Anulekhon.blogspot.com

Wednesday, 30 September 2020

ফেসবুক বন্ধু (শুভজিৎ চক্রবর্তী) মন্তব্য ( ইসলাম জিন্দাবাদ) এর উত্তর ।

প্রিয় বন্ধু শুভজিৎ, আপনি এর আগেও আমার একটা লেখায় মন্তব্য করে ছিলেন। সেটি ছিল আমার নিজের লেখা ধর্ম ও মানবতা নিয়ে, কীভাবে ধর্ম আজ রাজনৈতিক দলের অঙ্গ হয়ে যাচ্ছে, সেটা নিয়ে লেখাটি ছিল, আপনার সেখানে মন্তব্য ছিল আমি এই ব্লগের মাধ্যমে উত্তর দিয়ে ছিলাম, আজ আবার দেখলাম আপনি আমার শেয়ার করা বামপন্থী আন্দোলনের একটা ভিডিও ফুটেজ দেখে মন্তব্য করেছেন "ইসলাম জিন্দাবাদ" সেখানে কিছু জিজ্ঞাসা চিহ্ন আছে। আমার মনে হয় আপনাকে এটা বোঝান হয়েছে, বা আপনি চার পাশে শুনেছেন, কিছু দিন বা কিছু বছর পরে ইসলাম গোটা ভারত দখল করবে হিন্দু বা সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী মানুষ থাকবে না। আপনার ঐ কথার চিন্তা যদি থাকে একটাই উত্তর আছে, দীর্ঘ 600 থেকে 700 বছর ভারত বর্ষ ইসলাম বা মুসলমানরা শাসন করেছে, সনাতন ধর্মের বিশ্বাসী মানুষ কিন্তু শেষ হয়ে যায়নি বরং এখনও ভারতে তারা সংখ্যা গরিষ্ঠ, দেশ ভাগ না হলেও তারা সংখ্যা গরিষ্ঠই থাকত, কিন্তু আপনার নেতারা নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধি করতে তথা ক্ষমতা দখল করতে ধর্মের নামে দাঙ্গা লাগিয়েছে, দেশ ভাগের মত জঘন্য কাজ তারা করেছে যার ফল বাঙালি জাতি কে এখনও ভুগতে হচ্ছে।আমি যদি বলি ইসলাম ধর্ম বাড়ছে আপনার দলের নীতির জন্য বিশ্বাস হবে, ইসলাম ধর্মের লোকজন বেশি ভাগটা হলো ধার্মান্তরিত হিন্দু, যাদের তথা কথিত দলিত, হরিজন, তপশীল জাতি ইত্যাদি নানা নামে ডাকা হয় এর একটাই কারণ হিন্দু ধর্মের উচ্চ বর্ণের মানুষের অত্যাচার, কলেজ পড়ুয়া রোহিত ভেমুলার কথা মনে আছে সে কোন ধর্মের মানুষ ছিল বলতে পারেন! এই কিছু দিন আগে উত্তর প্রদেশের একটি খবর ছিল একজন নিম্ন বর্ণের মানুষ ঘোড়ায় চেপেছে বলে তার উপর অকথ্য অত্যাচার নেমে এসেছে। আপনি বাংলায় বসে এগুলো বুঝতে পারবেন না, কারণ পশ্চিমবঙ্গে 34 বছর বাম শাসন ছিল জাত পাত অনেকটাই কমে গেছে। একটু অন্য রাজ্যের খবর পড়ে দেখুন, দেখবেন এখনও প্রতি দিন কীভাবে নিম্ন বর্ণের মানুষ অত্যাচারের স্বীকার হচ্ছে। এই একটা খবর দেখুন উচ্চ বর্ণের মানুষ দ্বারা নিম্ন বর্ণের একটি মেয়ে ধর্ষিত হয়েছে, কোন বিচার নেই। যেমন পশ্চিমবঙ্গে ধর্ষণের বিচার নেই, সেই রকম। ছবি টি দিলাম।
এটা বলতে পারেন, ইসলাম ধর্মের অধিকাংশ মানুষ দেশের আইনের থেকে তাদের ধর্ম কে বড় মনে করে, কারণ তাদের ধর্মীয় শিক্ষা, আর মুসলিম শরিয়ত আইন, আমিও এসবের বিরুদ্ধে কারণ এক দেশ এক আইন, ধর্মের নামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকবে কেন? কিন্তু দেখুন সংবিধান যখন তৈরি করা হয়েছে, তখন এবং দেশের ক্ষমতা লোভী লোক গুলো এই ব্যবস্থা করে গেছে, ক্ষমতা তাদের কাছে খুব দরকার ছিল সঠিক চিন্তা ছিল না। ধর্মের উগ্রতা সে সব ধর্মের মধ্যে আছে, তাদের ধারণা ধর্ম দিয়ে সব কিছু করা যাবে, কিন্তু দেখুন যখন কোন বড়ো বিপদ যেমন মহামারী, আধুনিক যুদ্ধ, কঠিন ব্যাধি, এসব এসে হাজির হয় তখন বিজ্ঞান এর উপর নির্ভর করতে হয়, থালা, ঘন্টা বাজিয়ে, মোমবাতি জ্বালিয়ে, ফানুস উড়িয়ে, ফুল ছড়িয়ে, গোমুত্র পান করে রোগ বা মহামারী প্রতিরোধ করা যায় না। শুনেছেন নাকি বামপন্থীরা কোন দিন পূজো করতে বারণ করেছে, বা সাধারণ মানুষ কে ধর্ম পালনে বাধা দিয়েছেন। যে যার ধর্ম সে তার মত পালন করতে পারে, এবার বলবেন বামপন্থী হলে ঠাকুর পুজো করা যাবে না, এরকম নির্দেশ কেউ বা কোন বামপন্থী নেতা বলেছেন বলে আমার জানা নেই, আমি একজন সামান্য সমর্থক মাত্র, আমি যতদূর জানি ভারত বর্ষ বিভিন্ন ভাষা ভাষির সাথে সাথে বিভিন্ন জাতি ধর্মের বাস এখানে এই গনতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে মানুষের জন্য যতটুকু কাজ করা যায় সেই নীতি নিয়ে চলে এখান কার বামপন্থী দল গুলো, যেমন এই করোনা মহামারীর সময় কেরলের বাম সরকার সর্ব কিছু দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে, ট্যাক্স ছাড়, বিদ্যুৎ বিল ছাড়, বাড়ি বাড়ি বিনামূল্য রেশন পৌঁছে দেওয়া আরও কত কি? আর আমাদের সরকার উল্টে বিদ্যুৎ মাশুল বাড়িয়ে দিয়েছে, আর রেশন সবাই কে দেবে বলে বাস্তবে দেখা যাচ্ছে হাতে গোনা শাসক দলের লোকজন পেল, তা এখনও বন্ধ হয়ে গেছে। যা যা ঘোষণা করা হয়েছে, সেটা পেতে হলে নেতা দের কাটমানি দিতে হবে। আর " ইসলাম জিন্দাবাদ" বলছেন, ইমাম ভাতা, মোয়াজ্জেম ভাতা, কে শুরু করেছে, আরেকটা জানেন, রাজ্যের ঐক্যশ্রী বলে একটা প্রকল্পের মাধ্যমে প্রথম শ্রেণী থেকে উচ্চ শিক্ষার পাঠরত সংখ্যালঘু ছাত্র ছাত্রীদের একটা টাকা দেওয়া হয়।পুরোহিত ভাতা দূর্গা পুজো করার টাকা, এগুলো কিন্তু বামেদের তৈরি করা নয়, আপনার দিদির তৈরি, আপনার দাদার দলের নতুন সহ সভাপতি মকুল রায়, "ইসলাম জিন্দাবাদ করতে গেছে, ছবি দিলাম দেখে নেবেন।
এনার এটাই কাজ ইনি যখন তৃণমূলে ছিলেন তখনও এই ভাবে ইসলাম জিন্দাবাদ করতে যেতেন, আর এখন এই রাজ্যে যে আজ বিজেপি কাল তৃণমূল, অর্থাৎ যেখানে গেলে বেশি চুরি করা যায় সে দিকে, জনগণের কোটি কোটি টাকা লুঠ হয়েছে, বাঙালির গায়ে আজ চোর নামের কলঙ্কের দাগ। এরা সেই, ইংরেজ আমলে, যারা ইংরেজ দের ঘুষ দিয়ে, নিজেদের কাজ তথা চুরি বজায় রাখাত সেই বাঙালি, আরেকটা ছবি দিয়ে শেষ করছি, পশ্চিমবঙ্গ থেকে মন্ত্রী করা হচ্ছে, ভোট পাবার জন্য তিনটি তিন জাতির লোক।

কি এর পরেও বলবেন বামপন্থীরা ইসলাম জিন্দাবাদ করে? ধর্ম যে যার মতো পালন করুন ধর্ম থাক ধর্মের জায়গায় আসুন ধর্মের চশমা খুলে, আসল সত্য নিয়ে নিজের সত্তা কে বাঁচিয়ে রাখি, যারা ধর্মের নামে মানুষে মানুষে হানাহানি লাগিয়ে দেয়,এবং ধর্মের নামে মানুষ খুন করে তাদের সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দিই। আপনি আপনার মত ধর্ম পালন করুন, আমি আমার মতো, কারণ কোন বামপন্থী দল ধর্ম পালনে কোন দিন বাধা দেয় নি আজও দেবে না। আজ যুব সমাজের দাবি সব হাতে কাজ সব পেটে ভাত, সম কাজে সম বেতন, চাকরির বিজ্ঞাপন আছে চাকরি নেই এ জিনিস বন্ধ করতে হবে বন্ধু বেকার যুবক কাজ চায়, যে যার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ আপনিও নিশ্চয়ই তাই চান, ধর্মের চশমা খুলে, দেখুন দেখতে পাবেন আজ বাইশ টা রাজ্যে দাদার দল ক্ষমতায় আছে কোন রাজ্য সোনা দিয়ে মোড়া হয়নি। ত্রিপুরার দিকে দেখুন দেখবেন কি অবস্থা করেছে আপনার দাদার দল, এরা বাঙালি বিদ্বেষী, আর দিদির কথা না বলাই ভালো, পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি জাতি আজ চোরের জাতিতে পরিনত করেছে এ বদনাম দূর করতে বাম ছাড়া বিকল্প নেই। কারণ চৌঁত্রিশ বছর রাজত্ব করেছে, আজ পর্যন্ত কোন নেতা মন্ত্রী কে সিবিআই জেলে বন্দি করতে পারে নি। এটাই আমার গর্ব কারণ আমি এমন একটা দলকে সমর্থন করি, যারা চোর নয়, মানুষের জন্য ভাবে, এই মহামারী কালে ক্ষমতায় না থেকেও নানা ভাবে সাহায্য করে যাচ্ছে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ কে আসুন আমরা সবাই এদের পাশে থাকি, অন্তত জোর গলায় বলতে পারবেন আমার নেতা মন্ত্রীরা চোর নয়। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন। আবার মন্তব্য করবেন কেমন।

Tuesday, 29 September 2020

আজকের শাসকের সাথে, ভারতের ব্রিটিশ শাসনের কোনো তফাৎ নেই।

ব্রিটেনের মাটিতে 1600 সালে গঠিত ইষ্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি, রানি এলিজাবেথের অনুমতি নিয়ে এশিয়া তথা পূর্ব ভারতে ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে আসেন 1608 সালে। মোগল সম্রাট এর অনুমতি নিয়ে পুর্ব ভারত তথা বাংলায় তারা ব্যবসা করতে আসে, এর কিছু বছর পর, ফ্রান্স ও ইংরেজ দের যুদ্ধ শুরু হয়ে ছিল, যে যুদ্ধ আট বছর ধরে চলে ছিল, তার প্রভাব ভারতেও পড়ে ছিল কারণ কেবল ইংরেজ না, ফরাসি পর্তুগীজ, ডাচ প্রভৃতি বিভিন্ন বণিকরা এদেশের মশলা ও অন্যান্য জিনিস নিজের দেশে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করত। যাহোক ঐ যুদ্ধে কারণে নিজে দের নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তারা ফোর্ট বা দূর্গ তৈরি করতে শুরু করে, যেটা বাংলার নবাব আলীবর্দি রুখে দেন। ইংরেজ গন থেমে থাকে নি গোপনে সৈন্য সংগ্রহ করতে থাকে এবং দূর্গ তৈরি করতে থাকে, এবার মুখোমুখি হন নবাব সিরাজদৌল্লার তখনও পরাজিত হন। দূর্গ তৈরি বন্ধ করে দেওয়া হয়, এবার শুরু হয় পলাশীর ষড়যন্ত্র, 1757 মিরাজাফর এর বেইমানি তে নবাব পরাজিত হন, ইংরেজ রা বাংলার নবাব কে কাট পুতুল এ পরিনত করে। এক এক করে ধ্বংস করে দিতে থাকে বাংলার কুটির শিল্প কৃষি ব্যবস্থা আদায় করা হয় দৈত কর এই দুই দিকের পেষণে অচিরেই বাংলায় দেখা দেয় দূর্ভিক্ষ যাকে 76 এর মন্বন্তর, কয়েক লক্ষ মানুষ না খেতে পেয়ে মারা যায়, দৈত শাসনের ফলে। ইংরেজরা দেওয়ানি লাভ করে, শুরু হয় কোম্পানি শাসন ব্যবস্থা।


অনেকেই ভাববেন এর সাথে বর্তমান শাসক দলের কি মিল? এসব ইতিহাস বলে কি দরকার, দেখুন বর্তমান কেন্দ্রীয় কি রাজ্য সরকার কাদের দ্বারা পরিচালিত শিল্পপতি দের টাকার জোরে ক্ষমতা, মনে আছে 2014 সালে বর্তমান কেন্দ্রীয় শাসক দল ক্ষমতায় আসার আগে বিজ্ঞাপন গুলো, দু দশ মিনিট পর পর টিভির পর্দায় ভেসে উঠত বিভিন্ন বিজ্ঞাপন, টাকা কারা দিয়ে ছিল বড়ো বড়ো শিল্পপতিরা, কিছু লোক কে দিয়ে ব্যবসা করার নামে ব্যাঙ্ক থেকে কোটি কোটি টাকা ঋণ করে দেওয়া হয়, সেই টাকা তারা এই প্রচার করতে কাজে লাগায় এর মধ্যে অনেক ঋণ খেলাপি দেশ ছেড়ে চলে গেছে, অনেকের ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে। আর যারা দেশে এখনো আছে ব্যবসা করছে, তাদের খুশি করতে সমস্ত সরকারি লাভ জনক অলাভ জনক সংস্থাকে বিক্রি করে দিচ্ছে ঐ শিল্পপতি দের কাছে, তারা টাকা পাচ্ছেন কি করে আবার ব্যাঙ্ক ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অর্থাৎ একবার ঋণ নিয়ে শোধ করে নি ঋণ মুকুব করে দেওয়া হয়েছে, আবার তাদের ঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা ভাবা যায়। রেল যাতে দেউলিয়া হয়ে যায়, আর বাংলার মানুষ কে জব্দ করতে এখনও পর্যন্ত লোকাল ট্রেন চালু করার অনুমতি দেওয়া হয় নি। ৫ ম আনলক মানে সব কিছু খুলে দেওয়া হবে কেবল রেল মানে লোকাল ট্রেন বাদে, রেল কে যাতে ধ্বংস করে দেওয়া যায় এবং বিক্রি করতে সুবিধা হয়। সারা দেশে সব কিছু খোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে, কেবল পশ্চিমবঙ্গের রেল তথা লোকাল ট্রেন বাদে, এর থেকে বোঝা যায় বিজেপি বাঙালি বিদ্বেষী।
ভবিষ্যতে এই বণিকের দল ঠিক করে দেবে দেশে কি চাষ হবে, দেশের মানুষ কাজ করতে পারবে কিনা, সব বেসরকারি মালিক দের কাছে বিক্রি করে দেওয়া হবে কেবল পার্লামেন্ট বাদে সেখানে বসে মন্ত্রীর দল লুডো খেলবে, কোটি কোটি টাকা দিয়ে নির্বাচিত সরকার তো বিনা টাকায় খাবে প্লেন চাপবে বিদেশ যাবে আর বড়ো বড়ো লেকচার দেবে। কারণ সরকারি চাকরি বলে কিছু থাকবে না, কেবল মাত্র এই মন্ত্রীরা আর সাংসদ থাকবে আর জনগণের করের টাকায় চর্ব্যচোষ্য ল্যাহ্য পেয়ে জনগণের ঘাড় ধরে বলবে তুই এদেশের নাগরিক নয়। কারণ ঐ শিল্পপতি দের ইচ্ছা করলে দেশটা বিক্রি করে দেবে, মানুষ হবে ক্রীতদাস, আসতে চলেছে দৈত শাসন ব্যবস্থা, এর পর দূর্ভিক্ষ। এতো গেলো এ দিক থেকে মিল, এবার বলি শাসন ব্যবস্থার মিল, আগেই বলেছি বাংলা সর্বদা ইংরেজ দের বিরুদ্ধে লড়াই করে গেছে, পাশে পাঞ্জাব কে পেয়েছে, ব্রিটিশ সরকার এই সব বিদ্রোহ দমন করতে বিভিন্ন ধরনের আইন করে ছিল, বিনা বিচারে আটক, কোন কারণ ছাড়াই বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যেত পুলিশ এখনও ঐ রকম একটা কালা আইন তৈরি করেছে বিজেপি সরকার। আরেকটা মিল কিছুটা বলেছি, ব্রিটিশ সরকার ভারতের কুটির শিল্প কে ধ্বংস করে নিজের দেশের তৈরি বিলেতি জিনিস কিনতে বাধ্য করে ছিল, সে বস্ত্র শিল্প, রেশম শিল্প, আরও নানা ধরনের ছোট খাটো শিল্প, কৃষি নির্ভর শিল্প গুলো ধ্বংস করে দিয়েছিল। এই সরকার ও দেখুন সব ধ্বংস করে দিচ্ছে, দেশি শিল্প বলে কিছু থাকবে না, এমনকি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যাতে দেশের তৈরি করা হয়, তার জন্যে DRDO তাকে গবেষণা করতে না দিয়ে বিদেশ থেকে সব কিছু কেনা হচ্ছে। একটা উন্নত রাইফেল, সেটাও বিদেশ থেকে কেনা, অথচ দেশে গান এণ্ড শেল ফ্যাক্টরি আছে তাকে আধুনিকি করণ না করে বেচে দেওয়া হচ্ছে ঐ শিল্প পতি দের বিমান বন্দর, কি বলব আগে থেকেই ভারতে সিঙ্কোনা গাছের চাষ করা হত, যার থেকে ম্যালেরিয়ার ওষুধ তৈরি করা যায়, সে সব বন্ধ এখন চীন থেকে ওষুধ তৈরির কাঁচা মাল আসে। বেঙ্গল কেমিক্যাল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আর রাজ্যে যখন ক্ষমতা দখল করে বর্তমান শাসক সে তো চিপফাণ্ডের টাকা, সেও লুটের টাকা, জনগণ কে লুট করে সেই টাকা দিয়ে নতুন নতুন টিভি চ্যানেল খুলে বাম বিরোধী খবর করা, এবং কলকাতার সংবাদ মাধ্যমে প্রতি নিয়ত মিথ্যা সংবাদ করে রাজ্যের শিল্প সম্ভবনা কে শেষ করে দিয়ে ক্ষমতায় এলেন, কেন্দ্রীয় দাদা মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতা দখল করলেন সেই রকম বাংলার শাসক দলের প্রধান ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতা দখল করে ছিলেন। ইনি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি প্রতিবাদ আন্দোলন করে ছিলেন কিন্তু ক্ষমতা এসে সে বিদ্যুতের ইউনিট প্রতি দাম দ্বিগুণেরো বেশি করে দিয়েছেন। এতো দাম কি খাব বলে আন্দোলন করে ছিলেন, ক্ষমতায় এসে চালের দাম দ্বিগুণ করে দিয়েছেন, এখন তো প্রায় তিন গুণ কারণ 2010 সালে ১২ টাকা কিল চাল এখন ৩৬ টাকা। বাকি নাই বা বললাম, নিজেদের বেতন ও কাটমানির প্রচুর ইনকাম, হ্যাঁ বলে রাখা ভাল ইনিও মাদার ডেয়ারি বিক্রি করে দিয়েছেন।নিজের এবং নেতা মন্ত্রী দের আয় সে তো ভাবা যাবে না, আর সাধারণ মানুষের আয় তলানিতে ঠেকেছে, তাতে কি 500 টাকা বছরে বা 1000 টাকা ভিক্ষা দিচ্ছে এই ভোট এসেছে এখন কল্পতরু দাদা দিদি দুই জনেই, উনি ভোটের আগে বার্ণ এণ্ড শেফ কোম্পানি জেশপ ডানলপ দৈনিক বসুমতি কাগজ আরও কিছু কারখানা অধিগ্রহণ করে চালাবেন বলে ছিলেন কিন্তু কিছু করেনি, উল্টে হিন্দ মোটর বন্ধ হয়ে গেছে, দাদা যেমন নিজের ঢাক নিজে বাজান ভাইয়ো ও বহিন বলে দিদিও তেমনি। আমি ভেবে পাই বাঙালির এত অধঃপতন হোল, বলছে দিদির বদলে দাদা কে ক্ষমতায় আনবে, আরে ভাই রোগ হলে যে থালা বাজাতে, হাসপাতালের মাথায় ফুল ছড়ায়, মোমবাতি জ্বালাতে বলে। যে দল গোমুত্র খেতে বলে, যে দল বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করতে NPR, NRC, করে নাগরিক দেওয়ার নামে ডিটেশন ক্যাম্প করে রেখে দেবে, কি দুর্বিসহ যন্ত্রণা ভোগ করছে আসামের বাঙালিরা, সেখানে 19 লক্ষ্যের মধ্যে 15 লক্ষ্য হিন্দু বাঙালি এরা নাকি হিন্দু দের পক্ষে। বাঙালি ভেবে দেখুন, সত্যি মানুষ হয়ে থাকেন তাহলে বাংলায় দ্বিতীয় ইংরেজ তথা ইংরেজের পা চাটা কুত্তার দল কে ক্ষমতায় আনবেন না। আর যে দল এই অসভ্যের দল কে ডেকে আনছে, বাঙালি কে ভিক্ষারী বানিয়ে ছেড়ে দিচ্ছে সেই মানে বর্তমান শাসক দল তথা মা মাটি মানুষ এদের বাংলা থেকে তাড়ান। ক্ষমতায় আসুক বাম নতুন ভাবে নতুন ছেলে মেয়েদের হাত ধরে, তাই আগামী 2021 সাল বাংলা হোক লালে লাল। 

আমি আগেই লিখেছিলাম যে বিজেপি বাঙালি বিদ্বেষী।

আসলে আজ যে বিজেপি দল অতীতে এই দল তো বিজেপি ছিল না। এরা হিন্দু মহাসভার নামের একটি দলের অংশ, জন সংঘ, রাষ্ট্রীয় সংসেবক সংঘ, এরা নিজেদের হিন্দু ধর্মের অনুসারী বললেও আসলে হিন্দু ধর্ম বলে যে কোন ধর্ম নেই, সেটা ওরা জানে। মানুষ যে গুলো যুগ যুগ ধরে পালন করে আসছে সে গুলোই, শ্বাশত সনাতন। আদিম যুগ থেকে মানুষ বিভিন্ন পুজো করে আসছে, বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণের মধ্যে দিয়ে, যজ্ঞ করে আসছে, তাদের বিভিন্ন নাম। আমি আগেই একবার লিখেছিলাম হিন্দি বলয়ের মানুষ বাঙালি বিদ্বেষী, বিশেষ করে বিজেপি কারণ বাংলা সর্বদা ব্রিটিশ সরকারে বিরুদ্ধে আন্দোলন করে গেছে। দেশ কে স্বাধীন করার জন্য, নিজেদের সর্ব শক্তি দিয়ে লড়াই করে গেছে। আর এই কারণেই বাংলা ভাগ এবং বাংলা ভাগ করার জন্য 1946 সালে ধর্মের নামে দাঙ্গা লাগানো হয়েছিল। বাঙালি এখনও বুঝতে পারছে না, বিজেপির সর্ব ভারতীয় নেতারা কখনো বাঙালি কে ভালো চোখে দেখে না। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলন গুলো ভাবুন সাঁওতাল বিদ্রোহ, সন্ন্যাসী ফকির বিদ্রোহ, নীল বিদ্রোহ এবং সর্বোপরি যে সংগ্রাম কে অনেক ইতিহাস বিদ স্বাধীনতার প্রথম লড়াই বলে মনে করেন সেই সিপাহী বিদ্রোহ সেটাও শুরু হয়েছিল এই বাংলার মাটি থেকে। বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভাঙতে দেশ ভাগ সেই দেশ ভাগের মদত দাতা আমাদের হিন্দু বাঙালি ও শ্যমাপ্রসাদ মুখার্জি তাদের নেতা ছিলেন। পরে শ্যমাপ্রসাদ মুখার্জি বলে ছিলেন বাংলা ভাগ করা ভুল হয়েছে, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। আজ যদি দুই বাংলা এক থাকত, হিন্দি ভাষা নয়, জাতীয় ভাষা বাংলা হতো কেবল ধর্মের নামে এক দল ক্ষমতা লোভী স্বার্থপর মানুষ আজও বাঙালি তথা সনাতন প্রথায় বিশ্বাস করে তাদের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে, বাংলাদেশ আজ হিন্দু শূন্য হতে চলেছে।যোগী আদিত্য নাথ, নাথ সম্প্রদায়ের মানুষ যারা নিরাকার ব্রহ্মে বিশ্বাস করে, নাথ সম্প্রদায়ের উপাসনালয় বা মন্দির আছে,পশ্চিমবঙ্গের উত্তরপাড়ার জিটি রোডের পাশে। এছাড়া উত্তর প্রদেশের এখন উত্তরাখণ্ড সেখান, এই সম্প্রদায় বেশি বাস করে, আশ্চর্য একটা বিষয় রাম, মন্দির হবে,শ্রীকৃষ্ণের মন্দির হবে শ্রীকৃষ্ণের জণ্মাষ্টমীর অনুষ্ঠান হবে অথচ রামের দ্বারা পুজিত মা অকাল বোধন হবে না। শরৎ কালে এই পূজা শুরু করে ছিলেন এক বাঙালি বারভুইয়াঁ, রাজা কংসবণিক। যাহোক এসব ধর্মের কথা বাদ দিন বিজেপি যে বাঙালি বিদ্বেষী সেটা আজ আরেকবার প্রমাণিত, না হলে বিশ্ব কবি ওদের কাছে সন্ত্রাসবাদী হয়। 

Sunday, 27 September 2020

27 /9/1907 বিপ্লবী ভগৎ সিং এর জণ্ম দিন।

27 শে সেপ্টেম্বর 1907 ভারত মায়ের বীবোর সন্তান ভগৎ সিং এর জণ্ম দিন । আমার এই ব্লগের মাধ্যমে এই বীর সন্তান কে শ্রদ্ধার্ঘ্য।
ইনি কেবল স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর সৈনিক ছিলেন না, চেয়ে ছিলেন দেশের আপামর জনসাধারণের মুক্তি তথা স্বাধীনতা। মুষ্ঠিমেয় মানুষ দেশের সম্পদ ভোগ করবে আর গরীব খেটে খাওয়া মানুষ, কৃষক শ্রমিক একবেলা খেয়ে না খেতে পেয়ে মারা যাবে এটা ইনি মেনে নিতে পারেননি। চেয়ে ছিলেন সব মানুষের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা, এক কথায় ভারতে বামপন্থী আন্দোলনের এক উজ্জ্বল ব্যক্তি এনাকে বাঁচাতে দেওয়া হয়নি, ইংরেজ এবং তৎকালীন ভারতের নরমপন্থী নেতারা কিছুতেই চরমপন্থী আন্দোলন কে সমর্থন করেনি কিন্তু সেদিনের পার্লামেন্টে বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এক কালা আইন পাশ রুখে দিতে পেরেছিলেন। যে কালা আইন আজ সংখ্যার জোরে গায়ের জোরে ব্রিটিশদের পা চাটারা সংসদে পাশ করে নিচ্ছে, দেশ বিক্রির আইন, কেউ কিছু বলার নেই, বাধা দিলে জুটছে বিভিন্ন তকমা ও শাস্তি। আজকের শাসকের সাথে ব্রিটিশ সরকারের কোন পার্থক্য নেই। 

আগামী মার্চ 2021 পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমস্ত নিয়োগ বন্ধ।

আজ একটা খবর ভীষণ ভাবে অন লাইন ঘুরছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমস্ত নিয়োগ আগামী মার্চ 21 পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, কারণ কোষাগারে টাকা নেই। আমি আপনি কি দেখছি বিগত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন চাকরির বা নিয়োগের বিজ্ঞাপন, আমার এর আগে লেখা ছিল যে নির্বাচন এলে এরকম নিয়োগের বিজ্ঞাপনে ছড়াছড়ি পড়ে যায় বাস্তবে দেখা মেলে না, যদি দেখা মিলত তাহলে প্রতিটি নির্বাচনের আগে যে হারে বিজ্ঞাপন দেখে যায় তাতে রাজ্যে বেকার সমস্যা অনেক কমে যেত, রাজ্যে এখন প্রায় পাঁচ লক্ষ পদ খালি, এছাড়া অনেক পদের বিলোপ ঘটানো হয়েছে। যদি নিয়োগ হতো তাহলে এই পাঁচ লক্ষ বেকার ছেলে মেয়ে চাকরি পেত, কিন্তু না ঐ বিজ্ঞাপনেই শেষ এখন বলছেন কোষাগারে টাকা নেই। অথচ দেখুন ক্লাব ও পুজো কমিটির গুলো কে টাকা দেওয়ার টাকা আছে, 37000 পুজো কমিটি কে 50000 টাকা করে দেওয়া হবে। কেবল টাকা নেই, সরকারি কর্মীদের ডিএ ও নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে। আগামী মার্চ 2021 পর্যন্ত সমস্ত রকম নিয়োগ বন্ধ করা হলো। সত্যই একটা সরকার চলছে বটে, গত 2012 সালে শেষ SSC হয়েছে, 2017 সালে প্রাথমিকের টেটের প্রশ্ন বাসের পেছন জানালা দিয়ে বাইরে পরে গেল তার পর কি হলো কেউ জানে না। কেবল রাজ্য না কেন্দ্রীয় সরকারের একই অবস্থা, শিক্ষিত বেকার ছেলে মেয়ে দের নিয়ে একটা মজা চলছে, আর চাকরি বিজ্ঞাপন এই রেল আর ডাক বিভাগের চাকরির জন্য কত বার বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে তার শেষ নেই, প্রতি বার বেকার ছেলে মেয়ে দের কাছ থেকে পরীক্ষা ফিস বাবদ সবথেকে কম 100 থেকে 500 টাকা করে নেওয়া হয়। এসব টাকা যাচ্ছে কোথায়, সব কি পার্টি ফাণ্ডে না নেতা মন্ত্রীদের পকেটে। এবার হিসেবে নেবার সময় এসেছে হিসেবে দিতেই হবে।

পশ্চিমবঙ্গরে এই সব কৃষি বিশেষজ্ঞ বা কৃষক দরদী দের 2006 থেকে দেখা যাচ্ছে।

ছবিটি ডেইলি হান্ট নিউজ সাইটে প্রকাশিত অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকা থেকে নেওয়া। মনে পড়ছে 21 টি মাচা বেঁধে 2নং জাতীয় সড়কে বসে থাকার সময় এই সব কৃষি বিশেষজ্ঞ কেবল লকেট দিদি নয় আরও অনেক দিদি ছিলেন, কি সাম তরোয়াল দি, পাটকর দি, এই সব কৃষি বিশেষজ্ঞদের মধ্যে কেউ একজন বুঝিয়ে ছিলেন তিন ফসলি জমি কি করে হয়, নীচে মাটিতে একটা ফসল তার উপর মাচা, তার উপর মাচা এই ভাবে তিন ফসলি জমি ভাই এটা আমার কথা নয়, আমি গাছ বেঁচে থাকার জন্য সূর্যের আলো দরকার, আবার কেউ কেউ বলেন চাষিরা ঐ খানে এক বিঘা জমি থেকে 75 হাজার থেকে 1 লক্ষ টাকা লাভ করে এরকম জমি টাটার কারখানা করতে দিয়ে দিচ্ছে জোর করে চাষিদের কাছ থেকে কেড়ে নেওয়া হয়েছে। আবার অনশন সূর্যালোক অনশন পর্দা বা ছাতার আড়ালে সূর্যের আলো পৌঁছতে পারে না সেখানে সব খাওয়া যায়। যাহোক ঐ অনশন মঞ্চেও দেখা গেছে, এনাকে। আপনি যখন বুঝতে পারছেন ভালো হবে তখন একজন মন্ত্রী ইস্তফা দিয়েছেন কেন? হোক লকেট দিদি আপনাকে একটা কথা জিজ্ঞাসা করি, আপনি চান সারদার টাকা গরীব মানুষ গুলো ফেরত পায়। গরীবের টাকা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপায় করা টাকা কষ্ট হচ্ছে না, যদি সত্যি আপনি চান তাহলে যাদের জেলে থাকার কথা তারা আপনার বর্তমান দলে কেন? আর সি বি আই তদন্তে এতো দেরি কেন কেন নারদা কেসে কোন তদন্ত হচ্ছে না, আপনি জানেন কি না জানেন না। যাক ওসব ছাড়ুন আপনি বলছেন কৃষি বিল নিয়ে ভুল বোঝানো হচ্ছে কৃষক কে, আমি জানতে চাইছি ওখানে কর্পোরেট সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে চাষ করার কথা আছে না, আর সেই ফসল সরাসরি ঐ সংস্থাকে বিক্রি করতে হবে। আচ্ছা দিদি আপনি ইতিহাস পড়েছেন, বাংলার নীল চাষের ইতিহাস প্রথম কিন্তু চাষিদের কাছে গিয়ে সাহেবের দল ভাল ব্যবহার করে তাদের জমিতে নীল চাষ করাত কোথাও কোথাও টাকাও দিত কিন্তু ধীরে ধীরে তাদের স্বরূপ বেড়িয়ে এলো নীল ভিন্ন অন্য চাষ করা যাবে না ঐ জমিতে জোর করে নীল চাষ, না বললে অত্যাচার। আপনি তো লেখা পড়া জানেন তাহলে দীনবন্ধু মিত্রের নীল দর্পণ নাটক একটু পড়ে নিন। ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিতে হয়, ইতিহাসের সেই অন্ধকার ময় অধ্যায় আবার ফিরে আসবে দিদি। টেলিকম সেক্টরে কি দেখলেন, বি এস এন এল কে বাধ দিয়ে 4G জন্য সুযোগ দেওয়া হল জিও কে প্রথমে বিনামূল্যে সিম কোথাও ঐ সিম কার্ড বিক্রি করা হলো টাকা নিয়ে।299 টাকা নেট ও ফ্রি কলের জন্য এবার এলো প্রাইম মেম্বার এরপর ঐ 299 টাকা 84 দিন এখন 599 টাকা 84 দিন হয়েছে। 299 টাকা আছে 28 দিনের জন্য, এখন সব থেকে জঘন্য নেটওয়ার্ক এই জিও। সব জায়গায় পাওয়া যাবে না, কিন্তু বি এস এন এল সর্বত্র আছে। আবার এ কথা লিখলাম কাল থেকে বি এস এন এলো বন্ধ করে দেবে আপনার সরকার। আমার সরকার মানে জনগণের ভোটে নির্বাচিত মুখে সবার সরকার কিন্তু বাস্তবে ঐ দুই শিল্পপতির সরকার কবির কথা মনে আছে দিদি বণিকে মানদণ্ড দেখা দিল রাজদণ্ড রূপে। এরপর ঐ দুই বণিক সব কিছু ঠিক করবে, দেশ শাসন করবে, আপনি তো শিক্ষিত মানুষ ভাবুন আমরা ভোট দিয়েছি যে চোদ্দটা পরিচয় পত্র দেখিয়ে সে গুলো নাগরিক প্রমান পত্র নয়, তাহলে আমি অবৈধ নাগরিক আর আমার মত অসংখ্য অবৈধ নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত সরকার বৈধ্য, কি দারুন না, যে পাসপোর্ট বিদেশে ভারতীয় নাগরিকের প্রমাণ পত্র সেই পাসপোর্ট দেখানোর পরেও বলছে তুমি ভারতীয় নাগরিক নয়। কারণ ঐ 14 টি পরিচয় পত্রের মধ্যে ঐ পাসপোর্ট একটা। বাঙালি একটা বাঙালি বিদ্বেষী দলে কি করে আছেন আমার জানা নেই, তবে দিদি আপনি চিন্তা করবেন না, আগামী তে আপনার পুরনো দল প্রায় সবটাই আপনার দলের হয়ে যাবে, 2021 যদি জগা খিচুড়ি হয় তবে দেখবেন আপনার সমর্থন নিয়ে দিদি আবার মুখ্যমন্ত্রী। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন দিদি আপনার মঙ্গল কামনা করি কারণ আপনি আমার সাংসদ। 

Saturday, 26 September 2020

এবার পশ্চিমবঙ্গের রেল নিয়ে আন্দোলন শুরু করতে হবে।

রেল পশ্চিমবঙ্গের রেল নির্ভর মানুষ গুলো কে নিয়ে মজা করছে। দেশের সর্বত্র রেল পরিষেবা চালু করা হয়েছে কেবল পশ্চিমবঙ্গ বাধ। আমি জানি না, মাঝে মাঝে একটা করে নোটিশ মতো খবর এই অমুক দিন থেকে চালু করা হবে রেল, কখনো শুনি রাজ্য সরকার অনুমতি দিলে শুরু করা হবে পশ্চিমবঙ্গের শহরতলীর লোকাল ট্রেন। একবার ভেবে দেখুন কত হকার, ছোট খাটো আনাজ ব্যবসায়ী ফল ব্যবসায়ী কাছাকাছি স্টেশনে নেমে তাদের রুটি রুজি চলত আজ ছ মাসের কাছে তারা বসে সামনে বাঙালির বড়ো উৎসব এদের বাড়ির কচিকাঁচাদের মুখ গুলো ভাবুন। রেলের অফিসার তারা মোটা টাকা বেতন পাচ্ছেন, পশ্চিমবঙ্গের এই সব মানুষ গুলো কে নিয়ে মজা করছেন, আর ওদিকে রেল মন্ত্রী রেল বেচতে ব্যস্ত। এসবের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করতে হবে। প্রতিটি রেল আধিকারিকের বাড়ি ঘেরাও করতে হবে, এবং দাবি হবে তাদের বেতন থেকে এই সব মানুষ কে সাহায্য করতে হবে বা ক্ষতি পূরণ করতে দিতে। আর ঐ কোর্টের বিচারকের মত তারিখের পর তারিখ সুরাহা চাই, সব কিছু মেনে চালু করতে হবে রেল তথা শহরতলীর ট্রেন। 

নতুন গজিয়ে ওঠা অন লাইন সংবাদ পত্র কে আমার ব্লগের মাধ্যমে বলি।





ডেইলি হান্ট নিউজ সাইটে অনেক নতুন নতুন অন লাইন সংবাদ পত্র দেখা যাচ্ছে, অপরের খবর হোক বা নিজের খবর কে নানা ভাবে প্রকাশ করছে। এই একটি অন লাইন সংবাদ পত্র যারা বলছে, " বামেদের অজুহাত, কিছু হলেই, শুরু করে দেয় তাদের কীর্তন।" এই কটাক্ষ কীসের জন্য টাকার জন্য, কারণ বামেদের আন্দোলন গুলো কিন্তু সব মানুষের জন্য চাকরি না পাওয়া বেকার থেকে, খেটে খাওয়া শ্রমিক মজুর, সরকারি কর্মীদের সবার জন্য। কালকের আন্দোলন ছিল কৃষক দের জন্য, তোমার কাছে কীর্তন মনে হচ্ছে তুমি ইতিহাস পড়েছ, সেখানে নীল চাষের ব্যবস্থা কেমন ছিল পড়েছ। নীলকর সাহেব দের অত্যাচার কেমন ছিল জানতে হলে দীনবন্ধু মিত্রের "নীল দর্পণ" নাটক টি পড়ে নিতে হবে। আর বর্তমানে তোমার প্রিয় মোদীজি সরকার যে কৃষি বিল পাশ করেছে সেটাও কিছুটা ঐ রকম কৃষকের সাথে কর্পোরেট সংস্থার চুক্তি ভিত্তিক চাষ পদ্ধতি, ফসলের দাম ঠিক করে দেবে ঐ চুক্তি কারি সংস্থার মালিক তুমি হয়তো ভাব ওতে তোমার কি তোমার তো আর কৃষি জমি নেই, কৃষি জমি না থাকলেও বিপদ কারণ খাদ্য নিরাপত্তা থাকবে না। এসব তোমার ঐ গোবর মাথা আর গোমুত্র পান করা মাথা আর টাকার বিনিময়ে সংবাদ লেখা মাথায় ঢুকবে না। না হলে তুমি করোনা কালে বামেদের জনসেবা মুলক আন্দোলন এবং ক্ষুধার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের মুখে অন্ন তুলে দেওয়া কাজ হারানো খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে সাহায্য করা এসব দেখতে পেতে। গোবর চোখের রেটিনাতে ভালো জমেছে ঐ জন্যে দেখতে পাচ্ছ না। বামেদের কীর্তন কিন্তু মানুষের ভালোর জন্য, আর 2006 সাল থেকে আজ পর্যন্ত চলে আসা রাজ্যের এক মাত্র যাত্রা পালা, " মা মাটি মানুষ" যদিও এই যাত্রা পালা লেখা হয়েছিল বাম আন্দোলন কে নিয়ে বিখ্যাত নাট্যকার ভৈরব গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছেন এই যাত্রা পালা। আর সে সময় গ্রাম বাংলায় বেশ জনপ্রিয় হয়েছিল এই পালা। এই সাংবাদিক ভাই তাহলে রাজ্যের শাসক দল এই সেদিন কীসের একটা প্রতিষ্ঠা দিবস করল, গত 23 শে সেপ্টেম্বর সারাদিন মাইক বাজিয়ে কৃষি বিলের বিরোধীতা করে শেষে ভাষন দিয়ে শেষ হলো। সারাদিন মাংস ভাত খাওয়া হোলো, ওখানে মাংস ভাত খেতে পেয়েছিলে তাই ওটা কীর্তন বা অজুহাত নয়। সংবাদ লিখে ক টাকা পাও, নিশ্চয়ই ভালো টাকা পাও না উপায় করা পুণ্যের কাজ, টাকা যে ভাবে আসুক টাকার গায়ে তো লেখা নেই। ভালো থেক, আর বামেদের অজুহাত কিছু হলেই কীর্তন, এই কীর্তন গুলো একটু বেশি করে লিখতে বলছি। 

Friday, 25 September 2020

রাজ্যের যদি পালা বদল হয় তবে সেটা বাম দিকে।

রাজ্যে অনেকেই পালা বদল বলছেন, কিন্তু চাইছেন বর্তমানের B টিম ক্ষমতা দখল করুক। ধারণা পাল্টে ফেলুন দুটি ফুল এক, নেতারাও এক এক জন বলে চুরি করতে 75% আর 25% ভাগ করে নিতে। আরেকটা চুরি করেছিস জনগণের টাকা লুঠ করেছিস বেশ করেছিস আমার দলে আয় ওসব মাপ পারলে টাকা ছাপিয়ে তোকে দোব কেবল আমার ফাণ্ডে কিছু দিয়ে দিবি, রাজ্যে পালা যদি বদল করতে হয় নয়, পালা বদল করতেই হবে কারণ মা মাটি মানুষ যাত্রা পালা দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গেলাম এবার 2977 চাই। আমি যতটুকু শুনেছি, 1977 সালে সব বুথে এজেন্ট দিতে পারে নি, এরকম সন্ত্রাস সাধারণ মানুষ মুখে কিছু বলেননি কিন্তু ব্যালটে বলে দিয়েছিলেন। এই 2020 সালে বলছি আবার 1977 সালের পুনরাবৃত্তি চাই। পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তন চাই তবে সেটা হবে বাম দিকে। না হলে এই দূর্বিসহ জীবন যন্ত্রণা, চোখের সামনে দেখছি নেতা কর্মী, মন্ত্রী, দের আঙুল ফুলে কলাগাছ চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছি 10 বছরের মধ্যে ভাই ভাইপো ভাইঝি দের উন্নয়ন। অনেকে হয়েছে আর নয়, যাদের চোর বলে ধরবে বলে জনগণের টাকা খরচ করে কমিশন গঠন করা হলো তারা কেউ ধরা পড়েনি উল্টে, কারা জেলে গেল, এবং কিছু বাঁচাতে নতুন দলে গিয়ে ভীড়ে গেল সব অপরাধ মাপ হয়ে গেল এদের কাউকেই, ক্ষমতায় আনা যাবে না চাই বাম সরকার। 

SAT দিয়েছে রায়, আনন্দে দু বাহু তুলে নাচ।

ওহে সরকারি কর্মী, এই নিয়ে কতবার হলো, যে সরকার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে সমকাজে সম বেতন দেয় না, কিন্তু কারখানা ভেঙে জমি ফেরত দিতে যায়। সুপ্রিম কোর্টের রায় ছিল, সিঙ্গুরের জমি কৃষক দের ফেরত দিতে হবে সাথে সাথে কারখানার পরিত্যক্ত সেড ভেঙে পাঁচিল ভেঙে জমি দখল আর ফেরত দিতে উঠে পরে লেগে গেল সরকার আর তার সাঙ্গ পাঙ্গরা, কিন্তু কেন ওই জমিতে সর্ষে চাষ করার জন্য না দাদা এর মধ্যে রহস্য অনেক, কত টিন কত লোহার বিম আর পাঁচিলের ইঁট গুলো গোটা হলে যা এল তা কম নয়।
বাদ দিন ওসব কথা কি লিখতে কি লিখছি আসলে ওটা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ ছিল, টাকার গন্ধ ছিল তাড়াতাড়ি ভেঙে জমিতে সর্ষে চাষ হয়ে গেল। সেই সর্ষের তেল চপ কারখানার কাজে লাগল, আরে মশাই এ সরকার এবং এদের সাঙ্গ পাঙ্গরা কোর্টের রায় তখনই মানে যখন টাকার গন্ধ ভালো আছে, পুজো কমিটির টাকা কমিশন আছে ভাই ভাইপো ভাইঝি দের সামনে ভোট মদ মাংস চাইত, কি কিছু বুঝলেন,যেখানে কমিশন কাটমানি পাওয়া যাবে সেখানেই টাকার সে সব কিছুর জন্য টাকার বরাদ্দ আছে কেবল সরকারি কর্মীদের D. A দেওয়ার জন্য টাকা নেই। যতই আনন্দ কর রায় দিয়েছে SAT আগামী 16 ই ডিসেম্বরের মধ্যে বকেয়া D. A দিতে হবে। এখন প্রশ্ন কোন বকেয়া ডিএ পুরোনো দিনের না কেন্দ্রীয় সরকারের নতুন পে কমিশনের পর যে ডিএ ঘোষণা করেছে সেই ডিএ! খুব আনন্দিত অনেক টাকা বাড়বে আমি বলছি এ সরকার একটাও ডিএ দেবে না। এরা যদি ডিএর টাকা থেকে কাটমানি পেত তাহলে এখুনি ঘোষণা হয়ে যেত। তাছাড়া এই সরকার কোর্ট এর রায় মানে না, আর কোথায় SAT, ও দাদা এ বামফ্রন্ট সরকার নয় ডিএ এর জন্যে রাইটার্স বা মহাকরণে চেয়ার ভেঙে পার পাবে সোজা 600 কিলোমিটার দূরে বদলি, নয়তো অন্য ব্যবস্থা। ডিএ হচ্ছে খুড়োর কল প্রতি নির্বাচনের আগে একবার করে রায় হবে এই দেবে এই দেবে, আর নির্বাচনে সরকারি কর্মীদের এক অংশ ঢালাও প্রশংসা করে ভোট দিয়ে দেবে কারণ তারা জানে ডিএ এর টাকা বাম সরকার খেয়ে ফেলেছে। যদিও তাদের একজন ও চুরির দায়ে জেলে যায়নি। আনন্দ করুন দু হাত তুলে নাচুন আর কাগজ গুলো আর অন লাইন সংবাদ মাধ্যমে সর্বত্র ধুমধাম করে খবর প্রচার হবে, এই SAT রায় দিয়েছে এই হাইকোর্ট রায় দিয়েছে ডিএ দিতে, আসলে ওটা হচ্ছে সুন্দর গন্ধ যুক্ত খাবার নাকের সামনে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এসব কেন বলছি বা লিখছি জানেন, পে কমিশন নিয়ে প্রতারণা করছে এই সরকার এই প্রথম ডিএ, এবং বকেয়া ছাড়া পে কমিশন, বাড়ি ভাড়া ভাতা 3% কম দিয়ে সেই টাকা ইনক্রিমেন্ট হচ্ছে, বছরের পর বছর ডিএ নেই হাজার টাকা বেতন কম পাচ্ছে তবুও এক শ্রেণীর সরকারি কর্মী এবং শিক্ষকদের দল দিদির জয় বলে যাচ্ছে না হলে দাদার জয় চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছে, ত্রিপুরা তে সরকারি কর্মীদের অবস্থা খারাপ করে দিয়েছ, সেও ক্ষমতায় এসে পে কমিশন দেবে বেকারের কর্ম সংস্থান হবে কত প্রতিশ্রুতি আর বামপন্থী দের মার আর কেস দেওয়া একই পশ্চিমবঙ্গ আর ত্রিপুরার সরকারের সব রকম মিল আছে তবুও আমি দেখেছি এক দল কর্মী দিদি দেয়নি দাদার দেবে, একবারও বলছে না বাম আমলে বছরে দুবার ডিএ পশ্চিমবঙ্গ সরকারি কর্মীদের পাঁচ পাঁচটি বেতন কমিশন হাউজরেন্ট কম করেনি, পেনশন প্রাপক দের পেনশন যাতে কম পায় তার ব্যবস্থাপনা করেনি। লাখ লাখ টাকা নিজেদের বেতন বাড়িয়ে নেন নি, তবুও বামেরা খারাপ কারণ কি? 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...