বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে এটাই আসল ব্যাপার, ২০১১ সালের পরিবর্তন করা হয়েছিল। লুটে খাওয়ার জন্য, এবং বাংলা এবং বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করার জন্য কিছু মানুষ এক জোট হয়ে ছিল তার সাথে ছিল বাঙালি বিদ্বেষী একটা জন গোষ্ঠী। কি বাঙালি হিসেবে গর্ব বোধ হচ্ছে না। বাঙালি নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে আমলা অফিসার সকলে চোর লুটেরা। বাঙালি জাতিকে লুটে খাচ্ছে, দেখুন ইংরেজ আমলের শাসন কেমন, ইংরেজরা ইচ্ছে করলেই বাঙালি মা বোনে দের তুলে নিয়ে গিয়ে শয্যা সঙ্গী করত এবং জেলে বন্দি করতে পারলে তো কথাই ছিল না। আজ পশ্চিমবঙ্গরে জেলে মহিলা কয়েদি দের অবস্থা দেখুুন ভালো লাগছে না। ছাড়ুন ওরা ছোট বড় অপরাধ করে জেলে আছে ওদের আবার কেউ মানুষ ভাবে নাকি। কিন্তু সন্দেশখালির মা বোনেরা যা বলছে তাতে গর্ব করছেন না, বাঙালি জাতির এত ভালো উন্নয়ন দেখতে ভালো লাগছে তাই তো। চিন্তা নেই দিদি পাঁচ শো টাকা বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করে দিয়েছে এবার বাইক বাহিনী এসে আপনার বাড়ির মা বোনে দের বলল বলে চল পার্টি অফিসে সারা রাত আমাদের সাথে থাকবি। আর কন্যাশ্রী পাওয়া হলে তো কথাই নেই। লজ্জা কি দাদা পাঠিয়ে দেবেন কারণ দিদি ভাতা বাড়িয়ে দিয়েছে। একবার তো রেট বেঁধে দিয়ে ছিল। দেখল ওতে কিছু হচ্ছে না অতএব ভাতা দাও আর ভাই ভাইপো দের শেখানো হলো চাকরি পাসনি বিয়ে করে কি হবে রোজ রাতে নিত্য নতুন তুলে নিয়ে আসবি কারণ আমি তোদের হয়ে সরকারি টাকায় ভাতা দিয়ে দিচ্ছি। কারণ সন্দেশখালি তো এখন এর আগেও এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে আমরা চুপ করে ছিলাম। কারণ আমরা ভাতা জীবিতে পরিণত হয়ে গেছি। আমাদের মা বোনেরা ওতেই খুশি।আরেকটা বিষয় আছে পুরুষ যারা তাদের জন্য আছে চুরি, কাটমানি খাওয়া, মদ খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এই দেখুন সন্দেশখালির ছবি এছাড়া আরেকটা ছবি এখানে দিলাম, এই ছবিটি অনেক দিনের কিন্তু ছবির উপর লেখা টি দেখে নিনি ৫০০ বা ১০০০ টাকায় কি করতে পারে।
Anulekhon.blogspot.com
Saturday, 10 February 2024
পশ্চিমবঙ্গরে শিক্ষা সংস্কৃতি মূল্যবোধ রসাতলে।
বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে এটাই আসল ব্যাপার, ২০১১ সালের পরিবর্তন করা হয়েছিল। লুটে খাওয়ার জন্য, এবং বাংলা এবং বাঙালি জাতি কে ধ্বংস করার জন্য কিছু মানুষ এক জোট হয়ে ছিল তার সাথে ছিল বাঙালি বিদ্বেষী একটা জন গোষ্ঠী। কি বাঙালি হিসেবে গর্ব বোধ হচ্ছে না। বাঙালি নেতা মন্ত্রী থেকে শুরু করে আমলা অফিসার সকলে চোর লুটেরা। বাঙালি জাতিকে লুটে খাচ্ছে, দেখুন ইংরেজ আমলের শাসন কেমন, ইংরেজরা ইচ্ছে করলেই বাঙালি মা বোনে দের তুলে নিয়ে গিয়ে শয্যা সঙ্গী করত এবং জেলে বন্দি করতে পারলে তো কথাই ছিল না। আজ পশ্চিমবঙ্গরে জেলে মহিলা কয়েদি দের অবস্থা দেখুুন ভালো লাগছে না। ছাড়ুন ওরা ছোট বড় অপরাধ করে জেলে আছে ওদের আবার কেউ মানুষ ভাবে নাকি। কিন্তু সন্দেশখালির মা বোনেরা যা বলছে তাতে গর্ব করছেন না, বাঙালি জাতির এত ভালো উন্নয়ন দেখতে ভালো লাগছে তাই তো। চিন্তা নেই দিদি পাঁচ শো টাকা বাড়িয়ে ১০০০ টাকা করে দিয়েছে এবার বাইক বাহিনী এসে আপনার বাড়ির মা বোনে দের বলল বলে চল পার্টি অফিসে সারা রাত আমাদের সাথে থাকবি। আর কন্যাশ্রী পাওয়া হলে তো কথাই নেই। লজ্জা কি দাদা পাঠিয়ে দেবেন কারণ দিদি ভাতা বাড়িয়ে দিয়েছে। একবার তো রেট বেঁধে দিয়ে ছিল। দেখল ওতে কিছু হচ্ছে না অতএব ভাতা দাও আর ভাই ভাইপো দের শেখানো হলো চাকরি পাসনি বিয়ে করে কি হবে রোজ রাতে নিত্য নতুন তুলে নিয়ে আসবি কারণ আমি তোদের হয়ে সরকারি টাকায় ভাতা দিয়ে দিচ্ছি। কারণ সন্দেশখালি তো এখন এর আগেও এরকম অনেক ঘটনা ঘটেছে আমরা চুপ করে ছিলাম। কারণ আমরা ভাতা জীবিতে পরিণত হয়ে গেছি। আমাদের মা বোনেরা ওতেই খুশি।আরেকটা বিষয় আছে পুরুষ যারা তাদের জন্য আছে চুরি, কাটমানি খাওয়া, মদ খাওয়ার ব্যবস্থা আছে। এই দেখুন সন্দেশখালির ছবি এছাড়া আরেকটা ছবি এখানে দিলাম, এই ছবিটি অনেক দিনের কিন্তু ছবির উপর লেখা টি দেখে নিনি ৫০০ বা ১০০০ টাকায় কি করতে পারে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...



No comments:
Post a Comment