Anulekhon.blogspot.com
Friday, 15 February 2019
আমাদের রাজ্যাধিপতি কি বললেন?
কম বেতনের কর্মী।
পুলিশের চাকরি ছেড়ে কম বেতনে চাকরি কেন নিচ্ছেন?
Thursday, 14 February 2019
উৎসবের বাংলায় আবার উৎসব।
উৎসব মুখর বাংলা, না বাংলাদেশ নয় পশ্চিমবঙ্গে, আবার উৎসব এই উৎসব হতো কেবল বর্ধমান জেলায়, এ বছর সারা পশ্চিমবঙ্গের সব জেলায় হবে । কারণ শিল্প হীন কাজ হীন পশ্চিমবঙ্গের এটা বড়ো শিল্প, কল কারখানা হচ্ছে না। পুরানো কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সরকারি দপ্তরের চাকরি নেই, কেবল ঘোষণা আছে, কী অবস্থা বাংলার । দীর্ঘ দিন SSC এবং PSC পরীক্ষা হয় না। PSC দপ্তর উঠে গেছে, মাঝে মাঝে পরীক্ষার নামে প্রহসন হয়। বেকার ছেলে মেয়ে রা কোনো কোনো সময় পরীক্ষার ফিস দিয়ে ফর্ম পুরণ করে হতাশ হয়ে পরে, সেই রকম একটা খারাপ খবর আজ পড়লাম TDN বাংলা অনলাইনে কাগজে ছেলে টি জমি বিক্রির টাকা দিয়ে DELED training করে চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে SSC অফিসের সামনে বিক্ষোভ, কিন্তু এই সরকারের মানবিকতা নেই, মানুষ মরলে এই সব মন্ত্রী নেতা দের আনন্দ হয়। সারদা রোজভ্যালীর এজেন্টরা টাকা ফেরত দিতে না পারলে, লোকজন ঝামেলা করলে অতিষ্ঠ হয়ে আত্মহত্যা করেছেন, নেতা মন্ত্রীরা আনন্দে ধর্ণা দিচ্ছেন ।মানুষ মরলে আনন্দ হয়, আমরা কেবল ক্ষমতা চাই, যে কোন ভাবে টাকা চাই, ক্লাব কে টাকা দেওয়া, মেলার নামক অনুষ্ঠান করে লোক সভা ভোটের আগে কিছু কর্মী কে টাকা পাওয়ার ব্যবস্থা করে দেওয়া, এই খানে একটা কথা বলি, সরকারি যে কোন সাহায্য পেতে হলে, শাসক দলের সমর্থক হতে হবে, অন্যথায় জুটবে না। ভোট আসছে যে কোন ভাবে কর্মী দের টাকা দিতে হবে। তাই এই মেলা, কিছু দিন আগে ব্লকে ব্লকে কী কী উন্নয়ন হয়েছে তার প্রদর্শনী হয়ে গেল। প্রদর্শনী তে কী হলো নীল সাদায় মণ্ডপ, তার মধ্যে ফ্লেক্স ব্যানারে কী কী উন্নয়ন হয়েছে, এবং আর কী কী কাজ করতে হবে তার প্রচার সবটাই সরকারি টাকায়, তাতে কী হলো মণ্ডপ তৈরি করতে টাকা পাওয়া গেল। তারপর কী হলো আর না বলাই ভালো বুঝে নিন। মানুষ কিন্তু বুদ্ধি হীন নয়, কিন্তু কিছু মানুষ আছেন যারা এসব সমর্থন করে যাচ্ছে, সামান্য কিছু টাকা হলেও তারা ভাগ পায়। চাকরির তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি না পেয়ে আত্মহত্যা কিম্বা চিটফাণ্ডের টাকা ফেরত দিতে না পেরে এজেন্ট, কিম্বা টাকা ফেরত না পেয়ে সাধারণ মানুষ সর্বস্ব হারিয়ে আত্মহত্যা করছে, ঐ নেতা মন্ত্রী আর সেই সব বুদ্ধিজীবী যারা কথায় কথায় মোমবাতি মিছিল বের করতেন, তাদের কোনো বিবেক বুদ্ধি জাগ্রত হয় না । আমার মনে হয় এই সব মানুষ মানুষ মারা গেলে খুব আনন্দ করে ।
বাঙালির জন্য দিল্লির দরবার আজও উপেক্ষিত নয় কি?
Tuesday, 12 February 2019
আজ বিবেক চেতনার দিন।
প্রোপাগান্ডা কাহারে কয়!
আমি পশ্চিমবঙ্গের একজন অধিবাসী, আমি দীর্ঘ দিন ধরে শিক্ষকতার কাজে যুক্ত, শাসক নিজের গুনগান নিজে করছে, এবং সেটা হচ্ছে জনগণের করের টাকায়, এই সব আমি দেখিনি।আমি ঘোষণা করে দিয়েছি, সেই সব কাজ বা সুযোগ সুবিধা একশ জনের মধ্যে দশ পেল রিপোর্ট পেশ হলো একশো শতাংশ কাজ হয়েছে। আর সেই নিয়ে আমি প্রোপাগান্ডা করতে শুরু করে দিলাম। চিঠি বিলি করে শুভেচ্ছা পাঠিয়ে নানা রকম ভাবে কাগজ পত্র ছাপা তে টাকা ও তো জনগণ দেবে। দু টাকা দিয়ে দশ টাকার কাজ করতে বলব, না হলে যে কর্মী করবে না তার বাপের বিয়ে দেখিয়ে ছেড়ে দেব। আমি ইতিহাসে পড়েছি বা শুনেছি হিটলার সহ অন্যান্য যত, এরকম শাসক ছিল তারা প্রোপাগান্ডা করে নিজেদের কুকর্ম চাপা দিত। একটা কথা প্রচলিত আছে মিথ্যে কথা সত্য করতে হলে, গ্লোবলসীয় কায়দায় প্রচার কর। মিথ্যা কে বার বার প্রচার কর সেটা মানুষ বিশ্বাস করে নেবে। সত্যজিৎ রায়ের "হীরক রাজার দেশে" চলচ্চিত্র দেখেছেন নিশ্চয়ই, সেখানে হীরক রাজার গুনগাননা করলে নানা রকম শাস্তি দেওয়া হতো। বর্তমানে আমাদের দেশে এবং রাজ্যে সেই রকম ভাবে চলছে, একজন তবুও কিছুটা সহনশীল আর জন ওরে বাবা পারলে ফাঁসির সাজা ঘোষণা করে দেব। পশ্চিমবঙ্গে তাঁর যা সাঙ্গ পাঙ্গ কে ওরা একটা বোমা মারলে তোরা একুশটা মারবি।আরেকটা বলে ওরা বোমা মেরে হামলা করলে আমরা কি কমলালেবু ছুঁড়ব, এরা নাকি গান্ধীর অহিংস নীতিতে বিশ্বাসী, জানি না তিনি বেঁচে থাকলে কী করতেন? এটাও ঠিক বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে বড়ো শিল্প বোমা বন্দুক শিল্প, ঐ সব কারখানায় তৈরী বোমা পিস্তল আর বন্দুক তো আর সেনা বাহিনী নেবে না, বিক্রি করতে হবে বা ব্যবহার করতে হবে, তাই এই ব্যবস্থা। ভোট দিবি না গুলি খা, আন্দোলন করবি দাবি জানাবি প্রথম পুলিশের লাঠি খা তাতে না হলে বোমা না হলে গুলি খাবি। হীরক রাজ যেমন কাউকে বিশ্বাস করতে পারত না, সেই রকম এই শাসক জনগণ কে বিশ্বাস করতে পারেন না। হীরক রাজার দেশে কর্মীদের বেতন কম দিয়ে কাজ করানো হতো, না করলে ঘর বাড়ি জ্বালিয়ে দেওয়া হতো, বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে সেরকম একজন শাসক কাজ করছেন। পশ্চিমবঙ্গে তিনি এতো উন্নয়ন করছেন রাস্তা আলো ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ বিদ্যুতের মাশুল বাড়ল তো কী হয়েছে? অনেক নতুন নতুন কাজ বা উন্নয়ন করছেন, তবুও তিনি জনগণ কে বিশ্বাস করতে পারছেন না। জনগণের প্রতি বিশ্বাস হারিয়ে তিনি মেরে ধরে, সিভিক দিয়ে বাক্স বদলে ভোটে জিতে ক্ষমতা দখল করছেন। সামনে লোকসভা নির্বাচনে কত লোক মারা যাবে তার ঠিক নেই। এত কিছু করেও যে শাসক জনগণ কে বিশ্বাস করতে পারেন না। তিনি হাজার হাজার টাকা খরচ করে খবরের কাগজে পাতা জুড়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচার করেও মনে করবেন মানুষ আমাকে ভোট দেবে না, তখন জনগণের করের টাকায় কয়েক লক্ষ টাকার কাগজ ছাপিয়ে বাড়ি বাড়ি বিলি করতে দেন ।
চিটফাণ্ডের টাকা ফেরত দিতে কী করছে দেখুন।
আজ সন্ধ্যায় অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকায় খবরটি পড়লাম, চিটফাণ্ডের টাকা ফেরত দিতে তিনি ফুল বিক্রি করছেন। এভাবে তিনি কয়েক লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার পরিকল্পনা করেছেনে, সাধু প্রচেষ্টা ভালো থাকুন, আপনি সফল হবেন, আপনার সফলতা কামনা করি। আপনি একজন বেকার যুবক সেই কারণেই সেই সময় কাজ না পেয়ে চিটফাণ্ডের এজেন্সি নিয়ে ছিলেন। আপনার বেকারত্বের সমাধান হয়েছিল ঠিকই, কিন্তু কিছু মানুষ ঐ ফাণ্ড গুলো কে বিপথে চালনা করে, টাকা পয়সা লুট করেছে, আর আপনার মতো কয়েক হাজার বেকার যুবক যুবতী এদের স্বীকার হয়েছেন। যদি সঠিক পথে এই চিটফাণ্ড গুলো চলত এবং কোন লোভী রাজনৈতিক দলের লোকজন এর এক টাকাও নিজের পকেটে না ঢোকাত, তাহলে আজ অন্য রকম হতো আপনার ভবিষ্যত ।আপনি বেকার যুবক সেই সময় বামফ্রন্ট সরকার আপনার কাজের ব্যবস্থা করতে পারে নি ।আপনি চিটফাণ্ডের এজেন্সি নিয়ে ছিলেন, আমি জানি আপনি এই কথাটা বলবেন, সেই সময় কেন তার একটু আগে অর্থাৎ ১৯৯০ থেকে পশ্চিমবঙ্গের বেকারত্বের সংখ্যা বাড়তে কল কারখানা কমতে থাকে। চট কলের মালিক এবং কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি না নিয়ে কিছু করা যেত না। এটা আমরা বামফ্রন্ট নেতাদের মুখে শুনেছি। অনেক পরে এ রাজ্যে কম্পিউটার এসেছে, কম্পিউটার এলে নাকি কর্ম সংস্থান কমে যাবে, মানুষের জায়গায় যন্ত্র কাজ করবে। এরকম অনেক যুক্তি শুনেছি, আবার ২০০০ সালের পর থেকে দেখেছি উন্নয়নে বাধা দান। 2006 থেকে সেটা চরম আকার ধারন করে। মানুষ লোভের বশবর্তী হয়ে আড়াই বছর বা তিন বছরে ডবল পাবে, এই আশায় টাকা রাখতে শুরু করে, নেতাদের নজর এড়িয়ে যায়নি, প্রতি নিয়ত প্রসাদ গ্রহন করে গেছে, টাকা ডবল হওয়ার জায়গায় টাকা উবে গেছে, আর যে সব নেতা মন্ত্রী টাকা কোটি কোটি টাকা হজম করে ফেলেছে, তারা এখন সাধারণ মানুষের কাছে সাধু সেজে বসে আছে ।কিছু পুলিশ অফিসার সেই টাকার ভাগ নিয়ে কেসটা পুরো চাপা দিয়ে ফেলেছে, কমিশন গঠন করে জনগণের টাকা ট্যাক্সের টাকা নিয়ে, টাকা ফেরত দেওয়ার নাটক মঞ্চস্থ হলো। ৩রা ফেব্রুয়ারি আরেক নাটক মঞ্চস্থ হলো, যারা এজেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন, তাদের কথা কেউ ভাবল না। আপনি ও এক জন এজেন্ট টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য, ফুল বিক্রি করতে শুরু করেছেন। আজ অন লাইন কাগজে পড়লাম, পিয়ালির এক এজেন্ট নিজের সব সম্বল বিক্রি করে টাকা ফেরত দিয়েছিলেন। পরে তিনি চাকরি পেয়ে ছিলেন, এবং বাকি টাকা ফেরত দেবন বলেছিলেন, তাতেও রেহাই মেলেনি তার আর বেঁচে থাকা হয়নি। রেল লাইনে দেহ মেলে, তার পরিবার অজ্ঞাত বাসে থেকে ঠোঙা বিক্রি করে সংসার চালাতে হচ্ছে। যারা আসলে টাকা হজম করে ফেলেছে তারা বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে । যা গেছে তা যাক, বিধাতার কী নিষ্ঠুর পরিহাস, কে করল চুরি আর তুমি এজেন্ট তুমি পেলে সাজা।
ওপার বাংলার মানুষ আজও উদ্বাস্তু।
আমি আমার ব্লগে অনেক আগেই লিখেছি, যে দেশ স্বাধীন হয়েছিল বাঙালি হিন্দু জাতি টা কে ধ্বংস করার জন্য। এই বিষয়ে আমি আমার ব্লগে অনেক লেখা লিখেছি। আমরা বাঙালি ওরা বাঙাল, কিছু দিনের আগের লেখা বাঙালির জীবন থেকে কাঁটা তারের বেড়া আর গেল না। আমি জানি না কতজন পড়েছেন, আজ আবার লিখতে শুরু করেছি। আজ দেশ স্বাধীন হয়েছে সত্তর বছর আগে, সত্তর বছর আগে এরকম অবস্থা ছিলো না কারণ তখন বাংলা ভাগ হয়নি। 1905 সালে লর্ড কার্জন বাংলা ভাগারের চেষ্টা করে ছিলেন, কিন্তু সফল হতে পারেন নি, কারণ তখন অনেক বিখ্যাত মানুষ এর বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রতিবাদ শুরু করে ছিলেন। সেই আন্দোলনের চাপে শেষ পর্যন্ত বঙ্গ ভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হন। সেই বিখ্যাত বাঙালি গন এখন আর নেই, এখন অর্থাৎ স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকে কিছু স্বার্থান্বেষী বাঙালি, মিরজাফরের বংশ ধর দিল্লির সেই সব নেতার পা চেটে ক্ষমতা বা গদি ও মন্ত্রী হবার লক্ষ্যে যারা বাংলা ভাগ করে দেশের স্বাধীনতা নিল একজন প্রধানমন্ত্রী হবার লোভে আগে থেকেই ইংরেজ পা চাটত মাউন্ট ব্যাটেনের বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে মিথ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামী সেজে জেলে যেত যদি কেউ খুন করে দেয় সেই ভয়ে। আর একজন একজন অন্য ধর্মের মানুষ কে নিজের পদবী দান করে বংশ ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। আমার তো মনে হয়, ঐ বিধর্মী ঐ বিখ্যাত মহাপুরুষের অবৈধ সন্তান। আর এই সব মহান পুরুষ বাংলা ভাগ করে বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিয়ে ছিল। বাংলা মায়ের দামাল ছেলে ও সুসন্তান বীর স্বাধীনতা সংগ্রামী সুভাষ কে কায়দা করে দেশে ফিরতে দেয়নি। আজাদ হিন্দ বাহিনীর বিচারের নামে প্রহসন, এই মহা শয়তান দুজনে প্রথম আজাদ হিন্দ বাহিনীর সেনা দের পাশে দাঁড়ানি, যখন মুম্বাই এ নৌ সেনা বিদ্রোহ ও দেশের নানা প্রান্তে সেনা বিদ্রোহ শুরু হয়েছে, তখন সব মহান ব্যারিস্টার দ্বয় কালো কোর্ট গায়ে নেমে পড়েন প্রহসনে যঢ়যন্ত্র করে সুভাষ কে যুদ্ধ বন্দী ঘোষণা করে, আজাদ হিন্দ বাহিনীর কিছু সেনার মুক্তি দিতে সাহায্য করেন। এরা জানত একমাত্র বাঙালি জাতি পারে তাদের সরিয়ে ঐ পদ দখলে নিতে, বিশেষ করে বাঙালি হিন্দু রা তাই তাদের সংখ্যা কমিয়ে আনার জন্য দাঙ্গায় মদত দিতে একজন নোয়াখালী চলে গিয়ে ছিল । ওপার বাংলা থেকে আসা বাঙালি হিন্দু দের কোথায় ঠাঁই হলো। আন্দামানে দন্ডকারণ্যে তাদের জন্য না করা হলো বাসস্থানের ব্যবস্থা না করা হলো রুটি রুজির ব্যবস্থা। আর এই সমস্যা এপার বাংলার মানুষ মেনে নিতে পারল না, আর যারা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতায় বা গদিতে বসল তারা দিল্লির ঐ মহা শয়তানের দের তেল মালিশ করা ব্যক্তি, সমস্যা সমাধানের কোনো চেষ্টা না করে নিজের গদি বাঁচাতে ব্যস্ত, নিজেরা করল দেশ প্রচার করা হলো ইংরেজ করে দিয়েছে । শ্যমাপ্রসাদ মুখার্জী না থাকলে আজকের এই বাংলাও থাকতো না হিন্দু দের জন্য । আর লাখ লাখ হিন্দু ভগবানের দোহাই দিয়ে সব ভাগ্য বলে মেনে নিয়ে হাত পা ছড়িয়ে কাঁদতে বসে পড়ল। এখন ও সময় আছে স্বাধীনতার সত্তর বছর পরেও যে সব নেতা আমাদের ঠকিয়েছেন, যারা নিঃস্ব করে দিয়েছে, যারা আমাদের স্বজন কে আমাদের কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছে । আসুন সেই সব দালাল দের আমরা সমর্থন করব না। আমার লেখা পড়ে কম লোকই নমস্কার আমি আগেই বলেছি ছবি পেয়েছি ।
Monday, 11 February 2019
উলুখাগড়ার প্রাণ না যায়।
আমার যত ভাই বন্ধু আছে তাদের বলছি, রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে, আমরা উলুখাগড়ার দল আমাদের শান্ত থাকতে হবে। কারণ নেতা মন্ত্রী যারা আজ ২৮০ টাকা মজুরি তে মোটর চালাতেন জুট মিলে এখন দু শ আশি কোটি টাকার মালিক। তোলা বাজির টাকা এখন দেখি নতুন তোলা বাজ নিয়োগ করেছে। সিভিক পুলিশ এখন তাদের বেতন আট হাজার, আগে যতটা সম্ভব বেতন ছিল পাঁচ হাজার চারশ, ঐ টাকা বেতন পেয়ে সে ফ্লাট কিনেছে, কারণ রাস্তার মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে বাইক লড়ি অন্য গাড়ি আটকে পয়সা, ওরা হচ্ছে সরকারের বেতন পাওয়া তোলা বাজ। তবে হ্যাঁ ঐ টাকা ওরা একা খায় না, এর তো আবার শতাংশ ভাগ আছে, না হলে রাত জেগে ধরনা মঞ্চে বড়ো বড়ো কর্তারা হাজিরা দেয়। আমরা তো সাধারণ মানুষ আমাদের আর কী দাম, ও একটা ভোট ওতো সিভিক আছে তার পর লাখ লাখ টাকা পাওয়া ক্লাবের ছেলেরা,আর বিনা টাকায় মদ আর ভাগারের মাংস, তার পর আছে, বোমা কারখার বোম আর গুলি, গুর বাতাসা চড়াম চড়াম পড়বে পাঁচনের বারি। আমি এক জন উলুখাগড়ার বক্তব্য হচ্ছে, ভাই বন্ধু কেউ যদি দেখছ প্রাণের ঝুঁকি আছে ভোট দিতে যাবেন না। ঘরে খিল দিয়ে চুপ করে বসে থাকবে, আমি যা দেখছি তাতে আসন্ন নির্বাচনে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা বলে কিছু থাকবে না। মশা মাছির মতো ভোট দিতে যাওয়া জনগন কে খুন করবে। পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ প্রশাসনের কর্তারা বা কেন্দ্রীয় সরকারের বাহিনী কেউ প্রশাসনের বাংলার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দেবে না। তাই বলছি, কোনো গণ্ডগোলে যাবেন, ঐ দু টাকার চাল আর পাঁচ শ টাকা বছরে তাও সবাই নয়। দু টাকার ভিক্ষার চাল মাসে দু কিল মেরে কেটে পাঁচ কিলো এর জন্যে প্রাণ দিতে যাবেন, ওর থেকে ভোট দিতে যাবেন না । বাংলার সব বাঙালি ভোটার দের বলছি, যেখানে অশান্তি সেখানে নিঃশব্দে কোনো কথা না বলে, নিজের প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে আসুন ভোট বয়কট করুন। আমি চাই রাজায় রাজায় যুদ্ধ হবে মন্ত্রী নেতারা কোটি পতি হবে আর উলুখাগড়ার প্রাণ যাবে এ হতে পারে না।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
ছবি টি কীসের বা কোন প্রাণীর নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না। মানুষের প্রথম পোষ মানা প্রথম প্রাণী, হয়তো অনেকেই পড়ে বলবেন এবার নতুন কী এতো আমরা স...



