বর্তমানে আমাদের রাজ্যের কয়েকটি কাজ খুব জোর দার হচ্ছে। এক হচ্ছে, ফুল বদল, দুই হচ্ছে, জয় শ্রী রাম কে বলল আর কে না বলল সেটা নিয়ে দল দু দলের মধ্যে মারামারি। এমন ঘটনা ঘটেছে, জয় শ্রী রাম বলে নি বলে ট্রেনের কামরায় শিক্ষকের উপর চড়াও হয়ে মারধর করা হয়েছে। আর রাস্তা ঘাটে হামেশা এ ঘটনা ঘটে চলেছে। আবার উল্টো টা আছে, জয় শ্রী রাম বলছে বলে পিটিয়ে খুন করে দিয়েছে। জয় শ্রী রাম বলা নিয়ে রাজ্যে, এমন অনেক ঘটনা প্রতিদিন ঘটে চলেছে। মনে হচ্ছে বর্তমান রাজ্যে সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে, কেউ বেকার নেই, কৃষকের সমস্যা নেই, সবার হাতে কাজ, সবার পেটে ভাত হয়ে যাবে, ঐ জয় শ্রী রাম বললেই। আসলে মানুষের বা রাজ্যের আসল সমস্যা গুলো কে চাপা দিতে এসব করা হচ্ছে, যাতে মানুষ নিজেদের সমস্যা গুলো ভুলে যায়। বেকার চাকরি নেই, চাকরির জন্য অনশন আছে, কর্মচারী দের বেতন বৃদ্ধি নেই, তার জন্য আন্দোলন আছে, রাজ্যে তোলা বাজি আছে, আর আছে হচ্ছে, হবে, দেওয়া হবে, নিয়োগ করা হবে বলে প্রতিশ্রুতি কবে হবে তার ঠিক নেই। আদৌ কোন কিছু হবে কিনা কেউ জানে না। যিনি বলছেন তিনিও জানেন না, আদৌ হবে কিনা? মুখে বলতে হয় বলে দেওয়া হচ্ছে, প্রতি মুহুর্তে প্রতিটি বিষয়ে মানুষ কে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। শুধুমাত্র কর্মীদের বা শিক্ষক দের নিয়ে মজা করা হচ্ছে, তা নয় বেকার দের নিয়ে আরও বেশি মজা করা হচ্ছে। নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি বা খবরে কাগজে লেখা হচ্ছে, এখুনি এতো লোক নিয়োগ করা হবে, বাস্তবে কবে যে হবে, আদৌ হবে কিনা তার ঠিক নেই। এসব সমস্যা বাধ দিয়ে কেবল জয় শ্রী রাম কে বলল আর কে বলল না দুলে মারা মারি। পশ্চিমবঙ্গের সুস্থ পরিবেশ কে অশান্ত করে তোলা হচ্ছে। রাজ্যের সরকার এসব বন্ধ করতে পারছে না, কারণ বন্ধ করলে অন্য আন্দোলন শুরু হবে। কেউ যদি ভাবেন, এই দুই ফুল পশ্চিমবঙ্গে জয় শ্রী রাম নিয়ে দাঙ্গা করছে। এদের মধ্যে মিল নেই, তাহলে ভুল করা হবে। কেন্দ্রীয় স্তরে রাজ্যসভায় দোলা সেন কে গত কাল সমর্থন করেছে, বিজেপি। এরা দুই দল এক, কেবল ফুল আলাদা, বরং কেন্দ্রের ফুল আরও সাংঘাতিক ত্রিপুরার ক্ষমতায় এসে কী কী করেছে, একবার খবর নিয়ে দেখুন। এরা এ রাজ্যে কেবল ক্ষমতা দখল করার জন্য নিজেদের মধ্যে মারামারি করছে। যদি গটআপ না থাকতো তাহলে সি বি আই তদন্তে এতো সময় লাগছে কেন? জনগণ ভেবে দেখুন, প্রতি নিয়ত এরা আমাদের কাছ থেকে সত্যি টা চাপা দেওয়ার জন্য, জয় শ্রী রাম খেলা খেলছে।
Anulekhon.blogspot.com
Friday, 12 July 2019
Thursday, 11 July 2019
বামেদের একটি শ্লোগান ছিল, "ভোট দিন বাঁচাতে তারা হাতুড়ি কাস্তে" ।
Wednesday, 10 July 2019
ওহে কৃষক শুনতে পাচ্ছ, তোমরা নাকি বছরে তিন লক্ষ টাকা আয় কর!
ছবি টি অন লাইন আজ বিকেল থেকে নেওয়া ।আজ আমাদের কৃষি মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, বিধান সভায় বলেছেন। বছরে তোমরা নাকি তিন লক্ষ টাকা আয় কর! তার মানে মাসে পঁচিশ হাজার টাকা, তবে মন্ত্রী মশায় এটা বলেন নি, এই গড় আয় খরচ বাদে না উৎপাদন খরচ নিয়ে। অর্থাৎ এই টাকা লাভ হিসেবে আয় কিনা সেটা বলেন নি, তবে যে চাষি বা কৃষক বলে আমাদের লাভ নেই, এই চাষ করে আলু বিক্রি নেই, ধান কেনার লোক নেই, কি জানি ভাই এত টাকা আয় হলে চাষি বা কৃষক আত্মহত্যা করেছেন কেন? আজকে সকালে অন লাইন নিউজ পোর্টালে বেড়িয়ে ছিল, মালদহ না কোচবিহার জেলার কোন কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। আসলে এই সরকার কাট মানি ছাড়া আর কিছুর খবর রাখে না। বিদ্যালয়ের পোশাক দেওয়া হচ্ছে, ছশ টাকা প্রতিটি ছাত্র পিছু ওতো লাগে তিন থেকে চার শ টাকা, মেয়েদের প্যান্ট নেই তারা ল্যাংটো হয়ে কেবল জামা পরে স্কুলে আসবে। যারা দিচ্ছে তারা কেউ পোশাক তৈরি করে না। তিন চার টি হাত ঘুরে পোশাক পৌঁছবে ছাত্রর কাছে। যাহোক ওসব কাট মানি চাই, না হলে সাধারণ মানুষ কে ঠেকিয়ে মিথ্যে কথা বলে ক্ষমতায় আসা কেন, তাই বলে সঠিক খবর রাখে না, যে ফসল বিক্রি করতে পারেনি রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখালেন চাষি রা। এত গুলো কৃষক ঋণের দায়ে আত্ম হত্যা করল, আমি তো প্রায় দেখি সমবায় সমিতির ব্যাঙ্কে কৃষকরা লাইন দিয়েছে, ঋণ নিতে বা শোধ করতে, যে খানে সমবায় নেই, সেখানে ঋণ দেয় মহাজন, এই যে খানে পরিস্থিতি, এই তো সেদিন মানে নির্বাচনের আগে তারকেশ্বরের এক সভায় মাননীয়া বলে গিয়েছিলেন, আলু বিক্রি হচ্ছে না, আলু ভাজা খান, আলু শেদ্ধ খান, আলু পোড়া খান, আরও দু একটা আইটেম বলেছেন মনে নেই। উনি কোন ব্যবস্থা করতে পারবেন না, আগে তবুও বাইরের বা পাশের রাজ্যে আলু যেত, উনি তাও বন্ধ করে দিয়েছেন। আমার ঠিক জানা নেই, কোন চাষি অতো টাকা ইনকাম করেন, কত বিঘা জমি থেকে? মন্ত্রী মহাশয় যদি সেটা বলে দিতেন, সকলের খুব সুবিধা হতো।
Monday, 8 July 2019
চরম ধাপ্পাবাজ সরকার চাইছে, সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাক।
পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শিক্ষা ও শিক্ষকদের করুণ পরিণতি। আমার তো মনে হয় না, রাজ্যে কোনো সরকার আছে বলে। কোনও বিদ্যালয়ে ছাত্র আছে শিক্ষক নেই, আবার শিক্ষক আছেন, ছাত্র নেই, কেবল বড়ো বড়ো কথা আছে, প্রতিশ্রুতি আছে, কাজের কিছু নেই। শিক্ষক নিয়োগ হলো বলে, সরকার থেকে এমন বিবৃতি দেওয়া হলো, মনে নির্বাচনের পরের দিন যারা অনশন করছিল, তাদের নিয়োগ হয়ে যাবে। তোড়জোড় শুরু করে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু ইচ্ছাকৃত ভাবে এমন খুঁত রেখে বিজ্ঞপ্তি বার করা হলো, যাতে কেস হয়, হলও তাই, কেস হলো কোর্ট স্থগিত আদেশ দিয়ে দিল। আবার খুঁত রেখে বিজ্ঞপ্তি জারি আবার কেস, অর্থাৎ এই সরকারের শিক্ষক নিয়োগের কোনো ইচ্ছা নেই। আজ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্ররাও বিক্ষোভ দেখাচ্ছে, এর উপর আছে নির্বাচন কমিশনের কাজে অর্থাৎ বিএলও নাম করে শিক্ষক তুলে নেওয়া, বিডিও বা নির্বাচন কমিশন বিদ্যালয় কে জানাবার প্রয়োজন বোধ করে না। যে শিক্ষক কে তুলল সে যদি শাসক দলের হয়, তাহলে ওসব চিঠি পত্র গুলি মেরে মুখে একবার না বললে নয়। শিক্ষক বলে গেল আমার বিএলও ডিউটি আছে, সেই যে একদিন বলে চলে গেলেন, এবার একমাস দেখা নেই, অন ডিউটির কোনো কাগজ নেই, তবু দিতে হবে। আমরা সবাই শুনেছি, কোর্টের রায় আছে, এ সরকার কোর্টের রায় মানে, সরকার যেমন তার অফিসার বা প্রশাশকরা তেমন, কোর্টের রায় সে খায় না গায়ে মাখে, ঐ রায় আবার মানতে হবে। হাতে গরম উদাহরণ সিঙ্গুরের নন্দন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র পাল এখন তিনি বিদ্যালয়ে আসেন না, বিএলও ডিউটি করছেন। কোন অন ডিউটি চিঠি নেই, অথচ এ, আই /এস, আই কে বলতে যাও, বলতে যাও বলে দেবেন, ওকে ছাড়তে হবে। কারণ তিনি বা তাঁরা জানেন উনি শাসক দলের লোক, এর উপর আছে বেতন বঞ্চনা, সে তো কেবল শিক্ষকরা নয়, পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত স্তরের কর্মচারী। ডিএ নিয়ে হাইকোর্ট রায় দিয়েছেন, সে রায় মানেন না। জনগণের টাকা খরচ করে কর্মচারীদের যাতে বঞ্চিত করা যায় তার জন্য সুপ্রিম কোর্টে যাবে রাজ্য সরকার। বেতন কমিশন সে ঠাণ্ডা ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই সসরকার ক্ষমতা দখল করার পর ভীষ্মের প্রতিজ্ঞা করে ছিল, যেমন করে হোক কর্মচারী দের বঞ্চিত করে রাখব। এই ভাবে চললে অচিরেই সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাবে। আর এই সরকার সেটাই চাইছে, সব রকম ভাবে শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য সমস্ত রেশন সরকারি ব্যবস্থা উঠে যাক।
Sunday, 7 July 2019
আদিবাসী উচ্ছেদ করে, কয়েক একর বন ধ্বংস করে, এখন জল সংকটে নিদান দিচ্ছেন।
আমাদের সনণ্মানীয় প্রধানমন্ত্রী জল সংকটে জনগণ কে তিন টি, কাজ করতে বলেছেন, সবই খুব ভালো কিন্তু আরেকটা কথা তিনি বলেন নি। গাছ লাগানোর জন্য দেশ বাসিকে উৎসাহিত করা হবে।
তিনি জানেন না বন জঙ্গল বা গাছ বৃষ্টি বা মেঘ তৈরি করে তবে বৃষ্টি হয় আর সেই বৃষ্টির জল কিছুটা হলেও মাটির নীচে যায়, জানেন বলেন নি। কারণ বছর দুই আগে উত্তরাখণ্ডে কেদারনাথ মন্দির এলাকায়, ভূমি ধসে বা হড়কা বানে সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তখন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, অতিরিক্ত গাছ কাটার জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বনভূমি ধ্বংস করা যাবে না। গাছ লাগাতে হবে, কিন্তু কোথায় কী, গাছ লাগানো তো দূরের কথা উল্টে আরও বেড়েছে, স্বঘোষিত ভারতের গুরুদেব( বাবা রামদেব) তিনি যাতে ব্যবসা করতে পারেন তার জন্য কয়েক একর জমি চিহ্নিত করেছেন। যে জমিতে বনভূমি রয়েছে, আর ভারতের আদিম অধিবাসীদের ঘর রয়েছে, তাদের উচ্ছেদ করে, শিল্প হোক আর যাই হোক হবে। কাজ শুরু হয়েছে, আদিবাসী দের ঘর ভাঙা চলছে, আর এই সব কারণে আমাদের জগৎ বিখ্যাত প্রধানমন্ত্রী গাছ লাগানোর কথা বলতে পারেন নি। বনদফতর আছে, একশো দিনের কাজের প্রকল্প আছে, অতিরিক্ত হারে গাছ কাটা হলে কিছু দিনের মধ্যেই গোটা ভারত সাহারা মরুভূমি হয়ে যাবে, দরকারে রাস্তা হবে। রাস্তা হয়ে যাবার পর তার দুপাশে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শের খাঁ অতো বড়ো জি টি রোড তৈরি করে ছিলেন, কিন্তু তিনি তার দু পাশে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। কেবল নেতা মন্ত্রী আইন এসব দিয়ে হবে না। সাধারণ মানুষ কেও জানতে হবে, আজ দক্ষিণ বঙ্গ তথা ভারতের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টির পরিমাণ কমেছে তার কারণ গাছ কেটে ফেলে বাড়ি রাস্তা, খেলার মাঠ তৈরি করা হয়েছে। অনেকেই এই লেখা পড়ে বলবেন প্রধানমন্ত্রী মাটির নীচের জলের সমস্যা নিয়ে বলেছেন। আপনি বৃষ্টির কথা বলছেন,গাছ মাটি থেকে শেকড়ের সাহায্যে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে পাতায় পাঠায়, সে খানে সে সূর্যালোকের সাহায্যে খাদ্য তৈরির পর, অতিরিক্ত জল বাষ্প আকারে বাতাসে ত্যাগ করে, সেখান থেকে মেঘ সৃষ্টি করে বৃষ্টি হয়, আর এই বৃষ্টির জল নদী নালা খাল বিল দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময়ে চাষ বাসের কাজে লাগে, কিছুটা অংশ বাষ্প হয়, বেশ কিছুটা অংশ মাটির নিচে পৌঁছয়। সেই কারণেই গাছ আমাদের জরুরি আর বৃষ্টির জল ধরে রাখার ব্যবস্থা করে, ব্যবহার করা যাবে। জলের অপচয় রোধ করতে হবে। অনেক উপায় আছে, প্রতিটি জায়গায় নলকূপের জল ব্যবহারের পর, শোকপীঠে ফেলতে হবে, যাতে ঐ জল মাটি টেনে নিতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে।
তিনি জানেন না বন জঙ্গল বা গাছ বৃষ্টি বা মেঘ তৈরি করে তবে বৃষ্টি হয় আর সেই বৃষ্টির জল কিছুটা হলেও মাটির নীচে যায়, জানেন বলেন নি। কারণ বছর দুই আগে উত্তরাখণ্ডে কেদারনাথ মন্দির এলাকায়, ভূমি ধসে বা হড়কা বানে সব ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল। তখন পরিবেশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, অতিরিক্ত গাছ কাটার জন্য এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, বনভূমি ধ্বংস করা যাবে না। গাছ লাগাতে হবে, কিন্তু কোথায় কী, গাছ লাগানো তো দূরের কথা উল্টে আরও বেড়েছে, স্বঘোষিত ভারতের গুরুদেব( বাবা রামদেব) তিনি যাতে ব্যবসা করতে পারেন তার জন্য কয়েক একর জমি চিহ্নিত করেছেন। যে জমিতে বনভূমি রয়েছে, আর ভারতের আদিম অধিবাসীদের ঘর রয়েছে, তাদের উচ্ছেদ করে, শিল্প হোক আর যাই হোক হবে। কাজ শুরু হয়েছে, আদিবাসী দের ঘর ভাঙা চলছে, আর এই সব কারণে আমাদের জগৎ বিখ্যাত প্রধানমন্ত্রী গাছ লাগানোর কথা বলতে পারেন নি। বনদফতর আছে, একশো দিনের কাজের প্রকল্প আছে, অতিরিক্ত হারে গাছ কাটা হলে কিছু দিনের মধ্যেই গোটা ভারত সাহারা মরুভূমি হয়ে যাবে, দরকারে রাস্তা হবে। রাস্তা হয়ে যাবার পর তার দুপাশে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে। শের খাঁ অতো বড়ো জি টি রোড তৈরি করে ছিলেন, কিন্তু তিনি তার দু পাশে গাছ লাগানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। কেবল নেতা মন্ত্রী আইন এসব দিয়ে হবে না। সাধারণ মানুষ কেও জানতে হবে, আজ দক্ষিণ বঙ্গ তথা ভারতের প্রায় সর্বত্র বৃষ্টির পরিমাণ কমেছে তার কারণ গাছ কেটে ফেলে বাড়ি রাস্তা, খেলার মাঠ তৈরি করা হয়েছে। অনেকেই এই লেখা পড়ে বলবেন প্রধানমন্ত্রী মাটির নীচের জলের সমস্যা নিয়ে বলেছেন। আপনি বৃষ্টির কথা বলছেন,গাছ মাটি থেকে শেকড়ের সাহায্যে খনিজ লবণ সংগ্রহ করে পাতায় পাঠায়, সে খানে সে সূর্যালোকের সাহায্যে খাদ্য তৈরির পর, অতিরিক্ত জল বাষ্প আকারে বাতাসে ত্যাগ করে, সেখান থেকে মেঘ সৃষ্টি করে বৃষ্টি হয়, আর এই বৃষ্টির জল নদী নালা খাল বিল দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময়ে চাষ বাসের কাজে লাগে, কিছুটা অংশ বাষ্প হয়, বেশ কিছুটা অংশ মাটির নিচে পৌঁছয়। সেই কারণেই গাছ আমাদের জরুরি আর বৃষ্টির জল ধরে রাখার ব্যবস্থা করে, ব্যবহার করা যাবে। জলের অপচয় রোধ করতে হবে। অনেক উপায় আছে, প্রতিটি জায়গায় নলকূপের জল ব্যবহারের পর, শোকপীঠে ফেলতে হবে, যাতে ঐ জল মাটি টেনে নিতে পারে তার ব্যবস্থা করতে হবে।
বেকারের দেশে চাকরি পাওয়ার জন্য ঘুষ এ নতুন কী?
অনলাইন খবর টি তে পড়লাম রেলে চাকরি পাওয়ার জন্য, সিঙ্গুরের কয়েক জন যুবক বেহালার কয়েক জন প্রতারক কে টাকা দিয়েছে। আজ প্রায় পাঁচ ছ বছর রেল কেন কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিটি বিভাগের নিয়োগ অনিয়মিত, মাঝে মাঝে খুব প্রয়োজনে দু একজন নিয়োগ পায়। বিহারের রেলমন্ত্রী যখন হয়ে ছিল তখন হিন্দি বলয়ের বেশ কিছু যুবক রেলে চাকরি পেয়েছে। আর তাদের পাড়া তুত লোকের কল্যাণে অনেক যুবক যুবতী তখন চাকরি পেয়েছে। এখন চাকরি দেওয়ার জন্য বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়, বেকার যুবক যুবতী দের হয়রানি করার জন্য, আবার যদিও পরীক্ষা হয় তাহলে কলকাতার বা পশ্চিমবঙ্গের চাকরি প্রার্থী কে পরীক্ষা দিতে যেতে হয় কর্ণাটকে আর ঐ দিকের ছেলে কে কলকাতায় যাতে অনেকে যেতে না পারে তার জন্য কত রকম ব্যবস্থা, আমরা বর্তমানে এক আজব দেশে বাস করি, কী রাজ্য সরকার আর কেন্দ্র সরকার দুই সমান, দেশে বা রাজ্যে বেকার সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে, নিয়োগের বিজ্ঞাপন আছে, নির্বাচন এলে সেটা আরও বাড়ে, কিন্তু নিয়োগ নেই, পশ্চিমবঙ্গ তথা গোটা ভারত এখন গুজরাত হয়ে গেছে, গত কয়েক বছর আগে আমাদের প্রধানমন্ত্রী গুজরাতের শাসক তথা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। সেখানের হাল এরকম ছিল, কেবল আর এস এস বেড়েছে, যারা গুজরাত গেছেন, তাদের একটু জিজ্ঞেস করে দেখুন, প্রতি মুহূর্তে আর এস এস সেখানে আপনার খবর রাখেন। যে কোন কাজ তাদের সাহায্য ছাড়া করা অসম্ভব। সরকারি ভাবে নিয়োগের নাম গন্ধ ছিল না। আজ ভারতের অবস্থা ঠিক সেই রকম মুখে বড়ো বড়ো কথা নির্বাচন এলে সরকারি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি তে বিভিন্ন খবরের কাগজের পাতা ভরে উঠেছে, কিন্তু যেই নির্বাচন চলে গেল সব ফাঁকা, আর বিজ্ঞাপন নেই নিয়োগও নেই, কত প্রতিশ্রুতি এখন সব ভুলে গেছে, গত বার কালো টাকা উদ্ধারের, ডিজিটাল ভারতের নামে আমরা কী পেলাম, অনলাইন টাকা পাঠানো। আর কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের সাথে দর কষাকষি, কংগ্রেস এরকম করে দেশ টার বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে। এর কাছে, আমাদের আশা বেকার ছেলে মেয়ে দের চাকরি, ক্রমশ সরকারি কর্মক্ষেত্র সংকুচিত করে ফেলা হচ্ছে। রাষ্ট্রত্ব ক্ষেত্র গুলো বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। ব্যাঙ্ক বিমা, থেকে যোগাযোগ ব্যবস্থা সব বেসরকারি করে দেওয়া চেষ্টা চলছে। টেলিকম ক্ষেত্রে বেসরকারী সংস্থা কে প্রাধান্য দিয়ে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার বিএস এন এল বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা, বি এস এন এল কে আধুনিক ব্যবস্থা করার চেষ্টা না করে তাকে তুলে দিতে, উঠে পরে লেগেছেন। দীর্ঘ দিন কর্মী দের বেতন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরকম এক পরিস্থিতিতে বেকার যুবক যুবতীর দল কে প্রতারিত করতে একটি চক্র সক্রিয়, চাকরি কার না চাই, সেই জন্য চাকরি পাওয়ার জন্য, চিটফাণ্ডের মতো বেকার যুবক যুবতীরা প্রতারক দের টাকা দিয়ে আশায় বুক বেঁধে থাকে। পরে যখন বুঝতে পারে তারা প্রতারণার শিকার তখন আর কিছু করার থাকে না। বেকার যুবক যুবতী দের আমি এখানে আমি একটা কথা বলি, আমাদের দেশে যে সরকার টি চলছে, সে দাঙ্গা লাগিয়ে দিতে ওস্তাদ, চাকরি দিতে পারে না। বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারণা করে। তোমরা সাবধান, কোথাও কোনো ভাবে কাউকে টাকা দিও না, দেখবে টাকা দিলে অনেক প্রতারক নিয়োগ পত্র দিয়ে তোমায় নিয়োগ দিলো কিন্তু সেটা ভুয়ো, এদের থেকে সাবধান, ঐ টাকা দিয়ে কোনো কোচিং সেন্টারে ভর্তি হও মন দিয়ে পড়ে দেখ, ঐ যে অনিয়মিত সরকার অনিচ্ছাকৃত হলেও নির্বাচনের আগে নিয়োগ করে তখন তোমার ভাগ্যেও ঐ নিয়োগ পেয়ে যেতে পার। প্রতারকের ফাঁদে পা দিও না।
পশ্চিমবঙ্গে বর্ষা, আর পে কমিশন ডিএ যেন একই গোত্রের।
বেশ কিছু দিন যাবৎ শুনছি পশ্চিম বঙ্গে বর্ষা আসছে, আষাঢ় মাস শেষ হতে চলেছে আজ পর্যন্ত সে ভাবে বৃষ্টি হয়নি। কারণ একটাই আমরা এই আট বছরে ধরে বহু গাছ ধ্বংস করে ফেলেছি। নতুন করে গাছ লাগানো হয় নি। বিভিন্ন পঞ্চায়েত এলাকায় বাম আমলে রাস্তার দু পাশে লাগানো গাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। কেউ প্রতিবাদ করেনি কারণ প্রতিবাদ করলে অন্য ব্যবস্থা আছে, কেন এ সরকার হচ্ছে ধ্বংস করার সরকার, এখানে পশ্চিমবঙ্গের সব কিছু ধ্বংস করার জন্য তৈরি হয়েছে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে রাস্তার পাশের গাছ গুলো কে কিছু দিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কিছু দিনের মধ্যেই শুকিয়ে যাচ্ছে, গাছ কেটে বিক্রি করে দিতে অসুবিধা নেই, কারণ মরা গাছ। রাজ্য সড়কের পাশের বড়ো বড়ো গাছ এই ভাবে সাফ করে দেওয়া হয়েছে। এই সেদিন হরিপাল স্টেশনের গাছ গুলোর ডাল এমন ভাবে কাটা হয়েছে, সে গুলো শুকিয়ে যেতে পারে। গ্রামের রাস্তা খালের পাড়ের গাছ গুলো আর নেই, কাট মানি খাওয়ার মতো এই গুলোও কেটে বিক্রি করে টাকা হজম করে ফেলেছে। যেমন সরকারি কর্মীদের পে কমিশন ডিএ দেওয়ার টাকা দিয়ে পুজো কমিটি কে, ক্লাব কে, রথ যাত্রা কমিটি কে, আরও নানা সংস্থা কে দিয়ে শেষ, এই ভাবে কয়েক বছর ধরে ষোল হাজার কোটি টাকা ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে। এর থেকে কাট মানি কমিশন কম পকেটে ঢুকেছে। দিদি তাদের খুব পছন্দ করেন, যিনি পঞ্চায়েতের গাছ বিক্রি থেকে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে কোটি কোটি টাকা তোলা তুলতে পারে। প্রতিটি পঞ্চায়েত এলাকায় রাস্তার পাশের বড়ো বড় গাছ কেটে ফেলা হয়েছে , এরকম কত আছে। আর আজ দক্ষিণ বঙ্গে বৃষ্টি নেই তার মূল কারণ এই সরকারের লোভ আমরা ক্ষমতায় এসেছি লুটে পুটে খাও। জনগণ মরুক, একে কর্ম সংস্থান নেই, রাস্তায় টোটো অটো ভরে গেল, চাপার লোক নেই, কল কারখানা বন্ধ, নতুন করে কিছু হয়নি, যদিও ছোট খাটো কিছু হয়েছিল, সে গুলো তোলা তুলে বন্ধ বা বন্ধের মুখে। সরকারি চাকরি তার জন্যে অনশন করতে হয়। অনশন করেও চাকরি মেলে না। বেকার দিন দিন বাড়ছে, সেই সঙ্গে কাজ কমছে, আবার এই খরা এবার খাদ্য সংকট দেখা দেবে। মাটির নিচে থেকে জল তুলে কত চাষ হবে। নামে নদী খাল সংস্কার হয়েছে, কেবল নিজের পকেট ভারী করার জন্য, জল কোথা থেকে আসবে, গাছ না থাকলে এই টুকু জ্ঞান অর্জন করতে একটু বিদ্যালয়ের ধারে কাছে গেলেই হয়।
Saturday, 6 July 2019
ওহে বাঙালি তুমি এতো দিনে বুঝলে!
ওহে বাঙালি তুমি এতো দিনে বুঝলে, যে হিন্দি বলয় বাঙালি বিদ্বেষী। কেবল হিন্দি বলয় কেন গোটা উত্তর ভারতের প্রায় সর্বত্র বাঙালি সম্পর্কে বাজে ধারণা তৈরি করে দেওয়া হয়েছিল। স্বাধীনতার আগে থেকেই, করে ছিল তৎকালীন কংগ্রেসের নেতারা নিজেদের ক্ষমতা দখল করতে। এর মধ্যে মোহন দাস করম চাঁদ গান্ধী ছিল এক নম্বর। সুভাষচন্দ্র বোস কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচিত হলে তিনি আপত্তি করে ছিলেন। অথচ এই কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন একজন বাঙালি, উমেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় ।তখন গান্ধী ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় সেখানে ইংরেজ দের হয়ে ওকালতি করতেন, এরকম একটা কেসে কালো চামরার লোক বলে অপমানিত হন, আবার আফ্রিকার মানুষের স্বাভাবিক কিছু দাবীর বিরোধী ছিলেন, সেই জন্য ঐ দেশ থেকে বিতাড়িত হয়ে, ১৯২০ সালে ভারতে চলে আসেন। গোটা উত্তর ভারতের পাঞ্জাব বাদ দিলে, আপনি হিন্দি বলয়ের সর্বত্র বাঙালি জাতির একটা বিদ্বেষ কারণ সঠিক ইতিহাস এদের পড়ানো হয় না। মোঘল শাসন আর নবাবি আমল এসব এদের ইতিহাস। ভারতের ইতিহাসে বাংলা একটি বড়ো বিষয় তার একটা নিজস্ব ইতিহাস আছে, সেন বংশ পাল বংশের রাজত্ব তাদের পর আরও যে সব রাজা বা জমিদার বাংলা শাসন করে ছিল। তাদের কথা কোথাও নেই। স্বাধীনতা আন্দোলনের কথা অল্প বিস্তর আছে, তাও না থাকার মতো। বাঙালি জাতি প্রথম স্বাধীনতা আন্দোলনের হোতা এখান থেকেই ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের শুরু ওসব বাংলা তথা পশ্চিমবঙ্গের কোন বিদ্যালয়ে পড়ানো হয় না। পশ্চিমবঙ্গের কোন ছাত্র ছাত্রী পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস ভূগোল বলতে পারবে না। কারণ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইতিহাস ভূগোল বিজ্ঞান বলে কোনো বই নেই। বর্তমানে অনেক ছাত্র ছাত্রীদের জিজ্ঞেস করলে বলতে পারে না। রবীন্দ্র ঠাকুর কেন নাইট উপাধি ত্যাগ করে ছিলেন। আসলে ব্যাপারটা হলো হিন্দি বলয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামী সেজে নাটক করার লোকের অভাব হয় নি স্বাধীনতার পর। আসলে ব্রিটিশ কেন ভারত ছাড়ল সেটাই জানে না, বা জানানো হয় না। তার তাহলে বুঝতে পারবে দেশের জন্য তাদেরকে অবদান কি? একটা বিগ জিরো। এই হিন্দি বলয়ের মানুষ ব্রিটিশদের গোলামি করে গেছে, আর বাঙালি স্বাধীনতা সংগ্রামী ক্ষুদিরাম কে ধরিয়ে দিয়েছে। এই তো ছিল ওদের কাজ ব্রিটিশদের পা চেটে, এবং বর্তমানে এরাই শাসক, বাঙালি আজ হারিয়ে যেতে বসেছে, জণ্ম নিয়ন্ত্রণে তারা প্রথম, এই হিন্দি বলয় ছারপোকার মতো বংশ বিস্তার করে। সারা দেশে চাড়িয়ে গেছে। এদের লোক জণ্ম নিয়ন্ত্রণ আইন করেছে, এরাই মানেনি মানে শিক্ষার অভাব, ভারত সরকার যতদিন না এদের সঠিক শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবে, সঠিক ইতিহাস পড়ার ব্যবস্থা না করবে। ততদিন এরা নিজেদের ছাড়া আর অন্য কোন ভারতীয় জাতির ভালো দেখতে পারবে না। ক্রিকেট দলের দেখুন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় এম এস ধোনি কে দলে তুলল, সেই আবার চ্যাপেলের সাথে জোট করে তাকে প্রায় অপমান করে সরিয়ে দিয়েছিল। প্রণব মুখোপাধ্যায় অনেক দিন ধরে কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনীতি করলেন। একবারও তাকে প্রধানমন্ত্রী করে ছিল কংগ্রেস না, সুভাষচন্দ্র বসু বেঁচে আছে না মারা সেই তথ্য সঠিক ভাবে দেয় নি, ব্রিটিশ সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে যুদ্ধ অপরাধী ঘোষণা করে দেশেই ঢুকতেই দেয়নি, জহর লাল নেহরু, এমন তার গদির বা পদের লোভ দেশ ভাগ করে বাঙালি হিন্দু জাতির মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়েছে এই নেহরু আর গান্ধী হাজার হাজার হিন্দু তার উপর হিন্দু বা পাঞ্জাবী বা শিখ এদের দিকে ফিরেও তাকায় নি। তৎকালীন কংগ্রেস সরকার অথচ দেশ স্বাধীন হওয়ার পিছনে যে জাতি সব থেকে বেশি অবদান সেই বাঙালি কে প্রতি মুহূর্তে অপমানিত হতে হয়েছে দিল্লির ঐ শাসক দ্বারা। পূর্ব বঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশে এখন যে ক'জন হিন্দু আছে তারা এখনো নির্যাতনের শিকার।
Friday, 5 July 2019
মন্ত্রী ও বিধায়ক দের বেতন দ্বি গুন হলো। চুরি বা কাট মানি কমবে কি?
গত ১৩/৬/১৯ আমার এই ব্লগে একটি লেখা ছিলো। শিরোনাম ছিল, "দিদি আপনি একদম পে কমিশন ডিএ পি আর টি স্কেল দেবেন না" আপনারা অনেকেই পড়ছেন, শেষ পর্যন্ত পড়ে ছিলেন কি না জানি না, সে খানে আমি লিখেছিলাম দিদি আপনার বেতন বড্ড কম ও টা লাখ বা দেড় লক্ষ টাকা করে নিলে ভালো হতো। দিদি আমার কথা শুনেছেন, এই জন্য দিদি কে আমার তরফ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই। এই বেতন বৃদ্ধি হলে অনেকের চুরি বা কাট মানি খাওয়ার অভ্যাস কমতে পারে। আমার তো সন্দেহ আছে যে অভ্যাস হয়ে গেছে সে কি করে বদলাবে। জুতো, পোশাক, সাইকেল, বই, খাতা, মি ডে মিল, সর্ব শিক্ষার দেওয়া কিছু বড়ো টাকা থেকে, কন্যাশ্রী এতো গেলো বিদ্যালয়ের দিক থেকে, দিদি খোঁজ নিয়ে দেখুন পঞ্চায়েত সার্টিফিকেট, সে যে কোনো ধরণের শংসাপত্র পত্র হতে পারে, আবাস যোজনা, পেনশন স্কীম, একশো দিনের কাজ প্রকল্পে প্রতি পদক্ষেপে টাকা বা কাট মানি, একটা উদাহরণ দিই একশো দিনের কাজ প্রকল্পে কোন এক জন শ্রমিক দশ দিন কাজ করল কি, না করল তার নামে কুড়ি দিনের টাকা দেওয়া হলো বলা হলো তুই টাকা পেয়ে অর্ধেক দিবি। এ ছাড়া যিনি সরকারি বা আধা সরকারি চাকরি করেন তিনিও একটা জব কার্ড করে রেখেছেন। বিধবা ভাতা বার্ধক্য ভাতা সে তো কবে বন্ধ, ঠিক আছে কারণ সঠিক লোক পায়, এমন অনেক বিধবা আছেন লোকের বাড়ি ঝি গিরি করে খায়,তার হয়ে পঞ্চায়েত যাবার লোক নেই, যে গিয়ে বলবে সে নিজে কত বার যাবে, গিয়েও কাজ হয় না। যে হেতু সঠিক লোক পায় কম তাই ও বন্ধ করে খুব ভালো কাজ করেছেন। কারণ এমন দেখা গেছে স্বামী মারা যায় নি বিধবা ভাতা দেওয়া হয়েছে, আবার কারো স্বামী সরকারি সংস্থায় চাকরি করতেন তিনি মারা গেছেন, সামান্য হলেও ফ্যামিলি পেনশন পান, তিনিও বিধবা ভাতা পেতেন। পঞ্চায়েতের এসব বন্ধ করতে হলে মনে হয় ওদের ভাতা বাড়াতে হবে, কিন্তু তাতে আবার মুশকিল আছে, ভোটে দাঁড়ানো নিয়ে দাঙ্গা লেগে যাবে। একে এই সব কাট মানি খাওয়ার জন্য মারা মারি, আবার বেতন হলে তো কথাই নেই, বেতন নিয়ে সমাজ সেবা হয় কি? জনগণের জন্য সেবা করার জন্য আলাদা মানসিকতা চাই, যারা টাকা পয়সা না নিয়ে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের দুঃখের সাথী হয়ে, তাদের পাশে দাঁড়াবে। এই রকম লোকজন ছিল, সেই জন্য ভারত বর্ষ স্বাধীন হয়েছিল। সেই সময়ের মানুষ বিদ্যাসাগর, যার আরেকটা উপাধি ছিল, দয়ার সাগর, আরো যে সব বাঙালি সে সময় নিজের সর্বস্ব দিয়ে দেশ সেবা করে গেছেন। রাষ্ট্র গুরু সুরেন্দ্র নাথ বন্দ্যোপাধ্যায়, দেশ বন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ, এরকম আরো অনেকেই ছিলেন, তাদের কথা এখন আর বই এর পাতায় নেই, এখন প্রাথমিকের বই এ ঘাস না শাক ঠাকুমা বলল ও দিদি মনির কাছে জেনে নেব। আমার মনে হয় বাংলার ইতিহাস ভুগোল বিজ্ঞান প্রাথমিক স্তর থেকে পড়ানো উচিত। ঐ সব মনিষী দের কথা জীবনি ছোট বয়স থেকে জানা উচিত না হলে এরকম চোরে বাংলা ভরে যাবে। বিশ্বের কাছে বাঙালি জাতির গর্বের বিষয় গুলো হারিয়ে যাবে। বিশ্বের কাছে বাঙালি জাতি হয়ে উঠবে চোরের জাতি হিসেবে, যে টা দিল্লির নেতারা স্বাধীনতার আগে থেকেই চাইছিল আমরা সেই দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। দিদি আপনি দয়া করে এই টুকু করুন, কাটুম কুটুম বাদ দিয়ে, বাংলা, অঙ্ক, ইংরেজি শেখান যা আগে ওরা ঐ বয়সে শিখতে। প্রথম শ্রেণীর জন্যেও ঐ তিন টি বই, দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য বাংলা অঙ্ক ইংরেজি আর পরিবেশ। তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির জন্য বাংলা অঙ্ক ইংরেজি ইতিহাস ভুগোল বিজ্ঞান দিন। প্রতিটি বই হোক বাঙালির আর্দশে গাথা, বাংলার ভূগোল বাংলার ইতিহাস স্বাধীনতা সংগ্রামে বাঙালির ভূমিকা। তবে আর্দশ সমাজ সেবক তৈরি করা যাবে, না হলে ঐ চোর বাঙালি জাতি তৈরি হবে। সর্ব শেষে আপনি আমার প্রণাম নেবেন। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।
বৃক্ষ তোমার নাম কি ফলেন পরিচয়েৎ।
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো ভুল কাজ করে ফেলে তখন, তার জাত বংশ তুলে ধরার জন্য এই কথাটা বা এই প্রবাদ বাক্য টি বলে। বর্তমানে বলুন বা আগে থেকেই বলুন বিভিন্ন সরকারি দফতরে কিছু উচ্চ পদস্থ কর্তা যারা ঐ পদে বসে নীচের স্তরের কর্মীদের সামান্য কিছু হলেই। এমন ভাবে কথা বলছেন, বা ব্যবহার করছেন, মনে হচ্ছে উনি এতো বেশি কিছু জানেন, তার অধস্তন কে পারলে হাতে মাথা কাটে, আবার এরকমও দেখা যায়, কোনো অফিসার নয় অফিসের গ্রুপ ডি কর্মী, শুধু অফিসারের লাই পেয়ে মাথায় উঠে, সবাই কে হেনস্থা করে থাকেন। মনে হয় ঐ সব থেকে বড় অফিসার, একটু লক্ষ্য করে দেখা যাবে, এরা কোটায় চাকরি পেয়েছে, এবং SC ST বংশ থেকে এসেছে, এরা লেখা পড়া শিখেছে, কিন্তু নিজেদের জাতের যে গুন সেটা ছাড়তে পারে নি। এই বিষয় টি বেশি প্রকট হয়েছে, বাম আমল থেকে, এরা আগে, উচ্চ বর্ণের কাছে বাবু বলে কাজ চাইত, ধীরে ধীরে বাবু ছেড়ে দাদা বলেছ। আর এখন মাথায় চড়ে বসে বাম সরকার কে তাড়িয়েছে, এবার আরও ভালো হয়েছে, ওদের সরকার এসেছে, ভেবে পারলে, নীচের কর্মী দের হাতে মাথা কাটে, চুরি করে না বললেই চলে, কত রকম ভাবে ডান হাত ভরবে সেই চেষ্টা, বামফ্রন্ট সরকার এই সব ছোট জাত কে মাথায় তুলে পতন ডেকে এনেছে, এই সরকারের পতনের মূলেও এরাই থাকবে। অনেকে হয়তো বলবেন আপনি জাত পাত তুলে লিখেছেন, আমি এসব লিখতাম না, এখন সহ্যের সীমা পার হয়ে গেছে। অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন, কোটায় লাফিয়ে লাফিয়ে এরা মাথায় বসে, আর ধরা কে সরা জ্ঞান করে, সরকারি ভাবে আদেশ থাকুক আর না থাকুক এদের মুখের কথাই আদেশ হয়ে যায়। সব জাতের জাত রঘু নাথ, তবে হ্যাঁ এদের ব্যবহার কথা বার্তা দিয়ে এরা বুঝিয়ে দেয় এরা কোন জাতের। আমি এখানে লিখছি, আমার মতো যারা এদের কাছে কোনো কাজ নিয়ে গেছেন, তারাই এদের পরিচয় পেয়েছেন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...









