ছবির নীচের লেখা টি পড়ুন কী অদ্ভুত ব্যাপার বাবা বাংলাদেশী ছেলে ভারতীয়। বাবা কে বাংলাদেশী বলে ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ঐ ক্যাম্পে বন্দি থাকা অবস্থায় নানান রকমের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে মারা গেছেন এখন ঐ মৃতদেহ ছেলেদের কাছে পৌঁছতে হবে। ছেলেরা বলছে বাবার মৃত্যু আমাদের কাছে কষ্টের কিন্তু ঐ মৃতদেহ আমারা নিতে পারব না, কারণ বাবা বাংলাদেশী বলে ডিটেনশন ক্যাম্পে বন্দি ছিল। চিন্তা নেই আমাদের রাজ্যেও তৈরি হয়েছে ডিটেনশন ক্যাম্পে যেতে হবে। সবার প্রিয় দিদি মুখে বলছেন NRC বা NRIC আমি করতে দেব না, কিন্তু তিনি ইতিমধ্যেই দুটো ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি করছেন। বলছেন। বিদেশী বন্দি দের সঠিক ভাবে রাখার জন্য। এই রাজ্যে সব জেল মিলে কত জন বিদেশি বন্দি আছে। কাগজ মিডিয়া বলছেন ১১০ জন, আর এই ১১০ জন কে রাখতে রাজারহাট আর বনগাঁয় তৈরি করা হচ্ছে। কয়েক বিঘা জমিতে ডিটেনশন ক্যাম্প, আমরা এটা জানি উনি মুখে অনেক ভালো কথা বলেন কিন্তু বাস্তবে তার উল্টো দেখা যায়। উনি রেল মন্ত্রী থাকার সময় গ্রুপ ডি নিয়োগের ফর্ম দিয়ে ছিলেন যা আজ পর্যন্ত দিনের আলো দেখেনি। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে কত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার ঠিক নেই। যে টা ক্ষতি কর বা তিনি ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবেন সেটা করেছেন। আর বাঙালি জাতি কে নিয়ে যখন নোংরা রাজনীতি চলছে তখন ক্ষমতা দখল করতে নানা কৌশল অবলম্বন করতে শুরু করে দিয়েছেন। ও দিকে সি বি আই আছে এই ভয়ে তিনি গোপনে কেন্দ্রীয় সরকারের এই বাঙালি বিদ্বেষী নীতি সমর্থন করেন। আসামের যে বাঙালি জাতি আজ বাংলাদেশী বলে ঘোষিত হয়েছেন, তার অধিকাংশই এই পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা তারা সরকারের কাছে আবেদন করে নথি চেয়েও পাননি। সেই জন্য শাসক দলের প্রতিনিধি অনেক বার আসামে গেছে, পাত্তা করতে পারে নি। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সহ সারা দেশে NRC বা NRIC যা হোক সেই সময়েও অনেকেই নথি খুঁজে পাবে না। অনেক জায়গায় বন্যা আগুনে পুড়ে যাওয়া অনেক ঘটনাই ঘটেছে। অর্থাৎ এই রাজ্যে NRC বা NRIC নামে বাঙালি কে বন্দি করতে হবে তাই আগে থেকেই তৈরি করা হচ্ছে ডিটেনশন ক্যাম্প।

No comments:
Post a Comment