Anulekhon.blogspot.com

Sunday, 13 February 2022

সরকার যখন জনগণের জীবন জীবিকার দায় নেবে না। সেই সরকার কে কর (ট্যাক্স) দেওয়া কি বাধ্যতামূলক?


 ক্ষমতায় আসার পরেই ভোল বদল বছরে দু কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি উধাও। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পর দেশে বেকারের সংখ্যা সব থেকে বেশি, এবং অভুক্ত মানুষের সংখ্যা সব থেকে বেশি ভারতে এমনকি বাংলাদেশের থেকেও নীচে। বিশ্ব খাদ্য সুচকে ১১৪ নম্বরে। সেই দেশের প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, দেশে বেকার নেই, আর গরীবি নেই, বেকার যুবক যুবতী দের চাকরি দেওয়ার দায় সরকারের নয়। দেশের এক জনও গরিব মানুষ নেই, মানুষ যে কোন ভাবে তার কাজ কারবার জোগাড় করে নিক সরকারের কোন দায়িত্ব নেই। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বললেন ডবল ডবল চাকরি হবে এখন তিনি বলছেন কাশ ফুল দিয়ে বালিশ তৈরি করতে। চপ মুড়ি, চা, এর দোকান করতে। ঘুঁটে বিক্রি করতে গাছের পাতার ব্যবসা করতে। অর্থাৎ দেখা যাচ্ছে দুই সরকারের একই নীতি বেকারত্ব দূর করার দিকে নেই, সরকারি চাকরি ভুলে যাও সেটা আবার কি খায় না গায়ে মাখে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে কল কারখানা তাড়নোর সময় মনে ছিল না একটা আন্তর্জাতিক কোম্পানি কে তাড়াচ্ছে, টাটা গোষ্ঠীর মত একটা কোম্পানি জঙ্গি আন্দোলনে এই রাজ্যের থেকে বিদায় নিতে বাধ্য হয়েছে। তার ফল ভোগ করছে বাংলার বেকার যুবক যুবতী, কোটি কোটি টাকা খরচ করে বছর বছর শিল্প মেলা, সন্মেলন হচ্ছে কিন্তু শিল্পের দেখা নেই কেবল প্রতিশ্রুতির বন্যা বয়ে যাচ্ছে। শেষে শিল্পের জমিতে মাছের ভেরি করতে হচ্ছে। এখানেই কথা আসে দেশ এবং রাজ্যের সরকার বেকার যুবক যুবতী এবং জনগণের দায় দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করছে সেখানে, জনগণের কর বা ট্যাক্স এর টাকায় সাংসদ, বিধায়ক, (এম, এল, এ) প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী, মন্ত্রী এদের বেতন দিয়ে পোষা এবং এদের নিরাপত্তার জন্য খরচের কোটি কোটি টাকা কেন জনগণ নেবে? এই রাজ্যে তো আবার জনগণের ভোট দেবার অধিকার নেই, যদিও ভোট দিতে পারেন সেটা কীভাবে ঘুষখোর এবং নকল অফিসার দিয়ে পাল্টে দিয়ে ক্ষমতায় দখল করতে হবে এরা সেটাতেও পটু ।যা হচ্ছে সব টাই জনগণের করের টাকায় সে কারণেই জনগণের উচিত এখুনি কর দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া। 

এত গুনী প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রী আগে আসেনি।

 ভারতের জনগণ সত্যিই খুব ভাগ্যবান, গুনী প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন। কি জানেন না তিনি, তিনি একাধারে ইঞ্জিনিয়ারিং জানেন। বিরাট বড় বিজ্ঞানী, কোভিড19 এর ভ্যাকসিন ও আবিস্কার করে ফেলেন। যেমন আমাদের মুখ্যযমন্ত্রী, গান জানেন, গান লেখেন, কবিতা লেখেন, আগে পিকাসোর মত ছবি আঁকতেন কোটি কোটি টাকায় বিক্রি করা হতো। এখন আর সে রকম হয় না। কারণ এখন কেনার লোক নেই, সে এখন জেলে। আহা জেলের বাইরে থাকলে আজ আমাদের চিন্তা ছিল, তাহলে প্রতিটি বাঙালির মাথার উপর ৪৮০০০ টাকা করে ঋণের বোঝা চাপত না। আমাদের মুখ্যযমন্ত্রীর আরেকটা গুন না বললেই নয় তিনি বিশ্বের প্রায় সব কটি ভাষা জানেন। প্রধানমন্ত্রীও জানেন তবে সব কিছুই গুজরাতি উচ্চারণে লিখে দিতে হয় এই আর কি! সে ইংরেজি, বাংলা, অন্য দেশের ভাষা সব কিছুই ওনার মাতৃভাষায় লিখে দিতে হয় উনি দেখে দেখে বলেন। সব থেকে বড় গুণ সব জানে ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে বিঞ্জান সব। বিশ্বাস না হলে ছবি গুলো দেখে নিন। 


এই দেখুন ইঞ্জিনিয়ার প্রধানমন্ত্রী। 


এই দেখে নিন বিজ্ঞানী প্রধানমন্ত্রী। 


Wednesday, 9 February 2022

পাড়ায় শিক্ষালয়ের নামে, প্রাথমিক শিক্ষা কে ধ্বংস করার এই যজ্ঞ বন্ধ হোক।

 পাড়ায় শিক্ষালয়ের নামে পশ্চিমবঙ্গরে প্রাথমিক শিক্ষা কে ধ্বংস করার চেষ্টা বন্ধ করা হোক। স্কুলের ঘরে শিক্ষা দান করার আদেশ দেওয়া হোক, কারণ পাড়ায় শিক্ষা অর্থাৎ মাঠে ঘাটে চট পেতে পাতন পেতে শিক্ষা দান করা যায় না। আজ দু বছর কাল বিদ্যালয়ের দরজা বন্ধ, ভারতের অন্য রাজ্যের বিদ্যালয়ের দরজা খুলে দেওয়া হলেও পশ্চিমবঙ্গরে প্রাথমিক শিক্ষা কে ধ্বংস করার জন্য ঠান্ডা ঘরে বসে নিত্য নতুন আজগুবি ফরমান জারি করা হচ্ছে। কোথা থেকে টাকা আসবে কে দেবে প্রতি দিনের চট ভাড়া কে দেবে মিড ডে মিলের রান্নার খরচ তার হদিস নেই। এক দিকে বলা হয়েছে রান্না করা খাবার দিতে আরেক দিকে চাল আলু ডাল সাবান বিলির আদেশ হচ্ছে, এবং চাল আলু বিতরণের টাকা দেওয়া হয়েছে অথচ রান্না করে খেতে দেওয়ার জন্য কোন টাকা নেই। আবার প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ টাকা চট ভাড়া এবং ঐ চট দিয়ে যদি উপরে ছাউনির ব্যবস্থা করা হয় তবে ১০০০ স্কোয়ার ফুটে ভাড়া ৪০০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা যদি ছাউনির ব্যবস্থা না করা যায় তাহলে বাচ্চা গুলো এই রোদ্দুরে ভাজা ভাজা হচ্ছে, আবার আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে বৃষ্টি হবে এরপরেও পশ্চিমবঙ্গরে শিক্ষা দফতরের লোক জন ঠান্ডা ঘরে বসে একটার পর একটা হুকুম জারি করে চলেছে। আমার মনে হয় এদের কারো বাড়িতে বাচ্চা ছেলে নেই, যদি সামান্য মনুষ্যত্ব থাকত তাহলে এই রকম হুকুম জারি করত না, এদের মানুষ বলা যায় কি? কোথাও কোথাও দেখছি মাঠে বসে মিড ডে মিল খাচ্ছে, যদি উপর থেকে পাখির পায়খানা পরে সেটাও এদের খাবার ছি ছি, এর পরেও এদের মানুষ বলবেন ছি ছি। মানুষ নামের কলঙ্ক এরা, আর আছে কুকুর, বিড়াল, গোরু, হনুমান, এই দেখুন আজ একটা বিদ্যালয়ে মাঠে পাড়ায় শিক্ষা চলা কালীন হনুমান এসে হাজির হয়েছে।


বাচ্চাদের শান্ত রেখে কোন রকমে সামাল দেওয়া হয়েছে। এর পর বাচ্চাদের চলে যাবার পর কারণ বিদ্যালয়ের ঘরে বসানো বারণ সে কারণেই বাচ্চাদের বারান্দায় খাওয়ার ব্যবস্থা করে বাড়ি পাঠানোর পর সমগ্র মাঠ হনুমানের দখলে। 


এসবের পরেও বাচ্চাদের ঘরে বসানো যাবে না, কিছু কিছু অন লাইন সংবাদ পত্র আছে টাকা আর বিজ্ঞাপনের লোভে পাড়ায় শিক্ষা ভীষণ ভালো চলছে বলে খবর করে যাচ্ছে। মানুষের নাকি দারুণ সাড়া নতুন একটা বিষয় নিয়ে, আমার তো মনে হয় এই সব সাংবাদিক দের বাড়িতে কোন বাচ্চা নেই। এরাও চায় না বাংলার প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা থাকুক, আসল উদ্দেশ্য পশ্চিমবঙ্গরে শিক্ষার বারোটা বাজানো। এক সময়ে সরকারি শিক্ষা পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষা নিয়ে গর্ব ছিল, সেই ব্যবস্থা কে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে প্রথম এই সিলেবাস আর এই দু বছর কোভিডের নামে বন্ধ করে দিয়ে। কোভিড19 এর নামে এক শ্রেণীর ওষুধ কোম্পানি কে টাকা দেওয়া হচ্ছে। স্পেন সহ  বিশ্বের অনেক দেশেই এই নিয়ে সরব হয়েছে WHO এর বিরুদ্ধে আর আমাদের দেশের এই এক মাত্র পশ্চিমবঙ্গ এখনও এই কোভিড কে সাামনে রেখে শিক্ষার বারোটা বাজিয়ে দিতে চাইছে। 


Sunday, 23 January 2022

রেশন ব্যবস্থা কে সত্যিই প্রহসন পরিনত করেছে এই সরকার ।


 খাদ্য দফতর ভুয়ো রেশন কার্ড ধরেছে কী রকম সেটা যে সব ব্যক্তি রেশন কার্ড নিয়ে রেশন দোকানে গেলেন এবং আঙুলের ছাপ দিতে গিয়ে দেখা গেল লাল দেখা যাচ্ছে তিনি নাকি ভুয়ো রেশন কার্ড ধারি। এই রকম রেশন কার্ড বাতিল করা হবে, এগুলো ভুয়ো রেশন কার্ড। সত্যিই ভেবে পাচ্ছে না কীভাবে রেশন ব্যবস্থা কে তুলে দেবে, এমন অনেক মানুষ আছে যারা চার পাঁচ বছর ঘুরে ঘুরে আবেদন পর পর আবেদন করে রেশন কার্ড পেলেন, তাকে কী করা হল তার বাড়ি থেকে তিন থেকে চার কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রেশন দোকানের সাথে যুুক্ত করা হলো। যাহোক আধার লিংক করে কার্ড চালু করা হলো। কিন্তু তার পর রেশন দোকানে গিয়ে আঙুলের ছাপ দিতে গিয়ে লাল না নীল কী দেখা গেল মানে সে ভুয়ো রেশন কার্ড ধারী। এর আগেও বলেছি আবার বলছি এবার সময় এসেছে নেতার বাড়িতে বিক্ষোভ দেখান। না হলে এই প্রহসন বন্ধ করা যাবে না। কারণ ফুড কর্পোরেশন অফিসে যারা বসে আছে সব শাসক দলের লোক এক জনও সরকারি কর্মী নয়। এরা খোঁজ নিয়ে রাখে কারা বিরোধী আর ঐখানে বসে বসে ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় কে রেশন পাবে আর কে পাবে না। প্রতিবাদ করতে ভুলে গেলেন প্রতিবাদ করুন প্রতিবাদ না করলে, আপনি এবং আপনার পরিবার কে বলে দেওয়া হবে আপনি পশ্চিমবঙ্গে থাকতে পারবে না। কারণ ভোটের অধিকার নেই, সেসব ঐ নেতার পকেটের লোক যারা কাটমানির ৭৫% এর ভাগ পায় তারা। এই দলের প্রতিটি লোক ঐ কাটমানি তোলাবাজির ভাগ পায় ।দেখলেন হলদিয়ার একটি বিখ্যাত ব্যাটারি তৈরির কারখানা তোলাবাজের দৌরাত্বে বন্ধ হয়ে গেল। সে ভাবেই এরা আপনার সব অধিকার থেকে বঞ্চিত করে দেবে। আবার এটাও ঠিক ভিক্ষা নেওয়া মানে পাঁচ হাজার টাকা মাসে পাওয়ার জন্য নেতার বাড়িতে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। কি চান সুস্থ ভাবে বাঁচতে না ভিক্ষারি হয়ে নেতার পা চাটতে। প্রতিবাদ করুন, প্রতিবাদ। 

শিক্ষা আর প্রতিষ্ঠানে নয়, পাড়ায় শিক্ষা।



 শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ১ বছর ১০ মাস হলো বিদ্যালয়  রেশনের দোকানে পরিনত হয়েছে। আসলে প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সব হবে কিন্তু কিছুতেই বিদ্যালয়ে পঠন পাঠন করানো হবে না। মেলা খেলা, বিভিন্ন অনুষ্ঠান উৎসব সব হবে কিন্তু বিদ্যালয় খোলা যাবে না। অজুহাত সামনে হাজির করোনা, সরকার পোষিত সংগঠনের শিক্ষক দের জন্যে ভীষণ ভালো খবর কারণ বসে বসে বেতন পাচ্ছেন কিছু করতে হচ্ছে। তৃণমূল দলের শিক্ষক বা নেতার বাড়ির সাথে কিম্বা মন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ থাকলে সে তো বিরাট নেত্রী। এরা কেউ কেটা, এরা এমন শিক্ষক ভাবুন আজ ২৩/১ এরা স্কুলে হাজির নেই, এরা নাকি শিক্ষক পাড়ায় গিয়ে পড়াবে। এদের বসে বেতন পেলেই হলো, বিদ্যালয় খোলা থাকলে ক্লাসে যেতে চায় না, পড়ানো সেতো দূরের কথা। যদিও ক্লাসে যায় মোবাইল নিয়ে ফেসবুকে ব্যস্ত বা অন্য কিছুতে ব্যস্ত হয়ে পরে। একজন ছাত্র বা ছাত্রী কে বলে দেয় সে অন্য ছাত্র ছাত্রী দের কাজ দেখে নেয় পড়া নেয়। এই শিক্ষক কুল পাড়ায় গিয়ে পড়াবে। বিদ্যালয় খোলা থাকলে দেরিতে এসে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফেরে। এত ছাত্র আমি পড়াতে পারব না বলে অফিসে এসে বসে থাকে, তারা নাকি পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে ছাত্র দের পড়ানোর দায়িত্ব নেবে। পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়, আসলে এই সরকারের ইচ্ছা নেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকুক সরকার চাইছে যাতে এই প্রতিষ্ঠান গুলো বন্ধ করে দেওয়া যায়। পশ্চিমবঙ্গে এই প্রাথমিক বিদ্যালয় বেশি সে গুলো কমিয়ে আনা যায় তত ভালো তাতে শিক্ষক কম লাগে, টাকা খরচ করতে হবে না। মিড ডে মিল থেকে সব বন্ধ যেমন গত বছর পোশাকের টাকা কেবল প্রাক প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি ছাত্র ছাত্রী দের দেওয়া হয়েছে। অথচ বয়স অনুযায়ী প্রতি টি শ্রেণিতে নতুন ছাত্র ছাত্রী ভর্তি করা হয়েছে তারা পেল না। বিদ্যালয় খুলে দিলেই মিড ডে মিলের খরচ বাড়ে আর বন্ধ থাকলে কমে কারণ ওখানে কাটমানি কম কেবল ভাতা আর শ্রী আর রাস্তা তৈরির ওখানে কাটমানি বেশি। একশ দিনের কাজ কাটমানি বেশি। শিক্ষায় খরচ করে লাভ নেই, লেখা পড়া শিখে চাকরি চাইবে, বর্তমান দুই সরকারের নিয়োগের ব্যাপারে অনীহা প্রচণ্ড পাঁচ ছয় হাজার টাকার মাসে দিয়ে যদি কাজ হয়ে যায়। আর দলের কর্মী তথা চোরের দালাল গুলো কে ঐ টাকা দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য নিয়োগ দেওয়া। সেখানেও তোলা বা ঘুষ আছে ঐ রেশনের আধার কার্ডের লিংক করা। রেশন ব্যবস্থা কে ধ্বংস করতে উঠে পরে লেগেছে কেন্দ্রীয় ও রাজ্যের সরকার ঠিক সেই রকম ভাবে শিক্ষা ব্যবস্থা কে ধ্বংস করতে উঠে পরে লেগেছে প্রায় দু বছর হতে চলল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছে আর এখন পাড়ায় শিক্ষালয় নামে শিক্ষা কে ধ্বংস করতে চাইছে। আসুন সকলে মিলে প্রতিবাদে সামিল হই, শিক্ষা এ্যাপের মাধ্যমে শিক্ষা বা অন লাইন শিক্ষা বন্ধ করতে এখন থেকে প্রতিবাদ না করলে এই সরকার একটা প্রজন্ম কে মুর্খ করে তুলবে। করোনার অজুহাতে বাচ্চাদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। প্রতিদিন একটা করে শ্রেণি নিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা যায় না এসব চিন্তা ভাবনা নেই, একটা অবাস্তব চিন্তা ভাবনা পাড়ায় শিক্ষালয়। পাড়ায় শিক্ষালয় নাকি বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে করা যাবে কিন্তু বিদ্যালয় খোলা যাবে না। ছাত্র ছাত্রীরা খোলা আকাশের নিচে বসবে, প্রসাব পায়খানা করতেও বিদ্যালয়ে প্রবেশের অনুমতি নেই। আমার জানা নেই কার মাথা থেকে এইসব উদ্ভট বুদ্ধি এলো, পশ্চিমবঙ্গরে শিক্ষা মন্ত্রী সে তো শিক্ষা জানে না, সব দিদি জানে। আরেকটা বিষয় বলছে পাড়ার শিক্ষায় অন্য স্কুলের বাচ্চাদের আসতে দিতে হবে। আমি জানি না এটা কি কেবল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য নয়! গাঁজা খোর প্রশাসন জানে না এমন অনেক প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে যেখানে সারা ব্লক থেকে এমনকি অন্য ব্লক থেকেও ছাত্র ছাত্রী আসে, কেবল বিদ্যালয়ের সুনামের জন্যে বা সাথে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় আছে বলে তারা কেন অন্য বিদ্যালয়ের পাড়ায় শিক্ষা নিতে যাবে। আবার অনেকেই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রী আছে তারা কোথায় যাবে? যে সব প্রাথমিক ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা বেশি সেখানে প্রতিদিন একটা করে শ্রেণির  পঠন পাঠনের ব্যবস্থা করা যেত। এই সব কথা এরা শুনবেন না, যেমন করে হোক এই তুঘলকি সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে হবে, মাটিতে বসে রোদ জল মাথায় নিয়ে করতে হবে। সত্যিই আজব রাজার দেশে আমরা বাস করছি। 

Saturday, 22 January 2022

পশ্চিমবঙ্গরে প্রাথমিক শিক্ষক দের ইনকাম ট্যাক্স!

 

ইনকাম ট্যাক্স দিতে হবে সকল কে কারণ দেশের উন্নতির জন্য এটি দরকার কিন্তু আমাদের দেশের এই ইনকাম ট্যাক্স ব্যবস্থা বেশ জটিল কারণ বড়ো বড়ো শিল্পপতি তাদের থেকে কম ট্যাক্স দিতে হয়। বাদ যাক এখানে লেখার বিষয়বস্তু সেটা নয়, গত ২০০০ সালের পর থেকে পশ্চিমবঙ্গরে প্রাথমিক শিক্ষক দের ইনকাম ট্যাক্স এর আওতায় আসে কারণ তাদের ১৯৯৮ সালের রোপার পর বা বেতন কমিশন দেওয়ার পর থেকে তারা এই ইনকাম ট্যাক্স এর মধ্যে প্রথমে তারা নিজেরাই নিজেদের ইনকাম ট্যাক্স এর কাজ করতে পারত এবং ট্যাক্স দেওয়ার হলে নিজের কর ট্রেজারি তে জমা করে রসিদ নিয়ে ডিসবার্সিং অফিসার কে দেখালে সমস্যা থাকত না। কিন্তু সমস্যা দেখা দিল ২০১১ সালের পর থেকে থেকে যেমন করেই হোক করের আওতায় আসার পর ট্যাক্স কাটাবে কে অফিস থেকে যদিও এটাই নিয়ম কিন্তু সে ট্যাক্স আদৌ ঠিক জায়গায় জমা পরল কিনা সেটা সে জানতে পারবে না কারণ তার কাছে কোন রসিদ বা আয় কর অফিসের কোন কাগজ নেই। কেবল গোল গোল একটা ব্যাপার, ফর্ম ১৬ সেটাও ঠিক মত পাওয়া যাবে না, আই টি আর সে তো দূরের কথা। এত গেল বর্তমান রাজ্য সরকারের সুন্দর সুন্দর ব্যবস্থার কথা আরেকটা কথা না বললেই নয়, এখন গোটা ভারত বর্ষের বিভিন্ন রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষক দের অবস্থা তথৈবচ, বেতন সে ভাবে বাড়ছে না, এর উপর কেন্দ্রীয় সরকারের ইনকাম ট্যাক্স আইন কর যাদের দিতে হবে আড়াই লক্ষ টাকা পর্যন্ত ছাড়, দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষকের বেতন একটি অর্থ বর্ষে বেড়েছে, ১৮০০ x ১২ কিন্তু তাকে ইনকাম ট্যাক্স দিতে হচ্ছে ২১৬০ x ১২ অর্থাৎ দুই সরকারের উদ্দেশ্য একটাই যে কোন ভাবে বেতন কম দেওয়া। এক জন কম দিয়েছে তার চাটুকার আছে বলছে বেতন বাড়ালে আরো বেশি ইনকাম ট্যাক্স দিতে হতো। শিক্ষক কিন্তু জানে না কর হিসেবে কাটা টাকা টা আদৌ সঠিক জায়গায় জমা পড়েছে কিনা কারণ কোন কাগজ পত্র নেই বা রসিদ নেই। কি দারুন ব্যবস্থা তাই না। 

কোন তলানিতে এসে ঠেকেছে বাঙালির মূল্যবোধ!

 


পশ্চিমবঙ্গরে বর্তমানে শিক্ষার হার ৭৪ % সর্বভারতীয় হিসেবে এবং শিক্ষিত রাজ্য হিসেবে ২০ তম। শিক্ষায় প্রথম রাজ্যটি হলো কেরল, স্কুল কলেজ বর্তমানে বন্ধ তাতে শিক্ষার হার কমছে না। এটাই বর্তমানে কিছু লোকের গাত্র দাহ যাতে রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করে মুষ্ঠিমেয় কিছু মানুষের জন্য শিক্ষার ব্যবস্থা করা হয় তার জন্য করোনা নামক এক অজুহাত দেখিয়ে দেওয়া হচ্ছে। করোনার অজুহাতে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এমনকি কলেজ পর্যন্ত বন্ধ। আর লেখা পড়া শিখে লাভ নেই, রাজ্যের কোথাও কোন কাজ নেই কেবল শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ানোর ছাড়া আর কিছু নয়। ওর থেকে অশিক্ষা কুশিক্ষা যত বাড়বে তত লাভ, না হলে মাতাল চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী এদের কে স্যার বলে ডাকবে কে। সত্যিই বাঙালি জাতির এত অধপতন ভাবা যায়, চোর ডাকাত চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী কে স্যার, ম্যাডাম বলে সম্বোধন করতে হচ্ছে। একবার ভাবুন যে ছেলে টি উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে WBCS বা IAS অফিসার হয়ে চাকরি করছে। সে একজন অর্ধ শিক্ষিত অশিক্ষিত চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী কে স্যার বলে সম্বোধন করছে। আবার ঐ রকম এম এল এ তাকে তুই তোকারি করে কথা বলছে, ভাবা যায় না বাঙালি সংস্কৃতি কত অধপতন হয়ে গেছে। আরেকটা দিক আই পি এস বা WBCS অফিসারদের অবস্থা সে জানে চোর তোলাবাজ মিথ্যাবাদী চিটিংবাজ কিন্তু বাস্তবে দেখা হলেই স্যালুট করতে হচ্ছে বা তাকে পাহারা দিতে হচ্ছে। বর্তমান শিক্ষার হাল কি কারণ অনেক শিক্ষিত মানুষ আছেন যারা এই চোর ডাকাত চিটিংবাজ দের সণ্মানীয় করে তুলেছে। নিজের লেখা পড়া শিখে বেকার চাকরি পাচ্ছে না যাতে অন্য বেকার যুবক যুবতী চাকরি না পায় তার ব্যবস্থাপনা পাকা করতে এই রকম একটা চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী কে সমর্থন করে যাচ্ছে সামান্য কিছু টাকার জন্য। সামান্য কিছু চুরি বা তোলাবাজির টাকার ভাগ বাটোয়ারার জন্য শিক্ষিত বাঙালি সমাজ আজ চোর কে চোর বলতে ভুলে গেছে। বাঙালি জাতির মধ্যে এরকম মানুষ বেশি ছিল বলেই ইংরেজ বাংলা কে প্রথম দখল করে ছিল এবং তার পরে ধীরে ধীরে গোটা ভারত তাদের দখলে আসে। বাঙালি জাতি আজ সত্যিই মেরুদন্ড হীন হয়ে গেছে, চোর কে স্যার বা মহাশয় বলে সম্বোধন করছে। কোন তলানি তে এসে ঠেকেছে বাঙালির মূল্যবোধ। 

Friday, 21 January 2022

রেশন নিয়ে প্রহসন ।


 এক সময়ে বর্তমান সরকারের এক মাত্র নেত্রী বিরোধী ছিলেন যত্র তত্র আধার কার্ডের ব্যবহার করা নিয়ে। তিনি বলেও ছিলেন সব কিছুতেই আধার কার্ড নয়, নেত্রী ক্ষমতায় আসার সব কিছু ভুলে গেছেন। মনে পড়ছে না, এই কারণেই আজ মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতি মাসে স্ব পরিবারে ফুড কর্পোরেশনের অফিসে লম্বা লাইন পড়ে যাচ্ছে আধার কার্ডের সংযুক্তি নিয়ে। অদ্ভুত ব্যপার কারণ, আধার কার্ডের সংযুক্তির পর এক মাস বা দু মাস রেশন তোলার পর হঠাৎ করেই আবার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে রেশন দেওয়া। কারণ একটাই রেশন কার্ডের সাথে আধার সংযুক্তি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে, রেশন নিতে গিয়ে লাল দেখাচ্ছে। আবার সেই মানুষ জন কোথায় যাবে ফুড অফিসে লাইন দিচ্ছে। সারাদিন সপরিবারে লাইন দিয়ে যখন অফিসারের কাছে গিয়ে পৌঁছে গেলেন দেখা যাচ্ছে লিংক নেই, বা সার্ভার ডাউন বা অন্য কিছু দেখাতে শুরু করেছে। সে দিনের মত ইতি টেনে আবার পরের দিন ছুটছে, এ সেই ভিক্ষারি থেকেও খারাপ অবস্থা গরীব মানুষের, কারণ সরকারি ওয়েব সাইট বা সার্ভার ওখানে কাজ করা ভগবানের অসাধ্য। বললেই একটা কথা আছে সারা পশ্চিমবঙ্গরে সর্বত্র কাজ চলছে তাই এই অবস্থা। আরে গুগল বা এ্যামাজন বা অন্য কোন বেসরকারি ওয়েব সাইট বা সার্ভার বিশ্বের কোটি কোটি লোক সার্চ করে সাথে সাথে সব কাজ করা যায়। কিন্তু সরকারের সে কেন্দ্রীয় হোক আর রাজ্যের সব দাদার বাবা। আর ঐ আধার লিংক না হলে আর রেশনের জিনিস পত্র দেবে না, কোন ব্যক্তির যে মাস গুলো ঘুরে ঘুরে আধার লিংক করতে পারল না সে সেই মাস গুলো আর রেশন কার্ড থাকা সত্ত্বেও রেশন পেল না, তাহলে তার ঐ এক মাসের বা দু মাসের বরাদ্দ গেল কোথায়! আর এই রকম সারা রাজ্যে প্রতি মাসে কয়েক লক্ষ মানুষের সাথে হচ্ছে। আবার একটা বিষয় লক্ষ্য করা যাচ্ছে চার পাঁচ মাস আঙুলের ছাপ দিয়ে রেশন নেওয়ার পর, সার্ভার বা রেশন দোকান বলে দিচ্ছে এ কার্ড আপনার নয়। অন্য লোকের আবার তাকে নতুন করে আবেদন করতে হচ্ছে নতুন রেশন কার্ড পাওয়ার জন্য। দেখা যাচ্ছে ছিল SPHH হয়ে গেছে RKYS বা উল্টো টা। রেশনের দূর্নীতি বন্ধ করতে গিয়ে আরো বেশি করে ঘাবলা হচ্ছে না তো! 

সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কাছে আমার আবেদন, আপনি পারেন আপনার এই হয়রানি বন্ধ করতে। আন্দোলনে নামুন, জোর দার আন্দোলন না হলে আপনার পাওনা খাদ্য সুরক্ষার রেশনের জিনিস পত্র, ভুতের পেট ভর্তি হবে। যদি সেটা না চান তাহলে এখুনি এই হয়রানি বন্ধের জন্য রাস্তায় নামুন। জ্যোতি বসুর সেই বিখ্যাত কথাটা মনে পড়ছে না, মানুষ শেষ কথা বলে, মানুষ ইতিহাস রচনা করে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখছেন না, এখন বিভিন্ন জায়গায় নেতা দের চোর বলে তাড়া করছে। প্রতিবাদ করুন না হলে এ হয়রানি বন্ধ হবে না। 

Thursday, 20 January 2022

বুদ্ধিমান করোনা ভাইরাস ।


 করোনা ভাইরাস ভীষণ বুদ্ধিমান, তার ভ্রমণ সুচী খুব ভালো। এখন সে বিভিন্ন জায়গায় সপ্তাহে দুদিন বা একদিন করে যাচ্ছে। যেমন বারাপুর এলাকায় বৃহস্পতিবার, সিঙ্গুরে মঙ্গলবার, কারণ সিঙ্গুর বাজার সোমবার এমনই বন্ধ থাকে এবার করোনার জন্যে মঙ্গলবার বন্ধ থাকছে তাও আবার সিঙ্গুর এক নং পঞ্চায়েত এলাকায়। বর্ধমান শহরে শুনে এলাম ঐরকম সপ্তাহে দু দিন বন্ধ কারন ঐ দু দিন করোনা ওখানে থাকবে। আরও কত গুলো জায়গা আছে সেখানে করোনা মোটেই যাবে না। মদের দোকানে, মেলা, সভা সমিতি, বিয়ের অনুষ্ঠানে ২০০ জনের বেশি লোক হলে তবে যাবে। শিক্ষায় ভীষণ আড়ি স্কুল খোলা হলেই বলেছে পড়তে যাবে। কিন্তু বাচ্চারা মেলায়, ট্রেনে বাসে, কোন অনুষ্ঠান বাড়িতে যাক ওদের ধরবে না, স্কুল খুলে দিলেই ধরবে। করোনা খুব বুদ্ধিমান. কারণ না পড়েই করোনা তৃতীয় শ্রেণিতে উঠে গেছে। বুদ্ধিমান করোনা ভাইরাস ট্রেন কম চলাচল করলে ভীড় বেশি হলে কিছু করবে না। ট্রেন বেশি চলাচল করে ভীড় কম হলেই ট্রেনে উঠবে। বাজারে এই ধরুন সরকারের কাজ যেমন প্রতি মাসে রেশন কার্ডে আধার লিঙ্কের লাইনে, করোনা হবে না। করোনা ভাইরাসের এত বুদ্ধি যে, বলে শেষ করা যাবে না। সকলে ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন ।স্কুলটা বন্ধ রাখতে বলবেন কারণ গ্রামের চাষির বেটা অফিসার হলে তাহলে বড় লোকের নাদুস নুদুস ছেলে টি পিছিয়ে পড়তে পারে যে। 

Wednesday, 5 January 2022

পাঞ্জাবের কৃষক দের ধন্যবাদ নিউ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান কে সেখানে ঢুকতে না দেওয়ার জন্য।


 আজ পাঞ্জাবের কৃষক এবং জন সাধারণ বুঝিয়ে দিলেন ভারতে নিউ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির স্থান নেই। ইংরেজ চলে গেছে কিন্তু তাদের প্রতিনিধি রেখে গেছে এই গুজরাতি দের। ৩৮ না ৩৯ জন ঋণ খেলাপির মধ্যে ৩৭ জন গুজরাতি আর দুজন ব্যবসায়ী মিলে দেশের সমস্ত সম্পদ কিনে নিচ্ছে, ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে কিছু দিন পর ঋণ মুকুব করে দেওয়া হচ্ছে। দারুণ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি যেমন ভারতের মানুষকে শোষণ করে টাকার পাহাড় করে দেশে নিয়ে যেত এরা তাই করছে। দেশের সম্পদ লুট করে বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছে, কেউ কেউ বিদেশে সম্পত্তি কিনছে। যেন দেশটা স্বাধীন হয়ে ছিল এই সব লুটেরা দের জন্য। সত্তর বছর ধরে দেশের যা সম্পদ ছিল তার ৭৫ থেকে ৮০ ভাগ এখন এদের দখলে। মোবাইল নেট ওয়ার্ক দিয়ে দেখুন, সরকারি ব্যবস্থা কে ধ্বংস করতে এই গুজরাতি লুটেরা প্রথম বিনামূল্যে সিম কার্ড কম খরচে ইন্টারনেট কত সুবিধা আর এখন সরকারি ব্যবস্থা প্রায় উঠে এসেছে লাফিয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে এমন দাম বাড়িয়েছে প্রতি মাসে রিচার্জ করা কষ্ট কর। ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিতে উঠে পরে লেগেছে এই ব্যবসায়ীদের দল, যাতে গরীব মানুষের জমান টাকায় ফুর্তি করতে, আর কিছু দিন পর ব্যাঙ্কে লালবাতি জ্বেলে পালিয়ে যাবে। দারুণ মজার ব্যাপার, রেল চলে যাচ্ছে এদের হাতে, কৃষি চলে গিয়েছিল অনেক কষ্টে প্রায় সাতশ কৃষকের প্রাণের বিনিময়ে কৃষকরা তাদের অধিকার ধরে রাখতে পেরেছে। সরকারি ব্যবস্থা ওষুধের কারখানা বা কেমিক্যাল ফ্যাক্টরি বন্ধ করে দিয়ে বেসরকারি হাতে তুলে দিয়েছে ফল স্বরূপ ওষুধের দাম এক লাফে ৫০% বেড়ে গেছে। আমাদের রাজ্যে এক জন বসে এই রকম ইংরেজ বসে আছে তার আবার লুটে খাওয়া অন্য রকম কেবল সরকারি প্রকল্প ঘোষণা করে দেওয়া আর বাজার থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ নিয়ে সেই প্রকল্পের নামে লুটেরা বাহিনী কে টাকা দেওয়া সেই টাকার ভাগ বাটোয়ারা আছে ২৫% ৭৫% এটা একদম ঘোষিত। ঋণের বোঝায় জড় জড়িত বাঙালি জনগণ আর এই কোটি কোটি টাকা ঋণ শোধ করতে জনগণের উপর করের বোঝা চাপছে বাড়ছে জিনিস পত্রের দাম। মানুষ খুশি বিনামূল্যে মাসে দু কেজি চাল আর গমে, পাঁচশ টাকা লক্ষী ভাণ্ডারের টাকা পেয়ে। দু কেজি চাল যখন ফুরিয়ে যাচ্ছে বাজার থেকে চাল কিনতে হচ্ছে দাম শুনে চক্ষু চড়ক গাছ হয়ে যাচ্ছে। রান্নার তেল, জ্বালানি গ্যাস, আনাজ, ডাল ইত্যাদি কিনতে নাভিশ্বাস উঠছে। দারুণ উন্নয়ন হচ্ছে, ২৮ টাকার মহুয়া মদ, আর ১০৫ টাকার পেট্রোল বিক্রি হচ্ছে। আর এই পেট্রোল যাতে বেশি বিক্রি করতে পারে সে কারণেই ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়া, আস্তে আস্তে ট্রেনের সংখ্যা কমিয়ে পুরো বন্ধ করে দেওয়া হবে ট্রেন চলাচল। যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আর খুলবে বলে মনে হচ্ছে না। কারণ একটাই  করে হোক সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া না হলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান চলবে কি করে? টাকা থাকলে পড়াশোনা না হলে নয়, সেই ইংরেজ আমলের প্রথম দিক জমিদারি শিক্ষা ব্যবস্থা। বাঙালি কিন্তু পারল না বাংলা থেকে এই ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কে তাড়াতে ।এই দেখুন নিউ ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রধান কিছুতেই, আম্বানির এক চেটিয়া ইন্টারনেট ব্যবসা কমে যায় চায় না সে কারণেই একটি বেদেশি কোম্পানি কে কিছুতেই আসতে দেওয়া হচ্ছে না। এই খবর টি পড়ে দেখুন ।



পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...