Anulekhon.blogspot.com

Saturday, 22 June 2019

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক দলের নেতা ও কর্মীরা কাটমানি!

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের কাটমানি খাওয়া বন্ধ হলে আর কেউ রাজনীতে আসবে না। আজ বলে নয় বাঙালি জাতিকে ঘুষ দেওয়া নেওয়া শিখিয়েছে ইংরেজরা। বাঙালি কে আরাম প্রিয় করে তুলেছিল ইংরেজরা। বঙ্কিম চন্দ্রের সেই সময় কার বাবু সময় কার বাবু সম্প্রদায় নিয়ে লেখা আমরা পড়েছি, আর সেই ধারাবাহিকতা আমরা এখনো রক্ষা করে চলেছি। তোলা তোলা ঘুষ দেওয়া নেওয়া কাট মানি খাওয়া এসব বাঙালি জাতির মজ্জাগত অভ্যাস, খাটব না আরাম করে বসে বসে খাব হুকুম করব, নিজে কিছু করব না, অপরকে কিছু করতে দেখলে বাধা দোব, প্রতিবেশী কিছু করলে তাকে বাধা দেব, আমি ভালো থাকব আর ভালো পড়ব। আজ এটাই বাঙালি জাতিটা কে এক হতে দেয়নি, তবে তখনও ব্যতিক্রম ছিল আজও আছে, সেই ব্যতিক্রমী মানুষ সেই সময় বাঙালি জাতি কে এক করার চেষ্টা করে গেছেন। তারা বাংলা তথা বাঙালির উন্নতির জন্য নিজের সর্বস্ব দান করে গেছেন। আর কিছু বাঙালি পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ গড়ার জন্য নিজের জীবন বাজি রেখে লড়াই করে গেছেন।
যাহোক যে কথাটা আজ ক দিন হলো মিডিয়াতে ঘুর পাক খাচ্ছে, কাট মানি ফেরত দেওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। আমার মতে খুব ভালো উদ্যোগ কিন্তু এ বিষ তো আজকের নয় এই বাংলায়, বহু বছর কেন যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তারকেশ্বরের এক সভায় বলে দিয়েছেন, কাট মানি একা খেলে হবে না। আবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে কর্মী সভায় ঠিক করে দেন কত শতাংশ কোথায় দিতে হবে। বামেদের সময়েও কাট মানি নেওয়া হয়েছে, প্রথম থেকেই, তবে সেটা অতো তীব্র ছিল না। পার্টি ফাণ্ডের নাম করে যারা দরপত্র পেত বিভিন্ন সরকারি কাজে তাদের থেকে নেওয়া হতো। এখন ওটা হয়ে গেছে পঞ্চায়েত কোন শংসাপত্র নিতে হলে, সে মৃত্যুর হোক বা জণ্মের আবার যে কোন কারণেই টাকা দিলে তবেই কাজ মেলে, এই তোলা তোলা কাট মানি বামেদের শেষ দিকে খুব তীব্র আকার ধারণ করে ছিল। তখন কার মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এগুলো বন্ধ করার চেষ্টা করে ছিলেন, তার সেই চেষ্টা সফল হয়নি। সেই সব তোলা বাজরা তোলা বাজ দল বদলে তৃণমূলে আশ্রয় নেয়। আমাদের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী তাদের আদর করে দলে নিয়ে ছিলেন। আমার মনে হয় দিদি কাট মানি ফেরত দিতে বলছেন, এটা মানুষের মন পাওয়ার চেষ্টা, কারণ আমি একটা উদাহরণ দিই তাহলে বোঝা যাবে, এ নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে লিখছি, কোনো বদল হয়নি। এবারো সেই একই ভাবে আদেশ হয়েছে, আমি বলছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের পোশাকের কথা, এবারো সেই SHG পোশাক দেবে। অনেকেই বলবেন SHG দেবে তোমার আপত্তি কেন? আমার আপত্তি নেই, ওরা পোশাক দিয়ে টাকা নিয়ে চলে যাবে, তার পর ছেঁড়া ফাটা ছোট বড়ো পাল্টানোর সময় আর আসবে না। সিঙ্গুরে কোনো দল পোশাক তৈরি করে দেয় না। তারা সিঙ্গুরের কোনো দোকান কে অর্ডার দিয়ে দেয় ঠিক ভাবে মাপ নেয় না। ঠিক এই জুতো দেওয়ার মতো জামা দিতে আসবে ডিসেম্বরে যখন চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছাত্রীরা বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাবে তখন। সরকারি নির্দেশ মেনে দেবে না, এবার প্রতি ছাত্র পিছু ছ'শো টাকা এসেছে, যখন চার শ ছিল তখন সৃষ্টি নামক একটি দলের কাছে শুনেছি প্রতি ছাত্র পিছু পঞ্চাশ টাকা করে দিতে হয়েছে। তবে তারা পোশাক দেওয়ার অর্ডার পেয়েছে। তারা কেউ পোশাক তৈরি না করে পোশাক দিচ্ছে, কাট মানির কী সুন্দর ব্যবস্থাপনা। আমি জানি মুখ্যমন্ত্রী যতই বলুক ওটা মুখের কথা আসলে দালালি করে তোলা বাজি করে, কাট মানি নিয়ে টাকা ইনকাম চলছে চলবে। না হলে সিঙ্গুরের অনেক নেতা এতো দিন নেতা থাকতো না।



বেতন কমিশন নিয়ে এতো বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কী?

বেতন কমিশন নিয়ে এতো বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কী? কেন এই ভাবে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। গত ১৩/৬/১৯ অভিরূপ সরকার আর মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের পর এই সব সংবাদ সংস্থা লিখল আগামী জুলাই মাসেই বেতন কমিশন কার্যকর করা হবে, তবে কোন জুলাই মাসে অর্থাৎ কোন সালের সেটা বলা বা লেখা হয়নি। কারণ আমি জানি ওটা একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী ছাড়া আর কেউ জানে না। এমন ভুল খবর দেওয়ার দরকার কি? কখনো বলা হচ্ছে, বাইশ শতাংশ আবার কখনো বলা হচ্ছে চোদ্দ শতাংশ কেউ কেউ আবার ২.৫৭ ও ২.৩৫ ফিডমেন্ট ফ্যাক্টর হবে। আমি জানি মুখ্যমন্ত্রী
অভিরূপ সরকার কে কী বলেছেন সেটা তাঁরা জানানেন, আদৌ পে কমিশন দেবেন কিনা? কারণ দশ বছর আগে ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে পঞ্চম  বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা হয়েছিল। এই সরকার কর্মচারী মারা সরকার, ক্ষমতায় আসার আগে অনেক ভালো ভালো কথা আর ক্ষমতায় এসে অন্য রূপ, এই দ্বিচারিতা কংগ্রেস কে সরিয়ে ১৯৭৭ সালে বামেরা ক্ষমতায় এসে ছিল, তারা যে সব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল, সে সব পুরণ করে ছিল। আপনি কিন্তু উল্টো দিকে হেঁটেছেন। বিশেষ করে সরকারি কর্মীদের ও শিক্ষক ও অন্যান্য কর্মী দের সাথে আপনি প্রতি মুহূর্তে বিভিন্ন রকম বঞ্চনা করে চলেছেন, অথচ তারা আপনার সমস্ত ঐ অপচয়ের প্রকল্প গুলো চালু করতে সাহায্য করে যাচ্ছে । আজ দশ বছর হয়ে গেল বেতন কমিশন পেয়ে ছিল সরকারি কর্মীরা। ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে পঞ্চম বেতন কমিশনের সুপারিশ কার্যকর করা হয়েছিল। আজ ২০১৯ সালের জুলাই মাসে এসেও আপনি বেতন কমিশন কার্যকর করতে পারেন নি।আপনি যত এই ভাবে সরকারি কর্মীদের ও শিক্ষকদের বেতন বঞ্চনার করবেন তত আন্দোলন বাড়বে। তবে এটাও ঠিক ঐ বেতন বেতন খুড়োর কলে মূলো ঝুলিয়ে রেখে দিয়েছেন, আর এখন আপনি টাকার অজুহাত আপনার সামনে রয়েছে, অথচ বিভিন্ন প্রকল্পের নামে, সে গুলো যাদের দরকার নেই, তাদেরও দিতে হবে এই ভাবে টাকার অপচয় করে যাচ্ছেন। আর কর্মী দের বঞ্চিত করে যাচ্ছেন। আপনি আর আপনার ঐ সচিব কুল যারা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী তাদের ও অর্থমন্ত্রীর কথায় এসব কর্মচারী মারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। অর্থ মন্ত্রী উনি তো ফিকি নামক ব্যবসায়ী সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন, উনি ব্যবসায়ীদের ঋণ নিয়ে শোধ না করার এবং সরকারের ইনকাম ট্যাক্স না দিয়ে কর্মীদের বেতন কম দিয়ে কি ভাবে মুনাফা বেশি করা যায় তার যুক্তি দিতেন। শুনুন দিদি ও গুলো কারখানা বন্ধ করে দিতে ভালো কাজে লাগে, সেই রকম ভাবে আপনি আর কোন দিন যাতে ক্ষমতায় না আসেন তার ব্যবস্থা করতে ওনাদের ঐ কথা গুলো কাজে লাগবে। আপনি ওদের পরামর্শ না নিয়ে কাজ করেন তাহলে আপনি নিজেই যদি সিদ্ধান্ত নেন তবে এটাও ঠিক যে এই বেতন কমিশন না দিয়ে সরকারি কর্মীদের ও শিক্ষক সহ অন্যান্য কর্মীদের বঞ্চিত করে থাকেন, এটা আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত, আপনি আপনার দল আর কোন দিন ক্ষমতায় আসতে পারবেন কি না জানি না।

Thursday, 20 June 2019

বর্তমান সরকারের শিক্ষকের প্রতি আচরণ।

২০১১ সাল বামফ্রন্ট সরকার হেরে গেল, সরকার বদল হলো। সকলে ভাবল খুব ভালো হলো, এর মধ্যে অনেক শিক্ষক ও ভাবল আগের সরকার শিক্ষকদের ডিএ দেয় পে কমিশনের আওয়াত এনে দেয় কিন্তু দেরি করে, এই সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে সঙ্গে দেবে বলেছেন। শিক্ষক দের দাবি গুলো মেনে তাদের সণ্মান দেবেন। ক্ষমতায় এসে এই সরকার একটা কাজ করলেন, শিক্ষক দেখা বেতনের টাকার উপর এম বার্গ ছিল, কোনো মাসে দশ তারিখের আগে তাদের বেতন হতো না। এই সরকার সকলের বেতন প্রতি মাসের এক তারিখে দেওয়ার ব্যবস্থা করলেন। শিক্ষক কুল ভাবল এই তো আমাদের অনেক দিনের একটা দাবি পূরণ করে দিলেন। আরেক দিকে সরকার শিক্ষক দের বেতন সহ নানা কাজ অন লাইন করে দিলেন। আবার আমরা এটাও দেখলাম, শিক্ষকদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হলো, বা এখনো হচ্ছে, বাঁকুড়া পুরুলিয়া বর্ধমান দুই মেদিনীপুর প্রায় সর্বত্র বাম মন ভাবাপন্ন শিক্ষকের কাছ থেকে টাকা তোলা শুরু হলো, না হলে ঐ এলাকায় শিক্ষকতা করা যাবে না। একটা উগ্র বাম বিরোধীতা শুরু করা হলো চার পাশে, শিক্ষক নিয়োগ বন্ধ করে দেওয়া হলো, মাঝে মাঝে টেট, এস এস সি পরীক্ষা নেওয়া হলেও সেটা প্রহসন, সঠিক বেকার যুবকদের চাকরি হলো না। শাসক দলের কর্মী সমর্থক দের বাড়ির লোকজন চাকরি পেল, টেট বা এস এস সি পরীক্ষায় না বসে কেবল নেতা মন্ত্রী ধরে চাকরি করতেন এলেন, অর্থাৎ শিক্ষক হলেন। আমি ঐ সব বেকার ছেলে মেয়ে দের ছোট করছ না। বেবেকা ছেলে মেয়ে সে যে ভাবে চাকরি পাওয়া নিয়ে বিষয়, কিন্তু লাখ লাখ টাকা ঘুষ দিতে হবে কেন? অনেকেই ঘুষ দিতে না পারার জন্য পরীক্ষায় পাশ করেও চাকরি পেল না। যার জন্য নানা কেস শেষ পর্যন্ত আঠাশ দিনের অনশন, সে অনশন যারা করল এক গর্ভবতী মায়ের গর্ভস্থ সন্তান নষ্ট হয়ে গেল, তাদের নিয়োগের ব্যবস্থা চলছে, জানি না সবাই চাকরি পাবে কি না? এই সরকার ক্ষমতায় এসেই প্রতি পদে পদে শিক্ষকদের বিভিন্ন ভাবে অপমান আর বঞ্চনা করে যাচ্ছে, বাম আমলের শেষ দিকে এসে শুরু হয়েছিল। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বাম সরকারের ভিত ছিল, সেই শিক্ষকরা যখন অপমানিত বোধ করে ঐ সরকারের পাশ থেকে সরে গেল তখন তার পতন হয়েছিল। আর বর্তমান শাসক দল বারবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক শিক্ষিকা দের নানা ভাবে হেনস্থা করে চলেছে। সে ভি ই সির মাধ্যমে হোক বা সরকারের বিভিন্ন সময়ের প্রকল্প হোক। এক নম্বরে আছে মি ডে মিল সর্ব শিক্ষার টাকা অনেক দিন আগে হুগলির এক জেলা শাসক বলে দিলেন, পোশাকের টাকা নিয়ে শিক্ষকরা ম্যালা প্র্যাকটিস করে। শিক্ষকরা কি করত? প্রাক প্রাথমিক শিশু দের টাকা আসত না, তাদের একটা করে পোশাক দিতে বলতেন, সেই জন্য পোশাক ম্যালা প্র্যাকটিস করে। আর SHG দল পোশাক দিচ্ছে, কী হয়েছে, সব থেকে ছোট ওদের তো দেয় না। আর পোশাক ছ মাসো যাচ্ছে না, ছিঁড়ে চলে যাচ্ছে। এখানে একটা কথা বলি, সিঙ্গুর ব্লকের মির্জাপুর বাঁকিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সৃষ্টি সংঘ পোশাক দিয়েছিল, তাদের দলনেত্রী বলেই দিচ্ছিলেন কাট মানি হিসেবে ব্লকে মাথা পিছু পঞ্চাশ টাকা দিতে হবে। চারশ টাকা থেকে কি থাকবে, যা হোক এবার আপনি চারশ টাকা টা ছয় শ করে দিয়েছেন। ঐ সৃষ্টি সংঘ হিসেবে গণ্ডগোল করার জন্য বাদ গেছে, নতুন সংঘ তৈরি হয়েছে। প্রথম থেকেই এই সরকার অফিসাারে দল শিক্ষক দের অপমান করে যাচ্ছে। তার ফল এই লোক সভা নির্বাচনে পেয়েছেন, এতে দুঃখ করে লাভ নেই।

দিদি সত্যিই আপনি সততার প্রতীক হতেন, যদি সারদা নারদা রোজভ্যালীর টাকা কে কে নিয়েছে বলে দিতে পারতেন।


কাট মানি ফেরত দিতে হবে বলে দিলেন, দিদি এটা কি আপনার ২০২১ সালে ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য একটা চাল, কারণ আপনার দলের ছোট বড়ো সকল নেতা মন্ত্রী সবাই কাট মানি নিয়ে বসে আছে, আপনি আবার কাট মানি ভাগ বলে দিয়েছেন ৭৫% আর ২৫ %। আপনার দলটি চলে কাট মানি তে আপনি জানেন দলের কোন কোন নেতা কাট নেয়, প্রতিটি ক্ষেত্রে, সিঙ্গুর সহ প্রতিটি ব্লকে সরকারি কর্মীদের দিয়ে মি ডে মিলের টাকা আত্মসাৎ পোশাকের টাকা একশ দিনের কাজের টাকা রাস্তা তৈরির টাকা এমনকি পঞ্চায়েত একটা শংসাপত্র দেওয়ার জন্য হাজার টাকা কাট মানি বা তোলা দিতে হয়। সিঙ্গুরে কীভাবে মি ডে মিলের টাকা আত্মসাৎ করে তা আমি এর আগেও এই ব্লগে লিখেছি, আপনি হয়তো পড়েন না। গত কয়েক বছর ধরে বিদ্যালয় গুলোর প্রাপ্য না দিয়ে, এবং আপনার দলের সমর্থক এক প্রধান শিক্ষক একটি বড়ো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দায়িত্বে, সে খানে নম নম করে ছাত্র ছাত্রীদের খাইয়ে টাকা লুঠ করছে। সে খানে আপনার এই অফিসার গন কিছু বলেন না। আর যেসব শিক্ষক ছাত্র ছাত্রীদের খাওয়াচ্ছে এবং তাদের কে চাপ দিয়ে কি করে পয়সা টাকা না দেওয়ায় যায় তার ফন্দি আঁটছে, এই মাসে ১২/৬/২০১৯ আপনার এক অফিসার বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে বলে এলেন, আপনার এতো চাল আছে আপনাকে মনে হয় টাকা দেব না। শিক্ষক মহাশয় বলছেন, ও টা জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মার্চ মাসের চাল, মার্চ মাসের ২৩/৩/২০১৯ তারিখে দিয়েছে। এপ্রিল মাসের খরচ হয়েছে, আর জানুয়ারি আর ফেব্রুয়ারি '১৯ মাসের টাকা এই বিদ্যালয়ে দেওয়া হয়নি। বিদ্যালয়ে রেকর্ড আছে, উনি বললেন ওসব শুনবেন না, উনি বি ডি ও গিয়ে দেখবেন। এর থেকে কি বুঝলেন উনি শিক্ষকের কথা বিশ্বাস করতে পারলেন না। আর ঐ যে বড়ো প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান যে খানে ছাত্র ছাত্রীদের নাম মাত্র খাইয়ে টাকা ভাগ হচ্ছে। সে খানে এক শিক্ষিকা এর প্রতিবাদ করে ছিলেন, তাকে ঐ বিদ্যালয় থেকে অন্য বিদ্যালয়ে অস্থায়ী ভাবে বদলি করা হয়েছে, অনেক দিন হলো। যা হোক দিদি আপনি এতো দিনে সত্যি কথা বলেছেন। আমি কাগজে পড়েছি, প্রশান্ত কিশোর না কাকে নিয়োগ করেছেন, সে আপনার দল কে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী করে দেবে, বিহারের মানুষ বাঙালির থেকে বুদ্ধি বেশি, আমি তো জানতাম ওরা নকল করে পাশ করে, এমনকি চাকরির পরীক্ষা গুলোতে হিন্দি তে পরীক্ষা দেয়, টুকে হিন্দি ওদের মাতৃভাষা পাস আমরা বাঙালি ইংরেজি ভাষায় পরীক্ষা দিতে গিয়ে হাবুডুবু, ওরা বাঙালি জাতি বিদ্বেষী কি জানি কি হবে? আপনি যদি ওনার কথা মতো এই কাট মানির বিষয়ে বলে থাকেন, তাহলে আপনার দল উঠে চলে যাবে। আপনি এটা নিজেও জানেন, আপনার প্রতি মানুষের মোহ ভঙ্গ হয়েছে, যে সব বড়ো বড়ো আমলার কথায় আপনি এতো দান ধ্যান করলেন, যে গুলো কে আপনি প্রকল্প বলছেন। ওইসব  গুলোর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই টাকা অপচয় হচ্ছে। আপনি আরেকটা সত্যি কথা বলুন সারদা রোজভ্যালীর টাকা কাদের কাছে আছে, সে গুলো ফিরিয়ে নিয়ে আপনি ঐ সব চিটফাণ্ডের গ্রাহকদের টাকা ফেরত দেবেন। আর সিঙ্গুরে আপনি জিততে চান তাহলে এখন যে ষোলো পঞ্চায়েতের দায়িত্বে আছেন, শূন্য থেকে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। প্রকাশ্যে ঘোষণা করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করুন, সিঙ্গুরে মাস্টার মশাই ও কম যান না। এবার আপনি বুঝবেন, তবে আপনার এই ঘোষণা ভালো লাগল, আপনি ভালো থাকুন।

জুতো নিয়ে বিরম্বনা, আবার এরপর আছে পোশাক।

গত কয়েক দিন ধরেই সিঙ্গুর ব্লকের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের (প্রাক প্রাথমিক বাদে) জুতো দেওয়া হচ্ছে। প্রথম শ্রেণীর ছাত্র ছাত্রীদের জুতো এসেছে, ছেলেদের, মাপ হলো ১০ ও ১১ এবং মেয়েদের ৯ ও ১০।দ্বিতীয় শ্রেণির জন্য ছেলে দের ১২ ও ১৩ এবং মেয়েদের ১১ও ১২,তৃতীয় শ্রেণির জন্য ছেলে দের ১ ও ২ এবং মেয়েদের ১৩ ও ১,চতুর্থ শ্রেণির জন্য ছেলে দের ৩ ও ৪ এবং মেয়েদের ২ ও ৩ নং জুতোর মাপ। গত ২০১৪/২০১৫ সালে প্রথম বার জুতো দেওয়ার জন্য মাপ চেয়ে নেওয়া হয়েছিল। এবার আর তা করা হয়নি, এবার দেওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, প্রথম শ্রেণীর বাচ্ছা দের অনেকের পায়ে হচ্ছে না। দ্বিতীয় শ্রেণির ক্ষেত্রেও একই অবস্থা, তৃতীয় সমস্যা সব থেকে বেশি, চতুর্থ শ্রেণির জুতোর অবস্থা তথৈবচ, আবার ছেলেদের বাক্স খুলে দেখা গেল মেয়েদের জুতো, আবার একটা বাঁ পায়ের ১১ নং আর ডান বেড়িয়ে এলো ১০ এই বার শিক্ষকের জ্বালার শেষ নেই, যত অভিযোগ বলুন আর যাই বলুন সব শিক্ষকদের কাছে, পায়ে হয় নি, পাল্টে দিন, শিক্ষকের যে সে ক্ষমতা নেই, কী করে বোঝাই, কেউ কেউ রাগে রেখে দিয়ে চলে যাচ্ছে। এরকম জুতা দিলেন কেন পায়ে হবে না, দেখানো হচ্ছে, জুতো দেওয়া হচ্ছে, শিক্ষকদের কিছু করার নেই, এটা বলে বোঝানো যাবে না। সরকারি ভাবে যে মাপের জুতো এসেছে সেটাই দেওয়া হয়েছে, কারণ অফিস থেকে বলেই দেওয়া হয়েছে, কোন রকম বদল করা যাবে না। দারুণ মজার না যত বিরম্বনা শিক্ষকের। এর পর আসছে পোশাক, টাকা ভি ই সি এ্যাকাউন্টে টাকা এসেছে, কিন্তু ঐ যে নতুন ভি ই সি গঠন হয়েছে, আর ঐ এ্যাকাউন্টে শিক্ষকের থেকেও আরও দুজন ভালো মানুষ ঐ এ্যাকাউন্টে আছেন, তাদের স্বাক্ষর আর ছবি যোগার করতে করতে সময় পার, একজন তো তিনটি ব্লকের যত স্কুল আছে সব ভি ই সি র এ্যাকাউন্টে আছেন। তার উপর আছে, ব্যাঙ্কের চাহিদা, একজন মানুষ ঐ এ্যাকাউন্টে পরিবর্তন হচ্ছে, দিতে হবে সকলের ছবি কাগজ পত্র, এসব দায় শিক্ষকের একবার ব্যাঙ্কে গিয়ে সব নিয়ে যাওয়ার পর দেখে বলে দিলেন এখানে এখানে ঐ দুজনের স্বাক্ষর করে আনবেন। আর এবার ঐ ইঞ্জিনিয়ার কে খোঁজো যতখন না স্বাক্ষর হচ্ছে, হবে না। এতো গেল এদিকে আবার আছে, পোশাক যারা দেবেন তারা, ছেঁড়া ফাটা ছোট বড়ো হলে কে ঠিক করবে? শিক্ষকের দায়িত্ব, না হলে বিদ্যালয়ে ফেলে দিয়ে যাওয়া, আমি এর আগেও এরকম অনেক লিখেছি, কোনো পরিবর্তন হয়নি, আরো আছে সব থেকে ছোট প্রাক প্রাথমিক শ্রেণীর কোনো কিছু নেই। টাকা টা ঐ SHG কে দিয়ে দিলে সমস্যা মেটে, শিক্ষক দের জড়িয়ে তাদের অপ্রস্তুতে ফেলে লাভ কি হচ্ছে, বুঝতে পারছি না। আর এই জন্যই আজ শিক্ষকে জুতো খেতে হচ্ছে।

যাহোক তবুও
দিচ্ছেন, শিক্ষক রা এই সরকারের আমলে মানুষ নয়, তাদের যে ভাবে হোক জব্দ করতে হবে। সেই ভাবে অফিসারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে মি ডে মিলের টাকা নিয়ে হোক, জুতো দেওয়া নিয়ে হোক, পোশাক দেওয়া নিয়ে হোক, যে ভাবে হোক জব্দ করতে হবে। 

Monday, 17 June 2019

পশ্চিম বাংলায় নব জাগরণ আনতে হবে না, নব জাগরণ চলছে।

দিদি আপনি বিদ্যাসাগর মহাশয় এর মূর্তি বসাতে গিয়ে বলেছেন। বাংলায় নব জাগরণ আনতে হবে, আনতে হবে কি দিদি সে তো এসেছে আপনার হাত ধরে, পশ্চিমবঙ্গের নব জাগরণ শুরু হয়েছিল আপনার নেতৃত্বে। আপনার নব জাগরণ আন্দোলনের, প্রথম ছবি।  আপনার নব জাগরণ আন্দোলন ছবির মাধ্যমে বলব না লেখার মাধ্যমে। সমস্ত ছবি দিয়ে লিখতে গেলে এখানে জায়গা হবে না। আবার বিস্তারিত ভাবে লিখতে গিয়েও জায়গা হবে না, বা অত লেখা কেউ পড়বে না। তাই ক্রম করে লিখছি, ১)সিঙ্গুর থেকে টাটা তাড়ানোর আন্দোলন, নব জাগরণের শুরু। ২) টাটা তাড়ানোর জন্যে পেট ভরে খেয়ে ২৬ দিনের অনশন। ৩) মাওবাদীদের সঙ্গে নিয়ে নন্দীগ্রাম আন্দোলন। ৪)রেল মন্ত্রী থাকা কালীন হাজারো শিলান্যাস করা, রেলে চাকরি দেওয়ার নামে প্রহসন। ৫)মানুষ কে মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজের দলে নেওয়া। ৬) বছরে এক কোটি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি, ও সরকারি কর্মীদের কেন্দ্রীয় সরকার যে দিন ডিএ ঘোষণা করবে সে দিন থেকে ডিএ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, ক্ষমতায় এসে আর না দেওয়া। ৭) ২০১১ সালে বদলা নয় বদল চাই বলে ক্ষমতা দখল করে, একের পর এক খুন, সি পি আই এম এর পার্টি অফিস দখল, স্থানীয় সি পি আই এম নেতা কর্মী সমর্থকদের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের। ৮) কিষেণ জি খুন, যে ছত্রধরের বাইক চেপে জঙ্গলমহল ঘুরে বেড়লেন, মাওবাদী বলে তাকে গ্রেফতার। ৯) রায়গঞ্জের কলেজে অধ্যাপক পেটানোয় ছাড়, আর মাজদিয়ায় এস এফ আই এর ঘেরাও করে বিক্ষোভ ছিল, সেখানে গ্রেফতার করে জেল। ১০) বার বার মিথ্যে কথা বলে মানুষ কে বিভ্রান্ত করার প্রতিনিয়ত চেষ্টা। ১১) মাওবাদী দের সাথে মিলে জঙ্গল মহলে বিরোধী দের কণ্ঠ রোধ করা ভয় দেখিয়ে খুন করে, এমনকি লাশ পর্যন্ত দাহ করতে না দেওয়া। এক পুলিশ অফিসার কে খুন করে নদীতে ভাসিয়ে দেয় মাওবাদীরা। ১২) তার পর নেমে আসে শিক্ষক দের উপর অত্যাচার, মনে পরে এক জন শিক্ষককে বিদ্যালয়ের ভেতরে ঢুকে খুন করা। তার সেই কলম ধরা হাত, আর মার্শাল মুর্মু নামে সেই ছোট্ট ছেলে, যে বন্দুকের সামনে রুখে দাঁড়িয়ে ছিল। ১৩) ক্ষমতায় আসার আগে ও পরে আপনার নেতা মন্ত্রী কর্মী দের পুলিশের উপর হামলা, এবং এই কাজে পথ দেখিয়েছেন, আপনি, আপনার ভাষা আর কাজ দিয়ে প্রতিনিয়ত পুলিশ কে হুমকি, তার জন্যে পুলিশ কে ভয়ে টেবিলের তলায় লুকিয়ে পরতে হয়েছে। ১৪) বিরোধী দল তাদের কোনো মিছিল মিটিং করতে গেলে তাদের বিভিন্ন ভাবে বাধা দেওয়া এটা এই রাজ্যের রীতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ১৫) শিক্ষকরা আজ বিমুখ কারণ আপনার, এবং আপনার মন্ত্রীর কিছু অন্যায় নির্দেশ, সুস্থ ভাবে বিদ্যালয় পরিচালনায় সমস্যা তৈরি করছে। বাম আমলে মি ডে মিল শিক্ষকরা ভরসা করে ধার করে খাইছে, তিন মাস অন্তর ঠিক টাকা দিয়েছে। এখন সে ভরসা আপনি আর আপনার মন্ত্রী আদেশে কিছু অফিসার কীভাবে টাকা না দেওয়া যায় তার ফন্দি আঁটছে। আর ভি ই সি সে যে সব প্রতিনিধি বা সভাপতি আপনার দলের সব একটা রত্ন, খালি জব্দ করার ফিকির খোঁজে। মনে হয় প্রধান শিক্ষকের বাপের শ্রাদ্ধ হচ্ছে। ১৬) সাধারণ মানুষ আপনার দল কে ভোট দেবে কী আপনি সব করছেন, কিন্তু সাধারণ মানুষ কে বিশ্বাস করতে পারছেন না। ভয় দেখিয়ে মেরে খুন করে ভোট নেবেন কী করে? ১৭) ২০১১ সালের শুরুর দিকে বামেদের উপর অত্যাচার চালানো হয়েছে, পার্টি অফিস দখল থেকে সব কিছু, আর এখন কংগ্রেস এমনকি আপনার নিজের দলের মধ্যে গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব প্রবল আকার ধারণ করেছে। শিক্ষক, উকিল, ডাক্তার, সরকারি অফিসার সকলে আক্রান্ত, আপনার আগ্রাসী মনোভাব আর কথা বার্তা, আর সরকারী কর্মী জব্দ করার জন্য, আজ এই পরিস্থিতি। আপনি সরকারি কর্মী ও শিক্ষকদের হাতেও মারছেন, আবার ভাতেও মারছেন।আরো আছে, লিখে শেষ করা যাবে না। আপনার শুরু করা নব জাগরণের শেষ নেই, প্রতি দিন মানুষ খুন গনপিটুনি, এতো লেগেই আছে। ১৮) আপনার নব জাগরণ আন্দোলন শুরু ২০১৩ সালে সারদা বা চিটফাণ্ড কেলেঙ্কারি। দিদি আপনার বিবেকের কাছে আমার প্রশ্ন। আপনি বলুন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলার যত জন মুখ্যমন্ত্রী হয়েছিলেন। ডাঃ বিধান রায় থেকে শুরু করে কার সময়ে মন্ত্রী থাকা কালীন অবস্থায় জেল খেটেছে। কে আপনার মতো এতো মিথ্যে কথা বলে?

Thursday, 13 June 2019

দিদি, আপনি একদম পে কমিশন, ডিএ, পি আর টি স্কেল দেবেন না।

আমি বলছি, দিদি আপনি পে কমিশন ডিএ পি আর টি স্কেল দেবেন না। যেন বাপের টাকা খালি দাও দাও বুলি, এসব কুত্তার দল কাজ করে না, বসে বসে মাইনে নেয়। আপনি ঠিক বলেছেন খালি দাও দাও, দেখতে পাচ্ছে না, এত উন্নয়ন চলছে, কত শ্রী কত সাথী, সে সবে টাকা লাগবে না, খালি খালি দাও, কাজের বেলায় অষ্ট রম্ভা। সিঙ্গুরে আপনি যে এতো করলেন, তবুও সিঙ্গুর শ্মশান, হয়ে গেল, এটা আপনার দোষ বলুন, আপনি 2011 সালে সিঙ্গুর ব্লকের প্রাইমারি স্কুল গুলো কে MDM তিন মাসের (এপ্রিল মে জুন) এর টাকা দেননি, খুব ভালো লেগেছে, সেই সময়ের বি ডি ও খুব ভালো ছিল, এখন সেই রকম একজন বি ডি ও এখন এসেছে, দেখে কোন স্কুলের এ্যাকাউন্টে সামান্য টাকা থাকলেও টাকা দেওয়া বন্ধ, কত রকম ভাবে টাকা না দেওয়া যায় তার ফন্দি, সে ভালো ঐ যে শিক্ষা মন্ত্রী বলে ছিলেন, আমি শিক্ষকদের বেতন দিই, ঐ বেতনের টাকা কী করবে, ছাত্র দের খাওয়াবে না। শালা মাষ্টার তার বাপের শ্রাদ্ধ করবে না, একদম ঐ বেছে বেছে টাকা দেবেন না। আচ্ছা দিদি আপনার অনুগত এই  বি ডি ও ভাই, এই সব টাকার ভাগ ঠিক মতো দিচ্ছে, না দিলে ধরবেন, ঐ যে 24 পরগনার সন্দেশখালি-২ না কোথাকার বি ডি ও ভাগ দেয়নি বলে আপনার এক দল ভাই কেমন মারল, বেশ করেছে, পোশাকের জন্য ছ শ টাকা বরাদ্দ করেছেন, দেখবেন যে সব দল পোশাক তৈরি করে না তারা বরাত পাবে কাট মানি যেন ভালো থাকে, ভাগ না দিলে সিঙ্গুর মির্জাপুর পঞ্চায়েতের সৃষ্টি দলের যে অবস্থা করেছে। আপনি একটা কাজ করতে পারেন, হুগলি জেলা শাসক আপনার জন্যে  কি না করছে, সিঙ্গুরে বিডিও আর সব অফিসার এত কিছু করছে, মাষ্টার দের জব্দ করার জন্য। আপনি একবার চুপিচুপি এদের বলে দিন, মাষ্টার ধার করে খাওয়াবে যেমন করে হোক ভয় দেখিয়ে, ধমকে টাকা দেবে না। এদের থেকে তো টাকা তুলতে পারবেন না, এভাবে যা আসে তাতেই লাভ। মাষ্টার রা যাই বলুন যে যুক্তি দিক ওটা নেবেন না, ওটা ফালতু, দেখবেন দিদি কাট মানি যেন ঠিক মতো পৌঁছয়। আপনি সাইকেল দিচ্ছেন, জুতো দিচ্ছেন, জামা দিচ্ছেন, খাতা দিচ্ছেন, দু টাকা কিলো চাল দিচ্ছেন, ক্লাব কে টাকা, পূজোয় টাকা, কাট মানির ভাগ দিচ্ছেন, এর পরেও আপনাকে ভোট না দিয়ে ভারি অন্যায় করেছে, আপনার কষ্ট কেউ বুঝতে পারছে না। আমি একটা কথা বলি, আপনার বা মন্ত্রী দের বেতন কম ওটা একটু বাড়িয়ে দিন, এখন আশি না অষ্ট আশি হাজার টাকা আছে, ওটা লাখ দেড়েক করা যাবে না! আপনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আমাদের জন্য এতো করছেন, আপনার বেতন বড্ড কম, অনন্ত লাখ দেড় দুই না হলে চলে।  নিন্দুকেরা যাই বলুন, আপনি আপনার টা দেখুন, আর যে সব অফিসার আপনার ভাইদের কাট মানি দেবে না। তাদের আপনি বদলি করে দিন, চালিয়ে যান দিদি, আমি আপনার সাথে আছি। 

Tuesday, 11 June 2019

মানবতা যাদের কাছে, "ধর্ম" ।

আমি ফেসবুকে বা অন্য সোসাল মিডিয়াতে বেশ কিছু লোকের পোস্ট দেখছি, আর লেখা গুলো পড়ে মজা পাচ্ছি। আমি জানি না কজন এই মানবতা কে ধর্ম বলে পালন করতে চান। যারা চান দেখবেন একটা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ তারা আর সেই গণ্ডী থেকে বেরোতে পারছেন না। দেখা যাবে কেবল হিন্দু ধর্মের কিছু লোক এবং ইসলাম ধর্মের যা উল্লেখ যোগ্য নয়, তারা এই মানবতা কে ধর্ম বলে প্রচার করে যাচ্ছে। এই রাজ্যে বেশির ভাগ কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মন্ত্রী আর কিছু সাধারণ কর্মী, আর মানুষ মানবতার আমাদের ধর্ম বলে চিৎকার করে। আপনারা একেবারে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় গিয়ে বলুন মানবতা আপনার ধর্ম, আপনি যদি কোন মুসলিম এলাকায় যান তারা আপনাকে বলবে বাঙালি এসেছে, অথচ নিজে বাংলায় বাস করছে বাংলা ভাষায় কথা বলছে তবুও নিজেকে বাঙালি মনে করে না। তারা মনে করে তুমি বাঙালি আর তারা মুসলিম। কেউ কেউ বলেন আমি এদের জানি এরা ধর্মীয় গোঁড়ামি মানে না, সেটা সামান্যই, আবার বলবেন অমুক অমুক আমার বন্ধু, দেখবেন তারা আপনার মতো সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ছে। ভারতে তথা পশ্চিমবঙ্গে কী করে মানবতা এই ধর্ম প্রচার করবেন। দেশটা স্বাধীন হয়েছে, ধর্মের ভিত্তিতে, স্বাধীনতার সময় থেকে এখানে দু রকম শিক্ষা ব্যবস্থা, একটি ইসলাম ধর্মের আর অন্যটি সাধারণ সরকারি, আপনার এই সাধারণ সরকারি শিক্ষায় কতজন মুসলিম ছেলে মেয়ে পড়ে বলুন? হাতে গোনা কয়েকজন, আর পাশাপাশি ওদের শিক্ষা অর্থাৎ কোরান হাদিস আলিম কতজন পড়ে একবার খোঁজ নিয়ে দেখুন। একটা জাতি যারা কয়েক শ বছর ভারতের শাসক ছিল, একমাত্র এই মুসলিম জাতি ধর্মীয় বেড়া দিয়ে নিজেদের এমন একটা ভাব করে রেখেছে, তাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা এখনো নিজেকে ভারতীয় ভাবেন না, যদি তাই ভাবত তাহলে ধর্মের নামে দেশটা ভাগ হতো না। একবার স্বাধীনতা আন্দোলনের কথা ভাবুন, কটা মুসলিম যুবকের নাম বলুন যারা স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছেন। হাতে গোনা কয়েক জন মুসলিম লীগ নামে দল তৈরি করে আন্দোলন করতে শুরু করেছিল, কেবল ক্ষমতা দখলের জন্য, কারণ তারাই ইংরেজ দের এই দেশে তথা বাংলার মাটিতে ক্ষমতা দখলে সাহায্য করে ছিল। রবীন্দ্র নাথ ঠাকুর একটা কথা এবিষয়ে লিখেছেন, যে অনেক জাতি ভারত শাসন করেছে, কিন্তু তারা ভারতীয় সভত্যা ও সংস্কৃতি কে আপন করে নিয়েছেন, কিন্তু এই একটি জাতি দীর্ঘ দিন ভারত শাসন করেও এদেশ কে আপন করে নিতে পারে নি। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের তথা ভারতের ষাট থেকে সত্তর  ভাগ মুসলিম জাতির মানুষের পূর্ব পুরুষ হিন্দু ছিলেন। ভারতের হিন্দু ধর্মের কঠোরতা জাতি ভেদ প্রথা যা এখনও অনেক রাজ্যে কঠোর ভাবে মেনে চলে, এই সব দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ ধর্ম পরিবর্তন করে কেউ বৌদ্ধ কেউ খ্রীষ্টান কেউ ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল, বা করছে। এদের কাছে মানবতা কি করে আশা করা যায়? কারণ এরা অমানবিকতার শিকার, আমাদের রাজ্যের এখনও ধর্মের নামে রাজনীতি হয়। ইসলাম ধর্মের মানুষ দের ব্যবহার করে অনেকে ভোটে জিতে আসে, কিন্তু আর কিছু করতে পারে না, কারণ এরা বেশির ভাগ ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত, তাদের কি করে চাকরি দেবে, তাই এদের জন্য বিভিন্ন রিলিফের ব্যবস্থা করে খান্ত হন। একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখুন, এরা ধর্মের নামে মানুষ খুন করতে পিছপা হয় না। পৃথিবীর যত উগ্রপন্থী বা জঙ্গী সংগঠন আছে, তার সিংহ ভাগ এই ধর্মের, এদের কাছে মানবিকতা আশা করা দূরাশা। যতদিন না, এদের আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার আনা যাবে, বা এরা আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হবে, তত দিন পর্যন্ত পৃথিবীর যুদ্ধ খুন খারাপি চলতেই থাকবে। এরা শোর্ড বল্লাম আর দু একটা আধুনিক বা পুরনো দিনের, অপর জাতির আবিস্কৃত বন্দুক কিনে নিয়ে যুদ্ধ করে, মানুষ খুন করে বেড়ায়, আর ঐ অস্ত্র নিয়ে আধুনিক মিসাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে, কিন্তু আরেক জন এ পি জে আব্দুল কালাম তৈরি করার চেষ্টা করে না। এটাই ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গের কাছে দুর্ভাগ্যের।


Sunday, 2 June 2019

মাননীয় শিক্ষা মন্ত্রী সমীপে ।

আমি জানি না আপনি আমার লেখা এই পাতাটি পড়বেন কি না? আপনি যদি পড়েন তবে আপনার ঐ প্রশ্নের উত্তর আমি দিতে পারি, আপনার সাথে যারা বৈঠক করেছেন, আমি পড়লাম তারা বলেছে, ডিএ ও পে কমিশন পি আর টি স্কেল নেই, তাই ভোট কমেছে। আমি ওদের সাথে একমত ঐ গুলো মূল কারণ, কারণ আমারও দাবি ঐ গুলো, তাছাড়াও আরও কত গুলো বিষয় আছে, সে গুলো আপনার গোচরে এনেছেন কিনা জানি না। প্রথমে আসে মি ডে মিল নিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের H. T. ও T. I. C. হয়রানির শেষ নেই, সিঙ্গুর ব্লকে বা বিধান সভায় হেরেছেন নিশ্চয়ই, হয়রানির উদাহরণ হিসেবে দিই, অনেক দিন আগে এই নিয়ে লিখেছিলাম, কিন্তু কোন ফল হয়নি। এবার মি ডে মিল নিয়ে সিঙ্গুরের শিক্ষকের হয়রানির হিসেবে আমার মনে হয় এসব রাজ্যের সর্বত্র, মনে করুন জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মার্চ মাসের 78 দিনের চাল এলো এপ্রিল মে জুন মাসে জন্য। এবার এপ্রিল মে জুন খাওয়ানোর দিন 46 দিন, কত দিনের বাঁচাতে পারে? আর সবদিন সমান মানে 100 গ্রাম চাল লাগে না, তাহলে আরও কিছু বাঁচল, এবার ঐ বাঁচা চালে পোকা ধরে গেল, দোষ কার প্রধান শিক্ষকের, কারণ তিনি খাওয়ানি তাই চাল বেঁচে গেছে। তার সাথে আর একটা কথা শুনতে হবে, না খাইয়ে পয়সা খরচ করে দিলেন।এই কথাটার অর্থ নিশ্চয়ই বোঝেন, প্রধান শিক্ষক চোর। এই বিষয়ে আরেকটু লিখি এখন ছাত্র পিছু 4 টাকা 35 পয়সা দেওয়া হয়। 100 জন ছাত্র থাকলে 85 জনের, তাহলে কোনো বিদ্যালয়ে 100 জন ছাত্র ছাত্রী আছে, 85 জনের টাকা পেলে এক দিনের কত টাকা হয়। 85 x 4.35 = 369.75 =370 টাকা এবার একদিনের খরচ ধরা যাক একদিন বিদ্যালয়ে 75 ছাত্র ছাত্রী এসেছে, খাবে 60 জন, ঐ পোকা ধরা চাল গন্ধ ভাত খেতে চায় না, স্বাভাবিক ভাবে চাল 6 কিলোর পরিবর্তে 5কেজি নেওয়া হলো। পোকা পরিস্কার করতে গিয়ে 1 কেজি বাধ গেল। আগে বাম আমলে বাড়তি চাল ছাত্র দের দিয়ে দেওয়া যেত, আপনার মতো একজন মানুষ আছেন নির্দেশ দিয়েছেন আর কি করা যাবে। এবার ঐ দিনের খরচ 60 খেলে 9 কেজি আলু, যে কোন আনাজ 4 কেজি, পিঁয়াজ 2 কেজি, লঙ্কা 100 গ্রাম আদা 200 গ্রাম। সর্ষে তেল 500 গ্রাম অন্য মশলা ( জিরে, ফোড়ন, ইত্যাদি) জ্বালানি গ্যাস 60 গড়ে হলে একটা 14 কেজি গ্যাস 8 থেকে 10 দিন চলে। ডাল লাগবে 600 এবার হিসেবে করি 9 কেজি আলু 9x16=144 টাকা 4 কেজি আনাজ 35 টাকা কেজি দরে 140 টাকা 2 কেজি পিঁয়াজ 20 টাকা দরে 40 টাকা 100 গ্রাম কাঁচা লঙ্কা ও আদা মিলে 37 টাকা, স:তেল 500 গ্রাম 55 টাকা 600 গ্রাম (মুসুর) 54 টাকা জ্বালানি 10 দিন ধরে 80 টাকা। মোট 144+140 +40+37+55+54+80 =550 টাকা, আর খরচ করার কথা কত টাকা, 4.35 x60 =262 টাকা, এই যে বাড়তি টাকা খরচ দেখানো যাবে না। আর ডিমের দিনের হিসেবে করলে, যদি 80 জন খায়। ডিমের দাম 80x5=400 টাকা খরচ করতে পারা যাবে কত 80x4.35=348 টাকা এবার ঐ দিনের জ্বালানি আলু পিঁয়াজ মশলা তেল সব নিয়ে কত হতে পারে। যেই ছাত্র সংখ্যা দিয়ে গুণ করে মিলছে না তখন বলা হচ্ছে, আপনি কেন বেশি খরচ করেছেন? এবার শিক্ষকের কাজ কিভাবে কম করা যায় আনাজ পত্র কম তেল মশলা কম এনে মেলানো, কিন্তু বিদ্যালয়ের ছাত্র অনুযায়ী সে 370 টাকা সে খরচ করতে পারলে টাকাও বাঁচত না মোটাামুটি খাওয়ানো যেত। এবার ঐ হাজিরা আর খাওয়া ছাত্র হিসেবে করতে গিয়ে  করে খাওয়াচ্ছে, ডাল, তরকারি একবারের বেশি দেওয়া যায় না, ডাল হচ্ছে কোথায় ও তো জল, সব আপনার দয়া আপনি বলেছেন যত জন খাবে গুন করে যেন মেলে  এভাবে খারাপ খাইয়ে যেই টাকা বেঁঁচে গেল অমনি টাকা ব্যাঙ্ক একাউন্টে থেকে গেল, আর টাকা দেওয়া বন্ধ, শিক্ষক কী করেন ধার করে খাওয়াবেন না। কারণ সিঙ্গুর ব্লকে 2011 সালে তিন মাাসে টাকা দেয়নি। তাছাড়া গ্যাস সিলিন্ডার তো ধার বাকি তেে দেয় না। ওখানে হিসেবে বাকি দেখানো বারণ, অথচ অগ্রীম টাকা দেেওয়া হবে না। আচ্ছা আপনার কাাছে আমার প্রশ্ন যে অফিসার কে এরকম নির্দেশ দিয়ে রেখেছেন। তাারা অফিসের জন্য নিজের বেতন থেকে ক টাকা খরচ করে? আপনার নির্দেশে তো এসব হচ্ছে, এর পর আছে সর্ব শিক্ষা মিশনের প্রতি মাসে চার পাঁচ দফা কাগজ পূরণ, আচ্ছা আপনি বলুন সুপ্রীম কোর্ট রায় দিল আধার লাগবে না, তার পর সর্ব শিক্ষা কী করে আধার রেজিস্টার করতে বাধ্য করে? বছরের মধ্যে পঁচিশ বার বিভিন্ন ভাবে ছাত্র সংখ্যা আর তাদের বিভিন্ন কলম পুরণ করে দিতে হবে, এ দিয়ে কোন কাজ হয় না। যাক গে ওসব বাদ দিন সব থেকে সমস্যা গ্রামে গ্রামে আপনাদের গ্রাম সদস্য বা মুখ্যমন্ত্রীীরা, নতুন V.E.C. তৈরি হয়েছে, সর্ব শিক্ষার টাকা খরচ করতে হব, ঐ A/ C তে ওনার নাম ঢোকাতে হবে, এই কাজের জন্য যে কাগজ লাগে চেয়ে না পাওয়া, আবার সিঙ্গুর নন্দনের যিনি তিনি তো দ্বিতীয় মুখ্যমন্ত্রী, বাড়িতে আনতে গিয়ে অপমানিত তিনি লোক দিয়ে বলে পাঠালেন, আপনি কে যান যান এখন  ওসব হবে না। আপনি    যান ত আবার নির্লজ্জের মতো ফোনে করে বলা হলো। আজ পর্যন্ত ফোট সহ অন্যান্য কাগজ পত্র আর এলো না। তাহলে ঐ টাকা খরচ করে যখন পেমেন্ট করবে তখন কী হবে? সর্বশিক্ষা সেখানে দায়িত্ব যিনি তিনি আরেক জিনিস,এসব কাজে কিছু হলেই  প্রধানশিক্ষক  চোর, সত্যিই শিক্ষক আজ নেড়ে কুত্তার অধম, আপনি তাদের কাছে ভোট চাইছেন। আপনি কী ভাবছেন এসব কথা শিক্ষকেরা অভিভাবক দের মধ্যে প্রচার করে না বলে না, আরে সেই কারণেই সিঙ্গুর বিধান সভায় 12 হাজার ভোটে হেরে গেছন। এই পরিস্থিতির জন্য আপনি দায়ি, একটা জিও করুন যে সর্ব শিক্ষার A/C তে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকবে না, একজন অভিভাবক থাকবে, M. D. M এর টাকা ছাত্র ছাত্রীদের খাওয়ার জন্য খরচ করা যাবে,আর MDM এর টাকা SIS এর মাধ্যমে দিতে পারেন। আমি জানি আপনি আপনার ইচ্ছা থাকলেও পারবেন না।
     সেই জন্য আগামী 2021 সালে কী ভাবে হারবেন তৈরী থাকুন। নমস্কার নেবেন ভালো থাকবেন।

Saturday, 1 June 2019

মোদীজি দেশের বেকার যুবকদের কাজ দিন।

আমি জানি আপনি আমার মত এই তুচ্ছ লোকের লেখা পড়বেন না। শিরোনাম সহ ছবি টি দেখেছেন নিশ্চয়ই, আমি বিভিন্ন কাগজ বা পত্রিকায় অন লাইন খবরে অনেক দিন আগেই পড়েছি, যে আমাদের দেশে 20 থেকে 35 বছর বয়সী যুবক বেশি,দেশের উন্নতির জন্য এদের কাজে লাগান ভারত তরতর করে এগিয়ে যাবে, এই শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতী দের পকোরা ভাজার পরামর্শ দিচ্ছেন। এই নির্বাচনের আগে আপনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছিলেন। ভারতীয় রেল প্রায় এক লক্ষ নব্বই হাজার লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি  জারি  করে ছিল। এই নির্বাচনে আগে রেল বিভিন্ন সময়ে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, বেকার যুবক যুবতী 500টাকা দিয়ে অন লাইন ফর্ম ফিলাপ করে ছিল, পরীক্ষা হয়নি না হয়ে গেছে জানতে পারল না। এদিকে আপনি ব্যাঙ্ক বীমা বিএসএনএল রেল কে নাকি বেসরকারি করে দেবেন, তাহলে আমেরিকার হাল হবে, কর্মী ছাঁটাই লেগেই থাকবে। আর কিছু দিন পর অর্থ নৈতিক মন্দা মানুষের ক্রয় ক্ষমতা থাকবে না। আর যদি এটা হয় তাহলে দেশের সরকার থেকে লাভ কি? ভোটের আগে অনেক দপ্তরও একই রকম ভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এগুলো কি সব নির্বাচনি জুমলা, রেল হচ্ছে, ভারতের সব থেকে বড়ো নিয়োগের ক্ষেত্র, যদিও আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীও রেল মন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হবার আগে রেলে নিয়োগের ফর্ম বিলি করে ছিলেন। সে নিয়োগ হয়নি, আপনি তো দেখছি, বেকার যুবক দের নিয়ে মস্করা করছেন, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়, আর নিয়োগ হয় না। মনে রাখবেন দেশে যুবক সম্প্রদায় কে নিয়ে এরকম মস্করা করবেন না।
আমি জানি আপনি আমার মত এই তুচ্ছ লোকের লেখা পড়বেন না। শিরোনাম সহ ছবি টি দেখেছেন নিশ্চয়ই, আমি বিভিন্ন কাগজ বা পত্রিকায় অন লাইন খবরে অনেক দিন আগেই পড়েছি, যে আমাদের দেশে 20 থেকে 35 বছর বয়সী যুবক বেশি,দেশের উন্নতির জন্য এদের কাজে লাগান ভারত তরতর করে এগিয়ে যাবে, এই শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতী দের পকোরা ভাজার পরামর্শ দিচ্ছেন। এই নির্বাচনের আগে আপনি সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে ছিলেন। ভারতীয় রেল প্রায় এক লক্ষ নব্বই হাজার লোক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি  জারি  করে ছিল। এই নির্বাচনে আগে রেল বিভিন্ন সময়ে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল, বেকার যুবক যুবতী 500টাকা দিয়ে অন লাইন ফর্ম ফিলাপ করে ছিল, পরীক্ষা হয়নি না হয়ে গেছে জানতে পারল না। এদিকে আপনি ব্যাঙ্ক বীমা বিএসএনএল রেল কে নাকি বেসরকারি করে দেবেন, তাহলে আমেরিকার হাল হবে, কর্মী ছাঁটাই লেগেই থাকবে। আর কিছু দিন পর অর্থ নৈতিক মন্দা মানুষের ক্রয় ক্ষমতা থাকবে না। আর যদি এটা হয় তাহলে দেশের সরকার থেকে লাভ কি? ভোটের আগে অনেক দপ্তরও একই রকম ভাবে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। এগুলো কি সব নির্বাচনি জুমলা, রেল হচ্ছে, ভারতের সব থেকে বড়ো নিয়োগের ক্ষেত্র, যদিও আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীও রেল মন্ত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হবার আগে রেলে নিয়োগের ফর্ম বিলি করে ছিলেন। সে নিয়োগ হয়নি, আপনি তো দেখছি, বেকার যুবক দের নিয়ে মস্করা করছেন, নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি হয়, আর নিয়োগ হয় না। মনে রাখবেন দেশে যুবক সম্প্রদায় কে নিয়ে এরকম মস্করা করবেন না। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...