ইংরেজি পুলিশ বানান একটা অর্থ আছে, যতটা জানি যে পুলিশ এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখবে এবং আইনের শাসন যাতে থাকে সে দিকে নজর রাখবেন। এখন কিন্তু অনেকেই আর ছোট ছোট খাটো ঝামেলা হলেও থানায় যান না, ঐ বাম আমলের শেষের দিকে পাড়ার দাদার কাছে যেতেন, এখনও পাড়ার ছোট নেতা বড়ো নেতার কাছে যান। অনেকটা খাপ পঞ্চায়েতের মত, কারণ নেতার কথা ছাড়া থানা পুলিশ আর কারো কথা শোনে না। যত বড় নেতা তার তত দাম, আরে বাপু এ ব্যবস্থা ভালো যে যত বেশি দিতে পারে তার শত অন্যায় থাকলেও মাপ করে দেন। সে কারণেই এখন থানায় যাওয়া কমে গেছে, আর যদি কোন কারণে সাধারণ মানুষ নেতা কে জিজ্ঞেস না করে থানায় গেছে তাহলে তার কপালে দুঃখ আছে। প্রথমেই নেতার কুশল বিনিময় করতে হবে, তবে কাজ হবে, না হলে জুটবে লাঞ্ছনা হয়রানি না, না হলে নেতা ফোনে বলে দেবে সে রকম একটা ফলস কেশ, এসব কারণে আজ মানুষ সব সহ্য করে নেন। এমনকি চোর কে চোর পর্যন্ত বলতে ভয় পায়, কারণ পুলিশ এদের পাহারা দেয়। এখন তো দেখি ছোট বড় সব নেতাই প্রস্রাব, পায়খানা, স্নান করতে গেলেও পাহারাদার লাগে। এখন থানা পুলিশ সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নয়, মানুষ সেটা বুঝেছেন, যে না বুঝে একটু ঝামেলাতেই চলে যাচ্ছে তার কপালে দুঃখ আছে, বিনা কারণে জেল অথবা আরম ধোলাই তার পর হাসপাতালে মৃত্যু। যারা ইংরেজ শাসন দেখেছেন এরকম মানুষ যদি বেঁচে থাকে তবে তাদের কাছে একটু জিজ্ঞেস করে দেখবেন কেমন ছিল তখন কার পুলিশ দেখবেন অনেকটাই মিল আছে, ঘুষ খাওয়া থেকে শুরু করে সব কিছু একই আছে, বাম আমলেও ছিল এখনও আছে বরং বেড়েছে কমেনি। কারণ শাসক এদের সাথে জড়িত, শাসক ঘুষ তথা কাটমানির ভাগ পায় বা নিজের টাকার একটা অংশ এদের সাথে লেনদেন করে। এসব আবার লেখা যাবে না, তাহলে কখন পুলিশ বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে তার ঠিক নেই, অর্থাৎ এখন চোর কে চোর বলা নিষেধ আছে। এখন পুলিশ চোরের পাহারাদার, আগে একটু কম ছিল এখন বেশি এই টুকু তফাৎ আছে।
No comments:
Post a Comment