পশ্চিমবঙ্গ সরকার যুগ যুগ জিও, দারুণ এরকম সরকার এই সরকার এসে মানুষ, আঠাশ টা শ্রী, ভাণ্ডার, দু টো না তিন টি সাথী আরও কিছু আছে তার মধ্যে আবার পড়ুয়াদের মোবাইল, ট্যাব পড়ুয়ার দল এখন আর স্কুলে যায় না। বাড়িতে বসে গেম খেলে সময় কাটায় বাবা মায়ের শতেক জ্বালা একটি বা দুটি সন্তান কিছু বলতে পারে না। এত আর বিহার উত্তর প্রদেশের ঐ মুসলিম বা দলিত নয় যে গণ্ডা গণ্ডা সন্তান জন্ম দেবে আর কাজের সন্ধানে অন্য রাজ্যে এসে অন্যায় কাজ গুলো করবে। এখন পঞ্চায়েত কর্মী থেকে অফিসে পুলিশে অধিকাংশ ঐ বিহার উত্তর প্রদেশের মুসলিম তারা আধা বাংলা আধা হিন্দি তে কথা বলছে, কেউ কেউ এখন বলছে আমরা প্রবাসী বাঙালি ছিলাম এখন এখানে চলে এসেছি। এসেই সরকারি চাকরি কারণ একটাই বাঙালির শিক্ষা আজ রসাতলে আগে কলেজে গিয়ে ক্লাস করতে হত এখন কলেজ বাড়ি টা আছে ছ মাস পর পর একটা করে পরীক্ষা নেওয়া আর শাসক দলের পার্টি অফিস করার জন্য। কারণ ঐ যে ফোন বা ট্যাপ দেওয়া হয়েছে ওটা নিয়ে ব্যস্ত ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা হচ্ছে কলেজে তো ক্লাস হয়নি কি হচ্ছে। পরীক্ষার পনেরো দিন আগে ঐ সব ফোনে বা ট্যাবে পরীক্ষায় কি কি পরবে প্রশ্ন উত্তর চলে আসছে ছাত্র ছাত্রীরা যে পারছে পড়ে ঐ গুলো লিখে আসছে। ছাড়ুন ওসব, কারণ চাকরি পাওয়ার একটাই শর্ত কে কত লাখ টাকা দিতে পারবে। অপরাধের কোন বিচার নেই। আমার কথা ওসব নয় সরকার এত কিছু দিচ্ছে এর পরেও ভোট এলেই মানুষ খুন, সে শাসক দলের হোক অথবা বিরোধী কেউ রেহাই পাচ্ছে না। গত বিধানসভা ভোট, বা এই পঞ্চায়েত ভোটে কত মায়ের কোল খালি হয়ে গেছে তার হিসেব নেই। মানুষের এত উন্নয়ন অথচ সরকার পক্ষ সেই মানুষ কে বিশ্বাস করে না, আর এই কারণেই মানুষ নিজের ভোট নিজে দিতে পারে না।বর্তমান শাসক দলের চুন পুঁটি প্রত্যেকের একটাই বক্তব্য আগে চৌঁত্রিশ বছর এসব হয়েছে। আরে তারা এসব করেছে বলেই না মানুষ তাদের তাড়িয়েছে। এই সরকারের ইচ্ছা নেই শান্তি পূর্ণ ভোট হোক, কারণ ভোটার এবং ভোট কর্মীদের কোন নিরাপত্তা নেই। সাধারণ ভোটার তাকে এত কিছু দিয়েও বিশ্বাস করতে পারছে না এই শাসক দল বা তার কর্মীরা। সত্যিই মানুষ আজ দিশেহারা যে সরকার তার জনগণ কে নিরাপত্তা দিতে পারে না, এবং বিশ্বাস করতে পারে না সেখানে মানুষ কিভাবে শান্তি তে থাকবে। এখানে এখন শ্মশানের শান্তি বিরাজ করছে কেউ যদি মুখ খুলেছে ব্যস তার অবস্থা শোচনীয় হয়ত দেখা যাবে তিনিও চেয়ে ছিলেন বাম সরকারের পরিবর্তন করে এই সরকার আনতে। তিনি ও শাসক দলের সমর্থক তাকেও এই শাসক বিশ্বাস করতে পারছে না। সত্যিই এই শাসকের জবাব নেই। যে মানুষের জন্য এত কিছু করেও মানুষ কে বিশ্বাস করে না এবং মানুষ কে তার গনতান্ত্রিক অধিকার অর্থাৎ ভোট দিতে দেন না। কি করে বলি সেই সরকার বা শাসক মানুষ কে বিশ্বাস করে!
Anulekhon.blogspot.com
Tuesday, 22 August 2023
এবার দুর্গা পুজার অনুদান 85 হাজার টাকা হল।
Monday, 24 July 2023
পশ্চিমবঙ্গরে নির্বাচন এখন প্রহসন হয়ে গেছে।
পশ্চিমবঙ্গের ভোট ২০১১ সালের আগে তবু শান্তি পূর্ণ ভোট হতো ।মানুষ ভোট দিতে পারত এখন, শাসক দল আর প্রশাসন মিলে পশ্চিমবঙ্গরে নির্বাচন কে প্রহসনে পরিনত করে দিয়েছে। রাজ্যের যে কোন নির্বাচন রক্তপাত ছাড়া হয় না। ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণার দিন থেকে এবং নির্বাচন মিটে যাওয়ার পরও খুন লেগে আছে। মরছে সাধারণ মানুষ, এখনও পর্যন্ত ৫৯ জন কে বিভিন্ন ভাবে খুন করা হয়েছে। যে মায়ের কোল খালি হয়েছে সে শূন্যতা শাসক বা প্রশাসনের কর্তারা কেউ পূরণ করতে পারবে না। আগ বিহার উত্তরপ্রদেশে এই রকম নির্বাচন হতো এখন পশ্চিমবঙ্গে হচ্ছে। কারণ শাসক চায় না শান্তি পূর্ণ নির্বাচন হোক।কারণ একটাই যে কোন ভাবে জিততে হবে। মদ মাংসের ফোয়ারা ছুটছে, রাজ্যে কলকারখানা নেই, বেকার ছেলে মেয়েরা তারা একটু টাকার লোভে পড়ে অন্য মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, প্রশাসন আর শাসকের মদতে। চার পাশে এখন যা পরিস্থিতি তৈরি করে দেওয়া হয়েছে তাতে করে পশ্চিমবঙ্গে আর কোন দিন শান্তি পূর্ণ ভোট হবে না। কারণ কাটমানি ২০০৮ সালে পঞ্চায়েত পরিবর্তন ঘটে তার পর থেকে আস্তে আস্তে বাড়তে থাকে কাটমানির পরিমাণ, কিসে বা কোন কাজে শাসক দলের নেতা কর্মী দের টাকা দিতে হয় না। দেখা যাচ্ছে রাস্তা তৈরি করা হয় নি অথচ খরচের বোর্ড লাগানো হযে গেছে। আর কুড়ি টাকার মদের পাউচ আর মাংস কোন কোন জায়গায় সরাসরি টাকা দিয়ে ভোট কেনা চলছে। সত্যিই এক অদ্ভুত পরিস্থিতির সামনে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গ বাসি।
Thursday, 16 June 2022
ভারতীয় সেনা বাহিনীতে ব্রিটিশদের অনুকরণ!
ছবিটি অন লাইন আনন্দ বাজার পত্রিকা থেকে নেওয়া ।RSS ইংরেজ সরকারের দালাল আর RSS পরিচালিত বিজেপি সরকার বর্তমানে দেশের মানুষ কে বুঝিয়ে দিচ্ছে কীভাবে ব্রিটিশ আমল কে অনুকরণ করতে হয়। প্রথমেই বলে রাখি সেই ব্রিটিশ সরকারের কালা আইন বিনা বিচারে আটক বহাল করেছে। আর এখন ব্রিটিশ সরকারের মত, সেনা বাহিনীতে হাবিলদার নিয়োগ করবে। এই নতুন বাহিনীর গাল ভরা নাম দিয়েছে, " অগ্নি বীর" । আমরা ইতিহাসে পড়েছি ইংরেজ আমলে সেনা বাহিনীতে বিভিন্ন প্রদেশের একটি করে হাবিলদারের দল থাকত, তাদের প্রতিটি যুদ্ধে ইংরেজ সৈন্যদের আগে আগে যেত, মরলে এরা মরবে তার পর ইংরেজ সেনা। ইংরেজ দের প্রানের দাম অনেক বেশি বর্তমান ভারত সরকার তথা ইংরেজের দালাল দ্বিতীয় ইংরেজের দল নিয়োগ বন্ধ রেখে, চার বছরের চুক্তিতে দেশের নিরাপত্তা এবং বিরোধী আন্দোলন দমন করতে দ্বিতীয় RSS বাহিনী তৈরি করছে সেই কারণেই সেনা বাহিনীতে হাবিলদার নিয়োগ। এখনি ইংরেজ আমল দেখতে পাচ্ছি, আস্তে আস্তে দেশের সব কিছু দখল নিচ্ছে দেশের দুই বণিক। 2024 এ ক্ষমতায় এলে পুরো দেশের শাসন ভার চলে যাবে দেশীয় দুই বণিক আদানি আর আম্বানির হাতে। এই যে নয়া ইংরেজ বণিক দের ছবি।
"ফেল" করা ছাত্র ছাত্রী দের নিয়ে কটাক্ষ করা বন্ধ হোক।
বিভিন্ন মিডিয়ায় বর্তমান বছরের উচ্চ মাধ্যমিক ফেল করা ছাত্র ছাত্রী দের নিয়ে কটাক্ষ করে যাচ্ছে বিভিন্ন মানুষ এবং এক দল সাংবাদিক।কোভিড19 এর জন্য গত 2020 সালের 15 ই মার্চ থেকে স্কুলের দরজা বন্ধ করে দিলেন। ঠিক সিদ্ধান্ত ছিল কি কারণ কোভিড19 আচরণ বিধি মেনে একটি করে শ্রেণির কে স্কুলে এনে পড়ানোর ব্যবস্থা করা যেত। 2020 সালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দুটি না তিন টি পরীক্ষা হয়ে গিয়েছিল তার উপর ভিত্তি করে নম্বর দিয়ে সকল ছাত্র ছাত্রী কে পাশ করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলো। 2021 মাঝে মাঝে দু এক দিনের জন্য কোভিড বিধি মেনে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির পঠন পাঠনের ব্যবস্থা করা হলেও সেটা নামে মাত্র। অন লাইন ক্লাস করতে দিলেন দশ হাজার টাকা ফোন কিনতে, করোনা বলে বলে আসছিল, দ্বিতীয়, তৃতীয় ঢেউ আবার বয়স হিসেবে করোনা হচ্ছিল। 2021 মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক সব ছাত্র ছাত্রী পরীক্ষা না দিয়ে পাশ করে গেল। এভাবে চলতে চলতে 2022 সালের 7 ই ফেব্রুয়ারি গোরু, ছাগল, কুকুর, বিড়াল বাঁদরের সাথে পাড়ায় শিক্ষালয় শুরু করা হলো, প্রতিবাদের ঝড় উঠল 16 ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হলো বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন তাও সব ছাত্র ছাত্রী দের নিয়ে নয় ।এর মধ্যেই পরীক্ষার রুটিন এলো মাধ্যমিক পরীক্ষা হলো অন্য বিদ্যালয়ে গিয়ে আর উচ্চ মাধ্যমিক হলো যে যার বিদ্যালয়ে। না হল ঠিক মত পড়াশোনা পরীক্ষা নেওয়া শুরু হল, যে ছাত্র ছাত্রীরা গত দু বছর দেখল পরীক্ষা না দিয়ে পাশ করা যায়, তারা তো দাবি করবে পাশ করিয়ে দেবার। কারণ পরীক্ষার দুই ফল পাশ ও ফেল এরা ভুলে গেছে, কেবল এরা নয় এদের অভিভাবকরাও ভুলে গেছে না হলে একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখুন 2022 সালে 7 ই ফেব্রুয়ারি থেকে 30 শে এপ্রিল পর্যন্ত স্কুল খোলা ছিল, অতিরিক্ত গরম এই অজুহাতে গত 2 রা মে থেকে বিদ্যালয় বন্ধ, বিদ্যালয় এখন রেশন দোকানে পরিনত হয়েছে। জানা ছিল 16 ই জুন স্কুল খুলবে এবং অনেক বিদ্যালয় প্রথম পর্বের মূল্যায়ন করবে দূর্ভাগ্য ছুটি পিছিয়ে দেওয়া হল, অতিরিক্ত গরমের অজুহাতে।কোন অভিভাবক কে স্কুল খোলা নিয়ে কথা বলতে দেখা যাচ্ছে না কিন্তু নিজের ফেল করা সন্তান কে পাশ করিয়ে দিতে হবে এই নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন এটা দেখা যাচ্ছে। বাংলার শিক্ষা ব্যবস্থা আজ রসাতলে, বাঙালি আবার ফিরে যাবে ইংরেজ আমলে!
Wednesday, 15 June 2022
আশ্চর্য ব্যাপার বর্তমান সরকার এত তাড়াতাড়ি কোর্টের রায় মেনে নিল!
কলকাত হাইকোর্টের বিচারপতি রায় দিয়েছেন ২০১৭ সালের চাকরি পাওয়া ২৬৯ জন প্রাথমিক শিক্ষক কে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার এবং বেতন বন্ধ করে দেওয়ার। আবার মন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে কে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে বেতন ফেরত দেওয়ার আদেশ, দেখলাম প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই এই সরকার আদেশ কার্যকর করে দিলেন। অথচ এই কলকাতা হাইকোর্ট বলুন আর সুপ্রীম কোর্ট বলুন এমন অনেক রায় দিয়েছেন যা আজও কার্যকর করা হয় নি। যেমন প্যারা টিচার বা পার্শ্ব শিক্ষক দের সম কাজে সম বেতন, শিক্ষা বন্ধু দের বেতন, আবার সরকারি কর্মীদের ডি এ দেওয়ার রায় বা আদেশ এখনও মানা হয়নি। কিন্তু এই ২৬৯ জনের চাকরি নিয়ে রায় একদম সাথে সাথেই কার্যকর করা হয়ে গেল। ব্যপারটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না, আর সি বি আই ওতো ঘুষখোরের আস্তানা অল্প সল্প কোটি কোটি টাকার অফার দিলেই সব ধামা চাপা পড়ে যায়। দেখছি তো সারদা, নারদা, রোজভ্যালি, সহ চিটফাণ্ডের তদন্ত, আর গোরু পাচার, কয়লা পাচারের তদন্ত কিম্বা নির্বাচন পরবর্তী হিংসা কান্ডের তদন্ত চলছে আরও দিনের পর দিন যুক্ত হচ্ছে, তবে ভালোই হচ্ছে কারণ এক সময়ে মাননীয়া যখন বিরোধী ছিলেন কথায় কথায় সিবিআই তদন্তের দাবি করতেন এখন কোর্ট সে কাজ টি করছে মাননীয়ার বিরোধী থাকা কালীন দাবি মেনে নিয়ে সি বি আই তদন্ত দিচ্ছে। সে সময়ের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ তদন্ত জ্ঞানেরশ্বরী এক্সপ্রেস ট্রেনের ঘটনা, নন্দীগ্রাম কাণ্ড, আর সিঙ্গুর তদন্ত যদিও সিঙ্গুর তদন্ত একটু আধটু মানুষ জানে কিন্তু নন্দীগ্রামের তদন্ত করে রিপোর্ট কথায় গেল কে অপরাধী কেউ শাস্তি পেল কি না কিছুই জানা গেল না। মাননীয়া কে অশেষ ধন্যবাদ এতো তাড়াতাড়ি কোর্টের রায় মেনে নেওয়ার জন্য বাকি গুলোর ক্ষেত্রেও যদি মেনে নিয়ে কাজ করেন তাহলে অন্তত আরও ভালো লাগে।
Tuesday, 10 May 2022
ঋণে জর্জরিত শ্রীলঙ্কা, চলেছে লঙ্কা দহন।
ছবি গুলো সব অন লাইন সংবাদ পত্র থেকে নেওয়া ।গত এপ্রিল মাসের প্রথম থেকেই শুরু হয়েছিল সঙ্কট অর্থনৈতিক সংকট। না বুঝে না ভেবে একটা সরকার তার ইচ্ছা মত ঋণ নিয়ে দেশের মানুষ কে আজ সংকটে ফেলে দিয়েছে। জিনিস পত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া, মানুষ খাদ্য সামগ্রী কিনতে পারছে না। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন, দেশ কে দেউলিয়া ঘোষণা করে দিয়েছেন। ঋণ শোধ করার টাকা নেই। এর মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির বাস ভবন আক্রান্ত একজন সাংসদ মারা গেছেন। বেশ কিছু সাংসদ মন্ত্রীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে আম জনতা।
মানুষ লাল ঝাণ্ডা নিয়ে পথে নেমেছে ধর্ম বর্ণ, সাদা কালো সকল মানুষের প্রতিরোধের জন্য আজ অশান্ত শ্রীলঙ্কা। এত বড়ো আন্দোলনের জন্য, শ্রীলঙ্কার সব মানুষ কে এক জায়গায় এনেছে পেটের খিদে, হ্যাঁ বন্ধু পেটের খিদে। জিনিস পত্রের দাম আকাশ ছোঁয়া, আমার বাংলা তথা পশ্চিমবঙ্গও সে দিকে যাচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গেও জিনিস পত্রের দাম এখন আকাশ ছোঁয়া, দিন দিন ঋণ বাড়ছে বাড়ছে ভিক্ষারি, বাড়ছে বেকারি বাড়ছে অনুদান প্রাপ্ত মানুষের সংখ্যা কমছে মানুষের আয়। কেবল মাত্র ভোটের জন্যে, ভোটে জেতার লক্ষ্য একটাই লুটপাট একবার জিততে পারলেই কোটি কোটি টাকা। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা আজ তলানিতে এসে ঠেকেছে। পশ্চিমবঙ্গ না শ্রীলঙ্কা হয়ে যায়।
শ্রীলঙ্কায় গৃহযুদ্ধের পরিবেশ। পশ্চিমবঙ্গে এই পরিস্থিতি তৈরির দিকে নিয়ে যাচ্ছে বর্তমান সরকার।
Wednesday, 4 May 2022
ঋণের ফাঁদে বাঙালি।
আপামর বাঙালির মাথায় এখন ঋণের বোঝা। বর্তমান সরকারের ঋণের পরিমাণ দেখে নিন।
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ জনগণের মাথায় ঋণের বোঝা বর্তমান সরকারের ঋণের পরিমাণ ৫২৮৮৩৩.০৫ কোটি টাকা। দিন দিন আরও বেড়ে চলেছে ঋণের পরিমাণ। অথচ রাজ্যে সরকারি চাকরিতে নিয়োগ নেই, সরকারি কর্মীদের ডি এ নেই, কেবল দূর্নীতি আর লুটে খাওয়া ছাড়া আর কোথাও টাকা নেই। কীভাবে লুট করার যায় তার জন্য প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ভাতা দেওয়ার ঘোষণা, সরকারি অফিসে তালা ঝুলিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে দুয়ারে সরকার, দুয়ারে রেশন, দুয়ারে মদ, হাজারো সাথী, ভাণ্ডার, আর শ্রীর তো শেষ নেই। টাকা আসছে কোথা থেকে কেন ঋণ করে। শোধ করবে কে? কেন জনগণ অতিরিক্ত কর দিয়ে অধিক মূল্যে জিনিস পত্র কিনবে। নীচু তলার সরকারি কর্মী নিয়োগ বন্ধ সেই ২০১১ সালের পর থেকেই। কেবল সিভিক ভলেন্টিয়ার ছাড়া কারণ এরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে গাড়ি আটকে তোলা তুলতে পারে আর ভোটের সময় জেতায়। ডি এ বন্ধ নীচ তলার সরকারি কর্মীদের, কিন্তু উপর তলার যারা আই এ এস /আই পি এস /একজিকিউটিভ লেভেলের অফিসার তাদের বেতনের খামতি নেই। আই এ এস/আই পি এস এরা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী রাজ্যে এদের অতিরিক্ত বেতন দেয় কারণ একটাই কীভাবে বাঙালি জাতি টা কে ধ্বংস করা যায় তার মন্ত্রনা দেয় এরা এবং ভোটের কাজে সাহায্য করে। এদের অধিকাংশই অবাঙালি এরা প্রত্যেকেই চায় বাঙালি জাতির ঐক্য ধ্বংস হোক। কাজ না থাক, কল কারখানা বন্ধ হয়ে যাক, নীচের তলায় সরকারি কর্মী নিয়োগ মানেই বাঙালির চাকরি পাওয়া সেখানেও বাধা, এই কিছু দিন আগের ঘটনা বিদ্যুৎ দফতরে আশি জন ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ করা হয়েছে পঁচাত্তর জন অবাঙালি ছেলে মেয়েরা নিয়োগ পেয়েছে, আবার গত ডিসেম্বরে বারাকাপুর পুলিশ লাইনে নিয়োগ করা হবে ইন্টারভিউ দিতে হাজির প্রায় দু শ জন অবাঙালি ছেলে। আসলে বাঙালি কে কোন মতেই কাজ দিলে হবে না। আমাদের মুখ্যযমন্ত্রী কি করছেন এদের যত্ন করে বেশি করে বেতন দিয়ে রেখেছেন। কারণ ঐ একটাই লুট করতে সাহায্য করবে। বাঙালি যত ধ্বংস হবে তত এদের আনন্দ কারণ এরা বাঙালি জাতি কে দেখতে পারে না সেই স্বাধীনতার আগে থেকেই, সেই কারণেই বাংলা ভাগ, আরেকটা বিষয় দেখবেন অন্য রাজ্যে আর এস এস এবং দিদির মত আরেকটা ছোট দলের কাছে বাঙালি এখন রোহিঙ্গা মুসলিম এবং বাংলাদেশি বাঙালি উচ্ছেদ করতে এরা তৎপর। দিদি গোদী বাঁচাতে এ বিষয়ে একটি কথাও বলেন না। আন্দোলন তো দূরের কথা, জানি না বাঙালি আর কবে বুঝবে।
Who can get free ration?
TMC leader and there supporter can get free ration. But now same out of TMC supporter get ration and other Gov facility.
You can start building material supplies business you can get a license from legal body and then start this business but there is already has TMC lead syndicate.
এদেশ থেকে দূর্নীতি যাবার নয়।
যত দিন না সংবিধান সংশোধন করা হচ্ছে তত দিন এই দেশের থেকে দূর্নীতি, খুন, ধর্ষন, কোটি কোটি টাকা চুরি, ভোটের নামে প্রহসন চলবে । কারণ একটাই সংবিধানে আছে নাকি অপরাধির অপরাধ যদি চোখে দেখা যায় তাতেও সে আত্মপক্ষ সমর্থনে উকিল তথা আইনজীবী রাখতে পারে। আর আইনজীবী গন নিজের পেশা এবং কোটি টাকা ফ্রিস তথা পারিশ্রমিক পাবার জন্য এই সব দূর্নীতি গ্রস্থ মানুষের জন্য এমনকি জঘন্য অপরাধির হয়েও আইনের সহায়তা দিয়ে থাকে। কুখ্যাত অপরাধীও আইনের ফাঁক দিয়ে বেড়িয়ে যায় না হলে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে সি বি আই ডাকলেই সি বি আই ফোবিয়ায় আক্রান্ত হয়ে নামি হাসপাতালে ভর্তি হন অনায়াসে। ডাক্তার গন ভয়ে হোক ভক্তিতে হোক তাকে পরিষেবা দিয়ে রুগী তৈরি করে ভর্তি করে রাখে, এর পর আছে বিচার ব্যবস্থার ত্রুটি সে নাই বা লিখলাম এখুনি কোর্ট অবমাননা করা হয়েছে বলে আওয়াজ উঠবে। যাহোক আজকের লেখার কারনে পি চিদম্বরম, তিনি কংগ্রেসের শাসন কালে মন্ত্রী ছিলেন। আর এই রাজ্যের কংগ্রেস সভাপতি মাদার ডেয়ারি বিক্রির দূর্নীতি নিয়ে মামলা করেছে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে। আর কংগ্রেস নেতা তথা এক সময়ের মন্ত্রী সরকারের বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের হয়ে আইনের লড়াই করতে এসেছেন, এসে বিক্ষোভের মুখে পড়েন সে নিয়ে আবার ঐ দলের হাই কামাণ্ড ক্ষুব্ধ। কেমন একটা গোলমেলে ব্যপার না। দেশ থেকে দূর্নীতি সে দিন বন্ধ হয়ে যাবে যে কোন উকিল পেশার দোহাই দিয়ে দূর্নীতির বা খুন রাহাজানি, ধর্ষকের হয়ে আইনের লড়াই করতে আসবেন না।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...











