Anulekhon.blogspot.com

Wednesday, 12 February 2025

বাংলা বাজেট উপঢৌকন রাজনীতি।


 ছবিটি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া। রাজ্য বাজেটের মূল ঘোষণা গুলো দেখুন। আশা ও অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী দের স্মার্টফোন দেওয়া হবে দু শো কোটি টাকা বরাদ্দ। লাভ কার আম্বানির কারণ সরকার ফিচার ফোনে রিচার্জ কুড়ি টাকা করে দিয়েছে। আর স্মার্ট ফোন সব থেকে কম দু শো টাকা। আর আছে কাট মানির ব্যবস্থা, কীভাবে বলছি কোচবিহার জেলার মাধ্যমিক পরীক্ষার তথ্যটা দেখে নিনি। তারপর বলছি কেন এটা হয়েছে।


এটা ফেসবুকে দীপক রায়ের দেওয়া তথ্য। দেখুন মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে হলে রেজিস্ট্রেশন করতে হয় নবম শ্রেণিতে যারা নবম শ্রেণিতে রেজিস্ট্রেশন করে বা নবম শ্রেণিতে পড়ে তাদের সবুজ সাথীর সাইকেল দেওয়া হয়। তাহলে বোঝা যাচ্ছে ঐ জেলায় ৪৫ হাজার সাইকেল এসেছে বা ৯ হাজার সাইকেল বিলি করে ৪৫ হাজার দেখানো হয়েছে। অর্থাৎ ভুয়ো পরীক্ষার্থী ৩৬ হাজার। এবার হিসাব করে দেখুন ৩৬ হাজার সাইকেল কত টাকা দাম। আর এজন্য যত উপঢৌকন প্রকল্প যত প্রকল্প তত কাটমানি সামনে ভোট এসব না হলে মদ মাংস আসবে কোথা থেকে! আর সরকারী কর্মচারী দের ডি এ দিলে কাট মানি পাবে না। এই সরকার জানে ডি এ না দিলেও কিছু সরকারি কর্মচারী আনন্দ সহকারে ই ভি এম পাল্টে দেবে। মেমরি কার্ড বদল এগারো ঘন্টা ভোট হবার পর জমা আবার পনেরো কুড়ি দিন পর গগনা তার পরেও ব্যাটারি চার্জ থাকবে ৯৯% থেকে ১০০% এসব কথা বলার মত লোক নেই। কারণ যারা বলবে সেই সরকারি কর্মচারী গন কাটমানিতে পুষ্ট। বেশ চলছে। জিনিস পত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া, মানুষের আয় কমে গেছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে ছোট খাটো দোকান মাছি তাড়াচ্ছ। কারণ সরকারি নিয়োগ নেই বেসরকারি নিয়োগ নেই কম বেতনের কর্মী বেশি পাঁচ ছ হাজার বা সব থেকে বেশি হলে দশ হাজার টাকা। আর এটাও ঠিক এই শাসক দল যেমন করে হোক ২০২৬ এ জিতবে উপঢৌকন দিয়ে মানুষ মরবে ভোটের নামে প্রহসন করা হবে। যেমন করে হোক জিতবে এবং বাঙালি জাতি আরো ধ্বংসের দিকে যাবে। শিক্ষা গেছে স্বাস্থ্য গেছে রোজগার গেছে মান সম্মান গেছে। বাঙালি আজ চোরের জাতিতে পরিনত হয়েছে এর থেকে বড় লজ্জার আর কি আছে! 

Monday, 3 February 2025

রাজ্যের পোষা কিছু সাংবাদিক রোজ ডি এ দিচ্ছে!


 ছবিটি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকার ডি এ না দিলে কি হবে এই রকম সংবাদ মাধ্যম প্রতিদিন ডি এ দিয়ে যাচ্ছে। এরা এখন পর্যন্ত যা ডি এ দিয়েছে, নতুন বেতন ক্রমে কেন্দ্রীয় সরকার যত শতাংশ ডি এ দেয় তার দ্বিগুণের থেকে বেশি আজ আবার অতিরিক্ত পাওয়া সপ্তম বেতন কমিশন। গাছে কাঁঠাল গোঁফে তেল এসব প্রচার করে কী পায় এরা টাকা! না চুরির টাকার ভাগ ২৫%। এখন এসব প্রচার বেশি করে হবে কারণ আসছে বছর 2026 বিধানসভা নির্বাচন। এ সরকার কর্মচারী মারা সরকার এ কখনোই ডি এ দেবে না। সর্বপোরি এক একজন চরম মিথ্যাবাদী ক্ষমতায় আসার আগে লম্বা চওড়া কথা আর যেই এসেছে শুরু হয়েছে লুটপাট যেখানে লুটপাট করা যাবে না সেখানে টাকা নেই। যেমন সাইকেল দেওয়া যার বাবা চার চাকা বা স্কুটি মোটর সাইকেল কিনে দিতে পারে তাকেও একটা সাইকেল আর সাইকেল দেওয়ার টাকা কীভাবে লুট হচ্ছে অনেকেই জানে না। এছাড়া অনেক ভাতা প্রকল্প যার প্রয়োজন নেই সেও পায়। আর এই দুর্গ পুজোর অনুদান  এখন পর্যন্ত এই অনুদান দিতে ২০০০ কোটি টাকা লেগেছে। কোথায় লুট নেই যত শ্রী আর ভাণ্ডার আছে সব গুলো চালু করা হয়েছে লুটে খাবার জন্য। কেউ যদি কিছু বলেছে তাহলেই একটাই কথা আমি আমার টাকা দিচ্ছি কারো বাপের টাকা নয়। এই টাকা কারো বাপের নয় মায়েরো নয়  জনগণের ট্যাক্সের টাকা। আবার এক শ্রেণির কর্মচারী আছে যাদের ডি এ পে কমিশন লাগে না তারা কাটমানিতে পুষ্ট। আরেক শ্রেণির আছে যারা ভয়ে ভয়ে থাকে এবং এই দুই শ্রেণির কর্মচারী ভোটে জিততে এবং কাটমানি তোলা বাজিতে সাহায্য করে। বিশেষ করে পুলিশ আর পঞ্চায়েত এবং বি ডিওর বেশির ভাগ কর্মচারী এরা। আর বেতন কমিশন সে তো ললিপপ এমন বেতন বেতন কমিশন হয়েছে যে সিনিয়র কর্মী জুনিয়র কর্মীদের থেকে কম বেতন পায়। এর অবশ্য একটা কারণ আছে বেশিরভাগ জুনিয়র কর্মী ঘুষ দিয়ে, সাদা খাতা জমা দিয়ে পরীক্ষা না দিয়ে চাকরি পেয়েছে। লাখ লাখ টাকা পাওয়া চাকরি সেই টাকা যাতে তাড়াতাড়ি ওঠে সে কারণেই এই রকম বেতন কমিশন। তবে একটা কথা ডি এ না দিয়ে ডি এ শ্রী চালু করলে বরং কাটমানি পাওয়া যাবে। সরকারি কর্মচারী দের অনুরোধ আপনারা ডি এ শ্রী দেবার দাবী করুন প্রথম হাজার তার পর সেটা দেড় হাজার হবে। 

Saturday, 1 February 2025

১২ লক্ষ টাকা ট্যাক্স ছাড় কেউ কেউ বলছেন ১২ লক্ষ ৭৫ হাজার।

 

ছবিটি ডেইলি হান্ট নিউজ ওয়েব সাইট থেকে নেওয়া। সব সংবাদ মাধ্যম দেখাচ্ছে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম ট্যাক্স ছাড় আবার কেউ কেউ আবার ১২ লাখ ৭৫ হাজার। এই সব অন লাইন নিউজ পোর্টালের কাছে আমার প্রশ্ন একটু বুঝিয়ে বলেন তো কীভাবে ১২ লাখ পর্যন্ত ছাড় হয়। এই নিউজ পোর্টাল হেড লাইন করেছে ১২ লাখ পর্যন্ত ছাড় অথচ ট্যাক্স স্ল্যাবে দিচ্ছে তখন আরেক রকম এরকম বিভ্রান্তি কেন। এদের দেওয়া ট্যাক্স স্ল্যাব দিলাম। 


এই হিসাবে কীভাবে ১২ লাখ পর্যন্ত ছাড় ট্যাক্স ছাড় হয় একটু বুঝিয়ে দিলে ভালো হতো! কারণ যিনি বছরে বারো লাখ টাকা আয় করবেন আপনার দেওয়া নতুন স্ল্যাবে ট্যাক্স পড়বে প্রথম ৪ লাখ টাকা ছাড়। অর্থাৎ ১২ লাখ থেকে ৪ লাখ বাদ দিলে থাকল ৮ লাখ ।এবার ৪ লাখ টাকা বাদ দিয়ে পরবর্তী ৮লাখ টাকার ৫% ট্যাক্স অর্থাৎ ৮লাখ x ৫% = ৪০০০০ টাকা কীভাবে ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত ইনকাম ট্যাক্স ছাড় হলো একটু বুঝিয়ে বলুন। আপনার দেওয়া স্ল্যাবে যার ১২ লাখ টাকা আয় তাকে ট্যাক্স দিতে হবে ৪০ হাজার টাকা। ভালো করে বুঝে সংবাদ করেন না কেবল বিজেপি বা মোদীর পা চাটতে গিয়ে এরকম ভুল ভাল খবর করেন। 


Friday, 31 January 2025

মানুষের আশা এই অর্থ মন্ত্রী জিনিস পত্রের দাম কমাবে!

 

সৌজন্য :ছবিটি  ডেইলি হান্ট অন লাইন নিউজ পোর্টাল থেকে নেওয়া।এই অর্থ মন্ত্রী এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সহ অন্যান্য মন্ত্রী সব কটা এক একটা চরম মিথ্যাবাদী এরা এক বলে ক্ষমতায় আসে এমন কি ভোটের ই ভি এম পাল্টে দিয়েও ক্ষমতা দখল করে কেবল চুরি করার জন্য আর গরীব মধ্যবিত্ত নিম্ন মধ্যবিত্তের গলা কেটে পকেটে ভর্তি করতে। ক্ষমতায় এলো পেট্রোলের দাম রান্নার গ্যাসের দাম কমাবে খাদ্য দ্রব্যের দাম কমানো হবে বলে এই দশ বছরে এমন দাম বেড়েছে যা স্বাধীনতার পর পঁচাত্তর বছরে বাড়ে নি। কোন কোন জিনিসের দাম একশ গুন বেড়েছে একটা আশ্চর্যের বিষয় ব্রিটিশ সরকার কোন দিন খাদ্য দ্রব্যের উপর ট্যাক্স আরোপ করে নি। বর্তমান এই দ্বিতীয় ইংরেজ সরকার খাদ্য বস্তুর উপর জি এস টি লাগিয়ে দিয়েছে। একজন ছোট খাটো বেতনের চাকরি করা নিম্ন মধ্যবিত্তের গলা টিপে ট্যাক্স আদায় করে আর আদান আম্বানির মত বড় বড় শিল্প পতি দের ট্যাক্স মুকুব থেকে শুরু করে ঋণ মুকুব সব চলছে ব্যাঙ্ক গুলো দেউলিয়া হবার পথে। ব্রিটিশ শোষণ করত এখন গুজরাটিরা ভারত বর্ষ কে শোষণ করছে লুটে খাচ্ছে। কারণ এরা দ্বিতীয় ইংরেজ বিদেশি দের পা চাটা এদের স্বভাব। এরা এত ভালো শাসক যে দিনে কোটি টাকার উপর খরচ করে এদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হয়! হ্যাঁ যে কথা বলছিলাম একজন কম বেতনের চাকরি করা নিম্ন মধ্যবিত্ত তিন ধরনের ট্যাক্স দিচ্ছে এক পি ট্যাক্স, দুই জি এস টি আর ইনকাম ট্যাক্স। ইনকাম ট্যাক্সের কি সুন্দর ব্যবস্থা, ঘোষণা করা হচ্ছে সাত লাখ পর্যন্ত ট্যাক্স ছাড় কিন্তু যেই সাত লাখ এক টাকা হচ্ছে তখন তিন লাখ ছাড় আর পঁচাত্তর হাজার কি স্ট্যান্ডার্ড ছাড় বাকি প্রথম দু লাখে পাঁচ শতাংশ আর বাকি তে দশ শতাংশ গলা টিপে আদায় করে নিচ্ছে। ব্যাঙ্কে যান এ্যাকাউন্টে যদি হাজার টাকার কম রেখেছেন পনেরো দিন পর দেখবেন সেই হাজার টাকার নীচের টাকা নেই কেটে নিয়েছে। আর যদি এ টি এম কার্ড থাকে তাহলে তো কথাই নেই নানা অজুহাতে টাকা গায়েব আপানার ব্যক্তি গত সব তথ্য দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে আর সেই তথ্য দিয়ে বিশেষ করে যে কেউ আপনার কোন এ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে সব দেখে নিচ্ছে। অর্থাৎ গরীব খেটে খাওয়া মানুষ থেকে মধ্যবিত্ত আজ চরম শোষণের শিকার। আচ্ছা কেউ কোনো দিন শুনেছেন আদানি বা আম্বানির বা ঐ রকম কোন ব্যক্তির এ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে গেছে না শুনবেন না। আচ্ছা কোন মন্ত্রীর এ্যাকাউন্ট থেকে টাকা গায়েব হয়ে গেছে শুনেছেন না শুনবেন না কারণ তাদের সব কিছুতেই ছাড় জনগণের টাকায় তারা বসে বসে আয়াস করে কম দামে খাবার সব কিছুতেই ছাড় পাঁচ বছর থাকলেই পেনশন আর একটা কর্মী দশ কুড়ি বছর চাকরি করবে এমন আইন করেছে তাকে পেনশন দেবে না। এদের গালাগাল দিলেও এদের কিছু হবে না। এরা মানুষ নয় এদের মানুষ বললে বনের পশুরা লজ্জা পাবে। এমন ভালো কাজ করে সব কটা সিকিউরিটি গার্ড নিয়ে ঘোরে, আমাদের পশ্চিমবঙ্গের নেতা মন্ত্রী তাদের তো কথাই নেই প্রস্রাব করতে গেলেও সিকিউরিটি গার্ড লাগে সে পঞ্চায়েতের ছোট নেতা থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পর্যন্ত সকলের এই সিকিউরিটির পিছনে কোটি কোটি টাকা খরচ। এখন এমন দেখা যাচ্ছে সরকার সিকিউরিটি গার্ড দেয় নি সে নিজে বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ড নিয়ে ঘুরছে, নেতা যাচ্ছে তার দু পাশে কালো গেঞ্জি কালো প্যান্ট কালো চশমা পরে তার বেসরকারি সিকিউরিটি গার্ড যাচ্ছে। আর হবে না কেন এমন এক জন নেই যে চুরি করে না। এখন তো বি ডি ও অফিস থেকে পঞ্চায়েত অফিসের কর্মচারী যে যেমন পারছে লুটে নিচ্ছে। সে মিড ডে মিলের চাল থেকে টাকা, লক্ষী ভান্ডার থেকে স্বাস্থ্য সাথী কোথায় চুরি নেই সর্বত্র। বিশেষ করে রাস্তা তৈরি দারুণ ব্যবস্থা একজন ঠিকাদার কে জিজ্ঞেস করে ছিলাম ভাই তুমি তো পিচ রাস্তা করলে কিন্তু তিন মাস পর পিচ আর খোওয়া সমেত উঠে চলে যাচ্ছে। সে রসিকতা করে বলল দেখ ভাই গুর একটু বেশি করে দিয়ে ছিলাম ঐ জন্য গরু আর কুকুরে চেটে খেয়ে নিয়েছে। অর্থাৎ দেওয়ার কথা তিন ইঞ্চি মোটা কিন্তু নেতার চাপে সেটা হয়েছে হাফ ইঞ্চি কারণ না এলাকার ছোট বড় নেতা রাস্তায় কাজ করতে দেবে না। রাস্তার পাশে মাল মেটেরিয়ালস রাখতে দেবে না। ছাড়ুন এসব যে কথা বলতে বা লিখতে গেলাম হল না অন্য কথায় চলে গেলাম। এখন এই সরকার কোন কিছুর দাম কমাবে না যাতে দাম বাড়ে তার নানা ব্যবস্থা, আচ্ছা একবার ভাবুন তো পেট্রোলে, ইলেকট্রিকে জি এস টি নেই কেন? আর এখন পশ্চিমবঙ্গে ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম সে তো বলার নেই যে কোনো ভাবে প্রতি মাসে এরা গলা কাটছে। তিন মাস অন্তর বিল দিচ্ছে স্যালাব বেড়ে যাচ্ছে বেশ গলা কেটে দাম নেওয়া যাবে। এখন তো আবার স্যালাব কে তিন ভাগের এক ভাগ করে দেওয়া হয়েছে যাতে আরও বেশি আদায় করতে পারে। সব কটা চোর আর মিথ্যাবাদী। 

Tuesday, 28 January 2025

মি ডে মিলের সোশ্যাল অডিট।


 বাম আমলে কিছু বাম বিরোধী শিক্ষক শিক্ষিকা দের বলতে শুনেছি পারলে পঞ্চায়েতের চৌকিদারকে স্কুল ভিজিটে পাঠায়। এখন যা দেখছি পঞ্চায়েতের চৌকিদার নয় পাড়ার দু তিন জন মহিলা কে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে সোস্যাল অডিটের নামে স্কুল পরিদর্শনে তারা এসে যাবতীয় খাতা পত্র দেখছে বিশেষ করে মিড ডে মিলের খাতা হিসেবে আর ও দিকে মিড ডে মিল খাওয়ার টাকা এবং চাল সময়ে নেই, প্রতি বারে টাকা এবং চালের পরিমাণ কমছে। বিশেষ করে বেশি ছাত্র ছাত্রী আছে এরকম স্কুলে, সব মেনে নিতে হবে না হলে বিপদ আছে। এই পাড়ার মহিলা দলের বিশেষ নাম দেওয়া হয়েছে ভি আর পি। তারা নাকি স্কুলের সব কিছু দেখবেন এবং ছবি তুলে নিয়ে যাবেন। নেতিবাচক কিছু থাকলে বিডিও প্রধান শিক্ষক শিক্ষিকা কে ধমকানি দেবে। মিড ডে মিল টাকা সে তো ডুমুরের ফুল কবে আসবে কেউ জানে এবং কত দিনের দেওয়া হবে কত টাকা দেওয়া হবে সেটাও শিক্ষক শিক্ষিকা জানে না। আবার খাওয়ানো বন্ধ করা যাবে না কারণ বাচ্চা দের জন্য। আরেকটা বিষয় আছে বিকেল চারটের মধ্যে এস এম এস পাঠাতে হবে এটা বাধ্যতামূলক। এবার টাকার কথায় আসি, মিড ডে মিলের সব কিছু প্রধান শিক্ষক ঋণ করে আনবেন এবং কখনো এক মাস, কখনো তিন মাস পর টাকা দেওয়া হবে দেখা গেল যত টাকা খরচ হয়েছে তত টাকা এলো না। এবার ঋণের দায় প্রধান শিক্ষক এর, আরেকটা ভালো বিষয় এখন চালু হয়েছে, গ্যাস নেওয়ার জন্য মিড ডে মিল এ্যাকাউন্টে টাকা রাখতে হয়, কারণ রান্নার গ্যাস ধারে বা ঋণ করে ক্রয় করা যাবে না। টাকা দেওয়ার সময় লক্ষ্য করা হচ্ছে এ্যাকাউন্টে কত টাকা আছে সেটা কেটে টাকা দেওয়া হচ্ছে। জানা ছিল যত জন ছাত্র ছাত্রী তার ৮৫% এর টাকা দেওয়া হবে। এখন মনে সেটা হয় সেটা হয় না, কারণ শিক্ষক শিক্ষিকাদের জানানো হয় না কত দিনের টাকা আর কত জনের দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তোমাকে ভালো ভালো খাবার খাওয়াতে হবে না হলে ঐ ভি আর পি আরো কিছু আছে যারা ভিজিটে এসে আস্থির করে তুলবে। এরা সব জানে, জানে যে চেক পেমেন্ট করতে হলে এ্যাকাউন্টে টাকা থাকতে হবে না হলে চেক বাউন্স হবে ধরবে কাকে না প্রধান শিক্ষক কে। আমি জানি না এই মিড ডে মিলের টাকার যে অংশ কেন্দ্রীয় সরকারের তারা এই রকম টাকা কেটে টাকা দেয় কি না! কিন্তু এরা সব দিক থেকে প্রধান শিক্ষক দের বিপদে ফেলে দিচ্ছে এক দিকে ঋনের ফাঁদ আরেক দিকে টাকা, ব্যাঙ্ক এ্যাকাউন্টে টাকা থাকলে কেটে নেওয়া, যাতে চেক বাউন্সের বিপদে পড়ে, দারুন চলছে কিছু বলার নেই। এরাই ২০১১ সালে এপ্রিল মে জুন এর টাকা দেয় নি। 

Thursday, 14 November 2024

প্রাথমিকে পঞ্চম মাধ্যমিক বিদ্যালয় ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি নেবে তো!

 

আসছে 2025 সালে বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করতে হবে তার তালিকা তৈরি করে দেওয়া হয়েছে। কথায় বলে ঠান্ডা ঘরে বসে পাগলা পনা এটাও ঠিক তাই কারণ অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্র ছাত্রী অনুযায়ী বসার মত ঘর শিক্ষক নেই, সেসব ঠিক না করে হঠাৎ পাগলের মত আদেশ পঞ্চম শ্রেণি শুরু করতে হবে। ঘর! যার গাল ভরা একটা নাম আছে ACR তার আবার অনেক নিয়ম নীচে জায়গা না থাকলে ঘর পাওয়া যাবে না। আবার যদি স্কুলের প্রধান শিক্ষক সরকারের সমর্থক না হন তাহলে তো কোনো কথাই নেই, তবে  এই সরকারের সমর্থক হলে বা চোর কে চোর না বললে তাহলে জায়গা না থাকালেও উপরে ছাদ করে ঘর করে দেবে সব হয়ে যাবে। আর টয়লেট বা প্রস্রাবাগার সেও একই হাল কিছুতেই পুরাতন টায় ছাদ করে তার উপরে হবে না ছাত্র ছাত্রী যতই বেশি হোক আবেদনের পর আবেদন কোন কাজ হবে না। ওটা নাকি নবান্ন থেকে বারণ করা আছে। ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা 400 হলেও হবে না ঐ কোনো রকমে চালাতে হবে কারণ নীচে ফাঁকা জায়গা নেই।আঠারো জন ছাত্র ছাত্রী সেখানে নতুন করে ঘর করার টাকা দেওয়া হয়েছে, এসবের উপর আছে এই সব পাগলা দের আদেশ যেটা পালন না করলে হুমকি আছে। অতিরিক্ত ঘর করার জায়গা নেই বা বসানোর জায়গা নেই তাতে কি পঞ্চম শ্রেণি চালু করতে হবে। আরেকটা কথা না বললেই নয় এর দু বছর আগে কত গুলো প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করা হয়েছিল কিন্তু উচ্চ বিদ্যালয় বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়েও পঞ্চম শ্রেণি চালু ছিল ফলে যা হবার তাই হল, যে সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণি চালু করা হল পরের বছর মাধ্যমিক বিদ্যালয় গুলো ঐ ছাত্র ছাত্রী দের আর ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি নেয় না। শেষে অনেক কষ্টে প্রশাসন থেকে চেষ্টা করে তাদের মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করা হল তার পর ঐ সব প্রাথমিক বিদ্যালয় পঞ্চম শ্রেণি বন্ধ করে দিল। সেই কারণেই বলেছি এই সরকার এবং তার কর্মী গন ঠান্ডা ঘরে বসে একটা করে আদেশ করে আর সেটা বাস্তবের মাটিতে যা সম্ভব নয়। অর্থাৎ পাগলামির চুরান্ত পর্যায় ।

Wednesday, 13 November 2024

এই হচ্ছে প্রকৃত শিক্ষিকা।


 খবরটা পড়ে দেখুন একজন শিক্ষিকা তিনি নাকি প্রধান শিক্ষিকা এত দায়িত্ব শীল যে আসতে এত দেরি করেছেন যে ছাত্র ছাত্রীরা গেট বন্ধ দেখে বাড়ি চলে গেছে। এ নিশ্চয়ই শিক্ষা সেলের লোক সে কারণেই পরিদর্শক সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছে। এই শিক্ষা সেলের শিক্ষক শিক্ষিকা রা যা খুশি তাই করতে পারে যখন তখন আসতে যেতে পারে ছুটি নিতে পারে। বাড়িতে বসে বসে বেতন পেলে এদের খুব ভালো, চিন্তার কারণ নেই এদের কাছে সংসদ সভাপতির ফোন নম্বর থাকে অন্য শিক্ষক শিক্ষিকা কিছু করলে বা ঐ শিক্ষা সেলের না হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য, সংসদ সভাপতি এদের ভীষণ ভালো বাসেন হাজার হোক দলে লোক চোর কে চোর বলতে জানে না, সত্যি কী রাজত্ব এল স্কুল পঠন পাঠন উচ্ছন্নে যাক আমার বেতন ঠিক ঠিক ঠাক হলেই হবে। কারণ প্রশাসনের হাত এদের মাথায় আছে এরা কিছু পারুক আর না পারুক চেয়ারম্যান থুরি চেয়ার পার্সন কে দিয়ে তাকে যা করার করতে পারে। কারণ আগেই বলেছি এদের কাছে মন্ত্রী আমলা সকলের ফোন নম্বর আছে। 

Monday, 4 November 2024

অপরাধী তার অপরাধ স্বীকার করে না এটা ঠিক।


 অপরাধী কখনো তার অপরাধ স্বীকার করে না এটা ঠিক কিন্তু সে যেটা বলছে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা কথা। এখানে আর জি কর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়ের কথায় তাকে কে ফাঁসানো হচ্ছে কে ফাঁসাচ্ছে না সরকার অর্থাৎ প্রশাসন এটা একটা মারাত্মক অভিযোগ কিন্তু বর্ধমান তদন্ত কারি সংস্থা বা বিচার ব্যবস্থা বা তার কথা শুনছেই না। তাকে ফাঁসানো হচ্ছে চিৎকার করে বলছে তবুও কেউ গুরুত্ব দিয়ে ভাবছে না। কারণ পেছনে বড়ো বড়ো মাথা জানে ওকে ফাঁসিতে ঝোলাতে পারলেই সব মিটে যাবে। কত নিষ্ঠুর এই প্রশাসন সত্যিই ও যদি নির্দোষ হয় তাহলে তো দ্বিতীয় ধনঞ্জয় ঘটে যাবে বাংলায় দয়া করে ওর কথার গুরুত্ব দিন আবার জিজ্ঞাসা বাদ করুন সত্যিটা বেড়িয়ে আসুক। সি বি আই কি চাইছে না সত্যি টা বেড়িয়ে আসুক। নাকি সেই কবির ভাষা সত্যি হবে প্রতিকার হীন শক্তের অপরাধে বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে। 

Saturday, 2 November 2024

ডি এর জন্য বুক ফাটে মুখ ফোটে না।

 বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে ছুটি চাইতে হয় না। বছরের প্রায় অর্ধেক দিনের বেশি অফিস স্কুল কলেজ সব ছুটি এবং শাসক দলের সমর্থক শিক্ষক শিক্ষিকা তাদের বাড়িতে বসিয়ে বেতন দিলে খুব ভালো হয় এমন অবস্থা। কারণ স্কুলে এসেই যত বাড়ির কাজ ডাক্তার দেখানো, নিমন্ত্রণ বাড়ি যাওয়া ব্যাঙ্কে যাওয়া আরো কত কি আছে। চারটে পর্যন্ত স্কুলে থাকা এদের কুষ্টিতে নেই আর কবে বেতন হবে মাসে দুবার দিলে ভালো হতো কিন্তু দুর্ভাগ্য এই সরকার ছুটি দেয় কিন্তু ডি এ দেয় না। শাসক দলের শিক্ষক শিক্ষিকারা ডি এ চায় অনেকেই কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারে না। এরা ছুটির পাশাপাশি ডি এ ও চায় কিন্তু বলার ক্ষমতা নেই বা সাহস নেই কারণ সাদা খাতা জমা দিয়ে চাকরি বা পরীক্ষা না দিয়ে চাকরি আর ক্লাসে কীভাবে ছাত্র ছাত্রী দের হেনস্থা করতে হয় এটা ভালো জানে। স্কুল আর বাড়ি এদের এক হওয়া চাই একটু গরম সহ্য করতে পারে না। মনে হয় ফুলের ঘায়ে মুর্ছা যাবে। স্কুলের বাথরুম থেকে অন্য সব হাতের কাছে কিন্তু টাকা কোথা থেকে আসবে কে দেবে ওসব জানে না। লাগে টাকা দেবে প্রধান শিক্ষক না দিলে বাকি সরকারি আধিকারিক বা অন্য কোন ভাবে তাকে হেনস্থা করা হবে। ঐ হুমকি রাজনীতি আর এক্ষেত্রে যেমন দিদি তেমন তারা চ্যালা একটা ডাহা মিথ্যাবাদী এবং ধাপ্পাবাজ চোরের দল এবং ঐ জন্যে সমর্থন করে ডাকাত রানি কে কিন্তু মুখ ফুটে বলতে পারে না। আমাদের ডি এ চাই বেতন আরও বেশি চাই আড়ালে মুখে বলছে কিন্তু আসল জায়গায় বলতে পারে না, কি অবস্থা এদের। ডি এ এর জন্য বুক ফাটে কিন্তু মুখ ফোটে না।

Friday, 4 October 2024

একটি মৃত্যু নিয়ে তামাশা।

 অনেক শিশু শিক্ষার্থীর ছোট থেকেই স্বপ্ন থাকে ডাক্তার হবে, আমি দেখেছি যখন শিক্ষক শিক্ষিকা জিজ্ঞেস করে তুমি বড়ো হয়ে কী হতে চাও। অনেক শিক্ষার্থী বা পাঠরত শিশু বলে আমি বড়ো হয়ে ডাক্তার হব। এখন যা সিলেবাস এর ছিড়ি তাতে করে ডাক্তারি প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করা দুঃসাধ্য যেসব ছেলে মেয়ে এই প্রবেশিকা পরীক্ষায় বসতে চায় তারা অতিরিক্ত ভাবে দিল্লি বোর্ডের বই নিয়ে পড়া শোনা করে না হলে সর্ব ভারতীয় এই পরীক্ষায় পাশ করা কঠিন। কেবল এই ডাক্তারি পরীক্ষা নয় সর্ব ভারতীয় যে কোন পরীক্ষা এখন ঐ দিল্লি বোর্ড বা সি বি এস সি সিলেবাস থেকে প্রশ্ন হয়। আসলে ভারতের আঠাশ টা রাজ্য আছে এবং তাদের ভাষা গত অমিল আছে এবং সিলেবাসে তফাৎ থাকে সেসব ঐ পরীক্ষায় ধরা হয় না। যাহোক বাধ দিন ওসব কারণ ওসব নিয়ে লিখতে লাগলে শেষ হবে না। আজ পশ্চিমবঙ্গে একটি ডাক্তারি পড়ুয়া মেয়ের মৃত্যু হয়েছে, এর আগেও ঐ আর জি করে দু জন ঐ রকম ডাক্তারি পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে কিন্তু কোনো তদন্ত হয় নি। কারণ প্রশাসন হচ্ছে নির্লজ্জ বেহায়া তারা টাকা ছাড়া আর কিছু জানে না। তোলা তোল অর্থাৎ টাকা চাই সে যেভাবে হোক, কারণ না হলে শাসক দলের নেতা মন্ত্রী এবং বর্তমানে পুলিশ প্রশাসনের উচ্চ মহলের চলবে না। পুলিশ এখন ব্রিটিশ ভারতের তথা উপ্যনিবেশিক শাসন কায়েম করেছে। সাধারণ মানুষ কোন ঘটনা নিয়ে যাক আগে খোঁজ নিয়ে নেওয়া হচ্ছে তার রাজনৈতিক পরিচয় সে যদি শাসক দলের কোন নেতা ধরে যায় তাহলে কাজ না হলে হবে না। আর হয়রানি আর হুমকি সে তো আছেই কারণ আমার এ বিষয়ে অভিজ্ঞতা আছে, গত দু হাজার কুড়ি সালে আমার একটা মোবাইল হারিয়ে ছিল আমি হরিপাল থানায় গিয়ে জি ডি করতে গিয়ে ছিলাম। তিন থেকে চার ঘন্টা বসিয়ে রেখে ছিল সামনেই দেখছিলাম বসে বসে গল্প হচ্ছে কত রকম কথা তার পর যখন দয়া হল তার আবার কত রকম ফিরিস্তি আর ধমক মনে হচ্ছিল আমি থানায় গিয়ে খুব ভুল করেছি, গিয়ে ছিলাম এই কারণেই যে মোবাইল টি সিম কার্ড সমেত হারিয়ে। যদিও সে মোবাইল আজ পর্যন্ত ফেরত পায় নি, কারণ তখনই বলে দেওয়া হয়েছিল পাবেন না। আরো আছে আমার এক আত্মীয়র টাকা অন লাইন চুরি হয়েছিল। 2021 সালে  কামারকুণ্ডু সাইবার থানায় ঘুরে ঘুরে তার জুতোর শুকতলা খয়ে গেছে শেষে বলেই দিয়েছে ও টাকা ফেরত পাওয়া যাবে না। অথচ দেখুন কে কার সাথে কথা বলেছে সেই কণ্ঠ স্বর চিনে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে বা হচ্ছে। আপনি আমি যদি কিছু মিম বা নিজের মতামত প্রকাশ করি সাথে সাথে পুলিশ বাড়িতে চলে আসছে। আর সারা রাজ্যে দিনের পর দিন ঘটে যাওয়া খুন ধর্ষণের আসামি দের খুঁজে পাচ্ছে না। আসলে বড়ো বড়ো চোর ডাকাত মিথ্যাবাদী গুণ্ডা সব মিলে একটা দল তৈরি করেছে, এদের সাথে পুলিশ পুরোপুরি যুক্ত বর্তমান পুলিশের নীচুতলা থেকে উপর তলা সকলে এই চুরি ডাকাতির নির্দিষ্ট ভাগ পায় সে কারণেই এরা চোর ডাকাত দের পাহারা দেয়। এবং চোর ডাকাতের কথায় সাধারণ মানুষের উপর অত্যাচার করে। একদম দ্বিতীয় ইংরেজ শাসন চলছে আমরা বাঙালি জাতি আজ ধ্বংসের পথে আর এই বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে দিল্লির দাদা থেকে কত গুলো অবাঙালি অফিসার। ব্রিটিশ শাসনের সময় থেকেই বাংলার শিক্ষা দীক্ষা এদের ঈর্ষার কারণ তাই বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করলে এবং তাদের বদনাম করতে পারলে সারা পৃথিবী জুড়ে বাঙালি জাতির মাথা হেঁট হবে। ব্রিটিশ আমলে এই রকম বাঙালি ছিল যারা ইংরেজের গোলামি করা কে বা ব্রিটিশ দের পা চাটা কে জীবনের ব্রত করে নিয়ে ছিল। এখন এই দিল্লির দ্বিতীয় ইংরেজ দের পা চাটছে বর্তমান সরকার এবং তার সাঙ্গ পাঙ্গরা আর কাটমানি চুরি চিটিংবাজি এসব তো আছেই তবে একটা তফাৎ আছে ব্রিটিশ আমলে কোন ভারতীয় সামান্য তম অপরাধ করলে তার শাস্তি হতো আর ইংরেজ তথা ইংল্যান্ডের মানুষ যারা এখানে থাকত তারা অপরাধ করলে ছাড়। এখনও ঠিক সেই রকম একটু মিলিয়ে দেখুন শাসক দলের কেউ অপরাধ করলে ছাড় পুলিশ পাহারা দিচ্ছে তবে অবশ্যই কোটি কোটি টাকা তুলে কালি ঘাটে ৭৫% পাঠাতে হবে। আর ঐ টাকার একটা অংশ বড়ো অফিসার দের পকেটে ঢুকবে। সেই কারণেই এখন আর কোনো অপরাধী শাস্তি হয় না। আর ধর্ষণ খুন ও তো শরীরের জ্বর জ্বালার মত কী আর করা যাবে। সেই কারণেই কামদুনি, মধ্যম গ্রাম, হাঁসখালি, পার্কস্ট্রীট, আর জি কর এবং এই আর জি করের ঘটনার দিন থেকে থেকে গোটা আগষ্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে ঘটে যাওয়া ধর্ষণ আর খুনের বিচার নেই। অপরাধীদের শাস্তি নেই কারণ এখন সমাজ বিরোধী রা মিলে এই দল তৈরি করেছে। এখন নেতা মানে দেখবেন দশ বছর আগে যে ভাঙা সাইকেল চাপত আর টালির চালে থাকত সে চার চাকা কিনেছে আর চার তোলা বাড়িতে চাকর নকর কে নেই। পেট্রোল পাম্প থেকে শুরু করে স্কুল আরও কত কি যার শেষ নেই। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...