Anulekhon.blogspot.com

Thursday, 24 September 2020

গত 2006 থেকে চলে আসা যাত্রা পালা একুশের নির্বাচনে যবনিকা পড়ুক।

2006 অনেক আশা অনেক প্রতিশ্রুতি স্বপ্ন নিয়ে সিঙ্গুর কে ধ্বংস করে শুরু হয়েছিল, মা মাটি মানুষ যাত্রা পালা। আজ দশ বছর হতে চলল, একবার ভেবে দেখুন যত প্রতিশ্রুতি, ছিল একটা পুরণ হয়েছে। শিল্প হবে ছ শ একরে হয়নি, একজন শিল্পপতি আসেনি। দু লক্ষ বেকারের চাকরি বছরে চাকরি হয়েছে ঘুষ দিয়ে যে ঘুষ দিতে পারে নি তার নাম চাকরি পাওয়ার তালিকাতে থেকেও চাকরি পায় নি পরিবর্তে অনশন করতে হয়েছে সেখানে এক সন্তান সম্ভবা মা তার গর্ভের সন্তান হারিয়েছে তাতেও এই সরকার তাদের চাকরি দেয়নি। কেবল প্রতারণা আর মিথ্যে কথার ফুলঝুড়ি, সরকারি কর্মীদের ডি এ নিয়ে কম নাটক চলছে, নিয়োগ হয়েছে, 2000 থেকে 10000 টাকা বেতনের কর্মী আর নিজের বেতন বললেন এক টাকাও লাগবে না অথচ দেখুন সব থেকে বেশি বেতন নেন একজন মন্ত্রী এম এল এ। আর সারদা কেলেঙ্কারি সে নাই বা বললাম, ও বাঙালি জাতির গায়ে কলঙ্কের দাগ,বাঙালি চোর মিথ্যাবাদী খুনি। আর দলটির বর্তমান অবস্থা দেখুন, জেল ফেরত আসামি চরিত্রহীন খুনি তোলাবাজ চিটিংবাজ দের দলের বড়ো বড়ো পদে বসিয়ে দিয়েছে। যদি শিক্ষিত মানুষ হন এবং শিক্ষা যদি সঠিক হয় তাহলে বাংলার ইতিহাস দেখুন এ রকম শাসক আগে দেখেছেন! ডাঃ বিধান রায়, থেকেই সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়, জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য মাঝে আরও কয়েক জন ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী কাউকে চোরের জন্য মিছিল করতে দেখেছেন, না কারো বিরুদ্ধে সি বি আই তদন্ত হয়েছে, ঐ সব মুখ্যমন্ত্রী এত বড় মিথ্যাবাদী ছিল! দেখা যাচ্ছে ক্যামেরাতে টাকা নিচ্ছে , দেখা যাচ্ছে মানুষ কে ভোট দিতে দিচ্ছে না উন্নয়ন বোমা পিস্তল নিয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে যার কথায় পুলিশ কে বোম মেরে মেরে ফেলা হল। তাকে শাস্তি না দিয়ে যত্ন করে দলে রেখে দিয়েছে, গোটা দলটি তো চোর গুণ্ডা চিটিংবাজে ভরা যে 75% দিতে রাজি হননি তিনি বা তারা দল ছেড়ে বড়ো চোরের দলে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে। পার্ক সার্কাস, মধ্যম গ্রাম, কামদুনি এরকম আরও কত আছে একটাও বিচার হয়েছে না, যে মা গুলো আজ সন্তান হারানোর যন্ত্রণা বুকে বয়ে বেড়ায় সেই জানে কষ্ট কি? সন্তান নেই যার সে কি করে বুঝবে সন্তান হারানোর জ্বালা, মায়া মমতা বলে কিছু নেই, কেবল ক্ষমতা আর টাকা চাই এ কেমন শাসক যার কাছে জনগণের কোন দাম নেই। খালি টাকা আর টাকা, মা আজ কাঁদছে, আর মাটি সেতো জমি মাফিয়া দের দখলে আজ একটা জমি সুস্থ ভাবে কেনা বা বেচার উপায় নেই কোথা থেকে গণ্ডায় গণ্ডায় দালাল এসে হাজির হবে পার্সেন্টেজ নেবে এদের আবার অফিস খোলা আছে, বিভিন্ন বড় বড় রাস্তার ধারে বেশ সাজানো গোছানো অফিস। একটা ল্যাপটপ আর দুজন লোক আছে, কি সুন্দর ব্যবস্থা। যাত্রা পালার সবই যখন গেল তখন এই যাত্রা পালা এখানে মানে আগামী 2021 এর বিধানসভা নির্বাচনে সাঙ্গ হোক তবে বড়ো চিটিংবাজ এর দল কে এই রাজ্যে ক্ষমতায় এনে নয়, ও আরও বড় চোর সাধারণ মানুষ পায়ের তলায় পিষে মেরে ফেলবে যেমন ত্রিপুরায় চলছে। সাংঘাতিক দল কেন্দ্রীয় শাসক দল সে আরও উন্নত মানের চিটিংবাজ, সাধারণ মানুষ কে গরু ছাগল ভাবে, জনগণ কে জব্দ করতে কত রকম আইন, সি এএ, বিনা কারণে গ্রেফতার ইউ পি এ আইন যেটা ব্রিটিশ সরকার করে ছিল বর্তমানে কৃষক দের কর্পোরেট সংস্থার হাতে তুলে দেওয়ার বিল আইন, কৃষি জমি চাষী সাথে বা কৃষকের সাথে কর্পোরেট সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করে চাষ এবং সেই ফসল সরাসরি কিনে নেবে ঐ সংস্থা অন্য কোন ভাবে কৃষক বিক্রি করতে পারবেন না, আর দামও ঠিক করবে ঐ সংস্থার মালিক অর্থাৎ ব্রিটিশ আমলের নীল চাষ আরকি। শ্রমিক আইন বদল, যে কোন দিন ইচ্ছা করলে কোম্পানি ছাঁটাই করে দেবে, আর আগেই বলেছি বা লিখেছি সরকারি চাকরি ও স্থায়ী নয়। এরা ব্রিটিশদের সেই বণিকের শাসন ফিরিয়ে আনতে চাইছে এরা ব্রিটিশদের দালাল ছিল আজ পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।তাছাড়া এই রাজ্যে দেখুন আজ যারা তৃণমূল কাল তারা বি জে পি ফুলে ফুলে মাসতুত ভাই। এ বলে আমায় দেখ ও বলে আমায় দেখ মাঝখানে সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত। তাই বলছি এই রাজ্যে 2006 সাল থেকে শুরু মা মাটি মানুষ যাত্রা পালা শেষ হোক কিন্তু ঐ আরেকটা বড়ো অপেরা পার্টি কে ক্ষমতায় এনে বাঙালি জাতির ভবিষ্যৎ ধ্বংসের শেষ প্রান্তে নিয়ে যাবেন না। 

No comments:

Post a Comment

পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।

  ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...