Anulekhon.blogspot.com

Sunday, 24 October 2021

বাংলার হুজুর আলেম দের কথা হলো আমার ধর্ম ঠিক বাকি সব খারাপ।


 ছবিটি ফেসবুক থেকে screenshot নেওয়া এবং বাংলাদেশের চ্যানেল ৭১ এর। আসলে এখানে হুজুর বা আলেম কালেমরা যে প্রতি নিয়ত অন্য ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ ছড়িয়ে যাচ্ছে সেটা দেখানো হয়েছিল। কেবল এক জন না প্রায় গোটা বাংলাদেশের অর্ধেকের বেশি এই ধর্মের কারবারি ওয়াজ করার সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে কি ভাবে উত্তেজনা ছড়ায় সেটা আমরাও বিভিন্ন সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখছি। আশ্চর্য লাগে, ঐ সকল ধর্মান্ধ বা ধর্ম ব্যবসায়ী ঐ ওয়াজ করে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করে আর পর ধর্মের মানুষের ধর্ম খারাপ এবং তাদের সাথে খারাপ ব্যবহার করতে পারেন এসব প্রচার করে। এসব করে বাঙালি জাতি টা কে ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে, আসলে আমার সব ভালো অপরের সব খারাপ। আর কি অপর ধর্মের মানুষ কাফের, অথচ সেই অপর ধর্মের মানুষ তথা বৈজ্ঞানিক এর তৈরি মোবাইল, মাইক, লাইট তথা আলো এবং পরার পোশাক পর্যন্ত ব্যবহার করে। অনেকেই বলবেন কেন পোশাক বাংলাদেশে তৈরি হয়। হ্যাঁ ঠিক বাংলাদেশে তৈরি কিন্তু ঐ পোশাক তৈরির যন্ত্র বা মেশিন কোন ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানী তৈরি করেছে। একটা বিষয় দেখাতে পারা যাবে না যা কোন ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানী দ্বারা তৈরি ভারতের আছে কারণ তিনি রাষ্ট্রপতি হয়েছিলেন। কারণ তিনি আধুনিক শিক্ষা গ্রহণ করে ছিলেন ঐ রকম হুজুরের পাল্লায় পড়লে কখনো হতেন না। এই হুজুর আলেম কালেম গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে পশ্চিমবঙ্গে কলকাতায় চলে আসে আধুনিক চিকিৎসার জন্য। আর ফিরে গিয়ে হিন্দু দের গালাগালি দেয় তাদের বাড়িতে হামলা চালায় এরা এত অকৃতজ্ঞ এদের মানুষ বললে পশুরা লজ্জা পাবে। এই যে দুর্গা পুজো ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে এই সব ধর্মান্ধ মানুষ এর পেছনে, এখন দেখুন এরা এই রকম এরা জানে অত্যাচার করে এদের তাড়াতে না পারলে নিজের যৌনতার জন্য পঁচিশ টা বিয়ে করে একশ থেকে দেড়শো ছেলে মেয়ে জণ্ম দিয়ে লোক সংখ্যা বাড়িয়েছি তারা থাকবে কোথায় খাবে কি? এদের তো কোন নাক লজ্জা নেই ঐ যৌনতার ব্যপারে তখন ওসব মান সম্মান নেই। পশ্চিমবঙ্গেও আছে এই রকম এলাকা কেবল লোক সংখ্যা বাড়িয়ে যাও আর মানুষের উপর অত্যাচার করে তাদের সম্পদ লুট করে নাও। ধর্মের দোহাই দিয়ে দারুণ ব্যাপার, কেবল যৌনতা আর জণ্ম দেওয়া, একজন বাবা হয় তো জানেই না সে কটি সন্তান জন্ম দিয়েছে। আর জণ্ম দিয়ে পালিয়ে আসে, বলবেন তাহলে বাংলাদেশে ডাক্তার বিজ্ঞান গবেষণা এসব হয় না। কে বলেছে হয় না, হয় আধুনিক চিকিৎসাও হয় কিন্তু একটু খোঁজ নিলে দেখা যাবে ঐ সকল মানুষ গুলো বেশিরভাগ ধর্মান্তরিত হিন্দু ধর্মের কারণ বাংলাদেশের ১০০ জন মুসলিম এর মধ্যে ৮০ জনের কোন না কোন পূর্ব পুরুষ হিন্দু বা অন্য কোনো ধর্মের ছিল। নিজ ধর্মের উচ্চ বর্ণের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে ছিলেন অথবা জোর করে ধর্মের পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছেন ।এই সব ধর্মান্ধ মানুষ গুলোর ভাষণে কেবল আমার ধর্মের সব ভালো আর অপরের সব খারাপ। কথায় কথায় একটা কথা জাহান্নামে যেতে হবে না, কিম্বা জান্নাত এর কথা যতটা সম্ভব এই দুটি শব্দের বাংলা হলো নরক ও স্বর্গ। এমন বলবে মনে হবে নিজেরা কয়েক বার ঘুরে এসেছে জোর দিয়ে এবং গলা ফাটিয়ে চিৎকার করে বলবে। মনে হবে পারলে এখুনি ছবি তুলে বা ভিডিও করে দেখিয়ে দিতে পারে। কেবল ক্যামেরা টা কাফের দের তৈরি করা বলে। টিভি ক্যামেরার সামনে অন্যান্য ধর্মের মানুষ সম্পর্কে যা নয় তাই বলছে জানেই না যে এই টেলিভিশন একজন খ্রীষ্টান ( জন লগি বিয়ার্ড) আবিষ্কার করে ছিলেন। আর সেই জাতি কে গালি দিচ্ছে, যে ভারত থেকে ভাগ হয়ে আজ বাংলাদেশ এবং ভারতের সীমান্ত ছাড়া অন্য দেশের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন না সেই দেশ এবং ভারতের সাহায্যে স্বাধীনতা পেয়ে ভুলে গেছে এরা এত অকৃতজ্ঞ। ঐ যে আমার ধর্মের সব কিছু ভালো অপরের টা খারাপ। আর আছ চিল চিৎকার অশিক্ষিত তো সেই কারণেই এই অবস্থা সরকার এদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিতে পারে না কারণ গোটা দেশ টায় এরা ছেয়ে আছে এবং এদের কথায় অশিক্ষিত অসভ্যের দল নিজের জীবন বিপন্ন করে লড়াই করতে নেমে পরবে। আর দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে লুট করা হবে। বাংলাদেশের সরকার আজ বলে নয় প্রায় স্বাধীনতার পর থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত এই সব উগ্র ধর্মান্ধ দের ব্যাপারে কোন ব্যবস্থা নেয় নি। অর্থাৎ বাংলাদেশ নামেই স্বাধীনতা বাস্তবে সঠিক শিক্ষা হয় নি। আর সঠিক শিক্ষা পেতে দেয় নি এই সব ধর্মান্ধ মানুষ কারণ মানুষ যদি সঠিক শিক্ষা পায় তাহলে এদের ধর্ম ব্যবসা আর থাকবে না। পশ্চিমবঙ্গে এবং পূর্ব বঙ্গে একই অবস্থা মাদ্রাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আরও নীচে মক্তব এগুলোর বেশিরভাগে শেখানো হচ্ছে আরবী, কোরান হাদিস, এগুলো শিখলেও পাশাপাশি যদি যে দেশে বাস করে তার ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান আর ও কিছু বিষয় না থাকে তাহলে সে তো বলবেই ও বাঙালি আর আমি মুসলমান এই বিভেদ বা বিভাজন সৃষ্টি করে দিচ্ছে এই ধর্মীয় শিক্ষা। যদিও বাম আমলে পশ্চিমবঙ্গে কিছু কিছু মাদ্রাসা শিক্ষায় আধুনিক শিক্ষার ব্যাবস্থা করা হয়েছে, কিন্তু গ্রামে গঞ্জে এখনও আছে ঐ ধরনের শিক্ষা এবং এগুলো মসজিদ দ্বারা পরিচালিত হয়। যদি বাংলাদেশ কে পাল্টাতে চান তবে আগে ধর্মের গোঁড়ামি থেকে বেড়িয়ে আসুন, এবং বন্ধ করে আধুনিক শিক্ষার ব্যবস্থা করুন আর মেয়েদের সমান মর্যাদা দিন। তারা কেবল সন্তান জন্ম দেবার মেশিন নয় বা যৌনতা মেটানোর যন্ত্র নয়। জণ্ম নিয়ন্ত্রণ করুন না হলে এমন একটা দিন আসবে সব কৃষি জমি বসত ভিটে হয়ে যাবে দেশ মরুভূমিতে পরিণত হয়ে যাবে। সৌদি আরব যেখানে এই ধর্মের উৎপত্তি তারা এখন সনাতন ধর্মের এবং খ্রীষ্টান দের ধর্ম গ্রন্থ এবং শিক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করতে চাইছে। আর আপনারা সেই ১৪০০ বছর আগে পরে থাকতে চাইছেন। আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে সব অস্ত্র বা বিমান দিয়ে গেছে একটাও নিজেরা তৈরি করতে পারেবে না। এমনকি গোলা বারুদ তাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে কিনতে হবে। কেন দিয়ে গেছে যে আমার থেকে অস্ত্র তো কিনতেই হবে, আর নিজেরা মারামারি করে মরবে। এক দিন এটাই আসবে কত টাকা আছে যে অত্যাধুনিক অস্ত্র কিনবেন, তৈরি করা শিখতে হবে না হলে ঐ তলোয়ার বা শোর্ড নিয়ে মিসাইলের বিরুদ্ধে লড়াই করতে যাবেন। জানেন তো মিসাইল কি, আপনার দেশে যেতে হবে না পাশের যে কোন জায়গা থেকে নিশানা করে কেবল মাত্র একটা সুইচ টিপে দেওয়া। এই ধর্মান্ধ গোরু থুরি গুরুর দল জানেন না বিজ্ঞান কি না করতে পারে। ঠাণ্ডা থাকুন কেবল আমার টা ভালো বাকি সব খারাপ এই ধারণা থেকে বেড়িয়ে আসুন। 

No comments:

Post a Comment

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...