Anulekhon.blogspot.com

Monday, 5 August 2019

জি বাংলা সারেগামাপা গায়ক নোবেল কথা একদম ঠিক।


বাংলা দেশের আবৃত্তি 
বাংলা দেশের আবৃত্তি গায়ক নোবেল একদম ঠিক কথা ও সত্য কথা বলেছেন। যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐ গানটা যখন লেখা হয়েছিল। আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি। সেই সময় বাংলা এক ছিল বাংলা ভাগ হয়নি। আমার মনে হয় গানটি কবিগুরু বঙ্গ ভঙ্গ বন্ধ করার আন্দোলনের সময় লিখেছেন। জানি না আমি সঠিক কিনা? যাই হোক কবিগুরু যখন এই গান লিখেছেন তখন বাংলা ভাগ হয় নি। কারণ কবিগুরু মারা গেছেন স্বাধীনতার আগে। আর দেশ স্বাধীন হয়েছে, ধর্মের নামে কিছু ক্ষমতা লোভী ইংরেজের দালাল বাংলা ভাগ করে দিয়ে ছিল, হিন্দু দের জব্দ করার জন্য, তাদের উদ্দেশ্য সফল হয়েছিল, ঐ বিশ্ব সেরা শান্তি ধর্মের লোক ওটা মানে পূর্ব বঙ্গ ওদের ওখানে হিন্দু ধর্মের লোক দের থাকতে হলে, ধর্ম পাল্টাতে হবে। আর যা সম্পদ আছে তা ভাগা ভাগাভাগি করতে হবে। এসব না মেনে নিতে পারলে দেশ ছেড়ে চলে যেতে হবে। যদি না যাও তাহলে কি হবে তা কল্পনা করতে পারবে না। যে মানুষ ওদের কথা না শুনেছে, তথাকথিত শান্তি ধর্মের লোক তাদের উপর অত্যাচার করে মেরে ফেলে দিয়েছে। সব অত্যাচারের কথা ভাষায় লেখা যাবে না। একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখুন ওদের অনেকের নামের শেষে বা আগে একটা করে হিন্দু নাম আছে। এই কারণেই বলছি কবিগুরু রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের সেই সোনার বাংলা কে, ক্ষমতা লোভী ভারতীয় ইংরেজের পা চাটা কুত্তা আর শান্তির ধর্মের লোকজন ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই কারণেই আমিও মনে করি ঐ আবৃত্তি কার ঠিক কথা বলেছে। আর ওদের সুযোগ করে দেয় জি বাংলা সহ বিভিন্ন ভারতীয় বাংলা চ্যানেল যাতে ওখান কার কিছু মানুষ চ্যানেল দেখে। আমি জানি না কজন মানুষ দেখে ওসব। আমি যতদূর জানি ঐ শান্তি ধর্মের অর্থাৎ সত্যিই যদি ঐ শান্তি ধর্মের লোক হয় তবে দূরদর্শণ বা টিভি চ্যানেল দেখা বন্ধ। একমাত্র ধর্মের বিষয়ে চ্যানেল ছাড়া,ন এই কারণে ও দেশে জাকির নায়েক অতো জনপ্রিয়।বর্তমানে বাংলাদেশ আর সোনার বাংলা নেই, ওরা সব ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই কারণেই আমার মনে হয় ঐ আবৃত্তি গায়ক ঠিক কথা বলেছে। বাংলার শিক্ষা সংস্কৃতি বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান, যা সুন্দর একটা ছবির মতো সুন্দর ছিল তা ঐ তথাকথিত শান্তির ধর্মের লোকজন ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই কারণেই কারণেই কবিগুরুর সোনার বাংলা আর নেই, তাই আমি মনে করি ঐ আবৃত্তি গায়ক ঠিক কথা বলেছে। 

Rummy বা রামি কি জুয়া নয়? কারণ বিজ্ঞাপন দিয়ে রামি খেলার আহ্বান করা হচ্ছে।

জানি না পশ্চিমবঙ্গে কবে থেকে জুয়া জাতীয় খেলায় পরিণত হয়েছে। আমি যতদূর জানি জুয়া খেলা গোটা ভারতে নিষিদ্ধ। দৈনিক লটারি যার টিকিট কেটে খেটে খাওয়া মানুষ সর্বশ্রান্ত হয়ে যাচ্ছে। এই নিত্য লটারি একটা টিকেটের দাম ছ, টাকা এবার যদি দশ সিরিজের টিকিট হয় হয়। দাম হয় ষাট টাকা, আমি দেখেছি অনেক লোক কে দেখেছি এই টিকিট কাটতে শুনিনি কারো লটারি টাকা পেয়েছে বলে। কখনও কখনও হয়তো অল্প কিছু টাকা মেলে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অবিক্রিত টিকিটে পড়ে, তাছাড়া কোথায় খেলা হয় কিভাবে হয় আদৌ হয় কি না কেউ জানে না। এখন অনলাইনের যুগ সেখানে দাঁড়িয়ে এই ব্যবস্থা কতটা সঠিক, অন লাইন রেজাল্ট দেখতে গিয়ে এ সব লটারি কোন নাম গন্ধ নেই। সরকার থেকে এসব বন্ধ করে দেওয়া দরকার, লোভে পড়ে গরীব মানুষ শেষ হয়ে যাচ্ছে। তার উপরে আমি বেশ কিছু দিন যাবৎ লক্ষ করছি, Rummy খেলার আহ্বান জানিয়ে বিজ্ঞাপন দেওয়া হচ্ছে ফেসবুকে। রামি কি জুয়া খেলা নয়। 

রেলের অপ ব্যবস্থা ফলে প্রতি সোমবার সাধারণ নিত্য যাত্রী দের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

প্রতি বছর শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বরে বিপুল সংখ্যক মানুষ বাবার মাথায় জল ঢালতে যান। শনিবার থেকে শুরু করে মঙ্গলবার পর্যন্ত ট্রেনে ওঠার জন্য লড়াই করতে হয়। রেল বাড়তি ট্রেন দেয়, কিন্তু যে সময়ে ঘন ঘন ট্রেন চলাচল দরকার সেই সময় অর্থাৎ স্কুল কলেজ অফিস আদালতে যাওয়ার সময়ে ট্রেন নেই। অনেক কষ্টে একটি বাড়তি ট্রেন দেওয়া হয়, তাও সময়ে আসে না। প্রতি দিন ট্রেন চলাচল ব্যবস্থা অদ্ভুত সুন্দর, মনে করুন ট্রেনের সময় সকাল ৯টা ২৬ মিনিট স্টেশনে ঘোষণা করা হলো ৯টা ২৪ মিনিটে ট্রেন আসবে ৯ টা ৩৫ মিনিটে। অর্থাৎ ঘোষণা অনুযায়ী ট্রেন সময়ে চলাচল করে বাস্তব অন্য কথা বলে, শেওড়াফুলির তারকেশ্বরের মধ্যের সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের শেষ থাকে না। সোমবার এলে তারা কি ভাবে কর্ম স্থলে বা স্কুল কলেজ যাবে তার চিন্তা, এই বাবার ভক্তরা গেটে দাঁড়িয়ে থেকে নিত্য যাত্রী দের বলছে ট্রেনে উঠবে না। কোন কোন ক্ষেত্রে ওরা ঠেলে নামিয়ে দিচ্ছে, যে কোন মূহুর্তে দূর্ঘটনা ঘটে যাওয়া কোন ব্যাপার না। এই সব কারণে তারকেশ্বর আর শেওড়াফুলির মাঝের স্টেশন লাগোয়া অনেক স্কুল কলেজ শ্রাবণ মাসের সোমবার গুলো ছুটি ঘোষণা করে দেয়। আমার অনুরোধ রাজ্য সরকারের বিষয় টি দেখা দরকার, রেল যাতে সঠিক সময়ে বাড়তি ট্রেন দেয় তার ব্যবস্থা করা দরকার।

জম্মু কাশ্মীর বিশেষ মর্যাদা পেলে পশ্চিমবঙ্গ কেন পাবে না।

অন লাইন নিউজ পোর্টালে পড়লাম কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা দিতে রাজি নন সরকার। ৩৭০ ধারা ও ৩৫ এ ধারা তুলে দিতে আজ রাজ্য সভায় বিল পেশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহ জি, কিন্তু বিরোধী রা তুমুল বিরোধীতা করছে। আমি বিরোধী দলের নেতাদের বলছি, আপনারা বিরোধী বিরোধীতা করবেন একদম ঠিক কথা, তাহলে এক কাজ করুন পশ্চিমবঙ্গ, পাঞ্জাব ও মহারাষ্ট্র কে ঐ দুই ধারার মর্যাদা দিন। কারণ স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় অনেক বাঙালির রক্ত ঝড়েছে, আপনারা স্বাধীনতা ভোগ করছেন, ব্যবসা করছেন, চাকরি করছেন, বাঙালি হিন্দু জাতির লোক আপনার স্বাধীনতা পাওয়ার মাশুল এখনও দিয়ে যাচ্ছে। বাংলা ভাগ করে বাঙালি হিন্দু জাতির মেরুদন্ড দণ্ড ভেঙে দিয়েছেন। আপনার মতো নেতা মন্ত্রী দের জন্য বাঙালি আজ আসামে আক্রান্ত বাংলাদেশের মধ্যে তো কথাই নেই। স্বাধীনতা আন্দোলনের সময়ের কথা বাদ দিন, আপনারা স্বাধীনতা ভোগ করতে পারছেন, ১৯৪৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত বাঙালি হিন্দু ধর্মের লোক জন কে স্বাধীনতা যন্ত্রণা দিয়ে যাচ্ছে। না আছে বাংলাদেশে ঠাঁই না আছে ভারতে ঠাঁই। এপার বাংলায় এলেই বলে চল বাঙাল তাড়াই, এটা হয়েছে আপনাদের মতো কিছু স্বার্থ পর নেতার জন্য। আপনাদের মতো কিছু স্বার্থপর ক্ষমতা লোভী নেতা মন্ত্রী সর্বদা সুকৌশলে বাঙালি জাতির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করে রেখেছেন। জানেন বাঙালি জাতি এক হতে পারে তাহলে আপনার গদি থাকবে না। বাঙালি জাতি আজও লাঞ্ছিত অত্যাচারিত, তাদের বিশেষ মর্যাদা দিন যাতে সণ্মান নিয়ে বাঁচাতে পারে। ভিক্ষা নয় চাই সত্যি কার স্বাধীনতা, যে স্বাধীনতা কোন মারোয়ারি বা হিন্দি ভাষী মানুষ বলবে না তুই, বাঙালি তোকে কাজ দেওয়া হবে না। অথচ তারা বাংলায় বাস করে বাংলায় ব্যবসা করবে। আপনারা বলেন প্রাদেশিকতার ঠাঁই নেই, আবার আপনারা সেই প্রাদেশিকতা যাতে বজায় থাকে সেই জন্যই লড়াই করছেন। জম্মু কাশ্মীর, উত্তর পূর্ব ভারতের কয়েক টা রাজ্যে যেমন অরুণাচল প্রদেশ, নাগাল্যাণ্ড দক্ষিণের অন্ধ্রপ্রদেশের একটা অংশ তামিল নাড়ুর কয়েকটি জেলা বিশেষ মর্যাদা পেলে পশ্চিমবঙ্গ কেন পাবে না? 

Sunday, 4 August 2019

35A ও 370 ধারা এখুনি কাশ্মীরে তুলে নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঐ রকম একটা আইন প্রয়োগ করতে হবে। ।

গতকাল ৪/৮/১৯ সর্ব দল বৈঠকের পর, জম্মু ও কাশ্মীরের দুই রাজনৈতিক নেতা কে গৃহ বন্দী করা হয়েছে। সেই পুরনো ইস্যু 370 ও 35A ধারা তোলা যাবে না। আমার মতে বলে অনেক হলো জম্মু কাশ্মীরে ঐ ধারা দুটি আছে, কিন্তু কোন পরিবর্তন হয়েছে কি? না কোন পরিবর্তন হয়নি উগ্রপন্থী কাজ বেড়েই চলছে, প্রায় বিনা পয়সায় খাবার দ্রব্য, পাচ্ছে, আর সেনা বাহিনীর জওয়ান দের উপর পাথর ছুঁড়ে যাচ্ছে। আর ৩৫ এ জম্মু কাশ্মীরের অন্য কোন রাজ্যের অধিবাসি জায়গা কিনতে  পারবে না। অথচ উল্টো টা ওরা করতে পারে, কেন তৎকালীন কংগ্রেস সরকার শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছে, ঐ যে দুটো আছে কী সাম আব্দুলা আর মুফতি ওদের পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। কারণ ঐ দুই ব্যক্তি এবং অন্যান্য সব জম্মু কাশ্মীরের রাজনৈতিক নেতারা এই নিয়ে সর্বদা রাজনীতি করে যাচ্ছে। যদি ঐ ধারা বা বিশেষ সুবিধা বন্ধ না করা হয়, তাহলে সারা দেশে সব রাজ্যে ঐ রকম ৩৫এ এবং ৩৭০ ধারার সুবিধা দিতে হবে। আজ এই বাংলার কোনে কোনে হিন্দি ভাষী মানুষ, বাংলায় বাঙালির জায়গা নেই। মারোয়ারি থেকে বিহারী উত্তর প্রদেশের মানুষে ছেয়ে গেছে, এরা ছারপোকার মতো বংশ বিস্তার করে বাংলা কে গিলে খেতে আসছে। আর বাঙালির মধ্যে সুকৌশলে বিভেদ সৃষ্টি করে যাচ্ছে, ওপার বাংলার অত্যারিত হিন্দু বাঙালি এপার বাংলায় বাঙাল জাতি।অর্থাৎ বাঙাল ঘটি ভাগ হলো আর হিন্দু মুসলমান সে তো আছেই, ওরা তো দেশ ভাগের মূল কারিগর কংগ্রেসের কয়েক জন দিল্লির নেতা মিলে বাঙালি জাতির উপর অত্যাচার নামিয়ে এনেছে। মানুষ পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি দেশের সেনা বাহিনীর উপর পাথর ছুঁড়বে না, এটা ভীষণ ভাবে সত্য। আমার দাবি পশ্চিমবঙ্গের জমি বাঙালির হাতে তুলে দেওয়া জন্য ওরকম একটা আইন চাই। সু

Saturday, 3 August 2019

শাসকের চোখ রাঙানি এখনও বন্ধ হয়নি।

স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও আমরা পরাধীন। স্বাধীনতা এসেছে, ধর্মের নামে দেশ ভাগ করে, এটাই বর্তমান ভারতের মূল সমস্যা, অর্থাৎ ধর্ম ছাড়া আর কোন সমস্যা নেই। শাসকের চোখ রাঙানি বন্ধ হয়নি। ইংরেজ বা ব্রিটিশ ১৭৫৭ সালে নবাব সিরাজ উদ্দৌলা কে পরাজিত করে, বাংলায়, শাসন ভার দেওয়া হয় মিরজাফর কে কিন্তু বেইমান  মির্জাফর কে ইংরেজরা বিশ্বাস করতে পারেনি। অনেক টাকার বিনিময়ে তারা শাসন ভার তুলে দেন, মীরকাশেম কে, কিন্তু ইংরেজ দের চাহিদা তিনি পূরণ করতে গিয়ে প্রজাদের উপর নানা কর বসাতে অস্বীকার করেন। ইংরেজ দের সাথে যুদ্ধে তিনি পরাজিত হন, সেই সময় থেকে বাংলার শাসক হয়ে ওঠে ব্রিটিশ বেনিয়া, কবির ভাষায় "শর্বরী পোহালে, বণিকের মানদণ্ড /দেখা দিল রাজদণ্ড রূপে" শুরু হলো ব্যবসার সাথে সাথে কর আদায়, টাকায় টাকা। বাংলার ক্ষুদ্র বা ব্যবসা ধ্বংস করে নিজেদের আমদানি করা জিনিসের চড়া দামে বিক্রি। বাংলার ব্যবসা কৃষি কাজ, কৃষিজ শিল্প ধ্বংস করে নিজেদের মতো করে আধুনিক কারখানা তৈরি করা। উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে এদের সাথে যোগ দিয়েছিলেন মেরেঠের কিছু ব্যবসায়ী। ব্রিটিশ সরকারকে তুষ্ট করে তাদের মতো করে ব্যবসা শুরু করে ছিলেন, এই মারোয়ারি সম্প্রদায়ের মানুষ। এদের প্রতিনিধি হিসেবে বিশ শতকের গোড়ার দিকে ব্রিটিশদের সাথে সমঝোতা করতে যোগ দেন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বিতাড়িত মানুষ মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী। তিনি এদের ব্যবসার কোনো ক্ষতি হলে সহ্য করতে পারতেন না। সেই জন্যই আইন অমান্য করার ডাক দিয়ে ডাণ্ডি অভিযান ও স্বদেশী আন্দোলন, বিদেশি জিনিসের বদলে দেশের জিনিস মানুষ যাতে কেনে সেই জন্যই বিলেতি দ্রব্য বয়কট করে ছিলেন, যাতে মারোয়ারি সম্প্রদায়ের মানুষ লবণ তৈরি করতে পারে এবং অন্যান্য জিনিসের ব্যবসা করতে পারে। বাঙালিজাতি হুহুজুগে মেতে এর কথায় আন্দোলন করতে যেত জেলও যেত শাস্তি পেত। আমি যতদূর জানি গান্ধী উকিল ছিলেন। কোন দিন কোন স্বাধীনতা সংগ্রামীর জন্য ব্রিটিশ ভারতের আদালতে সওয়াল করেনি। মাঝে মাঝে ইংরেজ দের সাথে গোল টেবিল বৈঠক করতেন। ব্রিটিশ দেখে ছিল ভারতে যদি শাসন করতে হয় তবে, এই লোকটা কে জীবিত রাখতে হবে। তাই যখনই তার প্রাণ সংশয় দেখা দিত, জেলে ভরে দিত। বাঙালি জাতির আন্দোলন কে ইনি সহ্য করতে পারতেন না। আমার মনে হয়, ১৯০৫ সালে বঙ্গ তথা বাংলা ভাগ হয়ে যেত, যদি এই মহান ব্যক্তি এই দেশে থাকতেন। বঙ্গ ভঙ্গ আন্দোলন আর হতো না। ইনি মেরেঠের সমর্থক হয়েও বিহারী বা উত্তর প্রদেশের হিন্দি ভাষি মানুষ কে খুব পছন্দ করতেন। কারণ এরা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে কোন আন্দোলন করত না, উল্টে এই হিন্দি ভাষী মানুষ ইংরেজ দের সাহায্য করে গেছেন সর্বদা সেই কারণেই এদের খুব ভালো লাগত গান্ধীর। এই মহান ব্যক্তি বাঙালি, শিখ আর মারাঠী দের দেখতে পারতেন না। তার মূল কারণ এই তিন জাতি স্বাধীন চেতা পরাধীন তার গ্লানি থেকে দেশ কে মুক্ত করতে নিজের জীবন বাজি রেখে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে, হাসতে হাসতে ফাঁসির মঞ্চে উঠে নিজের জীবন বিসর্জন দিতে পারে।আরকে দিকে এই হিন্দি ভাষী মানুষ, শ্রমিকের কাজ করতে পটু, অর্থাৎ দাসত্ব করতে পারে। সেই কারণেই এদের কদর বেশি, এখন দেখুন কোনো কোনো মারোয়ারি সংস্থা লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলে হিন্দি ভাষী দের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বাংলায় থেকে ব্যবসা করবে, কিন্তু বাঙালি শ্রমিক পছন্দ নয়। সুকৌশলে বাঙালি বিদ্বেষ এখনো আছে, আবার বর্তমানে সেই মারোয়ারির বন্ধু লোক ক্ষমতায়, কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী সভাটা একটু লক্ষ্য করুন, তাহলেই বুঝতে পারবেন। এদের লক্ষ্য আবার বাঙালি জাতি কে ভিটে ছাড়া করা, সেই জন্য নানা ছলনার আশ্রয় কখনো নেতাজী প্রীতি যদি ওতই প্রীতি তবে হিন্দি বলয়ে ইতিহাসে যে বাঙালি জাতির ইতিহাস পড়ান হয় সেটা পাল্টে সঠিক ইতিহাস পড়ানো শুরু হয় নি কেন? শ্যমাপ্রসাদ মুখার্জি কথা বলেছেন। তাহলে তার মৃত্যুর সঠিক তদন্ত হলো না কেন? বাঙালি জাতি টি কে সম্পূর্ণ ধ্বংস না করা পর্যন্ত এই মারোয়ারির গোষ্ঠী প্রতিনিধি রা ছাড়বে না। তাই যত রকম ভাবে পারা যায় তার চেষ্টা করে যাচ্ছে, কখনো হিন্দি ভাষা কে চাপিয়ে দিয়ে, হিন্দু মুসলমানে দাঙ্গা লাগিয়ে, এবিষয়ে মুসলমান রা এগিয়ে দাঙ্গা মানুষ খুন করতে খুব পারে। এই জন্য আজ বাংলাদেশ হিন্দু শুন্য হতে চলেছে। কাদের দয়া না গান্ধীর আর নেহরুর দয়ায়। আর এই সব দল কে আমরা ভোট দিয়ে জিতিয়ে আনছি যাতে বাংলা তথা পশ্চিমবঙ্গের সর্বনাশ করতে পারে। আসামে বাংলাদেশী তাড়ানোর জন্য NRC অভিযান প্রায় চল্লিশ লক্ষ্য হিন্দু ও মুসলমান আজ ভিটে ছাড়ার মুখে। এবার পশ্চিমবঙ্গের পালা, তার জন্যে কোমর বেঁধে নেমেছে, পরাধীন ভারতের আইন আজ লোকসভায় পাশ করে নিয়েছেন, বিরোধীতা করলেই জেল, আর পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ক্ষমতা দখল করতে পারলে সোনায় সোহাগা, গত লোকসভা নির্বাচনে অনেকটা এগিয়ে গেছে সে বিষয়ে, আর এই দল কে ডেকে আনছে দিদি। সিঙ্গুর থেকে টাটা কারখানা তাড়িয়ে গুজরাতে পাঠানো। মুখ্যমন্ত্রী মোদীজি কে ফুল পাঠানো, এখন তো গোপন আঁতাত যাতে সি বি আই না ধরে। সে টাকা দিয়ে হোক আর ফুল মিষ্টি আর আম পাঠিয়ে হোক। বি জে পি কে এই রাজ্যে ক্ষমতায় আনার মূল কারিগর আমাদের দিদি। সেই কারণেই বাঙালি জাতির মধ্যে নানা ভাবে বিভাজন আগে থেকেই তৈরি করা আছে। হিন্দু মুসলমান তো আছেই তার পরেও, ঘটি, বাঙাল । আর এই রাজ্যের মানুষ বাঙাল তাড়ানোর জন্য বহু দিন ধরেই চেষ্টা করে যাচ্ছে। তাদের সে ইচ্ছা মনে হয় দিদি পুরণ করে দেবেন, বি জে পি কে ডেকে এনে। সুকৌশলে বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করে দিতে চক্রান্ত শুরু হয়েছিল স্বাধীনতার আগে থেকেই, সেটা কাজে লাগিয়ে ছিল, ভারতের স্বাধীনতার সময়, সে আশ মেটেনি এখনো বাঙালি জাতি তাদের গরিমা ধরে রাখতে পেরেছে। তাহলে তাদের আবার দেশ ছাড়া করা হোক, ওদিকে বাংলাদেশের মুসলমান তথা শান্তির ধর্মের লোকজন অত্যাচার করে মেরে তাড়িয়ে দিচ্ছে, এপারে NRC আছে, আর স্বাধীনতার সময় থেকে তৈরি করা একটা বিভাজন ওরা বাঙাল।



তারাপীঠের জীবিত কুণ্ডু বা পুকুরেও মানুষ মরে!

আসাম থেকে তারাপীঠ বেড়াতে এসে, তারাপীঠের জীবিত কুণ্ডু বা পুকুরে নেমে ডুবে মৃত্যু হল যীশু চক্রবর্তী নামে আসামের এক পূণার্থীর। খবর টি বিকেলে একটি অনলাইন খবরে পড়লাম। খবর টি পড়ে আমার খুব খারাপ লাগল, মানুষের মৃত্যু মানে দুঃখের, কিন্তু এখানে একটা প্রশ্ন পুকুর টির নাম জীবিত কুণ্ডু অর্থাৎ মরার ভয় নেই, এ বিষয়ে পুকুর টি একটি পৌরাণিক কাহিনী আছে, দ্বারকেশ্বর নদী দিয়ে রাজা জয়দ্রত বাণিজ্যে যাচ্ছিলেন, বাণিজ্য তরীতে তার একমাত্র পুত্র অসুস্থ হয়ে মারা যান। তখন তারা ঐ স্থানে ছিলেন খাবার জোগাড় করতে গিয়ে মাঝি মাল্লারা একটি মাছ ধরে সেটি নিয়ে জঙ্গলে ভেতরে ঢুকে যান কাঠ আনতে ঐ জঙ্গলের মধ্যে একটি পুকুর দেখতে পান যেখানে কোনো নোংরা পরে ছিল না। অত গভীর জঙ্গলে এত স্বচ্ছ জলের পুকুর তারা পুকুরে নেমে, মরা মাছ টি ধুতে গেল পুকুরের জলে স্পর্শ করার পর মাছ টি জীবন ফিরে পেল আর কোথায় চলে গেল। এই ঘটনা তারা রাজাকে এসে বলল, রাজার মন খারাপ তার একমাত্র পুত্র কে হারিয়ে, কিন্তু মাঝি মাল্লারা ছাড়ল না। তারা আরও কয়েকটি মাছ ধরল আরেকটা মরা মাছ সাথে নিয়ে রাজা কে পথ দেখাতে দেখাতে নিয়ে গেল। তিনি সব অবাক এদিকে মাঝি মাল্লারা রাজার মৃত পুত্র কে নিয়ে এসে তাকে পুকুরের জলে ডোবাতেই আশ্চর্য হয়ে গেল,
সে আবার প্রান ফিরে পেল।রাজা জয়দ্রত সেখান থেকে গেলেন না নিশ্চয়ই কোন মাহাত্ম্য আছে, এমন সময় হঠাৎ দৈব বাণী সে শুনতে পেল ওখানে একটা শিমুল গাছের নিচে একটা পাথরের মুর্ত্তি তে তারা মা অবস্থান করছেন। তিনি যেন একটা মন্দির করে দেন। এই পৌরাণিক কাহিনী আমরা শুনেছি, তাহলে যে পুকুরে স্নান করলে মরা মানুষ বেঁচে ওঠে, সেই পুকুরে নেমে মানুষ মারা যাচ্ছে।সব পড়ে বা শুনে অনেকে বলবেন দেশটা পাপে পূর্ণ হয়ে গেছে।

Friday, 2 August 2019

এখানে প্রশ্ন আসে, রুচি বোধের।

রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর বাঙালির গর্ব তিনি বিশ্ব কবি। সারা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন ভাষায় বিশ্ব কবির লেখা পড়া হয়। এটা হতেই পারে, তোমাদের দেশের মানুষ রবীন্দ্র রচনাবলী পছন্দ করেন না। কারণ তোমরা ধর্ম আর জাত পাতে বিশ্বাসী। নিজেকে হয়তো বাঙালি বলে ভাব না, ভাব আমি মুসলিম আর রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর বাঙালি। আমাদের এখানে বেশি ভাগ মুসলিম এটাই বলে, ওদের কোনো পাড়ায় গেলে পরিচয় করায়, বাঙালি এসেছে বলে। নিজে বাংলা ভাষায় কথা বলছে, সব কিছু তাদের বাংলায় তবুও নিজেকে বাঙালি মনে করতে পারে না। এটা তোমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শেখানো হয়, আর এই কারণেই বাঙালি জাতির এই পরিনতি। তোমার দেশের সরকার কে তুমি পরামর্শ দিতে পার, কিন্তু কবি সম্পর্কে খারাপ মন্তব্য করতে দ্বিধা বোধ হচ্ছে না। তুমি সেই কবির রাজ্য থেকে, কেবল দেশ ও ধর্মের জন্যে গানের প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে তৃতীয় না চতুর্থ হয়েছ। আমি মাঝে মাঝে অনুষ্ঠান দেখতাম তোমার গান শুনেছি, তোমাকে নিয়ে জি বাংলা মাতা মাতি করতে পারে, তোমার গান শুনে আমার মনে হয়েছে ওর থেকে আমি ভালো কবিতা বলতে পারি। তোমাকে বলে লাভ কী মাননীয় ত্রিপুরার রাজ্যের রাজপাল, সে কিছু দিন আগে বাংলার বিখ্যাত তিন কবি সুকান্ত, নজরুল, আর বিশ্ব কবি কে অপমান জনক কথা বলে ছোটো করেছেন। আমি তো মনে করি তোমার ভিতরে বাঙালি সত্তা নাই। আগেই বলেছি, তোমারা আজও বাঙালি হতে পারেনি। তোমাদের মননে ধর্মের বেড়াজাল তুমি কোন দিন ঐ জায়গা থেকে বেড়িয়ে, আসতে পারবে না। তাই তোমাদের মতো মানুষের কাছ থেকে এর চেয়ে ভালো কথা আশা করা যায় না। 

Thursday, 1 August 2019

দিদি ও দাদা কে বলছি ।

দিদি আপনি কিন্তু দাদার থেকে একটু পিছিয়ে আছেন। দাদা প্রধানমন্ত্রী সেই কারণেই এগিয়ে আপনি পিছিয়ে পরেছেন । অন্য কোন কারণ নয় এই যে আপনি " দিদি কে বলো" খুলেছেন ও ফোন নম্বর দিয়েছেন। দাদা গত লোকসভা নির্বাচনের আগে থেকে দিয়েছেন। এবার আবার গত মে মাসে দিয়েছেন, স্কিন ছবি একটি দিই।
কে কতটা জন প্রিয় এটা একটা পরীক্ষা, খুব ভালো করেছেন, জানি না এতে কতটা মানুষের দুঃখের অবসান হবে, তবুও আপনাদের মতো  মানুষের কাছে কিছু প্রশ্ন কিছু কথা পৌঁছে দেওয়া যাবে। জানি না কতটা সমস্যা সমাধান হবে, কারণ মনে আছে দিদি, বিহারের সত্যেন দুবের কথা সোনালি চতুরভুজ রাস্তা তৈরিতে দূর্নীতি নিয়ে অটল বিহারী বাজপেয়ি কে চিঠি লিখে খুন হতে হয়েছিল। আবার এই উন্নাও গনধর্ষণ কাণ্ড আবার ব্যাপম কাণ্ড এতো সিনেমাকেও হার মানায়, যে মুখ খোলে সেই খুন। আমাদের রাজ্যের অবস্থা একই কথায় গন পিটুনি বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, খুন ধর্ষণ আর ধর্ষণে আমাদের রাজ্য এখন এক নম্বর। আমার তো মনে হয়, দেশে দুষ্কৃতীদের কাছে যত না আধুনিক অস্ত্র আছে। দেশের পুলিশ বাহিনীর হাতে অত ভালো অস্ত্র নেই। আমাদের রাজ্যের কোন কথা টা আপনাকে বলব ভেবে পাচ্ছি না। সিঙ্গুরের কারখানা তাড়ানোর কথা,না সারদার অভিযোগ নাকি আপনাদের উভয়ের নির্বাচন এলে নিয়োগের প্রতিশ্রুতি।আচ্ছা দিদি বলুন না, গত লোকসভা নির্বাচনের আগে  ২০১২ সালে SSC পাশ করা যে সব চাকরি প্রার্থী ২৮ দিন অনশন করে ছিল, তাদের চাকরি হয়েছে। গতকাল মনে হয়, নদিয়ার পঞ্চায়েতের কিছু চাকরি প্রার্থীকে ডেকে বলেছেন, তাদের সমস্যা মিটিয়ে দেবেন। আপনি আর দাদা খুব ভালো লোক, সব থেকে ভালো লাগে নির্বাচন এলে আপনাদের তরজা কে কত মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন, তার প্রতিযোগিতা। জানেন দিদি, এই মিথ্যা কথা বলা প্রতিযোগিতা যদি অলিম্পিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয় তবে নিশ্চয়ই ভারত একটা স্বর্ণ পদক লাভ করত। আরও অনেক আছে এই যে আপনি বলেছেন, দু টাকা কিলো চাল দিচ্ছেন। আপনার ঠিক করে দেওয়া গরীব মানুষ হচ্ছে, কেউ রেলে চাকরি করে, কেউ স্কুল শিক্ষক, বাইক চেপে দু টাকা কিলো চাল আনতে যায়। প্রকৃত গরীব তেরো টাকা কিলো চাল আনতে যান হেঁটে, কেউ কেউ আবার চলতে পারে না। এই তেরো টাকা কিলো চালও পায় না। লোকের বাড়িতে ঝি গিরি করে এরকম বিধবা, বা স্বামী পরিত্যক্ত মেয়ে যে বাপের বাড়ি থাকে। এদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই, বাম আমলে ছিল না বলে আপনাকে ক্ষমতায় নিয়ে এলো আপনি সেই কাজ করতে শুরু করে দিলেন। মানুষের সামান্য খাদ্য চাল না পায়, তার জন্যে আপনার ভাইয়েরা দুর্গা মণ্ডপে বসে বি পি এল তালিকা তৈরি করে ছিল। বাম আমলে শেষের দিকে এসে এসব হচ্ছিল বলে মানুষ আপনাকে ক্ষমতায় নিয়ে এলো কিন্তু কি হলো। অবস্থা আরও খারাপ হয়ে গেল, এখন কাজ করে খাওয়া দাওয়া করা অর্থাৎ আপনার সরকারি কর্মীদের বেতন যদি পাঁচ হাজার টাকা হয় তাহলে বেসরকারি সংস্থার মালিক কি ভাবে পাঁচ হাজারের বেশি বেতন দেবে।আপনি বলুন যে লোক টা পাঁচ হাজার টাকা বেতন পায় সে না পায় দু টাকা কিলো চাল না পায় তেরো টাকা কিলো চাল, সে বাজার থেকে ছত্রিশ টাকা কিলো চাল কিনে খায়। সাধারণ মানুষ জানে সে সরকারি চাকরি করে। আপনি তো আবার সরকারি কর্মীদের দেখতে পারেন না, তাদের বেতন না দিয়ে কাজ করাতে চান। সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধি করতে আপনার কত টালবাহানা, অথচ অন্য দিকে টাকার হরির লুট চলছে। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা সম্রাট আকবর বা বাবরের রাজত্বে বাস করছি। আরও অনেক কিছু লেখার আছে লিখছি না, আমি জানি আপনি এসব পড়বেন না। পড়লেও কিছু করবেন না, কারণ আমি এর আগেও লিখেছি। অবস্থা বদলায়নি বরং খারাপ হয়েছে, আপনি ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন আপনার শ্রী বৃদ্ধি হোক। আপনি দশ কোটি জন গনের মুখ্যমন্ত্রী আপনি হতে পারলেন না।

বামপন্থীরা রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনে শুন্য আসন হলেও লোক দাঁড়িয়ে তাদের কথা শোনে।

গত লোকসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট সাত শতাংশ ভোট পেয়ে শুন্য আসন পেয়েছে, কিন্তু মানুষ বামেদের বক্তব্য শোনে, কারণ আজ(১/৮/১৯) সিঙ্গুর স্টেশনের পাশে একটি জায়গায় তাদের শ্রমিক সংগঠন সি আই টি ইউ একটি পথ সভা করছিল। সেখানে বামফ্রন্ট নেতৃত্ব বক্তব্য রাখছিল ।মানুষ দাঁড়িয়ে শুন ছিল। নেতৃত্বের বক্তব্য যেটা বলছিল, যে কেন্দ্রে বেচারাম সরকার  বি এস এন কে তুলে দিতে জিও কে 4G পারমিশন দিল, এখন বি এস এন এল উঠে যাওয়ার মুখে। এরকম ছে চল্লিশ টি লাভ জনক সংস্থা কে কর্পোরেট সংস্থার কে বিক্রি করে দিতে যাচ্ছে, বেঙ্গল কেমিক্যাল, কোলিয়ারি, দুর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্ট, এমন কি রেল পর্যন্ত ধীরে ধীরে বেসরকারি করণ করা হবে, তার প্রস্তুতি চলছে। এসবের একটাই কারণ লোকসভা নির্বাচনের সময় প্রচারের বিজ্ঞাপন খরচ বাবদ কোটি কোটি টাকা নেওয়া হয়েছে, এই সব সংস্থা থেকে, তার প্রতিদান সরূপ তাদের দেওয়া হচ্ছে সুযোগ অল্প খরচে লিজ দেওয়া হচ্ছে। রেল যে ধীরে ধীরে বেসরকারি হচ্ছে, তার প্রমাণ হচ্ছে, টিকিট কাউন্টার আছে লোক নেই, আগে সিঙ্গুরে দু পাশে দুটি কাউন্টার খোলা হতো, এখন আপের দিকে কাউন্টার বেলা দু টো পর্যন্ত খোলা থাকে। কর্মী দের তথ্য চেয়ে পাঠানো হয়েছে, উদ্দেশ্য একটাই ছাঁটাই লোক নিয়োগ বন্ধ। লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বা বিজ্ঞাপন আছে, পরীক্ষা দেওয়ার জন্য বেকার ছেলে মেয়েদের কাছ থেকে পাঁচ শ টাকা ব্যাঙ্ক মারফৎ নেওয়া হচ্ছে, কিন্তু নিয়োগের নাম গন্ধ নেই। কারণ আমি ঐ সময়ে একটি অন লাইন নিউজ পোর্টাল দেখছিলাম। সেখানে রেল মন্ত্রক বলছে, লোক ছাঁটাই করা হবে না, দু লক্ষ লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই জারি করা হবে। যেমন লোক সভা নির্বাচনের আগে, দুই সরকার রাজ্য সরকার ও কেন্দ্র সরকার এতো নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করছিল যে রাজ্যের ও কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি সব নিয়োগ হলে, দেশের বেকার সমস্যা অনেকটাই মিটে যাবে। আমাদের রাজ্যের ক্ষমতাসীন দল শিল্প তাড়ুুয়া সরকার। সিঙ্গুরের শিল্প সম্ভবনা কে ধ্বংস করে দিয়ে ক্ষষমতায় এসেছে। সেই  আর কোো শিল্প রাজ্যে আসেনি। মানুষ বামেদের ভুল বুঝে ২০১১ সালে বামেদের সরিয়ে বর্তমান শাসক দল কে ক্ষমতায় এনেেছ। আজ পর্যন্ত সঠিক ভাবে বেকার সমস্যা সমাধান করতে পারে নি। এস এস সি, পি এস সি উঠে  গেছে, প্রাইমারি টেট আর   হয় না। হাজার হাজার বেকার ছেলে মেয়ে চাকরির আশায় ঘুরছে। এই পরিস্থিতি তে রাজ্যের মাানু ভাবছেন এই শাসক দল কে সরিয়ে বিজেপি কে রাজ্যে আনবে। যে বিজেপি কেন্দ্র ও বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতায় থেকেও নিয়োগ করে না। গত পাঁচ বছরে দেশের বেকার সংখ্যা দ্বি গুন হয়েছে। যেমন বিজেপি তেমন বর্তমান রাজ্য সরকার, দুটোই সমান। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...