Anulekhon.blogspot.com

Monday, 18 October 2021

বাংলাদেশে হিংসার ঘটনা ঘটে চলেছে।

 আজ বলে বাংলাদেশের ইতিহাস ভাবুন সেই লক্ষ্মণ সেনের পরাজয়ের পর থেকে এই ইসলাম ধর্মের মানুষ বাঙালির উপর অত্যাচার নামিয়ে আনে, তার পর ইংরেজ আমলেও একই অবস্থা ১৯৪৬ সাল থেকে চলে আসা এই দাঙ্গা অনেক ভেবে ছিল, ধর্মের নামে দেশ ভাগ হয়ে গেলে এ সমস্যা চলে যাবে। সেই কারণেই অনেকেই ইংরেজের সাহায্য নিয়ে এবং দিল্লির ক্ষমতালোভী ইংরেজের দালাল দের দিয়ে দেশ ভাগের ব্যবস্থা করে দিয়ে ছিল। এমন দু টো দেশ ভাগ করা হয়েছিল যারা ইংরেজ আমলে স্বাধীনতা যুদ্ধে সব থেকে অবদান ছিল। বাংলা ও পাঞ্জাব কে ইতিহাস ভাবুন কেন এটা করা হয়েছে দিল্লিতে যারা ক্ষমতা দখল করতে যাচ্ছিল তারা জানত এই দুটো এক থাকলে ওরা বেশি দিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। আবার আন্দোলন শুরু করে দেবে ওর থেকে এদের আলাদা করে দাও এবং বাঙালি হিন্দু বেশি স্বাধীনচেতা এদের ধ্বংস করে দিতে হবে। 1946 সালে ইংরেজ এবং ইংরেজ এই সব পা চাটারা দাঙ্গা লাগিয়ে দিল কারণ ইসলাম ধর্মের মানুষ সর্বদাই লুট পাট মানুষ খুন করতে ভালো বাসে ওদের না আছে ঠিক মত শিক্ষা না সেই রাজনৈতিক জ্ঞান ব্যাস সেই শুরু তার ৪৭ সালে দেশ ভাগের মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা লাখ লাখ হিন্দুর জীবন বিপন্ন হয়ে গেল। দিল্লিতে বসে ক্ষমতায় বন্টন করা হয়ে গেল এক জন অনশন করতে নোয়াখালী পৌঁছে গেল। সেখান কী ঘটেছিল যারা ইতিহাস জানে তারা  সবাই জানে জুতো পেটা খেতে হয়েছিল। কারণ কাটাঘায়ে নুনের ছিটে দিতে গিয়ে ছিল। যাহোক এই কয়েক দিন ধরে গোটা বাংলাদেশ কেবল একটি কোরান শরীফ হনুমানের কোলে রাখা নিয়ে জ্বলছে।

আমার বাংলাদেশের এই সব অশিক্ষিত যারা এই অত্যাচার করে চলেছেন ভাঙচুর আগুন লাগানো করে চলেছেন তাদের বলছি। কোরান এর অপমান করা হয়েছে, আর এগুলো একটু দেখুন এতে অপমান করা হয় না।




আরেকটা দিচ্ছি যেখানে কোরান শরীফ উপর পায়খানা করে ছিল। আপনার ধর্মের লোক। 

এগুলো তে অপমানিত বোধ হয় নি, না একটা অজুহাত পেলাম আর চল দাঙ্গা লাগিয়ে দিলাম, নীরিহ মানুষ কে মেরে লুট পাঠ করে আগুন লাগিয়ে দিয়ে আসি। আসলে এটাই আপনার ধর্ম পৃথিবীর যে প্রান্তে আপনারা বেশি সেখানেই অশান্তি আপনারা শান্তিতে থাকতে পারেন না। লুট পাট করা আপনার ধর্ম না হলে চলবে কি করে? কাজ কিছুই নেই, আর আপনার সুবিধার্থে আপনার প্রশাসন আছে পুলিশের মদত আছে কারণ সেও আপনার ধর্মের তার তো ইচ্ছা আছে লুট করার। কারণ আজও দেখছি আগুন দেওয়া দোকান পাট পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। যেখানে পুলিশ আছে অত সেনা বাহিনী আছে তা সত্ত্বেও কেন হচ্ছে কারণ সরকারি মদত আছে। অপরাধের শাস্তি নেই বিচার নেই সে কারণেই দীর্ঘ দিন ধরে এসব ঘটে চলেছে। আপনাদের মধ্যে হয়ত সামান্য হলেও ভালো আছে, কিন্তু তারা সংখ্যায় এত নগন্য সারা বাংলাদেশ আজ জ্বলছে আর গোটা বিশ্বের মানুষ দেখছে কী ভাল লাগছে। বাংলাদেশ আরেকটা আফগানিস্তান হোক এটা চাইছেন বলুন। শান্তি ফিরিয়ে আনুন ধর্ম ধর্মের জায়গায় রেখে বেড়িয়ে আসুন, আমরা সবাই বাঙালি মানুষের মত ব্যবহার করতে শিখি। এই দেখুন একটা পশু কে যে এই মানুষ টি বাঁচিয়ে ছিল কৃতজ্ঞতায় সে তার পা জড়িয়ে ধরেছে।

বনের পশু সেও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে আর আপনারা মানুষ তাহলে কি বলতে হবে, যারা এসব করছে তারা পশুর থেকেও অধম। ছিঃ ছিঃ এই আপনাদের শান্তির ধর্ম। অপরকে মারব লুট পাট করব এটা যদি শান্তি হয় তাহলে অশান্তি কাকে বলে? 
এই যে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। 




Sunday, 17 October 2021

ধর্ম নিয়ে যে দেশের মানুষ যত ব্যস্ত সেই দেশ তত অন্য দেশের উপর নির্ভরশীল।


 ছবিটি ফেসবুক থেকে নেওয়া ছবি টি কারণ বাংলাদেশে বিগত দুর্গা অষ্টমী থেকে যে গত কাল পর্যন্ত ঐ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর নির্মম অত্যাচার নামিয়ে আনা হয়েছে। যদি এই অত্যাচার আজ বলে নয় যুগ যুগ ধরে ইসলাম ধর্মের মানুষ ওখানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের অত্যাচার করে যাচ্ছে এবং তাদের জণ্মভূমি অর্থাৎ দেশ ছাড়তে বাধ্য করে তুলেছে। এটা ওখান কার ইসলাম ধর্মের বেশ কিছু মানুষের পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কত দশক ধরে এই অত্যাচার নির্যাতন করা হচ্ছে, তার হিসেব নেই খালি লুট করে নাও এটাই এদের ধর্ম। যাহোক ছাড়ুন যা লিখব বলে ঠিক করেছি সে দিকে আসি কারণ বাঙালি মুসলমান দের একটা বড় অংশের স্বভাব অপরের সম্পদ লুট করে নেওয়া এবং তাদের তাড়িয়ে ভারতে পাঠান এটা হয়ে আসছে হবে কারণ এর কোনো বিচার নেই ঐ দেশের সরকারের মদতে এসব চলে দেখুন একটা ছবি এবং খবর দিচ্ছি। 

হামলাকারির দল এগিয়ে আসছে পাহারা দার পুলিশ সরে যাচ্ছে এলাকা থেকে। আর কথায় কথায় আছে ৯০% মুসলমানের দেশে তোরা বেঁচে আছিস সেটাই বড় ভাগ্য। তাহলে ৮৫% হিন্দুদের দেশে যে সব সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ আছে এবং তাদের ধর্মের অনুষ্ঠান করছে এবং দিনে পাঁচ বার নামাজ ঈদ ও মহরম যা সব পালিত হচ্ছে কই কোন দিন দেখেনি পুলিশ পাহারা দিতে হয়েছে। ৯০%খ্রীষ্টানের দেশে হরিনাম হচ্ছে, দুর্গা পুজো হচ্ছে কই পুলিশ পাহারা দিতে হয় নি কারণ তারা ভদ্র সত্যিই তারা ধর্ম বলে মানে,। ৯০ % বৌদ্ধের দেশে হরিনাম হচ্ছে আবার দুর্গা পুজো হচ্ছে। কেউ বাধা দেয়নি বা পুলিশ পাহারা দিতে হয় নি। আসলে ভদ্র অভদ্র মধ্যে পার্থক্য আছে বাংলায় যারা এসব করলেন বা করে চলেছেন যুগ যুগ ধরে নিজের এবং দেশের সণ্মাণ বাড়িয়ে চলেছেন খুব বেশি করে। আসলে সেই শিক্ষা নেই যে এখন ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় এবং সোশ্যাল মিডিয়ার যুগ মুহুর্তে আপনার কীর্তির ছবি সহ ভিডিও পৌঁছে যাচ্ছে বিশ্বের নানা প্রান্তে। আসলে ধর্মের নামে শিক্ষা বা ধর্মীয় শিক্ষা নিয়ে একটু অজুহাতে ঝাঁপিয়ে পড়ে অপর ধর্মের মানুষ উপর অত্যাচার করে তাদের সম্পদ লুট করে বা দখল করে এবং মেরে খুন করে দিল আহা কি বাহাদুরি কিন্তু যেই অন্য দেশ এসে মিসাইল নিয়ে আক্রমণ করে তখন কি করে তরবারি নিয়ে মিসাইল এর বিরুদ্ধে লড়াই করতে যায়। যেমন সাদ্দাম হোসেন ইরাকের সেই প্রেসিডেন্ট গিয়ে ছিল। এই সব ধর্মান্ধ মানুষ তথা দেশের উন্নতি সর্বদা নির্ভর করে অপর দেশের সব রকম সাহায্য উপর। যদি বিশ্বের এই রকম দেশ গুলোর একটু খবর নিয়ে দেখুন দেখবে এরা হয় টাকা দিয়ে প্রযুক্তি কিনে আনছে বা প্রযুক্তি জানা লোক কে মোটা টাকা দিয়ে দেশে এনে উন্নতি করছে। বিশেষ করে আরবের তেল নির্ভর দেশ গুলো, আর যে সব দেশে এই প্রাকৃতিক সম্পদ কম তারা যে টুকু আছে সেটা বিদেশের বা উন্নত দেশের সাথে চুক্তি করে নিয়ে আসছে দেশের উন্নতি করার জন্য যেমন পাকিস্তান, আফগানিস্তান ইরান ইরাক। পাকিস্তান তো পুরোপুরি চীনের উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছে। কারণ একটাই ধর্মীয় শিক্ষা এবং সমাজের একটা বড় অংশ মেয়েদের শিক্ষায় বাধা দান। আফগানিস্তানের কথা না বললাম গত আগষ্ট মাসে কী ঘটেছিল সবাই জানে এখন অর্ধেকের বেশি মানুষ ঠিক মত খেতে পাচ্ছে না কারণ পেটের জ্বালা বুলেট খেলে মিটবে সে তো একে বারে আল্লাহ দরবারে চলে যাবে। কারণ একটা ঐ ক্ষমতা চাই আর শিক্ষা হবে ধর্মের অন্য কোন শিক্ষা চলবে না। আধুনিক শিক্ষার ধারে কাছে আসে না এরা বিজ্ঞান শিক্ষা হোক বা অন্য কোন উন্নততর শিক্ষা এদের পছন্দ হয় না। ইদানীং আরব আমীর শাহি, ইউরোপ ও ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থার বেশ কিছু অংশ পাঠ্য হিসেবে রেখেছে। পাশের দেশ বাংলাদেশ সে খাদ্য ও আরও নানা কিছুর জন্য ভারতের উপর নির্ভরশীল কারণ চারপাশ ভারত এই জন্যেই কিন্তু এখন চীনের দিকে ঝুঁকেছে বিভিন্ন প্রকল্পে চীনের সাহায্য নিচ্ছে। নিজের প্রযুক্তি সে তো বাঁশের কঞ্চি দিয়ে ঢালাই দেওয়া।

এবার ঠিক উল্টো দিকটা দেখা যাক, মনে আছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ জাপানের কথা। যেখানে ১৯৪৫ সালের ৬ ই আগস্ট ও ৯ ই আগস্ট আনবিক বোমার ( এ্যাটম বোমা) আঘাতে দুটি শহর মুহূর্তে শসানে পরিনত হয়ে গিয়েছিল। সেই জাপান আজ পৃথিবীর শক্তিধর দেশ গুলোর মধ্যে একটা, এখানে ১০০ % মানুষ আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত এবং সেই শিক্ষা যে কেবল মেকি নয় সেটা এদের বিভিন্ন দেশে উপস্থিত দেখলেই বোঝা যায় এরা খুব পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকে। আর ও বিষয়ে থাক ধর্মের বিষয়ে এখানে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব বেশি তবে ৬২% মানুষ সে ভাবে ধর্ম নিয়ে মাথা ঘামান না। বাকি ৩৮% মানুষের মধ্য বৌদ্ধ ও খ্রীষ্টান এবং অন্যান্য ধর্মের মানুষ আছেন এদের দেশে কোন দিন ধর্ম নিয়ে দাঙ্গা শোনা যায় না। বিশ্বের সব থেকে শক্তি শালী আমেরিকা, রাশিয়া, এদের দেশে ধর্ম আছে কিন্তু ধর্মের নামে মানুষ মানুষে হানাহানি নেই। আর ইজারাইল বা ইস্রাইল একটু ইতিহাস জেনে নিন তবে ভুল জানবেন না। কারণ সেদিন একটা বাংলা দেশি মহিলা কন্ঠে ইস্রাইলের বর্ননা করতে বলছে ওটা নাকি আরবের অংশ ওদের থাকতে দিয়ে ছিল এখন ওরা জোর করে দখল করে আছে। এসব ভুল তথ্য না দিয়ে একটু সঠিক তথ্য জোগাড় করে দিন, কারণ ওখানে দুটি বিখ্যাত জায়গা আছে একটি জেরুজালেম ও একটি বেথেলেহম যেখানে যীশু খ্রীষ্ট জণ্ম গ্রহণ করে ছিলেন। আসলে জার্মানি বসবাস কারি ইহুদীরা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানি ছেড়ে তাদের দেশ ইস্রাইলে চলে এসেছিল। এখন বিশ্বের সব থেকে উন্নত দেশ, প্রযুক্তি থেকে কী নেই ঐ ছোট্ট দেশের। আসলে ধর্ম নিয়ে বেশি মাতামাতি করার জন্য আসল শিক্ষাটাই হয় নি যে কারণে আজ অন্য দেশের উপর নির্ভরশীল হয়ে কাজ করতে হচ্ছে, প্রযুক্তির কিছু জানেন না, কখনো ভারত কখনো চীন। চীন একটি উন্নত দেশ সর্ব দিক থেকে এখানে বৌদ্ধ ধর্মের প্রভাব বেশি তবে ধর্ম নিয়ে মাতামাতি করে না থাকেন কাজ নিয়ে এমন কিছু নেই যেটা এই দেশের নেই কেবল উন্নত মানের শিক্ষার জন্য। আর ধর্মের নামে মানুষ খুন এই দেশে অসম্ভব কারণ এরা কোন ধর্ম নিয়ে এখানে মাতামাতি বন্ধ ঐ উইঘুরের মুসলিম চীন সরকার জানে ইসলাম বা মুসলমান মানে ঐ হাদিস, আমিন কোরান পড়া এসব পড়ে আলেম হালেম তৈরি করা দেশের কোন কাজে আসবে না। একদম সব রকম ভাবে বন্ধ করে দিয়েছে, চীনের উইঘুরের সংবাদ পেতে নেটে সার্চ করে দেখুুন দেখবেন মসজিদ ভেঙে সেখানে শৌচাগার তৈরি করে দিয়েছে। আজ ভারত বর্ষ একটা কারণেই এখনও ঐ আমেরিকার ও রাশিয়ার ও অন্যান্য উন্নত দেশের উপর নির্ভরশীল কারণ শিক্ষা এবং দেশের বেশ কিছু অংশ এখন আধুনিক শিক্ষা থেকে বঞ্চিত, এর মধ্যে অনেকেই আবার ধর্মের শিক্ষা নিয়ে বসে আছে, দেশের বা দশের কোন কাজে লাগে না। পশ্চিমবঙ্গের আব্বাস সিদ্দিকী না জেনে বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে মন্তব্য করে দিল। সি সি টিভি দেখে যাদের ধরা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই মুসলমান। কী জানি এসব জেনে এবার কি বলে? আমার মনে হয় বামপন্থীরা এর সাথে জোট করে ভুল করে ছিল। অর্থাৎ ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি কোন জাতিকে উন্নত করে তুলতে পারে না। কেবল পিছিয়ে পরা এবং উন্নত দেশের কাছে হাত পাতা আর চীনের মত দেশ হলে সে তো কেবল উন্নত করতে আসবে না দেশের সমস্ত সম্পদ এবং দেশে টি উপনিবেশে পরিণত করে ছাড়বে। হং কং, তাইওয়ান, তিব্বত, এখন মায়ানমার, সেখান থেকে রোহিঙ্গা মুসলিম দের তাড়ানো হলো দখল করে ঐ জায়গা দিয়ে বাংলাদেশে আসা অর্থাৎ ভারত কে এড়িয়ে তার একটি অংশে ঢোকা। যেমন ওপাশে পাকিস্তানের মধ্য করছে ঠিক একই ভাবে বাংলাদেশ কে নিয়ে পরেছে। শ্রীলঙ্কা বুঝতে পেরে তাড়িয়েছে, মালয়েশিয়া তাড়িয়ে দিয়েছে এখন এই দুই দেশ তথা ভারতের অংশ নিতেই হবে কারণ না হলে ভারত কে জব্দ করা যাবে না। এরা তো ধর্মান্ধ ধর্মের নামে নিজেরা মারামারি করে আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা হবে ওর উপর নির্ভর করতে হবে। সত্যিই বাঙালি জাতির এত অধঃপতন কেবল এই ধর্মের মানুষ গুলোর জন্য ভাবা যায় না। এই কারণেই এর আগে এই ব্লগে লিখেছি ধর্ম থাক মন্দিরে, মসজিদে, গীর্জায়, চার্চে, আর নিজের অন্তরে। ধর্ম যখনই রাস্তায় নেমে আসে তখনই আসে অশান্তি। 

Saturday, 16 October 2021

বাঙালি যে এত বড় বেহায়া হয় এদের দেখে জানলাম।

 


সত্যি বাঙালি জাতি টা কে আর কত নীচে নামতে হবে কে জানে। এই শাসক এবং একই দল থেকে ভাগ হয়ে যাওয়া বিরোধী সাজা দলের নেতা কর্মী মন্ত্রী এদের জন্য। একদিকে এরা এক জন পাকা বাটপার চোর মিথ্যাবাদী এসবে যদি নোবেল থাকত তাহলে এদের দেওয়া যেত। পৃথিবীর সেরা মিথ্যাবাদী এবং বাটপার এরা জনগণের করের টাকা লুঠ পাঠ করে খায় আর সেই মুখে মিথ্যা কথা বলে মানুষ কে ভয় দেখিয়ে মদ আর ভাগারের মাংস খাইয়ে মানুষ কে আনন্দে রাখে। একজন আছে দুকান কাটা বুড়ো বয়সে মেয়ে মানুষ নিয়ে কেলর কীর্তি করে বেড়াচ্ছে। আর সেই কীর্তি গুলো মিডিয়া সারা দিন ধরে প্রচার করে মনে হবে রাজ্যের মানুষের আর কোন সমস্যা নেই এবং অন্য কোন কিছু ঘটনা ঘটে নি।কোন চরিত্র হীন নায়িকা, কার কাছে শুয়ে মা হচ্ছে, আরে সিনেমার নায়ক নায়িকা ওদের বেশিরভাগই চরিত্রের ঠিক নেই। হিন্দি সিনেমার তো কারো চরিত্রের ঠিক নেই বাংলায় তবুও দু একজন পাওয়া যাবে ভালো আছে। আর এসব এখন কি হচ্ছে টেলিভিশন চ্যানেল সারা দিন প্রচার করা হচ্ছে। একে তো সিরিয়াল গুলো কোন নায়কের কত গুলো বিয়ে হবে কেউ জানে না। ঐ সিরিয়াল গুলো বাঙালি সমাজ কে অধঃ পতনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে আর তার সাথে আছে এই চরিত্র হীন নির্লজ্জ বেহায়া নেতা মন্ত্রী, একে তো চোর চোখের সামনে টাকা নিতে দেখা যাচ্ছে আর বলছে আমি টাকা নিই নি। তার উপর চরিত্র হীন মাতাল এদের কেচ্ছা সারা দিন টেলিভিশনের পর্দা দেখা যাচ্ছে। আর কিছু অন লাইন সংবাদ পত্র আছে যে এই কেচ্ছা প্রতি দিন আছেই আছে। আমার প্রশ্ন এদের না হয় লজ্জা শরম নেই, দুকান কাটা বেহায়া তা না হলে চুরি কাটমানি খেয়ে টাকার কুমির হয়ে মুখ দেখায় কি করে? নাকি টাকা থাকলে সব করা যায়, দু চার টে মেয়ে মানুষ নিয়ে থাকা যায় বা দু চারটে ছেলে বা পুরুষের কাছে শুয়ে ছেলের জণ্ম দেওয়া যায়। আবার সে গুলো ফলাও করে টেলিভিশনের পর্দায় খোলাখুলি বলা যায়। বাঙালি সমাজ ও সংস্কৃতি কে ধ্বংস করে দিচ্ছে এই সব নির্লজ্জ বেহায়া মানুষ আর সংবাদ মাধ্যম। নাকি এগুলো ইচ্ছাকৃত ভাবে করা হচ্ছে যাতে মানুষের আসল দৈনন্দিন সমস্যা বা সারা রাজ্যে কি ঘটে চলেছে সেখান থেকে মানুষের দৃষ্টি ঘুরিয়ে দেওয়া যায়। আরেকটা বড়ো ডাকাত বা বাটপার আছে মদ খেয়ে কত গুলো মেয়ের বয়সি মেয়েদের নিয়ে নৃত্য করছে আর হেঁড়ে গলায় গান ধরেছে। আবার একদিন এক অনলাইন সংবাদ পত্রে দেখলাম এটার নাকি বায়োপিক করবেন কোন এক পরিচালক। মনে মনে ভাবলাম যাহোক সারদা রোজভ্যালি এবং নারদার টাকা গুলো কি করেছে জানা যাবে। এত বড়ো নির্লজ্জ বেহায়া বাঙালি জাতি হতে পারে এদের না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন ছিল। এক সময় সারা দেশে এবং বিশ্ব বাঙালি জাতি টা কে সণ্মানের চোখে দেখত। বিবেকানন্দ, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, জগদীশ চন্দ্র বসু, আর কত নাম করব যারা গোটা দেশে তথা বিশ্বে বাঙালি জাতির মাথা উঁচু করে বাঁচতে শিখিয়েছে। আর আজ চোর ডাকাত বাটপার পৃথিবীর সেরা সব মিথ্যাবাদী রাজ্যের ক্ষমতা দখল করে নিয়ে গায়ের জোরে হয় কে নয় করে বুক ফুলিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বড়ো বড়ো অফিসার আই এ এস তারা তো চাকরির কিডেনশিয়াল রিপোর্টের জন্য ভয়ে এই তামাশা দেখে যাচ্ছে আর মনে মনে হাসছে, বাঙালি জাতির অধঃ পতন দেখে। শিক্ষা গোল্লায় গেছে, চরিত্র হীন, চোর, বাটপার, মিথ্যাবাদী শাসক দলের সব কিছু আছে। আর ঐ তথাকথিত সুশীল সমাজ আজ চুপ কারো কথা নেই, বলবেন আগে ছিল না হ্যাঁ ছিল তবে এত টা খোলা খুলি ছিল না। ছিল বলেই তো নেতা কেবল নেতা মন্ত্রী হল কোন কিছু করত না তাদের ছেলে মেয়েরা সব বিদেশে পড়তে পাঠাতো। সব টাকা আসত কোথা থেকে, কিন্তু সেটা ছিল কম এবং এই কারণেই মানুষ পরিবর্তন করে দিয়ে ছিল। কিন্তু না এ খাল কেটে কুমির এনেছে, এত মিথ্যা কথা চুরি করেছে সবাই জানে দেখেছে বা প্রতি নিয়ত দেখছে তার পরেও বলছে কেউ চুরি করে নি। দেখা যাচ্ছে ধর্ষিত হয়ে খুন করা হয়েছে বলছে না হয় নি। অপরাধের শাস্তি নেই, বিচার ব্যবস্থা কে মানি না। যদিও বিচার ব্যবস্থা সে তো ধনীর জন্যে গরীব মানুষ ওর ধারে কাছে যেতে পারে না।  বাঙালি জাতির আর কত অধঃ পতন হবে এবং এই সব চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী ধাপ্পাবাজ কাটমানি খোর নির্লজ্জ বেহায়া গুলো বুক ফুলিয়ে সমাজে ঘুরে বেড়াবে, ছিঃ বাঙালি ছিঃ তুমি নাকি বিবেকানন্দ, বিদ্যাসাগরের উত্তর সুরি এই তোমার শিক্ষা এই নিয়ে গর্ব কর। আসলে যতই বল বেহায়া তথা দু কান কাটা দের লজ্জা শরম নেই। বাঙালি ও আজ দু কান কাটা বেহায়া জাতিতে পরিবর্তন হয়ে গেছে। ছিঃ বাঙালি ছিঃ ।

Friday, 15 October 2021

শান্তির ধর্ম আজকে যে সব জায়গায় শান্তি রক্ষা করল।


 এটা ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে যদিও এখানে সেনা বাহিনীর হাতে নিহত হয়েছে জঙ্গিরা। আচ্ছা বলুন কেন হবে এই সংঘর্ষ, অনেকেই বলছেন এখান থেকে ৩৭০ আরেকটা কী ধারা বা আইন তুলে নেওয়ার জন্য এটা হচ্ছে। আচ্ছা এ ধারা গুলো থাকতেও হয়নি! আমি যতদূর জানি ঐ ধারা গুলো ছিল যার মধ্যে দিয়ে ওরা বিশেষ সুবিধা পেত ওরা ভারতের যে কোন স্থানে জায়গা জমি কিনে বসবাস করত কিন্তু ভারতের অন্য রাজ্যের লোক জন ঐ সুযোগ ওখানে পেত না। আবার ছিল সারা ভারতে খাদ্য দ্রব্য যা দামে বিক্রি করা হতো তার অর্ধেক দামে ওখানে বিক্রি করা হতো কেবল জম্মু কাশ্মীরের মানুষের জন্য। এই সব সুযোগ আসত অর্থাৎ ভর্তুকিত আসত কোথা থেকে আমাদের ট্যাক্সের টাকায় বিনিময়ে কী দেখতাম সেনাবাহিনী বা নিরাপত্তা বাহিনী বা অন্য রাজ্যের সাধারণ মানুষের উপর পাথর বর্ষণ আর এটাকে স্বাধীনতার পর থেকে কেন্দ্রীয় সরকার মদত দিয়ে গেছে। যাহোক ৩৭০ গেছে এখন কাশ্মীরি পণ্ডিত গন ফেরে নি এটা খারাপ খবর কিন্তু এর মধ্যে হুমকি আসছে কাশ্মীরি পণ্ডিত ও অন্য ধর্মের মানুষ কে খুন করে দেওয়া হবে। হলও তাই গত কয়েকদিন আগে এক মহিলা ও এক শিখ কে খুন করা হল নির্মম ভাবে। আসলে শান্তির ধর্ম তো এরা অশান্তি ছাড়া থাকতে পারে না। আরেকটা খবর দেখুন ।


এটা কাবুলে একটি মসজিদে আজ ঘটেছে, দেখুন নিজেরা নিজেদের ধর্মের মানুষ কে খুন করছে। আরে এই জন্যেই USA ঐ দেশ ছেড়ে চলে গেছে জানে এরা নিজেদের মধ্যেই মারামারি করে মরবে। এরা রক্ত না দেখে, এবং মানুষ খুন না করে থাকতে পারে না। সে যেই হোক ইতিহাসে কত পড়েছি, ছেলে বাবা কে বাবা ছেলে কে ভাই ভাইকে খুন করে মসনদ দখল করেছে। এই শান্তির ধর্ম যে দিন থেকে পৃথিবীতে এসেছে সেদিন থেকেই পৃথিবীর বুকে মানুষ খুন আর লুটপাট জোর করে অপরের সম্পদ দখল করা এদের স্বভাবে পরিনত হয়েছে। সেই কারণেই রুশদি লিখে ছিলেন " দ্যা স্যাটিনি ভার্সেস" বা শয়তানের পদধ্বনি। 

বাংলাদেশে ওরা তো অর্ধেক মুসলমান নয়, হিন্দু ধর্মের উচ্চ বর্ণের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ছিল আর আছে জোর করে ধর্মের পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন ।আবার অনেকেই নিজের থেকে ধর্মান্তরিত হয়েছে কারণ একটা ঐ যৌনতা ইসলাম ধর্মের তালাক দাও আর বিয়ে করে নাও। আর যত পারো সন্তান জন্ম দিতে পার। তালাক দেওয়ার পর আর দায় নেই, দারুণ মজা এই সব কারণে এই ধর্ম গ্রহণ করে ছিলেন অনেকেই । যাহোক গত অষ্টমির দিন বাংলাদেশ দুর্গা পুজো নিয়ে কি ঘটেছে নিশ্চয়ই সকলে দেখেছেন। আমি এই ব্লগে লিখেছি, এ ছাড়াও বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় ওঠেছে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন কঠিন শাস্তি দেবেন। দেখুন বাংলাদেশের সরকার কেবল এই সরকার কেন স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকে এই বাংলাদেশের সরকার কোন ধর্মীয় উগ্রতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয় নি। আজও নেবে না, উল্টে তিনি ভারতীয় দের সাবধান করছেন। যদি সত্যিই এই বাংলার সরকারের সদিচ্ছা থাকত তাহলে আজ বাংলাদেশে সনাতন ধর্মে মানুষ ৩০% ৩১% থেকে কমে ৮% আসত না। কত অত্যাচার সহ্য করতে পারে মানুষ এদের লক্ষ্য সম্পদ লুট আর কিছু না তাই ধর্ম পরিবর্তন করেও লাভ হয়নি। অনেকেই ভারতে পালিয়ে এসেছে, আর ব্যবস্থা যে নেয় নি তার এক একটা প্রমাণ আপনি বা আপনারা দেখতে চান এখানে কিছু ছবি  দিলাম যেগুলো আশাদ নুরের একটি ফেসবুক পেজ থেকে নেওয়া।

এই লোকটি কীভাবে হিন্দুদের উপর অত্যাচার করে সম্পদ দখল করতে হবে সেটা বলে দিচ্ছেন। 


ইনি বাংলাদেশের সংসদে বলছেন, কোরানের কোথাও অন্য ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা করার কথা বলা নেই। তাহলে আমার প্রশ্ন কেবল অন্য ধর্মের মানুষ কে খুন লুট, এবং তার ধর্ম পালনে বাধা দেওয়ার কথা খেলা আছে। তাহলে যে বলেন আপনার ধর্ম নাকি শান্তির ধর্ম! বেড়িয়ে পড়েছে আসল রূপ এটাই আপনাদের চরিত্র মানুষ খুন করে লুট করে নিজের সম্পদ বাড়াও অর্থাৎ জোর যার মুল্লুক তার। বাঃ দারুণ ধর্ম রে ভাই অপরের মা বোন গুলো মানুষ নয় নিজের গুলো মানুষ। এদের এই চিন্তা ও চেতনার জন্য সারা বিশ্বে মানুষে মানুষে এত বিভেদ এত অশান্তি এই লোকটাকে এখুনি শাস্তি না দিলে বাংলাদেশ আরো জ্বলবে। ছিঃ আপনি শিক্ষিত আপনাকে মানুষ বললে বনের পশু এবং রাস্তার সারমেয় গুলো লজ্জা পাবে। কারণ পশুর মধ্যেও ভালোবাসা আছে, যা আপনার মধ্যে নেই। 


এই কুমিল্লার ইমাম না কি দুর্গা পুজোয় যেখানে কোরান পাওয়া গেছে সেখানে পুজো আর কোন দিন হবে না বলছেন। বাংলাদেশ সরকার কী করবে খুঁজে খুঁজে কোন হিন্দু ছেলে কে ধরবে ধরে শাস্তি দেবে কারণ এই দেশের সরকার  এ সব ধর্মের কারবারি দের কিছু বলে না। কারণ ভোটের সময় এরা সব দল কে টাকা দেয়, কোটি কোটি টাকা এরা উপায় করে কেবল ধর্মের নামে মানুষ কে উস্ককানি দিয়ে মাইফেল না মজলিস না জলসা কী বলে ঠিক জানি না এসব করে। কোরান শরীফ হনুমানের কোলে রেখেছে নিজেরাই শয়তানি করে যাতে অশান্তি হয় সনাতন ধর্মের মানুষ বুঝতে পেরে পুলিশকে খবর দেন কিন্তু পুলিশ এত তাড়াতাড়ি আসে যে তাদের আসার আগেই ঘটনা ঘটে যায়। এবার হনুমানের কোলে কোরান রাখা হয়েছে সেটা খারাপ হয়েছে কিন্তু কোরান শরীফের উপর পায়খানা করা। 


এই ঘটনা যে করে সে একজন মুসলিম যুবক তাই সেটা কোরানের অপমান নয়। আসলে এখানেও একই উদ্দেশ্য হিন্দু ধর্মের মানুষের উপর দোষ চাপিয়ে অত্যাচার করা। এর পরও যারা বলছেন হনুমানের কোলে কোরান দুশো কোটি মুসলমানের হৃদয়ে আঘাত। তাহলে এই যে ষোল টি কোরানের উপর পায়খানা করা বা মলত্যাগ এটা কে কি বলবেন? যদিও এটি অনেক দিন আগের ঘটনা তবুও বলছি এই ঘটনার নিন্দার ভাষা নেই, কোরান তো পবিত্র ধর্মগ্রন্থ, যে কোন বই এর সাথে এটা করা উচিত নয়। যদি সত্যি এরা শিক্ষিত হত এবং মানুষ হত তাহলে এই কাজ করার আগে অনেক বার ভাবত। ছিঃ শান্তির ধর্ম ছিঃ। 



মহামায়া জগৎ মাতার বিদায় লগ্নে এই ব্লগের সকল পাঠক পাঠিকার অশুভ শক্তি পরাজিত হোক।


 ছবিটি অনুলেখনের নিজস্ব। আজ জগৎ মাতার বিদায় বেলায়, মায়ের কাছে প্রার্থনা করি সমাজের সকল অশুভ শক্তিকে পরাজিত করে তুমি চললে নিজের আলয়ে। সকলের মঙ্গল কামনা করে তুমি মা গো মঙ্গলময়ী । তুমি সকলের দুঃখ দূর্দশা দূর করতে এসে ছিলে মা আজ তুমি চললে ।জানা নেই আগামী দিনে সমাজ থেকে, সমস্ত অশুভ শক্তি পরাজিত হবে কি না? কারণ মানুষ আজ মানুষের বড়ো শত্রু, বন্ধু বেশে শত্রু এসে দুয়ারে কড়া নাড়ে। অসহায় দূর্বল মানুষ কে আরও বিপদে ফেলতে কিছু মানুষের দল খুব তৎপর। মানবতার আজ বড়ো অভাব, আশা করি তোমার আর্শীবাদে প্রতি টি মানুষ প্রতিটি পরিবারের সুখ সমৃদ্ধি তে ভরে উঠুক। এই কামনা করি। বাংলায় আজ মানবতার বড় অভাব, অনেক মানুষের কাজ নেই, ঘরে ঘরে শিক্ষিত বেকার চাকরি নেই। অনেকেরে পেটে ভাত নেই, খাদ্য জোগাড় করতে গিয়ে বেছে নিচ্ছে অসৎ পথ বাড়ছে চুরি ছিনতাই। এই দু দিন আগে হরিপাল আমিন পুরে ছ টি বাড়িতে চুরি হয়েছে। কেউ কেউ তো আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। রাস্তায় ভিক্ষারি সংখ্যা চোখে পড়ার মতো। বন্যার জলে কত মানুষ ঘর হারিয়েছে। সরকার একটা আছে সে তো পূজোর আর ক্লাব কে মদ মাংস খাওয়ার টাকা দিতে ব্যাস্ত। এখন তো আর কোন চিটফাণ্ড নেই সে কারণেই এখন এই সরকারের প্রকল্প গুলো ভরসা কাটমানি নেওয়ার। তুমি কি মা এসব দেখতে পাচ্ছ, কারণ তোমার পুজোয় কয়েক কোটি টাকা খরচ, তা না হলে তুমি নাকি আসবে না। মাগো তুমি কি গরীবের মা নও, তাহলে মানুষ সংসার চালাতে কিডনি বিক্রি করেন কেন? কেন মানুষ কচু শাক আর শুকনো মুড়ি খেয়ে কাটাচ্ছেন দিন। এরা কি মা তোমার সন্তান নয়, দুঃখ দূর্দশা দূর করে দাও মা। আর যাদের কেবল লুটপাট করে খাওয়ার জন্য ক্ষমতা দখল করা তাদের সুমতি দাও মা। বাঙালি আজ শেষ হয়ে গেল, কেবল এই এক দল লুটেরার জন্য, আবার চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী গুলো কেমন করে নির্লজ্জের মত মুখ দেখায়। এদের লজ্জা সরম দাও গো এদের লজ্জা সরম দাও। আগের দিনে ডাকাতি করার আগে যেমন পূজো করত এখন ডাকাতি করতে পূজো করে। তুমি মা গো সকলের সু বুদ্ধি দাও। বাঙালি আবার তার সেই মর্যাদা ফিরে পাক। প্রকৃত যারা বাঙালি তারা আজও বঞ্চিত নিপীড়িত অত্যাচারিত, এপার ওপার দুপার বাংলায় চোখ রেখে দেখ, বাঙালি সত্যি আজ ভালো নেই। এখন নির্লজ্জ বেহায়া বেসরমের দল ক্ষমতায় আসবে বলে কত নাটক, টাকা দিয়ে ভোট কিনেও ক্ষমতায় আসা কারণ লুট করে খেতে হবে যে। এ যেন দ্বিতীয় ইংরেজ আমল চলছে এই বাংলায়, বাংলায় বাঙালি শিক্ষিতের চাকরি নেই, অন্য রাজ্যের বেকার যুবক যুবতী চাকরি করতে আসছে, বাঙালি সে রাজ্যে গেলে তাড়িয়ে দিচ্ছে। মা গো তুমি তো অন্তর্যামি তুমি সব জান, তুমি বিচার কর মা তুমি শাস্তির ব্যবস্থা করে দিও। তুমি সকল কে সুখ শান্তি দিও মা। 

Thursday, 14 October 2021

বর্তমানে ভারতে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা বেশি।


 ছবিটি বিশ্ববার্তা সংবাদ পত্র থেকে নেওয়া । আজ ২০২১ সালে অর্থাৎ এক বিংশ শতকের দাঁড়িয়ে আমরা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছি সেই, ৫০ থেকে ৭০ এর দশকে। সেই সময় অর্থাৎ দেশ স্বাধীন হবার পর থেকে অনেক গুলো বছর এই ভারত তথা বাংলায় গরীব মানুষের পেটে ভাত জুটত না। বনের শাক পাতা, ভুট্টা মাইল, বিভিন্ন কড়াই আরও নানা ধরনের যে গুলো গোরু ছাগলের খাবার সে গুলোও খেয়ে বেঁচে থাকত। ১৯৭৭ সালে বাম সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই অবস্থার উন্নতি ঘটে। আজ আবার আমার দেশ সেই পুরোনো দিনের না খেয়ে থাকা বা একবেলা খেয়ে কোন রকম বেঁচে থাকা বা স্টেশনে গাছ তলায় রাত জেগে খাবার সন্ধানে নেমে পরার দিন ফেরত আনতে চাইছে। অথচ দেশের ফুড কর্পোরেশন গোডাউনে খাদ্য মজুত আছে। দেখুন ২০২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত মজুত খাদ্য শষ্য। 

সে গুলো সুস্থ বা পরিকল্পিত ভাবে বন্টন করা হলে আজ দেশের এই পরিস্থিতি হত না। কারণ ২০১৪ সালের খাদ্য সূচকে ভারতের স্থান ছিল ৫৫ আর এই সাত বছরে এত সুশাসান এবং আচ্ছে দিনের ঠেলায় আজ ১০১ তম স্থানে। প্রতিবেশী সব দেশের থেকে পিছিয়ে।

২০১৪ সালের পি টি টি আই এর খবর যেটি ইকোনমিকস টাইম বা ET তে বেড়িয়ে ছিল।

দিদি যেমন দাদাও তেমন দুটোই সমান কেবল নিজের এবং দলের নেতা কর্মী মন্ত্রী এরা খেতে পেলে এবং কোটি কোটি টাকার মালিক হবে এই চিন্তায় এদের ঘুম নেই। করোনা এবং বন্যায় মানুষের অবস্থা সে সম্পর্কে কোন ব্যবস্থা আছে না। সেখানে কারা পৌঁছে যাচ্ছে শূন্য পাওয়া দলের লোকজন। 


কোজাগরী লক্ষী পুজোর মন্ত্র ও নিয়ম ।

আগেই বলে রাখি আমি পণ্ডিত নয় তবে আমার লেখা এই মন্ত্র গুলো কোন না বই এর সাথে কিছু টা হলেও মিলবে। কোজাগরী লক্ষী পুজা অর্থাৎ দুর্গা পুজা পর যে পুর্ণিমা আসে সেই পুর্ণিমায় সন্ধ্যা বেলায় শুরু করতে হয। এখন বাংলার প্রায় ঘরে ঘরে এই পুজা হয়। ঘটে, পটে, বিভিন্ন ভাবে মানুষ এই পুজার আয়োজন করে নিজের বাড়িতে এছাড়াও যে সব স্থানে দুর্গা পুজা আসে সেখানে এই পুজা হয়ে থাকে। পুজার মন্ত্র সব একই কেবল যেখানে যেখানে ঘটে পটে বা অন্য কোনো প্রতীক ব্যবহার করা হয় সেখানে, অর্থাৎ যেখানে প্রতিমা বা মূর্তি নেই সেখানে, প্রাণ প্রতিষ্ঠা, চক্ষু দান, হবে না। তা ছাড়া পুজার সব গুলো করতে হবে। এই পুজার একটি অঙ্গ অন্ন ভোগ নিবেদন করতে হয়। আর দুবার সংকল্প করতে হয়।
এই পুজোতে ঢাক বাজাতে নেই, কেবল আরতির সময়ে এবং পঞ্চ দেবতার পূজোর সময় ঘন্টা বাজাতে হয়। এখানে সব মন্ত্র সামবেদীয়। অর্থাৎ সুরে বলতে হবে। 
এবার পুজার মন্ত্র অর্থাৎ কী কী করতে হবে। 
১)আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) নারায়ণের ধ্যান ও পুজো। ৪)গনেশর ধ্যান ও পুজো।৫) আরও কয়েকটি দেবতার পূজো সূর্য অর্ঘ ও প্রণাম ৬) স্বত্তি বাচন ৭) স্বত্তি সূক্ত ৮) পুরোহিত বরণ । ৯) সাক্ষ্য মন্ত্র ১০) সংকল্প ।১১)সংকল্প সূক্ত ১২) পঞ্চগব্য শোধন  ১৩)অধিবাসের স্বত্তি বাচন ও স্বত্তি সূক্ত ১৪))অধিবাস  ১৫) সাক্ষ মন্ত্র ১৬) সংকল্প ১৭) সংকল্প সূক্ত ১৮) ) সামান্য অর্ঘ স্থাপন ১৯ ) বিঘ্ন অপসারণ ২০) দ্বার পুজো ২১) মাসভক্ত বলি ২২) আসন শুদ্ধি ২৩) কর শুদ্ধি ২৪) পুষ্প শুদ্ধি ২৫)) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি ২৬) প্রানায়াম ২৭) মাতৃকা ন্যাস ২৮) অন্তর মাতৃকা ন্যাস ২৯).বাহ্য মাতৃকা ন্যাস ৩০) সংহার মাতৃকা ন্যাস ৩১) পীঠ ন্যাস ৩২) করন্যাস ৩৩) অঙ্গ ন্যাস ৩৪)বীজ ন্যাস ৩৫) ব্যপক ন্যাস ৩৬)  ধ্যান, ৩৭) মানস পুজা ৩৮) বিশেষ অর্ঘ স্থাপন, ৩৯) পীঠ পুজা ৪০) ঘট স্থাপন ৪১)কাণ্ড রোপন ৪২) সূত্র বেষ্ঠণ ৪৩) বেদি শোধন ৪৪) ধ্যান করে আহ্বান ৪৫) মুর্তি হলে প্রান প্রতিষ্ঠা ৪৬) মূর্তি হলে চক্ষু দান ৪৭) পঞ্চ দেবতার পূজা। ৪৮ ) ধ্যান করে প্রধান পূজো। ৪৯) পুষ্পাঞ্জলী ও প্রণাম ৫০) আরতি ৫১) হোম
পরের দিন। ১) আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) স্বত্তি বাচন ৪) স্বত্তি সূক্ত ৫) স্বাক্ষ মন্ত্র ৬) সংকল্প ৭) সংকল্প সূক্ত ৮) সামান্য অর্ঘ স্থাপন ৯) বিঘ্ন অপসারণ ১০) দ্বার পুজো ১১) মাসভক্ত বলি ১৩) আসন শুদ্ধি ১৪) পুষ্প শুদ্ধি ১৫) সংক্ষিপ্ত ভুত শুদ্ধি ১৬) প্রানায়াম ১৭) কর ন্যাস ১৮) অঙ্গ ন্যাস ১৯) বীজ ন্যাস ২০).বর্ণ ন্যাস ২১) ব্যাপক ন্যাস ২২) ঋষ্যাদি ন্যাস ২৩) ধ্যান ২৪) মানস পূজা ২৫) পীঠ পুজা ২৬) ধ্যান করে আহ্বান, ২৭) পঞ্চ দেবতার পূজো । ২৮)ধ্যান করে প্রধান পূজো ও দধিকর্মা নিবেদন। ২৯) পুষ্পাঞ্জলী ও প্রণাম ৩০) মন্ত্রে বিসর্জন ও সূত্র কর্তণ। ৩১) শান্তি মন্ত্র ও জল দেওয়া। অনেকেই স্তোত্র কবজ পাঠ করেন বা কেউ কেউ আগের দিন রাতে এই গুলো করেন আবার অনেকেই পাঁচালি পাঠ করেন।
প্রথম দিনের পুজো :-
১) আচমন :- ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ( ডান হাতের তালুতে মাস কলাই ডুবতে পারে এরকম জল নিয়ে পান করতে হবে তিন বার) 
২) বিষ্ণু স্মরণ :- ওঁ তদ্বো বিষ্ণু পরম পদং সদা পশ্যন্তি সুরয় দীবীব চক্ষুরতাতম । ওঁ অপবিত্র পবিত্র বা গতহোপি বা যৎস্মরেৎ পুণ্ডরি কাক্ষং স্ব বাহ্য অভ্যন্তর সূচী। ওঁ সর্ব মঙ্গল্য মঙ্গলং বরেদং বরণ্যং শুভম । নারায়ণং নমস্কৃতম সর্ব কর্ম কারয়েত । শঙ্খ চক্র ধরং দ্বিভুজং, প্রীত বসনম। প্রারম্ভে সর্ব কর্মনং বিপ্র পুণ্ডরিকং স্মরেদ্ধরিম । মাধব মাধব বাচি, মাধব মাধব হৃদি স্মরণতি সাধ্ব। সর্ব কার্যেসু মাধবম, ওঁ শ্রী মাধবম ওঁ শ্রী মাধবম ওঁ শ্রী মাধবম ।
৩) নারায়ণের ধ্যান ও পুজো :- ওঁ ধেয় সদা সবৃত মণ্ডল মধ্যবর্তী নারায়ণ সরজিযাসন সন্নিবেষ্ঠ। কেয়ূরবান কণক কুণ্ডল বান কীরিটী হারি হিরণ্ময় বপু  ধৃত শঙ্খ চক্র। পঞ্চ উপাচার :গন্ধ, এষো গন্ধ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ । পুষ্প :-এতৎ পুষ্পম ওঁ নারায়ণ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ । ধূপ :- এষো ধূপ নারায়ণ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ । দীপ:- এষো দীপ নারায়ণ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ। নৈবেদ্য :- এতৎ নৈবেদ্য ওঁ নারায়ণ শ্রীবিষ্ণবে নমঃ ।
৪) গনেশর ধ্যান ও পূজো।:- ধ্যান :- ওঁ খর্ব্বং স্থুল তনুং গজেন্দ্র বদনং লম্বোদরং । প্রসন্দম মদ গন্ধ লুব্ধ মধূপ ব্যলল গণ্ডোস্থলম ।দন্তা ঘাত বিদারিতারি রুধৈরৈ সিন্দুর শোভা করম ।বন্দে শৈল্য সূতা সুতং গনপতিম সিদ্ধি প্রদম কামদম ।
পুজা :- নারায়ণ পুজোর মত কেবল ওঁ গাং গনেশায় নমঃ বলতে হবে ।
৫) আরও কয়েকটি দেবতা ও সূর্য অর্ঘ ও সূর্য প্রণাম : - এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আদিত্যাদি নবগ্রহভ্য নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ইন্দ্রাদি দশদিকপালভ্য নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্রী গুরুভে নমঃ ।
সূর্যার্ঘ্য :- ওঁ নম বিবস্বতে ব্রাহ্মণ ভাস্বতে বিষ্ণু তেজসে জগৎ সবিত্রে সূচয়ে সবিত্রে কর্মদায়িনে । ইদম অর্ঘ্যং শ্রী সূর্যায় নমঃ।
সূর্য প্রণাম :- ওঁ জবা কুসুম সংকাশং কাশ্যপেয় মহাদ্যুতিম। ধন্তারিং সর্ব পাপঘ্ন প্রণোতোস্মি দিবাকরম ।
৬ ) স্বত্তি বাচন :-  ওঁ কর্ত্তব্য হোস্মিন গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক কোজাগরী লক্ষী পুজা কর্মানি। ওঁ পূণ্যাহম ভবন্তো ব্রুবন্তু, ওঁ পূণ্যাহম ভবন্তো ব্রুবন্তু, ওঁ ভবন্তো ব্রুবন্তু। ওঁ পূণ্যাহম ওঁ পূণ্যাহম ওঁ পূণ্যাহম ।ওঁ কর্ত্তব্য হোস্মিন গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক কোজাগরী লক্ষী পুজা কর্ম্মানি ওঁ স্বত্তি ভবন্তো ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্তি ভবন্তো ব্রুবন্তু । ওঁ স্বত্তি ভবন্তো ব্রুবন্তু ।ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি । ওঁ কর্ত্তব্য হোস্মিন গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক কোজাগরী লক্ষী পুজা কর্মানি ।ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তো ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তো ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তো ব্রুবন্তু । ওঁ ঋদ্ধতাম ।ওঁ ঋদ্ধতাম । ওঁ ঋদ্ধতাম ।
৭) স্বত্তি সূক্ত :- ( আপত চাল ছড়িয়ে দিতে দিতে) ওঁ সোমং রাজনং বরুণমাবার অগ্নি ভামহে। আদিত্যং বিষ্ণু সূর্যং ব্রহ্মণাঞ্চ বৃহস্পতিম। স্বত্তি ন ইন্দ্র বৃদ্ধ শ্রবা। স্বত্তি ন পুষ্যা বিশ্ববেদা। স্বত্তি নর্ত্রক্ষো অরিষ্ঠনমি । ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি ।
৮) পুরোহিত বরণ বা বকলমা :- যদি যজমানের পুজো হয় তবে এটি করতে হবে অনেকেই করেন না। যজমান কে পূর্ব মুখে বসিয়ে নিজে উত্তর মুখে বসে নিতে হবে। এবার যজমান কে আচমন, বিষ্ণুস্মরণ, ( শুদ্র হলে, ওঁ বাদ দিয়ে এবং তদ্বো বিষ্ণু পরম পদং এই অংশ বাদ দিয়ে কেবল পবিত্র অপবিত্র বা) এর পর এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ নারায়ণায় শ্রী বিষ্ণবে নমঃ এই ভাবে ওঁ আদিত্যাদি নব গ্রহায় নমঃ, ইন্দ্রাদি দশদিক পালেভ্য নমঃ । গুরুভ্যে নমঃ, গ্রাম্য দেবদেবী গনভ্য নমঃ ।কুল দেবদেবী গনভ্য নমঃ ।বাসতু পুরুষায় নমঃ । এবার যজমান বস্ত্র আসন অঙ্গুরি যজ্ঞ উপবীত একটি পাত্রে নিয়ে ব্রাহ্মণ কে দিয়ে বলবেন। এতানি আসনাঙ্গুরি বস্ত্র যজ্ঞ উপবীতানি পূজক ব্রাহ্মণায় নমঃ । ব্রাহ্মণ ওঁ স্বত্তি বলে নেবেন এবার ধান দূর্বা দিয়ে ব্রাহ্মণের দক্ষিণ জানু পর্শ্ব করে বলবেন, সাধুভান্তাতাম। ব্রাহ্মণ বলবেন সাধ্যমাসে। যজমান বলবেন অর্চ্চয়াসম। ব্রাহ্মণ বলবেন অর্চ্চায়। যজমান বলবেন :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল পক্ষে কন্যারাশিস্থে ভাস্করে ( কার্তিক মাসের হলে তুলারাশিস্থে বলতে হবে।) নিজের গোত্র নাম অমুক দাস্যস সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় অমুক গোত্র) (ব্রাহ্মণের গোত্র) অমুক দেবশর্ম (ব্রাহ্মণের নাম) কোজাগরী লক্ষী পুজা কর্ম করণায় মহং বৃণে। ব্রাহ্মণ :- বৃহস্পতিম । যজমান :- যথাবিহিত পূজক কর্ম কুরু। পুরোহিত :- যথা জ্ঞান করবাণি। 
  ৯)) সাক্ষ্য মন্ত্র :-  ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভুতানহক্ষপা, পবন দিকপতি ভূমিরাকশং খচরামরা। ব্রাহ্মণ শাসন মাস্তায় কল্পধিহম । 
১০ ) সংকল্প :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ পক্ষে কন্যারাশিস্থে ভাস্করে ( কার্তিক মাসের হলে তুলারাশিস্থে হবে) পৌন্যমাস্যতিথৌ অমুক গোত্র অমুক দেবশর্ম ( যজমানের হলে তাদের গোত্র ও বাড়িতে যত জন আছেন প্রতি জনের নাম শুদ্র হলে পরুষ হবে দাস আর নারী হবে দাসী) সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় কোজাগরী লক্ষী পুজা কর্ম্মানি করিষ্যে । ( পরের ক্ষেত্রে ' করিষ্যামি বলতে হবে) 
১১ ) সংকল্প সূক্ত :- সামবেদীয় :- ওঁ দেব বো দ্রবি নোদা পূর্ণাং বিবষ্ঠাসিচম ।উদ্বা সিঞ্চধ্বমূপ বা পৃণধ্ব মাদিদ্বো দেব ওহতে ।ওঁ সংকল্পিতার্থস সিদ্ধিরস্তু ।ওঁ অয়মারম্ভ শুভায় ভবতু ।
১২) পঞ্চ গব্য শোধন :- এই কাজে আলাদা আলাদা মন্ত্র আছে তবে এক সাথে মিশিয়ে গায়ত্রী পাঠ করে দিলেও পঞ্চগব্য শোধন হয়। 
১৩) অধিবাসের স্বত্তি বাচন :- ওঁ কর্ত্তব্য হোস্মিন গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক কোজাগরী লক্ষীদেব্যা শুভ অধিবাস কর্ম্মানি। ওঁ  পূণ্যাহম ভবন্তোহধিব্রবন্ত । ওঁ পূণ্যাহম ভবন্তোহধিব্রবন্ত ।ওঁ পূণ্যাহম ভবন্তোহধিব্রবন্ত । ওঁ পূণ্যাহম ।ওঁ পূণ্যাহম ।ওঁ পূণ্যাহম ।
ওঁ কর্ত্তব্য হোস্মিন গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক কোজাগরী লক্ষীদেব্যা শুভ অধিবাস কর্ম্মানি। ওঁ স্বত্তি ভবন্তোহধিব্রবন্ত ।ওঁ স্বত্তি ভবন্তোহধিব্রবন্ত ।ওঁ স্বত্তি ভবন্তোহধিব্রবন্ত । ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি ।
ওঁ কর্ত্তব্য হোস্মিন গনপতাদি নানা দেবতা পুজা পূর্বক কোজাগরী লক্ষীদেব্যা শুভ অধিবাস কর্ম্মানি। ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তোহধিব্রবন্ত ।ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তোহধিব্রবন্ত । ওঁ ঋদ্ধিং ভবন্তোহধিব্রবন্ত । ওঁ ঋদ্ধতাম । ওঁ ঋদ্ধতাম ।ওঁ ঋদ্ধতাম ।
 স্বত্তি সূক্ত :- ( আলো চাল ছড়াতে ছড়াতে) ওঁ সোমং রাজনং বরুণমাঅগ্নিবার ভামহে ।আদিত্যং বিষ্ণু সূর্যং ব্রহ্মণাঞ্চ বৃহস্পতিম ।ওঁ স্বত্তি ন ইন্দ্র বৃদ্ধ শ্রবা ।ওঁ স্বত্তি ন বৃহস্পতির দ ধাতু। ওঁ স্বত্তি নর্ত্রক্ষো অরিষ্ঠনমি ।ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি ওঁ স্বত্তি ।
১৪) অধিবাস :- এই অধিবাস অনেক বড় সংক্ষিপ্ত করতে চাইলে দু ভাবে করা যায়। ঘন্টা ধ্বনি করতে করতে, গঙ্গা মাটি নিয়ে, অনেন মহ্যা অস্যা শ্রীং লক্ষীদেব্যা শুভ অধিবাস মস্তু। এভাবে অনয়া শিলা, অনেন দীপ, ইত্যাদি। আর একেবারে সংক্ষিপ্ত করতে হলে " অনেন প্রশস্ত পাত্রেন অস্যা শ্রীং লক্ষীদেব্যা শুভ অধিবাস মস্তু। এবার দূর্বা বাঁধা হলুদ সুঁতো নিয়ে, অনেন মঙ্গল সূত্রেন অস্য শ্রীং লক্ষীদেব্যা শুভ অধিবাস মস্তু। দেবীর বাম হাতে বেঁধে দিতে হবে আর মূর্তি না হলে রেখে দিতে হবে ঘট বসানো হলে ঘটের গলায় বেঁধে দিতে হবে। সূত্র বন্ধনের সম্পূর্ন মন্ত্র :- সূত্রমাং দ্যামোনে হসং পৃথিবীং সুশর্মান মদিতিং সুপ্রনীতিম ।দৈবাং নাবাং সরিত্রামনাগসম মা রুহেমা সস্ত্রয়ে। ব্রাহ্মণ বা পূজক তিন বার এই মন্ত্রে পুষ্পাঞ্জলী দেবেন। এষো সচন্দ পুষ্পাঞ্জলী ওঁ শ্রীং কোজাগরী লক্ষী দেব্যৈ নমঃ।
১৫) সাক্ষ্য মন্ত্র :- ওঁ সোমং যমং কালং সন্ধ্যা ভুতানহক্ষপা পবন দিকপতি ভূমিরাকশং খচরামরা ।ব্রাহ্মণ শাসন মাস্তায় কল্পধিহম । 
১৬) সংকল্প :- ওঁ বিষ্ণুরোম তৎসদ্য আশ্বিন মাসে শুক্ল পক্ষে কন্যারাশিস্থে ভাস্করে ( কার্তিক মাসের হলে তুলারাশিস্থে হবে) পৌন্যমাস্যতিথৌ অমুক গোত্র অমুক দেবশর্ম ( যজমানের  গোত্র ও শুদ্রদের হলে দাস্যস বা মহিলা হলে দাসীস্য বলতে হবে।) সর্ব সিদ্ধি কামনার্থায় কোজাগরী লক্ষী পুজা কর্ম্মানি করিষ্যে ( যজমানের হলে করিষ্যামি বলতে হবে ।) 
১৭) সংকল্প সূক্ত : - ওঁ দেব বো দ্রবি নোদা পূর্ণাং বিবষ্ঠাসিচম ।উদ্বা সিঞ্চধ্বমূপ বা পৃণধ্ব মাদিদ্বো দেব ওহতে ।ওঁ সংকল্পিতার্থস সিদ্ধিরস্তু ।ওঁ অয়মারম্ভ শুভায় ভবতু ।
১৮) সামান্য অর্ঘ্য স্থাপন :- নিজের ডান দিকে গঙ্গার জল দিয়ে ত্রিকোন মণ্ডল এঁকে। তার উপর ফুল দিয়ে পুজো করে নিতে হবে। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধারশক্তয়ে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথিবৈ নমঃ । ওঁ ফট মন্ত্রে কোশা ঐ মণ্ডলের উপর রাখতে হবে এবং নমঃ মন্ত্রে জল পূর্ণ করে নিয়ে। কোশার উপর ফুল দিয়ে পুজো করতে হবে। ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নমঃ। ওঁ উঃ সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নমঃ । ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নমঃ। এবার ধেনু মুদ্রা, অবগুণ্ঠন মুদ্রা, গালিনী মুদ্রা, মৎস মুদ্রা, ও অঙ্কুশ মুদ্রায় জল পর্শ্ব করে, তীর্থ আহ্বান করতে হবে। ওঁ গঙ্গোদা সরতি চ সর্বা সমুদ্রাশ্চ সরংসি চ ।আয়নতু অয়ম ( যজমানস্য) দূরিত ক্ষয়কারক ।ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব, গোদাবরী, সরস্বতী, নর্মদে, সিন্ধু, কাবেরী জলহোস্মিন সন্নিধিংকুরু। এবার এই জল কুশ ত্রিপত্র দিয়ে পুজা উপকরণে ছিটা দিয়ে বলতে হবে। বং এতেস্মৈ গন্ধাদি পঞ্চকেভ্য নমঃ ।(তিন বার) 
১৯) বিঘ্ন অপসারণ :- ওঁ ফট মন্ত্রে বাম পায়ের গোড়ালি দিয়ে ভূমিতে তিন বার আঘাত করে এবং তুড়ি দিয়ে বিঘ্ন অপসারণ করা হয়। 
২০) দ্বার পুজো :- ওঁ ফট মন্ত্রে কুশ ত্রিপত্র দিয়ে দ্বারে জলের ছিটা দিয়ে নিয়ে। দ্বার দেবতা দের আহ্বান জানাতে হবে। 
আহ্বান :- ওঁ দ্বার দেবতা গন ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যত্ত অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গনেশায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মহালক্ষৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ঐং সরস্বতৈ নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গাং গঙ্গায় নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে যাং যমুনায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ক্ষাং ক্ষেত্রপালায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে অস্ত্রয় নমঃ। যিনি সংক্ষিপ্ত করবেন তিনি কেবল এষো গন্ধ ওঁ দ্বার দেবগনভ্য নমঃ। এতৎ পুষ্প দ্বার দেবগনভ্য নমঃ। এষো ধূপ দ্বার দেবগনভ্য নমঃ। এষো দীপ দ্বার দেবগনভ্য নমঃ। এতৎ নৈবেদ্যম দ্বার দেবগনভ্য নমঃ।
২১) মাসভক্ত বলি :- কলা পতার টুকরো, বেল পাতা, কাঁঠাল পাতা, বা নতুন মাটির খুরিতে আপত চাল দধি, কুঁচো ফল তার উপর ধূপ জ্বেলে দিতে হবে। এবার বং এতেস্মৈ মাস ভক্ত বলয়ে নমঃ। তিন বার এই মন্ত্রে জলের ছিটা দিতে হবে। আহ্বান :- ওঁ ভুতা দ্বয় ইহাগচ্ছ, ইহাগচ্ছ, ইহতিষ্ঠ, ইহতিষ্ঠ, ইহসন্নিরুধ্যত্ত, ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।
এবার ফুল বেল পাতা দূর্বা নিয়ে, এতে গন্ধে পুষ্পে এত অধিপতয়ে দেবায় নারায়ণায় শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।এতৎ সম্প্রদানায় ভুতাদিভ্য নমঃ । এবার হাত জোর করে :-  ওঁ ভুত প্রেত পিশ্চাস বেতালাশ্চ যে বসন্ত্র ভু তলে তে গৃহন্তু ময়া দত্ত বলিরেষ প্রসাদিত। পুজিতা গন্ধ পুষ্প দৈবির্লি তর্পি তুস্তা। দেশস্মাৎ বিনিসৃত পূজাং পশ্যন্তু মৎ কৃতাম । এবার একটা ফুল দিয়ে এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মাসভক্ত বলয়ে নমঃ । কোশা করে জল দিয়ে বলতে হবে। ভূতদ্বয় ক্ষমধম। এবার সাদা সরিষা বা আতপ চাল ছড়িয়ে দিতে দিতে, অপসর্পন্তু তে ভূতা যে ভূতা বিঘ্ন কর্তারস্তে নশ্যন্তু শিব আজ্ঞায় । বেতালাশ্চ, পিশ্চাস, সরীসৃপা অপসর্পন্তু তে সর্বে চণ্ডি কাস্ত্রেন তাড়িতা ।
২২) আসন শুদ্ধি :-  আসনের নীচে একটি চৌকোন এবং তার মধ্যে একটি মণ্ডল এঁকে পুষ্প দিয়ে পুজো করে নিন। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং আধার শক্তয়ে কমলাসনায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং কুর্ম্মায় কমলাসনায় নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং অনন্তায় কমলাসনায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং পৃথিবৈ কমলাসনায় নমঃ । 
এবার আসন পর্শ্ব করে বলুন, আরেখে বজ্ররেখে সুরেখে কমলাসনায় নমঃ । ওঁ অস্য আসন উপবেসন মন্ত্রস্য মেরুপৃষ্ঠ ঋষি সুতলুং ছন্দ কুর্ম্ম দেবতা আসন উপবেসনে বিনিয়োগ। ওঁ পৃথ্বী ত্বয়া ধৃতা লোকা দেবী ত্বং বিষ্ণু না ধৃতা ত্বঞ্চ ধারয় মাং নিত্যং পবিত্রং কুরুচাসনম । এবার গুরু পঙতি পাঠ :- নিজের বাম দিকে হাত জোর করে। গুরুভ্যে নমঃ, পরম গুরুভ্যে নমঃ, পরমেষ্ঠী গুরুভ্যে নমঃ। পরাপর গুরুভ্যে নমঃ । ডান দিকে :- গাং গনেশায় নমঃ । উর্ধ্বে :- ব্রহ্মণে নমঃ। পশ্চাতে : - ক্ষেত্রপালায় নমঃ । সম্মুখে :- শ্রী শ্রী কোজাগরী লক্ষী দেব্যৈ নমঃ । 
২৩) পুষ্প শুদ্ধি :-  নারাচ মুদ্রায় পুষ্প পর্শ্ব করে ওঁ পুষ্পকেতু রাজার্হতে শতেয় সমক্য সমন্ধায় হুং । ওঁ পুষ্পে পুষ্পে সুপুষ্পে মহাপুষ্পে পুষ্প চয়াবকীর্ণে চ হুং ফট স্বাহা ।
২৪) কর শুদ্ধি :- একটি রক্ত পুষ্প নিয়ে "ওঁ হেঁসৌ" বলে ডান হাতের অঙ্গুলি অগ্র দিয়ে পেষণ করে ঈশান কোনে ফেলে দিতে হবে। 
২৫) সংক্ষেপে ভূতশুদ্ধি :-  "রং" মন্ত্রে নিজের চার পাশে জলের ছিটিয়ে নিয়ে নিজে অগ্নি মণ্ডলের মধ্যে আছেন কল্পনা করে নিয়ে নিম্ন লিখত চারটি মন্ত্র বলতে হবে। 
ক) ওঁ মূলশৃঙ্গাটচ্ছির  সুষম্না পথেন জীবং শিবং পরম শিব পদে যোযয়ামি স্বাহা । 
খ) ওঁ যং লিঙ্গ শরীরং শোষয় শোষয় স্বাহা ।
গ) ) ওঁ রং সংকোচং শরীরং দহ দহ স্বাহা । 
ঘ) ওঁ পরম শিব সুষম্না পথেন মূলশৃটামূল্ল সোল্লাস জ্বল জ্বল প্রজ্বল প্রজ্বল সোহংস স্বাহা ।
২৬) প্রাণায়াম :- " ওঁ শ্রীং" মন্ত্রে সবচেয়ে কম আট বার করতে হবে। ডান নাসা বন্ধ করে বাম নাসা দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে দুবার। বাম নাসা বন্ধ করে ডান নাসা দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে দুবার। নাসা বন্ধ করে মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে দুবার। মুখ বন্ধ করে নাসা দিয়ে শ্বাস নিতে নিতে দুবার। 
বিঃদ্রঃ - এবার ন্যাস করতে এখানে একটি কথা বলে রাখি ন্যাস গুলো অর্থাৎ মাতৃকা ন্যাস থেকে পীঠন্যাস পর্যন্ত ন্যাস গুলো করবেন ঘট বসানোর স্থানে যেখানে পঞ্চ গুঁড়ি দিয়ে অষ্ট দল পদ্ম এঁকে রেখেছেন ঐ আসনের উপর গুঁড়ো সিন্দুর দিয়ে ঘটে আঁকা ঐ মূর্তি টি এঁকে এখানে বলা তার অঙ্গ গুলো পর্শ্ব করে ন্যাস করতে হবে, তবে ঐ স্থান টি পীঠ স্থানে পরিণত হবে। আর ওখানে পীঠ পুজোর পর ঘট বসাবেন। আর বাকি করন্যাস থেকে বাকি গুলো নিজ শরীর এবং যেভাবে বলা থাকবে সেই ভাবে করবেন। 
২৭) মাতৃকান্যাস :- ওঁ অস্য মাতৃকা মন্ত্রস্য ব্রহ্মঋষি গায়ত্রী ছন্দ, মাতৃকা সরস্বতী হলো বীজানি স্বর শক্তয়ে মাতৃকা ন্যাসে বিনিয়োগ। ওঁ ব্রহ্মণে ঋষয়ে নমঃ । ( মস্তকে) ওঁ গায়ত্রী ছন্দসে নমঃ । ( মুখে) ওঁ হলেভ্য বীজভ্য নমঃ ( হৃদয়) ওঁ স্বরেভ্য শক্তেভ্য নমঃ ( নাভৌ) ওঁ অবক্ত কীলিকায় নমঃ ( সর্বাঙ্গে) 
২৮) অন্তর মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ আঁধারে লিঙ্গ নাভৌ হৃদয়ে সরসিজে তালুমূলে ললাটে দ্বৈপত্রে দ্বিদশ দশদলে দ্বাদশস্কে চতুস্কে বালমধ্যে বাসান্তে ড- ফ ক- ঠ সহিতে কণ্ঠদেশে স্মরণাং হং ক্ষং তর্থাৎ যুক্ত সকল দলগত বর্ণ রূপং নমামি। 
ওঁ অং আং ইং ঈং উং ঊং ঋং ঋং ৯ং ৯ং এং ঐং ওং ঔং অং অঃ ইতি কণ্ঠে। ওঁ কং খং গং ঘং ঙং চং ছং জং ঝং ঞং টং ঠং ইতি হৃদয়ে। ওঁ ডং ঢং ণং তং থং দং ধং নং পং ফং ইতি নাভৌ ওঁ বং ভং মং যং রং লং ইতি লিঙ্গমূলে ওঁ বং ষং শং সং ইতি মূলাধারে। ওঁ হং ক্ষং ইতি ভ্রূ মধ্যে। 
২৯) বাহ্য মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ পঞ্চাশলি পিভির্বি ভক্ত মুক্ষোদা পন্নমধ্য বক্ষস্থলাং ভাস্ব মৌলি চন্দ্রশ কলা মাপীন তুঙ্গ স্তীনাম ।মুদ্রা মোক্ষ গুণ সুধাঢ্য কলসং বিদ্যাঞ্চ হস্তাম্বুজ বিবর্নভাং বিশদ প্রভাং ত্রিনয়নাং বাগদেবতা মাশ্রয়ে ।
অং নমঃ ( ললাটে) আং নমঃ ( মুখবৃত্তে) ইং নমঃ ( দক্ষিণ চক্ষু) ঈং নমঃ (বাম চক্ষু ) উং নমঃ ( দক্ষিণ কর্ণ) ঊং নমঃ ( বাম কর্ণ ) ঋং নমঃ ( দক্ষিণ নাসা) ঋং নমঃ ( বাম নাসা) ৯ং নমঃ ( দক্ষিণ গণ্ড) ৯ং নমঃ ( বাম গণ্ড) ( আমরা জানি এখন জোরা ঋ কার নেই বা লি কার নেই কিন্তু এই বর্ণ গুলো মন্ত্রে লাগে সে কারণেই বাংলা সংখ্যার নয় কে লি কার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। ) এং নমঃ ( ওষ্ঠ) ঐং নমঃ ( অধর) ওং নমঃ ( উর্ধ্ব দন্ত) ঔং নমঃ ( অধঃ দন্ত) অং নমঃ ( মুখে) অঃ নমঃ ( মস্তকে) কং নমঃ ( দক্ষিণ বাহু মূল) খং নমঃ ( কর্পূরে) গং নমঃ ( মনি বন্ধে) ঘং নমঃ ( অঙ্গুলি মূলে) ঙং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে) চং নমঃ ( বাম বাহুমূলে) ছং নমঃ ( কর্পূরে) জং নমঃ ( মনিবন্ধে) ঝং নমঃ ( অঙ্গুলি মূলে) ঞং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে) টং নমঃ ( দক্ষিণ উরু মূলে) ঠং নমঃ ( জানুনি) ডং নমঃ ( গুল্ফে) ঢং নমঃ ( অঙ্গুলি মূলে) ণং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে) তং নমঃ ( বাম উরু মূলে) থং নমঃ ( জানুনি) দং নমঃ ( গুল্ফে) ধং নমঃ ( অঙ্গুলি মূলে) নং নমঃ ( অঙ্গুলি অগ্রে) পং নমঃ (দক্ষিণ পার্শ্বে) ফং নমঃ ( বাম পার্শ্বে) বং নমঃ ( পৃষ্ঠে) ভং নমঃ (নাভৌ ) মং নমঃ ( উদর) যং নমঃ ( হৃদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) লং কুকুদি) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ হস্তে)শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম হস্তে) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পদে) হং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম পদে) লং নমঃ ( হৃদয় দুয়ারে) ক্ষং নমঃ ( হৃদয়াদি মুখে) 
৩০) সংহার মাতৃকা ন্যাস :- ওঁ অক্ষস্রজং হরিণপোত মৃদঙ্গ টঙ্ক বিদ্যাং করৈর বিরতং দধতীং ত্রিনেত্রাম । অর্দ্ধেন্দুমৌলি মরুণামরবিন্দবাসং বর্ণেশ্বরীং প্রণমত স্তনভার নম্রাম ।
ক্ষং নমঃ ( হৃদয়াদি মুখে) লং নমঃ ( হৃদয় দুয়ারে) হং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম পদে) সং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ পদে) শং নমঃ ( হৃদয়াদি বাম হস্তে) ষং নমঃ ( হৃদয়াদি দক্ষিণ হস্তে) বং নমঃ ( বাম স্কন্ধে) লং নমঃ ( কুকুদি) রং নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে) যং নমঃ (হৃদি) মং নমঃ ( উদরে) ভং নমঃ ( নাভৌ) বং নমঃ (পৃষ্ঠ) ফং নমঃ ( বাম পার্শ্বে) পং নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্বে) নং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ধং নমঃ ( বাম পদ অঙ্গুলি মূলে) দং নমঃ ( গুল্ফে) থং নমঃ ( জানুনি) তং নমঃ ( বাম উরু মূলে) ণং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি অগ্রে) ঢং নমঃ ( দক্ষিণ পদ অঙ্গুলি মূলে) ডং নমঃ ( দক্ষিণ পদ গুল্ফে) ঠং নমঃ ( জানুনি) টং নমঃ ( দক্ষিণ উরু মূলে) ঞং নমঃ ( বাম হস্ত অঙ্গুলি অগ্রে) ঝং নমঃ( বাম হস্ত অঙ্গুলি মূলে) জং নমঃ ( বাম হস্ত মনিবন্ধে ) ছং নমঃ ( বাম হস্ত কর্পূরে) চং নমঃ ( বাম বাহু মূলে) ঙং নমঃ ( দক্ষিণ হস্ত অঙ্গুলি অগ্রে) ঘং নমঃ ( দক্ষিণ হস্ত অঙ্গুলি মূলে) গং নমঃ ( দক্ষিণ হস্ত মনিবন্ধে) খং নমঃ ( মনিবন্ধে) কং নমঃ ( দক্ষিণ বাহুমূলে) অঃ নমঃ ( মস্তকে ) অং নমঃ ( মুখে) ঔং নমঃ ( অধঃ দন্ত) ওং নমঃ ( উর্ধ দন্ত ) ঐং নমঃ ( অধর) এং নমঃ ( ওষ্ঠ) ৯ং নমঃ ( বাম গণ্ড) ৯ং নমঃ ( দক্ষিণ গণ্ড) ঋং নমঃ ( বাম নাসা) ঋং নমঃ ( দক্ষিণ নাসা) ঊং নমঃ ( বাম কর্ণ) উং নমঃ ( দক্ষিণ কর্ণ) ঈং নমঃ ( বাম চক্ষু) ইং নমঃ ( বাম চক্ষু) আং নমঃ ( মুখবৃত্তে) অং নমঃ ( ললাটে) 
৩১) পীঠ ন্যাস :- একটি ফুল নিয়ে ঘট বসানোর জন্য পঞ্চ গুঁড়ি দিয়ে যে অষ্টদল পদ্ম এঁকেছেন ওই স্থান পর্শ্ব করে এই মন্ত্র গুলো বলুন ।ওঁ আধার শক্তয়ে নমঃ । ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ । ওঁ অনন্তায় নমঃ । ওঁ পৃথিবৈ নমঃ । ওঁ ক্ষীরা সমুদ্রায় নমঃ। ওঁ শ্বেত দ্বীপায় নমঃ। ওঁ কল্প বৃক্ষায় নমঃ । ওঁ মনিবেদিকায় নমঃ । ওঁ মনিমণ্ডপায় নমঃ । ওঁ রত্ন সিংহাসনায় নমঃ। ( হৃদয় ) ওঁ ধর্মায় নমঃ ।( দক্ষিণ স্কন্ধে)। ওঁ জ্ঞানায় নমঃ ( বাম স্কন্ধে) ওঁ বৈরাগ্যায় নমঃ ( দক্ষিণ উরু মূলে) ওঁ ঐশ্বর্যায়ৈ নমঃ ( বাম উরুমূলে) । ওঁ অধর্মায় নমঃ ( বাম স্কন্ধে) । ওঁ অজ্ঞানায় নমঃ ( দক্ষিণ স্কন্ধে)। ওঁ অবৈরাগ্যায় নমঃ ( বাম পার্শ্বে)। ওঁ অনৈশ্বর্যায় নমঃ ( দক্ষিণ পার্শ্বে)। ওঁ অনন্ত নমঃ। ওঁ পং পদ্মায় নমঃ । ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মনে নমঃ। ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মনে নমঃ । ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মনে নমঃ। সং সত্ত্বায় নমঃ। রং রজসে নমঃ। তং তমসে নমঃ । আং আত্মেন নমঃ । ওঁ অং অন্তর আত্মন নমঃ। ওঁ পং পরম আত্মন নমঃ। ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মন নমঃ (পুনঃ হৃদয়ে) 

(এই করন্যাস, অঙ্গ ন্যাস, নিজের শরীরের অঙ্গ পর্শ্ব করে করবেন।) 
৩২) করন্যাস :- ওঁ শ্রাং অঙ্গুষ্ঠাভ্যাং নমঃ । ওঁ শ্রীং তর্জনীভ্যাং স্বাহা । ওঁ শ্রূং মধ্যমাভ্যাং বষট । ওঁ শ্রৈং অনামিকাভ্যাং হুং । ওঁ শ্রৌং কনিষ্ঠাভ্যাং বৌষট । ওঁ শ্রঃ করতলপৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট।
৩৩) অঙ্গ ন্যাস্য :- ওঁ শ্রাং হৃদয়ায় নমঃ । ওঁ শ্রীং শিরসে স্বাহা । ওঁ শ্রূং শিখায় বষট । ওঁ শ্রৈং কবচায় হুং । ওঁ শ্রৌং নেত্রায় বৌষট । ওঁ শ্রঃ করতল পৃষ্ঠাভ্যাম অস্ত্রায় ফট ।
৩৪) বীজন্যাস :- এই পূজার এই ন্যাস করতেই হবে। নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশে পর্শ্ব করে) 
শ্রাং নমঃ ( ব্রহ্ম রন্ধ্রে)। শ্রীং নমঃ ( ললাটে) ।শ্রূং নমঃ ( নাভি) শ্রৈং নমঃ ( গুহ্য)। শ্রৌং নমঃ ( মুখে)। শ্রঃ নমঃ (সর্বাঙ্গে) ।
৩৫)ব্যপক ন্যাস :- বুকের কাছে আনতে হবে অর্থাৎ মূর্তি বা পটের সামনে হাত জোর করে এবার হাত দুই দিকে প্রসারিত করতে করতে " ওঁ শ্রীং" মন্ত্র বলবে।এ ভাবে তিন বার বা ফুল দিয়ে নিজের মাথা থেকে পা পর্যন্ত তিন বার করবেন। 
৩৬) ধ্যান :- ওঁ পাশাক্ষ মালিকাম্ভোজ সৃনি ভির্যাম্যা সৌম্যয় ।পদ্মা সংস্থাং ধ্যায়েচ শ্রিয়ং ত্রৈলক্য মাতরম ।গৌর বর্ণাং সুরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কার ভুষিতাম । রৌক্মপদ্ম ব্যাগ্র করাং বরাদাং দক্ষিণেন তু। 
৩৭) মানস পুজা :-  অর্থাৎ মনে মনে নিজেকে সম্পূর্ণ রূপে মায়ের পায়ে সমর্পণ করে দেওয়া। 
৩৮) বিশেষ অর্ঘ্য স্থাপন :- জল শঙ্খ টি শঙ্খ দানিতে রেখে প্রথম বিলোম মাতৃকা ন্যাসে জল পূর্ণ করে নিতে হবে। ওঁ ক্ষং হং সং শং ষং বং লং রং যং মং ভং বং ফং পং নং ধং দং থং তং ণং ঢং ডং ঠং টং ঞং ঝং জং ছং চং ঙং ঘং গং খং কং অঃ অং ঔং ওং ঐং এং ৯ং ৯ং ঋং ঋং ঊং উং ঈং ইং আং অং। জল পূর্ণ হলে ওর উপর বিল্ব পত্র রেখে তার উপর অর্ঘ্য সাজিয়ে দিয়ে এবার এই তিন টি মন্ত্র পড়ে ফুল দিন। 
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নমঃ। 
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নমঃ। 
৩৯) পীঠ পূজা :- ওঁ পীঠদেবতা গন ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মণ্ডলায় নমঃ । 
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আধার শক্তয়ে নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কুর্ম্মায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পৃথিবৈ নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ক্ষীর সমুদ্রায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ কল্পবৃক্ষায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শ্বেতদ্বীপায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনিবেদিকায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মনি মণ্ডপায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রত্ন সিংহাসনায় নমঃ। 
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ধর্মায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ জ্ঞানায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বৈরাগ্যায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ঐশ্বর্যায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অধর্মায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অজ্ঞানায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অবৈরাগ্যায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনৈশ্বর্যায় নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অনন্তায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পং পদ্মায় নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অর্ক মণ্ডলায় দ্বাদশ কলাত্মানে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ উং সোম মণ্ডলায় ষোঢ়শ কলাত্মানে নমঃ । এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মং বহ্নি মণ্ডলায় দশ কলাত্মানে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ সং সত্ত্বায় নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ রং রজসে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ তং তমসে নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ অং অন্তর আত্মনে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ আং আত্মনে নমঃ ।এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পং পরম আত্মনে নমঃ। এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ হ্রীং জ্ঞান আত্মনে নমঃ। 
৪০) ঘট স্থাপন :- পঞ্চ গুঁড়ি দিয়ে আঁকা মণ্ডল যেখানে এতখন পূজো করে পীঠস্থান করে নিয়েছেন ঐ মণ্ডলের উপর পঞ্চ শষ্য ছড়িয়ে একটি বড়ো লাল আলতা পাতা পেতে ওর উপর কাদার ঢেলা লাগিয়ে তার উপর ঘট বসিয়ে দিতে হবে এবং ঘটের মধ্যে মহাষৌদি দিতে হবে। এবার ঘটের উপর পঞ্চ পল্লব দিয়ে তার উপর ছোট একটি সরা করে ধান তার উপর পান দিয়ে এবার সশীষ ডাব বসিয়ে দিতে হবে। এখানে বলে রাখি আগেই ঘট ও ভাবের উপর সিন্দুর দিয়ে মূর্তি এঁকে দিতে হবে। এবার তীরকাটি চারপাশে বসিয়ে কম পক্ষে তিন দণ্ডি লাল সূত দিয়ে ঘটের কাছ বা একটা কাঠির কাছে এনে রেখে দিন বাঁধবেন না কারণ সূত্র বন্ধনের মন্ত্র আছে। এবার ঘটের উপর নতুন গামছা দিয়ে আচ্ছাদন দিন। এবার এই নির্দিষ্ট জায়গা গুলো পর্শ্ব করে মন্ত্র গুলো বলুন। 
মাটি :- ওঁ মহীত্রিয়ান বরস্তু দুক্ষং মিত্র সার্যমন দূরা ধর্ষং বরুনস্য । ধান :- ওঁ ধানবন্ত করমনিভ মপু পবন্ত মুখথিনম ইন্দ্র পাতুতযস্য ন। জল :- লম্বা করে কুশ ঘটের মধ্যে প্রবেশ করিয়ে দিন। এবার বলুন :-  আ ন মিত্র বরুনা ঘৃত্যর্গব্যূতি মুখ্যতম। মধ্বা রজাংসি সক্রতু । কলস :- আবিস ন কলসং ভিশ্রিয় বিশ্ব অর্ষন ধীয়তে ।ইন্দুরিন্দ্রিয়ায় ধীয়তে । ফল :- ( ডাব) ইন্দ্র নরনেমেধিতা হব্যং যৎপর্যা যুনজতে ধীয়স্তে । শূর নৃশংসতা শ্রবচা কাম আ গোমতি ব্রজে ভজা ত্বং ।  পল্লব :- অয়া মুর্জাবত বৃক্ষং উর্জীব ফলানি ভব পণং বনস্পতে নূত্ত্বা নূত্ত্বা চ সুয়তাং রয়ি । বস্ত্র :- যুবা সুবাসা পরিবিত আগতা স উ শেয়ান ভাবতি জায়মান। তব ধীয়স্তে কবয়া উন্নয়তি সাধ্যে মনসা দেবয়ন্ত। ফুল :- পবন মান বশ্নুরশ্মি ভির্ভজসাতম। দধস্তোত্রে সুবীর্যম । সিন্দুর - সিন্দোর উচ্ছাসে পতয়োন্তমুখং হিরণ্যপাব পশমপশু গৃভনতে । স্থির করণ :-   যাবৎ পুরবস বয়মিন্দ তাবৎ স্থাং স্থিং স্থির ভব। তীর্থ আহ্বান :- গঙ্গদা সরতি চ সর্বি সমুদ্রাশ্চ সংরসি চ আয়ন্তু যজমানস্য দূরিত ক্ষয়কারক ।হাত জোর করে :- সর্ব তীর্থোদ্ভবং বারি সর্ব দেব সমন্বিতে, ইমং ঘটং সমারুজ্য দেবী গনং সহ। 
৪১) কাণ্ড রোপন :- ( যে কোন একটা তীর কাঠি পর্শ্ব করে মন্ত্র বলবেন। পারলে একটা দূর্বা পুঁতে দিন।) ওঁ কাণ্ডাৎ কাণ্ডাৎ প্রহোরন্তি পুরুষ পুরুষ পরি। এবেন দূর্বেন প্রতেনু সহস্রেন শতেন চ ।
৪২) সূত্র বেষ্ঠন :- ওঁ সুত্রাং পৃথিবীং দ্যামনেহসং সুশর্মান সুপ্রনীতীং । দৈবাং নাবাং সরিত্রামনাগম মা রুহেমা সস্ত্রয়ে। 
৪৩) বেদী শোধন :- ওঁ বেদ্যা বেদী সমপ্যতে যুপেন যুপ আপ্যায়তং প্রনেতর্হগ্নিনা। ( কুশ ত্রিপত্র দিয়ে পঞ্চ গব্য ছিটিয়ে দেবেন) 
৪৪) আহ্বান :- (আগে ধ্যান করে নিন) ওঁ পাশাক্ষ মালিকাম্বজ শৃন্নি ভৃয্যমৌ সৌময় । পদ্মা সংস্থানং ধ্যায়েচ শ্রীয়ং ত্রৈলক্য মাতরম । গৌরবর্ণং সুরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কার ভুষিতাম । রৌক্মপদ্ম ব্যাগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু। 
ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ পরিবার সমন্বিতে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ঠ ইহতিষ্ঠ ইহসন্নিরুধ্যত্ত ইহসন্নিরুধ্যম অত্রাধিষ্ঠান করুত মম পুজো গৃহ্নীত ।  ( পঞ্চ মুদ্রা দেখাবেন) 
এবার হাত জোর করে বলুন ওঁ দেবেশি ভক্তি সুলভে পরিবার সমন্বিতে। যাবৎ পূজিয়াস্মি তাবৎ সুস্থিরাভব ।
৪৫) চক্ষুদান :- - বিল্ব পত্রে ঘী মাখিয়ে প্রদীপ ধরে কাজল করে নিয়ে ঐং মূল মন্ত্রে প্রথম বাম নেত্র পরে দক্ষিণ নেত্রে ঠেকিয়ে চক্ষু দান করতে হবে। অথবা বাম নেত্রে :- ওঁ আপ্যায়স সমেতু তে বিশ্বত সোম বিষ্ণম। দক্ষিণ নেত্রে :- ওঁ দেবানমুদগাদানিকং চক্ষু মিত্রস্য বরুণাস্যাগ্নে। আ প্রা দ্যাবা পৃথিবী অন্তরীক্ষ সূর্য আত্মা স্থূশ্চয় ।
৪৬)প্রাণ প্রতিষ্ঠা :- ওঁ আং  হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস। লক্ষী দেব্যা জীব ইহ স্থিত। ওঁ আং  হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হৌং হংস। লক্ষী দেব্যা প্রাণা ইহ স্থিত।ওঁ আং  হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হং হৌংস লক্ষী দেব্যা সর্বইন্দ্রায় ইহস্থিতা ।ওঁ আং হ্রীং ক্রোং যং রং লং বং ষং শং সং হং হৌংস লক্ষী দেব্যা বাঙ্মচক্ষুশ্রোতাঘ্রানাপ্রাণা চির সুখং ইহ তিষ্ঠন্তু স্বাহা । ওঁ মনোজ্যোর্তিজ্জুষ্যা -মাজস্য বৃহস্পতিরযজ্ঞমিমং তনোতু। অরিষ্টং যজ্ঞ সমিমং দধাতু।  বিশ্বদেবাস  ইহ মাদয়ন্তা মম প্রতিষ্ঠ, অসৈ প্রাণ প্রতিষ্ঠন্তু অসৈ প্রাণ ক্ষরন্ত চ অসৈ দেবতা সংখ্যায়ৈ স্বাহা । এবার শ্রীং মন্ত্র তিন বার পাঠ করতে হবে।
৪৭) পঞ্চ দেবতার পূজা :- ক) গনেশের পূজা :- ধ্যান :- ওঁ খর্ব্বং স্থুল তনুং গজেন্দ্র বদনং লম্বোদরং গজাননম প্রসন্দম্মদগন্ধলুদ্ধমধূপ ব্যালোল গণ্ডোস্থলম।দন্তাঘাতে বিদারিতারি রুধৈরৈ সিন্দুর শোভাকরম ।বন্দে শৈলসূতা সূতং গনপতি সিদ্ধিপ্রদ কামদম । আহ্বান :- ওঁ ভূর্বস্ব গাং গনপতে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব । পঞ্চ উপাচারে পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ গাং গনেশায় নম । এতৎ পুষ্পম ওঁ গাং গনেশায় নম । এষো ধূপ ওঁ গাং গনেশায় নম । এষো দীপ ওঁ গাং গনেশায় নম ।এতৎ সোপকরণ নৈবেদ্যম ওঁ গাং গনেশায় নম ।
প্রণাম :- ওঁ এক দন্তং মহাকায়ং লম্বোদরং গজাননম। বিঘ্ন নাশকরম দেবং হেরম্বং প্রণমহম।
সূর্য পূজা:- ধ্যান :- ওঁ রক্তাম্বুজাসনম শেষগুনার্কৈ সিন্ধু ভানুং। সমস্ত জগতামধিপ ভজামি পদ্মদয় বরাভয় দধাতন করাব্জৈমৌলিমরুনাঙ্গ রুচিং ত্রিনেত্রাম ।
আহ্বান :- ওঁ শ্রী সূর্যায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম ।এতৎ পুষ্পম ওঁ শ্রী সূর্যায় নম। এষো ধূপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম। এষো দীপ ওঁ শ্রী সূর্যায় নম। এতৎ সপোকরণ নৈবেদ্য ওঁ শ্রী সূর্যায় নম।
প্রণাম :- ওঁ জবা কুসুম সংঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং  মহাদ্যুতিং    ধনত্বারিং সর্বপাপঘ্ন প্রণোতোস্মি দিবাকরম।
বিষ্ণু পূজা :- ধ্যান :-  ওঁ ধেয় সদা সবৃতমণ্ডল মধ্যবর্তী নারায়ণ সরসিজাসন সন্নিবেষ্টিত কেয়ূরবান কণক কুণ্ডলবান কীরিটীহারি হিরণ্ময় বপু ধৃত শঙ্খ চক্র।
আহ্বান :- ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এতৎ পুষ্পম ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম। এষো ধূপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম । এষো দীপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম ।
এতৎ সপোকরণ নৈবেদ্য ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নম ।
প্রণাম :-- ওঁ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রহ্মণ হিতায় চ জগৎ ধৃতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নারায়ণ নমহস্তুতে ।
শিবের পূজা :-  ধ্যান :- ওঁ ধ্যায়ে নিত্যং মহেশং রজত গিরি নিভনং চারুচন্দ্রবতনংসং। রত্নকল্পোজ্জ্বলাঙ্গ পরশু মৃগ বরা ভীতি হস্তং প্রসন্নম। পদ্মাসন স্তুতম মরগৈন্য ব্যাঘ্র কৃতিবসনাং বিশ্বদ্যাং বিশ্ববীজং নিখিল ভয়হরং পঞ্চবক্তং ত্রিনেত্রাম ।
আহ্বান :- ওঁ নম শিবায় ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ নম শিবায় নম। এতৎ পুষ্পম ওঁ নম শিবায় নম । এষো ধূপ ওঁ নম শিবায় নম । এষো দীপ ওঁ নম শিবায় নম। এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ নম শিবায় নম।
প্রণাম :- ওঁ নম শিবায় শান্তায় কারণ ত্রয় হেতবে নিবেদয়ামি চাত্মাং ত্বং গতি পরমেশ্বরো।
দুর্গা পূজা:- ওঁ কালাভ্রাভাং কটাক্ষৈরি কুলভয়দ্যাং মৌলিবদ্ধেন্দুরেখাং । শঙ্খ চক্র কৃপাণ ত্রিশিখমোপি কররৈরুধ্ব হন্তীং । সিংহ স্কন্ধাধিরূঢ়াং ত্রিভুবন মখিলং তেজসপুরায়ন্তীং ধ্যায়ে দুর্গাং জয়াখ্যাং ত্রিদশপরিবৃত্তাং সেবিতাং সিদ্ধিকাময়ৈ ।
আহ্বান :- ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ ইহাগচ্ছ ইহাগচ্ছ ইহতিষ্ট ইহতিষ্ট ইহসন্নিরুদ্ধস্ব ইহসন্নিরূধম অত্রাধিষ্ঠানং করু মম পূজাং গৃহান ভব ।
পূজা :- এষো গন্ধ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম। এতৎ পুষ্পম ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম । এষো ধূপ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম। এষো দীপ ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম । এতৎ নৈবেদ্যম ওঁ হ্রীং দুর্গায়ৈ নম।
প্রণাম :- ওঁ সর্ব মঙ্গল মঙ্গলে শিবে সর্বাত সাধিকে স্মরণে ত্রম্বকে গৌরি নরায়নী নমহস্তুতে ।
কয়েকটি দেবতার পূজা :- এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ব্রাহ্মণে নম। এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ যাং যমুনায় নম । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ গাং গঙ্গায় নম । এতে গন্ধ পুষ্পে ওঁ সর্ব দেব দেবীভ্য নম ।
৪৮) প্রধান পূজা :- ধ্যান :- ওঁ পাশাক্ষ মালিকাম্বজ শৃন্নি ভৃয্যমৌ সৌময় ।পদ্মা সংস্থানং ধ্যায়েচ শ্রীয়ং ত্রৈলক্য মাতরম ।গৌরবর্ণং সুরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কার ভুষিতাম ।রৌক্মপদ্ম ব্যাগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু ।
ধ্যানের পর পঞ্চ উপাচারে /দশম উপাচারে / ষোলো উপাচারে পূজা করতে পারেন। প্রতি ক্ষেত্রে প্রথম সম্প্রদান করে, নিবেদন করবেন। পঞ্চ উপাচার হলো। ১)গন্ধ ২) পুষ্প ৩) ধূপ ৪) দীপ ৫) নৈবেদ্য । (গন্ধ হচ্ছে চন্দন, অগরু, ধূন, গগুল, কর্পূর এই পাঁচটির মধ্যে যে কোন একটা ব্যবহার করা হয় ) 
দশম উপাচার ১) রজত আসন ২) পাদ্য ৩) অর্ঘ্য ৪) স্নানীয় ৫) বস্ত্র ৬) গন্ধ ৭) পুষ্প ৮) ধূপ ৯) দীপ ১০) নৈবেদ্য ।
ষোলো উপাচার ১) রজত আসন ২) পাদ্য ৩) অর্ঘ্য ৪) আচমনীয় ৫) মধু পর্ক ৬) পুনঃ আচমনীয় ৭) স্নানীয় ৮) বস্ত্র ৯) আভরণ ১০) গন্ধ ১১) পুষ্প ১২) ধূপ ১৩) দীপ ১৪) নৈবেদ্য ১৫) তাম্বুল ১৬) পুষ্প মালা প্রতিটি দ্রব্য এই মন্ত্রে কুশ ত্রিপত্রের তিন বার জল ছিটিয়ে সম্প্রদান করে নেবেন।
সম্প্রদানের মন্ত্র :- বং এতেস্মৈ রজত আসনায় নম। এতে গন্ধ পুষ্পে এতধিপতয়ে দেবায় শ্রী বিষ্ণবে নম ।এতৎ সম্প্রদানায় ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ । ইদম রজত আসনায় ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নম। যদি সব বলতে চান না তবে ইদম রজত আসনায় ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নম । এই ভাবে প্রথম সম্প্রদান করে নিয়ে যত উপাচার দিতে চান। দিয়ে পুজো করবেন, পুজো হয়ে গেলে, সাধারণের পুষ্পাঞ্জলি দেবেন। 
নমঃ অপবিত্র পবিত্র বা গত হোপিবা - - - - - - - 
৪৯)এষো সচন্দন গন্ধ পুষ্প বিল্বপত্রাঞ্জলী নম শ্রী লক্ষী দেবৈ নমঃ ।এই মন্ত্রে তিন বার। কেবল নিজের সময ওঁ শ্রীং বলবেন। ৫০) এবার প্রণাম মন্ত্র :- ওঁ বিশ্বরূপ ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে ।সর্বত্র পাহিমাং দেবী মহালক্ষ্মী নমহস্তুতে। 
এবার আরতি করে নিয়ে হোম করা কর্তব্য। 
৫১) হোম :- কুসুম ডিঙা বা যযুর্বেদীয় হোম মন্ত্র এখানে দিলাম কারণ এই হোম সহজ সরল। 
প্রথমে হোমের জায়গা টি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে নিতে হবে। তার পর এক হাত লম্বা ও এক হাত চওড়া বালি দিয়ে একটা সণ্ডিল তৈরি করে নিতে হবে। দেখতে হবে তাতে কোন নোংরা না থাকে। যদি ঐ পরিমাপের হোমের জন্য তাম্র কুণ্ডু থাকে তাহলে তার উপর পরিষ্কার বালি দিয়ে নিতে হবে। এবার তিন টি কুশ পূর্ব মুখে রেখে এখানে বলে রাখা ভালো ব্রাহ্মণ বা হোতা পূর্ব মুখে বসে হোম করবেন। ঐ যে পূর্ব মুখে কুশ রাখলেন ওই কুশের গোড়া অর্থাৎ পশ্চিম দিক থেকে তিন চিমটি বালি নিয়ে দক্ষিণ পূর্ব কোনে ফেলে দিয়ে এবার ঐ সণ্ডিল সাজিয়ে ফেলুন যে কোন শুদ্ধ কাঠ দিয়ে, কাঠের মধ্যে, চন্দন, আম, বেল, সেগুন, সচরাচর বেল কাঠ ব্যবহার করা হয়। যেহেতু দেবী তাই ত্রিকোন করে সাজাতে হবে। সণ্ডিলে ভালো করে কর্পূর দেবেন। যাতে করে আগুন তাড়াতাড়ি জ্বলে, এবার একটা পিতলের সরায় বা পাত্রে আগুন, আগুন দেওয়ার আগে সণ্ডিলের দক্ষিণ দিকে বেশি করে পূর্ব অভিমুখে কুশ বিছিয়ে ব্রহ্মার আসন করে রাখতে হবে আর কাছাকাছি সিংহাসন সহ নারায়ণ শিলা কে রাখতে হবে। কারণ ব্রহ্মা অর্থাৎ হোতা এবং তন্ত্রধারক দুজন লাগে এখানে নারায়ণ শিলা হবে ব্রহ্মা। আসুন আগুন পিতলের সরা বা নতুন মাটির সরায় নিয়ে এই মন্ত্রে " ক্র্যাবদম প্রহিনমি দুরং যমরাজ্যং গচ্ছতু রিপ্রবাহ ।" ঐ সরার কিঞ্চিৎ অগ্নি দক্ষিণ দিকে ত্যাগ করে দিই এবার এই মন্ত্রে নিজের সম্মুখ দিক দিয়ে সণ্ডিলে আগুন দিই। মন্ত্র :-  ইহৈবায় মিতর জাতবেদা হব্যং বহতু প্রজনন। 
এবার হাত জোর করে বলুন :- " সর্বতোহি পানিপাদান্ত সর্বোত্রক্ষি শির মুখ। বিশ্বরূপ মহা অগ্নি প্রণেতস্মি সর্বকর্মেসু ।

Wednesday, 13 October 2021

সপ্তমী তে তারকেশ্বরে ঠাকুর দেখা।


2012 সালে দুর্গা পুজো সপ্তমী তে তারকেশ্বরে ঠাকুর দেখার
 ভিডিও ।





বাংলাদেশে তালিবান শাসন চলছে।

আজ বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলার দুর্গা পুজো মণ্ডপ ও প্রতিমা ভাঙ্গার ছবি। 

আজ যা বাংলাদেশ এক সময় ভারতের অংশ এক কথা সকলেই জানেন। আর এই অংশটা পূর্ব বঙ্গ নামে পরিচিত ছিল। পূর্ব বঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ দুই নিয়ে বিশাল বাংলা প্রদেশ আর এই বিশাল প্রদেশ কে ইংরেজ সরকার শাসন করার জন্য ভাগ করে ছিলেন, পূর্ব বঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ 1905 সালে পূর্ব বঙ্গ কে বিচ্ছিন্ন করে মুসলিম দের দেবার পরিকল্পনা করে ছিলেন চতুর ইংরেজ। সেই শুরু হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা যা এখনও চলছে, ঐ সময়ে বঙ্গ কে ভাগ করতে পারে নি কারণ বাঙালির একতা রক্ষার জন্য রাস্তায় নেমে ছিলেন কবি গুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর থেকে বিশিষ্ট ব্যক্তি গন। বন্ধ হয়ে গিয়েছিল বঙ্গ ভঙ্গ আর এর ঠিক ছ ' বছর পর 1911 সালে ইংরেজ সরকার তাদের রাজধানী কলকাতা থেকে সরিয়ে নিয়ে গিয়ে ছিল দিল্লিতে। কিন্তু ঐ যে ধর্মীয় দাঙ্গা সেটা থামেনি বরং বেড়ে গিয়েছে, আর ঐ সময়ে উস্ককানি চরম পরিনতি লাভ করে ছিল 1946 সালের রক্তক্ষয়ী দাঙ্গায় এবং দেশ ভাগের মধ্যে দিয়ে হাজার হাজার বাঙালির রক্তে সেদিন বাংলাদেশের পথ ঘাট লাল হয়ে উঠেছিল। রক্ত দেখে তো আর বোঝার উপায় নেই কোন টা হিন্দুর রক্ত আর কোনটা মুসলমানের রক্ত। ইংরেজ সরকার দীর্ঘ চেষ্টা করে বাঙালি জাতির ঐক্য ধ্বংস করতে পারে নি, কিন্তু কিছু ভারতের তথা অনশনে বসে স্বাধীনতা আনা ব্যক্তি দের সহায়তায় কয়েক লক্ষ বাঙালির জীবন বিপন্ন করে দেওয়া হয়েছিল কয়েক ঘণ্টায়। সে ক্ষত এখন বয়ে বেড়াচ্ছে বাঙালি, এখনও পূর্ব বঙ্গে তথা বাংলা দেশে চলছে ধর্মের নামে অত্যাচার এবং সেটা সরকারের সহযোগিতায়, কারণ এখন ইন্টারনেটের যুগে কোন ঘটনা আর চাপা দেওয়ার উপায় নেই। এই দুর্গা পুজো নিয়ে সেই রকম কত গুলো খবর বেড়িয়েছে অনলাইন নিউজ পোর্টালে। তার একটির screenshot এখানে দিলাম।



এত গেল একটা ঘটনার ছবি, কালকেই আসাদ নূর নামে এক  একটি ভিডিও ফুটেজ দেখ ছিলাম, ফেসবুকে ।তিনি তো বেশ কিছু জায়গার কথা তুলে ধরেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এই উৎসব পালন করতে বাধা দিচ্ছে কোথাও প্রশাসন কোথাও জনতা। আসলে এগুলো আসছে ধর্মান্ধতা থেকে এবং ধর্মের নামে উগ্র প্রচার কে কেন্দ্র করে, করছে কারা ঐ যে হুজুর না কুজুর আলেম হালেম আছে এদের এরা। মাঝে মাঝেই এই হুজুর কুজুর দের চরিত্র বেড়িয়ে পরে, কখনো সে সম কামি কখনো আবার বাচ্চা মেয়ের সাথে আসলে এই অসহিষ্ণুতা ছড়িয়ে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়া এদের কাজ। লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে মাইফেল নামের জলসা আর অবৈজ্ঞানিক জ্ঞান বিতরণ বিজ্ঞানের কোন ধারে কাছে যায় না অথচ বিজ্ঞানের সব সুবিধা ভোগ করতে ছাড়ে না। দামি মোবাইল, ল্যাপটপ, ক্যামেরার ভালো মাইক সাউন্ড ঐ যে ভোর বেলা থেকেই চিৎকার আল্লা হু আকবর, ভালো চিকিৎসা সব চাই কিন্তু যারা এসব আবিষ্কার করেছেন তারা এবং তারা অন্য ধর্মের এরা কাফের। আর এই কাফের দের কোন অধিকার নেই ওদের দেশে থাকার অথচ দেশটা সকলের হিন্দু, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ শিখ সকলের। আসলে ধর্ম এসেছিল মানুষের মধ্যে ঐক্য গড়ে তোলার জন্য, সনাতন ধর্ম সে তো আদিম যুগ থেকেই শুরু হয়েছে মানুষ যাকে ভয় পেয়েছে সেটাই একটা দেবতা, আস্তে আস্তে বিভিন্ন রোগের দেব দেবি ঝড় বন্যা মহামারী, দাবানল বা আগুন প্রতি টি প্রাকৃতিক ঘটনার একটা করে দেব দেবী। সে কারণেই কে এর প্রচারক কেউ বলতে পারে না। সনাতন ধর্মকে আর্যরা একটা রূপ দিয়ে ছিলেন। শুনে শুনে বিভিন্ন ভাবে সেই সব মনে রেখে পূজো পাঠ করতে হতো, পরে লিখিত আকারে আসে লেখা হয় পৃথিবীর প্রথম বই " ঋক বেদ" ।হিন্দু এই শব্দটা এসেছে তো সিন্ধু নদের আশপাশে বসবাসকারী মানুষ দের সিন্ধু বাসী বলত সেখান থেকেই অপভ্রংশ হয়ে আজকের হিন্দু। যাহোক কি লিখ ছিলাম আর কোথায় নিয়ে গেলাম আসলে এই এই সনাতন ধর্ম একটা সময় এক একটা মানব গোষ্ঠীকে এক করার জন্য ব্যবহার করেছে। গোষ্ঠীর মধ্যে যুদ্ধ কমাতে ধর্মের ব্যবহার করা হয়েছে। মনসা, শিব, কালি, প্রভৃতি অনার্য দের দেব দেবীরাও হয়ে গেছে আর্য দের দেব দেবী। এই সে দিনও গ্রাম বাংলার কান পাতলে শোনা যেত সত্যপীরের গান। অর্থাৎ এক দিকে সত্য নারায়ণ আরেক দিকে পীর। আর এই ইসলাম যেটা 1400 বছর আগে এসেছে, এই ধর্ম আসার পর থেকেই শুরু হয়েছে সেই দাঙ্গা মারামারি, যিনি এই ধর্ম প্রচার করেছেন তিনি যুদ্ধ করতে করতে অর্থাৎ মানুষ খুন খুন করতে এই ধর্মের প্রচার করেছেন। আবার অনেকেই বলছেন ইসলাম কথার অর্থ নাকি শান্তি আমি কোথাও দেখছি না এদের দ্বারা শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়েছে। এদের ঐ ধর্ম প্রচারক গন টাকার বিনিময়ে ধর্মের প্রচার করে এবং প্রতিটি মুহূর্তে অন্য জন গোষ্ঠীর মানুষ কে কীভাবে জব্দ করতে হবে সেটা শেখায়, কেবল লুঠ পাট ছাড়া এরা আর কিছু জানে না। সারা বিশ্বের দিকে তাকিয়ে দেখুন দেখবেন এরা যেখানে সংখ্যা গুরু সেখানেই অশান্তি, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, ইরান, ইরাক, তুরস্ক, আমাদের দেশের জম্মু ও কাশ্মীর, অতি সম্প্রতি মায়ানমার যাহোক মায়ানমারের বৌদ্ধরা সরকারের সহায়তায় এদের দেশ ছাড় করে ছেড়েছে, চিন উইঘুরে তে ভীষণ ভাবে জব্দ করে রেখেছে, ভারতের অভ্যন্তরেও শুরু করেছে এই দমিয়ে রাখার। আসলে এরা ঐ আল্লাহ আকবর ছাড়া আর কিছু জানেন না, আর শিখতেও চায় না, এরা যেখানে থাকে সেখানে কেবল উত্তেজনা ছড়ায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে রাখে। কথায় কথায় দাঙ্গা এদের পেশা, এরা বাংলাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে সরকারি মদত পুষ্ট, বাংলাদেশে বাড়বাড়ন্ত এক মাত্র কারণ এখানের সরকার এদের কিছু বলে না, উল্টে সংখ্যা লঘুদের সামান্য অপরাধে দীর্ঘ দিন বিনা বিচারে আটক করে রাখে। আমি যতদূর ইতিহাসে পড়েছি তৎকালীন ভারত তথা ইন্দিরা গান্ধী এই পূর্ব পাকিস্তান কে বাংলাদেশ হতে সাহায্য করে ছিল একটাই শর্ত এটি একটি ধর্ম নিরপেক্ষ ও সুস্থ গনতান্ত্রিক দেশ হিসেবে কাজ করবে। মুজিবর রহমানের ভাষণ গুলো শুনলে সেই কথা বারবার বলেছেন তিনি কিন্তু না ও তো কথার কথা বাংলাদেশের সব কটা শাসক এক কেউ এই ধর্ম গুরু দের তথা হুজুর আলেম কালেম দের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া বা যারা অপরাধ করে তাদের শাস্তি দেওয়া এসব কিছু করে না। কেবল লোক দেখানো একটা বিচারের নামে প্রহসন করে ছেড়ে দেয়। আর এই বাংলাদেশি মুসলিম গুলো এমন ভাব দেখায় মনে হয় এরা হজরত মুহাম্মদ বংশধর, কিন্তু আমি তো জানি ওখানের নিম্ন বর্ণের হিন্দু দের জোর করে ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলিম তথা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য করেছে । কেউ কেউ আবার স্বেচ্ছায় গেছে ঐ একাধিক বিয়ে করে সন্তান জন্ম দিতে পারবে এবং নারীর শরীর ভোগ করতে পারবে। এরা নাকি একটা সভ্য সমাজের মানুষ এদের সভ্য বললে অসভ্য কারা। বাংলাদেশের বেশিরভাগ মুসলিম তাদের অশিক্ষিত অর্থাৎ আধুনিক শিক্ষার ধার ধারে না কেবল ধর্মের শিক্ষা কোন উচ্চ পদে এরা নেই, এদের অধিকাংশই জানেই না নিজের দেশের সংবিধানে কি আছে। আমার আশ্চর্য লাগে যখন ভাবি এরাই আমার বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিয়েছেন এবং সেই ভাষা আন্দোলন পরে স্বাধীনতা যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। আরেকটা কথা অনেকেই ভাববেন আমি হয়তো চীন, ভারতের সংখ্যালঘু দের উপর অত্যাচার করছে সেটা কে সমর্থন করছি কখনো না। কারণ আমি চাই মানবতা হোক ধর্ম, মানুষ খুন করে শান্তি আসবে না। এই যে ধর্মের নামে মানুষ খুন হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় উগ্রপন্থী কার্যকলাপ চলছে এটা বন্ধ হোক। ধর্মের নামে অত্যাচার বন্ধ করতে হলে, প্রতিটি দেশের সরকার কে ধর্মের রাজনীতি থেকে বেড়িয়ে এসে মানুষের জন্য ভাবতে হবে। পৃথিবী তে জণ্ম নেওয়া প্রতিটি প্রাণের বেঁচে থাকার অধিকার আছে, সেই অধিকার দিতে হবে, সরকারি ভাবে।

চীন ও ভারতের ধর্মের নামে অত্যাচারের অন লাইন সংবাদের ছবি দিলাম ।






Saturday, 9 October 2021

মা দুর্গা সকলের দুর্গতি দূর করুন এই প্রার্থনা করি।

 মা আসছেন আমাদের দুর্দশা দূর করতে, কারণ দুর্গতি নাশিনী দুর্গা মায়ের কাছে এটাই আমার প্রার্থনা সকল মানুষের দুর্গতি দূর কর মা। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ মানুষ জল বন্দি হয়ে গেছে, কিছু মানুষের ভুলে কারণ এক বিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে শুনতে হচ্ছে বন্যা হয়। অথচ এই বন্যা রোধ করার জন্য স্বাধীনতার পরেই তৈরি করা হয়েছে দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন দুর্গাপুর বাঁধ বা জলা ধার আরও কত জায়গায় বাঁধ দিয়ে জল ধরে রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে, তা সত্ত্বেও প্রতি বছর বন্যার ফলে লাখ লাখ মানুষ জল বন্দি হয়ে দুর্বিসহ জীবন কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। কারণ নদীর নাব্যতা বাড়ানোর জন্য নদীর বুক কাটাই করা হয় নি দীর্ঘ দিন যার জন্য আজ এই অবস্থা কোটি কোটি টাকা কেবল লুটপাট করে 25% ও 75% ভাগ করে নেওয়া হয়েছে। আর এই কারণেই এই বন্যা সত্যিই মেন মেড বন্যা। আর এক দিকে করোনার ফলে কাজ হারানো খেটে খাওয়া মানুষ সংসার চালাতে কিডনি বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। আবার পেটের জ্বালায় বন থেকে কচুর শাক তুলে এনে সেদ্ধ করে খাচ্ছেন।


আরেক বাংলা কোটি কোটি টাকা খরচ করে মায়ের আরাধনা মেতেছেন। আজ এই পুজো চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, গরীব আর বড় লোক তথা ধনীর মধ্যে ফারাক কতটা, কলকাতার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে সোনার দুর্গা প্রতিমা কয়েক কোটি টাকা খরচ করে, জানি না মা কতটা সন্তুষ্ট হবেন। 

বর্তমান দিনে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে তুমি গরীব তোমার বেঁচে থাকার অধিকার নেই, টাকা পয়সা তোমার জন্য নয়। এক শ্রেণীর দল দাস অফিসার আমলা এবং নেতা মন্ত্রী সকলে মিলে লুট করে যাচ্ছে, বিভিন্ন প্রকল্প এবং সরকারি কাজের নামে। জনগণের করের কোটি কোটি টাকা লুঠ হয়ে যাচ্ছে, সেই ট্যাক্স সামান্য হলেও এই গরীব মানুষ টাও পরোক্ষে দিয়ে থাকে। আজ এই শুভ লগ্নে মায়ের কাছে একটাই প্রার্থনা মা দুর্গা দুর্গতি নাশিনী তুমি গরীব খেটে খাওয়া মানুষ সহ সকল মানুষের দুর্ভোগ দুর্গতি নাশ করে দিও।

আরেকটা কথা আমার ব্লগের সকল পাঠক পাঠিকার জন্য শারদীয়া উৎসবের শুভেচ্ছা রইলো। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকুন সকল মিলে আনন্দ করুন, মায়ের কাছে আমি এই প্রার্থনা করি। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...