে না।
পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুগ যুগ জিও, দারুণ এরকম সরকার এই সরকার এসে মানুষ, আঠাশ টা শ্রী, ভাণ্ডার, দু টো না তিন টি সাথী আরও কিছু আছে তার মধ্যে আবার পড়ুয়াদের মোবাইল, ট্যাব পড়ুয়ার দল এখন আর স্কুলে যায় না। বাড়িতে বসে গেম খেলে সময় কাটায় বাবা মায়ের শতেক জ্বালা একটি বা দুটি সন্তান কিছু বলতে পারে না। এত আর বিহার উত্তর প্রদেশের ঐ মুসলিম বা দলিত নয় যে গণ্ডা গণ্ডা সন্তান জন্ম দেবে আর কাজের সন্ধানে অন্য রাজ্যে এসে অন্যায় কাজ গুলো করবে। এখন পঞ্চায়েত কর্মী থেকে অফিসে পুলিশে অধিকাংশ ঐ বিহার উত্তর প্রদেশের মুসলিম তারা আধা বাংলা আধা হিন্দি তে কথা বলছে, কেউ কেউ এখন বলছে আমরা প্রবাসী বাঙালি ছিলাম এখন এখানে চলে এসেছি। এসেই সরকারি চাকরি কারণ একটাই বাঙালির শিক্ষা আজ রসাতলে আগে কলেজে গিয়ে ক্লাস করতে হত এখন কলেজ বাড়ি টা আছে ছ মাস পর পর একটা করে পরীক্ষা নেওয়া আর শাসক দলের পার্টি অফিস করার জন্য। কারণ ঐ যে ফোন বা ট্যাপ দেওয়া হয়েছে ওটা নিয়ে ব্যস্ত ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা হচ্ছে কলেজে তো ক্লাস হয়নি কি হচ্ছে। পরীক্ষার পনেরো দিন আগে ঐ সব ফোনে বা ট্যাবে পরীক্ষায় কি কি পরবে প্রশ্ন উত্তর চলে আসছে ছাত্র ছাত্রীরা যে পারছে পড়ে ঐ গুলো লিখে আসছে। ছাড়ুন ওসব, কারণ চাকরি পাওয়ার একটাই শর্ত কে কত লাখ টাকা দিতে পারবে। অপরাধের কোন বিচার নেই। আমার কথা ওসব নয় সরকার এত কিছু দিচ্ছে এর পরেও ভোট এলেই মানুষ খুন, সে শাসক দলের হোক অথবা বিরোধী কেউ রেহাই পাচ্ছে না। গত বিধানসভা ভোট, বা এই পঞ্চায়েত ভোটে কত মায়ের কোল খালি হয়ে গেছে তার হিসেব নেই। মানুষের এত উন্নয়ন অথচ সরকার পক্ষ সেই মানুষ কে বিশ্বাস করে না, আর এই কারণেই মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারে না।বর্তমান শাসক দলের চুন পুঁটি প্রত্যেকের একটাই বক্তব্য আগে চৌঁত্রিশ বছর এসব হয়েছে। আরে তারা এসব করেছে বলেই না মানুষ তাদের তাড়িয়েছে। এই সরকারের ইচ্ছা নেই শান্তি পূর্ণ ভোট হোক, কারণ ভোটার এবং ভোট কর্মীদের কোন নিরাপত্তা নেই। সাধারণ ভোটার তাকে এত কিছু দিয়েও বিশ্বাস করতে পারছে না এই শাসক দল বা তার কর্মীরা। সত্যিই মানুষ আজ দিশেহারা যে সরকার তার জনগণ কে নিরাপত্তা দিতে পারে না, এবং বিশ্বাস করতে পারে না সেখানে মানুষ কিভাবে শান্তি তে থাকবে। এখানে এখন শ্মশানের শান্তি বিরাজ করছে কেউ যদি মুখ খুলেছে ব্যস তার অবস্থা শোচনীয় হয়ত দেখা যাবে তিনিও চেয়ে ছিলেন বাম সরকারের পরিবর্তন করে এই সরকার আনতে। তিনি ও শাসক দলের সমর্থক তাকেও এই শাসক বিশ্বাস করতে পারছে না। সত্যিই এই শাসকের জবাব নেই। যে মানুষের জন্য এত কিছু করেও মানুষ কে বিশ্বাস করে না এবং মানুষ কে তার গনতান্ত্রিক অধিকার অর্থাৎ ভোট দিতে দেন না। কি করে বলি সেই সরকার বা শাসক মানুষ কে বিশ্বাস করে!
এবার দুর্গা পুজার অনুদান 85 হাজার টাকা হল।
Monday, 24 July 2023
পশ্চিমবঙ্গরে নির্বাচন এখন প্রহসন হয়ে গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের ভোট ২০১১ সালের আগে তবু শান্তি পূর্ণ ভোট হতো ।মানুষ ভোট দিতে পারত এখন, শাসক দল আর প্রশাসন মিলে পশ্চিমবঙ্গরে নির্বাচন কে প্রহসনে পরিনত করে দিয়েছে। রাজ্যের যে কোন নির্বাচন রক্তপাত ছাড়া হয় না। ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার দিন থেকে এবং নির্বাচন মিটে যাওয়ার পরও খুন লেগে আছে। মরছে সাধারণ মানুষ, এখনও পর্যন্ত ৫৯ জন কে বিভিন্ন ভাবে খুন করা হয়েছে। যে মায়ের কোল খালি হয়েছে সে শূন্যতা শাসক বা প্রশাসনের কর্তারা কেউ পূরণ করতে পারবে না। আগ বিহার উত্তরপ্রদেশে এই রকম নির্বাচন হতো এখন পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে। কারণ শাসক চায় না শান্তি পূর্ণ নির্বাচন হোক।কারণ একটাই যে কোন ভাবে জিততে হবে। মদ মাংসের ফোয়ারা ছুটছে, রাজ্যে কলকারখানা নেই, বেকার ছেলে মেয়েরা তারা একটু টাকার লোভে পড়ে অন্য মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, প্রশাসন আর শাসকের মদতে। চার পাশে এখন যা পরিস্থিতি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে তাতে করে পশ্চিমবঙ্গে আর কোন দিন শান্তি পূর্ণ ভোট হবে না। কারণ কাটমানি ২০০৮ সালে পঞ্চায়েত পরিবর্তন ঘটে তার পর থেকে আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে কাটমানির পরিমাণ, কিসে বা কোন কাজে শাসক দলের নেতা কর্মী দের টাকা দিতে হয় না। দেখা যাচ্ছে রাস্তা তৈরি করা হয় নি অথচ খরচের বোর্ড লাগানো হযে গেছে। আর কুড়ি টাকার মদের পাউচ আর মাংস কোন কোন জায়গায় সরাসরি টাকা দিয়ে ভোট কেনা চলছে। সত্যিই এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সামনে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ বাসি।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...


~2.jpeg)


