Anulekhon.blogspot.com

Sunday, 24 January 2021

মনে হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গ আর পশ্চিমবঙ্গ নেই।


 পশ্চিমবঙ্গ আর পশ্চিমবঙ্গ নেই, এখন থেকে হয় তো নামটা পাল্টে দিয়েছে। বাঙালি এত টাকার মালিক টাকা পুড়িয়ে দিচ্ছে। আর পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু মানুষ প্রায় ৪০% মানুষ টাকার জন্যে খেতে পাচ্ছে না। রাস্তায় ট্রেনে বাসে রেলগেটে, প্লাটফর্মে   বসে ভিক্ষা করতে দেখা যাচ্ছে। ট্রেনের মধ্যে হাততালি দিয়ে মানুষের কাছে সাহায্য চাইছে। কত রকমের ভিক্ষুক না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। আর সেই রাজ্যযে দাঁঁড়িয়ে দিনে দুপুরে টাকা  পড়ানোর হচ্ছে। সত্যিই এই সময়ে সুকান্তের সেই বিখ্যাত কবিতা যা পরে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ে এর গান হয়ে গেছে। " অবাক পৃথিবী অবাক করলে আমায়" আবার এই ব্লগের মাধ্যমে বলছি, এই সব চোর ডাকাত দের আর ক্ষমতায় আনবেন না। এরা চুরি করে নিজেদের সম্পদ এতো করেছে যে রাখতে পারছে না। কদিন পর পর সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা খবর ভীষণ চোখে পড়ছে আগামী মার্চ মাস থেকে ১০, ২০, ১০০ টাকার নোট বাতিল করা হবে। আমার তো মনে হয় সে খবর যে প্রচার করুন তার উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। আর ওখানে পোড়ানোট গুলো সব ১০, ২০, ও ১০০ টাকার নোট। আমি জানি পুলিশ কিছু করবে না, পুলিশ এই সব বড়ো চোর ডাকাতের সাগরেদ এদের ধরে না, এদের পাহারা দেয়। নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে, কারণ চুরির মোটা ভাগ এদের কাছে আসে। পুলিশের বর্তমান কাজ হচ্ছে, বিরোধী বিশেষ করে সি পি আই (এম) যদি কোন মিছিল মিটিং করে তবে সেটা আটকানো। ছাত্র, যুব, শিক্ষকরা এবং কর্ম রত কম বেতন, যেমন প্যারা টিচার, শিক্ষা বন্ধু, আরও বেকার যুবক যুবতী মিছিল মিটিং করলে জলকামান না হলে লাঠি চালান। ব্যরিকেড তৈরি করা। আর ছিঁচকে চোর ধরা ও মিথ্যা মামলা করা। রাজ্যে বড়ো বড়ো গুলো যে আজ নেতা মন্ত্রী, আবার ছোট ডাকাতের দল থেকে বড়ো ডাকাতের দলে যাচ্ছে। সি বি আই তদন্ত প্রহসন চলছে বছরের পর বছর ধরে। সাধারণ মানুষের টাকা গেছে যাক নেতা মন্ত্রীরা সুখে থাক। সাধারণ মানুষ আত্মহত্যা করেছেন তাতে কি? ঐ যে কৃষক এর সাথে চুক্তি এক জানোয়ার বসে আছে আইন তৈরি করে দেশের সব বেচে দেবে কর্পোরেট কে? আর জনগণের বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে জব্দ করার জন্য C.A.A আর তার নমুনা দেখা গেল লক ডাউনে, আমফানে এত নির্মম মানুষ আমি আগে কখনো দেখিনি। গরীব মানুষ দেশে অর্ধেকের বেশি তারা কি করে বাড়ি ফিরে আসবে না ব্যযবস্থা করে, দুজনেই কি করছে বিনা পয়সায় বিমান পাঠিয়ে প্রবাসী দের নিয়ে আসছে তারা এসে করোনা ছড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমান পুলিশ প্রশাসন বা নেতা মন্ত্রী এদের মানুষ নয়, পশুর থেকে অধম ব্রিটিশ আমল কেউ হার মানিয়ে দিচ্ছে এই পুলিশ ও নেতা মন্ত্রী দের ব্যবহার। যাহোক মানুষ ভাল বুঝতে পারছে, চোরে চোরে মাসতুত ভাই ।আগামী তে তাই ১৯৭৭ চাই। 

বাঙালি কি ভুলে গেছে কোথায় কী বলতে হয়।


 আজ কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলে প্ররধানমন্ত্রী ও মুখ্যযমন্ত্রী একসাথে নেতাজির ১২৫ তম জন্মদিন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেখান কিছু বিজেপির সমর্থক জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শুরু করে। স্বাভাবিকভাবে মুখ্যমন্ত্রী রাগ করে আর বক্তব্য না রাখেনি। আমার একটাই প্রশ্ন বাঙালি কি ভুলে গেছে কোথায় কী বলতে হয়।মুখ্যমন্ত্রী জয় শ্রীরাম শুনে রেগে যান, সেই কারণেই বলা হয়েছে।তিনি রেগে গেলেন, এটাও ঠিক কিন্তু প্রশ্ন একটা   রয়ে গেল বাঙালি কি ভুলে গেছে স্থানকাল পাত্র বুঝে কথা বলতে বা শ্লোগান দিতে। আমার তো মনে হয় ভুলে গেছে, কারণ নেতাজি কখনো মানুষের থেকে ধর্ম কে বড়ো করে দেখতেন না। তিনি ছিলেন বীর সন্ন্যাসী স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত একজন মানুষ। অদ্ভুত এক পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে বাংলায় বাঙালি ভুলে গেছে কোথায় কী বলতে  হয় ।আসলে কি তাই না প্রতি নিয়ত প্রচারের আলোয় থাকতে এই সব ঘটনানো ঘটেছে । চোরে চোরে মাসতুত ভাই, আমি বলছি বাঙালি নিজের ভালো টা বোঝ। এই চোরে দের বিরুদ্ধে সরব হও, তোমার শিক্ষা দীক্ষা সংস্কৃতি সব ধ্বংস করার জন্য দিদি ডেকে আনছে এই জঘন্য একটা দল কে। যারা বাঙালি জাতি জাতি স্বত্তা কে ধ্বংস না করে ছাড়বে না। না হলে দেখুন, জয় শ্রীরাম শ্লোগান ওখানে দেওয়া হবে উচিত ছিল কি? না ওখানে আসলে নেতাজি উপলক্ষ্য মাত্র আসলে রাজনৈতিক প্রচার। ওখানে জয় নেতাজি বা নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বোস কি জয় বলা ঠিক ছিল। কিন্তু কত গুলো নন বেঙ্গলি মানুষ জন নেতাজির জয় ধ্বনি না দিয়ে, জয় শ্রীরাম শ্লোগান দিয়ে নেতাজি কে অপমান করে গেছে। আর এই রকম একটা দলকে সমর্থন করে ক্ষমতায় আনতে চাইছে একদল মানুষ। ছিঃ বাঙালি. ছিঃ। ১৯৭৭ ফিরিয়ে আনুন এসব দেখতে হবে না। 

Friday, 22 January 2021

ভারত মায়ের বীর সন্তান নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫ তম জন্মদিন।

আগামী কাল ভারত মায়ের এই বীর সন্তানের জন্ম দিন। ওনার মৃত্যু দিন নিয়ে বিতর্ক আছে, কিন্তু ওনার আদর্শ নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে না। উনি স্বাধীনতার জন্য নিজের সুখ স্বাচ্ছন্দ ত্যাগ করে দেশ সেবায় ব্রতী হয়ে ছিলেন। আসুন এই মহান মানুষের আদর্শ আমরা অনুসরণ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই। কোন ভড়ং নয়, মিথ্যা কথা নয়, ভারতের আপামর জনসাধারণের উন্নতি হবে এনার প্রতি শ্রেষ্ঠ শ্রদ্ধা। বর্তমান ভারতের কিছু নেতা মন্ত্রীরা মঞ্চে উঠে বাংলা তথা ভারত মায়ের এই বীর মুক্তিযোদ্ধার কথা বলেন, কিন্তু এনার আদর্শ মেনে চলেন না। যদি চলতেন তাহলে লক ডাউনের সময় খেটে খাওয়া মানুষ কে পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে হতো না। ভোটের সময় এই সব মানুষের পাধুয়ে দেওয়া আর ভোট পার হয়ে গেল ব্যস ভুলে যাওয়া, ঐ সময়ে কত গরীব মানুষ না খেয়ে মারা গেছে, কোলের শিশু না খেয়ে মারা গেছে বাবা মা সেই মরা শিশু কে নিয়ে বাড়ি ফিরেছে ।এই দৃশ্য আমরা দেখছি, এখন পর্যন্ত কত মানুষের কাজ চলে গেছে খেতে পাচ্ছে না। তার উপর জিনিস পত্রের দাম, আর নেতা মন্ত্রীরা মঞ্চে উঠে বড় বড় ভাষণ শোনা যাবে আগামী কাল। সুভাষ চন্দ্র বোস স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শে অনুপ্রাণিত ছিলেন, মানুষের বিপদ দেখলে তাকে সাহায্য করতে যেতেন। নিজের দল করে ছিলেন বন্যা, মহামারীর, কোন খারাপ কিছু হলেই ছোট থেকেই এই সব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে তাদের সাহায্য করতেন। আর এই নেতা মন্ত্রীরা নিজের আখের গোছানোর জন্য ব্যস্ত প্রতি নিয়ত মিথ্যা কথা বলে চলেছেন। আসুন আমরা আগামী নির্বাচনে সেই নেতাদের নির্বাচিত করি যাদের নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরে বেড়াতে হয় না। নিজের জীবন সুখের জন্য জনগণের টাকায় মোচ্ছব করা নেতা মন্ত্রী নয়। 

চোরে দের দল বদল করা, মনে হচ্ছে যেন কোন স্বাধীনতা সংগ্রামী।


পাঠক কে অনুরোধ করছি সবটা পড়ে দেখবেন। দল বদল করা নিয়ে বা মন্ত্রী দের পদত্যাগ বা অন্য দলে যাওয়া নিয়ে ইলেকট্রনিক মিডিয়া যা করছে মনে হচ্ছে যেন কোন মহাপুরুষ চলে গেলেন। আরে ভাই ছোট ডাকাত দল থেকে বড়ো ডাকাতের দলে যাবে এটাই বড়ো ব্যাপার। বলবেন সবাই চোর নয় আমি জানি সবাই নয় কিন্তু চোর চুরি করছে দেখে তাকে এতো দিন মদত করে যাচ্ছে সে তো বড়ো অপরাধী। রাজ্যের বেকার যুবক যুবতী চাকরির জন্য অনশন করলেন, আত্মহত্যা করতে বাধ্য হচ্ছেন কম বেতন বলে।২০১১ সালের ক্ষমতা দখলের প্রতিশ্রুতি প্যারা টিচার দের প্রতি বছর দশ শতাংশ করে স্থায়ীকরে দেব। আজ দশ বছর পরেও প্যারা টিচার রয়েছে সেই তিমিরে। কেবল প্যারা টিচার বাকি সব প্রতিশ্রুতি। যেমন এই দিদি তেমন দাদা, মিথ্যা বলার জন্য নোবেল পুরস্কার পেতে পারেন দু জনেই। এই সরকারের কর্মমী কুল শিক্ষক সকলে কেন্দ্রীয় ঘোষনার সাথে সাথে ডি এ পাচ্ছে। ৩৬ টা সুপার স্পেশাল হাসপাতাল হয়ে গেছে। সিঙ্গুরে শিল্প হয়ে গেছে। বছরে কেন্দ্রীয় সরকারের দু কোটি আর রাজ্যের দুলক্ষ বেকারের চাকরি হয়ে গেছে। মনে পড়ছে জিনিসের দাম বেশি কি খাব বলে কলকাতায় থালা নিয়ে মিছিল। আর একজন ১০০ দিনে জিনিসের দাম কমিয়ে দিয়েছে এত কমিয়ে দিয়েছে, দিনে পঞ্চাশ টাকাও খরচ করতে হবে না। মানুষ খেতে পাবে চালের দাম ২০০৯ সালের থেকে কমে ১৪ টাকার কমা চাল কমে ৩২ টাকা। আর ১৮ টাকা কিলো চাল এখন ৪১ টাকা। সর্ষের তেল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা ছিল সেটা কমে ১৪০ থেকে ১৭০ টাকা। ডাল ৫০ থেকে ৭০ টাকার ডাল কমে ১৫০ টাকা থেকে ২১০ টাকা হয়েেছে। বেড়েেছে তো কি হয়েছে কাটমানি খোর দের, তোলাবাজ দের আয় বেড়েছে কয়েক গুণ। আমি তো মনে করি যে জন সাধারণ এখনও এই চোর ডাকাত কে সমর্থন করে যাচ্ছে তারা ঐ দলের ছোট ছোট চোর সরকারি টাকা যে ভাবে হোক তাদের পকেটে চাই। সে একশ দিনের কাজ নিয়ে, সরকারি সুবিধা করে দিয়ে কলেজে কলেজে ভর্তি নিয়ে। যে কোন ভাবে টাকা চাই, উর্দি পড়ে এখন তো আর উর্দি পড়ে দাঁড়াায় না, একই ব্যবস্থা কেবল লোক গুলো পাল্টেছে সি ভিক হয়েেছ। নামেই সিভিক কাজে অসামাজিক, কারণ ভাগ একদম উপর মহল পর্যন্ত পৌঁছে দিতে হয়। সে কারণেই তো এই চোরের সরকারের সাথে উর্দি ধারী দের এত দস্তি দেখছেন না। চোরের নিরাপত্তার জন্য কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয়। আর কি উৎসব নেই, বড়ো চোর আরও সাংঘাতিক তার চুরি ওরে বাবা ব্যবসা করতে ঋন দাও আর কমিশন নাও, শোধ না করে বিদেশে পালাও তার কিছু দিন পরে ঋণ মুকুব এ রকম চুরি কেউ দেখেছেন কখনো। জন গন ভুলে থাকবে চীন, পাকিস্তান, নেপাল, রাম মন্দির নিয়ে, আর এন আর সি, শ্রম আইন, কৃষক মারা এনে দেশ বেচে আমি কোটি কোটি টাকা কাটমানি খেয়ে ব্যাঙ্ক ব্যলান্স বাড়িয়ে যাব। রেল কিনবে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে ওত শোধ করতে হবে না। জনগণের জমানো টাকা খেটে খাওয়া মানুষের এবং মধ্যবিত্ত মানুষের জমানো টাকা ও যাক আমার বন্ধু ভালো থাকবেন। আর এই সব নেতারা মজায় যাকে কিছু না দিতে পারে ভোটের সময় মদ মাংস খাওয়ার ব্যবস্থা করতে পারবে। এই যে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে ভোট হবে দূর মশাই কেন্দ্রীয় বাহিনী ও তো মদ মাংসে ঠিক করে দেবে ও বাহীনির সামনেই ছাপ্পা ভোট হবে কিছু বলবে না। গত লোকসভা আর আর বিধানসভা নির্বাচনে দেখলাম তো কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই ছাপ্পা ভোট দিয়ে যাচ্ছে। কোন বাধা নেই, পরে শুনলাম দু দিন আগে বাহীনির উপস্থিত আর নেতা আর নেতার চ্যালারাও হাজির মদ মাংসের ব্যবস্থা কোথাও আরও একটি ম। এই তো ভোট হবে। তা এই চোরে দের নিয়ে এত মাতামাতি কিসের জন্য। 

Thursday, 21 January 2021

নতুন দল এই বাংলায় ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট।


 ধন্যবাদ জানাই আপনাকে, বাঙালি অনেক কিছু হারিয়েছে, বাংলার হাজার হাজার বীর সন্তানের আত্মবলিদানের মধ্যে দিয়ে দেশে স্বাধীনতা এসেছে, কিন্তু এক দল উগ্র হিন্দুত্ব বাদী বাংলা কে ভাগ করে বাঙালি জাতিকে ধ্বংবংসে মুখে ঠেলে দিয়েছে। ব্রিটিশ তথা ইংরেজ শাসক ১৯০৫ সালে বাংলা ভাগ করতে গিয়েও পারে নি। কারণ তারা জানত এই বাংলা যদি এক থাকে তাহলে ভারতে তাদের শাসন করা মুশকিল। বাঙালি ব্রিটিশদের মসনদ টলিয়ে দিয়ে ছিল। বাংংলা মায়ের তিন দামাল সন্তান বিনয় বাদল দীনেশ রাইটার্স বিল্ডিং এ ঢুকে অত্যাচারি সাহেব কে খুন করে দিয়ে ছিল। তার পরেই রাজধানী কলকাতা থেকে সরে দিল্লি নিয়ে গিয়ে ছিল ব্রিটিশ রাজ। আজ সেই ব্রিটিশদের পা চাটারা ক্ষমতা দখল করতে মরিয়াা , ১৯৪৬ সাল থেকে আজ পর্যন্ত স্বাধীনতার পর থেকে এই ৭৬ ধরে বাঙালি জাতি আজ নির্যাতনের স্বীকার অসম ত্রিপুরা এমনকি উত্তর প্রদেশের দণ্ডকারণ্য সর্বত্র বাঙালি আজ নির্যাতিত সে খানে আপনি এমন একটা দল গঠন করেছেন। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রণ্ট, সত্যি প্রশংসা যোগ্য, আশা করি আপনি এগিয়ে আসবেন বাংলার মাটিতে যাতে বিজেপি নামক বিষ না আসতে পারে তার ব্যবস্থা করার জন্য। আর আপনি নিশ্চয়ই দেখছেন বর্তমান শাসক দলের নেতা কর্মী কীভাবে ঐ ডাকাত দল কে ডেকে আনছে। আসলে এতো চুরি করেছে, যে সিবিআই তদন্ত ও অন্যান্য তদন্ত থেকে বাঁঁচতে ঐ বড়ো মিথ্যাবাদী জোচ্চরের দলে নাম লেখাচ্ছে বাঁঁচাতে। আপনি নিশ্চয়ই চোর তোলাবাজ মিথ্যাবাদী, চিটিংবাজ দের সাথে হাত মেলাবেন না।বাঙালি জাতিকে আবার সেই শান্তির দিন গুলো ফিরিয়ে দিতে, ধর্ম কে  ধর্মের জায়গায় রেখে এগিয়ে যাই। যে যার ধর্ম সে তার মত পালন করুন। আমরা আবার গোটা ভারত কে দেখিয়ে দিই আমরা বাঙালি জাতি আমরাই পারি তোমাদের শেখাতে। এখানে রফিকুল অসুস্থ হলে রবীন গিয়ে পাশে দাঁড়িয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে এটাই বাংলা। আমরা বাঙালি জাতি, বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে বাঁঁচতে জানে। আমরা  চোর ডাকাত তোলাবাজ কাটমানি খোর ঘুষখোর নই মিথ্যাবাদী নই। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাই। ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন ।

Wednesday, 20 January 2021

সংবাদ দাতারা সেই ২০১১ থেকে নিজেদের বদলাল না।

 

২০১১ আগে থেকেই এরকম কিছু সংবাদ মাধ্যমে প্রায় দেখা যেত সি পি আই এম নেতা খারাপ কথা বলেছে। হুঁশিয়ারি দিচ্ছে    হুমকি দিচ্ছে, খারাপ কথা বলেছেন। আরও কত কি এবং. তাদের ভাষা.         নিয়ে ভীষণ চর্চা হতো এই সব মিডিয়ায় আর উল্টো দিকে শাসক দলের লোক জন গালাগালি করা থেকে শুরু করে বামপন্থী নেতাদের চোদ্দ গোষ্ঠী উদ্ধার করে দিলেও কোন সমালোচনা ছিলনা। এখন বি জেপি নেতা দিলীপ ঘোষ এর কথা ভাবুন বীরভূমের কেষ্টর কথা গুলো ভাবুন। আর এই গত কাল সন্ধ্যায়    একটি টিভি চ্যানেলের শো দেখলাম, ( ক্রশফায়ার) চোর ডাকাতের দলের লোক বেশি আছে। চুরির টাকার ভাগ পায় লোকটাও দেখলাম বেশ মোটা সোটা দেখলেই মনে হয় - - আসলে উনি চোরের দলের উপযুক্ত লোক, মানুষ কে ভুল বোঝাতে বেশি সময় লাগে না। মদ মাংস আর টাকা সে একশ টাকা থেকে পাঁচশ টাকা।

   এসব আমার লেখার বিষয়বস্তু নয়, শাসক দল এবং তার সহযোগী দল কতটা উগ্র তা দেখতে আমরা অভ্যস্ত, আর চোরের মায়ের বড়ো গলা, এটা এখন প্রবাদ নয় বাস্তব। টিভি ক্যামেরার সামনে বামপন্থী এক কর্মী কে খুনের হুমকি দিচ্ছে। সত্যিই এসব দেখতে হচ্ছে, এরা বিরোধীতা সহ্য করতে পারে না। দেখছি কোথাও নব্য বিজেপি আর পুরোনো বিজেপির মধ্যে লড়াই কোথাও শাসক দলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব মানুষ খুন নেতার মৃত্যু, আর কেউ যদি সত্যি কথা বলে তবে তাকে খুনের হুমকি সত্যি শাসক আর কত নীচে নামবে। গত পঞ্চায়েত ভোটের সময় ভোট করতে গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসার এক শিক্ষকের মর্মান্তিক পরিনতি। ২০১১ সালের পর থেকে এ রাজ্যে কোন নির্বাচন শান্তি পুর্ণ হয় নি ।এই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি কেবল মাত্র টাকার জন্য নিজেদের মধ্যে মারামারি। আর বিরোধী দলের নেতা কর্মী কে খুনের হুমকি ক্যামেরার সামনে হুমকি কিন্তু পুলিশ চুপ। কারণ পুলিশ জানে যে যত বড়ো চোর ডাকাত খুনি সে তত বড় নেতা এবং একদিন বিধায়ক বা এম পি হবে আর তাদের তাকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। সত্যিই বাঙালি জাতির এ অধঃপতন ভাবা যায় না। মানুষ কে ভুল বোঝাতে এই সব চোর গুণ্ডা মাফিয়ার বেশি সময় লাগে না। আসলে সঠিক শিক্ষার অভাব। এরা আবার বাংলার ক্ষমতা দখল করবে কারণ মানুষ কে হুমকি দেবে আর কোটি কোটি টাকা লুঠ করে ভাগ করে নেবে বলে।এদের এসব দেখেও দেখে না এদের সমালোচনা করার সাহস নেই। অর্থাৎ সত্যি কথা বলার সাহস নেই। ছিঃ বাঙালি ছিঃ। 

Tuesday, 19 January 2021

কেবল চোর ডাকাতের বিরুদ্ধে লড়াই নয়, লড়াই করতে হবে তথাকথিত দালাল মিডিয়ার বিরুদ্ধেও।

 ২০০৯ থেকেই কতগুলো দালাল মিডিয়ার অপপ্রচার, বাংলার মানুষ কে বিভ্রান্ত করার জন্য প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সমীক্ষায় চোর কে জেতানোর আপ্রাণ চেষ্টা এবং তার প্রচার প্রতিনিয়ত করে যাচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এরা থামেনি, এরা পা চাটা দালাল চোর চুরি করছে সে সব কীভাবে চাপা দিয়ে প্রতিনিয়ত প্রচার করে যাচ্ছে এবারেও চোর ডাকাত এবং মিথ্যাবাদীর দল জিতবে। মানুষের জীবন অতিষ্ঠ হয়ে গেছে, বেকার ছেলে মেয়েরা চাকরির জন্য অনশন করল, এখনও চাকরির দেখা নেই, চাকরির জন্য জনসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, সরকারি কর্মীদের ডি এ নেই, বাজারে জিনিস পত্র দাম আকাশ ছোঁয়া, আর এরা কোথায় কাকে জিজ্ঞেস করে জানা নেই, আমার তো মনে হয় জিজ্ঞেস করার আগে শিখিয়ে দেওয়া হয়। চোর ডাকাত জিতবে, আর চোর ডাকাত কে সাধু বানান চরম মিথ্যাবাদী ধাপ্পাবাজ, চিটিংবাজের দল ক্ষমতায় আসবে কারণ রাজ্যের মানুষ যাতে আরও দূর্দশা গ্রস্থ হয় এই সব দালাল অর্থলোভী মিডিয়া সেটা চায়, এরা চায় বাংলার মানুষ ভিক্ষা করে খায় যেন। বাঙালি জাতির সব ধ্বংস করে দিতে যে দল উঠে পরে লেগেছে তাদের হয়ে প্রচারের উদ্দেশ্যে এটাই। কারণ সাধারণ মানুষের এ্যাকাউন্টে ১৫ লক্ষ টাকা না ঢুকলেও আমার মনে হয় এই সব দালাল ঘুষ খোর অর্থলোভী মিডিয়ার লোকজনের এ্যাকাউন্টে ঢুকেছে, এদের বাড়িতে বিনামূল্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়া হয়। পা চাটারা এমন পা চাটে ভাবা যায় না। এরা বাংলা তথা বাঙালির শত্রু এদের মানুষ বর্জন করুন। আসুন আমরা সবাই আওয়াজ তুলি এই রকম সব মিডিয়া কে বর্জন করি। সবাই ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন আর এই সব দালাল নির্মূল করতে পথে নামুন যাতে চোর ডাকাত এবং এই চোর ডাকাত কে দলে নিয়ে সাধু বানানো দলের থেকে সাবধানে থাকি। আসাম আর ত্রিপুরার বাঙালি দের পাশে দাঁড়াই ।

Monday, 18 January 2021

অদ্ভুত রাজ্যে অদ্ভুত সব কাণ্ড। (শিক্ষক প্রশিক্ষণের নির্দেশ)


 সর্বশিক্ষা মিশনের নির্দেশে শুরু হবে সর্ব স্তরের প্রাথমিক শিক্ষক দের প্রশিক্ষণ গুগুল মিটের মাধ্যমে, অদ্ভুত রাজার দেশে অদ্ভুত নিয়ম। হাজার হাজার লোক জমায়েত করে রাজনৈতিক সভা করা যায়। মিছিল করা যাবে কিন্তু ৭০ থেকে ৮০ শিক্ষক শিক্ষিকা নিয়ে একটি ঘরের মধ্যে ট্রেনিং করা যায় না।এখানে যা সিডিউল দেখছি তাতে এক দিনে ৩০ থেকে ৪০ জন। 


দারুণ রাজার দেশে আমরা বাস করছি, যে দেশে নেট সর্ববত্র কাজ করে না, সেভাবে স্পীডথাকে না সেখানে, আবার সব শিক্ষক শিক্ষিকার স্মার্ট ফোন নেই, সত্যি বিচিত্র দেশ বিচিত্র সব নিয়ম কানুন আশি জন শিক্ষক শিক্ষিকা এক জায়গায় হলে করোনা ছড়িয়ে পড়বে কিন্তু, হাজার হাজার মানুষের জমায়েত করে রাজনৈতিক সভা বা ভোটের প্রচারে করোনা ছড়িয়ে পড়ে না। ঐ সব সভায় উপস্থিত অনেকেই মাস্ক না পরে চলে যাচ্ছে, তাতেও করোনা হবে না। ট্রেন বাসে ভীড় তাতে করোনা হবে না। অফিসে অফিসে বিভিন্ন কাজে যাওয়া মানুষের লম্বা লাইন সেখানে করোনা হবে না। কেবল ৭০ থেকে ৮০ জন শিক্ষক নিয়ে মিটিংং করলে করোনা হবে। ট্রেনিং আদেশ নামা দিলাম এখানে, দেখে নিন কতটা করে নেট লাগবে।

এর জন্য ভাবনা নেই, বিদ্যালয়ে কম্পিউটারের ব্যবস্থা নেই, নেটের ব্যবস্থা নেই, শিক্ষকরা তো বাংলা শিক্ষা পোর্টালে ছাত্র ছাত্রী দের নাম অন্তর্ভুক্ত করে দিচ্ছে। আবার টিসি আউট করে তা প্রিন্ট করে ছাত্র ছাত্রী দের দিচ্ছে। কেউ কোনো প্রতিবাদ করছে না। সব তো হয়ে যাচ্ছে, সত্যিই আমরা আজব রাজ্যে বাস করছি! 

Saturday, 16 January 2021

ড্রাইভিং লাইসেন্স বা রাইডিং লাইসেন্স নতুন করতে যন্ত্রণা।


দু চাকার বেশি কোন গাড়ি চালানোর জন্য লাগে ড্রাইভিং লাইসেন্স, আর দু চাকা চালাতে রাইডিং লাইসেন্স না ড্রাইভিং লাইসেন্স সেটা কেউ জানে না।




আসলে তা নয় দু চাকা চালানো কে রাইডিং বলে এটাই অনেকেই জানেন না। যা হোক সকলেই বলেন ড্রাইভিং লাইসেন্স, সেটা দু চাকার হোক বা চার চাকা, সামান্য স্কুটি চালাতেও লাইসেন্স লাগে। আর এই লাইসেন্স পেতে যে কোনও মানুষের জুতোর শুকতলা ছিঁড়ে যায়। দালাল ছাড়া কোনো উপায় নেই, কেবল সরকারি ঘোষণা আছে বড়ো বড়ো বিজ্ঞাপন আছে, মানুষের হয়রানির শেষ নেই, সরকারি ভাবে এই লাইসেন্স করানোর জন্য আর টি ও তে যাও ( হুগলি জেলা শাসকের দপ্তর) সেখানেও দালাল আছে তিনি জোর গলায় বলেন। আমাদের সাহায্য ছাড়া নতুন লাইসেন্স অসম্ভব, দূর থেকে ট্রেনে বাসে করে আর টি ও তে গিয়ে কোন লাভ নেই।এ জানালা ও জানালা ঘুরে শেষ হয়ে যাবে, তবুও কেউ বলবে না কীভাবে নতুন লাইসেন্স পাওয়া যাবে, যদি বা বলে দায় সারা উত্তর দেবে। এখনতো ওয়েবসাইটের যুগ একটা ওয়েব সাইট বলে দেবে ( porivahan. gov. in) যে কোন সাইবার কাফেতে গিয়ে নাকি করা যায়! এবার সাইবার কাফে খোঁজার পালা যে কাফেতে যাবেন বলে দেবে আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স করি না। এবার আপনি দালাল খুঁজুন এক এক দালালের এক এক রেট, ওখানের মানে অফিসে যিনি আছেন তার রেট দু হাজার টাকা, একটু দূরে আসুন রেট চার হাজার, কেউ কেউ বাইশ শো টাকা এবার আপনার সিদ্ধান্ত কার কাছে কাজটা করবেন। কারণ আপনি জানেন না সরকারের ফিজ কত টাকা? ড্রাইভিং লাইসেন্স চাই কারণ রাস্তায় পুলিশের হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পেতে, কারণ পুলিশ এত কিছু বোঝে না, তারা জানে আপনি করেননি। আসলে এই দালালের সাথে সবার অর্থাৎ সব অফিসের যোগাযোগ এদের নেওয়া টাকার ভাগ উপর তলা পর্যন্ত পৌঁছে যায়। সাধারণ মানুষের হয়রানি ওত মামুলি ব্যপার, আর পুলিশের মুখের ভাষা শুনে মনে হবে ওরা মানুষ বাকিরা সবাই অপরাধি কেবল ঘুষ দাও টাকা চাই টাকা চাই। ব্রিটিশ আমলে একটা কথা প্রচলিত ছিল পুলিশ নিজের বাবা মায়ের কাছ থেকেও ঘুষ নেয়। সেই যুগে আমরা বাস করছি, পুলিশের ব্যবহার দেখে মনে হবে না, আমরা স্বাধীন হয়েছি! 

Tuesday, 12 January 2021

ভ্যাকসিন, কোভিড19, কয়েকটি প্রশ্ন?


 সব থেকে আগেই প্ররশ্ন আসে ছ মাসের মধ্যে কীভাবে একটি ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়ে গেল? বিজ্ঞানের এতো উন্নতি সত্যি ভাবা যায় না। অথচ দেখুন ভারত সরকার বা তার বিজ্ঞানিরা এখনও একটা নেট সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করতে পারে না, গুগলের উপর নির্ভর করতে হয়? উন্নত মানের প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম যুদ্ধাস্ত্র তৈরি করতে পারে না, বিদেশ থেকে কিনতে হয়? এই ভ্যাকসিন কতটা নিরাপদ মানুষের শরীরের, কাগজে কলমে নিরাপদ বাস্তবে দেখা গেল, এই ভ্যাকসিন নেওয়ার পর বেশি মানুষ অসুস্থ হয়ে পরছেন। কে দায় নেবেন, জনগণ কে গবেষণার গিনিপিক বানানো হচ্ছে না তো? কারণ মানুষ মারা গেলে দিল্লির ঐ জল্লাদ গুলো ভীষণ আনন্দ পায়? কারণ ঐ তথাকথিত মিথ্যাবাদী দেশ বেচা অমানুষ গুলোর সাধারণ মানুষের প্রতি ব্যবহার। N. R. C নামে আসামে বাঙালির উপর অত্যাচার, C. A A আন্দোলন তোলার জন্যে দিল্লির আন্দোলন কারি দের উপর অত্যাচার। আর সম্প্রতি লকডাউন ঘোষণা করে কয়েক কোটি খেটে খাওয়া মানুষ কে হেঁটে বাড়ি ফিরতে বাধ্য করা। ধনী দের জন্য বিনা ভাড়ার বিমান আর গরীবের জন্য হেঁটে ফেরার ব্যবস্থা ফিরেও রেহাই, পশুর মতো তাদের উপর কীটনাশক প্রয়োগ করা, এসব দেখেছি? তথাকথিত এই সব নেতা মন্ত্রী এবং উচ্চ বেতন ভোগী আমলারা যে খেটে খাওয়া মানুষ গুলো কে মানুষ বলে মনে করে না। সেটা এদের কথা বার্তা শুনেই মনে হয়, পৃথিবী তে অনেক রোগ আছে যার ঔষধ এখন পর্যন্ত আবিষ্কারহয়নি HIV সহ আরও অনেক কিন্তু দেখুন ছ মাসের মধ্যে কোভিড19 এর ভ্যাকসিন আবিষ্কার করা হয়েছে? এটা কোনো ব্যবসায়ী কে ব্যবসা বাড়াতে সাহায্য করার জন্য নয় তো? কিছু মানুষ মরুক ক্ষতি নেই, ব্যবসায়ী বেঁচে থাকুক, এ্যাকাউন্টে টাকা আসবে, ভোটের প্রচারে সাতাশ হাজার কোটি টাকা খরচ করতে পারবে? এরা যদি সত্যি মানুষ হত তাহলে দিল্লির এই কনকনে ঠান্ডায় বসে থাকা কৃষক দের দাবি মেনে নিতে এক মূহুর্তদেরি করত না। বিচার বিভাগ সে তো দেখলাম বাবরি মসজিদ ভাঙা হয় নি বলে যখন রায় দিল? আরো কয়েকটা ঐতিহাসিক রায় দানের পর বিচারপতি অবসর নিলেন এবং রাজ্যসভার সাংসদ হয়ে গেলেন। আমার লেখা জানি কেউ পড়ে না, তবুও বলছি আগে আমাদের প্ররধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী আমলারা ও তাদের পরিবারের লোকজন এবং যারা বিমানে চড়ে বিদেশ থেকে কোভিড19 নিয়ে এলো তাদের গিনিপিক বানানো হোক। কারণ মিথ্যাবাদী স্বৈরাচারী সরকার কে জনগণ বিশ্বাস করে না। 

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...