Anulekhon.blogspot.com

Tuesday, 7 December 2021

ট্রেন বিক্রি আছে দাম মাত্র এক কোটি।

 দেশ টাই বিক্রি করে দিচ্ছে, তাতে আস্ত একটা ট্রেন এক কোটি টাকা থাকলে যে কেউ কিনতে পারেন একটা আস্ত ট্রেন। খবর টি পড়ে দেখুন বুঝতে পারবেন।


প্লেন তথা বিমান বন্দর আগেই বিক্রি করা হয়েছে। কৃষি জমি বণিক কে বিক্রি করার চেষ্টা বিফলে গেল। ব্যাঙ্ক বিক্রি করে দিতে বিল আসছে, বিমা সে তো অর্ধেক বিক্রি করা হয়ে গেছে। খনি সেও বিক্রির ইছাপুর গান ও শেল কারখানা, বেঙ্গল কেমিক্যাল, টেলি যোগাযোগ আরও কত কি তবে এই ট্রেন বিক্রি একটি ইউনিক ব্যবস্থা। দারুণ না, ওদিকেে আইন আসছে কোন চাকরি স্থায়ি নয়। কিছু না হোক জনগণ মিথ্যা প্রতিশ্রুতি গুলো পেয়ে দারুণ খুশি। খুব ভালো এরপর দেখা যাবে দেশটা আমেরিকার কাছে বেচে দিচ্ছে। 

Monday, 6 December 2021

মোবাইল রিচার্জ এখন মানুষের নাভিশ্বাস তুলে দিচ্ছে।


 এই যে লোক টা কে দেখছেন এই হাসি মুখ দেখিয়ে লোকের পকেট কাটার ব্যবস্থা করছে। প্রথম ফ্রি সিম, 99 টাকা টাকা রিচার্জ, এখন বাড়তে বাড়তে সেটা 719 টাকা। কেবল জিও নয় প্রতিটি সিম কোম্পানি একই রকম ভাবে 20% থেকে 40% রিচার্জ খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন যখন দেখছে ভারতের এই সিম বাজারে বিশ্বের সব থেকে ধনী সিম ব্যবসায়ী বা ইন্টারনেট ব্যবসায়ী এলেন মাক্স আসছে, যার অধীনে বিশ্বের অধিকাংশ যোগাযোগ স্যাটেলাইট বা উপগ্রহ আছে, তিনি কম খরচে নেট দেবেন সেই হঠাৎ আজ একটা প্ল্যান এনেছে 75 টাকায় 23 দিন কল ও নেট পাওয়া যাবে। এই প্ল্যানে রিচার্জ করলে বছরে পনেরো থেকে ষোল বার রিচার্জ করতে হবে। যদি পনেরো বার হয় তাহলে এই কোম্পানি কে দিতে হবে 1125 টাকা। এর পাশাপাশি সরকারি বলুন আধা সরকারি কোম্পানি বি এস এন এল একটি নতুন প্ল্যান 94 টাকায় 75 দিন। বি এস এন এল এর এই প্ল্যানে এক জন কে বছরে 5 বার রিচার্জ করতে হবে। বছরে দিতে হবে 470 টাকা। এবার সাধারণ মানুষ যারা কেবল যোগাযোগ করতে মোবাইল ব্যবহার করেন তারা বি এস এন এল এ পোর্ট করে নিন উপকৃত হবেন কারণ বি এস এন এলের আরেকটা রিচার্জ প্ল্যান আছে 107 টাকা 90 দিন। পকেট কাটা কোম্পানি, কে বাদ দিয়ে বি এস এন এলে ফেরত আসি। এয়ারটেল, ভিআই, জিও বাদ দিয়ে দিন। কারণ এই সিম কোম্পানি গুলো কেন্দ্রীয় শাসক দলের দোর ধরা এদের কোটি কোটি টাকা ট্যাক্স মুকুব করে দেওয়া হয় মুনাফার জন্য এবং ভাগ করে নেওয়া হয় পার্টি ফাণ্ডে ও নেতার মন্ত্রীরা ভাগ পায় এদের টাকার এই কারণেই এরা সাধারণ মানুষের পকেট কাটতে সাহস করে। আদানির ফরচুন বন্ধ করে দিন স্থানীয় কোম্পানির তেল কিনতে শুরু করে দিন দেখবেন তেলের দাম কমে যাবে। আসুন সকলে মিলে এদের বয়কট করি। এরাই হচ্ছে কালা ইংরেজ সাধারণ মানুষ কে শোষণ করতে শুরু করেছে। 

Sunday, 5 December 2021

বর্তমান অতি বাম আমলে আবার জুট মিলে উৎপাদন বন্ধ হয়ে গিয়েছে।


 বর্তমান বাম আমলে, ডানলপ, জেশপ, বার্ণ স্ট্যান্ডার্ড, দৈনিক বসুমতি,অধিগ্রহণ করে খোলার কথা ছিল। আর রেলের অধীনে ছত্রিশ টা সুপার স্পেশাল হাসপাতাল, সিঙ্গুরে ছশ একরে রেলের কারখানা, আরও কত কি সে সব এখন আর কারো মনে নেই।যেমন মনে নেই, শ্রীরামপুর পর্যন্ত মেট্রো রেল, সিঙ্গুর থেকে নন্দীগ্রাম ট্রেন, আর বাকি প্রতিশ্রুতির কথা নাই বা বললাম। আর বর্তমান বাম সরকার আমলে জুট মিলে তালা পড়ছে, রিষড়ার জয়শ্রী কটন মিল, হুগলির তথা দেশের বিখ্যাত মোটর গাড়ি কারখানা হিন্দ মোটর। আর দুর্গাপুর রোডের পাশে তৈরি হওয়া বেশ কয়েকটি ছোট ছোট কারখানা তোলা তুলে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দুটো না তিন টি টিকে আছে নিয়মিত তোলা দিয়ে, একটা হিমাদ্রি কেমিক্যাল, একটা হলদিরাম ভুজিয়া, আর নিয়মিত তোলা দেওয়ার কারণ স্থানীয় চাষিদের সাথে দুর্ব্যবহার নিত্য নিমিত্তিক ঘটনা, কি করছে কারখানার যত নোংরা জল এবং অন্যান্য সব চাষের জমিতে ইচ্ছাকৃত ফেলে চাষের অযোগ্য করে দিয়ে কম দামে বিক্রি করতে করতে বাধ্য করছে আবার এটাও আছে কোন চাষির ছোট খাটো জমি হলে টিন দিয়ে ঘিরে নিচ্ছে টাকা আবার কি? বললেই বলে আমরা মাসে মাসে টাকা দিই জানিস না, নেতা মন্ত্রী দের বলে কোন লাভ হবে না। সত্যিই কোন লাভ নেই, এটাই পশ্চিমবঙ্গরে ভবিতব্য, অবাঙালির দখলে চলে যাবে এই বাংলা। এটা হবে পূর্ব বিহার। কারণ বর্তমান ভালো বাম সরকারের আমলে এটাই দস্তুর যে যত টাকা তোলা তুলতে পারে তিনি ততবড় নেতা এবং মন্ত্রী মিডিয়া সব দেখতে পায় এগুলো দেখতে পায় না। আর অতি বাম আমলে বা ভালো বাম সরকারের আমলে জুট মিলে উৎপাদন বন্ধ এটা একটা ব্যাপার হলো যে, রাজ্যের চাল কল গুলো কে চটের বস্তা ব্যবহারে বাধ্য করতে পারে না। সেই রাজ্যে চট কল বন্ধ হবে তো বটেই। 

Saturday, 4 December 2021

রাজ্য তথা দেশ বিক্রি করে দিচ্ছে জলের দরে, সাইকেল বিক্রি করবে এতে দোষের কি আছে।


 গোটা দেশ টাকে পৈতৃক সম্পত্তি ভেবে বিক্রি করে দিচ্ছে এক দল কালা ইংরেজ। আজ তারা আমাদের রাজ্যে এসে দেখা করে যাচ্ছে কারণ বাঙালি কে তথা বাংলা কে কিনতেই হবে, না হলে বাঙালি কে জব্দ করা যাবে না। যে দুজন জলের দরে দেশ কিনছে ব্যাঙ্ থেকে ঋণ নিয়ে কিছু দিন পরে সেই ঋণ মুকুব করে দেওয়া হচ্ছে। কী সুন্দর ব্যবস্থা তাই না, তাদের একজন আজ এসে ছিলেন নবান্ন কিনতে, কারণ একটা আছে এই দুই ব্যবসায়ী ( আদানি ও আম্বানি) এরা 2014 সালে নরেন্দ্র মোদী ও তার সাঙ্গ পাঙ্গ কে প্রমোট করে ছিলেন এবং এদের অর্থের জোরে ক্ষমতা দখল। 2019 এ সেই একই অবস্থা এরাই প্রমোট করে আবার ক্ষমতায় নিয়ে এসেছে, এবার আর এস এস এর দুর্গার প্রধান মন্ত্রী হবার সখ হয়েছে। আর প্রধানমন্ত্রী হতে হলে প্রমোটার দরকার সে কারণেই এই স্বনাম ধন্য ব্যবসায়ী বাংলার প্রশাসনের সঙ্গে দেখা করতে এসেছেন। জানা নেই কিসে বিনিয়োগ করতে এসেছেন তিন হাজার কিলো ড্রাগ ছিল সেই ড্রাগের বিনিয়োগ নয় তো! যাহোক এত দিন  দিদি 28 টাকা বোতল মহুয়ার মদ খাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন এখন কম টাকায় ড্রাগ মিলবে পশ্চিমবঙ্গ। সামনের ভোটে আরো ভালো ফল পাওয়া যাবে। এ তো গেলো এদের নিয়ে লেখা, এবার এই সাইকেল নিয়ে দু চার টি কথা, দিদির আগেই বাম সরকার, দূর থেকে আসা ছাত্র ছাত্রীদের সাইকেল দিত। 

দিদি এসে একটা গালভরা নাম দিয়ে সাইকেল বিলি আরম্ভ করে দিলেন। দিদির দেওয়া সাইকেল প্রথম প্রথম এক মাস অন্তর সারাতে হবে তার পর আস্তে আস্তে গোটা সাইকেল টির সব অংশ পাল্টা। তে হবে না হলে চলবে না। এহেন মূল্যবান সাইকেল টি রেখে কেবল খরচ খরচ বাড়ানো ছাড়া আর কিছুই না। প্রতিদিন সারাতে সারাতে যে খরচ সেই টাকায় একটা ভালো সাইকেল হয়ে যাবে। অতিরিক্ত খরচ না বাড়িয়ে বিক্রি করে দিচ্ছে। এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। 


Tuesday, 30 November 2021

দেখা মিলল চার চাকার মোটর সাইকেল।


ছবিটি অনুলেখনের নিজস্ব ।সিঙ্গুর স্টেশন রোডের রিজার্ভেশন টিকিট কাটতে এই গাড়ি নিয়ে টিকিট কাটতে আসেন এক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি। মোটর সাইকেল কিন্তু চার টি চাকা পিছনের চাকার সাথে অতিরিক্ত দুটি চাকা লাগানো। এরকম আরেকটা স্কুটি দেখলাম সে টিতে তিন টি চাকা। 

Monday, 29 November 2021

গনতন্ত্র ফেরাতে নির্বাচন কমিশন অভিযান দরকার।

 দীর্ঘ এক বছর লড়াই আন্দোলন করে বেশ কিছু কৃষক তাদের জীবনের বিনিময়ে আজ সফল সম্পূর্ণ না হলেও অনেকটাই সফল।



লোকসভা ও রাজ্যসভায় ধ্বনি ভোটের মাধ্যমে তিন টি কালা কৃষি আইন প্রত্যাহার করে নিল বর্তমান কেন্দ্রীয় সরকার। ঠিক একই ভাবে গনতন্ত্র কে বাঁঁচাতে এবং নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা বজায় আর শান্তি পূর্ণ ভোট বা নির্বাচন করার দাবিতে কমিশন অফিস অভিযান এবং লাগাতার আন্দোলন শুরু করা দরকার। আর গনতন্ত্র কে এরা প্রহসনে পরিনত করেছে। এই খবরের ছবি টি দেখুন। 

ভারতীয় গনতন্ত্র কে ধ্বংস করতে পি কে নামক একটি অদ্ভুত জীব এসে হাজির হয়েছে। নকল অফিসার, নকল পুলিশ অফিসার নকল ভোট কর্মী, নকল পুলিশ দিয়ে পাহারা আর সর্বোপরি ভোটের এক মাস পর গননা এর মধ্যে ঐ সব নকল তথা টাকা নেওয়া দলের লোক জন দিয়ে ই ভি এম এর চিপ পাল্টিয়ে দেওয়া এসব করে টাকা দেওয়া দলকে জেতার ব্যবস্থা করা সব ঐ পিকে নামক জন্তু আর নির্বাচন কমিশনের যোগ সাজসে ঘটে চলেছে। ভারতীয় গনতন্ত্রের ভিলেন হলো এই পি কে আর বর্তমান নির্বাচন কমিশন এদের জন্য সৎ এবং ভালো মানুষের ভোটের প্রতি আগ্রহ কমছে কারণ চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে চুরি করতে এবং গুণ্ডামি মানুষ কে ভয় দেখিয়ে ভিটে ছাড়া করে ভোট দিতে না দিয়ে রম রম করে জিতে গেলেন চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী ডাকাতের দল ।এই জন্যেই এখুনি এই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করা হোক না হলে কোন দিন এই চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী দল কে ক্ষমতায় আসার থেকে আটকানো যাবে না। এই যে কলকাতা পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে আমি এখুনি বলতে পারি এই নির্বাচনেও শাসক দল জিতবে এবং ক্ষমতা দখল করবে যতই এই শাসক দলের প্রতিটি মেয়র জেলে যাক বা দূর্নীতি গ্রস্থ হোক। কারণ ক্ষমতাসীন দল ইতিমধ্যে ক্ষমতা দেখিয়ে দিয়েছে কীভাবে জোর করে প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করাতে হয়।  এর সাথে সি বি আই দফতর এবং সি বি আই নিয়ন্ত্রণ করা প্রধানমন্ত্রীর দফতর অভিযান দরকার। কারণ দূর্নীতির তদন্তের নামে যুগের পর যুগ কাটিয়ে দেওয়া এবং তদন্তকে প্রহসনে পরিনত করার জন্য এই অভিযান। বাংলায় অবশ্যই দরকার আছে তাহলেই কান, মাথা, হাত পা কে গ্রেফতারের দাবিতে এই দফতর দিনের পর দিন ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান দরকার। রাজ্যে কে চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী মুক্ত করতে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসব করতে হবে। কোথায় দূর্নীতি নেই, ত্রিফলা কেলেঙ্কারি, একশ দিনের কাজ, বিভিন্ন প্রকল্প, এস এস সি, প্রাথমিক টেট, সারদা, নারদা, রেশনের চাল, আরও অনেক আছে এবং যে সব প্রকল্প চলছে সব কিছুতেই দূর্নীতি সঠিক তদন্ত এবং দোষী দের গ্রেফতারের দাবিতে বিক্ষোভ আন্দোলন দরকার এবং সেটা কৃষক আন্দোলনের মত হওয়া চাই। 

Saturday, 27 November 2021

চোর চিটিংবাজ আর বাঙালি কি সমার্থক হয়ে গেল!

 এক সময় গোটা বিশ্ব বাসি বাঙালি জাতি কে সন্মানের চোখে দেখত। সর্ব দিক থেকে উন্নত চিন্তা এবং জ্ঞানে ভারত বর্ষের শ্রেষ্ঠ জাতি হিসেবে পরিচিত ছিল এই বাঙালি, বিজ্ঞানে, সত্যেন বোস, আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসু, আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়, আরো কত এখানে লিখে শেষ করা যাবে না। সাহিত্যে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, শরৎচন্দ্র, বঙ্কিম চন্দ্র, বিদ্যাসাগর, আরো অনেক, বিশ্ব মাঝে যিনি ভারতীয় দের কৃষ্টি সংস্কৃতির মহান ধারনা প্রচার করে এলেন সেই, বিবেকানন্দ, রাজা রামমোহন রায়, যিনি কুসংস্কার মুক্ত ভারত গড়ার জন্য লড়াই করে গেলেন। আর এখন বর্তমান শাসক দলের সৌজন্যে, যেদিকে তাকান প্রতিটি নেতা মন্ত্রী, এমপি, এম এল এ, এমনকি পঞ্চায়েত প্রধান, গ্রামের ছোট ছোট নেতা সবাই চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী এমনকি চরিত্র হীন, মাতাল, খুনি এদের লজ্জা শরম নেই, টিভির পর্দায় দিব্যি দেখা যাচ্ছে মদ খেয়ে ছোট ছোট মেয়েদের সাথে নৃত্য পরিবেশন করছে, এমন গান গাইতে শুরু করেছে মনে পড়ে যাচ্ছে, সুকুমার রায়ের সেই বিখ্যাত ছড়াটির কথা, " গান ধরেছে ভীষ্ম লোচন শর্মা /যাচ্ছে শোনা বাংলা থেকে বার্মা।" এরা নির্লজ্জ বেহায়া, পষ্ট বোঝা যাচ্ছে মদ খেয়ে পুরো মাতাল হয়ে আছে এরা  রাজ্যের সব হত্তাকত্তা বিধাতা, একজন শিক্ষা মন্ত্রী ছিলেন একই রকম, আর সেই প্রাক্তন মেয়র বৌ থাকতে অন্যের বৌ কে ঘুরে বেড়াচ্ছে সত্যিই এসব দেখে শুনে ভাবছি বাঙালি জাতির এত অধঃপতন এদের নেতা মন্ত্রী বলে মেনে নিচ্ছে জনগণ। প্রতিটি রন্ধ্রে রন্ধ্রে দূর্নীতি, কেউ বাদ নেই, অন লাইন সংবাদ পত্রের খবর গুলো দেখে নিন।









এসব দেখে শুনেই বলছি বর্তমান শাসক দলের জন্যে সারা ভারত তথা বিশ্বে বাঙালি মানেই চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী এবং চরিত্র হীন। 2011 সালে ক্ষমতায় আসার জন্যে যে গুলো ছিল তার তদন্ত চলছে, সারদা, রোজভ্যলী, এম পি এস গ্রীনারি সহ চিটফাণ্ড, নারদা ঘুষ কান্ড কেউ জানে না কবে তদন্ত শেষ হবে। কারণ যারা তদন্ত করাচ্ছে তারাও ঘুষখোরের দল এবং দুর্নীতি গ্রস্থ। জানি না এর জন্য হাজার হাজার বাংলা মায়ের দামাল ছেলে নিজের জীবন দিয়ে স্বাধীনতা আন্দোলন করে ছিলেন! জানি না কার কেমন লাগে! কারণ দিদির প্রকল্প মানে ভাই, ভাইপো, বোন, বোনঝি, বোনপো দের আয় বৃদ্ধি করা। এখানে নেই, সবুজ সাথি, পোশাক, আর, একশ দিনের কাজের চোট খাট দুর্নীতি গুলো। কোথায় সেই বাঙালি যারা নিজেদের জীবন বিপন্ন করে ইংরেজ দের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ছিলেন। আজ আর সেই বাঙালি নেই, সব আজ চোর চিটিংবাজ মিথ্যাবাদী তে পরিনত হয়েছে কারণ চোরের দলে থাকলে, এবং চোর কে সমর্থন করলে সেও চোর। কারণ তিনি সমর্থন করেন বলেই এরা চুরি করতে সাহস পায়। জানা নেই আগামী দিনে বাঙালি জাতির মান মর্যাদা কোথায় গিয়ে ঠেকবে। 

ডিএ সে তো ডুমুরের ফুল ।

 পশ্চিমবঙ্গরে কর্মচারী কুল যত পারেন ছুটি পাবেন, ডিএ এর কথা ভুলে যান। সব প্রতিশ্রুতি তিনি নাকি পালন করেন কেবল 2011 সালে ক্ষমতায় আসার আগে দেওয়া ডিএ নিয়ে প্রতিশ্রুতি এবং বেকার যুবক যুবতী দের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ভুলে যান। মানুষ ও পাঁচশ ও এক হাজার টাকা পেয়ে সব ভুলে থাকে। দারুণ ব্যাপার তাই না, কর্মী কুল ছুটি না চাইলেও ছুটি বেড়ে যায়, ছট পুজো, গো- পার্বণ, মনসা পুজো, ঘেঁটু পুজো, আরো কত কি বলে শেষ করা যাবে না। আগামী বছরে বেশ কিছু ছুটি রবিবার পড়েছে সেটা পুষিয়ে দিতে পুজোর ছুটি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


(ছবিটি অন লাইন  zee 24 ঘন্টার screenshot নেওয়া।) কর্মীদের টাকার দরকার নেই ছুটি হলেই চলে যাবে, বাম আমলে শেষের দিকে সামান্য ডি এ বকেয়া ছিল সে জন্য মহাকরণে কর্মীদের ভাঙচুরের কথা সবাই জানে। আর এখন সব ভিজে বেড়াল, আমলাদের কথা বাদ দিন তারা বেশিরভাগ কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী কিন্তু রাজ্য সরকারের কর্মীদের অবস্থা গত 2011 সাল থেকে ডি এ প্রায় নেই, পে কমিশন এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে সেখানে ডি এ নামক শব্দ টি তুলে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গরে জিনিস পত্রের দাম কমে কোন দিন বাড়ে না। 240 টাকা লিটার সর্ষের তেল এরাজ্যে এখনও 100 টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই কারণেই ডি এ নেই, সরকারি কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির ব্যপার নেই। দারুণ অর্থনীতি বিদরা সব আছে রাজ্যে অর্থ দপ্তরে বসে আছে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে যাই হোক কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মীদের ঠিক সময়ে সময়ে ডি এ বৃদ্ধি ঘটে যাচ্ছে, কেবল এই রাজ্যের কর্মীদের ডি এ বাড়ে না। আট লক্ষ কর্মী এখন তারা সেই 2011 সালে ক্ষমতায় আসার আগের প্রতিশ্রুতির কথাটা মনে করে কাটিয়ে দিচ্ছে, প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন উনি যদি ক্ষমতায় আসেন কেন্দ্রীয় সরকার যেদিন ডি এ ঘোষণা করবে সেদিন থেকেই ডি এ দেবেন। পে কমিশন কেন্দ্রীয় সরকারের আগে আগেই করে দেওয়া হবে।" পুরনো ডি এ 56% বাকি নতুন বেতন কাঠামোতে 28% ডি এ বাকি। দারুণ ভালো প্রতিশ্রুতি পালন করছেন, চালিয়ে যান দিদি আপনার তুলনা আপনি নিজেই, দেখবেন শ্রী গুলো এবং ভাণ্ডার, সাথী এসব এবং মোয়াজ্জেম ভাতা, পুরোহিত ভাতা, আর যে সব ভাতা আছে সে গুলো ভালো চলে কারণ ওখানে ভাই, ভাইপো, ভাইঝি, বোনেরা সব ভালো ইনকাম করে 75% আর 25% এ ভাগ করে দিতে পারবে। ভাগ দিলেই ভালো না হলে দল থেকে বাদ একদম না দিলে জেল, আরেক জন ঐ দাদার দালাল আপনার উপদেষ্টা সে তো নকল অফিসার পর্যন্ত নিয়োগ করে রেখেছে তারও তো টাকা দরকার। তাদের মধ্যে যারা বেতনের ভাগ দেয় নি তারা ধরা পড়ে এখন জেলে আছে। ভালো ব্যবস্থা ভালো থাকবেন দিদি সুস্থ থাকবেন ।

Thursday, 25 November 2021

দেশের গনতন্ত্র আজ বিপন্ন ।


 ত্রিপুরা রাজ্যের পুরসভার ভোট রিগিং এর ছবি, এটা কেবল ত্রিপুরা না আমরা আমাদের পশ্চিমবঙ্গরে বিভিন্ন নির্বাচনে এবং দেশ ব্যাপি নানা নির্বাচনে এটা দেখে থাকি এখন এটা ভীষণ পরিমাণে বেড়ে গেছে। কারণ শাসকের ক্ষমতায় আসার লোভ বা ক্ষমতা ধরে রাখার লোভ না হলে তার পতন অনিবার্য এবং শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এই শাসন অর্থাৎ পরিবার কেন্দ্রীক শাসন স্বৈরাচারের নামান্তর, কেন্দ্রীয় সরকারের শাসন দেখুন সেখানে 'শা এবং মোদী  তার ভাই বোন কাকা দের সম্পদ এই কয়েক বছরে কয়েক গুণ বেড়েছে এবং দিনের পর দিন আরো বাড়ছে। আমাদের রাজ্যের দিকে নজর দিন কালি ঘাটের একটি পরিবারের সম্পদ এবং আরও কয়েকটি পরিবারের সম্পদ দিন দিন বাড়ছে আর রাজ্যের তথা দেশের খেটে খাওয়া মানুষের আয় দিনের পর দিন কমছে। কাজ হারিয়ে আজ বেকারের সংখ্যা বাড়ছে, শিক্ষিত অর্ধ শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতী আজ ভারত বর্ষে তথা আমাদের রাজ্যে সব থেকে বেশি। কারণ স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকার, এরা নিজের এবং পরিবারের আয় ছাড়া আর কিছু জানেন না। সাধারণ মানুষ উচ্ছন্নে যাক, এই কারণেই গনতন্ত্রের অন্তর্জলি যাত্রা শুরু হয়েছে। এই স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট শাসক কি করে কিছু মানুষ ঠিক করে রাখে যাদের সামন্য ভাগ দেয়, তারাও আবার নিচু তলার কিছু লোক ঠিক করে রাখে বিভিন্ন ভাবে মদ মাংস খাওয়া ব্যবস্থা করে দেন প্রায় খরচ যোগায় স্থানীয় কিছু ব্যবসায়ী বা কারখানার মালিক। এভাবেই গনতন্ত্র ধ্বংস করে নিজের আখের গুছিয়ে নেয় এই সব তথাকথিত নেতা মন্ত্রীর দল, তার সাথে থাকে কিছু ব্যবসায়ী। দুটো দলের মিল পশ্চিমবঙ্গের স্থানীয় নির্বাচনে এরাও ৩৪% আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতে আর ত্রিপুরার শাসক বিজেপি ও স্থানীয় নির্বাচনে ৩৪% শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতে। ত্রিপুরার একমাত্র লোকসভা আসনে নির্বাচন সন্ত্রাসের কারণে পিছিয়ে দিতে হয় নির্বাচন কমিশন কে। এ রাজ্যের গত পুরোসভার নির্বাচনের কথা মনে আছে বিধাননগর পুরসভার রাস্তায় সাংবাদিকদের পিটিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া। মানুষ কে ভোট দিতে না দেওয়া, ওটা একটা উদাহরণ, বর্ধমানের নির্বাচন বিরোধী দের প্রার্থী পদ প্রত্যাহার করে নেওয়া, বা বুথ এজেন্ট বসতে বারণ করা কারণ লাগাম ছাড়া সন্ত্রাস কারণ শাসক চায় বিরোধী শূন্য করতে যেটা তিনি এবারের বিধানসভা নির্বাচনে করে দেখিয়ে দিলেন। এক মাত্র বিরোধী নৌসাদ সিদ্দিকী আর একটু ভেবে দেখবেন রাজ্যের বিধানসভায় নামে বিরোধী এবং মিডিয়ার প্রচারের জন্য বিরোধী কিন্তু বাস্তবে নেই কারণ একটাই দূর্নীতির টাকার ভাগ বাটোয়ারা সমান সমান এই কারণেই সামনে বিরোধী পিছনে বা আড়ালে গলায় গলায় ভাব। আর এই কারণেই দুই দলের কর্মকান্ড সব এক। এ বিষয়ে অতীতের এক বিদেশি শাসকের কথা মনে পড়ে গেল। আগে তার ছবি টা এখানে দিই তার পর তার সম্পর্কে লিখব। 

ছবিটি screenshot নেওয়া ।
ইনি ছিলেন ফিলিপিনসের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনাল মার্কো ইনি ভোটে নির্বাচিত হন এবং এক টানা কুড়ি বছর ফিলিপিনসের প্রেসিডেন্ট পদে ছিলেন। ইনি আট জন শিল্পপতি কে দেশের সমস্ত সম্পদ বিক্রি করে দিয়ে ছিলেন, গনতন্ত্র ধ্বংস করে দিয়ে বারবার ক্ষমতায় আসতেন। শিল্পপতি দের দেশের সম্পদ তুলে দেওয়া মধ্যে দিয়ে এনার পরিবারের সদস্যদের প্রচুর সম্পদ প্রাপ্তি ঘটে। সে দেশে এই আট জন শিল্পপতি কে মানুষ মজা করে অক্টোপাস বলে ডাকত। এবার আমার দেশ এবং রাজ্যের শাসক দলের দিকে তাকিয়ে দেখুন কয়েকটি পরিবারের লোকজনের সম্পদ এই মহামারীর সময়েও বেড়ে চলেছে আর দেশ তথা রাজ্যের খেট খাওয়া মানুষের অবস্থা দিনের পর দিন খারাপ হচ্ছে। কারণ শাসক আজ স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারের হাত থেকে মুক্তির একটি পথ আন্দোলন আর আন্দোলন, আপামর জনসাধারণ কে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করতে হবে। যেটা ফিলিপিনসের শাসক কে সরাতে সেখানের জনগণ করে ছিলেন।

ছবিটি screenshot নেওয়া । পড়ে দেখতে বলছি একটু দেখুন অনেক মিল পাওয়া যাবে। 

Wednesday, 24 November 2021

ত্রিপুরা আর বাংলার মধ্যে তফাৎ আছে কি?

 

ছবিটি screenshot নেওয়া হয়েছে। মিডিয়ার কাছে প্রশ্ন ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের মধ্যে তফাৎ আছে কি? আমার কাছে তফাৎ নেই কিন্তু মিডিয়ার কাছে আছে, ত্রিপুরা তে যারা গিয়ে ছিল তারা পশ্চিমবঙ্গরে মানুষ কেবল ভোটের রাজনীতি এবং লুটে খাওয়ার ধান্দা করতে গিয়ে ছিল। সেখানে এক নটী কে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল সেই নিয়ে অশান্তি। মিডিয়ায় প্রচার দেখে মনে হচ্ছিল যেন কত বড় স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশের মানুষের উপকার করতে গিয়ে ছিল। কত গুলো চোর চিটিংবাজ একটা রাজ্যে কে প্রায় ধ্বংস করে আরেকটা রাজ্যে গেছে যাতে সেখানে চোরে চোরে মাসতুত ভাই বা বোন হতে পারে। এখন তো নট নটীর দল চোরের দলের সম্পদ কারণ একটাই টাকা অভিনয় করে ক'টাকা পাবে একবার যদি এম পি এম এল এ হতে পারে সারা জীবন বসে বসে পেনশন হোক না চোরের দল হোক না বেকার যুবক যুবতীর সর্বনাশ সারাটা জীবন তারা কাজ না পেয়ে বা একটা পাঁচ হাজার টাকা বেতনে চাকরি করে সারাদিন গাধার মত খেটে আধ পেটা খেয়ে বেঁচে থাক তাতে ঐ নট নটী দের কী? আর এই রকম নট নটী দের এখন একটা লক্ষ্য নেতা হওয়ার। তারা গিয়ে ছিল ত্রিপুরা তে আন্দোলন করতে, সেখানের পুলিশ ব্যবস্থা নিয়েছে, সেই নিয়ে দিদি দাদার সাথে দেখা করতে চলে গেছেন দিল্লি অবশ্যই দিল্লি যাওয়ার আরেকটা কারণ আছে SSC দূর্নীতি নিয়ে কোর্টের রায়। আজ আবার ডিভিশন বেঞ্চ বাঁচিয়ে দিয়েছে যাহোক ওসব কথা যাক আজ নিয়োগের দাবিতে ছাত্র যুব দের আন্দোলনে পুলিশের আক্রমণ এরা তো অন্য রাজ্যের ছেলে মেয়ে নয় এরা এই রাজ্যের বেকার যুবক যুবতী এরা সুস্থ সুন্দর ভাবে এবং দূর্নীতি মুক্ত নিয়োগ করার দাবিতে আন্দোলন করছিল। এদের উপর যে ভাবে পুলিশের আক্রমণ করল সেটা একটা স্বাধীন দেশে সম্ভব! আর মিডিয়া এই খবর এক ঝলক দেখিয়ে থেমে গেছে কারণ বিজ্ঞাপন পাবে না। আর ত্রিপুরার ঐ নটীর ঘটনা সারাদিন ধরে প্রচার করে গেছে।বি জে পি তৃণমূল কোন শাসকের মধ্যে তফাৎ নেই, দুটোই সমান কেবল লুটে খাওয়ার জন্য ক্ষমতা দখল সে যেভাবে হোক ক্ষমতা চাই। দূর্নীতির সমর্থক পুলিশ কে ধিক্কার জানাই, ছিঃ ছিঃ। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...