Anulekhon.blogspot.com

Monday, 19 August 2019

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে কম বেতনের কর্মী।

পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে কম বেতনের কর্মী, এরা কেউ কোনো বড়ো লোক বাড়ির ঝি নয়। এরা মি ডে মিলের রান্না কাজ করে, মিড ডে মিলের রাঁধুনি, এমন বেতন অনেক সময় বড়ো লোকের কাজের লোকের থেকেও কম বেতনে কাজ করে চলেছে। অনেকেই আছেন যারা মনে করেন বেতন না দিয়ে বাড়িতে ঝি রাখবেন। নিজের আয় মাসে এক লক্ষ টাকা ঝি কে এক মাসের বা ৩০ দিনের বেতন দেন পাঁচশ টাকা। সেই রকম একটা সরকারের কাজ করা অর্থাৎ মিড ডে মিলের রাঁধুনি বেতন ১৫০০ টাকা বেশিরভাগ বিদ্যালয়ে দুজন রাঁধুনির বেতন আসে। অর্থাৎ ১৫০০x২=৩০০০টাকা।এবার মাসে ২০ দিন কাজ করে তবে একদিনের একজনের রোজ দাঁড়ায় ১৫০০ কে ২০ দিয়ে ভাগ করলে দাঁড়ায় ৭৫ টাকা এক জন একদিনের কাজের জন্য পায় ৭৫টাকা। এবার যে shg দলের দশ জন কাজ করে, সেখানে ঐ ৩০০০ টাকা দশ জনে ভাগ করে নেয়, অর্থাৎ কুড়ি দিন কাজ করে একজন একদিনের মজুরি পায় ১৫ টাকা। কারণ সরকারি আদেশ দল কাজ করবে, অনেকেই বলবেন এরা খাবার পায়, বাড়ির জন্য নিয়ে যায়। এই নিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক অভিভাবক এমনকি কিছু শিক্ষক আছেন যারা এদের এই খাবার নিয়ে যাওয়া পছন্দ করে না। অনেকেই আছেন বলবেন অত কম বেতনে কাজ করে কেন? তার একটাই কারণ বাড়ির বাচ্ছাটার মুখে অন্ন তুলে দেওয়া। যা কুড়ি দিন তারা একটু খেতে পায়। এই মি ডে মিল সর্ব শিক্ষার অধীনে চলে না। কেন্দ্রীয় সরকারের সংস্থা হোক আর রাজ্য সরকার কি করে ৭৫ টাকা বা ১৫ টাকা রোজে কাজ করায় পৃথিবীর কোনো দেশে আছে! বাম আমলে নিয়োগ ২০০ টাকা বেতন, তার পর ধীরে ধীরে ২০১০ এসে ১৫০০ টাকা হয়। আবার ২০১২ সালের পর থেকে ১২ মাসের বেতনের বদলে ১০ মাসের বেতন পায়। কারণ দু মাস বিদ্যালয় ছুটি থাকে রান্না করতে হয় না। সত্যিই আমরা স্বাধীনতা ভোগ করছি, ব্রিটিশ বেনিয়া যেমন ভারতীয় দের বেগার খাটিয়ে নিত, বেতন দিত না। বেতন চাইলে জুটত বেত বা চাবুকের ঘা। বর্তমান স্বাধীন দেশের সরকার তার নাগরিকদের প্রায় বিনা বেতনে খাটিয়ে নিচ্ছে। আবার পান থেকে চুন খসলে হয়। তার যে কী হাল করবে, কেন অনেক চ্যালা চামুণ্ড আছে। 

No comments:

Post a Comment

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...