পড়ছে পড়ছে টুকাই, পড়ছে পড়ছে নিতাই, পড়ছে পড়ছে বাবাই, পড়ছে পড়ছে সবাই। পড়ছে পড়ছে ইঁট, পড়ছে পড়ছে পাথর। কেউ বোঝে না তাদের কদর, বুঝবে কি আর, লাগলে পরে কম্ম কাবার , না হয় সাবার ।কেউ নেই কেউ নেই আর তাকে বাঁচাবার। সবাই তখন ছুটে হচ্ছে দেখবে পগার পার, চায়ের দোকান দার খোকন বলল ” থাম থাম ভোলা থাম। রবি ঠাকুর বেঁচে থাকলে তোর কবিতা শুনে লেখা বন্ধ করে দিতো তুই রবি ঠাকুর হয়ে যেতিস।” ভোলা ” কেন আমি কি খারাপ লিখেছি। দেখবে আমি একদিন নোবেল পাব। তখন তোমাদের হিংসে হবে। জানতো আমি বিনা পয়সায় পড়াই, আমার একটা মাষ্টার দের টিম আছে। তাদের হাতে কয়েক টাকা তুলে দিই। আগে আর্ট পেপারে কয়েক টা আঁচর কেটে দিতাম ভ্যাবলা কয়েক হাজার টাকা দিয়ে কিনে নিত।,” হরি, তখন হাটে জামা কাপড় বিক্রি করে এসে গেছে। আজ মসাট হাট ছিল সেখানে গিয়ে ছিল বিক্রি করতে। এসে ও ঐ চায়ের দোকানে হাজির, বলল,” তা তোর ভ্যাবলা দা কোথায়?” ভোলা,” ঐ ফাণ্ড গণ্ডগোল হলো সে জেলে। কি করব আমি কবিতা লেখা শুরু করে দিলাম, জান আমার দুটো বই বেড়িয়েছে, ঐ যে নেপো গাড়ি তে বই বিক্রি করে ও আমার বই গাড়িতে বিক্রি করে দেয়। যা আসে ও অল্প কিছু নেয়, আর বেশি টা আমাকে দেয়। ঐ দিয়ে আমি মাষ্টার দের দল টা চালাই।” হরি,” তোর এই পড়ানোর কথা শুনে আমার একটা কথা মনে পড়ে গেল, আমার নাতনি টা ফোরে পড়ে, মাষ্টার কালকে সাধারণ কিসব পারছিল, কোথায় পরীক্ষা দিতে যাবে কম্পিউটারে।” চায়ের দোকানদার,” আরে ওটা কম্পিটিশন আসছে রবিবার হবে। ও তো আমার ছোট ছেলে পরীক্ষা টা দেবে। তা হরি কাকা তুমি কী বল ছিলে? ” হরি,” কী বলব ঐ মাষ্টার আমার নাতনি কে প্রশ্ন করা ছিল। নাতনি কে জিজ্ঞেস করল বলত মহম্মদ বিন তুঘলগের বড়ো কীর্তি কী? নাতনি বলল কেন রাজধানী পরিবর্তন, মাষ্টার জিজ্ঞেস করল কোথা থেকে কোথায়? নাতনি বলল কেন, কলকাতা থেকে হাওড়ার ডুমুরজলা। আগে নাম ছিল রাইটার্স এখন নাম নবান্ন। নাতনি কে জিজ্ঞেস করল রবীন্দ্র নাথ কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন? আমার নাতনি উত্তর দিল ১৮১৩ সালে। মাষ্টার বলল ১৯১৩ হবে। নাতনি আপনি ভুল বলছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন কীসের সাথে দেখা করে ছিল। জন কীটস ১৭৯৫ সালে জন্ম গ্রহণ করেন ও ১৮২১ সালে মারা যান। যদি ১৮১৩ না হবে, তবে কীভাবে রবি ঠাকুর কীটসের সাথে দেখা করল। ” মাষ্টার কী বলবে ভেবে পেলেন না। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, বলতো সিধু কানু কে? নাতনি উত্তর দিল,” ডহর বাবুর কেউ হবে। মাষ্টার মশায় বলল, ওহো অলচিকি ভাষায় ডহর পুকুর নয় বাগান হবে। ওরে তুই কিচ্ছু জানিস না। বলতো মোমবাতি মিছিল কখন হয়? নাতনি – “ছাত্র বা ছোট কেউ মারা গেলে হতো, এখন আর হয় না। ” মাষ্টার তারমানে, নাতনি এখন মোমবাতি কেনার পয়সা নেই, ভ্যাবলা কাকু থাকলে অনেক পয়সা থাকতো। এখন ঐ ভূষণ আর শ্রীর অল্প টাকায় অত মোমবাতি কেনা যায় না। মাস্টার মশাই, বলত, শক্তি গড়ে কি শিল্প? কেন ল্যাংচা। এবার বলত পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত শিল্প কী? কেন চপ শিল্প আর টুল পেতে চা শিল্প। বলত হিং টিং ছট এই বিখ্যাত গান কার লেখা? কেন আমার বাবার দিদি মানে আমার পিসিমনির লেখা। তুই ভীষণ পেকেছিস তোর দ্বারা আর কিছু হবে না। আমি জানি না আমার নাতনি সব ভুল বলল কিনা!
Anulekhon.blogspot.com
Sunday, 27 October 2019
Saturday, 26 October 2019
জ্যান্ত ভুতুরে কোরাস।
আসছে কালী পুজো অনেক জ্যান্ত ভূত বেড়বে। কারণ আমাদের রাজ্যের প্রায় প্রতিটি প্রান্তে এখন জ্যান্ত ভূতের উৎপাত যে তারা প্রতি মুহূর্তে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। মা কালী রূপে কী করে ছিলেন। তবে শোনা কথা বা পূরান কথা কিনা জানি না। প্রচলিত গল্প টি হলো মা যখন অসুর নিধন করে ক্লান্ত হয়ে গেছেন । তখন ধরা ধাম বা পৃথিবী রসাতল হয়ে যাবে। তখন সমস্ত দেব গন শিবের কাছে গিয়ে হাজির হলেন। মা কালী খড়্গ হাতে সম্মুখে যা পাচ্ছেন বিনাশ করতে করতে যে রাস্তা দিয়ে এগিয়ে আসছিলেন মহাকাল রূপে শিব সেই রাস্তায় শুয়ে পড়লেন। মা কালী এসে মহাকালের বুকে পা দিলেন এবং জিভ কাটলেন। এই গল্প ছোট থেকে শুনেছি জানি না কতটা সত্যি। নাকি মা রক্তবীজের রক্ত পান করবেন বলে জিভ বার করে ছিলেন এবং শিয়ালের দল হাতে থাকা মুণ্ড ও মুণ্ড মালার থেকে পড়া রক্ত খেতে ব্যস্ত । মা যখন অশুভ শক্তি বিনাশ করতে করতে ক্লান্ত তখন মহাকাল রূপী শিব তাকে কিছু টা সাহায্য করতে ঐ ভাবে শয়ন করে ছিলেন। মা কালী এবং মহাকাল রূপী শিব অসুর বা দানব রূপী অশুভ শক্তির বিনাশ করে, ধরাধামে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে ছিলেন। বর্তমানে তাঁর পূজার সময় যে শব্দ দানব মানুষের জীবন কেড়ে নেবে। তার জন্য মা যদি আরকে বার আবির্ভূত হয়ে শব্দ দানব কে দমন করতেন। তাহলে যারা এই দানবীয় কাজ করে তাদের যদি একটু বিরত করেন, তাহলে অনেক মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে । আর মা কালীর কাছে আরেক টা প্রার্থনা যদি মাতাল রূপী অসুর দের একটু শান্ত করেন তবে অনেক নিরীহ মানুষের জীবন বাঁচে ও শান্তি পায়। এখন মা যে হারে এই দুই দানব বেড়েছে, এবং প্রতিবাদ করলে অনেক মায়ের কোল খালি হচ্ছে। আর যদি ভোটের সময় একটু আবির্ভূত হন, তবে শান্তি পূর্ণ ভোট হয়। কারোর কে মুড়ি বা নারকেল খেতে হয় না। এ গুলো মা শুনেছি বীরভূমের এক জন সভায়। পরে জেনেছি এগুলো গুলি ও বোমার সাংকেতিক নাম। আজ আমাদের রাজ্যের প্রায় সর্বত্র সত্যিই কথায় কথায় মুড়ি মুড়কির মতো গুলি ও বোমা বাজী চলে। কত যে মায়ের কোল খালি হলো। কেউ হিসেবে রাখে না। কোন টা খবরে আসে কোন টা নয়। কেউ বিচার পায় কেউ পায় না। আরেক টি অসুর আছে মা ধর্ষণ রূপে বিরাজ করে সে একশ বছরের বৃদ্ধা কেও বাদ দেয় না। মা গো তোমার কাছে আমার প্রার্থনা একবার আবির্ভূত হও মা তবে যদি বেকারাসুর বদ হয়। সঠিক বেতন পায় তার ব্যবস্থা করে দিও দু হাজার আট হাজার পাঁচ হাজার আর আমার টা অষ্ট আশি হাজার থেকে আট লক্ষ করে দিতে তুমি একবার আবির্ভূত হও মা। একশ দিনের টাকা পাই মা, আবার ঘর তৈরির টাকাও আসে মা কিন্তু তোলাসুর কে দিয়ে দিতে হয়। এই সব অসুর দের সাথে আবার কিছু ভূত জুটেছে তুমি মা বাবা কে বলে যদি একটু ভূতেদের কণ্ট্রোল করে দাও। না হলে ঐ সব অসুর দের কথায় মতালাসুর হয়ে এরা এমন কোরাস ধরে চিন্তা করতে পারবে না। এতে আবার মিউজিক বাজে বোমা আর গুলি এবার পূজায় ভালো করে সকলে পূজো করুক যেন অসুর আর ভূতের কোরাস না শুনতে হয়।
Tuesday, 22 October 2019
মানুষ বিশ্বাস যোগ্যতা হারিয়ে ফেলে কেন?
নোবেল জয়ী অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো জনগণ ২০১৪ সাল থেকে মুগ্ধ। উনি আচ্ছে দিন, এনে দিয়েছেন, জনধন একাউন্টে ১৫০০০ না পনেরো লক্ষ টাকা দিয়েছেন। উনি টাকা দিয়েছেন আমরা অন্ধ দেখতে পাইনি, কারণ নোট বন্দী করার সময় অনেকে ঐ একাউন্টে নিজেদের কালো টাকা জমা দিয়েছেন। আর কিছু বড় বড় ব্যবসায়ী ব্যবসার নামে ঋণ নিয়ে শোধ না করে বিদেশে চলে গেছেন। উনি বা ওনার মন্ত্রী সভার সাহায্য নিয়ে, আর সেই ঋন জনগণের কাছে আদায় হচ্ছে ঘুর পথে, একাউন্টে ৫০০ টাকার কম থাকলে বা হঠাৎ করেই সেটা বাড়িয়ে দিয়েছে, টাকা জমা করানো এবং কেটে নেওয়া সুদ কমিয়ে দেওয়া, আর এবার ক্ষমতায় এসে সরকারি ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা লাটে তুলে দিচ্ছে, সব বেসরকারী হবে, আজ মহারাষ্ট্রে এক বেসরকারি কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্কের শাখা বন্ধ হয়ে গেছে। অনেক মানুষ সর্বশান্ত এতেই ওনার আনন্দ। ক্ষমতায় আসার আগে প্রতিশ্রুতি বছরে দু কোটি বেকারের চাকরি দেবেন। আর ক্ষমতা পেয়ে দেখুন।
স্বাধীনতার সত্তর বছর পর সব থেকে বেশি বেশি বেকার। অর্থাৎ মুখে বলছেন এক আর কাজে করছেন আরেক। আরও আছে, কেবল যে উনি তা নয় এই রাজ্যের ক্ষমতা আছে যে দল তাঁরাও একই। সেই জন্য এন আর সি নিয়ে মাননীয়া যত বলছেন মানুষ তত অবিশ্বাস করছেন। এটা ঠিক পালে বাঘ পরা রাখাল বালকের মতো। আর উনি জনগণ কে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারেন না। বলবেন বুঝলেন কী করে? কেন ভোট এলেই দাঙ্গা দেখে, উনি মুখে এতো কাজ করেছেন, এবং ভোট এলেই কাগজে কাগজে চাকরির বিজ্ঞাপন, পাতা জুড়ে উন্নয়নের বন্যা বাস্তবে ছিটে ফোটা, বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কত আন্দোলন দেখেছি। প্রতিশ্রুতি দেখেছি এখন সেই বিদ্যুৎ বিল দিতে গরীব মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। দ্বিগুণ দাম হয়ে গেছে। রাস্তা কাঁচা থেকে পাকা হচ্ছে, এক এক জায়গায় এমন গুর বেশি হচ্ছে, যে গরু চেটে খেয়ে নিচ্ছে, অনেক দেখলাম সত্য কথা সততা। সেই জন্য ওনার কথা মানুষ আর বিশ্বাস করতে পারছেন না। নোবেল জয়ী অভিজিৎ কে প্রধানমন্ত্রীর দরাজ প্রশংসা অথচ তার দলের লোকজন যা বলছেন, বা মন্তব্য করছেন সে গুলো নিয়ে তিনি একবারও বলছেন না।
এর পরও এদের বিশ্বাস করা যায়। এরা মুখে এক বলে আর কাজে আরেক করে। বলল কৃষক প্রতি মাসে পেনশন বা আর্থিক সাহায্য পাবে কাদের দিল কর্পোরেট সংস্থা গুলো ট্যাক্স ছাড় পেল। আজ কৃষকের এমন অবস্থা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন।
কেবল এসবের জন্য নয় আরও অনেক কিছু আছে মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতা দখল করে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন এই শাসক। একটা জিনিস ইনি খুব ভালো পারেন, অভিনয়।
স্বাধীনতার সত্তর বছর পর সব থেকে বেশি বেশি বেকার। অর্থাৎ মুখে বলছেন এক আর কাজে করছেন আরেক। আরও আছে, কেবল যে উনি তা নয় এই রাজ্যের ক্ষমতা আছে যে দল তাঁরাও একই। সেই জন্য এন আর সি নিয়ে মাননীয়া যত বলছেন মানুষ তত অবিশ্বাস করছেন। এটা ঠিক পালে বাঘ পরা রাখাল বালকের মতো। আর উনি জনগণ কে কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারেন না। বলবেন বুঝলেন কী করে? কেন ভোট এলেই দাঙ্গা দেখে, উনি মুখে এতো কাজ করেছেন, এবং ভোট এলেই কাগজে কাগজে চাকরির বিজ্ঞাপন, পাতা জুড়ে উন্নয়নের বন্যা বাস্তবে ছিটে ফোটা, বিদ্যুৎ বিল নিয়ে কত আন্দোলন দেখেছি। প্রতিশ্রুতি দেখেছি এখন সেই বিদ্যুৎ বিল দিতে গরীব মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে। দ্বিগুণ দাম হয়ে গেছে। রাস্তা কাঁচা থেকে পাকা হচ্ছে, এক এক জায়গায় এমন গুর বেশি হচ্ছে, যে গরু চেটে খেয়ে নিচ্ছে, অনেক দেখলাম সত্য কথা সততা। সেই জন্য ওনার কথা মানুষ আর বিশ্বাস করতে পারছেন না। নোবেল জয়ী অভিজিৎ কে প্রধানমন্ত্রীর দরাজ প্রশংসা অথচ তার দলের লোকজন যা বলছেন, বা মন্তব্য করছেন সে গুলো নিয়ে তিনি একবারও বলছেন না।
এর পরও এদের বিশ্বাস করা যায়। এরা মুখে এক বলে আর কাজে আরেক করে। বলল কৃষক প্রতি মাসে পেনশন বা আর্থিক সাহায্য পাবে কাদের দিল কর্পোরেট সংস্থা গুলো ট্যাক্স ছাড় পেল। আজ কৃষকের এমন অবস্থা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন।
কেবল এসবের জন্য নয় আরও অনেক কিছু আছে মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতা দখল করে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছেন এই শাসক। একটা জিনিস ইনি খুব ভালো পারেন, অভিনয়।
আসছে দীপান্বিতা কালী পুজোয় আবার জেগে উঠুক বাঙালি জাতি সত্তা
আমার এই ব্লগের যে কজন পাঠক আছেন প্রত্যেক কে, আমার পক্ষ থেকে আসন্ন দীপাবলীর আগাম শুভেচ্ছা। মায়ের কাছে আমার এই বছর একটাই প্রার্থনা হোক, সমস্ত মানুষের মন থেকে কালিমা দূর করে দাও মা। ঘরে ঘরে জ্বলে উঠুক জ্ঞানের আলো, দূর করে দাও অভাব অনটন। আমার আরেকটা নিবেদন সেই সব মানুষদের কাছে যারা এবার কালিমা দূর করতে কালী পুজো করবেন, তারা ফিরিয়ে আনুন বাঙালি আনা মণ্ডপে মণ্ডপে বাজুক পুরাতন ও নতুন বাংলা গান। বাঙালি জাতি সত্তা জেগে ওঠে। বর্তমান সময়ে যেটা খুব দরকার সোলাল মিডিয়ায় একে অপরকে গালাগালি দেওয়া নয়। এক জন আরেক জন বাঙালি কে যখন খারাপ কথা বলছেন, ভাববেন আপনার লেখাটা কেবল সে পড়ছে না অন্য আরেক জন নিজের ভাষায় অনুবাদ করে পড়ে তাতে নিজে ছোট হলেন তা কিন্তু নয় গোটা বাঙালি জাতি স্বত্তাকে ছোট করা হলো। আরেকটা কথা মনে রাখা দরকার ভাষা হচ্ছে মানুষের তথা জাতির পরিচয়, আবার বংশ পরিচয় বটে। এসব দিক খেয়াল করে একটি মন্তব্য লিখবেন। বাঙালি জাতি হিসেবে আমাদের সুনাম যেন বজায় থাকে। আর এসব কারণেই বলছি আগামী কালী পুজোর মধ্যে দিয়ে সমস্ত বিভেদ ভুলে বাঙালি জাতি কে জাগ্রত করার চেষ্টা করুন। গত দুর্গা পূজায় ভালো একটা প্রচেষ্টা ছিল পলিথিন বা প্লাস্টিক নিয়ে কিন্তু সম্পূর্ণ কাজ হয়নি, কারণ অনেক খাদ্য দ্রব্য এবং অনেকে এখনও ঐ প্লাস্টিকের ব্যাগ চাইছেন। অনেক ছোট বড়ো খাবার প্যাকেট এখনও প্লাস্টিকে মোড়া বিক্রি হচ্ছে। এগুলো বন্ধ করা অবশ্যই দরকার, গ্রামের অনেক পুকুর ডোবা বুজে গেল এই প্লাস্টিকের ব্যাগ ও খাবারের প্যাকেটে। সব শেষে সবাই কে আবার শুভ দীপাবলীর শুভেচ্ছা জানাই, আমি আশা করছি এই দীপাবলী থেকে জেগে উঠুক বাঙালিয়ানা একটাও হিন্দি গান নয়। বাজুক কবিগুরুর গান, বাজুক নজরুলের গান, বাজুক হেমন্তের কণ্ঠে কবি সুকান্তের লেখা কবিতার গান। বাঙালি জাতি তার নিজস্ব সংস্কৃতি আবার দেখিয়ে দিক।
বাংলা পক্ষ বলে একটা বাঙালি সংগঠনের প্রতিবাদ।
হিন্দু ধর্মের তাই ভাবছি ছ বছর দেখতে দেখতে কেটে যাবে। আসামের হিন্দু বাঙালিও একই ভেবে ছিল, কপালে জুটেছে অন্য এদের অবৈধ নাগরিক ঘোষণা করা হয়েছে, কিন্তু এদের ভোটে যারা জিতে সরকার চালাচ্ছে তারা বৈধ নাগরিক, সব থেকে ঝামেলা গরীব মানুষের তাদের পূর্ব পুরুষ অত লেখা পড়া জানত না, ভাবেনি পঞ্চাশ বছর পরে তাদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে জণ্ম শংসাপত্র বা বিদ্যালয়ের পড়াশোনার প্রমাণ পত্র লাগবে। আমি সমস্ত বাঙালি জাতি কে বলছি আর ভাবার সময় নেই, আসুন সকলে মিলে বাঙালি জাতি কে রক্ষা করি স্বাধীনতার সময় যে
ভাবে ধর্মের নামে বাংলা ভাগ করে লক্ষ লক্ষ বাঙালি কে খুন করে পদ্মার জলে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এবার আমরা আর তা করতে দেব না, আমার বাংলা মায়ের কোন সন্তান ডিটেনশন ক্যাম্পে যাবে না। আমরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করা সেই জাতি এবার এই হিন্দি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করব। বাংলা মা দিচ্ছে ডাক এন আর সি নিপাত যাক। বাংলা মায়ের দামাল ছেলের দল আবার জেগে ওঠো, তোমার শিয়রে আজ বিপদ। নজরুলের সেই বিদ্রোহী কবিতার প্রথম কটা লাইন বা আমি রণ ক্লান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত হয়ত কথা গুলো ঠিক হোলো না। আবার সেই বিখ্যাত গান আমরা শান্তি প্রিয় শান্ত ছেলে, এবার আসছে কালি পূজোয় বেজে উঠুক সেই সময়ের বাংলা গান। আর দেরি নয় আর মা কালি যেন আমাদের ভবানী পাঠকের কালি হয়ে ওঠেন মনের সমস্ত কালিমা বিভেদ দূর করে এগিয়ে যাবে বাঙালি জাতি।
Monday, 21 October 2019
নোবেল জয়ীর এতো সমালোচনা কারণ উনি গরীব মানুষের কথা বলেছেন যে।
এই নোবেল জয়ী কে নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য বা বক্তব্য দেখছি ফেসবুকে। আর এই ফেসবুক যেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচারের মাধ্যম, কেউ কেউ এনার নোবেল পুরস্কার পাওয়া নিয়ে এমন সব কথা বলে দিচ্ছেন। যে গুলো পড়ে মনে হচ্ছে বাঙালি জাতি সত্যিই তার সংস্কৃতি কে কত নীচে নিয়ে গেছে কেবল রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য। সত্যি বাঙালি আর সেই বাঙালি নেই, না হলে কবিগুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের নোবেল প্রাইজ চুরি হয়ে যায়। সেটা আর খুঁজে পাওয়া যায় না, আর এনাকে নিয়ে এমন সব নিম্ন মানের ভাষা ব্যবহার করছেন। কেউ কেউ এনার পরিবার নিয়ে মন্তব্য করছেন। সত্যি বাঙালি তার রুচি বোধ হারিয়ে ফেলেছে। অনেকেই বলছেন উনি বামপন্থী, আমি যতদূর জানি উনি যেটা নিয়ে কাজ করেছেন, বা করছেন সেটা সম্পূর্ণ বামপন্থা কে সমর্থন করে না। তবে গরীব মানুষের কীভাবে অর্থনৈতিক উন্নয়ন করা যায় সেটাই ওনাদের গবেষণার বিষয়। উনি সম্পূর্ণ রূপে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি নিয়ে লিখেছেন, বা গবেষণা করেছেন, সেটা প্রয়োগ করেছেন। এমন কিন্তু না, যদি উনি এটা করতেন তবে মনে হয় না........। এই তিন জন যে অর্থনীতি তে যৌথ নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন এরা গত কয়েক বছর ধরে ভারত সহ বিশ্বের কুড়িটির দেশে গরীব মানুষ দের আর্থিক উন্নতি কিভাবে করা যায় তা প্রয়োগ করে দেখিয়েছেন। ভারতের গুজরাত সহ বিভিন্ন বিভিন্ন রাজ্যে কাজ করেছেন। আর ওনার এতো সমালোচনা হতো না, যদি উনি বলতেন ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নিয়ে শোধ না করে কীভাবে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে হবে। কি সাম মোদী, মারিয়া, চোকসি আরও কয়েক জন। আর ভোট এলে পাকিস্তানে স্টাইক চালাতে হবে। এই সামান্য চার না তিন রাজ্যের বিধানসভা ভোট তাতেই পাকিস্তানে স্টাইক হয়ে গেল। আর যদি উনি বলতেন সরকারি সব ব্যবস্থা তুলে দিতে দিয়ে আম্বানি আর আদানি কে ব্যবসা করতে দিতে হবে। বি এস এন এল তুলে দিয়ে জিও চালু করার কথা বললে, রেল ওদের কে বিক্রি করে দিতে হবে
কর্মী ছাঁটাই করতে হবে। টিকিট বিক্রি থেকে ট্রেন সবটাই থাকবে বেসরকারি হাতে। কারণ রেলের আয় হয় উল্টে খরচ বেশি। রেল পুলিশ ও কর্মচারীরা ফাঁকি বাজ ঘুষ খোর চোর। আমি এই কথা লিখছি কেউ আমাকে প্রাদেশিক ভাববেন না। না থাক পরে লিখবো, তার আগে একটা কথা নোবেল জয়ী অর্থনীতি বিদ অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায় যদি বলতেন সরকারি ব্যাঙ্ক বিমা বন্ধ করে দেওয়ার কথা সব বেসরকারী থাকবে। মহারাষ্ট্রের ব্যাঙ্ক লাটে উঠে গেছে, সেই লালবাতি জ্বালা ব্যাঙ্কের থেকে কোন রকম টাকা তোলা যাচ্ছে না। একজন ৯৯ লক্ষ টাকা রেখে ছিলেন শোকে তিনি হৃদ রোগে মারা গেছেন। আবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ফরমান জারি করেছে আপনার ব্যাঙ্কে যত টাকা থাক ব্যাঙ্ক দেউলিয়া ঘোষণা করলে আপনি এক লক্ষ টাকার বেশি পাবেন না। ১৯৬০ সালের আগে সব ব্যাঙ্ক বেসরকারি ছিল অনেক ব্যাঙ্ক ব্যবসা চালাতে না পেরে দেউলিয়া ঘোষণা করছিল। এই সময় ১৯৬২ সালে বাম সমর্থনে দিল্লি তে ইন্দিরা গান্ধী সরকার তৈরি করে তার একটা শর্ত ছিল ব্যাঙ্ক জাতীয় করণ করা। আর আজ সেই জাতীয় করণ বাদ, তার থেকেও মারাত্মক টাকা পাবেন না ফরমান। অভিজিৎ বাবু যদি সাহস করে বলতেন, সারদা সহ নানা চিটফাণ্ড আর নারদার টাকা হজম করলেও জেলে যেতে হবে না। আর এই সব সত্য কথা বলা বা অন্য কোন তোলা বাজি প্রচার করলে ঘুষ দেওয়া নেওয়া দেখালে তাহলে সণ্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় হতে হবে। উনি যদি বলতেন যারা এসব করেছেন বা গরীবের টাকা বাটপারি করেছেন তাদের দলে নিলে দোষ চাপা পড়ে যায়। গরীব মানুষ মরুক বছরের পর বছর তদন্ত চলছে চলবে। অপরাধী দলের সম্পদ, তাহলে ওনার সমালোচনা কেউ করতে পারত না।
Wednesday, 16 October 2019
কৃষক যত মরবে, ভারতে গরীবি আরও বাড়বে।
ভারত যে গরীব তার প্রমাণ আমাদের দেশের সংসদ ভবনের ক্যান্টিনের খাবারের দাম, বর্তমানে ভারতের ৫৫৪ সাংসদের মধ্যে ৪৩৪ সাংসদ কোটি পতি কেউ কেউ কয়েক শ কোটি টাকার মালিক। তাদের বেতন আর খাবার ব্যবস্থা সাধারণ মানুষ ভাবতে পারে না।
এই রকম মহান ব্যক্তিরা দেশের গরীব মানুষ খেতে পেল কি না পেল কি চিন্তা করবে। যে দেশের ৭০%থেকে ৮০%মানুষ কৃষি কাজের সাথে যুক্ত, সেই দেশের কৃষক ফসল চাষ করতে পারে না। সার আর বীজের দাম আকাশ ছোঁয়া, আর ফসল বিক্রি নেই, সব রাজ্যে সমান রাস্তায় ট্রেনের কামরায় ভিক্ষারির ছড়াছড়ি। যে দেশের মন্ত্রীরা কথায় কথায় মিথ্যে কথা বলে, ক্যামেরা দেখে অভিনয় করে প্রচার থাকার জন্যে, আর দিন রাত কি করে নিজের ছবি কাগজে ছাপা হবে তার চিন্তা করে। আর নিত্য নতুন ঘোষণা করা হয়, এই করে দেব ঐ দেব বাস্তব ফাঁকা। কাজ কর্ম হীন বেকার লোকের উপায়ের কথা না ভেবে নিজেদের আঁখেরের যোগার করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে, এই সব নেতা মন্ত্রী দেশের জন্য কোন চিন্তা নেই, কেবল ঘোষণা আছে। আজই কাগজে একটা ঘোষণা দেখলাম গর্ভবতী নারীর সমস্ত খরচের দায়িত্ব নেবে সরকার অর্থাৎ চটক দারি ঘোষণা হয়ে গেল। মানুষ পেল কি না পেল দেখার দরকার নেই, কিম্বা পেতে হলে নেতা মন্ত্রী দের ভাগ দিতে হবে। কারণ এখানে সরকারের কিছু পেলেই ভাইয়ের ভাইপোর ভাগ চাই আর ও দাদার দল ওনার তো ভাই ভাইপো আছে। সবার সামনে কাগজে বড়ো বড়ো বিজ্ঞাপন দিয়ে ঘোষনা হলেই, দু তরফের ভাইপো, ভাইয়ের দল উঠে পরে লাগে করে দেবে ভাগ চাই। দু টাকা কিলো চাল সঠিক লোক পায় না। অনেক গ্যাঁড়া কল পার হলে, তবে সঠিক লোকের কাছে পৌঁছনো যায়। দেশের তথা রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও খারাপ হবে এই সরকার যত দিন না, চটক দারি ঘোষণা বন্ধ করে সঠিক ভাবে মানুষের করের টাকা খরচ করবে। আবার এটাও ঠিক সরকার গুলো সে রাজ্য হোক আর কেন্দ্র তারা যদি ভাবেন যে জনগণের করের টাকা তাদ নিজের টাকা ইচ্ছে মতো খরচ করতে কোন বাধা নেই। আমি এর আগে আরেকটা লেখাতে লিখেছিলাম, কিছু দিন বাদে শিল্পপতি রা লঙ্গর খানা খুলে একবেলা খেতে দেবে মানুষ ভিক্ষারির মতো লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবে। আমরা ভাবছি এই রাজ্য বাধ থাকবে না বন্ধু না এ রাজ্যের অবস্থা ভালো নয়। পূরানো কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, নতুন তৈরি করা হচ্ছে না। আর সরকারি টাকা লুঠ চলছে, সে যে ভাবেই হোক, সামান
স্কুলের টাকা খরচ করতে দিচ্ছে না। অথচ এবারের টাকা এসেছে খেলা থেকে খুচরা খরচ সব করা যাবে। কি হচ্ছে, দিদির ভাই বোন সভাপতি আর যাবে কোথায়? বলে দিচ্ছে চেকে স্বাক্ষর করব না। শিক্ষক খরচ করছে তার বেতন থেকে বা ছাত্র দের থেকে নিয়ে উপায় নেই। এই রকম সব নেতা মন্ত্রী থাকলে কি ভাবে উন্নয়ন হবে। ঐ রাস্তার পাথর সিমেন্ট গুর বেশির জন্য গরু তে খাবে। আর ভারত তথা রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা বাংলাদেশের বা নেপালের থেকে নীচে চলে যাবে।
এই রকম মহান ব্যক্তিরা দেশের গরীব মানুষ খেতে পেল কি না পেল কি চিন্তা করবে। যে দেশের ৭০%থেকে ৮০%মানুষ কৃষি কাজের সাথে যুক্ত, সেই দেশের কৃষক ফসল চাষ করতে পারে না। সার আর বীজের দাম আকাশ ছোঁয়া, আর ফসল বিক্রি নেই, সব রাজ্যে সমান রাস্তায় ট্রেনের কামরায় ভিক্ষারির ছড়াছড়ি। যে দেশের মন্ত্রীরা কথায় কথায় মিথ্যে কথা বলে, ক্যামেরা দেখে অভিনয় করে প্রচার থাকার জন্যে, আর দিন রাত কি করে নিজের ছবি কাগজে ছাপা হবে তার চিন্তা করে। আর নিত্য নতুন ঘোষণা করা হয়, এই করে দেব ঐ দেব বাস্তব ফাঁকা। কাজ কর্ম হীন বেকার লোকের উপায়ের কথা না ভেবে নিজেদের আঁখেরের যোগার করে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে, এই সব নেতা মন্ত্রী দেশের জন্য কোন চিন্তা নেই, কেবল ঘোষণা আছে। আজই কাগজে একটা ঘোষণা দেখলাম গর্ভবতী নারীর সমস্ত খরচের দায়িত্ব নেবে সরকার অর্থাৎ চটক দারি ঘোষণা হয়ে গেল। মানুষ পেল কি না পেল দেখার দরকার নেই, কিম্বা পেতে হলে নেতা মন্ত্রী দের ভাগ দিতে হবে। কারণ এখানে সরকারের কিছু পেলেই ভাইয়ের ভাইপোর ভাগ চাই আর ও দাদার দল ওনার তো ভাই ভাইপো আছে। সবার সামনে কাগজে বড়ো বড়ো বিজ্ঞাপন দিয়ে ঘোষনা হলেই, দু তরফের ভাইপো, ভাইয়ের দল উঠে পরে লাগে করে দেবে ভাগ চাই। দু টাকা কিলো চাল সঠিক লোক পায় না। অনেক গ্যাঁড়া কল পার হলে, তবে সঠিক লোকের কাছে পৌঁছনো যায়। দেশের তথা রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা আরও খারাপ হবে এই সরকার যত দিন না, চটক দারি ঘোষণা বন্ধ করে সঠিক ভাবে মানুষের করের টাকা খরচ করবে। আবার এটাও ঠিক সরকার গুলো সে রাজ্য হোক আর কেন্দ্র তারা যদি ভাবেন যে জনগণের করের টাকা তাদ নিজের টাকা ইচ্ছে মতো খরচ করতে কোন বাধা নেই। আমি এর আগে আরেকটা লেখাতে লিখেছিলাম, কিছু দিন বাদে শিল্পপতি রা লঙ্গর খানা খুলে একবেলা খেতে দেবে মানুষ ভিক্ষারির মতো লাইনে দাঁড়িয়ে থাকবে। আমরা ভাবছি এই রাজ্য বাধ থাকবে না বন্ধু না এ রাজ্যের অবস্থা ভালো নয়। পূরানো কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, নতুন তৈরি করা হচ্ছে না। আর সরকারি টাকা লুঠ চলছে, সে যে ভাবেই হোক, সামান
স্কুলের টাকা খরচ করতে দিচ্ছে না। অথচ এবারের টাকা এসেছে খেলা থেকে খুচরা খরচ সব করা যাবে। কি হচ্ছে, দিদির ভাই বোন সভাপতি আর যাবে কোথায়? বলে দিচ্ছে চেকে স্বাক্ষর করব না। শিক্ষক খরচ করছে তার বেতন থেকে বা ছাত্র দের থেকে নিয়ে উপায় নেই। এই রকম সব নেতা মন্ত্রী থাকলে কি ভাবে উন্নয়ন হবে। ঐ রাস্তার পাথর সিমেন্ট গুর বেশির জন্য গরু তে খাবে। আর ভারত তথা রাজ্যের অর্থনৈতিক অবস্থা বাংলাদেশের বা নেপালের থেকে নীচে চলে যাবে।
Tuesday, 15 October 2019
রাখে হরি মারে কে?
কন্যা ভ্রূণ হত্যা, আগে থেকে জানা না গেলেও জণ্মের পর তাকে হত্যা করা, এসব যেন আজ কাল খুব বেড়ে গিয়েছে। অথচ বিভিন্ন রাজ্যে কেন গোটা ভারতে পুত্র সন্তানের থেকে মেয়ে কম, এই অসাম্য হওয়ার কারণে ধর্ষণ, বাল্য বিবাহ, মেয়ে পাচার বেড়ে যাচ্ছে, তবুও মানুষের হুঁস নেই। অথচ সরকার বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও আরও নানা সুরক্ষা দিচ্ছেন, মেয়েদের বাঁচাতে কিন্তু না তাতেও না পরিবর্তন হয় নি। আর এ সব ঘটনা বেশি ঘটছে হিন্দি বলয়ে, আমার মনে হয় সঠিক শিক্ষার অভাব, আর অশিক্ষিত মানুষ যাদের মাধ্যমে সরকারি সুযোগ পাবে তারা সব বাহু বলি। ক্ষমতা তাদের আকাশ ছোঁয়া, বিশেষ করে হিন্দি বলয়ে, আমি একটা খবর কিছু দিন আগে প্রায় দেখতাম। এক ধর্ষিতা মেয়ে বিচারের আশায় পুলিশের কাছে গেছেন। ধীরে ধীরে তার গোটা পরিবার টাকে শেষ করে দিয়েছে, উঃপ্রঃ এর একজন বাহুবলী বিধায়ক। এমনকি মেয়ে টি ও তার আইনজীবী কেও রেহাই দেয় নি। চলচিত্রের কায়দায় গোটা ঘটনা ঘটেছে, যাহোক তবুও ভালো ভগবান রূপী সেই সব মানুষ যারা এই শিশু কন্যা টি কে মাটিতে পুঁতে দেওয়ার পর সেখান থেকে তুলে বাঁচিয়েছেন। ঈশ্বর আপনাদের মঙ্গল করুন, আপনারা আর শিশু টি সুস্থ থাকুক।। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের কাছে এই প্রার্থনা করি।
আজ মহামতি চাণক্যের একটি কথা মনে পড়ছে। স্বদেশে পূজ্যতে রাজা।
স্বদেশে পূজ্যতে রাজা ।
পূজ্যতে ।
আজ বিভিন্ন সোশাল মিডিয়া খবরের কাগজে বেড়িয়েছে, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় অর্থনীতিতে গবেষণার জন্য যৌথ ভাবে নবেল পুরস্কার পেয়েছেনএর পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন নেতা মন্ত্রী বিভিন্ন রকম কথা বলতে লেগেছেন। জানি না সে গুলো কতটা সত্য, যদি কিছু টা সত্য হয়েও থাকে তবে, মহামতি চাণক্যের বিখ্যাত শ্লোক আছে, স্বদেশে পূজ্যতে রাজা, বিদ্বান সর্বত্র পূজ্যতে।
কোথায় মানবাধিকার, রাষ্ট্র তার পুরোনো নাগরিকত্ব বাতিল করতে পারে।
আসামের NRC হয়েছে, উনিশ লক্ষ মানুষ বিদেশী বলে চিহ্নিত। (বাংলা ভাষী) এর একটাই কারণ পাশে বাংলাদেশ তাদের ভাষা বাংলা, হিন্দি ভাষার কেউ বিদেশী নন, কারণ স্বাধীনতার সময় তাদের অংশ গ্রহণ যেমন ছিল না বললেই চলে। আর ধর্মের নামে দেশ ভাগ হলেও, বাংলা আর পাঞ্জাব কে সহ্য করতে হয়েছে দেশ ভাগের যন্ত্রণা, ভারতের এই দুই জাতি স্বাধীনতার জন্য বেশি মুখর ছিল। পাঞ্জাবী ও বাঙালি হিন্দুর সংখ্যা কম কারণ এই দুই জাতি দেশ ভাগের সময় কীভাবে নিজের আত্মীয় স্বজন কে শোর্ড, আর বন্দুকের সামনে দাঁড়িয়ে প্রাণ দিতে হয়েছে। নিজের চোখে দেখেছে, কত মা বোনের ইজ্জত গেছে ভাই আর স্বামী সন্তান ইজ্জত বাঁচাতে নিজের প্রাণ দিয়েছে। সেসব অত্যাচার আর অবর্নীয়। যদিও আমরা ইতিহাসে এসবের সামান্যই পড়েছি, ইতিহাস বিকৃতির জন্য, সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা হয় নি। তখনও কোন মানুষ কে দেখিনি, এসব অত্যাচার বন্ধ করতে, অবশ্যই বলবেন বাঙালি জাতি বিদ্বেষী ব্যক্তি টি নোয়াখালী তে গিয়ে ছিলেন, কাটা ঘায়ে নুনের ছিটে দিতে। সেখানে কি ঘটে ছিল, আমার জানা নেই, ইতিহাসে ওসব উল্লেখ নেই। বর্তমানে আবার কিছু বাঙালি বিদ্বেষী ক্ষমতা দখল করে বাঙালি জাতি স্বত্তা কে ধ্বংস করে দিতে চাইছে। ভারতের একমাত্র জাতি যারা আগা গোড়া শিক্ষা দীক্ষা সংস্কৃতি তে এগিয়ে এদের মেধা এই জাতির গর্ব। আজ বলে নয় পরাধীন ভারতেও এই জাতি ছিল সব কিছুতেই অগ্রণী। ব্রিটিশ সরকার দেখে ছিল বাঙালি জাতি যদি ঠিক থাকে তাহলে ভারত কে শাসন করা যাবে না। সেই কারণেই 1905 সালে ধর্মের নামে বাংলা ভাগ করে দেওয়ার চেষ্টা করে ছিল, পারেননি বাঙালির আন্দোলনের জন্যে। আর সেই কাজ করে ছিল তৎকালীন কংগ্রেসের নেতারা যারা ক্ষমতার লোভে দেশ ভাগ করে দিয়ে স্বাধীনতা নিয়ে ছিল। এমন বাঙালি বিদ্বেষ ব্রিটিশদের সাথে চুক্তি করে নেতাজী কে যুদ্ধ অপরাধী ঘোষণা করে দেশে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। জানত সুভাষ বা নেতাজী দেশে ফিরে এলে তাদের আর ক্ষমতা দখল করা হবে না। সেই বাঙালি বিদ্বেষ এখনও চলছে। আসামের মানুষ গুলোর কি অবস্থা প্রতি নিয়ত পুলিশ হানা দিচ্ছে, জেল তথা ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দি করে রাখতে হবে সেই জন্য। আজ আবার একটা খবর দেখলাম ডিটেনশন ক্যাম্পে থাকা একজন অবসাদে আত্মহত্যা করেছেন। 
কোথায় মানবাধিকার কমিশন, কোথায় রাষ্ট্র পুঞ্জ। আমি জানি না, কোন রাষ্ট্র পারে যে কোন ব্যক্তি বা জাতি গোষ্ঠীর নাগরিকত্ব বাতিল করে দিতে ভাষার ভিত্তিতে। কারণ তাদের পাশের দেশের মাতৃভাষা বাংলা, পক্ষান্তরে এটা বলা হচ্ছে না কি তোমরা বাঙালি তোমাদের জন্য আলাদা দেশ করে দেওয়া হয়েছে। তোমরা এদেশে থাকতে পারবে না। ভাগের সময় যে অংশ মানে পশ্চিমবঙ্গ সেটা হিন্দি ভাষার মানুষের জন্য। কারণ তারাদের দেশ ভাগ হয় নি। সেই কারণেই দীর্ঘ দিনের নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। অথচ তাদের ভোটে জিতে সরকার পরিচালনা করছেন। তাদের নাগরিকত্ব বাতিল হলেও ভোট বাতিল নয়। যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে এই রাজ্যে এন আর সি হবে না। সেই জন্য সরকার কে ধন্যবাদ। নেতা মন্ত্রী দের এতো মিথ্যা ভাষণ আর প্রতিশ্রুতি শুনেছি। সে আর বলার কথা নয়, আমরা সাধারন মানুষ শান্তি চাই, শান্তি থাকলেই আসে উন্নতি।

কোথায় মানবাধিকার কমিশন, কোথায় রাষ্ট্র পুঞ্জ। আমি জানি না, কোন রাষ্ট্র পারে যে কোন ব্যক্তি বা জাতি গোষ্ঠীর নাগরিকত্ব বাতিল করে দিতে ভাষার ভিত্তিতে। কারণ তাদের পাশের দেশের মাতৃভাষা বাংলা, পক্ষান্তরে এটা বলা হচ্ছে না কি তোমরা বাঙালি তোমাদের জন্য আলাদা দেশ করে দেওয়া হয়েছে। তোমরা এদেশে থাকতে পারবে না। ভাগের সময় যে অংশ মানে পশ্চিমবঙ্গ সেটা হিন্দি ভাষার মানুষের জন্য। কারণ তারাদের দেশ ভাগ হয় নি। সেই কারণেই দীর্ঘ দিনের নাগরিকের নাগরিকত্ব বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। অথচ তাদের ভোটে জিতে সরকার পরিচালনা করছেন। তাদের নাগরিকত্ব বাতিল হলেও ভোট বাতিল নয়। যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তরফে জানানো হয়েছে এই রাজ্যে এন আর সি হবে না। সেই জন্য সরকার কে ধন্যবাদ। নেতা মন্ত্রী দের এতো মিথ্যা ভাষণ আর প্রতিশ্রুতি শুনেছি। সে আর বলার কথা নয়, আমরা সাধারন মানুষ শান্তি চাই, শান্তি থাকলেই আসে উন্নতি।
Subscribe to:
Posts (Atom)
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...














