Anulekhon.blogspot.com

Sunday, 24 March 2019

পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান পরিস্থিতিতে কোন দল ভোট পাওয়ার যোগ্য, আপনার ভাবনা চিন্তা কি?


প্রথম আমরা আসি সি পি আই এম এর কথায়। সি পি আই এম দীর্ঘ ৩৪ বছর এই রাজ্যের ক্ষমতায় ছিল। যদিও লোক সভার ভোট, কেন্দ্রীয় সরকার গঠনের জন্য ভোট। সি পি আই এম সারা দেশে প্রার্থী দেয় ১০০ থেকে ১৫০ এর মধ্যে,যদি ধরে নিই এর মধ্যে পঞ্চাশ টি আসন পায় যা দিয়ে কেন্দ্রে সরকার গঠন করা যায় না। আবার দেখা যায় যে খানে সি পি আই এম কৃষক ও আন্দোলন করে সেখানে প্রার্থী নেই। যেমন নাসিক থেকে যে কৃষক আন্দোলন হলো দেখা যাবে ওখানে প্রার্থী নেই। এই হিন্দি বলয়ে একটা কথা আছে, "লড়লেনে কে লিয়ে লাল ঝাণ্ডা, ভোট দেনে কে লিয়ে তেরঙ্গা। যেমন ধরুন যে নেতা দিল্লি তে থাকেন, তিনি নিশ্চয়ই সেখানের ভোটার এবার সেখানে কোনো বাম প্রার্থী দেয়নি, তাহলে ভোট দিলেন কাকে? কেন কংগ্রেস কে, সেই জন্য সর্বদা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করতে বলে। যা হোক ওসব ছাড়ুন, আমরা পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা বর্তমানে কাকে ভোট দেওয়া উচিত, সি পি আই এম যদিও সারা দেশে প্রার্থী দেয়, টি এম সি দেয় না। আবার বিজেপি সর্ব ভারতীয় দল, এক সময়ে লোক সভায় দুটো আসন পেয়ে ছিল সারা দেশে, সেই দল যখন সারা দেশে সব আসনে প্রার্থী দিল তার পরে আর দেখতে হয় নি। কারণ মানুষ কংগ্রেসের বিকল্প খুঁজে পেল, এটা বেশি দিনের কথা নয়। এ রাজ্যে দেখা যাচ্ছে বিজেপি তৃণমূল একটি দল, কে যে তৃণমূল আর কে বিজেপি বোঝা যাচ্ছে না। আর কংগ্রেস জাতীয় দল হলেও এর নেতারা একবার তৃণমূল একবার কংগ্রেস এই করে দল বদলে ফেলছে। আমি ভোট দিলাম আমার নীতি আর্দশ কে সে আরেক টায় গিয়ে নাম লেখাল, আমার ভোটের আর দাম থাকল না। আর বর্তমান শাসক দলের লোক নেতা মন্ত্রী সারদা রোজভ্যালীর এম পি এস গ্রিনারি আরও কত সব চিটফাণ্ডের টাকা বাটপারি করে বসে আছে, নারদা দেখা যাচ্ছে তারা ঘুস নিচ্ছে, আমাদের এখানে এক ছোট নেতা তোলা তুলে দুর্গা পুর এক্সপ্রেস ওয়ের পাশের ছোট ছোট কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য করল। এ আমার চোখে দেখা, আর এখন যেখানেই বাড়ি করতে যাও সিন্ডিকেট আছে, মাল যদি বেশি দামে নাও তো ভালো না সব থেকে কম পঁচিশ হাজার টাকা দিতে হবে। এটা গ্রামের সিন্ডিকেটের রেট, এতো তৃণমূলের কথা, এই তৃণমূলের যে সব নেতা সি বি আই এর ডাক পেয়েছেন, তারা জেলে যাবার কথা তারা বিজেপি তে।
এদের পর বাকী থাকে সি পি আই এম বা বামফ্রন্ট, এখানে চোর ঘুষ খোর নেই বললেই চলে কারণ এরা এখন ক্ষমতায় নেই, কিন্তু মানুষের কাছে কতটা গ্রহণযোগ্য বামফ্রন্ট প্রার্থীরা দু একজন ছাড়া বাকি সব মানুষের বক্তব্য হলো নেতাদের বয়স বেশি, আর এরা সেই আগের মতই আছে, নিজেদের পাল্টাতে পারে নি। কোন কম বয়সী কে উঠতে দেয় না, এ বিষয়ে একটি অভিজ্ঞতা এই দলের এক নেতা অনেক দিন আগে বলছেন, উপযাচক হয়ে এসেছে, তার মানে এরা নেতা বানানোর জন্য বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে আসে, আবার কিছু দিন আগে তিনি বলেন যেমন চলছে চলতে দাও। আবার তাকে গন সংগঠন থেকে বাদ দেওয়ার জন্য কত পরিকল্পনা, এটার কারণ আমার মনে হলো নেতার থেকে তার জন সংযোগ অর্থাৎ নেতার কথায় সে যদি না বলেছে,তার পিছনে তার সম্পর্কে নানা ধরনের ভালো মন্দ কথা প্রচার করা হবে। অন্য সকল সদস্যের কাছে কীভাবে ছোট করা যায় তার পরিকল্পনা, শেষ পর্যন্ত নিজে অপমানিত হতে হবে বুঝতে পারে না। কারণ এই সব জেলাস দের মান অপমান বোধ কম, যা হোক এসব কথা আলোচ্য বিষয় নয়। মানুষের মনে একটাই প্রশ্ন যদি দেখা যায় এই লোক সভা ভোটে বামফ্রন্ট ভালো আসন পেল, বা পেল না, কিন্তু যদি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতায় আসে, তাহলে এই সব সত্তর ঊর্ধ্বে নেতারা চোখ রাঙাবে একটা কাজ নিয়ে বললে আগের মতো বছরের পর বছর ঘোরাবে, বিপদের সময় পাশে পাওয়া যাবে না। সামনে এসে দাঁড়াবে না,উল্টে কাজ যাতে না হয় তার ব্যবস্থা পাকা করে দেবে। সেই কারণেই মানুষ এদের সরিয়েছে, চোর নয় জানলেও এই সব নেতা দের কারণে আগামী লোকসভা বা বিধান সভা নির্বাচনে জেতা বা বামেদের ফিরে আসা মুশকিল, তাই নেতা বদলাতে হবে বা নেতাদের মনোভাব বদল করতে না পারলে বামফ্রন্টের এ রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরে আসা মুস্কিল। 

Sunday, 17 March 2019

রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রী রা এত মিথ্যে কথা বলে কেন?

ছবি টি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া।আজ আমি বা আমরা অনেকে দেখছি বা শুনছি, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী এমন কিছু কথা বলে দিচ্ছেন, যা নিয়ে সারা দিন, কেন বেশ কিছু ধরে আলোচনা করে। যেমন উনি উত্তর বঙ্গের হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ উদ্বোধন করতে গিয়ে বলে এলেন, ১৯১২ সালে তিনি ওটির শিলান্যাস করেছিলেন। আবার তিনি একটি বই লিখেছেন উপলব্ধি তার সাথে তিনি যা করেছেন কিছু মিলছে না। আসলে তিনি একা নন, বিশ্বের প্রায় সকল দেশের বড়ো বড়ো নেতা মন্ত্রী রা প্রতি মুহূর্তে এটা করে থাকেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বা আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে দেখুন তিনিও কম মিথ্যে বলেন না। আমাদের দেশের মিডিয়া গুলো যদি এদের সঙ্গে না থাকত তাহলে আমরাও জানতে পারতাম প্রতি মুহূর্তে কত গুলি মিথ্যে কথা বলছেন। যেমন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট মিথ্যে কথা বললে ওখান কার মিডিয়া হিসেবে রাখে, আমাদের দেশে রাজনৈতিক দল বা ক্ষমতাসীন দল, সব সময় মিডিয়া কে টাকা দিয়ে বগল দাবা করে রাখে, প্রতি নিয়ত প্রচারের আলোয় থাকার জন্য। সাধারণ মানুষ সরকারের বা দেশের কি ঘটেছে, কোনও ঘটনার পর কী করা হলো বা সরকারের দোষ ত্যাগ নিয়ে আলোচনা করতে পারে না, ভয়ে না হলে নির্বাচনের আগেই প্রচার করে কে কতটা আসনে জয় লাভ করবে। আমার আলোচ্য বিষয় ওটা নয়, তাহলে এরা কেন এতো এরকম বলেন, সবাই মিলে ভাবছেন, এরা কিছু জানে না, বোকা, না হলে অশিক্ষিত মোটেও তা নয়, আসলে এরা সবাই খুব চালাক সাধারণ মানুষ যাতে এদের খারাপ কাজ গুলো নিয়ে না আলোচনা না করে বা ভাবে এরা বোকা বলে ঐ কাজ গুলো করেছে, সেই জন্য এই সব কথা বলা লেখা প্রকাশ করা করে যায়, আমরা যেমন রাস্তার কোনো মাতাল কিছু বললে কি বলি ও মাতাল তাই করে ফেলেছে। একজন লেখাপড়া জানা ভদ্র লোক করলে কি বলি, আপনি শিক্ষিত হয়ে এ কাজ করলেন। আমাদের বা সাধারণ মানুষ যাতে করে সর্বদা ব্যস্ত থাকে, এদের এই সব আ কথা কু কথা নিয়ে,নিজেদের দাবি বা অভাব অভিযোগ ভুলে থাকতে পারে তার জন্য এটা এক ধরনের খোড়াক। আমাদের রাজ্যের এস এস সি পরীক্ষা পাশ করে ঘুষ দিতে না পেরে চাকরি হয়নি, তারা আজ অনশন করছে, একজনের গর্ভস্থ শিশু নষ্ট হয়ে গেছে,আরো অনেক আন্দোলন হচ্ছে, সে কথা কোথায় প্রচার কেবল মাত্র নিজেদের মধ্যে ফেসবুক ও হোয়াটস এ্যাপে বন্দী। এই জন্য বলছি এরা এগুলো বলে এরা অতিব চালাক তাই এগুলো বলে,এদের সাথে যারা থাকে বা যে লোক এদের ভাষণ লিখে দেন, তারা কি লেখা পড়া জানে না, মনে হয় মোটেও না সব ঠিক থাকে এরা ইচ্ছা কৃত এগুলো করে থাকে। 

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ও কেন্দ্রীয় বাহিনী।

আমি কেন্দ্রীয় বাহিনী বা সেনা বাহিনীর জওয়ান দের ভীষণ শ্রদ্ধা করি, কারণ তারা শত কষ্ট সহ্য করেও আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে গত 2014 ও 2016 সালে সেই ভূমিকায় দেখা যায় নি। সব ছাপ্পা ভোট হয়ে যাবার পর, বিকেল সাড়ে তিনটে থেকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গিয়েছিল, কিন্তু 2009 ও 2011 সালে ভোট শুরুর প্রথম থেকে ভীষণ ভাবে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে ছিল। আমরা যারা ভোট কর্মী খুব নিশ্চিন্তে কাজ করতে পেরে ছিলাম। 2014 ও 2016 তে সর্বত্র কিছু কিছু গোলমাল হয়েছিল। আমার অনেক বন্ধু রা অনেক জায়গায় ভোট নিতে গিয়ে ছিল, তারা সবাই মিলে বলছিল। শাসক দলের লোক কীভাবে ছাপ্পা ভোট দিচ্ছিল, আর কেন্দ্রীয় বাহিনী দাঁড়িয়ে দেখছিল। অফিসার রা কিছু বললে সেরকম কী না বলে বাইরে গিয়ে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। আমি 2014 সালের ঘটনা বলি,একটি কুড়ি বাইশ বছরের ছেলে দুটি ভোট দিয়ে গেছে, আবার এক জন কে সাথে এনেছে সে দিব্যি চোখে দেখতে পায়, আমি বলার পর সে বলল আমরা ৩৪ বছর ধরে ভোট দিতে পারিনি, আমি বললাম তোমার বয়স 20 বছর তুমি কী ভাবে চৌঁত্রিশ বছর ধরে ভোট দিতে পার নি? সে ঘাবরে গিয়ে বলে ঐ হলো, তার সাথে এজেন্ট রা যোগ দেয়, শেষ পর্যন্ত সে ঐ লোকের ভোট এবং আরও কয়েক জনের ভোট দিয়ে ছিল।
২০১৩ সালের পঞ্চায়েত ভোট দিয়ে প্রহসন শুরু,কিছুতেই পঞ্চায়েত ভোট করবেন না, শেষে পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন কেস করে কেসে জিতে ভোট করে ছিল। সেই সময় থেকেই বোঝা গিয়ে ছিল,রাজ্যের শাসক দল কতটা গনতন্ত্র প্রিয়।সেই ২০১৩ সাল থেকে শাসক দলের নেতা মন্ত্রী কর্মীরা বিভিন্ন সময়ে এমন সব কথা বলতে আরম্ভ করেন, সে সব শুনে বিরোধী দলের অফিস ভাঙচুর কর্মীদের মারধর, একজন তো বলেই বসলেন, এসব করতে পুলিশ যদি বাধা দেয় তবে পুলিশ কে বোম মারবে। নেতার কথায় সত্যি সত্যি অমিতাভ চক্রবর্তী না কী নামে এক পুলিশ অফিসার কে বোমা মেরে মেরে ফেলা হয়েছিল। যে মায়ের কোল খালি হলো তাতে নেতার কী হলো ? তিনি তো দেহরক্ষীর ঘেরা টোপে থাকেন, আর যে নেতার কথায় ঐ কাজ টা করল ধর সে শাসক দলের লোক হলে সাত খুন মাফ।
তাই গত ২০১৩ পঞ্চায়েত নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০১৪ বিধান সভা, ও ২০১৬ সালে লোক সভা ভোট ও গত ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট দিতে না দেওয়া প্রার্থী দিতে না দেওয়া মানুষ খুন করা উন্নয়ন অস্ত্র হাতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল । তাই এই নির্বাচন নিয়ে সমস্ত মানুষ কৌতুহলী কতটা ছাপ্পা এড়িয়ে একটা মানুষ খুন না করে ভোট হবে তো ! 

Monday, 11 March 2019

বাংলায় এমন সুদিন এসেছে চাকরির জন্য অনশন করতে হচ্ছে।

ছবি টি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া ।গত কয়েকদিন ধরে ssc পাশ করা চাকরি প্রার্থীদের অনশন চলছে। অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন, অনেক মা তাদের বাচ্ছা দের নিয়ে অনশন করছে, 2012 সালে চাকরির পরীক্ষা দিয়ে ও তালিকা ভুক্ত হয়েও চাকরি হয় না। এ রাজ্যে ঘুষ না দিলে  চাকরি হয় না । যে রাজ্যে পাঁচ হাজার টাকার চাকরি (ICDS) পেতে হলে ঘুষ দিতে হয়। সেখানে সুস্থ ভাবে চাকরির পরীক্ষা দিয়ে চাকরি ভাবা  যায় ।এ রাজ্যে কাগজের বিজ্ঞাপনে চাকরি আছে, চাকরির পরীক্ষা নেওয়ার নামে প্রহসন আছে, কেবল ঘুষ না দিলে চাকরি নেই। সেই জন্যই আজ চাকরি না পেয়ে কোলের বাচ্ছা নিয়ে অনশন করতে হচ্ছে, বা গর্ভবতী অবস্থায় অনশন করতে হচ্ছে, এতো আর পর্দার আড়ালে অনশন নয়, তাই অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। আজ টিভি নিউজে দেখলাম, এক মায়ের গর্ভপাত হয়ে গেছে, যা গোটা পশ্চিমবঙ্গের লজ্জা সত্যিই উন্নয়নের ফোয়ারা ছুটছে, সত্যিই আমরা সেই বাঙালি জাতি যারা গোটা দেশ কে মানবতার বানী শিখিয়েছে। কোথায় গেলেন মানবতার পূজারিরা, আমি জানি না কবে বাঙালি এই অমানবিকতা থেকে মুক্তি পাবে। বাঙালি আজ বিবেক, মনুষ্যত্ব বিকিয়ে দিয়েছে, পাঁচ শ টাকা বা পাঁচ দশ হাজার টাকা পাবার লোভে, আর এক দল মো সাহেব তৈরি হয়েছে, কাট মানি খাওয়ার জন্য।কাট মানির ভাগ দিলেই চলবে। কোথায় সেই বাঙালি জাতি? যারা স্বাধীনতার লড়াই করে ছিল । প্রতিবাদের ভাষা হারিয়ে গেছে,আমরা কত নির্লজ্জ হতে পারি এটা তার একটা দৃষ্টান্ত। যদি সৎ সাহস থাকে আসুন আগামী দিনে একে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে আসি বঙ্গোপসাগরে। যত রকম ভাবে বাঙালি কে ছোট করা যায় সেটাই হচ্ছে, সাহিত্যে, চুরিতে, স্বাধীনতার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গে যত সরকার এসেছে এ রকম সরকার কোন দিন আসেনি। চৌঁত্রিশ বছর বাম সরকার ছিল, 41 না 42 টা কমিশন গঠন করেও আট বছরেও একজন নেতা মন্ত্রী কেও জেলে ভরতে পারে নি। তাই বলছি এই লোক সভা ভোট আসছে, এই সরকার কে বুঝিয়ে দিন বাঙালি এখনো বিবেক হীন হয়ে যায় নি।

Wednesday, 6 March 2019

দেশে মাফিয়া আর দূস্কৃতি দের কাছে যে পরিমাণ অস্ত্র আছে, তা পুলিশের কাছে নেই।

স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও দেশ স্বাধীন হবার পরও সাধারণ মানুষের দুঃখের শেষ নেই। ইংরেজ আমলে ব্রিটিশ সরকার ভারত বাসী দের কুকুর বিড়াল ভাবত পান থেকে চুন খসলে গুলি করে মেরে দিত, পিটিয়ে মেরে দিত। সত্তর বছর হলো ব্রিটিশ ভারত ছেড়ে চলে গেছে কিন্তু আজও আমরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে মরছি কথায় কথায় রাজনৈতিক নেতা তথা তোলাবাজ ঘুষখোর দের কথায় একে অপরের সাথে মারামারি করছে, আর মশা মারার মতো মানুষ খুন করছে।  এতো অস্ত্র এলো কোথা থেকে ইতিহাসে আমরা পড়েছি ভারতের নবাব বাদশা সুলতানরা কিছু কর্মকার বা কারিগর কে দিয়ে অস্ত্র তৈরি  করাতো তারাই আজ বংশ পরম্পরায় অস্ত্র তৈরি করে দিচ্ছে । সেই অস্ত্র আজ দূস্কৃতি থেকে মাফিয়া প্রত্যেকের হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে ।  মদ আর ভাগারের মাংস খেয়ে মশা মারার মতো মানুষ খুন করছে। আর এখন পশ্চিমবঙ্গের আনাচে কানাচে মদের দোকান, এতো এতো দূস্কৃতি বা মাফিয়া তোলা বাজ বেড়েছে তা বলে বোঝানো যাবে না। এর সাথে আছে ঊর্দিধারি তোলা বাজ, রেলের ঊর্দিধারি তোলা বাজরা আরও সাংঘাতিক রেল যাত্রীদের নিরাপত্তা থেকে তোলা তুলতে বেশি পারদর্শী। দু তিন বছর চাকরি করার পর বাড়ি গাড়ি অবধারিত, এ রাজ্যে আরেক ধরনের তোলা বাজ আছে এখন দশ হাজার টাকা বেতন কিন্তু এক একজন বিশ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা মাসে তোলা তুলে ইনকাম করে। তবে এটাও ঠিক এই সব ঊর্দিধারি দের সবার হাতে অস্ত্র নেই। অবাক করার বিষয় তাই না, কিন্তু মাফিয়া দূস্কৃতি তোলা বাজ রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা উন্নয়ন এদের প্রত্যেকের হাতে কিছু না কিছু অস্ত্র আছে, এরা বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক দল বদলে নেয় জেল জরিমানার হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য। মানুষ খুন এদের কাছে জল ভাত, আর এদের উপর ভর করে অনেক নেতা মন্ত্রী নিজের আখের গোছায়। নিজের দলের লোক জন কে খুন, যা এখন বিভিন্ন পাড়ার মোড়ে মোড়ে ঘটে চলেছে। ছাত্র খুন, শিক্ষক হেনস্থা,   পঞ্চায়েত ভোট নিতে যাওয়া সেই শিক্ষক মশায় যিনি নৃশংস ভাবে খুন হয়ে ছিলেন। খুনের ঘটনা লিখলে এই পরিসরে শেষ হবে না। প্রতিটি প্রাণ মূল্যবান সেই অমূল্য প্রাণ কে যারা অকালে কেড়ে নেয় তারা আর যাই হোক মানুষ নয়। এখন গোটা রাজ্যে তথা দেশে এতো বেড়েছে যে, বলে কাজ নেই, এর কারণ পুলিশ  প্রশাসনের ঢিলেমি, আর বিচার ব্যবস্থার গাফিলতি ।বিচারের নামে প্রহশন তৈরি করা, তারিখের পর তারিখ দেওয়া আর জামিন ব্যবস্থা। আমি ইতিহাস পড়ে যেটুকু জেনেছি ব্রিটিশ আমলে তৎক্ষণাৎ বিচার হতো এবং শাস্তি হতো এখন হয় না। বিশ বছর মামলা চলার পর শাস্তি ঘোষণা করা হয়। প্রকৃত অপরাধী ধরে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হতো, তবে আজ কথায় কথায় মানুষ খুন অনেক টাই বন্ধ করা যেত। তবে পুলিশ তো নিধিরাম সর্দার, কীভাবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে?

পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন আর দূস্কৃতি রাজ।

আমাদের রাজ্যের নির্বাচন, ভোটের আগে দূস্কৃতি দের জেলে ভরার পালা, কিন্তু প্রশ্ন এই রাজ্যের আসলে যারা দূস্কৃতি তারা থেকে যাবে জেলের বাইরে, খুব কম দূস্কৃতি ধরা পড়বে। যারা ধরা পড়বে তারা বিভিন্ন দলের কর্মী সমর্থক কারণ আমাদের রাজ্যের প্রায় প্রতিটি শাসক দল সর্বদা এরকম রাজনৈতিক নীতি নিয়ে চলে। যত রকম কেস আছে শ্লীলতাহানি, ডাকাতি, চুরি, খুন সব ধরনের মামলা আছে বিভিন্ন দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে, কারণ এই রাজ্যে কোনো অপরাধ ঘটলে, শাসক দল বলে, বিরোধী দল করেছে, আর বিরোধী দল বলছেন শাসকের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব, মামলা বা কেস ডায়েরি পুলিশ সেই ভাবে সাজাচ্ছে, যে লোক ঘটনার কথা ঘুনাক্ষরে জানে না। তার নামে কেস বা মামলা রুজু হচ্ছে, এরকম করে আসল অপরাধী জেলের বাইরে থেকে যাচ্ছে, তারা যখন যে শাসক সেই দলে নাম লেখাচ্ছে, আসল অপরাধীরা ভোটের সময় মদ মাংস খেয়ে দিব্যি হুমকি দিয়ে বেড়াচ্ছে, মানুষ খুন করছে, পুলিশ কে মারছে, এই আজ অন লাইন নিউজ পোর্টালে (DNA বাংলা) বেড়িয়ে ছিল এক জন তৃণমূল যুব কর্মী কে বোমা মেরে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে,হতভাগ্য মায়ের কোল খালি হলো। আমার মনে এতখন কোনো না কোনো বিরোধী দলের নেতাদের নামে কেস হয়েছে। আর আসল অপরাধী ঠিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাংলায় এই সমস্যা আজ থেকে নয়, দীর্ঘ দিনের এরকম সমস্যার জন্য তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার কে মানুষ পাল্টে বর্তমান সরকার কে নিয়ে এসে ছিলেন । সেই tradition সমানে চলছে।

Tuesday, 5 March 2019

পথ বা রেল দূর্ঘটনা আর উদ্ধার কারী স্থানীয় মানুষ।

ছবি টি অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকায় থেকে নেওয়া।আমার শোনা ও দেখা কিছু দূর্ঘটনার সময় সাধারণ মানুষের উদ্ধার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ে, দূর্ঘটনায় আহত মানুষ দের একটু সাহায্য করেন। কারণ দূর্ঘটনা স্থলে পুলিশ বা উদ্ধার কারী দল, সর্বদা দেরী করে পৌঁছায়, কিন্তু আমি জানি কিছু স্থানীয় বাসিন্দা আছেন, যারা উদ্ধারের নামে লুট চালায়। আগেই মৃত মানুষ গুলোর পকেট ফাঁকা করে, যে যেমন ভাবে পারে, তাই অনেক সময় মৃত মানুষের পরিচয় জানা যায় না। গুরুতর জখম ব্যক্তিদের সেবা দেওয়ার নামেও এই নোংরামি করে।অনেক দিন আগের একটা দূর্ঘটনার কথা চাঁপাডাঙ্গা পিয়সারার মাঝে ঘটে ছিল। দূর্ঘটনায় আহত এক ব্যক্তির কাছে পাঁচ শ টাকার নোট ভর্তি ব্যাগ ছিল, তিনি আহত মাথা থেকে রক্ত পাত হচ্ছে, তার ঐ টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনিয়ে নিতে চেষ্টা করে যাচ্ছে, একদল স্থানীয় উদ্ধার কারী, এরকম আরো অনেক ঘটনা চোখে পড়ে, তবে এটাও ঠিক সবাই যে এ কাজ করে না, এই সব উদ্ধার কারী অনেক ভালো মানুষ আছেন, যারা সত্যিকারের মানুষের সেবা করার জন্য বা উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান, তাদের সেবা করেন। আহত ব্যক্তি দের সেবা করেন, ঠিকানা জেনে বাড়িতে খবর দেওয়ার ব্যবস্থা করেন, সেই সকল ভালো মানুষ দের সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে, যেমন ফারাক্কার কাছে ভোর রাতে শীতের সময় অনেক মানুষ তাদের জীবন বিপন্ন করে অপর অনেক মানুষ কে বাঁচিয়ে ছিলেন। আমি কাগজে পড়ে জেনেছি তাদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, যা ইতিহাস মনে করিয়ে দেয়, তাই যারা এসব করে তাদের জন্যে ভালো মানুষ যারা সত্যিকার মানুষের দুঃখে বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়ে সেই সব মানুষদের অনেকে বিশ্বাস করতে পারে না। সমাজে সকল মানুষ খারাপ হয়ে যায়নি, তাহলে সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যেত। 

Monday, 4 March 2019

ভারতের রাজনৈতিক দল ও সাম্প্রদায়িকতা।

ছবি টি ডেইলি হান্ট থেকে নেওয়া। আমাদের দেশ স্বাধীনতার মুখ দেখে ছিল, ধর্মের নামে দেশ ভাগ করে, তাতে ক্ষতি গ্রস্ত হয়ে ছিল, বাঙালি হিন্দু জাতির লোক জন  আর পাঞ্জাবের অধিবাসীদের। এই ধর্মের নামে দেশ ভাগের হোতা কারা তৎকালীন কংগ্রেসের নেতারা, নির্লজ্জের মতো তখন কার উদ্বাস্তু দের এখন পর্যন্ত পুনর্বাসন দেওয়া হয় নি। আর সেই রকম একটা মহা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো দলের সাথে, ভোট সমঝোতা করছে সি পি আই এম, কারণ বিজেপি নাকি সাম্প্রদায়িক, বিজেপি কী করতে চাইছে এক দেশ এক আইন সেখানে কোনো ধর্মীয় আইন থাকবেন না। উত্তরের কোনো রাজ্যের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধার আইন থাকবে না, কারণ তারা দেশের অন্য জনগণের করের টাকায় ভর্তুকি প্রাপ্ত জিনিস পত্র খাবে পড়বে আর সেনা বাহিনী আর পর্যটকদের পাথর ছুঁড়বে, এ জিনিস চলতে পারে না। আজ নিচু স্তরের অনেক বাম সমর্থক বিজেপি দিকে ঝুঁকে পড়েছে,  কারণ নেতা দের এই দ্বিচারিতা, এক দিকে স্বাধীনতার সময় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো দল, যারা সংরক্ষণের নামে দেশে আরও সম্প্রদায়ে ভাগ করে দিয়েছে। যেখানে সংরক্ষণ হওয়া উচিত ছিল অর্থ বা আয়ের ভিত্তিতে।
আমরা দেখে ছিলাম সিঙ্গুর থেকে রাজ ভবন অভিযান যে মিছিল হয়েছিল, সেটা ঐতিহাসিক মিছিল, আবার গত 3/2/2019 বামেদের বিগ্রেডে জনসভায় তিল ধারণের জায়গা ছিল না। উপরের ছবি টি তার একটি, দেবলীনা হেমব্রম বক্তব্য রাখছেন, ছবি টি তে দেখা যাচ্ছে। আমি অনেকে বলতে শুনেছি আরেকটা বিগ্রেড মাঠ লাগবে এর পরও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট, গত বিধানসভা নির্বাচনে জোটের ফলে বামেদের ভোট কমেছে, কি জানি রাজ্যের বাম নেতারা কী বুঝেছেন। 

Saturday, 2 March 2019

শিক্ষক ও হবু শিক্ষকদের অনশন।

ছবি টি oneindia অন লাইন নিউজ পোর্টালে বেড়িয়ে ছিল ।এরা ssk msk as এর শিক্ষক বেতন বাড়ানোর দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করছেন। কেউ কেউ অনশন শুরু করেছেন, আরেক দল মেয়ো রোডের ধারে অনশন শুরু করেছেন, অনেকে দিন হলো ssc পরীক্ষা দিয়ে প্যানেলে নাম আছে  চাকরি হচ্ছে না। সামনে লোক সভা ভোট ঘোষণার আগে দু সরকার বিজ্ঞাপন দিয়ে যাচ্ছে, আবেদন করলেই চাকরি হবে ।2012 সালে ssc দিয়ে এখনো পর্যন্ত চাকরি হলো না। যারা এদের মধ্যে ঘুষ দিতে পেরেছে তাদের দু একজনের চাকরি অবশ্য হয়েছে ।বিজ্ঞাপনে কাগজের পাতা ভরে যাচ্ছে, গত বিধানসভা নির্বাচনের আগেও এরকম অনেক এবং অসংখ্য বিজ্ঞাপন আমরা দেখেছি। গত 2006 থেকে 2008 সাল পর্যন্ত যে ভাবে একটা বড়ো কারখানা তৈরি হতে দেয়নি।সিঙ্গুরের ঐ ঘটনার পর থেকে পশ্চিমবঙ্গের আর কোনো কারখানা হয়নি। উল্টে হিন্দমোটর বন্ধ হয়ে গেছে, অনেক বড়ো বড়ো প্রতিশ্রুতি, কিন্তু সব ফাঁকা, এখন তোলা আর ঘুষের কারখানা চলছে, যে যত পারো লুটে নাও, বামেদের আমলের শেষের দিকে এই রকম শুরু হয়েছিল, তা এখনও চলছে, আরো বেশী করে, তখন শতাংশ কম ছিল, এখন অনেক বেড়েছে, মনে পরে 2016 বিধানসভা নির্বাচনের আগে তারকেশ্বরে, হুগলি জেলার অফিসার দের নিয়ে সরকারি সভায় মাননীয়া কী বলে ছিলেন " অত কাট মানি খেলে হবে, তার সাথে ধমক দিয়ে সিঙ্গুরের একজন কে বলে ছিলেন, কামার কুণ্ডু রেল সেতু এখনো পর্যন্ত হলো না কেন? আমি কোনো কথা শুনব না, এক বছরের মধ্যে ঐ সেতু তৈরি করতে হবে, আজ তিন বছর হয়ে গেল এখনো হয় নি, তবে হয়নি খুব ভালো, হলে তো আবার ভেঙে পড়ার ভয়, কখন কার ঘাড়ে পরে তার ঠিক নেই, আর এখন এই রাজ্যের সাধারণ মানুষের কোনো দাম নেই, তারা মরলে নেতা মন্ত্রীরা হাত তালি দেয় ।সাধারণ মানুষের দুঃখের কথা কেউ শোনে না, এখন তো আবার নেতা মন্ত্রী বিধায়ক সকলেই অকালে মরছে, কি যে রাজনীতি এলো দেশে বুঝতে পারছি না। সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারত সেটাও সে পারবে না, বেতন বাড়ানোর জন্য আর চাকরি পাবার জন্য আন্দোলন, ২০০০ টাকা বেতন বাড়িয়ে দেয় না, তা না হলে হাঁস মুরগি ছাগল গোরু থালা দেবেন কী করে? আর বিদ্যালয়ে পরিকাঠামো উন্নয়নে টাকা নেই, কিন্তু কাগজ পুরোণ লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে চিঠি ছাপিয়ে বিলি খাল বিল নদী উৎসব, বিদেশের অনুকরণে দুর্গা পূজার কার্ণিভাল মাটি উৎসব, নিজের বেতন এক টাকার বদলে 90000 টাকা বিধায়ক ও মন্ত্রী দের বেতন কয়েক গুণ বৃদ্ধি, আমায় সবাই মাপ করে দেবেন, এসব না লেখা ভালো নয় কারণ টাকা তো আমার নয়, আর জনগণের ও নয়, ওই টাকা সরকারের টাকা সরকার যা খুশি তাই করতে পারে, তাই তোমরা যতই ধরণা দাও আর আন্দোলন করতে শুরু কর আমি হয় ত ঘোষণা করতে পারি, সামনে লোক সভা নির্বাচন হবে, আমার টাকা আমি দোব কি না, আমার ব্যপার। আগেই বলেছি এরাজ্যে সাধারণ মানুষের মৃত্যু হলে নেতা মন্ত্রীরা হাত তালি দেয়, আবার যার মাথায় অক্সিজেন কম যায় সে তো সরাসরি বোম মারতে বলছে, আমি ঐ সব অনশন কারি যুবক যুবতী দের বলছি, দেখ তোমরা না খেয়ে অনশন করো না, তা হলে ঐ ছাব্বিশ দিনের রেকর্ড ভাঙতে পারবে না। সবাই ভালো থাকুন আর সামনে লোক সভা নির্বাচন, তাই আমি এসব আন্দোলন বরদাস্ত করছি না হলে, দেখিয়ে দিতাম কেমন করে আন্দোলন করতে হয়। আর কেউ দুঃখ করো না ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন আমি পশ্চিমবঙ্গের ৪২ লোকসভা আসনে জিতব, প্রধানমন্ত্রী হয়ে, কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে যত রকম কর্মী আছে অমিত কে দিয়ে সবার বেতন কমিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করব, সব পশ্চিমবঙ্গের সমান করে দোব চিন্তার কী আছে আর কটা দিন, সব রাজ্য পশ্চিমবঙ্গের সমান হয়ে যাবে । 

Bajaj finserv ও আমি ।

আমি গত 21/1/19 তারিখে সিঙ্গুর থানার অন্তর্গত বুড়াশান্তি এলাকার santra communications থেকে bajaj finserv with mobikwik এর মাধ্যমে একটি oppo ফোন কিনেছিলাম। তার পর গত 7/2/2019 তারিখে আমার কাছে SMS এল আমার signature mismatch হয়েছে।
আমি গত 7/2/2019 তারিখে উক্ত দোকানে গিয়ে পুনরায় কাগজ পত্র দিয়ে আসি, ব্যাঙ্ক থেকে signature verification করিয়ে, তার পর গত 20/2/2019 থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি আমাকে ফোন করতে থাকে বলে আপনার signature mismatch আছে, আপনার বাড়িতে আমাদের লোক যাবে সব কাগজপত্র নিয়ে আসতে, আমি সব ঘটনা বলার পর আমায় জানায়, আপনি সব কাগজপত্র ঐ দোকানে আবার জমা দিলে, ঠিক আছে কোন চিন্তা নেই সব ঠিক হয়ে যাবে। আমার জানা ছিল না bajaj finserv একটা চিটিংবাজ সংস্থা, অন লাইনে অনেক নম্বর আছে, কোনো টায় লেখা আছে 24×7 কোনো টায় লেখা কেবল misscall দিন, একটি number এ misscall দেবার পর দিন সকালে অন্য একটি number থেকে আমাকে ফোন করে সব শোনার পর বলেন আপনি ভুল জায়গায় misscall দিয়েছেন। অথচ আমি number টি অন লাইন থেকেই পেয়ে ছিলাম। আরেকটা কথা না বলে পারছি না, আমার email id bfl এ ভুল আছে, (মোবিক্যুইকে ঠিক আছে) দেখাচ্ছে অন লাইন ঠিক করা যাবে, কিন্তু আমি তিন দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা চেষ্টা করেও পাল্টাতে পারছি না। এর মধ্যে আমি ও আমাকে যে ঐ দোকানে নিয়ে গিয়ে bajaj finserv ও মোবিক্যুইকের মাধ্যমে ফোন কিনতে বলেন, সেও দোকান দার কে ফোন করে বলে সব ঠিক আছে, আপনার কোনো সমস্যা হবে না। তারিখ টা ছিল 23/2/2019 তার আগের দিন ও আমি ফোন করে ছিলাম। আমাকেও একই কথা বলেন, এর পর গত 1/3/2019 bajaj finserv থেকে আমাকে আবার SMS করে জানান হয়, আপনার signature mismatch আছে, আগামী 2/3/2019 আপনার প্রথম কিস্তি কাটা হচ্ছে না। আপনাকে একমাস সময় দেওয়া হলো, আপনি আবার কাগজ পত্র জমা দেবেন বা আপনার সাথে আমাদের লোক বাড়িতে গিয়ে দেখা করে নিয়ে আসবে। 
আজ 2/3/2019 হরিপাল থেকে ট্রেনে যাবার সময় এর আগে আমি যাকে কাগজ পত্র দ্বিতীয় বার দিয়ে ছিলাম, তার সাথে দেখা হলে তাকে বিষয় টা বললাম সে আমাকে আরও দু জনের কথা বলে যাদের নাকি এই সমস্যা গত বছর অক্টোবর থেকে, সে একটি নম্বর দিয়ে আগামী রবিবার (3/3/2019) সকাল দশটার পর ফোন করতে বলেন। যে নম্বর টি দিয়েছে সেটি ঐ দোকান দারের যাকে গত 22/2/2019 তারিখে ফোন করার পর বলে ছিল আপনি নিশ্চিত থাকতে পারেন কি হলো না আপনা কে আমি ফোন করে জানাব, আজ পর্যন্ত আমি তার কাছ থেকে ফোন পেলাম না। 
 আমি এখন বুঝতে পারছি অপরের কথায় আমি bajaj finserv ও mobikwik এর মত মহান চিটিংবাজ সংস্থা থেকে finance এ মোবাইল ফোন কিনেছিলাম। আমি বুঝতে পারছি না কী করে এই মহান চিটিংবাজ সংস্থার থেকে কীভাবে মুক্তি পেতে পারি। আমি জানি আমি এসব লিখছি, যারা পড়েছেন তারা এই চিটিংবাজ সংস্থার দূরে থাকুন। 



পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...