Anulekhon.blogspot.com

Saturday, 14 March 2020

স্কুল ছুটি নিয়ে দুই মন্ত্রী দুরকম কথা বলছেন। ওদিকে ছুটির নোটিশ জারি করা হয়েছে।

খবর টি ভালো করে পড়ে দেখুন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, স্কুল কলেজ সর্ব প্রকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে আগামী সোমবার থেকে, সেই বিষয়ে মনীশ জৈন নোটিশ জারি করে দিয়েছেন। এর সাথে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, শিক্ষকরা বাড়িতে থেকে স্কুলের কাজ করবে, এখানে বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে শিক্ষক বাড়িতে থেকে কিভাবে স্কুলের কাজ করবে। যাহোক সে না হয় বোঝা গেল, কিন্তু ঐ দিন শিক্ষা মন্ত্রী আবার বলছেন আমাদের রাজ্যের এমন পরিস্থিতি হয়নি যে বিদ্যালয় গুলি ছুটি দিতে হবে, তাছাড়া এখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা চলছে অর্থাৎ ছুটি দেওয়া যাবে না। খবরটা পড়ে নিন।
জানি না আগামী সোমবার কি আদেশ আসবে কারণ শনিবার দিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। স্কুল পরিদর্শকের অফিস ছুটি কোন আদেশ এখনও বিদ্যালয়ে পৌঁছতে পারে নি। জানি না কি নির্দেশ পৌঁছবে কারণ এর আগে গত 1লা জুলাই রাজ্য ছুটি ঘোষণা করলেও পরিদর্শন অফিস থেকে এ আই পাইকারি ব্যক্তি বিদ্যালয গুগুলি কে সেই ছুটি নিতে দেননি। বর্তমান প্রশাসন এরকম সবাই আদেশ করতে পারেন কাগজ লাগে না। কেবল একটি ইমেল বা হোয়াটস এ্যাপ মেসেজ ব্যাস কেল্লা ফতে। দারুণ একটা অভিনব বিষয়। 

Friday, 13 March 2020

দাদা ও দিদির গর্বের কীর্তি। আমরা গর্বিত বাঙালি।

এটা এখানে প্রথম ছবি হলেও এর আগে আরও ছিল, দেখুন বাংলার গর্বের গর্বিত, এর পরেও যারা গর্বিত তারা মনে হয়, এই ভাঙার সময় সাথে ছিলেন, একে সমর্থন করেন। ভাঙচুর করা খুব ভালো লেগেছে, সেই জন্যই গর্ব করেন, এটা 2006 সালের ঘটনা।
সিঙ্গুর থেকে টাটা মোটর গাড়ির কারখানা তাড়াতে আদা জল খেয়ে নেমে ছিলেন। এটাও গর্বের, এখন তো এই রাজ্যের আরেকটা মোটর গাড়ি কারখানা হিন্দ মোটর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। নিশ্চয়ই এর জন্যে বাঙালির গর্বিত কারণ অনেক বেকারের চাকরি পাওয়ার স্বপ্ন ধুলিসাৎ হয়ে গেছে। যারা গর্বিত নিশ্চয়ই তাদের বাড়িতে বেকার ছেলে মেয়ে নেই।
অনেকেই এই সারদার জন্য গর্ব অনুভব করেন কারণ যার গেছে তার যাক আমার তো যায়নি। যারা আত্মহত্যা করেছে ঠিক হয়েছে, এত কোটি মানুষ যদি এক দেড়শ জন মরে ক্ষতি নেই। আমার মনে হয় যারা গর্বিত তারা এর টাকা ভাগ পেয়েছেন। অনেকেই দেখছি ফেসবুক ও অন্যান্য সোশাল মিডিয়ায় প্রচার করছেন। কিছু পাক আর না পাক ধর্ষণ শ্রী আর কলেজে ভর্তির জন্য ঘুষ দেওয়ার টাকা কন্যাশ্রী আরেকটা সাইকেল যে সাইকেল সপ্তাহে একদিন করে সারাতে হয়। তবে এটা ঠিকই এই সাইকেলের জন্য সাইকেল সারার দোকান গুলো বেঁচে গেল, না হলে সব ফিন্যান্সে মোটর বাইক নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আর দু টাকা কিলো চাল আনতে আশি হাজার টাকার বাইক চেপে যাচ্ছে। যারা গর্বিত তারা নিশ্চয়ই রেশন কার্ড আধার কার্ড আর ভোটার কার্ডের জন্য ভোর থেকে লাইন দেননি। আসুন আরেকটা গর্বের বিষয় দেখে নিই।
এরা খুব ভালো লোক কেবল তোয়ালে চাপা দিয়ে নারদার কাছ থেকে টাকা নিচ্ছে, এত ভাল যে এরা তিন জনেই কলকাতার মেয়র ছিলেন, নিশ্চয়ই গর্বের বিষয় কারণ ঐ পদে আমাদের সকলের প্রিয় নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ছিলেন। সেই পদে সব ঘুষ খোর নিশ্চয়ই গর্ব করার মত বিষয়। যারা গর্বিত তাদের ভাগ নিশ্চয়ই বাড়িতে গেছে, নিশ্চয়ই না হলে গর্বিত বোধ করবেন কি করে!
এটা একটা ঘটনার ছবি আরও অনেক এই ঘটনা ঘটে গেছে, কোনটার বিচার এখনও শেষ হয়নি, যারা গর্বিত নিশ্চয়ই তার বাড়িতে মেয়ে নেই, অন্যের মেয়েদের সাথে হয়েছে ভালো লেগেছে, সেই জন্যই গর্ব অনুভব করতে পারি। আর এবিষয়ে কিছু লিখছি না, এতো দিদি কে নিয়ে গর্ব করার মত কিছু সামান্য ঘটনা আরও অনেক কিছু আছে, তথাকথিত নিরপেক্ষ কাগজ আর চ্যানেল গুলো লক্ষ করুন দেখবেন আরও গর্বিত হওয়ার বিষয় আছে। আচ্ছা আপনার বাড়িতে বেকার ছেলে মেয়ে আছে শিক্ষিত বেকার যারা এস এস সি পরীক্ষায় পাশ করেও চাকরি পায় নি, চাকরি পাওয়ার জন্য একবছর আগে 29 দিনের অনশন করেছছিল। একজনের গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়ে গেল। আবার তারা কাল থেকে ঐ জায়গায় অবস্থান বিক্ষোভে বসছে। গর্ব বোধ করেন তো নাকি আপনাকে চাকরি পাওয়ার জন্য ঘুষ দেয়নি, সেই জন্যই এদের চাকরি না হওয়া উচিত। আমার আমাদের গর্বের বিষয় সরকারি কর্মীদের বেতন কমিয়ে দেওয়া, ডি এ না দেওয়া, আমার আরও গর্ব হয়, সরকার ডি এ না দেওয়ার জন্য মামলায় যাচ্ছে, আমার যে টাকা মামলার পিছনে খরচ করছেন তাতে দু এক কিস্তি ডিএ দেওয়া হয়ে যেত। যেমন সারদায় সি বি আই না আসে তার জন্য মামলা, 2013 সালে পঞ্চায়েত নির্বাচন না করার জন্য মামলা, টাকা গুলো কিন্তু আপনার আমার করের টাকা। যাহোক তবুও গর্বের বিষয় আরও অনেক কিছু গর্ব করার বিষয় আছে, লিখলে শেষ হবে না। এতো গেল দিদি কে নিয়ে গর্ব করার মত কিছু ঘটনা। এবার দাদা কে নিয়ে যারা গর্বিত তাদের জন্য দাদা আমাদের যে যে বিষয়ে গর্বিত করেছেন।
ছবি দিলাম যারা গর্বিত বোধ করছেন তাদের জন্য, এত একটা বি এস এন এল ব্যাঙ্ক বিমা সব কিছু নিয়ে গর্ব করতে পারেন। আরেকটা ছবি দেখে নিন,
2014 সালে কালো টাকা এনে আপনার এ্যাকাউন্টে 15 লক্ষ টাকা দেবেন বলে ছিলেন। এখন আপনি গর্ব করতে পারেন, দাদা বড়ো বড়ো শিল্প পতিদের কোটি কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছেন, তারা শোধ না করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাচ্ছে। জানি আপনি বলবেন ওসব তো আমার টাকা নয়, এই জন্যই লেখা পড়ার প্রয়োজন। আপনার আমার গর্ব করার মত কিছু আছে, আপনার বাড়িতে চাল নেই ভাত হবে না ডাল তেল নুনের দাম বেশি তাতে কুছ পরোয়া কেবল গো মুত্র আর গোবর খেলেই পেট ভরে যাবে। ঐ যে দাদার চ্যলারা বলে দিচ্ছে, করনা ভাইরাস বড়ো বড়ো জানি না আদৌ ঐ ভাইরাস এই রাজ্যে আছে কিনা কেবল মাস্ক বিক্রি করতে গুজব ছড়ানো হচ্ছে না তো! হয়তো দেখা যাবে কোন বড়ো বন্ধু ঐ মাস্ক তৈরি করে। আরও গর্বের বিষয় আছে, তার আগে আপনি আমি যদি নাগরিক থাকি তাহলে খুব ভালো। কারণ আসামের এন আর সি দেখেছেন, পশ্চিমবঙ্গে দিদি আর দাদা মিলে এন আর সি করবেন প্রস্তুতি নিচ্ছে তার প্রথম ধাপ এন পি আর আগামী এপ্রিল থেকে শুরু হবে। টাকা গুলো কিন্তু আমাদের করের টাকা, কাদের ঋণ দিয়েছে ব্যাঙ্ক শোধ করেনি।
খবর পড়ুন সঠিক খবর পড়ুন, আরেকটা বিষয় না দিলে নয়, যারা দাদা আর দিদির জন্য ভোট বা অন্য সময় দাঙ্গা করছেন তাদের জন্যে।
দেখুন ছবির ছেলেটি গুজরাত দাঙ্গায় অংশ গ্রহণ করে ছিল। সে এখন রাস্তায় বসে জুতো পালিশ করছে আর যাদের কথায় বা জন্য করে ছিল, তারা সকলেই উচ্চ পদে আসীন কোটি কোটি টাকার মালিক। আরও ছিল দিলাম না, সকলেই গর্ব করুন তবে দেশ ও জাতির মাথা হেঁট করে নয়। (বিঃ দ্রঃ-ছবি গুলো ফেসবুক ও হোয়াটস এ্যাপ ও ডেলি হান্ট থেকে সংগ্রহ কৃত।) 

লুটেরা দের সাহায্য করছে সরকার। দেশে দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের দরকার পরেছে।

আমি অনেক দিন আগেই এই বেসরকারী ব্যাঙ্ক নিয়ে লিখেছিলাম, এরা হচ্ছে দ্বিতীয় চিটফাণ্ড চিটফাণ্ডের নয়া রূপ। এই সব ব্যাঙ্ক গজিয়ে উঠছে আর মহা সমারহে সরকার তথা রিজার্ভ ব্যাঙ্ক তাদের অনুমতি দিচ্ছে। আজ শোনা যাচ্ছে, কৃষকদের সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান কেনার টাকা এই yes Bank রাখা ছিল, আর এই ব্যাঙ্কের টাকা তোলার চেক দেওয়া হয়েছে কৃষকদের, কেবল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের না বিভিন্ন রাজ্যের সরকারি টাকা এবং এমন কি পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের টাকা এই ব্যাঙ্কে রাখা হয়েছিল। কাকতালীয ভাবে যে সব রাজ্যে এই ঘটনা ঘটেছে সে গুলি বি জে পি শাসিত সরকার ছিল বা আছে। আমাদের রাজ্যের দোষ নেই, এখানে বিজেপির বি টিম সরকারে আছে। এরা জানে কীভাবে জনগণের টাকা লুঠ করে খেতে হয়। ঐ যে, "যা গেছে তা যাক" , এসব দেখেও তো মানুষ এদের ভোট দিয়ে জিতিয়ে আনছে, আমাদের রাজ্যের আরেকটা নতুন বাঙালির বেসরকারি ব্যাঙ্ক আছে, তাদের লুঠপাট চালাবার পদ্ধতি আলাদা, তারা লোন বা ঋণ দেয় বিশেষ করে সংঘ বা দল এগুলো আবার মেয়েদের তৈরি, কি রকম পদ্ধতি মনে করুন পঞ্চাশ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া হবে। প্রথমে ব্যাঙ্কে একটা খাতা খোলা হবে, ঐ দল খুলবে এবং ঐ দলের লোক ঋণ পেল বলা হোল দশ হাজার টাকা ব্যাঙ্কের বই বা খাতায় থাকবে সিকিউরিটি হিসেবে যেদিন ঋণ শোধ হবে ঐ দিন তোলা যাবে বছরের সুদের হার কম। এবার দশ জন মহিলা পেলেন চল্লিশ হাজার টাকা ঐ দশ বা পাঁচ জন মহিলা কে প্রতি সপ্তাহে 500 টাকা বা 1000 টাকা করে এগারো সপ্তাহ দিতে হবে। কি দাঁড়ালো প্রতি সপ্তাহে পাঁচশ টাকা হলেও পাঁচ হাজার টাকা আবার দশ জন হলেও পাঁচ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। মোট টাকা উঠে এলো 55 হাজার, তারা টাকা পেল 40 হাজার এক বছরের মধ্যে শোধ করার জন্য কিন্তু শোধ করতে হলো এগারো সপ্তাহে অর্থাৎ তিন মাসের মধ্যে। ব্যাঙ্ক পেল 55 হাজার টাকা, আর ঐ দশ হাজার বলা হলো ওটা আপনাদের খাতায় রাখতে হবে না হলে দ্বিতীয় বার ঋণ পাওয়া যাবে না। অর্থাৎ চল্লিশ হাজার টাকার সুদ আদায় হলো 15 হাজার টাকা, আমি
 যারা এদের ব্যাঙ্ক হিসেবে অনুমতি দিয়েছেন তাদের প্রশ্ন করি তিন মাসের জন্য 40 হাজার টাকার সুদ পনেরো হাজার টাকা হলে বছরে, শতকরা কত হোল। এরা কিন্তু ঋণ দেয় গ্রামীণ এলাকার মেয়েদের তৈরি গোষ্ঠী বা দলকে যাদের ঠকানো সহজ। এর ওর বাড়ি কাজ করে বা মাঠে খেটে বা বিভিন্ন ভাবে মেয়েরা সপ্তাহে পাঁচ শ বা হাজার টাকা যোগার করে রাখে এদের পেয়াদা কে দেবার জন্য। আমার মনে হয় এরাও এক একটা চিটফাণ্ড যারা গ্রামের মেয়েদের বোকা বানিয়ে কোটি টাকা করছে। আর Yes Bank যাদের ঋণ দিয়েছে, তারা বর্তমানে দেশ টাকে লুট করার শোষণ করার পরিকল্পনা করেছে, ইংরেজ আমলে যেমন ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের কুটির শিল্প শিক্ষা ব্যবস্থা সব ধ্বংস করে দিয়ে ছিল। শোষণ আর লুট করার জন্য, এখন আমাদের দেশের কয়েক জন শিল্পপতি আদানি আম্বানি প্রধানমন্ত্রী নামক এক ব্যক্তি কে পনসর্ড করে দেশ টাকে লুটে খাবার ব্যবস্থা করে যাচ্ছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সরকারি বলে কিছু রাখবে না, ব্যাঙ্ক বিমা রেল তেল বিভিন্ন খণিজ পদার্থ সর্ব কিছু ঐ দশ বারো জন শিল্পপতির কুক্ষিগত করা হবে। গনতন্ত্র বলে কিছু থাকবে না বণিক তন্ত্রে পরিবর্তন হয়ে যাবে। আর সেই কারণেই এন আর সি এন পি আর গরীব খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে ক্রীতদাসে পরিনত করার চক্রান্ত তাদের জন্য একবেলা কুত্তার মতো খেতে দেবে আর ডিটেনশন ক্যাম্প নামক আধুনিক জেলে বন্দি করে রাখা হবে। কাজের লোকের প্রয়োজনে গাড়ি যাবে লোক তুলে এনে কাজ করিয়ে আবার ঐ ক্যাম্পে রেখে আসবে, যদি সে বেঁচে থাকে। আরেক দিকে মধ্যবিত্ত জনগণ এই সব শিল্প পতির ভাঁড়ার পূর্ণ করে দেবে বিভিন্ন ভাবে সমাজে তিন শ্রেণীর মানুষ থাকবে একেবারে ধনী, উচ্চবিত্ত আর ওরি মধ্যে উচ্চ মধ্যবিত্ত। আর গরীব মানুষ গুলো থাকবে ঐ ক্যাম্পে, আমি মাঝে মাঝে দেখছি বামপন্থী ছাত্র যুব এরা আন্দোলন করছে, আর আমাদের রাজ্যের সরকার সে তো লুটেরা দের সরকার সে জানে আগে সারদা রোজভ্যালী এম পি এস গ্রীনারি ইত্যাদি ছিল সাধারণ মানুষ কে লুট করে খেয়েছি এখন সরকারি টাকা টেন্ডার ডাকা থেকে শুরু মাল সাপ্লাই সবেতেই টাকা তার উপর আছে খেলা মেলা পুজো করার জন্য টাকা, ধর্ষণ শ্রী থেকে শুরু করে নানা শ্রী কলেজে ভর্তির জন্য টাকা, চাকরি করে দেওয়ার জন্য টাকা চাকরি পাওয়ার বদলি হতে টাকা, কত ভাবে টাকা উপায় করা যায়। আমি বিভিন্ন সোসাল মিডিয়ায় দেখি আর ভাবি এদেরও সমর্থন করে মানুষ না হলে ভোটে জেতে কি করে? আবার এদের সাথে গরুর দল আছে, তাদের নেতারা কি না জানে গরুর থেকে কি না পাওয়া যায়, সোনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রোগের ওষুধ সব আছে এই গরুর মুত্র আর গোবরে। আমি বুঝতে পারি না, কি বাঙালি জাতির এতো অধপতন হোল, যারা একদিন গোটা ভারত কে স্বাধীনতা যুদ্ধের পথ দেখিয়েছে। আধুনিক শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছে, তারা আজ চুরির টাকার ভাগ পাওয়ার জন্য বর্তমান শাসক দল আর গোমুত্র ভোগী বা গো পালক দের চতুর কথায় নিজেদের ডুবিয়ে দিচ্ছে। এই সুযোগে তারা দেশটা কে আবার পরাধীন করার চক্রান্ত করে চলেছে, আবার এটাও ঠিক সেই সময়ে ব্রিটিশদের পা চাটা কুত্তার দল ছিল, যারা এখন সরকার চালাচ্ছে। চোর কে কিভাবে সাধু বানাতে হবে তার পরিকল্পনা নিয়েছে, এই সব চোর লুটেরা কে সমর্থন করে যাচ্ছে মানুষ কিসের আশায়! আগামী তে পৌরসভা নির্বাচন আছে, জানি না শহরের মানুষ এই সব চোর লুটেরা চিটিংবাজ তোলা বাজ তোয়ালের নীচে টাকা নেওয়া দের সমর্থন করবে কিনা যদি করে তাহলে বুঝতে হবে শহরের মানুষ প্রত্যেকে এই লুটের বা চুরির ভাগ পায়। শিক্ষার কোন দাম নেই, তবে আমি সোসাল মিডিয়া দেখি আর অবাক হয়ে যাই। কি যুগ এলো দেশটা আবার লুটেরা দের দখল, আসুন না আমরা প্রতিটি শুভ বুদ্ধির মানুষ এর প্রতিবাদে গর্জে উঠি আবার একটা স্বাধীনতার জন্য লড়াই শুরু করে দিই।



Sunday, 8 March 2020

পশ্চিমবঙ্গরে শাসকের আচার্যের গুন।

বাংলায় একটা প্রবাদ আছে চোরে চোরে মাসতুত ভাই। সঠিক লোক নিয়োগ করা হয়েছে পরামর্শ দেওয়ার জন্য। ইনি কন্টেন্ট চুরি  করেছেন, বলে অভিযোগ করেছেন শ্বাশত গৌতম নামে এক ব্যক্তি। প্রশান্ত কিশোর ও তার দলের বিরুদ্ধে, শনিবার পাঠনার আদালত আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়েছে। এ খবর আমার নয় কেবল টি ডি এন বাংলার। আমার মনে হচ্ছে সঠিক ব্যক্তি কে ডেকে আনা হয়েছে, পরামর্শ দেবার জন্য। যেমন সঠিক পুলিশ অফিসার ছিলেন রাজীব কুমার, এখনও আছেন, বর্তমান সি বি আই অফিসার গন কিছুতেই রাজীব কুমার কে খুঁজে পাচ্ছিল না। আবার বর্তমানে ঐ রোদ্দুর রায়ের পেছনে লাগবে বলছেন তিনি অশ্লীল কথা বলছেন রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর তথা কবিগুরুর গান নিয়ে তবে হয়তো করেছে। কিন্তু নেতা মন্ত্রীরা আকথা কথা বলে বেড়াচ্ছে, তাদের টিক ছুঁতে পারে না। প্রশাসন চুপ করে বসে আছে, আর কোথায় একটা অশ্লীল শব্দ বন্ধ ব্যবহার করা হয়েছে। যে শব্দ ট্রেনে বাসে মাঠে ঘাটে অনেকেই বলে। সত্যই কি রাজ্যত্ব এল এ বঙ্গে বেকার চাকরির জন্য হাহাকার করে রাস্তায় বসে অনশনে বসে, আর চোর জোচোর বাটপার দের ভোটে জেতাতে আরেকটা বদমাশ লোক নিয়োগ পায় কোটি কোটি টাকায়। সত্যই রতনে রতন চেনে। 

Saturday, 7 March 2020

নেতারা গালাগাল দিলে খুন করে ফেলব বললে দোষের নয়।

নেতা মন্ত্রীরা মঞ্চে উঠে আকথা কুকথা বলছেন। খুনের কথা বলছেন, গুলি করে মেরে ফেলা হবে বলেও ছাড় তখন তাদের ভয়েষ টেষ্ট করতে হবে ওটা সে বলেছে কিনা। ভিডিও দেখা যাচ্ছে টিভি চ্যানেলে বার বার দেখাচ্ছে, তবুও ভয়েষ টেষ্ট আর পাবলিক করলে দোষ। সুকুমার রায় কে নকল করতে গিয়ে যা খুশি কবিতা লেখা হচ্ছে। মানছি বিশ্ব কবি লিখেছেন, কেউ কেউ গেল গেল রব তুলে দিয়েছেন, কত অন্যায় করে ফেলেছে, খিস্তি দিয়ে কথা বা গান হামেশাই শোনা যায় ট্রেনে বাসে যারা যাতায়াত করেন তারা কথায় কথায় মাত্রা দেওয়া ভাষা শোনে, মনে হয় তার ঐ নীচের অঙ্গ মুখ দিয়ে বেড়িয়ে আসবে, মুখে একটা জাঙ্গিয়া পড়িয়ে দিলে ভালো হয়। আসলে তা নয় আমরা নেতা মন্ত্রীরা যা খুশি তাই করতে পারি, প্রশাসন কিছু বলবে না চুরি করে জনগণ কে ভিক্ষা দিতে পারি। গালাগালি দিতে পারি জন গনের জণ্মের ঠিক নেই বলতে পারি। তুমি কে তুমি জনগণ তোমরা আমার প্রজা আমি তোমাকে চাকরি বা কাজ করে খাওয়ার অধিকার না দিতে পারি। আমার বেতন দু লক্ষ হতে পারে তোমাকে আমি দু হাজার টাকা বেতন দিতে পারি টেন্ডার পাইয়ে দেবার নাম করে কোটি কোটি টাকা লুঠ করতে পারি। কাটমানি নিতে পারি তোলা তুলতে পারি পুলিশ আমাদের ধরবে কি, কিন্তু তুমি জনগণ তোমার কোনো অধিকার নেই কিছু করার আমি রাজা আমি সব করে ছাড় পাব আইন কানুন ওসব তোমাদের জন্য। পুলিশের ক্ষমতা নেই আমাদের কিছু করে,তুমি অপরের কি লিখে গেছে না দেখে নিজের মতো করে একটা গান লেখ বা কবিতা লেখ তাহলে বা কার্টুন পোষ্ট কর তুমি অপরাধী তখন মিলিয়ে দেখা হবে যদি দু চারটে শব্দ মিলে গেল তাহলে অপরাধ করে ফেলছ। আমার তো মনে হয় দোষ টা এই সব নেতা মন্ত্রী দের নয় দোষ আমাদের আমরা যারা সহ্য করে নিয়েছি। এরা আবার ভোটে দাঁড়িয়ে জিতে আসবে। আর জনগণ কে কুত্তা বানিয়ে রেখেছে। সত্যই জনগণ খুব বোকা ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দিয়ে রেফ করিয়ে দেব বলার পরও শাস্তি হয় না। দারুণ রাজত্ব চলছে। কিছু বলার নেই, আমরা ক্রমশ কোথায় গিয়ে পৌঁছেছি।দেশ এবং রাজ্যে লক্ষ লক্ষ বেকার ছেলে মেয়ে লেখা পড়া শিখে কোন চাকরি বাকরি নেই আছে চাকরির নামে ভাঁওতা যদিও চাকরি পেতে হয় তাহলে ঘুষ দিতে হবে নেতাদের 280 টাকার মজুর নেতা হয়ে 280 কোটি টাকার মালিক। আর এই সব চোর চিটিংবাজ নেতাদের নিরাপত্তা দেয় পুলিশ। নিজে বেতন পায় ত্রিশ হাজার টাকা আর নেতা বেতন পাচ্ছেন দু লক্ষ টাকা। আবার উপরি পাওয়া না। আমাদের দেশের তথাকথিত রাজ্যের দূর্ভাগ্য নেতারা মন্ত্রীরা এমন ভালো কাজ করেন তাদের নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরতে হয়। জনগণের মধ্যে মিশতে পারে না। মিথ্যাবাদী শাসকের বিরুদ্ধে মুখ খোলার মতো মানুষ নেই। কেবল একটি ইস্যু পেলেই হলো। রবীন্দ্র সঙ্গীতের সাথে দু একটা কথা মিলে গেছে ব্যাস আর যায় কোথায়? ব্যবস্থা নিতে হবে, কিন্তু বেকারের কাজ চাই, না হলে এসব হবে। আমি নেতা আমি নিরাপদে নিরাপত্তা নিয়ে চর্বচোষ্যলেহ্য পেয়ে তেতলায় শুয়ে থাকব আমার চুরি করে কেবল টাকা দিয়ে মদ মাংস খাইয়ে বেকার যুবক দের দুহাজার টাকা বেতন দিয়ে চাকর করে রাখব। তাও ঐ দু হাজার টাকার চাকরি পেতে দশ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হয়। এই তো দেশের অবস্থা সেখানে দাঁড়িয়ে কি করে পুলিশ দিয়ে সামান্য ঘটনা কে বাড়িয়ে দেওয়া যায় তার ব্যবস্থাপনা চলছে।

Friday, 6 March 2020

মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী তথা আমাদের প্রিয় দিদি কে অসংখ্য ধন্যবাদ।



আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা আমাদের প্রিয় দিদি দিল্লি থেকে ফিরে এসে জানিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গে NRC হচ্ছে না, অযথা আতঙ্কিত হবেন না, সরকারি যে কাজ গুলো চলছে যেমন রেশন কার্ড সংশোধন ও ভোটার তালিকা তৈরি ঐ কাজ গুলো করে ফেলুন। দিদর উপর ভরসা রেখে বলছি যাদের পুরাতন রেশন কার্ড জমা দিয়েছে নতুন কার্ড পাওয়ার জন্য এখনও পাইনি তাদের জন্যে কি ব্যবস্থা আছে, রেশনের জিনিস দরকার নেই কিন্তু ডিজিটাল কার্ডের জন্য নিজের পুরাতন কার্ড ও আধার কার্ডের জেরক্স সমেত জমা নেওয়া হয়েছে, আজ ছ মাসের উপর এখনও পর্যন্ত কোনও কার্ড পায় নি। আমিও আবেদন করেছিলাম কিন্তু দুর্ভাগ্য এখনও পর্যন্ত কোনও কার্ড ঝোটেনি আদৌ পাব কিনা জানি না। কারণ আমার কাছে কোন প্রমাণ নেই আবেদনের আমার কার্ড গেল নতুন পেলাম না পুরনো সেটাও জমা নিয়ে নেওয়া হয়েছে। আপনি এই লেখাটা পড়বেন কিনা জানি না, তবুও লিখছি। 

Sunday, 1 March 2020

কথায় বলে চোরের দলে থাকলেই চোর।



মনে পরে কলকাতার ফ্লাইওভার (ব্রিজ) ভেঙে পড়ে ছিল, তদন্ত শুরু করে ছিল। কিন্তু কেউ জানে না সেই তদন্তে কি বেড়িয়ে এল। যেমন বাম নেতা মন্ত্রী দের জেলে দেবার জন্য 11টা না 12 টা কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কেউ জানে না কি রিপোর্ট জমা পরেছে। সিঙ্গুর নন্দী গ্রামের তো সি বি আই রিপোর্ট জমা পড়েছে, কেউ জানে কারা অপরাধী, আর ঐ 21শে জুলাই শহীদ দিবসের নাটক সেই সময় যিনি পুলিশ কর্মকর্তা তিনি মঞ্চে উপস্থিত থাকেন মাঝে মন্ত্রী হয়ে ছিলেন(মনীশ গুপ্ত)। অর্থাৎ এই দলের আগা গোরা চোর চিটিংবাজ ধাপ্পাবাজ মিথ্যাবাদী দল। সেই জন্যই সততার প্রতীক কার্টুন দিতে হয়। সারদা, রোজভ্যালী, এম পি এস গ্রীনারি, আরও কত চিটফাণ্ড ছিল তাতে যারা টাকা রেখে নিঃস্ব হয়ে গেল, ঐ যে যা গেছে তা যাক। আমার তো মনে হয় যারা একে ভোট দিয়ে জিতিয়ে আনছে তারাও এক একটা চোর কারণ চোর কে সমর্থন করে যা যারা বা সেই দলে নাম লেখায়, তাদের তাই বলে। কথায় বলে চোরের দলে থাকলেই চোর হয়। সাম্প্রতিক তম ঘটনা জল ট্রাঙ্ক ভেঙে পড়া। উন্নয়নের ঠেলা ঠিকাদারের ঘাড়ে দোষ দিয়ে বাঁচছে। শুধু কি ঠিকাদার চোর না সে তোলা দিতে দিতে যে টুকু টাকা বেঁচে ছিল তার থেকে তার লাভ রেখে করে দিতে গিয়ে বিপত্তি।

এসব দেখেও যারা এই দলকে সমর্থন করে ও ভোট দিয়ে জেতায় বা সমর্থন করে, তাদের কি বলা যাবে। বর্তমানেে আরেক চিটিংবাজি শুরু করেছে NPR নিয়ে। মুখে বলছে আমি NPR করব না, বাস্তবে তিনি আগামী এপ্রিল থেকে শুুরু করতে যাচ্ছেন নোটিশ করে দিয়েছেন। মানুষ কে বিভ্রান্ত করার জন্য কি বলছেন এটা 21সালের জনগণনার অঙ্গ ভাবুন, জনগণনা হবে 2021 সালে আর 2020 সালের এপ্রিলে তার NPR আর এই সব  ধাপ্পাবাজ কে মানুষ ভোট দিয়ে জেতাচ্ছে। সত্যই বাঙালি জাতির আজ অধঃপতন হয়েছে, সব বাঙালি আজ চোর চিটিংবাজ, অন্তত এই দল দুটো কে যারা ভোট দেয় বা সমর্থন করে তারা চুরি করতে সাহায্য করে । দিল্লির দাদা আর রাজ্যের দিদি বেকার সমস্যা, দ্রব্য মূল্য বৃদ্ধি এসব দিকে নজর নেই। কেবল মানুষ কে ব্যস্ত রাখ ভোটার কার্ড রেশন কার্ড আর আধার কার্ড তৈরি করার জন্য। সত্যই বাংলায় আজ চোর চিটিংবাজে ভরে গেল। আসুন আগামী পৌরসভা ভোটে প্রমাণ করি সত্যিই বাঙালি তার মেরুদণ্ড বিক্রি করে দেয়নি। যারা সোশাল মিডিয়ায় বলছেন, রক্ত মাখা ভাত, বিজন সেতু আর সাঁই বাড়ি, নানুরের ঘটনা তুলে আনছেন তাদের বলছি। এসব ঘটনার সাথে বাম নেতারা জড়িত মনে করেই ঐ 11টা না 12 টা কমিশন গঠন করা হয়েছিল। এখনও রিপোর্টের কি হলো কেউ জানে না। আর যদি সত্যি বাম নেতারা জড়িত থাকত তাহলে দিদি প্রায় দশ বছর রাজত্ব করে ফেললেন নিশ্চয়ই ছেড়ে দিতেন না। এমনিতেই বাম নেতা কর্মীদের বিনা কারণে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেল খাটাবার ব্যবস্থা করা হচ্ছে, যা আদালতে গিয়ে আর ধোপে ঠিকছে না। ভাবুন ভাবতে শিখুন চোর কে সমর্থন করে বদনামের ভাগীদার হবেন। 

Sunday, 23 February 2020

বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী সঠিক বলছেন উনি বিধানসভা ভাঙচুর করেন নি।

ছবি টা দেখুন আর সেদিনের টিভি ফুটেজ দেখেও বলা যাবে উনি ভাঙেনি। কেবল চিৎকার করে বল ছিলেন আর হাতে একটা সংবিধান না অন্য কোন বই ছিল। ভাঙছিল ওনার সাঙ্গ পাঙ্গরা। আবার দেখুন উনি বিধায়ক নন তবুও বিধানসভায় ঢুকে ছিলেন, উনি সততার প্রতীক উনি কখনও মিথ্যা বলেন, সারদার, রোজভ্যালী আর সব চিটফাণ্ডের টাকা কারা কি করেছেন উনি জানেন না। কেবল ডেলো পাহাড়ে বৈঠক করে ছিলেন এটাও ওনার মনে নেই, ওনার দলের বিধায়ক মন্ত্রী সাংসদ জেলে যাচ্ছে কেন উনি জানেন না। বাম আমলে মন্ত্রী নেতা দের ধরতে এতো কমিটি না কমিশন গঠন করলেন একটা রিপোর্টও জনগণ জানতে পারল না। এমনকি সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামের সি বি রিপোর্ট আর ঐ শহীদ দিবস 21 শে জুলাই তার রিপোর্ট রিজায়ূনুর, তাপসী মালিক সব চাপা পড়ে গেল। নেতা মন্ত্রীরা তোলা বাজ চাকরি দেওয়ার নামে টাকা তোলেন উনি জানেন না, কলেজে ভর্তি জন্য টাকা নেওয়া, সরকারের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার জন্য টাকা নেওয়া, এসবে একদম ওনার কোনো দোষ নেই। আমি জানি উনি নিজে কিছু করেন না, যা করে সাঙ্গ পাঙ্গরা, উনি বারণ করেন কিন্তু না শুনলে কি করেন?
রাজ্যের সকলেই জানেন উনি এসব করেন না, করে সাঙ্গ পাঙ্গরা আর বদনাম হয় দিদির, কেন যে উনি রাজীব কুমারের জন্য ধর্ণায় বসলেন কে বলল ধর্ণায় বসতে, যা হোক যা কিছু হয়ছে ভালোর জন্য হয়েছে। দিদি যে সৎ সেটা সঠিক।
অনেক দিন আগেই প্রমাণ দিয়েছেন। ঐ যে তহলকা ডট কম কী একটা কেলেঙ্কারি বার করল আর উনি রেল মন্ত্রক ছেড়ে চলে এলেন। দিদি আপনি সব পারেন। এই যে নিয়োগ নেই, সরকারি কর্মীদের ডিএ নেই, যা খুশি তাই পে কমিশন। ক্লাব গুলো কে টাকা দেওয়া পূজো করতে টাকা খেলা মেলা হাজারো শ্রী এসব সবটাই ওনার বদনাম করার জন্য সাঙ্গ পাঙ্গরা করে, দিদি আপনি নতুন করে শুরু করুন এসব সাঙ্গ পাঙ্গ দের বাদ দিয়ে নতুন করে শুরু করুন। একদম ভোটের সময় কোনও গণ্ডগোল হবে না, কেউ মরবে না, দাঙ্গা হবে না। ভয় দেখানো হবে না। মানুষ শান্তিতে ভোট দেবে আপনি তহলকা কাণ্ডে দেশের গুরুত্ব পূর্ণ মন্ত্রীর পদ ছেড়ে চলে এলেন আর রাজ্যের ভালোর জন্য এক বছর আগে ভোট করতে পারেন না। বাম সরকার একবার চার বছর পর ভোট করে ছিল ঐ জন্য 34 বছর না হলে 35 বছর হতো। আপনি কু পরামর্শ দাতা দের এবং দূর্নীতি গ্রন্থ দের সরিয়ে নতুন করে করুন, আপনি ক্ষমতা দখল করবেন। হলই বা এক বছর আগে ভোট একুশের জুনে না করে কুড়ি সালে মাঝামাঝি হোক ভোট। কিছু মনে করবেন না দিদি আপনি ভালো থাকবেন সবাই কে ভালো রাখবেন। আমরা আপনাকে নতুন করে মুখ্যমন্ত্রী পাব, ভালো থাকুন সবটাই আপনার উপর নির্ভর করছে। সকলের মঙ্গল হোক শুভ হোক সকলে সুস্থ থাকুন।



দেশে কি সুকুমার রায়ের একুশে আইন চলছে?


পাকিস্তান জিন্দাবাদ বলা টা ঐ মেয়েটির ঠিক হয় নি। এটা আমার রাষ্ট্রের শাসক মনে করে যে এই কথাটা বলবে তিনি দেশদ্রোহী, আচ্ছা কোনো মানুষ যদি বাংলাদেশে জিন্দাবাদ বলে, আফগানিস্তান জিন্দাবাদ বলে, ভূটান, নেপাল, চীন, মায়ানমার জিন্দাবাদ বলে তাহলে তিনিও কি সমান অপরাধী ভারত বর্ষে থেকে অন্য দেশের কথা বলতে বা মনে করতে পারবে না। এই ট্রাম্প আসছেন কেউ আমেরিকা জিন্দাবাদ বলল তাহলে সেও কি অপরাধী সাবস্ত হবে! যদি এরকম আইন থাকে তাহলে জনগণ কে জানানো দরকার না হলে কোথায় কখন কে কোন দেশের কথা বলবে আর দেশদ্রোহী বলে গ্রেফতার করা হবে। এটা একটা বিপদ, আইন প্রণেতা গন ভালো করে ভাবুন আমাদের দেশে কি বাক স্বাধীনতা বলে বিষয়টা নেই, যদি না থাকে তাহলে নেতা মন্ত্রী এমনকি দিল্লির এক সাংসদ বলেন  গুলি করে মারা উচিত বা মেরে দেব শ্মশানে নিয়ে যেতে হবে না যে খানে মারব ওখানে পুঁতে দেব, এনারা বড়ো নেতা তাই এনারা এ সব কথা বলতে পারেন। এনাদের বাক স্বাধীনতা আছে, আমরা সাধারণ মানুষ নেতা খারাপ কাজ করলেও কিছু বলতে পারব না। চোখের সামনে দেখতে পেলাম তোয়ালের নীচে টাকা নিচ্ছে, তবুও তিনি সাধু সারদা রোজভ্যালী আরও কত গুলো চিটফাণ্ডের টাকা আত্মসাৎ করে নিয়ে সাধারণ মানুষ কে নিঃস্ব করে দিল, কত গুলো মানুষ আত্মহত্যা করতে বাধ্য হল। আর সেই চোর দল পরিবর্তন করে সাধু হয়ে গেল, প্রতিনিয়ত দেখছি মিথ্যা বলে ঠকান হচ্ছে, যে ভোটার কার্ড আধার কার্ড দেখিয়ে ভোট দিল সেই ভোটে জিতে সাংসদ বিধায়ক হলো এখন ঐ সব কার্ড  গুলো নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়, কিন্তু তার ভোট বৈধ, অতএব দেখা যাচ্ছে একবার ক্ষমতা দখল করতে পারে তাহলে জনগণ আর মানুষ নয় তখন তারা গরু ছাগল। ক্ষমতা কিন্তু বেশিদিন থাকে না, কারণ একটা কথা আছে মানুষের সব দিন সমান যায় না। আমার তো মনে হয় নেতা দের এই ঔদ্ধত্ব তার কারণ চাটুকার কিছু জনগণ, দু টাকা কিল চাল, ভাগরের মাংস আর মদ খাইয়ে ভোট নেওয়া ভোটে নির্বাচিত হবে না, বুঝতে পারলে রিগিং চোখের সামনে দেখা যাচ্ছে জোর করে ভোট হচ্ছে এমনকি গননা কেন্দ্রের মধ্যে ব্যালটে ছাপ দিয়ে জিতে যাচ্ছে। যে সব মানুষ নেতা দের কথায় এসব করছে হয় তারা তোলা তোলে নয় মদ মাংস পায় নেতার কাছ থেকে,নেতার কাছ থেকে সামান্য ঐ উপঢৌকন পাবার জন্য নিজের জীবন বিপন্ন করে মারপিট করে। জেল তো দূর তার ঠিকি পর্যন্ত ছোঁয় না পুলিশ। আর এই কারণেই নেতা দের এই ঔদ্ধত্ব। দেশে সুকুমার রায়ের একুশে আইন চলছে, জনগণের জন্য আইন নেতা মন্ত্রী তোলা বাজ চিটিংবাজ বড়ো বড়ো চোর ( কোটি কোটি টাকা চুরি) তাদের জন্য আইন নেই। 

Friday, 21 February 2020

আসামের আদালত বলছে যে 15 টি নথি নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়।

আসামের আদালত বলছে যে 15 টি নথি নাগরিকত্বের প্রমাণ নয় ।নাগরিক এর প্রমান কোন নথি, নেতা মন্ত্রী বলেন ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, পাসপোর্ট কোন কিছুই নাগরিক হিসেবে প্রমাণ নয়। ভাবুন ভাবতে শিখুন এই কার্ড গুলো দেখিয়ে আপনি ভোট দিয়েছেন, ব্যাঙ্কের পাশবই করেছেন। আবার আপনি যখন বিদেশে যাচ্ছেন, বিদেশি সরকার বা লোকজন ঐ পাসপোর্ট দেখে বলছেন আপনি ভারতীয় নাগরিক, আর আপনার দেশের সরকার বলছে না ওসব প্রমাণ করে না আপনি নাগরিক, তাহলে যে টা দিয়ে প্রমাণ করার সেটা কি? আবার শুনলাম বা কাগজে পড়লাম এক দেশ এক রেশন কার্ড হবে। ঐ রেশন কার্ড কি নাগরিক হিসেবে প্রমাণ করার জন্য হবে, যদি হয় তাহলে খুব ভালো না হলে কেবল মাত্র কোটি কোটি টাকা খরচ করে একটা কাগজ বাড়ানো আর জনগণ কে রাস্তায় এনে দিনের পর দিন লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখা কোনো মানে হয় না। যেমন এখন চলছে, মানুষ কাজ কর্ম বাদ দিয়ে আধার, ভোটার আর রাজ্য সরকারের রেশন কার্ড করতে লাইন দিচ্ছে। একটার পর একটা ফিরিস্তি, কিছুতেই শেষ হয় না। আমি এক বছর আগে আবেদন করেছি এখনও পর্যন্ত তার মানে রাজ্য সরকারের রেশন কার্ডের দেখা নেই। আমার মনে হয় দুর্গা দালানের লোক পারমিশন দেয় নি। কারণ রাজ্যের সব কিছু এখন পাড়ার ছোট বড়ো শাসক দলের নেতাদের কথায় হয়। আর এই জন্যই আসামের আদালত বলছে ঐ 15 টি নথি নাগরিকত্বের প্রমাণ নয়।নেতা মন্ত্রী দের টাকা দিয়ে একটা কাগজে লিখে আনতে হবে সেটা হবে প্রমাণ, আর আপনার ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন নেতা মন্ত্রী সে বৈধ্য নাগরিক আপনি যখন ভোট দিলেন তখন আপনি বৈধ্য নাগরিক, আপনার ভোটে নির্বাচিত সরকার ও বৈধ্য কেবল আপনি অবৈধ নাগরিক। কত সুন্দর দেশে আমরা বাস করছি, ভোট বৈধ্য নাগরিক অবৈধ। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...