দিদি যা বলেন ভাই ভাইপো ভাইঝিরা ঠিক তার উল্টো করে কারণ তারা জানে দিদি সবার সামনে বা ক্যামেরার সামনে ভালো কথা না বললে দল চলবে না। কিন্তু আমাদের কাজ হবে ঠিক উল্টো, ঐ যে 75%আর 25% না হলে আসবে কোথা থেকে। যেমন দিদি ঐ কয়েক দিন আগে 21 শে জুলাই এর মঞ্চ থেকে বললেন, বিত্তবান নেতা চাই না, বিবেকবান নেতা চাই। তার পরেই হাওড়া বালি পুরসভার অর্থ দপ্তরের কর্মীর উপর হামলা কারণ তিনি দু কোটি টাকার জাল বিল পাশ করেন নি। এমনকি ওখানকার এস ডি ও পর্যন্ত সেই কর্মী কে হুমকি দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে। আবার পুলিশ কে ধরে পেটানো হল তেহট্টে, এরকম আরেকটা ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে এক পঞ্চায়েত সচিবের গলা টিপে ধরছে তৃণমূলের উপ প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যরা। এই কিছুখন আগে দেখলাম এক তৃণমূল নেতা প্রতিবেশীর জমি জব্বর দখল করেছেন বা সেরকম কিছু ঘটেছে ঐ পরিবার প্রতিবাদ করেছে লোকজন নিয়ে বাড়িতে চড়াও ঐ তৃণমূল নেতা। সোশ্যাল মিডিয়া যদি কেউ প্রতি নিয়ত দেখেন বিশেষ করে ইউ টিউব তাহলে গত একুশে জুলাই এর পর থেকে তৃণমূল নেতা দের নানা কীর্তি কলাপের খবর পাবেন। দেখতে পাবেন তারা এত নরম যে জোর করে জমি দখল তোলা তোলা সব চলছে, আর টাকা না দিলে বা তাদের অন্যায় কে সমর্থন না করলে জুটছে পিটুনি কখনো প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে। যেখানে পুলিশ পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না তবে এই পুলিশ এবং সরকারি কর্মী মার খেলে সাধারণ মানুষের আনন্দ লাগে কারণ এরা সবাই মিলে ভোট লুট করে এই চোর সরকার কে টিকিয়ে রেখেছে কারণ চুরির টাকার ভাগ এরা পায় তাই এদের অনেকেই ডি এ চায় না। এক একজন সিভিক পুলিশের সম্পদ দেখলে চমকে যাবেন, তাই এদের মার খেতে দেখলে অনেকেই আনন্দ পান। এই কোরাপটেড অফিসার পুলিশ সিভিক আজ যেন বাঙালি জাতির শত্রু হয়ে উঠেছে। এরা সকলে মিলে বাঙালি জাতির শিক্ষা সংস্কৃতি সব ধ্বংস করে দিচ্ছে না এক এস ডি ও কেন ঐ ভুয়ো বিল পাশ করানোর জন্য বলছেন কী স্বার্থ তার। এই জন্যই বলছি দিদি বলেছেন বিবেকবান দিদির ভাইয়েরা এই ক'দিন সারা রাজ্য জুড়ে বিবেকবান হয়ে উঠেছে। তাদের চুরি তে একটু বাধা এলেই ধোলাই এমনকি পুলিশ কেও ছাড়ছে না। ভাববেন না পুলিশ পাল্টে যাবে কখনো না কারণ কোটি কোটি টাকার হাতছানি।
Anulekhon.blogspot.com
Sunday, 28 July 2024
দিদি যা বলে দিদির ভাইয়েরা উল্টো করে।
দিদি যা বলেন ভাই ভাইপো ভাইঝিরা ঠিক তার উল্টো করে কারণ তারা জানে দিদি সবার সামনে বা ক্যামেরার সামনে ভালো কথা না বললে দল চলবে না। কিন্তু আমাদের কাজ হবে ঠিক উল্টো, ঐ যে 75%আর 25% না হলে আসবে কোথা থেকে। যেমন দিদি ঐ কয়েক দিন আগে 21 শে জুলাই এর মঞ্চ থেকে বললেন, বিত্তবান নেতা চাই না, বিবেকবান নেতা চাই। তার পরেই হাওড়া বালি পুরসভার অর্থ দপ্তরের কর্মীর উপর হামলা কারণ তিনি দু কোটি টাকার জাল বিল পাশ করেন নি। এমনকি ওখানকার এস ডি ও পর্যন্ত সেই কর্মী কে হুমকি দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে। আবার পুলিশ কে ধরে পেটানো হল তেহট্টে, এরকম আরেকটা ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখা যাচ্ছে এক পঞ্চায়েত সচিবের গলা টিপে ধরছে তৃণমূলের উপ প্রধান সহ অন্যান্য সদস্যরা। এই কিছুখন আগে দেখলাম এক তৃণমূল নেতা প্রতিবেশীর জমি জব্বর দখল করেছেন বা সেরকম কিছু ঘটেছে ঐ পরিবার প্রতিবাদ করেছে লোকজন নিয়ে বাড়িতে চড়াও ঐ তৃণমূল নেতা। সোশ্যাল মিডিয়া যদি কেউ প্রতি নিয়ত দেখেন বিশেষ করে ইউ টিউব তাহলে গত একুশে জুলাই এর পর থেকে তৃণমূল নেতা দের নানা কীর্তি কলাপের খবর পাবেন। দেখতে পাবেন তারা এত নরম যে জোর করে জমি দখল তোলা তোলা সব চলছে, আর টাকা না দিলে বা তাদের অন্যায় কে সমর্থন না করলে জুটছে পিটুনি কখনো প্রাণ সংশয় পর্যন্ত হয়ে যাচ্ছে। যেখানে পুলিশ পর্যন্ত রেহাই পাচ্ছে না তবে এই পুলিশ এবং সরকারি কর্মী মার খেলে সাধারণ মানুষের আনন্দ লাগে কারণ এরা সবাই মিলে ভোট লুট করে এই চোর সরকার কে টিকিয়ে রেখেছে কারণ চুরির টাকার ভাগ এরা পায় তাই এদের অনেকেই ডি এ চায় না। এক একজন সিভিক পুলিশের সম্পদ দেখলে চমকে যাবেন, তাই এদের মার খেতে দেখলে অনেকেই আনন্দ পান। এই কোরাপটেড অফিসার পুলিশ সিভিক আজ যেন বাঙালি জাতির শত্রু হয়ে উঠেছে। এরা সকলে মিলে বাঙালি জাতির শিক্ষা সংস্কৃতি সব ধ্বংস করে দিচ্ছে না এক এস ডি ও কেন ঐ ভুয়ো বিল পাশ করানোর জন্য বলছেন কী স্বার্থ তার। এই জন্যই বলছি দিদি বলেছেন বিবেকবান দিদির ভাইয়েরা এই ক'দিন সারা রাজ্য জুড়ে বিবেকবান হয়ে উঠেছে। তাদের চুরি তে একটু বাধা এলেই ধোলাই এমনকি পুলিশ কেও ছাড়ছে না। ভাববেন না পুলিশ পাল্টে যাবে কখনো না কারণ কোটি কোটি টাকার হাতছানি।
Friday, 26 July 2024
আবার বাংলা ভাগের প্রস্তাব সংসদে।
ভারতীয় সংসদে এই সংসদ জিরো আওয়ারে একটা প্রস্তাব তুলেছেন।বাংলা এবং বিহারের কয়েকটি জেলা নিয়ে নতুন কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল তৈরি করা হোক, ওদিক আসামের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন উত্তর বঙ্গের কয়েকটি জেলা নিয়ে কেন্দ্রীয় শাসিত করে দেওয়া হোক। আমার কথা হচ্ছে বাংলা থেকে 42 জন সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তারা সংসদে কী করতে যান।এরা কি কেবল ভিডিও করতে এবং চু কিৎ কিৎ খেলতে যান।আজ সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখলাম একজন বিজেপির বিধায়ক একই কথা বলছেন। বেশিরভাগ সময়ই বিভিন্ন ভাবে বাংলা ভাগের প্রস্তাব ওঠে সংসদে এটা কীভাবে হয়? এর আগে রাজু বিস্তা নামে এক সাংসদ এরকম প্রস্তাব তুলে ছিলেন। দেশ ভাগের সময়ে এরা ইংরেজের সাথে মিলে ধর্মের নামে বাংলা ভাগ করে ছিলেন কারণ বাঙালি জাতি স্বাধীনতা আন্দোলনে বেশি অংশ গ্রহণ করে ছিলেন। বিশেষ করে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ আর তাদের মনবল ভাঙতে এবং বাঙালি জাতি আর কোন দিন যাতে এক হতে না পারে তার বাংলা কে ভেঙে বেশ কয়েকটি ভাগ করা হয়। আর বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ এই তথাকথিত হিন্দুস্থানের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। সে আন্দামান থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় এই বাঙালি জাতির মেরুদন্ড ভেঙে দেওয়া হয়। আর এখন কৌশলে তার শিক্ষা ব্যবস্থা কে পঙ্গু করে দেওয়া হয়েছে যাতে করে আরও পিছিয়ে পড়ে একটা জাতি। আমার রাজ্যের শাসক বাধ্যতামূলক ভাবে এই দ্বিতীয় ইংরেজ শাসক কে মদত দিয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোন প্রতিবাদ নেই, সংসদে আছে কোন কথা নেই কারণ আগা পাছতলা দূর্নীতি তে ডুবে আছে। কেবল টাকা চাই টাকা হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা লুঠে নাও তাতে বাংলা তথা বাঙালি উচ্ছন্নে যাক। সাংসদ নিশিকান্ত দুবের দাবি কি? বিহার এবং বাংলার বেশ কিছু জেলায় মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি হয়েছে তারা বিহারে এসে উৎপাত করছে। তাদের জব্দ করার জন্য এই অঞ্চল টিকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল করা হোক। আমার পরিষ্কার কথা এদের একবার ভিটে ছাড়া করা হোক না হলে এরা বুঝতে পারবে না, উদ্বাস্তু হওয়ার কি জ্বালা! যারা সত্যিকারের পশ্চিমবঙ্গের সাংসদ এবং নিজেকে বাঙালি বলে মনে করেন, দ্বিতীয় ব্রিটিশ বিজেপির দালাল নয় তারা দাবি তুলুন, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডের যে জেলা গুলো ব্রিটিশ ভারতে বাংলার সাথে ছিল সেগুলো কে পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে দেওয়া হোক। আর বাংলা পক্ষ নামে যে একটি সংগঠন আছে তারা দাবি তুলুন ব্রিটিশ ভারতে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের বাঙালি অধ্যুষিত এলাকা যে গুলো থেকে বাঙালি ও বাংলা ভাষা কে বিদায় জানান হয়েছে, সে গুলো আবার পশ্চিমবঙ্গ কে ফিরিয়ে দিতে হবে, সেখানে বাংলা ভাষা চালু করতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান শাসক এসব করবে না তারা বিজেপি নামক দ্বিতীয় ইংরেজের পক্ষে কাজ করে। না হলে সংসদে প্রতিবাদ করত।
Friday, 19 July 2024
JIO, AIRTEL, VI বনাম BSNL।
গত ৩ রা জুলাই এর পর থেকে বেসরকারি টেলিকম সংস্থা গুলো তাদের রিচার্জ প্ল্যান গুলো দাম বাড়িয়েছে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ। আর সেই থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া বিভিন্ন রকম ভাবে কখনও BSNL পক্ষে লিখছেন এই তিন দিনের মধ্যে এক কোটি মানুষ BSNL এ পোর্ট করলেন। আবার অনেকেই বাকি তিন বেসরকারি সংস্থার হয়ে বলছেন BSNL এ পোর্ট করার আগে ভাববেন কারণ BSNL ঠিকমত নেটওয়ার্ক দিতে পারবে না। আবার BSNL এর বেশ কিছু সস্তা রিচার্জ প্ল্যান এর সাথে লুকানো শর্ত আছে সে সব না পরে যদি রিচার্জ করেন তাহলে ঠকবেন। আমি আজ প্রায় কুড়ি বছর ধরে BSNL ব্যবহার করে আসছি কিছু সুবিধা অসুবিধা আছে। তবে ঐ যে লুকানো শর্ত বলছে সেটাও ঠিক। লেখা আছে 197 টাকা না 198 টাকায় 70 দিন কিন্তু সেখান শর্ত আছে ফ্রি কল কেবল 15 দিন মাত্র দু জিবি নেট শেষ হয়ে গেলে শেষ এর সাথে আজে MTNL দিল্লি ও মুম্বইয়ের জন্যে রিচার্জ প্ল্যান না জেনে বুঝে রিচার্জ করলে বিপদ। দেখবেন কম টাকা রিচার্জ টি MTNL গ্রাহক দের জন্য। এরকম আছে, আবার ইন্টারনেট স্পীড একদম কম নামে 4G কিন্তু আসলে 3G এর শেষ অর্থাৎ E দেখাবে। স্পীড কিছু জায়গায় ভালো আবার বেশ কিছু জায়গায় একেবারে নেই বললেই চলে। যারা কথা বলার জন্য নেবেন তাদেরও সমস্যা দেখা দেবে গ্রামের দিকে হলে। কথা অর্ধেক হবে কেটে যাবে। সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে শুনছি টাটা BSNL এর সাথে যোগ দিয়েছেন জানি না কতটা ঠিক! টাটা যোগ দিলে তো ভালো BSNL তো বেসরকারি হওয়ার পথে একধাপ এগিয়ে গেল। জানি না সব জায়গায় ঠিক মত পরিসেবা পাওয়া যাবে কি না! তবে গ্রামের দিকে BSNL যদি বা আছে বাকি ঐ তিন সংস্থার নেট কেবল ঘুরে যায়। যাহোক এই কিছুখন আগে ফেসবুকে একটা পোস্ট দেখলাম ঐ বেসরকারি তিন সংস্থার পক্ষে, বিশেষ করে JIO র পক্ষে। সেখানে একজন মন্তব্য করেছেন সেই মন্তব্য টি এখানে দিলাম সাথে আমার উত্তর ও থাকল। ভালো লাগলে পড়বেন এবং মন্তব্য করবেন।
তাপস চ্যাটার্জি সুব্রত মালিক কে যে উত্তর টা দিয়েছে তার প্রেক্ষিতে তাপস চ্যাটার্জি কে একটি কথা বলছি। দাদা ডান হাত আম্বানি, আর বাম হাত আদানি আর পা দুটোয় ফাঁকা নেই সেখানে আমাদের রাজ্যের পিসি আর ভাইপো দিন রাত ধর্না দিয়ে পরে আছে। দাদা পায়ে পরি রে সি বি আই আর ইডি থেকে বাঁচারে।
Wednesday, 17 July 2024
করের ( ট্যাক্স) ফাঁদে মধ্যবিত্ত।
কেন্দ্র বলুন আর রাজ্য দুয়ে মিলে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের উপর করের বোঝা চাপিয়ে যাচ্ছে। এটা এক ধরনের শোষণ। যেসব মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার সরকারি চাকরি করেন, সে স্কুল থেকে শুরু করে অফিসে, প্রত্যেকেই তাদের প্রফেশনাল ট্যাক্স দিতে হয় এ রাজ্যে যা সর্বোচ্চ 200 টাকা মাসে। এবার আছে সরাসরি ইনকাম ট্যাক্স আড়াই লক্ষ টাকার বেশি বছরে আয় এবং সব ছাড় নিয়ে যেটা পাঁচ লাখ টাকা তার পর ইনকাম ট্যাক্স 20% থেকে 30% হারে। হোম লোন সে তো একবার নিলে সারা জীবন শোধ করতে হয়। তাই অনেকেই এখন ঐ হোম লোন এড়িয়ে যায়। এর উপর আপনি বাজার থেকে যেটা ক্রয় করবেন তার উপর জিএসটি এমনকি খাদ্য দ্রব্য থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় সব কিছুর উপর এখন GST এই GST আবার দুই সরকার কে দিতে হয়। এক CGST এবং SGST। এই GST অবশ্য সকল সাধারণ মানুষ কে দিতে হয়। কিন্তু মধ্যবিত্ত কে তার আয় থেকে আরো দুটো ট্যাক্স বেশি দিতে হয়। অর্থাৎ ইনকাম একটা ট্যাক্স তিন ভাবে আদায় করে নেয়। আরেকটা বড়ো বিষয় এখন কার দিল্লির দাদার সরকার ঠিক করে রেখেছে। মধ্যবিত্তের ট্যাক্স বা করে কোন ছাড় নেই কিন্তু কর্পোরেট সংস্থার ট্যাক্স না দিলেও চলে। তার উপর আছে কর্পোরেটে সংস্থা কে দেওয়া বিভিন্ন সুবিধা সর্বোপরি ঋণ মুকুব হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণ মুকুব। আর মধ্যবিত্ত আর নিম্ন মধ্যবিত্ত যদি একবার ঋণ নিয়েছে তাহলে তার ভিটে থেকে উচ্ছেদ না করা পর্যন্ত ব্যাঙ্ক ক্ষান্ত হয় না। কর্পোরেট কে ঋণ দিয়ে সেই ঋণের একটা অংশ ইলেট্রালার বণ্ডে চাঁদা নেওয়া এই হচ্ছে দুই সরকারের কাজ। জিনিস পত্রের দামে নিম্ন মধ্যবিত্ত এবং মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠছে। কেবল জিনিস পত্রের দাম এছাড়া, গ্যাস, ইলেক্ট্রিক বিল, চিকিৎসা খরচ ডাক্তারের ফ্রিস সহ ওষুধের দাম এবং ওষুধের উপর GST ছাড় নেই। করের ভাড়ে মধ্যবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্ত আজ নাজেহাল।
Monday, 15 July 2024
দুর্গা সপ্তমী পুজোর মন্ত্র ও নিয়ম।
সপ্তমিতে বিল্ব বৃক্ষের পূজা :- [এখানে বলে রাখি অনেকেই সংক্ষেপে পূজা করেন সেক্ষেত্রে মাতৃকা ন্যাস করার পর পীঠ পূজা করে পঞ্চ দেবতার পুজা করেন তার পর ধ্যান করে প্রধান পূজা ১০ টি উপাচার দেন আর প্রণাম মন্ত্র বলেন অনেকেই ন্যাস বাদ দিয়ে সংকল্পের পরেই ধ্যান করে প্রধান পূজা করেন এখানে একটা অন্য কথা বলি এগুলো মনে রাখলে সুবিধা হবে। একক দেবীর ক্ষেত্রে শেষে য়ৈ এবং দেবের ক্ষেত্রে য় আর অনেক হলে ভ্য ব্যবহার করতে হবে। ] ১)অচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্বি বাচন ৪) স্বত্বি সুক্ত ৫) সাক্ষ মন্ত্র ৬) সংকল্প ৭)সংকল্প সুক্ত (যজুর বেদের টি সহজ ওটা পাঠ করবেন) ৮) সামান্য অর্ঘ স্থাপন ৯) দ্বার পূজা ১০) বিঘ্ন অপসারণ ১১)মাস ভক্ত বলি ১২) আসন শুদ্ধি ১৩) পুষ্প শুদ্ধি ১৪) সংক্ষেপে ভুত শুদ্ধি ১৫) মাতৃকা ন্যাস (এখানে একবার কর ন্যাস ও অঙ্গ ন্যাস করতে হবে আমি সংক্ষেপে যে টা করা যায় সেটা লিখব) ১৬)অন্তর মাতৃকা ন্যাস ১৭)বাহ্য মাতৃকা ন্যাস ১৮)সংহার মাতৃকা ন্যাস ১৯)প্রানায়াম ২০) পীঠ ন্যাস ২১)অঙ্গ ন্যাস ২২) কর ন্যাস ২৩) ব্যাপক ন্যাস ২৪)ঋষাদি ন্যাস ২৫)ধ্যান ২৬) মানস পুজা ২৭) বিশেষ অর্ঘ স্থাপন। ২৮) পীঠ পূজা ( যেহেতু ঘট স্থাপন, কাণ্ড রোপন, সূত্র বেষ্ঠন ইত্যাদি করা আছে এবং বৃক্ষের পূজা তাই চক্ষু দান প্রান প্রতিষ্ঠা হবে করতে হবে না। পীঠ পূজার পর পঞ্চ দেবতার পূজা করে নিন।) ২৯)পঞ্চ দেবতার পূজা ৩০) ধ্যান করে প্রধান পূজা। ৩১) প্রণাম মন্ত্র। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
ছবি টি কীসের বা কোন প্রাণীর নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না। মানুষের প্রথম পোষ মানা প্রথম প্রাণী, হয়তো অনেকেই পড়ে বলবেন এবার নতুন কী এতো আমরা স...




