Anulekhon.blogspot.com
Monday, 16 November 2020
দেব দেবীরাও মর্ত্যলোক ছেড়ে যেতে চান না!
আগে আমার ছোট বেলা মনে পড়ছে, দুর্গা পুজো হতো চার দিন, কোন কোন বছর পাঁচ দিন। এখন পর্যন্ত দুর্গা পুজোর বিষয় ঠিক থাকলে ও অন্যান্য ঠাকুর পুজো দেখলে মনে হবে, তিনি মর্ত্যে এসে আর যেতে চাইছেন না। এটা সব জায়গায় না বঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় থেকেই যান তিনি, যেমন ধরুন কোজাগরি লক্ষ্মী পুজো আগে দুদিন, এখন কিছু জায়গায় এসে চার দিন পাঁচ দিন থাকেন। কালী পুজো দীপান্বিতা কালি পুজো এই ক দিন আগে যে পুজো হলো, ইনিও ক্ষেত্র বিশেষে চার পাঁচ দিন থেকে যান। . কার্তিক মাসের কার্তিক পুজো তিনি ক্ষেত্র বিশেষে থেকে যান চার থেকে পাঁচ দিন। মাঘ মাসের সরস্বতী পুজো, ইনিও আসেন কোথাও কোথাও করে চার দিন থাকেন। ফাল্গুনের শিব দুর্গা পুজো যে টি এক রাতের পুজো তিনিও আসেন তিন দিনের জন্য। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে দুর্গার সাথে সকলে মিলে প্রতিযোগিতায় নেমেছে। কার কত ভক্ত আছে, আর কে কত দিন থাকতে পারে, সত্যি দেবতার এত মহিমা এবং তাদের মধ্যেও ক্ষমতা অর্থাৎ মর্ত্যে থাকার ক্ষমতা প্রতিযোগিতা শুরু হয়েেছে।
সব কাজ অন লাইন, তবুও পড়ছে লম্বা লাইন।
রেলের টিকিট অন লাইন, ( বর্তমান মহামারীর সময় বন্ধ আছে) কাটা যাবে, ব্যবস্থা আছে তবুও পড়ছে লম্বা লাইন ।কতগুলো কারণ এক স্টেশনের বা রেলের নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে এই টিকিট কাটতে হবে। কেউ প্লাটফর্ম বা রেলের জায়গায় দাঁড়িয়ে নিজের ফোনে, অন লাইনে এই টিকিট কাটতে পারে না। এবার লম্বা লাইন এ দাঁড়িয়ে কাউন্টারে পৌঁছে শুনতে হবে। লোকাল ইলেকট্রিক নেই, যেমন এই সেদিন ৯/ ১১ / 2020 সিঙ্গুর স্টেশনে সকাল ৯ টা থেকে বিকেল সাড়ে চারটে পর্যন্ত লোকাল ইলেকট্রিক ছিল না। ৯ /১১ /2020 এবং ১০/১১ / 2020 ছিল লকডাউনের সময় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, তার পরেও যাদের মাসিক, ত্রৈমাসিক, ষাণ্মাসিক, বাৎসরিক টিকিটের দিন গুলো যাতায়াত করতে পারে নি তাদের দিন সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া। অর্থাৎ যার যতদিন বাকি ছিল ১১/১১ /2020 থেকে ততদিনের দিন সংখ্যা দেওয়া। দুর্ভাগ্য হলেও সত্য ৯/ ১১ / 2020 সকাল ৯ টা থেকে লোকাল ইলেকট্রিক না থাকার কারণে সে বন্ধ ছিল শুরু হয় বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ। আশ্চর্য ব্যাপার রেলওয়ের ইলেকট্রিক তাও লোকাল ইলেকট্রিক এর উপর নির্ভর করতে হয়। অথচ স্পেশাল ট্রেন চলাচল করেছে, স্টেশন মাস্টার এর ঘরে আলো জ্বলছে সব হয়েছে কেবল টিকিট আপডেট বন্ধ। আবার প্রায় দিনই কাছে পৌঁছে শুনতে হয়, সার্ভার ডাউন, লিঙ্ক নেই। অন লাইন হয়েও যদি লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয় তাহলে অন লাইন এ কি দরকার! এবার আসুন ব্যাঙ্কের কথায়, সিঙ্গুর ইউ বি আই ( বর্তমানে পাঞ্জাব ন্যাশনাল) মার্চ মাসে পাশ বই অপডেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আজ পর্যন্ত মেশিন ঠিক করে নি। একটা মজার ব্যাপার আছে, ব্যাঙ্কের বাইরে সকাল ৯ টা থেকে লম্বা লাইন মানুষ গায়ে গায়ে দাঁড়িয়ে আছে, সংকীর্ণ রাস্তা তাতেই বিশাল লম্বা লাইন। ভেতরে ঢুকতে দিচ্ছে পাঁচ জন, সেখানে শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হচ্ছে। আর বাইরে শারীরিক দূরত্বের কোনো বালাই নেই, কেউ দেখার নেই। ঐ সংকীর্ণ রাস্তার পাশের দোকান দার বিরক্ত হয়ে যাচ্ছে, কিন্তু বৃদ্ধ মানুষ গুলোর মুখের দিকে তাকিয়ে কিছু বলতে পারে না। কি অদ্ভুত সুন্দর ব্যবস্থা, নীচে একটা এ টি এম আছে সেটা দীর্ঘ দিন বন্ধ এবং খারাপ করে রাখা হয়েছে। মনে হয় কোথাও বাতিল জিনিস সরিয়ে লাগানো হয়েছে। এই ব্যাঙ্কের একটা কাজ টাকা তোলা ও জমা করতে হলে ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকাতে হবে। মানুষের অন্য সব কাজ ফেলে একটা দিন এই ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে তাও হবে কিনা সন্দেহ, ভেতরে ঢুকে শুনতে হবে লিঙ্ক নেই, কিম্বা আপনার বাবার জণ্ম শংসাপত্র নেই। এদের আবার অনেকে গোপন নিয়ম আছে আপনাকে ফিরিয়ে দেবার কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আপনি ভেতরে ঢুকে গেলেন, আপনার, K. Y. C দেওয়া নেই দিতে হবে অথচ ওরা যা কাগজ পত্র চেয়ে ছিল সব জমা করে ছিলেন, দেখে শুনে এমন একটা কিছু কাগজপত্রের কথা বলা হবে যা সেই মূহুর্তে বলে নি। এবার আপনি আবার পরের দিন সেই কাগজ নিয়ে গেলেন লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন ভাবছেন আজ টাকা জমা বা তোলা যাবে, কিন্তু না আপনি অনেক কষ্টে ভেতরে গিয়ে আবার একটা কাগজের কথা শুনবেন। আমার তো মনে হচ্ছে ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা তুলে দেওয়ার জন্য এরা যথেষ্ট। এবার আসুন রেশন কার্ড, নিশ্চয়ই অনেকেরই অভিজ্ঞতা হয়েছে। সব অন লাইন করা যায়, কিন্তু অন লাইন সাইট টা খোলা যাবে না, সেখানে সাধারণ মানুষ যাতে ব্যবহার না করতে পারে তার ব্যবস্থাপনা করা আছে, হয়তো বা নকল হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে, সে বাধ দিন, লাইনে দাঁড়িয়ে আপনি ভাবলেন আপনার কাজ হয়ে যাবে কিন্তু না একটা না একটা ঠিক খুঁত খুঁজে বের করা হবে। আর বর্তমানে আধার কার্ডের বাইরে এই রেশন কার্ড কোন কাজ করা যায় না। আরও অনেক কিছুই আছে নামে অন লাইন কিন্তু ঘন্টার পর ঘন্টা লাইন দিতে আপনাকে হবেই।
জণ্মের সময় ও বার অনুযায়ী রাশি ১৩৯৯/ ১৯৯২ ।
১ লা বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি ১৪ /৪/ ১৯৯২ মঙ্গলবার শুক্লা দ্বাদশী
সূর্য উদয় হয়ে ছিল :- সকাল ৫ টা ২১ মিনিটে জণ্ম রাশি ছিল সিংহ রাশি এবং রাত্রি ১২ টা ১ মিনিট গতে কন্যারাশি।
২ রা বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ১৫/৪ /১৯৯২ বুধবার
সূর্য উদয় :- সকাল ৫ টা ২০ মিনিটে জণ্ম রাশি :- কন্যারাশি
৩ রা বৈশাখ ১৩৯৯, :- ইংরেজি ১৬ /৪/ ১৯৯২ বৃহস্পতিবার
সূর্য উদয় :- সকাল ৫ টা ১৯ মিনিটে জণ্ম রাশি :- কন্যারাশি। রাত্রি ৩ টা ৫৩ মিনিট থেকে তুলারাশি।
৪ ঠা বৈশাখ ১৩৯৯, :- ইংরেজি :- ১৭/৪/ ১৯৯২ শুক্রবার পূর্ণিমা।
সূর্য উদয় :- সকাল ৫ টা ১৮ মিনিটে জণ্ম রাশি :- তুলারাশি
৫ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ১৮/৪ /১৯৯২ শনিবার
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১৭ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- তুলারাশি।
৬ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ১৯ /৪ / ১৯৯২ রবিবার
সূর্য উদয় :- সকাল ৫ টা ১৬ মিনিটে। জণ্মের রাশি ছিল তুলারাশি। সকাল ৯ টা ৪২ মিনিট থেকে বৃশ্চিকরাশি।
৭ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২০ / ৪ / ১৯৯২ সোমবার
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১৫ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- বৃশ্চিকরাশি।
৮ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২১/৪/ ১৯৯২ মঙ্গলবার
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১৫ মিনিটে। জণ্মের রাশি ছিল :- বৃশ্চিকরাশি সন্ধ্যা ৫ টা ৫৮ মিনিটের পর থেকে ধনুরাশি।
৯ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি ২২/ ৪ / ১৯৯২ বুধবার।
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১৪ মিনিটে । জণ্মের রাশি :- ধনুরাশি
১০ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২৩ /৪ / ১৯৯২ বৃহস্পতিবার।
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১৩ মিনিট। জণ্মের রাশি :- ধনুরাশি, ভোর ৪ টা ৩৩ মিনিটের পর মকররাশি।
১১ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২৪ /৪/ ১৯৯২ শুক্রবার।
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১২ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- মকররাশি।
১২ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২৫ /৪/ ১৯৯২, শনিবার।
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১২ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- মকররাশি।
১৩ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২৬ /৪/ ১৯৯২, রবিবার।
সূর্য উদয় :- ৫ টা ১১ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- মকররাশি বিকেল ৪ টে ১৭ মিনিটের পর থেকে কুম্ভরাশি।
১৪ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২৭ /৪/ ১৯৯২, সোমবার। সূর্য উদয় :- ৫ টা ১০ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- কুম্ভরাশি।
১৫ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২৮ /৪/ ১৯৯২, মঙ্গলবার, সূর্য উদয় :- ৫ টা ১০ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- কুম্ভরাশি। ভোর ৩ টে ৩০ মিনিটের পর থেকে, মীনরাশি।
১৬ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২৯ / ৪/ ১৯৯২, বুধবার। সূর্য উদয় :- ৫ টা ৯ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- মীনরাশি।
১৭ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ৩০ /৪ / ১৯৯২, বৃহস্পতিবার। সূর্য উদয় :- ৫ টা ৮ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- মীনরাশি।
১৮ ই বৈশাখ ১৩৯৯, ইংরেজি :- ১/৫/ ১৯৯২, শুক্রবার। সূর্য উদয় :- ৫ টা ৮ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- মীনরাশি। দুপুর ১২ টা ৪৯ মিনিটের পর থেকে, মেষরাশি।
১৯ শে বৈশাখ, ১৩৯৯, ইংরেজি :- ২/ ৫/ ১৯৯২, শনিবার। সূর্য উদয় :- ৫ টা ৭ মিনিটে। জণ্মের রাশি :- মেষরাশি।
২০ শে বৈশাখ ১৩৯৯ ইংরেজি ৩/৫/১৯৯২ রবিবার সূর্য উদয় ৫ টা ৬ মিনিট। জণ্ম রাশি :- মেষরাশি সন্ধ্যা ৭ টা ৩৪ মিনিটের পর বৃষরাশি।
২১ শে বৈশাখ ১৩৯৯ ইংরেজি ৪/৫/ ১৯৯২ সোমবার সূর্য উদয় ৫ টা ৬ মিনিট। জণ্ম রাশি বৃষরাশি।
২২ শে বৈশাখ ১৩৯৯ ইংরেজি ৫/৫/১৯৯২ মঙ্গলবার সূর্য উদয় ৫টা ৫ মিনিট জণ্ম রাশি বৃষরাশি রাত্রি ১২ টা ৮ মিনিট থেকে মিথুনরাশি।
Friday, 13 November 2020
এ কোন ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে আমার দেশ ও আমার রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ!
ভারতীয় রাজনৈতিক দল গঠন করা বলুন আর ভারতের মানুষের দাবি আদায়ের জন্য বলুন, ১৮৮৫ সালে এক ইংরেজের হাত ধরে ভারতে কংগ্রেস তথা এক সভা আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সভায় সভাপতি ছিলেন উমেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। অনেকেই বলেন সেই শুরু ভারতের কংগ্রেসের আন্দোলন, তার পর এক এক করে দাবি উত্থাপন করা এবং সে গুলো আদায়ের চেষ্টা, কিন্তু কোন দাবি পূরণ করতে চান না সরকার কেবল নিজে দের অর্থাৎ ইংরেজ সরকারের স্বার্থ জড়িত না হলে এমন একটা দাবিও পুরন করে নি সরকার। আস্তে আস্তে কংগ্রেস প্রায় নিস্কৃয় গোষ্ঠীতে পরিণত হতে থাকে, জণ্ম নেয় উগ্রপন্থার এই দক্ষিণ আফ্রিকায় এক গুজরাটী ভারতীয় ইংরেজ সরকারের কে নানা ভাবে সাহায্য করতে থাকে। এমন কি প্ররথ বিশ্ব যুদ্ধের সুচনা লগ্নে তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে সেই যুদ্ধে ভারতীয়রা কিভাবে ইংরেজ সরকার কে সাহায্য করতে পারে তার ব্যবস্থা করেন। এদিকে ভারতে ইংরেজ সরকার বিরোধী আন্দোলন যখন চরম আকার ধারন করেছে তখন তাকে ইংরেজ সরকার তাদের প্রতিনিধি করে নিয়ে আসে কেউ বলেন তাকে নিয়ে আসা হয় ১৯১৬ সালে আবার কেউ কেউ বলেন তিনি আসেন ১৯২০ সালে, তিনি এসে সশস্ত্র সংগ্রাম কে বাদ দিয়ে অহিংস পথে কীভাবে আন্দোলন করা যায় সেটা করতে থাকেন। একটা ভাববার বিষয় সশস্ত্র ব্রিটিশ পুলিশ নিরস্ত্র মানুষের আন্দোলন। ওনার কথা মত শুরু হলো অসহযোগ আন্দোলন, কিন্তু ব্রিটিশ
১৪০০ বছরের ধর্মটি কখনো শান্তির কথা বলে নি।
Tuesday, 10 November 2020
ভারতীয় গনতন্ত্রের ভিলেন নয়তো EVM
বিশ্বের সব থেকে বড়ো গনতান্ত্রিক দেশ ভারত ভারতের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন জনগণের প্ররতিনিধি। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা যে দল সংখ্যা গরিষ্ঠ তারা ক্ষষমতা দখল করে রাজ্য বা দেশ শাসন করে। মানুষের মতদান বা ভোট দান কে উন্নত মানের করতে চেষ্টাট ত্রুটি নেই নির্বাচন কমিশনের। প্ররশ্ন একটা থেকেই যাচ্ছে এই চেষ্টা কতটা ত্রুটি মুক্ত। প্রথম আসা যাক EVM এর ভোট দানের মেশিন একে এক ধরনের কম্পিউটার বলা যায়। এর মেমরি সেল থেকে যাবতীয় সব কিছু আছে। প্রশ্ন যেখানে সরকারের দফতরের বিভিন্ন উন্নত মানের কম্পিউটার হ্যাক করে হ্যাকাররা সব পাল্টে দিচ্ছে। সেখানে এটি কতটা নিরাপদ, একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর এর মেমরি পরিবর্তন করা যাবে বা হয়ে যাবে এই ভাবে সেট করা যায় কিনা? এসব লেখার কারণ আছে, দেখা যাবে ই ভি এম ভোটের ফল আর ব্যালট এর মাধ্যমে ভোটের ফল অন্য পাওয়া যাবে। কয়েকটি রাজ্যের দিকে তাকিয়ে দেখুন রাজ্য সরকার জনগণের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে। না আছে বেকারের কর্ম সংস্থান, না আছে কোন শিল্প, কেবল নেতা আর কিছু মানুষ আছেন যারা টাকার পাহাড় করেছে তবুও নাকি মানুষ তাদের ভোট দিচ্ছে, উদাহরণ স্বরূপ গুজরাত, কি ভালো কাজ করেছেন। আর বর্তমানে করোনা মহামারীর আবহে গরীব খেটে খাওয়া মানুষ এর শোচনীয় অবস্থা করে তুলেছে কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার কত মানুষ না খেয়ে মারা গেছে, কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি ফিরেছে। রাস্তায় সন্তান জন্ম দিতে হয়েছে কোলের সন্তান না খেয়ে রাস্তার মধ্যে মারা গেছে, সেই মৃত সন্তানের দেহ নিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরেছে। তার পরেও বিহারের জনগণের পছন্দ বিজেপি নেতৃত্ব কে? এসব দেখে কি বলা যাবে, পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের ফল এখন থেকেই বলা যাবে, বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে। ভিলেন ই ভি এম, এছাড়া আরো কত গুলো কারণ আছে একটা বাহুবল, দুই টাকা, ভয় দেখিয়ে টাকার জোরে ই ভি এম মেমরি প্রস্তুত সংস্থাকে নিজের মত পরিচালনা করা যায় অনায়াসে কারণ যে শিল্পপতি কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে শোধ করে না। তাদের ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়, তারা যে শাসক এটি করে সেই দল যদি বারবার ক্ষমতায় আসে সেই চেষ্টা করে।
Sunday, 8 November 2020
ভারত সরকার CAA এর আইনের জন্য প্রতিবেশী দেশে সংখ্যা লঘু নির্যাতন বেড়েছে!
Thursday, 5 November 2020
বাংলায় বাম - কংগ্রেস জোট কি ভীতির কারণ!
হিন্দুস্থান টাইমস বাংলার খবর, এর আগেও অন লাইন একটি সংবাদ ছিল বাম কংগ্রেস জোট হচ্ছে না। কারণ কংগ্রেস সভাপতি বলেছেন কংগ্রেস বাম নাম করতে। কংগ্রেস কথটা আগে থাকবে। আরও কিছু অনলাইন সংবাদ পত্র আছে যারা বিভিন্ন ভাবে এই হচ্ছে না বা হবে না এসব প্ররচা করছে। এসব দেখে এবং পড়ে আমার মনে হচ্ছে এই জোট কে ভয় করতে শুরু করেছে অনেকেই, কারণ সংবাদ সংস্থা গুলো যে ভাবে এই জোট যাতে যে ভাবে হোক ভেস্ততে দিতে চায়। তারা বুঝতে পারছে, ২০১৬ সালের পরিস্থিতির থেকে এখন রাজ্যযে পরিবর্তন এর হাওয়া বইছে। কিছু সংবাদ সংস্থা বলতে গেলে প্রারা সব মিডিয়ায় একটাই প্রচার বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসছে। কারণ দিদি বিজ্ঞাপন দিয়ে ক টাকা দেয় দাদার দল এলে কেন্দ্রীয় বিজ্ঞাপন আবার রাজ্যের বিজ্ঞাপন সোনায়
Wednesday, 4 November 2020
যে দেশের জাতীয় কবি নজরুল, সেই দেশে ধর্মের নামে মানুষ খুন।
আমি বাংলাদেশের দেশের কথা বলছি, বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস আমরা সবাই জানি। শত শত বাঙালি হিন্দু রক্ত পাতের মধ্যে দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের জণ্ম, ভারতের স্বাধীনতার সময় দেশের দুই ধর্মের মানুষ কে দাঙ্গা লাগিয়ে দিয়ে ছিল কিছু ধর্মান্ধ মানুষ কেবল ক্ষমতা দখল করতে। আর ইংরেজ দের রাগ ছিল বাঙালি হিন্দু দের উপর। কারণ স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস ঘেঁটে দেখলে দেখা যাবে হাজার হাজার বাঙালি হিন্দু ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করে ছিল। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত নাড়িয়ে দিয়ে ছিলেন রাসবিহারি বসু ও সুভাষ চন্দ্র বসুর নেতৃত্বে আজাদ হিন্দ ফৌজ এসব ইংরেজ শাসক কুল ভুলতে পারে নি। তাই তারা বার বার চেষ্টা করে গেছে এই বাংলার বুকে দাঙ্গা লাগানোর সফল হতে পারে নি, কিছু বিচক্ষণ বাঙালির তৎপরতার জন্যে কিন্তু ১৯৪৬ সালে বাঙালি হিন্দু দের মধ্যেও কিছু মানুষ ক্ষমতা দখল করার জন্য, মুসলিম লীগের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে থাকে। কারণ তারা দেখে ছিল কলকাতা তথা বাংলার শাসক একজন মুসলিম এবং মানুষ কে বোঝাতে শুরু করেন দু বাংলা এক থাকলে কখনো হিন্দুরা বাংলার শাসক হতে পারবে না, অতএব বাংলা ভাগ করতে হবে। নানান উস্ককানি মুলক কাজ বা কথা বলে ১৯৪৬ সালের দাঙ্গা লাগিয়ে দেওয়া হল। বাঙালির রক্ত ক্ষয় শুরু হল, আর ১৯৪৭ ভারত ভাগের ইতিহাস সকলেই জানেন। বেশি ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছিল ভারতের দুটি প্রদেশ পাঞ্জাব ও বাংংলা কারণ বাঙালি আর পঞ্জিবিরা বেশি সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে ছিল ভারতের স্বাধীনতার আন্দোলনে। হোক লেখার বিষয়বস্তু আজ অন্য তবুও একটু ইতিহাস জেনে নেওয়া, আমরা এও জানি পূর্ব পাকিস্তান পশ্চিম পাকিস্তানের থেকে স্বাধীন হয়ে বাংলাদেশ হয়েছে। এর পিছনেও তৎকালীন ভারত সরকারের সহযোগিতা ছিল। ভারত সরকার সাহায্য করে ছিল অন্য কারণে স্বাধীন বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করবে উদ্বাস্তু হয়ে কেউ ভারতে আসবে না। ধর্মের নামে অশান্তি মিটে যাবে, কিন্তু না ধর্ম নিয়ে বড়াই করা সভ্যতা নিয়ে বড়াই করা সুসভ্য ইসলাম ধর্মের মানুষ বাংলা তথা বাংলাদেশ থেকে হিন্দু ধর্মের মানুষ কে উৎখাত করে ছাড়বে। সেই কারণেই গত ৭৫ বছর ধরে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার করে যাচ্ছে। নানান অজুহাতে নানান অছিলায়, জোর করে ধর্মের পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হচ্ছে আবার ধর্ম পরিবর্তন করেও অত্যাচার বন্ধ হয়ে যাবে এর কোনো নিশ্চয়তা নেই। ধর্ম পরিবর্তন ও অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে দেশ ত্যাগ করে এদেশে চলে এসেছে অসংখ্য মানুষ। যার ফলে বাংলাদেশে হিন্দু ধর্মের লোকজন ৭৫ বছর আগে যা ছিল এখন কমে চার ভাগের এক ভাগ হয়ে গেছে। অধিকাংশ বাড়ি ঘর জমি জমা ওরা অর্থাৎ তথাকথিত সুসভ্য ধর্মের বা শান্তির ধর্মের লোকজন এভাবেই দখল করে নিয়েছে। যা তারা ছ'শো ভারত শাসনের সময় করত লুটপাট সেটাই করে যাচ্ছে বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত। এই ধর্মান্ধ সম্পদ লোভী মানুষ কোন দিন নিজেকে ভারতীয় ভাবতে পারে নি। আজও পারে না, কারণ ভারতে অনেক ধর্মের মানুষ ভারত শাসন করেছে কিন্তু এই ভাবে নিজেকে ভারতের অন্য জাতির থেকে সরিয়ে নেয় নি বা জোর করে কিছু করে নি। ইতিহাসে পড়েছি নবাব সিরাজ দোল্লা ইংরেজ দের সাথে যুদ্ধ করে ছিলেন। সেই যুদ্ধে হেরে যান মিজাফরের বেইমানি তে মিরজাফরের সাথে ছিলেন জগৎ শেঠ সহ আরো অনেক কারণ সিরাজ ছিলেন অত্যাচারি, আর সেই কারণেই ক্ষমতা লোভী মিরজাফর যঢ়যন্ত্র করে ক্ষমতা দখল করে ছিলেন। কেবল ক্ষষমতা দখল সিরাজ কে হত্যা করে ছিলেন তার ছেলে মীরন। ক্ষমতা আর সম্পদের জন্যে এরা সব পারে। বাংলাদেশের সরকার তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতা ভারতের সাহায্য নিয়ে ছিলেন, কেবল ক্ষমতা দখল করতে, কুর্সীর জন্য তিনি স্বাধীন বাংলাদেশ তৈরির পর খুব ভালো একটা ভাষণ দিয়ে ছিলেন শুনে প্রাণ জুড়িয়ে যায়, কিন্তু অন্তরে অর্থাৎ মনে ছিল অন্য কথা, না ১৯৭১ সালের পর থেকে আজ পর্যন্ত এত হিন্দু নিধন যজ্ঞ হতো না। মন্দির ভাঙা হত না, মুর্তি ভাঙা অভিযান হতো না, হিন্দু দের. সম্পত্তি লুট করে তাদের ঘর বাড়ি জ্বালান হত না। আর হিন্দু ধর্মের লোকজন কমত না, ধর্ম থাকত ধর্মের জায়গায়, ধর্মীয় শিক্ষা শিক্ষার নামে কঠোর ভাবে অন্য ধর্মের মানুষের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানো বন্ধ হয়ে যেত। সত্যি কার আধুনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করা হতো, অন্য ধর্মের মেয়েরা গনমিতের মাল তাকে ভোগ করবে সবাই মিলে এসব ফরমান আসত না। আমি যদিও জানি না গনমিতের কথাটার অর্থ কী? আসলে ধর্ম শিক্ষার নামে কু শিক্ষা মানুষ মারার শিক্ষা দেওয়া হয়। উগ্ররপন্থী তৈরি করা এদের কাজ, গলার জোরে সরকারের সহযোগিতায় এরাই এক একজন বাংলার নবাব। ধর্মের সভা করে না কী যেন করে আর একটি তাল. ঠোকে ঠিক কিনা। আসলে সরকারের ইচ্ছা নেই এসব বন্ধ করার, আবার ঘটা করে স্বাধীনতার পর কাজী নজরুল ইসলাম কে নিজের দেশে নিয়ে গিয়ে বাসিন্দা করে নিয়ে ছিল, এবং ঐ মহান কবি কে জাতীয় কবি হিসেবে ঘোষণা করে ছিলেন। হায় রে বাংলাদেশ কাজী নজরুল ইসলামের সাম্যবাদীর কবিতা গুলো একবার পরে নিতে পারে। ঐ জাতের নামে বজ্জাতি সব জাত জালিয়াতি খেলছ জুয়া ।ছুঁলে পরে জাত যাবে জাত কি ছেলের হাতের মোয়া। আমার কৈফিয়ৎ কবিতায় ধর্মে নিয়ে লিখেছেন তিনি একমাত্র কবি অনেক শ্যামা সংগীত লিখেছেন। ওনার ভক্তি গীতি এখনও পুজোর প্যাণ্ডেলে বাজে, এ হেন মানুষ কে জাতীয় কবির মর্যাদা দেওয়া হয়েছে খুব ভালো কিন্তু তার আদর্শ কে বিসর্জন দিয়ে, এই কারনেই বলছি বাংলাদেশে যা হচ্ছে ইংরেজ সরকারের ইচ্ছা পূরণ হচ্ছে আজ সত্তর বছর ধরে, একটা জাতি অর্থাৎ বাঙালি হিন্দু জাতি কে ধ্বংস করে দিচ্ছে এই অশিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত ধর্মান্ধ কিছু মানুষ। এদের মাতৃভাষা বাংলা বাংলায় বাস করে সব বাংলায় জণ্ম কর্ম সব কিন্ত আপনি কোনো দরকারে ওদের পাড়ার মধ্যে যান একটাই কথা বলে " বাঙালি ' এসেছে অর্থাৎ নিজের মাতৃভাষা বাংলা হলেও ও বাঙালি নয়। হিন্দুরা বাঙালি ও মুসলিম এই দের শিক্ষা এরা এখনও এই দেশে থেকে নিজেকে বাঙালি ভাবে না। এই সবের জন্য দায়ী শিক্ষা ব্যবস্থা ধর্মীয় শিক্ষা যতদিন পারিবারিক হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলো তথা মাদ্রাসা নামক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হবে। কারণ ঐ সব জায়গায় শেখায় তুমি মুসলিম ওরা বাঙালি আর অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ। ভারত সরকার বলুন আর বাংলাদেশের সরকার কেউ এসব বন্ধ করে না। সব কিছু কেই মদত দিয়ে আসছে স্বাধীনতার পর থেকেই, কারণ ভোটের জন্য ভোট চাই ভারতের ম্যারেজ ল আছে পরিবার পরিকল্পনা আইন আছে কেবল হিন্দু ধর্মের মানুষের জন্যে আর ইসলাম তথা মুসলিম দের তোয়াজ করার জন্য পাশাপাশি তাদের নিজস্ব আইন আছে মুসলিম ল বোর্ড আছে। একের অধিক বিয়ে করতে পারে কয়েক শ সন্তানের জন্ম দিতে পারে। আধুনিক চিকিৎসা বা বিজ্ঞান মানে না, পোলিও খাওয়া নিয়ে কম সমস্যা এই ধর্মের মানুষ দের নিয়ে। কটা খবর বাইরে আসে বা কাগজে থাকে। আর উগ্ররপন্থী তৈরি করে মানুষ খুন করতে পারে। ভারতের কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দেওয়া হয়েছে, ৩৭০ কি আমি জানি না কি হত ওটা দিয়ে জানি না কিন্তু সারা ভারতের জনগণের করের টাকায় ভর্তুকি দামে ওরা সব কিছু কম দামে পেত। আলাদা পতাকা ছিল, কি অদ্ভুত সুন্দর একটা ব্যবস্থা তাই আপনি আমি কর বা ট্যাক্স দিয়ে যাব আর ওরা মানে কাশ্মীরের বাসিন্দা হলে সে কম দামে অর্থাৎ ভর্তুকিতে সব পাবে দেশের অন্য স্থানে গিয়ে ওরা ব্যবসা করতে পারবে থাকতে পারবে কিন্তু আমি আপনি কাশ্মীর গিয়ে ঐ সুযোগ পাব না। অর্থাৎ আমাদের ট্যাক্স এর টাকায় ওরা মজা করে থাকবে আর ভারতের অন্য রাজ্যের কেউ গেলে শুনতে হবে এটা কাশ্মীর আপনার ভারত নয়। আর পাথর ছুঁঁড়বে সেনাবাহীনির উপর হামলা করবে। সত্যিই আজব জাতি যাদের খাবে পরবে তাদের কেই মারবে। বাঙালি জাতির আজ এই দশা হয়েছে বাংলাদেশের সরকার তথা কথিত লোক দেখানো বা শোনানোর জন্য ভালো ভাষণ দেবে কিন্তু এই সব ধর্মান্ধ মানুষ কে কোন দিন কিছু বলবে না। কারণ সরকারি মদতেে এসব ঘটনা ঘটেছে সরকার যদি তৎপর হয়ে এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিত, এবং কেবল ভাষণ বাজি না করে ধর্মের নামে কুু শিক্ষা কে বন্ধ করে দিতে পারত, সঠিক শিক্ষার ব্যবস্থা করে দিত, তাহলে বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম মত ধর্ম নিরপেক্ষ কবি যে দেশের সেখাানে ধর্মের নামে মানুষ খুন বন্ধ হয়ে যেত। এরা যে কতটা সভ্য এবং এদের ধর্ম যে কতটা মহান তা এদের আচার আচরণে কাজে কর্মে আজ ৬ থেকে ৭ শ বছর ধরে বাংলার মানুষ দেখে আসছে। শুভ বুদ্ধি সম্পন্ন মানুষ এবং রাষ্ট্র নায়ক দের উচিত এই দেশ কে বয়কট করা ।যারা ধর্মের নামে একটু অজুহাতে আজ ৭৫ বছর ধরে একটি জাতি কে শেষ করে দিল। সেই বাংলাদেশের তথাকথিত মুসলিম দের বয়কট করা উচিত। তবে আমি আশাাবাদী কারণ চীন সাহায্যের ডালিনিয়ে হাজির হয়েছে, যারা ঘোর ইসলাম বিরোধী ওদিকেে পাকিস্তান কে তো গিলেে ফেলেছে আর এদিকে বাংলাদেশে অর্থাৎ ভারত কে জব্দ করতে ভারতের পুরোনো ভুখণ্ড দখলের মতলব। আমি জানি চীন সূঁচ হয়ে ঢোকে আর ফাল হয়ে বেড়িয়ে আসে তাইওয়ান হংকং তিব্বত হাড়েহাড়ে টের পাচ্ছে নেপালও আছে যারা নিজেদের দেশ থেকে ইসলাম ধর্ম নির্মূল করতে নেমেছে। সেই কারণেই আমি আশাবাদী কিছু বৎসর পরেই বাংলাদেশের মানুষ বুঝতে পারব চীন কি জিনিস। আমি জানি যে যার মত তার তার ধর্ম পালন করবে, কারণ ধর্ম মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তৈরি
Tuesday, 3 November 2020
৭৫ বছরের কলঙ্ক গেল না।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...













