আসছে 2025 সালে বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করতে হবে তার তালিকা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। কথায় বলে ঠান্ডা ঘরে বসে পাগলা পনা এটাও ঠিক তাই কারণ অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র ছাত্রী অনুযায়ী বসার মত ঘর শিক্ষক নেই, সেসব ঠিক না করে হঠাৎ পাগলের মত আদেশ পঞ্চম শ্রেণি শুরু করতে হবে। ঘর! যার গাল ভরা একটা নাম আছে ACR তার আবার অনেক নিয়ম নীচে জায়গা না থাকলে ঘর পাওয়া যাবে না। আবার যদি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সরকারের সমর্থক না হন তাহলে তো কোনো কথাই নেই, তবে এই সরকারের সমর্থক হলে বা চোর কে চোর না বললে তাহলে জায়গা না থাকালেও উপরে ছাদ করে ঘর করে দেবে সব হয়ে যাবে। আর টয়লেট বা প্রস্রাবাগার সেও একই হাল কিছুতেই পুরাতন টায় ছাদ করে তার উপরে হবে না ছাত্র ছাত্রী যতই বেশি হোক আবেদনের পর আবেদন কোন কাজ হবে না। ওটা নাকি নবান্ন থেকে বারণ করা আছে। ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা 400 হলেও হবে না ঐ কোনো রকমে চালাতে হবে কারণ নীচে ফাঁকা জায়গা নেই।আঠারো জন ছাত্র ছাত্রী সেখানে নতুন করে ঘর করার টাকা দেওয়া হয়েছে, এসবের উপর আছে এই সব পাগলা দের আদেশ যেটা পালন না করলে হুমকি আছে। অতিরিক্ত ঘর করার জায়গা নেই বা বসানোর জায়গা নেই তাতে কি পঞ্চম শ্রেণি চালু করতে হবে। আরেকটা কথা না বললেই নয় এর দু বছর আগে কত গুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করা হয়েছিল কিন্তু উচ্চ বিদ্যালয় বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও পঞ্চম শ্রেণি চালু ছিল ফলে যা হবার তাই হল, যে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করা হল পরের বছর মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলো ঐ ছাত্র ছাত্রী দের আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি নেয় না। শেষে অনেক কষ্টে প্রশাসন থেকে চেষ্টা করে তাদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হল তার পর ঐ সব প্রাথমিক বিদ্যালয় পঞ্চম শ্রেণি বন্ধ করে দিল। সেই কারণেই বলেছি এই সরকার এবং তার কর্মী গন ঠান্ডা ঘরে বসে একটা করে আদেশ করে আর সেটা বাস্তবের মাটিতে যা সম্ভব নয়। অর্থাৎ পাগলামির চুরান্ত পর্যায় ।
Anulekhon.blogspot.com
Thursday, 14 November 2024
Wednesday, 13 November 2024
এই হচ্ছে প্রকৃত শিক্ষিকা।
খবরটা পড়ে দেখুন একজন শিক্ষিকা তিনি নাকি প্রধান শিক্ষিকা এত দায়িত্ব শীল যে আসতে এত দেরি করেছেন যে ছাত্র ছাত্রীরা গেট বন্ধ দেখে বাড়ি চলে গেছে। এ নিশ্চয়ই শিক্ষা সেলের লোক সে কারণেই পরিদর্শক সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। এই শিক্ষা সেলের শিক্ষক শিক্ষিকা রা যা খুশি তাই করতে পারে যখন তখন আসতে যেতে পারে ছুটি নিতে পারে। বাড়িতে বসে বসে বেতন পেলে এদের খুব ভালো, চিন্তার কারণ নেই এদের কাছে সংসদ সভাপতির ফোন নম্বর থাকে অন্য শিক্ষক শিক্ষিকা কিছু করলে বা ঐ শিক্ষা সেলের না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য, সংসদ সভাপতি এদের ভীষণ ভালো বাসেন হাজার হোক দলে লোক চোর কে চোর বলতে জানে না, সত্যি কী রাজত্ব এল স্কুল পঠন পাঠন উচ্ছন্নে যাক আমার বেতন ঠিক ঠিক ঠাক হলেই হবে। কারণ প্রশাসনের হাত এদের মাথায় আছে এরা কিছু পারুক আর না পারুক চেয়ারম্যান থুরি চেয়ার পার্সন কে দিয়ে তাকে যা করার করতে পারে। কারণ আগেই বলেছি এদের কাছে মন্ত্রী আমলা সকলের ফোন নম্বর আছে।
Monday, 4 November 2024
অপরাধী তার অপরাধ স্বীকার করে না এটা ঠিক।
অপরাধী কখনো তার অপরাধ স্বীকার করে না এটা ঠিক কিন্তু সে যেটা বলছে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা। এখানে আর জি কর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়ের কথায় তাকে কে ফাঁসানো হচ্ছে কে ফাঁসাচ্ছে না সরকার অর্থাৎ প্রশাসন এটা একটা মারাত্মক অভিযোগ কিন্তু বর্ধমান তদন্ত কারি সংস্থা বা বিচার ব্যবস্থা বা তার কথা শুনছেই না। তাকে ফাঁসানো হচ্ছে চিৎকার করে বলছে তবুও কেউ গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে না। কারণ পেছনে বড়ো বড়ো মাথা জানে ওকে ফাঁসিতে ঝোলাতে পারলেই সব মিটে যাবে। কত নিষ্ঠুর এই প্রশাসন সত্যিই ও যদি নির্দোষ হয় তাহলে তো দ্বিতীয় ধনঞ্জয় ঘটে যাবে বাংলায় দয়া করে ওর কথার গুরুত্ব দিন আবার জিজ্ঞাসা বাদ করুন সত্যিটা বেড়িয়ে আসুক। সি বি আই কি চাইছে না সত্যি টা বেড়িয়ে আসুক। নাকি সেই কবির ভাষা সত্যি হবে প্রতিকার হীন শক্তের অপরাধে বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে।
Saturday, 2 November 2024
ডি এর জন্য বুক ফাটে মুখ ফোটে না।
বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে ছুটি চাইতে হয় না। বছরের প্রায় অর্ধেক দিনের বেশি অফিস স্কুল কলেজ সব ছুটি এবং শাসক দলের সমর্থক শিক্ষক শিক্ষিকা তাদের বাড়িতে বসিয়ে বেতন দিলে খুব ভালো হয় এমন অবস্থা। কারণ স্কুলে এসেই যত বাড়ির কাজ ডাক্তার দেখানো, নিমন্ত্রণ বাড়ি যাওয়া ব্যাঙ্কে যাওয়া আরো কত কি আছে। চারটে পর্যন্ত স্কুলে থাকা এদের কুষ্টিতে নেই আর কবে বেতন হবে মাসে দুবার দিলে ভালো হতো কিন্তু দুর্ভাগ্য এই সরকার ছুটি দেয় কিন্তু ডি এ দেয় না। শাসক দলের শিক্ষক শিক্ষিকারা ডি এ চায় অনেকেই কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারে না। এরা ছুটির পাশাপাশি ডি এ ও চায় কিন্তু বলার ক্ষমতা নেই বা সাহস নেই কারণ সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি বা পরীক্ষা না দিয়ে চাকরি আর ক্লাসে কীভাবে ছাত্র ছাত্রী দের হেনস্থা করতে হয় এটা ভালো জানে। স্কুল আর বাড়ি এদের এক হওয়া চাই একটু গরম সহ্য করতে পারে না। মনে হয় ফুলের ঘায়ে মুর্ছা যাবে। স্কুলের বাথরুম থেকে অন্য সব হাতের কাছে কিন্তু টাকা কোথা থেকে আসবে কে দেবে ওসব জানে না। লাগে টাকা দেবে প্রধান শিক্ষক না দিলে বাকি সরকারি আধিকারিক বা অন্য কোন ভাবে তাকে হেনস্থা করা হবে। ঐ হুমকি রাজনীতি আর এক্ষেত্রে যেমন দিদি তেমন তারা চ্যালা একটা ডাহা মিথ্যাবাদী এবং ধাপ্পাবাজ চোরের দল এবং ঐ জন্যে সমর্থন করে ডাকাত রানি কে কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারে না। আমাদের ডি এ চাই বেতন আরও বেশি চাই আড়ালে মুখে বলছে কিন্তু আসল জায়গায় বলতে পারে না, কি অবস্থা এদের। ডি এ এর জন্য বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফোটে না।
Friday, 4 October 2024
একটি মৃত্যু নিয়ে তামাশা।
অনেক শিশু শিক্ষার্থীর ছোট থেকেই স্বপ্ন থাকে ডাক্তার হবে, আমি দেখেছি যখন শিক্ষক শিক্ষিকা জিজ্ঞেস করে তুমি বড়ো হয়ে কী হতে চাও। অনেক শিক্ষার্থী বা পাঠরত শিশু বলে আমি বড়ো হয়ে ডাক্তার হব। এখন যা সিলেবাস এর ছিড়ি তাতে করে ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করা দুঃসাধ্য যেসব ছেলে মেয়ে এই প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসতে চায় তারা অতিরিক্ত ভাবে দিল্লি বোর্ডের বই নিয়ে পড়া শোনা করে না হলে সর্ব ভারতীয় এই পরীক্ষায় পাশ করা কঠিন। কেবল এই ডাক্তারি পরীক্ষা নয় সর্ব ভারতীয় যে কোন পরীক্ষা এখন ঐ দিল্লি বোর্ড বা সি বি এস সি সিলেবাস থেকে প্রশ্ন হয়। আসলে ভারতের আঠাশ টা রাজ্য আছে এবং তাদের ভাষা গত অমিল আছে এবং সিলেবাসে তফাৎ থাকে সেসব ঐ পরীক্ষায় ধরা হয় না। যাহোক বাধ দিন ওসব কারণ ওসব নিয়ে লিখতে লাগলে শেষ হবে না। আজ পশ্চিমবঙ্গে একটি ডাক্তারি পড়ুয়া মেয়ের মৃত্যু হয়েছে, এর আগেও ঐ আর জি করে দু জন ঐ রকম ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে কিন্তু কোনো তদন্ত হয় নি। কারণ প্রশাসন হচ্ছে নির্লজ্জ বেহায়া তারা টাকা ছাড়া আর কিছু জানে না। তোলা তোল অর্থাৎ টাকা চাই সে যেভাবে হোক, কারণ না হলে শাসক দলের নেতা মন্ত্রী এবং বর্তমানে পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ মহলের চলবে না। পুলিশ এখন ব্রিটিশ ভারতের তথা উপ্যনিবেশিক শাসন কায়েম করেছে। সাধারণ মানুষ কোন ঘটনা নিয়ে যাক আগে খোঁজ নিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার রাজনৈতিক পরিচয় সে যদি শাসক দলের কোন নেতা ধরে যায় তাহলে কাজ না হলে হবে না। আর হয়রানি আর হুমকি সে তো আছেই কারণ আমার এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা আছে, গত দু হাজার কুড়ি সালে আমার একটা মোবাইল হারিয়ে ছিল আমি হরিপাল থানায় গিয়ে জি ডি করতে গিয়ে ছিলাম। তিন থেকে চার ঘন্টা বসিয়ে রেখে ছিল সামনেই দেখছিলাম বসে বসে গল্প হচ্ছে কত রকম কথা তার পর যখন দয়া হল তার আবার কত রকম ফিরিস্তি আর ধমক মনে হচ্ছিল আমি থানায় গিয়ে খুব ভুল করেছি, গিয়ে ছিলাম এই কারণেই যে মোবাইল টি সিম কার্ড সমেত হারিয়ে। যদিও সে মোবাইল আজ পর্যন্ত ফেরত পায় নি, কারণ তখনই বলে দেওয়া হয়েছিল পাবেন না। আরো আছে আমার এক আত্মীয়র টাকা অন লাইন চুরি হয়েছিল। 2021 সালে কামারকুণ্ডু সাইবার থানায় ঘুরে ঘুরে তার জুতোর শুকতলা খয়ে গেছে শেষে বলেই দিয়েছে ও টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। অথচ দেখুন কে কার সাথে কথা বলেছে সেই কণ্ঠ স্বর চিনে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে বা হচ্ছে। আপনি আমি যদি কিছু মিম বা নিজের মতামত প্রকাশ করি সাথে সাথে পুলিশ বাড়িতে চলে আসছে। আর সারা রাজ্যে দিনের পর দিন ঘটে যাওয়া খুন ধর্ষণের আসামি দের খুঁজে পাচ্ছে না। আসলে বড়ো বড়ো চোর ডাকাত মিথ্যাবাদী গুণ্ডা সব মিলে একটা দল তৈরি করেছে, এদের সাথে পুলিশ পুরোপুরি যুক্ত বর্তমান পুলিশের নীচুতলা থেকে উপর তলা সকলে এই চুরি ডাকাতির নির্দিষ্ট ভাগ পায় সে কারণেই এরা চোর ডাকাত দের পাহারা দেয়। এবং চোর ডাকাতের কথায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করে। একদম দ্বিতীয় ইংরেজ শাসন চলছে আমরা বাঙালি জাতি আজ ধ্বংসের পথে আর এই বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে দিল্লির দাদা থেকে কত গুলো অবাঙালি অফিসার। ব্রিটিশ শাসনের সময় থেকেই বাংলার শিক্ষা দীক্ষা এদের ঈর্ষার কারণ তাই বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করলে এবং তাদের বদনাম করতে পারলে সারা পৃথিবী জুড়ে বাঙালি জাতির মাথা হেঁট হবে। ব্রিটিশ আমলে এই রকম বাঙালি ছিল যারা ইংরেজের গোলামি করা কে বা ব্রিটিশ দের পা চাটা কে জীবনের ব্রত করে নিয়ে ছিল। এখন এই দিল্লির দ্বিতীয় ইংরেজ দের পা চাটছে বর্তমান সরকার এবং তার সাঙ্গ পাঙ্গরা আর কাটমানি চুরি চিটিংবাজি এসব তো আছেই তবে একটা তফাৎ আছে ব্রিটিশ আমলে কোন ভারতীয় সামান্য তম অপরাধ করলে তার শাস্তি হতো আর ইংরেজ তথা ইংল্যান্ডের মানুষ যারা এখানে থাকত তারা অপরাধ করলে ছাড়। এখনও ঠিক সেই রকম একটু মিলিয়ে দেখুন শাসক দলের কেউ অপরাধ করলে ছাড় পুলিশ পাহারা দিচ্ছে তবে অবশ্যই কোটি কোটি টাকা তুলে কালি ঘাটে ৭৫% পাঠাতে হবে। আর ঐ টাকার একটা অংশ বড়ো অফিসার দের পকেটে ঢুকবে। সেই কারণেই এখন আর কোনো অপরাধী শাস্তি হয় না। আর ধর্ষণ খুন ও তো শরীরের জ্বর জ্বালার মত কী আর করা যাবে। সেই কারণেই কামদুনি, মধ্যম গ্রাম, হাঁসখালি, পার্কস্ট্রীট, আর জি কর এবং এই আর জি করের ঘটনার দিন থেকে থেকে গোটা আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ঘটে যাওয়া ধর্ষণ আর খুনের বিচার নেই। অপরাধীদের শাস্তি নেই কারণ এখন সমাজ বিরোধী রা মিলে এই দল তৈরি করেছে। এখন নেতা মানে দেখবেন দশ বছর আগে যে ভাঙা সাইকেল চাপত আর টালির চালে থাকত সে চার চাকা কিনেছে আর চার তোলা বাড়িতে চাকর নকর কে নেই। পেট্রোল পাম্প থেকে শুরু করে স্কুল আরও কত কি যার শেষ নেই।
Sunday, 28 July 2024
দিদি যা বলে দিদির ভাইয়েরা উল্টো করে।
দিদি যা বলেন ভাই ভাইপো ভাইঝিরা ঠিক তার উল্টো করে কারণ তারা জানে দিদি সবার সামনে বা ক্যামেরার সামনে ভালো কথা না বললে দল চলবে না। কিন্তু আমাদের কাজ হবে ঠিক উল্টো, ঐ যে 75%আর 25% না হলে আসবে কোথা থেকে। যেমন দিদি ঐ কয়েক দিন আগে 21 শে জুলাই এর মঞ্চ থেকে বললেন, বিত্তবান নেতা চাই না, বিবেকবান নেতা চাই। তার পরেই হাওড়া বালি পুরসভার অর্থ দপ্তরের কর্মীর উপর হামলা কারণ তিনি দু কোটি টাকার জাল বিল পাশ করেন নি। এমনকি ওখানকার এস ডি ও পর্যন্ত সেই কর্মী কে হুমকি দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে। আবার পুলিশ কে ধরে পেটানো হল তেহট্টে, এরকম আরেকটা ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে এক পঞ্চায়েত সচিবের গলা টিপে ধরছে তৃণমূলের উপ প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যরা। এই কিছুখন আগে দেখলাম এক তৃণমূল নেতা প্রতিবেশীর জমি জব্বর দখল করেছেন বা সেরকম কিছু ঘটেছে ঐ পরিবার প্রতিবাদ করেছে লোকজন নিয়ে বাড়িতে চড়াও ঐ তৃণমূল নেতা। সোশ্যাল মিডিয়া যদি কেউ প্রতি নিয়ত দেখেন বিশেষ করে ইউ টিউব তাহলে গত একুশে জুলাই এর পর থেকে তৃণমূল নেতা দের নানা কীর্তি কলাপের খবর পাবেন। দেখতে পাবেন তারা এত নরম যে জোর করে জমি দখল তোলা তোলা সব চলছে, আর টাকা না দিলে বা তাদের অন্যায় কে সমর্থন না করলে জুটছে পিটুনি কখনো প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে। যেখানে পুলিশ পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না তবে এই পুলিশ এবং সরকারি কর্মী মার খেলে সাধারণ মানুষের আনন্দ লাগে কারণ এরা সবাই মিলে ভোট লুট করে এই চোর সরকার কে টিকিয়ে রেখেছে কারণ চুরির টাকার ভাগ এরা পায় তাই এদের অনেকেই ডি এ চায় না। এক একজন সিভিক পুলিশের সম্পদ দেখলে চমকে যাবেন, তাই এদের মার খেতে দেখলে অনেকেই আনন্দ পান। এই কোরাপটেড অফিসার পুলিশ সিভিক আজ যেন বাঙালি জাতির শত্রু হয়ে উঠেছে। এরা সকলে মিলে বাঙালি জাতির শিক্ষা সংস্কৃতি সব ধ্বংস করে দিচ্ছে না এক এস ডি ও কেন ঐ ভুয়ো বিল পাশ করানোর জন্য বলছেন কী স্বার্থ তার। এই জন্যই বলছি দিদি বলেছেন বিবেকবান দিদির ভাইয়েরা এই ক'দিন সারা রাজ্য জুড়ে বিবেকবান হয়ে উঠেছে। তাদের চুরি তে একটু বাধা এলেই ধোলাই এমনকি পুলিশ কেও ছাড়ছে না। ভাববেন না পুলিশ পাল্টে যাবে কখনো না কারণ কোটি কোটি টাকার হাতছানি।
Friday, 26 July 2024
আবার বাংলা ভাগের প্রস্তাব সংসদে।
ভারতীয় সংসদে এই সংসদ জিরো আওয়ারে একটা প্রস্তাব তুলেছেন।বাংলা এবং বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে নতুন কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল তৈরি করা হোক, ওদিক আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন উত্তর বঙ্গের কয়েকটি জেলা নিয়ে কেন্দ্রীয় শাসিত করে দেওয়া হোক। আমার কথা হচ্ছে বাংলা থেকে 42 জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তারা সংসদে কী করতে যান।এরা কি কেবল ভিডিও করতে এবং চু কিৎ কিৎ খেলতে যান।আজ সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখলাম একজন বিজেপির বিধায়ক একই কথা বলছেন। বেশিরভাগ সময়ই বিভিন্ন ভাবে বাংলা ভাগের প্রস্তাব ওঠে সংসদে এটা কীভাবে হয়? এর আগে রাজু বিস্তা নামে এক সাংসদ এরকম প্রস্তাব তুলে ছিলেন। দেশ ভাগের সময়ে এরা ইংরেজের সাথে মিলে ধর্মের নামে বাংলা ভাগ করে ছিলেন কারণ বাঙালি জাতি স্বাধীনতা আন্দোলনে বেশি অংশ গ্রহণ করে ছিলেন। বিশেষ করে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আর তাদের মনবল ভাঙতে এবং বাঙালি জাতি আর কোন দিন যাতে এক হতে না পারে তার বাংলা কে ভেঙে বেশ কয়েকটি ভাগ করা হয়। আর বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এই তথাকথিত হিন্দুস্থানের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। সে আন্দামান থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় এই বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া হয়। আর এখন কৌশলে তার শিক্ষা ব্যবস্থা কে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে যাতে করে আরও পিছিয়ে পড়ে একটা জাতি। আমার রাজ্যের শাসক বাধ্যতামূলক ভাবে এই দ্বিতীয় ইংরেজ শাসক কে মদত দিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোন প্রতিবাদ নেই, সংসদে আছে কোন কথা নেই কারণ আগা পাছতলা দূর্নীতি তে ডুবে আছে। কেবল টাকা চাই টাকা হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা লুঠে নাও তাতে বাংলা তথা বাঙালি উচ্ছন্নে যাক। সাংসদ নিশিকান্ত দুবের দাবি কি? বিহার এবং বাংলার বেশ কিছু জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে তারা বিহারে এসে উৎপাত করছে। তাদের জব্দ করার জন্য এই অঞ্চল টিকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল করা হোক। আমার পরিষ্কার কথা এদের একবার ভিটে ছাড়া করা হোক না হলে এরা বুঝতে পারবে না, উদ্বাস্তু হওয়ার কি জ্বালা! যারা সত্যিকারের পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ এবং নিজেকে বাঙালি বলে মনে করেন, দ্বিতীয় ব্রিটিশ বিজেপির দালাল নয় তারা দাবি তুলুন, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের যে জেলা গুলো ব্রিটিশ ভারতে বাংলার সাথে ছিল সেগুলো কে পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আর বাংলা পক্ষ নামে যে একটি সংগঠন আছে তারা দাবি তুলুন ব্রিটিশ ভারতে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা যে গুলো থেকে বাঙালি ও বাংলা ভাষা কে বিদায় জানান হয়েছে, সে গুলো আবার পশ্চিমবঙ্গ কে ফিরিয়ে দিতে হবে, সেখানে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শাসক এসব করবে না তারা বিজেপি নামক দ্বিতীয় ইংরেজের পক্ষে কাজ করে। না হলে সংসদে প্রতিবাদ করত।
Friday, 19 July 2024
JIO, AIRTEL, VI বনাম BSNL।
গত ৩ রা জুলাই এর পর থেকে বেসরকারি টেলিকম সংস্থা গুলো তাদের রিচার্জ প্ল্যান গুলো দাম বাড়িয়েছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। আর সেই থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন রকম ভাবে কখনও BSNL পক্ষে লিখছেন এই তিন দিনের মধ্যে এক কোটি মানুষ BSNL এ পোর্ট করলেন। আবার অনেকেই বাকি তিন বেসরকারি সংস্থার হয়ে বলছেন BSNL এ পোর্ট করার আগে ভাববেন কারণ BSNL ঠিকমত নেটওয়ার্ক দিতে পারবে না। আবার BSNL এর বেশ কিছু সস্তা রিচার্জ প্ল্যান এর সাথে লুকানো শর্ত আছে সে সব না পরে যদি রিচার্জ করেন তাহলে ঠকবেন। আমি আজ প্রায় কুড়ি বছর ধরে BSNL ব্যবহার করে আসছি কিছু সুবিধা অসুবিধা আছে। তবে ঐ যে লুকানো শর্ত বলছে সেটাও ঠিক। লেখা আছে 197 টাকা না 198 টাকায় 70 দিন কিন্তু সেখান শর্ত আছে ফ্রি কল কেবল 15 দিন মাত্র দু জিবি নেট শেষ হয়ে গেলে শেষ এর সাথে আজে MTNL দিল্লি ও মুম্বইয়ের জন্যে রিচার্জ প্ল্যান না জেনে বুঝে রিচার্জ করলে বিপদ। দেখবেন কম টাকা রিচার্জ টি MTNL গ্রাহক দের জন্য। এরকম আছে, আবার ইন্টারনেট স্পীড একদম কম নামে 4G কিন্তু আসলে 3G এর শেষ অর্থাৎ E দেখাবে। স্পীড কিছু জায়গায় ভালো আবার বেশ কিছু জায়গায় একেবারে নেই বললেই চলে। যারা কথা বলার জন্য নেবেন তাদেরও সমস্যা দেখা দেবে গ্রামের দিকে হলে। কথা অর্ধেক হবে কেটে যাবে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে শুনছি টাটা BSNL এর সাথে যোগ দিয়েছেন জানি না কতটা ঠিক! টাটা যোগ দিলে তো ভালো BSNL তো বেসরকারি হওয়ার পথে একধাপ এগিয়ে গেল। জানি না সব জায়গায় ঠিক মত পরিসেবা পাওয়া যাবে কি না! তবে গ্রামের দিকে BSNL যদি বা আছে বাকি ঐ তিন সংস্থার নেট কেবল ঘুরে যায়। যাহোক এই কিছুখন আগে ফেসবুকে একটা পোস্ট দেখলাম ঐ বেসরকারি তিন সংস্থার পক্ষে, বিশেষ করে JIO র পক্ষে। সেখানে একজন মন্তব্য করেছেন সেই মন্তব্য টি এখানে দিলাম সাথে আমার উত্তর ও থাকল। ভালো লাগলে পড়বেন এবং মন্তব্য করবেন।
তাপস চ্যাটার্জি সুব্রত মালিক কে যে উত্তর টা দিয়েছে তার প্রেক্ষিতে তাপস চ্যাটার্জি কে একটি কথা বলছি। দাদা ডান হাত আম্বানি, আর বাম হাত আদানি আর পা দুটোয় ফাঁকা নেই সেখানে আমাদের রাজ্যের পিসি আর ভাইপো দিন রাত ধর্না দিয়ে পরে আছে। দাদা পায়ে পরি রে সি বি আই আর ইডি থেকে বাঁচারে।
Wednesday, 17 July 2024
করের ( ট্যাক্স) ফাঁদে মধ্যবিত্ত।
কেন্দ্র বলুন আর রাজ্য দুয়ে মিলে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের উপর করের বোঝা চাপিয়ে যাচ্ছে। এটা এক ধরনের শোষণ। যেসব মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার সরকারি চাকরি করেন, সে স্কুল থেকে শুরু করে অফিসে, প্রত্যেকেই তাদের প্রফেশনাল ট্যাক্স দিতে হয় এ রাজ্যে যা সর্বোচ্চ 200 টাকা মাসে। এবার আছে সরাসরি ইনকাম ট্যাক্স আড়াই লক্ষ টাকার বেশি বছরে আয় এবং সব ছাড় নিয়ে যেটা পাঁচ লাখ টাকা তার পর ইনকাম ট্যাক্স 20% থেকে 30% হারে। হোম লোন সে তো একবার নিলে সারা জীবন শোধ করতে হয়। তাই অনেকেই এখন ঐ হোম লোন এড়িয়ে যায়। এর উপর আপনি বাজার থেকে যেটা ক্রয় করবেন তার উপর জিএসটি এমনকি খাদ্য দ্রব্য থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব কিছুর উপর এখন GST এই GST আবার দুই সরকার কে দিতে হয়। এক CGST এবং SGST। এই GST অবশ্য সকল সাধারণ মানুষ কে দিতে হয়। কিন্তু মধ্যবিত্ত কে তার আয় থেকে আরো দুটো ট্যাক্স বেশি দিতে হয়। অর্থাৎ ইনকাম একটা ট্যাক্স তিন ভাবে আদায় করে নেয়। আরেকটা বড়ো বিষয় এখন কার দিল্লির দাদার সরকার ঠিক করে রেখেছে। মধ্যবিত্তের ট্যাক্স বা করে কোন ছাড় নেই কিন্তু কর্পোরেট সংস্থার ট্যাক্স না দিলেও চলে। তার উপর আছে কর্পোরেটে সংস্থা কে দেওয়া বিভিন্ন সুবিধা সর্বোপরি ঋণ মুকুব হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ মুকুব। আর মধ্যবিত্ত আর নিম্ন মধ্যবিত্ত যদি একবার ঋণ নিয়েছে তাহলে তার ভিটে থেকে উচ্ছেদ না করা পর্যন্ত ব্যাঙ্ক ক্ষান্ত হয় না। কর্পোরেট কে ঋণ দিয়ে সেই ঋণের একটা অংশ ইলেট্রালার বণ্ডে চাঁদা নেওয়া এই হচ্ছে দুই সরকারের কাজ। জিনিস পত্রের দামে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠছে। কেবল জিনিস পত্রের দাম এছাড়া, গ্যাস, ইলেক্ট্রিক বিল, চিকিৎসা খরচ ডাক্তারের ফ্রিস সহ ওষুধের দাম এবং ওষুধের উপর GST ছাড় নেই। করের ভাড়ে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত আজ নাজেহাল।
Monday, 15 July 2024
দুর্গা সপ্তমী পুজোর মন্ত্র ও নিয়ম।
সপ্তমিতে বিল্ব বৃক্ষের পূজা :- [এখানে বলে রাখি অনেকেই সংক্ষেপে পূজা করেন সেক্ষেত্রে মাতৃকা ন্যাস করার পর পীঠ পূজা করে পঞ্চ দেবতার পুজা করেন তার পর ধ্যান করে প্রধান পূজা ১০ টি উপাচার দেন আর প্রণাম মন্ত্র বলেন অনেকেই ন্যাস বাদ দিয়ে সংকল্পের পরেই ধ্যান করে প্রধান পূজা করেন এখানে একটা অন্য কথা বলি এগুলো মনে রাখলে সুবিধা হবে। একক দেবীর ক্ষেত্রে শেষে য়ৈ এবং দেবের ক্ষেত্রে য় আর অনেক হলে ভ্য ব্যবহার করতে হবে। ] ১)অচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্বি বাচন ৪) স্বত্বি সুক্ত ৫) সাক্ষ মন্ত্র ৬) সংকল্প ৭)সংকল্প সুক্ত (যজুর বেদের টি সহজ ওটা পাঠ করবেন) ৮) সামান্য অর্ঘ স্থাপন ৯) দ্বার পূজা ১০) বিঘ্ন অপসারণ ১১)মাস ভক্ত বলি ১২) আসন শুদ্ধি ১৩) পুষ্প শুদ্ধি ১৪) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি ১৫) মাতৃকা ন্যাস (এখানে একবার কর ন্যাস ও অঙ্গ ন্যাস করতে হবে আমি সংক্ষেপে যে টা করা যায় সেটা লিখব) ১৬)অন্তর মাতৃকা ন্যাস ১৭)বাহ্য মাতৃকা ন্যাস ১৮)সংহার মাতৃকা ন্যাস ১৯)প্রানায়াম ২০) পীঠ ন্যাস ২১)অঙ্গ ন্যাস ২২) কর ন্যাস ২৩) ব্যাপক ন্যাস ২৪)ঋষাদি ন্যাস ২৫)ধ্যান ২৬) মানস পুজা ২৭) বিশেষ অর্ঘ স্থাপন। ২৮) পীঠ পূজা ( যেহেতু ঘট স্থাপন, কাণ্ড রোপন, সূত্র বেষ্ঠন ইত্যাদি করা আছে এবং বৃক্ষের পূজা তাই চক্ষু দান প্রান প্রতিষ্ঠা হবে করতে হবে না। পীঠ পূজার পর পঞ্চ দেবতার পূজা করে নিন।) ২৯)পঞ্চ দেবতার পূজা ৩০) ধ্যান করে প্রধান পূজা। ৩১) প্রণাম মন্ত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...







