অনেকেই আছেন বিষয়টি গুলিয়ে ফেলেছেন, সেকুলার ( secular) আমার যতদূর জানা এই ইংরেজি শব্দটির বাংলা ধর্মনিরপেক্ষ, অর্থাৎ যিনি সব ধর্ম কে সম্মান করেন। সকল ধর্মের মানুষকে শ্রদ্ধা করেন, তিনি সেকুলার। ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র অর্থাৎ যে খানে সব ধর্ম সমান অধিকার আছে ধর্ম পালন করার কেউ কেউ কোন ভাবে বাধার সৃষ্টি করবে না। কিন্তু অনেক মানুষ আছেন, ভাববেন সেকুলার হল নাস্তিক যারা ঠাকুর দেবতা কিছু মানে না। অর্থাৎ atheist এর বাংলা নাস্তিক বা নাস্তিক ইংরেজি atheist ভুলে যান। অনেকেই ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন, তোরা তো সেকুলার বা অমুক পাটি বা রাজনৈতিক দল সেকুলার এবং সেকুলার হল তারা নাস্তিক অর্থাৎ ঠাকুর দেবতা মানে না। ভুলেই যান ধর্ম নিরপেক্ষতা আর নাস্তিকতা সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। যারা নাস্তিক তারা ভুলেও ঠাকুর বা দেবতার ধার দিয়ে যায় না। তাদের যুক্তি দিয়ে তারা বেড়িয়ে আসে, বিজ্ঞান কখনো বিশ্বাস করে না ঠাকুর দেবতা আছে। দেবতা একটি পাথর বা মূর্তি মাত্র, আর এক দল আছে যারা ধর্ম মানে কিন্তু কঠোর ভাবে নয়। আর কিছু আছে ধর্মান্ধ এরা ধর্ম ছাড়া আর কিছু জানেন না, তাদের কাছে স্বর্গ মর্ত্য আছে এবং স্বর্গে দেবতা থাকে। কিন্তু আদৌ তারা স্বর্গ চোখে দেখে নি, মৃত্যুর পর সত্যি যমদূত তাদের যমালয়ে নিয়ে যায় কি না চোখে দেখেনি কিন্তু বিশ্বাস করে। আবার অনেকেই আছেন পরজণ্মে বিশ্বাস করে, অর্থাৎ মৃত্যুর পর আবার তার আত্মা পুনরায় জণ্ম গ্রহণ করে। অর্থাৎ আত্মার মৃত্যু নেই, যদি তাই হতো তাহলে ভারতের লোক সংখ্যা তেত্রিশ কোটি থেকে বেড়ে একশ তেত্রিশ কোটি হলো কি করে? ছাড়ুন অনেক গোরু ছাগল মানুষ রূপে জণ্ম নিচ্ছে সে জন্য বেড়ে যাচ্ছে। আসলে সেকুলার হলো ধর্ম নিরপেক্ষতা, একটা রাষ্ট্রের বা এলাকার দায়িত্ব যাতে সকল ধর্মের মানুষ শান্তিতে বসবাস করতে পারে এবং তার ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ভাবে পালন করতে পারে তার ব্যবস্থাপনা করা। যেটা বর্তমান বাংলাদেশে নেই, এবং কিছু ধর্মান্ধ মানুষ কিছুতেই অপর ধর্ম কে মেনে নিতে পারে না, আবার প্রতিনিয়ত অশান্তি ছড়িয়ে চলে যাতে দাঙ্গা লাগিয়ে লুঠপাট করা যায়। এই রকম উগ্র ধর্মান্ধ সব ধর্মের কিছু কিছু আছে, আর কিছু মানুষ এদের ব্যবহার করে নিজের ব্যবসা অর্থাৎ ধর্মের ব্যবসা বাড়াতে থাকে। যেমন ধর্মীয় জলসা, কীর্তনিয়া, শ্রীচৈতন্য বা গৌরাঙ্গ হরিনাম বিলিয়ে মানুষ কে এক সূত্রে বাঁধতে চেয়ে ছিলেন। এখন তাঁর সেই নাম কীর্তন করে কীর্তনিয়ারা হাজার হাজার টাকা আয় করে। যে যত বেশি টাকা নেয় তিনি তত ভালো গায়ক বা কীর্তনিয়া। এই ভাবে ধর্মীয় সভা বা জলসাও তাই অর্থাৎ ধর্ম তাদের কাছে ব্যবসা। সে কারণেই এক ধর্ম অন্য ধর্মের কত বড় এবং কোনো কোনো ধর্মের মানুষ বিশেষ করে ইসলাম ধর্মের এই রকম জলসা বা ধর্মীয় সভা থেকে, তারস্বরে চিৎকার করে অন্য ধর্মের মানুষ কে এবং তাদের ধর্ম সম্পর্কে খারাপ কথা প্রচার করা হয়। এই কয়েক দিন আগে বাংলাদেশের এক হুজুর না আলেম বলছিলেন মূর্তি ভাঙ্গা আমার কাজ মূর্তি আমি ভাঙব, বা হিন্দু ধর্মের মানুষ কাফের তাদের সম্পদ লুট করলে দোজাক অর্থাৎ নরকে যেতে হবে না। এসব কথা হামেশাই বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সভা থেকে জোর দিয়ে বলতে শোনা যায়। অর্থাৎ এদের কাজ লুট করা এবং মানুষে মানুষে লড়াই লাগিয়ে দেওয়া। এক কথায় এরাই ধর্মান্ধ ব্যক্তি। এদের দৌড় ঐ মসজিদ পর্যন্ত, আধুনিক শিক্ষার ধারে কাছে নেই এরা। এদের থেকে মনে হয় সেকুলার মানুষ অনেক ভালো কারণ তিনি যেমন সকল ধর্মের মানুষ কে সণ্মান দেন সেই রকম সকল মানুষ কে খুব তাড়াতাড়ি আপন করে নিতে পারেন। এটাই ধর্ম নিরপেক্ষতা বা সেকুলারাজিম secularism. তাই secular আর atheist অর্থাৎ ধর্ম নিরপেক্ষতা আর নাস্তিকতা সম্পূর্ণ আলাদা দুটি বিষয়।
Anulekhon.blogspot.com
Friday, 22 October 2021
বাম আমলের থেকে এখন পশ্চিমবঙ্গরে জিনিস পত্রের দাম কম।
পশ্চিমবঙ্গ বাম আমলের থেকে প্রায় প্রতিটি জিনিস পত্রের দাম, 30% শতাংশ কমে গেছে, মানুষের আয় আকাশ ছোঁয়া কলকারখানার শেষ নেই, প্রতিটি ঘরে ঘরে একজন করে চাকরি করে। বেতন এতো বেশি খরচ করতে পারে না, কারণ জিনিস পত্রের দাম নেই বললেই চলে। কারণ 2008 সালে যে মোটা চাল তার দাম ছিল 7 টাকা এখন সেটা কমে 28 টাকা, ভাল চালের দাম ছিল 9 টাকা এখন কমে 36 টাকা। সর্ষের তেলে 1 লিটার বা কেজি ছিল, 60 টাকা এখন সেটা কমে 210 টাকা। আটা 5 টাকা এখন কমে 26 টাকা। একদম জিনিসের দাম বাড়ছে না। সে কারণেই মানুষ এত টাকা বেতন নিয়ে করবে কি? সরকারি কর্মীদের বেতন এত বেড়ে গেছে কল্পনা করা যায় না। শিক্ষক মশাই দের বেতন আকাশ ছোঁয়া, টাকা রাখার জায়গা নেই, 10 বছরের থেকে 13 বছর কম সময়ে পে কমিশন দিয়েছে এত দিয়েছে রাখতে পারছে না, বছরে চারবার ডি এ পেয়ে আসছে আরে আগে বাম সরকার এসব ভাবতেই পারত না। সরকারি কর্মীদের মহার্ঘভাতা বন্ধ করে রেখে ছিল এখন পারলে প্রতি মাসে একবার করে দিয়ে দিচ্ছে। রাইটার্স বা মহাকরণে ভাঙচুরের প্রশ্নই ওঠে না। আন্দোলন আবার কি,বেতনের জন্য আন্দোলন সে আবার কি জিনিস। জিনিস পত্রের দাম কত কমে গেছে ভাবা যাবে। মানুষ খুব খুশি, পাঁচ শ টাকা মাসে কাউকে বছরে দিচ্ছে বলে, বোঝানো যাবে না। বেকার সমস্যা নেই, কেবল চাকরি না পেয়ে হতাশা থেকে আত্মহত্যা করছে তাই। চাকরি ডেকে ডেকে দিচ্ছে, ঐ একটু মন্ত্রী আর পাড়ার বড় সর্দার টাকা মিষ্টি খাবে বলে নেয়, 10 লাখ টাকা লাগে ওটা সকলেই আনন্দ সহকারে দিয়ে দিচ্ছে মিষ্টি খেতে। কিন্তু আমার দলের কর্মীরা চোর নয়।আরে জিনিস পত্রের দাম কম যাতে হয়ে যায় বাম আমলের থেকে সেই জন্যই তো ক্ষমতায় আমাকে এনেছে না, আর ২০০৮ সালের থেকে জিনিস পত্রের দাম না কমাতে পারলে খাব কি?
দেখছেন না ২রা জুন ২০০৮ সালে জিনিস পত্রের দাম এত ছিল আমি খেতে পেতাম না। এখন ২০০৮ সালের থেকে দাম কমিয়ে কেবল আমি খাচ্ছি না, রাজ্যের জনগণের কত উপকার হয়েছে বলে বোঝাতে পারব না। সেই কারণেই পাঁচশ টাকা মাসে দিলে সংসার খরচ চলে যাচ্ছে। কারণ ৩১৫ টাকার গ্যাস কমে ৯৪৫ টাকা হয়ে গেছে। ৩৫ টাকার পেট্রোল কমে ১০৬ টাকা হয়ে গেছে। আর ৭ টাকা কেজি আলু কমে ১৮ /২৫ কোন কোন সময়ে ৫০ টাকা হয়ে যাচ্ছে। যাহোক এবার দাদার ২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসে জিনিস পত্রের দাম কত কমাল দেখি কারণ তিনিও বলেছিলেন নাঙ্গাই কম করেঙ্গে। তাহলে কত কম করল দেখা যাক।
কম হল কি হলো না, বছরে কেন্দ্রীয় সরকার দিয়েছে ২ কোটি বেকারের চাকরি আর রাজ্যের সরকারের ২ লক্ষ চাকরি মোট দু কোটি দু লক্ষ করে চাকরি, ২কোটি x ৭ = ১৪ কোটি আর রাজ্যের ২ লক্ষ x ১১ বছর = ২২ লক্ষ। আর কি চাই আবার আগামী তে ভোট এলে দাদা আর দিদি ছাড়া কাউকে ভোট দেওয়া যায়।
নিত্য নারায়ণ শিলায় পুজার নিয়ম ও মন্ত্র ।
এখানে বলে রাখি আমি পণ্ডিত নই, কিন্তু বিভিন্ন বই থেকে পড়ে যেটা জেনেছি সেটা এখানে লিখব। পণ্ডিত গন যদি পড়েন নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন। প্রতিটি পুজারি পুরোহিত বা ব্রাহ্মণ বাড়িতে এই শিলা আছে, এই শিলায় নিত্য সেবা দেওয়া এবং তুলসি পাতা দেওয়া হয়। অনেকেই এটি কে নারায়ণ শিলা বা শালগ্রাম শিলা বলে থাকেন। কোন কোন ব্রাহ্মণ বাড়িতে একের অধিক শিলা আছে, কারণ বলে থাকেন বাড়ির বাইরে পুজো করতে নিয়ে যেতে হবে সে কারণেই এতো গুলো শিলা। তবে আমি যতদূর জানি দুই বা তার অধিক এই শিলা রাখতে নেই, ফাটা শিলাও রাখতে নেই। শিলা পুজোর সময় যা সহজে করা যায় সেই টুকু এখানে লিখব। কারণ অনেকেই আছেন কাজে যাবার আগে এবং সন্ধ্যা বেলায় এসে এই শিলা কে সেবা দেন। সকালের সেবা দেওয়ার সময় কম পান সেই কারণেই আমি যতদূর জানি সেটাই এখানে লিখছি।এখানে বলে রাখি ব্রাহ্মণ ছাড়া এই শিলা পুজোর কারও অধিকার নেই। মহিলারা এই শিলা পর্শ্ব করবে না। বিঃ দ্রঃ :- শিলায় পুজার আগে সিংহাসন থেকে নামিয়ে একটি তামার পাত্রে রাখুন নীচে একটি তুলসী পত্র অবশ্যই দেবেন। সেটা আগের দিনের তুলসী পত্র হতে পারে। আর ঘি ও মধু শিলায় মাখিয়ে নিন ।
তুলসি ফুল তুলে নিন, নারায়ণ পুজোর জন্য সাদা টগর এবং সাদা কুন্দ ফুল হলে ভালো হয়।
তুলসি পাতা তোলার মন্ত্র :- তুলসি পত্রং সদা ত্বং কেশব প্রিয়। তুলসি পত্র ছিন্ন স্মসি স্বাহা। ( সব থেকে কম দুটি তুলসি পত্র তুলে নেবেন।)
এবার যা যা করতে হবে। ১) আচমন ২) বিষ্ণু স্মরণ ৩) সংক্ষেপে পঞ্চ দেবতা কে দান। ৪) ধ্যান ৫) স্নান করানো ৬) গাত্র মোছানো ৭) তুলসি দান ৮) আবরণ ও সাথি দেবতা কে ফুল দেওয়া। ৯) নারায়ণ কে পঞ্চ উপাচার দেওয়া। ১০) প্রণাম মন্ত্র ১১) ক্ষমা প্রার্থনা। এর পর ঘরে লক্ষী মূর্তি থাকে তাহলে তার পুজো একই ভাবে কেবল স্নান ও গাত্র মোছানো বাদ দিয়ে। আর যদি মূর্তি নাও থাকে তাহলেও লক্ষী কে নিবেদন করে দেওয়া।
আচমন :- কোশা থেকে কুশি করে গঙ্গা জল মাশ কলাই ডুবতে পারে এতটুকু ডান হাতের তালুতে নিয়ে, তিন বারের বলুন ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।
বিষ্ণু স্মরণ :- ওঁ তদ্বোবিষ্ণু পরম পদং সদা পশ্যন্তি সুরয় দ্বিবীব চক্ষু রতাতম। ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ওঁ বিষ্ণু ।
সংক্ষেপে পঞ্চ দেবতার পুজো :- এতে গন্ধেদিবেভ্য বং এতেস্মৈ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ । এষো গন্ধ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।এতৎ পুষ্প পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।এষো ধূপ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।এষো দীপ পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ । এতৎ অক্ষত নৈবেদ্যম পঞ্চ দেবগনভ্য নমঃ ।
ধ্যান :- ওঁ ধেয় সদা সবিত্র মণ্ডল মধ্যবর্তী নারায়ণ। সরজিসান সন্নিবেষ্ট কেয়ূরবান কনক কুণ্ডলবান। কিরীটিহারি হিরণ্ময় বপু ধৃত শঙ্খ চক্র।
স্নান :- জল শঙ্খের জলে কম করে তিন বার সবচেয়ে বেশি পাঁচ বার বা সাত বার। তার আগে পানি শঙ্খের জলে তীর্থ আহ্বান করে নিন।
তীর্থ আহ্বান মন্ত্র :- ওঁ গঙ্গোদা সরতিশ্চ সর্বা সমুদ্রাশ্চ সংরসি চ ।আয়ন্তু অয়ম দূরিত ক্ষয় কারক। ওঁ গঙ্গে চ যমুনে চৈব্য গোদাবরী সরস্বতী নর্মদে সিন্ধু কাবেরী জলোস্মিন সন্নিধিং কুরু ।
এবার স্নান মন্ত্র :- ওঁ সহস্র পুরুষ সহস্র শীর্ষ সহস্র পাত ত্বয়া বৃত্তা পৃথ্বী । অত্রাতিষ্ঠত শাল্গমঃ ইদং স্নানীয়োদকং ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
এই মন্ত্রে তিন বার পাঁচ বার স্নান করাতে হবে
গাত্র মার্জন :- ইদম গাত্র মার্জনাথায় ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ । ওঁ নারায়ণ ধীমহী বিষ্ণবে প্রচোদয়াৎ ওঁ ।
এবার একটা তুলসি পত্র নিয়ে মসৃণ দিকটা চন্দন লাগিয়ে নিয়ে দিতে হবে। এবং এই মন্ত্রে দিতে হবে। ইদং তুলসী পত্রং ওঁ নমঃ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ । এবার সিংহাসনে রাখুন ঘন্টা বাজাতে বাজাতে দ্বিতীয় তুলসী পত্র টি একই ভাবে একই মন্ত্র বলে উপরে দিন। এবার নিম্ন লিখিত মন্ত্রে একটি করে ফুল দিন।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ নারদাদি পার্শ্ব দেবভ্য নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ ইন্দ্রাদি দশদিকপালভ্য নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ মৎস্যাদি দশ অবতারভ্য নমঃ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গরুর বাহনায় নমঃ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ শঙ্খায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ চক্রায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ গদায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ পদ্মায় নমঃ ।
এতে গন্ধে পুষ্পে ওঁ বাস্তু পুরুষায় নমঃ ।
এষো গন্ধ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
এতৎ পুষ্পম ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
এষো ধূপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
এষো দীপ ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
এষো অক্ষত নৈবেদ্যম মিষ্টান্ন ওঁ নারায়ণ শ্রী বিষ্ণবে নমঃ ।
(আতপ চাল দিয়ে নৈবেদ্য সাজিয়ে রাখবেন এখানে কেবল আতপ চাল ও বাতাস বা সন্দেশ দিতে পারেন।)
এবার প্রণাম মন্ত্র :- ওঁ নমহ ব্রহ্মণ দেবায় গো ব্রাহ্মণায় হিতায়চ জগৎ ধৃতায় কৃষ্ণায় গোবিন্দায় নারায়ণ নমহস্তুতে ।
ক্ষমা প্রার্থনা :- ওঁ যৎ ক্ষরং মাত্রা হীনচ , যদভবতে। পূর্ণ ভবতু তৎ প্রাসাদৎ সুরেশ্বর ।ওঁক্ষমস।
এবার লক্ষীর পুজো করতে হবে কারণ বাড়িতে পুজো করছেন। নারায়ণ কে পুজোর পর লক্ষী পুজো অবশ্যই করা কর্তব্য।
লক্ষীর ধ্যান :- ওঁ পাশাক্ষ মালিকাম্বজ শৃন্নি ভৃয্যমৌ সৌময় ।পদ্মা সংস্থানং ধ্যায়েচ শ্রীয়ং ত্রৈলক্য মাতরম ।গৌরবর্ণং সুরূপাঞ্চ সর্বালঙ্কার ভুষিতাম ।রৌক্মপদ্ম ব্যাগ্রকরাং বরদাং দক্ষিণেন তু ।
এষো গন্ধ, পুষ্প, ধূপ, দীপ নৈবেদ্যম ওঁ পেচকায়ৈ নমঃ ।একটি ফুল পেচকের উদ্দেশ্য দেবেন।
এষো গন্ধ ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ।
এতৎ পুষ্পম ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ ।
এষো ধূপ ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ ।
এষো দীপ ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ ।
এতৎ অক্ষত নৈবেদ্যম ওঁ শ্রীং লক্ষী দেবৈ নমঃ ।
এবার প্রণাম মন্ত্র :- ওঁ বিশ্ব রূপ ভার্যাসি পদ্মে পদ্মালয়ে শুভে ।সর্বত্র পাহিমাং দেবী মহিলক্ষমী নমহস্তুতে।
ক্ষমা প্রার্থনা :- ওঁ গুজ্জাতি গুজ্জ গোপত্রী ত্বং গৃহনস্মাৎ কৃতং জপম, সর্বসিদ্ধি ভবর্তু মে দেবী তৎ প্রাসাদৎ সুরেশ্বরী।
Thursday, 21 October 2021
পশ্চিমবঙ্গে, মূর্তি ভাঙা ও মন্দিরে গোমাংস রাখা শুরু হয়েছে।
কি দাদা ভাবছেন এটা বাংলাদেশ না এটা পশ্চিমবঙ্গের ঘটনা তবে এখানে কোন মুসলমান কিছু করেন না। তারা তাদের ধর্ম পালন করেন নিষ্ঠার সাথে হিন্দু বাঙালি ও তাদের ধর্ম পালন করে আসছে যুগ যুগ ধরে গণ্ডগোল বাধে না। অনেক সময় ঈদ এবং পূজো একসাথে পরেছে কোন অসুবিধা বা গণ্ডগোল বাধে নি। তাহলে করছে কারা দাদা আর এস এস আছে না, বাম আমলে গোটা রাজ্যে ছিল ৪০ থেকে ৫০ টা প্রশিক্ষণ শিবির বা কেন্দ্র এখন হয়েছে কয়েক হাজার। এর বেশিরভাগ সদস্য হনুমান ভক্ত বা বজরংবলী ভক্ত, আগে কেবল কলকাতায় বিভিন্ন জায়গায় হনুমান মন্দির ছিল এখন পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সর্বত্র পাওয়া যাবে। আরেকটা ব্যাপার খেয়াল করে দেখুন এরা বাঙালির এই যে সারা বছর নানা ধরনের পুজো বা ধর্মীয় অনুষ্ঠান এটা ঠিক মেনে নিতে পারে না। এদের লক্ষ্য হচ্ছে যে কোন ভাবে বাঙালি জাতি টাকে ধ্বংস করে বাংলার এই অংশটা কে পূর্ব বিহার তৈরি করা, সেই কারণেই যেন তেন প্রকারে অশান্তি লাগানোর চেষ্টা, এরা খুব প্রশিক্ষিত এরা হিন্দু পাড়ায় মুসলিম সেজে গণ্ডগোল লাগায় আর মুসলিম পাড়ায় হিন্দু, এরা মন্দিরে গো মাংস রাখে আর মসজিদে গিয়ে শুয়োরের-মাংস এসব করে কারণ একটাই যে কোন ভাবে দাঙ্গা লাগানো এদের লক্ষ্য। আবার শান্তিপুরে ভোট আছে ওখানে তো এরকম ঘটনা ঘটাবে তবে যেভাবে ছবিটি আছে ওখানে দুর্গা পুজো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে না। আর লক্ষীপূজো যদি বুধবার মানে 20/10 /21 বৃহস্পতিবার 21/10 /21 ওখানে ঘট ও অন্যান্য জিনিস থাকার কথা এবং আমার তো মনে হয় ওটা দুর্গা প্রতিমার সাথে বিসর্জন করা লক্ষী তুলে এনে ওখানে বসিয়ে ছবি তোলা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন, আবার উপ নির্বাচন ও শাসক দলের জয় নিশ্চিত কারণ এক দু নম্বরি বিহারি পি কে আছে, নকল অফিসার, ইভিএম পাল্টে যেমন করে হোক জিতিয়ে তবে ছাড়বে এই লোক টা ভারতীয় গনতন্ত্র কে টাকার বিনিময়ে শেষ করে দিল। কোটি কোটি টাকা নেয় আর যতরকম ভাবে পদ্ধতি তে কারচুপি করা যায় সব ব্যবহার করে। ই ভি এমে ভোট ও দিদির জয় নিশ্চিত কেউ কিছু করতে পারবে না। এখন যে সব এলাকায় ভোট মিটে গিয়েছে একবার কান পেতে শুনে নিন একটা কথা শুনতে পাবেন আমরা ভোট দিলাম না জিতল কি করে?
পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ডি এ সেত ডুমুরের ফুল।
রাজ্য সরকারের ডি এ সে ডুমুরের ফুল।
কিছু বিশেষ প্রশ্ন ও উত্তর।
প্রশ্ন উত্তর
১) ডহর বাবুর বাড়ির লোক কে আছেন? প্রশ্নটির কে করেছেন? ডহর বাবুর বাড়ির কাউকে খুঁজে পাওয়া গেছে, কেউ যদি খুঁজে দেন পুরস্কার দেওয়া হবে।
২) রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর নোবেল পুরস্কার আনতে গিয়ে কীটস ও সেস্কপিয়রের সাথে দেখা করে ছিলেন তথ্য টি কে দিয়েছেন?
৩) রাজা রামমোহন রায় পশ্চিম বঙ্গ বিধানসভায় সতী দাহ বিল পাশ করিয়ে ছিলেন। কে বলেছেন?
৪) বীরভূমের মাটি উৎসব শুরু করতে গিয়ে কে কাকে বলে ছিলেন যে থাব্বরে গাল লাল করে দেব?
৫) মাটি উৎসব, জল উৎসব, খাদ্য মেলা, কন্যাশ্রী বদলে বাংলায় দিদির ভাই রা কী উৎসব শুরু করে ছিল, এবং এই বিষয়ে বাংলা কে এক নম্বর করল?
৬)কলকাতা বইমেলায় ঢোকার মুখে কে পুলিশ কর্মী কে বলল চাবকে পিঠের চামরা তুলে নেব?
৭)2013 সালে 'সারদা' কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসার পর কে বলে ছিল যে 'যা গেছে তা গেছে ও নিয়ে দুঃখ করে লাভ নেই'?
৮)'শরীর থাকলে জ্বর জ্বালা যেমন হবে, তেমনই ধর্ষণ ও শরীর থাকলে হবে' এটি কার উক্তি?
৯)'বড়ো শিল্প না হয়েছে তো কী হবে, চপ ভাজা, মুড়ি ভাজা, ঘুঁটে শিল্পও শিল্প' উক্তি টি কার?
১০) সি বিআই নোবেল চোর ধরতে না পারলে বলুক আমি সিআইডি দিয়ে নোবেল চোর ধরে দেব। কে বলেছেন?
১১)আমি কলকাতা কে লন্ডন আর দার্জিলিং কে সুইজারল্যান্ড বানাবো। কে বলেছেন?
১২)আমার সাথে চালাকি করে লাভ নেই। আমি গুন্ডা কন্ট্রোল করি। কার উক্তি?
১৩) আমার দলের কেউ চোর নয়? তাহলে সারদা নারদায় জেল হাজতে কাটাল কারা?
মহাপুরুষের দের বানী ।
ভারতের আদি যুগ থেকে যে সব মহান ব্যক্তি জন্ম গ্রহণ করেছেন, ভারতের মানুষের ভালো চেয়েছেন। তারা কিছু কথা বলেছেন বা উপদেশ দিয়েছেন সকলের ভালোর জন্য।আবার এরকম আছে যা কোন সময় কোন মহাপুরুষ হয়তো বলেছেন যা কেউ জানে না সেই প্রচলিত কথা গুলো আজ আমার কাছে অন্তত বানী বলে মনে হচ্ছে। এখন গুলো অনেকে মুখে বলেন, মেনে চলেন না। আমি এই বানী গুলো বিভিন্ন বই পত্র পত্রিকা থেকে এবং বিভিন্ন জায়গায় দেওয়াল লিখন থেকে সংগ্রহ করেছি। যদি কিছু মানুষও পড়েন অনেক আমরা এসব ভুলতে বসেছি।
প্রচলিত বানী।১)সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপর নাই।
২)ঈশ্বর মানব জাতি সৃষ্টি করিয়াছেন, ধর্ম নয়, ধর্ম মানবের সৃষ্টি।
৩)সকল জীবকে ভালোবাসো, ভালোবাসা বা বন্ধুত্ব শ্রেষ্ঠ ধর্ম।
৪)সদা সত্য কথা বলবে, সৎ পথে চলবে। তাতে বাধা আসবে কিন্তু ফল ভাল হবে।
৫)কেউ আঘাত করলে তাকে আঘাত করিও না পারলে ভালোবেসো।
৬)তোমার মন থেকে পাপ দূর কর, দেখবে সমাজ থেকেও পাপ দূরে যাবে।
৭)অপরের ক্ষতি বা অনিষ্ট করিও না, তাহলে নিজের ক্ষতি বা অনিষ্ট হইবে।
৮)অপর কে দুঃখ কষ্ট দেওয়া মহাপাপ।
৯)মানবের মাঝে দেবতার বাস তাকে অপমান করিও না।
১০)অপরের দুঃখে বা বিপদে আনন্দ নিওনা।
১১)তুমি পাপ করলে বা খারাপ কাজ করলে তার দায় তোমার, কেউ তার ভাগ নেবে না।
১২)সকলের বাঁচার অধিকার আছে। সে অধিকার অপরকে দিতে হবে।
১৩)তুমি তোমার কাজ টুকু করিয়া যাও তাহাতেই সকলের মঙ্গল।
১৪)অপরের দোষ ত্রুটি দেখিও না, নিজের দোষ ত্রুটি দেখিও।
১৫) পরের সম্পদ বা ধন নিজের বলিয়া করিও না। তাহলে বিপদে পড়িবে।
১৬)তোমার ব্যবহার ই তোমার পরিচয়।
১৭) কেউ কটু কথা বললে তাকে কটু কথা বলিও না।
১৮)সংসারের বা সমাজের নিয়ম হচ্ছে, মানিয়ে নেওয়া, যে মানিয়ে নিতে পারে সে বাঁচে।
১৯)কর্মের বিকল্প নাই, সুতরাং যে যার মতো কর্ম করে যাও
২০) অপরের কর্মে বাধা দিওনা, তাহলে তোমার কর্মে বাধা আসিবে।
২১)অপরকে সন্মান দিলে, নিজের সন্মান বজায় থাকে।
২২)তোমার জিনিস অপরে নষ্ট করলে, যেমন তোমার কষ্ট হয়। সে রকম অপরের জিনিস নষ্ট করলে তাহার কষ্ট হয়।
২৩)ভুল মানুষ কে শিক্ষা দেয় কারণ ভুল করতে করতে মানুষ শিক্ষা লাভ করে।
২৪)নিজের দোষ বা অপরাধ অপরের উপর বা অন্যের উপর চাপিয়ে দেওয়া মহাপাপ।
২৫)আমাদের নিজের বলে কিছু নেই, যা নিজের বলছ ভেবে দেখো তা অপরের তৈরি।
২৬)কারণে অকারণে অপরের সাথে তুলনা করিও না, তোমার যা আছে সেটাই ভালো।
২৭)উচ্চ ধনী ব্যক্তির সাথে তুলনা করিও না, নিম্ন আয়ের লোকের দিকে দেখো, তাহার থেকে তুমি ভালো আছ কিনা।
২৮)তোমার অনেক বুদ্ধি বা জ্ঞান বেশি, অপরের তা নেই। এই অহংকার করিও না।
২৯)মানবতাই পরম ধর্ম।
৩০)অশিক্ষার থেকে কুশিক্ষা ভীষণ খারাপ।
৩১)ভালোবাসায় সব সব হয়। হিংসা শুধু ক্ষতি করে।
৩২)গরীব হয়ে জন্মানো পাপ নয়, গরীব হয়ে মারা যাওয়াটা পাপ।
৩৩)যা আছে তা রক্ষা করে রাখ, সন্তুষ্ট থাকতে হবে। অপরের দেখে বেশি লোভ কর না।
৩৪)ধৈর্য্য ধরে থাক সুফল পাবে।
৩৫)রক্তের সম্পর্ক বড়ো নয়, ভালোবাসার সম্পর্ক বড়ো।
৩৬)পরের উপকার করা ভালো তবে নিজের ক্ষমতার ভেতরে থেকে। উপকারের প্রতিদান চেয় না।
৩৭ )সকলের উপকার করো না, আগে দেখ সে উপকার নেবার যোগ্য কিনা।
৩৮)কোনো ব্যক্তিকে অসন্মান করিও না, তাহলে নিজে সন্মান পাবে না।
৩৯)চরিত্র ঠিক রাখতে হবে না হলে পরে পস্তাতে হবে।
৪০)বনের বাঘ যেমন বন আর মাংসের কথা ভোলে না। সে রকম চরিত্র হীন রা কোনো দিন নিজেকে ঠিক রাখতে পারে না।
৪১)দান কর কিন্তু অপাত্রে না।
৪২)মনুষ্যত্ব, বিবেক, চরিত্র ঠিক থাকলে নিশ্চয়ই লক্ষ্যে পৌঁছে যাবে।
৪৩)অসহায় দূর্বল মানুষকে সাহায্য কর, ঈশ্বর তোমার সাথে থাকবেন।
88)কেউ তোমাকে খারাপ বলছে, তুমি নজর দিওনা, নিজের কর্মে এগিয়ে যাও।
৪৫)আদিম যুগে মানুষ অসহায় ছিল, সে তার বুদ্ধি ও আর শ্রম দিয়ে আজকের পৃথীবী তৈরী করেছে। তাই কর্ম করে যাও। উন্নতি হবে।
৪৬)কখনো পিছনে ফিরিয়ে দেখিও না, অতীত কে মনে রেখো, অতীতের ভুল শুধরে কাজ করে যাও।
৪৭)কেউ কেউ কাজের সমালোচনা করেন, করুক তুমি বিরক্তি বোধ করিও না।
৪৮)প্রত্যেকের মধ্যে ভালো মন্দ দুটি গুন আছে। ভেতর থেকে ভালোটি কে বার করে আনো।
মহাপুরুষের দের বানী ।
মহাপুরুষ দের বানী ( বিবেকানন্দ ও অন্যান্য।)
৭)আদর্শ সন্ন্যাসী হওয়া অপেক্ষা আদর্শ গৃহী হওয়া কঠিন।
দুর্গা পুজো মন্ত্র ও নিয়ম ( সপ্তমী পুজার মন্ত্র)
আয়নায় তেল হলুদ মাখানো মন্ত্র :-- ওঁ তৈল যদ্রুক্ষাদোষঘ্ন ওঁ তৈলং যচ্চাদ্রকং স্মৃতম ।তেন ত্বাং স্নাপয়ামদ্য প্রসীদ ভব ভুবনেশ্বরী ।ওঁ হরিদ্রে কৃমিদোষঘ্ন শোভনা চ সুশীতলা ।
অতস্ত্বাং ত্রিজগদ্ধাত্রী লেপ্যয়ামি যথেচ্ছয়া ।ওঁ আমল্যকনায় দেবী কেশং সংশোধয়ামি তে। প্রসীদং দেবী দুর্গে সর্ব কল্যাণ কারিনী।
মহাস্নান মন্ত্র :-- ওঁ আত্রেয়ী ভারতী গঙ্গা যমুনা চ সরস্বতী। সরযূ গর্ণ্ডকী পূণ্যা শ্বেতগঙ্গা চ কৌশিকি। ভগবতী পাতালে চ স্বর্গে মন্দাকীনি স্তথা। সর্বে সুমনস্য ভূত্তে ভৃঙ্গারৈ স্নাপয়ন্তুতা ।সুরাস্তামভিষিঞ্চুন্তু ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর। বাসুদেব জগন্নাথ স্তথা সংকর্ষণ প্রভু। প্রদ্যুম্নশ্চনিরূদ্ধশ্চ ভবন্তু বিজয় বৈ সদা। আখণ্ডলোর্হগ্নি যম বৈ নৈঋত স্তুতা। বরুণা পবনাশ্চ ধনাধক্ষ্য তথা শিব। ব্রহ্মণা সহিত শেষ দিকপাল পান্তু তে সদা। ওঁ কীর্তি লক্ষী ধির্তী মেধা পুষ্টি শ্রদ্ধা ক্ষমা মতি। বুর্দ্ধি লজ্জা বপু কান্তি শান্তি তুষ্টি চ মাতর। এতস্তামভিষিঞ্চন্তু ধর্মপত্না সুসংযতা ।আদিত্যশ্চন্দ্রমা বুধসীকর্তাজা ।গ্রহস্তামভিষিঞ্চন্তু রাহু কেতুশ্চ তর্পিতা। ঋষয় মুনয় গাব দেবমাতর এব চ । দেবপত্না ধ্রুব নাগা দৈতদানবাস্পরা গনা। অস্ত্রানি সর্ব শস্ত্রানি রাজনি বাহনানি চ । ঔষধানি কালস্য বায়বাস্য চ। সাগর সরিতা শৈল্য তীর্থানি জলদা নদা । দেব গন্ধর্ব যক্ষ রাক্ষস পন্নগা। এতেস্তাম ভিষিঞ্চন্তু ধর্ম কামার্থ সিদ্ধয়ে । ওঁ সিন্ধু ভৈরব শোন্যদা যে নদা ভূবি সংস্থিতা। সর্বে সুমনস্য ভূত্তে ভৃঙ্গারৈ স্নাপয়ন্তুতা। ওঁ তক্ষকদাশ্চ যে নাগা পাতাল বাসীনি। সর্বে সুমনস্য ভূত্তে ভৃঙ্গারৈ স্নাপয়ন্তুতা। ওঁ দুর্গে চণ্ডে চণডেশ্বরী বাহারি কার্ত্তীকা। হর সিদ্ধা কালী ইন্দ্রাণী বৈষ্ণবী তথা। ভদ্রকালী বিশালাক্ষী ভৈরবী তথা সর্ব রূপনি। এতে সর্বাশ্চ যোগিন্য স্নাপয়ন্তুতা। শঙ্খ জলে :- ওঁ সর্বেষামধিপ ঈশান নাম নামতো। শূলপানি মহাদেব ভৃঙ্গারৈ স্নাপয়ন্তুতিতাম। গঙ্গা জলে :-- ওঁ মন্দাকিন্যস্তু যদ্ববারি সর্বপাপঘ্ন শুভম।
স্বর্গ স্রোতন্তু বৈষ্ণব স্নান তেন ত। গরম জলে :-- ওঁ পরম পবিত্রমুষ্ণু বহ্ণি জ্যোতি সমন্বিত। জীবন সর্ব পাপাঘ্ন বারি ভৃঙ্গারৈ স্নাপয়ন্তুতিতাম। গন্ধদ্বোক :-- ওঁ গন্ধাঢ্য শোভনং সুশীতলং মনোহরং ।সর্ব পাপহরং বারি ভৃঙ্গারৈ স্নাপয়ন্তুতিতাম ।শুদ্ধ জলে :-- ওঁ যা আপ হি ষ্ঠা ময়া ভু স্তা ন ঊর্জ্জে দধাতন মহারণায় চক্ষসে ।ওঁ য বো শিবতম রসস্তস্য ভাজয়তেহ নঃ । উশতীরিব মাতর । স্তমা অরং গমাম বো যস্য ক্ষরায় জিম্বথ। আপ জনয়থা চ নঃ। ওঁ শন্নোদেবীরভীষ্টয়ে শন্নো ভবন্তু পীতয়ে । শং যোরভি স্রবন্তু ন। মধু :-- ওঁ মধুবাতা ঋতয়তে, মধু ক্ষরন্তি সিন্ধব। মাধর্ব্বীন সন্তোষধী ওঁ মধু নক্তোমুতসে মধু মৎ পার্থিবং রজ। ওঁ মধু দৌড়স্তূ নপীত। ওঁ মধুমান্নো বনোস্পতে অস্তু সূর্য ।মাধবী গার্ব্ব ভবন্তু ন। কুশদোক :-- ওঁ দেবস্য ত্বা সবিতু প্রসবেহর্শ্বিনো পুঞ্চ হস্ত ভ্যমাদদে ।ফুলদোক :-- ওঁ আশ্বিনৈ ভৈষজন্য ব্রহ্মবর্চাসায়া ভিষিঞ্চিয়ামি ।ওঁ সরস্বতৈ ভৈষজন্যবীর্য্যায়ান্নাদ্যয়া ভিষিঞ্চিয়ামি ।ওঁ ইন্দ্রায়ান বলয়ে শ্বিয়ৈ যশসেহ ভিষিঞ্চিয়ামি ।স্বর্ণদোক :-- ওঁ পৃথিবীং স্বর্ণ রূপেন দেবতিষ্ঠন্তি বৈ সদা ।সর্ব পাপ বিনাশার্থং স্নাপিয়ষ্যামি মহেশ্বরী ।রজতোদক :--
Wednesday, 20 October 2021
অদূর ভবিষ্যতে বাঙালি হিন্দু বাংলায় ইতিহাস হয়ে যাবে।
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
বহুল প্রচলিত একটি প্রবাদ বাক্য "বৃক্ষ তোমার নাম কি? ফলেন পরিচয়েৎ।" আমি বা আমরা দেখেছি কখন এই প্রবাদ বাক্য টি বলে, যখন কেউ কোনো...





