কি মনে হয় আমি সকলকে মনে করিয়ে দিচ্ছি, কেন ঐ শিরোনাম দিলাম। মনে পরে দাদা 22/3/2020 রবিবার সকলে বিকেল বেলা থালা কাঁসর ঘন্টা বাজানোর কথা। সত্যই কি অভিনব চিন্তা। তার পরে কি দেখতে পেলাম লক ডাউন লক্ষ লক্ষ গরীব মানুষ যারা বাইরে কোথাও কাজ করতে গিয়ে ছিল। তাদের মাথার ছাদ চলে গেল আয় চলে গেল, পেটের ভাত যোগান বন্ধ হয়ে গেল। তারা কি করল কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে আরম করে দিল। এদের বাড়ি ফেরানোর কোন ব্যবস্থা নেই কারণ এরা গরীব ভিক্ষুক শ্রমিকের দল। এই শ্রমিকদের একটা দল যখন উত্তর প্রদেশে পৌঁছাল, উত্তর প্রদেশ সরকার আর এক ধাপ উপরে উঠে গিয়ে এদের গায়ে কীটনাশক স্প্রে করে শুদ্ধ করতে আরম করে দিল। এসব দেখে আমরা যারা সাধারণ মানুষ এই বাংলায় থাকি তারা অনেকেই হাততালি দিয়েছেন। এরা না খেয়ে বা আধ পেটা খেয়ে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি পৌঁছে কি লাভ হোল কীটনাশক স্প্রে করার ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে গেল। এদের খাবার দেওয়া চিকিৎসার ব্যবস্থা করা নৈব নৈব চ, কারণ এরা গরীব এরা মানুষ নয়, এরা শ্রমিক এরা মানুষ নয়, দেখে ছিলেন কাগজে বা টিভিতে দেখেছেন ডোনাল্ট ট্রাম্প গুজরাতে যাবেন যে রাস্তা দিয়ে যাবেন তার পাশের বস্তি এলাকা কয়েক কোটি টাকা খরচ করে পাঁচিল গেঁথে দেওয়া হল। তার পরও পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দু হাত তুলে এই দলটিকে সমর্থন করে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার গরীবের শত্রু এরা গরীব মানুষ কে মানুষ বলে মনে করেন না ।আপনি আজ নয় মিনিট বাতি জ্বেলে থাকবেন এতে জাতীয় সংহতি প্রকাশ করা হবে ।আর গরীব মানুষ খালি পেটে শুতে যাবে মানুষ হয়ে যাদের মানুষের প্রতি সামান্য দয়া মায়া নেই ।তাকে কি মানুষ বলা যায় ।আপনি আজ নয় মিনিট আলো বন্ধ করে প্রদীপ মোমবাতি জ্বালিয়ে রইলেন কাল দেখবেন ঘোষণা করা হবে ।NTPC তাদের কিছু ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে রাখবে কারণ কয়লা ঘাটতি এর পর শুনবেন NTPC বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে আদানি বা আম্বানী কে কি ভাবে না সরকার তাকে ঋণ দিয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা ।এর পর শুনে নেবেন ঐ ব্যাঙ্ক উঠে যাচ্ছে ।কারণ ঐ টাকা ঐ শিল্প পতিরা শোধ করেনি না করে বিদেশে চলে গেছে । আপনি জাতীয় সংহতি দেখিয়ে বাতি জ্বেলেছেন। এবার দেখবেন ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম মধ্যবিত্ত আর প্রান্তিক মানুষের বাড়িতে প্রদীপ মোমবাতি হ্যারিকেন লম্ফ আবার ফিরে আসছে কেরোসিন তেল ঐ শিল্প পতি বিক্রি করবে 100 টাকা লিটার ।খুব খুশি তাই না কারণ আপনি পেটের খিদে পেটে চেপে অন্ধকারে থেকে তখন অভ্যস্ত হয়ে গেছেন এবার আপনার ঠাঁই ছাগল গোরুর মতো ডিটেশন ক্যাম্প আপনার যতই 15 বা 20 রকম কার্ড থাক আপনি বিদেশী ।খুব সাবধানে থাকবেন আর বুঝে শুনে এ সব দল কে তার কিছু টা দোসর পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার কে ক্ষমতায় নিয়ে আসবেন। এরা চরম ধাপ্পাবাজ মুখে বলে এক আর করে আরেক, প্রতারণা এদের পরম ধর্ম টাকা লুঠ এদের ধ্যান জ্ঞান গরীব আর মধ্যবিত্ত কে পিষে মেরে ফেলতে পারলে এরা বাঁচে। ধনীর টাকা বারুক আর আমি রাজনীতি করে আমার 14 গোষ্ঠী সারা জীবন বসে বসে খাবে তার জন্য কোটি কোটি টাকা যেমন করে হোক আমার চাই। না হলে ভোটে দাঁড়াবার জন্য এত মারামারি কেন। ভাবুন এরা যদি জনগণের কথা ভাবত তাহলে ঐ কালা কানুন CAA বাতিল বলে ঘোষণা করে দিত। বলে দিত NPR হবে না। আমার মনে হয় ঐ দুজনের গায়ে মানুষের চামরা নেই বা মানুষের রূপ ধারী পশু। পশুর মায়া দয়া আছে তারাও প্রভু ভক্ত এরা তার থেকে অধম এদের ঐ নামে ডাকলে পশু লজ্জা পাবে। আর মিথ্যে কথা এতো বলে ভাবা যাবে না সেই জন্যই দেহরক্ষী নিয়ে ঘুরতে হয়। জানে আমরা মানুষের ভালো করব না। ঐ মুষ্ঠিমেয় কয়েক জন ধনীর আর আমার পরিবারের সম্পদ টাকা করতে ক্ষমতা দখল করেছি। মানুষ কে এরা ভয় পায় সেই জন্যই এদের পিছনে পিছনে দেহরক্ষী কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয় নিজের সুরক্ষার জন্য।Anulekhon.blogspot.com
Saturday, 4 April 2020
প্রদীপ মোমবাতি হ্যারিকেন লম্ফ জ্বালান, ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে না তো।
কি মনে হয় আমি সকলকে মনে করিয়ে দিচ্ছি, কেন ঐ শিরোনাম দিলাম। মনে পরে দাদা 22/3/2020 রবিবার সকলে বিকেল বেলা থালা কাঁসর ঘন্টা বাজানোর কথা। সত্যই কি অভিনব চিন্তা। তার পরে কি দেখতে পেলাম লক ডাউন লক্ষ লক্ষ গরীব মানুষ যারা বাইরে কোথাও কাজ করতে গিয়ে ছিল। তাদের মাথার ছাদ চলে গেল আয় চলে গেল, পেটের ভাত যোগান বন্ধ হয়ে গেল। তারা কি করল কিলোমিটারের পর কিলোমিটার পায়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে আরম করে দিল। এদের বাড়ি ফেরানোর কোন ব্যবস্থা নেই কারণ এরা গরীব ভিক্ষুক শ্রমিকের দল। এই শ্রমিকদের একটা দল যখন উত্তর প্রদেশে পৌঁছাল, উত্তর প্রদেশ সরকার আর এক ধাপ উপরে উঠে গিয়ে এদের গায়ে কীটনাশক স্প্রে করে শুদ্ধ করতে আরম করে দিল। এসব দেখে আমরা যারা সাধারণ মানুষ এই বাংলায় থাকি তারা অনেকেই হাততালি দিয়েছেন। এরা না খেয়ে বা আধ পেটা খেয়ে কয়েক কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি পৌঁছে কি লাভ হোল কীটনাশক স্প্রে করার ফলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে গেল। এদের খাবার দেওয়া চিকিৎসার ব্যবস্থা করা নৈব নৈব চ, কারণ এরা গরীব এরা মানুষ নয়, এরা শ্রমিক এরা মানুষ নয়, দেখে ছিলেন কাগজে বা টিভিতে দেখেছেন ডোনাল্ট ট্রাম্প গুজরাতে যাবেন যে রাস্তা দিয়ে যাবেন তার পাশের বস্তি এলাকা কয়েক কোটি টাকা খরচ করে পাঁচিল গেঁথে দেওয়া হল। তার পরও পশ্চিমবঙ্গের মানুষ দু হাত তুলে এই দলটিকে সমর্থন করে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকার গরীবের শত্রু এরা গরীব মানুষ কে মানুষ বলে মনে করেন না ।আপনি আজ নয় মিনিট বাতি জ্বেলে থাকবেন এতে জাতীয় সংহতি প্রকাশ করা হবে ।আর গরীব মানুষ খালি পেটে শুতে যাবে মানুষ হয়ে যাদের মানুষের প্রতি সামান্য দয়া মায়া নেই ।তাকে কি মানুষ বলা যায় ।আপনি আজ নয় মিনিট আলো বন্ধ করে প্রদীপ মোমবাতি জ্বালিয়ে রইলেন কাল দেখবেন ঘোষণা করা হবে ।NTPC তাদের কিছু ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদন বন্ধ করে রাখবে কারণ কয়লা ঘাটতি এর পর শুনবেন NTPC বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে আদানি বা আম্বানী কে কি ভাবে না সরকার তাকে ঋণ দিয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকা ।এর পর শুনে নেবেন ঐ ব্যাঙ্ক উঠে যাচ্ছে ।কারণ ঐ টাকা ঐ শিল্প পতিরা শোধ করেনি না করে বিদেশে চলে গেছে । আপনি জাতীয় সংহতি দেখিয়ে বাতি জ্বেলেছেন। এবার দেখবেন ইউনিট প্রতি বিদ্যুতের দাম মধ্যবিত্ত আর প্রান্তিক মানুষের বাড়িতে প্রদীপ মোমবাতি হ্যারিকেন লম্ফ আবার ফিরে আসছে কেরোসিন তেল ঐ শিল্প পতি বিক্রি করবে 100 টাকা লিটার ।খুব খুশি তাই না কারণ আপনি পেটের খিদে পেটে চেপে অন্ধকারে থেকে তখন অভ্যস্ত হয়ে গেছেন এবার আপনার ঠাঁই ছাগল গোরুর মতো ডিটেশন ক্যাম্প আপনার যতই 15 বা 20 রকম কার্ড থাক আপনি বিদেশী ।খুব সাবধানে থাকবেন আর বুঝে শুনে এ সব দল কে তার কিছু টা দোসর পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার কে ক্ষমতায় নিয়ে আসবেন। এরা চরম ধাপ্পাবাজ মুখে বলে এক আর করে আরেক, প্রতারণা এদের পরম ধর্ম টাকা লুঠ এদের ধ্যান জ্ঞান গরীব আর মধ্যবিত্ত কে পিষে মেরে ফেলতে পারলে এরা বাঁচে। ধনীর টাকা বারুক আর আমি রাজনীতি করে আমার 14 গোষ্ঠী সারা জীবন বসে বসে খাবে তার জন্য কোটি কোটি টাকা যেমন করে হোক আমার চাই। না হলে ভোটে দাঁড়াবার জন্য এত মারামারি কেন। ভাবুন এরা যদি জনগণের কথা ভাবত তাহলে ঐ কালা কানুন CAA বাতিল বলে ঘোষণা করে দিত। বলে দিত NPR হবে না। আমার মনে হয় ঐ দুজনের গায়ে মানুষের চামরা নেই বা মানুষের রূপ ধারী পশু। পশুর মায়া দয়া আছে তারাও প্রভু ভক্ত এরা তার থেকে অধম এদের ঐ নামে ডাকলে পশু লজ্জা পাবে। আর মিথ্যে কথা এতো বলে ভাবা যাবে না সেই জন্যই দেহরক্ষী নিয়ে ঘুরতে হয়। জানে আমরা মানুষের ভালো করব না। ঐ মুষ্ঠিমেয় কয়েক জন ধনীর আর আমার পরিবারের সম্পদ টাকা করতে ক্ষমতা দখল করেছি। মানুষ কে এরা ভয় পায় সেই জন্যই এদের পিছনে পিছনে দেহরক্ষী কোটি কোটি টাকা খরচ করতে হয় নিজের সুরক্ষার জন্য।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংসের দিকে।
ব্রিটিশ ভারতের একমাত্র রাজ্য যেখানে প্রথম পাশ্চাত্য শিক্ষার হাত ধরে আধুনিক শিক্ষা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা গড়ে উঠেছিল। এক সময় বাঙা...
-
সরস্বতী পুজোর পদ্ধতি, পরপর যা করতে হবে।১)আচমন ২)বিষ্ণু স্মরণ ৩)স্বত্ত্বি বাচন ৪) স্বত্ত্বি সূক্ত ৫) সাক্ষ্য মন্ত্র ৬) বরণ ৭) সংকল্প ৮) স...
-
আমি এর আগে একটি ব্লগে লিখেছি, দুর্গা যষ্টী পূজার মন্ত্র ।এখানে বলি আমি পণ্ডিত নই, বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে, আর দু একজন ব্রাহ্মণের সাথে কাজ ...
-
ছবি টি কীসের বা কোন প্রাণীর নিশ্চয়ই বলে দিতে হবে না। মানুষের প্রথম পোষ মানা প্রথম প্রাণী, হয়তো অনেকেই পড়ে বলবেন এবার নতুন কী এতো আমরা স...
No comments:
Post a Comment