Anulekhon.blogspot.com

Tuesday, 3 November 2020

উপমহাদেশে ধর্ম ব্যবসার রমরমা।


 অন্ধ ধর্মের কারবারি দের কাছে আমার প্রশ্ন ধর্ম আসলে কী? ধর্মের নামে মানুষ খুন? ধর্মের দোহাই দিয়ে মানুষ কে ভিটে ছাড়া করা, নানান অজুহাতে মানুষের উপর অত্যাচার নামিয়ে আনা, অন্য ধর্মের মানুষ কে মানুষ বলে মনে না করা? প্রতি নিয়ত উস্ককানি মুলক উগ্র প্রচার করা? যাতে করে মানুষ উত্তেজিত হয়ে অপরের ক্ষতি করে? সম্পদ লুট করে অন্য ধর্মের মানুষের জীবন বিপন্ন করে তোলার নাম ধর্ম? কেবল বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কয়েক কোটি অন্য ধর্মের মানুষ কে ভিটে মাটি ছাড়া করা হয়েছে সেই ১৯৪৭ সালের তৎকালীন কিছু নেতার ক্ষমতা দখল করতে   ধর্মের নামে দেশ ভাগের পর থেকেই এই বাংলার মাটি থেকে উৎখাত করে দিয়েছে? নিজের দেশ থেকেও তারা পরবাসি অন্যাযা একটাই তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নি। আবার এটাও দেখা যাচ্ছে বাঁঁচার জন্যে নিজের জীবন ও জীবিকার জন্য ভিটে মাটি বাঁঁচাতে ধর্ম

পাল্টেও রেহাই নেই ভিটে মাটি ছাড়া করতে উঠে পরে লেগেছে ঐ তথাকথিত শান্তির ধর্মের মানুষ জন। অন লাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় যা খবর আসছে সেতো সামান্য মাত্র অত্যাচার আরও মারাত্মক কথায় কথায় বিভিন্ন জায়গায় মিথ্যা অজুহাতে ঘরবাড়ি জ্বালান চলছে মেয়েদের উপর অত্যাচার চালছেই। আসলে ইংরেজ আমলে ইংরেজ সরকার এটাই চেয়ে ছিল ভারতের বাঙালি জাতি যদি এক থাকে তাহলে ভারত শাসন করা যাবে না। সেই কারনেই ১৯০৫ সালে বাংলা ভাগের পরিকল্পনা করেও প্রবল আন্দোলনের ফলে তা সফল হয় নি, শেষে ১৯১১ সালে তা প্রত্যাহার করে নেন, আন্দোলন এত তীব্র ছিল যে রাজধানী কলকাতা থেকে ইংরেজ শাসক দিল্লি নিয়ে চলে গিয়েছিল। ইংরেজরা কিন্তু লক্ষ্য রাখতেন বাঙালি জাতির প্রতি এবং ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধের নেতৃত্ব দান করত বেশি এই বাঙালি জাতির মানুষ। সুভাষ চন্দ্র বোস থেকে শুরু করে চরম পণ্থী নরম পণ্থী সর্বত্র বাঙালি। ভারতের জাতিভেদ কে এবং ধর্মীয় গোঁড়ামি কে আরও উস্কে দিয়ে তারা ভারত ভাগের পরিকল্পনা করে রেখেছিল। আর তাতে মদত দিয়ে ছিলেন আমাদের দেশের কিছু ক্ষমতা লোভী মানুষ যারা এখনও ক্ষমতা ধরে রাখতে ধর্মের জিগির তুলে মানুষের মধ্যে বিভেদ বজায় রাখতে সচেষ্ট। এই সব নেতারা দেখুন ক্ষমতার শীর্ষে থেকে সুখ ভোগ করে যাচ্ছে মরছে কারা নিরীহ মানুষ আইন আছে কিন্তু প্রয়োগ নেই, এই সব নেতা মন্ত্রী দের বলুন লম্বা চওড়া ভাষণ দিতে বলুন শুনিয়ে দেবে জ্ঞানের বানী পেছনে তাদের মদতে চলবে অত্যাচার। এগুলো আজ এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে গোটা উপমহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে দ্রুত গতিতে আর অন্ধ ধর্মের কারবারিরা ধর্মের নামে মানুষ মানুষে লড়াই লাগিয়ে মজা দেখছে। বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভেঙে দিয়েছে দেশ ভাগ, ইংরেজের ইচ্ছা আজ সফল হয়েছে সফল করতে সাহায্য করছে এই সব ধর্মান্ধ মানুষ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান দেখুন সেখানে সারাদিন ধর্মের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে। আধুনিক শিক্ষার কোন নাম গন্ধ নেই, এই সব ধর্মান্ধ মানুষ কে শেখানো হচ্ছে ধর্ম সব। ধর্মের থেকে বড় আর কিছু নেই, অথচ ধর্ম নাকি মানুষ মানুষে ঐক্য গড়ে তোলার জন্য সৃষ্টি হয়েছিল। তখন তো আর এখন কার মত এত মিডিয়া ছিল না। মানুষের সাথে মানুষের মিলন ঘটনার জন্য নাকি ধর্ম এসে ছিল। আর সেই ধর্ম কে একদল মানুষ প্রতিনিয়ত মানুষ খুন করে যাচ্ছে, আর সম্পদের পাহাড় বানিয়ে ফেলেছে। ভারতে এমন অনেক মন্দির আছে যাদের সম্পদ বড় বড় শিল্প পতি দের থেকেও বেশি। এই বিশ্ব মহামারীর সময় দেখেছেন একটা মন্দির তাদের সম্পদ নিয়ে গরীব মানুষ গুলোর সাহায্যে এগিয়ে এসেছে! না আসেনি আরও কয়েক গুণ সম্পদ বাড়িয়ে চলেছে। ভগবান বলে দিয়েছেন আমার সম্পদ কোন ভাবে খরচ করিব না। অথচ যখন এই সব সাধু সন্ত পুজারিরা জ্ঞান বিতরণ করে তখন একটা কথা বার বার বলেন মানুষের মধ্যে ভগবানের বাস মানুষের সেবা করলে ভগবানের সেবা করা হয়। ঠিক ঐ সব নেতা মন্ত্রী ক্ষমতা লোভীর দল, মুখে এক আর কাজে আরেক, যে কোন দেশের সরকার ইচ্ছা করলে ঐ ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিতে পারে না করবে না ওগুলো এক ধরনের ব্যবসা যেখানে প্রচুর টাকা আসে, সেখানে ভাগ আছে না। তাই তো এই উপমহাদেশে ধর্মের নামে মানুষ খুন, মানুষের সম্পদ লুট করা হচ্ছে। এই ভাবে আর কতদিন, এবার বাঙালি তোমাকে ঘুরে দাঁড়াতে হবে ভুললে চলবে না তুমি মাষ্টার দা সূর্য সেন, গনেশ ঘোষ, রাসবিহারী বোস , ক্ষুদিরাম বোস, উল্লাস কর দত্ত, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার আরও অনেকের উত্তরসূরী। কারণ উপমহাদেশে ধর্মের রমরমা কারবার, একে বন্ধ করতে হবে, আর এই কারবারে সাথে রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মী মন্ত্রী সবাই জড়িত, বাংলার বুকে কেঊ শান্তি ফেরানোর ব্যবস্থা করবে না। কারণ তারা ইংরেজ শাসকের কাছ থেকে দীক্ষিত কিছুতেই বাঙালি জাতিকে এক থাকতে দিলে হবে না। তাই ১৯৪৬ সাল থেকে চলে আসা বাংলার ধর্মের নামে মানুষ খুন এবং সম্পদ লুট দেশ থেকে তাড়া করা জণ্মভিটে মাটি ছেড়ে না গেলে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে আর প্রশাসন নির্বিকার চোখে দেখছে পুলিশ কিছু করবে না। বিচারের নামে প্রহসন চলবে, এসবই ইংরেজ আমলের শাসন তারা এসব করে ক্ষমতা ধরে রেখেছিল। এখনকার শাসক ভারত বা বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত চলেছে। এই সম্প্রতি বাংলাদেশ ঘটে যাওয়া একটা ঘটনার ছবি দিলাম অত্যাচারিত হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আন্তর্জাতিক সাহায্যের আবেদন করছেন সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে।


আমার কথা হলো এই হবে কেন একটা সভ্য দেশের মানুষ যারা সর্বদা নিজেদের নিয়ে গর্ব করে, গলা ফাটিয়ে জাহির করে সেই দেশের মানুষ এত অসভ্য বর্বর কোন ধর্ম এই বর্বরতা শেখায়। ধর্মের কারবারি দের কাছে আমার, যে ধর্ম অসভ্য বর্বরের শিক্ষা দেয় সেটা ধর্ম? যে ধর্ম মানুষের পাশে না দাঁড়িয়ে তাকে খুন করতে শেখায়, সেটা কেমন ধর্ম? যে ধর্ম অপরের ঘরে আগুন দিয়ে আনন্দ পায় সেটা কী রকম ধর্ম? আরেকটা প্রশ্ন বিশ্বের যত উগ্র পণ্থা বা উগ্রপন্থী দল আছে এবং বিশ্বের অপরাধের শীর্ষে এই ধর্মের মানুষ কেন? এই উপমহাদেশে যদি একশ জন অপরাধী থাকে তাহলে ৯৫ জন ঐ তথাকথিত শান্তির ধর্মের লোকজন কেন? আমার মতে কারণ একটাই ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আগে তুলে দিতে হবে? এই উপমহাদেশ থেকে হিংসা দূর করতে হলে চাই সঠিক শিক্ষা, আর এই দায়িত্ব নিতে নিতে হবে উপমহাদেশের সরকার কে? কেবল ক্ষমতায় থাকার জন্য ধর্মের এই কারবারি দের মদত দেওয়া চলবে না। সে যে সরকার আসুক তাকে আগে দায়িত্ব নিতে হবে পঁচিশ টা বিয়ে একশো টা ছেলে মেয়ের জণ্ম দিয়ে জেহাদ করতে পাঠানো। অন্য ধর্মের মানুষ মানে কাফের তাকে খুন করার অধিকার আল্লাহ দিয়েছে এ কোন ধর্মের নীতি আসলে ক্ষমতা দখল মানুষের উপর অত্যাচার নামিয়ে আনার নামান্তর। স্বর্গ নরক জান্নাত আর জাহান্নাম কে দেখেছে। ফ্রান্স কে সমর্থন করে নাকি মন্তব্য করেছে, এখন এই বাংলাদেশের ধর্মান্ধ মানুষ গুলো ফ্রান্স নিয়ে পরে আছে আর ওদিকে চীন ইসলামের বারোটা বাজিয়ে ছেড়ে দিয়েছে, ইসলামের নাম নিশান মিটিয়ে দিতে উঠে পরে লেগেছে চীন। তাদের নিয়ে একটা কোথাও নেই কারণ চীন দেশের অনেক কিছু তৈরি করে দিচ্ছে না। চীনের একটা নমুনা ছবি দিলাম। ছবিটি ডেইলি হান্ট নিউজ সাইট থেকে নেওয়া। 


ছিল মসজিদ হয়েছে শহরের গেট চীনা ভাষা ( মান্দারিন) কি লেখা আছে আমি জানি না। উইঘুর না কি সে তো বলার কিছু নেই, কারণ ওটা কম্যুনিস্ট দেশ ওখানে ওসব ধর্মের কোন কারবার নেই খালি জনসংখ্যা বৃদ্ধি। সেদিন আর বেশি দূরে নেই এদের এই জন সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য উপমহাদেশে খাদ্য সংকট দেখা দেবে। 


Saturday, 31 October 2020

করোনার নামে গরীব ছাত্র ছাত্রীদের লেখা পড়া বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে।


 আজ প্রায় নয় মাস পশ্চিমবঙ্গের স্কল কলেজ বন্ধ আদৌ কবে খুলবে বা খুলবে কিনা কেউ জানে না। সরকারের পক্ষ নবম শ্রেণিথেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অন লাইন পাঠ দান করতে বলেছেন। কিন্তু অনেক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সেটা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই হচ্ছে না। অভিভাবক পরে ফোন নম্বর হোয়াাট এ্যাপ গ্রুপে যোগ করতে বললেও বিদ্যালয়ে কোন কাজ করেনি অর্থাৎ করে নি। অপরাধ একটাই ফোন টা অনেক দিন পরে কিনেছেন বলে। আর প্রারাথমিক শিক্ষা সেতো তুলে দিতে পারলে বাঁচে এই সরকার হোয়াটস এ্যাপ গ্রুপ এদেরও আছে কিন্তু সরকারের কোন আদেশ নেই সেই গ্রুপে পড়ানোর তাই শিক্ষক কুল ও কোন কিছু করতে রাজি না। তাছাড়া সামনে বিধানসভা নির্বাচন তাই বর্তমান সরকার এদের বসিয়ে বসিয়ে বেতন দিচ্ছে। কোন কাজ কর্ম নেই কেবল কয়েক কোটি টাকা খরচ করা হচ্ছে প্রতি মাসে বেতন দিতে। প্রাথমিক শিক্ষকরা এবং বেশ কিছু মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক খুব আনন্দিত না  পড়িয়ে বেতন এটাই তো চাই। আর সরকার চায় সরকারের শিক্ষা ব্যযবস্থা ধ্বংস হয়ে যাক যাতে গরীব খেটে খাওয়া মানুষ বা. বাড়ির ছেলে মেয়েরা লেখা পড়া না শেখে। অনেকে শিক্ষক পড়ানোর জন্য হোয়াটস এ্যাপ ব্যবহার করে পড়াচ্ছেন, বেশিরভাগ একটাই উত্তর সবার কি স্মার্টফোন আছে, সত্যিই গরীব খেটে খাওয়া মানুষ স্মার্ট ফোন কিনতে পারেন নি যদিও অনেক কষ্টে ফোন কিনতে পারেন তবে নেট নেওয়ার টাকা নেই। কত যে বিপদ, যে শিক্ষক   পড়াচ্ছেন তাদের বলছেন এটা কি পড়ানো হচ্ছে। সব ছাত্র ছাত্রী নেই, সরকারি আদেশ নেই, সত্যি একদম ঠিক কথা বলেছেন, স্মার্টফোন নেই শত করা ২০ থেকে ২৫ জনের। এই শতকরা ২০ থেকে ২৫ জনকে সরকার ইচ্ছে করলেই একটি স্মার্টফোন দিতে পারে। কারণ পুজোর জন্যে টাকা, আরও নানা ধরনের বাজে খরচ করতে পারে আর এটা করতে পারে না। আরেকটা আদেশ দিতে পারে না যে যে ৪০ থেকে ৭৫ শতাংশ গ্রুপে আছে তাদের পড়ানোর জন্য সে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত না সেটা করা যাবে না কারণ বসিয়ে বসিয়ে বেতন দেব আর ভোট এলে আমার ভোট বাড়বে। শিশু শিক্ষা উচ্ছন্নে যাক, আর নয় মাস হয়ে গেছে সব খুলে দেওয়া হচ্ছে  কেবল বিদ্যালয় আর লোকাল ট্রেন চলাচল বন্ধ। বিদ্যালয় গুলো খুলতে পারে দুবেলা দুটি শ্রেণির পঠনপাঠন হবে  প্রাথমিকের পাঁঁচটি শ্রেণির পঠন পাঠনের ব্যবস্থা করা যায় কারণ অনেক প্রাথমিকেই ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা একশর নীচে ।অনায়াসে দুবেলা বিদ্যালয়েে পঠন পাঠনের ব্যবস্থা করা যায়। গ্রামের গরিব খেটে খাওয়া মানুষের বাচ্চা গুলো অর্থাৎ যাদের ফোন নেই তারা, বিদ্যালয়ে এসে পড়াাশোনা করতে পারে। আর ঐ পড়াই    হোয়াটস এ্যাপের মাধ্যমে বাকি ছাত্র ছাত্রী দের কাছে পৌঁছে দেওয়া যায়। যা তারা পড়ে বা কাজ টি করে শিক্ষকের কাছে পাঠাবে শিক্ষক দেখে ঠিক কি ভুল বলে দেবেন। আর ভুল হলে কিভাবে সঠিক হবে সেটাও বলে দেবেন। অর্থাৎ শিক্ষক দের একটু বেশি দায়িত্ব পালন করতে হবে। আসলে সরকারের ইচ্ছা নেই তাই এখন কোন পরিকল্পনা নেই বিদ্যালয় গুলো খোলার একটা পরিকল্পনা হীন সরকার চলছে। না জেনে বুঝে গরীব খেটে খাওয়া মানুষের ছেলে মেয়েদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যাতে বেসরকারি শিক্ষা   প্রতিষ্ঠান বারে তার ব্যাবস্থা করা হচ্ছে। কারণ বেসরকারি সংস্থার বিদ্যালয় গুলো নার্সারি থেকে মাধ্যমিক সমস্ত স্তরে   হোয়াটস এ্যাপ বা ফোন বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে পড়াচ্ছেন। কেবল সরকারি বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা ছাড়া কারণ সরকারি কোনও আদেশ নেই এই কারণে। জানি না আমার এই লেখা কোন সরকারী দলের লোকজন বা সরকারি আধিকারিক পড়ে কিনা! যদি পড়েন ভেবে দেখুন,, জানি সমালোচনা করে ফেললাম কিনা কারণ এ সরকারের সমালোচনা সহ্য হয় না। একটু বেশি সদয় কিনা, কখন আবার কেস করে না বসে দেখব রাতে পুলিশ এসে কড়া নাড়ছে এটা এই সরকার ভালো পারে আর টাকা দান করতে। 

Friday, 30 October 2020

কী আজব (স্বাধীন)দেশ ব্যাঙ্কে জমালে টাকা কাটবে!

সত্যিই আমরা স্বাধীন হয়েছি তো! একটা স্বাধীন দেশের সরকার নাগরিকদের কীভাবে শোষণ করতে পারে এটা তার জ্বলন্ত উদাহরণ। নতুন আইন ব্যাঙ্কে মাসে তিন বারের বেশি টাকা জমা দিলে বা মাসে তিন বারের বেশি তুললে টাকা কেটে নেওয়া হবে। কত টাকা জমা জন্যে 40 টাকা আর তোলার জন্য 150 টাকা কাটা হবে ( কারেন্ট এ্যাকাউন্ট থেকে) এর থেকে ইংরেজ শাসক ভালো ছিল মনে হয়! ইংরেজ দের পা চাটারা যত রকম ভাবে পারে মানুষ কে নাজেহাল করে তুলেছে। এক জি এস টি আর নোট বন্দীর জন্য যে কোন জিনিসের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর নাভিশ্বাস উঠেছে। কেবল কি এই একটা দুটো বিষয়ে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে এই সরকার। দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতায় এসেই শুরু করে দিয়েছে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছেলে খেলা। জনগণের ভোটে জয়ী হয়েছে আর জনগণ কেই বলছে প্রমাণ করতে হবে তুমি এ দেশের বৈধ নাগরিক। যেখানে নাগরিকতার প্রমাণ হিসেবে ভোটার কার্ড লাগল সেই ভোটার কার্ড আধার কার্ড নাগরিকের প্রমাণ নয়। আশ্চর্যের বিষয় যে পাসপোর্ট বিদেশে ভারতের নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করে সেই পাসপোর্ট দেশে নাগরিক প্রমাণ নয়। বাদ যাক ওসব দেশের প্রতিটি মানুষ কে বোকা বানিয়ে কোটি কোটি টাকা ব্যবসায়ী দের কাছ থেকে নিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষ কে বিভ্রান্ত করে EVM কারচুপি করে ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। আর দেশের সম্পদ ঐ সব কর্পোরেট সংস্থা কে বিক্রি করে দিচ্ছে। কোন দিন দেখা যাবে ঐ সব সংস্থা ঠিক করে দিচ্ছে কে প্রধানমন্ত্রী হবে। হয়েছিল ও  তাই কর্পোরেট সংস্থার বিজ্ঞাপন এর উপর নির্ভর করে মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে ক্ষমতা দখল। আচ্ছা দিন আসবে প্রত্যেক মানুষের ব্যাঙ্কের খাতায় পনেরো লক্ষ টাকা করে কালো টাকা উদ্ধারের পর দেওয়া হবে। জনধন খাতা খুলতে হবে ব্যাঙ্ক গুলোতে প্রথম এই জনধন খাতা খোলা হবে শূন্য ব্যালান্সে কিন্তু ব্যাঙ্ক গুলো কি করল বলল সবচেয়ে কম একশ টাকাও জমা দিতে হবে। কেউ কেউ ঐ খাতায় একশর জায়গায় পাঁচ শ টাকা জমা দিলেন কারণ কালো টাকা উদ্ধারের পর ১৫ লক্ষ টাকা আসবে। কোটি কোটি টাকা জমা পড়ল ব্যাঙ্কে। পনেরো লক্ষ তো দূরের কথা ১৫০০ টাকা ও জমা পড়ে না উল্টো টা হলো নোট বন্দী পাঁচ শ হাজার টাকার নোট বাতালি করে দেওয়া হল। ব্যাঙ্কের সামনে লম্বা লাইন, কয়েক জন অসুস্থ হয়ে ঐ লাইনে মারা গেলেন। প্রথমে বললেন এই ভাবে কাল টাকা উদ্ধার করা হচ্ছে, শেষের দিকে যখন দেখলেন না যত টাকা সরকারের বাজারে ছাড়া ছিল সেই টাকার ৯৯.২৫ ভাগ টাকা ব্যাঙ্কে জমা পড়েছে, তখন বললেন জাল নোট ধরার জন্য এটা করা হয়েছে।কার লাভ হলো বড় বড় কর্পোরেট সংস্থার, এক মন্ত্রীর ছেলের ব্যাঙ্কের খাতা ফুলে ফেঁপে উঠল। আমি কেবল ভাবি এই সব মানুষ নিজেদের কে সন্ন্যাসী ফকির বলে মানুষ সত্যি কি এরা সন্ন্যাসী ফকির আসলে না মানুষ কে বিশেষ করে গরীব মানুষ কে ধ্বংস করে দিতে এরা ক্ষমতা দখল করে এবং সন্ন্যাসী বা ভেক ধারী ভণ্ড তপস্যী হয়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়ে বসে। একবার ভাবুন এই করোনা কালে এক সন্ন্যাসী করোনীল নামে এক ওষুধ তৈরি করে বিক্রি করে ২৫০ কোটি টাকা আয় করেছে। এই করোনিল খেলে করোনা আর হবে না। আমার অবাক লাগে এরা নাকি সাধক গেরুয়া পরে থাকে আসলে কি তাই! দেশের মানুষ কে ঠকানোর জন্য ভেকধারী শয়তান। আমার একটা লেখা এর আগে লিখেছিলাম যে মিথ্যে কথায় যদি নোবেল পুরস্কার থাকত এরা আগে পেত। ধিক ধিক শত ধিক এই সব নির্লজ্জ মানুষ গুলো কে। এরা গরীব মানুষ কে মানুষ বলে মনে করেন না। গরীব মরুক আমি মুনাফার পাহাড়ে বসে আরাম করে দিন কাটাতে পারলেই হবে। 

 

Tuesday, 20 October 2020

"হে মোর দুর্ভাগা দেশ" শিরোনাম টি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কবিতার নাম।

আমার এই ব্লগের যে অল্প বিস্তর পাঠক আছেন, তাদের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।  আজ এই লেখাটি ঐ কবিতাটি লেখা থাকবে না। কেন ঐ কবিতাটির নাম টি শিরোনাম করেছি, সেটা লিখব। তার আগে বলি, "অনু কথন"/Anukathon একটি ইউ টিউব চ্যানেল। এখানে মূলত, কবিতা আবৃত্তি এবং এবং ছোট ছোট বক্তব্য আছে, বিভিন্ন বিষয়ে।
যাক আসল কথায় আসি, আজ কেবল বাংলা নয় গোটা ভারত জুুড়ে গরীব খেট খাওয়া মানুষ অত্যাচারিত নিপীড়িত শোষিত এই শোষণ নিপীড়ন আজ থেকে নয়, শুরু হয়েছে সেই সুদূর অতীতে যার কোন শেষ নেই, আগে আরও কঠিন ছিল প্রতি পদে পদে নিপীড়িত হতেে হত,   গরীব মানুষ কে আর সে যদি নীচু জাতের হয় তাাহলে  ভাবে অপমান সহ্য করতে হত। সেই জন্য কবি লিখেছেন " হে মোর দূর্ভাগা দেশ যাদের করিছ অপমান। অপমানে হতে হবে তাহাদের সবার সমান।" দেশ তো অপমান করে না, কারণ ভুমি জড় বস্তু অপমান করে তথাকথিত অর্থ বলে ক্ষমতার দম্ভে অন্ধ কিছু মানুষ যাারা খেটে খাওয়া মানুষ কে মানুষ বলে মনে করে না। প্রতি নিয়ত শোষনের যাঁতাকলে ফেল পেষাই করে। একটি উদাহরণ দিই, বাড়ির কাজের. লোক রাখা নিজে যদি মাসে 50000 টাকা আয় করে কাজের মানুষ টি কে সারাদিন খাটানোর পর মাস গেলে বেতন কত বেশি দিলে 1000 টাকা। কারণ দুবেলা খেতে দিই যে,  আর ও আছে সমাজের উচ্চ শ্রেণীর মানুষের অত্যাচার অনেকেই আছেন সামনে দেখা হলে কত ভালো মানুষ ভাল ভাল কথায় প্রাণ জুড়ান কথা কত ভাল মানুষ একবার চোখের আড়াল হলে হয়, সেই জায়গাটি ধুয়ে মুছে সাফ করে পঁঁচিশ  বার থুতু ফেলে তবে তার শান্তি। ক্ষমতা টাকা আর একটু শিক্ষা এদের অন্ধ করে রাখেে। কবির লেখা এই কবিতাটা আজও কত প্রাসঙ্গিক না পড়লে বোঝা যাবে না। সারা দেশ জুড়ে যা চলছে, সত্যি অবর্ণনীয়। আমাদের রাজ্যও যেন ক্রমশ সেই দিকে এগিয়ে চলেছে, বিভিন্ন ভাবে মানুষ   কে
বোকা বানিয়ে মিথ্যার ব্যসাতি করে মানুষ কে ঠকিয়ে নিজের ক্ষমতা দখল করতে হবে টাকা চাই, চুরি করে হলেও দুঃখ নেই। আর আছে ধর্মীয় শিক্ষা ধর্মের নামে কু শিক্ষা দেওয়া যে ধর্ম মানুষ খুন করতে বলে যে ধর্ম অপর ধর্মের মানুষ কে ঘৃনা করতে শেখায় সেটা কেমন ধর্ম। কবি বলেছেন "মানুষের অধিকারে, বঞ্চিত করেছ যারে। সম্মুখে দাঁড়ায়ে রেখে কোলে দাও নাই স্থান। অপমান হতে হবে তাহাদের সবার সমান।" 

Monday, 19 October 2020

পুজো নিয়ে মহামান্য হাইকোর্টের রায় কে স্বাগত।


 বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গা পুজো নিয়ে মহামান্য হাইকোর্টের রায় কে  সম্মান জানিয়ে কয়েকটি কথা না লিখে পারলাম না। কোর্ট সুন্দর রায় দিয়েছেন প্রতিটি পুজো মণ্ডপে নো এন্ট্রি মানুষের ঢোকা নিষেধ, কি জানি যিনি পুজো করবেন তিনি মানুষ হবেন তো! মানুষ ভির করে ঠাকুর দেখতে পারবে না, কেস হলো শুনলাম টাকা দেওয়া নিয়ে, আর রায় হোল ঠাকুর দেখা নিয়ে। আমি বলব একদম সঠিক কাজ কোন রকম কথা হবে না এই রায় নিয়ে এই বিশ্ব মহামারীর সময় যেখানে জমায়েত করলে করোনা বেড়ে যাবে। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম যে তাহলে সরকারের কোষাগার থেকে জনগণের করের টাকা পুজো কমিটি গুলো কে বিতরণ করে পুজো করানো হচ্ছে। কারণ এ বছর অনেক পুজো কমিটির ইচ্ছা ছিল না মুর্তি এনে ঘটা করে পুজো করার, কোথাও কোথাও ছোট করে পুজো হবে বলে ঠিক ছিল, কিন্তু দিদি আমাদের কল্পতরু হয়ে পুজো করার জন্যে ৫০ হাজার টাকা করে দিলেন পুজো করতে, কেন সামনে বিধানসভা নির্বাচন, এইটা না করলে সাধারণ মানুষ আনন্দ পাবেন কি করে? মহামারী কাজ নেই সকালে উঠে কি খাবে তার দেখা নেই, রাজ্যযে খেটে খাওয়া মানুষের কাজ নেই, জিনিসপত্র দাম আকাশ ছোঁয়া মানুষের হাতে টাকা নেই, তাতে কি? কোর্টের রায় দারুণ রায় অনেকেই কি আনন্দ পেয়েছেন। একবার বুঝলেন না জনগণের করের টাকা নষ্ট করা হলো কারণ তারা ঠাকুর দেখতে পারবেন না। মণ্ডপে ঢোকা নিষেধ, কেউ তো বাস চলাচল নিষিদ্ধ করার মামলা করছে না। অটো টোটো ট্রেকার মটোর পরিবহণ সর্বত্র ভিরে      ভিরাক্কার পা দিয়ে দাঁড়িয়ে যাবে তার উপায় নেই। আর বাজার গুলো  একবার ঘুরে এলে দেখা যাবে কি অবস্থা। সমস্ত রকম অফিস সরকারি বেসরকারি সব খোলা দোকান বাজার খোলা, বন্ধ   স্কুল কলেজ আর গন পরিবহনের প্রধান অঙ্গ লোকাল ট্রেন যেটা চালু করা হলে অন্তত বাসে ঝুলতে ঝুলতে কোলকাতা যেতে হবে না। রাজ্য দেয় রেলের দোষ আর রেল দোষ দেয় রেলের মাঝে পরে গরীব খেটে খাওয়া মানুষের একটু খরচ বাঁচত। যদি বা অনেক কষ্টে কিছু টাকা এনে সংসার চালাতে চেষ্টা করছে.   প্রান্তিক মানুষ গুলো দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে তারা যাওয়া আসা করছে। তাদের রেহাই নেই, আবার কি পুজো করার জন্যে     অস্থায়ী ইলেকট্রির মিটার নিলে পুজো কমিটির লোকদের জন্য    অর্ধেক। অথচ খেটে খাওয়া মানুষের বিদ্যুৎ বিল আকাশ ছোঁয়া। খুব ভালো ব্যযবস্থা তাই না। ঐ যে হীরক রাজার দেশের সেই কথাটা, বাকি রাখা খাজনা /মোটে ভালো কাজ না। দুবেলা জোটে না ভাত তাতে কি তবুও রাজ কর দেওয়া চাই। এসব নিয়ে কেউ কেস ও করেনা আর কোর্ট ও রায় দেন না। গরীব মানুষের বেঁঁচে থাকাটা আজ বড়ো দায় হয়ে গেছে। 

অনুলেখন ব্লগের পাঠকদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাই।


 আজ তৃতীয়া অনেক জায়গাতেই শুরু হয়েছে মাতৃ আরাধনা। এবার সারা বিশ্ব জন জীবন বিপর্যযস্ত করে তুলেছে করোনা মহামারী। এর মধ্যে বাঙালির শ্রেরেষ্ঠ উৎসব শুরু, আর এই বাংলার আনাচে কানাচে পুজোর গন্ধ, কিন্তু এবারের মায়ের আরাধনায় আনন্দ নেই আম জনতার। এই মহামারী কারণে উপার্জন হারিয়ে অধিকাংশ এর দু বেলা খাবার জোটে না। তার উপর আছে জিনিসের আকাশ ছোঁয়া দাম। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ আজ দিশেহারা, আর হয়তো কিছু  দিন পরেই আমরা শুনতে পাব " বাবু গো, একটু ভাতের ফ্যান হবে" তবুও পুজো বলে কথা পশ্চিমবঙ্গ সরকার উদার হাতে টাকা দান করে যাচ্ছেন, যে টাকায় অনেক গরীব মানুষকে সাহায্য করা যেত। কিন্তু না কে শোনে পুজো করতে হবে, মানুষের জীবন বিপর্যযস্ত তো কি হয়েছে? এই ক্ষুধার্ত অসহায় মানুষের জন্য মায়ের কাছে আমার. প্রার্থনা সকলের হাতে কাজ দাও মা সকল পেটে ভাত। আমি আর কিছু চাই না। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন অন্য কে ভালো থাকতে সাহায্য করবেন। 

Wednesday, 14 October 2020

এই তো রেল নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।


 দারুণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ট্রেন চলাচল করলেই, করোনা আক্রান্ত হয়ে পরবে সব মানুষ, কলকাতার ঠাকুর দেখতে যাওয়ার হিড়িক পরে যাবে তাই না। সাধারণ গরীব খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষ, আর কিছু দিন না খেয়ে থাকতে পারবে কারণ পুজোর পর ভাবনা চিন্তা করে দেখা হবে ট্রেন চলবে কিনা! লোকাল ট্রেন চলাচল নিয়ে কীসের এত তাড়া, বেশ তো গাড়ি বাজার বেড়েেছ, খেয়ে না খেয়ে ধার দেনা করে, অবশ্যই যার ঐ ধার দেনা করার সামর্থ্য যাদের আছে তারা, সকলেই নয়, দু চাকা কিনেছে, বা কিনছে, জি এস টি কমানোর বদলে বাড়ানো হয়েছে, জ্বালানী তেল বিক্রি বেড়েছে, ট্যাক্স সেস আছে সরকারের ইনকাম কতটা বেড়েেছে, ওসব বাদ দিলাম এর উপরি পাওয়া না আছে রাস্তায় সিভিক পুলিশের গাড়ির কাগজ পরীক্ষা এখন যদিও কেন্দ্রীয় সরকার আইন করে দিয়েছে কাগজ পত্র গাড়ির সাথে না থাকলেও চলবে অন লাইনে দেখানো যাবে। ও দাদা এটা পশ্চিমবঙ্গ বাঙালি বাস করে যদিও আসল বাঙালির সংখ্যা ক্রমশ কমছে, হিন্দি ভাষি মানুষ বেশি এদের অনেকেই বাংলায় থাকতে থাকতে বাংলা ভাষায় কথা বলেন তাই বাঙালি। কলকাতায় বাঙালি নেই বললেই চলে, যাহোক বাদ দিন ওসব কথা, এটা পশ্চিমবঙ্গ বলছিলাম না, এখানে খেটে খাওয়া মানুষের কথা কেউ ভাবে না দেখলেন না লকডাউন ঘোষণার সময় থেকেই গরীব মানুষ গুলোর কষ্ট নিয়ে কোন সরকারের মাথা ব্যথা ছিল? মহারাষ্ট্র সরকার বোঝে সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা, ওখানে পশ্চিমবঙ্গের থেকেও বেশি শহরতলির লোকাল ট্রেন চলাচল করে, ওখানের সরকার করোনা কালেই অল্প করে হলেও শহরতলির ট্রেন চলার অনুমতি দিয়েছিলেন, আগামী 15 ই অক্টোবর থেকে মানে আগামী কাল থেকেই আরো বেশি শহরতলির ট্রেন চলাচল করবে মহারাষ্ট্রে। আমি যতদূর জানি পশ্চিমবঙ্গে থেকে মহারাষ্ট্রে করোনা আক্রান্তএর সংখ্যা বেশি। আমার ভালো লাগছে মানুষ কে করোনা থেকে বাঁঁচাতে এই চেষ্টা কে, কিন্তু বাস গুলোতে গাদাগাদি, ভাড়া যে যেমন পারে নিচ্ছে ওতে  কি হয়েছে? জিনিসের দাম বাড়ছে তাতে কি? খেটে খাওয়া মানুষ গুলো ভাতে মরুক তবুও তো করোনায় মরবে না, কারণ করোনা হলে চিকিৎসা সে তো গরীবের কাছে স্বপ্ন সঠিক পরীক্ষা করতে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা খরচ আর ওষুধ তার দাম আর নাইবা বললাম করোনার ওষুধ কিনতে হলে গরীবের ভিটে মাটি বিক্রির জোগাড়, যাক তবুও ভালো লাগলো ভালো সিন্ধান্ত, সামনে পুজো তার পরেই ভোটের দামামা বাজবে বেশ কিছু দান করতে হবে বড়ো বড়ো কাট আউট চাই কি জানি এবার ছবি  মনে হয় লেখা থাকবে, করোনা অসুর বধের কথা। ধন্যবাদ রেল আর রাজ্য সরকার কে। 

Tuesday, 13 October 2020

বাংলা শব্দ ও ভাষা নিয়ে কিছু কথা।


 বাংলা ভাষা নিয়ে কিছু কথা লিখতে গিয়ে প্রথমেই যে মাহান বাঙালি মহাপুরুষের কথা আসে, তিনি বিদ্যাসাগর, অর্থাৎ ঈশ্বর চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ আধুনিক বাংলা ভাষার জনক বলা হয়, এই মহান মানুষ টিকে, বর্ণ পরিচয় অর্থাৎ বাংলা বর্ণ মালার জটিলতা কাটিয়ে আধুনিক ও সহজ সরল করে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রথম কাজটি করে ছিলেন এই মহান পুরুষ। ছোট বয়সে এনার লেখা বর্ণ পরিচয় প্রথম ভাগ ও দ্বিতীয় ভাগ পড়েন নি এরকম বাঙালি পাওয়া দুষ্কর। আর এই কারণেই উনি আমাদের লেখা পড়া র গুরুদেব । অনেকেই বলবেন, বললেন বাংলা ভাষা নিয়ে লিখেছেন আর কোথা থেকে বিদ্যাসাগরের কথা লিখছেন, ওনার কথা না বললে বাংলা ভাষা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। উনি চেয়ে ছিলেন বাঙালি সহজ সরল ভাবে নিজের মতৃভাষায় লেখা পড়া শিখুক অন্তত নিজের মাতৃভাষা লিখতে ও বলতে পারুক সহজ ভাবে, কিন্তু না আমরা আজ সেই মিষ্টি মধুর ভষা ভুলে বাংরেজ হয়ে উঠেছি। এখন কার ছেলে মেয়ে দের বলুন কেদারা বা পেয়ালা, শিশি, থালা, থলি জানি না এগুলো বাংলার কোন টি কি কলম যে পেন সেটাও বলে দিতে হয়। তার কারন শিক্ষা ব্যবস্থা ইংরেজি, আরবি, হিন্দি এগুলো যে আলাদা একটা ভাষা। আমরা যা বাড়িতে বলি বা দেখি তার একটা বাংলা আছে সেটা না শিখিয়ে শেখাই ইংরেজি গুলো আর পড়ানোর সময় বলি  cat মানে বিড়াল, cow মানে গরু আদৌ কি তাই, এগুলো একটি ভাষা থেকে আরেকটি ভাষায় অনুবাদ করা হয়েছে। বলি না cow এর বাংলা গরু, কিন্তু কখনোই উল্টটো ভেবে দেখি না, যে গরু মানে cow নয়, কিম্বা বিড়াল মানে cat নয়। বাদ দিলাম শেখার কথা, দেখবেন এখন কার ছেলে মেয়েরা একটি বাংলা বাক্য বললে তার মধ্যে দু থেকে তিন টি ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করে। বাড়িতে বাবা মায়ের সাথে কথা বলতে হলেও সেখানে থাকে ঐ তথাকথিত ইংরেজি শব্দ বন্ধু বান্ধব হলে তো কথাই নেই। অনেক বাবা এখন বেশি করে চান তাদের ছেলে মেয়েরা ইংরেজি টা ভালো করে শিখুক, লিখতে এবং বলতে, একটু টাকা পয়সা হলেই ছেলে মেয়েকে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা ইংলিশ মিডিয়ায় নামক বাংরেজি বিদ্যযালয়ে ভর্তি করা তাদের কাজ কারণ পারিবারিক ঐতিহ্য বা আভিজাত্য না হলে দেখানো যাবে না যে। এই কাণ্ড ঘটে ছিল ইংরেজ শাসক কুল বাঙালি কে কেরানি তে পরিনত করার জন্য মিশনারি দিয়ে ইংরেজি শিক্ষার ব্যাবস্থা করেছিল। পাশাপাশি তারাও ভারতীয় ভাষা শিখতে সংস্কৃত শিক্ষার ব্যযবস্থা করে ছিলেন। কলকাতায় প্রতিষ্ঠিত এই রকম একটা কলেজে বিদ্যাসাগর অধ্যক্ষ হয়ে ছিলেন। সেখান ব্রাহ্মণ ক্ষত্রিয় ইংরেজ দের জন্য লেখা পড়ারব্যবস্থা ছিল শুদ্রদের কোন অধিকার ছিল না। বিদ্যাসাগর শুদ্রদের  ওই কলেজে লেখাপড়ারসুযোগ করে দিলেন। উচ্চ বর্ণের মানুষ  রে রে  উঠল বিদ্যাসাগর একটি মাাত্র উত্তর দিয়ে ছিলেন, আপনাদের সাথে যদি ম্লেছ ইংরেজ সংস্কৃত পড়তে পারে তবে এরা বাদ কেন? তিনি বাংলাভাষার প্রসারের জন্য কি করে  ছিলেন তা আগেই লিখেছি। নিজের মাতৃভাষায় শিক্ষা ও প্রসার এবং মেয়েদের শিক্ষার জন্য জন্য ৩৫ টি বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করে ছিলেন। সেই বাংলা ভাাষা আজ বিপন্ন কেন, ইংরেজ দুশো বছরের রাজত্বে কেরানি কুল তৈরি করতে নিজের মাতৃভাষা কে আমাদের শিক্ষতে বাধ্য করে ছিল যা আজও বহমান,  ওদিকেে ইসলাম শাসন ছিল, ৬০০ থেকে ৭০০ বছর তাদের ভাষা  ছিল আরবি কারও কারও উর্দুু যা তারা নিজেদের বলত, তাদের বেশ কিছু শব্দ বাংলা ভাষার সাথে মিলে মিশে গেছে, অর্থাৎ শব্দ ভাণ্ডার বেড়েছে যেমন, জল হয়ে গেছে পানী, এখন তো আবার চলভাষ এর কল্যাণে দেখাছি বাংলাদেশে বেশি করে বাঙালি যেন বাংলা ভাষার অপমৃত্যু ঘটিয়ে দিচ্ছে। অনাথ আশ্রম হয়ে গেছে এতিমখানা কারণ ওখানে তিন তালাকে বিচ্ছেদ আবার বিয়ে এবার ঐ শিশু গুলো যাবে কোথায় না অনাথ আশ্রমে 
। যাহোক বাংলাদেশের কথা বাদ যাক, একই ভাবে ফরাসি, পারসিক, পাঠান সব ভাষা থেকে ভাষা সমৃৃদ্ধ হয়েছে ইংরেজি ভাষা থেকেও, কিন্তু ইংরেজি শেখা টা বাধ্যতামূল হয়ে গেছে। যাদের আরবি ভাষা শিখতে হয়, সেই ইসলাম ধর্মের মানুষ বাংলা ভাষার জন্য আন্দোলন করছে, এর অবশ্য একটা কারণ বাঙালি ইসলাম ধর্মের মানুষ সবটাই হিন্দু বা সনাতন ধর্মের মানুষ নিজেদের ধর্ম পাল্টেছেন কেউ স্বেচ্ছায় কাউকে ভয় দেখিয়ে জোর করে ধর্মের পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন আবার অনেকেই সনাতন ধর্মের উচ্চ বর্ণের অত্যাচার থেকে বাঁঁচতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ছিলেন। এদের মাতৃভাষা বাংলা, একশ শতাংশ ইসলাম ধর্মের মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন, আরবি তারা শেখে কোরান হাদিস পড়ারজন্য বা পড়ানোর জন্য তবে এখন তাদের ধর্ম গ্রন্থের বাংলা অনুবাদ করা হয়ে গেছে। আর মাতৃভাষা বাংলা বলেই তারা অতবড় আন্দোলন শুরু করেতে পেরে ছিল উর্দু ভাষি পশ্চিম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পরবর্তীতে যা স্বাধীনতা আন্দোলনের রূপ নিয়ে ছিল, পরে ভারতের সহায়তায় স্বাধীন বাংলাদেশের জণ্ম হয়। তাছাড়া বাংলা ভাষা কিছু কাগজ তথা সংবাদ পত্রের খবর অনুযায়ী ভারতের দ্বিতীয়। অর্থাৎ সারা ভারতে হিন্দি ভাষার পরে বেশি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন ।আর এখন কার দিল্লির শাসক সেই ভাষার কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে হিন্দি ভাষা কে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষা ব্যাবস্থা র মধ্যে দিয়ে আরো বিভিন্ন ধরনের উপায় অবলম্বন করে হিন্দি শিখতে বাধ্য করা হচ্ছে। বিভিন্ন বেসরকারি সংস্থার কর্মী যে গুলো অবাঙালি দ্বারা পরিচালিত তারা বিশেষ করে  এই কাজ টি করে যাচ্ছে সন্তর্পনে, এমন অনেক সংস্থার ক্রেতাসুরক্ষা আধিকারিক ফোন ধরে বলছেন আপনি হিন্দি অথবা ইংরেজি তে বলুন সে নিজে বাঙালি হলেও সেই কর্মী ও বাংলা ভাষার বদলে উক্ত দুটি ভাষার মধ্যে একটা বেছে নিতে বলছেন। এভাবে আমার মাতৃভাষা কি শেষ হয়ে যাবে, হিন্দি ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষার মধ্যে কারণ ভারতের অনেক ভাষা হারিয়ে গেছে এ ভাবে, আমরা যদি সতর্ক না হই তা হলে, " মোদের গরব, মোদের আশা আমরি বাংলা ভাাষা,  কি যাদু বাংলা গানে গান গেয়ে দাঁড় মাঝি টানে।" যে ভাষায় লিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বিশ্ব কবি হয়েছেন, নোবেল প্রাইজ এনেছেন। নজরুল, সুকান্ত, শরৎচন্দ্র, আরও অনেক কৃতি বাঙালি নিজের মাতৃভাষা বাংলা কে সমৃদ্ধ করে গেছেন আসুন আমরা সবাই মিলে একসাথে  আমার আপনার প্রিয় মাতৃভাষা বাংলা কে  ষঢ়যন্ত্র কে রুখে দিই। আমরা শপথ নিই বাংলা ভাষা কে কিছুতেই ধ্বংস করতে দেব না। 

Monday, 12 October 2020

রেল নিয়ে বিভোক্ষ বাড়ছে, কেন? দায় কার!


 পশ্চিমবঙ্গের গন পরিবহনের একটা প্রধান অঙ্গ রেল, বা লোকাল ট্রেন সেটি আজ প্রায় সাত মাস বন্ধ, অনেক খেটে খাওয়া মানুষ আজ রোজগার হীন চোট খাটো ব্যবসায়ী, রেলের মাধ্যমে তাদের অল্প সল্প পন্য নিয়ে ব্যবসা করত তারা আজ বিপন্ন, অন্য ভাবে তারা শুরু করতে চাইছে সকলে পারছে না। হকারদের অবস্থা আরও খারাপ, ছোট খাটো কল কারখানায় কাজ করতে যাওয়া মানুষ আজ যেতে পারছে না দীর্ঘ সাত মাস যাবৎ অনেকের বাড়ির বা জমানো টাকা শেষ, কারণ দু দিন আগে একটা খবর দেখলাম মেদিনীপুরে এক দম্পতি টাকার অভাবে আত্মহত্যা করেছেন, ট্রেরে বন্ধ কাজ নেই, জমানো টাকা শেষ তাই আত্মহত্যা। বিভোক্ষ হোক কিন্তু ভাঙচুর করে নয়। রেল জাতীয় সম্পপত্তি ওটা ঐ কতগুলো অভস্য ইতর, বিবেক হীন মনুষ্যত্ব হীন জানোয়ার অফিসারের সম্পপত্তি নয়। বিক্ষোভ দেখান ঐ সব অফিসে যে খানে ঐ সব অমানুষ জানোয়ার গুলো বাস করে তাদের বাড়িতে, কোয়ার্টারে। মানুষের মত দেখতে হলে মানুষ হওয়া যায় না। সাধারণ মানুষের করের বা ট্যাক্স এর টাকায় লাখ লাখ টাকা বেতন নিচ্ছে আর সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে মানুষ বলে মনে করছে না। বিভোক্ষ হোক ওদের বিরুদ্ধে, জাতীয় সম্পপত্তি ভাঙচুর করে নয়, আজ কয়েক দিন ধরেই দেখছি, সোনারপুর, হুগলির বিভিন্ন স্টেশনে এবং  লিলুয়া স্টেশনে। দুটো জায়গায় ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে এটা ঠিক নয়। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ুু ক  ট্রেন চলাচল শুরু করতে হবে। আর রেল বিক্রি করা চলবে না। সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠুক এই আনলক পাঁচে যে সব এখনও লক করে রেখেছে করোনার দোহাই দিয়ে সেগুলো অবিলম্বে শুরু করতে হবে বা খুলে দিতে হবে। 

Sunday, 11 October 2020

ভোট এখনও ছ' মাস বাকি এখনি যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা বোমাবাজি মানুষ খুন।


 আশ্চর্য মিল দেখে নিনি, মুকুল রায় ছিলেন তৃণমূল এখন বিজেপির সর্ব ভারতীয় নেতা, আগে যে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, তবে এই রাজ্যযে নয় সর্ব ভারতীয় ক্ষেত্রে যখন লোকসভা নির্বাচন এসেছে মোদী মানে দাদা এই রাজ্যে এসে দড়ি  পারবেন বলে ছিলেন, তখন সাংবাদিক সম্মেলন করে মোদীর বিরুদ্ধে বলেছেন। আর এখন বলবেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে, কেবল একা উনি নন তৃণমূলের অর্ধেধে নেতা এখন দাদার দলে যাদের জেলে ভরার কথা তারা এখন দলে কেমন আজব দেশ তাই না। যে যত বেশি মিথ্যযাবাদী, লুটেরা সে তত বড় নেতা। বাদ দিন ওসব অনেক বার লিখেছি অনেকেই পড়েছেন, আজকের বিষয়ে আসি, ভোট যত এগিয়ে আসছে রাজ্যযে মিটিং মিছিল বাড়ছে বামপন্থী কংগ্রেস মিলে এবং উভয় দলের মিছিল মিটিং এ লোক হচ্ছে ভালোই, সে গুলো বাংলার ঘুষ খোর মিডিয়া দেখতে পায় না। কেবল দাদা দিদির মিছিল দেখতে পায় আর দাদা দিদির লড়াই এ পরিনত করে দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে এর আগামী বিধানসভা নির্বাচন কে, আর এখনই এই দু দলের মধ্যে লড়াই মিছিল হলেই বোমাবাজি হচ্ছে। মানুষ এখনই আতঙ্কিত ভোটের সময় কি হবে? কত গুলো জায়গায় দাদার দলের মিছিলে বোমাবাজি হলো, দাদার দলের লোক বলেছেন দিদির দলের কাজ। আবার দল বদলু এক নেতাকে গুলি করে খুন করে দেওয়া হয়েছে, ওদিকে প্রতি দিন দুই দলের মার পিট বাড়ছে, এখন প্রতিটি জায়গায় এই খবর শুনে যাচ্ছি কেবল বিজ্ঞাপন আর টাকার জন্য। এমনকি ইউ টিউব চ্যযানে গুলো পর্ল্যন্ত দাদা ও দিদির দলের ঘটনা দেখিয়ে যাচ্ছে। আমি বুঝতে পারি না চোর চিটিংবাজ আর মিথ্যে বাদীর দলের এত প্রচার, আসলে মিথ্যযাবাদী ফ্যাসিবাদ যারা মানুষের জন্য ভাবে না কেবল নিজের ক্ষমতা আর টাকার জন্য ক্ষমতা দখল করতে চায় তারা টাকা দিয়ে মিডিয়া কে কিনে নিয়ে প্রচার করে। মিথ্যযা কে সত্যি করে তোলে, তাদের চোখে পড়ে না বেকার ছেলে মেয়েরা চাকরি না পেয়ে অনশন করে, তাদের চোখে পড়ে না, পুলিশ গুণ্ডার ভয়ে টেবিলের নীচে লুকিয়ে পরে। তাদের চোখে পড়ে না কৃষক ফসলের দামের জন্য রাস্তা নেমে আন্দোলন করছে। আরেকটা বিষয় আমি লক্ষ্য করলাম এই সব চোর মিথ্যযাবাদী দের মিছিলে লোক ও হয়। কারণ একটাই চুরির টাকা ভাগ পায়, আর যদি কোন ভালো সৎ মানুষ ঐ দলে যান, তাহলে বলতে হবে তিনি মানুষের ভালো চান না অথচ নিজে কে সৎ বলে প্রচার করতে থাকেন আসলে তিনি অসৎ। আজ উদয়ন গুহ একটা কথা বলেছেন যে ছ'মাস খাওয়া বন্ধ রাখতে, তবে যদি তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় আসে। অথচ এই ক্ষমতা লোভী লোক টি এক সময় ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা এমনকি বিধায়ক ছিলেন, ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন সেখানেও তিনি বিধায়ক জানি না ভাগে কম পরেছে কিনা কারণ তিনি ও তো খেতেই গেছেন। নির্বাচনের আগে বাংংলা  কে অশান্ত করার কারণ কি? দুই দল তো একে অপরের পরিপূরক। দুই দলের কর্মী সমর্থকদের বলছি ভোটের আগে বাংংলা কে অশান্ত করে তুলবেন না। বাংলার মানুষ কে শান্তিতে থাকতে দিন। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...