Anulekhon.blogspot.com

Monday, 22 July 2019

রাজ্যে এখন কাট মানি বনাম ব্ল্যাক মানি লড়াই চলছে। সারদা, রোজভ্যালী, এম পি এস গ্রীনারি ইত্যাদির চিটফাণ্ডের টাকা কোথায়?

ও দাদা কাট মানি মানে কাটা ছেঁড়া টাকা নয়। কাট মানি হচ্ছে, বিভিন্ন সরকারি কাজের জন্য আসা টাকা থেকে দরপত্র ডাকা নেওয়া ঠিকাদারের কাছ থেকে নেওয়া হয়েছে এমন টাকা।আবার সরকারি টাকা পেয়েছে কোনো ব্যক্তি তার থেকে নেওয়া টাকা। সরকারের এরকম অনেক প্রকল্প আছে, যেমন আবাস যোজনা, একশ দিনের কাজ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা ইত্যাদি, এসব জায়গা থেকে নেওয়া হয়েছে এমন টাকা। আবার তোলা বাজি, এলাকায় কোন রাজনৈতিক দল কোনো অনুষ্ঠান বা উৎসব হবে সেখান বড়ো শিল্প পতির কাছ থেকে টাকা তুলে নেওয়া। যদি শিল্পপতি না থাকে তাহলে মাফিয়ার কাছ থেকে বা চোরাই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে নেওয়া। সে মাদক হতে পারে আবার বালি কয়লা হতে পারে। আর ব্ল্যাক মানি ট্যাক্স ফাঁকি দিয়ে দেশের কোটি কোটি টাকা বিদেশি ব্যাঙ্কে জমা করা। এই ব্ল্যাক মানি বা কালো টাকা অনেকে সাদা করে ভোটের সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তহবিলে দান করে এবং সেই দল যদি ক্ষমতায় আসে তাহলে তার ট্যাক্স কিছু টা ছাড় দেয়। কিন্তু কাল ২১/৭/১৯ দিদি যা বলেছেন সেটা কেবল দ্বন্দ্ব লাগানোর জন্য, যা ইতি মধ্যে শুরু হয়ে গেছে। বর্ধমানের একটি জায়গায় দিদির ভাই ভাইপোরা পোষ্টার দিয়েছেন। জানি না দুটো পার্থক্য বুঝে দিয়েছে না বুঝে দিয়েছে। আমি দিদির কাছে অনুরোধ দিদি কাটমানি ব্ল্যাক মানি সব না হয় ফেরত হলো। এর জন্যে দাঙ্গা হলো কিছু মানুষ মরল, কিন্তু দিদি সারদা রোজভ্যালী, এম পি এস গ্রীনারি, আই কোর, বেসিল, আরো যে সব চিটফাণ্ডের টাকা কবে ফেরত দেবেন। যার জন্য আপনার প্রিয় কত ভাই জেল খেটে এলো কি হবে তাদের, তাদের বলুন নেওয়া টাকা যেন ফেরত দেয়। কি আশ্চর্য দেখুন টালিগঞ্জের প্রায় সব অভিনেতাকে আজ সি বি আই বা ইডি ডেকে পাঠাচ্ছে। কি মজা কেউ সত্যি কথা বলতে সাহস পাচ্ছে না। কারণ আপনার পাশে থাকলে একটা পদ যদি মেলে একবার সাংসদ বা বিধায়ক বা অন্য কিছু। গরীব মানুষ মারা মারি করে মরুক, তাতে আপনার কী আপনার তো সিকিউরিটি গার্ড আছে। ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

এতো বেকার ছেলে মেয়ে চাকরি হচ্ছে তবু বেকারত্ব যাচ্ছে না।

আমরা কেবল মাত্র সরকারের খারাপ টা দেখি, ভাবুন ২০১১ সালের পর থেকে কতো গুলো নির্বাচন হয়েছে, অনেক কষ্টে নির্বাচন কমিশন কেস করে পঞ্চায়েত নির্বাচন। সেই সময়ে কত বেকার ছেলে মেয়ে চাকরি পেয়েছে। সে সিভিক হোক আর যাই হোক, আবার পৌরসভা নির্বাচন, তখন, আবার ২০১৪  সালের আগে অর্থাৎ লোকসভা নির্বাচনের আগে, টেট পরীক্ষা কেবল প্রশ্ন বাসের পিছন জানালা দিয়ে বাইরে পরে গিয়েছিল তাই, আঠারো লক্ষ পরীক্ষা দিল ১%পাস করল। দলের নেতা কর্মীরা যদি আবদার করে একটু মিষ্টি খাবার টাকা নেয় তাতে দোষের কি? হয়তো বলবেন দলের নেতা কর্মীদের বাড়ির লোক বেশি চাকরি পেয়েছেন, এমনকি টেট পরীক্ষা না দিয়েও চাকরি পেয়েছেন। চাকরি তো হয়েছে, ২০১২ থেকে SSC বন্ধ তাতে কি আমরা তো চেষ্টা করে যাচ্ছি, কেবল বিজ্ঞপ্তি তে একটু ভুল বা খুঁত রেখে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়, যাতে কেস হয়। এই তো ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রতি বুথ পিছু প্রায় একশ জনের উপর চাকরি হয়েছে। আবার ২০১৮ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অতো কর্ম সংস্থানের ঘোষণা করে চাকরি দিয়ে ছিলাম বলে উন্নয়ন ঢাল তরোয়াল নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের প্রার্থীদের ভোটে দাঁড়াতে দেয়নি। আবার ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে কতো ঘোষনা সব দফতর কেন্দ্র ও রাজ্য মিলে যা ঘোষণা হলো, দাদা আবার এক কাঠি উপরে যায়, রেলের আবেদন করা শুরু হয়ে গেল, কিন্তু কোথায় কী? আবেদন হলো বেকার ছেলে মেয়ে রা অন লাইন টাকা জমা দিলো, পরীক্ষা আর হল না। দাদা আবার এখন একটা নতুন ব্যবস্থা করে দিতে চাইছেন। যদিও নতুন নয় পুরাতন ব্যবস্থা অল্প পয়সার বা টাকার বিনিময়ে কিছু দিন কাজ করিয়ে নিয়ে পেছনে লাথি মেরে তাড়ানো। এ্যপ্রেন্টিস ব্যবস্থা, কী ভালো না এ্যপ্রেন্টিস করলে চাকরি হবে, তার গ্যারান্টি নেই। একটা ছবি দিচ্ছি আমার কথা সপক্ষে।
যদিও এই ভাবে চাকরির ব্যবস্থা সর্বত্র করা হবে। তবে দিদি দাদা মিলে এতো সুন্দর সব চাকরির ব্যবস্থা করে দিচ্ছে। দেশে আর বেকার থাকবে কেউ? প্রতি নির্বাচন এলে চাকরি ঘোষণা আছে চাকরি হচ্ছে কি? নিশ্চয়ই হচ্ছে না হলে এত ঘোষণা করা হবে কেন। আর মানুষ ওদের ভোট দেবে কেন?

Sunday, 21 July 2019

PRT স্কেলে বেতনের দাবি, দিদি কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি করতে বলেছেন।

PRT স্কেলে বেতন চাই, দিদি কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি করতে বলেছেন। কারণ দিদি বুঝেছেন কেন্দ্রীয় সরকারের স্কুলের বেতন স্কেল চাইছ। আমি মাসে এক লক্ষ সতেরো হাজার টাকা নিই, ওটা দেখলে হবে। অনেক কষ্টে আমি মুখ্যমন্ত্রী হয়েছি। আমি বুঝতে পারছি দিদির রাগ হয়েছে, তোমরা প্রধানমন্ত্রী করে দিদি কে দিল্লি পাঠালে না। দিদির রাগ নেই, ঠিক বলেছেন, বেশি বেশি টাকা বেতন চাই, তাহলে কেন্দ্রীয় সরকারের চাকরি করতে হবে। বলেছেন বাংলায় বেশ কিছু কর্মী কমবে। আমি আবার একটু অন্য ভাবছি, বেতন কমিশন নিয়ে এতো টালবাহানা দশ বছরের বেশি হয়ে গেছে তার দেখা নেই, এখানে ভূমি ব্যাণ্ডের সেই গানের কথা মনে পরছে, "তোমার দেখা নাইরে তোমার দেখা নাই ।" আবার যদি দয়া করে তবে সারা দেশে সব রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় হারে বৃদ্ধি করেছে, আমাদের না কমিয়ে দেয়। যা একজন অর্থ মন্ত্রী আছে না। উনি আর কিছু না পারুক কর্মচারীদের কি ভাবে জব্দ করতে হয় ভালো জানেন। আমাদের দিদি খুব ভালো মানুষ সব কিছু ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে বুঝে নেন । SSC চাকরির তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও চাকরি না পেয়ে আঠাশ দিন অনশন করল তাদের বুঝিয়ে দিলেন ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে কীভাবে তিনি বুঝে নেন। উনি জানেন মানুষ ঠিক ভোট দিয়ে দেবে, সঙ্গে এবার আবার পি কে নামক ওঝা এনেছেন। মানুষের ভুত উনি ছাড়াবেন, কোন সন্দেহ নেই, আহা রে পি কে নামক ওঝা কে যদি লোক সভা ভোটের আগে আনতেন তাহলে আমরা বাঙালি প্রধানমন্ত্রী পেতাম। সারা দেশে কেন্দ্রীয় কর্মীদের হাল আমাদের মতো করে দিতেন আমাদের আর দুঃখ থাকতো না। ঐ বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান কী যেন নাম উনি তো শুনেছি কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী ওনার বেতন কমে পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী হতো, কী মজা হতো, সারা দেশে পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর থাকতো। কারণ আমাদের রাজ্যের কর্মীরা পঞ্চম বেতন কমিশন পায়। সারা দেশে সপ্তম বেতন কমিশন, এই রাজ্যে হবে ষষ্ঠ বেতন কমিশন। আরে প্রথম বেতন কমিশন যুক্ত ফ্রণ্ট গঠন করে ছিল, কিন্তু দিদির বড়ো ভাই মানে কংগ্রেস সরকার দেয়নি। দিদির যেমন করে হোক ক্ষমতা চাই, না হলে কাট মানির কী হবে?

আজ একুশে জুলাই এর সভায় যারা উপস্থিত হয়েছেন তাদের কাছে ছোট প্রশ্ন।

(ছবি টি অন লাইন কলকাতা ২৪x৭ থেকে নেওয়া।) আমি একজন সাধারণ মানুষ আজকের দিন টি তৃণমূল কংগ্রেস শহীদ দিবস হিসেবে পালন করে।যে বর্ণাঢ্য শোভা যাত্রা আর গান শুনতে পেলাম কয়েক বছর তাতে মনে হচ্ছে, শহীদদের আত্মার শান্তি বদলে অশান্তিতে আছে। যখন এ ঘটনা ঘটিয়ে ছিলেন, তখন তিনি কংগ্রেসের যুব নেত্রী। উনি সবসময়ই ধ্বংসের রাজনীতি বেশি করেন। সিঙ্গুরের আশি থেকে নব্বই শতাংশ কাজ হয়ে যাওয়া কারখানা কে তাড়াতে বিধানসভা ভাঙচুর করেছিলেন। আর এই যে শহীদ দিবস পালন করছেন, বিচারপতি কে দিয়ে তদন্ত করেছেন, সেই রিপোর্টে কি আছে কাদের নাম আছে, যারা এই সভায় উপস্থিত হয়েছেন, জানেন। আমার মনে হয় কেউ জানেন না, কারণ সে রিপোর্ট প্রকাশ হয়নি। আমি শুনেছি ঐ সময়ের এক পুলিশ অফিসার বর্তমান শাসক দলের বিধায়ক, যারা গেছেন খুব ভালো করেছেন, যাওয়া উচিত, আপনাদের ছেলে মেয়ে কেউ এই দু তিন বছরে কলেজে ভর্তি হতে হয়েছে, কন্যাশ্রী পঁচিশ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি করেছেন, না মনে হয়? আরেকটা প্রশ্ন প্রধানমন্ত্রী বলুন আর বাংলা আবাসন যোজনায় টাকা পেয়েছেন? সব টাকা আপনি পেয়েছেন? নিশ্চয়ই কারো বাড়িতে SSC পাশ করে চাকরির তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও অনশন করতে হয়নি? ঐ SSC অনশন করতে গিয়ে, যে গর্ভবতী মা তার সন্তান হারা হলো, নিশ্চয়ই আপনাদের বাড়ির কেউ নয়? আমরা বাঙালি জাতি যে বরাবর স্বার্থপর এসব ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরেও যারা মনে করেন যে ও তো আমার সাথে করেনি।
এই রাজ্যের যে কোন নির্বাচন এখন প্রহসনে পরিনত হয়েছে, দিনের পর দিন পিটিয়ে হত্যা, বোমাবাজি বন্দুক পিস্তল নিয়ে রাস্তায় দাপিয়ে বেড়াচ্ছে, কোনো হেল দোল নেই প্রশাসনের। যারা আজ কে গেছেন তারা বলবেন আমার সঙ্গে তো ঘটেনি, আমি এসেছি তো তোর বলে গালাগাল দেবেন। ভেবে দেখুন আজ আপনাদের সাথে ঘটেনি ঠিক কিন্তু ঘটতে কতখন, তবে হ্যাঁ আপনি যদি একশ দিনের কাজের টাকা ভাগ দেন ঠিক মতো তাহলে হয়তো এসব নাও ঘটতে পারে। আমরা বাঙালি জাতি এরকম ওর সাথে ঘটেছে ওতে আমার কি? এই জন্যই ইংরেজ রা বাংলায় বসে ১৭৫৭ থেকে ১৯১১ পর্যন্ত ভারত শাসন করে ছিল। ভিক্ষারি বাঙালি জাতি কে সেদিনও ইংরেজ সরকার কুত্তার মতো দু মুটো ভাত দিয়ে কাজ করিয়ে নিত, আর নিজেরা কোটি কোটি টাকা ইংল্যান্ডে পাঠাত। আজও চিত্র একটুও পাল্টে যায়নি, নেতা মন্ত্রী তথা কথিত এলাকার একটু বড়ো নেতার অবস্থা আগে কি ছিল এখন কি হয়েছে দেখুন। আপনার আমার অবস্থা সেই তিমিরে বলবেন ঢালাই রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছি, ওটা তো প্রধানমন্ত্রী সড়ক যোজনা নাম পাল্টে বাংলা গ্রামীণ সড়ক যোজনা, যদি ১০০ টাকার হিসেব ধরা হয় তবে ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকার কাজ হয়েছে, আর বাকি কোথায় গেছে সবাই জানি। বলবার সাহস নেই, কারণ জনগণের একতা নেই। যারা আজ গেছেন তারা নিশ্চয়ই এগুলো সমর্থন করেন। আরও আছে, সে গুলো নাই বা লিখলাম, যারা গেছেন নিশ্চয়ই তারা চান রাজ্যে অশান্তি বৃদ্ধি হোক, জয় শ্রী রাম বললে পিটিয়ে মেরে ফেলা হবে আবার না বললেও পিটিয়ে মেরে ফেলা হবে। রাজ্য সরকার বা পুলিশ কিছু বলবেন না। আসলে আপনি বা আপনারা গেছেন খুব ভালো করেছেন। আমি মনে করি আপনারা কেউ সারদা রোজভ্যালীর বা অন্য চিটফাণ্ডে টাকা রাখেনি, বা রাখলেও ফেরত পেয়েছেন। আমি আপনাদের যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আপনাদের মত নাগরিক তথা বাঙালি আছে বলে, বাংলায় চুরি করেও ভোটে জেতা সম্ভব। আপনাদের মতো এতো ভালো বাঙালি আছে, তাই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ঢকে উঠে যায় যাক, সব পয়সা দিয়ে বেসরকারি স্কুলে ভর্তি হবে। জঘন্য বই বা সিলেবাসের জন্য, এবছর প্রায় তেইশ লক্ষ ছেলে মেয়ে বা ছাত্র ছাত্রী কমেছে সরকারি বিদ্যালয়ে। যদি ২৩ লক্ষ কে ৩০ দিয়ে ভাগ করেন তাহলে দেখবেন কত গুলো বেকার ছেলে মেয়ে সরকারি চাকরি হারালো। আমি আশা করব আপনাদের কারো ঘরে বেকার ছেলে মেয়ে নেই, থাকলেও তারা চপ শিল্পে কর্মরত। আমি আর আজেবাজে কিছু লিখেছি না আপনারা যারা গেছেন ভালো থাকুন। নিজের স্বার্থের কথা ভাববেন অপরের ক্ষতি করে নিজের আখেরে গুছিয়ে নেবেন। আর যখন দেখবেন আপনার দলের লোক আপনার স্বার্থে আঘাত করেছে, তখন আর কাউকে সাথে পাবেন তো!

Saturday, 20 July 2019

পশ্চিমবঙ্গে ফেরত এসেছে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ এর কালো দিন।

আজ অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের অবস্থা ১৯৭৭ এর থেকেও খারাপ। একটু বয়স হয়েছে এমন ব্যক্তি কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলতে পারবেন, ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ পশ্চিমবঙ্গে কী চলেছিল। আজ তার থেকে আরো খারাপ অবস্থা, কথায় কথায় মানুষ খুন যেন জল ভাত সে পিটিয়ে হোক বা অন্য ভাবে, দোষ থাক বা না থাক। মানুষের আয় উপায় প্রায় বন্ধ, লোকের কাছে চেয়ে চিন্তে নিতে হচ্ছে। রাজ্যে অলিখিত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। মানুষের হাতে টাকা নেই, ক্রয় ক্ষমতা কমে গেছে, সেই সময়ে অর্থাৎ ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭ সরকারি কর্মীদের ডিএ বা পে কমিশন নিয়ে আন্দোলন করলে জুটেছে বদলি, বরখাস্ত, আর অস্থায়ী হলে ছাঁটাই। শিক্ষক দের বেতন বৃদ্ধি নিয়ে কথা বললে বা যারা যুক্ত ফ্রন্টের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে ছিল, তাদের দূরে দূরে বদলি করা হয়েছে। আমি তো এসব অল্প বিস্তর দেখেছি। আমার থেকে যারা বয়স্ক তাদের জিজ্ঞেস করে দেখতে পারেন, যে বর্তমান পরিস্থিতি যা সেই সময়ের সাথে তুলনীয় কিনা? কেমন চলছে বলছি আমি শাসক দলের নেতা মন্ত্রী কর্মী, আমি যা বলব সেটাই হবে। আমার মুখের কথা আইন, জনগণ দু মুঠো ভাত খেতে দিলে ভুলে যাবে। জনগণ তো ভিক্ষারি, আমাদের তোলা বাজি কাট মানি ঘুষ থাকলেই হবে। আর কাট মানি ৭৫%যদি উপর মহলে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে তার মতো ভালো নেতা আর হয় না। পরিবর্তনের পর থেকে মানুষ দেখে আসছে, অবস্থা দিনের পর দিন খারাপ হয়ে গেছে। খুন, ধর্ষণ, গন পিটুনি আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়া পুলিশ কে পিটুনি, শিক্ষা তথা শিক্ষকের উপর অত্যাচার, সরকারি কর্মীদের ও শিক্ষকদের বেতন না দিয়ে ভয় দেখিয়ে কাজ করতে বাধ্য করা না হলে বদলি সাময়িক বরখাস্ত এসব ঐ সময়ে লেগেছিল। এখনো সেটাই হচ্ছে, কোনো অংশে কম নেই, কারণ এই সরকার ইচ্ছা নেই শান্তি ফিরিয়ে আনার, এরা অশান্তি তে ডক্টরেট করে ক্ষমতায় এসেছে, সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে চলেছেন। ভাট পাড়া, কাকিনাড়া, কাঁচড়াপাড়া, নৈহাটি সেই ভোটের আগে থেকেই দাঙ্গা ছিল এখনও থামেনি। সরকারি কর্মীদের অবস্থা তথৈবচ, চাকরি প্রার্থীরা চাকরি পেতে অনশন করে ছিলেন, তাদের চাকরি এখনও হয় নি। আবার শিক্ষকরা সঠিক বেতনের আশায় অনশনে। সরকারি কর্মীদের ও কয়েক জন শিক্ষক যারা আন্দোলন করে ছিল তাদের দূরে বদলি করা হয়েছে। আবার কিছু দিন আগে ডাক্তার দের আন্দোলন দেখেছে মানুষ। ভাট পাড়ার গণ্ডগোলের ছবি।

মন্ত্রী মশায় একেবারে ঠিক কথা বলেছেন।

জানি না এসব অন লাইন খবর কজন পড়েছেন।তবে খবর টি পড়ে আমার খুব ভালো লাগলো, তাই লিখছি, নন্দীগ্রাম আন্দোলন নিয়ে বলছেন, যে ওনি নাকি নন্দীগ্রাম আন্দোলনে ডক্টরেট করেছেন। একদম খাঁটি কথা, কীভাবে গত ২০০৬ থেকে সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম আন্দোলন হয়েছে, তার সিবিআই রিপোর্ট ওনার সরকারের কাছে আছে। যে রিপোর্টের সম্পূর্ণ ভাবে এখনও প্রকাশ হয় নি। যে টুকু প্রকাশ হয়েছে, তাতে নন্দীগ্রাম যে চোদ্দ জন মানুষ খুন হন, তারা পুলিশের গুলিতে নয়, তৎকালীন মাওবাদী ও পরে তারা তৃণমূলের নেতা কর্মী বলে পরিচিত হয়ে ছিল। ওনার কথা বা ঐ সাংবাদিকের কথা অনুযায়ী সি পি আই এম চল্লিশ জন কে খুন করেছে নন্দীগ্রাম আন্দোলনে। আমি যতদূর জানি সি বি আই রিপোর্ট অন্য কথা বলছে। আমি জানি বড়ো বড়ো রাজনৈতিক নেতা মন্ত্রীরা মিথ্যে কথা বলেন।
যতদূর জানি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ট ট্রাম্প থেকে শুরু করে আমাদের প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী তো এ বিষয়ে মানে মিথ্যে কথায় ডক্টরেট করেছেন। আমি ভাবতাম আপনি মিথ্যা বলেন, কিন্তু এতোটা মিথ্যে কথা বলবেন ভাবতে পারিনি। আপনি মিথ্যার মধ্য দিয়ে সত্যি কথা বলে ফেলেছেন। তৃণমূল দল টা ঐ মারা মারি মানুষ খুন, তোলাবাজি, কাট মানি নেওয়াতে ডক্টরেট করেছে, সে তো আমরা ২০১১সালের পর রাজ্যের প্রতিটি নির্বাচনে দেখতে পাচ্ছি। সাধারণ মানুষ থেকে ভোট কর্মী কেউ বাদ থাকছে না, তালিকা থেকে। একটা নির্বাচনও শান্তি পূর্ণ হয়নি, ২০০৯ ও ২০১১ সালের নির্বাচনের মতো, অথচ আপনার নেত্রীর দাবি ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে শান্তি পূর্ণ নির্বাচন করতে হবে। আজ তিনি ভুলে গেছেন, জনগণ মনে রেখেছে, আমার অনুরোধ আপনারা রাজ্যের অনেক উন্নয়ন করেছেন। তাহলে নির্বাচনের সময় মানুষ কে বিশ্বাস করতে পারছেন না কেন? কারণ মানুষ উন্নয়ন দেখেছে নেতা মন্ত্রী দের, তিনশ টাকার মজুর আজ তিনশ কোটি টাকার মালিক। আমার একটা অনুরোধ আগামী ২০২১ সালের নির্বাচনে একটা মানুষ খুন হবে না এখন থেকে আপনি বলুন মানুষ কে আশ্বাস দিন। হুমকি নয় সি পি আই এম এর কিছু কিছু নেতা কর্মীরা শেষের দিকে এভাবে মানুষ কে ভয় দেখাতে শুরু করে ছিল, তাদের পরিনতি ভালো হয়নি। আপনি বি জে পি কে বলছেন, এবার ভাবুন মানুষ সি পি আই এম এর হুমকি আর অত্যাচার থেকে বাঁচতে নাকি আপনাদের ভোট দিয়ে ছিল। এবার যখন বুঝতে পারছে আসলে অত্যাচারি আপনারা আপনার দলের নেতা কর্মীরা, নিজের আখের গোছাতে যে কোন কাজ করতে পারে। সে নিজের দলের লোক কেও খুন করতে পারে। আর আপনার দলের এসব অত্যাচার থেকে বাঁচতে মানুষ বি জে পির দিকে ঝুঁকেছে। মানুষ বাঁচাতে চায় দু বেলা খাবার না জোটে ক্ষতি নেই, কিন্তু শান্তিতে বাঁচাতে চায়। একবার আপনি হুমকি দিচ্ছেন, একবার বি জে পি হুমকি দিচ্ছে। মাঝখানে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে টানাটানি। যতটা সম্ভব রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের লেখা "রথ যাত্রা" বলে একটা কবিতায় ছিল, " রথ বলে আমি বড়ো /পথ বলে আমি /রথে বসে হাসেন অন্তর্যামী।" যাহোক ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। 

কী জানি কারা আবার সপ্তম বেতন কমিশন চেয়ে বসল!

আমি জানি না কোন প্রাথমিক শিক্ষক সংগঠন ২০/৭/১৯ এ কলকাতা মিছিল করে সপ্তম বেতন কমিশন চেয়ে বসল ।বর্তমান মান রাজ্য সরকার ষষ্ঠ বেতন কমিশন দিচ্ছে না।যোগ্যতা অনুযায়ী বেতনের দাবি মানছে না। এর পর এই সংগঠনের দাবি সপ্তম বেতন কমিশন, তোরা থাম ভাই, তোরা ভাই আগামী ২০২৬ সালের পর আন্দোলন শুরু করিস, তখন সপ্তম বেতন কমিশন হবে। এখন ষষ্ঠ বেতন কমিশন কার্যকর করা হোক, এই ষষ্ঠ বেতন কমিশনের চেয়ারম্যান এখন নিরুদ্দেশ, এখনও রিপোর্ট জমা দিতে পারেননি। এর উপর আবার সপ্তম বেতন কমিশন, এসব না জানার ফল, শিক্ষক দের ঐক্য ভাঙ্গার কৌশল, তবে এটাও ঠিক শিক্ষক কুল যাতে ঐক্য বদ্ধ হয়ে লড়াই করতে না পারে তার জন্য কত চেষ্টা, শিক্ষক দের জন্য বিশেষ কিছু করেনি এই সরকার। তবে এটা সপ্তম বেতন কমিশন নয় ষষ্ঠ কারণ ১৯৬৭ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার প্রথম বেতন কমিশন তৈরি করে ছিল, কিন্তু ঐ সরকার কে ১৯৬৯ সালে ভেঙে দিয়ে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল। আবার ১৯৭১ সালে কংগ্রেস সরকার ক্ষমতায় এসে ছিল। সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায় মুখ্যমন্ত্রী ঐ কংগ্রেস সরকার প্রথম বেতন কমিশন দেয়নি। আবার ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার ক্ষমতায় এসে ১৯৮০ সালে প্রথম বেতন কমিশন কার্যকর করে ছিল।পর পর পাঁচ টি বেতন কমিশন দিয়ে ছিল। আর আজ যারা ক্ষমতায় আছে, সেই শাসক দল কংগ্রেসে ভেঙে জণ্ম এই দলের, আমার সন্দেহ আছে এই শাসক দলও মনে হয়, বেতন কমিশন দেবেন না। কারণ আমরা দশ বছর চার মাস আগে বেতন কমিশন পেয়ে ছিলাম। ২০০৯ সালের এপ্রিল মাস থেকে, দশ বছর পর পর বেতন কমিশন হয়। বামফ্রন্ট কিন্তু চৌঁত্রিশ বছরে পাঁচটি বেতন কমিশন দিয়ে গেছে। আর এই সরকার এখনও বেতন কমিশনের রিপোর্ট জমা নিতে পারে নি। তাই যারা সপ্তম বেতন কমিশন বলছেন ওটা আসলে ষষ্ঠ হবে। এই রাজ্যের কর্মীরা কেন্দ্রীয় বেতন কমিশনের থেকে একটা কম পান। কার ভুল সাংবাদিকদের না যারা আন্দোলন করতে গিয়ে ছিলেন, তাদের, ভুল ত্রুটি সংশোধন করে দেবেন। 

Friday, 19 July 2019

খবরের শিরোনাম দেখুন, দফতর নেই, দরপত্র ডাকা হয়েছে।

দেখুন খবরের শিরোনাম দেখুন, দফতর নেই ডাকা হয়েছে দরপত্র। কলকাতা কর্পোরেশন কাজ।মেয়র কে? তোয়ালের নীচে টাকা নেওয়া একজন বড়ো চোর। যাকে সি বি আই নোটিশ পাঠায়, আমাদের বাংলার লজ্জা, যে পদে একদিন নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোসের মতো মানুষ বসে ছিলেন। সে পদের সর্বোচ্চ কর্তা কে অর্থাৎ মেয়র কে সিবিআই নোটিশ পাঠায়, তিনি নির্লজ্জের মতো ঐ পদে বহাল তবিয়তে বসে আছেন। বাঙালি জাতির এতো অধঃপতন ভাবা যায়। টিভি চ্যানেল দেখাচ্ছে, তোয়ালের নীচে লাখ লাখ টাকা নিচ্ছে, এর পরেও বলছেন, আমি টাকা নিইনি নির্দোষ। শুধু উনি নন ঐ দলের প্রত্যেক নেতা মন্ত্রী কর্মী সব চোর চিটিংবাজ, তোলাবাজ, জানি না বাঙালি জাতি তথা পশ্চিমবঙ্গের এই বদনাম কবে দূর হবে। যদিও সিবিআই কিছু করে না, ও মাঝে মাঝে একটু চাগার দেয় যখন নতুন অফিসার আসে, ঠিক মতো উপঢৌকন দিলেই সব তদন্ত চলছে চলবে। এই রকম একটা মানুষ ঐ সংস্থার মাথায় সেখানে এই শিরোনামে খবর হবে না এতে আশ্চর্য হবার কিছু নেই। 

শিক্ষক আন্দোলন ও শিক্ষা মন্ত্রী।


আজ সন্ধ্যায় শিক্ষা মন্ত্রী বলেন সরকারের টাকা নেই। তাছাড়া এই দায় বামেদের, এই কারণেই আমার এই লেখা। আচ্ছা, আমাদের রাজ্যের বর্তমান শাসক দল দ্বিতীয় বার ক্ষমতা এসে যাকে শিক্ষা মন্ত্রী করলেন। তিনি শিক্ষা মন্ত্রী হবার কতটা যোগ্য আমার জানা নেই, ওনার সম্পর্কে এটাও শোনা যায়, উনি পি এইচ ডি করেছেন অন্যের লেখা নকল করে। যা হোক এই সরকারের মুখ্যমন্ত্রী কেবল ভুল বকেন তা নয় সবাই মিলে মিথ্যা কথা বলার পাঠশালা খুলেছে এটা এক প্রকার ঠিক, বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী না জেনে বা জেনেও মিথ্যে কথা বলছেন। আজ নজর বন্দী বলে একটা অন লাইন নিউজে বেড়িয়ে ছিল। যে ২০০৯ সালের সমস্যা ২০১৯ সালে এসে দাবি করা হচ্ছে। এই কথাটা কতটা ভুল বা মিথ্যা সেটা নিয়ে এর আগে আমি লিখেছি। আবার আজ এই খবর পড়ে লিখতে বাধ্য হলাম। ২০০৯ সালে যখন পে কমিশন দেওয়া হয়, তখনও RTE বিল লোক সভায় পেশ করা হয়নি। কারণ ২৭/২/২০০৯ পঞ্চম পে কমিশন ঘোষণা করা হয় বা লাগু করা হয়। আর RTE লোক সভায় পেশ হয়ে ছিল April 2009 এ,আর সারা দেশে RTE 9 চালু করা হয় ২০১০ সালে। অতএব তখন পর্যন্ত শিক্ষকদের যোগ্যতা মান ছিল মাধ্যমিক, আগষ্ট ২০১২ সালে সরকারি আদেশ হয়, ৩/৯/২০০১ এর পর থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত সমস্ত শিক্ষক কে উচ্চ মাধ্যমিকে ৫০%নম্বর বা graduation থাকতে হবে ।
এই রাজ্যে যোগ্যতা অর্জন করতে আদেশ হলো ২০১২ সালে তখন এই রাজ্যে ক্ষমতায় কারা। এই সরকারের আমলে যোগ্যতা বাড়াতে হলো আর বেতন বৈষম্য দূর করে যাবে বামফ্রন্ট। ভাগ্যভালো উনি এটা বলেননি, যে ষষ্ঠ বেতন কমিশন বামফ্রন্ট সরকার কেন দিয়ে যায়নি। আরেক টা কথা মুখস্থ করে রেখেছে, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী থেকে সব নেতা মন্ত্রী, টাকা নেই, বামেদের করে যাওয়া দেনা শোধ করতে হচ্ছে। এই সরকার এসে কত টাকা ঋণ করেছে, একবারও বলছে না। আর টাকা নেই, নিজেদের বেতন কি করে এক লক্ষ টাকার উপরে বাড়িয়ে নিলেন। অপচয় বা বাজে খরচ করতে টাকা আছে কেবল বেতন কমিশন, ডিএ এবং অন্যান্য কর্মীদের বেতন বাড়ানোর দাবি মেনে নেওয়ার জন্য টাকা নেই। কোটিপতি মেয়ে /ছেলে /কন্যাশ্রী /যুবশ্রী /সবুজ সাথীর সাইকেল পাচ্ছে, ক্লাব কে টাকা, পুজো কমিটি কে টাকা দেওয়ার সময় টাকা আছে, এগুলো অপচয় নয়। আসলে তা নয় এই সরকারের মন ভাব হলো আমি বেতন দেবনা বা যতটা পারব কম বেতনে খাটিয়ে নেব। আর কাজ না করলে আছে বিভিন্ন রকমের শাস্তি বদলি,/সাময়িক বরখাস্ত /চরিত্রের দোষ দিয়ে হেনস্থা /চুরির বদনাম দিয়ে হেনস্থা। এই সব কাজ করতে বেশ কিছু সরকারি কর্মীও আছেন। যারা নিচের দিকের কর্মী দের মানুষ বলে মনে করেন না। এদের কাজে লাগিয়ে, এই সরকার কর্মচারী দের দিনের পর দিন বঞ্চনা করে যাচ্ছে। অর্থাৎ যেমন সরকার তেমন তার মন্ত্রী তেমন তার কিছু কর্মী। মন্ত্রী মশায় আপনার কথার মধ্যে কোনো নতুন কিছু নেই। নিজের চোখ মুখ এমন ফুলিয়ে ছেন, এর পর বললে আর কেউ বিশ্বাস করবে না।

কথায় কথায় মানুষ খুন, বাংলায় আজ জ্বলছে আগুন।

পশ্চিমবঙ্গের নয়া প্রকল্প ভোট এলে চালু হয় পিটিয়ে হত্যা। ভোটার কে ভয় দেখাতে বিরোধী দলের নেতা কর্মীদের খুন, অপহরণ ভয় দেখিয়ে ভোট আদায়। গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় থেকে শুরু করে গত লোকসভা ভোট মানুষ এগুলো দেখে এসেছে। লোকসভা ভোট শেষ হয়ে গিয়েছে, তবুও থামেনি খুন খুনি মার পিট দাঙ্গা। দল ধরে রাখতে মুখ্যমন্ত্রী নয়া চাল কাট মানি ফেরত দাও। আর এই কাট মানি নিয়ে দিকে দিকে নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ হচ্ছে, আবার বর্তমানে রাজ্যের বিরোধী হিসেবে উঠে আসা বি জে পি এটা কে নিয়ে নেতা কর্মীদের বাড়িতে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে। কোথাও শালিসি সভা করে, কোথাও হুমকি দিয়ে কাট মানি ফেরত চাওয়া হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে কিছু নেতা কাট মানি জনগণ কে ফেরত দিচ্ছে। এ ঘটনাও ঘটেছে,
এরকম কাট মানি ফেরত দেওয়ার ঘটনা অনেক ঘটেছে। এ থেকে বোঝা যায় বিপুল পরিমাণ টাকা তোলা হয়েছে মানুষের থেকে, সেই টাকার একটা ক্ষুদ্র অংশ আমরা জানতে পারছি। এরকম কত টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে, যার হিসেবে নেই। তাইতো আজ বিভিন্ন গ্রামে গঞ্জে নিজের দলের মধ্যে মারামারি দাঙ্গা বিধায়ক খুন, কাউন্সিলর কে পিটুনি, কত না ঘটনা ঘটে চলছে। যার খুব ক্ষুদ্র অংশ খবরে আসে, বাকি টা আমরা জানতেও পারি না। আর যে সব কাট মানির কথা আমরা জানি বা জানতে পারছি সে গুলো সব ছোট নেতা কর্মীদের, কিন্তু বড়ো রাঘব বোয়াল যারা এভাবে কোটি কোটি টাকা হজম করে ফেলেছেন, তাদের ধরবে কে? যাতে রাঘব বোয়াল দের গায়ে হাত না পড়ে সেই জন্যই পুলিশকে তদন্ত করতে বা টাকা আদায়ের কাজে না লাগিয়ে, পাবলিকের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আর এ কারণেই ভাটপাড়া, নৈহাটি, কাঁচরাপাড়া আজও গণ্ডগোল থামেনি। রাজ্য সরকার চাইছে রাজ্যে গণ্ডগোল হোক কিছু লোক মারা যাক, এই সরকারের কাছে মানুষের কোনো দাম নেই। যেমন করে হোক ক্ষমতা দখল করতে হবে।রাজ্যে বেকার সমস্যা তিন গুণ তাতে কাগজে বিবৃতি দিয়ে বললেই হবে। রোজ কাগজে একটা কলম থাকছে, "সু খবর রাজ্য সরকার এতো লোক নিয়োগের পথে।" একই কথা বিভিন্ন ভাবে দেওয়া হচ্ছে, আবেদন করা যাবে বলে বলা হচ্ছে, কিন্তু কোথাও আবেদন করা যাবে না। এরকম চলবে আগামী ২০২১ পর্যন্ত। মানুষ কে বিভ্রান্ত করে ভোটে জেতার চেষ্টা, আরও হয়তো দেখা যাবে বিজ্ঞাপন দেওয়া হবে, সারদা, রোজভ্যালীর টাকা যে সব নেতা মন্ত্রী নিয়েছে তারা টাকা ফেরত দেবে বলছে। এটা হবে ঠিক বিধান সভা ভোটের আগে।রাজ্য সরকার এই দাঙ্গা জিইয়ে রাখবে, কারণ মানুষকে দেখাতে চাইছেন বিরোধী দল এই দাঙ্গা করছে। ভোটে জেতার জন্য ভালো পথ বেছে নিয়েছে শাসক দল। তাই এই রাজ্যে কবে শান্তি আসবে কেউ জানে না। অশান্তির আগুন লেগে ছিল ২০০৬ সাল থেকে লাগিয়ে ছিল বর্তমান শাসক দল। সে আগুন এখনও নেভেনি। কত যে গন পিটুনি হচ্ছে, কত মানুষ খুন হলো তার ঠিক হিসেবে নেই। 


পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...