Anulekhon.blogspot.com

Friday, 15 February 2019

আমাদের রাজ্যাধিপতি কি বললেন?

আমি এই মাত্র অন one Indian কাগজে একটা খবর পড়লাম। সেখানে সাংবাদিক লিখেছেন, না তদন্ত করে পাকিস্তানের নামে দোষ দেওয়া ঠিক নয়। কে বলেছেন আর বলছি না, বললেই আমার ফাঁসি নয় জেল, এটা পশ্চিম বঙ্গ, এখানে একজনের কথা বলার আন্দোলন করার অধিকার বাকি সব মানুষ ম্যরা।দিল্লিতে যিনি তার সম্পর্কে ব্যঙ্গ চিত্র করে, গোটা দেশে প্রায় তিরিশ জন জেল খেটেছে। আমাদের রাজ্যের রাজ্যধিপতির এই সংখ্যাটা প্রায় পঞ্চাশ ছুঁই ছুঁই, এনি দেন মুসলিম দের তোল্লাই মাথায় ফেটি বেঁধে ইদগায় যান, রোজা রাখেন। মহরমের জন্য দুর্গা পূজার বিসর্জন বন্ধ করেন,, মোয়াজ্জেম ভাতা চালু করেন, আর উনি গো রক্ষা করতে ব্যস্ত, লম্বা লম্বা মূর্তি স্থাপন করতে ব্যস্ত। তাই কাশ্মীরের মাটি জওয়ানদের রক্তে লাল হলে। এই দুঃখের ঘটনাও বেগমের মন্তব্য করতে ভুল হয় নি। ইনি প্রধানমন্ত্রী হলে কী দেশের কী পরিনতি হবে ভাবতে পারেন। আর ঐ যে আলি বাবা আলিগড় আছে, তারা তো আনন্দে আত্মহারা। পশ্চিমবঙ্গের অনেক জায়গাতেই আনন্দ উল্লাস হয়েছে, এমন কয়েকটি জায়গায় আছে যেখানে পাকিস্তানের ঝাণ্ডা ওড়ে, কেন হবে না স্বাধীনতা সময় দেশ ভাগ হলো তখন পূর্ব আর পশ্চিম পাকিস্তান থেকে হিন্দু আর পাঞ্জাবি শিখ দের ধ্বংস করে দিতে যে দুজন মুখ্য ভূমিকা নিয়ে ছিল, একজন তো জাতির জনক, আর একজন পদ লোভী জাতির জনক নামের লোভী গান্ধী পদবী ইতিহাসে থেকে যাবে, ঐ জন্য ফিরোজ হলো ফিরোজ গান্ধী, এখন তো বংশের শেষ যুবরাজ আর যুবসম্রাজ্ঞী লড়াই করতে শুরু করেছে, দেশের পয়লা নম্বর সাম্প্রদায়িক দল কংগ্রেস, এই দল টি স্বাধীনতার সময়,  এপার থেকে একজন ও ঐ দুই দেশে না যান তার ব্যবস্থা পাকা করতে উঠে পড়ে লাগল। কংগ্রেসের নীতি তাই হিন্দু মুসলিম দাঙ্গা লাগিয়ে দাও হিন্দু যত পারে মরুক দুঃখ নেই, কারণ ওদের জন্য সংবিধানের আইন আর ঐ ধর্মের মানুষের দের ধর্মীয় আইন শরিয়ত যত খুশি বিয়ে কর ছারপোকার মতো বংশ বিস্তার কর, আর তালাক দাও রাস্তায় ঘুরে ঘুরে বেড়াবে মানুষ খুন করবে, এটাই কাজ আর পাঁচ বছর অপেক্ষা করুন পশ্চিমবঙ্গের প্রকৃত বাঙালি হিন্দু জাতির লোক কে অনুবীক্ষণ দিয়ে খুঁজতে হবে। অনেকেই মনে করছেন আমি সাম্প্রদায়িক লেখা লিখছি, না বন্ধু আমি রাজনৈতিক দল যারা প্রতিনিয়ত ভোট পাবার আশায় সংখ্যালঘু সংখ্যালঘু করে বুক চাপরাছে তাদের বলছি। ভারতের প্রধান রাজনৈতিক দল কংগ্রেস থেকে শুরু করে আমাদের রাজ্যের প্রতিটি রাজনৈতিক দল সকলেই প্রতিযোগিতা শুরু করে দিয়েছে, কে কতো তোষন করতে পারে। আমি এই সব রাজনৈতিক দলের নেতা মন্ত্রী দের কাছে একটা কথা জানতে চাই, যারা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকদের তোলাই দিচ্ছেন, তারা একবার ভেবে দেখেছেন, ভারত বর্ষ ধর্ম নিরপেক্ষ দেশ, বিবিধের মাঝে ঐক্য। আমি দেখেছি কিছু রাজনৈতিক দল আছে যারা মুখে প্রচার করে এক রকম তখন ভারতীয় সংবিধানের প্রতি দ্বায়িত্বশীল, ক্ষমতা পেলে কাজ করেন উল্টো। সংবিধানের নিয়ম তখন সংখ্যাগুরুরা পালন করবে তাদের পালনীয় ।সংখ্যাগুরুরা একটা ছাড়া দুটো বিয়ে করতে পারবে না, দুটোর বেশি সন্তানের জন্ম দিতে পারবে না। এক দেশ দু রকম আইন, এর পিছনে তত কালীন সংবিধান প্রণেতাদের কী উদ্দেশ্যে ছিল। যারা এসব আইন করে গেছেন তারা জানতেন না, একদিন আসবে যখন, রাজনৈতিক দল গুলো এর ফায়দা তুলবে। আসুন আমরা সবাই মিলে একসাথে এক নতুন ভারত গড়ে তুলি যেখানে কোন হানা হানি থাকবে না। ছোট্ট জাত নীচু জাত বলে কিছু থাকবে না। সব ধর্ম এক হয়ে, নতুন ভারত তৈরি হোক, কারণ যুদ্ধ বা জঙ্গি হানায় মৃত্যু ধর্ম দেখে হয় না । যুদ্ধ বা জঙ্গি দের বোম বিস্ফোরণে সকল ধর্মের লোকজন মারা যান। তাই কাশ্মীরের জওয়ানদের মৃত্যু আপামর ভারত বাসী কে নাড়া দিয়েছে। এখানে ধর্ম নিয়ে কথা না বলে জঙ্গি বা সন্ত্রাস ধ্বংস করার ডাক দিন। 

কম বেতনের কর্মী।

ছবি টি অন লাইন নিউজ পোর্টাল আজ বিকেলের থেকে নেওয়া। সর্বশিক্ষা অভিযান মিশনের নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষা বন্ধু দের আন্দোলন। আমি ওদের ঐ আন্দোলন কে সমর্থন করে লিখি, ভাই বন্ধু তোমরা কেউ দুঃখ করো না। তোমাদের থেকেও কম বেতনে কাজ করতে হয় আশা আর মিড ডে মিলের রাঁধুনি দের আই সি ডি এস রাঁধুনি আর কর্মী দের, এটা এরাজ্যের দস্তুর। শুধু এ রাজ্য কেন গোটা দেশে এরকম চলছে, এম পি এম এল এ দের বেতন বছর বছর বাড়ে। তাদের বেতন এখন যতটা সম্ভব একলক্ষ টাকা থেকে শুরু করে তিন লক্ষ টাকা পর্যন্ত আবার পেনশন আছে, কেবল কর্মী দের সময় টাকা নেই, পেনশন ও নেই। কর্মীদের বেতন দেওয়া বাংলার অর্থ মন্ত্রী কাছে খুব কষ্টের। আমি শুনেছি তিনি ব্যবসায়ী দের সংগঠন ফিকির সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি ব্যবসায়ী দের যুক্তি দিয়ে এসেছেন কীভাবে কর্মী তথা লেবার দের বেতন কম দিয়ে, সরকারি ঋণ শোধ না করে সরক ট্যাক্স না দিয়ে, মুনাফার পাহাড় করা যায়। উনি সেই সব প্রকল্পের জন্য জন্য টাকা দেন যেখান থেকে কাট মানি পাওয়া যাবে। ক্লাবে টাকা দেওয়া, জুতো দেওয়া, থালা দেওয়া, পোশাক দেওয়া, মদ খেয়ে মারা গেলে, কাট মানি নেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা হয়ে যায় গ্রাম বাংলা সড়ক যোজনা, একশ দিনের কাজ ও তো কথাই নেই। কৃষকের ফসল বিমা আরও নতুন নতুন প্রকল্প চালু করতে চলেছে এই সরকার। ভাই ভাইপো দের পো বার এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায় দেখ সকালেই অন লাইন নিউজ পোর্টালে পড়লাম একজন ছোট্ট নেতা খুন হয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এতো বলা সত্ত্বেও বন্ধ হয়নি তোলা আর তোলা নিয়ে নিজ দলের মধ্যে মারামারি খুন খারাপি। কত প্রকল্প যে আরও ঘোষণা করা হবে তার ঠিক নেই, সব টাকা পাওয়া যাবে কিনা ঠিক নেই, কি কেন্দ্রীয় সরকার কি রাজ্য সরকার লোকসভা নির্বাচনে আগে কল্পতরু, যদিও প্রকল্প চালু করতে ধরে নেওয়া গেল টাকা আছে বা টাকা পাওয়া যাবে, তাহলে বলতে হবে সব কাজের জন্য টাকা আছে কিন্তু সরকারি কর্মীদের বেতন দেওয়ার জন্য টাকা নেই। তখন বামফ্রন্ট সরকার দেনা করে রেখে গেছে, এই সরকার কত ইতিমধ্যে বাজার থেকে ঋণ নিয়েছে সেটা কিছু না। সব মিলিয়ে সরকারি কর্মীরা ভালো আছি বলুন কাজ না করলে আপনি ভালো নয়, পেটে ভাত নেই, ছেলে মেয়েদের পড়ানোর টাকা নেই, তাতে কি বেতন নেই তো কি আছে ভয় দেখানো আছে।

পুলিশের চাকরি ছেড়ে কম বেতনে চাকরি কেন নিচ্ছেন?

 বিভিন্ন অন লাইন নিউজ পোর্টালে পড়ছি, যে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশের চাকরি কিম্বা কলকাতা পুলিশের চাকরি ছেড়ে কম বেতনে চাকরি করতেন যাচ্ছেন অনেকে, কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এই পরিস্থিতি একদিনে তৈরি হয়নি, সেই ২০০৯ সাল থেকে শুরু করে পুলিশ কর্মী দের উপর নানা নির্যাতন, চড় মারা থেকে শুরু করে, ধামাকান চমকান থানায় ঢুকে মার, ভয়ে পুলিশ টেবিলের তলায় লুকিয়ে পড়া, বোমা মারার কথা বললেন আর সত্যি বোমা মেরে মেরে ফেলা হলো পুলিশ কর্মী কে, সঠিক দুষ্কৃতী কে ধরতে দেওয়া হলো না। দার্জিলিঙের পুলিশ কর্মী মারা গেলেন সেখানেও সঠিক ভাবে কেউ ধরা পড়েনি। কোন ঘটনা ঘটলে নেতা মন্ত্রী বলে দিচ্ছেন কে অপরাধী, সঠিক অপরাধী ততঃ খনে পগার পার।পুলিশ বাধ্য হয়ে নকল অপরাধী দের ধরে আনছে, নেতা মন্ত্রী দের কথা মতো কেস সাজিয়ে দিচ্ছে, এর উপর আছে বেতন বঞ্চনা, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে প্রতিনিয়ত কাজের চাপ, ঊর্ধ্বতন যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে তাই তারা, এই সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করে দিয়েছে। এসব কারণে এখন পুলিশের চাকরি ছেড়ে কম বেতনের চাকরি নিয়ে চলে যাচ্ছে। আবার এই কথাটাও ঠিক একজন এইট পাশ করা বা না করা মন্ত্রী বা নাম লিখতে জানে না। এরকম নেতা যখন একজন পুলিশ অফিসার কে ধমক দেয়, গালে এক থাপ্পর মারতে হয় বা চাবকে পিঠের চামরা তুলে নিতে হয়। এসব তো আমরা টিভি তে দেখেছি, তবে চিন্তার কিছু কারণ নেই, সিভিক পুলিশ আছে ওরা এখন রাজ্যে নতুন তোলা বাজ, যার একটা ভাগ নিশ্চয়ই উপর মহল পায়, না হলে এত সিভিক নিয়োগ করা হয়েছে কেন ? একজন পুলিশের বেতনের টাকা খরচ করে চার জন সিভিক পুলিশ নিয়োগ করা যাবে, যার জন্য,যারা নিজেদের মান সণ্মান নিয়ে কাজ করতে চান তারা এই পুলিশের চাকরি ছেড়ে কম বেতনে চাকরি করতেন যাচ্ছেন।কোন কোনো ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত ভাবে পুলিশ প্রশাসন কে অপমান করা হচ্ছে, কিছু দিন আগে  হুগলি জেলার সিঙ্গুর থানার অন্তর্গত পল্তাগড় গ্রামের গৌরীবাটী গ্রামে চুল্লু নষ্ট করতে গিয়ে, সেখান কার মানুষ পুলিশ কে মার ধোর করে। তাদের যুক্তি ছিল শাসক দলের লোক মদ বা চুল্লু করে তাদের কিছু বলে না। সত্যিই পলতাগড় গ্রামের শ্মশানের পাশে বাড় পাড়ার কিছু লোক দিনের পর দিন  চুল্লু তৈরি করে আসছে, তাদের ধরে না কোন দিন ওখানে পুলিশ ঢোকে না। দু দিন আগে সরস্বতী পুজোর পরেও কলকাতার কোনও এক জায়গায় মাইক বাজানো হচ্ছিল, পুলিশ বন্ধ করতে গিয়ে হেনস্থার শিকার হলো।এটা এই রাজ্যের এতিহ্যে পরিনত হয়েছে। 

Thursday, 14 February 2019

উৎসবের বাংলায় আবার উৎসব।




ছবি টি অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকায় বেড়িয়ে ছিল ।
উৎসব মুখর বাংলা, না বাংলাদেশ নয় পশ্চিমবঙ্গে, আবার উৎসব এই উৎসব হতো কেবল বর্ধমান জেলায়, এ বছর সারা পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় হবে । কারণ শিল্প হীন কাজ হীন পশ্চিমবঙ্গের এটা বড়ো শিল্প, কল কারখানা হচ্ছে না। পুরানো কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সরকারি দপ্তরের চাকরি নেই, কেবল ঘোষণা আছে, কী অবস্থা বাংলার । দীর্ঘ দিন SSC এবং PSC পরীক্ষা হয় না। PSC দপ্তর উঠে গেছে, মাঝে মাঝে পরীক্ষার নামে প্রহসন হয়। বেকার ছেলে মেয়ে রা কোনো কোনো সময় পরীক্ষার ফিস দিয়ে ফর্ম পুরণ করে হতাশ হয়ে পরে, সেই রকম একটা খারাপ খবর আজ পড়লাম TDN বাংলা অনলাইনে কাগজে ছেলে টি জমি বিক্রির টাকা দিয়ে DELED training করে চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে SSC অফিসের সামনে বিক্ষোভ, কিন্তু এই সরকারের মানবিকতা নেই, মানুষ মরলে এই সব মন্ত্রী নেতা দের আনন্দ হয়। সারদা রোজভ্যালীর এজেন্টরা টাকা ফেরত দিতে না পারলে, লোকজন ঝামেলা করলে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করেছেন, নেতা মন্ত্রীরা আনন্দে ধর্ণা দিচ্ছেন ।মানুষ মরলে আনন্দ হয়, আমরা কেবল ক্ষমতা চাই, যে কোন ভাবে টাকা চাই, ক্লাব কে টাকা দেওয়া, মেলার নামক অনুষ্ঠান করে লোক সভা ভোটের আগে কিছু কর্মী কে টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া, এই খানে একটা কথা বলি, সরকারি যে কোন সাহায্য পেতে হলে, শাসক দলের সমর্থক হতে হবে, অন্যথায় জুটবে না। ভোট আসছে যে কোন ভাবে কর্মী দের টাকা দিতে হবে। তাই এই মেলা, কিছু দিন আগে ব্লকে ব্লকে কী কী উন্নয়ন হয়েছে তার প্রদর্শনী হয়ে গেল। প্রদর্শনী তে কী হলো নীল সাদায় মণ্ডপ, তার মধ্যে ফ্লেক্স ব্যানারে কী কী উন্নয়ন হয়েছে, এবং আর কী কী কাজ করতে হবে তার প্রচার সবটাই সরকারি টাকায়, তাতে কী হলো মণ্ডপ তৈরি করতে টাকা পাওয়া গেল। তারপর কী হলো আর না বলাই ভালো বুঝে নিন। মানুষ কিন্তু বুদ্ধি হীন নয়, কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা এসব সমর্থন করে যাচ্ছে, সামান্য কিছু টাকা হলেও তারা ভাগ পায়। চাকরির তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা কিম্বা চিটফাণ্ডের টাকা ফেরত দিতে না পেরে এজেন্ট, কিম্বা টাকা ফেরত না পেয়ে সাধারণ মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যা করছে, ঐ নেতা মন্ত্রী আর সেই সব বুদ্ধিজীবী যারা কথায় কথায় মোমবাতি মিছিল বের করতেন, তাদের কোনো বিবেক বুদ্ধি জাগ্রত হয় না । আমার মনে হয় এই সব মানুষ মানুষ মারা গেলে খুব আনন্দ করে ।
বলবেন হঠাৎ করে এখানে আবার ছবি কেন। ছবি টি জামালপুর ২নং পঞ্চায়েতের একটি চুরির ঘটনা বর্ধমান জেলার। এক পঞ্চায়েত কর্মী, ৩৭ লক্ষ টাকা হাতিয়ে পালিয়েছে বলে খবর বেড়িয়ে ছে। আমার মতে এখুুনি ধরণা মঞ্চ বেঁধে ওকে যাতে না ধরা হয়, তার জন্য বুদ্ধিজীবীর দলের বসে পরা দরকার। এই সব বুদ্ধি জীবীদের

কী বলবেন তাঁবেদার, না অন্য কিছু বলবেন । সাধারণ মানুষ এদের কাছে পশুর অধম, এই সব স্বার্থান্বেষী পদলোভী অর্থ লোভী মানুষ না অমানুষ জানি না। এরা  বাট পারের সঙ্গ দিতে      প্রস্তুত, যিনি চিটফাণ্ডের তদন্ত কে প্রহসনে পরিনত করে, বাটপারা যাতে ধরা না পরে তার ব্যবস্থা পাকা করে দিয়েছেন, তাকে বাঁচাতে মঞ্চ বেঁধে নাটক হলো সরকারি টাকা ধ্বংস হলো। সেই   মঞ্চে হাজির, আপনার আমার করের টাকা একদিকে মেলা করে  ধ্বংস অর্থাৎ কাট মানি পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা। পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা এরকম লুটে নাও লুটে নাও, যত রকম ভাবে পার টাকা লোট লুটের রাজত্ব। বিবেক ন্যায় নীতি বিসর্জন দিয়ে, কে মরল কে বাঁচল দেখার দরকার নেই।

বাঙালির জন্য দিল্লির দরবার আজও উপেক্ষিত নয় কি?

আজ আমি অন লাইন নিউজ পোর্টালে ( আনন্দ বাজার পত্রিকায়) পড়লাম, রীনা মিত্র নামে এক পুলিশ অফিসার বলছেন, কেন্দ্র আমায় সণ্মান করে নি, কিন্তু রাজ্য সরকার সেই মর্যাদা দিচ্ছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করেন, একদম ঠিক বলেছেন, সনণ্মানীয়ার সণ্মান করতে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর জবাব নেই। তিনি দময়ন্তী সেন, ভারতী ঘোষ কেও সণ্মান করতেন, ভারতী দেবী " মা" বলে সম্বোধন করতেন। আর এটাও ঠিক যারা মা বা বোন বলে সম্বোধন করতেন, তারা কেউ কেউ জেলে, নয় তো পালিয়ে বেঁচেছে, একজন তো বেঁচে নেই ।দিল্লির কথা বলছেন এখন কেমন জানি না,আমরা ইতিহাসে পড়েছি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ত্রিপুরার কংগ্রেসে যোগ দেন এবং সভাপতি নির্বাচিত হন, সেই নিয়ে গান্ধী কী বলেছিল, কী সাম রামাইয়ার হার তার হার। স্বাধীনতার পর নেতাজি কে দুজনে মিলে ভারতে ঢুকতে দেয় নি । একটু রাজ্যের কথায় আসা যাক, স্বাধীনতার পর রাজ্য সমাল দিতে কয়েক জন বাঙালির অসামান্য অবদান আছে, একজন শ্যমাপ্রসাদ মুখার্জি, অনেকে ওনাকে বি জে পির প্রতিষ্ঠা বলেন। স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী  ডাঃ বিধান রায়, ইনি চেষ্টা করে গেছেন, ব্রিটিশ আমলে তৈরি করা কয়েক টি কারখানা আর কল্যানী শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। সাধারণ গরীব মানুষের অবস্থা দূর্বিসহ হয়ে পড়ে, তারপর নানা টানা পোড়েনের পর পশ্চিমবঙ্গে আসল পরিবর্তন তৈরি হয়, বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় আসে। ভূমিহীন কৃষকের হাতে জমি আসে। শিক্ষাকে সহজ করতে গিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত ইংরেজি তুলে দিলেও, সবার জন্য উন্মুক্ত হয় শিক্ষা অবৈতনিক করা হয় দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত। পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা পয়সায় বই, মেয়েদের জন্য জামা শিক্ষকের সম্মান বৃদ্ধি বেতন কাঠামোয় পরিবর্তন, পেনশন ব্যবস্থা, সহজে স্কুলের অনুমোদন, বিজ্ঞান ভিত্তিক পাঠক্রম, একটা কথা ভাবতে হবে তখন সর্ব শিক্ষা মিশন ছিল না। কেন্দ্রীয় টাকা আসত কম, একটি শিল্প বলুন বা বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ সবেতেই কেন্দ্রীয় অনুমতি লাগতো। স্বাস্থ্য দফতরের মাধ্যমে বিনা পয়সা চিকিৎসা, কৃষিতে উন্নয়ন, ক্রমশ পশ্চিমবঙ্গের মান বাড়তে থাকে,      ত্রিস্তর  পঞ্চায়েত ব্যবস্থা শুরু করা আরও কতকী। দিল্লিতে আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মাননীয় জ্যোতি বসু প্রধানমন্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব পেয়ে ছিলেন। আর এখন সারদা রোজভ্যালীর নারদা ইত্যাদি সংস্থার টাকা  চুরির কলঙ্ক, বাঙালি জাতির মাথায়। সে চোর যাতে ধরা না পড়ে তার জন্যে কত ব্যবস্থা, আজ পাঁচ বছর হলো, কারণ চোরের ধন বাটপারে খেয়েছে। আর বাট পাররা কেউ কেউ জেল খেটে এসেছে। তারা কেউ কেউ মন্ত্রী সাংসদ, বিধায়ক, এদের লজ্জা নেই। বেমালুম মিথ্যে কথা বলে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে, নির্বাচন কে প্রহসনে পরিনত করে।তোলা বাজি আজ শিল্পে পরিনত হয়েছে। সিভিক রা রাস্তায় দাঁড়িয়ে তোলা তোলে। সিন্ডিকেটের তো কথাই নেই, রাস্তা ঘাটে জমির দালাল ঘুরে বেড়াচ্ছে, যেখানেই জমি কিনতে যান বাড়ি করবেন, দালাল ছাড়া পারবেন না। ধর্ষণ সে তো বলার মতো নয়, আশি বছরের বৃদ্ধাও রেহাই পায় না, ও মাত্রা অনুযায়ী দর ঠিক করে দিয়েছেন, আর এটাও বলেছেন শরীরের জ্বর জ্বালার মতো ওসব হবে। নির্বাচন রাজ্যে হয় না, গত ষোল সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিরোধী প্রার্থী ছিল কিন্তু  নির্বাচন প্রহসনে পরিনত হয়েছে, এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধী দলের প্রার্থী দিতে পারেন নি, যেখানে দিয়েছে নির্বাচন হয়েছে, মুড়ি মুড়কির মতো বোমা গুলি চলছে। উন্নয়ন তো রাস্তায় অস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল । সামনে লোক সভা নির্বাচন ভাবছি কতো খুন দেখতে হবে। একজন তো বলছে ওরা একটা বোমা মারলে, একুশ টা বোমা মারতে হবে। মানুষ খুন সে তো শুরু হয়ে গিয়েছে, ঐ যে কৃষ্ণ গঞ্জের  বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস সরস্বতী পুজোর অনুষ্ঠানে খুন হলেন। এসব দেখেও বা কাগজ গুলো পড়ে মনে হয় এরপর বাঙালির সণ্মান আছে ।   কাগজ গুলো যা লেখে সে গুলো পড়ে লিখলাম, ভুল থাকলে মাপ করে দেবেন কেমন। 

Tuesday, 12 February 2019

আজ বিবেক চেতনার দিন।

আজ বাঙালি জাতির গর্বের দিন, কারণ আজ এমন একজন মহাপুরুষের জণ্ম দিন, যিনি গোটা বিশ্বের মানুষের কাছে বন্দিত । যার বানী ও প্রতিটি কথা তৎকালীন সমাজ কেন বর্তমান দিনে খুব প্রাসঙ্গিক, কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা মুখে তার আদর্শের কথা বলেন বাস্তবে অন্য কাজ করেন। কত গুলো ঠকবাজ মিথ্যে বাদি তার আর্দশ নিয়ে অনুষ্ঠান করেন, ভালো ভালো কথা বলে কিন্তু প্রতিনিয়ত মানুষ কে ঠকানো তাদের বেঁচে থাকার অধিকার হরণ করে নেন। বর্তমানে রাজনৈতিক নেতাদের এরকম মানসিকতা বেশি, একদিকে বিবেকানন্দ এর আদর্শের কথা বলছেন, আর অন্য দিকে নিরন্ন না খেতে পাওয়া মানুষ দেখলেই ঘৃনা করেন। কীভাবে এই সব অর্ধশিক্ষিত অভুক্ত মানুষ কে ভুল বুঝিয়ে নিজের আখের গুছিয়ে নেওয়া যায় তার ব্যবস্থা পাকা করে নেন। ভোট এলে প্রতিশ্রুতির ফোয়ারা ছোটে মানুষ নিজের সঠিক মত প্রকাশ করতে না পারে তার ব্যবস্থা পাকা করে দেওয়া হয়, মদ আর মাংস খেয়ে, মশা মারার মতো মানুষ খুন করতে পারে সেরকম লোক লাগানো হয়। আর প্রতি বছর বিবেকানন্দের জন্ম দিনে, বিবেক চেতনা উৎসব পালন করা হয়, ঘটা করে কিন্তু নিজেদের বিবেক আর জাগ্রত হয় না। মানুষ ঠকানো চতুর ভাবে মানুষের উন্নয়নের টাকা হাতানো ঘুষ তোলা তোলা তোলা কোথাও আবার মানুষ কে কাজ করতে না দেওয়া সঠিক মজুরি বা বেতন না দেওয়া এই কাল অন লাইন নিউজ পোর্টালে পড়লাম একজন বনদপ্তরে সিকিউরিটি গার্ড তিন মাস বেতন না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। কর্মী টি একটি বেসরকারি সংস্থার দ্বারা নিযুক্ত, এরকম অনেক শ্রমিক কর্মচারী আছেন যাদের বেতন এক থেকে দেড় হাজার টাকা মাসে। আর এক দিকে দেখুন এম পি, এম এল এ ও মন্ত্রীদের বেতন আকাশ ছোঁয়া আবার কোন রকম পাঁচ বছর থাকলে পেনশন পাবে, তাতেও তাদের আশা মেটে না আরো চাই, জন গনের নেতা জন গন থেকে বিচ্ছিন্ন ঘুষ খেয়ে তোলা বিভিন্ন সরকারি কাজ থেকে কাটমানি নিয়ে প্রাসাদ তৈরি করে বাস করেন। চার চাকা করে ঘুরে বেড়ায় সিকিউরিটি গার্ড নিয়ে। সত্যিই যদি এই নেতা মন্ত্রীরা স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শ নিয়ে চলতেন তবে আজ আমার বাংলা তথা ভারত বর্ষ আরও অনেক নেতাজী, চিত্তরঞ্জন দাশ, রাস বিহারী বসু বিদ্যাসাগরের মতো মহাপুরুষ পেতে পারতো। আমাদের দূর্ভাগ্য ঘটা করে সরকারি ভাবে বিবেক চেতনা উৎসব পালন করা হচ্ছে, শুধু কিছু নেতার পকেটে কিছু সরকারি টাকা কাট মানি হিসেবে পাইয়ে দেওয়ার জন্য। ভালো ভালো কথা বলে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে মানুষ কে মানুষ মনে না করা এই সব নেতা মন্ত্রী দের বিবেক বুদ্ধি যদি একটু জাগ্রত হতো, তবে সাধারণ মানুষের দুঃখ ও অবহেলিত মানুষ অনেক সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারে। আমি বিবেকানন্দের কথা যত পড়েছি, বা এই বিশ্ব জয়ী মহাপুরুষের অমৃত বানী গুলো যত পড়ি তত ভাবি সত্যিই আমি মানুষ হতে পেরেছি তো।.আশায় রইলাম নেতা তথা মন্ত্রী দের বিবেক জাগ্রত হবে।

প্রোপাগান্ডা কাহারে কয়!

আমি পশ্চিমবঙ্গের একজন অধিবাসী, আমি দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষকতার কাজে যুক্ত,  শাসক নিজের গুনগান নিজে করছে, এবং সেটা হচ্ছে জনগণের করের টাকায়, এই সব আমি দেখিনি।আমি ঘোষণা করে দিয়েছি,  সেই সব কাজ বা সুযোগ সুবিধা একশ জনের মধ্যে দশ পেল রিপোর্ট পেশ হলো একশো শতাংশ কাজ হয়েছে। আর সেই নিয়ে আমি প্রোপাগান্ডা করতে শুরু করে দিলাম। চিঠি বিলি করে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে নানা রকম ভাবে কাগজ পত্র ছাপা তে টাকা ও তো জনগণ দেবে। দু টাকা দিয়ে দশ টাকার কাজ করতে বলব, না হলে যে কর্মী করবে না তার বাপের বিয়ে দেখিয়ে ছেড়ে দেব। আমি ইতিহাসে পড়েছি বা শুনেছি হিটলার সহ অন্যান্য যত, এরকম শাসক ছিল তারা প্রোপাগান্ডা করে নিজেদের কুকর্ম চাপা দিত। একটা কথা প্রচলিত আছে মিথ্যে কথা সত্য করতে হলে, গ্লোবলসীয় কায়দায় প্রচার কর। মিথ্যা কে বার বার প্রচার কর সেটা মানুষ বিশ্বাস করে নেবে। সত্যজিৎ রায়ের "হীরক রাজার দেশে" চলচ্চিত্র দেখেছেন নিশ্চয়ই, সেখানে হীরক রাজার গুনগাননা করলে নানা রকম শাস্তি দেওয়া হতো।    বর্তমানে আমাদের দেশে এবং রাজ্যে সেই রকম ভাবে চলছে, একজন তবুও কিছুটা সহনশীল আর জন ওরে বাবা পারলে ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে দেব। পশ্চিমবঙ্গে তাঁর যা সাঙ্গ পাঙ্গ কে ওরা একটা বোমা মারলে তোরা একুশটা মারবি।আরেকটা বলে ওরা বোমা মেরে হামলা করলে আমরা কি কমলালেবু ছুঁড়ব, এরা নাকি গান্ধীর অহিংস নীতিতে বিশ্বাসী, জানি না তিনি বেঁচে থাকলে কী করতেন? এটাও ঠিক বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বড়ো শিল্প বোমা বন্দুক শিল্প, ঐ সব কারখানায় তৈরী বোমা পিস্তল আর বন্দুক তো আর সেনা বাহিনী নেবে না, বিক্রি করতে হবে বা ব্যবহার করতে হবে, তাই এই ব্যবস্থা। ভোট দিবি না গুলি খা, আন্দোলন করবি দাবি জানাবি প্রথম পুলিশের লাঠি খা তাতে না হলে বোমা না হলে গুলি খাবি। হীরক রাজ যেমন কাউকে বিশ্বাস করতে পারত না, সেই রকম এই শাসক জনগণ কে বিশ্বাস করতে পারেন না। হীরক রাজার দেশে কর্মীদের বেতন কম দিয়ে কাজ করানো হতো, না করলে ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হতো, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সেরকম একজন শাসক কাজ করছেন। পশ্চিমবঙ্গে তিনি এতো উন্নয়ন করছেন রাস্তা আলো ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ বিদ্যুতের মাশুল বাড়ল তো কী হয়েছে? অনেক নতুন নতুন কাজ বা উন্নয়ন করছেন, তবুও তিনি জনগণ কে বিশ্বাস করতে পারছেন না। জনগণের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে তিনি মেরে ধরে, সিভিক দিয়ে বাক্স বদলে ভোটে জিতে ক্ষমতা দখল করছেন। সামনে লোকসভা নির্বাচনে কত লোক মারা যাবে তার ঠিক নেই। এত কিছু করেও যে শাসক জনগণ কে বিশ্বাস করতে পারেন না। তিনি হাজার হাজার টাকা খরচ করে খবরের কাগজে পাতা জুড়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার করেও মনে করবেন মানুষ আমাকে ভোট দেবে না, তখন জনগণের করের টাকায় কয়েক লক্ষ টাকার কাগজ ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি করতে দেন ।

চিটফাণ্ডের টাকা ফেরত দিতে কী করছে দেখুন।

আজ সন্ধ্যায় অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকায় খবরটি পড়লাম, চিটফাণ্ডের টাকা ফেরত দিতে তিনি ফুল বিক্রি করছেন। এভাবে তিনি কয়েক লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেনে, সাধু প্রচেষ্টা ভালো থাকুন, আপনি সফল হবেন, আপনার সফলতা কামনা করি। আপনি একজন বেকার যুবক সেই কারণেই সেই সময় কাজ না পেয়ে চিটফাণ্ডের এজেন্সি নিয়ে ছিলেন। আপনার বেকারত্বের সমাধান হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু কিছু মানুষ ঐ ফাণ্ড গুলো কে বিপথে চালনা করে, টাকা পয়সা লুট করেছে, আর আপনার মতো কয়েক হাজার বেকার যুবক যুবতী এদের স্বীকার হয়েছেন। যদি সঠিক পথে এই চিটফাণ্ড গুলো চলত এবং কোন লোভী রাজনৈতিক দলের লোকজন এর এক টাকাও নিজের পকেটে না ঢোকাত, তাহলে আজ অন্য রকম হতো আপনার ভবিষ্যত ।আপনি বেকার যুবক সেই সময় বামফ্রন্ট সরকার আপনার কাজের ব্যবস্থা করতে পারে নি ।আপনি চিটফাণ্ডের এজেন্সি নিয়ে ছিলেন, আমি জানি আপনি এই কথাটা বলবেন, সেই সময় কেন তার একটু আগে অর্থাৎ ১৯৯০ থেকে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের সংখ্যা বাড়তে কল কারখানা কমতে থাকে। চট কলের মালিক এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি না নিয়ে কিছু করা যেত না। এটা আমরা বামফ্রন্ট নেতাদের মুখে শুনেছি। অনেক পরে এ রাজ্যে কম্পিউটার এসেছে, কম্পিউটার এলে নাকি কর্ম সংস্থান কমে যাবে, মানুষের জায়গায় যন্ত্র কাজ করবে। এরকম অনেক যুক্তি শুনেছি, আবার ২০০০ সালের পর থেকে দেখেছি উন্নয়নে বাধা দান। 2006 থেকে সেটা চরম আকার ধারন করে। মানুষ লোভের বশবর্তী হয়ে আড়াই বছর বা তিন বছরে ডবল পাবে, এই আশায় টাকা রাখতে শুরু করে, নেতাদের নজর এড়িয়ে যায়নি, প্রতি নিয়ত প্রসাদ গ্রহন করে গেছে, টাকা ডবল হওয়ার জায়গায় টাকা উবে গেছে, আর যে সব নেতা মন্ত্রী টাকা কোটি কোটি টাকা হজম করে ফেলেছে, তারা এখন সাধারণ মানুষের কাছে সাধু সেজে বসে আছে ।কিছু পুলিশ অফিসার সেই টাকার ভাগ নিয়ে কেসটা পুরো চাপা দিয়ে ফেলেছে, কমিশন গঠন করে জনগণের টাকা ট্যাক্সের টাকা নিয়ে, টাকা ফেরত দেওয়ার নাটক মঞ্চস্থ হলো। ৩রা ফেব্রুয়ারি আরেক নাটক মঞ্চস্থ হলো, যারা এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন, তাদের কথা কেউ ভাবল না। আপনি ও এক জন এজেন্ট টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য, ফুল বিক্রি করতে শুরু করেছেন। আজ অন লাইন কাগজে পড়লাম, পিয়ালির এক এজেন্ট নিজের সব সম্বল বিক্রি করে টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। পরে তিনি চাকরি পেয়ে ছিলেন, এবং বাকি টাকা ফেরত দেবন বলেছিলেন, তাতেও রেহাই মেলেনি তার আর বেঁচে থাকা হয়নি। রেল লাইনে দেহ মেলে, তার পরিবার অজ্ঞাত বাসে থেকে ঠোঙা বিক্রি করে সংসার চালাতে হচ্ছে। যারা আসলে টাকা হজম করে ফেলেছে তারা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে । যা গেছে তা যাক, বিধাতার কী নিষ্ঠুর পরিহাস, কে করল চুরি আর তুমি এজেন্ট তুমি পেলে সাজা।

ওপার বাংলার মানুষ আজও উদ্বাস্তু।

আমি আমার ব্লগে অনেক আগেই লিখেছি, যে দেশ স্বাধীন হয়েছিল বাঙালি হিন্দু জাতি টা কে ধ্বংস করার জন্য। এই বিষয়ে আমি আমার ব্লগে অনেক লেখা লিখেছি। আমরা বাঙালি ওরা বাঙাল, কিছু দিনের আগের লেখা বাঙালির জীবন থেকে কাঁটা তারের বেড়া আর গেল না। আমি জানি না কতজন পড়েছেন, আজ আবার লিখতে শুরু করেছি। আজ দেশ স্বাধীন হয়েছে সত্তর বছর আগে, সত্তর বছর আগে এরকম অবস্থা ছিলো না কারণ তখন বাংলা ভাগ হয়নি। 1905 সালে লর্ড কার্জন বাংলা ভাগারের চেষ্টা করে ছিলেন, কিন্তু সফল হতে পারেন নি, কারণ তখন অনেক বিখ্যাত মানুষ এর বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রতিবাদ শুরু করে ছিলেন। সেই আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত বঙ্গ ভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হন। সেই বিখ্যাত বাঙালি গন এখন আর নেই, এখন অর্থাৎ স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকে কিছু স্বার্থান্বেষী বাঙালি, মিরজাফরের বংশ ধর দিল্লির সেই সব নেতার পা চেটে ক্ষমতা বা গদি ও মন্ত্রী হবার লক্ষ্যে যারা বাংলা ভাগ করে দেশের স্বাধীনতা নিল একজন প্রধানমন্ত্রী হবার লোভে আগে থেকেই ইংরেজ পা চাটত মাউন্ট ব্যাটেনের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে মিথ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামী সেজে জেলে যেত যদি কেউ খুন করে দেয় সেই ভয়ে। আর একজন একজন অন্য ধর্মের মানুষ কে নিজের পদবী দান করে বংশ ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। আমার তো মনে হয়, ঐ বিধর্মী ঐ বিখ্যাত মহাপুরুষের অবৈধ সন্তান। আর এই সব মহান পুরুষ বাংলা ভাগ করে বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়ে ছিল। বাংলা মায়ের দামাল ছেলে ও সুসন্তান বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী সুভাষ কে কায়দা করে দেশে ফিরতে দেয়নি। আজাদ হিন্দ বাহিনীর বিচারের নামে প্রহসন, এই মহা শয়তান দুজনে প্রথম আজাদ হিন্দ বাহিনীর সেনা দের পাশে দাঁড়ানি, যখন মুম্বাই এ নৌ সেনা বিদ্রোহ ও দেশের নানা প্রান্তে সেনা বিদ্রোহ শুরু হয়েছে, তখন সব মহান ব্যারিস্টার দ্বয় কালো কোর্ট গায়ে নেমে পড়েন প্রহসনে যঢ়যন্ত্র করে সুভাষ কে যুদ্ধ বন্দী ঘোষণা করে, আজাদ হিন্দ বাহিনীর কিছু সেনার মুক্তি দিতে সাহায্য করেন। এরা জানত একমাত্র বাঙালি জাতি পারে তাদের সরিয়ে ঐ পদ দখলে নিতে, বিশেষ করে বাঙালি হিন্দু রা তাই তাদের সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য দাঙ্গায় মদত দিতে একজন নোয়াখালী চলে গিয়ে ছিল । ওপার বাংলা থেকে আসা বাঙালি হিন্দু দের কোথায় ঠাঁই হলো। আন্দামানে দন্ডকারণ্যে তাদের জন্য না করা হলো বাসস্থানের ব্যবস্থা না করা হলো রুটি রুজির ব্যবস্থা। আর এই সমস্যা এপার বাংলার মানুষ মেনে নিতে পারল না, আর যারা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বা গদিতে বসল তারা দিল্লির ঐ মহা শয়তানের দের তেল মালিশ করা ব্যক্তি, সমস্যা সমাধানের কোনো চেষ্টা না করে নিজের গদি বাঁচাতে ব্যস্ত, নিজেরা করল দেশ প্রচার করা হলো ইংরেজ করে দিয়েছে । শ্যমাপ্রসাদ মুখার্জী না থাকলে আজকের এই বাংলাও থাকতো না হিন্দু দের জন্য । আর লাখ লাখ হিন্দু ভগবানের দোহাই দিয়ে সব ভাগ্য বলে মেনে নিয়ে হাত পা ছড়িয়ে কাঁদতে বসে পড়ল। এখন ও সময় আছে স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও যে সব নেতা আমাদের ঠকিয়েছেন, যারা নিঃস্ব করে দিয়েছে, যারা আমাদের স্বজন কে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে । আসুন সেই সব দালাল দের আমরা সমর্থন করব না। আমার লেখা পড়ে কম লোকই নমস্কার আমি আগেই বলেছি ছবি পেয়েছি ।

Monday, 11 February 2019

উলুখাগড়ার প্রাণ না যায়।

আমার যত ভাই বন্ধু আছে তাদের বলছি, রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে, আমরা উলুখাগড়ার দল আমাদের শান্ত থাকতে হবে। কারণ নেতা মন্ত্রী যারা আজ ২৮০ টাকা মজুরি তে মোটর চালাতেন জুট মিলে এখন দু শ আশি কোটি টাকার মালিক। তোলা বাজির টাকা এখন দেখি নতুন তোলা বাজ নিয়োগ করেছে। সিভিক পুলিশ এখন তাদের বেতন আট হাজার, আগে যতটা সম্ভব বেতন ছিল পাঁচ হাজার চারশ, ঐ টাকা বেতন পেয়ে সে ফ্লাট কিনেছে, কারণ রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে বাইক লড়ি অন্য গাড়ি আটকে পয়সা, ওরা হচ্ছে সরকারের বেতন পাওয়া তোলা বাজ। তবে হ্যাঁ ঐ টাকা ওরা একা খায় না, এর তো আবার শতাংশ ভাগ আছে, না হলে রাত জেগে ধরনা মঞ্চে বড়ো বড়ো কর্তারা হাজিরা দেয়। আমরা তো সাধারণ মানুষ আমাদের আর কী দাম, ও একটা ভোট ওতো সিভিক আছে তার পর লাখ লাখ টাকা পাওয়া ক্লাবের ছেলেরা,আর বিনা টাকায় মদ আর ভাগারের মাংস, তার পর আছে, বোমা কারখার বোম আর গুলি, গুর বাতাসা চড়াম চড়াম পড়বে পাঁচনের বারি। আমি এক জন উলুখাগড়ার বক্তব্য হচ্ছে, ভাই বন্ধু কেউ যদি দেখছ প্রাণের ঝুঁকি আছে ভোট দিতে যাবেন না। ঘরে খিল দিয়ে চুপ করে বসে থাকবে, আমি যা দেখছি তাতে আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না। মশা মাছির মতো ভোট দিতে যাওয়া জনগন কে খুন করবে। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা বা কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনী কেউ প্রশাসনের বাংলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেবে না। তাই বলছি, কোনো গণ্ডগোলে যাবেন, ঐ দু টাকার চাল আর পাঁচ শ টাকা বছরে তাও সবাই নয়। দু টাকার ভিক্ষার চাল মাসে দু কিল মেরে কেটে পাঁচ কিলো এর জন্যে প্রাণ দিতে যাবেন, ওর থেকে ভোট দিতে যাবেন না । বাংলার সব বাঙালি ভোটার দের বলছি, যেখানে অশান্তি সেখানে নিঃশব্দে কোনো কথা না বলে, নিজের   প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসুন ভোট বয়কট করুন। আমি চাই রাজায় রাজায় যুদ্ধ হবে মন্ত্রী নেতারা কোটি পতি হবে আর উলুখাগড়ার প্রাণ যাবে এ হতে পারে না।

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...