দূর্নীতি আজ পশ্চিমবঙ্গরে শাসকের রন্ধ্রে রন্ধ্রে কী নেই তাতে সারদা, রোজভ্যালী, এম পি এস গ্রীনারি, আরো যত চিটফাণ্ড ছিল সবের টাকা এরা আত্মসাৎ করেছে। মানুষের কোন ক্ষোভ তাপ উত্তাপ আছে.! কারণ তারা উপঢৌকন বা ভীক্ষা পাচ্ছে, কেবল কি এই সারদা সহ চিটফাণ্ড, নারদা যা টিভির পর্দায় দেখা যাচ্ছে, আবার গোরু পাচার শিশু পাচার, কয়লা বালি, সোনা পাচার, নিয়োগ দূর্নীতি এ এদের কাছে মামুলি ব্যপার। সি বি আই ইডি এসব আবার কি খায় না গায়ে মাখে। যাহোক দিল্লি গেছেন চার দিনের জন্য সেটিং করতে ও সি বি আই কোথায় চলে যাবে। আজ কত বছর হলো সারদা তদন্ত চলছে কিছু হয়েছে। মানুষ তাদের টাকা ফেরত পেয়েছে না পায় নি। ঐ সব চিটফাণ্ড প্রতারণা প্রতারিত মানুষ হাসতে হাসতে বলছে চুরি করছে তো কী হয়েছে সে তো পাঁচ শ হাজার টাকা করে দিচ্ছে। আগে কোন সরকার এরকম দিত, বেকার ছেলে মেয়েরা হাসতে হাসতে পোষ্টার লাগিয়ে দিচ্ছে। বুথে বসে আছে কারণ একটাই কন্যা শ্রী, যুব শ্রী, আরও যত শ্রী আছে, ব্রাহ্মণ ভাতা ঘোষ পদবী যার সেও পাচ্ছে, কারণ কাটমানি, একশ দিনের কাজের টাকা বাড়িতে বসে আছে একটা জব কার্ড আছে ব্যস হাফ হাফ ভাগ হবে। দু টাকা কিলো চাল আছে, মানুষ এই সব দূর্নীতি কিছু মনে করে না। সামনে কোলকাতা ও হাওড়া পুরসভার ভোট আছে দেখে নেবেন সব থেকে বেশি ভোটে নির্বাচিত হবে। কারণ কি টাকা আর কিছু না, নিয়োগ দূর্নীতি ওসব আবার কি? আপনি কি ভাবছেন যে সব মায়েরা লক্ষী ভাণ্ডারের পাঁচ বা হাজার টাকা পাচ্ছেন তাদের কারো ঘরে শিক্ষিত বেকার ছেলে মেয়ে নেই! থাকলেও এদের এই ভীক্ষাতেই আনন্দ ছেলে মেয়েরা চাকরি না পেল তো তাতেও এদের কোন প্রতিবাদ নেই আর আন্দোলন প্রতিবাদ সে তো ঘুষ খোর তোলা সাজানো পুলিশ আছে এই সাজানো পুলিশ, আর নকল অফিসার এদের দিয়ে গোটা প্রশাসন চলছে। প্রতিটি ভোটের সময় এদের কাজে লাগানো হচ্ছে, আপনি আমি আমাদের মত দু চার জন মানুষ ভাবছে বা বলছে ওহ এত চুরি এত দূর্নীতি, আমাদের মধ্যেই ঘুরে বেড়াচ্ছে সেই বাঙালি যে বলছে চুরি করেছে বেশ করেছে, ও ছাড়া এখন রাজ্যে কেন্দ্র সরকারের বিরোধী দল কে আছে? সমাজ ব্যবস্থায় ঘুন ধরে গেছে, শিক্ষিত এবং উচ্চ শিক্ষিত মানুষ ও এই চুরি ডাকাতি দূর্নীতি, ঋন নিয়ে শোধ না করে পালিয়ে যাওয়া, এসব জেনেও সব চুপচাপ এই দুই দলের সমর্থনে কথা বলে যাচ্ছে। তাই দূর্নীতি টাকা তছরূপের জন্য সি বি আই তদন্ত ওসব গা সহা হয়ে গেছে। আরেকটা কথা দেখবেন, মিডিয়া কিন্তু এগুলো আর দেখানোর প্রয়োজন মনে করে না। কিন্তু বাম আমলে বাম সরকার কে উৎখাতের জন্য এই মিডিয়া কি করত খড়ের গাদায় আগুন দিয়ে সারাদিন ধরে দেখাত এই দেখুন বামেরা( হার্মাদ) ঘরবাড়ি সব পুড়িয়ে দিচ্ছে।রাস্তায় দাঁড়িয়ে ক্যামেরা নিয়ে কিছু ছেলে যোগার করে গাড়ির টায়ার জ্বালিয়ে সারাদিন দেখাত আর এখন পশ্চিমবঙ্গরে এই দূর্নীতির খবর এক সেকেন্ড দেখানোর সাহস নেই কারণ বিজ্ঞাপন উনি বলেই দিয়েছেন ওনার হয়ে না প্রচার করলে বিজ্ঞাপন নেই। দূর্নীতি এখন পশ্চিমবঙ্গরে ঘরে ঘরে এবং সি বি আই তদন্ত ওসব আবার কি ওতো সরকারের সংস্থা ওরা করবে তদন্ত দাদা বলুন তো জ্ঞানেরশ্বরী কাণ্ড, নন্দীগ্রাম কাণ্ড সিঙ্গুর কাণ্ড সি বি আই তদন্ত হয়ে ছিল এছাড়াও ১২ থেকে ১৩ টা তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এসব তদন্তে কি হোলো কেউ অপরাধী নেই অথচ প্রকাশ্য মঞ্চে উপস্থিত হয়ে বললেন অমুক চটি পরা পুলিশ পাঠিয়ে ছিল এবং তারা গুলি চালিয়ে ছিল। সি বি আই তো তদন্ত করে ছিল ঐ নন্দীগ্রাম নিয়ে এই কথা শুনেও কোন জিজ্ঞাসা বাদ করেছে না কারণ একটাই এদেশে উচ্চ পদে থাকলে তিনি আইনের উর্ধ্বে তাকে কেউ কিছু বলতে পারবে না। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।আর বেশি বেশি করে টাকা পাওয়া যায় কি করে দেখবেন। কারণ চুরি করতে পারে কিন্তু মানুষ কে সামান্য হলেও তো দিচ্ছে।
Anulekhon.blogspot.com
Tuesday, 23 November 2021
Friday, 19 November 2021
কালা ইংরেজের বিরুদ্ধে কৃষক দের বিরাট জয়।
ছবিটি screenshot নেওয়া । এখন সম্পূর্ণ জয় আসেনি তবে গত ২৬ শে নভেম্বর ২০২০ ঐতিহাসিক কৃষক আন্দোলন শুরু করে ছিলেন এই প্রত্যয়ী কৃষকরা তাদের আংশিক জয় হল। ভারতের স্বাধীনতার পর এক ঐতিহাসিক আন্দোলন, ধুনুক ভাঙা পন করে ছিলেন কৃষক গন। যত দিন না কালা ইংরেজ তার কালা কৃষি আইন বাতিল করবে না তত দিন তারা রাস্তায় বসে থাকবে। মরণ পন করে এই আন্দোলনে নেমে ছিলেন আমাদের অন্নদাতারা আজ তাদের আন্দোলন সফল হয়েছে। কালা ইংরেজ তার কালা কৃষি আইন বাতিল করবে ঘোষণা করে দিয়েছে। কিছু দিন আগে কৃষক গন ঘোষণা করে ছিলেন গত ছাব্বিশে নভেম্বর ২০ তে করা আন্দোলন আগামী ২৬ শে নভেম্বর এক বছর পুরণ হবে ঐ দিন সংসদ অভিযানের ঘোষণা করা হয়েছিল। তার আগেই কালা ইংরেজ আজ গুরু নানকের জণ্ম দিনে ভাষণ দিতে গিয়ে বলেছেন, কৃষি আইন বাতিল করা হবে। সত্যিই এটা ঐতিহাসিক জয়, এবং যারা বলেন আন্দোলন করে কিছু হয় না বা বনধ করে কিছু হয় না। পেটোয়া মিডিয়া আজ কী দেখাচ্ছে জানি না কিন্তু কৃষক দের এই জয়ে সত্যি ভালো লাগলো। এই বাংলায় বেকার যুবক যুবতী দের আন্দোলনও সফল হতে পারে যদি তারা এক হয়ে আন্দোলন করতে পারে। কিন্তু সে হবার নয়, এরাজ্যের বেকার যুবক যুবতী দের একটা অংশ দিদি দিদি করতে পাগলা হয়ে গেছে, আন্দোলন করছে এবং সেই আন্দোলন দিদির পক্ষে কারণ ভোটের সময় এরা এবং এদের পরিবারের লোকজন দিদি কে গিয়ে ভোট দিয়ে এসেছে। এই দ্বিচারিতার জন্য এই আন্দোলন সফল হচ্ছে না, এরা এবং এদের পরিবারের লোকজন এদের আন্দোলন সফল হোক চান না। যদি সত্যি চাইত চাকরি হোক তাহলে এবার বিধানসভা নির্বাচনে আর এস এস এর এ টি এম ও বি টিম কে ভোট দিয়ে আসত না। এরা পাঁচ শ হাজার টাকাতেই খুব খুশি, বক্তব্য হচ্ছে তবুও তো দিচ্ছে। সামনে পৌর নির্বাচন বা যদি পঞ্চায়েত নির্বাচন হয় তাহলে দেখা যাবে এরা আগে গিয়ে দিদি দিদি করে ভোট দিতে যাচ্ছে। কালা ইংরেজের বিরুদ্ধে এই রকম আন্দোলন আরও দরকার কারণ কারা ইংরেজ দেশ টা কে আমেরিকার মত করতে চাইছে সব কিছু বেসরকারি করে দেওয়া, দেশের কয়েক জন ব্যবসায়ীর কাছে দেশটা বিক্রি করে দিচ্ছে। সাধারণ মানুষ কে এর থেকেও বড় আন্দোলন শুরু করতে হবে, যাতে এই কালা ইংরেজ দেশ বিক্রি করতে না পারে। এই আন্দোলন করতে শহীদ কৃষক পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহমর্মিতা জানিয়ে এই লেখা শেষ করলাম। কালা ইংরেজ তো এদের এত সহজে বিশ্বাস করা উচিত নয়, কারণ সামনে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন আছে তার জন্য এ ঘোষণা হতে পারে কিন্তু যতক্ষণ না আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে ততক্ষণ এদের বিশ্বাস করা যায় না।
Tuesday, 16 November 2021
কিছু চাকুরী জীবির জন্য বেকার যুবক যুবতীর চাকরি জন্য আন্দোলন কে সমর্থন করে না সাধারণ মানুষ।
গত কাল সিঙ্গুরে চাকরি না পাওয়া বেকার যুবক যুবতী জড়ো হয়ে ছিল। সিঙ্গুর থেকে নবান্ন অভিযানে যাবে কিন্তু পুলিশ শুরুতেই বাধা দিয়ে সে আন্দোলন আটকে দেয়। পুলিশের বক্তব্য এই আন্দোলনের জন্যে অনুমতি নেওয়া হয়নি। কিন্তু সাধারণ মানুষের বক্তব্য আলাদা তাদেরও সমর্থন রয়েছে পুলিশের দিকে। বলছেন ঠিক করেছে। যখন ঘটনা ঘটেছে সেই মুহুর্তে আমি ওখানে ছিলাম।
ছবি তোলার সময় পরিচিত এক ভদ্রলোক আমাকে পেছন থেকে ডেকে নিয়ে গেলেন। আমি তার সাথে ঘটনা স্থল থেকে চলে এলাম অনেকটাই দূরে। আমি দেখলাম বেকার যুবক যুবতী জড়ো হওয়া এবং এই ধরনের আন্দোলন নিয়ে অনেকেই আপত্তি আছে। অর্থাৎ মানুষের সমর্থন নেই, কারণ আরেক জন পাশ থেকে বললেন, এরা চাকরি পেলেই নিজ মূর্তি ধরবে যখন তখন অফিসে আসবে কাজ করবে একটা কাজ করতে আঠারো মাসে বছর দেখিয়ে দেবে। আবার কোন কোন ক্ষেত্রে জুতোর শুকতলা ছিঁঁড়ে যাবে তবুও কাজ হবে না। আর যদি শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয় তাহলে তো কথাই নেই, এই তো লকডাউন যাচ্ছে কজন শিক্ষক বিদ্যালয়ে কদিন আসে এমনকি মিড ডে মিলের চাল আলু দেওয়ার দিন গুলোতেও হাজির নেই। আর অন লাইন পড়ানোর কথা সে যে কেমন জিনিস এরা জানে না। অথচ স্কুল খোলা থাকলে ক্লাসে গিয়ে মোবাইল ঘেঁটে যাচ্ছে। এদের নিয়োগ করে কি হবে সব বেসরকারি হয়ে গেলে খুব ভালো হয়। এই পোস্ট অফিসে যান আপনার যদি নাকের জলে চোখের জলে না করে ছেড়েছে কি কথাই বলেছি। সরকার ঠিক করছে এদের চাকরি দেয় নি। কি হবে দেখতে পাচ্ছেন না, যতক্ষণ বেকার ততখন আন্দোলন এবং চাকরি পেলে এখুনি সব করে ফেলবে। একবার পেলে আর কে পায়, সাধারণ মানুষ কে থোড়াই কেয়ার করবে। তিনি যোগ করলেন যান বিডিও অফিসে একটা আপনার যে কাজ করতে দু মিনিট লাগে সেটা দুবছরে হবে কিনা সন্দেহ আছে। আর যেহেতু পদে আছে আপনি কিছু বলতে পারবেন না। তার বললেন আমি একটা প্রিন্টিং এর কাজ গত দু বছর আগে করে ছিলাম এই বিডিও অফিসের আজ দু বছর হয়ে গেল এখনও আমার পাওয়না টাকা দেয় নি। পাশের আরেক জন বলে উঠল আমি তিন চার বছর ঘুরে বেড়াচ্ছি আমার রেশন কার্ড করার জন্য তিন চার বার আবেদন করা হয়ে গেছে এখনও কার্ড এলো না। আরেক জন বলল, আরে বার্ধ ভাতা আমি আজ কত দিন হলো যাচ্ছি, কিছুতেই হচ্ছে না। আরেক জনের কথা আমার রেশন কার্ড অন লাইন দেখাচ্ছে কিন্তু প্রিন্ট হয় নি, ঐ কারণে দেওয়া হবে না। আবার যদি বা দেখা যাচ্ছে কার্ড হয়েছে দেখাচ্ছে চার বছর পর সেখানে রেশন ডিলারের নাম আছে অন্য এলাকার। আর ছেলের নাম টা হয়ে গেছে গুজরাতি কায়দায় বাবার নাম ছেলের নাম তার পর পদবী। দারুণ কাজ এগুলো সংশোধন করতে আবার পাঁচ বছর সময় লাগবে। এই তো অফিসের কাজে এরা যদি চাকরি পায় এই রকম তো করবে ওর থেকে সরকার চাকরি দেয নি খুব ভালো করেছে। পাশ থেকে আরেক জন শুনে বলল, দেখুন সব ঠিক কিন্তু এর মধ্যে রাজনীতি আছে। রেশন কার্ড তো পুরোপুরি বর্তমান শাসক দল কে ভোট দিলে তবে হবে না হলে ঐ রকম ঘুরতে হবে আর ভুল হবে। এসবের অফিসার দের দায়ি করা যায় না। আরেক জন বললেন কিছু টা তো দায় নিতে হবে। একজন বলল আরে ঠিক বলেছেন চাকরির জন্য অনশন আন্দোলন আর চাকরি পেয়ে অন্য মূর্তি। আমি এই সরকার কে ধন্যবাদ দেব চাকরি না দেওয়ার জন্য। ট্রেনের খবর হল আমি আর দাঁড়ালাম না। একটা ছবি তোলার জন্য এতো কথা আলোচনা হয়ে গেল। আমি স্টেশনে এসে ট্রেনে উঠে পড়লাম।
Monday, 15 November 2021
মাত্র ৭৬ লক্ষ টাকা!
খবরটি পড়ে খারাপ লাগছে মাত্র ৭৬ লক্ষ টাকা জালিয়াতি আমার মনে হয় উনি ভুল করেছেন, যদি ৭৫% ও ২৫% ভাগ দিতেন তাহলে আজ হুলিয়া জারি করা হত না।
মাত্র ৭৬ লক্ষ টাকা জালিয়াতি, তার জন্যে হুলিয়া জারি আর চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি, নারদার টাকা হজম করে টেলিভিশনে নাচানাচি। দারুণ ব্যাপার তাই না, আরেক দিকে মেহুল চকসি, বিজয় মালিয়া, এবং নীরব মোদি নীরবে টাকা টাকা ধার করে দেশ ছেড়ে উধাও হয়ে গেছে। তাদের ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে, কি ভালো ব্যবস্থা তাই না। আরেক জন তৈরি হয়েছে লন্ডনে বাড়ি কিনে ফেলেছ চলে গেল বলে।
সত্যিই আমরা সাধারন জনগন এই সব লোকের কাছে মানুষ নয়। কারণ আমাদের করের টাকা লুঠ করে পালায়, তাদের কোন বিচার নেই, আর দু টাকা বা দু হাজার টাকা চুরি করে দেখুক পুলিশের অত্যাচার কাকে বলে। "সত্যিই সেলুকাস কী বিচিত্র এই দেশ।"
Saturday, 13 November 2021
ফেসবুকে বাংলাদেশের বন্ধু বান্ধবের কাছে একটি অনুরোধ করছি। ?
ফেসবুকে আমার অনেক বাংলাদেশের বন্ধু বান্ধব আছেন তাদের কাছে অনুরোধ করছি, এখানে কত গুলো নাম এবং ঠিকানা বা জায়গার নাম আছে যা বর্তমানে পূর্ব বঙ্গে বা বাংলাদেশে অবস্থিত। যদি এই ব্যক্তি দের পরিচিত কেউ এই ঠিকানা গুলো তে থাকেন বা এদের কেউ বংশের কেউ থাকলে একটু জানালে খুব খুশি হব। অন্য কিছু না কেবল কৌতুহল বশত এটা দিলাম। দীর্ঘ দিন আমার কাছে আছে কিন্তু কোন কাজে লাগে না। এই ঠিকানা বা এই নাম গুলোর সাথে আমার কি সম্পর্ক তাও আমি জানি না। যেমন প্রথম নাম টি আছে শ্রী ধীরেন্দ্র নাথ মুখোপাধ্যায়ের সাং লেখা আছে কাণ্ডপাশা। দ্বিতীয় নাম শ্রী দুর্গা কুমার গঙ্গোপাধ্যায়, সাং - ব্রাহ্মণ দিয়া হাল সাং কাণ্ডপাশা। তার পর আছে শ্রী নরেন্দ্র নাথ বন্দ্যোপাধ্যায় সাং - ব্রাহ্মণ দিয়া হাল সাং - কাণ্ডপাশা। এছাড়াও আরেকটা নাম আছে শ্রী মুকুন্দ চক্রবর্তী। আমি কেবল জানতে চাই এই জায়গা গুলো কোথায় এদের সাথে আমার কি সম্পর্ক আমার কাছে এই দলিলের অংশ টি অনেক দিন যাবৎ আছে। কৌতুহল বশত এগুলো জানতে চাই অন্য কোন কারণ নেই।
বেদ ( সাম বেদ) নিয়ে কিছু কথা।
ঋক বেদ পৃথিবীর প্রথম সাহিত্য। বেদ হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম গ্রন্থ আমরা আমাদের বেদ চার টি ঋক, সাম, যজু, অর্থব। আমার যতদূর জানা আছে বেদ কথার অর্থ জ্ঞান। বেদ বিদ্যা দুই ধরনের একটি পরাবিদ্যা আরেকটা অপরাবিদ্যা। যে বিদ্যার চেয়ে আর কিছু নেই, যে বিদ্যার সন্ধান পেলে আর কিছুই জানার বাকি থাকে না সেটাই পরাবিদ্যা। কী সেই জ্ঞান যা জানলে আর কিছুই জানার বাকি থাকে না? সে জ্ঞান বিশ্বজ্ঞান। এই বিশ্বজ্ঞান কাকে আশ্রয় করে আছে? এই বিশ্বজ্ঞান স্বয়ং প্রকাশ। ইনি স্বয়ং জাত হয়েছেন। ইনি কখন জাত হলেন? এনার জাত হওয়ার পূর্বে কী ছিল? ইনি জাত হলেন এবং জাত হওয়ার পূর্বে অজ্ঞতা নামক অদৃশ্য বস্তু দ্বারা আচ্ছাদিত ছিলেন। তখন কোন কিছু ছিল না, যা আছে সেটাও ছিল না, যা পরে এসেছে তাও ছিল না। দিন রাতের প্রভেদ ছিল না, মৃত্যু ও ছিল না অমরত্ব ও ছিল না। তখন ছিল সেই বস্তু যিনি স্বয়ম্ভু আত্মজণ্মা তিনি বায়ূশূণ্য প্রাণ ক্রিয়ায় ব্যস্ত ছিলেন। কেবলমাত্র স্বীয় মায়ার সাথে অতি ক্ষুদ্র যার আর ক্ষুদ্র কিছু হয় না। বায়ূশূণ্য প্রাণক্রিয়ায় নিজেই নিজের মায়া সহকারে নিজে নিজেই জ্বলছিলেন। তিনি আত্মজণ্মা নিজের মায়ারূপ প্রজ্ঞা কর্ম কে ইচ্ছা করল। ( এখানে বোঝা যাচ্ছে যে পৃথিবীতে জীব সৃষ্টির আগে বায়ূশূণ্য ছিল, এবং ক্ষুদ্রাতি ক্ষুদ্র জীব ছিল।) অগ্নি জ্বল ছিলেন, তিনি নিজেকে প্রসারিত করতে আরম্ভ করে ছিলেন অধিক প্রাসরণের ফলে তার একটা অংশ ঊর্ধ্ব গতি পেল, তৈরি হল সূর্য। সূর্যের প্রতিটি কিরণ হল দেবতা, আর ঋক বেদ অনুযায়ী তিন জন ছিলেন, অগ্নি, বায়ূ এবং সূর্য পরে তেত্রিশ কোটি এখানে কোটি হচ্ছে ভাগ অর্থাৎ দেবতাদের কাজের দায়িত্ব দেওয়া। আসলে তেত্রিশ জন আছেন। তারা হলেন অষ্ট বসু, দ্বাদশ আদিত্য, একাদশ রুদ্র। ঋষি যাজ্ঞ্যবল্ক বলা নাম।
পা চাটালেও পদ্ম মেলে।
মায়ের পায়ে জবা হয়ে ওঠা না ফুটে মন, একটু পাল্টে নিয়ে বলা যায় দাদার পায়ে পদ্ম হয়ে ওঠনা ফুটে মন। এখানে মনে হয় এটাও ঠিক মনে হয় হলো না। এবার পদ্ম পুরস্কার দেওয়া হয়েছে এমন এক মহিলা কে যিনি যিনি একজন সেলিব্রিটি আর দাদার পায়ের ধুলো পারলে পরিষ্কার করে দেয়। নাম দিলাম না ছবিটি দিলাম।
এই যে ছবি টি দেখছেন এনার কাছে গরীব খেটে খাওয়া মানুষ গুলো হচ্ছে কীট পতঙ্গ। দেশের স্ববাধীনতা সংগ্রাম কে ইনি এক কথায় নসাৎ করে দেন। ১৮৫৭ সাল থেকে ১৯৪৬ দীর্ঘ প্রায় নব্বই বছরের স্বাধীনতা সংগ্রাম, ভারত মায়ের হাজার হাজার বীর সন্তান হাসি মুখে নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছে, তাদের ইনি অনায়াসে ভুলে গিয়ে বলতে পারেন ২০১৪ সালে প্রকৃত স্বাধীনতা এসেছে। পদ্ম পুরস্কার পেতে কী করতে হবে কেউ জানে না তবে দেখা যাচ্ছে বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসক দলের তাঁবেদার হলে কোন কিছুর দরকার পরে না। আশা করি সকলের মনে আছে আরেক জন বিখ্যাত অভিনেতা সনু সুদের কথা লকডাউনে যিনি গরীব খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। তিনি পদ্ম পুরস্কার পেলেন না, তার একটাই কারণ ঐ যে তেল দেওয়ার কাজ করতে পারে নি। বাকি যারা পেয়েছেন তাদের কিছু কিছু অবদান আছে, কেউ গরীব মানুষের শিক্ষার বিস্তার ঘটাতে বিদ্যালয় তৈরি করে দিয়েছে। আরেক জন বন বা গাছ গাছালি রক্ষা করে গেছেন, আরো কত রকম অবদানের জন্য পদ্ম পুরস্কার পেয়েছে। কিন্তু কোন সংবাদ পত্রে জানা গেল না এই মহিলা কঙ্গনা রানাওয়াত কি এমন মহান সামাজিক কাজ করছেন। সমাজে কোন কোন উপকারে তিনি লেগেছেন। কেউ জানেন একটু বলবেন। এই কারনেই এই লেখা। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।
Thursday, 11 November 2021
আমরা আধা স্বাধীন দেশে বাস করি।
১৯৪৭ সালের ১৪ ই আগস্ট ধর্মের নামে দেশ ভাগের মধ্যে দিয়ে দুই দুই পাকিস্তান নিয়ে ১৫ ই আগস্ট ভারত কে স্বাধীনতা দেওয়া হয়। আসলে স্বাধীনতা আসে ব্রিটিশ কমনওয়েলথের সদস্য হিসেবে স্বাধীনতা লাভ করে অর্থাৎ সব কিছু করতে পারে ভারত কিন্তু ব্রিটিশ কে সামান্য হলেও কর বা ট্যাক্স দিয়ে যেতে হবে বরাবরের জন্য। একদিক থেকে যেমন আমরা আংশিক স্বাধীন কারণ আমাদের অনশনে বসা রাষ্ট্র পিতা অর্থাৎ সকল ভারত বাসীর গুজরাতি বাবা, যার জন্য আমরা স্বাধীন হয়েছি সকলের মতামত তাই। কী রকম স্বাধীনতা। ১)স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও নিরক্ষর দেশের তকমা ঘোচে নি। ২) দেশের সম্পদের ৭০% থেকে ৮০% দেশের ৩% ধনকুবেরের আওতায়। ৩) এখনো ৭৫% মানুষ আধবেলা খেয়ে ঘুমাতে যায়, কিছু আছে খেতে পায় না। খাওয়া না জোটার মানুষের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা সব থেকে বেশি আমার দেশে ।আর এই কারণেই স্বাধীনতার পর বামপন্থী দের শ্লোগান ছিল, " লাখ লাখ মানুষ ভুখা হ্যায় /এ আজাদি ঝুটা হ্যায়।" ৪) অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সে কোন ভারতবাসীর নেই। একমাত্র ধনী ব্যক্তি ছাড়া। ৫)এই গ্যাঁড়া তন্ত্র ( গনতন্ত্র) মানুষ কে ভোট দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয়েছে কিন্তু দুর্ভাগ্য এদেশের সর্বত্র জনগণ ভোট দিতে পারেন না। লড়াই করতে হয় গুণ্ডা মাফিয়া তোলাবাজ দের সাথে। ভোটের আগেই সেনাবাহিনী পাহারাদার লাগে এখন তো দেখছি কোন কোন ক্ষেত্রে সেই সেনাবাহিনী ও নকল অর্থাৎ ঐ সব গুণ্ডা মাফিয়া চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী দের পাঠান লোকজন। ভোটের আগে নেতারা একটা করে প্রতিশ্রুতি দেন ভোটের পর ভুলে যান। মানুষ যদি কোথাও ভোট দিতে পারেন তবে কিছু দিনের মধ্যেই সে দল বদল করে অন্য কোন দলে নাম লেখায়। মানুষের ভোটের কোন মূল্য নেই কারণ জানে একবার জিতে গেল ব্যস সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দেওয়া তার কাজ। জিনিস পত্র দাম বাড়ানোর, মানুষের করের টাকা লুঠ করা এসব এখন নেতা মন্ত্রী দের কাজ ।সেই কারণেই নেতা মন্ত্রীরা নিরাপত্তা নিয়ে ঘোরে ভয়ে। ভোটের আগে সাধারণ মানুষের মধ্যে যায় আর ভোটের পর সাধারণ মানুষের তার কাছে যাওয়ার অধিকার নেই।
৬) সরকারের সমালোচনা করলে, তাকে শাস্তি পেতে হবে হয় সে মাওবাদী, নয় সন্ত্রাস বাদী, নয় তো মিথ্যা কেসের ফোয়ারা ছুটবে না হলে, ঐ গুণ্ডা মাফিয়া দিয়ে ভিটে মাটি ছাড়া করা হবে। না হলে খুন হতে হবে যার কোন বিচার নেই কারণ বিচার সে তো বড়লোক তথাকথিত ধনীর জন্য। যার টাকা আছে সে কোর্টে যাবে যার নেই সে পরে পরে মার খাবে।
৭) এই বঙ্গে প্রতিটি নির্বাচনের আগে এবং পরে কত নীরিহ মানুষের নামে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে সে বলে শেষ করা যাবে না। আর কত লোক ঘরছাড়া আছে সেও গুনে শেষ করা যাবে না।
৮) চোর, চিটিংবাজ, মিথ্যাবাদী, বাটপার, তোলাবাজ, মাতাল টিভির দৌলতে ভালো মানুষ এবং রাষ্ট্র নায়ক হয়ে যাচ্ছে মানুষের কিছু বলার নেই।
৯) বাক স্বাধীনতার ঘোষণা আছে, কিন্তু বাস্তবে তা নেই।
১০) অনেক সময়ে সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারটাও কেড়ে নেওয়া হয়েছে বা হচ্ছে।
১১) একটা স্বাধীনতা আছে, একটু খাবারের আশায় এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর, বর্তমান ভারতের যুব সমাজ ক্রমশ অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে। শিক্ষিত যুব সমাজের কাছে কাজ নেই, দেশে এবং এই রাজ্যে বেকার যুবক যুবতী অনশনে বসে আছে।
আরও আছে লিখে শেষ করা যাবে না। যে দেশে সত্যি স্বাধীনতা আছে সেখানে মানুষের সব অধিকার আছে এখানে অধিকার কেবল সংবিধানে আছে কিন্তু বাস্তবে নেই।
যুদ্ধ যুদ্ধ ভাব বা যুদ্ধ একটা দরকার না হলে উত্তর প্রদেশ, ত্রিপুরা সহ বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ এ লোকসভা নির্বাচনে জয় আসবে না।
কিছু অনলাইন সংবাদ পত্র এবং ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া আছে যখন দেখে ধর্ম দিয়ে মানুষ কে আর জাগ্রত করার উপায় নেই তখন আসে যুদ্ধ বা কোথাও একটা বিস্ফোরণ হোক না হলে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে কিছু থাকবে না প্রচার করার মত। মানুষের আবেগ কে জাগ্রত করতে হবে, সে যে কোন ভাবে হোক দ্রব্য মূল্য, এবং মানুষের নিত্য জীবন যন্ত্রণা থেকে মন ঘুরিয়ে দিতে হবে না হলে আসন্ন নির্বাচন জেতা সম্ভব নয়। যে কোন নির্বাচন হোক জিততে মরিয়া বিজেপি নেতৃত্ব কেবল নানা ভাবে উস্ককানি মুলক কাজ এবং কথা বলে দেশের মানুষ কে তার প্রতি আকৃষ্ট করতে উদ্যোগী হয়। এর সাথে যুক্ত সংবাদ মাধ্যমও কম যায় না, একটু খেয়াল করে দেখুন গত লোকসভা নির্বাচনের আগে পুলওয়ামা বিস্ফোরণ, তার আগে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, আর পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের আগে নেপাল ও চীনের সাথে দন্দ্ব চীনা সৈন্যদের সাথে হাতাহাতি লড়াই সবটাই ঐ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য করে উত্তেজনা তৈরি করা এবং শেষ মেষ লড়াই এবং সেনা জওয়ানদের মৃত্যু। একটু লক্ষ্য করে দেখুন সমস্ত প্রতিবেশী দেশের সাথে এই কেন্দ্র সরকারের ঝামেলা লেগেই আছে। ভুটান অত শান্তি প্রিয় সেই দেশের সাথেও সীমান্ত নিয়ে ঝামেলা আছে। আর চীনের সাথে কথাই নেই, লেগেই আছে, এখন একটা কাজ এই সরকার করে চলেছে, অরুণাচল প্রদেশের সীমান্ত লাগোয়া একটি জায়গা চীন কে তাদের সেনা ভিলেজ তৈরি করতে দিয়েছে কারণ চীন ডোকলাম নিয়ে আর কিছু করবে না এটাই ডোকলাম শান্তি আলোচনার ফসল। আবার এই সুযোগে চীন লাদাখ দখলে প্রস্তুতি চালাচ্ছে। প্যাংগং লেকের অর্ধেক ছিল এখন প্রায় সব চীনের দখলে আরও এগিয়ে আসছে। এদিকে নির্বাচনে ফায়দা তুলতে কেবল এই সব সমস্যার সমাধান করার জন্য সে ভাবে চেষ্টা করছে না। এখন চীনের সাথে যুদ্ধ লাগবে লাগবে করছে এই সংবাদ দাতার সংবাদ অনুযায়ী চীনের সাথে যুদ্ধ প্রস্তুতি নিতে বলছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। সেই কারণেই এই প্রতিবেদক আশঙ্কা করছেন যুদ্ধের দামামা কি বেজে গেল?
Tuesday, 9 November 2021
বামেরা তো শূন্য তবুও আক্রান্ত কেন?
গত লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বামেরা একটি আসন পায় নি। মানুষ তাদের শূন্য করে দিয়েছেন। কিন্তু কী আশ্চর্য ব্যাপার দেখুন সেই নির্বাচনে সময় বা বলতে গেলে সেই ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে থেকেই দিকে দিকে তাকিয়ে দেখুন বেশি আক্রান্ত বামেরা হয় তাদের পার্টি অফিস নয় তাদের কর্মী সমর্থকদের আক্রান্ত হতে হচ্ছে বারে বারে কাদের দ্বারা বর্তমান শাসক দলের জল্লাদ বাহিনী দ্বারা। দুবরাজপুরের ঘটনা বাদল শেখ যিনি নভেম্বর বিপ্লব স্মরণে গত সাত তারিখে আক্রান্ত হলেন এবং মারাও গেলেন এছাড়াও আক্রান্ত হল আরেকটা জায়গায় পার্টি অফিস।
কেন এই আক্রমণ বার বার এর অন্তর নিহিত কারণ বুঝতে হলে গভীরে যেতে হবে। বাংলায় সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে এগিয়ে একমাত্র বামেরা, কেবল সাম্প্রদায়িক শক্তি নয় মানুষের জীবন জীবিকার লড়াই এই রাজ্যে অগ্রনী ভূমিকায় বামপন্থী ছাত্র যুবরা আর সব থেকে বড় বিষয় বামেদের কিছুতেই আটকে রাখা যাচ্ছে না। সংগঠন বেড়ে চলেছে নতুন প্রজন্মের শিক্ষিত ছেলে মেয়েরা এগিয়ে আসছে। ছ মাসের ব্যবধানে গত উপ নির্বাচনে তারা ভোট বাড়িয়েছে দু তিন টি জায়গায় বিজেপির থেকে ভালো ফল করেছে। এটাই রাগ তথাকথিত বিজেপি বিরোধী শাসক দলের। কারণ এই শাসক দল জানে বিজেপির অর্ধেকের বেশি তৃণমূলের লোকজন এরা যে কোন মূহুর্তে দলে ফেরত আসবে। রাজ্য বিরোধী শূন্য হবে এর মধ্যেই লক্ষ্যনীয় ভাবে বামেদের বৃদ্ধি মানে বিরোধী তৈরি হওয়া যেটা কিছুতেই চায় না বর্তমান শাসক দল। যেমন করে হোক রাজ্যে বিরোধী শূন্য করতে হবে। কিন্তু বামেদের উপস্থিত মানে দাদার অসুবিধা দিদি কখনো চান না এটা হোক আর সেই কারণেই বামেদের উপর আক্রমণ। একদিকে প্রচার তোরা তো শূন্য অথচ শূন্য পাওয়া দল টাকে এত ভয়। আন্দোলন আরও তীব্র করতে হবে গরীব খেটে খাওয়া মানুষের দাবি আদায়ের আন্দোলনের বিকল্প নেই। বামপন্থী কোন মিডিয়া নেই একমাত্র ঐ গনশক্তি ছাড়া ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় এখন বিজ্ঞাপন নির্ভর সে কারণেই গরীব মানুষের রুটি রুজির আন্দোলন দেখাবে না। পারলে মোরে মোরে পাড়ায় পাড়ায় প্রচার করতে হবে, কোন ভাবেই কোন দক্ষিণ পন্থী দলের সাথে জোট নয় কেবল বামপন্থী তথা বামফ্রন্ট প্রার্থী হিসেবে দেওয়াল লিখন থাকবে।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...