বর্তমান সরকার অনশন বোঝে না, অনশন যে না খেয়ে করতে হয়, এটা জানে না। কারণ এই সরকারের নেতা মন্ত্রী নেত্রীরা সকলে জানে অনশন খেয়ে করতে হয়। কারণ সিঙ্গুর থেকে টাটা তাড়ানোর সময় অনশন মনে আছে, স্যাণ্ডউয়িচ খেয়ে ২৬ দিন অনশন। তাছাড়া গত মার্চ মাসের শেষ থেকে শুরু করে টানা ২৮দিন অনশন করল SSC পরীক্ষায় পাশ করে তালিকায় নাম থাকা চাকরি প্রার্থীরা। শিক্ষা মন্ত্রীর সেই পনেরো দিনের আশ্বাস, আর মুখ্যমন্ত্রীর কমিটি গঠন করা সব হলো ভোটের জন্য হাত পা সব বাধা, ভোট মিটল কিন্তু কিছু হলো কী? কেবল মাঝখান থেকে একজন সন্তান সম্ভবা মা তার গর্ভের সন্তান হারিয়ে ফেলল। এসব দেখেও এই সরকার কোন কাজ করে না। বর্তমান রাজ্য সরকারের একটাই লক্ষ্য যেমন করে পার কাট মানি নিতে হবে, তোলা তুলতে হবে, চুরি ছ্যাঁড়ামি করে কোটি কোটি টাকা হজম করতে হবে।সেই জন্যই যেমন করে হোক জনগণ কে দমিয়ে রাখতে হবে। জনগণ কে ভিক্ষারি বানিয়ে ছেড়ে দিতে হবে। দু টাকা কিলো চাল আর নেই রাজ্যে হাজারো রকম শ্রী নামক বস্তু আছে কজন মনে রেখেছেন শ্রী গুলো আবার সাথী আছে তাও অনেকের মনে নেই। মানুষ ভীষণ ভুলে যায় সেই জন্যই ভোটের আগে এরা নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা দখল করে তার পর নিজ মুর্ত্তি ধারণ করে। বামেদের আমলে পঞ্চায়েত খরচের জন্য এতো টাকা আসতো না। সেই কারণেই তারা এদের থেকে একটু ভালো ছিল। সেই কারণেই বাম সরকার শেষের দিকে অনেক মানে ১৯৯৭ সালের পর থেকে অনেক নিয়োগ করে গিয়েছিল। এই সরকার তো নিয়োগ করে না, করলেও বাপের টাকা থাকতে হবে,কারণ লাখ লাখ টাকা ঘুষ না দিতে পারলে চাকরি পাওয়া যাবে না। এদের নীচু তলা থেকে উপরের নেতা মন্ত্রী সকলে ঘুষ খোর মিথ্যে বাদি ধাপ্পাবাজ, মহা চোর চুরি করে নেতাদের কুঁড়ে ঘর আজ রাজ প্রাসাদ আর জনগণ বোকচন্দর বনে গেছে। সেই কারণেই বলছি বা তোমাদের অনুরোধ করছি ধর্ণা ঠিক আছে অনশন কর্মসূচি তুলে নাও, নিজেদের পরিবার পরিজনদের কথা ভেবে, এই অনশন বন্ধ করে কেবল ধর্ণা কর। অনশন খুব কষ্টের প্রকৃত অনশন কারি মাত্রই জানেন। অনশনে যে কাজ হয় না, তার প্রমাণ আঠাশ দিন অনশন করেও কিছু মেলেনি।এই সরকার কর্মচারী এবং মানুষ খুন করতে এসেছে, এরা জোর করে ভয় দেখিয়ে ভোট আদায় করতে জানে। ভোট না দিলে পিটুনি বা খুন করা এদের কোনো ব্যাপার না। আমার আবারও অনুরোধ ধর্ণা ঠিক আছে অনশন তুলে নাও।
Anulekhon.blogspot.com
Thursday, 18 July 2019
বর্তমানে রাজ্যের শাসক দল ও শিক্ষকদের আন্দোলন ।
রাজ্যের সবচেয়ে পুরোনো ও শিক্ষক আন্দোলনের ঐতিহ্য বহনকারী শিক্ষক সংগঠনের গত ১৭/৭/১৯ তারিখে উন্নয়ন ভবনের সামনে তথা ওয়াই চ্যানেলে জমায়েতের একটি অংশের ছবি। বর্তমান রাজ্য সরকারের শিক্ষা নীতি ও শিক্ষকদের প্রতি আচরণ নিয়ে বারবার সরব হওয়া একটি সংগঠন এবিপিটিএ এক দেশ এক বেতন, prt স্কেল, দ্রুত বেতন কমিশন কার্যকর করার দাবি এবং মিড ডে মিলের বরাদ্দ বৃদ্ধি, প্রধান শিক্ষক হীন বিদ্যালয়ে দ্রুত প্রধান শিক্ষক নিয়োগ করা এরকম বারো দফা দাবি নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রী কাছে ডেপুটেশন দেওয়ার জন্য এই জমায়েত। আমি ও ছিলাম ঐ জমায়েতে, কিন্তু যা শুনলাম তাতে করে মনে হল এই রাজ্যে সরকার বলে কোন কিছু নেই। ডেপুটেশনে যাওয়া নেতৃত্ব কে বেশ কিছু খন বাইরে বসিয়ে রাখা হয়, তবে এতে আমি আশ্চর্য হইনি, কারণ বর্তমান শাসক দল তৃণমূল শিক্ষকদের কোনো সণ্মান করে না। এই সরকার প্রতি পদক্ষেপে বুঝিয়ে দিচ্ছে, সরকার কোনও দিন শিক্ষকের দাবি মানবে না। প্রতি মুহূর্তে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি, নানা টালবাহানা করে, এবং আন্দোলন কে পুলিশ দিয়ে দমন করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষকদের মূল দাবি টি কী? যে তুমি যখন NCERT নিয়ম মেনে যোগ্যতা মান করিয়েছ, বা সেই যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ করেছ।শিক্ষকদের দাবি করেছেন যে যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন দিতে হবে। অর্থাৎ সারা দেশে PRT স্কেল চালু হয়েছে, সেই স্কেল দিতে হবে। নিদেনপক্ষে পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী পে ব্যাণ্ড থ্রি তে তুলে ৩৬০০ ও ৩৯০০ টাকা গ্রেড পে করতে হবে। আর এই পে ব্যাণ্ড পাল্টাতে হবে, ষষ্ঠ বেতন কমিশন লাগু করার আগে। পে ব্যাণ্ড থ্রি দিয়ে তার উপর ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ফিডমেন্ট ২.৫৭ দিতে হবে। বর্তমান রাজ্য সরকারের কোন ইচ্ছা নেই, শিক্ষক দের দাবি মেনে নেওয়ার, তারা বিভিন্ন ভাবে এই আন্দোলন কে দমিয়ে রাখতে চাইছে। ক্ষমতায় আসার আগে যেমন মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সে ভাবে একের পর এক মিথ্যে কথা বলে চলেছেন। বেতন কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে চলেছেন, এতে কমিশনার সহ ঐ বিষয়ে নিয়োগ প্রাপ্ত কর্মীরা বেতন বা অনারিয়াম পাচ্ছেন। কমিশনার তো কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী তিনি সপ্তম বেতন কমিশন অনুযায়ী বেতন পাচ্ছেন। আবার বর্তমানে কমিশনার হিসেবে অনারিয়াম ভালোই আছেন। সারা দেশের মধ্যে কেবল এই রাজ্যে বেতন কমিশন তার সুপারিশ জমা দেয়নি। কেবল শিক্ষকের বেতন কম যে পুলিশ জল কামান চালাচ্ছে, বা যে কর্মী সরাসরি সরকারি অফিসে কাজ করেন। তারাও আজ ন্যায্য বেতন থেকে বঞ্চিত, কবে বেতন কমিশন চালু হবে কেউ বলতে পারবে না। সত্যিই আমরা এক আজব রাজ্যে বাস করছি, এখানে সব কিছু আছে কিন্তু কর্মীদের বেতন বাড়ানোর টাকা নেই। আমি আশ্চর্য হয়ে যাই যখন একজন, শিক্ষা দপ্তরের সরকারি কর্মী শিক্ষকের কাজের খুঁত ধরার জন্য বিদ্যালয়ে পৌঁছে তাকে নানা দিক থেকে বিব্রত করে। মাইনরিটি স্কলারশিপ নিয়ে, হোক আর মি ডে মিল নিয়ে, কদিন আগে আধার নিয়ে চলছিল। আবার শিক্ষক আন্দোলনে যোগ দিলে তাকে শো কজ করে এবং নানা ভাবে হেনস্থা করে। আমার মনে হয়, এই সব সরকারি অফিসারা বকেয়া ডিএ ও ষষ্ঠ পে কমিশন মনে হয় পেয়ে গেছেন, বা এতো কাট মানি তোলে যে এদের বেতন না বাড়ালেও হবে। এক একজন অফিসার তো নিজে কে মুখ্যমন্ত্রী ভাবে, তার মুখের কথাই আইন। সেই কারণেই বঞ্চিত কেবল শিক্ষক দের আন্দোলন ভাঙার জন্য উঠে পড়ে লাগে। সেই কারণেই বলছি প্রতিশ্রুতি অনেক হয়েছে, আর প্রতিশ্রুতি চাই না। এবার দাবি আদায় করতে পথে নেমে আরও তীব্র আন্দোলন শুরু করতে হবে।
Wednesday, 17 July 2019
পরকীয়ায় কি না ঘটে!
কাল থেকে খবর টি পড়েছিলাম যে মেদিনীপুরের ঘাটালে এক গৃহ বধূ স্বামীর অবর্তমানে, অর্থাৎ স্বামী কাজের সূত্রে বাইরে থাকে, সেই সুযোগে ছেলে কে স্কুলে পাঠিয়ে। পুরনো প্রেমিকের সাথে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে। গ্রামের লোকজন তাদের আপত্তি কর অবস্থায় দেখতে পেয়ে ধরে ফেলে, বসে সালিশি সভা, বিচারে ঠিক হয় দুজনের বিয়ে দিয়ে দেওয়া হবে। আমার মতে তারা ঠিক করেছ, না হলে এই লুকিয়ে লুকিয়ে প্রেম অর্থাৎ স্বামীর খেয়ে পরে অপরের কাছে শোওয়া। আবার কাকের বাসায় কোকিলের ডিম পাড়ার মতো, সন্তানের জন্ম দেওয়া। এ গুলো ঠিক নয়। আবার এটা আইনের চোখে ঠিক নয়, একজন কে ডাইভোর্স না করে অন্য জনের সাথে বিয়ে দেওয়া। আইনের চোখে বা শাসনে হয়তো বেআইনি, বাস্তবে সমাজ ব্যবস্থায় সমাজের মোড়লরা যা করেছে, সেটা সঠিক কাজ। কারণ আইন সেতো বিচার করা হয় না, প্রহসন হয় আর কেবল তারিখ আর উকিল মুহুরির পকেট ভড়ানো ছাড়া আর কিছু হয় না। মাসের পর মাস বছরের পর বছর মামলা চলে।যার অগাধ টাকা আছে, সে কোর্টের বিচার পায়, তাও সমাজ কি চায় মানুষ টি কি বলে তাদের কথা শুনবেন সবার শেষে কয়েক বছর পর যখন তারা সব ভুলে গেছে তখন। কি সুন্দর আমাদের বিচার ব্যবস্থা তাই না। সুপ্রীম কোর্ট অবশ্য রায়
আছে, পরকীয়ায় দোষ নেই, আমার মনে যিনি এই রায় দিয়েছেন, তার স্ত্রী মনে হয় পরকীয়ায় জড়িত না হলে এ রায় দেওয়া যায় না। তিন টি জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয় যে পরকীয়ায়। সে মহিলাদের পরকীয়া হোক বা পুরুষের, আমি যে সব ঘটনা বিভিন্ন সংবাদ পত্রে পরছি তাতে মেয়ের দল বেশি। পরকীয়ায় যদি দেখছে স্বামী বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তবে তাকে খুন করে দিচ্ছে, আমাদের রাজ্যের মনুয়া কাণ্ড, তার পরেও আরও কত গুলো ঘটনা সামনে এসেছে, সত্যি অবাক করার মত, অনেকে আছে, বিয়ের আগে প্রথম যার সাথে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে তাকে ভুলতে পারে না। এবার বাবা মা বা পরিবারের কথায় অন্য ছেলে কে বিয়ে করে তার জীবন টা নষ্ট করে দেয়। অনেক পুরুষের এ স্বভাব আছে, এ কাজ করা উচিত কি? সবাই মিলে ভাবুন বাঙালি জাতি তার সমাজ ব্যবস্থা কে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? চরম অন্ধকারের দিকে তাই নয় কি?
আছে, পরকীয়ায় দোষ নেই, আমার মনে যিনি এই রায় দিয়েছেন, তার স্ত্রী মনে হয় পরকীয়ায় জড়িত না হলে এ রায় দেওয়া যায় না। তিন টি জীবন নিয়ে টানাটানি শুরু হয় যে পরকীয়ায়। সে মহিলাদের পরকীয়া হোক বা পুরুষের, আমি যে সব ঘটনা বিভিন্ন সংবাদ পত্রে পরছি তাতে মেয়ের দল বেশি। পরকীয়ায় যদি দেখছে স্বামী বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তবে তাকে খুন করে দিচ্ছে, আমাদের রাজ্যের মনুয়া কাণ্ড, তার পরেও আরও কত গুলো ঘটনা সামনে এসেছে, সত্যি অবাক করার মত, অনেকে আছে, বিয়ের আগে প্রথম যার সাথে শারীরিক সম্পর্ক তৈরি করে তাকে ভুলতে পারে না। এবার বাবা মা বা পরিবারের কথায় অন্য ছেলে কে বিয়ে করে তার জীবন টা নষ্ট করে দেয়। অনেক পুরুষের এ স্বভাব আছে, এ কাজ করা উচিত কি? সবাই মিলে ভাবুন বাঙালি জাতি তার সমাজ ব্যবস্থা কে কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? চরম অন্ধকারের দিকে তাই নয় কি?
Sunday, 14 July 2019
প্রমীলা বাহিনী জেগেছে, চুল্লুর ভাঁটি ভাঙচে তারা। আর বিদ্যালয়ে এটা কি হচ্ছে?
ছবি টি অন লাইন নিউজ 18 এ বেড়িয়ে ছিল। গ্রামের মেয়েরা চুল্লুর ভাঁটি ভাঙচে, প্রায় খবর হচ্ছে, মেয়েরা একত্রিত হয়ে, লাঠি সোটা নিয়ে মদের ঠেক মদ তৈরির সরঞ্জাম ভেঙে দিচ্ছে। এটা খুব দরকার না হলে ঐ চুল্লু খেয়ে তাদের বাড়িতে বাড়িতে অশান্তি করছে, পুরুষরা। আবার কোন কারণে যদি বিষাক্ত হয়ে যায় তাহলে মৃত্যু অনিবার্য, কিন্তু বিদ্যালয়ের পাঠ রত ছাত্রীরা একি করছে,
এই মেয়েরা কোন বাড়ি থেকে এসেছে, তবে দোষ এদের নয় দোষ সমাজ ব্যবস্থার 2011 সালের পর থেকে বেশি করে বদলে গেছে সমাজ ব্যবস্থা, এতো অধপতন ভাবা যায় না। বিদ্যালয়ের ভিতরে মদ্যপান, অনেকে বলবেন শিক্ষকরা কী করছে? এসব মেনে নিল কী করে? শিক্ষকের কিছু করার থাকছে না, তারা অসহায় হয়ে পরেছে। শাস্তি দেওয়ার অধিকার তাদের নেই, তুচ্ছ শাস্তি সেটাও দেওয়া যাবে না। যে কোন রকম শাস্তি দিলে হয় অভিভাবক নয়, প্রশাসন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এগিয়ে আসছে। সমাজ ব্যবস্থা আজ নষ্ট হয়ে গেছে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঘুন ধরে গেছে, এই পচন কেউ রোধ করতে পারবে না। আর তার উপর আছে, টিভি সিরিয়াল ও স্মার্টফোন এখন সমাজ নিয়ন্ত্রণ করছে। সমাজের সেই মুল্যবোধ হারিয়ে গেছে, কারণ যে দিন থেকে শিক্ষা ব্যবস্থায় পুঁজির অনুপ্রবেশ ঘটেছ। সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার বই বা সিলেবাস পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে পাঠ্য বই বা পাঠ্য সুচীতে কোনো মূল্য বোধের বিষয় নেই। বাংলায় শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস করার প্রয়াস শুরু হয়েছে অনেক দিন ধরে, যে সিলেবাসে না আছে পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্য সম্পর্কিত কোনো ইতিহাস না আছে সেই সব কবিতা গল্প প্রবন্ধ কি ভাবে গড়ে উঠবে মূল্যবোধ। প্রাথমিকের পাঠ্যসূচী সে তো অতীব নিম্ন মানের কোনো কিছু শেখার নেই। উচ্চ শ্রেণীর পাঠ্য সুচীতে নিত্য নতুন ভাবে যে সব বিষয়ে পাঠ্যসূচীতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সে গুলো পড়লে মূল্যবোধ তৈরি হওয়ার বদলে, মুল্যবোধ ধ্বংস হয়ে যাবে। একটা নব্বই শতাংশ তৈরি করা কারখানা কে তাড়িয়ে যে ভাবে আনন্দ করা হয়েছে তার ইতিহাস। সাথে আছে পেট ভরে খেয়ে ছাব্বিশ দিনের মিথ্যে অনশন কর্মসূচি। এসব পড়ে কি মূল্য বোধ তৈরি হবে।
এক মাত্র বামপন্থীরা পারে সঠিক পথ দেখাতে ।
একমাত্র বামপন্থীরা পারে সঠিক পথ দেখাতে, তাই যে কোন নির্বাচন যদি সঠিক ভাবে পরিচালিত হয়, সেখানে বামেদের জয় নিশ্চিত। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে একটি নির্বাচন ও সঠিক ভাবে বিনা রক্ত পাতে হয়নি। বামপন্থীরা যেতে কারণ তারা দুর্নীতি গ্রস্থ নয়, এবং সর্বোপরি তারা শ্রমিক কর্মচারী দের নিয়ে নিতী নির্ধারণ করে এসেছে। কিছু দূর্নীতি গ্রস্থ মানুষ বামপন্থী দের সাথে মিশে, বামেদের বদনাম করে, 2011 সালে ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। যে সব মানুষ এসব করে ছিল, তারা এখন কাট মানির দলে, কে কত খেতে পার বা লুটে নিতে পার তার প্রতিযোগিতা চলছে। ইচ্ছা হলে সাধারণ মানুষের দিকে একটু রুটি ছুঁড়ে দিচ্ছে, খুব ঘেউ ঘেউ করলে ডিএ জুটছে, যারা সেদিন মহাকরণ ভাঙচুর করে ছিল ডিএর জন্য, তারা এখন চুপ, আর শিক্ষকের কথা সে তো তথৈবচ, সে যে স্তরের শিক্ষক হোন না কেন, কেউ রেহাই পাচ্ছে না। একমাত্র শাসক দলে নাম লেখালে, এবং হীরক দেশের রাজা সিনেমার মতো, শ্রমিকদের বেতন নেই, শিক্ষকের পড়াবার অধিকার নেই, কেবল মি ডে মিল খাওয়া হলো কিনা তার হিসেব করা। আর জামা, জুতো,সাইকেল, কন্যাশ্রী রূপ শ্রী, বই বিলি, বিএলও ডিউটি আরও নানা কিছু। এতো কিছুর পরেও পান থেকে চুন খসলে হলো, এবার সে যদি বাম সমর্থক হয়, তাহলে তার কপালে অশেষ দুঃখ প্রথমে বদলির নির্দেশ, অন্য রাজ্যে তো দিতে পারে না, এই রাজ্যের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। এভাবে যদি দমান না যায় তাহলে, সাময়িক বর। খাস্ত। অর্থাৎ শাস্তি তাকে পেতে হবেই। পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে, প্রতিটি নির্বাচন যদি শান্তি পূর্ণ হতো তাহলে বামফ্রন্ট অনেক অনেক আসন পেতে পারতো। বর্তমান শাসক দল গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা ধ্বংস করে দিচ্ছে।
সৎ হওয়ার কী মরিয়া চেষ্টা!
আমাদের রাজ্যের শাসক দলের জবাব নেই, দল নেত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। কাট মানি ফেরত দিতে হবে, স্থানীয় নেতা অক্ষরে অক্ষরে পালন করে দেখিয়ে দিচ্ছেন।বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাট মানি র টাকা ফেরত দিচ্ছেন। সৎ সাজার কী মরিয়া চেষ্টা, একদিকে পুকুর চুরি হচ্ছে, দিনে ডাকাতির মতো সারদা নারদা রোজভ্যালীর সহ নানা ধরনের চিটফাণ্ডের টাকা আত্মসাৎ করা হয়ে গেছে।সে তো "যা গেছে তা যাক" আমার ভাবতে অবাক লাগে, এ সরকার বা দলের মজার সব কাণ্ড দেখে। সাধারণ মানুষ কিন্তু অনেকেই বলছেন চুরি করুক বছরে পাঁচশ টাকা হলেও দিচ্ছে তো। আমাদের মতো অসংখ্য সাধারণ মানুষ কে বোকা বানিয়ে সরকারি টাকায় মহোৎসব চলছে। কাট মানি কি কেবল একশ দিনের কাজের, বা ঘর করে দেওয়ার জন্য টাকা থেকে, নারে ভাই, কলেজে ভর্তির জন্য টাকা, স্কুলে চাকরি করে দেওয়ার জন্য টাকা, শুধু স্কুলের চাকরি, একটা পাঁচ হাজার টাকার বেতনের আই সি ডি এসের চাকরি সেখানেও টাকা। কোন কাজে নেতা মন্ত্রী দের সাহায্য নিলেই টাকা দিতে হবে। আর যত রকম শ্রী আছে, সেটা পেতে হলে টাকা দিতে হবে। উঁচু তলায় বসে হিসেবে করে বালি মাফিয়া ও কয়লা মাফিয়া, গোরু পাচার করে টাকা। দল কোনো পোশাক তৈরি করে না, তাকে পোশাকের অর্ডার দিয়ে সেখান থেকে টাকা, মি ডে মিলের চাল, টাকা, রেশন কার্ড শংসাপত্র দেওয়ার জন্য টাকা। বিভিন্ন সরকারি কাজে দরপত্র ডাকা থেকে শতাংশ নেওয়া। আরো কত কি ভাবে টাকা পাওয়া যাবে তার চিন্তায় নেতা মন্ত্রী দের ঘুম নেই। হায়রে বাঙালি জাতি রাজ্য টা কে কোন রসাতলে নিয়ে গেলি।
Saturday, 13 July 2019
ওরে এবার থামের বাবা থাম।
২০১৫ সালের ২৭ শে নভেম্বর থেকে আজ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ আর বেতন কমিশন নিয়ে এতো খবর লেখা হয়েছে, মনে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাসে এই একটা বিষয়ে এত খবর বেতন কমিশন বা ডিএ নিয়ে লেখা হয়নি। যে সাংবাদিক এই খবর টি লিখেছেন, তাকে এবং যারা সঠিক তথ্য না জেনে কেবল কর্মীদের সঙ্গে মস্করা করার জন্য এসব লিখেছেন, তাদের বলছি অনেক হয়েছে, এবার থাম, যখন ঘোষণা করা হবে, তখন এসব নিয়ে লেখা লিখি হবে। কারণ যে বা যিনি ঘোষণা করবেন বা বেতন কমিশনের যিনি দায়িত্ব পালন করছেন, তিনিও জানেন না আদৌ বেতন কমিশন দেবেন কিনা! কারণ এখন পর্যন্ত বেতন কমিশনের সুপারিশ জমা পড়েনি, তার আগেই এতো মাতা মাতি আদৌ জুটবে তো, কারণ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ যে কর দেয় সেটা সরকার মনে করে সরকারি টাকা নয়, ঐ সব টাকা কয়েক জনের ব্যক্তি গত আয়। এবার সে তার আয় থেকে কাকে টাকা দেবে আর কাকে টাকা দেবে না, সেটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। ও নিয়ে কারোর কিছু বলার নেই, কারণ এবিষয়ে কেউ কোনো কথা বলছেন বা বলছে দেখেছেন। আমি যতদূর জানি সমগ্র ভারতের অন্য সব রাজ্যে ডিএ বা বেতন কমিশন কার্যকর করা হয়ে গেছে কবে, কেবল এই পশ্চিমবঙ্গে বাকি। এটা কি বাম সরকার তাহলে বেতন কমিশন নিয়ে এতো টালবাহানা করলে, কবে নবান্নের সব ঘর ভাঙচুর হয়ে যেত। আমার মনে আছে একবার ডিএ ঘোষণা করতে চার মাস দেরি হয়েছিল। মহাকরণের একটা চেয়ারও আস্ত ছিল না। আর দেখুন শেষ বেতন কমিশন কার্যকর করা হয়েছিল, ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে, আর এই বেতন কমিশন গঠন করা হয়েছে চার বছর তিন মাস আগে, তাতেও তিনি নাকি রিপোর্ট তৈরি করে উঠতে পারেনি। আজ থেকে দশ বছর চার মাস আগে বেতন কমিশন কার্যকর করা হয়েছিল। এই সরকারের যিনি মাথা তিনি না বললে পশ্চিমবঙ্গের গাছের পাতা পর্যন্ত নড়ে না। তিনি পে কমিশন গঠনের সময় বললেন, আমি জানি দশ বছর পর বেতন কমিশন কার্যকর করতে হয়। গত ২০০৬ সালে বেতন কমিশন হয়েছিল, আমি তার আগেই,(27 th November 2015)বেতন কমিশন গঠন করে দিলাম। আর ক্ষমতা দখলের আগে, যে সব কর্মী মহাকরণে চেয়ার টেবিল ভেঙে ছিল, গেট ধরে নাড়া দিচ্ছিল তাদের জন্য বললেন, আমি ক্ষমতায় এলে, কেন্দ্র যখন ডিএ ঘোষণা করবে আমি তখন ঘোষণা করে দেব। এখন প্রমাণিত উনি মিথ্যে বলে ছিলেন, আর উনি পৃথিবীর সেরা মিথ্যাবাদী সেটা আজ আর কাউকে বলে দিতে হবে না। তাই বলছি ভাই, ডিএ বেতন কমিশন বিষয়ে ওনার মনে কি আছে কেউ জানে না। উনি যদি সত্যি এসব আন্দোলন ও সমস্যা মেটাতে চাইতেন, তাহলে নিজের বেতন না বাড়িয়ে আগে কর্মী দের দিকে নজর দিতেন। কারণ কর্মীরা কাজ করে তাই একটা রাজ্যের সব কাজ সুস্থ ভাবে হয়ে যায়। প্রতিনিয়ত কর্মীদের বঞ্চনা করে, তাদের ডিএ বেতন কমিশন না দিয়ে, কেবল নিজের দলের লোকের আয় বৃদ্ধি করে যাচ্ছেন। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে, শাসক দলের কর্মী সমর্থক যাতে কাট মানি বা তোলা তুলতে পারে তার ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন, বিভিন্ন ধরনের শ্রী আর জামা, জুতো, খাতা রথের টাকা পুজোর টাকা ক্লাব কে টাকা, উপরি আছে একশ দিনের কাজের প্রকল্প, আবাস যোজনা, সড়ক যোজনা। আমাদের মাননীয়া আর তার দলের নেতা কর্মীরা ভালো থাকুন, আপনারা বেকার তাই নিচ্ছেন। লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে সব ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন, সে কি খরচ নয়, ঐ টাকা তো তুলতে হবে তাই না।
বর্তমানে ভারতের গনতন্ত্র ব্যবসায় পরিনত হয়েছে।
ভারতীয় গনতন্ত্র এখন ব্যবসা, আনন্দ বাজার পত্রিকার এই খবর টি নিশ্চয়ই অনেকে পড়ছেন। ভোটের কারবারীরা, ২০২১ সালের নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীর কাছে যাচ্ছেন, বলছেন ভোটারদের মন পাওয়ার জন্য প্রথম ১.৫ লক্ষ টাকা ও পরে পাঁচ লক্ষ টাকা দিলে তারা দায়িত্ব নেবেন ভোটে জয়ী করার, এবং জয়ী হবেনই এটা গ্যরেন্টি। এই যে সম্ভাব্য প্রার্থীর কাছে গিয়ে টাকা দিতে বলছেন, এবং ভোটে জেতার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন এরা কারা, শুনেছি পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল প্রশান্ত কিশোর না কাকে নিয়োগ করেছে, এরা কি তার লোক, যদি এভাবে ভোটে নির্বাচিত হওয়া যায়, তাহলে এতো ভোটের আয়োজন কেন এতো প্রচার এতো মারধর মানুষ খুন রিগিং কীসের জন্য। প্রার্থীরা ঐ দল কে টাকা দেবে ওরা ওর হয়ে প্রচার করে ভোটে জিতিয়ে দেবে। মানুষ ওদের কথায় বা চটক দারি প্রচারে ভুলে চোর কে খুনি কে ভোট দেবে। দিনের পর দিন মিথ্যে কথা বলে মানুষ ঠকিয়ে তিন শ টাকার মজুর সেও তিন শ কোটি টাকার মালিক হবে। মানুষ সে সব ভুলে যাবে। মা, মাটি, মানুষ, মা বোনের ইজ্জত নেই, ৬০ বছরের বৃদ্ধ ধর্ষিত হয় এই রাজ্যে তার আবার বিচার নেই, আইন বলে কিছু নেই, নেতা মন্ত্রী আর কিছু অসাধারণ কেন্দ্রীয় অফিসারদের মুখের কথা আজ আইন। বাংলায় বাঙালির বেঁচে থাকার অধিকার নেই, মাটি সেতো রামকৃষ্ণ পরমহংস বলে গিয়েছেন মাটি টাকা টাকা মাটি। তাই ছলে বলে কৌশলে চাষিদের জমি দখল কর বা দালালি করে টাকা ইনকাম কর। জমি দালাল বা জমি হাঙরের দল আজ জমি দখলে মরিয়া। আর মানুষের কথা সে নাই বা বললাম সে তো আজ ভিক্ষারী সরকার ভিক্ষা কখন দেবে চেয়ে বসে আছে। সে সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, কারণ মানুষের কাজ নেই, না আছে সরকারি চাকরি না আছে কল কারখানা কী করবে মানুষ আজ সত্যিই ভিক্ষারীতে পরিনত হয়েছে। এসব জনগণ ভুলে যাবে গিয়ে ঐ সব লোকের চটক দারি প্রচার আর কথায় দূর্নীতি গ্রস্ত লোক কে ভোট দিয়ে জিতিয়ে দেবে। আবার এটাও ঠিক এই পশ্চিমবঙ্গে ওটা সম্ভব কারণ সদ্য অনুষ্ঠিত লোকসভা নির্বাচনে দেখলাম কলকাতার বেশ কিছু লোকসভা কেন্দ্র এবং এই হুগলি জেলার দুটি লোকসভা কেন্দ্রে ঐ রকম ঘুষ খোর ঠকবাজ চোর প্রার্থী জয় পেয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় শিক্ষিত মানুষ কতটা অশিক্ষিত, তবে কলকাতার দিকে বাঙালি ভোটার কম, সেখানে অবাঙালী বেশি তারা বাঙালি জাতির ইতিহাস জানে না, আর জানতেও চায় না। এই কারণেই সেখানে চোর ঘুষখোর ধাপ্পাবাজরা ভোটে নির্বাচিত হন, ওটা ওদের দেশের অর্থাৎ অবাঙালী দের মধ্যে বেশ ভালো রকম আছে, বিহার উত্তর প্রদেশের দিকে তাকিয়ে দেখুন জেলে থেকে ভোটে দাঁড়িয়ে নির্বাচিত হন। এরকম অনেক উদাহরণ আছে, কিন্তু এরা যে টা করতে চাইছে বা বলছে, যে প্রার্থী আমাদের টাকা দিলে ভোটে নির্বাচিত করার দায়িত্ব তার, এবং দাবী মতো টাকা দিলে জেতার নিশ্চয়তা দিচ্ছে। এটা আমরা মতে গনতন্ত্রের পক্ষে মোটেই মঙ্গল জনক নয়। শিক্ষিত ভদ্র সমাজ, এটা মেনে নিতে পারে, আমরা গনতান্ত্রিক দেশে বাস করি, সেখানে ভোটে নির্বাচিত হওয়ার জন্য টাকা দিতে হবে। এরপরেও বলবেন ঐ প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে কাট মানি নেবে না। নিজের বেতন পাঁচ লাখ টাকা করবে না, তোলা তুলবে না, সরকারি যে কাজে দরপত্র পাইয়ে দেওয়ার নামে শতাংশ দাবি করবে না। ভোটে জেতার জন্য ঐ সংস্থা কে টাকা দেবে সে লোক জনসেবা করবে এ আশা দূরাশা। আমার মতে এটা গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার সর্বনাশ করা ছাড়া আর কিছু না।
মাইনরিটি স্কলারশিপ আবেদন করতেই হবে, না করলে দায় শিক্ষকের ।
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের স্কলারশিপ বা ঐক্যশ্রী এটা বাধ্যতামূলক! হয়তো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, সেই দায় কী শিক্ষকের, না যারা করছে না তাদের, বিজ্ঞপ্তি তে আবেদনের শেষ তারিখ আছে, ১৫/৯/১৯ না ওটা সিঙ্গুর ব্লকের জন্য আলাদা কোন জিও হয়েছে কিনা, যার জন্য মাননীয় বিদ্যালয় পরিদর্শকের কথায়, কাজ টা বা অন লাইন আবেদন এখুনি করতে হবে, এবং শিক্ষকরা দায়িত্ব নিয়ে করিয়ে দেবেন। ছাত্র ছাত্রীরা গত তিন বছর ধরে আবেদন করে যাচ্ছে, অনেকেই এখনও পর্যন্ত কোনও টাকা পায় নি। ওটাও শিক্ষকের দোষ মনে হচ্ছে, শিক্ষকের বাপের শ্রাদ্ধ হবে, তাই ছাত্র ছাত্রীরা কিছু না পেলে কিছু না করলে শিক্ষকের দোষ, সেই জন্য জুতো দিতে গিয়ে জুতো পেটা খেতে হচ্ছে, আবার পোশাক গতবার যে দল পোশাক দিয়ে ছিল তারা অর্ডার পেয়েছে তাদের গতবার বেশি করে পোশাক কেনা পরে আছে, সেই জন্য এবার টাকা বেশি ছ শ টাকা মাথা পিছু সেই জন্যই সুতির পোশাক দিতে বলা হয়েছে, কিন্তু কিছুতেই তারা রাজি নয়, কারণ গত বছর না বুঝে বেশি করে কিনে ছিল। সেই পোশাক গুলো নিতে হবে, এখানে শিক্ষকের ভুমিকা কী ছাত্র ছাত্রীদের মাপ টা ঠিক করে দেওয়া, আর টাকা টা ওদের দিয়ে দেওয়া। এর মধ্যে এরা মানে গোষ্ঠী এস আই এসে গিয়েছিল, ঠিক মতো অর্ডার দেওয়া হয়নি। এই অর্ডার বা আদেশ দেওয়ার ক্ষমতা শিক্ষকের আছে? আমার মনে হয় নেই, কারণ আদেশ নামাতো পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে, উপর মহল থেকে, শিক্ষক কেবল মাত্র ছাত ছাত্রী সংখ্যা জানিয়ে দেবে।
Friday, 12 July 2019
বেতন কমিশন নিয়ে কিছু সংবাদদাতা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে।
এই খবর টি অন লাইন কলকাতা 24x7 এ বেড়িয়ে ছিল। এমন ভাবে খবর টি উপস্থাপন করা হয়েছে, যেন মনে হচ্ছে, কাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার বেতন কমিশন কার্যকর করে দেব। আমি এর আগেও এরকম খবর অন্য অন লাইন নিউজ পোর্টালে পড়ছি।এই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে কী করতে চাইছে, এই সংবাদ মাধ্যম গুলো, প্রতিনিয়ত সরকারি কর্মচারী থেকে সাধারণ মানুষ কে বিপথে চালিত করার জন্য, আর মানুষ কে বিভ্রান্ত করে, যা কাগজে একটু সরকারি বিজ্ঞাপন পাওয়া যায় সেটাই লাভ। আমার মনে হয় এই পেপার গুলো চিটফাণ্ডের টাকায় তৈরি হয়েছিল, বা তার ভাগ পেয়ে ছিল, না এমন বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা খবর প্রচার করবে কেন? আরেকটা কারণ হতে পারে যে কেউ একজন তার মনের মতো কথা লিখছেন, যার কোনো বাস্তবতা নেই, যা দু চার জন মানুষ কে বিভ্রান্ত করা যায়। কারণ বেতন কমিশন যিনি দেবেন তিনি জানেন না যে আদৌ তিনি দেবেন কী না? আর এই রকম যত কাগজ অন লাইন নিউজ পোর্টালে যা খুশি তাই লিখছি, যার কোনো ভিত্তি নেই। আমি বা আমরা দেখলাম বা এই ধরনের কাগজ পত্র গুলো তে, বেতন কমিশনের দিন বাড়ানোর সময়, যেই আন্দোলন শুরু হলো, বেতন কমিশনার বললেন আমি সময় বাড়াতে বলিনি, আমার রিপোর্ট তৈরি কেবল জমা দেওয়ার অপেক্ষা, কিন্তু সরকার জমা নিচ্ছে না। সেই সময় সততার প্রতীক সত্যি বাদী যুধিষ্ঠিরের নাতনি ডেকে পাঠিয়ে, কী মন্ত্র কানে কানে দিলেন সেটা তিনি আর ঐ সবজান্তা জানেন। সেই সময়ে কাগজ পত্রে বা অন লাইন নিউজ পোর্টালে বিভ্রান্তি তৈরি করা হলো ১ লা জুলাই থেকে বেতন কমিশন কার্যকর করা হবে। শিক্ষক দের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন চলা কালীন একই ভাবে প্রচার করা শুরু করেন, আবার পে ফিক্সেশনের ফর্মুলা পর্যন্ত দিয়ে দেওয়া হয়, যেটা বিভ্রান্তি মূলক। আর এই সরকার ও চাইছে সরকারি কর্মীদের বিভ্রান্তি তে রাখতে, আমি যতদূর বুঝি জানি কোনো দক্ষিণ পন্থী সরকার কখনো নিজের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছু বোঝে না। কর্মী দের বেতন বৃদ্ধি করতে চায় না। এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে একটা কথা চলে আসে, তাহলে কেন্দ্রীয় সরকার বাড়াচ্ছে কেন? এর ও উত্তর আছে, কেন্দ্র অর্থ মন্ত্রক জানে দেশের অর্থনীতি ঠিক রাখতে মানুষের হাতে টাকা পৌঁছে দিতে হবে, তাই সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা করা হয়, সে ক্ষেত্রে এককালীন টাকার যোগান দেওয়া হয়, আর সরকারী কর্মীদের বেতন দিয়ে সারা বছর টাকার যোগান দেওয়া হয়, যেটা খুব জরুরি না হলে মানুষের ক্রয় ক্ষমতা কমে যাবে। মানুষ তার জীবন ধারণের জন্য অর্থ যোগান পাবে না। সেই কারণেই এই রাজ্যের সরকার বিভিন্ন রকম শ্রী, ক্লাব কে টাকা দেওয়া, পুজো কমিটি কে, কিছু দিন আগে রথ যাত্রা পরিচালনা করতে টাকা দিয়েছে। আবার মোয়াজ্জেম ভাতা, কলকাতা শ্মশান ব্রাহ্মণ দের ভাতা দেওয়া হচ্ছে। সরকারি কর্মীদের বঞ্চিত করে এসব করা হচ্ছে, এই সরকার কর্মচারী মারা সরকার, আর চাষি মারা সরকার, শ্রমিক মারা সরকার। এই সব বামেদের আমলে হলে, এতখন নব্বানের একটা চেয়ার আস্ত থাকত না সরকারের একটা কাজ ও সময়ে হতো না। কেন না তখন সরকারি কর্মীদের অধিকার ছিল, আন্দোলন করার এখন ওসব করলে বদলি নয় সাময়িক বরখাস্ত নয় আরও অন্য কিছু ঘটনা ঘটে যাচ্ছে। তবে তামিল নাড়ুর রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতার আমলে সেই সরকার কর্মচারী দের আন্দোলন বন্ধ করার জন্য জন্য এসমা প্রয়োগ করে ছিল। সব কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের ফলে বরখাস্ত করা সব কর্মী দের আবার কাজে ফিরিয়ে নিয়ে ছিল।
Subscribe to:
Posts (Atom)
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...










